Tag: Supreme court

Supreme court

  • RG Kar Incident: ‘‘কেন ছড়িয়ে পড়ল নির্যাতিতার ছবি-নাম?’’ আরজি কর কাণ্ডে প্রশ্ন উদ্বিগ্ন সুপ্রিম কোর্টের

    RG Kar Incident: ‘‘কেন ছড়িয়ে পড়ল নির্যাতিতার ছবি-নাম?’’ আরজি কর কাণ্ডে প্রশ্ন উদ্বিগ্ন সুপ্রিম কোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি কর (RG Kar Incident) হাসপাতালে কর্মরত তরুণী চিকিৎসকের ধর্ষণ ও খুনের প্রতিবাদে রাস্তায় নেমেছে গোটা দেশ। সকলেই সুবিচারের জন্য লড়ছেন। আরজি কর কাণ্ডের এই ঘটনার প্রায় দেড় সপ্তাহ কেটে গিয়েছে। ইতিমধ্যেই বিভিন্ন মাধ্যমে সামনে এসেছে নির্যাতিতার নাম। ছড়িয়ে পড়েছে ছবিও। এবার তা নিয়েই প্রশ্ন তুলল সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court)। প্রসঙ্গত, এই মামলার শুনানি শুরু হয়েছে সুপ্রিম কোর্টে। সেখানেই মামলা চলাকালীন কার্যত উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড়।

    কী নির্দেশ দিল শীর্ষ আদালত? (RG Kar Incident) 

    এ প্রসঙ্গে শীর্ষ আদালত (Supreme Court) জানিয়েছে, ‘‘আমরা নির্দেশ দিচ্ছি মৃতের নাম ছবি প্রকাশ করা যাবে না। সমস্ত স্যোশাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম থেকে মৃতের ছবি সরাতে হবে।’’ আসলে এদিন মামলা চলাকালীন দুজন আইনজীবী অভিযোগ করেছিলেন যে, মৃতের ছবি-নাম কোথাও কোথাও প্রকাশ করা হচ্ছে। এর পরেই প্রধান বিচারপতি বলেন, “নির্যাতিতার নাম ও ছবি ছড়িয়ে পড়েছে। এমনকী ময়নাতদন্তের আগের ও পরের ভিডিও ক্লিপ ছড়িয়ে পড়েছে, যেখানে দেহ দেখা যাচ্ছে। একটা প্যারামিটার আছে, সুপ্রিম কোর্টের গাইডলাইনও আছে। তারপর কীভাবে এটা হল?” এরপরেই প্রধান বিচারপতি বলেন, ‘‘একজন তরুণী চিকিৎসকের মৃত্যু হয়েছে, তাঁকে এইটুকু মর্যাদা দেওয়া উচিত।’’ প্রধান বিচারপতির প্রশ্নের মুখে আইনজীবী (রাজ্য সরকারের তরফে) কপিল সিব্বল বলেন, ‘‘পুলিশ যাওয়ার আগেই ছবি তোলা হয়েছে। আমরা পুরো জায়গাটা ঘিরে রেখেছিলাম।’’

    আরও পড়ুন: এক বছরে ভারতে ইন্টারনেট গ্রাহক বেড়েছে ৭.৩ কোটি! বৃদ্ধি ব্রডব্যান্ড সংখ্যাতেও

    প্রসঙ্গত, সুপ্রিম কোর্টের (Supreme Court) গাইডলাইনই শুধু নয়, নির্যাতিতার নাম প্রকাশ্যে আনার ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট আইনও আছে। ভারতীয় আইনে ধর্ষণ বা যৌন হেনস্থার ঘটনায় নির্যাতিতার নাম, পরিচয় বা ছবি প্রকাশ করা যায় না। এমন কোনও তথ্য যা প্রকাশ করলে নির্যাতিতার পরিচয় জানা যেতে পারে, তাও প্রকাশ করা যায় না। আসলে আরজি কর (RG Kar Incident) হাসপাতালের চিকিৎসকের ধর্ষণ ও খুনের ঘটনায় তোলপাড় কলকাতা সহ গোটা রাজ্য। এই আবহে মানুষ প্রতিবাদ করছেন রাস্তায় ও সোশ্যাল মিডিয়ায়। এহেন পরিস্থিতিতে অনেকেই নির্যাতিতার ছবি পোস্ট করছেন সোশ্যাল মিডিয়ায়। জাস্টিস দাবি সহ নাম দিয়ে তৈরি হয়েছে হ্যাশট্যাগ। তাই আইন অনুযায়ী নির্যাতিতার নাম প্রকাশ্যে আনা বন্ধ করতে এই নির্দেশ দিল আদালত।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • RG Kar Incident: মুখ্যমন্ত্রীর পদত্যাগ দাবি, আরজি কর কাণ্ডে শ্যামবাজারে আজ থেকে ধর্না বিজেপির

    RG Kar Incident: মুখ্যমন্ত্রীর পদত্যাগ দাবি, আরজি কর কাণ্ডে শ্যামবাজারে আজ থেকে ধর্না বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি কর (RG Kar Incident) হাসপাতালে তরুণী শিক্ষানবিশ ডাক্তারের ধর্ষণ ও খুনের ঘটনায় প্রতিবাদের ঝাঁঝ ক্রমশ বাড়াচ্ছে বঙ্গ বিজেপি (BJP Protest)। আরজি কর কাণ্ডের প্রতিবাদে আজ, বুধবার থেকে ৫ দিনের জন্য শ্যামবাজারে ধর্না কর্মসূচি করবে বিজেপি। দুপুর ১২টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত ধর্না চলবে। গতকাল ধর্না মঞ্চ প্রস্তুত করার অনুমতি দিয়েছে কলকাতা হাইকোর্ট। ধর্না মঞ্চ থেকেই রাজ্যে প্রশাসনের ব্যর্থতা নিয়ে সরব হতে পারে গেরুয়া শিবির। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) পদত্যাগের দাবিও জানাতে পারে বঙ্গ বিজেপি।

