Tag: Supreme court

Supreme court

  • Supreme Court: মন্ত্রীদের রাজনৈতিক বক্তব্যের দায় সর্বদা সরকারের নয়, জানাল সুপ্রিম কোর্ট

    Supreme Court: মন্ত্রীদের রাজনৈতিক বক্তব্যের দায় সর্বদা সরকারের নয়, জানাল সুপ্রিম কোর্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মন্ত্রীদের রাজনৈতিক বক্তব্যের দায় সর্বদা সরকারের ওপর চাপানো যায় না।মঙ্গলবার এই মর্মে রায় দিল সুপ্রিম কোর্টের (Supreme Court) পাঁচ সদস্যের সাংবিধানিক বেঞ্চ। বিচারপতি (Justice) এএস নজিরের নেতৃত্বাধীন বেঞ্চ বলেছে, কেউ মন্ত্রী কিংবা জনপ্রতিনিধি বলেই তাঁর বাক স্বাধীনতা খর্ব করা বা বিধিনিষেধ আরোপ করা যায় না। আদালত এও জানিয়েছে, সংবিধানের ১৯ নম্বর অনুচ্ছেদে উল্লেখিত বাক স্বাধীনতা দেশের সব নাগরিকের ক্ষেত্রে সমানভাবে প্রযোজ্য।

    মামলার নেপথ্যে…

    প্রসঙ্গত, উত্তর প্রদেশের তৎকালীন মন্ত্রী ও সমাজবাদী পার্টির প্রবীণ নেতা আজম খান বুলন্দ শহর গণধর্ষণ মামলাকে রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র ও সমাজবাদী পার্টিকে কালিমালিপ্ত করা হয়েছে বলে বিবৃতি দেন। তার পরেই দায়ের হয় মামলা। সেই মামলায় রাজ্যের মন্ত্রী, সাংসদ এবং বিধায়কদের মতো উচ্চ সরকারি অধিকর্তাদের বাক স্বাধীনতা ও মত প্রকাশের অধিকারের সীমা সংক্রান্ত আবেদনে সুপ্রিম কোর্ট এই রায় দিয়েছে।

    আরও পড়ুুন: ‘‘কোনও ভুল করেননি নরেন্দ্র মোদি’’, নোটবন্দির সিদ্ধান্তকে সিলমোহর সুপ্রিম কোর্টের

    এদিন সুপ্রিম কোর্টের (Supreme Court) যে সাংবিধানিক বেঞ্চ এই রায় দিয়েছে, তার নেতৃত্বে ছিলেন বিচারপতি এএস নাজির। বেঞ্চের বাকি সদস্যরা হলেন, বিচারপতি বিআর গাভাই, এএস বোপান্না, ভি রামাসুব্রহ্মনিয়ম এবং বিচারপতি নাগরত্না। প্রসঙ্গত, একদিন আগেই মোদি সরকারের পুরানো ৫০০ ও ১০০০ টাকার নোট বাতিলের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেছে দেশের শীর্ষ আদালত।

    এদিন সুপ্রিম কোর্টের ওই সাংবিধানিক বেঞ্চের সংখ্যাগরিষ্ঠ বিচারপতি জানিয়েছেন, রাষ্ট্রীয় বিষয়ে একজন মন্ত্রীর দেওয়া বিবৃতি সরকারের সুরক্ষার স্বার্থে হলেও সরকারের দায়িত্ব আছে, এ কথা মাথায় রেখে সেই বিবৃতির জন্য সরকারকে দায়ী করা যায় না। একই সঙ্গে আদালত (Supreme Court) জানিয়েছে, ১৯ নম্বর ধারা বা মত প্রকাশের অধিকার এবং ২১ নম্বর ধারা বা জীবনের অধিকার ভঙ্গ হলে কোনও নাগরিক আদালতের শরণাপন্ন হতেই পারেন। তবে কোনও মন্ত্রীর দেওয়া বিবৃতি নাগরিকের অধিকারের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নাও হতে পারে। কিন্তু যদি এটা কোনও সরকারি আধিকারিকের অপরাধ হয়, তবে তার বিরুদ্ধে আদালতের কাছে প্রতিকার চাওয়া যেতে পারে।

    এদিকে, বিচারপতি নাগরত্ন পৃথক রায়ে জানিয়েছেন, যে বাক ও মত প্রকাশের স্বাধীনতা একটি অত্যন্ত প্রয়োজনীয় অধিকার। এই অধিকারের দৌলতে নাগরিকরা শাসন সম্পর্কে ভালভাবে অবহিত ও শিক্ষিত হন। প্রসঙ্গত, কেন্দ্রীয় সরকার ২০১৬ সালে নোটবন্দির সিদ্ধান্ত নেয়। সেই মামলায়ও ভিন্নমত পোষণ করেছিলেন সুপ্রিম কোর্টের (Supreme Court) এই বিচারপতি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

     
     
  • Demonitisation: ক্ষমা চান রাহুল গান্ধী! নোটবন্দি নিয়ে সুপ্রিম রায়ের পর কংগ্রেসকে কটাক্ষ রবি শঙ্কর প্রসাদের

