Tag: Supreme court

Supreme court

  • Supreme Court: ‘‘পরিণাম কী হতে পারে…’’, সনাতন-মন্তব্য মামলায় উদয়নিধিকে তোপ সুপ্রিম কোর্টের

    Supreme Court: ‘‘পরিণাম কী হতে পারে…’’, সনাতন-মন্তব্য মামলায় উদয়নিধিকে তোপ সুপ্রিম কোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সনাতন ধর্ম নিয়ে অপমানজনক মন্তব্য করেছিলেন উদয়নিধি স্ট্যালিন। এনিয়ে এবার অসন্তোষ প্রকাশ করতে দেখা গেল দেশের শীর্ষ আদালতকে (Supreme Court)। এদিনই সুপ্রিম কোর্টে এই মামলার শুনানি ছিল। শীর্ষ আদালত উদয়নিধি স্ট্যালিনের উদ্দেশে বলে, ‘‘আপনি কোনও সাধারণ ব্যক্তি নন। আপনি একজন মন্ত্রী। প্রতিক্রিয়ার দেওয়ার আগে আপনার সচেতন হওয়া প্রয়োজন। আপনার জানা উচিত এর পরিণাম কী হতে পারে।’’ এছাড়াও এই মন্তব্য সাংবিধানিকভাবে দেওয়া মৌলিক অধিকার বাক-স্বাধীনতা ও ধর্মীয় স্বাধীনতার অপব্যবহার বলেও জানিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। শীর্ষ আদালতে (Supreme Court) এদিন উদয়নিধির হয়ে মামলাটি লড়েন আইনজীবী অভিষেক মনু সিংভি।

    দেশের একাধিক রাজ্যে দায়ের হয়েছিল এফআইআর

    গত বছরের সেপ্টেম্বর মাসে উদয়নিধি স্ট্যালিনের এই মন্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে তামিলনাড়ু, মহারাষ্ট্র, জম্মু-কাশ্মীর, বিহার, উত্তরপ্রদেশ এবং কর্নাটকের একাধিক জায়গায় এফআইআর দায়ের করা হয়। প্রতিবাদে সামিল হয় অসংখ্য অরাজনৈতিক হিন্দু সংগঠনও। সমস্ত মামলাগুলোকে একত্রিত করার পরে উদয়নিধির (Supreme Court) বিরুদ্ধে পিটিশন দাখিল করা হয়। বিচারপতি সঞ্জীব খান্না এবং বিচারপতি দীপঙ্কর দত্তের ওঠে মামলাটি।

    ঠিক কী বলেছিলেন উদয়নিধি?

    তামিলনাডুর মুখ্যমন্ত্রীর ছেলে সনাতন ধর্মকে ডেঙ্গির সঙ্গে তুলনা করেছিলেন। গত ২ সেপ্টেম্বর তিনি বলেছিলেন, ‘‘সনাতন ধর্মের শুধু বিরোধিতা করলেই হবে না, তা বিলুপ্ত করা উচিত। আমরা ম্যালেরিয়া, করোনার বিরোধিতা করে চুপ থাকতে পারি না। আমাদের নির্মূল করতে হবে। তেমনভাবে সনাতন ধর্মকেও নির্মূল করতে হবে। সনাতন ধর্ম সাম্যের পরিপন্থী।’’ তাঁর এই মন্তব্যের পরেই বিভিন্ন মহলে সমালোচনার ঝড় উঠেছিল। বিজেপি বিরোধী দলগুলি মেকি ধর্মনিরপেক্ষতার কারণে সেসময় সনাতন ধর্ম বিরোধী মন্তব্যের বিরোধিতা করেনি। উদয়নিধি সেসময় নিজের বক্তব্য অনড় থেকে বলেন, ‘‘আমার কথার ইচ্ছাকৃত ভাবে ভুল ব্যাখ্যা করা হচ্ছে। সনাতন প্রথার বিরুদ্ধে বলেছি মানে এই নয় যে, গণহত্যার কথা বলেছি। এই সনাতন প্রথা যুগ যুগ ধরে জাতপাত, ধর্মের বেড়াজালে রেখে দলিত ও পিছিয়ে পড়া শ্রেণিকে পায়ের নীচে রেখেছে। একে নিশ্চিহ্ন না করলে মানুষের সার্বিক উন্নতি সম্ভব নয়। তাই আমি আমার বক্তব্য থেকে সরছি না।’’

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • World’s Shortest Doctor: বাধা উচ্চতা! ভর্তি নিচ্ছিল না কলেজ, বিশ্বের সবথেকে ‘ছোট্ট ডাক্তার’ হওয়ার পথে বারাইয়া

    World’s Shortest Doctor: বাধা উচ্চতা! ভর্তি নিচ্ছিল না কলেজ, বিশ্বের সবথেকে ‘ছোট্ট ডাক্তার’ হওয়ার পথে বারাইয়া

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিশ্বের সবথেকে কম উচ্চতার চিকিৎসক হতে চলেছেন গুজরাটের গণেশ বারাইয়া (২২)। ভাবনগরের মেডিক্যাল কলেজে ইতিমধ্যে শুরুও করেছেন তাঁর ইন্টার্নশিপ (World’s Shortest Doctor)। জীবনের সমস্ত প্রতিবন্ধকতাকে উতরে গিয়েছেন নিজের যোগ্যতায়। নানা বাধা, সমালোচনার মুখে পড়েছেন,শুনেছেন কটূক্তিও। অপরাধ তাঁর উচ্চতা। তবে কোনও কিছুই দমিয়ে রাখতে পারেনি এই হবু চিকিৎসকে। আগামিদিনে গণেশ বারাইয়া ডার্মাটোলজিতে স্পেশালাইজেশন করতে চান।