    ধর্না মঞ্চ পরিদর্শন

    আরজি কর-কাণ্ডের (RG Kar Incident) প্রতিবাদে ধারাবাহিক ভাবে পথে নামার কথা রবিবার ঘোষণা করেছিলেন রাজ্য বিজেপির (BJP Protest) সভাপতি তথা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার। আরজি কর হাসপাতালের অদূরে শ্যামবাজারে পাঁচ মাথার মোড়ে ধর্না কর্মসূচির কথাও ঘোষণা করা হয় বিজেপির পক্ষে। কিন্তু পুলিশ অনুমতি দেয়নি। এরপর হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয় তারা। মঙ্গলবার শ্যামবাজারে বিজেপিকে ধর্না কর্মসূচির অনুমতি দেয় কলকাতা হাইকোর্ট। এরপরই ধর্না স্থল পরিদর্শন করেন সুকান্ত মজুমদার। সুকান্তর কথায়, স্বাস্থ্য ভবন হল ঘুঘুর বাসা। তাই এই প্রতিবাদ। অবিলম্বে আসল অপরাধীদের গ্রেফতার করার দাবি জানাচ্ছে বিজেপি। পুলিশ এবং আরজিকর প্রশাসনের কর্তাদের মধ্যে টেলিফোনিক কথাবার্তায় নজর দিক সিবিআই, তাহলেই সত্যি সামনে আসবে।

    আরও পড়ুন: দাবি মুখ্যমন্ত্রীর পদত্যাগ, এবিভিপির স্বাস্থ্যভবন অভিযান ঘিরে রণক্ষেত্র সল্টলেক

    বিজেপির দাবি 

    আজ, বুধবার আরজি কর ইস্যুকে (RG Kar Incident) হাতিয়ার করে এক মঞ্চে পাশাপাশি বসতে চলেছেন সুকান্ত-শুভেন্দু-দিলীপরা (BJP Protest)। একযোগে তাঁরা মুখ্যমন্ত্রীর পদত্যাগের দাবি জানাবেন। মঙ্গলবার সুকান্ত জানান, দেশের শীর্ষ আদালতের নির্দেশ থেকে স্পষ্ট রাজ্যের পুলিশ-প্রশাসনের উপর সুপ্রিম কোর্টের আস্থা নেই। আরজি কর-এর নিরাপত্তার দায়িত্ব কেন্দ্রীয় বাহিনীকে দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। নারী নিরাপত্তার ইস্যুতে উত্তাল রাজ্য। ধর্না কর্মসূচির পাশাপাশি বৃহস্পতিবার স্বাস্থ্যভবন অভিযানের ডাকও দিয়েছে বিজেপি। শুক্রবার শ্যামবাজারের বিজেপির ধর্না কর্মসূচিতে বাধা দিয়েছিল পুলিশ। মঞ্চ খুলে দেওয়া হয়। তাই এবার আদালতের অনুমতি নিয়ে ধর্নায় বসতে চলেছে বঙ্গ বিজেপি।  কর্মসূচিগুলোতে বিভিন্ন সময়ে থাকবেন সুকান্ত মজুমদার, শুভেন্দু অধিকারী-সহ রাজ্য নেতারা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • RG Kar Incident: ব্যর্থ রাজ্য, আরজি করের নিরাপত্তার দায়িত্বে কেন্দ্রীয় বাহিনী, নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের

    RG Kar Incident: ব্যর্থ রাজ্য, আরজি করের নিরাপত্তার দায়িত্বে কেন্দ্রীয় বাহিনী, নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি কর হাসপাতালে (RG Kar Incident) চিকিৎসকদের নিরাপত্তা দিতে ব্যর্থ রাজ্য প্রশাসন। আরজি কর মেডিক্যাল কলেজের নিরাপত্তা দায়িত্বে এবার কেন্দ্রীয় বাহিনী। স্বাধীনতার দিন রাতেই ভাঙচুর হাসপাতালে, পরপর এ ধরনের ঘটনা কী করে সম্ভব! আরজি কর নিয়ে বিস্মিত শীর্ষ আদালত (Supreme Court)। আরজি কর নিয়ে মঙ্গলবার আরজি কর মামলার শুনানিতে একাধিক বিষয় নিয়ে পর্যবেক্ষণ এবং গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশ দেয় দেশের প্রধান বিচারপতির বেঞ্চ।

    শীর্ষ আদালতের অভিমত

    মঙ্গলবার সুপ্রিম কোর্টে আরজি কর (RG Kar Incident) মামলার শুনানি ছিল। সেই শুনানিতে প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড় বলেন, ‘‘আমরা আরজি কর হাসপাতালে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করছি।’’ চিকিৎসকেরা যাতে আবার কাজে ফিরতে পারেন, তাই এমন সিদ্ধান্ত বলে জানায় শীর্ষ আদালত। সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court) এদিন নির্দেশ দেয়, হাসপাতাল এবং হস্টেলে নিরাপত্তার দায়িত্ব সিআরপিএফ বা সিআইএসএফের মতো আধা সামরিক বাহিনীকে নিতে হবে। এত দিন আরজি করে নিরাপত্তা দিচ্ছিল পুলিশ, এবার আরজি করের নিরাপত্তার দায়িত্ব নিতে চলেছে কেন্দ্রীয় বাহিনী।

    চিকিৎসকদের নিরাপত্তাহীনতা

    মহিলা চিকিৎসক খুনের ঘটনা প্রকাশ্যে আসার পর থেকেই উত্তাল আরজি কর (RG Kar Incident)। বিক্ষোভ চলছে হাসপাতাল চত্বরে। হাসপাতালের নিরাপত্তা ব্যবস্থাও নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। আন্দোলনকারীরা যেমন ধর্ষণ এবং খুনের ঘটনায় বিচারের দাবি তুলছেন, তেমনই নিরাপত্তা সুনিশ্চিতের কথাও বলছেন। মঙ্গলবারের শুনানিতে সেই বিষয়টি উঠে আসে। সুপ্রিম কোর্টের (Supreme Court) প্রধান বিচারপতির বেঞ্চ এদিন পর্যবেক্ষণে জানায়, আমাদের দেশে জুনিয়র ডাক্তাররা নিরপত্তাহীনতায় ভুগছেন, চিকিৎসকদের কোনও ডিউটিরুম নেই। শুধু তাই নয়, ডিউটি রুম, পৃথক রেস্টরুম নেই, টানা ৩৬ ঘণ্টা কাজ করতে হচ্ছে, কর্মক্ষেত্রে নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে বলে জানায় শীর্ষ আদালত।

    আরও পড়ুন: এফআইআর করতে দেরি কেন? প্রশ্ন রাজ্যকে, মামলার স্টেটাস রিপোর্ট তলব সুপ্রিম কোর্টের

    পুলিশের লজ্জা!

