Tag: Suvendu Adhikari

Suvendu Adhikari

  • Suvendu Adhikari: কানাডার পাশে দাঁড়িয়ে মোদি-বিরোধী পোস্ট তৃণমূল সাংসদের! মমতাকে তোপ শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: কানাডার পাশে দাঁড়িয়ে মোদি-বিরোধী পোস্ট তৃণমূল সাংসদের! মমতাকে তোপ শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০২৩ সালের মাঝামাঝি সময় থেকেই ভারত-কানাডার কূটনৈতিক সম্পর্ক তলানিতে ঠেকে খালিস্তানপন্থী জঙ্গিনেতা নিজ্জরের হত্যাকে কেন্দ্র করে। নিজ্জরের হত্যার ঘটনায় ভারতের যোগ থাকতে পারে বলে সেসময় কানাডার সংসদে দাঁড়িয়ে বিবৃতি দিয়েছিলেন ট্রুডো। খালিস্থানপন্থী জঙ্গি নেতাদের আশ্রয় দেওয়ার অভিযোগ ওঠে জাস্টিন ট্রুডোর সরকারের বিরুদ্ধে। গতকাল মঙ্গলবার জাস্টিন ট্রুডোর সমর্থনে একাধিক পোস্ট করতে দেখা যায় তৃণমূল কংগ্রেস সাংসদ সাগরিকা ঘোষকে (Sagarika Ghosh)। এই আবহে সরাসরি তৃণমূলকে দেশবিরোধী তকমা দিয়ে দলের সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কেই তোপ দাগলেন শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। সাগরিকার একটি এক্স হ্যান্ডেলের পোস্টকে শেয়ার করে একাধিক প্রশ্ন তোলেন শুভেন্দু।

    কী লিখলেন শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) 

    রাজ্যের বিরোধী দলনেতা (Suvendu Adhikari) নিজের পোস্টে লেখেন, ‘‘তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উদ্দেশে আমার প্রশ্ন, কীসের ভিত্তিতে রাজ্যসভায় মনোনীত করা হয়েছিল সাগরিকা ঘোষকে? কারণ, তিনি দেশ বিরোধী? নাকি তিনি বিদেশি শক্তির তাঁবেদারি করতে পারেন? আর নাকি তিনি যতবার টুইট করেন বা মুখ খোলেন, তাঁর বোকামো সামনে এসে পড়ে? সঠিক জবাব হল – ওপরের সবকটি অপশন। শাসকদলের বিরোধিতা করা এক জিনিস। তবে দেশকে ছোট করে দেখানো খুবই দুর্ভাগ্যজনক। এক বিদেশি প্রধানমন্ত্রীর সমর্থনে আমাদের দেশের বিরুদ্ধে আঙুল তোলা হচ্ছে, যেখানে কোনও তথ্যপ্রমাণ নেই। এটা গ্রহণযোগ্য় নয়। তৃণমূলকে স্পষ্ট করে দিতে হবে যে এই সব বক্তব্য সাগরিকা ঘোষের ব্যক্তিগত মত নাকি দলীয় ভাবে কোনও টুলকিটকে সমর্থন করা হচ্ছে? একই সঙ্গে দুটো হতে পারে না। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রতি আমার আবেদন, আপনি মুখ খুলুন। আপনি হয় ভারতের পক্ষে নয় দেশের বিপক্ষে।’’

    কী বলেছিলেন সাগরিকা ঘোষ?

    দেশের বিরোধিতা করে নিজের পোস্টে তৃণমূল সাংসদ সাগরিকা (Sagarika Ghosh) লেখেন, ‘‘এক বিদেশি রাষ্ট্রপ্রধান অভিযোগ করছে যে তাঁর দেশে মোদি সরকার বেআইনি অপরাধমূলক কার্যকলাপ চালাচ্ছে। আর তা নিয়ে আমাদের নন-বায়োলজিকাল প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে কোনও প্রশ্ন করা যাবে না? কেন জাস্টিন ট্রুডো এই ধরনের অভিযোগ করছেন? কেন ভারত-কানাডা সম্পর্ক তলানিতে গিয়ে ঠেকল? এই সবের মাঝে লরেন্স বিষ্ণোইয়ের ভূমিকা কী? মেরুদন্ডহীন ভারতীয় মিডিয়া আনুগত্যের ট্রাম্পেট বাজাতে থাকবে।’’ 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Singur: ১৮ অক্টোবর সিঙ্গুরে রতন টাটার ছবি নিয়ে মৌন মিছিলের ডাক শুভেন্দুর

    Singur: ১৮ অক্টোবর সিঙ্গুরে রতন টাটার ছবি নিয়ে মৌন মিছিলের ডাক শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আগামী ১৮ অক্টোবর সিঙ্গুরে (Singur) রতন টাটার ছবি নিয়ে মৌন মিছিল করবেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা তথা নন্দীগ্রামের বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। বাম আমলে সিঙ্গুরে টাটা ন্যানো কারখানা গড়তে চেয়েছিল, কিন্তু তৎকালীন বিরোধী দলেরনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জমি অধিগ্রহণ এবং অনিচ্ছুক চাষিদের পক্ষ নিয়ে আন্দোলন করে কারখানা নির্মাণ করতে দেননি। বিরোধী শিবিরের দাবি, এর ফলে রাজ্য একটি ভারী শিল্প-কারখানা থেকে বঞ্চিত হয়েছে। সেই মাশুল আজও রাজ্যবাসীকে দিতে হচ্ছে বলে দাবি করেছে বিজেপি। টাটা গোষ্ঠীর কর্ণধার রতন টাটা প্রয়াত হয়েছেন গত ১০ অক্টোবর। এবার তাঁর ছবি নিয়ে রাজ্যে শিল্প-কারখানা তথা কর্মসংস্থান কতটা দরকার, সেই বার্তা দিতেই মিছিল করবেন এই বিজেপি নেতা।

    অন্ধকারেই সিঙ্গুর (Singur)!