    গণেশ বারাইয়ার উচ্চতা মাত্র ৩ ফুট

    বাকি পাঁচজনের থেকে শারীরিকভাবে (World’s Shortest Doctor) একেবারেই আলাদা গণেশ বারাইয়া, কারণ তাঁর উচ্চতা মাত্র ৩ ফুট। ওজনও মাত্র ১৮ কেজি। শারীরিক গঠনের কারণে কটাক্ষের শিকার হতে হয়েছে বারবার, কিন্তু মনের জোর ছিল অটুট। তাঁর শারীরিক অক্ষমতা ৭২ শতাংশ। সংবাদমাধ্যমকে তিনি জানিয়েছেন, ছোটবেলা থেকেই তাঁর চিকিৎসক হওয়ার স্বপ্নের কথা। তাঁর স্বপ্নপূরণ সবথেকে বেশি সাহায্য় বারাইয়া পেয়েছেন তাঁর মায়ের কাছে, এমনটাই দাবি তাঁর।

    গুজরাটের ভাবনগরের গোরকি গ্রামের বাসিন্দা বারাইয়া

    গণেশ বারাইয়ার বসত বাড়ি গুজরাটের ভাবনগরের গোরকি গ্রামে বলে জানা গিয়েছে। পরিবারের মধ্যে বারাইয়াই প্রথম, যিনি কলেজের গণ্ডি পার করেছেন। জানা গিয়েছে, বারাইয়ার বাবা ভিথল পেশায় একজন কৃষিজীবী এবং তাঁর আরও আটটি বোন রয়েছে। যাঁরা কেউই মাধ্যমিকের গণ্ডি টপকায়নি। বারাইয়া জানিয়েছে, নীলকন্ঠ বিদ্যাপীঠে নবম শ্রেণিতে পড়ার সময়ই তিনি ডাক্তার হওয়ার স্বপ্ন দেখতে শুরু করেন। ভাবনগর মেডিক্যাল কলেজের ডিন ডক্টর হেমন্ত মেহতা জানিয়েছেন, একেবারে সামনের সারিতে বসেই উৎসাহের সঙ্গে ক্লাস করে বারাইয়া। তাঁর সহপাঠীদের কাছ থেকে অভূতপূর্ব সাহায্যও (World’s Shortest Doctor) পায়।  এবিষয়ে বারাইয়া বলেন, “ক্লিনিকাল ডিউটির সময় আমি বহুমূল্য অভিজ্ঞতা অর্জন করেছি। সেই সময়ই করোনা সংক্রমণ শুরু হয়েছিল। কঠিন পরিস্থিতির মধ্যেও আমরা কাজ করেছি।”

    কৃতী ছাত্র বারাইয়া

    সংবাদমাধ্যমকে বারাইয়া জানিয়েছেন, ২০১৮ সালে তিনি দ্বাদশ শ্রেণির বোর্ডের পরীক্ষায় ৮৭ শতাংশ নম্বর পেয়েছিলেন। নিটেও ২৩৩ র‌্যাঙ্ক আসে তাঁর। কিন্তু এমবিবিএস কোর্সেই ভর্তির পথে অন্তরায় হচ্ছিল শারীরিক অক্ষমতা। তাঁর সঙ্গে আরও দুই শারীরিক অক্ষম পড়ুয়াকে (World’s Shortest Doctor) ভর্তিতে বাধা দেওয়া হয়। এরপরে শুরু হয় আইনি লড়াই। মামলা গড়ায় সুপ্রিম কোর্টে। শীর্ষ আদালতের রায় বারাইয়া ও বাকি দুই পড়ুয়ার এমবিবিএস কোর্সে ভর্তির পক্ষে আসে। বিশেষভাবে সক্ষম ব্যক্তিদের অধিকার আইনের আওতায় পড়ুয়াদের ভর্তি নিতে বলে শীর্ষ আদালত।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Gyanvapi Case: সিল খোলা হোক জ্ঞানবাপীর ওজুখানার, উঠল এএসআই সমীক্ষার দাবিও

    Gyanvapi Case: সিল খোলা হোক জ্ঞানবাপীর ওজুখানার, উঠল এএসআই সমীক্ষার দাবিও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নির্মাণ হয়েছে অযোধ্যার রাম মন্দির। প্রাণপ্রতিষ্ঠাও হয়েছে বিগ্রহের। এবার ফের জ্ঞানবাপী মসজিদের (Gyanvapi Case) ওজুখানার সিল খুলে দেওয়ার দাবি হিন্দু পক্ষের। সোমবার এই দাবিতে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছে তারা।

    ওজুখানায় ‘শিবলিঙ্গ’

    ওজুখানায় ‘শিবলিঙ্গে’র অস্তিত্ব মেলার পর ২০২২ সালে সেটি সিল করে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিল বারাণসীর নিম্ন আদালত। সেই সিলই ফের খুলে দেওয়ার দাবি জানানো হয়েছে হিন্দু পক্ষের তরফে। ওজুখানার সিল খুলে দেওয়ার পাশাপাশি এএসআইকে সেখানে সমীক্ষা চালানোর অনুমতি দেওয়ার দাবিও জানিয়েছে হিন্দু পক্ষ। হিন্দু পক্ষের দাবি, বারাণসীর জ্ঞানবাপী মসজিদের (Gyanvapi Case) কাঠামোর নীচে বড় হিন্দু মন্দিরের অস্তিত্ব ছিল। বারাণসী জেলা আদালতে জমা দেওয়া এএসআই রিপোর্টে এমনই দাবি করা হয়েছে বলে বিশ্ব হিন্দু পরিষদের দাবি।

    এএসআইয়ের রিপোর্ট!

