Tag: Suvendu Adhikari

Suvendu Adhikari

  • Jadavpur University Chaos: ‘‘আরজি করের মতো যাদবপুরে আধা সেনা মোতায়েন হোক’’, রাজ্যপালের হস্তক্ষেপ দাবি শুভেন্দুর

    Jadavpur University Chaos: ‘‘আরজি করের মতো যাদবপুরে আধা সেনা মোতায়েন হোক’’, রাজ্যপালের হস্তক্ষেপ দাবি শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে (Jadavpur University Chaos) তৃণমূল কংগ্রেসের শিক্ষক সংগঠন ওয়েবকুপা-র অনুষ্ঠান ঘিরে ধুন্ধুমার শিক্ষাঙ্গন। পরিস্থিতি এতটাই জটিল যে ভয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ে ঢুকতে পারছেন না ভারপ্রাপ্ত উপাচার্য। এই আবহে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করে সমস্ত রাজনৈতিক কর্মসূচি বন্ধ রাখা উচিত বলে মন্তব্য করলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। এজন্য রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোসকে তৎপর হতে অনুরোধ জানিয়েছেন তিনি।

    পঠনপাঠন কার্যত লাটে

    যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে (Jadavpur University Chaos) শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসুর আগমনের জেরে নতুন করে ছড়িয়েছে উত্তেজনা। যার জেরে কার্যত লাটে উঠেছে বিশ্ববিদ্যালয়ের পঠনপাঠন ও গবেষণা। ফের একবার বিক্ষোভ আর স্লোগানে মুখর হয়ে উঠেছে ক্যাম্পাস। এ প্রসঙ্গে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) বলেন, ‘‘অবিলম্বে রাজ্যপালের উচিত আরজি করের মতো যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করে সেখানে পঠনপাঠন, গবেষণা ও শিক্ষা সংক্রান্ত কাজ ছাড়া অন্য কাজ বন্ধ করে দেওয়া। অবিলম্বে ছাত্র সংসদেও তালা লাগানো উচিত, ওয়েবকুপার অফিসেও তালা লাগানো উচিত। ব্রাত্য বসুর অফিসেও তালা লাগানো উচিত আর তথাকথিত সেকু-মাকুদের দফতরেও তালা লাগানো উচিত। যাদবপুরে মাওবাদীদের যে ছাত্র সংগঠন রয়েছে তাদের বিরুদ্ধে অবিলম্বে ব্যবস্থা গ্রহণ করা উচিত।’’

    দায়ী সরকার, বিজেপি শক্ত হাতে মোকাবিলা করবে

    যাদবপুরে বিশৃঙ্খল (Jadavpur University Chaos) পরিস্থিতির জন্য তণমূল সরকারকে দায়ী করলেও শিক্ষাক্ষেত্রে যে অরাজক পরিস্থিতি কখনওই কাম্য নয়, তা জানায় বিজেপি। রাজ্য বিজেপির প্রধান মুখপাত্র শমীক ভট্টাচার্যেরও বক্তব্য, “শিঙ্গাঙ্গনের এই পরিস্থিতির জন্য দায়ী সরকার। কিন্তু অধ্যাপক, শিক্ষামন্ত্রীকে নিগ্রহ, বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরে অগ্নি-সংযোগ, এই রাজনীতি আমরা সমর্থন করি না।” বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর (Suvendu Adhikari) হুঙ্কার, ‘‘বাংলার মানুষ শুধু আমাদের পুলিশটা হাতে তুলে দিক। সেকু-মাকু, ওই দু’টোকেই উপড়ে ফেলে দেব! এক ঘণ্টা লাগবে!’’ শিক্ষাক্ষেত্রে শান্তিপূর্ণ পরিস্থিতির দাবি জানিয়ে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের চার নম্বর গেটের সামনে বিক্ষোভ দেখায় বিজেপির ছাত্র সংগঠন এবিভিপি। যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়কে নকশাল মুক্ত করার দাবিতে বিক্ষোভ দেখাতে থাকে তারা। এবিভিপির সমর্থকরা বিশ্ববিদ্যালয়ে ঢোকার চেষ্টা করলে তাদের সঙ্গে ছাত্রদের সংঘর্ষ বেঁধে যায়। বিজেপি রাজ্য় সভাপতি সুকান্ত মজুমদার বলেন,‘‘বিজেপি সরকারে আসবে ছাব্বিশে। তারপরে এরা আর বেঁচে থাকবে না।’’ বিরোধী দলনেতা শুভেন্দুর কথায়, ‘‘আলিগড় মুসলিম ইউনিভার্সিটি সোজা হয়ে গেছে। জেএনইউ অনেকটা সোজা হয়ে গেছে। এটা করতেও বেশিক্ষণ লাগবে না। যোগীজি, হিমন্ত বিশ্বশর্মার ফরমুলাতে এক ঘণ্টা লাগবে এদের সোজা করতে।’’

  • Jadavpur University Incident: হিন্দু ভোট ভাগ করতেই যাদবপুরকাণ্ড! ষড়যন্ত্রের গন্ধ পাচ্ছে বিজেপি

    Jadavpur University Incident: হিন্দু ভোট ভাগ করতেই যাদবপুরকাণ্ড! ষড়যন্ত্রের গন্ধ পাচ্ছে বিজেপি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: যাদবপুরকাণ্ডের (Jadavpur University Incident) নেপথ্যে রয়েছে ঘোর ষড়যন্ত্র। অন্তত এমনই মনে করে বিজেপি (BJP)। গেরুয়া শিবিরের দাবি, ২০২৬ সালে রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচন। তার আগে বিজেপিকে রুখতে ঘুরিয়ে সিপিএমের হাত শক্ত করতে চাইছে রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল।

    পুরোটা ড্রামা! (Jadavpur University Incident)

    বিজেপির রাজ্য সভাপতি তথা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার বলেন, “এটা (যাদবপুরকাণ্ড) মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশে পুরোটা ড্রামা হতে পারে।” তিনি বলেন, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পশ্চিমবঙ্গে এসএফআইকে প্রাসঙ্গিক করতে চাইছেন, মানে সিপিএমকে প্রাসঙ্গিক করতে চাইছেন।” তিনি বলেন, “বাংলাদেশের চিত্র দেখার পরে পশ্চিমবঙ্গে হিন্দুরাও বুঝতে পেরেছেন আগামীদিনে বাংলাদেশ পার্ট-টু তাঁদের জন্য অপেক্ষা করছে। হিন্দু ভোট ভাগ করতে হবে। হিন্দু ভোট যদি সব বিজেপি পেয়ে যায়, আর চার পার্সেন্ট পেয়ে গেলেই তো বিজেপি সরকারে চলে আসবে।”

    হিন্দু ভোট ভাগ করার কৌশল!

