Tag: Supreme court

Supreme court

  • Junior Doctors: রাজ‍্যজুড়ে ফের কর্মবিরতি শুরু জুনিয়র ডাক্তারদের, সিদ্ধান্ত জিবি বৈঠকে

    Junior Doctors: রাজ‍্যজুড়ে ফের কর্মবিরতি শুরু জুনিয়র ডাক্তারদের, সিদ্ধান্ত জিবি বৈঠকে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গত শনিবারই জুনিয়র ডাক্তাররা (Junior Doctors) হুঁশিয়ারি দিয়ে রেখেছিলেন যে, সোমবার সুপ্রিম কোর্টে কী হয়, তা দেখে রাজ্যের সমস্ত মেডিক্যাল কলেজ (Medical Colleges) এবং হাসপাতালগুলিতে ফের তাঁরা কর্মবিরতি শুরু করবেন। সোমবার জুনিয়র ডাক্তারদের ৮ ঘণ্টার জিবি বৈঠক হয়, তারপর সেখানেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় এবিষয়ে। জুনিয়র ডাক্তাররা সিদ্ধান্ত নিয়ে নিলেন তাঁরা কর্মবিরতিতে (Indefinite Cease Work) যাচ্ছেন।

    নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করতে পারেনি রাজ্য (Junior Doctors)

    প্রসঙ্গত, পানিহাটি সাগর দত্ত মেডিকেল কলেজে জুনিয়র ডাক্তার ও নার্সরা কর্মবিরতি চালাচ্ছেন। সেখানে তাঁরা মোট ১০ দফা দাবি পেশ করেছেন। সেই দাবি পুরো না হওয়া পর্যন্ত কর্মবিরতি (Indefinite Cease Work) যে চলবে তা জানিয়ে রেখেছেন জুনিয়র চিকিৎসকরা (Junior Doctors)। সোমবার জিবি বৈঠক শেষে চিকিৎসকদের দাবি, রাজ্যের তরফ থেকে বারবার নিরাপত্তার আশ্বাস মিলেছে কিন্তু কোনও নিরাপত্তা এখনও পর্যন্ত সুনিশ্চিত করতে পারেনি রাজ্য সরকার। এ নিয়ে তাঁরা সাগর দত্ত মেডিক্যাল কলেজে (Junior Doctors) ঘটে যাওয়া সম্প্রতি উদাহরণও টেনেছেন। আন্দোলনকারীরা জানান, সরকার নিরাপত্তা দিতে না পারায় পূর্ণ কর্মবিরতির (Indefinite Cease Work) সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। 

    ১০ দফা দাবি পেশ

    ডাক্তারদের (Junior Doctors) তরফ থেকে যে ১০ দফা দাবি পেশ করা হয়েছে সেগুলি হল- আরজি করের নির্যাতিতার দ্রুত ন্যায়বিচার, স্বাস্থ্যসচিবের অপসারণ, হাসপাতালগুলিতে পুলিশি নিরাপত্তা বৃদ্ধি করা, সমস্ত সরকারি হাসপাতালে (Medical Colleges) কেন্দ্রীয় রেফারেল ব্যবস্থা চালু করা, হাসপাতালের খালি বেডের মনিটরিং ব্যবস্থা চালু, মেডিক্যাল কলেজগুলিতে ছাত্র সংসদ নির্বাচন, হাসপাতালগুলিতে শূন্যপদ পূরণ করা, থ্রেট কালচারের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ করা, দ্রুত সমস্ত হাসপাতাল এবং মেডিক্যাল কলেজে টাস্ক ফোর্স গঠন করে সিসিটিভি, প্যানিক বোতামের ব্যবস্থা করতে হবে।

    সুপ্রিম শুনানিতে ‘প্রভাবশালী’ তত্ত্ব

    অন্যদিকে, সোমবার দেশের শীর্ষ আদালতে শুনানি চলাকালীন আরজি কর মামলায় ‘প্রভাবশালী’ তত্ত্ব উঠে আসে। এর পাশাপাশি, তদন্তের আওতায় আসা হাসপাতালের সাত জনকে আপাতত সাসপেন্ড করারও দাবি জানান আইনজীবী ইন্দিরা জয়সিং। তদন্তের অধীনে যাঁরা রয়েছেন সেই নামের তালিকা আদালতে জমা দেওয়ার জন্য সিবিআইকে নির্দেশ দেন প্রধান বিচারপতি চন্দ্রচূড়। তখন রাজ্যের আইনজীবী জানান, পাঁচ জনকে ইতিমধ্যে নিলম্বিত করা হয়েছে। কোন পাঁচ জনকে নিলম্বিত করা হয়েছে, সেই নামের তালিকাও জানতে চান প্রধান বিচারপতি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Supreme Court: ‘নির্যাতিতার চোখে আঘাত কী করে হল’? প্রশ্ন প্রধান বিচারপতির

    Supreme Court: ‘নির্যাতিতার চোখে আঘাত কী করে হল’? প্রশ্ন প্রধান বিচারপতির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সোমবার সুপ্রিম কোর্টে (Supreme Court) আরজি কর মামলার শুনানি ছিল। মামলার শুনানিতে উঠে এল নির্যাতিতার ময়নাতদন্তের প্রসঙ্গ। এদিন সিবিআই দ্বিতীয় স্টেটাস রিপোর্ট জমা দিল। সিবিআইয়ের দেওয়া রিপোর্টে নির্যাতিতার চোখে গুরুতর আঘাত লেগেছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে। তা দেখে প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড় প্রশ্ন তোলেন।

    শুনানিতে ২০০ জন আইনজীবী (Supreme Court)