    এএসআইয়ের রিপোর্ট উদ্ধৃত করে হিন্দু পক্ষের আরও দাবি, আওরঙ্গজেব ১৬১৯ সালের ২ নভেম্বর মন্দির ভেঙে জ্ঞানবাপী মসজিদ নির্মাণের নির্দেশ দিয়েছিলেন। হিন্দু পক্ষের আইনজীবী বিষ্ণুশঙ্কর জৈন জানান, এএসআইয়ের রিপোর্টে হিন্দু মন্দিরের অস্তিত্ব সম্পর্কে এ ধরনের মোট ৩২টি প্রামাণ মিলেছে। তিনি বলেন, “এএসআইয়ের রিপোর্ট বলছে, মসজিদ তৈরির সময় কাঠামোয় কিছু বদল আনা হয়েছিল। সামান্য বদল এনে মন্দিরের স্তম্ভ এবং অন্যান্য অংশ ব্যবহার করা হয়েছে। নতুন কাঠামো তৈরি করতে হিন্দু মন্দিরের পিলারের চরিত্রে সামান্য বদল আনা হয়েছিল।” আইনজীবীর এহেন দাবির পরে পরেই ওজুখানার সিল খুলে দেওয়ার দাবি জানাল হিন্দু পক্ষ। জানানো হল এএসআইয়ের সমীক্ষার দাবিও।

    আরও পড়ুুন: “দয়া করে পাকিস্তানে চলে যান”, বললেন ফতোয়া পাওয়া সেই ইমাম

    প্রসঙ্গত, কিছু দিন আগেই ওজুখানার ‘শিবলিঙ্গ’ পুজোর অধিকার চেয়েছিল হিন্দু পক্ষ। বিশ্ব হিন্দু পরিষদের আন্তর্জাতিক কার্যনির্বাহী সভাপতি অলোক কুমার বলেন, “এএসআই কর্তৃক সংগ্রহীত প্রমাণ ও অনুসন্ধানগুলি প্রমাণ করে যে, এই উপাসনালয়ের ধর্মীয় চরিত্রটি ১৯৪৭ সালের ১৫ অগাস্ট বিদ্যমান ছিল। বর্তমানে এটি একটি হিন্দু মন্দিরের আকারে রয়েছে। তাই উপাসনা স্থান আইন অনুসারে কাঠামোটিকে হিন্দু মন্দির ঘোষণা করা (Gyanvapi Case) উচিত।”

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

     

  • Primary Teacher: স্থগিতাদেশ তুলে নিল সুপ্রিম কোর্ট, প্রায় ১২ হাজার চাকরিপ্রার্থীর প্রাথমিকের নিয়োগে রইল না বাধা

    Primary Teacher: স্থগিতাদেশ তুলে নিল সুপ্রিম কোর্ট, প্রায় ১২ হাজার চাকরিপ্রার্থীর প্রাথমিকের নিয়োগে রইল না বাধা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০২২ সালে প্রাথমিক স্কুলের শিক্ষক (Primary Teacher) নিয়োগ প্রক্রিয়ার উপর থেকে স্থগিতাদেশ তুলে নিল দেশের শীর্ষ আদালত। সোমবারই সুপ্রিম কোর্ট নির্দেশ দেয় নিয়োগ প্রক্রিয়া নির্বিঘ্নে চালিয়ে যেতে পারবে পর্ষদ। এর পাশাপাশি প্যানেল প্রকাশের বাধাও তুলে নিলেন বিচারপতি হিমা কোহলি এবং বিচারপতি আহসান উদ্দিন আমানুল্লাহ এর বেঞ্চ। সুপ্রিম কোর্টের আজকের রায় বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের নির্দেশকেই এককথায় সিলমোহর দিল।

    ২০২২ সালের সেপ্টেম্বরে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি দেয় পর্ষদ

    প্রসঙ্গত, ২০২২ সালের সেপ্টেম্বর মাসেই প্রাথমিকের নিয়োগ প্রক্রিয়ায় ১২ হাজার শিক্ষকের (Primary Teacher) নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি দেওয়া হয়। সেখানে প্রথমে জানানো হয়, যাঁরা প্রশিক্ষণ নিচ্ছেন তাঁরাও ওই নিয়োগে অংশ নিতে পারবেন। এরপরেই জল গড়ায় কলকাতা হাইকোর্টে। মামলা করেন চাকরি প্রার্থীদের একাংশ। ২০২২ সালে সেপ্টেম্বরের বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় পর্ষদের সিদ্ধান্তকেই মান্যতা দেন। ২০২২ সালের ২৯ সেপ্টেম্বর প্রাথমিক স্কুলে শিক্ষক নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি জারি করে প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদ। ২০২৩ সালের এপ্রিল মাস নাগাদ হাইকোর্টের তৎকালীন বিচারপতি সুব্রত তালুকদার এবং বিচারপতি সুপ্রতিম ভট্টাচার্যের ডিভিশন বেঞ্চ পর্ষদের ওই বিজ্ঞপ্তি খারিজ করে দেয়।

    মামলা গড়ায় দেশের শীর্ষ আদালতে

    ২০২৩ সালের ২৮ জুলাই সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি হিমা কোহলি এবং বিচারপতি রাজেশ জিন্দালের বেঞ্চ জানায়, আদালত নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত পর্ষদ কোনও মেধা তালিকা প্রকাশ করতে পারবে না। তারপর থেকে মামলাটির শুনানি সুপ্রিম কোর্টে চলছিল এবং একাধিকবার এই শুনানি পিছিয়ে যায়। চলতি মাসের ২২ তারিখ প্রাথমিক শিক্ষাপর্ষদের কাছে তথ্য জানতে চায় শীর্ষ আদালত। ঠিক কত শূন্য পদ রয়েছে এবং তার মধ্যে কতজন যোগ্য তার খসড়া প্যানেল আদালতে পেশ করতে নির্দেশ দেয় সুপ্রিম কোর্ট। ঠিক তারপরেই সোমবার নিয়োগ প্রক্রিয়ার উপর থেকে স্থগিতাদেশ তুলে দিল শীর্ষ আদালত। এরপর পর্ষদ (Primary Teacher) নিয়োগ প্রক্রিয়া চালিয়ে নিয়ে যেতে পারবে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Calcutta High Court: মেডিক্যালে ভর্তি-দুর্নীতির মামলা হাইকোর্ট থেকে সরল সুপ্রিম কোর্টে