    বিজেপির রাজ্য সভাপতি তথা বালুরঘাটের সাংসদ বলেন, “আসলে হিন্দু ভোট ভাগ করার জন্য সিপিএমকে তোলা হচ্ছে। এখন তৃণমূল-এসএফআই সংঘর্ষ হবে। সিপিএম নেতাদের ওপর হামলা হবে। সিপিএম পার্টি অফিসে হামলা হবে। যখনই হামলা হয়, তার মানে আপনি প্রাসঙ্গিক হন। এখন সেই চেষ্টা করা হচ্ছে। উল্টো হামলা করে সিপিএমকে প্রাসঙ্গিক করার চেষ্টা চলছে।” তিনি বলেন, “সিপিএমকে ভোট দেওয়া মানেই তৃণমূলকে সাহায্য করা।”

    নয়া আইপ্যাকের হাত থাকতে পারে

    যাদবপুরকাণ্ডে নয়া আইপ্যাকের হাত থাকতে পারে বলেও (Jadavpur University Incident) আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন (BJP) সুকান্ত। তিনি বলেন, “যাদবপুরের ঘটনা নতুন যে আইপ্যাক হয়েছে, তার প্ল্যান হতে পারে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশে পুরোটাই ড্রামা হতে পারে। আইপ্যাক এর আগে এমন বহু কাজ করেছে।” সুকান্ত বলেন, “যারা ভোটে জেতার জন্য নিম্ন রুচির পরিচয় দিতে পারে, তারা এই ধরনের কাজ করতেই পারে। লোকসভা নির্বাচনে আমার বিরুদ্ধেই আইপ্যাক লিফলেট বিলি করেছিল। আমি ভোটে হার স্বীকার করে নিচ্ছি এই সব বলে লিফলেট বিলি করেছিল আইপ্যাক।”

    কি বললেন শুভেন্দু

    এদিকে, পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি ক্ষমতায় এলে যে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশ বদলে যাবে, তা মনে করিয়ে দিয়েছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা তথা নন্দীগ্রামের বিধায়ক জায়ান্ট কিলার (বিধানসভা নির্বাচনে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে হারানোয় এই খেতাব জোটে) শুভেন্দু অধিকারী। তিনি বলেন, “বিজেপি ক্ষমতায় এলে এক ঘণ্টায় নকশালমুক্ত করা হবে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়কে।” তিনি বলেন, “জনগণ পুলিশটাকে বিজেপির হাতে দিয়ে দিক, আলিগড় মুসলিম ইউনিভার্সিটি সোজা হয়ে গিয়েছে। জেএনইউ অনেকটা সোজা হয়ে গিয়েছে। এটা করতেও বেশিক্ষণ লাগবে না।” তিনি বলেন, “যোগীজি, হিমন্ত বিশ্বশর্মার ফরমুলায় এক ঘণ্টা লাগবে এদের সোজা করতে।”

    বিজেপিকে ওঝার সঙ্গে তুলনা

    বিজেপিকে ওঝার সঙ্গে তুলনা করে বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদারের দাবি, পদ্ম-পার্টি দেশের বহু বিশ্ববিদ্যালয় থেকে নকশালদের তাড়িয়েছে। বালুরঘাটের সাংসদ তথা কেন্দ্রীয় এই মন্ত্রী বলেন, “এরকম অনেক নকশালপন্থী সংগঠন যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে সক্রিয় রয়েছে। এরা ভারতের সংবিধান মানে না। ভারতের বর্তমান কাঠামোকে মানে না। এদের তো জিইয়ে রেখেছে তৃণমূল কংগ্রেস।” এর পরেই সুকান্ত বলেন, “২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে রাজ্যে ক্ষমতায় আসবে বিজেপি। তার পরে আর এরা বেঁচে থাকবে না।” তিনিও বলেন (Jadavpur University Incident), দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়, হায়দরাবাদ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এদের বিদায় করেছি, ওসমানিয়া ইউনিভার্সিটি এক সময় এই নকশালদের গড় ছিল। এখন আর তাদের খুঁজে পাওয়া যায় না।” তিনি বলেন, “বিজেপি হচ্ছে এদের ওঝা (BJP)।”

    প্রসঙ্গত, শনিবার যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্র সংসদ নির্বাচনের দাবিতে শিক্ষামন্ত্রীকে ঘিরে বিক্ষোভ প্রদর্শন হয়। অভিযোগ, এর পরে শিক্ষামন্ত্রীর গাড়ি ছাত্রদের ধাক্কা দিয়ে ক্যাম্পাস থেকে বেরিয়ে যায়। এই ঘটনায় উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে রাজ্য রাজনীতি। ঘটনার প্রতিবাদে সোমবার কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্র ধর্মঘট ডেকেছিল এসএফআই এবং ডিএসও।

    তৃতীয় পক্ষে’র হাত!

    যাদবপুরের ঘটনায় ‘তৃতীয় পক্ষে’র হাত দেখছেন রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসুও। তাঁর বক্তব্যেই এমন ইঙ্গিত মিলেছে। ব্রাত্য বলেন, “গুন্ডামি করতে চেয়েছিল এক দল।” তিনি বলেন, “ওঁরা ঘেরাও করতে চাইছিলেন, তাতে অসুবিধা ছিল না। তৃণমূলপন্থী অধ্যাপকদের মারধর, তৃণমূলের মন্ত্রীর গাড়ি ভাঙচুর, এগুলো হতেই পারে?” এর পরেই তিনি বলেন, “রাজনৈতিকভাবে দুর্বল ভাববেন না। আমরা রাজনৈতিকভাবেই লড়তে চাই।” তবে ভাঙচুরের ঘটনা সিপিএমের ছাত্র সংগঠন এসএফআই ঘটায়নি বলেও জানান তিনি। বিজেপির একাংশের দাবি, রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রীর এই বক্তব্যই বাম ও তৃণমূলের বোঝাপড়ার তত্ত্ব খাড়া করছে। রাজ্যের বিরোধী দলনেতা বলেন, “বাংলার মানুষ শুধু আমাদের হাতে পুলিশটা তুলে দিক। সেকু-মাকু, ওই দুটোকেই উপড়ে ফেলে দেব (BJP)! এর ঘণ্টা লাগবে (Jadavpur University Incident)।”

  • BJP: নন্দীগ্রামে সমবায় ভোটে গেরুয়া ঝড়, শূন্য তৃণমূল, ‘‘চোরদের বিরুদ্ধে জয়লাভ’’, বললেন শুভেন্দু

    BJP: নন্দীগ্রামে সমবায় ভোটে গেরুয়া ঝড়, শূন্য তৃণমূল, ‘‘চোরদের বিরুদ্ধে জয়লাভ’’, বললেন শুভেন্দু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর বিধানসভা কেন্দ্র নন্দীগ্রাম (Nandigram)। সেখানেই গেরুয়া ঝড়ে উড়ে গেল তৃণমূল। একটি সমবায় সমিতির নির্বাচনে বিজেপির (BJP) দাপটে খাতাই খুলতে পারল না তৃণমূল। ১২টি আসনের সবগুলিতেই জিতল গেরুয়া শিবির। অত্যন্ত হাস্যকর ভাবে পরাস্ত হতেই বিজেপির বিরুদ্ধে সন্ত্রাসের অভিযোগ এনেছে তৃণমূল।

    কী লিখলেন শুভেন্দু?

