Tag: Supreme court

Supreme court

  • CBI Consent Case: সিবিআই একটি স্বাধীন, স্বতন্ত্র সংস্থা, সুপ্রিম কোর্টে জানাল কেন্দ্র

    CBI Consent Case: সিবিআই একটি স্বাধীন, স্বতন্ত্র সংস্থা, সুপ্রিম কোর্টে জানাল কেন্দ্র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সিবিআই একটি স্বাধীন, স্বতন্ত্র সংস্থা, কেন্দ্রীয় সরকারের অঙ্গ নয়। বৃহস্পতিবার সুপ্রিম কোর্টে সাফ জানিয়ে দিল কেন্দ্র। পশ্চিমবঙ্গে সিবিআই (CBI Consent Case) তদন্তের জেনারেল কনসেন্ট প্রত্যাহার করে নিয়েছে রাজ্য সরকার। তার পরেও রাজ্যের অনুমতি ছাড়া একের পর এক মামলায় এফআইআর করতে শুরু করে সিবিআই। এর পরেই সিবিআইয়ের বিরুদ্ধে মামলা করে তৃণমূল পরিচালিত রাজ্য সরকার।

    সলিসিটর জেনারেলের যুক্তি

    এদিন শুনানির জন্য মামলাটি ওঠে সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি বিআর গবই ও বিচারপতি অরবিন্দ কুমারের বেঞ্চে। কেন্দ্রের হয়ে শুনানি করেন সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা। সেখানেই তিনি জানিয়ে দেন, সিবিআই স্বাধীন ও স্বতন্ত্র একটি সংস্থা। পশ্চিমবঙ্গ সরকারের করা মামলার গ্রহণযোগ্যতা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন কেন্দ্রের সলিসিটর জেনারেল। শীর্ষ আদালতে তিনি জানান, সিবিআইয়ের (CBI Consent Case) তদন্তের ধরন বা এফআইআর করার সিদ্ধান্তে নাক গলায় না কেন্দ্র। তাই কেন্দ্রের বিরুদ্ধে এই মামলা দায়ের করা যায় না। কেন্দ্রের সলিসিটর জেনারেল এও জানান, যেসব ঘটনায় সিবিআইয়ের তদন্ত বা এফআইআরের বিরুদ্ধে আপত্তি তুলেছে রাজ্য সরকার, সেই তদন্ত সিবিআই শুরু করেছে কলকাতা হাইকোর্ট কিংবা সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে। তাই রাজ্য সরকারের অনুমতি নেওয়ার প্রয়োজন কেন হবে?

    ‘সিবিআই আর কেন্দ্রীয় সরকার এক নয়’

    তিনি বলেন, “সিবিআই আর কেন্দ্রীয় সরকার এক নয়। যদি সিবিআইয়ের বিরুদ্ধে অভিযোগ থাকে, তাহলে সিবিআইয়ের বিরুদ্ধেই মামলা করতে হবে। এই সংস্থার ওপর আমাদের কোনও নিয়ন্ত্রণ নেই। এটি একটি স্বাধীন সংস্থা।” সলিসিটর জেনারেল বলেন, “ভারতীয় সংবিধানের ১৩১ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, কেন্দ্র ও রাজ্যের মতপার্থক্য হলে তবেই অরিজিনাল সিভিল স্যুট দায়ের করা যায়। এ ক্ষেত্রে যেহেতু অভিযোগটা সিবিআইয়ের বিরুদ্ধে, কেন্দ্রের বিরুদ্ধে নয়, তাই এ ক্ষেত্রে কেন্দ্রের কোনও ভূমিকাই নেই।”

    আরও পড়ুুন: সংসদের শীতকালীন অধিবেশন বসবে ৪ ডিসেম্বর, পেশ হবে মহুয়াকে বহিষ্কারের সুপারিশ!

    তাঁর অভিযোগ, সিবিআই পশ্চিমবঙ্গে রেলের জমি থেকে ইস্টার্ন কোল্ডফিল্ডসের কয়লা পাচারের তদন্ত শুরু করেছিল। সেই তদন্তে বিশেষ একজনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তলব করার উদ্যোগ নিতেই এই মামলা করেছে রাজ্য সরকার।” বেঞ্চ জানিয়ে দেয়, তদন্তের বিষয়টা বুঝতে পারছি। সিবিআই স্বাধীনভাবেই কাজ করবে। তবে প্রশাসনিক দিক থেকে সিবিআই কেন্দ্রেরই অধীন। এই মামলার (CBI Consent Case) পরবর্তী শুনানি হবে ২৩ নভেম্বর।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের , Twitter এবং Google News পেজ।

  • SSC Scam: নিয়োগ সংক্রান্ত মামলা হাইকোর্টেই! দু’মাসেই শেষ করতে হবে তদন্ত, নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের

    SSC Scam: নিয়োগ সংক্রান্ত মামলা হাইকোর্টেই! দু’মাসেই শেষ করতে হবে তদন্ত, নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিয়োগ দুর্নীতি সংক্রান্ত রাজ্যের সমস্ত মামলা কলকাতা হাইকোর্টে ফিরিয়ে দিল শীর্ষ আদালত। বৃহস্পতিবার সুপ্রিম কোর্টের দুই বিচারপতির বেঞ্চ জানিয়েছে, এই সংক্রান্ত সমস্ত তদন্ত সিবিআই এবং ইডিকে দু’মাসের মধ্যে শেষ করতে হবে। এদিন নিয়োগ সংক্রান্ত মামলার শুনানিতে সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি অনিরুদ্ধ রায়ের ডিভিশন বেঞ্চ স্পষ্ট নির্দেশ দেয়। 