    তখন বাম রাজত্ব মধ্যগগনে। হুগলির সিঙ্গুরে (Singur) ন্যানো কারখানা তৈরি করে বড় শিল্পের কথা ঘোষণা করেছিলেন তৎকালীন টাটা গোষ্ঠীর চেয়ারম্যান রতন টাটা। কিন্তু এই কারখানার বিরুদ্ধে প্রথম থেকেই বিরোধিতা করেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। রাজ্যে প্রবল বিরোধিতা এবং জমি অধিগ্রহণকে ঘিরে নানা জটিলতা তৈরি হলে ওই কারখানা স্থানান্তর হয় গুজরাটে। যদিও ঠিক পরের বছর ভোটের আগেই গুজরাটে সফল ভাবে ন্যানো উৎপাদন শুরু হয়। পরবর্তীতে ২০১১ সালের পর তৃণমূল সরকার ক্ষমতায় আসলে সিঙ্গুরের জমির কোনও গতি লক্ষ্য করা যায়নি। এমনকী, মমতা ওই জমিতে সর্ষে বীজ বপণ করলেও জমি আজও চাষের যোগ্য হয়ে ওঠেনি। উল্টে গত বছর দেশের শীর্ষ আদালত, টাটা গোষ্ঠীকে বিরাট অঙ্কের সুদ সমেত ক্ষতিপূরণ দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে রাজ্য সরকারকে। আদালতে টাটারা, মমতার বিরুদ্ধে বিরাট সাফল্য পেয়েছে। এই টাকা এখন দিতে হবে মমতার সরকারকে। এই অবস্থায় সিঙ্গুরবাসীর মনে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করতে দেখা যায়। না হল চাষ, না হল কারখানা, সিঙ্গুর সেই অন্ধকারে। বিজেপির দাবি অন্ধকারে আলো জ্বালানো হবে।

    আরও পড়ুনঃ কোজাগরীতে বৃষ্টি কলকাতায়, লক্ষ্মী পুজোয় কেমন থাকবে বঙ্গের আবহাওয়া?

    একটিও নতুন কারখানা গড়তে পারেননি মমতা

    এবার এই সিঙ্গুরে (Singur) প্রয়াত টাটা গোষ্ঠীর প্রধান রতন টাটার ছবি নিয়ে মিছিল করবেন শুভেন্দু (Suvendu Adhikari)। বিজেপির দাবি, মমতা সম্পূর্ণ ব্যর্থ। রতন টাটা চেয়েছিলেন বাংলার মানুষের কর্মসংস্থান হোক। তাই রতন টাটাকে স্মরণ করে শিল্প-কারখানার কথাকেই আরও জোর দিয়ে সমাজের মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়াই এই মৌন মিছিলের উদ্দেশ্য। বিজেপি আরও দাবি করেছে, গত তেরো বছরের মুখ্যমন্ত্রী রাজ্যে একটিও নতুন কারখানা গড়তে পারেননি। সর্বত্র তৃণমূলের নেতারা তোলাবাজি করছে। রাজ্যের শিল্প গড়ার অনুকুল পরিবেশ নেই। তাই রাজ্যের মানুষকে অন্য রাজ্যে পরিযায়ী হয়ে কাজ করতে হয়। বিজেপির মতে, এই বেকারত্ব এবং দারিদ্র্যতা থেকে মুক্তি পেতে রাজ্যে পরিবর্তন দরকার। তৃণমূল থেকে মুক্তি পেলে তবেই রাজ্যের উন্নতি সম্ভব। এমনটাই বলছে গেরুয়া শিবির।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: ডাক্তারদের দাবি নিয়ে বিধানসভায় হোক বিশেষ অধিবেশন, মমতাকে চ্যালেঞ্জ শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: ডাক্তারদের দাবি নিয়ে বিধানসভায় হোক বিশেষ অধিবেশন, মমতাকে চ্যালেঞ্জ শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দশ দফা দাবি নিয়ে ধর্মতলায় অনশনে বসেছেন ডাক্তাররা (Doctors Protest)। এনিয়ে বেশ চাপে মমতা সরকার। এবার এই  দশ দফা দাবি নিয়ে বিধানসভায় বিশেষ অধিবেশন ডেকে আলোচনা চাইলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। মঙ্গলবারই কার্নিভাল বর্জনের ডাক দিয়ে কলেজ স্ট্রিট থেকে সুবোধ মল্লিক স্কোয়ার পর্যন্ত মিছিলে হাঁটেন শুভেন্দু। সেখানেই এমন দাবি করতে শোনা যায় তাঁকে।

    কী বললেন শুভেন্দু (Suvendu Adhikari)?

    মিছিল শেষে সুবোধ মল্লিক স্কোয়ারের অস্থায়ী মঞ্চ বেঁধে শুরু হয় সভা। সেখানেই রাজ্য সরকারকে তীব্র আক্রমণ করেন বিরোধী দলনেতা। তিনি বলেন, ‘‘আমরা চাই জুনিয়র ডাক্তাররা (Doctors Protest) যে সব দাবি করেছেন, তা রাজ্য সরকার পূরণ করুক। কারণ তাঁদের দাবিগুলি যুক্ত সঙ্গত।’’ শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) আরও বলেন, ‘‘আমি মুখ্যমন্ত্রীকে বলব, বিধানসভার বিশেষ অধিবেশন ডাকুন। এ নিয়ে বিধানসভায় আলোচনা হোক। আমরাও সেই আলোচনায় অংশগ্রহণ করব।’’ তাঁর অভিযোগ, বিরোধীদের মতামতকে গুরুত্বই দিচ্ছে না তৃণমূল সরকার। মিছিল শেষে বিরোধী দলনেতা ‘দিঘা থেকে দার্জিলিং’ পর্যন্ত আন্দোলনের হুঁশিয়ারিও দেন। একই সঙ্গে তিনি জানান, যেদিন ধর্ষকরা ফাঁসিতে ঝুলবে, সেদিনই হবে প্রকৃত দীপাবলি, কালীপুজো, দুর্গাপুজো এবং কার্নিভাল ।