    নিজের সমাজমাধ্যমের পোস্টে শুভেন্দু অধিকারী লেখেন, ‘‘নন্দীগ্রাম ১ এ ৫ নম্বর জিপি’র অন্তর্গত দেশপ্রাণ সমবায় কৃষি উন্নয়ন সমিতি লিমিটেডের পরিচালন সমিতি নির্বাচনে ১২টি আসনের সবকটিতেই রাষ্ট্রবাদী প্রার্থীরা চোরদের বিরুদ্ধে জয়লাভ করেছেন। চোরেদের হারিয়ে রাষ্ট্রবাদী প্রার্থীদের নির্বাচিত করার জন্য ভোট দাতা সকল সমবায়ী বন্ধুদের প্রতি আমি কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জ্ঞাপন করি। নির্বাচিত সকল সদস্যদের জাতীয়তাবাদী গৈরিক অভিনন্দন জানাই।’’

    দেশপ্রাণ সমবায় কৃষি উন্নয়ন সমিতির নির্বাচন (BJP)

    রবিবারই ছিল নন্দীগ্রাম -১ ব্লকের হরিপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের দেশপ্রাণ সমবায় কৃষি উন্নয়ন সমিতির নির্বাচন। এই সমিতির মোট আসন সংখ্যা ১২টি। বিজেপি (BJP) ও তৃণমূল উভয় দলই ১২টি আসনেই প্রার্থী দিয়েছিল। অন্যদিকে বামেরা মাত্র ৪টি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিল। শেষপর্যন্ত ১২টি আসনই দখল করল বিজেপি। এরপরেই গেরুয়া শিবিরের কর্মীরা উৎসবে মেতে ওঠেন।

    ভোটার সংখ্যা ৭৯৯ জন

    জানা গিয়েছে, এই সমবায় আগে তৃণমূলেরই দখলে ছিল। সমবায়ের মোট ভোটার সংখ্যা ৭৯৯ জন। এদিন ভোট পড়ে ৬৩৯টি। সকাল থেকে কড়া নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে নির্বাচন প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়। বিকেলেই সামনে আসে ফলাফল। বিজেপি (BJP) কর্মী সমর্থকরা গেরুয়া আবির উড়িয়ে আনন্দে মেতে ওঠেন। যাতে এলাকায় অশান্তি সৃষ্টি না হয় তার জন্য মোতায়েন করা হয় বিরাট পুলিশ বাহিনী।

    কী বললেন বিজেপি (BJP) নেতা?

    জয়ের পর তমলুক সাংগঠনিক জেলা বিজেপির সাধারণ সম্পাদক মেঘনাথ পাল সংবাদমাধ্যমকে বলেন, “এই জয় শুভেন্দু অধিকারীর উন্নয়নের জয়। এই জয় মানুষের জয়। এলাকায় অশান্তি নয়, শান্তি চায় নন্দীগ্রামের মানুষ। তাই শাসকদের প্রত্যাখ্যান করে আমাদের প্রার্থীদের সমর্থন করেছে।”

    ২৭ ডিসেম্বর দিনক্ষণ ঠিক থাকলেও হয়নি ভোট

    প্রসঙ্গত, এই সমবায়ের নির্বাচনের দিনক্ষণ ঠিক হয়েছিল গত বছরের ২৭ ডিসেম্বর। তবে সেইসময় নন্দীগ্রামের পরিস্থিতি উত্তপ্ত থাকায় প্রশাসন নির্বাচন স্থগিত রাখে। এদিন সেই নির্বাচন হয়। আর সেই নির্বাচনে সব আসনেই জয়লাভ করেন বিজেপি সমর্থিত প্রার্থীরা। শুভেন্দু অধিকারীর গড়ে কার্যত খড়কুটোর মতো উড়ে গেল তৃণমূল।

  • Suvendu Adhikari: মমতার মন্তব্যে ‘ক্ষুণ্ণ হয়েছে কমিশনের ভাবমূর্তি’, জ্ঞানেশ কুমারকে চিঠি শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: মমতার মন্তব্যে ‘ক্ষুণ্ণ হয়েছে কমিশনের ভাবমূর্তি’, জ্ঞানেশ কুমারকে চিঠি শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বছর ঘুরলেই বঙ্গে ভোট। এই আবহে গতকাল বৃহস্পতিবারই নির্বাচন কমিশনকে নিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য করেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর অভিযোগ, নির্বাচন কমিশনের আশীর্বাদেই নাকি কারচুপি চলছে ভোটার তালিকায়। একইসঙ্গে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে বলেন, ‘‘অমিত শাহের দফতরের প্রধান সচিবকেই করা হয়েছে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার।’’ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এমন মন্তব্যের জেরে এবার মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে চিঠি দিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। শুভেন্দুর (Suvendu Adhikari) অভিযোগ, মমতার মন্তব্যে ক্ষুণ্ণ হয়েছে নির্বাচন কমিশনের ভাবমূর্তি।

    চিঠিতে কী লিখলেন শুভেন্দু (Suvendu Adhikari)

    চিঠিতে জ্ঞানেশ কুমারের উদ্দেশে শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) লিখেছেন, ‘‘পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী আপনার নিয়োগ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। উনি বলতে চান, সাংবিধানিক প্রক্রিয়াকে নাকি বিজেপি প্রভাবিত করছে। তৃণমূলের অভিযোগ, মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের পদে বিজেপি নিজেদের লোককে বসাচ্ছে। উনি ভালো করেই জানেন, আপনার নিয়োগ ২০২৩ সালের নতুন আইনের মাধ্যমে হয়েছে। নতুন এই আইন অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রী, লোকসভার বিরোধী দলনেতা এবং প্রধানমন্ত্রীর মনোনীত এক জন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী মুখ্য নির্বাচন কমিশনার নিয়োগের প্যানেলে থাকেন। নিরপেক্ষ এই পদ্ধতিতেই আপনার নিয়োগ হয়েছে। এর আগে নিয়ম ছিল, বয়োজ্যেষ্ঠ নির্বাচন কমিশনার মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের পদটি পাবেন। সেই নিয়ম অনুযায়ীও এই পদ আপনারই পাওয়ার কথা ছিল। কারণ, রাজীব কুমারের পর আপনিই নির্বাচন কমিশনার হিসাবে বয়োজ্যেষ্ঠ।’’

    সমস্ত সীমা ছাড়িয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী

    অমিত শাহের মন্ত্রকের লোককে করা হয়েছে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এমন মন্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) লিখেছেন, ‘‘কেন্দ্রীয় মন্ত্রকে আপনার কাজের সময়টিকে তুলে ধরেছেন মমতা। কিন্তু উনি এটা উল্লেখ করতে ভুলে গিয়েছেন যে, মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের দায়িত্ব যিনি পান, কেন্দ্রীয় মন্ত্রকের সচিব পদে তাঁর কাজের অভিজ্ঞতা থাকা বাধ্যতামূলক। নির্বাচন কমিশন একটি সম্পূর্ণ স্বতন্ত্র প্রতিষ্ঠান, যা দেশের ভোটপ্রক্রিয়া নিরপেক্ষ ভাবে পরিচালনা করে। ভারতের সংবিধান কমিশনকে এই অধিকার দিয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী সেই কমিশনকে আক্রমণ করে সব সীমা ছাড়িয়ে গিয়েছেন। এই নিয়োগ নিয়ে প্রশ্ন তোলার এক্তিয়ারই ওঁর নেই। ভোটার তালিকা নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর ভিত্তিহীন অভিযোগ সাধারণ মানুষের মধ্যে বিভ্রান্তি তৈরি করবে। প্রকাশ্যে মিথ্যে অভিযোগ করে ইচ্ছাকৃতভাবে নির্বাচন কমিশনের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করা হচ্ছে।’’