    কী বলল শীর্ষ আদালত

    সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ অনুযায়ী, কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার রিপোর্ট হাতে পাওয়ার পর আগামী ৩ মাসের মধ্যে নিয়োগ দুর্নীতির বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ। কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় বিভিন্ন মামলায় চাকরি বাতিলের নির্দেশ দিয়েছিলেন। বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের ওই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টে মামলা দায়ের হয়েছিল। ওই মামলাতেই এদিন এই নির্দেশ দিয়েছে শীর্ষ আদালত। নিয়োগ দুর্নীতি সংক্রান্ত যে সব মামলা এতদিন সুপ্রিম কোর্টের বিচারাধীন ছিল, সেগুলিকেও কলকাতা হাইকোর্টে ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে। এই মামলার শুনানিও আগামী ছ’মাসে শেষ করতে হবে।

    আরও পড়ুন: মহুয়াকে লোকসভা থেকে বহিষ্কারে সায় এথিক্স কমিটির! পক্ষে থাকলেন মাত্র ৪ জন

    প্রসঙ্গত, এসএসসি সংক্রান্ত অনেকগুলি মামলা চলছিল সুপ্রিম কোর্টে। এই নিয়ে এর আগে একবার বিরক্তিও প্রকাশ করেছিল বিচারপতি বোস এবং বিচারপতি ত্রিবেদীর বেঞ্চ। বিচারপতিদ্বয় বলেছিলেন, ‘‘২০১৪, ২০১৬, ২০১৭ সাল-সহ বিভিন্ন বছরের আলাদা আলাদা বিষয় নিয়ে মামলা হয়েছে সুপ্রিম কোর্টে। এতগুলি মামলার মধ্যে কোনটা আগে শুনব?’’ আদালত সূত্রের খবর, নবম, দশম, একাদশ, দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষক ও অশিক্ষক কর্মচারী নিয়োগে দুর্নীতির তদন্তে এখনও পর্যন্ত কী কী পাওয়া গিয়েছে, তা এদিন আদালতকে জানায় সিবিআই। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার তরফে এ বিষয়ে এদিন আদালতে চারটি রিপোর্টও জমা দেওয়া হয়। এরপরই এসএসসি মামলার তদন্তের দায়িত্বে থাকা কেন্দ্রীয় সংস্থা সিবিআইকে বিশেষ নির্দেশে সুপ্রিম কোর্ট বলে, তাদেরও এসএসসি সংক্রান্ত বাকি থাকা সমস্ত তদন্ত দু’মাসের মধ্যে শেষ করতে হবে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের , Twitter এবং Google News পেজ।

  • Mahua Moitra: এবার মহুয়ার বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ প্রাক্তন ‘প্রেমিক’ জয়ের, কী জানালেন থানায়?

    Mahua Moitra: এবার মহুয়ার বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ প্রাক্তন ‘প্রেমিক’ জয়ের, কী জানালেন থানায়?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চলতি বছরটা খুব একটা ভালো যাচ্ছে না কৃষ্ণনগরের সাংসদ তৃণমূলের মহুয়া মৈত্রর (Mahua Moitra)! কিছু দিন আগেই তাঁকে মুখোমুখি হতে হয়েছে সংসদের এথিক্স কমিটির। টাকার বিনিময়ে সংসদে প্রশ্ন করার অভিযোগে মহুয়াকে তলব করেছিল এথিক্স কমিটি। এবার তৃণমূলের এই নেত্রীর বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ করলেন তাঁরই প্রাক্তন ‘প্রেমিক’ সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী জয় অনন্ত দেহাদ্রাই। দায়ের করা অভিযোগে দেহাদ্রাই জানান, ভয় দেখানোর উদ্দেশ্যেই তাঁর বাড়িতে ‘অনুপ্রবেশ’ করেছিলেন মহুয়া। সুপ্রিম কোর্টের এই আইনজীবীর অভিযোগ, ৫ ও ৬ নভেম্বর না জানিয়েই তাঁর বাড়িতে এসেছিলেন তৃণমূল নেত্রী।

    মহুয়ার বিরুদ্ধে অভিযোগ

    তৃণমূল নেত্রীর বিরুদ্ধে দিল্লি থানায় দায়ের করা অভিযোগপত্রে দেহাদ্রাই লিখেছেন, গত ৫ নভেম্বর সকাল ১১টা নাগাদ ও ৬ নভেম্বর সকাল ৯টা নাগাদ সাংসদ মহুয়া মৈত্র কাউকে কিছু না জানিয়েই আমার বাড়িতে আসেন। এভাবে (মহুয়া) মৈত্রর আমার বাড়িতে আসার কারণ হিসেবে মনে হচ্ছে, তিনি আমার বিরুদ্ধে আবার কোনও ভুয়ো প্রতারণামূলক অভিযোগ দায়ের করার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। তাঁর অভিযোগ, তাঁকে ভয় দেখানোর অভিপ্রায় নিয়েই তাঁর বাড়িতে অনুপ্রবেশ করেছিলেন মহুয়া (Mahua Moitra)। তাঁর সংযোজন, “মহুয়া মৈত্রর প্রতারণামূলক ও মিথ্যে অভিযোগ সম্পর্কে আমি আগেই দিল্লির পুলিশ কমিশনারকে জানিয়েছি। তবে তাঁর এই অনুপ্রবেশে ভয় পেয়েছেন আমার বাড়ির কর্মীরা। আর এই ঘটনা থেকেই গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন উঠছে কেন একজন দাবি করেছিলেন আমার সঙ্গে তাঁর একটি উত্তেজনাপূর্ণ অতীত রয়েছে। আমার বাসভবনে ইচ্ছাকৃতভাবে এসেছেন মহুয়া। তাও আবার দু’দিন।”

