Tag: Suvendu Adhikari

Suvendu Adhikari

  • Birbhum: অনুব্রত-গড়ে ভাঙন! তৃণমূল ছেড়ে শুভেন্দুর সভায় বিজেপিতে যোগ কেষ্টর ডেপুটির

    Birbhum: অনুব্রত-গড়ে ভাঙন! তৃণমূল ছেড়ে শুভেন্দুর সভায় বিজেপিতে যোগ কেষ্টর ডেপুটির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গরু পাচার মামলায় অভিযুক্ত তৃণমূলের দাপুটে নেতা অনুব্রত মণ্ডল রয়েছেন জেলে। আর অন্যদিকে তাঁরই গড়ে ভাঙন! দল ছাড়লেন তাঁর ঘনিষ্ঠ এক নেতা। এদিন সকালেই তৃণমূল ছেড়ে গেরুয়া শিবিরে যোগ দিয়েছেন অনুব্রত ঘনিষ্ঠ তৃণমূলের এই নেতা। আর বিকালেই তাঁকে দেখা গেল বীরভূমের (Birbhum) নলহাটিতে শুভেন্দু অধিকারীর সভায়। এখানে বলা হচ্ছে, অনুব্রত ঘনিষ্ঠ বিপ্লব ওঝার কথা। দলের প্রতি ক্ষোভ, অভিমান উগরে দিয়ে তৃণমূল ছাড়লেন বিপ্লব ওঝা। শুধু তাই নয়, দল ছাড়ার দু-তিন ঘণ্টার মধ্যেই সভার মঞ্চে শুভেন্দুর একটি আসন পরেই বসে থাকতে দেখা গেল বিপ্লব ওঝাকে। আর এই নিয়েই রাজ্য রাজনীতিতে শোরগোল পড়ে গিয়েছে।  

    বিজেপির পতাকা তুলে নিলেন তৃণমূলের বিপ্লব ওঝা

    আজ, মঙ্গলবার সকালে তৃণমূলের বিরুদ্ধে অভিমান ও ক্ষোভ উগরে দিয়ে দল ছাড়েন জেলা সহ সভাপতি তথা জেলা পরিষদ সদস্য বিপ্লব ওঝা। আবার এদিনই শুভেন্দু অধিকারীর সভা ছিল বীরভূম (Birbhum) জেলার নলহাটিতে। আর তাঁকে সেখানকার সভাতেই উপস্থিত থাকতে দেখা গেল। এর পরেই বিজেপিতে যোগদানের সমস্ত জল্পনা সত্যি হয়ে গেল।

    এদিন বিপ্লব ওঝা দাবি করেন, গত একবছর ধরে দলের কাছে তিনি ব্রাত্য। দল কোনও কর্মসূচিতে তাঁকে ডাকে না। তার মধ্যে অনুব্রত মণ্ডলও জেলে। দলের কাছে তাঁর কোনও দাম নেই। আর এ সবের কারণেই তাঁর দলত্যাগ। তিনি দল ছাড়ার পর বলেন, “এই মুহূর্তে বলতে পারি, তৃণমূলের সংস্পর্শ ত্যাগ করছি। বিগত এক বছর ধরে আমি দেখছি যে তৃণমূল আমার সম্পর্কে একটা অন্য মনোভাব পোষণ করছে। মিটিং, মিছিল কোনও কর্মসূচিতে আমাকে ডাকা হয় না। আমাকে বাদ রেখেই কাজ করছে। দীর্ঘদিন অপেক্ষা করে সিদ্ধান্ত নিলাম।”

    বিপ্লবকে স্বাগত জানান শুভেন্দু অধিকারী

    মঙ্গলবার বিকেলে বীরভূমের (Birbhum) নলহাটিতে শুভেন্দুর সভায় গিয়ে বিজেপিতে যোগদান করেন বিপ্লব। শুভেন্দু অধিকারীর একটি আসন পরে একেবারে প্রথমের সারিতে তিনি বসেছিলেন। শুভেন্দু অধিকারীর হাত থেকে তিনি পতাকা তুলে নেন। তাঁকে পুষ্পস্তবক দিয়ে স্বাগত জানান স্বয়ং শুভেন্দু অধিকারী।

    কে এই বিপ্লব ওঝা?

    একসময় বীরভূম (Birbhum) জেলা কংগ্রেসের রামপুরহাট ১ নম্বর ব্লক সভাপতি ছিলেন বিপ্লব ওঝা। এরপর ২০০৭ সালে নলহাটি পুরসভার চেয়ারম্যান হন তিনি। ২০০৯ বীরভূম লোকসভায় তৃণমূলের টিকিটে সাংসদ শতাব্দী রায় জেতার পরেই ওই সালে প্রথম সমস্ত কাউন্সিলর নিয়ে তৃণমূলে যোগদান করেন বিপ্লব ওঝা। গোটা রাজ্যের মধ্যে সেই সময় একমাত্র নলহাটি পুরসভা তৃণমূলের প্রথম দখলে আসে। পরবর্তী সময়ে তিনিই নলহাটি পুরসভার চেয়ারম্যান হন। এরপর নলহাটি বিধানসভা উপনির্বাচনে তৃণমূলের প্রার্থী করা হয়েছিল বিপ্লববাবুকে। কিন্তু বামফ্রন্টের কাছে পরাজিত হন তিনি। পরবর্তীকালে তৃণমূলের টিকিটে জেলা পরিষদের সদস্য হন। কিন্তু তাঁকে কোনও পদে রাখা হয়নি। এর পর বছরখানেক ধরে দলে ব্রাত্য করে রাখা হয় বলে জানিয়েছেন বিপ্লববাবু নিজেই। আর এতেই তাঁর এমন সিদ্ধান্ত। 