    গতকালের সমাবেশ নিয়ে শুভেন্দুর প্রতিক্রিয়া (Suvendu Adhikari)

    গতকালের সমাবেশ নিয়ে আগেই চাঁচাছোলা ভাষায় আক্রমণ করেছিলেন শুভেন্দু। তিনি বলেন, ‘‘মুখ্যমন্ত্রী জোরে জোরে খেলা হবে বলেছেন, সরাসরি হুঙ্কার দিচ্ছেন। নির্বাচন কমিশন সাংবিধানিক বডি। আর আপনি বলছেন অমিত শাহের দফতরের সচিবকে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার করে দিয়েছে। আপনি চ্যালেঞ্জ করে কেন সুপ্রিম কোর্টে যাচ্ছেন না? আসলে আপনি ভয় পেয়েছেন।’’

  • Suvendu Adhikari: ‘‘পাকিস্তানে সবে বরাতে ১ দিন ছুটি, আপনি কেন ২ দিন দেন?’’, মমতাকে তীব্র আক্রমণ শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: ‘‘পাকিস্তানে সবে বরাতে ১ দিন ছুটি, আপনি কেন ২ দিন দেন?’’, মমতাকে তীব্র আক্রমণ শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কলকাতা পুরসভার হিন্দি মাধ্যম স্কুলে বিশ্বকর্মা পুজোর (Biswakarma Puja) ছুটি বাতিল করে ইদের ছুটি বাড়ানোর নির্দেশিকা জারি করা হয়েছিল বুধবারই। এনিয়ে বিভিন্ন মহলে সমালোচনার প্রবল ঝড় ওঠে। মমতা সরকারের বিরুদ্ধে তোষণের রাজনীতি করার অভিযোগ করে বিজেপি। অন্যদিকে এই নির্দেশিকা সামনে আসতেই তৃণমূল সরকারকে তীব্র আক্রমণ করেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। বুধবার সংবাদমাধ্যমকে তিনি বলেন, ‘‘ইসলামিক দেশ পাকিস্তানে সবে বরাতে ১ দিন ছুটি দেয়। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সেখানে ২ দিন ছুটি দেন কেন?’’

    কী বললেন শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)?

    এদিন শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) আরও বলেন, ‘‘আমি বলেছিলাম এই সরকারটা ‘মুসলিম লিগ টু’ এর সরকার। মুখ্যমন্ত্রী তেলে বেগুনে জ্বলে উঠেছিলেন। কলকাতা পুরসভার নোটিশ সেটা প্রমাণ করল। ইদে ২ দিন কেন, ৪ দিন ছুটি দিন না। বিশ্বকর্মার ছুটিটাকে বন্ধ করে কেন? হিন্দুদের ওপর আঘাত করে কেন? এতে কী মজা পান আপনারা? ইসলামিক দেশ পাকিস্তান সবে বরাতে ১ দিন ছুটি দেয়। আপনি ২ দিন ছুটি দেন। কেন করেন এগুলো? আপনি হিন্দুদের আক্রমণ করছেন কেন?’’

    আক্রমণ করেছেন বিজেপি নেত্রী লকেট চট্টোপাধ্যায়ও

    এ প্রসঙ্গে তোপ দেগেছেন বিজেপি নেত্রী লকেট চট্টোপাধ্যায়। এই প্রসঙ্গে বিজেপি নেত্রী লকেট চট্টোপাধ্যায় নিজের এক্স মাধ্যমে লিখেছেন, ‘‘মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হিন্দু বিরোধী মানসিকতাকে প্রকাশ করে এহেন নোটিশ।’’ মুসলিম তোষণের এমন রাজনীতি পশ্চিমবঙ্গের সামাজিক কাঠামোকে ধ্বংস করছে বলেও অভিযোগ লকেটের। এমন চললে মানুষ রামকৃষ্ণ, চৈতন্যদেবকে আগামী কয়েক বছরের মধ্যে ভুলে যাবে বলেও মন্তব্য করেন বিজেপি নেত্রী।

    প্রবল চাপে নোটিশ প্রত্যাহার করে পুরসভা

    যদিও প্রবল চাপে গতকাল বুধবার এই সংক্রান্ত নির্দেশিকা পুরসভার তরফে তুলে নেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। একই সঙ্গে চারিদিকে বিক্ষোভের মুখে ক্ষমাও চেয়ে নেওয়া হয়েছে বলে খবর। এই বিষয়ে পুরসভা অবশ্য সাফাই দিয়ে বলছে, উচ্চ আধিকারিকদের অনুমোদন ছাড়াই এই নির্দেশিকা জারি করা হয়। এখানেই উঠছে প্রশ্ন। আধিকারিকদের অনুমতি ছাড়া এত বড় নির্দেশিকা জারি হল কীভাবে।

  • Mithun Attacks Mamata: মহাকুম্ভকে ‘মৃত্যুকুম্ভ’ বলায় মমতাকে ধুয়ে দিলেন ‘মহাগুরু’

    Mithun Attacks Mamata: মহাকুম্ভকে ‘মৃত্যুকুম্ভ’ বলায় মমতাকে ধুয়ে দিলেন ‘মহাগুরু’

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মহাকুম্ভকে (Maha Kumbh 2025) ‘মৃত্যুকুম্ভ’ উল্লেখ করা নিয়ে মমতাকে এবার পাল্টা (Mithun Attacks Mamata) দিলেন বিজেপি নেতা তথা বিখ্যাত অভিনেতা মিঠুন চক্রবর্তী (Mithun Chakraborty)। দাদাসাহেব ফালকে জয়ী অভিনেতা তথা বিজেপি নেতার সাফ কথা, মমতা ভুল বলছেন, আসল কথা হল প্রয়াগরাজে সনাতনী ধর্মের আস্থার জয় হয়েছে। রেকর্ড সংখ্যক মানুষ সেখানে পূণ্যস্নান করেছেন। এদিকে, মহাকুম্ভের ১৪৪ বছরের চক্র নিয়ে সংশয় প্রকাশ করায় মুখ্যমন্ত্রীকে তুলোধনা করলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)।

    কুম্ভ নিয়ে ঢোঁক গিললেন মমতা!