    আইনজীবীর ভয়ের কারণ

    সুপ্রিম কোর্টের এই আইনজীবী তাঁর বয়ানে জানিয়েছেন, পিনাকি মিশ্রর গাড়িতে করে একদিন তাঁর বাড়িতে এসেছিলেন মহুয়া। পরের দিন এসেছিলেন বিধায়ক বিবেক গুপ্তর সাদা ইনোভা গাড়িতে চড়ে। তিনি লিখেছেন, “আমার ভয়ের কারণ হল মহুয়া আমার পোষ্য হেনরির অজুহাতে সম্পর্ক গড়ে তুলতে আমার বাড়িতে চলে আসছে। বিষয়টি আমার কাছে ধাঁধার মতো লাগছে। কারণ কোনও আমন্ত্রণ ছাড়াই ওঁর এভাবে আমার বাড়িতে চলে আসাটা বেশ রহস্যজনক। মহুয়া মৈত্র ও তাঁর সহচর শারীরিকভাবে আমার ক্ষতি করার চক্রান্ত করছেন বলে মনে হচ্ছে।” প্রসঙ্গত, সাংসদ নিশিকান্ত দুবে দাবি করেছিলেন, দেহাদ্রাই তাঁকে যে চিঠি দিয়েছিলেন, তার ভিত্তিতেই তিনি মহুয়ার (Mahua Moitra) বিরুদ্ধে টাকার বিনিময়ে প্রশ্ন করার অভিযোগ জানিয়েছিলেন।

    আরও পড়ুুন: জ্যোতিপ্রিয়র স্ত্রী-মেয়েকে ডাকবে ইডি! রেশন দুর্নীতির তদন্তে তলবের সম্ভাবনা যে কোনও দিন

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের , Twitter এবং Google News পেজ।

     

     

  • Supreme Court: আরএসএসকে মিছিলের অনুমতি সুপ্রিম কোর্টের, ফের একবার মুখ পুড়ল তামিলনাড়ু সরকারের

    Supreme Court: আরএসএসকে মিছিলের অনুমতি সুপ্রিম কোর্টের, ফের একবার মুখ পুড়ল তামিলনাড়ু সরকারের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শেষমেশ আরএসএসকে মিছিল করার অনুমতি দিল সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court)। মঙ্গলবার দেশের শীর্ষ আদালতের কাছে তামিলনাড়ু সরকার এ ব্যাপারে তাদের সম্মতি জানিয়েছে। মাদ্রাজ হাইকোর্টের অনুমোদন সাপেক্ষে চলতি মাসের ১৯ কিংবা ২৬ তারিখে ওই মিছিল করতে পারবে আরএসএস।

    মিছিল করতে পারবে আরএসএস

    শুনানির সময় রাজ্য সরকার হাইকোর্টের নির্দেশের ওপর স্পেশাল লিভ পিটিশন দায়ের করে। মাদ্রাজ হাইকোর্টই পুলিশকে নির্দেশ দিয়েছিল রাজ্যে মিছিল করার অনুমতি দেওয়া হোক আরএসএসকে। সুপ্রিম কোর্টের সূর্য কান্ত ও দীপঙ্কর দত্তের ডিভিশন বেঞ্চ আরএসএসকে মিছিলের প্রস্তাবিত রুটের ব্যাপারে বিস্তারিত জানাতে বলেছিল। রাজ্যকেও বলেছিল  ১৫ অক্টোবরের মধ্যে এ ব্যাপারে তাদের সিদ্ধান্ত জানাতে। তার পরেই রাজ্য সরকার জানিয়ে দেয়, রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় মিছিল করতে পারবে আরএসএস। এই মামলার পরবর্তী শুনানি হবে ২০ নভেম্বর।

    স্ট্যালিন সরকারের মুখ পুড়েছিল গতবারও

    প্রসঙ্গত, গত বছরও (Supreme Court) আজাদি কা অমৃত মহোৎসব ও গান্ধী জন্মজয়ন্তী উপলক্ষে অক্টোবর মাসে রুট মার্চ করার জন্য স্ট্যালিন সরকারের কাছে আবেদন জানিয়েছিল আরএসএস। এই মিছিলকে ঘিরে সম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্ট হতে পারে, এই আশঙ্কায় সেই আবেদনও খারিজ করে দিয়েছিল তামিলনাড়ু সরকার। স্ট্যালিন সরকারের এই সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করে নভেম্বরে মাদ্রাজ হাইকোর্টে যায় আরএসএস। সঙ্ঘ পরিবারের ওই আবেদন খারিজ করে দিয়েছিল হাইকোর্টের সিঙ্গল বেঞ্চ। এই বেঞ্চের বিচারপতি সংঘের কর্মসূচি বন্ধ রাখার নির্দেশও দিয়েছিলেন।

    সিঙ্গল বেঞ্চের রায়কে চ্যালেঞ্জ করে ফের ডিভিশন বেঞ্চের দ্বারস্থ হয়েছিল আরএসএস। সিঙ্গল বেঞ্চের রায় খারিজ করে আরএসএসকে মিছিল করার অনুমতি দিয়েছিল ডিভিশন বেঞ্চ। সেই সঙ্গে বাকস্বাধীনতা রক্ষার দায়িত্ব তামিলনাড়ু সরকারের ওপর চাপিয়ে দিয়েছিলেন বিচারপতিরা। হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চে ধাক্কা খেয়ে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিল তামিলনাড়ু সরকার। দায়ের করেছিল মামলাও।

    আরও পড়ুুন: জ্যোতিপ্রিয়র স্ত্রী-মেয়েকে ডাকবে ইডি! রেশন দুর্নীতির তদন্তে তলবের সম্ভাবনা যে কোনও দিন

    আরএসএসের মিছিলের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করা উচিত বলেও জানানো হয়েছিল আবেদনে। সেই মামলায়ও তামিলনাড়ু সরকারের আপত্তি খারিজ করে দিয়েছিল সুপ্রিম কোর্টও। বিচারপতি ভি রামসুব্রহ্মণিয়ন ও পঙ্কজ মিথালের ডিভিশন বেঞ্চও জানিয়েছিল, রাজ্য সরকার যে তালিকা দিয়েছে, তাতে দেখা যাচ্ছে আরএসএসের সদস্যরাই বিভিন্ন ক্ষেত্রে অত্যাচারের শিকার হয়েছে। তারা কখনওই অপরাধী ছিল না। তাই আগের বিচারপতিরা যে রায় দিয়েছেন, তাতে কোনও ত্রুটি খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। তাই খারিজ করা হল এই আবেদন। এবারও সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court) আরএসএসকে মিছিলের অনুমতি দেওয়ায় ফের একবার মুখ পুড়ল তামিলনাড়ু সরকারের।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের , Twitter এবং Google News পেজ।