    এদিন দুপুরে সুপ্রিম কোর্টে আরজি কর মামলার চতুর্থ শুনানি শুরু হয়। প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড়, বিচারপতি জেবি পার্দিওয়ালা এবং বিচারপতি মনোজ মিশ্রের ডিভিশন বেঞ্চ ফের ওই ঘটনার বিভিন্ন দিক খতিয়ে দেখেন। শুনানিতে ৪২টি পক্ষের ২০০-র বেশি আইনজীবী অংশ নেন। চিকিৎসকদের নিরাপত্তা, সাগর দত্ত হাসপাতালের জুনিয়র ডাক্তার আক্রান্ত হওয়ার ঘটনা থেকে শুরু করে একাধিক বিষয় ওঠে আদালতে। দ্বিতীয় স্টেটাস রিপোর্ট জমা দেয় সিবিআই। তা দেখেই নির্যাতিতার চোখের আঘাত নিয়ে প্রশ্ন তোলেন বিচারপতি চন্দ্রচূড়।

    আরও পড়ুন: ‘‘ইয়া ইয়া আবার কী কথা’’! আইনজীবীর ভাষা শুনে ক্ষুব্ধ প্রধান বিচারপতি, করলেন ভর্ৎসনা

    ঘুমন্ত অবস্থায় কীভাবে এটি হল?

    সোমবার শুনানিতে প্রধান বিচারপতির (Supreme Court) নেতৃত্বাধীন তিন বিচারপতির বেঞ্চ স্টেটাস রিপোর্ট খতিয়ে দেখার পরে জানিয়েছে, তদন্ত চালিয়ে যেতে পারে সিবিআই। প্রধান বিচারপতি চন্দ্রচূড়ের মন্তব্য, ‘সিবিআই তদন্তে অনেক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য উঠে এসেছে। তারা তদন্ত চালিয়ে নিয়ে যাক। ‘তবে এই রিপোর্ট খতিয়ে দেখে প্রশ্নও তোলেন বিচারপতি। প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড় প্রশ্ন তোলেন, “ময়নাতদন্তের রিপোর্ট বলছে, চশমার কারণে চোখে জখম হয়েছে। কিন্তু সে সময় কি তিনি চশমা পরে ছিলেন?” সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহেতাকে প্রশ্ন করেন প্রধান বিচারপতি। তুষার জানান, ফরেন্সিক রিপোর্ট বলছে চশমা ভাঙা অবস্থায় পড়েছিল পাশে।

    প্রভাবশালীদের সাসপেন্ড করার আর্জি

    এরপরই জনস্বার্থ মামলাকারীর আইনজীবী ফিরোজ এডুলজি বলেন, “দেবাশিস সোমের ভূমিকা কী ছিল সেটা দেখা হয়নি। উনি উত্তরবঙ্গ লবির ঘনিষ্ঠ এবং মলয় চট্টোপাধ্যায় এবং কলেজের প্রধানের ঘনিষ্ঠ।” তুষার মেহেতা বলেন, “দেবাশিস সোমকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছিল, তিনি হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার আগে।” প্রধান বিচারপতি (Supreme Court) বলেন, “কে দেবাশিস সোম?” এডুলজি জানান, আরজি কর নির্যাতিতার ফরেন্সিক টিমের অন্যতম ডাক্তার দেবাশিস সোম। জুনিয়র ডাক্তারদের তরফে আইনজীবী ইন্দিরা জয় সিং বলেন, “পুলিশ আসারও আগে ৪ জন ঘটনাস্থলে পৌঁছে গিয়েছিলেন। তাঁদের কয়েকজন মেডিক্যাল কাউন্সিলের নির্বাচিত সদস্য। যাঁদের আসার কোনও কারণ ছিল না সেখানে। আমরা বলতে চাই এটা শুধু ধর্ষণ এবং খুন নয়। এমনকী রাজ্য মেডিক্যাল কাউন্সিলের সদস্য পৌঁছে যান।” আইনজীবী করুণা নন্দী বলেন, “যাঁরা ওখানে পৌঁছে গিয়েছিলেন, তাঁরা এখনও ক্ষমতার জায়গায় রয়েছেন। সেখান থেকেই থ্রেট কালচারের কথা আসছে। ওই ব্যক্তিদের কি তদন্ত চলা পর্যন্ত সাসপেন্ড করা যায়?”

    কী নির্দেশ দিল কোর্ট?

    প্রধান বিচারপতি (Supreme Court) বলেন, “যাঁদের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠছে, এবং ক্ষমতাসীন থেকে যাঁরা তদন্তকে প্রভাবিত করার চেষ্টা করছেন, তাঁদের বিরুদ্ধে কী ব্যবস্থা নেওয়া যাবে তার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে রাজ্য সরকার। তবে সিবিআই রাজ্যকে সহযোগিতা করবে, এরকম কোনও ব্যক্তির তথ্য তারা পেলে।”রাজ্যের তরফেও আদালতে আশ্বস্ত করা হয়, তদন্তকারী সংস্থা নামের তালিকা দিলে পদক্ষেপ করা হবে। রাজ্যের আইনজীবী জানান, কেউ যত প্রভাবশালীই হোন, সিবিআই তাঁদের নামের তালিকা দিলে পদক্ষেপ করা হবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Supreme Court: সিসিটিভি বসানোর কাজ কতদূর এগিয়েছে, জানতে চাইল সুপ্রিম কোর্ট

    Supreme Court: সিসিটিভি বসানোর কাজ কতদূর এগিয়েছে, জানতে চাইল সুপ্রিম কোর্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সিসিটিভি বসানোর কাজে কতদূর এগিয়েছে রাজ্য। সোমবার পশ্চিমবঙ্গ সরকারের কাছে এই তথ্যই জানতে চাইল সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court)। এদিন আরজি করকাণ্ড (RG Kar case) মামলার শুনানি হচ্ছিল শীর্ষ আদালতে। সেখানেই সিসিটিভি ইনস্টলেশনের বিষয়ে জানতে চাওয়া হয়।

    রাজ্যের জবাব (Supreme Court)