    Demonitisation: ক্ষমা চান রাহুল গান্ধী! নোটবন্দি নিয়ে সুপ্রিম রায়ের পর কংগ্রেসকে কটাক্ষ রবি শঙ্কর প্রসাদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নোট বন্দির সিদ্ধান্ত সঠিক ছিল বলে রায় দিল সুপ্রিম কোর্ট। দেশের সর্বোচ্চ আদালত সোমবার জানিয়েছে, কী ভাবে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে শুধু তার পরিপ্রেক্ষিতে কেন্দ্রের রায় বদলে দেওয়া যায় না। নোট বাতিলের মতো সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষমতা অবশ্যই রয়েছে কেন্দ্রীয় সরকারের। রিজার্ভ ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়ার সঙ্গে ছয় মাস ধরে আলোচনার পরেই নোট বাতিলের বিজ্ঞপ্তি জারি করেছিল কেন্দ্রীয় সরকার। তাই এটা শুধু কেন্দ্রের এক তরফা সিদ্ধান্ত তা বলা যায় না। তাই নোট বাতিলের প্রক্রিয়াও অবৈধ নয়। সুপ্রিম এই রায়ের পর বিরোধীদের একহাত নিয়েছে বিজেপি। প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী রবি শঙ্কর প্রসাদ বলেছেন, ” নোট বন্দি নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের রায়ের পর কি রাহুল গান্ধী সরি বলবেন? গত ছয় বছর ধরে মিথ্যে প্রচার চালিয়েছে কংগ্রেস। দেশের মানুষকে ভুল বোঝানোর চেষ্টা করেছে। কিন্তু ২০১৬ সালে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নোট বন্দির সিন্ধান্ত যে সঠিক ছিল সেটা আজ সুপ্রিম কোর্টের ঐতিহাসিক রায়ে স্পষ্ট। কারণ ৫০০ ও ১০০০ টাকার নোট বাতিল হওয়ার ফলে জঙ্গিদের রসদে টান পড়েছে। কমেছে জঙ্গি কার্যকলাপ। সেটা সহ্য হচ্ছিলো না কংগ্রেসের। রাহুল গান্ধী ভুল বলছিলেন। শুধু দেশে নয় দেশের বাইরেও। আজকের পরে নিশ্চয়ই ভুল স্বীকার করা উচিত রাহুল গান্ধীর “

    চিদাম্বরকেও কটাক্ষ

    নোট বন্দি মামলায় পাঁচ সদস্যের বেঞ্চ ভোটাভুটির মাধ্যমে রায় দিয়েছে। যেখানে চারজন বিচারপতি স্বপক্ষে রায় দিয়েছেন। একজন বিচারপতি নোট বন্দির সিদ্ধান্ত ভুল ছিল বলে জানিয়েছেন। শুধু রাহুল গান্ধী নয়, প্রাক্তন অর্থমন্ত্রী তথা কংগ্রেস নেতা পি চিদাম্বরমকেও এ প্রসঙ্গে তুলোধোনা করেছেন রবি শঙ্কর প্রসাদ। তিনি বলেছেন, ” সংখ্যাগরিষ্ঠের রায়কে উপেক্ষা করে বদনাম করার মতো বিবৃতি দিয়েছেন চিদাম্বরম। যা মেনে নেওয়া যায় না।” 

    আরও পড়ুন: ‘‘কোনও ভুল করেননি নরেন্দ্র মোদি’’, নোটবন্দির সিদ্ধান্তকে সিলমোহর সুপ্রিম কোর্টের

    এদিন সুপ্রিম কোর্টের রায়কে স্বাগত জানানোর পাশাপাশি ভারতের ‘ডিজিটাল ইন্ডিয়া’ হয়ে ওঠার বিষয়টিও স্পষ্ট করেন প্রাক্তন আইনমন্ত্রী। তিনি বলেন, “নোটবন্দির পর ডিজিটার পেমেন্টের ক্ষেত্রে ভারত সারা বিশ্বের নেতা হতে চলেছে।” পরিসংখ্যান তুলে ধরে তিনি জানান, কেবল গত বছরের অক্টোবরে ভারত ১২ লক্ষ কোটি টাকার বেশি ৭৩০ কোটির বেশি ডিজিটাল পেমেন্ট হয়েছে, যা কোনও দেশে হয়নি। নোটবন্দির উদ্দেশ্য যে মহৎ ছিল,  সেটা বিচারের ক্ষেত্রেও এই বিষয়টি দেখা হয়েছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Demonetisation: ‘‘কোনও ভুল করেননি নরেন্দ্র মোদি’’, নোটবন্দির সিদ্ধান্তকে সিলমোহর সুপ্রিম কোর্টের

    Demonetisation: ‘‘কোনও ভুল করেননি নরেন্দ্র মোদি’’, নোটবন্দির সিদ্ধান্তকে সিলমোহর সুপ্রিম কোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নোট বাতিলের সিদ্ধান্ত নিয়ে কোনও ভুল করেনি কেন্দ্র সরকার। সঠিক পথে সময়োপযোগী সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সোমবার নোটবন্দি সংক্রান্ত যাবতীয় মামলা খারিজ করে দিয়ে এই অভিমত প্রকাশ করল শীর্ষ আদালত (supreme Court)। ২০১৬ সালে কেন্দ্রের বিজেপি সরকারের নোটবন্দির (Demonetisation) সিদ্ধান্তেই সিলমোহর দিল সুপ্রিম কোর্টের ৫ জন বিচারপতির বেঞ্চ। 

    আলোচনা করেই এই সিদ্ধান্ত

    পুরনো ১০০০ টাকা এবং ৫০০ টাকার নোট বাতিল করার সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করে যে মামলাগুলি হয়েছিল, সোমবার তার রায় দিল সুপ্রিম কোর্ট। শীর্ষ আদালতের তরফে বলা হয়, বৈধ পথেই নোটবন্দির (Demonetisation) সিদ্ধান্ত নিয়েছিল সরকার। রিজার্ভ ব্যাঙ্কের সঙ্গে ছ’মাস ধরে আলোচনা করেই কেন্দ্র নোটবন্দির সিদ্ধান্ত নিয়েছিল। বিচারপতি আবদুল নজিব, বিচারপতি বিআর গবাই, বিচারপতি এএস বোপান্না, বিচারপতি বি রামসুব্রাহ্মণ্যম এবং বিচারপতি বিবি নাগরত্নার সাংবিধানিক বেঞ্চ জানায়, কেন্দ্রের সিদ্ধান্তে কোনও ভুল ছিল না। আদালত সূত্রে খবর, কেন্দ্রের সিদ্ধান্তের পক্ষে মত দেন চার বিচারপতি, বিরুদ্ধে মত দেন এক জন।