     

     

  • Supreme Court: দিল্লির বাতাসের মান মানুষের স্বাস্থ্যকে খুন করার শামিল, মন্তব্য সুপ্রিম কোর্টের

    Supreme Court: দিল্লির বাতাসের মান মানুষের স্বাস্থ্যকে খুন করার শামিল, মন্তব্য সুপ্রিম কোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দিল্লির দূষণ নিয়ে রাজনৈতিক লড়াই বন্ধ হোক। রাজধানীর বাতাসের গুণগত মান যে শ্বাসরুদ্ধকর পর্যায়ে পৌঁছেছে, তা মানুষের স্বাস্থ্যকে খুন করার শামিল। মঙ্গলবার দিল্লির বায়ু দূষণ নিয়ে এমনই মন্তব্য করল সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court)। সপ্তাহখানেক ধরে ব্যাপকভাবে দূষিত হয়েছে দিল্লির বাতাস। ভয়ঙ্কর পরিস্থিতির মোকাবিলা করতে ইতিমধ্যেই ১০ নভেম্বর পর্যন্ত রাজ্যের প্রাথমিক স্কুলগুলি বন্ধের নির্দেশিকা জারি করেছে অরবিন্দ কেজরিওয়ালের সরকার।

    দূষিত শহরের তালিকায় এক নম্বরে

    সাম্প্রতিক এক সমীক্ষায় জানা গিয়েছে, বিশ্বে সব চেয়ে দূষিত শহরের তালিকায় এক নম্বরে রয়েছে দিল্লি। প্রতিবেশী রাজ্য পঞ্জাব ও হরিয়ানায় শস্যগাছের গোড়া পোড়ানোই এই দূষণের মূল কারণ বলে এদিন মন্তব্য করেছে আদালত। পঞ্জাব সরকারকে সুপ্রিম কোর্ট বলেছে, শস্যগাছের গোড়া পোড়ানো এখনই বন্ধ হওয়া উচিত। কীভাবে করবেন, সেটা আপনাদের বিষয়। আপনাদের কাজ। তবে এই কাজ এখনই বন্ধ করা উচিত। এই সঙ্গেই দেশের শীর্ষ আদালত জানিয়ে দেয়, দূষণ নিয়ে রাজনৈতিক লড়াই করা ঠিক নয়। এখানে মানুষের স্বাস্থ্য জড়িয়ে। বাতাসের গুণগত মান যেভাবে খারাপ হচ্ছে, তা মানুষের স্বাস্থ্যকে খুন করার শামিল। আদালতের মন্তব্য, অবিলম্বে শস্যগাছের গোড়া পোড়ানো বন্ধ করতে হবে। এখনই তা করতে হবে। যা করার অবিলম্বে করতে হবে।

    কয়েকটি রাজ্যকে অর্ডার ইস্যু

    সুপ্রিম কোর্টের (Supreme Court) বিচারপতি সঞ্জয় কিষান বলেন, “সম্প্রতি আমি পঞ্জাবে গিয়েছিলাম। রাস্তার দু’ ধারে মাইলের পর মাইল ধরে খড় পুড়তে দেখেছি।” এর পাশাপাশি রাজস্থান ও অন্য রাজ্যগুলিকে অর্ডার ইস্যু করে জানানো হয়েছে, দীপাবলির মরশুমে বাজি ফাটানো বন্ধ রাখতে হবে। বায়ু দূষণ কম করার জন্য প্রতিটি রাজ্যকেই সচেষ্ট থাকার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। আদালতের মন্তব্য, বায়ু দূষণ মোকাবিলায় যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া সকলের দায়িত্ব।

    আরও পড়ুুন: “ডিরেক্টর! আমি তো জানি না, সই করিয়েছিল দাদার লোক”, বললেন জ্যোতিপ্রিয়র পরিচারক

    দিল্লির কেজরিওয়ালের সরকারকেও একহাত নিয়েছে শীর্ষ আদালত। আদালত জানিয়েছে, দিল্লি সরকারও এই বায়ু দূষণের জন্য দায়ী। অনেক বাস রয়েছে যেগুলি বায়ু দূষণ করছে। এই বিষয়টির ওপর সরকারের নজর দেওয়া উচিত। বায়ু দূষণের মোকাবিলায় পঞ্জাব, হরিয়ানা, উত্তরপ্রদেশ ও দিল্লি সরকারকে জরুরি ভিত্তিতে বৈঠকে বসার নির্দেশও দিয়েছে আদালত। বছরের পর বছর ধরে শীতের শুরুতে দিল্লির এই পরিস্থিতি চলতে পারে না বলেও মন্তব্য করেছে শীর্ষ আদালত (Supreme Court)। প্রসঙ্গত, প্রতি ঘন মিটারে বাতাসে ভাসমান ধূলিকণার মাত্রা ১৫ মাইক্রোগ্রাম পর্যন্ত হলে তা শ্বাস নেওয়ার যোগ্য বলে মনে করে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। সোমবার বিকেলে দিল্লিতে এই সূচক ছিল ৪২১। এদিন সকালে এর পরিমাণ ছিল ৩৯৪।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Primary Recruitment Scam: গৌতম পালের রক্ষাকবচের আবেদন খারিজ সুপ্রিম কোর্টে, জেরা করতে পারবে সিবিআই?