    ডাক্তারদের আন্দোলনে পাশে থাকার বার্তা

    প্রসঙ্গত, কলেজ স্কোয়ার থেকে সুবোধ মল্লিক স্কোয়ার পর্যন্ত এই মিছিলের পরে মুখ্যমন্ত্রীর কুশপুত্তলিকা পুড়িয়ে কর্মসূচির সমাপ্ত ঘোষণা করা হয়। সেখানেই ভাষণ দিতে গিয়ে শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari), চিকিৎসকদের আন্দোলনের পাশে থাকার কথা বলেন। পাশাপাশি চিকিৎসকদের দাবি পূরণে বিধানসভার অধিবেশন ডাকার দাবিও জানিয়েছেন তিনি। জাতীয় পতাকা হাতে মশাল নিয়ে এই মিছিলে বিরোধী দলনেতা ছাড়াও হাজির ছিলেন বিজেপি উত্তর কলকাতা জেলা সভাপতি তমোঘ্ন ঘোষ, দক্ষিণ কলকাতা জেলা সভাপতি অনুপম ভট্টাচার্য, দলের নেতা অর্জুন সিং, তাপস রায়, যুব মোর্চার সভাপতি চিকিৎসক ইন্দ্রনীল খাঁ, শঙ্কুদেব পণ্ডা, মহিলা মোর্চার সভাপতি ফাল্গুনী পাত্র, মিনাদেবী পুরোহিত-সহ অন্যান্যরা।
     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: ‘‘যৌন হেনস্থার অভিযোগ নিতে চায় না মমতার পুলিশ’’, সরব শুভেন্দু

    Suvendu Adhikari: ‘‘যৌন হেনস্থার অভিযোগ নিতে চায় না মমতার পুলিশ’’, সরব শুভেন্দু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) সরকারের পুলিশ যৌন হেনস্থা বা ধর্ষণের অভিযোগই দায়ের করতে চায় না! এমনই অভিযোগ করলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। ফরাক্কার ঘটনা প্রসঙ্গে এই দাবি করেছেন তিনি। তাঁর সাফ কথা, আরজি কর বা জয়নগরের মতো ঘটনা ঘটে যাওয়ার পরও পুলিশ দলদাসের মতো কাজ করেই চলেছে। কোথাও কোনও যৌন হেনস্থা বা ধর্ষণের অভিযোগ কেউ করতে গেলে তা দায়ের করতে অস্বীকার করা হচ্ছে বলে অভিযোগ তাঁর।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে ফরাক্কায়? (Suvendu Adhikari)

    পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, পুজোর জন্য দিল্লি থেকে বাবা-মায়ের সঙ্গে ফরাক্কায় দাদুর বাড়িতে ঘুরতে এসেছিল নির্যাতিতা। দাদুর বাড়ির কাছেই থাকে দীনু হালদার নামে ওই ব্যক্তি। সকালে গ্রামের মাঠে বন্ধুদের সঙ্গে খেলছিল শিশুটি। পুজোর ফুল দেওয়ার বাহানায় শিশুকন্যাকে বাড়িতে নিয়ে গিয়ে খুন করার অভিযোগ ওঠে ফরাক্কায়। তারপর বস্তা বন্দি করে সে দেহ লোপাটের চেষ্টাও করা হয়। রবিবার এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে তেতে ওঠে মুর্শিদাবাদের ফরাক্কা থানার রেল কলোনি। থানায় অভিযোগ জানাতে গেলে পুলিশ হয়রানি করে। ধর্ষণের অভিযোগ নিতে চায়নি বলে অভিযোগ।

    আরও পড়ুন: পুলিশের ‘না’, তবে ‘দ্রোহের কার্নিভাল’ হচ্ছেই, আজ মানব-বন্ধন কর্মসূচি জুনিয়র ডাক্তারদের

    থানার আইসিকে সাসপেন্ড করার দাবি

    এই প্রসঙ্গে শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) বলেন, ‘‘শিশুর বাবা-মা যখন থানায় অভিযোগ জানাতে যান তখন তাঁদের রীতিমতো হুমকি দেওয়া হয়েছিল। এফআইআর যাতে দায়ের না করা হয় তারজন্য ভয় দেখানো হয়। পুলিশ প্রথমে মামলা দায়েরই করতে চায়নি। শিশুর বাবা-মাকে ঘণ্টার পর ঘণ্টা দাঁড় করিয়ে রাখা হয়। তাঁদের সঙ্গে অত্যন্ত খারাপ ব্যবহারও করা হয়। কিন্তু শিশুর পরিবার এবং গ্রামের লোকেদের বিক্ষোভের মুখে পড়ে অবশেষে পুলিশ মামলা দায়ের করতে বাধ্য হয়। ফরাক্কা পুলিশ স্টেশনের আইসি নীলোৎপল মিশ্রকে সাসপেন্ড করার দাবি জানাচ্ছি।’’ শুভেন্দু আরও বলেন, ‘‘কেন বারবার এমন ঘটনা ঘটছে? কেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পুলিশ এই ধরনের অভিযোগ নিতে চাইছে না? তাহলে কি এনসিআরবি ডেটায় রাজ্যের অপরাধ কম দেখানোর এটা নতুন কোনও পন্থা?’’