    শীর্ষ আদালতের প্রশ্নের উত্তরে রাজ্যের তরফে জানানো হয়, কাজ অনেকটাই এগিয়েছে। বাকি কাজও শেষ হয়ে যাবে ১০ অক্টোবরের মধ্যে। রাজ্যের আইনজীবী বলেন, যা প্রস্তাব ছিল, তার ২৬ পারসেন্ট সিসিটিভি লাগানো হয়েছে। ১০ অক্টোবরের মধ্যে বাকিটা লাগানো হবে। রাজ্যে বন্যা পরিস্থিতির জন্যই যে কাজে কিছুটা দেরি হচ্ছে, এদিন তাও জানান রাজ্যের আইনজীবী। গত ১৭ সেপ্টেম্বর শুনানির দিন সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড়ের নির্দেশ ছিল, রাজ্য সরকারের বক্তব্য অনুযায়ী টেন্ডার বেরনোর ১৪দিনের মধ্যে কাজ শেষ করতে হবে।

    কাজ শেষের আশ্বাস

    এদিন রাজ্যের আইনজীবী জানান, ১৫ অক্টোবরের মধ্যে ২৮টি হাসপাতালে সিসিটিভি বসানো ও শৌচাগার নির্মাণ ও সংস্কারের কাজ হয়ে যাবে। প্রধান বিচারপতির (Supreme Court) নির্দেশ, রাজ্যকে নিশ্চিত করতে হবে যাতে ৩১ অক্টোবরের মধ্যে কাজ সম্পূর্ণ হয়। এর প্রেক্ষিতে রাজ্যের আইনজীবী বলেন, “পরিকাঠামোগত কিছু সমস্যার জন্য কাজ শেষ করতে সময় লাগছে।” তিনি আরও বলেন, “৩১ অক্টোবরের মধ্যে সব কাজ শেষ হয়ে যাবে। আমরা চেষ্টা করছি ১৫ অক্টোবরের মধ্যে সব কাজ শেষ করে ফেলব।” রাজ্যের তরফে আইনজীবী জানান, আরজি কর হাসপাতালের ডিউটি রুমের টেন্ডার হওয়ার পরেও কাজ আটকে রয়েছে। সিবিআই ছাড়পত্র দিলেই কাজ শুরু করা যাবে। সিবিআইয়ের তরফে জানিয়ে দেওয়া হয়, ঘটনার পরে পাঁচ দিন কাজ হয়েছে। তাই এখন আর তাদের কোনও আপত্তি নেই।

    আরও পড়ুন: মামলার পথে ইডি! কেজরি, সোরেনের পর এবার কি সিদ্দারামাইয়ার জেলে যাওয়ার পালা?

    এদিকে, সাগর দত্ত মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ২৫০টি সিসিটিভি ক্যামেরা বসানোর কাজ দ্রুত শুরু হবে বলে দিন দুই আগেই জানিয়ে দিয়েছিলেন স্বাস্থ্য সচিব নারায়ণ স্বরূপ নিগম। প্রসঙ্গত, শুক্রবার রাতে ওই হাসপাতালের কয়েকজন জুনিয়র চিকিৎসককে মারধর করা হয় বলে অভিযোগ। তার পরেই (RG Kar case) সিসিটিভি বসানোর সিদ্ধান্ত হয় (Supreme Court)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • RG Kar Incident: প্রভাবশালীদের সাসপেন্ড করার আবেদন ইন্দিরার, নামের তালিকা চাইল সুপ্রিম কোর্ট

    RG Kar Incident: প্রভাবশালীদের সাসপেন্ড করার আবেদন ইন্দিরার, নামের তালিকা চাইল সুপ্রিম কোর্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি কর মেডিক্যালে (RG Kar Incident) তরুণী চিকিৎসককে খুন ও ধর্ষণের ঘটনায় জড়িত থাকা ব্যক্তিদের নামের তালিকা চাইল সুপ্রিম কোর্ট। সোমবার আরজি কর মামলার শুনানিতে এই নির্দেশ দিয়েছেন দেশের প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড়। কারা কারা তদন্তের আওতায় রয়েছেন, তা সিবিআই রাজ্যকে চিঠি দিয়ে জানাবে বলে নির্দেশ দিয়েছে আদালত (Supreme Court)। তদন্তের আওতায় থাকা ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপও করতে হবে রাজ্যকে, এমনই নির্দেশ দেশের শীর্ষ আদালতের।

    সুপ্রিম সওয়াল-জবাব

    এদিন আদালতে জুনিয়র ডাক্তারদের কাজে ফেরার প্রসঙ্গে সওয়ালের সময় আইনজীবী ইন্দিরা জয়সিং বলেন, ‘জুনিয়র ডাক্তাররা কাজে ফিরলেও তাঁরা আতঙ্কিত। কারণ আরজি কর মেডিক্যালে যাদের বিরুদ্ধে সিবিআই তদন্ত করছে, তাদের অনেকে এখনও গুরুত্বপূর্ণ পদে আসীন। তদন্ত চলাকালীন তাঁদের পদ থেকে সাসপেন্ড করা উচিত ছিল রাজ্য সরকারের। কিন্তু তারা তা করেনি। যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ, তাদের সঙ্গেই জুনিয়র ডাক্তাররা কাজ করবেন, এটা কি করে হতে পারে? সাসপেন্ড করা না হোক, অন্তত ছুটিতে পাঠানো উচিত তাঁদের।’

    আরজি করকাণ্ডে (RG Kar Incident) এবার প্রভাবশালী প্রসঙ্গও উঠল সুপ্রিম কোর্টের শুনানিতে। জুনিয়র ডাক্তারদের আইনজীবী ইন্দিরা জয়সিং এদিন আদালতকে বলেন, “পুলিশ আসারও আগে ৪ জন ঘটনাস্থলে পৌঁছে গিয়েছিলেন। তাঁদের কয়েকজন মেডিক্যাল কাউন্সিলের নির্বাচিত সদস্য। যাঁদের আসার কোনও কারণ ছিল না সেখানে। আমরা বলতে চাই এটা শুধু ধর্ষণ এবং খুন নয়। এমনকী রাজ্য মেডিক্যাল কাউন্সিলের সদস্যরা পৌঁছে যান এই ঘটনায়।” ইন্দিরা জয় সিং-এর পাশাপাশি এই প্রসঙ্গ তুলে চিকিৎসকদের আইনজীবী করুণা নন্দী বলেন, “যাঁরা ওখানে পৌঁছে গিয়েছিলেন, তাঁরা এখনও ক্ষমতার জায়গায় রয়েছেন। সেখান থেকেই থ্রেট কালচারের কথা আসছে। ওই ব্যক্তিদের কি তদন্ত চলা পর্যন্ত সাসপেন্ড করা যায়?”