    Primary Recruitment Scam: গৌতম পালের রক্ষাকবচের আবেদন খারিজ সুপ্রিম কোর্টে, জেরা করতে পারবে সিবিআই?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের সভাপতি সুপ্রিম কোর্টে পেলেন না রক্ষাকবচ। এবার শিক্ষক দুর্নীতি (Primary Recruitment Scam) নিয়োগের তদন্তে সিবিআইয়ের মুখোমুখি হতে হবে সভাপতিকে। হাইকোর্টের নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টে গিয়েছিলেন পর্ষদের সভাপতি গৌতম পাল এবং উপ সচিব পার্থ কর্মকার। সোমবার তাঁদের আবেদন খারিজ হয়। এবার কি হেফাজতে নিয়ে জেরা করতে পারবে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা?

    খারিজ হল পর্ষদ সভাপতির রক্ষাকবচ

    প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় (Primary Recruitment Scam) গত ১৮ অক্টোবর পর্ষদের সভাপতি গৌতম পালকে (Gautam Pal) জিজ্ঞাসাবাদের জন্য কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাকে নির্দেশ দিয়েছিলেন কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। প্রয়োজনে হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাবাদ করার কথাও বলেছিলেন বিচারপতি। আর হাইকোর্টের এই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে বিশেষ রক্ষাকবচ চেয়ে সুপ্রিমকোর্টে আবেদন করেছিলেন গৌতম পাল। কিন্তু আজ এই আবেদনকে খারিজ করে দেন বিচারপতি অনিরুদ্ধ বোস এবং বেলা এম ত্রিবেদীর ডিভিশন বেঞ্চ। পরবর্তী শুনানি হবে আগামী শুক্রবার।

    পর্ষদের বিরুদ্ধে অভিযোগ কী

    সূত্রে জানা গিয়েছে, ২০১৪ সালের প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগের পরীক্ষার উত্তরপত্র স্বরূপ ওএমআরশিট দেখার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল ‘এস বসু রায় অ্যান্ড কোম্পানিকে’। ইতিমধ্যে সংস্থার কর্ণধার কৌশিক মাজিকে নিজাম প্যালেসে ডেকে দুর্নীতি (Primary Recruitment Scam) তদন্তের জিজ্ঞাসাবাদ করে সিবিআই। এরপর মামলাকারীর আইনজীবী জানান, উত্তরপত্র শিটের ডিজিটাল ফরম্যাটের তথ্যে অনেক ভুল রয়েছে। আদালতে যে নথি উত্তরপত্রের শিট বলে জমা করেছে পর্ষদ, তা আদতে ত্রুটিপূর্ণ। ওএমআর শিট রূপে যা দেখানো হয়েছে, তা কার্যত ডিজিটাল ফরম্যাট নয়, হাতে টাইপ করা শিট। আর এতেই দুর্নীতির বিষয়কে অনুমান করা হচ্ছে। এরপরেই বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের এজলাসে টেটে পরীক্ষার উত্তরপত্রের রিপোর্ট জমা করে পর্ষদ।

    পর্ষদ আইনজীবীর বক্তব্য

    পর্ষদ সভাপতি গৌতম পালের (Gautam Pal) আইনজীবীর বক্তব্য, “২০১৪ থেকে ২০১৭ সাল সময় পর্বের নিয়োগ প্রক্রিয়ার তদন্ত চলছে। কিন্তু বর্তমান পর্ষদ সভাপতির কাজ কী?”  এই প্রেক্ষিতে, সিবিআইয়ের বক্তব্য জানতে চেয়ে নোটিস পাঠিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। তবে, গৌতম পালের রক্ষাকবচের আবেদন গ্রাহ্য করেনি বেঞ্চ। আদালতের পর্যবেক্ষণ, যদি তদন্তে সবরকম সহযোগিতা করা হয় তাহলে গ্রেফতারের আশঙ্কা কেন?

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Same Sex Marriage: সমলিঙ্গ বিবাহে স্বীকৃতি দিল না সুপ্রিম কোর্ট! সিদ্ধান্ত নিতে বলল আইনসভাকে

    Same Sex Marriage: সমলিঙ্গ বিবাহে স্বীকৃতি দিল না সুপ্রিম কোর্ট! সিদ্ধান্ত নিতে বলল আইনসভাকে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সুপ্রিম কোর্টে বৈধতা পেল না সমলিঙ্গ বিবাহ (Same Sex Marriage)। এই ক্ষেত্রে আইন প্রনয়নের যাবতীয় দায় সংসদের দিকে ঠেলল শীর্ষ আদালত (Supreme Court)। তবে, সমকামী দম্পতিদের লিভ ইন সম্পর্কে আইনি রক্ষাকবচ দিল সুপ্রিম কোর্ট। প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড়ের নেতৃত্বাধীন পাঁচ বিচারপতির সাংবিধানিক বেঞ্চে এই মামলার শুনানি হয়েছে। শুনানি শেষে সমলিঙ্গ সম্পর্ককে স্বীকতি দিলেও সমলিঙ্গে বিবাহে এখনই সম্মতি দিল না সুপ্রিম কোর্ট। সম্পূর্ণটাই ছাড়া হল কেন্দ্রীয় সরকারের উপর। পাঁচ বিচারপতির সাংবিধানিক বেঞ্চ জানিয়েছে, আদালত এ নিয়ে আইন তৈরি করতে পারে না। কিন্তু আইনের ব্যাখ্যা দিতে পারে। 

    কেন্দ্রকে একটি কমিটি গঠনের নির্দেশ

    পাঁচ বিচারপতির সাংবিধানিক বেঞ্চের একাধিক সদস্য প্রধান বিচারপতি ডি ওয়াই চন্দ্রচূড়ের সঙ্গে একমত হননি। তাই ভিন্নমতের মধ্যেই সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ, ‘সমলিঙ্গে বিবাহে এখনই আইনি স্বীকৃতি নয়।’ অর্থাৎ ভালোবেসে সমকামে নিজের মনের মানুষের সঙ্গে সহবাস করা গেলেও বিয়ে এখনই সম্ভব নয়। প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড় জানান, সমলিঙ্গ সম্পর্কের বিভিন্ন সমস্যার সমাধানের জন্য কেন্দ্রের একটি কমিটি গঠন করা প্রয়োজন। তার মাধ্যমে ওই সম্প্রদায়ের অধিকার সুরক্ষিত করা হবে।

