Tag: Suvendu Adhikari

Suvendu Adhikari

  • Suvendu Adhikari: ‘এক্সিট পোলের দরকার নেই, মানুষের ভোটে বিজেপি আসছেই’, মমতাকে স্পষ্ট বার্তা শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: ‘এক্সিট পোলের দরকার নেই, মানুষের ভোটে বিজেপি আসছেই’, মমতাকে স্পষ্ট বার্তা শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে পরিবর্তনের (Assembly Election 2026) ঢেউ উঠেছে এবং বিজেপি সরকার গঠন করতে চলেছে। বুথ ফেরত সমীক্ষার ফল দেখার প্রয়োজন নেই, প্র্যাকটিক্যাল পোল-এর উপর ভরসা রাখলেন শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। বৃহস্পতিবার, নন্দীগ্রামে দলীয় কার্যালয়ে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি দাবি করেন, হিন্দুরা জোটবদ্ধ হয়ে ভোট দিয়েছে এবং মুসলিম ভোটের একটি বড় অংশও (প্রায় ৮ শতাংশ) বিজেপির পক্ষে এসেছে। মানুষ রাজ্যে উন্নয়ন চায়, তাই বিজেপিকে ভোট দিয়েছে। ২০১১ সালের থেকেও এবার পরিবর্তনের তীব্র আকাঙ্ক্ষা মানুষের মধ্যে অনেক বেশি।

    তৃণমূলের প্রত্যাবর্তনের সম্ভাবনা নেই

    বুথ ফেরত সমীক্ষা বা তৃণমূলের প্রত্যাবর্তনের সম্ভাবনাকে উড়িয়ে দিয়েছেন শুভেন্দু। নন্দীগ্রাম ও ভবানীপুরে তৃণমূলের এজেন্ট খুঁজে না পাওয়া এবং গণনাকেন্দ্রে গণ্ডগোল করার আশঙ্কার কথা উল্লেখ করে তিনি পাল্টা চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়েছেন। শুভেন্দু বলেন, ‘ভবানীপুরে তৃণমূল কংগ্রেসের এজেন্টরা বসতে না চাওয়ায় ছোট ছোট ছেলেদের ২-৩ হাজার টাকা দিয়ে এজেন্ট হিসেবে বসানো হয়েছিল। গণনার দিনও তৃণমূলের লোকই খুঁজে পাওয়া যাবে না।’ তৃণমূলের পক্ষ থেকে ইভিএম চুরির আশঙ্কার কথা বলা হচ্ছে, সেই প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘এটা তাদের দীর্ঘ ১৫ বছরের পুরনো অভ্যাস যা সহজে যাবে না।’ ইতিমধ্যেই নন্দীগ্রামে বুথ ভিত্তিক পর্যালোচনা শেষ করেছে বিজেপি। এ প্রসঙ্গে শুভেন্দু জানান, তাঁরা গণনার জন্য সম্পূর্ণ প্রস্তুত এবং তৃণমূলের কোনও বাধা কাজে আসবে না।

    কোনওরকম কারচুপি নয় মমতাকে, শুভেন্দু

    দক্ষিণ কলকাতার সাখাওয়াত মেমোরিয়াল স্কুলের ভোটগণনা কেন্দ্রের স্ট্রংরুমে চার ঘণ্টা ধরে তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপস্থিতি নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন শুভেন্দু। তাঁর দাবি, ‘কোনও নিয়ম বহির্ভূত কাজ’ করতে পারেননি মমতা। শুক্রবার সমাজমাধ্যমে একটি পোস্টে শুভেন্দু লিখেছেন, ‘‘ভবানীপুর নির্বাচনী এলাকা-সহ সমগ্র পশ্চিমবঙ্গবাসী ভোটার ভদ্রমণ্ডলীকে আশ্বস্ত করতে চাই যে, এই কেন্দ্রের তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী তথা বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রী, মাননীয়াকে কোনওরকম বাড়তি সুবিধা নেওয়া থেকে বিরত থাকতে বাধ্য করা হয়েছে।’’ এর পরেই মমতাকে নিশানা করে শুভেন্দুর ‘আশ্বাসবার্তা’— ‘‘উনি যতই চেষ্টা চালান না কেন, কোনও রকম নিয়ম বহির্ভূত কাজ তিনি করতে পারেননি। উনি যতক্ষণ স্ট্রংরুম প্রাঙ্গণে উপস্থিত ছিলেন, আমার ইলেকশন এজেন্ট অ্যাডভোকেট সূর্যনীল দাস নিজে উপস্থিত থেকে ওঁকে কড়া নজরদারির মধ্যে রেখেছিলেন যাতে উনি কোনও অসৎ উপায় অবলম্বন করতে না পারেন।’’

  • West Bengal Poll Violence: ‘ডায়মন্ড মডেল’ প্রয়োগ তৃণমূলের! বাসন্তীর বিজেপি প্রার্থীকে ব্যাপক মারধরের অভিযোগ

    West Bengal Poll Violence: ‘ডায়মন্ড মডেল’ প্রয়োগ তৃণমূলের! বাসন্তীর বিজেপি প্রার্থীকে ব্যাপক মারধরের অভিযোগ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গদি ধরে রাখতে ডায়মন্ড হারবারে ‘ডায়মন্ড মডেল’ প্রয়োগ তৃণমূলের (TMCs Gundagiri)! আজ, বুধবার পশ্চিমবঙ্গে হচ্ছে দ্বিতীয় তথা শেষ দফার ভোটগ্রহণ। অভিযোগ, বসন্তী বিধানসভা কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী বিকাশ সরদারের গাড়িতে (West Bengal Poll Violence) হামলা চালায় তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা। বিজেপি প্রার্থীর দাবি, এলাকাজুড়ে তৃণমূল ব্যাপক ‘গুন্ডাগিরি’ চালাচ্ছে। সরদার জানান, ২০০ থেকে ২৫০ জনের একটি দল লোহার রড ও বাঁশের লাঠি নিয়ে তাঁর গাড়িতে হামলা চালায়, আক্রমণ করা হয় তাঁর গাড়ি চালককেও। বিকাশ বলেন, “পুরো বিধানসভা এলাকায় তৃণমূলের গুন্ডাগিরি চলছে। ২০০-২৫০ জন তৃণমূলের গুন্ডা লোহার রড ও বাঁশ নিয়ে আমার গাড়িতে হামলা করেছে। তারা আমার চালককেও মারধর করেছে।”

    বিজেপির বুথকর্মীর অভিযোগ (West Bengal Poll Violence)

    এদিকে, নদিয়ার চাপড়া বিধানসভা কেন্দ্রের এক বিজেপি বুথকর্মীর অভিযোগ, বুধবার ভোরে একদল দুষ্কৃতী তাঁকে আক্রমণ করেছে। ওই বুথকর্মীর নাম মোশাররফ মির। তিনি হাতরা পঞ্চায়েতের ৫৩ নম্বর বুথের পোলিং এজেন্ট। তাঁর দাবি, সকাল সাড়ে ৫টা নাগাদ ১৫-২০ জন সশস্ত্র ব্যক্তি লোহার রড ও আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে তাঁকে মারধর করে পালিয়ে যায়। পুলিশ তাঁকে উদ্ধার করে চাপড়া গ্রামীণ হাসপাতালে ভর্তি করে। আপাতত, সেখানেই চিকিৎসাধীন রয়েছেন তিনি। তাঁর মাথায় ছ’টি সেলাই পড়েছে।

    কী বলছেন মির?