    ‘মৃত্যুকুম্ভ’ মন্তব্যের বিতর্ক নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা মঙ্গলবার ঢোঁক গিলে বলেন, ‘‘কুম্ভস্নান নিয়ে কিছু বলিনি। আমি বলেছি, কুম্ভ নিয়ে অব্যবস্থার কথা।’’ সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মিঠুন (Mithun Attacks Mamata) বলেন, ‘‘কে কী বলছেন তার মধ্যে আমি যাব না। তবে চোখ তো মিথ্যে কথা বলে না। সত্তর কোটি ইতিমধ্যে হয়ে গিয়েছে। সবমিলিয়ে কত হবে জানি না, ভগবানের কাছে প্রার্থনা করি, সবটা যেন সুস্থভাবে সম্পন্ন হয়।’’

    ‘‘যেটা উনি বলেছেন সেটা পুরোপুরি ভুল’’

    মঙ্গলবার মুখ্যমন্ত্রী বলেছিলেন, ‘‘আমি যতদূর জানি, পূণ্যস্নান সংক্রান্তিতে হয়। যেমন গঙ্গাসাগর প্রতিবার হয়, মহাকুম্ভে ১২ বছর পর পর হয়। তা বলে ১৪৪ বছর অন্তর মহাকুম্ভ, আমি যতটুক শুনেছি, এটা ঠিক নয়!’’ জবাবে মিঠুন (Mithun Attacks Mamata) বলেন, ‘‘যেটা উনি (মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়) বলেছেন সেটা পুরোপুরি ভুল। ৭০ কোটি মানুষ প্রয়াগরাজে এসেছেন, পূণ্যস্নান করেছেন, এটা কি ভুল? এই মহাস্নান গরিব থেকে বড়লোক, সবাই এক জায়গায়, কোনও ভেদাভেদ নেই। ফলে সনাতনী ধর্মর কী পাওয়ার সেটা বুঝিয়ে দিল, গর্ব সে কহো হাম সনাতনী হ্যায়!’’

    ‘‘মানুষ দেখেছে সনাতন ধর্মের শক্তি’’

    মমতা দাবি করেছেন, মহাকুম্ভ (Maha Kumbh 2025) নিয়ে হাইপ তুলেছে যোগী প্রশাসন। বাংলার মুখ্যমন্ত্রীর এই দাবি নস্যৎ করে ‘মহাগুরু’ (Mithun Attacks Mamata) বলেন, ‘‘এতে হাইপ তোলার কী আছে, হাইপ কেউ তোলেননি, আপনা থেকেই উঠেছে! যোগী সাহেব কাউকে ফোন করে বলেননি। মহাকুম্ভ পুণ্যের জায়গা, ফলে লোক নিজে থেকেই জড়ো হয়েছে, মানুষ দেখেছে সনাতন ধর্মের শক্তি।’’ একই সঙ্গে মিঠুন এও দাবি করেছেন, বাংলা থেকে খুন, ধর্ষণ, রাহাজানির ঘটনা বন্ধ করতে চাইলে সবার আগে তৃণমূলের সরকারকে হঠিয়ে বিজেপির সরকার প্রতিষ্ঠা করতে হবে। সেই দায়িত্ব নিতে হবে বাংলার মানুষকেই।

    ‘‘সনাতন ধর্মের পবিত্র ঘটনাগুলিকে অবমূল্যায়ন করার প্রচেষ্টা’’

    শুধু মিঠুনই নন, মমতাকে একহাত নেন শুভেন্দু অধিকারীও (Suvendu Adhikari)। সোশ্যাল মিডিয়ায় মমতাকে কটাক্ষ করে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা লেখেন, ‘‘‘ধর্মীয়’ ইতিহাসে স্নাতকোত্তর ডিগ্রিধারী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দাবি করছেন যে, ১৪৪ বছরের মহাকুম্ভ চক্র ‘ভুল এবং প্রচারিত’। ঐতিহাসিক নথি, জ্যোতিষশাস্ত্র এবং জ্যোতির্বিদ্যাবিজ্ঞান মহাকুম্ভের (Maha Kumbh 2025) বৈধতা নিশ্চিত করে। তাঁর (মমতার) বারবার বিভ্রান্তিকর বক্তব্য রাজনৈতিকভাবে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত এবং সনাতন ধর্মের পবিত্র ঘটনাগুলিকে অবমূল্যায়ন ও অবমূল্যায়ন করার প্রচেষ্টা বলে মনে হচ্ছে, যা তাঁর তুষ্টির রাজনীতির ব্র্যান্ড দ্বারাও প্রভাবিত।’’ শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) আরও বলেন, ‘‘যেহেতু তিনি ১৪৪ বছরের চক্রকে উড়িয়ে দিচ্ছেন, তাই তিনি অবশ্যই যথাক্রমে ১২ বছর অন্তর পূর্ণ কুম্ভ, এবং ৬ বছর অন্তর অর্ধ কুম্ভ মেলার চক্র সম্পর্কেও সন্দেহবাদী। এই নির্বাচনী সংশয়বাদ তাঁর হিন্দু-বিরোধী রাজনৈতিক এজেন্ডাকে প্রকাশ করে।’’

    ‘‘তৃণমূলের ৫০ এমএলএ কুম্ভে স্নান করেছেন’’!

    এরই সঙ্গে, নন্দীগ্রামের বিজেপি নেতা মমতাকে মনে করিয়ে দেন, তাঁর (মমতার) দলেরই কত নেতা-মন্ত্রী সব প্রয়াগে গিয়ে পুণ্যডুব দিয়ে এসেছেন। শুভেন্দু অধিকারী বলেন, ‘‘আমি নিজে ওখানে স্নান করেছি। তৃণমূলের তো ৫০ জন এমএলএ ওখানে(কুম্ভে) স্নান করেছেন। মুখ্যমন্ত্রীর মৃত্যুকুম্ভ বলার পরে ক্যানিংয়ের এমএলএ স্নান করেছেন। উত্তরপাড়ার এমএলএ স্নান করেছেন শুনলাম। যাঁরা এসব বলছেন, তাঁরা শুধুমাত্র ক্যামেরার সামনে আসার জন্য এসব বলেন। তবে বিপদে পড়লে তাঁরাই বলেন ভগবান আমায় রক্ষা করুন। সেই সঙ্গে তৃণমূলের নেতারা মহাকুম্ভে স্নান করে সোশ্যাল মিডিয়ায় ছবি দেন বলেও দাবি করেছেন শুভেন্দু (Suvendu Adhikari)।’’

  • Suvendu Adhikari: ‘‘ডাক্তারদের বেতন বৃদ্ধি আন্দোলনকে ছত্রভঙ্গ করতেই’’, মমতাকে তোপ শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: ‘‘ডাক্তারদের বেতন বৃদ্ধি আন্দোলনকে ছত্রভঙ্গ করতেই’’, মমতাকে তোপ শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চিকিৎসকদের বেতনবৃদ্ধি আসলে ডাক্তার আন্দোলনকে ছত্রভঙ্গ করতেই। এমনটাই দাবি শুভেন্দু অধিকারীর (Suvendu Adhikari)। এছাড়াও চিকিৎসা পরিষেবা, মেডিক্যাল কলেজ ফেস্ট-সহ একাধিক বিষয়ে মমতাকে (Mamata Banerjee) তোপ দেগেছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা।

    চিকিৎসকদের আন্দোলনকে ছত্রভঙ্গ করার ছক

    নিজের এক্স মাধ্যমে শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) লেখেন, ‘‘আরজি কর মেডিক্যাল কলেজের ডাক্তার বোনটি আজও বিচার পাননি। বোন অভয়ার বাবা মা প্রতিদিন বিচারের দাবিতে মহামান্য আদালতের দুয়ারে দুয়ারে ঘুরছেন। বোন অভয়ার সহকর্মী চিকিৎসকরা এখনো বিচারের দাবিতে আন্দোলনরত ও সংঘবদ্ধ। এরকম একটা প্রেক্ষাপটে মুখ্যমন্ত্রী ধনধান্য স্টেডিয়াম থেকে সরকারি চিকিৎসকদের বেতন বৃদ্ধির ঘোষণা করলেন যা আদপে চিকিৎসকদের আন্দোলনকে ছত্রভঙ্গ করার এক সুষ্পষ্ট পরিকল্পিত ছক।’’