    এদিন শুনানি চলাকালীন আরজি করের (RG Kar Incident) নিরাপত্তা নিয়ে ১৪ অগাস্টের কথা উল্লেখ করেন প্রধান বিচারপতি। আরজি কর হাসপাতালে ভাঙচুরের ঘটনায় পুলিশের ভূমিকা নিয়ে উষ্মাপ্রকাশ করে শীর্ষ আদালত (Supreme Court)। আরজি করের সামগ্রিক ঘটনায় পুলিশের ভূমিকায় প্রশ্ন তুলে প্রধান বিচারপতি বলেন, “প্রথমে ঠিক ভাবে এফআইআর করা হয়নি। পুলিশ কী করছিল? একটা হাসপাতালের মধ্যে এত বড় ঘটনা ঘটে গেল। পুলিশ কি হাসপাতাল ভাঙচুর করার অনুমতি দিচ্ছিল?” স্বাধীনতা দিবসের রাতে কোনও রাজ্যে এই ঘটনা কীভাবে ঘটে তা নিয়েও বিস্ময় প্রকাশ করেন প্রধান বিচারপতি। রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে প্রশ্ন তুলে সলিসিটর জেনারেলের যুক্তি, “৫০০ লোকের জমায়েত হলে আমরা বলি ভালো লোক এসেছে। সেখানে সাত হাজার লোক হাসপাতাল ভাঙচুর করল। এটা কি আইনশৃঙ্খলার নমুনা?”

    নির্যাতিতার পরিচয় প্রকাশ (RG Kar Incident) 

    প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড় এদিন প্রশ্ন করেন, মহিলারা নিরাপদে কাজে যেতে না পারলে, সমাজে সবার অধিকার থাকবে কী ভাবে? তাঁর মন্তব্য, “মৃতার নাম ও ছবি ছড়িয়ে পড়ার ঘটনায় আমরা খুবই উদ্বিগ্ন। বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে দেখানো হচ্ছে।” আগামী ২৩ অগাস্ট এই মামলার পরবর্তী শুনানি (Supreme Court) রয়েছে। দেশ জুড়ে আন্দোলনরত চিকিৎসকরা যাতে কাজে ফেরেন, সেই অনুরোধও করেন প্রধান বিচারপতি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • RG Kar Incident: এফআইআর করতে দেরি কেন? প্রশ্ন রাজ্যকে, মামলার স্টেটাস রিপোর্ট তলব সুপ্রিম কোর্টের

    RG Kar Incident: এফআইআর করতে দেরি কেন? প্রশ্ন রাজ্যকে, মামলার স্টেটাস রিপোর্ট তলব সুপ্রিম কোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি কর হাসপাতালে তরুণী পড়ুয়া-চিকিৎসক ধর্ষণ ও খুনের ঘটনায় সুপ্রিম কোর্টে চাপের মুখে রাজ্য। শুরু থেকেই প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড়ের একের পর এক প্রশ্নের মুখে পড়তে হয় রাজ্যকে। দেহ দেখার পর কার অভিযোগের ভিত্তিতে প্রথম এফআইআর? দেহ হস্তান্তরের তিন ঘণ্টা পর কেন এফআইআর? রাজ্যকে প্রশ্ন করলেন প্রধান বিচারপতি। একই সঙ্গে মঙ্গলবার প্রধান বিচারপতি স্পষ্ট করে জানিয়ে দিলেন, কলকাতা হাইকোর্টে নয়, আরজি কর মামলার শুনানি হবে সুপ্রিম কোর্টেই। আরজি কর কাণ্ডে আগামী বৃহস্পতিবারের মধ্যে সিবিআইকে মামলার তদন্ত সংক্রান্ত স্টেটাস রিপোর্ট জমা করতে হবে দেশের শীর্ষ আদালতে। ২২ অগাস্ট, এই মামলায় পরবর্তী শুনানি।

    সুপ্রিম-প্রশ্নে জেরবার রাজ্য

    এদিন আরজি কর এর ঘটনার ভয়াবহতা নিয়ে বিস্ময় প্রকাশ করেন প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড়। রাজ্যের তরফে এদিন সওয়াল করেন আইনজীবী কপিল সিব্বল, অভিষেক মনু সিংভি-সহ অন্য আইনজীবীরা। এদিন প্রথমেই বিচারপতি জেবি পারদিওয়ালা জানতে চান, এই ঘটনায় কার অভিযোগের ভিত্তিতে এবং কখন প্রথম এফআইআর দায়ের হয়েছিল? এর পরই প্রধান বিচারপতির প্রশ্ন করেন, “সৎকারের জন্য মৃতদেহ কখন পরিবারকে দেওয়া হয়? এফআইআর দায়ের হওয়ার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই দেহ দিয়ে দিলেন?” পরিবারের তরফে এফআইআর দায়ের হয়েছে শুনে আরও ক্ষুব্ধ হন প্রধান বিচারপতি। তিনি জানতে চান, কেন পরিবারের তরফে প্রথম এফআইআর দায়ের হল? প্রিন্সিপ্যাল, ভাইস প্রিন্সিপ্যাল কী করছিলেন? প্রধান বিচারপতির প্রশ্ন, “বিকালে ময়নাতদন্তের রিপোর্টে বলা হয় খুন। এফআইআর দায়ের হয়েছিল বেলা ১১টা ৪৫ মিনিটে। সে সময়ে নির্যাতিতার বাবা-মা ছিলেন না, তখন হাসপাতালেরই দায়িত্ব ছিল এফআইআর দায়ের করা।” শীর্ষ আদালতের এই প্রশ্নের কোনও উত্তর দিতে পারেনি রাজ্য।

    স্বাধীনতার দিন রাতে ভাঙচুর!