    কী কী বললেন প্রধান বিচারপতি

    প্রধান বিচারপতি চন্দ্রচূড় বলেন, ‘‘বিবাহ নামক প্রতিষ্ঠানটি কোনও অনড়, অটল বিষয় নয়। বিবাহে বিবর্তন আসে।’’ তিনি আরও বলেন, ‘‘ব্যক্তিগত স্তরে যে কোনও কাজকে আইনের ঊর্ধ্বে রাখা উচিত নয়। বিবাহ বর্তমানে যে স্বীকৃতি পেয়েছে, আইন না থাকলে তা সম্ভব হত না।’’ সাংবিধানিক বেঞ্চের অন্য সদস্যেরা হলেন, বিচারপতি সঞ্জয় কিষাণ কউল, বিচারপতি এস রবীন্দ্র ভট্ট, বিচারপতি হিমা কোহলি এবং বিচারপতি এস নরসিং।

    আরও পড়ুন:এমাসেও দুবাই যাওয়ার কথা ছিল বাকিবুরের! উদ্ধার হওয়া খাতায় কী পেল ইডি?

    কেন্দ্রের অভিমত

    সুপ্রিম কোর্টে রায় ঘোষণার সময় বিচারপতি কউল বলেন, ‘‘বিশেষ বিবাহ আইনে সমলিঙ্গ মিলনকে অন্তর্ভুক্ত করার সীমাবদ্ধতা রয়েছে। ওই আইন পরিবর্তন করতে হলে বিরূপ প্রভাব পড়তে পারে।’’ কেন্দ্র সরকারের পাশাপাশি, এ বিষয়ে সাতটি রাজ্যের সরকারও তাদের মতামত জানিয়েছে। কেন্দ্রের পাশাপাশি, অসম, অন্ধ্রপ্রদেশ এবং রাজস্থান সরকার সমলিঙ্গে বিয়ের আইনি বৈধতার দাবির বিরোধিতা করেছে। কেন্দ্রের তরফে সমলিঙ্গে বিয়ের আইনি স্বীকৃতির বিরোধিতা করে জানানো হয়, এটা নেহাতই ‘শহুরে অভিজাত সমাজের ভাবনা’। পাশাপাশি, এমন ‘স্পর্শকাতর বিষয়ে’ সিদ্ধান্ত গ্রহণের ভার সংসদের হাতে তুলে দেওয়ারও দাবি জানানো হয়েছে সুপ্রিম কোর্টে। 

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Kamduni: কামদুনিকাণ্ডের শেষ দেখতে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ টুম্পা-মৌসুমীরা, ফের নিশানা রাজ্যকে

    Kamduni: কামদুনিকাণ্ডের শেষ দেখতে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ টুম্পা-মৌসুমীরা, ফের নিশানা রাজ্যকে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কামদুনিকাণ্ডে (Kamduni) লঘু হয়েছিল দোষীদের সাজা। যাদের ফাঁসির হুকুম হয়েছিল, তাদের হয়েছে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড। কয়েকজন আবার বেকসুর খালাসও পেয়েছে। কলকাতা হাইকোর্টের এই রায়ে রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিয়েছিল কামদুনি। সেদিনই জানিয়েছিল, হাইকোর্টের এই রায়কে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টে যাবেন কামদুনি আন্দোলনের অন্যতম মুখ টুম্পা কয়াল ও মৌসুমী কয়াল।

    রাজ্যকে নিশানা কামদুনির

    সেই মতো বুধবার সকালের বিমানে দিল্লি উড়ে গেলেন টুম্পা, মৌসুমী এবং নির্যাতিতার দুই ভাই। তাঁদের সঙ্গে ছিলেন কামদুনি গ্রামের প্রাথমিক স্কুলের প্রাক্তন শিক্ষক প্রদীপ মুখোপাধ্যায় এবং বিজেপি নেতা শঙ্কুদেব পণ্ডা সহ মোট ৯ জন। দিল্লির উড়ান ধরার আগে মৌসুমী (Kamduni) বলেন, “হাইকোর্টের রায়ের পর আমাদের মন ভেঙে গিয়েছে। আমরা সুপ্রিম কোর্টে যাচ্ছি। জানি না, আদৌ সঠিক বিচার পাব কি না।” টুম্পা বলেন, “রাজ্য সরকার এখন সুপ্রিম কোর্টে গিয়েছে। শুনেছি, কপিল সিব্বলকে আইনজীবী হিসেবে দাঁড় করাবে। এতদিন সরকার কী করছিল? রাজ্য সরকার আইনের ফাঁক তৈরি করেছিল। এখন অপরাধীরা মুক্তি পেয়ে যাওয়ার পর রাজ্য সরকার সুপ্রিম কোর্টে দৌড়চ্ছে।” শঙ্কু বলেন, “রাজ্য সরকারের কাছে সুযোগ ছিল অপরাধীরা যাতে ছাড়া না পায়, তা নিশ্চিত করা। কিন্তু তা হয়নি।”

    মামলা লড়ছেন সুষমা স্বরাজের আইনজীবী মেয়ে

    জানা গিয়েছে, টুম্পা, মৌসুমীদের হয়ে সুপ্রিম কোর্টে সওয়াল করছেন প্রয়াত কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুষমা স্বরাজের আইনজীবী মেয়ে। কামদুনিকাণ্ডে প্রতিবাদীদের অভিযোগ, রাজ্য সরকারের গাফিলতিতেই গণধর্ষণ-খুনের মামলায় মুক্তি পেয়েছে সাজাপ্রাপ্তরা। হাইকোর্ট তার রায়ের কপিতে উল্লেখ করেছে, এই অপরাধ পূর্ব পরিকল্পিত এবং ষড়যন্ত্রমাফিক ঘটানো হয়েছে, তা সন্দেহের ঊর্ধ্বে প্রমাণে ব্যর্থ হয়েছে সরকারপক্ষ। ধর্ষণ এবং খুনে সইফুল এবং আনসারের মতো একই উদ্দেশ্য ছিল এনামুল, ভুট্টো, ভোলা এবং আমিন আলির, সরকারের এই যুক্তি নড়বড়ে ভিতের ওপর দাঁড়িয়ে এবং তা প্রমাণিত একথা বলা যায় না। উল্লেখ্য, কামদুনিকাণ্ডে (Kamduni) হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে গিয়েছে রাজ্য সরকারও। আগামী সপ্তাহে এই মামলার শুনানি হওয়ার কথা।