    আরও পড়ুন: ‘‘ইয়া ইয়া আবার কী কথা’’! আইনজীবীর ভাষা শুনে ক্ষুব্ধ প্রধান বিচারপতি, করলেন ভর্ৎসনা

    সুপ্রিম নির্দেশ

    একথা শুনে প্রধান বিচারপতি (Supreme Court) বলেন, ‘কারা কারা তদন্তের আওতায় রয়েছে, সিবিআই রাজ্যকে নথি দিয়ে তা জানাবে। সেই অনুসারে পদক্ষেপ করতে হবে রাজ্যকে।’ রাজ্যের তরফে জানানো হয়, ইতিমধ্যে ৫ জনকে সাসপেন্ড করা হয়েছে। অভিযুক্তরা যতই প্রভাবশালী হোক না কেন, তাদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ করতে সমস্যা নেই রাজ্যের। এর পর কাদের সাসপেন্ড করা হয়েছে, সেই নামের তালিকা তলব করে আদালত।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • RG Kar: আরজি কর-কাণ্ডে নির্যাতিতার পরিচয় ফাঁস! নোডাল অফিসার নিয়োগের নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের

    RG Kar: আরজি কর-কাণ্ডে নির্যাতিতার পরিচয় ফাঁস! নোডাল অফিসার নিয়োগের নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের

    মাধম নিউজ ডেস্ক: আরজি কর-কাণ্ড (RG Kar) নিয়ে দেশজুড়ে তোলপাড় চলছে। এখনও আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছেন জুনিয়র ডাক্তাররা। এই আবহের মধ্যে সোমবার সুপ্রিম কোর্টে হল আরজি কর-কাণ্ডের শুনানি। প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড়, বিচারপতি জেবি পারদিওয়ালা ও বিচারপতি মনোজ মিশ্রর বেঞ্চে এদিন শুনানি হয়।

    কী ঘটেছে সুপ্রিম কোর্টে?(RG Kar)

    এদিন আরজি কর মামলা সুপ্রিম কোর্টে (Supreme Court) উঠতেই নির্যাতিতার পরিবারের আইনজীবী বৃন্দা গ্রোভার শীর্ষ আদালতকে জানান, এই ঘটনা নিয়ে একটি শর্ট ফিল্ম মুক্তি পেতে চলেছে। তাতে প্রধান বিচারপতি স্পষ্টই জানিয়ে দেন, তাঁরা এই ছবির মুক্তি আটকাতে চাইলে যেন আইনি পদক্ষেপ করা হয়। মিনিস্ট্রি অফ ইলেক্ট্রনিক্স অ্যান্ড টেকনোলজির অফিসারের মাধ্যমে সেই কাজ করার কথাও ওঠে। 

    আরও পড়ুন: ‘‘ইয়া ইয়া আবার কী কথা’’! আইনজীবীর ভাষা শুনে ক্ষুব্ধ প্রধান বিচারপতি, করলেন ভর্ৎসনা

    কেন্দ্রকে নোডাল অফিসার নিয়োগের নির্দেশ

    আরজি করের (RG Kar) নির্যাতিতাকে নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় নানা পোস্টকে কেন্দ্র করে সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড় বলেন, আমরা আগেই এ ব্যাপারে নির্দেশ দিয়েছিলাম। এখন আইন কার্যকর করার দায়িত্ব যাদের, তারা সেই কাজ করবে। আইনজীবী এর জবাবে বলেন, বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়ায় নির্যাতিতার নাম-ছবি দিয়ে পোস্ট করা চলছে। এ ব্যাপারে কি একজন নোডাল অফিসার নিয়োগ করা যায়! কৌঁসুলি করুণা নন্দী বলেন, হিন্দি গানের সঙ্গে রিলস তৈরি চলছে। এর জবাবে কেন্দ্রকে একজন নোডাল অফিসার নিয়োগের নির্দেশ দেয় সুপ্রিম কোর্ট।

    সমাজ মাধ্যমে নির্যাতিতার ছবির প্রসঙ্গ

    বৃন্দা গ্রোভার বলেন, “চিঠি নিয়ে সিবিআই পদক্ষেপ করেছে। নির্যাতিতার ছবি সমাজ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। ইউটিউব মুভিতেও এই কাণ্ড উঠে এসেছে। আগামিকাল তা মুক্তি পাবে। যেখানে বলা হয়েছে, নির্যাতিতার জীবনের ওপর আধারিত এই ছবি।” সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা বলেন, “নির্যাতিতাকে (RG Kar) এভাবে অপমান করার অবসান হোক।” প্রধান বিচারপতি বলেন, “পশ্চিমবঙ্গ সরকার সমস্ত মিডিয়া পোস্টের ব্যাপারে যোগাযোগ করুক।”  

    ছবি মুক্তি পিছিয়ে গেল!