    Calcutta High Court: মেডিক্যালে ভর্তি-দুর্নীতির মামলা হাইকোর্ট থেকে সরল সুপ্রিম কোর্টে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta High Court) বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় এবং বিচারপতি সৌমেন সেনের মধ্যে বেনজির সংঘাতের জল গড়ায় সুপ্রিম কোর্টে। গত শনিবারই সুপ্রিম কোর্টে এনিয়ে শুনানি শুরু হয়। মঙ্গলবার সকালে পাঁচ বিচারপতির বিশেষ বেঞ্চ মেডিক্যালে ভর্তি মামলায় কলকাতা হাইকোর্টের শুনানিতে স্থগিতাদেশ জারি করল শীর্ষ আদালত। সুপ্রিম নির্দেশের ফলে হাইকোর্টের সিঙ্গল এবং ডিভিশন বেঞ্চের কোনও নির্দেশ আপাতত কার্যকর হচ্ছে না। এবার থেকে মেডিক্যালে ভর্তির সব মামলা কলকাতা হাইকোর্ট থেকে সুপ্রিম কোর্টে স্থানান্তরিত করা হল।

    আরও পড়ুন: এনডিএ-র নেতৃত্বে নীতীশ কুমার উজ্জ্বল বিহার গঠন করবেন, জানালেন জেপি নাড্ডা

    কী জানাল দেশের শীর্ষ আদালত?

    জানা গিয়েছে, দুই বিচারপতির (Calcutta High Court) সংঘাত সংক্রান্ত মামলার পরবর্তী শুনানি সুপ্রিম কোর্টে হবে তিন সপ্তাহ পরে। এবং এরই মধ্যে কলকাতা হাইকোর্টের মেডিক্যাল ভর্তি সংক্রান্ত যাবতীয় মামলা স্থানান্তরিত হয়ে যাবে দেশের শীর্ষ আদালতে। এদিন সুপ্রিম কোর্ট জানিয়েছে, আমরা সবদিক বিবেচনা করে সিদ্ধান্ত নেব। এমন কিছু হবে না যাতে কলকাতা হাইকোর্টের মর্যাদা ক্ষুন্ন হয়।

    প্রসঙ্গ ২ বিচারপতির সংঘাত

    প্রসঙ্গত, কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta High Court) বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় এবং বিচারপতি সৌমেন সেনের মধ্যে নজিরবিহীন সংঘাত শুরু হয়। রাজনৈতিক নেতার মত আচরণ করছেন সৌমেন সেন এরকম মন্তব্যও করতে শোনা যায় বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়কে। রাজ্যের একাধিক মেডিক্যাল কলেজে ভর্তি সংক্রান্ত দুর্নীতি বিষয়ে মামলা দায়ের করা হয় কলকাতা হাইকোর্টে। সেই মামলা ছিল বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের এজলাসে। মামলাতে সিবিআই নির্দেশ দেন তিনি। কিন্তু পরবর্তীকালে সেই নির্দেশকে খারিজ করে দেন ডিভিশন বেঞ্চের বিচারপতি সৌমেন সেন। পরবর্তীকালে ভরা এজলাসেই সৌমেন সেনের বিরুদ্ধে একের পর এক অভিযোগ তুলতে থাকেন বিচারপতি (Calcutta High Court) অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। প্রশ্ন করেন যে কেন সৌমেন সেনের বিরুদ্ধে ইমপিচমেন্ট করা হবে না!

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

     

  • DY Chandrachud: “বিচারকদের উচিত সামাজিক ও রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত হওয়া”, বললেন চন্দ্রচূড়

    DY Chandrachud: “বিচারকদের উচিত সামাজিক ও রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত হওয়া”, বললেন চন্দ্রচূড়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রবিবার ছিল সুপ্রিম কোর্টের ৭৫তম জন্মদিন। ১৯৫০ সালের ২৮ জানুয়ারি প্রতিষ্ঠা হয় দেশের শীর্ষ আদালতের। এই উপলক্ষেই আয়োজন করা হয়েছিল মনোজ্ঞ অনুষ্ঠানের। উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড় (DY Chandrachud) প্রমুখ।

    কী বললেন প্রধান বিচারপতি?

    প্রধান বিচারপতি বলেন, “বিচারকদের উচিত সামাজিক ও রাজনৈতিক প্রভাব মুক্ত হওয়া।” সুপ্রিম কোর্টের ডায়মন্ড জুবিলির অনুষ্ঠানে প্রধান বিচারপতি বলেন, “স্বাধীন বিচারব্যবস্থা মানে কেবল এই নয় যে এক্সিকিউটিভ এবং লেজিসলেটিভ বেঞ্চের প্রভাবমুক্ত হওয়া, এর অর্থ বিচারকদের স্বাধীনভাবে কাজ করাও।” এর পরেই শীর্ষ আদালতের প্রধান বিচারপতি বলেন, “বিচারশৈলীকে অবশ্যই সামাজিক ও রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত হতে হবে। মানুষের যেমন কোনও একটা দিকে ঝোঁক থাকে, বিচারকদের তেমন না থাকাই বাঞ্ছনীয়। বিচারকদের অবচেতন মনে যা রয়েছে, সেই দৃষ্টিভঙ্গীর পরিচয়ও প্রকাশ্যে না আসাই উচিত। রায় দানের সময় বিচারকদের লিঙ্গ, জাতি, ধর্মের কথা মাথায় না রাখাই ভালো।”

    সেরিমোনিয়াল বেঞ্চ

    সেরিমোনিয়াল বেঞ্চে ছিলেন সুপ্রিম কোর্টের ৩৪ জন বিচারপতি। নেতৃত্বে ছিলেন প্রধান বিচারপতি চন্দ্রচূড় (DY Chandrachud)। দেশের সব হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতিরাও ছিলেন এই বেঞ্চে। অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রীও। পেন্ডিং মামলা নিয়েও এদিন মন্তব্য করেন সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি। তিনি বলেন, “যেহেতু মামলার পাহাড় জমে যাচ্ছে, তাই বিচারব্যবস্থা সম্পর্কে জনগণের আস্থা চলে যেতে পারে। তাই আমাদের নিজেদেরই নিজেদের প্রশ্ন করা প্রয়োজন যে, আমাদের কী করা প্রয়োজন।”