    স্বাধীনতা দিবসের দিন রাজ্য কী ভাবে হাসপাতাল ভাঙচুর করতে দিল?” সেই প্রশ্নও তোলেন প্রধান বিচারপতি। তিনি বলেন, “চিকিৎসা পেশায় হিংসা রুখতে হবে। অনেকে মনের মধ্যে গেঁথে রয়েছে, এই সমাজ পুরুষশাসিত। সেখানে মহিলারা আরও বেশি করে নিশানা হচ্ছেন। এটা দুঃখজনক।” সন্দীপ ঘোষ আরজি করের অধ্যক্ষ পদে ইস্তফা দেওয়ার পর কী ভাবে আবার অন্য কোথাও যোগ দিলেন, তা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছে সুপ্রিম কোর্ট।

    আরও পড়ুন: ‘‘আমাদের আগে ৩টি বডি ছিল’’! দাবি নির্যাতিতার বাবার, সৎকারে কেন তৎপর পুলিশ?

    সিবিআইকে রিপোর্ট দেওয়ার নির্দেশ

    কলকাতার সরকারি হাসপাতালে মহিলা শিক্ষানবিশ চিকিৎসকের ধর্ষণ ও খুনের ঘটনায় স্বতঃপ্রণোদিত মামলা করেছিল সুপ্রিম কোর্ট। মঙ্গলবার সেই মামলার শুনানি ছিল দেশের প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড়ের নেতৃত্বাধীন বেঞ্চে। এদিন বৃহস্পতিবারের মধ্যে সিবিআইয়ের থেকে স্ট্যাটাস রিপোর্ট তলব করে শীর্ষ আদালত। প্রধান বিচারপতি মন্তব্য করেন, একটি ন্যাশনাল টাস্ক ফোর্স গঠন করা হবে। চিকিৎসকদের নিরাপত্তা সংক্রান্ত বিষয়টি অনুসন্ধান করে দেখবে সেই টাস্ক ফোর্স। মহিলারা যাতে আরও বেশি করে কাজে যোগদানে উৎসাহ পান, সে দিকে নজর দেওয়ার পরামর্শ দেন প্রধান বিচারপতি। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Supreme Court: কিশোরীদের যৌন সংযম নিয়ে কলকাতা হাইকোর্টের রায় বাতিল সুপ্রিম কোর্টে

    Supreme Court: কিশোরীদের যৌন সংযম নিয়ে কলকাতা হাইকোর্টের রায় বাতিল সুপ্রিম কোর্টে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘‘কিশোরীদের যৌন ইচ্ছা নিয়ন্ত্রণ করা উচিত’’। কলকাতা হাইকোর্টের এ সংক্রান্ত মন্তব্য ও রায়কে সোমবার বাতিল করল সুপ্রিমকোর্ট (Supreme Court)। এদিনই বিচারপতি এএস ওকার নেতৃত্বাধীন বেঞ্চ কিশোর-কিশোরীদের সম্পর্কিত মামলায় কীভাবে রায় লিখতে হবে, সে বিষয়েও বিচারকদের জন্য নির্দেশিকা জারি করেছে। ওই নির্দেশিকায় উল্লেখ করা হয়েছে, এ সংক্রান্ত মামলার রায় দানের ক্ষেত্রে অবশ্যই সংবেদনশীল হতে হবে। থাকতে হবে সতর্কও।

    শাস্তির ক্ষেত্রে কমিটি গঠন সুপ্রিম কোর্টের (Supreme Court)

    প্রসঙ্গত, গত বছর কলকাতা হাইকোর্ট এক নাবালিকা কিশোরীকে ধর্ষণের দায়ে অভিযুক্ত এক দোষীকে খালাস করে। কিশোরীর সঙ্গে ওই ব্যক্তির প্রেমের সম্পর্ক ছিল। সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court) এদিন কলকাতা হাইকোর্টের সেই রায়কেই বাতিল করেছে এবং সুপ্রিম কোর্টের বেঞ্চ এ দিন জানিয়েছে, বিশেষজ্ঞদের নিয়ে একটি কমিটি তৈরি করা হবে। এই কমিটি ওই নাবালিকা ধর্ষণের মামলায় অভিযুক্তের শাস্তির বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে।

    প্রকৃত ঘটনা

    গত বছরই এক নাবালিকাকে ধর্ষণের মামলা উঠেছিল কলকাতা হাইকোর্টে। নাবালিকার সঙ্গে অভিযুক্তের প্রেমের সম্পর্ক ছিল বলে জানা যায়। ভুক্তভোগী পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে পকসো আইনে মামলাটি দায়ের করা হয়। সেই মামলায় অভিযুক্তকে বেকসুর খালাস দেওয়ার পাশাপাশি বিতর্কিত মন্তব্য করেছিলেন বিচাপতি চিত্তরঞ্জন দাস এবং বিচারপতি পার্থসারথি সেন। কিশোরীদের যৌন উত্তেজনা নিয়ন্ত্রণ করতে হবে বলে পর্যবেক্ষণে জানিয়েছিল ডিভিশন বেঞ্চ। সাময়িক সুখের জন্য কিশোরী সমাজের চোখে গুরুত্ব হারাবে বলেও হাইকোর্টের পর্যবেক্ষণে জানানো হয়েছিল। 

    সংবিধানের ২১ নং ধারা লঙ্ঘন করা হয়েছে রায়ে, আগেই বলে শীর্ষ আদালত

    এই রায়ের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে (Supreme Court) দায়ের করা হয়েছিল স্বতঃপ্রণোদিত মামলা। হাইকোর্টের (Calcutta High Court) এই রায় নিয়েই গত জানুয়ারি মাসে প্রশ্ন তুলেছিল সুপ্রিম কোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ। সেই সঙ্গে হাইকোর্টের রায়ে সংবিধানের ২১ নম্বর ধারায় উল্লেখিত স্বাধীনভাবে বাঁচার অধিকারও লঙ্ঘন করা হয়েছে বলে তখন জানায় সুপ্রিম কোর্ট। এদিন হাইকোর্টের বিচারপতিদের করা মন্তব্য সহ গোটা রায় খারিজ করল সুপ্রিম কোর্ট।

     
    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Triple Talaq: ‘তিন তালাক বিপজ্জনক’, সুপ্রিম কোর্টে হলফনামা দিয়ে জানাল কেন্দ্র

    Triple Talaq: ‘তিন তালাক বিপজ্জনক’, সুপ্রিম কোর্টে হলফনামা দিয়ে জানাল কেন্দ্র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘তিন তালাক (Triple Talaq) প্রথা বিবাহ নামক সামাজিক প্রতিষ্ঠানের পক্ষে বিপজ্জনক। এটা মুসলমান মহিলাদের জীবনকে দুর্বিষহ করে তোলে।’ সোমবার সুপ্রিম কোর্টে (Supreme Court) হলফনামা জমা দিয়ে একথা জানাল কেন্দ্র।