    আরও পড়ুন: বছরের প্রথমেই রাজ্যে আসছেন অমিত শাহ! জোড়া সভা বীরভূম ও আরামবাগে

    ২০১৬ সালের ৮ নভেম্বর আচমকাই ডিমনিটাইজেশন (Demonetisation) তথা নোটবন্দির কথা ঘোষণা করেছিল মোদি সরকার। কালো টাকা উদ্ধার করতে ৫০০ এবং ১০০০ টাকার নোট রাতারাতি বাতিল করার এই সিদ্ধান্তকে সরকারের বৈপ্লবিক পদক্ষেপ বলে দাবি করেছিল বিজেপি। কিন্তু নোটবন্দির সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টে ৫৮টি পিটিশন দায়ের করা হয়েছিল। আবেদনকারীদের যুক্তি, সরকার সঠিক পরিকল্পনা করে এই সিদ্ধান্ত নেয়নি এবং অবিলম্বে এই সিদ্ধান্ত বাতিল করা উচিত। সরকারের পাল্টা যুক্তি ছিল, বাস্তবে এই সিদ্ধান্তকে বাতিল করা সম্ভব নয়। নোটবন্দির সিদ্ধান্ত বাতিল করতে হলে ‘সময়ের পিছনে গিয়ে’ বাতিল করতে হবে বলেও দাবি করেন কেন্দ্রের আইনজীবী।

    এই মামলায় মামলাকারীদের হয়ে সওয়াল করেন আইনজীবী তথা কংগ্রেস নেতা ও প্রাক্তন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী পি চিদম্বরম। তিনি বলেন, সরকারের চাপের কাছে আদালতের চুপ করে যাওয়া ঠিক হবে না। আদালত এখন নোটবন্দির (Demonetisation) সিদ্ধান্ত খারিজ করে দিতে পারবে না ঠিকই। কিন্তু ঠিক হয়েছিল না ভুল হয়েছিল সে ব্যাপারে স্পষ্ট মত দেওয়া আদালতের কর্তব্য। এই প্রেক্ষিতেই সোমবার সুপ্রিম কোর্ট স্পষ্ট জানিয়ে দিল সরকারের এই সিদ্ধান্তে কোনও ত্রুটি ছিল না।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Judges’ Retirement Age: অবসরের বয়স বাড়ালে ‘অদক্ষ’ বিচারপতিরাও লাভবান হবেন, মত আইন মন্ত্রকের

    Judges’ Retirement Age: অবসরের বয়স বাড়ালে ‘অদক্ষ’ বিচারপতিরাও লাভবান হবেন, মত আইন মন্ত্রকের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চাকরিজীবন কত বছর বয়স পর্যন্ত হওয়া উচিত? এই নিয়ে নানা সময় নানা প্রশ্ন উঠেছে। আরও একবার এই প্রশ্ন উঠে এল সুপ্রিম কোর্ট ও হাইকোর্টের বিচারপতিদের অবসরের বয়সসীমা নিয়ে। সুপ্রিম কোর্ট এবং হাইকোর্টের বিচারকদের অবসরের বয়স বাড়ানোর একাধিকবার দাবি করা হয়েছে। কিন্তু এই বিষয়ে আইন মন্ত্রক থেকে জানানো হয়েছে, সুপ্রিম কোর্ট ও হাইকোর্টের বিচারপতিদের অবসরের বয়সসীমা বাড়ালে ‘অদক্ষ’ বিচারপতিদের কর্মজীবনের মেয়াদ বেড়ে যেতে পারে ও এর পাশাপাশি সরকারি কর্মীরাও একই দাবি জানাতে পারেন (Judges’ Retirement Age)।

    অবসরের বয়সসীমা বাড়ানো নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা

    বিজেপি সাংসদ সুশীল মোদির নেতৃত্বাধীন কর্মিবর্গ, আইন ও বিচার বিভাগ সংক্রান্ত সংসদীয় কমিটিতে আইন মন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে, বকেয়া মামলার সংখ্যা কমানো ও বিচার বিভাগে স্বচ্ছতা আনার প্রস্তাবের প্রেক্ষিতেই বিচারপতিদের অবসরের বয়স বাড়ানোর বিষয়টি বিবেচনা করা উচিত। সূত্রের খবর, বিভিন্ন সদস্যের তরফে বলা হয়েছে, হাইকোর্টের বিচারপতিদের অবসরের বয়সসীমা বৃদ্ধি করলে তাঁরা আর সুপ্রিম কোর্টে আসতে চাইবেন না। ফলে মেধাবী আইনজীবীদের থেকে বঞ্চিত হবে শীর্ষ আদালত (Judges’ Retirement Age)।

    আরও পড়ুন: গুজরাট বিধানসভায় বিপুল জয় বলে দিয়েছে লোকসভা নির্বাচনে কী হবে! অভিমত অমিত শাহের

    সম্প্রতি, সংসদে আইনমন্ত্রী কিরেন রিজিজু জানান, বিচারপতিদের অবসরের বয়স বাড়ানোর কোনও প্রস্তাব বিবেচনা করছে না কেন্দ্র। কমিটিতে কেন্দ্রের তরফে জানানো হয়েছে, সুপ্রিম কোর্ট ও হাইকোর্টের বিচারপতিদের অবসরের বয়স বাড়ালে বিভিন্ন সরকারি বিভাগ ও কমিশনের কর্মীরাও অবসরের বয়স বাড়ানোর দাবি জানাবেন। আবার, অবসরের বয়স বাড়ানোর ফলে নির্দিষ্ট কিছু ‘অযোগ্য’রা বর্ধিত বছরের চাকরির ক্ষেত্রে সুবিধা পাবেন। ফলে এ সব বিষয় বিবেচনা করেই এই ব্যাপারে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি (Judges’ Retirement Age)।