     
  • Suvendu Adhikari: মমতাকে প্রাক্তন করার দায়িত্ব তাঁর! রানাঘাটের সভায় বিস্ফোরক শুভেন্দু

    Suvendu Adhikari: মমতাকে প্রাক্তন করার দায়িত্ব তাঁর! রানাঘাটের সভায় বিস্ফোরক শুভেন্দু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মুখ্যমন্ত্রীকে প্রাক্তন করার দায়িত্ব তাঁর। শুক্রবার রানাঘাটের সভায় বিস্ফোরক দাবি করলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। এ দিন প্রকাশ্য সভায় দাঁড়িয়ে শুভেন্দু কড়া হুঁশিয়ারির সুর চড়ালেন মুখ্যমন্ত্রীর উদ্দেশ্যে। এ দিন রানাঘাটের ফ্রেন্ডস ক্লাব ময়দানে সভা করে বিজেপি। সেখানে শুভেন্দু দাবি করেন, “দল একটা দায়িত্ব দিয়েছিল, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে হারাতে হবে। হারিয়েছি। আর একটা কাজ বাকি আছে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী করতে হবে। সে কাজটা আমি করব। আপনাদের নিয়েই করব।”

    অভিষেকের পাল্টা সভা

    শুক্রবার রানাঘাটে তৃণমূল নেতা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়েরও (Abhishek Banerjee) সভা ছিল। পরে একই দিনে সেখানে পাল্টা সভা করেন শিশির পূত্র শুভেন্দু (Suvendu Adhikari)। নদিয়ার মতুয়া গড় রানাঘাটে দাঁড়িয়ে শুভেন্দু অধিকারী বললেন, ভোট লুঠ করে ২০১৮ সালে জিতেছে তৃণমূল কংগ্রেস। এবার তার জবাব দেওয়ার পালা। এদিন শুভেন্দু বলেন, “বাংলায় দুর্নীতির সরকার চালাচ্ছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আবাস যোজনার নাম বদলে দুর্নীতি করেছে, একশো দিনের টাকা নিয়ে দুর্নীতি করেছে। এখন বলছে একশো দিনের টাকা আটকে রেখেছে কেন্দ্রের সরকার। আমি আর আমাদের রাজ্য সভাপতি কেন্দ্রীয় গ্রামোন্নয়নমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করে এসেছি, যে অবৈধভাবে টাকা নেবে তাঁর টাকা ফেরত নিয়ে ছাড়ব।”

    আরও পড়ুন: হঠাৎ মধ্যরাতে আইনজীবীকে নিয়ে ইডি দফতরে হাজির মেনকা গম্ভীর! কেন?

    আসল চোর

    এদিনও শুভেন্দুর (Suvendu Adhikari) মূল নিশানায় ছিলেন মমতা। এ দিন তাঁর বক্তব্য, ‘‘আসল চোর কোথায় বসে আছে? চোদ্দো তলায় (নবান্ন)। টেনে নামাতে হবে।’’ একই সঙ্গে নদিয়ার সভা থেকে দলীয় পঞ্চায়েত প্রধানকে সরিয়ে দেওয়া নিয়ে অভিষেককে কটাক্ষ করে শুভেন্দু বলেন, ‘‘পশ্চিমবঙ্গের বড় ডাকাত, যাঁকে আমি ‘হালি নেতা’ বলি, তিনি যার আলোকে আলোকিত তাকে শুভেন্দু অধিকারী হারিয়েছে। এখানে এসে বলছে, প্রধান চোর?” কাঁথির মতো এখানেও ‘পার্থ-কেষ্ট চুনোপুঁটি, সব খেয়েছে হাওয়াই চটি’ স্লোগান দিয়ে দুর্নীতির জন্য সরাসরি মুখ্যমন্ত্রীর দিকে ইঙ্গিত করে শুভেন্দু বলেন, “হাওয়াই চটিকে ধরতে হবে। রানি মৌমাছি নিজে মধু সংগ্রহ করে না। শ্রমিক মৌমাছিরা মধু সংগ্রহ করে আর রানি মৌমাছি সেই মধু উপভোগ করে।’

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।       

  • Bengal BJP: রাজ্যকে ১০০ দিনের কাজের টাকা দেওয়ার আর্জি সুকান্ত-শুভেন্দুর! আশ্বাস কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর

    Bengal BJP: রাজ্যকে ১০০ দিনের কাজের টাকা দেওয়ার আর্জি সুকান্ত-শুভেন্দুর! আশ্বাস কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: একশো দিনের কাজের প্রকল্পে পশ্চিমবঙ্গকে বরাদ্দ টাকা দ্রুত দিয়ে দেওয়া হবে, এমনই আশ্বাস দিলেন কেন্দ্রীয় গ্রামোন্নয়নমন্ত্রী গিরিরাজ সিং। তবে তার দিনক্ষণ জানাননি তিনি। মঙ্গলবার কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করে রাজ্যকে শীঘ্র ১০০ দিনের কাজের  টাকা দেওয়ার আবেদন জানান  বিজেপি রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার এবং বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।