    সুপ্রিম-শুনানিতে কী বলল কেন্দ্র? (Triple Talaq)

    শীর্ষ আদালতে জমা দেওয়া হলফনামায় কেন্দ্র জানিয়েছে, যাঁরা তিন তালাকের শিকার হন, তাঁদের পুলিশের কাছে যাওয়া ছাড়া অন্য কোনও উপায় থাকে না। কিন্তু আইনে শাস্তিমূলক ধারা না থাকলে পুলিশকর্মীরা নিরুপায় বোধ করতেন। অভিযুক্ত স্বামীর বিরুদ্ধে পুলিশ কোনও পদক্ষেপ করতে পারত না। তাই বেআইনি হলেও, অবাধে চলছিল এই প্রথা। যা কোনওভাবেই কাম্য নয়। এটা বন্ধ করতেই দ্রুত কঠোর আইনি ব্যবস্থার প্রয়োজন ছিল।

    তিন তালাক বন্ধ করতে দরকার শাস্তির বিধান

    কেন্দ্র আরও জানায়, দেশের শীর্ষ আদালত বারবার বলেছে আইন তৈরি করার কাজ আদালতের নয়, সংসদের। তাই আইন কী হবে, সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে সংসদ, আদালত নয়। দেশবাসীর জন্য কোনটা ভালো আর কোনটা মন্দ তা নির্ধারণ করেই আইন তৈরি করে সংসদ। অপরাধের ক্ষেত্রে তার উপযুক্ত শাস্তি নির্ধারণ করাই সরকারের প্রধান কাজ। কেন্দ্রের তরফে মনে করিয়ে দেওয়া হয়, সায়রা বানুর ঘটনার পর তিন তালাক (Triple Talaq) অবৈধ ঘোষণা হলেও, সমাজে তার কোনও প্রভাব পড়েনি। কারণ এখানে শাস্তির বিধান ছিল না।

    আরও পড়ুন: নবান্ন অভিযানের ডাক, ফের ঝান্ডাহীন আন্দোলনের পক্ষে সওয়াল শুভেন্দুর

    কীসের ভিত্তিতে মামলা চলছে?

    ২০১৭ সালের অগাস্ট মাসে সুপ্রিম কোর্ট তিন তালাক প্রথাকে অসাংবিধানিক আখ্যা  দেয়। ২০১৯ সালে সংসদে পাশ হয় মুসলিম মহিলা (বিবাহের নিরাপত্তা অধিকার) আইন। এই প্রথাকে শাস্তিযোগ্যঠ অপরাধ হিসেবে গণ্য করা হয়। যার জেরে কেউ তিন তালাক দিলে তাঁর তিন বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড হতে পারে। এর পরেই সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয় কেরলের জমাইতুল উলেমা নামে একটি সংগঠন। শীর্ষ আদালতে দায়ের করা মামলায় বলা হয়, ২০১৯ সালে সংসদে পাশ হওয়া আইন অসাংবিধানিক। তাই বাতিল করা হোক। এই (Supreme Court) আইন মৌলিক অধিকার লঙ্ঘন করছে। ধর্মের ভিত্তিতে তিন তালাককে (Triple Talaq) অপরাধ হিসেবে গণ্য করা যায় না। সেই মামলার শুনানিতেই কেন্দ্র নিজের অবস্থান ও মনোভাব স্পষ্ট করল।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • RG Kar Incident: একাধিক আঘাতের চিহ্ন, যৌন নিগ্রহ স্পষ্ট! চিকিৎসকের ময়নাতদন্তের রিপোর্টে কী মিলল?

    RG Kar Incident: একাধিক আঘাতের চিহ্ন, যৌন নিগ্রহ স্পষ্ট! চিকিৎসকের ময়নাতদন্তের রিপোর্টে কী মিলল?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি কর (RG Kar Incident) হাসপাতালের নিহত তরুণী চিকিৎসকের ময়নাতদন্তের প্রাথমিক রিপোর্টে উঠে এল বিস্ফোরক তথ্য। জানা গিয়েছে, ধর্ষণ করে খুন করা হয়েছে ওই তাঁকে, এমনটাই ইঙ্গিত মিলেছে রিপোর্টে। আরজি কর মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে ধর্ষণ ও হত্যাকাণ্ডের শিকার পড়ুয়া-চিকিৎসকের শরীরে ব্যাপক আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গিয়েছে, যা সবই মৃত্যুর আগে ঘটেছে বলে ময়নাতদন্ত রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে।

    কী কী বলা হল রিপোর্টে (RG Kar Incident)

    ময়নাতদন্তের রিপোর্ট অনুযায়ী—

    গলা টিপে শ্বাসরোধ করে খুন করা হয়েছে ওই তরুণীকে। মৃতের মাথা, মুখ, গলা, বাহু এবং যৌনাঙ্গে ১৪টিরও বেশি আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গিয়েছে। যৌনাঙ্গেও রক্ত পাওয়া গিয়েছে বলে রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে।

    অর্ধনগ্ন অবস্থায় উদ্ধার হয়েছিল ওই তরুণীর দেহ। চার তলার ওই সেমিনার হলের কাছে কোনও নিরাপত্তারক্ষীও ছিল না বলে জানা গিয়েছে। 

    ধর্ষণের আগে বীভৎস মারধর করা হয়েছিল তরুণীকে। তার পরেও তিনি প্রতিরোধ করলে, প্রবল বল প্রয়োগ করা হয়েছিল তাঁর উপর। তরুণীর বুকে আঘাত লাগে, শ্বাসরোধ করে দমবন্ধ করার প্রমাণ মিলেছে। 

    চশমার কাচ ভেঙে চোখে গভীর ক্ষত হয় তরুণীর। অপরাধীর হাত থেকে নিজেকে বাঁচাতে প্রতিরোধ করতে গিয়ে প্রবল ধস্তাধস্তিতেই কাচ ভেঙে যায় এবং চোখে ঢুকে রক্ত বেরিয়ে যায়। মাথাতেও আঘাত রয়েছে তাঁর। মাথায় কোনও হাড় ভাঙার চিহ্ন পাওয়া যায়নি।