    অবসরের বয়স বাড়ানোর ক্ষেত্রে অতীতের কিছু সুপারিশ

    ২০১০ সালে হাইকোর্টের বিচারকদের অবসরের বয়স ৬৫ বছরের বেশি বাড়ানোর জন্য দাবি করা হয়েছিল।

    প্রাক্তন অ্যাটর্নি জেনারেল কে কে ভেনুগোপাল সুপ্রিম কোর্টের বিচারকদের অবসরের বয়স ৬৮ বছর পর্যন্ত বাড়ানোর কথা বিবেচনা করার জন্য কেন্দ্রকে অনুরোধ করেছিলেন।

    আইন ও বিচার সংক্রান্ত পার্ল প্যানেল তাদের প্রতিবেদনে ২০১৮ সালে অবসরের বয়স বাড়ানোর বিষয়ে সমর্থন করেছিল।

    উল্লেখ্য, বর্তমানে হাইকোর্ট এবং সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতিরা যথাক্রমে ৬২ ও ৬৫ বছর বয়সে অবসর নেন।

  • Darjeeling Municipality: সুপ্রিম দুয়ারে হামরো পার্টি! দার্জিলিং পুরসভায় অনাস্থা ভোট কালই, নির্দেশ হাইকোর্টের

    Darjeeling Municipality: সুপ্রিম দুয়ারে হামরো পার্টি! দার্জিলিং পুরসভায় অনাস্থা ভোট কালই, নির্দেশ হাইকোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দার্জিলিং পুরসভায় অনাস্থা নিয়ে কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta High Court) রায়কে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে সুপ্রিম কোর্টে যাচ্ছে হামরো পার্টি (Hamro Party)। সোমবার, জলপাইগুড়ি সার্কিট বেঞ্চে (Jalpaiguri Circuit Bench) হামরো পার্টির আর্জি খারিজ হতেই সুপ্রিম কোর্টে যাওয়ার চিন্তা ভাবনা করছেন অজয় এডওয়ার্ড (Ajay Edward)। সূ্ত্রের খবর, আইনজীবীদের সঙ্গে আলোচনার পরই সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

    হামরো পার্টির আবেদন খারিজ

    প্রথম বার নির্বাচনে লড়েই গত ফেব্রুয়ারি মাসে দার্জিলিং পুরসভা দখল করে চমকে দিয়েছিল ‘গ্লেনারিজ’ (Glenary’s) কর্তা অজয় এডওয়ার্ডের হামরো পার্টি। কিন্তু দলের মধ্য়ে ফাটল ধরায় আপাতত তাদের হাত থেকে পুরসভা হাতছাড়া হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। সোমবার, কলকাতা হাইকোর্টও জানিয়ে দেয়, আগামী ২৮ ডিসেম্বরই দার্জিলিং পুরসভায় অনাস্থা ভোট হবে। হামরো পার্টির আবেদন খারিজ করে এ দিন এই নির্দেশ দেন বিচারপতি কৌশিক চন্দ। গত নির্বাচনে দার্জিলিং পুরসভার ৩২টি আসনের মধ্যে অজয় এডওয়ার্ডের হামরো পার্টির ঝুলিতে এসেছিল ১৮ আসন। অন্যদিকে, অনিত থাপার BGPM  জিতেছিল ৯টি আসন, তৃণমূল কংগ্রেস ২টি এবং বাকি ৩টি আসন পেয়েছিল গোর্খা জনমুক্তি মোর্চা (GJM)। 

    আরও পড়ুন:কেন্দ্রের বরাদ্দের বছর পার, এখনও শেষ হল না রাজ্যের করোনা প্রস্তুতি

    পুরসভা দখলের পথে প্রজাতান্ত্রিক মোর্চা পার্টি

    বর্তমান পরিস্থিতিতে হামরো পার্টি থেকে ৬ জন কাউন্সিলর প্রজাতান্ত্রিক মোর্চা পার্টিতে যোগ দেয়। ফলে প্রজাতান্ত্রিক মোর্চা পার্টির সংখ্যা দাঁড়ায় ১৪ জন। প্রজাতান্ত্রিক মোর্চা পার্টির দাবি, তৃণমূল কংগ্রেসের ২ জন তাদের বাইরে থেকে সমর্থন করবে। ফলে প্রজাতান্ত্রিক মোর্চার সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৬ জন। তাই তারা দার্জিলিং পুরসভার হামরো পার্টির চেয়ারম্যান রিতেশ পোরতেলের অপসারণ চেয়ে অনাস্থা প্রস্তাব আনে। ২৮ ডিসেম্বর সেই অনাস্থা প্রস্তাবে দিন ধার্য হয়েছে। সেই অনাস্থা প্রস্তাবকে চ্যালেঞ্জ করে এবং তার স্থগিতাদেশ চেয়ে কলকাতা হাইকোর্টে আবেদন করেন পুরসভার চেয়ারম্যান। সেই আবেদন খারিজ করে দিয়ে বিচারপতি কৌশিক চন্দ জানিয়ে দিলেন, ২৮শে ডিসেম্বরই দার্জিলিং পুরসভার অনাস্থা প্রস্তাবের বৈঠক সংঘটিত হবে। রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের মতে,পুরসভায় বদল এখন সময়ের অপেক্ষা। শীঘ্রই পুরসভা দখল করতে পারে অনিত থাপার (Anit Thapa) প্রজাতান্ত্রিক মোর্চা। গত ২৪ নভেম্বর কার্শিয়াঙে হামরো পার্টির পাঁচ কাউন্সিলর যোগ দেন BGPM দলে। তার জেরে সংখ্যাগরিষ্ঠতা হারায় অজয় এডওয়ার্ডের হামরো পার্টি। এদিকে দুই তৃণমূল কাউন্সিলরও BGPM-কে বাইরে থেকে সমর্থন দেওয়ার ঘোষণায় আরও টলমলে অজয় এডয়ার্ডের পার্টির ভবিষ্যত।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Anubrata Mondal: ‘‘ডাকাতকে বাঁচাতে সরকার যা করছে, তাতে বিপদ বাড়ছে’’, অনুব্রত প্রসঙ্গে শুভেন্দু