    আরও পড়ুুন: পাকিস্তানে আততায়ীর গুলিতে খতম পাঠানকোট হামলার মাস্টারমাইন্ড শাহিদ লতিফ

    প্রসঙ্গত, ২০১৩ সালে উত্তর ২৪ পরগনার কামদুনিতে এক কলেজ ছাত্রীকে তুলে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ করে নৃশংসভাবে খুন করা হয়। তার জেরে তোলপাড় হয়েছিল রাজ্য। ঘটনায় স্তম্ভিত হয়ে গিয়েছিল গোটা দেশ। 

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

     

  • Kamduni Case: আইনি সাহায্যের আশ্বাস শুভেন্দুর, আজ কামদুনিতে বিজেপির মহিলা মোর্চা

    Kamduni Case: আইনি সাহায্যের আশ্বাস শুভেন্দুর, আজ কামদুনিতে বিজেপির মহিলা মোর্চা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ন্যায়ের দাবিতে আজ, মঙ্গলবার কামদুনি (Kamduni Case) যাচ্ছে বিজেপির মহিলা মোর্চা। কামদুনি কাণ্ডে নির্যাতিতার পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছে বিজেপি। ইতিমধ্যেই নির্যাতিতা কলেজ ছাত্রীর পরিবার ও বান্ধবী মৌসুমী কয়াল বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে এ বিষয়ে সাক্ষাৎ করেন।  সম্প্রতি কামদুনিতে গিয়েছিলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। সেখানে তিনি জানান, সুষমা স্বরাজের মেয়ে বাঁশুরি স্বরাজ বিনা পয়সায় এই মামলা লড়বেন সুপ্রিম কোর্টে। 

    শুভেন্দুর সঙ্গে সাক্ষাত

    কামদুনিকাণ্ডে (Kamduni Case) রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর কাছে সাহায্যের আর্জি জানিয়েছে নির্যাতিতার পরিবার। তাদের সবরকম সাহায্যের আশ্বাস দিয়েছেন শুভেন্দু। এই বৈঠক প্রসঙ্গে বিজেপি নেতা শঙ্কুদেব পাণ্ডা বলেন, ‘রাজ্য নাটক করছে। লোক দেখিয়ে সুপ্রিম কোর্টে মামলা দায়ের করছে আর এখানে ফাঁসির আসামীকে ছেড়ে দিচ্ছে। কামদুনির বোনের পরিবার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে দেখা করে সাহায্য চান। আইনি সহায়তা সহ সব সাহায্যের আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। শীঘ্রই এই নিয়ে আরও বড় কর্মসূচি নিতে চলেছে বিজেপি।’

    শীর্ষ আদালতে ধাক্কা

    হাইকোর্টের রায়কে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিল সিআইডি। কামদুনিকাণ্ডে (Kamduni Case) এখনই কলকাতা হাইকোর্টের স্থগিতাদেশের আর্জি খারিজ করেছে শীর্ষ আদালত। সোমবার বিচারপতি বিআর গাভাইয়ের নেতৃত্বাধীন বেঞ্চে এই মামলার শুনানি হয়। বিচারপতি নোটিশ জারি করে। সব পক্ষের জবাব তলব করেছে শীর্ষ আদালত। সাতদিন বাদে সুপ্রিম কোর্ট কামদুনি কেসের পরবর্তী শুনানি।

    কামদুনির ঘটনা প্রবাহ 

    ২০১৩ সালে উত্তর ২৪ পরগনার কামদুনির (Kamduni Case) বুকে হওয়া এই ঘটনা গোটা রাজ্যে তোলাপাড় ফেলে দিয়েছিল। ৭ জুন দিনে দুপুরে এক কলেজ পড়ুয়াকে রাস্তা থেকে তুলে নিয়ে গিয়ে পরিত্যক্ত কারখানায় ধর্ষণের পর নৃশংসভাবে খুন করা হয়। এই ঘটনায় নিম্ন আদালতে দোষী সাব্যস্ত তিনজনের ফাঁসি ও তিনজনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হয়। এই রায়কে চ্যালেঞ্জ করে অভিযুক্তরা হাইকোর্টে যান। সেখানে ফাঁসির সাজাপ্রাপ্তদের একজনকে বেকসুর খালাস করে দেয় আদালত। বাকি দু’জনের আমৃত্যু কারাবাস হয়। অন্যদিকে যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত তিনজনের একজনকে বেকসুর খালাসের পাশাপাশি আরও দু’জনের সাজা রদ করা হয়। তারই প্রতিবাদে ফের গর্জে ওঠে কামদুনি। পুলিশ, সিআইডির ভুল রিপোর্টের কারণে এই রায় বলে দাবি করেন কামদুনির প্রতিবাদী মুখ মৌসুমী কয়াল। 

    আরও পড়ুুন: “রাজভবনের সামনে ধর্না হলে নব মহাকরণের সামনে কেন নয়?”, প্রশ্ন আদালতের