    তাঁর যৌনাঙ্গে গভীর ক্ষত রয়েছে। এতই ভয়ানক পেনিট্রেশন হয়, যার জেরে বিপুল রক্তপাত ঘটে এবং হাইমেন ফেটে যায়! মৃতের যৌনাঙ্গে “সাদা, ঘন, আঠালো তরল” পাওয়া গিয়েছে। ফুসফুসে রক্তক্ষরণ এবং শরীরে রক্ত জমাট বাঁধার লক্ষণ মিলেছে। রক্ত এবং অন্যান্য শারীরিক তরল নমুনা আরও বিশ্লেষণের জন্য পাঠানো হয়েছে।

    আরও পড়ুন: আরজি কর-কাণ্ডে উত্তাল যুবভারতী, সমর্থকদের গ্রেফতারি আটকে ‘নায়ক’ কল্যাণ চৌবে

    সুপ্রিম কোর্টে শুনানি

    আরজি কর (RG Kar Incident) মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের এক প্রশিক্ষণার্থী মহিলা চিকিৎসকের ধর্ষণ ও খুনের ঘটনা নিয়ে উত্তাল গোটা দেশ। দেশ ছাড়িয়ে এই ক্ষোভের আগুন ছড়িয়ে পড়েছে বিশ্বজুড়ে। তরুণী চিকিৎসকের মৃত্যুর প্রতিবাদে সর্বত্র একটাই সুর ‘উই ওয়ান্ট জাস্টিস’। স্বতঃপ্রণোদিতভাবে এই মামলা গ্রহণ করল সুপ্রিম কোর্ট। মঙ্গলবার (২০ অগাস্ট), কলকাতার এই ধর্ষণ-খুনের ঘটনার শুনানি হবে প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড়ের নেতৃত্বাধীন একটি বেঞ্চে। প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড় ছাড়া এই বেঞ্চে থাকছেন বিচারপতি জেবি পর্দিওয়ালা এবং বিচারপতি মনোজ মিশ্র।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Supreme Court: আরজি করকাণ্ডে সুয়োমোটো মামলা সুপ্রিম কোর্টে, শুনানি মঙ্গলেই

    Supreme Court: আরজি করকাণ্ডে সুয়োমোটো মামলা সুপ্রিম কোর্টে, শুনানি মঙ্গলেই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কলকাতার আরজি কর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের ঘটনায় (RG Kar Case) সুয়োমোটো মামলা দায়ের করল সুপ্রিম কোর্টে (Supreme Court)। ৯ অগাস্ট ধর্ষণ করে খুন করা হয় বছর একত্রিশের এক মহিলা ট্রেনি চিকিৎসককে। তার জেরে উত্তাল হয়ে ওঠে দেশ। প্রতিবাদ-প্রতিরোধ, ধর্মঘট কী হয়নি এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে! এই ঘটনায়ই এবার দায়ের হল সুয়োমোটো মামলা।

    সুপ্রিম কোর্টে শুনানি (Supreme Court)

    মঙ্গলবার এই মামলার শুনানি হবে সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড়ের নেতৃত্বাধীন বেঞ্চে। প্রধান বিচারপতি ছাড়াও বেঞ্চে থাকবেন বিচারপতি জেবি পারদিওয়ালা এবং বিচারপতি মনোজ মিশ্র। সুপ্রিম কোর্ট সূত্রে খবর, সোমবার বন্ধ থাকছে আদালত। পরের দিন আদালত খুললেই শুনানি হবে এই মামলার। সূত্রের খবর, আরজি করকাণ্ডের পুরো বিষয়টির ওপর নজর রাখতেই সরাসরি মামলা হাতে নিয়েছে দেশের প্রধান বিচারপতির বেঞ্চ। ওই ঘটনায় তদন্তের গতিপ্রকৃতি, হাসপাতাল ও রাজ্যের ভূমিকা খতিয়ে দেখবে সুপ্রিম কোর্ট। কর্মস্থলে মহিলাদের নিরাপত্তার বিষয়টি নিয়েও শুনানি করতে পারে দেশের শীর্ষ আদালত।

    তদন্তে সিবিআই

    হাইকোর্টের নির্দেশে ইতিমধ্যেই এই মামলার তদন্ত শুরু করেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সিবিআই। তখনই উঠে এসেছে ভয়ঙ্কর তথ্য। ভারতে মেডিক্যাল প্রোফেশনালদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন তাঁরা। বিশেষত মহিলা চিকিৎসকদের ক্ষেত্রে। আরজি করে যে মহিলা চিকিৎসক ও নার্স ইন্টার্নদের জন্য যথাযথ নিরাপত্তার ব্যবস্থা ছিল না, তা জানিয়েছে জাতীয় মহিলা কমিশনও। কমিশনের দুই সদস্যের প্রতিনিধি দল ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। জমা দেন প্রাথমিক রিপোর্টও। সেই রিপোর্টেও জানা গিয়েছে নিরাপত্তা ব্যবস্থায় ফোকরের কথা।

    আরও পড়ুন: নির্ভয়া গণধর্ষণকাণ্ডে ফাঁসি হয়েছিল ৭ বছর পর! কবে হবে তিলোত্তমার খুনের বিচার?

    আরজি করকাণ্ড (Supreme Court) মামলায় হাইকোর্টে মুখ পুড়েছে রাজ্য সরকারের। ওই হাসপাতালের প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষকে ‘পুরস্কৃত’ পদে নিয়োগ করা নিয়েও রাজ্যের সমালোচনা করে হাইকোর্ট। কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি টিএস শিবজ্ঞানম মন্তব্য করেছিলেন, “আরজি করের পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করতে পুলিশ সম্পূর্ণভাবে ব্যর্থ (RG Kar Case) হয়েছে।” প্রসঙ্গত, রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজেই পুলিশমন্ত্রী (Supreme Court)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Ashwini Vaishnaw: এসসি-এসটি’র মধ্যে পৃথক ‘ক্রিমি লেয়ার’ হবে কি? অবস্থান স্পষ্ট করল কেন্দ্র