    Anubrata Mondal: ‘‘ডাকাতকে বাঁচাতে সরকার যা করছে, তাতে বিপদ বাড়ছে’’, অনুব্রত প্রসঙ্গে শুভেন্দু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ডাকাতকে বাঁচাতে চোরেদের সরকার যা করছে তাতে তাদের বিপদ বাড়ছে বই কমছে না। বীরভূম জেলা তৃণমূল সভাপতি অনুব্রত মণ্ডলকে (Anubrata Mondal) পুলিশ হেফাজতে নেওয়া প্রসঙ্গে এমনই মন্তব্য করলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। মঙ্গলবার দিল্লি থেকে ফিরে কলকাতা বিমানবন্দরে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে শুভেন্দু বললেন, ‘‘ শাসক দলের নেতারা যারা দুর্নীতির সঙ্গে যুক্ত তারা কেউ পার পাবে না। তিহার জেল যাত্রা শুরু হয়ে গেছে। অপেক্ষা করুন।’’ প্রসঙ্গত, বিরোধীদের অভিযোগ, অনুব্রত মণ্ডলের দিল্লি যাত্রা আটকাতেই পুরনো ঘটনায় এফআইআর দায়ের করে অনুব্রতকে হেফাজতে নিয়েছে রাজ্য পুলিশ।

    পুলিশ হেফাজত অনুব্রতের

    সোমবারই অনুব্রত মণ্ডলকে (Anubrata Mondal) দিল্লি নিয়ে যাওয়ার জন্য ইডিকে ( ED ) অনুমতি দিয়েছিল দিল্লির রাউস অ্য়াভিনিউ কোর্ট। আর ঠিক সেইদিনই এক বছর আগের খুনের চেষ্টার অভিযোগে অনুব্রত মণ্ডলের বিরুদ্ধে মামলা করেন এই তৃণমূলকর্মী। যার প্রেক্ষিতে বীরভূমের ( Birbhum ) জেলা তৃণমূল সভাপতিকে মঙ্গলবার ৭ দিনের পুলিশ হেফাজতে পাঠিয়েছে আদালত। এর ফলে আপাতত অনুব্রতকে দিল্লি নিয়ে যেতে পারছে না ইডি।

    কী বলছেন আইনজীবীরা

    দিল্লি এড়ানোর চেষ্টা করতে গিয়ে কি নিজের জালে নিজেই ক্রমশ জড়িয়ে পড়ছেন বীরভূমের দোর্দণ্ডপ্রতাপ তৃণমূল নেতা, এমনটাই মত আইনজীবীদের। তাঁদের পর্যবেক্ষণ, পুলিশি হেফাজতে থাকলে অনুব্রতকে এখনই দিল্লি নিয়ে যেতে পারবে না ইডি। এবং সেই সময়ের ফাঁকে সুপ্রিম কোর্টে আর্জি জানাতে পারবেন অনুব্রতের কৌঁসুলিরা। তবে এর ফলে কার্যত কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার হাতেই অস্ত্র তুলে দেওয়া হল বলে আইনজীবী শিবিরের বড় অংশের অভিমত। তাঁদের মতে, অনুব্রত যে প্রভাবশালী, সেটা বোঝাতে এ বার কোর্টে এই ঘটনাকেই হাতিয়ার করতে পারেন কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার কৌঁসুলিরা। এটাও বলা হবে যে, তাঁকে ঠেকাতে রাজ্যের পুলিশ-প্রশাসনও তৎপর! দিল্লি গেলে যে সমস্যা হবে এবং তাতে সমস্যা যে রাজ্য সরকারেরও, সেটাই কার্যত প্রমাণিত হচ্ছে। তবে এ ভাবে দিল্লি যাওয়া ঠেকানোর চেষ্টা করলে সমস্যা বাড়তেই থাকবে। এতে কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থারই হাত শক্ত হচ্ছে। 

    আরও পড়ুন: পুলিশের আড়ালে পুলিশমন্ত্রীই কী এবার সান্টা ক্লজ অনুব্রত মণ্ডলের?

    দিল্লি হাইকোর্টের দ্বারস্থ অনুব্রত

    গরুপাচারকাণ্ডে রাউস অ্যাভিনিউ আদালতের রায়কে চ্যালেঞ্জ করে ফের দিল্লি হাইকোর্টের দ্বারস্থ হলেন অনুব্রত মণ্ডল।  সোমবার অনুব্রতকে দিল্লি নিয়ে গিয়ে জেরা করার অনুমতি দেয় রাউস অ্যাভিনিউ আদালত। সেই রায়কে চ্যালেঞ্জ করে ফের দিল্লি হাইকোর্টের দ্বারস্থ হল অনুব্রত। কিন্তু এতে খুব একটা লাভ হবে না বলেই মনে করছেন আইন বিশেষজ্ঞরা। 

    কী করবে ইডি

    পুলিশ হেফাজতে থাকা অনুব্রতকে কীভাবে দিল্লি নিয়ে যাওয়া হবে? পুরো বিষয়টা নিয়ে আইনি পরামর্শ নিচ্ছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। ইতিমধ্যে আসানসোল জেল কর্তৃপক্ষকে দিল্লির রাউস অ্যাভিনিউ কোর্টের নির্দেশ জানানো হয়েছে। সেই নির্দেশনামার কপি আসানসোল জেলে পৌঁছে দেওয়া হবে। ২৭ ডিসেম্বর, ফের দুবরাজপুর আদালতে তোলা হবে অনুব্রতকে। ওইদিন ইডি-র অফিসাররা আদালতে উপস্থিত থাকবেন কি না, তা নিয়েও আইনি পরামর্শ নেওয়া হচ্ছে বলে ইডি সূত্রে জানানো হয়েছে। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • DA Case: “কর্মীদের মধ্যে অতি-উৎসাহ তৈরি হয়েছে’’, ডিএ মামলা ছাড়লেন বিচারপতিরা! পিছল শুনানি