    মির বলেন, “তৃণমূলের কিছু গুন্ডা লুকিয়ে ছিল জানিয়াল্লামুল্লার বাড়িতে। তাদের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে। জানিয়াল্লামুল্লা নিজেই একজন অপরাধী। তার কাছে বন্দুক ছিল। আরও দু’জনের কাছেও বন্দুক ছিল। তারা সেগুলি দেখাচ্ছিল। তারপর আরও ১৫-২০ জন আমাদের দিকে আসে। তাদের হাতে ছিল লোহার রড ও লাঠি। তারা প্রথমে আমায় আক্রমণ করে, মারধর করে ফেলে দেয় (West Bengal Poll Violence)।” তিনি আরও বলেন, “তারা আমায়  বারবার আঘাত (TMCs Gundagiri) করতে থাকে। আমার সঙ্গে থাকা লোকজনকেও আক্রমণ করা হয়। আমার মাথায় ছ’টি সেলাই পড়েছে। আমি চাই পুলিশ তাদের গ্রেফতার করুক। আমি বিচার চাই।”

    এদিকে, এদিন সকাল ৯টা পর্যন্ত নদিয়া জেলায় ভোটের হার ছিল ১৮.৫০ শতাংশ। পূর্ব বর্ধমান সর্বোচ্চ ২০.৮৬ শতাংশ ভোট নিয়ে শীর্ষে রয়েছে। হুগলিতে ভোট পড়েছে ২০.১৬ শতাংশ এবং উত্তর ২৪ পরগনায় ১৭.৮১ শতাংশ ভোট পড়েছে। কলকাতা উত্তর ও দক্ষিণে যথাক্রমে ১৭.২৮ শতাংশ ও ১৬.৮১ শতাংশ ভোট পড়েছে, আর হাওড়ায় ভোটের হার ১৭.৭৬ শতাংশ। ২০২৬ সালের পশ্চিমবঙ্গ নির্বাচনে মূল লড়াই তৃণমূল ও বিজেপির মধ্যে। এর আগে, বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী ভবানীপুর কেন্দ্রের ভোটকেন্দ্রগুলি পরিদর্শন করেন। দ্বিতীয় দফায় পশ্চিমবঙ্গের ২৯৪টির মধ্যে ১৪২টি আসনে ভোট হচ্ছে। মোট ভোটার প্রায় ৩.২১ কোটি। এর মধ্যে ১,৬৪,৩৫,৬২৭ জন পুরুষ, ১,৫৭,৩৭,৪১৮ জন মহিলা এবং ৭৯২ জন তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার রয়েছেন (West Bengal Poll Violence)। প্রসঙ্গত, ১৪২টি আসনে ভোট হলেও, সবার নজর “বিগ ফাইভ” আসনগুলির দিকে। ভবানীপুরের হাই-প্রোফাইল আসনের পাশাপাশি, বাংলা চলচ্চিত্র জগতের কেন্দ্র টালিগঞ্জেও তারকাখচিত জমজমাট লড়াই চলছে (TMCs Gundagiri)।

     

  • Suvendu Adhikari: ‘‘১০ হাজার কোটির রেশন দুর্নীতির ৭৫ শতাংশ টাকা জ্যোতিপ্রিয় পাঠিয়েছেন মমতার বাড়িতে’’, ভবানীপুরে আক্রমণ শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: ‘‘১০ হাজার কোটির রেশন দুর্নীতির ৭৫ শতাংশ টাকা জ্যোতিপ্রিয় পাঠিয়েছেন মমতার বাড়িতে’’, ভবানীপুরে আক্রমণ শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোটের (Bengal Elections 2026) মধ্যে রেশন বণ্টন দুর্নীতি মামলাকে কেন্দ্র করে রাজ্যের শাসকদলের বিরুদ্ধে ফের সরব হলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। শনিবার এক জনসভা থেকে তিনি দাবি করেন, “হাবরার প্রার্থী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক ১০ হাজার কোটি টাকার রেশন দুর্নীতি করেছেন। তার থেকে ৭৫ শতাংশ মমতার বাড়িতে পাঠিয়েছেন।” এই দুর্নীতির মাধ্যমে সংগৃহীত অর্থের একটি বিশাল অংশ সরাসরি শীর্ষ নেতৃত্বের কাছে পৌঁছেছে। তাঁর নিশানায় ছিলেন রাজ্যের প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক এবং মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

    ভোট আবহে রেশন দুর্নীতিতে তদন্ত

    শনিবার সকাল থেকেই সক্রিয় ইডি। রেশন দুর্নীতি মামলায় একাধিক এলাকায় চলছে তল্লাশি অভিযান। ইডি-র কলকাতা জোনাল অফিস আজ প্রিভেনশন অব মানি লন্ডারিং অ্যাক্ট ২০০২ (পিএমএলএ) আইনকে মাথায় রেখে কলকাতা, বর্ধমান এবং হাবড়ার মোট ১৭টি ঠিকানায় তল্লাশি চালাচ্ছে। এই অভিযান নিরঞ্জন চন্দ্র সাহা ও অন্যান্যদের সঙ্গে যুক্তদের বিরুদ্ধে তদন্ত চলছে। এই এফআইআর বসিরহাট পুলিশ স্টেশনে দায়ের করেছিলেন ডেপুটি কমিশনার অফ কাস্টমস্ ঘোজাডাঙ্গা এলসিএস। তাতে বলা হয়েছিল, জনকল্যাণমূলক প্রকল্পের জন্য নির্ধারিত পাবলিক ডিস্ট্রিবিউশন সিস্টেম বা রেশনের গম পাচার হয়েছে। সেই নিয়েই শুরু হয় তদন্ত। সেই মামলাতেই শনিবার এই অভিযান। এর মধ্যেই তৃণমূলকে তোপ দেগেছেন শুভেন্দু অধিকারী।