    আগামী বুধবার অর্থাৎ ২ অক্টোবর মুক্তি পাওয়ার কথা রাজন্যা হালদার এবং প্রান্তিক চক্রবর্তীর ওই শর্ট ফিল্মের। কিন্তু এদিন আরজি কর মামলা সুপ্রিম কোর্টে উঠতেই সেটা নিয়ে চর্চা হয়। এদিনই ছবির মুক্তি পিছিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন প্রান্তিকরা। এত কিছুর মধ্যে প্রান্তিক চক্রবর্তী জানিয়ে দেন, তাঁরা এখনই এই ছবির মুক্তি দিচ্ছেন না। বরং পিছিয়ে যাচ্ছে আগমনী: তিলোত্তমাদের ছবির মুক্তি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Supreme Court: ‘‘ইয়া ইয়া আবার কী কথা’’! আইনজীবীর ভাষা শুনে ক্ষুব্ধ প্রধান বিচারপতি, করলেন ভর্ৎসনা

    Supreme Court: ‘‘ইয়া ইয়া আবার কী কথা’’! আইনজীবীর ভাষা শুনে ক্ষুব্ধ প্রধান বিচারপতি, করলেন ভর্ৎসনা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘‘ইয়া ইয়া আবার কী কথা’’! ভরা আদালতে আইনজীবীর আচরণে বেজায় ক্ষুব্ধ হয়ে উঠলেন সুপ্রিম কোর্টের (Supreme Court) প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড়। সুপ্রিম কোর্টের শুনানিতে ভাষা নিয়ে আইনজীবীকে কড়া বার্তা দিলেন তিনি। তাঁর প্রশ্নের উত্তর দিতে গিয়ে আইনজীবী যে ভাষায় উত্তর দেন, তাতে কার্যত বিরক্ত হন প্রধান বিচারপতি আইনজীবীকে ভর্ৎসনা করেছেন। সেই সঙ্গে মনে করিয়ে দিয়েছেন, ‘‘এটা আদালত। কোনও ক্যাফে নয়।”

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Supreme Court)

    সোমবার শীর্ষ আদালতে (Supreme Court) ২০১৮ সালের একটি মামলার শুনানি চলছিল। সেই মামলায় প্রাক্তন প্রধান বিচারপতি রঞ্জন গগৈকে রেসপন্ডেন্ট হিসেবে যুক্ত করেন আইনজীবী। প্রধান বিচারপতি চন্দ্রচূড় (CJI Chandrachud) প্রশ্ন করেন, কোনও জনস্বার্থ মামলায় বিচারপতিকে কী ভাবে যুক্ত করা যেতে পারে? সংবিধানের ৩২ নম্বর ধারায় ওই ধরনের মামলা করা যায়। কিন্তু এ ক্ষেত্রে সেই ধারা প্রযুক্ত হচ্ছে না, মনে করিয়ে দেন প্রধান বিচারপতি। তার উত্তরেই ওই আইনজীবী বলেন ওঠেন, ‘‘ইয়া ইয়া.. তখন প্রধান বিচারপতি ছিলেন গগৈ। আমি মামলা করছিলাম…’’। এখানেই ওই আইনজীবীকে থামিয়ে দেন বিচারপতি চন্দ্রচূড়। ধমক দিয়ে তিনি বলে ওঠেন, ‘‘এটা কোনও ক্যাফে নয়। ইয়া ইয়া আবার কী ভাষা! এতে আমার অ্যালার্জি আছে। আদালতের মধ্যে এই ধরনের ভাষা ব্যবহার করতে দেওয়া যায় না।’’ ওই আইনজীবীর উদ্দেশে প্রধান বিচারপতি আরও বলেন, ‘‘বিচারপতি গগৈ এই আদালতের প্রাক্তন বিচারপতি। তাঁর বেঞ্চে আপনি সাফল্য পাননি বলে এখন বিচারপতির বিরুদ্ধে তদন্ত চেয়ে আপনি জনস্বার্থ মামলা করতে পারেন না।’’

    আরও পড়ুন: নন্দীগ্রামে ফের গেরুয়া ঝড়, সমবায় ভোটে খাতাই খুলল না তৃণমূলের

    আইনজীবী কী বললেন?

    আইনজীবী উত্তরে বলেন, অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি রঞ্জন গগৈ আমার আবেদন খারিজ করে দিয়েছিলেন। আমার কোনও দোষ নেই। আমি অবসরপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি টিএস ঠাকুরকেও বলেছিলাম শ্রম আইন সংক্রান্ত আবেদন শোনা হোক। কিন্তু সেটাও খারিজ হয়ে যায় আইনজীবীর এই বক্তব্য শুনে প্রধান বিচারপতি (Supreme Court) বলেন, ‘‘হাইকোর্টের নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করার সময় কোনও বিচারপতির বিরোধিতা করা যায় না।’’ প্রধান বিচারপতি স্পষ্ট জানিয়ে দেন, আবেদনকারীকে বিচারপতি গগৈর নাম বাদ দিতে হবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • RG Kar Incident: আজ সুপ্রিম কোর্টে আরজি কর মামলার শুনানি, উপস্থিত থাকবে ৪২ পক্ষ! কখন শুরু?

    RG Kar Incident: আজ সুপ্রিম কোর্টে আরজি কর মামলার শুনানি, উপস্থিত থাকবে ৪২ পক্ষ! কখন শুরু?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শীর্ষ আদালতে পিছিয়ে গেল আরজি কর মামলার (RG Kar Incident) শুনানি। সোমবার সকালের পরিবর্তে শুনানির সময় পিছিয়ে দুপুর করা হয়েছে। শীর্ষ আদালত (Supreme Court) সূত্রে খবর, সোমবার দুপুর ২টোয় মামলাটি শুনবে আদালত। আগেকার মতো সুপ্রিম কোর্টে প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বে তিন বিচারপতির বেঞ্চের তালিকায় ৪২ নম্বরে মামলাটি উঠবে। প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড়ের পাশাপাশি থাকবেন বিচারপতি জেবি পারদিওয়ালা ও বিচারপতি মনোজ মিশ্র। 

    আজ কী হবে?