    স্বাধীন ভারতের কালিমালিপ্ত অধ্যায় আরজি কর

    শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) লেখেন, ‘‘আরজি কর ধর্ষণ কান্ড স্বাধীন ভারতে ঘটা পশ্চিমবঙ্গের সব থেকে কালিমালিপ্ত অধ্যায়। সরকারি চিকিৎসকদের আন্দোলনের ফলে দেশে বিদেশে স্বাস্থ্যমন্ত্রী তথা পুলিশ মন্ত্রী ও মুখ্যমন্ত্রীর মুখ পুড়েছে। রাজ্যে স্বাস্থ্য ব্যবস্থার জীর্ণ দশা দেশের সামনে উন্মোচিত হয়ে গিয়েছে, যা অবশ্যই মুখ্যমন্ত্রীর জন্য অস্বস্তিকর।’’

    এগিয়ে বিজেপি শাসিত রাজ্যগুলি

    বিরোধী দলনেতার (Suvendu Adhikari) মতে, ‘‘আজ সরকারি চিকিৎসকদের বেতন বৃদ্ধির ঘোষণার ফলে চিকিৎসকদের বেতন যে যৎসামান্য বেড়েছে তার সঙ্গে যে পরিমাণ সামান্য শতাংশ মহার্ঘ ভাতা পশ্চিমবঙ্গ সরকার দেয় তা যোগ করে মাসের শেষে যে টাকা তারা হাতে পাবেন তা দেশের বিজেপি শাসিত রাজ্যগুলিতে একই পদে কর্মরত চিকিৎসকরা যে বেতন পান তার থেকে অনেকটাই কম, সুতরাং এই বেতন বৃদ্ধিতে সরকারি চিকিৎসকরা উপকৃত হবেন না। আর নার্স, স্বাস্থ্য কর্মচারীরা ও এজেন্সির মাধ্যমে নিয়োজিত হাসপাতালের কর্মচারীগণ এই বেতন বৃদ্ধি থেকে বঞ্চিত হলেন তাদের বিষয়ে সরকারের কোনও চিন্তাভাবনা রয়েছে বলে মনে হয় না।’’

    নির্বাচনের আগে ঘুষ দিচ্ছেন মমতা

    শুভেন্দু অধিকারীর মতে, ‘‘মমতা ব্যনার্জী এছাড়াও প্রতিটি মেডিকেল কলেজে “ফেস্ট” আয়োজন করার জন্য দু কোটি টাকা করে দেওয়ার ঘোষণা করেছেন। বিগত দশ বছর ধরে মেডিকেল কলেজ সহ রাজ্যের বিভিন্ন কলেজ গুলিতে ছাত্র সংসদের নির্বাচন হয় নি। এত দিন শাসকদলের ছাত্র নেতারা ফেস্টের টাকা নয়ছয় করতো, এ বার মুখ্যমন্ত্রী দুর্নীতির লাইসেন্স দিয়ে দিলেন। রোগী পরিষেবা যেখানে নিম্ন মানের সেখানে এই অনুদান মানানসই? রোগীদের স্যালাইন বাইরে থেকে কিনতে হচ্ছে, সেখানে ২ কোটি টাকা ফেস্টের জন্য অনুদান! এটা কি নির্বাচনের আগে ঘুষ?’’

  • Suvendu Adhikari: ‘‘শাদ রাদির মতো জঙ্গি ভোট দিল কীভাবে?’’ বাংলায় এনআরসি-র দাবি শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: ‘‘শাদ রাদির মতো জঙ্গি ভোট দিল কীভাবে?’’ বাংলায় এনআরসি-র দাবি শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবার বাংলায় এনআরসি চালুর দাবি করলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। সম্প্রতি ভুয়ো ভোটার ইস্যুতে নানা কথা বলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী। সেই প্রসঙ্গ টেনে আনেন শুভেন্দু অধিকারী। তৃণমূলের সঙ্গে জঙ্গিযোগের উদাহরণ দিয়ে বিরোধী দলনেতা বলেন, ‘‘পশ্চিমবঙ্গে বেআইনি ভোটার রয়েছে। না হলে শাদ রাদির মতো জঙ্গি ভোট দিল কীভাবে? তিনি বলেন, উত্তরাখণ্ডে, গুজরাটে এনআরসি হয়েছে।মহারাষ্ট্র শুরু করেছে। এনডিএ শাসিত রাজ্যে এনআরসির কাজ চলেছে।’’

    কী বললেন শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)?

    শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) আরও বলেন, ‘‘পশ্চিমবঙ্গে আমি তো মনে করি সমস্ত দল মিলে এনআরসির দাবি তোলা দরকার। আসুন না সবাই মিলে বলে… উত্তরাখণ্ড করেছে, গুজরাট করেছে, অন্য স্টেট করছে, মহারাষ্ট্র শুরু করেছে কাজ। আপনাকে আমি জিজ্ঞাসা করছি, শাদ রাদি ভোট দিল কীভাবে! হরিহরপাড়া থেকে গ্রেফতার করেছিল এসটিএফ অসম, বাংলার পুলিশ নয়, সে দুবার ভোট দিল। বাংলাদেশের জঙ্গি সে দুবার ভোট দিল কীভাবে? স্বাভাবিকভাবে এই রাজ্যে অবৈধ ভোটার আছে। এখানে নির্বাচন কমিশনের কোনও ভূমিকা নেই।’’

    গতকাল রবিবার ভবানীপুরে হাজির ছিলেন শুভেন্দু (Suvendu Adhikari)

    গতকাল রবিবার অর্থাৎ ২৩ ফেব্রুয়ারি ভবানীপুর বিধানসভা কেন্দ্রে একটি সম্মেলন করেন বিজেপির কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষক সুনীল বনসল। সেখানেই হাজির ছিলেন বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। এখানেই শুভেন্দু অধিকারী বলেন, ‘‘সমস্ত দল মিলে এনআরসি-র (NRC) দাবি করা উচিত। ভারতীয় নাগরিক হলেই ভোটার লিস্টে নাম উঠবে। আধার কার্ড থাকবে। এটাই করুন না। উত্তরাখণ্ড করেছে, গুজরাট করেছে, মহারাষ্ট্র শুরু করেছে। অন্য রাজ্যও করছে। বিজেপি শাসিত রাজ্যগুলি এই কাজ শুরু করেছে। আমাদের বাংলা বর্ডারিং স্টেট। আমাদের পাশেই বাংলাদেশ-নেপাল-ভূটান। আমরা এনআরসি করে কে ভারতীয় নাগরিক আর কে নয় তা চিহ্নিত করে দিই।’’ প্রসঙ্গত, বিজেপি অনেক দিন ধরেই দাবি করছে বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীদের এখানে ভোটার লিস্টে নাম তুলে দিচ্ছে তৃণমূল। এবার সেই ইস্যুতে ফের একবার সরব হলেন শুভেন্দু।

