Tag: Supreme court

Supreme court

  • Supreme Court: হাইকোর্টের রায় বহাল সুপ্রিম কোর্ট, উচ্চ প্রাথমিকে ১৪ হাজার পদে নিয়োগে বাধা নেই

    Supreme Court: হাইকোর্টের রায় বহাল সুপ্রিম কোর্ট, উচ্চ প্রাথমিকে ১৪ হাজার পদে নিয়োগে বাধা নেই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উচ্চ প্রাথমিকে ১৪ হাজারেরও বেশি শূন্যপদে নিয়োগে (SSC Upper Primary Recruitment) হস্তক্ষেপ করল না সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court)। আপাতত কলকাতা হাইকোর্টের রায় বহাল রাখল শীর্ষ আদালত। মঙ্গলবার প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড়, বিচারপতি জেবি পারদিওয়ালা এবং বিচারপতি মনোজ মিশ্রের বেঞ্চ জানিয়েছে, এখনই হাইকোর্টের নির্দেশে হস্তক্ষেপ করছে না শীর্ষ আদালত। অর্থাৎ নতুন মেধাতালিকা প্রকাশে বাধা রইল না এসএসসি’র। 

    সুপ্রিম কোর্টের (Supreme Court) পর্যবেক্ষণ

    উচ্চ প্রাথমিকে ১৪ হাজারের বেশি শূন্যপদে নিয়োগের (SSC Upper Primary Recruitment) নির্দেশ দিয়েছিল হাইকোর্ট। ওই নির্দেশ সংরক্ষণ নীতির বিরোধী, এই দাবি তুলে শীর্ষ আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিলেন রাজীব ব্রহ্ম-সহ কয়েক জন চাকরিপ্রার্থী। এর ফলে ১৪ হাজার চাকরিপ্রার্থীর নিয়োগ নিয়ে আবার তৈরি হয় জট। মঙ্গলবার সুপ্রিম কোর্টের (Supreme Court) প্রধান বিচারপতির বেঞ্চ জানিয়েছে, নতুনদের আবেদন শোনা হবে না। হাইকোর্টে মামলাকারীদের বক্তব্য শুনবে উচ্চ আদালত। ২০১৫ সাল থেকে উচ্চ প্রাথমিক নিয়োগ (SSC Upper Primary Recruitment) নিয়ে জটিলতায় আটকে রয়েছেন চাকরিপ্রার্থীরা।  ২০২০ সালে নিয়োগ প্রক্রিয়াটি বাতিল করে দিয়েছিল উচ্চ আদালত। আবার ২০২৩ সালে প্যানেল প্রকাশ করার অনুমতি দিয়েছিল হাইকোর্ট। তবে স্পষ্ট করে দেওয়া হয়েছিল, এসএসসি কাউকে নিয়োগের সুপারিশ করতে পারবে না।  

    আরও পড়ুন: তিরুপতির লাড্ডু বিতর্কে ঘি সরবরাহকারী সংস্থাকে নোটিশ স্বাস্থ্য মন্ত্রকের

    নিয়োগ-প্রক্রিয়া শুরু 

    সোমবারই উচ্চ প্রাথমিকের ২০১৬ সালের (SSC Upper Primary Recruitment) মেধাতালিকা প্রকাশের বিজ্ঞপ্তি দিয়েছে এসএসসি। বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, আগামী বুধবার, ২৫ সেপ্টেম্বর প্রকাশ করা হবে মেধাতালিকা। ১০ শতাংশ আসন সংরক্ষিত রাখা হবে অস্থায়ী শিক্ষকের জন্য। বাকি পদে নিয়োগের মেধাতালিকা প্রকাশ করা হবে। যদিও চাকরিপ্রার্থীদের দাবি, শুধু মেধাতালিকা প্রকাশ করলে হবে না, নিয়োগ প্রক্রিয়াও শীঘ্র শুরু করতে হবে। এই নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু করতে একটাই বাধা ছিল সুপ্রিম কোর্টের (Supreme Court) মামলা। এবার সেখান থেকেও সবুজ সঙ্কেত মিলল।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Supreme Court: শিশুদের যৌনতার ভিডিও দেখলে বা রাখলেও সাজা পকসো আইনে, বড় রায় সুপ্রিম কোর্টের

    Supreme Court: শিশুদের যৌনতার ভিডিও দেখলে বা রাখলেও সাজা পকসো আইনে, বড় রায় সুপ্রিম কোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শিশুদের নিয়ে তৈরি পর্নোগ্রাফি দেখা কিংবা তা ডাউনলোড করাও এবার থেকে পকসো (POCSO) আইনে অপরাধ বলে বিবেচ্য হবে। সোমবার মাদ্রাজ হাইকোর্টের রায় খারিজ করে এমনই বড় নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court)।  সুপ্রিম কোর্টের তরফে পর্যবেক্ষণে বলা হয়, ‘‘বর্তমান সময়ে পর্নোগ্রাফি দেখার মতো ভয়ঙ্কর সমস্যা নিয়ে লড়ছে শিশুরা। সমাজকে এতটা পরিণত হতে হবে যে শাস্তির বদলে শিক্ষা দেওয়া যায়।’’ এর আগে মাদ্রাজ হাইকোর্ট তাদের এক রায়ে জানিয়েছিল, শিশুদের নিয়ে নীলছবি দেখা কিংবা তার ক্লিপ ডাউনলোড করা শাস্তিযোগ্য নয়। এদিন মাদ্রাজ হাইকোর্টের সেই নির্দেশকেই খারিজ করে দিল শীর্ষ আদালত।

    চেন্নাইয়ের এক ২৮ বছরের যুবকের বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা বাতিল করে মাদ্রাজ হাইকোর্ট