    DA Case: “কর্মীদের মধ্যে অতি-উৎসাহ তৈরি হয়েছে’’, ডিএ মামলা ছাড়লেন বিচারপতিরা! পিছল শুনানি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সুপ্রিম কোর্টে পিছিয়ে গেল ডিএ মামলার শুনানি। বুধবার সুপ্রিম কোর্টের দুই বাঙালি বিচারপতি দীপঙ্কর দত্ত ও বিচারপতি হৃষিকেশ রায়ের ডিভিশন বেঞ্চে মামলাটি ওঠে। তার পরেই বিচারপতি দত্ত বলেন, আমি আসায় কর্মীদের মধ্যে অতি-উৎসাহ তৈরি হয়েছে, তাই এই মামলা আমি শুনব না। বিচারপতি দত্তের সঙ্গে সহমত পোষণ করেন বিচারপতি হৃষিকেশ রায়। জানুয়ারি মাসের তৃতীয় সপ্তাহে নতুন বেঞ্চে হবে এই মামলার শুনানি।

    বিচারপতি দত্ত…

    এদিন মামলাটি ডিভিশন বেঞ্চে ওঠা মাত্র বিচারপতি দত্ত জানিয়ে দেন, তিনি এই মামলা শুনবেন এ খবর প্রকাশ্যে আসতেই সরকারি কর্মীদের একাংশ অতি উৎসাহিত হয়ে এই মামলার রায় নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্য করতে শুরু করেছেন। সুপ্রিম কোর্টকে নিয়ে এই ধরনের মন্তব্যে রুষ্ট হন বিচারপতি দত্ত। সহমত পোষণ করেন বিচারপতি রায়ও। তার পরেই পিছিয়ে যায় শুনানি। সরকারি কর্মীদের কেউ কোনও বিরূপ মন্তব্য করে থাকলে তার জন্য দুই বিচারপতির কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করেন রাজ্য সরকারি কর্মী সংগঠনের দুই আইনজীবী বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য এবং মীনাক্ষী অরোরা। তার পরেও নিজেদের সিদ্ধান্তে অটল থাকেন বিচারপতি দত্ত ও বিচারপতি রায়।  

    আরও পড়ুন: সুপ্রিম কোর্টে দুই বাঙালি বিচারপতির বেঞ্চে শুনানি ডিএ মামলার, জয়ের আশায় সরকারি কর্মীরা

    প্রসঙ্গত, গত সোমবারই সুপ্রিম কোর্টে রাজ্যের ডিএ মামলার (DA Case) শুনানি হওয়ার কথা ছিল। পরে সুপ্রিম কোর্টের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছিল, ১৪ ডিসেম্বর সুপ্রিম কোর্টে এই মামলার পরবর্তী শুনানি হবে। এর মধ্যে এই মামলায় সব পক্ষকে নিজেদের সংক্ষিপ্ত যুক্তি লিখিত আকারে জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিল আদালত। এদিন দেশের শীর্ষ আদালতের জারি করা বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, বুধবার বিচারপতি দীনেশ মাহেশ্বরী আদালতে থাকছেন না। তাই সুপ্রিম কোর্টের সাত নম্বর কোর্টে বিচারপতি দীনেশ মাহেশ্বরী এবং বিচারপতি হৃষিকেশ রায়ের বেঞ্চ বসবে না। এই বেঞ্চে যে মামলাগুলির শুনানি হওয়ার কথা ছিল, তা হবে বিচারপতি হৃষিকেশ রায় ও বিচারপতি দীপঙ্কর দত্তের ডিভিশন বেঞ্চে। সেই এই ডিভিশন বেঞ্চেই শুনানি হয়নি ওই মামলার।  

    এর আগে গত ৫ ডিসেম্বর ডিএ মামলার (DA Case) শুনানি হয়েছে সুপ্রিম কোর্টে। সেদিন রাজ্যের হয়ে সওয়াল করেছিলেন আইনজীবী অভিষেক মনু সিঙ্ঘভি। তিনি বলেছিলেন, কলকাতা হাইকোর্ট যে হারে ডিএ দেওয়ার কথা বলছে, তা দেওয়ার সঙ্গতি নেই রাজ্যের।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Bilkis Bano: সুপ্রিম কোর্টে খারিজ বিলকিস বানোর আর্জি

    Bilkis Bano: সুপ্রিম কোর্টে খারিজ বিলকিস বানোর আর্জি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সুপ্রিম কোর্টে (Supreme Court) খারিজ হয়ে গেল বিলকিস বানোর (Bilkis Bano) আর্জি। সাজার মেয়াদ শেষের আগেই মুক্তি দেওয়া হয় বিলকিসের ধর্ষকদের। এই সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করে দেশের শীর্ষ আদালতের দ্বারস্থ হন বিলকিস। তাঁর তরফে রায় পুনর্বিবেচনার আর্জি জানানো হয়। সুপ্রিম কোর্টের কাছে বিলকিসের আইনজীবী শোভার দাবি ছিল, ধর্ষণ ও খুনের মতো গুরুতর অপরাধে সাজাপ্রাপ্তদের মেয়াদ শেষের আগেই মুক্তির সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করা হোক। আজ, শনিবার বিলকিস বানোর সেই আর্জি খারিজ করে দেয় দেশের শীর্ষ আদালত।