  • Suvendu Adhikari: ‘‘ওটা অমৃতকুম্ভ, মমতা যা বলেছেন তার পরিণতি ভয়ঙ্কর হবে’’, পুণ্যস্নান সেরেই তোপ শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: ‘‘ওটা অমৃতকুম্ভ, মমতা যা বলেছেন তার পরিণতি ভয়ঙ্কর হবে’’, পুণ্যস্নান সেরেই তোপ শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গতকাল শুক্রবারই মহাকুম্ভে স্নান করেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। এরপরে ফের একবার তিনি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিশানা করেন। তিনি বলেন, ‘‘ওটা অমৃতকুম্ভ, মমতা (Mamata Banerjee) যা বলেছেন তার পরিণতি ভয়ঙ্কর হবে।’’ নিজের সমাজমাধ্যমে শুভেন্দু লেখেন, ‘‘১৪৪ বছর পরে মাহেন্দ্রক্ষণে আসা এই পূর্ণ মহাকুম্ভের মাহাত্ম্য সুবিশাল। মহাকুম্ভ শুধুমাত্র একটি ধর্মীয় উৎসব নয়, বিজ্ঞান ও আধ্যাত্মিকতার এক মহামিলন হল এই মহাকুম্ভ, যা জ্ঞান ও আধ্যাত্মিক চেতনার দ্বারকে উন্মুক্ত করে দেয়।’’ শুক্রবার পুণ্যস্নান করে শুভেন্দু এক্স মাধ্যমে লেখেন, ‘‘মা গঙ্গাকে ধন্যবাদ জানাব কারণ তাঁর আশীর্বাদেই আমি মহাকুম্ভে আসতে পারলাম। এরপর নিজের জীবদ্দশায় আর কোনও দিন মহাকুম্ভ চোখে দেখতে পারব না। এটা একটা অসাধারণ অভিজ্ঞতা।’’

    প্রধানমন্ত্রী ও উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানান শুভেন্দু

    শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) আরও লেখেন, ‘‘আমি যশস্বী প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদিজি, উত্তর প্রদেশের যশস্বী মুখ্যমন্ত্রী শ্রী যোগী আদিত্যনাথ জি ও উত্তর প্রদেশের প্রশাসনকে বিশেষ ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাই সুন্দর, সু’ব্যবস্থার জন্য। মানবতা ও আধ্যাত্মিকতার মেলবন্ধন এই পবিত্র মহাকুম্ভের সাক্ষী থাকতে পেরে আমি নিজেকে ধন্য মনে করছি।’’ সম্প্রতি ন্যাশনাল গ্রিন ট্রাইব্যুনালের রিপোর্টে বলা হয়েছিল, কুম্ভের জল অতিরিক্ত দূষিত। তবে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ দাবি করেছিলেন, সেই জল শুধু স্নান নয়, খাওয়ারও যোগ্য। শুভেন্দুকেও সেই জল পান করতে দেখা যায়।

    রাজ্যপালের মন্তব্যও উল্লেখ করেন শুভেন্দু

    রাজ্যপালের মন্তব্যের রেশ টেনে শুভেন্দুর (Suvendu Adhikari) মন্তব্য, ‘‘রাজ্যপাল নিজে বলেছেন মৃত্যুঞ্জয় মহাকুম্ভ। মানে মৃত্যুকে জয় করা যেতে পারে এই কুম্ভ থেকে। এটা আমাদের মতো সনাতনীদের আস্থা। আর উনি বলছেন মৃত্যুকম্ভ। তাই আমাদের প্রতিবাদ জারি থাকবে। সনাতন সমাজ যতদিন থাকবে ততদিন প্রতিবাদ চলবে।’’

    ১০০ কোটির বেশি হিন্দুরা আঘাত পেয়েছেন মমতার মন্তব্যে

    শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) মহাকুম্ভকে ‘অমৃতকুম্ভ’ বলে অভিহিত করেন। বলেন, ‘‘এটা অমৃতকুম্ভ। মুখ্যমন্ত্রীর দলের কতজন গিয়েছেন। কিছুজন ছবি ছেড়েছেন, কিছুজন ছাড়েননি। মুখ্যমন্ত্রী জানেন না, তাঁরা পাড়া-প্রতিবেশী সকলে গিয়ে কুম্ভতে স্নান করে এসেছেন।’’ এই প্রেক্ষিতেই শুভেন্দুর দাবি, ‘‘মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) যে মন্তব্য করেছেন তাতে ১০০ কোটির বেশি হিন্দুরা আঘাত পেয়েছেন। ভারতের ইতিহাস, শাস্ত্র, সংস্কৃতিকে আঘাত করেছেন তিনি।’’

    মমতার মন্তব্য ক্ষমাহীন (Mamata Banerjee)

    রাজ্যের বিরোধী দলনেতার (Suvendu Adhikari) কথায়, ‘‘মমতা যে মন্তব্য করেছেন তা ক্ষমাহীন অপরাধ। এর পরিণতি ভয়ঙ্কর হবে। উত্তরপ্রদেশ প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে যে নানা আলোচনা হচ্ছে, তাও পাত্তা দেননি শুভেন্দু। বরং তাঁর পাল্টা বক্তব্য, ৬০ কোটি হিন্দু স্নান করেছেন, আরও ৫ কোটি ওখানে রয়েছে। অভূতপূর্ব ব্যবস্থাপনা রয়েছে প্রয়াগরাজে।’’ শুক্রবার কুম্ভে পুণ্যস্নান সেরে সেদিনই কলকাতায় ফিরেছেন শুভেন্দু।

  • Suvendu Adhikari: ‘‘হিন্দুদের কাছে আপনি কোয়েশ্চেন মার্ক হয়ে গিয়েছেন’’, মমতাকে তুলোধনা শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: ‘‘হিন্দুদের কাছে আপনি কোয়েশ্চেন মার্ক হয়ে গিয়েছেন’’, মমতাকে তুলোধনা শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সম্প্রতি বিধানসভায় মহাকুম্ভকে ‘মৃত্যুকুম্ভ’ বলেছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী। মমতার (Mamata Banerjee) এই মন্তব্যে প্রবল নিন্দার ঝড় শুরু হয় বিভিন্ন মহলে। প্রতিবাদ জানান সাধু-সন্তরাও। এবার এরই প্রতিবাদে রাজভবনে গিয়ে রাজ্যপালের কাছে অভিযোগ জানালেন বিজেপি বিধায়করা। সূত্রের খবর, এদিন বিধানসভার কার্যবিবরণী থেকে মৃত্যুকুম্ভ শব্দ বাদ দেওয়ার দাবিও জানিয়েছেন গেরুয়া ব্রিগেডের বিধায়করা। একইসঙ্গে এই ইস্যুতে ফের একবার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে চাঁচাছোলা ভাষায় তোপ দাগলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। বিরোধী দলনেতার দাবি, ‘‘সনাতন ধর্ম যতদিন থাকবে ততদিন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এই মন্তব্যের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জারি থাকবে।’’ একইসঙ্গে রাজ্যপালের বক্তব্যকে উদ্ধৃত করে নন্দীগ্রামের বিধায়ক বলেন, এটা মৃত্যুঞ্জয় মহাকুম্ভ। মানে মৃত্যুকে জয় করা যেতে পারে এই কুম্ভ থেকে। এটাই আমাদের মতো সনাতনীদের আস্থা।