    সোমবার সর্বোচ্চ আদালতের প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড় এবং বিচারপতি জেবি পারদিওয়ালার বেঞ্চ বলে, মাদ্রাজ হাইকোর্টের এই রায় দিতে গিয়ে গুরুতর ত্রুটি করে ফেলেছে। প্রসঙ্গত, চলতি বছরের ১১ জানুয়ারি মাদ্রাজ হাইকোর্ট চেন্নাইয়ের এক ২৮ বছরের যুবকের বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা বাতিল করে দিয়েছিল। ওই যুবকের বিরুদ্ধে শিশু-পর্ন দেখা এবং ভিডিও ডাউনলোড (POCSO) করার গুরুতর অভিযোগ উঠেছিল। মাদ্রাজ হাইকোর্ট তাদের রায়ে জানিয়েছিল, ব্যক্তিগতভাবে এ ধরনের বিষয়ের ছবি দেখা পকসো আইনের এক্তিয়ারে পড়ে না।

    ‘চাইল্ড পর্ন’ শব্দটিও সংশোধন করার নির্দেশ দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court)

    এদিন এই মামলার শুনানিতে সুপ্রিম কোর্ট ওই যুবকের বিরুদ্ধে ওঠা ফৌজদারি মামলা চালিয়ে যাওয়ার অনুমতি দিয়েছে। শীর্ষ আদালত (Supreme Court) এও জানিয়েছে, শিশুদের নিয়ে যৌন ছবি তৈরি করা, দেখা এবং ডাউনলোড করা ছাড়াও তা প্রকাশ করা এবং শেয়ার করা সবই অপরাধ। এদিনের নির্দেশে শীর্ষ আদালত কেন্দ্রীয় সরকারকে ‘চাইল্ড পর্ন’ শব্দটিও সংশোধন করার নির্দেশ দিয়েছে এবং এর বদলে ‘শিশু যৌন নির্যাতন এবং শোষণমূলক বিষয়’- শব্দ অন্তর্ভুক্ত করার জন্য আইন সংশোধন করতে বলেছে। এর পাশাপাশি দেশের সব আদালতকে সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court) নির্দেশ দিয়েছে যে, এখন থেকে যেন ‘শিশু পর্নোগ্রাফি’  শব্দটি কোনও মামলায় ব্যবহার না করা হয়।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • RG Kar Hospital Incident: সুপ্রিম কোর্টে পিছল আরজি করকাণ্ড মামলা, পরবর্তী শুনানি কবে?

    RG Kar Hospital Incident: সুপ্রিম কোর্টে পিছল আরজি করকাণ্ড মামলা, পরবর্তী শুনানি কবে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পিছিয়ে গেল আরজি কর মেডিক্যাল কলেজে (RG Kar Hospital Incident) ধর্ষণ ও খুনের মামলার শুনানি। শুক্রবার শুনানি হওয়ার কথা ছিল সুপ্রিম কোর্টে (Supreme Court), প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চে। সেই মামলাই গেল পিছিয়ে। এই মামলার শুনানি হবে ১ অক্টোবর। সংবাদ সংস্থা সূত্রে খবর, সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড় বলেছেন, “আমরা ১ অক্টোবর মামলাটি শুনানির জন্য নথিবদ্ধ করব।”

    আরজি কর মামলার শুনানি (RG Kar Hospital Incident)

    এর আগে আরজি কর মামলার শুনানি হয়েছিল ১৭ সেপ্টেম্বর, বিশ্বকর্মা পুজোর দিন। প্রধান বিচারপতি ছাড়াও বেঞ্চে রয়েছেন বিচারপতি মনোজ মিশ্র এবং বিচারপতি জেবি পারদিওয়ালা। এই তিন বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চে সেদিন স্টেটাস রিপোর্ট জমা দিয়েছিল সিবিআই। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার দেওয়া সেই স্টেটাস রিপোর্ট পড়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন ডিভিশন বেঞ্চের বিচারপতিরা। সেদিনের শুনানিতে মোট ছ’দফা নির্দেশ দেয় শীর্ষ আদালত। এর মধ্যে রয়েছে, উইকিপিডিয়া থেকে মুছে ফেলতে হবে নির্যাতিতার নাম ও ছবি। নির্যাতিতার বাবা যে চিঠি ১২ সেপ্টেম্বর দিয়েছিলেন, সেই চিঠির অভিযোগ গুরুত্ব দিয়ে দেখতে হবে।

    কী বলেছিল আদালত?

    আগামী দু’সপ্তাহের মধ্যে জেলাশাসক, মেডিক্যাল কলেজের প্রিন্সিপাল ও সিনিয়র ডাক্তারদের প্রতিনিধিদের সঙ্গে আলোচনা করে হাসপাতালে শৌচাগার ও সিসিটিভি ক্যামেরা বসাতে হবে। মহিলা চিকিৎসকরা সেমিনার হলে বিশ্রাম নিতে গেলে তাঁদের বায়োমেট্রিক নেওয়া দরকার। আরজি করকাণ্ডের পর হাসপাতালের পুরো সিসিটিভির ফুটেজ পুলিশকে তুলে দিতে হবে সিবিআইয়ের (RG Kar Hospital Incident) হাতে। তদন্তে সহযোগিতা করতে হবে পুলিশকে। এবং সর্বোপরি, জুনিয়র ডাক্তাররা বৈঠক করে কাজে যোগ দিলে তাঁদের বিরুদ্ধে কোনও কড়া পদক্ষেপ করতে পারবে না রাজ্য সরকার।