    সোমবার, আরজি করের (RG Kar Incident) চিকিৎসকের খুন ও ধর্ষণের তদন্তে তৃতীয় স্ট্যাটাস রিপোর্ট জমা করার কথা সিবিআইয়ের। পাশাপাশি, এই মামলায় তদন্ত কতদূর এগলো, তাও জানাতে হবে কেন্দ্রীয় সংস্থাকে। গত শুনানিতে শীর্ষ আদালত (Supreme Court) সিবিআই রিপোর্ট দেখে বিস্ময় প্রকাশ করেছিল। তদন্তের জন্য আরও সময় দেওয়া প্রয়োজন বলে জানিয়েছিল তিন বিচারপতির বেঞ্চ। এদিন রিপোর্ট খতিয়ে দেখে সুপ্রিম কোর্ট কোনও গুরুত্বপূর্ণ পর্যবেক্ষণ করেন কিনা, সেদিকেই নজর সকলের। খুন ও ধর্ষণের ঘটনায় স্বতঃপ্রণোদিত ভাবে মামলাটি করেছিল সুপ্রিম কোর্ট। গত ২০ অগাস্ট মামলার প্রথম শুনানি হয়। তারপর থেকে চারবার মামলাটি আদালতে ওঠে। সকাল সাড়ে ১০টা নাগাদই প্রতিবার শুনানি হয়। তবে এ বার পিছিয়ে তা দুপুর ২টোয় করা হয়েছে।

    আরও পড়ুন: “সুসম্পর্ক রাখলে আইএমএফের চেয়েও বেশি সাহায্য পেত পাকিস্তান”, বললেন রাজনাথ

    মামলায় প্রায় ৪২টি পক্ষ

    এই মামলায় (RG Kar Incident) প্রায় ৪২টি পক্ষের নথিভুক্ত আইনজীবীর সংখ্যা ২০০-র বেশি। জুনিয়র ডাক্তারদের তরফে মামলা লড়ছেন আইনজীবী ইন্দিরা জয় সিং। পাশাপাশি নির্যাতিতার মা-বাবার তরফে সওয়াল করবেন বিশিষ্ট আইনজীবী বৃন্দা গ্রোভার। সিনিয়র চিকিৎসকদের পক্ষে থাকবেন করুণা নন্দী। রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে লড়ছেন বর্ষীয়ান আইনজীবী কপিল সিব্বল। এর আগে মামলার দিন পিছিয়ে যাওয়ায় কিছুটা হতাশ হয়েছিলেন চিকিৎসকরা। সেকথা গণ কনভেনশন মঞ্চে জানিয়ে আন্দোলনকারীরা এও বলেন, নির্যাতিতার বিচার না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন জারি থাকবে। আরজি কর মামলা নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে (Supreme Court) শুনানির আগের দিন, রবিবার সন্ধ্যায় মশাল, মোমবাতি নিয়ে কলকাতার রাস্তায় মিছিল করেন জুনিয়র ডাক্তাররা। বিচারের দাবি চেয়ে লেখা পোস্টার নিয়ে পথে নামেন তাঁরা। জেলার মেডিক্যাল কলেজগুলিতেও মিছিল-সভা হয়।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Karuna Nundy: মুখ্যমন্ত্রীর দাবি ‘সম্পূর্ণ মিথ্যা’, ৩০ রোগীর মৃত্যু নিয়ে দাবি আইনজীবী করুণা নন্দীর

    Karuna Nundy: মুখ্যমন্ত্রীর দাবি ‘সম্পূর্ণ মিথ্যা’, ৩০ রোগীর মৃত্যু নিয়ে দাবি আইনজীবী করুণা নন্দীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি কর কাণ্ডের প্রতিবাদে জুনিয়র চিকিৎসকদের কর্মবিরতিতে চিকিৎসকদের গাফিলতির জন্য ৩০ জন রোগীর মৃত্যুর দাবিকে সম্পূর্ণ মিথ্যা প্রচার বলে জানালেন ওই মামলার অন্যতম আইনজীবী করুণা নন্দী (Karuna Nundy)। আরজি কর মামলায় (RG Kar Case) সিনিয়র চিকিৎসকদের পক্ষে লড়ছেন সিনিয়র আইনজীবী করুণা নন্দী। এই অভিযোগ তুলে মৃতদের ক্ষতিপূরণ দেওয়ার সিদ্ধান্তও যে সঠিক নয়, সে কথাও বলেছেন করুণা।

    প্রবাসী বাঙালি করুণা

    আরজি কর মামলার প্রতিটি শুনানিতে সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতার পাশে দাঁড়িয়ে রাজ্যের চিকিৎসকদের হয়ে সওয়াল করতে দেখা গিয়েছে করুণা নন্দীকে (Karuna Nundy)। জানা যায়, বাংলার বাসিন্দা না হলেও করুণা বাঙালি। বাংলায় কথাও বলতে পারেন। তাই রাজ্যের মানুষ তথা বাঙালির মধ্যে জনপ্রিয়তা বেড়েছে করুণা নন্দীর। সুপ্রিম কোর্টের এই সিনিয়র আইনজীবী করুণা জানিয়েছেন, এই মামলাটা তাঁর কাছে অত্যন্ত ‘পার্সোনাল’। কারণ তিনি নিজে একজন বাঙালি। তিনি মনে করেন, বাঙালি মেয়েদের রক্তে আছে স্বাধীনতা। আর এই আরজি করের ঘটনায় সেই স্বাধীনতা ধাক্কা খেয়েছে।