    ১০০ দিনের কাজে  টাকা দেওয়ার আবেদন 

    এর আগে, দুর্নীতি সংক্রান্ত অভিযোগের ব্যাখ্যা না দেওয়ায় পশ্চিমবঙ্গকে একশো দিনের কাজের প্রকল্পে টাকা দেওয়া বন্ধ রেখেছে কেন্দ্র বলে জানিয়েছিলেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন। যদিও তা নিয়ে রাজ্যের শাসক দল মিথ্যা প্রচার করছিল। বলা হচ্ছিল পশ্চিমবঙ্গের প্রতি বিমাতৃসুলভ আচরণ করছে কেন্দ্র। এর জবাব দিতেই একশো দিনের কাজের টাকা অবিলম্বে রাজ্যকে দেওয়ার জন্য গিরিরাজের কাছে দরবার করেন রাজ্য বিজেপির প্রথম সারির দুই নেতা। বৈঠকে ওই প্রকল্পের টাকা দ্রুত ছাড়া হবে বলে আশ্বাস দেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী। এছাড়াও গিরিরাজ আশ্বাস দেন এত দিন ভুয়ো জব কার্ড দেখিয়ে যাঁরা টাকা আত্মসাৎ করেছেন এবং যে সব সরকারি কর্মীর সহায়তায় ওই ভুয়ো কার্ড বানানো হয়েছে, সেই সরকারি কর্মী ও উপভোক্তাদের চিহ্নিত করে তাঁদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বৈঠকের পরে সুকান্ত জানান, ওই টাকা কাদের পাঠানো হত, এখন পর্যন্ত কত টাকার নয়ছয় হয়েছে, তা-ও খতিয়ে দেখার জন্য মন্ত্রকের আধিকারিকদের নির্দেশ দিয়েছেন গিরিরাজ। 

    আরও পড়ুন: শাহী সাক্ষাতে রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে নালিশ, তুলে ধরলের তাঁর বিরুদ্ধে মামলার তালিকা

    আবাস যোজনায় দুর্নীতি

    প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনায় অনেক পাকা বাড়ির মালিককেও গৃহহীন দেখানো হয়েছে বলে কেন্দ্রীয় গ্রামোন্নয়ন মন্ত্রী গিরিরাজ সিংহের কাছে অভিযোগ জানান সুকান্ত ও শুভেন্দু। রাজ্য বিজেপির সভাপতি সুকান্ত মজুমদার বলেন, ‘‘কী ভাবে তৃণমূলের নির্দেশে দুর্নীতি হয়েছে তা আমরা মন্ত্রীকে জানিয়েছি। সব শুনে তিনি জানিয়েছেন, এই দুর্নীতিতে যুক্ত সরকারি অফিসার, কর্মীদের বিরুদ্ধেও এফআইআর করা হবে।’’ অভিযোগ, আবাস যোজনার তালিকায় প্রকৃত প্রাপকদের নাম নেই। তার বদলে পাকা বাড়ি রয়েছে এমন তৃণমূল নেতা এবং তাঁদের আত্মীয়দের নাম আছে। এ নিয়ে গিরিরাজকে লিখিত ভাবেও কিছু তথ্য সুকান্তরা তুলে দিয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter 

     

  • Modi-Suvendu Meet: “ক্যায়সে হো আপ?” শুভেন্দুর স্বাস্থ্যের খোঁজ নিলেন প্রধানমন্ত্রী?

    Modi-Suvendu Meet: “ক্যায়সে হো আপ?” শুভেন্দুর স্বাস্থ্যের খোঁজ নিলেন প্রধানমন্ত্রী?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের নিমন্ত্রণে দিল্লি গিয়েছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Modi-Suvendu Meet)। সফরের মাঝেই প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা হয় বিরোধী দলনেতার। মঙ্গলবার সংসদের সেন্ট্রাল হলে দেখা হয় দুজনের। দেখা হতেই শুভেন্দুর কুশল জানতে চান প্রধানমন্ত্রী। জিজ্ঞেস করেন, “ক্যায়সে হো আপ?”

    শুভেন্দুর দিল্লি সফর 

    এই দিল্লি সফরে বিজেপির একাধিক কেন্দ্রীয় নেতার সঙ্গে বৈঠক ছিল বঙ্গ বিজেপি নেতৃত্বের (Modi-Suvendu Meet)। সংসদের সেন্ট্রাল হলে যাওয়ার পথে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে মুখোমুখি হন শুভেন্দু। জানা যায়, শুভেন্দুকে দেখেই কথা বলতে এগিয়ে আসেন প্রধানমন্ত্রী। জানতে চান, কেমন আছেন তিনি। প্রায় তিন মিনিট ধরে কথা বলেন দুজন। কী বিষয়ে দুজনের কথা হয়েছে তা এখনও জানা যায়নি। ওয়াকিবহাল মহলের অনুমান, রাজ্যের বর্তমান পরিস্থিতি সম্পর্কেই প্রধানমন্ত্রীকে জানিয়েছেন শুভেন্দু। আবার অনেকেই মনে করছেন প্রধানমন্ত্রীও রাজ্যের খোঁজখবর নিতে পারেন। শাহী আমন্ত্রণে শুভেন্দুর দিল্লি যাওয়া স্বার্থক হয়েছে।

    আরও পড়ুন: পয়গম্বর মন্তব্যের বদলা নিতে অমরাবতীর কেমিস্ট খুন করেছে তাবলিঘি জামাত, চার্জশিটে দাবি এনআইএ- র  

    উল্লেখ্য, কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের তলবে আপাতত দিল্লিতে রয়েছেন রাজ্য বিজেপির নেতারা (Modi-Suvendu Meet)। সোমবার রাতে দিল্লিতে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুভাষ সরকারের বাসভবনে বাংলার সাংসদদের নিয়ে বৈঠক করে কেন্দ্রীয় বিজেপি। এদিন সংসদ ভবনে অমিত শাহর সঙ্গে প্রায় ৪৫ মিনিট একান্তে বৈঠক করেন শুভেন্দু অধিকারী। রাজ্যের আইন-শৃঙ্খলা সহ আসন্ন পঞ্চায়েত ভোট নিয়ে তাঁদের মধ্যে আলোচনা হয় দুজনের মধ্যে। বৈঠক শেষে তিনি ‘১৯৫৬ বুকলেট’-ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর হাতে তুলে দেন। এরপর পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন মন্ত্রী গিরিরাজ সিংয়ের সঙ্গেও বৈঠক করেন শুভেন্দু। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter 