    আরও পড়ুন: “আমরা এক সঙ্গে পারি…”, মোদিকে আশ্বাস শ্রীলঙ্কার নয়া প্রেসিডেন্টের

    ওই দিনের শুনানিতে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বিষয় ওঠে। রাতে কর্মক্ষেত্রে মহিলাদের নিয়ে রাজ্য সরকারের বিতর্কিত বিজ্ঞপ্তি, জুনিয়র ডাক্তারদের চলতে থাকা কর্মবিরতি, পুলিশের ভূমিকা ইত্যাদি নানা বিষয় নিয়ে সওয়াল জবাব চলে।

    প্রসঙ্গত, আরজি করে বছর একত্রিশের এক মহিলা চিকিৎসককে ধর্ষণ করা খুন করা হয় বলে অভিযোগ। তার জেরে তোলপাড় হয় রাজ্য। ওই ঘটনায় স্বতঃপ্রণোদিত মামলা দায়ের করে (Supreme Court) সুপ্রিম কোর্ট। সেই মামলারই পরবর্তী শুনানি হবে ১ অক্টোবর (RG Kar Hospital Incident)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Tirupati Temple: তিরুপতির প্রসাদ লাড্ডুতে পশু চর্বি! হিন্দু ভাবাবেগে আঘাত, সুপ্রিম কোর্টে জনস্বার্থ মামলা

    Tirupati Temple: তিরুপতির প্রসাদ লাড্ডুতে পশু চর্বি! হিন্দু ভাবাবেগে আঘাত, সুপ্রিম কোর্টে জনস্বার্থ মামলা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তিরুপতি মন্দিরের (Tirupati Temple) প্রসাদী লাড্ডুতে পশুর চর্বি মিশিয়ে হিন্দু ধর্মাবলম্বী মানুষদের ভাবাবেগে আঘাত করা হয়েছে। অগণিত ভক্ত যাঁরা এই প্রসাদকে পবিত্র আশীর্বাদ হিসাবে মনে করেন, তাঁরা মানসিকভাবে আহত হয়েছেন। এই মর্মে সুপ্রিম কোর্টে (Supreme Court) একটি জনস্বার্থ মামলা দায়ের করেছেন এক আইনজীবী। শীর্ষ আদালতে জমা পড়া আবেদনে বলা হয়েছে, প্রকৃত তদন্ত করে সত্যিটা সামনে আনা হোক।

    কী নিয়ে বিতর্ক

    লাড্ডু বিতর্কের সূত্রপাত অন্ধ্রের মুখ্যমন্ত্রী চন্দ্রবাবু নায়ডুর একটি দাবিকে কেন্দ্র করে। তিনি গুজরাটের সরকারি এক ল্যাবের রিপোর্ট সামনে এনে দাবি করেন, তিরুপতির প্রসাদী লাড্ডুতে (Tirupati Temple) ব্যবহৃত ঘিয়ের সঙ্গে মেশানো হয়েছে পশুর চর্বি। এই ঘটনায় জন্য চন্দ্রবাবু এবং এবং তাঁর ডেপুটি জনসেনা পার্টির প্রধান পবন কল্যাণ দায়ী করেছেন, তাঁদের পূর্বতন জগন্মোহন রেড্ডির সরকারকে। বিজেপিও এই বিষয়ে সরব হয়েছে। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সঞ্জয় বান্দির দাবি, এ ভাবে মন্দিরের প্রসাদী লাড্ডুতে পশুর চর্বি মিশিয়ে ধর্মীয় ভাবাবেগে আঘাত করার চেষ্টা করা হয়েছে। উঠেছে আইনি পদক্ষেপের দাবিও। এ বিষয়ে হস্তক্ষেপ করেছে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রকও। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী জেপি নাড্ডা জানিয়েছেন, অন্ধ্রপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী চন্দ্রবাবু নাইডুর থেকে গোটা ঘটনার রিপোর্ট চেয়ে পাঠিয়েছেন তিনি৷ পাশাপাশি, কেন্দ্রীয় সরকারের পক্ষ থেকেও অভিযোগের তদন্ত করে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন তিনি৷

    আরও পড়ুন: আমেরিকার পথে প্রধানমন্ত্রী মোদি, যোগ দেবেন কোয়াড বৈঠকে, সাক্ষাৎ ট্রাম্পের সঙ্গেও

    শীর্ষ আদালতে মামলা

    তিরুপতি মন্দিরের (Tirupati Temple) প্রসাদী লাড্ডুতে গরু এবং শুয়োরের চর্বি মেশানোর গুরুতর অভিযোগ তোলেন অন্ধ্রপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী চন্দ্রবাবু নাইড়ু। তাঁর বক্তব্যে সিলমোহর পড়ে কেন্দ্রের ল্যাব রিপোর্টে। মামলা গড়িয়েছে দেশের শীর্ষ আদালত পর্যন্ত। ধর্মীয় অধিকার রক্ষার দাবি জানিয়ে সুপ্রিম কোর্টে জনস্বার্থ মামলা দায়ের হয়েছে। ওই মামলা করেছেন এক আইনজীবী। মামলাকারীর অভিযোগ, হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের রীতি লঙ্ঘন করা হয়েছে। প্রসাদী লাড্ডুকে পবিত্র এবং ঈশ্বরের আশীর্বাদ মনে করেন তিরুপতির বেঙ্কটেশ্বরে ভক্তরা। সেক্ষেত্রে লাড্ডুতে গরু এবং শুয়োরের চর্বি থাকার প্রমাণে ভক্তদের ধর্মীয় ভাবাবেগে আঘাত লেগেছে। তবে চন্দ্রবাবুর অভিযোগের ভিত্তিতে পাল্টা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন জগন্মোহন রেড্ডি। বিচার বিভাগীয় তদন্তের দাবি জানানো হয়েছে। হাইকোর্ট তাঁর আইনজীবীকে ২৫ সেপ্টেম্বর একটি জনস্বার্থ মামলা দায়ের করার পরামর্শ দিয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Supreme Court: উড়ে গেল আরজি কর মামলার ভিডিও, সুপ্রিম কোর্টের ইউটিউব চ্যানেল হ্যাক্‌ড!