    করুণার কেরিয়ার

    বাঙালি হলেও করুণা নন্দীর (Karuna Nundy) জন্ম ভোপালে। করুণার বাবা কর্মসূত্রে ছিলেন হার্ভার্ড মেডিক্যাল স্কুলে। কিন্তু দেশের জন্য চিন্তা করে বিদেশের চাকরি ছেড়ে দেশে ফিরে আসেন তিনি। ভোপালের সর্দার পটেল বিদ্যালয়ে পড়াশোনার পর দিল্লির সেন্ট স্টিফেন্স কলেজে পড়াশোনা করেন করুণা। এরপর কেমব্রিজ থেকে আইন বিষয়ক পড়াশুনো করেন৷ শুরু থেকেই নিজের ঔজ্জ্বল্য বোঝাতে শুরু করেছিলেন করুণা নন্দী৷ তিনি সেই সময়ে কেমব্রিজ ইউনিভার্সিটির ল সোসাইটির জার্নালে এডিটর ইন চিফ ছিলেন৷ ইংল্যান্ডের পর আমেরিকার কলম্বিয়া ইউনিভার্সিটি থেকে আইন বিষয়ে মাস্টার্স। ইংল্যান্ড, আমেরিকা এবং ভারত – তিন দেশেই ল প্র্যাক্টিস করার লাইসেন্স রয়েছে করুণার।

    আরও পড়ুন: ‘বিরলের মধ্যে বিরলতম অপরাধ’, দোষ প্রমাণ হলে মৃত্যুদণ্ড হতে পারে সন্দীপের

    করুণার কেস

    অ্যাডভোকেট করুণা নন্দীর (Karuna Nundy) কেরিয়ারে রয়েছে দুর্ধর্ষ সব কেস যা তিনি সুপ্রিম কোর্টে জিতেছেন৷ তার বড় কেসের মধ্যে রয়েছে, পেটিএম বনাম টেলিকম কেস, জিজা ঘোষ বনাম স্পাইসজেট মামলা, শ্রেয়া সিংঘল বনাম ইউনিয়ন অফ ইন্ডিয়া মামলা৷ ২০১২-তে দিল্লির নির্ভয়া কেসের পর জাস্টিস ভার্মা কমিটিকে দায়িত্ব দেয়া হয়েছিল অ্যান্টি-রেপ আইনটিকে সংশোধন করার জন্য। তখনকার আইনের বিভিন্ন ছিদ্র ছিল তা চিহ্নিতকরণ করে আইনের পরিবর্তনটি যাঁরা লিখেছিলেন তাঁদের মধ্যে অন্যতম ছিলেন সিনিয়র অ্যাডভোকেট করুণা নন্দী। আরজি কর মামলা প্রসঙ্গে করুণা বলেন, “আমার জন্য এই ম্যাটারটা পার্সোনাল। আমি অনেক জায়গায় গিয়েছি। আমেরিকায় থেকেছি, ইংল্যান্ডে থেকেছি। কিন্তু আমার রক্তে বাঙালিয়ানা। আর স্বাধীনতা বাঙালি মেয়েদের রক্তে আছে। এই ঘটনায় সেই স্বাধীনতা ধাক্কা খেয়েছে। রাজ্যের দায়িত্ব সেটা প্রত্যেক মেয়েকে ফিরিয়ে দেওয়া।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Supreme Court: ভারতের কোনও অংশকে পাকিস্তান বলা যাবে না, নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের

    Supreme Court: ভারতের কোনও অংশকে পাকিস্তান বলা যাবে না, নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশের কোনও অংশকে, কেউ পাকিস্তান বলে উল্লেখ করতে পারবেন না, সাফ জানালেন সুপ্রিম কোর্টের (Supreme Court) প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড় (DY Chandrachud)। বুধবারই একটি মামলার শুনানিতে বুধবার এই মন্তব্য করে দেশের শীর্ষ আদালত। প্রধান বিচারপতি চন্দ্রচূড় বলেন, ‘‘দেশের কোনও অংশকে, কেউ পাকিস্তান বলতে পারেন না। এমন মন্তব্য দেশের আঞ্চলিক অখণ্ডতার পরিপন্থী। আদালতে যা কিছু ঘটে, তা কিছুই গোপন রাখা উচিত নয়।’’

    বিতর্ক শুরু কীভাবে?

    বিতর্ক শুরু কর্নাটক হাইকোর্টের বিচারপতি বেগব্যাসাচর শ্রীষনন্দার একটি মন্তব্য ঘিরে। পরে সেই বিতর্কের জল গড়ায় সুপ্রিম কোর্টে (Supreme Court)। এনিয়েই গুরুত্বপূর্ণ পর্যবেক্ষণ দিল এদিন সুপ্রিম কোর্ট। জানা গিয়েছে, কর্নাটকের একটি মামলা ছিল বাড়ির মালিক এবং ভাড়াটের বিবাদ সংক্রান্ত। এই মামলার শুনানিতেই বিচারপতি শ্রীষনন্দা বেঙ্গালুরুর সংখ্যালঘু অধ্যুষিত এলাকাকে পাকিস্তান বলে উল্লেখ করেন। শুধু তাই নয়, এক মহিলা আইনজীবীকে নিশানা করে তিনি নারীবিদ্বেষী মন্তব্য করেন বলে অভিযোগ। এনিয়ে ব্যাপক শোরগোল শুরু হয়। এর পরে প্রকাশ্যে ক্ষমাও চেয়ে নেন ওই বিচারপতি। কিন্তু পরবর্তীকালে মামলাটি সুপ্রিম কোর্টে পৌঁছায়।

    আদালতে বিচারপতিরা কী ধরনের মন্তব্য করতে পারেন, তা নিয়ে নির্দেশিকা তৈরির কথাও বলে শীর্ষ আদালত