     
     

     

     

  • Suvendu Adhikari: প্রধানমন্ত্রীকে কাঁথি লোকসভা উপহার দেবেন, সভার আগে বললেন শুভেন্দু

    Suvendu Adhikari: প্রধানমন্ত্রীকে কাঁথি লোকসভা উপহার দেবেন, সভার আগে বললেন শুভেন্দু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আজ ২১ ডিসেম্বর কাঁথিতে সভা করবেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। মানুষের সামনে তুলে ধরবেন আবাস যোজনা, ১০০ দিনের কাজ-সহ রাজ্য সরকারের বিভিন্ন দুর্নীতি, সন্ত্রাস, খুন, তোলাবাজির কথা। এমনটাই দাবি করেছে বিজেপি নেতৃত্ব। কাঁথি রেল স্টেশনে হবে এই সভা।  

    মঙ্গলবারই দিল্লি থেকে কলকাতা ফিরেছেন বিরোধী দলনেতা (Suvendu Adhikari)। রাজ্যের মাটিতে পা রেখেই বিজেপি সমর্থকদের জন্যে বিশেষ বার্তা দিয়েছেন তিনি। বলেছেন ২ লক্ষের বেশি ভোটে বিজেপি প্রার্থীকে জিতিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে কাঁথি লোকসভা উপহার দেবেন। দুদিনের দিল্লি সফরে শুভেন্দু দেখা করেছেন স্বরাষ্টমন্ত্রী অমিত শাহ, কেন্দ্রীয় মন্ত্রী গিরিরাজ সিং- এর সঙ্গে। দিল্লি সফর ও অমিত শাহের সঙ্গে বৈঠক প্রসঙ্গে শুভেন্দু বলেন, রাজ্যের বিরোধী দলনেতাকে বিভিন্ন কেস দিয়ে হেনস্থা করা হচ্ছে সেটা দেশের সকলের জানা উচিত, সেই ব্যবস্থা করতেই গিয়েছিলেন। দিল্লিতেই  দেখা হয়েছে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গেও। হয়েছে সৌজন্য বিনিময়ও। তাই এবার দিল্লি থেকে ফিরেই চার্জড আপ শুভেন্দু। 

    কী চমক থাকবে সভায়? 

    আজ সভাতেই দেখা যাবে তার ঝলক। রাজনৈতিকমহলের দাবি, এই সভা থেকে ফের একবার তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিশানা করবেন তিনি। ডিসেম্বর মাসের ৩ তারিখ এই কাঁথিতে শুভেন্দু অধিকারীর বাড়ির কাছেই সভা করেছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়৷ সেই একই দিনে ডায়মন্ড হারবারে সভা ছিল শুভেন্দুর (Suvendu Adhikari)। শুভেন্দু-সহ গোটা অধিকারী পরিবারকে নিশানা করে একের পর এক আক্রমণ শানিয়েছিলেন তৃণমূল সাংসদ৷ আর আজ জবাব দেওয়ার দিন। নিজের গড়ে দাঁড়িয়ে অভিষেককে জবাব দেবেন শুভেন্দু। শুভেন্দুর দাবি, তৃণমূলের শত চেষ্টা সত্ত্বেও বিজেপির এদিনের সভা সফল হবে। 

    এদিকে শুভেন্দুর (Suvendu Adhikari) ডিসেম্বর রহস্য নিয়ে গেরুয়া শিবিরকে ক্রমাগত খোঁচা দিয়ে চলেছে ঘাসফুল শিবির। শুভেন্দুর বিরুদ্ধে সুর চড়িয়েছেন তৃণমূল নেতৃত্ব। প্রসঙ্গত, গত কয়েক মাস ধরেই ডিসেম্বর মাসে রাজ্যে বড় কিছু ঘটার দাবি করে আসছিল পদ্ম শিবির। ডিসেম্বর মাস যত এগিয়ে আসে, তত বিরোধী দলনেতার হুঁশিয়ারি নিয়ে জল্পনা বাড়ে রাজ্য রাজনীতিতে। ডিসেম্বর মাসের শুরুতে শুভেন্দু অধিকারীর তরফে একেবারে তিনটি তারিখ ঘোষণায় শোরগোল পড়ে যায়। রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী বলেছিলেন, ‘‘ডিসেম্বরের ১২, ১৪, ২১… তিনটে দিন খুব গুরুত্বপূর্ণ। ওয়েট অ্যান্ড ওয়াচ।’’ আজ ডেডলাইনের তৃতীয় দিন। আজ ২১ ডিসেম্বর। শুভেন্দু অধিকারীর দেওয়া ডেডলাইনের তৃতীয় দিন।

    আরও পড়ুন: ‘ডাকাতকে বাঁচাতে সরকার যা করছে, তাতে বিপদ বাড়ছে’ অনুব্রত প্রসঙ্গে শুভেন্দু 

    যদিও, মঙ্গলবার দিল্লি থেকে ফিরে কলকাতা বিমানবন্দরে দাঁড়িয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে শুভেন্দু অধিকারী সাফ জানালেন, ‘‘আমি যে তিনটি দিনের কথা উল্লেখ করেছিলাম তাতে আমি একবারও বলিনি যে সরকার পড়ে যাবে। তবে অপেক্ষা করুন সব হবে। প্রক্রিয়া শুরু হয়ে গিয়েছে। ভুয়ো শিক্ষকদের চাকরি বাতিল প্রক্রিয়া শুরু হয়ে গেছে।  দুর্নীতির সঙ্গে যুক্তরাও কেউই  ছাড় পাবে না।’’ আজ কাঁথির সভা থেকে বিরোধী দলনেতা (Suvendu Adhikari) কোন বার্তা দেন, সেখান থেকে তিনি কী খোলসা করেন, সেই দিকে তাকিয়ে রয়েছে রাজ্যের রাজনৈতিক মহল।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     
     