    বিলকিস ধর্ষণ মামলা…

    ১৫ অগাস্ট বিলকিস ধর্ষণ মামলায় ১১ জন সাজাপ্রাপ্তকে ছেড়ে দেয় গুজরাট সরকার। যাদের মুক্তি দেওয়া হয়েছে, তারা প্রত্যেকেই ১৫ বছরেরও বেশি সময় জেলে ছিল। ঘটনার প্রতিবাদে সরব হন দেশের বিরোধী দলগুলির নেতারা। এরই মধ্যে দেশের শীর্ষ আদালতে রিভিউ পিটিশন দাখিল করেন বিলকিস। আর্জিতে তাঁর দাবি, শীর্ষ আদালতের নির্দেশ লঙ্ঘন করে ওই ১১ জন ধর্ষককে ছেড়ে দিয়েছে গুজরাট সরকার। যা সমাজের বিবেককে নাড়িয়ে দিয়েছে।

    আরও পড়ুন: ২০২৪-লোকসভা নির্বাচনে রাজ্য থেকে অনেক বেশি আসন চান কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

    প্রসঙ্গত, ২০০২ সালে গোধরাকাণ্ডের পর গুজরাটে (Gujarat) শুরু হয় হিংসা। ৩ মে দাহোড় জেলার দেবগড়ে ভয়াবহ হামলা হয়। গ্রামের বাসিন্দা পাঁচ মাসের অন্তঃসত্ত্বা বিলকিসকে (Bilkis Bano) গণধর্ষণ করা হয়। আছড়ে মেরে ফেলা হয় তাঁর তিন বছরের মেয়েকে। তাঁর পরিবারের আরও কয়েকজন সদস্যকে হত্যা করা হয়। এই অপরাধকে বিরল থেকে বিরলতম আখ্যা দিয়ে কঠোর সাজার পক্ষে সওয়াল করেছিল সিবিআই (CBI)। ২০০৮ সালের ২১ জানুয়ারি মোট ১২ জনের বিরুদ্ধে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের রায় দেয় সিবিআইয়ের বিশেষ আদালত। মামলা চলাকালীন একজনের মৃত্যু হয়। মুক্তি দেওয়া হয় ১১ জনকে।

    বিলকিসের (Bilkis Bano) পিটিশনে বলা হয়েছে, দেশ যখন ৭৬তম স্বাধীনতা দিবস উদযাপন করছিল, তখন সব সাজাপ্রাপ্তকে আগাম মুক্তি দেওয়া হয়েছে। প্রকাশ্যে তাদের মালা পরানো হয়েছিল। দেওয়া হয়েছিল সংবর্ধনা। মিষ্টি বিতরণ করা হয়েছিল। তা থেকেই বর্তমান মামলাকারী (বিলকিস), পুরো দেশ ও দুনিয়া জানতে পারে যে দেশের অন্যতম জঘণ্য অপরাধে দণ্ডিতদের আগাম মুক্তি দেওয়া হয়েছে। যে ঘটনায় এক অন্তঃসত্ত্বা মহিলাকে একাধিকবার ধর্ষণ করা হয়েছিল।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     
  • Kiren Rijiju: ফের কলেজিয়ামকে নিশানা কেন্দ্রীয় আইনমন্ত্রীর! কী বললেন, জানেন?

    Kiren Rijiju: ফের কলেজিয়ামকে নিশানা কেন্দ্রীয় আইনমন্ত্রীর! কী বললেন, জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিচারপতি (Judges) নিয়োগের নয়া ব্যবস্থা তৈরি না হলে উচ্চ আদালতে (High Court) শূন্য পদের সমস্যা মিটবে না। পুরানো মামলার পাহাড়ও কমানো যাবে না। শুক্রবার রাজ্যসভায় এই কথাগুলি বললেন কেন্দ্রীয় আইনমন্ত্রী কিরেন রিজিজু (Kiren Rijiju)। মাসখানেক আগে দেশের প্রধান বিচারপতি হিসেবে শপথ নেন ধনঞ্জয় ওয়াই চন্দ্রচূড়। তখন থেকেই কেন্দ্রীয় আইনমন্ত্রী রিজিজু বিচারপতি নিয়োগের যে কলেজিয়াম ব্যবস্থা রয়েছে, তার সমালোচনা করতে শুরু করেছেন। এদিনও কলেজিয়ামকেই ফের একবার নিশানা করেন কেন্দ্রীয় আইনমন্ত্রী। এর আগে বৃহস্পতিবারও তিনি বলেছিলেন, এত মামলা যখন ঝুলে রয়েছে, তখন জামিনের আর্জি শোনা উচিত নয় সুপ্রিম কোর্টের।

    শূন্যপদের সংখ্যা…

    এদিন রাজ্যসভায় মোদি (PM Modi) সরকারের আইনমন্ত্রী বলেন, আদালতে বকেয়া মামলার সমস্যা মিটছে না। শূন্য পদ রয়েছে। কিন্তু বিচারপতি নিয়োগে কেন্দ্রীয় সরকারের ক্ষমতা সীমিত। সুপ্রিম কোর্টের কলেজিয়ামই সিদ্ধান্ত নিচ্ছে। আদালতে ছুটির তালিকা যে দীর্ঘ, এদিন তারও উল্লেখ করেন কেন্দ্রীয় আইনমন্ত্রী। রিজিজু বলেন, সুপ্রিম কোর্টে বছরে ১৪১ দিন, হাইকোর্টগুলিতে বছরে ১৫৫ দিন ছুটি থাকে। অনেক দিন ছুটি থাকায় মানুষের বিচার পেতে সমস্যা হচ্ছে। শুধু আইনমন্ত্রী নন, সংসদের চলতি অধিবেশনের প্রথম দিন রাজ্যসভার চেয়ারম্যানের দায়িত্ব নিয়ে উপরাষ্ট্রপতি জগদীপ ধনখড়ও বিঁধেছিলেন বিচার বিভাগকে।

    আরও পড়ুন: নবান্নে বৈঠকে মমতা-শাহ, কারণ কি জানেন?