    Supreme Court: উড়ে গেল আরজি কর মামলার ভিডিও, সুপ্রিম কোর্টের ইউটিউব চ্যানেল হ্যাক্‌ড!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সুপ্রিম কোর্টের (Supreme Court) ইউটিউব চ্যানেল হ্যাক্‌ড! শুক্রবার সকাল থেকেই সুপ্রিম কোর্টের ইউটিউব চ্যানেলে সমস্যা দেখা দেয়। শুধু তাই নয়, শীর্ষ আদালতের ইউটিউব চ্যানেল থেকে ‘উধাও’ হয়ে গিয়েছে আরজি কর (RG Kar) মামলার শুনানির ভিডিও পর্যন্ত। এনিয়ে রীতিমতো চাঞ্চল্য পড়ে গিয়েছে। এই ঘটনাকে স্বাভাবিক বলে মানতে নারাজ অনেকেই।

    ঘটনা পরিকল্পিত হতে পারে বলে অনেকেই মনে করছেন 

    কেউ কেউ বলছেন, ‘‘এটা ছোটখোটো ঘটনা নয়, হতে পারে পরিকল্পিত। কারণ আরজি কর কাণ্ডের (RG Kar) আবহেই এমন ঘটনা ঘটল। শুধু তাই নয়, আরজি করের শুনানির (Supreme Court) ভিডিও পর্যন্ত উধাও হয়ে গেল।’’ প্রসঙ্গত, সুপ্রিম কোর্টে আরজি করের শেষ শুনানির দিন লাইভ স্ট্রিমিং নিয়ে রাজ্য আগেই আপত্তি জানানো হয়েছিল রাজ্যের তরফে। কিন্তু সেই আবেদন খারিজ করে দেন প্রধান বিচারপতি। প্রধান বিচারপতি পশ্চিমবঙ্গ সরকারের আইনজীবীকে সেই সময় বলেন, ‘‘আমরা শুনানির সরাসরি সম্প্রচার বন্ধ করতে বলতে পারব না। এটি জনস্বার্থ মামলা। ‘ওপেন কোর্ট’-এ শুনানি হচ্ছে। আপনাদের বিষয়টি আমরা দেখব।’’ এই আবহে ভিডিও গায়েব হয়ে গেল আরজি করে শুনানির।

    খতিয়ে দেখা হচ্ছে কোন চক্র এর সঙ্গে জড়িত (Supreme Court)

    দেশের সর্বোচ্চ আদালতের (Supreme Court) বিচার প্রক্রিয়া যেখানে লাইভ স্ট্রিমিং হয়, সেই চ্যানেলই হ্যাক হওয়ায়, তা নিরাপত্তায় বড়সড় ত্রুটি হিসাবেই দেখা হচ্ছে। খতিয়ে দেখা হচ্ছে কোন চক্র এর সঙ্গে জড়িত। জানা গিয়েছে, শুক্রবার সকালেই সুপ্রিম কোর্টের ইউটিউব চ্যানেল হ্যাক হয়ে গিয়েছে। শীর্ষ আদালতের বিচার প্রক্রিয়ার লাইভ স্ট্রিমিংয়ের বদলে উল্টো-পাল্টা নানা ভিডিও সেখানে দেখা যাচ্ছে। কখনও ক্রিপ্টো কারেন্সি সংক্রান্ত ভিডিও দেখা যাচ্ছে। কেউ আবার সার্চ করেও সুপ্রিম কোর্টের চ্যানেলটিই খুঁজে পাচ্ছেন না। শীর্ষ আদালতের ইউটিউব চ্যানেলের লিঙ্ক আপাপতত নিষ্ক্রিয় করে দেওয়া হয়েছে। জানা গিয়েছে, সুপ্রিম কোর্টে আরজি কর মামলার শুনানির যে ভিডিও রেকর্ডিং ছিল, তা হ্যাকাররা প্রাইভেট করে দিয়েছে। ওই সংক্রান্ত ভিডিও সার্চ করলেই, তার বদলে আসছে ‘Brad Garlinghouse: Ripple Responds To The SEC’s $2 Billion Fine! XRP PRICE PREDICTION’ নামক ক্রিপ্টোকারেন্সি সংক্রান্ত একটি লাইভ ভিডিও। এখানেই বাড়ছে সন্দেহ…।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Supreme Court: মিউনিসিপ্যাল বিল্ডিং ট্রাইবুনাল গঠন নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে ভর্ৎসিত রাজ্য, মিলল হুঁশিয়ারি

    Supreme Court: মিউনিসিপ্যাল বিল্ডিং ট্রাইবুনাল গঠন নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে ভর্ৎসিত রাজ্য, মিলল হুঁশিয়ারি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের বিপাকে মমতা সরকার। এবার মিউনিসিপ্যাল বিল্ডিং ট্রাইবুনাল গঠন নিয়ে দেশের শীর্ষ আদালতে বেকায়দায় পড়ল পশ্চিমবঙ্গ সরকার। জানা গিয়েছে, আগামী দু’সপ্তাহের মধ্যে রাজ্যকে মিউনিসিপ্যাল বিল্ডিং ট্রাইবুনাল গঠন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার নির্দেশ দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court)। শীর্ষ আদালতের আরও নির্দেশ, সুনির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে ট্রাইবুনাল গঠন সম্পন্ন হল কি না তা জানাতে হবে কলকাতা হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চে। ওয়াকিবহাল মহল মনে করছে, আরজি কর ইস্যুতে এমনিতেই সুপ্রিম কোর্টে ল্যাজে গোবরে অবস্থা হয়েছে শাসক দলের, তার সঙ্গে এবার জুড়ল মিউনিসিপ্যাল বিল্ডিং ট্রাইবুনাল।