    ৭৫ শতাংশ অংশ টাকা গিয়েছে প্রভাবশালীদের কাছে (Suvendu Adhikari)

    শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) বলেন, “রেশন দুর্নীতির মাধ্যমে সংগৃহীত অর্থের অন্তত ৭৫ শতাংশ অংশ নির্দিষ্টভাবে প্রভাবশালী মহলে প্রেরণ করা হয়েছিল। মমতার বাড়িতে টাকা পৌঁছেছে । জেলখাটা প্রাক্তন মন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক এই প্রক্রিয়ার সঙ্গে সরাসরি যুক্ত ছিলেন। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাগুলি সঠিক পথে তদন্ত এগিয়ে নিয়ে গেলেই এই আর্থিক লেনদেনের সমস্ত তথ্য জনসমক্ষে আসবে।”

    নির্বাচনী মরসুমে এই অভিযোগ ঘিরে নতুন করে রাজনৈতিক উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। শুভেন্দু অধিকারী আরও দাবি করেন, “এই বিপুল পরিমাণ অর্থ কেবল ব্যক্তিগত লাভের জন্য নয়, বরং রাজনৈতিক প্রভাব বিস্তারেও ব্যবহার করা হয়েছে।”

    তদন্তের বর্তমান পরিস্থিতি

    উল্লেখ্য, রেশন দুর্নীতি মামলায় ইতিমধ্যেই জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকসহ একাধিক ব্যক্তি কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ED)-এর রেডারে রয়েছেন। বিরোধী শিবিরের এই অভিযোগের প্রেক্ষিতে শাসকদলের পক্ষ থেকে এখনও কোনও আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি, তবে তৃণমূল কংগ্রেস সাধারণত এই ধরণের অভিযোগকে ‘রাজনৈতিক প্রতিহিংসা’ হিসেবেই অভিহিত করে আসছে। তবে রেশন দুর্নীতি (Bengal Elections 2026) ভোটে ব্যাপক প্রভাব ফেলবে।

    ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়ায় প্রচার শুভেন্দুর

    অপর দিকে পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা উপনির্বাচনকে (Bengal Elections 2026)  কেন্দ্র করে ভবানীপুর কেন্দ্রের রাজনৈতিক পারদ ক্রমশ চড়ছে। এই আবহে আজ সকালে এক ভিন্নধর্মী প্রচার কৌশলে অংশ নিলেন বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। শনিবার ভোরে ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়াল চত্বরে প্রাতঃভ্রমণকারীদের সঙ্গে আলাপচারিতা ও জনসংযোগের মাধ্যমে নিজের প্রচার কর্মসূচি শুরু করেন।

    সকাল থেকেই ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়াল ও সংলগ্ন এলাকায় সাধারণ মানুষের ভিড় লক্ষ্য করা যায়। শুভেন্দু অধিকারী সেখানে পৌঁছে প্রাতঃভ্রমণকারীদের সঙ্গে সৌজন্য বিনিময় করেন এবং এলাকার বিভিন্ন সমস্যা ও রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে সংক্ষিপ্ত আলোচনায় অংশ নেন। কোনও বড় মাপের সভা বা মিছিলের পরিবর্তে সরাসরি সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছানোই ছিল আজকের এই কর্মসূচির মূল লক্ষ্য।

    অভাব-অভিযোগ শুনলেন শুভেন্দু

    জনসংযোগ চলাকালীন সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে বিরোধী দলনেতা (Suvendu Adhikari) বলেন, “ভবানীপুর কেন্দ্রটি রাজ্যের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সাধারণ মানুষের অভাব-অভিযোগ শোনা এবং তাঁদের সঙ্গে সরাসরি মতবিনিময় করা গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ারই অংশ।” তিনি দাবি করেন, “এলাকার সাধারণ ভোটাররা বর্তমান প্রশাসনিক ব্যবস্থায় পরিবর্তন চাইছেন এবং তার প্রতিফলন ভোটবাক্সে দেখা যাবে।”

    রাজনৈতিক গুরুত্ব

    ভবানীপুর কেন্দ্রে জয়ের বিষয়ে আশাবাদী বিজেপি শিবির। শুভেন্দু অধিকারীর এই সকালের জনসংযোগ কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ লক্ষ্য করা গেছে। নির্বাচন কমিশনের বিধি মেনেই এই শান্ত ও সুশৃঙ্খল প্রচার চালানো হয়েছে বলে দলের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছ।

  • Bengal Elections 2026: ডায়মন্ড হারবারে কর্তব্যে গাফিলিতির জন্য ৫ পুলিশ আধিকারিককে সাসপেন্ড করল নির্বাচন কমিশন

    Bengal Elections 2026: ডায়মন্ড হারবারে কর্তব্যে গাফিলিতির জন্য ৫ পুলিশ আধিকারিককে সাসপেন্ড করল নির্বাচন কমিশন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের (Bengal Elections 2026) আবহে ডায়মন্ড হারবার বিধানসভা কেন্দ্রে বড়সড় পদক্ষেপ নিল নির্বাচন কমিশন। দায়িত্ব পালনে অবহেলা এবং অসদাচরণের অভিযোগে ৫ জন পুলিশ আধিকারিককে সাসপেন্ড করেছে কমিশন (Election Commission India)। রাজনৈতিক ভাবে পক্ষপাতের জন্য হিঙলগঞ্জের ওসিকেও সাসপেন্ড করা হয়েছে গতকাল । বসানো হয়েছে বিচার বিভাগীয় তদন্ত।

    অবাধ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচনে পদক্ষেপ (Bengal Elections 2026)

    নির্বাচন (Bengal Elections 2026) চলাকালীন এই পুলিশ আধিকারিকদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগ জমা পড়েছিল। কমিশনের (Election Commission India) পর্যবেক্ষণে দেখা যায় যে, তাঁরা নির্দিষ্ট নিয়মাবলী লঙ্ঘন করেছেন এবং তাঁদের ভূমিকা নিয়ে স্বচ্ছতার অভাব ছিল। অবাধ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের পরিবেশ বজায় রাখতেই এই কঠোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে।

    নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে:

    • কর্তব্যে গাফিলতি: কোনোভাবেই সহ্য করা হবে না।
    • নিরপেক্ষতা: প্রতিটি পুলিশ কর্মীকে সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ থেকে আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখতে হবে।
    • তৎক্ষণাৎ ব্যবস্থা: এই ৫ আধিকারিকের বিরুদ্ধে বিভাগীয় তদন্তও শুরু হতে পারে।