    সংসদে পাশ হওয়ার পরেও জাতীয় বিচারপতি নিয়োগ কমিশন আইন খারিজ করে দেওয়ার জন্য দেশের শীর্ষ আদালতের সমালোচনাও করেছিলেন তিনি। কেন্দ্রীয় আইনমন্ত্রী জানান, বর্তমানে দেশে মামলার সংখ্যা পাঁচ কোটির কাছাকাছি। তিনি বলেন, এর অনেক কারণ রয়েছে। তবে তার মধ্যে প্রধান কারণটি হল, বিচারপতি নিয়োগ এবং শূন্যপদ পূরণ। জানা গিয়েছে, ডিসেম্বরের ১২ তারিখ পর্যন্ত সুপ্রিম কোর্ট, হাইকোর্ট, ডিস্ট্রক্ট এবং লোয়ার কোর্টগুলিতে বিচারপতি ও বিচারক মিলিয়ে রয়েছেন ১৯ হাজার ১৯২ জন। যদিও পদ রয়েছে ২৫ হাজার ১১টি। ১ ডিসেম্বর পর্যন্ত আদালতে পিটিশন জমা পড়ে রয়েছে ৫৯.৫৬ লক্ষ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • DA Case: সুপ্রিম কোর্টে দুই বাঙালি বিচারপতির বেঞ্চে শুনানি ডিএ মামলার, জয়ের আশায় সরকারি কর্মীরা

    DA Case: সুপ্রিম কোর্টে দুই বাঙালি বিচারপতির বেঞ্চে শুনানি ডিএ মামলার, জয়ের আশায় সরকারি কর্মীরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বেঞ্চ বদল হল সুপ্রিম কোর্টে (Supreme Court) ডিএ মামলায় (DA Case)। এই মামলা গেল দুই বাঙালি বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চে। এঁরা হলেন বিচারপতি হৃষিকেশ রায় ও বিচারপতি দীপঙ্কর দত্ত। বুধবার এঁদের বেঞ্চেই হবে ডিএ মামলার শুনানি। মঙ্গলবার এক বিজ্ঞপ্তি জারি করে এমনই জানাল সুপ্রিম কোর্ট। এর আগে বিচারপতি দীনেশ মাহেশ্বরী এবং বিচারপতি হৃষিকেশ রায়ের বেঞ্চে চলছিল ডিএ মামলার শুনানি।

    বিচারপতি দীপঙ্কর দত্ত…  

    এক সময় বিচারপতি দীপঙ্কর দত্ত কলকাতা হাইকোর্টে (Calcutta High Court) ছিলেন। পরে বদলি হয়ে যান বম্বে হাইকোর্টে। সোমবার তিনি শপথ নেন সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি হিসেবে। বিচারপতি হৃষিকেশ রায় গুয়াহাটি হাইকোর্টে প্র্যাকটিস করতেন। পরে সেখানেই বিচারপতি নিযুক্ত হন। কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি থাকাকালীন একাধিক মামলায় দীপঙ্কর দত্ত রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে রায় দিয়েছিলেন। তাই, তাঁর এজলাসে ডিএ মামলার শুনানি হলে এই মামলায় তাঁরাই জয়ী হবেন বলে আশা সরকারি কর্মীদের।

    প্রসঙ্গত, গত সোমবারই সুপ্রিম কোর্টে রাজ্যের ডিএ মামলার (DA Case) শুনানি হওয়ার কথা ছিল। পরে সুপ্রিম কোর্টের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছিল, ১৪ ডিসেম্বর সুপ্রিম কোর্টে এই মামলার পরবর্তী শুনানি হবে। এর মধ্যে এই মামলায় সব পক্ষকে নিজেদের সংক্ষিপ্ত যুক্তি লিখিত আকারে জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিল আদালত। এদিন দেশের শীর্ষ আদালতের জারি করা বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, বুধবার বিচারপতি দীনেশ মাহেশ্বরী আদালতে থাকছেন না। তাই সুপ্রিম কোর্টের সাত নম্বর কোর্টে বিচারপতি দীনেশ মাহেশ্বরী এবং বিচারপতি হৃষিকেশ রায়ের বেঞ্চ বসবে না। এই বেঞ্চে যে মামলাগুলির শুনানি হওয়ার কথা ছিল, তা হবে বিচারপতি হৃষিকেশ রায় ও বিচারপতি দীপঙ্কর দত্তের ডিভিশন বেঞ্চে।

    আরও পড়ুন: ‘দাতব্য স্বাগত, তবে দানের উদ্দেশ্য অবশ্যই ধর্মান্তকরণ নয়, সাফ জানাল সুপ্রিম কোর্ট

    এর আগে গত ৫ ডিসেম্বর ডিএ মামলার (DA Case) শুনানি হয়েছে সুপ্রিম কোর্টে। সেদিন রাজ্যের হয়ে সওয়াল করেছিলেন আইনজীবী অভিষেক মনু সিঙ্ঘভি। তিনি বলেছিলেন, কলকাতা হাইকোর্ট যে হারে ডিএ দেওয়ার কথা বলছে, তা দেওয়ার সঙ্গতি নেই রাজ্যের।

    বুধবার যে বড় কিছু ঘটতে চলেছে, সে ব্যাপারে আগেই ইঙ্গিত দিয়েছিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা বিজেপির শুভেন্দু অধিকারী। সোমবার হাজরার সমাবেশেও তিনি বলেন, স্টেট অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ ট্রাইব্যুনাল যখন রাজ্য সরকারি কর্মীদের কেন্দ্রীয় হারে ডিএ দেওয়ার কথা বলছে, তখন সুপ্রিম কোর্টেও আশা করা যায় কর্মীদের জয় হবে। তিনি বলেন, বর্ধিত হারে ডিএ দিতেই হবে রাজ্যকে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     

LinkedIn
Share