    সঞ্জয় ছাড়া পেয়ে যেত!

    শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) বলেন, ‘‘বিষাদের মধ্যে আমরা পুজো কাটিয়েছি। সিবিআই ৫৮ দিনের মাথায় প্রাথমিক চার্জশিট দিয়েছিল। কারণ সঞ্জয় ৬০ দিনে জামিন পেয়ে যেত। সিবিআইয়ের প্রবক্তা হিসেবে বলছি না। একজন আইনপ্রণেতা হিসেবে বলছি। জুনিয়র ডাক্তাররা যেখানেই আন্দোলন করুন না কেন, তাঁরা শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করছেন। সিবিআইয়ের ওপর যেমন আস্থা রাখছি তেমনি তাঁদের এই আন্দোলনের ওপরেও আস্থা রয়েছে। তাঁরা প্রত্যেকটা আন্দোলন শিষ্টাচার মেনে করছেন। তাঁরা মন খুলে দাবি করুন। সুপ্রিম কোর্টের নজরদারিতে এই তদন্ত হচ্ছে। আমাদের সকলের উচিত সুপ্রিম কোর্টের ওপর আস্থা রাখা।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: পুজো কার্নিভাল বয়কট করে পাল্টা মিছিলের ডাক, পতাকা ছাড়াই যোগের আহ্বান শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: পুজো কার্নিভাল বয়কট করে পাল্টা মিছিলের ডাক, পতাকা ছাড়াই যোগের আহ্বান শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কলকাতায় রাজ্য সরকারের উদ্যোগে হওয়া পুজো কার্নিভাল (Carnival) বয়কটের ডাক দিলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। পাল্টা হিসেবে কলেজ স্ট্রিট থেকে ধর্মতলা পর্যন্ত মিছিলের ডাক দিলেন তিনি। বিকেল চারটে নাগাদ “মমতার কার্নিভাল বয়কট করুন”। নাম দিয়ে মিছিলের ডাক দিয়েছেন শুভেন্দু।

    মশাল, শাঁখ নিয়ে মিছিলে শামিলের ডাক (Suvendu Adhikari)

    সোমবার বিজয়া সম্মিলনীতে যোগ দিতে সিউড়ির বিজেপির জেলা কার্যালয়ে এসেছিলেন শুভেন্দু। সেখান তিনি (Suvendu Adhikari) বলেন, “হিন্দুশাস্ত্রে এভাবে কার্নিভাল করে প্রতিমা নিরঞ্জন হয় না। তাছাড়া বিষাদের মধ্যে রয়েছি আমরা। তার মধ্যেই দুর্গোৎসব চলছে।” প্রতিবাদস্বরূপ বিশিষ্ট নাগরিক-আমজনতাকে কলেজ স্কোয়ার থেকে মিছিলে পা মেলানোর ডাক দিলেন তিনি। কলেজ স্কোয়ার থেকে ধর্মতলা পর্যন্ত মিছিলের ডাক দেওয়া হয়েছে। কিন্তু, পুলিশি অনুমতি মেলেনি। সুবোধ মল্লিক পর্যন্ত মিছিল হবে। মশাল, শাঁখ নিয়ে মিছিলে শামিল হওয়ার ডাক দিয়েছেন তিনি। দলীয় পতাকা ছাড়াই এই মিছিলে নামার জন্য আহ্বান করা হয়েছে। মিছিলে উপস্থিত থাকবেন দলের বিধায়ক ও সাংসদরা। তবে, পুলিশের তরফে অনুরোধ করা হয়েছে, যেহেতু ধর্মতলায় কার্নিভালের কর্মসূচি রয়েছে। দ্রোহ কার্নিভাল রয়েছে। সেই কারণে মিছিল যেন সুবোধ মল্লিক স্কোয়ার পর্যন্ত গিয়েই শেষ হয়ে যায়। তবে এই কথা পুলিশ বললেও পরবর্তী পদক্ষেপ কী করা হবে তা এখনও জানা যায়নি।

    আরও পড়ুন: জুনিয়র ডাক্তারদের আন্দোলনে যোগ দিন, দলীয় কর্মীদের বার্তা সুকান্তর

    স্বাস্থ্য দফতর ঘেরাওয়ের ডাক

    এদিন বিরোধী দলনেতা (Suvendu Adhikari) বলেন, “৯০ শতাংশ সাধারণ মানুষ যারা সরকারি স্বাস্থ্যব্যবস্থার ওপর নির্ভরশীল। স্বাস্থ্যভবন এই পরিস্থিতি যদি সামাল দিতে না পারে তাহলে লক্ষ্মীপুজোর পর থেকে ব্লক স্বাস্থ্য আধিকারিক ও মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিকদের ঘেরাও করা হবে।” স্বাস্থ্য পরিকাঠামোয় এই অচলাবস্থার জন্য যে সমস্ত রোগীরা চিকিৎসা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন তাঁদের নিয়ে কলকাতা হাইকোর্টের অবসরকালীন বেঞ্চের দ্বারস্থ হবেন বিরোধী দলনেতা। জানাবেন, ন্যূনতম স্বাস্থ্য পরিষেবা দিতে ব্যর্থ হয়েছে রাজ্য সরকার। প্রসঙ্গত, কার্নিভালের পাশাপাশি ডাক্তারদের ডাকা দ্রোহ কার্নিভাল রয়েছে মঙ্গলবার। নির্যাতিতার ন্যায় বিচার ও নিজেদের সুরক্ষার দাবি নিয়ে আন্দোলনে নেমেছেন তারা। যদিও, সরকারের তরফে ডাক্তারদের আহ্বান করা হয়েছে ওই দিন অনেক বিদেশের অনেক গেস্ট থাকবে। ফলে তাদের কাছে ভুল বার্তা যেতে পারে। সেই কারণে ওই দিন যাতে দ্রোহ কার্নিভাল বাতিল করেন তাঁরা। তবে চিকিৎসকরাও পরিষ্কার জানিয়েছেন, তাঁরা কোনওভাবেই বাতিল করবেন না দ্রোহ কার্নিভাল।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: ‘‘চকোলেট আর স্যান্ডউইচ খেয়ে সিঙ্গুরে অনশন করেছিলেন’’, মমতাকে খোঁচা শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: ‘‘চকোলেট আর স্যান্ডউইচ খেয়ে সিঙ্গুরে অনশন করেছিলেন’’, মমতাকে খোঁচা শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি করকাণ্ডে সুবিচারের দাবিতে অনশন চালিয়ে যাচ্ছেন জুনিয়র ডাক্তাররা। সেই আন্দোলনকে সমর্থন করেছেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। একইসঙ্গে ডাক্তারদের অনশন নিয়ে বলতে গিয়ে নাম না-করে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে তীব্র কটাক্ষ করেছেন তিনি। সিঙ্গুরে তৃণমূল সুপ্রিমোর অনশনের প্রসঙ্গ টেনে এনে তাঁর বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ এনেছেন শুভেন্দু।