    আরও পড়ুুন: মলদ্বীপে মৌষল-পর্ব, সংসদের অন্দরে ‘মল্লযুদ্ধ’, ভাইরাল ভিডিও

    তিনি জানান, সুপ্রিম কোর্টে এখনই জমে রয়েছে ৬৫ হাজার ৯১৫টি নথিভুক্ত মামলা। তিনি জানান, সাম্প্রতিক বছরগুলিতে পেন্ডিং মামলার সংখ্যা কমাতে উদ্যোগী হয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। রীতিমতো পরিসংখ্যান দিয়ে চন্দ্রচূড় জানান, ২০২৩ সালে ৪৯ হাজার ৮১৮টি মামলা নথিভুক্ত হয়েছিল। তার মধ্যে শুনানির জন্য তালিকাভুক্ত করা হয়েছিল ৪১ হাজার ৫৯৪টি মামলা। বৈদ্যুতিন মাধ্যমে দায়ের করা মামলার সংখ্যাও কমেছে। প্রধান বিচারপতি (DY Chandrachud) বলেন, “আমরা প্রযুক্তি সমৃদ্ধ একটি ওয়াররুম খুলতে চলেছি। গোটা দেশের রিয়েল টাইম জুডিশিয়াল ডাটার ওপর নজর রাখতেই এটা করা হচ্ছে। সুস্বাগতম ব্যবহার করে ১.২৩ লাখ পাস তৈরি করা হয়েছে। সুপ্রিম কোর্ট সমস্ত ফাইলকে নিরাপদ পরিকাঠামোয় তুলে রাখা হবে প্রযুক্তি ব্যবহার করে।” এদিনের অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছিলেন দেশের তো বটেই, বিদেশেরও অনেক বিচারক।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     

  • Calcutta High Court: কলকাতা হাইকোর্টে দুই বিচারপতির বেনজির সংঘাত, বিশেষ বেঞ্চ গঠন শীর্ষ আদালতের

    Calcutta High Court: কলকাতা হাইকোর্টে দুই বিচারপতির বেনজির সংঘাত, বিশেষ বেঞ্চ গঠন শীর্ষ আদালতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta High Court) দুই বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় এবং বিচারপতি সৌমেন সেনের সংঘাত নিয়ে বিশেষ বেঞ্চ গঠন করল সুপ্রিম কোর্ট। শীর্ষ আদালতের ওই বিশেষ বেঞ্চ শনিবার অর্থাৎ আজই শুনানি করবে বলে জানা গিয়েছে। জানা গিয়েছে, মোট পাঁচ বিচারপতিকে নিয়ে তৈরি হয়েছে ওই বিশেষ বেঞ্চ। শনিবার আদালত ছুটি রয়েছে, তবুও ওই দিনেই বসবে বিশেষ বেঞ্চ। আজ সকাল সাড়ে ১০টা থেকে শুনানি শুরু হবে বলে জানা গিয়েছে।

    সংঘাতের কারণ কী 

    মেডিক্যাল কলেজে ভর্তির বিষয়ে অনিয়ম সামনে আসতেই, মামলায় সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দেন বিচারপতি (Calcutta High Court) গঙ্গোপাধ্যায়। কিন্তু বিচারপতি সৌমেন সেনের ডিভিশন বেঞ্চ সেই নির্দেশের উপর প্রথমে স্থগিতাদেশ দেয়। পরে সিবিআইয়ের দায়ের করা এফআইআর-ও খারিজ করে দেয় বিচারপতি সেনের ডিভিশন বেঞ্চ। এর পরেই ডিভিশন বেঞ্চের এই নির্দেশ নিয়ে প্রশ্ন তোলেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। বিচারপতি সেনের ডিভিশন বেঞ্চ যে নির্দেশ দিয়েছিল, তা কার্যকর হবে না বলে তখন জানিয়ে দেন বিচারপতি গঙ্গোপাধ্য়ায়। অর্থাৎ, এই মামলায় সিবিআইকে তিনি তদন্ত এগিয়ে নিয়ে যেতে বলেন। এখানেই শুরু দয় সংঘাত।

    পাঁচ বিচারপতির বেঞ্চ

    কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta High Court) দুই বিচারপতির সংঘাতের ঘটনায় শনিবার আদালত ছুটির দিনেও বসবে পাঁচ বিচারপতির বিশেষ বেঞ্চ। তাতে থাকবেন, সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড়, বিচারপতি সঞ্জীব খন্না, বিচারপতি বিআর গাভাই, বিচারপতি সূর্যকান্ত, বিচারপতি অনিরুদ্ধ বসু। শনিবার সকাল সাড়ে ১০টায় এই মামলার শুনানি।

    রাজনৈতিক নেতার মতো আচরণ করছেন বিচারপতি সেন, অভিযোগ বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের

    অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় তাঁর নির্দেশনামায় জানিয়েছিলেন, বড়দিনের ছুটির আগে বিচারপতি সেন তাঁর চেম্বারে বিচারপতি অমৃতা সিনহাকে ডেকে পাঠান। সেখানে বিচারপতি সেন বলেন, প্রথমত, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ রয়েছে। তাঁকে বিরক্ত করা চলবে না। দ্বিতীয়ত, অমৃত সিংহের এজলাসের ‘লাইভ স্ট্রিমিং’ বন্ধ করতে হবে। তৃতীয়ত, নিয়োগ দুর্নীতির দু’টি মামলা খারিজ করতে হবে। বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের মতে, বিচারপতি সেন ব্যক্তিগত স্বার্থে ওই সব নির্দেশ দিয়েছেন। বৃহস্পতিবারও বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায় বলেন, ‘‘বিচারপতির সেন স্পষ্টতই একটি রাজনৈতিক দলের হয়ে কাজ করছেন। ওই মামলায় রাজনৈতিক স্বার্থ জড়িত থাকা ব্যক্তির মতো আচরণ করছেন বিচারপতি সেন। তিনি কয়েক জন রাজনৈতিক ব্যক্তিকে বাঁচানোর চেষ্টা করছেন। তাই সুপ্রিম কোর্টের উচিত তাঁর (বিচারপতি সেনের) সমস্ত নির্দেশ খারিজ করা।’’

     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Calcutta High Court: সিবিআইকে শীর্ষ আদালতের নির্দেশ মনে করাল হাইকোর্ট, নিয়োগ-তদন্ত শেষ কবে?