    ট্রাইবুনাল গঠন না হলে আদালত অবমাননার (Supreme Court) মামলা শুরুর নির্দেশ

    শুধু তাই নয়। এই ইস্যুতে মমতা সরকারকে হুঁশিয়ারিও দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court)। শীর্ষ আদালতের নির্দেশ মানা না হলে কলকাতা হাইকোর্টকে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার মামলা শুরু করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। জানা গিয়েছে, ১৯৮০ সালের কলকাতা মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশন আইন অনুযায়ী, কোনও অবৈধ নির্মাণ ভেঙে ফেলার নির্দেশের বিরুদ্ধে মিউনিসিপ্যাল বিল্ডিং ট্রাইবুনালে ৩০ দিনের মধ্যে আপিল করার সুযোগ আছে। কিন্তু পশ্চিমবঙ্গে মিউনিসিপ্যাল বিল্ডিং ট্রাইবুনাল এখনও যথাযথভাবে গঠিতই হয়নি বলে অভিযোগ।

    আরও পড়ুন: নিলামে প্রধানমন্ত্রীর উপহার, রোজগারের টাকা ব্যয় হবে নমামি গঙ্গে প্রকল্পে

    ৯ অগাস্ট ট্রাইবুনাল গঠন নিয়ে সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court) চূড়ান্ত নির্দেশ দিয়েছিল

    এই মর্মে গত ৯ অগাস্ট ট্রাইবুনাল গঠন নিয়ে সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court) চূড়ান্ত নির্দেশ দিয়েছিল বলে জানা গিয়েছে। তবে তাতে কর্ণপাত করেনি রাজ্য। বিচারপতি সূর্যকান্ত এবং বিচারপতি উজ্জ্বল ভুঁইয়ার বেঞ্চের বক্তব্য, ‘‘রাজ্য সরকার ট্রাইবুনালের চেয়ারপার্সন নিয়োগ করলেও বিচার বিভাগীয় ও টেকনিক্যাল স্টাফদের নিয়োগ এখনও করেনি, যার ফলে ট্রাইবুনাল কার্যকর করা যাচ্ছে না।’’

     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Supreme Court: সুপ্রিম-ধাক্কা খেল এয়ারটেল-ভোডাফোন, কেন্দ্রকে দিতে হবে প্রায় ১ লক্ষ কোটি টাকা

    Supreme Court: সুপ্রিম-ধাক্কা খেল এয়ারটেল-ভোডাফোন, কেন্দ্রকে দিতে হবে প্রায় ১ লক্ষ কোটি টাকা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সুপ্রিম কোর্টে (Supreme Court) বড়সড় ধাক্কা খেল দেশের ২ বৃহত্তম বেসরকারি টেলিকম সংস্থা। বিরাট অঙ্কের টাকা জরিমানার মুখে পড়ল এয়ারটেল ও ভোডাফোনের (Airtel-Vodafone) মতো সংস্থাগুলি। বুধবার এই টেলিকম সংস্থাগুলির অ্যাডজাস্টেড গ্রস রেভেনিউ (এজিআর) বা সামঞ্জস্যপূর্ণ মোট রাজস্ব পুনরায় গণনার আবেদন খারিজ করে দিয়েছে দেশের  শীর্ষ আদালত।

    সংস্থাগুলি কি আর্থিক সঙ্কটের মুখে পড়বে (Supreme Court)?

    ২০১৯ সালের অক্টোবর মাসে ভারতীয় এয়ারটেল, ভোডাফোন ইন্ডিয়া সহ একাধিক সংস্থাকে দেশের শীর্ষ আদালত (Supreme Court) নির্দেশ দিয়েছিল যে তিন মাসের মধ্যে ৯২ হাজার কোটি টাকা দিতে হবে। আবার ২০২০ সালে নির্দেশ দেওয়া হয়, অ্যাডজাস্টেড গ্রস রেভেনিউ বা এজিআর যদি ১০ বছর বা তার বেশি সময় বকেয়া থাকে তাহলে প্রতি বছর ৩১ মার্চের পর সেই অর্থের পরিমাণের উপরে ১০ শতাংশ অতিরিক্ত অর্থ দিতে হবে। এই নির্দেশের বিরুদ্ধেই সুপ্রিম কোর্টে পিটিশন দাখিল করেছিল টেলিকম সংস্থাগুলি। সেইসময় তাঁদের দাবি ছিল, লাইসেন্স ফি ও স্প্রেকট্রাম চার্জের হিসেব করা হয়েছিল, তাতে একটা বড় ভুল করেছে টেলিকমিউনিকেশন দফতর। এই বিপুল অর্থ দিতে হলে সংস্থাগুলিকে আর্থিক সঙ্কটের মুখে পড়তে হবে। 

    কত টাকা দেওয়ার নির্দেশ?