    Ashwini Vaishnaw: এসসি-এসটি’র মধ্যে পৃথক ‘ক্রিমি লেয়ার’ হবে কি? অবস্থান স্পষ্ট করল কেন্দ্র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “বিআর আম্বেডকরের দেওয়া সংবিধানে এসসি-এসটিদের জন্য সংরক্ষণে ক্রিমি লেয়ারের কোনও বিধান নেই।” উপশ্রেণি সংরক্ষণ নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের রায়ের প্রেক্ষিতে কথাগুলি বললেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব (Ashwini Vaishnaw)। গত সপ্তাহে সাব কোটা মামলায় রায় দিতে গিয়ে দেশের শীর্ষ আদালত সাফ জানিয়ে দিয়েছে (Supreme Court), রাজ্যগুলির এই ক্ষমতা রয়েছে যে, সুবিধাবঞ্চিত গোষ্ঠীগুলিকে আরও উন্নীত করার লক্ষ্যে তফশিলি জাতি ও উপজাতিদের জন্য সংরক্ষিত বিভাগের মধ্যে কোটা বরাদ্দ করতে পারবে।

    কী বললেন অশ্বিনী বৈষ্ণব? (Ashwini Vaishnaw)

    কেন্দ্রীয় মন্ত্রিপরিষদে গৃহীত সিদ্ধান্ত সম্পর্কে সাংবাদিকদের অবহিত করছিলেন কেন্দ্রীয় তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব। তিনি বলেন, “কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা সংবিধানের প্রদত্ত এসসি এবং এসটিদের জন্য সংরক্ষণের উপ-শ্রেণিকরণের বিষয়ে সুপ্রিম কোর্টের রায়ের ওপর বিশদ আলোচনা করেছে। তবে, তাকে এখনই কার্যকর না করার সিদ্ধান্ত হয়েছে।” এর পরেই মন্ত্রী বলেন, “বিআর আম্বেডকরের দেওয়া সংবিধান অনুযায়ী, এসসি-এসটি সংরক্ষণে ক্রিমি লেয়ারের কোনও বিধান নেই।” তিনি বলেন, “সুপ্রিম কোর্ট বলেছিল, রাজ্যগুলিকে অবশ্যই এসসি-এসটিতে ক্রিমি লেয়ার চিহ্নিত করতে হবে। সংরক্ষণের সুবিধা থেকে বাদ দিতে হবে তাদের। কিন্তু এনডিএ সরকার সংবিধানের প্রতি দায়বদ্ধ।” তিনি বলেন, “এসসি-এসটি সংরক্ষণের বিধান হওয়া উচিত সংবিধান মেনে।”

    বৈঠকে মন্ত্রিসভা

    দেশের শীর্ষ আদালতের রায় নিয়ে শুক্রবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সভাপতিত্বে বৈঠকে বসে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা। এই বৈঠকেই সংবিধানে প্রদত্ত এসসি-এসটিদের জন্য সংরক্ষণের উপ শ্রেণিকরণের বিষয়ে সুপ্রিম কোর্টের সিদ্ধান্ত নিয়ে বিশদে আলোচনা হয়। এই বৈঠকেই স্পষ্ট করে দেওয়া হয়েছে, যেহেতু আম্বেডকরের সংবিধানে এসসি-এসটি’র জন্য সংরক্ষণ ব্যবস্থায় ক্রিমি লেয়ারের কোনও বিধান নেই, সেহেতু সংবিধান অনুযায়ীই সংরক্ষণের ব্যবস্থা থাকা উচিত।

    আরও পড়ুন: ৮টি বড় রেল প্রকল্পের অনুমোদন দিল মোদি সরকার, খরচ হবে ২৪,৬৫৭ কোটি

    চলতি মাসের শুরুর দিকে, সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড়ের নেতৃত্বে (Ashwini Vaishnaw) সুপ্রিম কোর্টের সাত বিচারপতির বেঞ্চ এসসি-এসটি বিভাগে কোটা যুক্ত করার অনুমোদন দেয়। শীর্ষ আদালত জানিয়েছিল, এসসি-এসটি ক্যাটেগরির মধ্যে একটি নয়া সাব ক্যাটেগরি তৈরি করা যেতে পারে। এর অধীনে সবচেয়ে পিছিয়ে পড়া শ্রেণির জন্য আলাদা সংরক্ষণের ব্যবস্থা করা যেতে পারে (Supreme Court)। শুক্রবার, বিজেপির এসসি-এসটি সম্প্রদায়ের এক প্রতিনিধি দল দেখা করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে। প্রধানমন্ত্রীকে স্মারকলিপিও দেন তাঁরা। প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করেন বিজেপি সাংসদ ফাগ্গান সিং কুলাস্তে। সেখানে তিনি বলেন, “প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি আশ্বাস দিয়েছেন যে তিনি ক্রিমি লেয়ার প্রস্তাব বাস্তবায়ন করবেন না।” এক্স হ্যান্ডেলে তিনি লিখেছেন, “প্রধানমন্ত্রী মোদির সঙ্গে আমাদের বৈঠকের সময় আমরা এসসি/এসটি সংরক্ষণের বিষয়ে সুপ্রিম কোর্টের বিচারকদের দ্বারা প্রকাশিত ব্যক্তিগত মতামত নিয়ে  আলোচনা করেছি, যা এসএস/এসটি সম্প্রদায়ের ক্রিমি লেয়ারকে চিহ্নিত করার ও তাদের সংরক্ষণের সুবিধা থেকে বাদ দেওয়ার প্রস্তাব করেছে।”

    তিনি বলেন, “আমরা প্রধানমন্ত্রীকে এই প্রস্তাব বাস্তবায়ন না করার জন্য অনুরোধ করেছি। বৈঠকে আমরা এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর কাছে একটি স্মারকলিপিও জমা দিয়েছিলাম। প্রধানমন্ত্রী আমাদের মতামতের সঙ্গে এক মত হয়েছেন। এবং এটি বাস্তবায়ন না করার অঙ্গীকার করেছেন।” তিনি বলেন, “আমরা এই প্রস্তাব বাস্তবায়ন না করার জন্য প্রধানমন্ত্রীকে অনুরোধ করেছি। বৈঠকে আমরা এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর কাছে স্মারকলিপিও দিয়েছি।”

    অশ্বিনীর মতো প্রায় একই বক্তব্য শোনা গিয়েছে কেন্দ্রীয় আইনমন্ত্রী অর্জুন রাম মেঘওয়ালের গলায়ও। শুক্রবার লোকসভায় তিনি বলেন, “এসসি/এসটির উপ শ্রেণিবিভাগে ক্রিমি লেয়ারের উল্লেখটি সুপ্রিম কোর্টের বিচারকের একটি পর্যবেক্ষণ, সিদ্ধান্তের অংশ নয়। সদস্যদের সমাজকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করা উচিত নয়।”