    Calcutta High Court: সিবিআইকে শীর্ষ আদালতের নির্দেশ মনে করাল হাইকোর্ট, নিয়োগ-তদন্ত শেষ কবে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চলতি বছরের ৯ নভেম্বর সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি অনিরুদ্ধ বসু ও বিচারপতি বেলা এম ত্রিবেদীর বেঞ্চ সিবিআইকে নিয়োগ দুর্নীতির যাবতীয় তদন্ত দু’মাসের মধ্যে শেষ করার নির্দেশ দিয়েছিলেন। সেই মোতাবেক দু’মাস শেষ হতে আর বাকি রয়েছে কয়েকটা দিন মাত্র। বুধবার কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাকে সেই কথা ফের একবার মনে করিয়ে দিল কলকাতা হাইকোর্ট (Calcutta High Court)। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ মোতাবেক আগামী বছরের ৯ জানুয়ারির মধ্যে নিয়োগ দুর্নীতি সংক্রান্ত মামলার চূড়ান্ত রিপোর্ট জমা দেওয়ার কথা তদন্তকারী সংস্থার।

    ২০ দিনের মধ্যে তদন্ত শেষ করতে হবে সিবিআইকে 

    বুধবার হাইকোর্টের (Calcutta High Court) বিচারপতি দেবাংশু বসাক এবং বিচারপতি মহম্মদ সব্বর রশিদির ডিভিশন বেঞ্চ জানিয়ে দিয়েছে ৯ জানুয়ারির মধ্যেই তদন্তের চূড়ান্ত রিপোর্ট জমা দিতে হবে হাইকোর্টে অর্থাৎ আর ২০ দিনের মধ্যে সিবিআইকে তদন্ত শেষ করতে হবে। নভেম্বরে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাকে দেওয়া এই নির্দেশের সময় কলকাতা হাইকোর্টের বিশেষ বেঞ্চে যাবতীয় মামলা নিষ্পত্তি করারও সময় বেঁধে দিয়েছিল শীর্ষ আদালত। এবং সে ক্ষেত্রে শীর্ষ আদালতের তরফে বলা হয় যে চূড়ান্ত রিপোর্ট কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার জমা দেওয়ার পর ছয় মাসের মধ্যে মামলার নিষ্পত্তি করতে হবে। প্রসঙ্গত, হাইকোর্টের (Calcutta High Court) নির্দেশ মেনেই বুধবার নিয়োগ সংক্রান্ত রিপোর্ট মুখ বন্ধ খামে আদালতে পেশ করে স্কুল সার্ভিস কমিশন। বুধবার এই রিপোর্ট পাওয়ার পরে  হাইকোর্টের বিশেষ বেঞ্চ জানায়, চাকরিহারাদের কেউ চাইলে এই মামলায় যুক্ত হতে পারেন।

    মামলার পরবর্তী শুনানি ১৫ জানুয়ারি 

    প্রসঙ্গত, নিয়োগ দুর্নীতির মামলার শুনানির জন্য সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে তৈরি হয়েছে বিশেষ ডিভিশন বেঞ্চ। সেখানেই চলছে যাবতীয় মামলার শুনানি। চলতি সপ্তাহের সোমবার স্কুল সার্ভিস কমিশনকে ভর্ৎসনা করে ডিভিশন বেঞ্চ। স্কুল সার্ভিস কমিশনের আইনজীবীকেও হাইকোর্ট জানায়, কিছু লুকোতে চাইছে এসএসসি। সোমবার তৃতীয় রিপোর্ট জমা দেয় এসএসসি, তাতে সন্তুষ্ট হয়নি উচ্চ আদালত (Calcutta High Court)। পরবর্তীকালে বুধবার স্কুল সার্ভিস কমিশন ফের রিপোর্ট জমা দিল। জানা গিয়েছে এই মামলার পরবর্তী শুনানি হবে ১৫ জানুয়ারি।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Upper Primary: উচ্চ প্রাথমিকের কাউন্সেলিং বন্ধ হচ্ছে না, হাইকোর্টের নির্দেশ বহাল রাখল শীর্ষ আদালত

    Upper Primary: উচ্চ প্রাথমিকের কাউন্সেলিং বন্ধ হচ্ছে না, হাইকোর্টের নির্দেশ বহাল রাখল শীর্ষ আদালত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কোনও ভাবেই বন্ধ করা যাবে না উচ্চ প্রাথমিকের শিক্ষক নিয়োগের কাউন্সেলিং (Upper Primary) প্রক্রিয়া। মঙ্গলবার উচ্চ প্রাথমিকে ১৪ হাজারের বেশি শূন্য পদের নিয়োগের কাউন্সেলিং সংক্রান্ত একটি মামলায় হাইকোর্টের নির্দেশই বহাল রাখল দেশের শীর্ষ আদালত। এবার কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশ মেনে কাউন্সেলিং চালিয়ে যেতে আর কোনও বাধা রইল না স্কুল সার্ভিস কমিশনের। শীর্ষ আদালতের এদিনের রায়ে উচ্চ প্রাথমিকের নিয়োগের ক্ষেত্রে জট অনেকটাই কাটল বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল। রাজ্য জুড়ে হাজার হাজার শিক্ষক পদ বর্তমানে খালি পড়ে রয়েছে। টাকার বিনিময়ে চাকরি বিক্রির অভিযোগও উঠেছে শাসক দলের বিরুদ্ধে। প্রতিটি নিয়োগ ঘিরেই তৈরি হয়েছে জট। শনিবারই ২০১৬ সালের এসএলএসটি নিয়োগের এক যোগ্য চাকরিপ্রার্থী মস্তক মুণ্ডন করেন নিয়োগের দাবিতে। এই পরিপ্রেক্ষিতে মঙ্গলবারই সামনে এল উচ্চ প্রাথমিকের নিয়োগ নিয়ে সুপ্রিম নির্দেশ।

    কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশ

    প্রসঙ্গত, উচ্চ প্রাথমিকে ২০১৬ সালের নিয়োগের ব্যাপারে মামলা হয় কলকাতা হাইকোর্টে। নানা কারণে উচ্চ প্রাথমিকের কাউন্সিলিং বন্ধ হয়ে যায়। চলতি বছরের ১৭ অক্টোবর কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি সৌমেন সেন এবং বিচারপতি উদয় কুমারের ডিভিশন বেঞ্চ কাউন্সিলিং (Upper Primary) শুরুর নির্দেশ দেয় স্কুল সার্ভিস কমিশনকে। তবে হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ শর্তও দেয় যে, কাউন্সেলিং চলবে কিন্তু কাউকে নিয়োগপত্র দেওয়া যাবে না। কলকাতা হাইকোর্টের সেই নির্দেশ মেনে ১৪ হাজারেরও বেশি পদে কাউন্সেলিং শুরু করে স্কুল সার্ভিস কমিশন।

    সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ চাকরিপ্রার্থীদের একাংশ

    কাউন্সেলিং শুরু হতেই তা বন্ধ করতে চেয়ে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হন উচ্চ প্রাথমিক চাকরিপ্রার্থীদের একাংশ। এক্ষেত্রে তাঁদের দাবি ছিল প্রথম প্যানেলে তাঁদের নাম থাকলেও নতুন প্যানেলে নাম নেই এবং অস্বচ্ছ প্যানেল তৈরি করে কাউন্সেলিং শুরু করতে চাইছে বলে অভিযোগ করেন তাঁরা। কাউন্সেলিং বন্ধ করার আবেদন জানিয়ে ৩৫ জন চাকরি প্রার্থী (Upper Primary) শীর্ষ আদালতে মামলা দায়ের করেন। সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি আসাউদ্দিন আমানুল্লাহ এবং বিচারপতি হিমা কোহলির ডিভিশন বেঞ্চে সেই মামলার শুনানি ছিল। আজকেই শীর্ষ আদালত নির্দেশ দিল যে উচ্চ প্রাথমিকের শিক্ষক নিয়োগের কাউন্সেলিং বন্ধ করা যাবে না।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Article 370: জম্মু-কাশ্মীরে ৩৭০ ধারা বিলোপ বৈধ! রায় সুপ্রিম কোর্টের, জানেন এই ধারার ইতিহাস?

    Article 370: জম্মু-কাশ্মীরে ৩৭০ ধারা বিলোপ বৈধ! রায় সুপ্রিম কোর্টের, জানেন এই ধারার ইতিহাস?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেন্দ্রের সঙ্গে সহমত দেশের শীর্ষ আদালত। ৩৭০ ধারা (Article 370 in Jammu and Kashmir) একটি ‘অস্থায়ী বিধান’। রাষ্ট্রপতির হাতে এটি বাতিল করার ক্ষমতা ছিল। সোমবার এমনই রায় দিল সুপ্রিম কোর্ট। সর্বোচ্চ আদালত আরও জানিয়েছে, জম্মু ও কাশ্মীর সাংবিধানিক পরিষদ ভেঙে যাওয়ার পরেও ৩৭০ ধারা রদের বিজ্ঞপ্তি জারি করার ক্ষমতা রাষ্ট্রপতির আছে। উল্লেখ্য, জম্মু ও কাশ্মীরের বিশেষ অধিকার প্রসঙ্গে সুপ্রিম কোর্টের রায়কে ‘ঐতিহাসিক’ বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তিনি বলেছেন, এটি আশা, অগ্রগতি এবং ঐক্যের বার্তা দেয়। 

    ৩৭০ ধারা কী?

    ৩৭০ ধারা ভারতীয় সংবিধানের একটি অস্থায়ী সংস্থান (‘টেম্পোরারি প্রভিশন’)। এই ধারায় জম্মু-কাশ্মীরকে (Article 370 in Jammu and Kashmir) বিশেষ মর্যাদা ও বিশেষ স্বায়ত্তশাসন দেওয়া হয়েছিল। সংবিধানের ১১ নম্বর অংশে অস্থায়ী, পরিবর্তনশীল এবং বিশেষ সংস্থানের কথা বলা হয়েছে। সেই অনুযায়ীই জম্মু-কাশ্মীরকে বিশেষ মর্যাদা দেওয়া হয়েছিল। অর্থাৎ সংবিধানের ধারাগুলি অন্য সব রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হলেও জম্মু-কাশ্মীরের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নাও হতে পারে।

    কবে অন্তর্ভুক্ত?

    ৩৭০ ধারা সংবিধানের অন্তর্ভুক্ত হয়েছিল ১৯৪৯ সালের ১৭ অক্টোবর। এই ধারা বলে জম্মু-কাশ্মীরকে ভারতীয় সংবিধানের আওতামুক্ত রাখা হয় (অনুচ্ছেদ ১ ব্যতিরেকে) এবং ওই রাজ্যকে নিজস্ব সংবিধানের খসড়া তৈরির অনুমতি দেওয়া হয়। এই ধারা বলে ওই রাজ্যে সংসদের ক্ষমতা সীমিত। ১৯৪৭ সালে এই ৩৭০ ধারার খসড়া প্রস্তুত করেন শেখ আবদুল্লা। জম্মু-কাশ্মীরের প্রধানমন্ত্রী মহারাজা হরি সিংহ এবং জওহরলাল নেহরু তাঁকে নিয়োগ করেন। ১৯৬৫ সাল পর্যন্ত জম্মু-কাশ্মীরে রাজ্যপালের জন্য সদর-এ-রিয়াসত চালু ছিল। মুখ্যমন্ত্রীর বদলে ছিল প্রধানমন্ত্রী। যদিও ১৯৬৫ সালের পর তা উঠে যায়।