    মন্তব্যের পরেও কোনও অনুশোচনা নেই, দাবি শুভেন্দুর (Suvendu Adhikari)

    প্রসঙ্গত, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এমন বিতর্কিত মন্তব্যের পরে চারিদিকে সমালোচনার ঝড় উঠলেও এখনও নির্বিকার রয়েছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী। এই প্রসঙ্গে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীকে ব্যাপক আক্রমণ করেন শুভেন্দু অধিকারী। একইসঙ্গে শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের বাংলায় এই ধরনের শব্দ রেকর্ডে থাকা উচিত নয় বলে মন্তব্য করেন বিরোধী দলনেতা। শুভেন্দু অধিকারী বলেন, ‘‘৪৮ ঘণ্টা কেটে গিয়েছে। কোনও তাপ-উত্তাপ নেই। কোনও অনুশোচনা নেই। রাজ্যপাল স্পিকারকে বলুন এক্সপাঞ্জ করতে। আমরা চাই না রেকর্ডে থাকুক। শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের বাংলায় এই শব্দ রেকর্ডে থাকুক আমরা চাই না।’’

    মমতার বিরুদ্ধে ভোট ব্যাঙ্কের রাজনীতি করার অভিযোগ

    একইসঙ্গে মমতার বিরুদ্ধে মুসলিমদের নিয়ে ভোট ব্যাঙ্কের রাজনীতি করার অভিযোগও তুলেছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা। শুভেন্দু বলেন, ‘‘রাজ্যপাল নিজে বলেছেন মৃত্যুঞ্জয় মহাকুম্ভ। মানে মৃত্যুকে জয় করা যেতে পারে এই কুম্ভ থেকে। এটা আমাদের মতো সনাতনীদের আস্থা। আর উনি বলছেন মৃত্যুকম্ভ। তাই আমাদের প্রতিবাদ জারি থাকবে। সনাতন সমাজ যতদিন থাকবে ততদিন প্রতিবাদ চলবে। আমরা আমাদের ধর্মের সঙ্গে তঞ্চকতা বিগত দিনে করিনি। আমরা রেড রোডে অন্য ধর্মের প্রার্থনায় চলে যান। সেখানে বিরক্ত হন লোকেরা। কিন্তু আপনি চলে যান ভোটের জন্য। আপনার মতলব সবাই জানে।’’

    হিন্দু ভোটে জিতেছে বিজেপি!

    এদিন সাংবাদিকদের সামনে আরও একবার স্পষ্ট ভাষায় শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) জানান যে বিজেপি জিতেছে হিন্দুদের ভোটে, জনজাতিদের ভোটে। বিরোধী দলনেতা বলেন, ‘‘আমাকে ইঙ্গিত করে অনেক কথা বলেছিলেন। নতুন হিন্দু নেতা বলেছিলেন। আমি হিন্দু ধর্মীয় নেতা নই। হিন্দু নেতা শঙ্করাচার্যরা। আখড়ার যাঁরা নেতৃত্ব দিচ্ছেন তাঁরা। আমাদের রাজ্যে যেমন কার্তিক মহারাজরা রয়েছেন। এরা ধর্মীয় নেতা। আধ্যাত্মিক চেতনা জাগ্রত করছেন। শুভেন্দুর সাফ দাবি, মুসলিমদের ভোটে জেতেনি বিজেপি। জয় এসেছিল সনতনীদের ভোট, জনজাতিদের ভোটে।’’

    মুখ্যমন্ত্রীকে সাম্প্রদায়িক বলে আক্রমণ

    এদিনের সাংবাদিক সম্মেলনে ফের একবার ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে নন্দীগ্রামের প্রসঙ্গও টেনে আনেন শুভেন্দু (Suvendu Adhikari)। এর পাশাপাশি মমতা বন্দ্যোপাধ্যাকে সাম্প্রদায়িকতা ইস্যুতে তীব্র আক্রমণ করেন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তোষণের রাজনীতির তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে শুভেন্দু অধিকারী বলেন, ‘‘আপনি কতটা সাম্প্রদায়িক সেটা আমি নন্দীগ্রামে দেখেছি। তখন আমি নন্দীগ্রামে তাঁদের ভোট নিয়ে আপনাকে হারিয়েছি। তাই যাঁদের ভোট নিয়ে জিতেছি তাঁদের ধর্মীয় আঘাত, তাঁদের শাস্ত্রে যদি সরকার, সরকারি দল দেয় প্রতিবাদ আমরা করব। আমি তো বারেবারে বলেছি আমরা বিজেপির বিধায়করা মুসলিমদের ভোটে কেউ জিতিনি। হিন্দুদের ভোটে জিতেছি। জনজাতিরাও আমাদের ভোট দিয়েছে। স্বাভাবিকভাবে আমরা দায়বদ্ধ সনাতনী এবং জনজাতিদের কাছে। এটা নিয়ে সাজাসাজির বিষয় নেই।’’

    হিন্দুদের কাছে মমতা কোয়েশ্চেন মার্ক, দাবি শুভেন্দুর

    রাজ্যের বর্তমান অবস্থার পরিপ্রেক্ষিতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে হিন্দু-বিরোধী বলে তোপ দাগেন বিজেপি বিধায়করা। এই আবহে বিধানসভায় দীর্ঘ ভাষণ দেন মুখ্যমন্ত্রী। সেনিয়েই কটাক্ষ করেন শুভেন্দু অধিকারী। বিধানসভায় দীর্ঘ ভাষণ প্রসঙ্গে কটাক্ষের সুরে বলেন, ‘‘এক ঘণ্টা বাইশ মিনিট ধরে যা খুশি বলে গেলেন। আমি ব্যানার্জি, আমি ব্রাহ্মণ, খুব ভালো লাগছে দেখে! আসলে হিন্দুদের কাছে আপনি কোয়েশ্চেন মার্ক হয়ে গিয়েছেন। তাই আপনাকে বলতে হচ্ছে আমি হিন্দু। তাই বলতে হচ্ছে আমি ব্যানার্জি পরিবার। বাধ্য হয়ে বলতে হচ্ছে আমি শিবঠাকুরের দিকে মাথা করে ঘুমাই। খুব ভালো লাগছে। আপনি লাইনে এসে গিয়েছেন।’’

    মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ঠিক কী বলেছিলেন?

    প্রসঙ্গত, সম্প্রতি বিধানসভায় বক্তব্য রাখার সময় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ‘‘মহাকুম্ভ আমি নাই বা বললাম ৷ ওটা এখন মৃত্যুকুম্ভ হয়ে গিয়েছে ৷ মৃত্যুকূপের মতো ৷’’ এর পরই তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা যায় হিন্দু সমাজের একাংশে। মুখ্যমন্ত্রীর মন্তব্যের তীব্র প্রতিবাদ করেন সাধু-সন্ত ও বিজেপি নেতারা। জেলায়-জেলায় বিক্ষোভে নামে বিজেপি। এবার মুখ্যমন্ত্রীর মন্তব্য কার্যবিবরণী থেকে বাদ দেওয়ার দাবি তুলল গেরুয়া শিবির।

LinkedIn
Share