    ২০০৫ সালের এক রায়ে সুপ্রিম কোর্ট বলেছিল, এসসি-এসটির মধ্যে শ্রেণি বিভাজনের এক্তিয়ার কোনও রাজ্যের সরকারের নেই। বৃহস্পতিবার প্রধান বিচারপতি চন্দ্রচূড়ের বেঞ্চ সেই রায় খারিজ করে দিয়েছেন। তাৎপর্যপূর্ণভাবে এই মামলায় কেন্দ্রীয় সরকারের তরফেও এসসি-এসটির মধ্যে তুলনামূলকভাবে পিছিয়ে পড়া অংশকে আলাদাভাবে চিহ্নিত করে বিশেষ সংরক্ষণের সুবিধা দেওয়ার সুপারিশ করা হয়েছিল।

    সুপ্রিম কোর্টের রায়ে বলা হয়েছে, উপশ্রেণি চিহ্নিতকরণের বিষয়টি ভারতীয় সংবিধানের ১৪ নম্বর অনুচ্ছেদে উল্লিখিত সমতার নীতি লঙ্ঘন করছে না। তবে প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন সাত বিচারপতির বেঞ্চ এই রায়ের ক্ষেত্রে ঐকমত্যে পৌঁছায়নি বৃহস্পতিবার। বেঞ্চের ছয় বিচারপতি এসসি-এসটির মধ্যে অতি পিছিয়ে পড়া অংশকে চিহ্নিত করে কোটার মধ্যে কোটার সুবিধা দেওয়ায় ছাড়পত্র দিলেও (Supreme Court) ভিন্নমত প্রকাশ করেছেন (Ashwini Vaishnaw) বিচারপতি বেলা ত্রিবেদী।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Supreme Court: ১২ লক্ষ ওবিসি শংসাপত্র বাতিল মামলায় ধাক্কা, রাজ্যকে হলফনামা দিতে সুপ্রিম-নির্দেশ

    Supreme Court: ১২ লক্ষ ওবিসি শংসাপত্র বাতিল মামলায় ধাক্কা, রাজ্যকে হলফনামা দিতে সুপ্রিম-নির্দেশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ওবিসি (OBC) সার্টিফিকেট বাতিল সংক্রান্ত মামলার শুনানিতে জোর ধাক্কা খেল রাজ্য। সর্বোচ্চ আদালত (Supreme Court) হাইকোর্টের রায়ে তো কোনও স্থগিতাদেশ দেয়ইনি, উল্টে রাজ্যের থেকে হলফনামা চেয়ে পাঠিয়েছে। জানা গিয়েছে, ২০১০ সালের পরে তৈরি হওয়া সমস্ত ওবিসি সার্টিফিকেট বাতিল করার নির্দেশ দিয়েছিল কলকাতা হাইকোর্ট। তবে সেই নির্দেশের বিরোধিতা করে সুপ্রিম কোর্ট যায় রাজ্য সরকার। সোমবার সেই সংক্রান্ত মামলার শুনানিতে হাইকোর্টের রায়ে কোনও স্থগিতাদেশ না দিয়ে রাজ্যের থেকে হলফনামা চাওয়া হয়েছে।

    কী নির্দেশ দিয়েছে শীর্ষ আদালত? (Supreme Court)

    প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড়, বিচারপতি জেবি পারদিওয়ালা ও বিচারপতি মনোজ মিশ্রর বেঞ্চ এই মামলার শুনানিতে সোমবার জানিয়েছেন, আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে রাজ্যকে এই বিষয়ে হলফনামা দিতে হবে। রাজ্যের বক্তব্য শোনার পরই এই মামলায় পরবর্তী নির্দেশ দেবে শীর্ষ আদালত (Supreme Court)। তবে তার আগে কলকাতা হাইকোর্টের রায়ে কোনও স্থগিতাদেশ দেওয়া হবে না। একই সঙ্গে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, ওবিসি তালিকাভুক্ত ৭৭টি সম্প্রদায় নিয়ে কী ধরনের সমীক্ষা করা হয়েছিল, তা শীর্ষ আদালতে জমা দেওয়া হলফনামায় উল্লেখ করতে হবে রাজ্যকে। পাশাপাশি রাজ্যের অনগ্রসর শ্রেণিভুক্ত কমিশনের সঙ্গে রাজ্যের কোনও আলোচনা হয়েছিল কি না, সে কথাও জানাতে হবে হলফনামায়। রাজ্যের বক্তব্য জানার পর আগামী সপ্তাহের শুক্রবার এই মামলার পরবর্তী শুনানি হবে সুপ্রিম কোর্টে।

    আরও পড়ুন: পরপর মন্দিরে হামলা, নেতাকে হত্যা! বাংলাদেশে ফের টার্গেট হিন্দুরা

    ১২ লক্ষ ওবিসি শংসাপত্র বাতিল!

    ২০১০ সালের পর যে ওবিসি (OBC) শংসাপত্রগুলি তৈরি হয়েছিল, সেগুলি আইন না মেনেই তৈরি হয়েছিল বলে অভিযোগ উঠেছিল। সেই নিয়ে মামলা হয় কলকাতা হাইকোর্টে। গত ২২ মে হাইকোর্টের বিচারপতি রাজাশেখর মান্থা ও বিচারপতি তপোব্রত চক্রবর্তীর ডিভিশন বেঞ্চ নির্দেশ দিয়েছিলেন, ২০১০ সালের পর তৈরি হওয়া সব ওবিসি শংসাপত্র বাতিলের জন্য। ওই নির্দেশের ফলে রাজ্যে ২০১০ সালের পর ইস্যু হওয়া প্রায় ১২ লক্ষ ওবিসি শংসাপত্র বাতিল হয়েছিল। উচ্চ আদালত জানিয়ে দিয়েছিল, কোনও চাকরির সংরক্ষণের ক্ষেত্রে বা অন্য কোনও সংরক্ষণের ক্ষেত্রে ওই শংসাপত্র ব্যবহার করা যাবে না। রাজ্য সরকারের আশা ছিল, সুপ্রিম কোর্টে গেলে স্থগিতাদেশ  মিলবে। সেখানেও ধাক্কা খেল মমতার সরকার।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share