    ৩৭০ ধারায় বিশেষ সুবিধা

    ৩৭০ নম্বর ধারা অনুযায়ী, ২০১৯ সালের অগাস্ট মাসের আগে পর্যন্ত প্রতিরক্ষা, বিদেশ, অর্থ এবং যোগাযোগ ছাড়া অন্য কোনও বিষয়ে জম্মু ও কাশ্মীরে হস্তক্ষেপের অধিকার ছিল না কেন্দ্রের। জম্মু ও কাশ্মীরে কোনও আইন প্রণয়নের অধিকার ছিল না সংসদেরও। আইন প্রণয়ন করতে হলে রাজ্যের সম্মতি নিতে হত। তাছাড়া আলাদা পতাকাও ছিল জম্মু ও কাশ্মীরের। ৩৭০ ধারার (Article 370 in Jammu and Kashmir) অধীনেই ছিল ৩৫এ ধারা। এই ৩৫এ ধারা অনুযায়ী কাশ্মীরের স্থায়ী বাসিন্দারাও বিশেষ সুবিধা পেতেন। স্থায়ী বাসিন্দা ছাড়া অন্য রাজ্যের কেউ সেখানে স্থাবর সম্পত্তি কিনতে পারতেন না। কিনতে হলে অন্তত ১০ বছর জম্মু-কাশ্মীরে থাকতে হত। এবার যে কোনও রাজ্যের বাসিন্দা সেখানে জমি কিনতে পারবেন।

    ৩৭০ ধারার ইতিহাস

    ১৯৪৭ সালের ২৬ শে অক্টোবর শেষ শাসক মহারাজা হরি সিং জম্মু ও কাশ্মীরকে ভারতের পক্ষে আনার ক্ষেত্রে একটি চুক্তিপত্রে স্বাক্ষর করেছিলেন। ঠিক পরের দিন অর্থাৎ ২৭ অক্টোবর, তৎকালীন গভর্নর জেনারেল লর্ড মাউন্টব্যাটেন সেই চুক্তি অনুমোদন করেন। পুরো বিষয়টি কয়েকটি ক্ষেত্রের মধ্যেই সীমাবন্ধ ছিল। ১৯৫০ সালের ২৬ জানুয়ারি, তৎকালীন রাষ্ট্রপতি রাজেন্দ্র প্রসাদ ধারা ৩৭০ অনুযায়ী প্রথম আদেশ জারি করেন। যা ছিল জম্মু এবং কাশ্মীরের জন্য। যার মাধ্যমে বেশ কিছু বিষয় স্পষ্ট করা হয় এবং যা সূচিবন্ধ করা হয়। ১৭ নভেম্বর, ১৯৫৬ সালে জম্মু-কাশ্মীরের সংবিধান হয়। ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ ছিল এবং থাকবে , সেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

    আরও পড়ুন: “৩৭০ ধারা বাতিল অসাংবিধানিক নয়”, ঐতিহাসিক রায় সুপ্রিম কোর্টের

    ৩৭০ ধারা প্রত্যাহার

    ২০১৯ সাল, ৫ অগাস্ট জম্মু-কাশ্মীর থেকে প্রত্যাহার করে নেওয়া হয় ৩৭০ ধারা। জম্মু-কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদা তুলে নেয় মোদি সরকার। আর সেই মতো পৃথক কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল তৈরি করা হয় জম্মু এবং কাশ্মীরকে ভেঙে। মোদি সরকারের এহেন সাহসী সিদ্ধান্ত ঘিরে প্রশ্ন ওঠে। আইনগত এবং সংবিধানিক ভাবে এই সিদ্ধান্ত কতটা বৈধ, তা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। কেন্দ্রের যুক্তি, দেশের সংবিধান সভা জম্মু ও কাশ্মীরকে ৩৭০ ধারায় বিশেষ মর্যাদা দিয়েছিল। কিন্তু স্বাধীন দেশে সংবিধান প্রণয়নের পর ১৯৫৭ সালে সংবিধান সভা ভেঙে দেওয়া হয়। ১৯৫০ সালে সংবিধান প্রণয়নের সময় ৩৭০ ধারায় জম্মু-কাশ্মীরকে বিশেষ মর্যাদা দেওয়া হলেও সেই মর্যাদা স্থায়ী ছিল না, বরং ছিল ‘অস্থায়ী সংস্থান’ ওই অনুচ্ছেদের ৩ নম্বর উপধারায় বলা হয়, রাষ্ট্রপতি ইচ্ছে করলে ওই ‘বিশেষ মর্যাদা’ তুলে নিতে পারেন। রাষ্ট্রপতির ওই ক্ষমতাকে ব্যবহার করেই ২০১৯ সালে ‘বিশেষ মর্যাদা’ প্রত্যাহার করে মোদি সরকার। 

    সুপ্রিম সিদ্ধান্ত

    যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে জম্মু ও কাশ্মীরে সংবিধানের ৩৭০ ধারা (Article 370 in Jammu and Kashmir) প্রয়োগ করা হয়েছিল। তা ছিল অস্থায়ী ব্যবস্থা। চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত ছিল না। সংবিধানের ৩৫৬ ধারা মোতাবেক জম্মু ও কাশ্মীরে রাষ্ট্রপতি শাসন জারি করা হয়েছিল। তাই জম্মু কাশ্মীর থেকে কেন্দ্রের ৩৭০ ধারা তুলে নেওয়ার সিদ্ধান্তে কোনও ভুল নেই। এমনটাই জানাল সুপ্রিম কোর্ট। দীর্ঘ শুনানি শেষে আদালত বলল, ৩৭০ ধারা ছিল অস্থায়ী। জম্মু ও কাশ্মীর ভারতের সঙ্গে যুক্ত হওয়ার পরে তাদের সার্বভৌমত্ব ভারতের কাছে সমর্পণ করেছে। কাশ্মীর ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share