  • Bengal BJP: সকলকে নিয়ে কাজ করার পরামর্শ নাড্ডার! বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতির সঙ্গে বৈঠক রাজ্যের সাংসদদের

    Bengal BJP: সকলকে নিয়ে কাজ করার পরামর্শ নাড্ডার! বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতির সঙ্গে বৈঠক রাজ্যের সাংসদদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে আসন্ন পঞ্চায়েত নির্বাচন, তারপর ২০২৪ লোকসভা ভোট। এই দুই নির্বাচনে ভাল ফল করার লক্ষ্যে সোমবার দিল্লিতে রাজ্য বিজেপির সব সাংসদদের ডেকে পাঠিয়েছিল কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব। সোমবার রাতের এই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জে পি নাড্ডা। দিলীপ ঘোষ, সৌমিত্র খাঁ, শান্তনু ঠাকুর-সহ উপস্থিত ছিলেন বাংলার সব সাংসদেরা।  বিজেপি সূত্রে খবর, দলগতভাবে গেরুয়া শিবির রাজ্যে কোন পথে এগোবে, সেই নিয়েই বৈঠকে আলোচনা হয়েছে। পরবর্তী ভোটগুলোয় যাতে বিজেপি ভাল ফল করতে পারে, তার দিকে লক্ষ্য রেখেই আলোচনা হয়।

    বৈঠকে শুভেন্দুর দাবি

    রাজ্যের বহু নেতার উপরে অনেক মামলার চাপ রয়েছে। ভোট পরবর্তী রাজনৈতিক সংঘর্ষের মামলায় জড়িয়েছেন জেলা স্তরের নেতা থেকে বুথকর্মীরা। সে সব মামলা লড়ার জন্য কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের সাহায্য চেয়েছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। বিজেপি সূত্রে খবর, দিল্লিতে দলের এ রাজ্যের সাংসদদের বৈঠকে হাজির হয়ে সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডার কাছে এমনটাই দাবি জানিয়েছেন শুভেন্দু। সংসদে অধিবেশন চলায় এখন বাংলার বিজেপি সাংসদেরা সকলেই দিল্লিতে রয়েছেন। কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী সুভাষ সরকারের বাড়িতে হওয়া ওই বৈঠকে সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক (সংগঠন) বিএল সন্তোষের থাকার কথা থাকলেও তিনি আসেননি বলেই জানা গিয়েছে। 

    আরও পড়ুন: আজ শাহী দরবারে শুভেন্দু, সুকান্তরা! দেখা হতে পারে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী গিরিরাজ সিংয়ের সঙ্গেও

    নাড্ডার পরামর্শ

    দলীয় সূত্রে খবর, বৈঠকে হাজির ছিলেন রাজ্যের দায়িত্বপ্রাপ্ত কেন্দ্রীয় নেতারাও। সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক সুনীল বনশল ছাড়াও ছিলেন এই রাজ্যের পর্যবেক্ষক মঙ্গল পাণ্ডে এবং দুই সহ-পর্যবেক্ষক অমিত মালব্য এবং আশা লকড়া। বিজেপি সূত্রে জানা গিয়েছে, বৈঠকে রাজ্য সভাপতি তথা বালুরঘাটের সাংসদ সুকান্ত মজুমদার পঞ্চায়েত ভোটের জন্য কেমন প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে সে বিষয়ে জানান। কী কী সমস্যার মুখে দলকে পড়তে হচ্ছে, তা নিয়ে কথা বলেন দিলীপ ঘোষ-সহ অন্য সাংসদেরাও। সকলের কথাই মন দিয়ে শুনেছেন নাড্ডা। প্রায় দেড় ঘণ্টা ধরে চলা বৈঠকে রাজ্য বিজেপিকে বেশ কিছু পরামর্শও দিয়েছেন তিনি। সব বিরোধ মিটিয়ে সকলকে নিয়ে কাজ করার পরামর্শও দেন। যেখানে যত বিক্ষুব্ধ নেতা রয়েছেন তাঁদের সঙ্গে যোগাযোগ করা এবং ক্ষোভের কারণ জানারও পরামর্শ দিয়েছেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি। একইসঙ্গে বলেছেন, পরিষদীয় দল তথা বিধায়কদের সঙ্গে নিয়ে রাজ্য নেতৃত্বকে কাজ করতে হবে। নিয়মিত ভাবে বিধায়কদের নিয়ে বৈঠক এবং সাংসদদের একসঙ্গে বসার উপরেও জোর দিয়েছেন নাড্ডা।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Bengal BJP: আজ শাহী দরবারে শুভেন্দু, সুকান্তরা! দেখা হতে পারে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী গিরিরাজ সিংয়ের সঙ্গেও

    Bengal BJP: আজ শাহী দরবারে শুভেন্দু, সুকান্তরা! দেখা হতে পারে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী গিরিরাজ সিংয়ের সঙ্গেও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মঙ্গলবার কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের সঙ্গে বৈঠকে বসছেন বঙ্গ বিজেপির দুই নেতা শুভেন্দু অধিকারী ও সুকান্ত মজুমদার। এদিন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা ও রাজ্য বিজেপির সভাপতির সঙ্গে শাহী বৈঠকে বঙ্গের আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতির পাশাপাশি রাজ্যে সিএএ লাগু নিয়েও আলোচনার সম্ভাবনা রয়েছে। গত কয়েকমাস ধরে একাধিক ইস্যুতে রাজ্যের শাসকদলের বিরুদ্ধে আক্রমণ শানাচ্ছে বঙ্গ বিজেপি। কয়লাপাচার,গরুপাচার থেকে আবাস দুর্নীতি, একশো দিনের প্রকল্প। সব নিয়েই কথাবার্তা হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। 