    চকোলেট আর স্যান্ডউইচ খেয়ে সিঙ্গুরে অনশন (Suvendu Adhikari)

    নাম না করে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে (Mamata Banerjee) কটাক্ষ করে বিরোধী দলনেতা (Suvendu Adhikari) বলেন, “জুনিয়র ডাক্তাররা কেউ চকোলেট আর স্যান্ডউইচ খেয়ে অনশন করছেন না। এর আগে, যিনি ২৬ দিন অবস্থানে বসেছিলেন তিনি চকোলেট আর স্যান্ডউইচ খেয়ে সিঙ্গুরে অনশন করেছিলেন। জুনিয়র চিকিৎসকরা জালি নয়। এঁরা তো অরিজিনাল। সত্যিকারের অনশন করছেন। দীপক ঘোষের বই পড়বেন। তাতে বুঝতে পারবেন, সিঙ্গুরে ২৬ দিনের অনশনের কাণ্ড-কারখানা কী ছিল।” 

    আরও পড়ুন: থানায় ধর্ষণের অভিযোগ করায় ‘খুন’ মহিলা, হাবড়ায় গ্রেফতার কলকাতা পুলিশের কর্মীসহ ৩

    মুখ্যমন্ত্রীর বাড়ির লোকেরা বিদেশে চিকিৎসা করেন!

    এসএসকেএম হাসপাতালে হামলার ঘটনা নিয়ে শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) বলেন, “সরকার শক্ত হাতে এটার মোকাবিলা না করলে এই জিনিস কোনও দিন বন্ধ হবে না।” জুনিয়র ডাক্তারদের অনশনের বিষয়ে সদর্থক ভূমিকা গ্রহণ না করায় রাজ্য সরকারের সমালোচনা করেন তিনি। বিরোধী দলনেতার কথায়, “আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায় সার্ভিস রুল মেনে ডাক্তারদের পদত্যাগ করতে বলছেন। হাসপাতাল ছেড়ে ডাক্তাররা চলে যাক, তিনি এটাই চাইছেন। এঁরা বিদেশে ও বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা করান। কিন্তু সাধারণ মানুষ যাবে কোথায়? ৯০ শতাংশ লোক সরকারি হাসপাতালের ওপর নির্ভরশীল।” শুভেন্দু বলেন, “মুখ্যমন্ত্রীর বাড়ির লোকেরা বিদেশে যান চিকিৎসা করাতে। আমেরিকায় গিয়ে কোটি কোটি টাকা খরচ করেন। চিকিৎসকদের দাবি-দাওয়াগুলিকে সরকারকে রাজনীতির ঊর্ধ্বে উঠে দেখতে হবে। সমস্ত হাসপাতালগুলিকে জুনিয়র ডাক্তারের ওপর ভরসা করতে হয়। রাতে কিছু হয়ে গেলে জুনিয়র ডাক্তাররাই তো সেবা দিয়ে মানুষকে বাঁচান। সরকারকে এ বিষয়ে নমনীয় হতে হবে। ওঁদের দাবি তো সরকার পরিবর্তনের নয়! ওঁদের লড়াইয়ের ইস্যুগুলি হল সিন্ডিকেট বন্ধ করা, সুরক্ষা ও নিরাপত্তার বিষয়গুলি।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: হাওড়ার শ্যামপুরে মণ্ডপে ভাঙচুর, দুর্গা প্রতিমায় আগুন, বিস্ফোরক দাবি শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: হাওড়ার শ্যামপুরে মণ্ডপে ভাঙচুর, দুর্গা প্রতিমায় আগুন, বিস্ফোরক দাবি শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গে দুর্গা প্রতিমা (Durga Idols) ভাঙচুরের বিস্ফোরক দাবি করলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। নিজের সোশ্যাল মিডিয়ায় দুটি ভিডিও পোস্ট করেছেন শুভেন্দু অধিকারী। ভিডিওগুলির সত্যতা যাচাই করেনি মাধ্যম। একটি ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে একটি জায়গায় দাউ দাউ করে কিছু একটা জ্বলছে। অপর একটি ছবিতে দেখা যাচ্ছে কোনও একটি বিক্ষোভস্থলের ছবি যেটা ওপর থেকে তোলা হয়েছে। 