    কমিশনের সাফ কথা, “শান্তিপূর্ণ নির্বাচন পরিচালনার ক্ষেত্রে কোনও প্রকার আপস করা হবে না। আধিকারিকদের আচরণে বিন্দুমাত্র ত্রুটি দেখা দিলে কমিশন প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে দ্বিধা করবে না।”

    সাসপেন্ড হওয়া আধিকারিকদের মধ্যে রয়েছেন ডায়মন্ড হারবারের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সন্দীপ গড়াই। এসডিপিও সজল মণ্ডল, ডায়মন্ড হারবার থানার আইসি মৌসম চক্রবর্তী, ফলতা থানার আইসি অজয় বাগ ও উস্তি থানার আইসি শুভেচ্ছা বাগ।

    ২৯ এপ্রিল কোথায় কত বাহিনী?

    দ্বিতীয় তথা শেষ দফার ভোট (Bengal Elections 2026) হবে আগামী ২৯ এপ্রিল। সেদিন ১৪২টি আসনে ভোট হবে। এর মধ্যে রয়েছেন একাধিক হেভিওয়েট প্রার্থী। আর এই শেষ দফাতেও শান্তিপূর্ণ ভোট করাতে আরও কড়া হচ্ছে নির্বাচন কমিশন । কমিশন বঙ্গে অতিরক্ত ১০ জন পুলিশ পর্যবেক্ষককে পাঠাবে বলে জানা গিয়েছে। ২৯৪টি আসনের জন্য একজন করে পর্যবেক্ষক নিয়োগ করেছিল নির্বাচন কমিশন (Election Commission India)। পুলিশ পর্যবেক্ষক ছিলেন ৮৪ জন। তবে দ্বিতীয় দফার ভোটের জন্য আরও ১০ জন পুলিশ পর্যবেক্ষককে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে কমিশন। দ্বিতীয় দফার জন্য ২৪০০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী থাকবে নিরাপত্তার দায়িত্বে। শুধু কলকাতায় থাকবে ২৭৩ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী। ভোটের আগে ও পরের দিন শহরে থাকবে প্রায় ২২ হাজার আধা সামরিক বাহিনী। হিংসা মুক্ত নির্বাচন করাই কমিশনের প্রধান উদ্দেশ্য।

  • Suvendu Adhikari: “৪ তারিখ ভাবনীপুরের গণনা টেবিলে বসব”, প্রথম দফার ১৫২-তে ১২৫ হবে, প্রত্যয়ী শুভেন্দু

    Suvendu Adhikari: “৪ তারিখ ভাবনীপুরের গণনা টেবিলে বসব”, প্রথম দফার ১৫২-তে ১২৫ হবে, প্রত্যয়ী শুভেন্দু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নির্বাচনী (West Bengal Elections 2026) সভায় বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) দক্ষিণ কলকাতার চেতলা অঞ্চলে একটি জনসভায় অংশগ্রহণ করেন। সেখান থেকে তিনি রাজ্যের শাসক দল এবং বিশেষ করে স্থানীয় নেতৃত্বের বিরুদ্ধে তীক্ষ্ণ সমালোচনা করেন। তিনি বলেন, “৪ তারিখ ভবানীপুরের গণনা টেবিলে বসবো, তৃণমূল নেত্রী এবার ব্যাগ গুছিয়ে নিন। আমি আজ বদলা নিয়ে নিয়েছি।”

    লোক ওখানে ছিল, বডি ওখানে, মন এখানে (Suvendu Adhikari)

    শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) তাঁর ভাষণে নিয়োগ দুর্নীতি থেকে শুরু করে পুরসভার বিভিন্ন কাজে অস্বচ্ছতার অভিযোগ তোলেন। তিনি দাবি করেন, সাধারণ মানুষের করের টাকা সঠিক পথে ব্যয় না হয়ে বিশেষ কিছু মহলের স্বার্থসিদ্ধিতে ব্যবহার করা হচ্ছে। এরপর স্পষ্ট কথায় বলেন, “ভোট (West Bengal Elections 2026) হয়ে গেছে আজকে। আপনিও মাঠে নেমেছেন, মিছিল করেছেন। প্রতিটি ভিডিও আছে। কিছু লোক ওখানে ছিল, বডি ওখানে, মন এখানে। আর একটি লোক আছেন বন্দর থেকে, ভালো লোক সাপ্লাই দিয়েছেন৷ মাননীয়া জানেন, ১৫০ জন সিনিয়র সিটিজেন ভোট দিয়েছেন। ৭৭ এর কয়েকটা মুসলমান ছাড়া বাকি সবাই শুভেন্দুকে টিক লাগিয়েছে। আপনাকে আমি হারাব হারাব হারাব। কাল বিকেল থেকে ধরব৷ ২৯ এভিএম সিল করে বেরব। ৪ তারিখ নিজে গণনার টেবিলে বসব।”

    ১৫২-তে ১২৫ হবে

    চেতলা এলাকাটি রাজ্যের একজন প্রভাবশালী মন্ত্রী ববি হাকিমের খাসতালুক হিসেবে পরিচিত। নাম না করে শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) সেই নেতৃত্বকে ইঙ্গিত করে বলেন, “পেশিশক্তি এবং প্রশাসনিক প্রভাব খাটিয়ে বিরোধী কণ্ঠস্বরকে রোধ করার চেষ্টা করা হচ্ছে। আমি যেন ২০২১ রিপিট করতে পারি। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে হারাতে পারি৷ উনি কাঁদতে কাঁদতে বলছেন, ‘একটা ভোটেও জিতব’। রাজ্যের প্রচার বন্ধ করে এখন কেবলমাত্র ভবানীপুর ৷ কাউন্সিলর দু-হাতে টাকার ব্যাগ নিয়ে নেমেছে। আর একটা বড় ব্যবসায়ী অংশকে ধমকানি শুরু হয়েছে। বলছে, ৪ তারিখের পর দেখে নেব ৷ আরে তোমরা থাকলে তো দেখবে। মালদা থেকে আলিপুরদুয়ার সাফ সাফ সাফ। ১৫২-তে ১২৫ হবেই। ঝাড়গ্রামে ৪ এ ৩। মেদিনীপুর পশ্চিমে ১০, পূর্বে ১৬/১৬। মুর্শিদাবাদে ২ জায়গায় ৮। বীরভূমে ১ এর জায়গায় ৭। তোমরা কোথায় যাবে? এখন থেকে ব্যাগ গোছাও।” তবে তিনি স্পষ্ট করে দেন যে, ভারতীয় জনতা পার্টি এই ধরণের চাপের কাছে নতিস্বীকার করবে না।

    সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা ও অধিকার

    প্রথম দফায় নির্বাচনের পর শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) বলেন, “হিন্দুরা এবং মহিলারা একজোট হয়ে ভোট দিচ্ছেন। আমি কখনও দেখিনি বেলা ১২টার মধ্যে ৬০ শতাংশ ভোট পড়ে যেতে। বেঙ্গালুরু, কর্নাটক থেকে মানুষ এসে ভোট (West Bengal Elections 2026) দিচ্ছেন।” শুভেন্দু অধিকারীর এই সভা মূলত আগামী নির্বাচনকে সামনে রেখে কর্মীদের চাঙ্গা করা এবং শাসক দলের দুর্নীতির খতিয়ান তুলে ধরার একটি কৌশল হিসেবেই দেখা হচ্ছে। তাঁর আক্রমণাত্মক মেজাজ এবং সরাসরি অভিযোগ ঘিরে বর্তমানে রাজনৈতিক মহলে যথেষ্ট চর্চা শুরু হয়েছে।

  • Election Commission India: ‘শাসক দলের হয়ে কাজ’! হিঙ্গলগঞ্জ থানার ওসিকে সাসপেন্ড, বিভাগীয় তদন্তের নির্দেশ কমিশনের

    Election Commission India: ‘শাসক দলের হয়ে কাজ’! হিঙ্গলগঞ্জ থানার ওসিকে সাসপেন্ড, বিভাগীয় তদন্তের নির্দেশ কমিশনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নির্বাচন অবাধ ও সুষ্ঠু করার লক্ষ্যে পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচন ২০২৬-এর প্রাক্কালে বড় পদক্ষেপ নিল ভারতের নির্বাচন কমিশন (Election Commission India)। উত্তর ২৪ পরগনার হিঙ্গলগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত আধিকারিক (OC) সন্দীপ সরকারকে তাৎক্ষণিকভাবে সাসপেন্ড করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। একই ভাবে তাঁর বিরুদ্ধে বিভাগীয় তদন্তের নির্দেশও দেওয়া হয়েছে। গাফিলতির চরম শাস্তি।

    পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ (Election Commission India)

    নির্বাচন কমিশনের (Election Commission India) পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, নির্দিষ্ট অভিযোগ এবং প্রশাসনিক পর্যালোচনার ভিত্তিতে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সাধারণত নির্বাচনের সময় কোনও পুলিশ আধিকারিকের (OC) বিরুদ্ধে পক্ষপাতিত্ব বা কর্তব্য গাফিলতির অভিযোগ উঠলে কমিশন এই ধরণের কঠোর ব্যবস্থা নিয়ে থাকে।

    মুখ্যসচিবকে নির্দেশ

    নির্বাচন কমিশন (Election Commission India) রাজ্যের মুখ্যসচিবকে দ্রুত এই নির্দেশ কার্যকর করার এবং সন্দীপ সরকারের জায়গায় যোগ্য কোনও আধিকারিককে নিয়োগ করার বার্তা দিয়েছে।  ২৪ এপ্রিল সকাল ১১টার মধ্যে কমিশনকে অ্যাকশন টেকেন রিপোর্ট বা কমপ্লায়েন্স রিপোর্ট জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সংশ্লিষ্ট আধিকারিক নির্বাচনের কোনও প্রক্রিয়ার সঙ্গে যুক্ত থাকতে পারবেন না বলে কমিশনের তরফ থেকে স্পষ্ট করা হয়েছে।

    অমিত শাহের সভার আগেই পদক্ষেপ

    হিঙ্গলগঞ্জ এলাকায় কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বা অন্য বিশিষ্ট রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বদের সফরের ঠিক আগেই এই পদক্ষেপ অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। বিরোধীদের পক্ষ থেকে বারবার পুলিশের (OC) একাংশের বিরুদ্ধে শাসক দলের হয়ে কাজ করার অভিযোগ তোলা হচ্ছিলই। এইবার কমিশনের (Election Commission India) সিদ্ধান্ত সেই প্রেক্ষাপটে বাড়তি গুরুত্ব যোগ করেছে।

    ভোট প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা বজায় রাখতে নির্বাচন কমিশন যে আপোষহীন মনোভাব নিচ্ছে, এই সাসপেনশন অর্ডার তারই একটি প্রতিফলন। প্রশাসনের নিরপেক্ষতা নিশ্চিত করতেই এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে ওয়াকিবহাল মহলের ধারণা।

  • Suvendu Adhikari: ভুয়ো প্রেস কার্ড দিয়ে ছদ্মবেশী সাংবাদিকদের বুথে ঢোকানোর ছক তৃণমূল, আইপ্যাকের! বিস্ফোরক দাবি শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: ভুয়ো প্রেস কার্ড দিয়ে ছদ্মবেশী সাংবাদিকদের বুথে ঢোকানোর ছক তৃণমূল, আইপ্যাকের! বিস্ফোরক দাবি শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের প্রাক্কালে শাসকদল তৃণমূলের নির্বাচনী পরামর্শদাতা সংস্থা ‘আইপ্যাক’ (I-PAC)-এর বিরুদ্ধে এক চাঞ্চল্যকর অভিযোগ তুললেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। তাঁর দাবি, ভোটকেন্দ্রে অবাধ প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করতে এবং নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় অনভিপ্রেত হস্তক্ষেপ করার উদ্দেশ্যে তৃণমূল কর্মীদের হাতে সুপরিকল্পিতভাবে ‘ভুয়ো’ প্রেস কার্ড বা সাংবাদিক পরিচয়পত্র তুলে দেওয়া হচ্ছে।

    বাহিনীর নজর এড়িয়ে স্পর্শকাতর বুথে ঢুকবে আইপ্যাক (Suvendu Adhikari)

    রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী তাঁর সামাজিক মাধ্যমে করা এক পোস্টে দাবি করেছেন, “আইপ্যাক (I-PAC) সুসংগঠিতভাবে এমন ব্যক্তিদের সাংবাদিকের পরিচয়পত্র দিচ্ছে যারা প্রকৃতপক্ষে এই পেশার সঙ্গে যুক্ত নন।” তাঁর আশঙ্কা, এই ‘ছদ্মবেশী সাংবাদিকরা’ প্রেস কার্ডের বিশেষ ক্ষমতা ব্যবহার করে কেন্দ্রীয় বাহিনীর নজর এড়িয়ে বুথ এবং স্পর্শকাতর প্রশাসনিক দফতরে প্রবেশ করবে। সেখানে গিয়ে ভোটারদের প্রভাবিত করা বা ভোট প্রক্রিয়ায় কারচুপি করার মতো বেআইনি পরিকল্পনা রয়েছে শাসকদলের। তিনি একে তৃণমূলের একটি সুদূরপ্রসারী রাজনৈতিক কৌশল বা ‘প্লে-বুক স্ট্র্যাটেজি’ বলে মন্তব্য করেছেন।