    কেন্দ্রীয় পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন মন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাত

    কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করার পাশাপাশি এদিন রাজধানীতে কেন্দ্রীয় পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন দফতরের মন্ত্রী গিরিরাজ সিংয়ের সঙ্গেও দেখা করতে পারেন সুকান্ত মজুমদার ও শুভেন্দু অধিকারী। আবাস যোজনা নিয়ে দিল্লিতে দরবার করার কথা আগেই জানিয়েছিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা। সোমবার গিরিরাজ সিংয়ের সঙ্গে সে বৈঠক থাকলেও পরে তা বাতিল হয়ে যায়। মঙ্গলবার কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর সময় হলে সে বৈঠক হতে পারে। আবাস যোজনার বরাদ্দ এসে পৌঁছনোর পর থেকেই রাজ্যজুড়ে প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনায় গৃহপ্রাপকদের তালিকা যাচাইয়ের কাজ শুরু করে দিয়েছে রাজ্য। আর সেই কাজ শুরু হতেই সামনে আসছে ভুরি ভুরি অভিযোগ। কোথাও চারতলা বাড়ি থাকা সত্ত্বেও তালিকায় নাম থাকছে তৃণমূল উপপ্রধানের স্ত্রীয়ের, কোথাও আশাকর্মী, অঙ্গনওয়াড়ি কর্মীদের কপালে জুটছে হুমকি। মাটির বাড়িতে বসবাস করলেও আবাস যোজনার সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন বহু মানুষ।প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনাতেও ওয়েব পোর্টাল চালু করা হোক। কেন্দ্রীয় পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন দফতরের মন্ত্রী গিরিরাজ সিংয়ের সঙ্গে বৈঠকে বঙ্গ বিজেপির অন্যতম দুই নেতা সুকান্ত মজুমদার ও শুভেন্দু অধিকারীরা এই আবেদনও করতে পারেন বলে সূত্রের খবর। কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর কাছে  আবেদন করে  প্রধানমন্ত্রী কিষান নিধি সম্মানের মতো পোর্টাল চালু করে নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনায় আবেদনের ব্যবস্থা করার কথাও বলতে পারেন পদ্ম শিবিরের দুই নেতা। পাশাপাশি পুরনো তালিকা বাতিল করার দাবিও জানানো হতে পারে।

    আরও পড়ুন: রাজ্য জুড়ে আবাস তালিকায় দুর্নীতি! বিজেপির প্রতিবাদ-বিক্ষোভে উত্তাল পুরুলিয়া-বাঁকুড়া

    সব মিলিয়ে বছর ঘুরলেই রাজ্যে পঞ্চায়েত নির্বাচন। তার আগে দিল্লির দরবারে বাংলার পদ্ম শিবিরের দুই প্রথম সারির নেতা শুভেন্দু অধিকারী ও সুকান্ত মজুমদারের এই সফর অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল। এই সফর নিয়ে রাজ্য-রাজনীতিতে তরজাও চলছে। এই বৈঠকের দিকে নজর রাখছে শাসকদল তৃণমূলও।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Asansol tragedy: আসানসোলের দুর্ঘটনায় জিতেন্দ্র, তাঁর স্ত্রীর বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের, নাম নেই শুভেন্দুর

    Asansol tragedy: আসানসোলের দুর্ঘটনায় জিতেন্দ্র, তাঁর স্ত্রীর বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের, নাম নেই শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর (Suvendu Adhikari) কম্বলদান কর্মসূচিতে পদপিষ্ট হয়ে মৃত্যু হয়েছে তিনজনের। বুধবার আসানসোলের (Asansol) ওই দুর্ঘটনায় বিজেপি নেতা জিতেন্দ্র তিওয়ারি (Jitendra Tiwari) ও তাঁর স্ত্রী চৈতালি সহ বেশ কয়েকজনের নামে অভিযোগ দায়ের হয়েছে আসানসোল উত্তর থানায়। জিতেন্দ্রর বিরুদ্ধে অনিচ্ছাকৃত খুনের মামলা করা হয়েছে। ই অভিযোগের ভিত্তিতে কম্বলদান কর্মসূচির অন্যতম আয়োজক আসানসোল পুরসভার বিরোধী নেত্রী চৈতালি সহ বিজেপির কয়েকজন কাউন্সিলরের বিরুদ্ধেও রুজু হয়েছে মামলা। এদিকে, কম্বলদানের কর্মসূচিতে বিপর্যয়ের ঘটনায় ইতিমধ্যেই পাঁচজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। আসানসোল দুর্গাপুরের পুলিশ কমিশনার সুধীরকুমার নীলকণ্ঠম বলেন, কীভাবে ঘটনাটি ঘটল, তার তদন্ত শুরু হয়েছে। ডিসি ওয়েস্ট অভিষেক মোদির তত্ত্বাবধানে তদন্ত চলছে।

    অভিযোগ…

    পুলিশ সূত্রে খবর, বৃহস্পতিবার রাতে বিজেপি নেতা জিতেন্দ্র তিওয়ারির স্ত্রী চৈতালি সহ একাধিক নেতার নামে আসানসোল উত্তর থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন বুধবারের দুর্ঘটনায় প্রাণ হারানো ঝালি বাউরির ছেলে সুখেন। তাঁদের বিরুদ্ধে ভারতীয় দণ্ডবিধির ৩০৪, ৩০৮ ধারায় মামলা দায়ের হয়েছে। তবে অভিযোগপত্রের কোথাও নাম নেই শুভেন্দু অধিকারীর। জিতেন্দ্র, চৈতালি ও বিজেপি কাউন্সিলরদের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের প্রসঙ্গে রাজ্য বিজেপির সভাপতি সুকান্ত মজুমদার বলেন, রাজনৈতিক উদ্দেশ্য নিয়ে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। জিতেন্দ্রও বলেন, তৃণমূল তাড়াহুড়ো করে আমার বিরুদ্ধে মামলা করিয়েছে।