    শুভেন্দুর (Suvendu Adhikari) ট্যুইট

    নিজের পোস্টে শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) লিখেছেন, ‘‘শ্যামপুর থানা থেকে ফেরার সময় একদল দুষ্কৃতী যারা সেখানে স্মারকলিপি জমা দিতে গিয়েছিল, ফেরার পথে দুর্গা পুজোর প্যান্ডেলে ভাঙচুর করে। শ্যামপুর বাজার ব্যবসায়ী সমিতির পুজো প্যান্ডেলে আগুন ধরানো হয়েছে। আরও একাধিক পুজো প্যান্ডেলে ভাঙচুর করা হয়েছে। বিসর্জনের ঘাটে (Durga Idols)  দুষ্কৃতীরা পাথরও ছুড়েছে, এই দাবি করে শুভেন্দু আরও লেখেন, ‘‘হাওড়া গ্রামীণ পুলিশ জেলায় শ্যামপুর থানা এলাকায় পরিস্থিতি অত্যন্ত উত্তেজনাপূর্ণ রয়েছে। আমি পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের ডিজির কাছে অনুরোধ করছি, স্পটে অতিরিক্ত ফোর্স পাঠান। এই ধরনের দুষ্কর্ম দূর করতে এই ধরনের ভাঙচুর বন্ধ করতে অবিলম্বে ব্যবস্থা নেওয়া হোক।’’ 

    দুর্গাকে ছিন্নবিচ্ছিন্ন করে জলে ভাসান! 

    অন্যদিকে, অপর একটি পোস্টে শুভেন্দু অধিকারী ((Suvendu Adhikari)) দাবি করেছেন, কেটে কুচি কুচি করে দুর্গাপ্রতিমাকে ভাসিয়ে দেওয়া হচ্ছে জলে। এক্স হ্যান্ডেলে আরও একটি ভিডিও পোস্ট করে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী দাবি করেন, কৃষ্ণনগরের তৃণমূল পরিচালিত পুরসভা এমন কাজ করেছে। বিরোধী দলনেতা লেখেন, ‘‘এই দৃশ্য বাংলাদেশের নয়, এই কীর্তি পশ্চিমবঙ্গের হিন্দু বিরোধী শাসক তৃণমূল দল পরিচালিত পুরসভার। আগে মা দুর্গার প্রতিমা বিসর্জন না করে, প্রতিমাকে যন্ত্রের সাহায্যে অসভ্যের মতো ছিন্নবিচ্ছিন্ন করে নদীতে ফেলা হয়েছে। গতকাল কৃষ্ণনগর কদমতলা ঘাটে কৃষ্ণনগর পুরসভার নির্দেশে পুরসভার কর্মচারীরা এভাবেই দুর্গা ঠাকুরের প্রতিমাকে কেটে টুকরো করে ভাসান করেছে। ঠিকঠাক ভাবে শাস্ত্র মতে ভাসান হয়ে যাওয়ার পরে নদী পরিষ্কার রাখার জন্য যা করণীয় সেটা করলে কারুরই কোনও আপত্তি থাকত না, কিন্তু তা না করে সর্বসমক্ষে এই কান্ড ঘটানোর উদ্দেশ্য কী?’’  

     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: গার্ডেনরিচের মণ্ডপে দুষ্কৃতী তাণ্ডব, পুজো বন্ধ করার হুমকি! ক্ষোভ শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: গার্ডেনরিচের মণ্ডপে দুষ্কৃতী তাণ্ডব, পুজো বন্ধ করার হুমকি! ক্ষোভ শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: খাস কলকাতায় মণ্ডপে ঢুকে দুর্গাপুজো (Durga Puja) বন্ধ করার হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠল। শুক্রবার ভিডিও পোস্ট করে এই দাবি করেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। বিরোধী দলনেতার বক্তব্য অনুযায়ী, গার্ডেনরিচের নিউ বেঙ্গল স্পোর্টিং ক্লাবের মণ্ডপে ঢুকে দুষ্কৃতীরা পুজো বন্ধ না করলে মণ্ডপ ও মূর্তি ভাঙচুরের হুমকি দিয়েছে।

    শুভেন্দু অধিকারীর (Suvendu Adhikari) পোস্ট

    গতকাল শুক্রবার অষ্টমীর বিকেলে সোশ্যাল মিডিয়ায় শুভেন্দু অধিকারীর পোস্ট করা একটি ভিডিও-তে দেখা যাচ্ছে, কিছু যুবক একটি মণ্ডপে ঢুকে ধাক্কাধাক্কি করছে। সঙ্গে চলছে ব্যাপক শোরগোল। সেই ভিডিও পোস্ট করে শুভেন্দুবাবু লিখেছেন, ‘‘আজ কলকাতা পুলিশের আওতাভুক্ত গার্ডেনরিচ এলাকার নিউ বেঙ্গল স্পোর্টিং ক্লাবের দুর্গাপুজোয় দুষ্কৃতীদের বিনা প্ররোচনায় হামলা চালায় এবং পুজো বন্ধ না করলে মায়ের মূর্তি, মণ্ডপসহ পুরো প্যান্ডেল ভাঙচুর করার হুমকি দেয়।’’