    পরিচয়পত্র পুনরায় যাচাই

    এই বিষয়ে ভারতের নির্বাচন কমিশনকে (ECI) দ্রুত হস্তক্ষেপ করার আর্জি জানিয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। অবাধ ও স্বচ্ছ নির্বাচন সুনিশ্চিত করতে তিনি বেশ কিছু পদক্ষেপের প্রস্তাব দিয়েছেন। নতুন পরিচয়পত্রধারী সাংবাদিকদের গতিবিধির ওপর কঠোর নজরদারি চালানো উচিত বলে দাবি করেছেন। শুধুমাত্র স্বীকৃত ও প্রতিষ্ঠিত সংবাদমাধ্যমের সাংবাদিকদেরই ভোটকেন্দ্রের নির্দিষ্ট পরিধির মধ্যে প্রবেশের অনুমতি দেওয়ার দাবি করেছেন। সেই সঙ্গে সাংবাদিকদের পরিচয়পত্র পুনরায় যাচাই বা ‘সেকেন্ডারি ভেরিফিকেশন’-এর (I-PAC) ব্যবস্থা করার কথাও বলেন।

    শাসকদলের ওপর বাড়তি চাপ

    ভোটের মাত্র কয়েক দিন আগে এই ‘ভুয়ো প্রেস কার্ড’ ইস্যু রাজ্যের রাজনৈতিক উত্তাপকে বহুগুণ বাড়িয়ে দিয়েছে। উল্লেখ্য, সম্প্রতি কয়লা পাচার মামলায় আইপ্যাকের অন্যতম শীর্ষকর্তা ভিনেশ চান্ডেলের গ্রেফতারি (I-PAC) এবং সংস্থার অন্যান্য আধিকারিকদের ইডি-র তলব নিয়ে ইতিমধ্যেই চাপানউতোর চলছে। এই আবহে শুভেন্দু অধিকারীর নতুন এই অভিযোগ শাসকদলের ওপর বাড়তি চাপ সৃষ্টি করবে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

  • Suvendu Adhikari: তাঁর ওপর নজর রাখছে সাদা পোশাকের পুলিশ! বিস্ফোরক দাবি শুভেন্দুর, কমিশকে দিলেন চিঠি

    Suvendu Adhikari: তাঁর ওপর নজর রাখছে সাদা পোশাকের পুলিশ! বিস্ফোরক দাবি শুভেন্দুর, কমিশকে দিলেন চিঠি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ছাব্বিশের নির্বাচনে (Bengal Elections 2026) হাইভোল্টেজ কেন্দ্র ভবানীপুর (Bhabanipur Assembly Constituency)। তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) বিরুদ্ধে ভবানীপুরে বিজেপির বাজি শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। দুই হেভিওয়েটের মুখোমুখি লড়াইয়ে (Suvendu vs Mamata) ভোট যত এগোচ্ছে, ততই রাজনৈতিক উত্তাপ বাড়ছে। শুভেন্দুর মনোনয়ন জমা দেওয়ার সময় কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের (Amit Shah) উপস্থিতি এই প্রতিদ্বন্দ্বিতাকে আরও তীব্র করেছে।

    অভিযোগ ঘিরে নতুন বিতর্ক

    এই আবহেই নতুন করে বিতর্কের সূত্রপাত হয়েছে শুভেন্দু অধিকারীর তোলা এক গুরুতর অভিযোগকে কেন্দ্র করে। রবিবার তিনি ইমেলের মাধ্যমে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের (Gyanesh Kumar) কাছে লিখিত অভিযোগ জানান। তাঁর দাবি, ভবানীপুরে বাড়ি বাড়ি প্রচারের সময় সাদা পোশাকের পুলিশকর্মীরা তাঁকে অনুসরণ করছেন, তাঁর উপর নজরদারি চালাচ্ছেন। শুধু তাই নয়, যেসব সাধারণ ভোটার তাঁর সঙ্গে দেখা করছেন বা কথা বলছেন, তাঁদের নাম, ঠিকানা ও পরিচয় নথিভুক্ত করা হচ্ছে বলেও তিনি অভিযোগ করেছেন।

    ভোটারদের ভয় দেখানোর অভিযোগ

    শুভেন্দুর মতে, এই ধরনের পদক্ষেপের উদ্দেশ্য হতে পারে ভবিষ্যতে ওই ভোটারদের ভয় দেখানো। তাঁর বক্তব্য, “যাঁরা সাহস করে আমার সঙ্গে দেখা করছেন, তাঁদের চিহ্নিত করা হচ্ছে। এটি গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার পরিপন্থী এবং ভোটারদের উপর পরোক্ষে চাপ সৃষ্টি করার কৌশল।” তিনি আরও অভিযোগ করেন, ভবানীপুরে গণতন্ত্র ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে এবং কলকাতা পুলিশকে শাসকদল তাদের ‘নজরদারি বাহিনী’ হিসেবে ব্যবহার করছে। তাঁর দাবি, এই পরিস্থিতি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনী প্রক্রিয়ার পথে বড় বাধা।

    সমাজমাধ্যমে সরব শুভেন্দু

    এই অভিযোগের সমর্থনে নিজের সমাজমাধ্যমেও একটি বিস্তারিত পোস্ট করেন শুভেন্দু অধিকারী। সেখানে তিনি লেখেন, “ভবানীপুরে আক্রান্ত গণতন্ত্র। কলকাতা পুলিশকে তৃণমূল ব্যক্তিগত নজরদারি বাহিনী হিসেবে বেপরোয়াভাবে ব্যবহার করছে।” তাঁর দাবি, শান্তিপূর্ণ প্রচারের সময় তাঁকে অনুসরণ করা হয়েছে এবং তাঁর সঙ্গে দেখা করা প্রতিটি ভোটারের তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে। এটি রাষ্ট্র-পৃষ্ঠপোষকতায় ভোটারদের ভয়ভীতি প্রদর্শন এবং অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের পথে একটি বড় বাধা বলে দাবি ভবানীপুরের বিজেপি প্রার্থীর। যদিও এই সব কৌশল আর কাজ করবে না বলে দাবি শুভেন্দু অধিকারীর। তৃণমূলকে কটাক্ষ করে তিনি বলেন, “এই ধরনের কৌশল আর কাজ করবে না। রাজ্যে তাদের একচ্ছত্র আধিপত্যের দিন শেষের পথে। ভবানীপুরের ভোটাররা এর উপযুক্ত জবাব দেবেন।”