    আরও পড়ুন: ‘‘আপনার মন্ত্রীকে প্রশ্ন করুন সন্ত্রাস কবে বন্ধ হবে?’’, পাক সাংবাদিককে জবাব জয়শঙ্করের

    আসানসোলের ওই দুর্ঘটনায় প্রশ্নের মুখে পুলিশের ভূমিকা। কেন দশ দিন আগে অনুমতির আবেদনের চিঠি পেয়েও তারা কোনও উত্তর দেয়নি, সে প্রশ্ন তুলেছেন আয়োজকরা। দুর্ঘটনার পর রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী দাবি করেছিলেন, তিনি ঘটনাস্থল ছাড়ার পর সেখান থেকে তুলে নেওয়া হয় নিরাপত্তা। তার পরেই ঘটেছে মর্মান্তিক ওই দুর্ঘটনা। এত জমায়েত নজরে আসা সত্ত্বেও কেন নিরাপত্তা তুলে নেওয়া হল, কেনই বা সরিয়ে নেওয়া হল সিভিক ভলান্টিয়ারদের, তা নিয়েও প্রশ্ন তুলছেন স্থানীয়দের অনেকেই। প্রসঙ্গত, আসানসোলের ওই অনুষ্ঠানে পাঁচ হাজার মানুষকে কম্বল দান করার ব্যবস্থা করা হয়েছিল। ছোট জায়গায় প্রচুর লোক জড়ো হয়ে যাওয়ার বিপর্যয় ঘটে বলে অনুমান। ওই ঘটনায় বিজেপির নাম জড়িয়ে দিয়েছে রাজ্যের শাসক দল।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Suvendu Adhikari: “টাইম হো গ্যায়া”, শাহী সাক্ষাতের পরই রহস্যময় ইঙ্গিত শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: “টাইম হো গ্যায়া”, শাহী সাক্ষাতের পরই রহস্যময় ইঙ্গিত শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পঞ্চায়েত নির্বাচনের দিন যত এগিয়ে আসছে, ততই চড়ছে রাজনৈতিক পারদ। এর মধ্যে বিরোধী দলনেতার (Suvendu Adhikari) ‘ডিসেম্বর’ সংকেত দলের অন্দরেই সমালোচনার ঝড় তুলেছে। কিন্তু স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের সঙ্গে সাক্ষাতের পর ফের একই সুর শুভেন্দু অধিকারীর মুখে। 

    শুক্রবার ঝটিকা সফরে রাজ্যে আসেন অমিত শাহ। বিমান বন্দর থেকেই সোজা চলে যান বিজেপির রাজ্য দফতরে। সেখানে দেখা হয় শুভেন্দু-সুকান্তর (Suvendu Adhikari) সঙ্গে। সেখানেই চলে বৈঠক।

    কী বললেন শুভেন্দু? 

    বৈঠকের পরই ফের ‘চার্জড আপ’ গেরুয়া শিবির। আজ শনিবার দমদম বিমানবন্দরে শাহের সঙ্গে দেখা হয় সুকান্ত মজুমদার এবং শুভেন্দু অধিকারীদের (Suvendu Adhikari)। মিনিট খানেক কথা হয়। আর এরপরেই সাংবাদিক বৈঠক করেন দুজনে। শুভেন্দু-সুকান্তদের দাবি, আলোচনা বেশ সদর্থক হয়েছে। এতে উচ্ছ্বসিত দলের সবাই। সুকান্ত মজুমদারের দাবি, ‘আচ্ছে দিন’ আসতে চলেছে বাংলাতেও। আলোচনার পর এমনই আশা নাকি দেখতে পাচ্ছেন নেতারা। তবে কি নিয়ে আলোচনা কিংবা কথা হয়েছে তা স্পষ্ট করেননি তাঁরা।  

    আগামী মঙ্গলবার সংসদ ভবনে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর (Suvendu Adhikari) সঙ্গে বৈঠক করবেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। এদিন দিল্লি ফিরে যাওয়ার সময়ে কলকাতা বিমানবন্দরে শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে আলাদা করে কথা বলেন অমিত শাহ। সূত্রের খবর, সেই সময়ে আগামী মঙ্গলবার শুভেন্দুকে দিল্লি আসতে বলেন অমিত শাহ। 

    এ প্রসঙ্গে শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) বলেন, “আগামী মঙ্গলবার সংসদ ভবনে অমিত শাহজী আমাকে ডেকেছেন। আমার সঙ্গে ৩০ মিনিট তিনি বৈঠক করবেন বলে জানিয়েছেন।” প্রসঙ্গত, আগামীকালই দিল্লিতে যাবেন শুভেন্দু অধিকারী। সোমবার কেন্দ্রীয় পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন দফতরের মন্ত্রী গিরিরাজ সিংয়ের সঙ্গে তাঁর এবং সুকান্ত মজুমদারের বৈঠক রয়েছে।

    শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) আরও বলেন, “অল্প সময় হলেও অমিত শাহ রাজ্য এসেছেন এবং আমাদের সঙ্গে বৈঠক করেছন। তবে সেই বৈঠকে একটি বাক্য চর্চিত হয়েছে বলে দাবি বিরোধী দলনেতার। আর সেই প্রসঙ্গ টেনেই তাঁর দাবি, টাইম হো গ্যায়া…!”

    আরও পড়ুন: নবান্নের চোদ্দতলায় মমতা-শাহ একান্তে বৈঠক, কী আলোচনা হল?