    প্রকাশিত রিপোর্ট অনুযায়ী, টেলিকম মন্ত্রক এয়ারটেল-ভোডাফোন (Airtel-Vodafone) সহ একাধিক টেলিকম সংস্থাকে মোট ১ লক্ষ কোটি টাকা দিতে নির্দেশ দিয়েছিল। এর মধ্যে এয়ারটেলের বকেয়া অর্থের পরিমাণ ৪৩,৯৮০ কোটি টাকা এবং ভোডাফোনের বকেয়া ছিল প্রায় ৫৮ হাজার ২৫৪ টাকা। কিন্তু, সুপ্রিম কোর্টে এয়ারটেল তাদের আবেদনে দাবি করে, তাদের বকেয়া অর্থের পরিমাণ ১৩ হাজার কোটি টাকা। একই ভাবে ভোডাফোন দাবি করেছিল, ২১ হাজার ৫৩৩ কোটি টাকা। এমনকী, আদালত (Supreme Court) এই বিপুল পরিমাণের টাকা টেলিকম সংস্থাকে জরিমানা স্বরূপ চাপিয়ে দিয়েছে বলে অভিযোগ তোলা হয়েছিল সংস্থাগুলির তরফে। কিন্তু, টেলিকম সংস্থাগুলির সেই আবেদন খারিজ করে দিল শীর্ষ আদালত।

    আরও পড়ুনঃ বাংলাদেশের অনুরোধ ফেরাল ভারত, মার্কিন মুলুকে হচ্ছে না মোদি-ইউনূস বৈঠক

    অ্যাডজাস্টেড গ্রস রেভেনিউ কী?

    অ্যাডজাস্টেড গ্রস রেভেনিউ হল, টেলিকম সংস্থা ও সরকারের মধ্যে রাজস্বের হিসেব। লাইসেন্স দেওয়া ও স্প্রেকট্রাম ব্যবাহার জন্য সরকারকে নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকা দিতে হয়। টেলিকম মন্ত্রক সরকারের এই শেয়ারের হিসেব করে। টেলিকম সংস্থাগুলিতে ৩ মাসের মধ্যে ৯২ হাজার কোটি টাকা দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। অনেক দিন ধরে এজিআর-র হিসেব নিয়ে প্রশ্ন উঠেছিল। যদিও ২০১৯ সালে এই মামলায় সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court) রায় দিয়েছিল সরকারের পক্ষেই।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • RG Kar: ২৭ সেপ্টেম্বর আরজি কর মামলার সুপ্রিম-শুনানি, কোন কোন বিষয় উঠতে পারে?

    RG Kar: ২৭ সেপ্টেম্বর আরজি কর মামলার সুপ্রিম-শুনানি, কোন কোন বিষয় উঠতে পারে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি কর (RG Kar) মামলায় সুপ্রিম কোর্টে পরবর্তী শুনানি রয়েছে আগামী ২৭ সেপ্টেম্বর। গত মঙ্গলবার, ছিল সুপ্রিম কোর্টে (Supreme Court) শুনানি সেখানেই বেশ কিছু প্রশ্নের মুখে পড়ে রাজ্য সরকার। এর পাশাপাশি, সর্বোচ্চ আদালত নির্দেশ দেয়, কোনওভাবেই তদন্তের স্বার্থে সিবিআইয়ের স্টেটাস রিপোর্ট প্রকাশ্যে আনা যাবে না। মঙ্গলবারের শুনানিতে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বিষয় ওঠে। যার মধ্যে কর্মক্ষেত্রে মহিলাদের নিয়ে রাজ্য সরকারের বিতর্কিত বিজ্ঞপ্তি, জুনিয়র ডাক্তারদের কর্মবিরতি, আরজি কর কাণ্ডে পুলিশের ভূমিকা- ইত্যাদি নানা বিষয়ে সওয়াল জবাব চলে। ওই দিন যে একাধিক নির্দেশ সুপ্রিম কোর্ট দেয়, সেগুলির অগ্রগতি কতটা হল? ২৭ সেপ্টেম্বরের শুনানিতে শীর্ষ আদালত তা জানতে চাইবে বলে মনে করছে বিশেষজ্ঞ মহল।

    চিকিৎসকদের (RG Kar) নিরাপত্তার বিষয়টি অবিলম্বে সুনিশ্চিত করতে হবে 

    প্রসঙ্গত, রাতে মহিলাদের কর্মস্থল সংক্রান্ত বিতর্কিত বিজ্ঞপ্তি মুছে ফেলার জন্য রাজ্য সরকারকে নির্দেশ দেয় সুপ্রিম কোর্ট। মঙ্গলবার জুনিয়র ডাক্তারদের (RG Kar) সুপ্রিম কোর্টের (Supreme Court) সওয়াল করেন বিশিষ্ট আইনজীবী ইন্দিরা জয়সিং। তিনি বলেন, “জুনিয়র ডাক্তারদের আস্থা অর্জনের জন্য রাজ্যের সঙ্গে তাঁদের যে বোঝাপড়া, তা নথিবদ্ধ রাখা হোক। আমরা জানি, আমাদের সব দাবি এক দিনে পূরণ হবে না। জুনিয়র ডাক্তারেরা কাজে ফিরতে চান। এই বিষয়ে এখনই নজর দেওয়া দরকার।” অন্যদিকে, মঙ্গলবারের শুনানিতে জুনিয়র চিকিৎসকদের পক্ষ থেকে তাঁদের নিরাপত্তার বিষয়টি নিয়ে আদালতের কাছে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়। চিকিৎসকদের নিরাপত্তার বিষয়টি অবিলম্বে সুনিশ্চিত করার জন্য রাজ্য সরকারকে নির্দেশও দেন প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ। হাসপাতালে নিরাপত্তার কাজে চুক্তিভিত্তিক কর্মীদের ব্যবহারেও আপত্তি জানান প্রধান বিচারপতি।

    আরও ছ’দফা নির্দেশ (RG Kar)

    এগুলির পাশাপাশি  ছ’দফা নির্দেশ দিয়েছিল প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন বেঞ্চ। সেগুলি হল— 