    ছবি প্রকাশ শুভেন্দুর, নজর কমিশনের দিকে

    উল্লেখযোগ্যভাবে, শুভেন্দু অধিকারী দু’জন ব্যক্তির ছবি প্রকাশ করেছেন, যাঁদের তিনি পুলিশকর্মী বলে দাবি করেছেন। তাঁদের নাম, পদ এবং সংশ্লিষ্ট থানার তথ্যও তিনি উল্লেখ করেছেন। যদিও এই ছবিগুলির সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা হয়নি। এই অভিযোগ নিয়ে এখনও পর্যন্ত রাজ্য প্রশাসন বা কলকাতা পুলিশের পক্ষ থেকে কোনও আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া মেলেনি। ফলে বিষয়টি নিয়ে রাজনৈতিক মহলে জল্পনা বাড়ছে। এখন নজর রয়েছে নির্বাচন কমিশন এই অভিযোগের প্রেক্ষিতে কী পদক্ষেপ গ্রহণ করে।

  • West Bengal Assembly Election: ভবানীপুরের জন্য শুভেন্দুর পৃথক সংকল্পপত্র, চার দফা প্রতিশ্রুতিতে বিঁধলেন মুখ্যমন্ত্রীকে

    West Bengal Assembly Election: ভবানীপুরের জন্য শুভেন্দুর পৃথক সংকল্পপত্র, চার দফা প্রতিশ্রুতিতে বিঁধলেন মুখ্যমন্ত্রীকে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে (West Bengal Assembly Election) রাজ্যের হাই-ভোল্টেজ কেন্দ্র ভবানীপুরে লড়াইয়ের উত্তাপ বাড়িয়ে দিলেন বিজেপি প্রার্থী তথা বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। বৃহস্পতিবার এই কেন্দ্রে নিজের মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার আগে ভবানীপুরের ভোটারদের জন্য একটি পৃথক ‘সংকল্পপত্র’ প্রকাশ করেছেন তিনি। দলের রাজ্যভিত্তিক ইস্তাহার প্রকাশের আগেই এই পদক্ষেপকে তাঁর ব্যক্তিগত ও রাজনৈতিক কৌশলের এক গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে দেখছেন বিশ্লেষকরা। তাঁর সংকল্পপত্রে যা যা রয়েছে তা হল–

    জলমগ্নতা থেকে মুক্তি (West Bengal Assembly Election)

    বর্ষাকালে ভবানীপুরের বিস্তীর্ণ এলাকার জমা জলের সমস্যা দীর্ঘদিনের। শুভেন্দু প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন, পরিকল্পিত নিকাশি ব্যবস্থার মাধ্যমে এই সমস্যার স্থায়ী সমাধান করা হবে।

    নিরাপদ ও পরিচ্ছন্ন আবাসন

    ঘিঞ্জি এলাকা ও বস্তি অঞ্চলের উন্নয়নে বিশেষ জোর দেওয়ার পাশাপাশি প্রতিটি নাগরিকের জন্য উন্নত জীবনযাত্রার মান নিশ্চিত করার আশ্বাস দিয়েছেন তিনি।

    প্রশাসনিক স্বচ্ছতা ও নিরাপত্তা

    স্থানীয় স্তরে তোলাবাজি ও সিন্ডিকেট রাজ বন্ধ করে সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা ও নির্ভয়ে বাস করার পরিবেশ তৈরি করার অঙ্গীকার করেছেন বিজেপি প্রার্থী (West Bengal Assembly Election) ।

    নাগরিক পরিষেবার আধুনিকীকরণ

    পানীয় জল থেকে শুরু করে রাস্তার আলো, পুর-পরিষেবার প্রতিটি ক্ষেত্রে আধুনিক প্রযুক্তির ছোঁয়া এবং আমলাতান্ত্রিক জটিলতামুক্ত প্রশাসনের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন তিনি।

    এলাকার উন্নয়ন চান শুভেন্দু

    মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের খাসতালুক হিসেবে পরিচিত এই কেন্দ্রে দাঁড়িয়ে শুভেন্দুর (Suvendu Adhikari) এই ‘চার দফা’ কৌশল মূলত স্থানীয় সমস্যাগুলোকে হাতিয়ার করে ভোটারদের মন জয় করার চেষ্টা। শুভেন্দু বলেছেন, “ভবানীপুর কেবল ভিআইপি কেন্দ্র নয়, এখানকার (West Bengal Assembly Election)  সাধারণ মানুষের সমস্যাগুলোও দীর্ঘদিনের অবহেলিত। আমি সেই বঞ্চনার অবসান ঘটাতেই এই বিশেষ সংকল্প গ্রহণ করেছি।”

    রাজনৈতিক মহলের মতে, নন্দীগ্রামের পর ভবানীপুরেও মুখ্যমন্ত্রীকে সরাসরি চ্যালেঞ্জ জানিয়ে শুভেন্দু অধিকারী প্রমাণ করতে চাইছেন যে, তিনি কেবল বড় বড় রাজনৈতিক ইস্যু নয়, বরং তৃণমূল স্তরের নাগরিক সমস্যা নিয়েও সমানভাবে সরব। আগামী ৪মে ভোটের ফলাফলেই স্পষ্ট হবে, ভবানীপুরের জনতা এই চার দফা প্রতিশ্রুতিতে কতটা আস্থা রাখল।

  • West Bengal Assembly Election: শাহকে সঙ্গে নিয়ে মনোনয়নপত্র পেশ শুভেন্দুর, বিজেপি-তৃণমূল সংঘর্ষে কালীঘাটে ধুন্ধুমার