    আলিপুরদুয়ার নিয়েও পোস্ট শুভেন্দুর

    শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) আরও লেখেন, ‘‘ক্লাব কতৃপক্ষ  ইতিমধ্যেই গার্ডেনরিচ থানায় অভিযোগ দায়ের করেছে। আমি কলকাতা পুলিশের কমিশনার মাননীয় শ্রী মনোজ কুমার ভার্মার কাছে দাবি করছি, এই ঘটনায় জড়িত সকলকে অবিলম্বে গ্রেফতার করে কঠোর শাস্তির ব্যবস্থা করতে হবে। এই নোংরা মানসিকতা ও ধর্মীয় অনুষ্ঠানে বাধা দেওয়ার প্রচেষ্টার আমি তীব্র নিন্দা করি। দুষ্কৃতীদের এমন প্রবণতা দিনের পর দিন বেড়েই চলেছে। এদের বোঝাতে হবে যে এটা কলকাতা, ঢাকা নয়।’’ প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, মহাসপ্তমীর সন্ধ্যায় একই রকম অভিযোগ উঠেছিল আলিপুরদুয়ারের ফালাকাটায়। অভিযোগ, মণ্ডপে ঢুকে পুজোর শঙ্খ ও লাউড স্পিকার বাজালে মূর্তি (Durga Puja) ভাঙচুরের হুমকি দেয় স্থানীয় কয়েকজন দুষ্কৃতী। এনিয়ে নিজের এক্স হ্যান্ডেলে একটি ভিডিও পোস্ট করেন শুভেন্দু অধিকারী।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: “বাংলায় আমরা সরকার গঠন করব”, দৃঢ়প্রতিজ্ঞ শুভেন্দু বলে দিলেন কৌশলও

    Suvendu Adhikari: “বাংলায় আমরা সরকার গঠন করব”, দৃঢ়প্রতিজ্ঞ শুভেন্দু বলে দিলেন কৌশলও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলায় বিজেপি সরকার গঠন করবে। মঙ্গলবার সন্দেশখালিতে একটি দুর্গামণ্ডপে (Durga Puja) গিয়ে এই মন্তব্য করলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। একই সঙ্গে আরজি করকাণ্ড থেকে জয়নগরে নাবালিকাকে খুনের ঘটনা নিয়ে তৃণমূল সরকারকে তুলোধনা করেন তিনি।

    নতুন সরকার গঠনের কী কৌশল বললেন শুভেন্দু (Suvendu Adhikari)?

    বাংলায় বিজেপির সরকার গঠন কীভাবে হবে, তাও বললেন শুভেন্দু। বিরোধী দলনেতা (Suvendu Adhikari) বলেন, “বাংলায় ৭০ ভাগ হিন্দু। আরও তাদের ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। বাংলাতে আমরা ঐক্যবদ্ধ হব। আমরা একটা সরকার গড়ব, যে সরকার সুশাসন দেবে, সুরক্ষা দেবে। আমাদের কোনও ধর্মের প্রতি বিতৃষ্ণা নেই। কারও বিরোধিতা নেই।” জয়নগরের নাবালিকাকে খুনের ঘটনা নিয়ে তিনি বলেন, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে প্রাক্তন না করা পর্যন্ত আমাদের কোনও দিদি, বোন, কেউ সুরক্ষিত নয়। সব জায়গায় অভিযুক্তরা তৃণমূলের লোক।”জুনিয়র ডাক্তারদের অনশন মঞ্চে বায়ো টয়লেট বসানো নিয়ে পুলিশের সঙ্গে টানাপোড়েন চলে আন্দোলনকারীদের। এই নিয়ে প্রশ্নের জবাবে শুভেন্দু বলেন, “জ্যোতিবাবুর আমলে সিপিএম যা করেছিল, এখন তৃণমূল একই কাজ করছে। সিপিএম ও তৃণমূল এক। কয়েনের এপিঠ আর ওপিঠ।”

    আরও পড়ুন: ধর্ষণ করে খুন মাত্র ২৮ মিনিটে! সঞ্জয়ের সেদিনের বিশদ গতিবিধি সিবিআইয়ের চার্জশিটে

    সিবিআইয়ের চার্জশিট নিয়ে মুখ খুললেন শুভেন্দু

    আরজি করকাণ্ডে সিবিআইয়ের চার্জশিটে ধৃত সিভিক ভলান্টিয়রকে ধর্ষণ ও খুনে জড়িত বলে উল্লেখ করা হয়েছে। এই নিয়ে প্রশ্নের জবাবে শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) বলেন, “তিনটে পার্টে সিবিআই কাজ করছে। ধর্ষণ ও খুন, প্রমাণ লোপাট ও আরজি করের আর্থিক দুর্নীতি। ৬০ দিনের মধ্যে প্রাথমিক চার্জশিট না দিলে ধৃত জামিন পেয়ে যেত। এরপর সাপ্লিমেন্টারি চার্জশিট দেবে।” সিবিআইয়ের প্রশংসা করে তিনি বলেন, “ধর্ষণের প্রমাণ লোপাট করার ঘটনায় সিবিআইয়ের হাতে তদন্তভার তুলে দেওয়া হয়েছে। সিবিআই ভালো কাজ করছে। আমরা তাদের ওপর ভরসা রাখছি। তথ্যপ্রমাণ লোপাট ও ধর্ষকদের বাঁচানোর চেষ্টা হয়েছে। এর বিরুদ্ধে সিবিআই যেন কড়া ব্যবস্থা নেয়, এটাই আমাদের দাবি।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bengali Language: ধ্রুপদী ভাষার তকমা পেল বাংলা, আপামর বাঙালিকে পুজোর উপহার মোদি মন্ত্রিসভার

    Bengali Language: ধ্রুপদী ভাষার তকমা পেল বাংলা, আপামর বাঙালিকে পুজোর উপহার মোদি মন্ত্রিসভার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেবীপক্ষের শুরুতেই বাঙালিদের জন্য পুজোর উপহার দিল মোদি সরকার। বাংলা ভাষাকে ধ্রুপদী ভাষার (Bengali Language) তকমা দিল কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা। সাহিত্য অ্যাকাডেমি নিয়ন্ত্রণাধীন ভাষা বিশেষজ্ঞ কমিটি (Linguistics Experts Committee) গত ২৫ জুলাইয়ের বৈঠকে সর্বসম্মতিক্রমে বাংলা-সহ মোট পাঁচটি ভাষাকে ধ্রুপদী ভাষার (Classical language) মর্যাদা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। পুজোর মুখে সেই কথা জানাল কেন্দ্র। 