    আবার জল্পনা শুরু হয়েছে তাহলে কী জানুয়ারিতেই রাজ্যে কিছু ঘটতে চলেছে? শাহী সাক্ষাৎ নিয়ে উচ্ছসিত শুভেন্দু (Suvendu Adhikari)। শুভেন্দু বলেন, “পশ্চিমবঙ্গে বড়সড় ডাকাত, অত্যাচারী, চোরেদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা আইন এবং সংবিধান মেনে হবে।”

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     
     
  • Calcutta High Court: অনুমতি ছাড়া পঞ্চায়েত নির্বাচনের বিজ্ঞপ্তি জারি করতে পারবে না কমিশন, নির্দেশ হাইকোর্টের

    Calcutta High Court: অনুমতি ছাড়া পঞ্চায়েত নির্বাচনের বিজ্ঞপ্তি জারি করতে পারবে না কমিশন, নির্দেশ হাইকোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বছর ঘুরলেই পঞ্চায়েত নির্বাচন। আর এটি নিয়েই প্রস্তুতি তুঙ্গে। কবে হবে পঞ্চায়েত নির্বাচন, কবে রাজ্য নির্বাচন কমিশন থেকে বিজ্ঞপ্তি জারি করা হবে, প্রশ্ন রাজ্যবাসীর। কিন্তু ইতিমধ্যেই জানিয়ে দেওয়া হল, রাজ্য নির্বাচন কমিশন এখনই পঞ্চায়েত নির্বাচনের বিজ্ঞপ্তি জারি করতে পারবে না। অনুমতি নিতে হবে কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta High Court)। কলকাতা হাইকোর্ট থেকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, পঞ্চায়েত নির্বাচন সংক্রান্ত কোনও ধরনের বিজ্ঞপ্তি জারি করতে পারবে না রাজ্য নির্বাচন কমিশন। কলকাতা হাইকোর্টের অনুমতি নিয়ে বিজ্ঞপ্তি জারি করা যাবে। গতকাল, বৃহস্পতিবার একটি মামলায় কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি প্রকাশ শ্রীবাস্তবের ডিভিশন বেঞ্চ এই নির্দেশ দিয়েছেন।

    মামলাটি কী?

    কিছুদিন আগেই রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী কেন্দ্রীয় বাহিনী দিয়ে পঞ্চায়েত নির্বাচন করার আর্জি জানিয়ে কলকাতা হাইকোর্টে (Calcutta High Court) মামলা করেন। আর সেই মামলার শুনানিতে প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ আগামী ৯ জানুয়ারি পর্যন্ত রাজ্য নির্বাচন কমিশনকে পঞ্চায়েত নির্বাচন সংক্রান্ত কোনও ধরণের বিজ্ঞপ্তি জারিতে অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশ দিয়েছে। আগামী ৯ জানুয়ারির মধ্যে পঞ্চায়েত নির্বাচনে নিরাপত্তা নিয়ে রাজ্য নির্বাচন কমিশনকে একটি হলফনামা দিতে হবে। তারপর মামলাকারী শুভেন্দু অধিকারী পৃথক একটি হলফনামা দেবেন। দুটি হলফনামা পাওয়ার পর মামলার শুনানি হবে।   

    আরও পড়ুন: আসানসোলের দুর্ঘটনায় জিতেন্দ্র, তাঁর স্ত্রীর বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের, নাম নেই শুভেন্দুর

    শুভেন্দু অধিকারী মামলা করার সময়ে দুটি প্রসঙ্গ টেনে এনেছিলেন। ২০১৩ সালে রাজ্যে পঞ্চায়েত ভোট সম্পূর্ণ হয়েছিল কেন্দ্রীয় বাহিনীর তত্ত্বাবধানে এবং ২০১৮ সালে পঞ্চায়েত নির্বাচন হয়েছিল কেন্দ্রীয় বাহিনী ছাড়া। ফলে তিনি জানিয়েছিলেন যে, ২০১৮ সালে পঞ্চায়েত নির্বাচনে হিংসার অভিযোগ উঠেছিল। তাই আগামী বছরের পঞ্চায়েত নির্বাচন কেন্দ্রীয় বাহিনীর তত্ত্বাবধানে হওয়ার আর্জি জানিয়েছেন।

    বিজ্ঞপ্তি জারিতে স্থগিতাদেশ

    গত মঙ্গলবার কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta High Court) প্রধান বিচারপতি প্রকাশ শ্রীবাস্তব এবং বিচারপতি রাজর্ষি ভরদ্বাজের ডিভিশন বেঞ্চে উঠেছিল শুভেন্দুর করা মামলাটি। তখন শুভেন্দুর মামলার বিরোধিতা করেছিল রাজ্য নির্বাচন কমিশন ও নির্বাচন কমিশন থেকে জানানো হয়েছিল যে, এতে যেন কোনও স্থগিতাদেশ না দেওয়া হয়। কিন্তু রাজ্য নির্বাচন কমিশনের কথার তোয়াক্কা না করে হাইকোর্ট থেকে এই নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

    উল্লেখ্য, পঞ্চায়েত নির্বাচন নিয়ে প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছে শাসক-বিরোধী দল। দুই দল প্রচারেও নেমেছে। এই পরিস্থিতিতে বিভিন্ন জেলা থেকে বোমা, গুলি এবং আগ্নেয়াস্ত্রও উদ্ধার করা শুরু হয়েছে। ফলে এই মুহূর্তে হাইকোর্টের (Calcutta High Court) এমন নির্দেশ তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছে রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা। আবার হাইকোর্টের এই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে রাজ্য সরকার বা রাজ্য নির্বাচন কমিশন সুপ্রিম কোর্টে যায় কিনা, তা নিয়েও কৌতুহলের শেষ নেই।

LinkedIn
Share