    West Bengal Assembly Election: শাহকে সঙ্গে নিয়ে মনোনয়নপত্র পেশ শুভেন্দুর, বিজেপি-তৃণমূল সংঘর্ষে কালীঘাটে ধুন্ধুমার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নন্দীগ্রামে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছিলেন আগেই। তার পর বৃহস্পতিবার দুুপুরে ভবানীপুর বিধানসভা কেন্দ্রেও মনোনয়নপত্র জমা দিলেন রাজ্যের বিদায়ী বিরোধী দলনেতা বিজেপির শুভেন্দু অধিকারী। বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা করে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে সঙ্গে নিয়ে মনোনয়ন পেশ করলেন শুভেন্দু অধিকারী৷ সঙ্গে ছিলেন রাজ্য বিজেপি সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য। ছিলেন রাসবিহারী ও  বালিগঞ্জ কেন্দ্রের কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থীরাও। মনোনয়নপত্র (West Bengal Assembly Election) জমা দিয়েই শাহকে প্রণাম করে এই কেন্দ্রে জয়ের জন্য আশীর্বাদ চেয়ে নেন শুভেন্দু৷

    হাজরা মোড় থেকে শুরু রোড-শো

    এদিন শুভেন্দুর মনোনয়নপত্র পেশ উপলক্ষে রোড-শো শুরু হয় হাজরা মোড় থেকে। রোড-শোয়ের গাড়িতে শুভেন্দুর সঙ্গে ছিলেন অমিত শাহ-ও। তার আগে, হাজরা মোড়ে দলীয় নেতা-কর্মী-সমর্থকদের উপস্থিতিতে বক্তৃতা দেন শাহ। ভবানীপুরবাসীর উদ্দেশে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “পশ্চিমবঙ্গে তো পরিবর্তন হবেই। ভবানীপুরে পরিবর্তন করতে হবে কি হবে না? আমি হাতজোড় করে আপনাদের বলছি, পুরো রাজ্যের মুক্তির জন্য আমাদের প্রার্থী শুভেন্দু অধিকারীকে বিপুল ভোটে জয়ী করুন।” বক্তৃতার পর হাজরা মোড় থেকে শুরু হয় বিজেপির এই মেগা রোড শো৷

    বিজয় সংকল্প সভা

    শোভাযাত্রার নাম দেওয়া হয় বিজয় সংকল্প সভা৷ বিরাট ট্যাবলো গাড়ি করে তাতে সওয়ার হন শুভেন্দু অধিকারী৷ তাঁর পাশে আগাগোড়া ছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ৷ তাঁরা গোলাপ ফুল ছড়াতে ছড়াতে এগিয়ে যান আলিপুর সার্ভে বিল্ডিংয়ের দিকে৷ ট্যাবলোয় ছিলেন রাসবিহারী বিধানসভা কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী স্বপন দাশগুপ্ত এবং বালিগঞ্জ বিধানসভা কেন্দ্রর বিজেপি প্রার্থী শতরূপাও৷ শুভেন্দু অধিকারীর এই মনোনয়ন পেশকে কেন্দ্র করে হাজরা মোড়ে এদিন ছিল উপচে পড়া ভিড়৷ গেরুয়া ঝান্ডায় ছেয়ে যায় এলাকা৷ বিজেপি কর্মী সমর্থকদের মধ্যে উৎসাহ ছিল চোখে পড়ার মতো৷ ‘ভারত মাতা কী জয়’ স্লোগান সহযোগে কর্মী সমর্থকদের নিয়ে রোড শো এগিয়ে যায়৷

    কালীঘাটে রোড-শো পৌঁছোতেই উত্তেজনা 

    শুভেন্দুর মনোনয়ন পেশ এবং কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর উপস্থিতির কারণে আলিপুর ও ভবানীপুর চত্বরে কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা গড়ে তোলা হয়েছিল। অপ্রীতিকর ঘটনা রুখতে মোতায়েন ছিল র‍্যাফ ও প্রচুর সংখ্যক পুলিশ কর্মী (West Bengal Assembly Election)। তা সত্ত্বেও, কালীঘাটে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ির সামনে দিয়ে বিজেপির মিছিল যাওয়ার সময় তৈরি হয় উত্তেজনা। বিজেপির রোড শোকে লক্ষ্য করে পাল্টা ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দিতে থাকেন তৃণমূল কর্মী সমর্থকরা৷ স্লোগান ও পাল্টা স্লোগানে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে এলাকা৷ যদিও পরিস্থিতি সামাল দিতে মোতায়েন ছিল পুলিশ৷

    প্রচারগাড়ি থেকে নেমে পড়েন অমিত শাহ

    বিজেপির দাবি, অমিত শাহ-শুভেন্দুর রোড-শো যে পথ দিয়ে এগোনোর কথা, কালীঘাটে সেই পথের ধারে জড়ো হন তৃণমূলের কর্মী-সমর্থকরা। বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ির গলির মুখে জমায়েতও করেন তাঁরা। মুহুর্মুহু দেওয়া হয় স্লোগান। তৃণমূল কর্মী-সমর্থকদের  সঙ্গে বচসা, তর্কাতর্কিতে জড়িয়ে পড়েন বিজেপির কর্মী-সমর্থকরা। হাতাহাতিও হয়। তৃণমূল এবং বিজেপি কর্মী-সমর্থকদের সংঘাত এমন পর্যায়ে পৌঁছায় যে রোড শোয়ের প্রচারগাড়ি থেকে নেমে অন্য গাড়িতে চেপে সার্ভে বিল্ডিংয়ের দিকে রওনা দেন শাহ এবং শুভেন্দু। কিন্তু পরিস্থিতি সামাল দিতে হিমশিম খেতে হয় পুলিশকে। এর পর সার্ভে  বিল্ডিংয়ের কাছে মাইক বাজানো নিয়েও শুরু হয় বিবাদ। জানা গিয়েছে, এদিন সার্ভে বিল্ডিংয়ের কাছে জড়ো হওয়া তৃণমূল কর্মী-সমর্থকরা আচমকাই হামলা চালায় বিজেপির মিছিলে। জখম হন এক বিজেপি কর্মী। তাঁর চোখে আঘাত লেগেছে।  সেখানেও পরিস্থিতি সামলাতে হিমশিম খেতে দেখা যায় কেন্দ্রীয় বাহিনীকে।

    রাজনৈতিক মহলের মতে, ভোটের লড়াই শুরু হওয়ার আগেই ভবানীপুরের এই উত্তাপ বুঝিয়ে দিচ্ছে যে, আগামী দিনগুলোতে এই কেন্দ্রে লড়াই হতে চলেছে অত্যন্ত সেয়ানে সেয়ানে। রাজনৈতিক মহলের মতে, ২০২৬ সালের নির্বাচনে ভবানীপুর ও নন্দীগ্রাম দুই কেন্দ্রেই (West Bengal Assembly Election) লড়ছেন শুভেন্দু। তিনি কি আরও একবার ‘জায়ান্ট কিলারে’র তকমা পাবেন? উঠছে প্রশ্ন।

LinkedIn
Share