    এদিনই সুপ্রিম কোর্টের (Supreme Court) পাঁচ বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ কর্নাটক হাইকোর্টের ওই বিচারপতির বিরুদ্ধে আইনি প্রক্রিয়াও বন্ধ করে দিয়েছে। এনিয়ে প্রধান বিচারপতি (DY Chandrachud) জানিয়েছেন, বিচার ব্যবস্থার স্বার্থে ও মর্যাদার প্রশ্নেই এমন সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে। কর্নাটকের ওই মামলার শুনানির জন্য প্রধান বিচারপতি, বিচারপতি এস খন্না, বিচারপতি বিআর গাভাই, বিচারপতি এস কান্ত এবং বিচারপতি এইচ রায়কে নিয়ে পাঁচ সদস্যের বেঞ্চ গঠিত হয়। এদিন আদালতে বিচারপতিরা কী ধরনের মন্তব্য করতে পারেন, তা নিয়ে নির্দেশিকা তৈরির কথাও বলে শীর্ষ আদালত।

    প্রধান বিচারপতির (Supreme Court) আরও বক্তব্য

    আজ বুধবার শুনানি চলাকালীন প্রধান বিচারপতি (Supreme Court) আরও বলেন, ‘‘হালকা চালে কোনও মন্তব্য করা হলেও, তা কোনও বিশেষ সম্প্রদায় বা লিঙ্গের মানুষের প্রতি ব্যক্তিগত পক্ষপাত ইঙ্গিত করে।  এই ধরনের বিদ্বেষপূর্ণ মন্তব্য করা থেকে বিরত থাকা উচিত। বিশেষ সম্প্রদায় বা বিশেষ লিঙ্গের মানুষের প্রতি এমন মন্তব্যে আমরা উদ্বিগ্ন, বিষয়টিকে নেতিবাচক ভাবেই দেখা উচিত।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • RG Kar Incident: আরজি কর মামলায় আইনজীবী বদল, অভয়ার মা-বাবার হয়ে লড়বেন বৃন্দা গ্রোভার

    RG Kar Incident: আরজি কর মামলায় আইনজীবী বদল, অভয়ার মা-বাবার হয়ে লড়বেন বৃন্দা গ্রোভার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি করের মামলায় (RG Kar Incident) সুপ্রিম কোর্টে আবার আইনজীবী বদল। চিকিৎসক পক্ষের পর এবার আইনজীবী বদল করলেন তিলোত্তমার মা-বাবা। সুপ্রিম কোর্টে আরজি কর কাণ্ডে নির্যাতিতার বাবা-মায়ের হয়ে স‌ওয়াল করবেন আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন আইনজীবী বৃন্দা গ্রোভার (Brinda Grover)। জানা গিয়েছে, তিনি এই মামলা লড়ার জন্য তিলোত্তমার মা-বাবার কাজ থেকে এক টাকাও পারিশ্রমিক নেবেন না।

    কেন আইনজীবী বদল 

    তিলোত্তমার পরিবার সূত্রে খবর, তাঁরা চাইছেন ওজনদার কোনও আইনজীবী তাঁদের মেয়ের সুবিচারের জন্য লড়ুক। চিকিৎসকদের পক্ষে যেমন ইন্দিরা জয়সিং জোরাল প্রশ্ন করছেন, তা দেখেই তিলোত্তমার পরিবারের তরফে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এতদিন তিলোত্তমার বাবা-মা’র হয়ে লড়ছিলেন আইনজীবী বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য। তিনিও বিনা পারিশ্রমিকেই নির্যাতিতার পরিবারের হয়ে সুপ্রিম কোর্টে সওয়াল করেছিলেন। কিন্তু মামলা লড়তে ঘন ঘন দিল্লি যেতে কিছুটা অসুবিধা হচ্ছিল আইনজীবী বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্যের। তাই সব মিলিয়ে বিকল্প ভাবে নির্যাতিতার পরিবার। আগামী সোমবার সুপ্রিম কোর্টে আরজি কর কাণ্ডের (RG Kar Incident) পরবর্তী শুনানি। এর আগের দিন শুনানির সময়ই প্রধান বিচারপতি জানিয়েছিলেন, আরজি কর মেডিক্যাল কলেজে ধর্ষণ এবং খুনের ঘটনার তদন্ত নিয়ে নির্যাতিতার বাবা যে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন, তা প্রকৃত। তিনি যে চিঠি দিয়েছেন, সেটা আদালত সামনে আনবে না। কারণ সেটা গোপনীয়। সিবিআইয়ের জন্য সেগুলো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য, বলেও জানায় শীর্ষ আদালত।

    আরও পড়ুন: সকাল থেকেই বুথে ভিড়, কড়া নিরাপত্তায় জম্মু-কাশ্মীরে চলছে দ্বিতীয় দফার ভোটগ্রহণ 

    বৃন্দা গ্রোভার কে? 

    আইনজীবী বৃন্দা গ্রোভার (Brinda Grover) একাধিক মানবাধিকার ও মহিলা-শিশুদের বিরুদ্ধে হওয়া নির্যাতনের মামলায় লড়েছেন। রাষ্ট্রপুঞ্জের মানবাধিকার কাউন্সিলের সদস্যও তিনি। ১৯৮৭ সালের হাসিমপুরা পুলিশ হত্যা মামলা থেকে শুরু করে ২০০৪ সালের ইসরাত জাহান মামলা, ২০০৮ সালে কন্ধমালে খ্রিস্টান বিরোধী দাঙ্গা মামলাতে লড়েছেন তিনি। শিশুদের যৌন হেনস্থা থেকে সুরক্ষা, নির্যাতন প্রতিরোধ বিলের সংশোধনীর খসড়া তৈরিতেও তাঁর বিশেষ অবদান রয়েছে। আরজি করের (RG Kar Incident) ঘটনা নিয়ে আগে থেকেই ওয়াকিবহাল বৃন্দা। রাত দখল কর্মসুচির উদ্যোক্তাদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ ছিল তাঁর।  আগামী মঙ্গলবার সুপ্রিম কোর্টে পরবর্তী শুনানিতেই নিহত চিকিৎসকের পরিবারের হয়ে সওয়াল করতে দেখা যাবে বৃন্দা গ্রোভারকে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share