    প্রথমত, উইকিপিডিয়া থেকে নির্যাতিতার নাম ও ছবি মুছে ফেলতে হবে। দ্বিতীয়ত, চলতি মাসের ১২ তারিখ তদন্ত সংক্রান্ত কয়েকটি বিষয় নিয়ে সিবিআইকে চিঠি দিয়েছিলেন নির্যাতিতার বাবা। ওই বিষয়গুলি গোপনীয়। তাই সেগুলি প্রকাশ্যে আনা হচ্ছে না। সিবিআইকে সেগুলি গুরুত্ব দিয়ে দেখতে বলেছে শীর্ষ আদালত। তৃতীয়ত, আগামী দু’সপ্তাহের মধ্যে প্রশাসনিক স্তরে আলোচনা করে হাসপাতালে শৌচাগার এবং সিসিটিভি ক্যামেরা বসাতে হবে। চতুর্থত, মহিলা চিকিৎসকরা সেমিনার হলে (RG Kar) বিশ্রাম নিতে গেলে তাঁদের সুরক্ষায় দরজায় বায়োমেট্রিক বসাতে হবে। নিরাপত্তার জন্য রাজ্য সরকারকে এই বিষয়ে পদক্ষেপ করতে হবে। পঞ্চমত, ওই ঘটনার পরে আরজি কর হাসপাতালের পুরো সিসিটিভি ফুটেজ সিবিআইয়ের হাতে তুলে দিতে হবে পুলিশকে। ষষ্ঠত, জুনিয়র ডাক্তাররা বৈঠক করার পরে কাজে যোগ দিলে তাঁদের বিরুদ্ধে কোনও কড়া পদক্ষেপ করতে পারবে না মমতা সরকার।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Supreme Court: রাতে কেন কাজ করতে পারবে না মেয়েরা? রাজ্যকে বিজ্ঞপ্তি পাল্টাতে সুপ্রিম-নির্দেশ

    Supreme Court: রাতে কেন কাজ করতে পারবে না মেয়েরা? রাজ্যকে বিজ্ঞপ্তি পাল্টাতে সুপ্রিম-নির্দেশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি করে (RG Kar Incident) তরুণী চিকিৎসকের ধর্ষণ ও খুনের পরে রাজ্যে নারীসুরক্ষার জন্য রাজ্য সরকার যা যা করেছে, তাতে কর্মক্ষেত্রে নাইট শিফট থেকে মেয়েদের বাদ রাখার বিষয়টি আদৌ যুক্তিযুক্ত নয়। মঙ্গলবার রাজ্যের এই বিজ্ঞপ্তি নিয়ে প্রশ্ন তুলল সুপ্রিম কোর্ট। ওই নির্দেশিকা সংশোধন করার জন্য রাজ্যকে নির্দেশ দিয়েছে শীর্ষ আদালত (Supreme Court)। 

    প্রধান বিচারপতির পর্যবেক্ষণ

    প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড়ের (Supreme Court) নির্দেশ, রাজ্যকে ওই বিজ্ঞপ্তি সংশোধন করতে হবে। তাঁর মন্তব্য, “নিরাপত্তা দেওয়ার দায়িত্ব আপনাদের। মহিলারা রাতে কাজ করতে পারবেন না, এ কথা বলতে পারেন না।” তিনি বলেন, “বিমান পরিষেবা, সেনায় অনেক মহিলা রাতে কাজ করেন। ফলে এই বিজ্ঞপ্তি কেন?” জুনিয়র ডাক্তারদের আইনজীবী ইন্দিরা জয়সিং এই বিষয়টি নিয়ে আদালতের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। তখনই প্রধান বিচারপতি বলেন, “মেয়েরা রাতে কাজ করবে না, একথা কী করে বলছেন? তাঁরা তো কোনও অতিরিক্ত সুবিধা চাননি এ বিষয়ে। তাঁরা পুরুষদের মতোই একই শিফটে কাজ করতে প্রস্তুত। প্রশ্নটা তাদের সুরক্ষা নিয়ে। ডিউটি আওয়ার নিয়ে নয়। সুরক্ষাবিধি নিয়ে এই বিজ্ঞপ্তিটি রাজ্য সরকারের সংশোধন করা উচিত। সরকারের দায়িত্ব নিরাপত্তা দেওয়া। রাজ্য কখনওই বলতে পারে না, মহিলা ডাক্তাররা রাতে কাজ করবে না।”

    আরও পড়ুন: চাপের কাছে নতিস্বীকার সরকারের, জুনিয়র ডাক্তারদের কর্মবিরতি এখনই উঠছে না

    বিস্মিত প্রধান বিচারপতি

    উল্লেখ্য, আরজি করে (RG Kar Incident) চিকিৎসকের দেহ উদ্ধারের পর যখন মহিলাদের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে, তার মধ্যেই রাজ্য সরকার বেশ কিছু নীতি সামনে আনে। ‘রাত্তিরের সাথী’ নামে সেই নিয়ম-বিধিতে বলা হয়, মহিলাদের যতটা সম্ভব কম নাইট ডিউটি দিতে হবে। এই নীতির কথা শুনে কার্যত অবাক হয়ে যান সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড়। প্রধান বিচারপতি বলেন, “আমাদের দেশে রাতে কাজ না করার কথা কোনও মহিলাকে বলতে পারি না। মহিলারা রাতে কাজ করবে না, এই সিদ্ধান্ত সঠিক নয়। এটা তাঁদের কেরিয়ারে প্রভাব ফেলবে। পুরুষ ডাক্তার এবং মহিলা ডাক্তারদের আলাদা ডিউটি আওয়ার থাকা উচিত নয়।” প্রধান বিচারপতির এই নির্দেশের পর রাজ্যের তরফেও আইনজীবী কপিল সিব্বল আশ্বস্ত করেন, বিজ্ঞপ্তির ওই অংশটুকু মুছে দেওয়া হবে। মঙ্গলবার শুনানির সময় (Supreme Court) প্রধান বিচারপতি চন্দ্রচূড় রাজ্যের আইনজীবীকে জানিয়েছেন, মহিলা ডাক্তাররা বিশ্রাম নিতে গেলে সেখানে বায়োমেট্রিক ব্যবস্থা রাখার চেষ্টা করতে হবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • RG Kar Hearing: সিবিআইয়ের দ্বিতীয় স্ট্যাটাস রিপোর্ট দেখে ‘বিচলিত’ সুপ্রিম কোর্ট! কী আছে তাতে?