    মামলা লড়বেন বাঁশুরি স্বরাজ

    নির্যাতিতার পরিবারের সঙ্গে সম্প্রতি দেখা করতে যান বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। সেখানেই সুকান্ত বলেন, “নির্যাতিতার মা চাইছেন ওনার মেয়ের সঙ্গে যে জঘন্য অপরাধ হয়েছে তার বিচার হোক। সেই বিচারের জন্য সুপ্রিম কোর্ট যেতে হবে। বিজেপির পক্ষ থেকে আমরা আশ্বস্ত করছি আইনজীবী দিয়ে সাহায্য করব। নাম করা আইনজীবী বাঁশুরি স্বরাজ রাজি হয়েছেন। তিনি বিনা পয়সায় এই মামলা সুপ্রিম কোর্টে লড়বেন। তাছাড়া আমি বিরোধী দলনেতার সঙ্গে কথাও বলে এসেছি, রাজ্য সরকার ওনাদের নিরাপত্তার ব্যবস্থা না করলে আমরা আপাতত ২-৩টি বেসরকারি নিরাপত্তার ব্যবস্থা করব। গ্রামবাসীদের উপর গুলি চলেছে, মার খেয়েছে। তাদের নিরাপত্তা দরকার।”

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Supreme Court: উপাচার্য নিয়োগের সার্চ কমিটিতে মুখ্যমন্ত্রীর নমিনি! রাজ্যের আবেদন খারিজ সুপ্রিম কোর্টে

    Supreme Court: উপাচার্য নিয়োগের সার্চ কমিটিতে মুখ্যমন্ত্রীর নমিনি! রাজ্যের আবেদন খারিজ সুপ্রিম কোর্টে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য নিয়োগ সংক্রান্ত মামলায় রাজ্যের প্রস্তাব নাকচ করল সুপ্রিম কোর্ট। শুক্রবার এই মামলার শুনানি চলাকালীন রাজ্যের তরফ থেকে আইনজীবী অভিষেক মনু সিংভি আবেদন করেন, সুপ্রিম কোর্টের তত্ত্বাবধানে তৈরি সার্চ কমিটিতে মুখ্যমন্ত্রীর তরফে একজন নমিনি থাকুক। উচ্চ শিক্ষা কমিটির তরফে একজন নমিনি রাখার কথা বলা হয়। সেই প্রস্তাব সরাসরি খারিজ করে শীর্ষ আদালত স্পষ্ট বলে দেয়, “আমরা কোনও ইলেকশন কমিটি গঠন করছি না, সার্চ কমিটি গঠন করছি।”

    শীর্ষ আদালতের পর্যবেক্ষণ

    রাজ্যের একাধিক বিশ্ববিদ্যালয়ে অন্তর্বর্তীকালীন উপাচার্য নিয়োগ নিয়ে চরমে ওঠে রাজ্য-রাজ্যপাল সংঘাত। তিনি কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ের পডুয়াদের স্বার্থে কাজ করছেন, বলে দাবি করেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস। তাঁর উদ্দেশ্যকে লঘু না করে এদিন সুপ্রিম কোর্টের পর্যবেক্ষণ ‘‘রাজ্যপালের সাংবিধানিক দায়িত্ব ও কর্তব্য রয়েছে। শিক্ষা ক্ষেত্রে বাংলার গৌরবময় ঐতিহ্যের কথা মাথায় রাখুন। মহামান্য রাজ্যপাল-আচার্যকে অনুরোধ তিনি সময় বের করে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে এক কাপ কফি নিয়ে আলোচনা করুন। ঐক্যমতের ভিত্তিতে উপাচার্য নিয়োগ সমস্যার সমাধান করার চেষ্টা করুন।’’ তবে, সুপ্রিম কোর্ট স্পষ্ট করে দেয়, এই মামলায় পরবর্তী নির্দেশ না আসা পর্যন্ত আর কোনও নিয়োগ করতে পারবেন না রাজ্যপাল।

    আরও পড়ুন: “রাজভবনের বাইরে ১৪৪ ধারা থাকার কথা”, অভিষেকের ধর্নাকে কটাক্ষ শুভেন্দুর

    আদালতে সওয়াল-জবাব

    গত ২১ অগাস্ট সুপ্রিম কোর্ট স্থায়ী উপাচার্য নিয়োগের প্রক্রিয়া শুরু করার নির্দেশ দিয়েছিল। ১৫ সেপ্টেম্বর সুপ্রিম কোর্টই সার্চ কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত নেয়। রাজ্য, রাজ্যপাল, ইউজিসি- তিন পক্ষকেই কমিটির জন্য প্রস্তাবিত নাম জমা দেওয়ার নির্দেশ দেয় সুপ্রিম কোর্ট। এদিনের শুনানিতে রাজ্যপালের প্রস্তাবিত বিশেষজ্ঞ প্যানেলে ভি কে তিওয়ারির নাম অন্তর্ভুক্ত করা নিয়ে আপত্তি জানান রাজ্য সরকারের আইনজীবী অভিষেক মনু সিংভি। ভি কে তিওয়ারি সম্পর্কে হাইকোর্টের কী অবস্থান, তা খতিয়ে দেখার জন্য সুপ্রিম কোর্টকে আবেদন করেন সিংভি। পাল্টা রাজ্যপালের আইনজীবীর তরফে রাজ্য সরকারের প্রস্তাবিত বিশেষজ্ঞ প্যানেলে দেবনারায়ণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম অন্তর্ভুক্ত করা সম্পর্কে পাল্টা আপত্তি করা হয়। অভিযোগ, এই মামলায় ইন্টারভেনর হিসেবে আছেন তিনি। দু’পক্ষকেই আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে পরবর্তী নাম দেওয়ার সুযোগ দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। এদিন আবার আইনজীবীদের তরফেও প্রস্তাব আসে, কোর্টের তরফে একজন নমিনি থাকা উচিত, যিনি সার্চ কমিটির চেয়ারম্যান হিসেবে কাজ করবেন। সেই প্রস্তাব অবশ্য খতিয়ে দেখার আশ্বাস দিয়েছেন বিচারপতি। ৩১ অক্টোবর এই মামলার পরবর্তী শুনানি।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     
     
LinkedIn
Share