    কোন কোন ভাষা ধ্রুপদী ভাষা

    এবার মারাঠি, পালি, প্রাকৃত, অসমিয়ার সঙ্গে বাংলাকেও ‘ক্ল্যাসিক্যাল’ ভাষার (Bengali Language) মর্যাদা দিল কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা। ফলে এই তালিকায় জায়গায় পাওয়া ভাষার সংখ্য়া দাঁড়াল ১১। যা আগে ছিল ৬। আগে এই তালিকায় ছিল তামিল, সংস্কৃত, তেলুগু, কন্নড়, মালায়লাম এবং ওড়িয়া। এ নিয়ে উচ্ছ্বসিত পোস্ট করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

    ধ্রুপদী ভাষা কী

    কোনও ভাষার (Bengali Language) ইতিহাস বা প্রাপ্ত নথির বয়স যদি ১,৫০০ থেকে ২০০০ বছর হয়, আদি ভাষা এবং সাহিত্যের সঙ্গে বর্তমানের ভাষা এবং সাহিত্যের ফারাক যদি স্পষ্ট হয়, তবেই সেই ভাষাকে ধ্রুপদীর স্বীকৃতি দেওয়া হয়। ধ্রুপদী ভাষার (Classical language) বিস্তারের জন্য কেন্দ্রীয় শিক্ষা মন্ত্রককে কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে একাধিক দায়িত্বভার দেওয়া হয়েছে। ২০২০ সালে কেন্দ্রীয় আইন প্রণয়নের মাধ্যমে সংস্কৃতের জন্য তিনটি কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয় গঠন করা হয়েছে। বাংলার ক্ষেত্রেও এধরনের পদক্ষেপের সুযোগ থাকবে বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল। প্রথম ধ্রুপদী ভাষা হিসেবে মর্যাদা পেয়েছিল তামিল। 

    ধ্রুপদী মর্যাদা পাওয়ার ফলে কোন কোন সুবিধা 

    এই স্বীকৃতি পেলে সেই ভাষা (Classical language) নিয়ে গবেষণা এবং সাহিত্য চর্চার জন্য বিশেষ অনুদান দেয় কেন্দ্র। বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে আলাদা বিভাগ বা কেন্দ্র গঠন করা হয়। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে সেই ভাষার মর্যাদা বৃদ্ধি পায়। ধ্রুপদী ভাষার (Bengali Language)  মর্যাদা পেলে তাতে লেখা প্রাচীন পাণ্ডুলিপি, শিলালিপি, এবং দুষ্প্রাপ্য গ্রন্থসমূহ সংরক্ষণের জন্য বিশেষ উদ্যোগী হওয়া হয়। দেশের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এই স্বীকৃতি প্রাপ্ত ভাষাকে পাঠ্যক্রমের অন্তর্ভুক্ত করার সুযোগ বৃদ্ধি পায়। ধ্রুপদী ভাষার মর্যাদা পাওয়ার ফলে বাংলার সাহিত্যিক, গবেষক ও ভাষাবিদদের জন্য বিশেষ পুরস্কার ও সম্মাননার ব্যবস্থাও করা হবে। ধ্রুপদী ভাষার মর্যাদার কারণে পেশাদারী ক্ষেত্রে বাংলার ব্যবহারিক প্রয়োগ আরও যে বাড়বে তা বলার অপেক্ষা রাখে না। এর ফলে কর্মসংস্থান এবং আর্থিক লাভের সম্ভাবনা হবে বলেও কেন্দ্র সরকারের দাবি।

    ‘ঐতিহাসিক মুহূর্ত’, প্রতিক্রিয়া বিজেপির

    বাংলা (Bengali Language) ধ্রুপদী ভাষার (Classical language) তকমা পাওয়ায় খুশির হাওয়া সর্বত্র। বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর দাবি, আপামর বাঙালিকে পুজোর আগে বিশেষ উপহার দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তিনি বলেন, ‘‘কেন্দ্রের এই স্বীকৃতি যারা বাংলায় কথা বলেন তাঁদের কাছে পুজোর সেরা উপহার। এই স্বীকৃতির ফলে বাংলা ভাষা নিয়ে গবেষণা এবং সাহিত্য চর্চার জন্য বিশেষ অনুদান দেবে কেন্দ্রীয় সরকার, এর ফলে প্রাচীন পাণ্ডুলিপি, শিলালিপি ও দুষ্প্রাপ্য গ্রন্থসমূহ সংরক্ষণের জন্য বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া সম্ভব হবে।’’

    কেন্দ্রীয় মন্ত্রী তথা পশ্চিমবঙ্গের বিজেপি সভাপতি সুকান্ত মজুমদারের মতে, বাঙালিদের জন্য এটা ‘ঐতিহাসিক মুহূর্ত’। তিনি বলেন, ‘‘সমগ্র রাষ্ট্রের দরবারে বাংলা ভাষাকে অন্যতম ধ্রুপদী ভাষা হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার ঐতিহাসিক সিদ্ধান্তের জন্য ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানাই। সুদীর্ঘকাল ধরে প্রতিটি বাঙালির মাতৃভাষাকে ঘিরে যে স্বপ্ন, তা আজ পূরণ হল প্রধানমন্ত্রীর হাত ধরে।’’ একটি ‘স্ক্রিনশট’ও তিনি শেয়ার করেছেন। সেখানে জানানো হয়েছে, তামিল, সংস্কৃত, তেলুগু, কন্নড়, মালয়ালম, ওড়িয়ার সঙ্গে ধ্রুপদী ভাষার তালিকায় জুড়ল বাংলা, মরাঠি, পালি, অহমিয়া এবং প্রাকৃত।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ। 

LinkedIn
Share