    RG Kar Hearing: সিবিআইয়ের দ্বিতীয় স্ট্যাটাস রিপোর্ট দেখে ‘বিচলিত’ সুপ্রিম কোর্ট! কী আছে তাতে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সুপ্রিম কোর্টের (Supreme Court) নির্দেশ মতো মঙ্গলবার আরজি করকাণ্ডে দ্বিতীয় স্ট্যাটাস রিপোর্ট (RG Kar Hearing) জমা দিল সিবিআই। রিপোর্ট খতিয়ে দেখেন প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড় স্বয়ং। তিনি জানান, তদন্ত নিয়ে সব প্রশ্নের উত্তর রয়েছে এই রিপোর্টে। প্রধান বিচারপতির পর্যবেক্ষণ, রিপোর্ট পড়ে তাঁরা ‘বিচলিত’। একইসঙ্গে, তদন্তের ক্ষেত্রে সিবিআইকে সময় দেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।

    ‘সিবিআই ঘুমোচ্ছে না’ (RG Kar Hearing)

    প্রধান বিচারপতি বলেন, “তদন্ত শেষ করার এখনও সময় আছে। সিবিআই ঘুমোচ্ছে না। আমরা সিবিআইকে তদন্ত করার জন্য যথেষ্ট সময় দিতে চাই। তদন্তে তাড়াহুড়ো করলে যাবতীয় প্রক্রিয়া নষ্ট হয়ে যাবে। যদি সাধারণ মানুষের দাবি মেনে সাত দিনে তদন্ত শেষ করা হয়, তাহলে প্রকৃত সত্য উঠে আসবে না।” প্রসঙ্গত, সিবিআই তদন্তের ক্ষেত্রে বারবার সময় বেঁধে দেওয়ার কথা বলছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেছেন, দ্রুত তদন্ত শেষ করে অভিযুক্তের মৃত্যুদণ্ডের ব্যবস্থা করতে হবে। তবে তদন্তের ক্ষেত্রে সুপ্রিম কোর্ট যে তাড়াহুড়ো করার পক্ষপাতী নয়, এদিন তা সাফ জানিয়ে দিল প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন বেঞ্চ।

    প্রধান বিচারপতির পর্যবেক্ষণ

    প্রধান বিচারপতি চন্দ্রচূড় ছাড়াও বেঞ্চে রয়েছেন (RG Kar Hearing) বিচারপতি মনোজ মিশ্র এবং বিচারপতি জেবি পারদিওয়ালা। সিবিআইয়ের জমা দেওয়া স্ট্যাটাস রিপোর্ট খুঁটিয়ে দেখে প্রধান বিচারপতির পর্যবেক্ষণ, “তদন্ত খুবই গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় রয়েছে।” এদিন প্রধান বিচারপতি জানিয়ে দেন, সিবিআইয়ের দ্বিতীয় স্ট্যাটাস রিপোর্টে ময়নাতদন্তের চালান দেওয়া হয়েছিল কিনা, ময়নাতদন্তের পদ্ধতি মানা হয়েছে কিনা, তথ্যপ্রমাণ নষ্ট-সহ পুরো বিষয়টির বিস্তারিত উল্লেখ রয়েছে। তিনি বলেন, “সিবিআই রিপোর্টে যা দিয়েছে, তা খুবই উদ্বেগের।” রিপোর্ট পড়ে তাঁরা ‘বিচলিত’ হয়ে পড়েন বলেও মন্তব্য করেন চন্দ্রচূড়। তিনি বলেন, “তদন্ত চলছে। এই অবস্থায় রিপোর্ট প্রকাশ্যে এলে তদন্তপ্রক্রিয়া ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।”

    আরও পড়ুন: আসবে সুখ-শান্তি-সমৃদ্ধি! বাড়ির এই দিকে রাখুন পঞ্চমুখী হনুমানজির ছবি

    তদন্তের অগ্রগতি দেখে খুশি শীর্ষ আদালত। তবে এই দ্বিতীয় স্ট্যাটাস রিপোর্টে কী রয়েছে, তা জানা যায়নি।সুপ্রিম কোর্ট জানিয়ে দিয়েছে, আরজি কর হাসপাতালে ধর্ষণ এবং খুনের ঘটনার দিন ঘটনাস্থলে কারা উপস্থিত ছিলেন, তাঁদের নাম জমা দিতে হবে জুনিয়র ডাক্তারদের। নির্যাতিতার বাবা যেসব বিষয় নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন, খতিয়ে দেখতে হবে তা-ও। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ, তদন্তের স্বার্থে ওই বিষয়গুলি নিয়ে সিবিআইকে দ্রুত প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ (Supreme Court) করতে হবে। তদন্তে সাহায্য করবে কলকাতা পুলিশও (RG Kar Hearing)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

LinkedIn
Share