Tag: Suvendu Adhikari

Suvendu Adhikari

  • Suvendu Adhikari: ‘পুলিশি স্লোগানে’র নেপথ্যে কে জানেন, হাটে হাঁড়ি ভাঙলেন শুভেন্দু

    Suvendu Adhikari: ‘পুলিশি স্লোগানে’র নেপথ্যে কে জানেন, হাটে হাঁড়ি ভাঙলেন শুভেন্দু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি কর কাণ্ডে (RG Kar Incident) স্লোগান দিতে হল খোদ পুলিশকে! অবশ্য রাস্তায় নামেনি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পুলিশ। সোশ্যাল মিডিয়ায় জনতার পাল্টা স্লোগান দিয়ে পুলিশ মুখ্যমন্ত্রী তথা পুলিশমন্ত্রীর গুডবুকে থাকতে চেয়েছেন বলে অভিযোগ। সোশ্যাল মিডিয়ায় পুলিশের স্লোগান দেওয়ার নেপথ্যে কে রয়েছেন, হাটে হাঁড়ি ভেঙে সে কথা জানিয়ে দিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। তাঁর দাবি, পুলিশের এহেন পোস্টের জন্য নির্দেশ রয়েছে আইপিএস সুপ্রতীম সরকারের।

    নজির ভেঙে স্লোগান পুলিশের (Suvendu Adhikari)

    ঘটনার সূত্রপাত নবান্ন অভিযানের দিন। আরজি করকাণ্ডের প্রতিবাদে নবান্ন অভিযানের ডাক দিয়েছিল ‘পশ্চিমবঙ্গ ছাত্র সমাজ’ নামে একটি অরাজনৈতিক সংগঠন। সেই কর্মসূচি পালনের সময় জনতা স্লোগান দেয়, ‘পুলিশ তুমি চিন্তা করো, তোমার মেয়েও হচ্ছে বড়’। এর চব্বিশ ঘণ্টার মধ্যেই সমাজ মাধ্যমে বেনজিরভাবে স্লোগান দেয় পুলিশ। উর্দিধারীদের পদস্থ একাধিক কর্তা জনতার স্লোগানের ধাঁচে লেখেন, ‘পুলিশের মেয়ের চিন্তা ছাড়ো, সে লড়াই করেই হচ্ছে বড়।’ পুলিশের এই পাল্টা স্লোগানেরই উৎস সন্ধানে নেমে পড়েন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা।

    শুভেন্দুর দাবি

    শুক্রবার তিনি দাবি করেন, এহেন পোস্টের নেপথ্যে রয়েছেন সুপ্রতীম। শুভেন্দু বলেন, “২০০৬ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর সিঙ্গুর বিডিও অফিস থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়-সহ আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত সবাইকে পেটাতে পেটাতে চ্যাংদোলা করে তুলে এনেছিলেন যিনি, সিপিএমের সেই ব্লু আইড বয় সুপ্রতীম সরকার এখন এই বিষয়ে নেতৃত্ব দিয়েছেন।” তিনি বলেন, “কাল আমি ১৫-২০ জন আইসি, ওসির কাছ থেকে প্রথম খবর পাই, তাঁরা আমায় কনফিডেন্সিয়াল ফোন করে বলেন, স্যর ক্ষমা করে দেবেন, করতে বাধ্য হচ্ছি। সুপ্রতীম সরকারের নির্দেশ।”

    ‘জায়েন্ট কিলার’(বিধানসভা নির্বাচনে নন্দীগ্রামে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে হারানোর পরে সবাই শুভেন্দুকে চেনেন এই নামেই।) বলেন, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পুলিশের ওপর নির্ভর করেই রয়েছেন। যে সব আইপিএস নিজের ভালো পোস্টিংয়ের ব্যবস্থা করেন, নিজের ছেলেমেয়েদের ডাক্তারি-ইঞ্জিনিয়ারিং পড়াচ্ছেন, আরামে থাকছেন, নিজেদের বিলাসবহুল লাইফ লিড করছেন, পুলিশের সেই শ্রেণির অফিসাররা নিচুতলার কর্মীদের বাধ্য করছেন এই ধরনের পোস্ট করতে।”

    আরও পড়ুন: ‘বিষ্ণু সহস্রনাম’ পাঠে চারপাশে তৈরি হয় ইতিবাচক শক্তির বলয়, বদলে যায় জীবন

    প্রসঙ্গত (Suvendu Adhikari), সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করেছেন কলকাতা পুলিশের যুগ্ম কমিশনার হেডকোয়ার্টার মিরাজ খালিদ-সহ কয়েকজন পদস্থ কর্তার পাশাপাশি (RG Kar Incident) নিচুতলার অনেক পুলিশ কর্মীও (Suvendu Adhikari)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bankura: বাঁকুড়ায় বিস্ফোরণে দুজনের মৃ্ত্যু, এনআইএ তদন্তের দাবি শুভেন্দুর

    Bankura: বাঁকুড়ায় বিস্ফোরণে দুজনের মৃ্ত্যু, এনআইএ তদন্তের দাবি শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাঁকুড়ার (Bankura) লাউপাহাড়ি এলাকায় বিস্ফোরণের (Bomb Blast) ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে। বিস্ফোরণে দুজনের মৃত্যু হয়েছে। অবৈধ পাথর খাদানে বিস্ফোরণ ঘটিয়ে পাথর উত্তোলনের জন্য ডিনামাইট নিয়ে যাচ্ছিলেন দু’জন। তা ফেটে গিয়ে মৃত্যু হয়েছে তাঁদের! ঘটনার পর পরই শালতোড়া থানার পুলিশ জখমদের প্রথমে শালতোড়া ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্রে চিকিৎসার জন্য নিয়ে যায়। পরবর্তী সময়ে বাঁকুড়া সম্মিলনী মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালেও নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানেই দুজনের মৃত্যু হয়েছে। এই ঘটনা নিয়ে সরব হয়েছেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।

    এনআইএ তদন্তের দাবি জানালেন বিরোধী দলনেতা (Bankura)

    নিজের এক্স হ্যান্ডেলে শুভেন্দু অধিকারী লিখেছেন, “বাঁকুড়ার (Bankura) শালতোড়া থানার ঝনকা গ্রামের বাসিন্দা জয়দেব মণ্ডল এবং আরও একজন তাঁদের বাইকে ডিনামাইট নিয়ে যাচ্ছিলেন। কিন্তু, তা ফেটে গিয়ে দুজনের মৃত্যু হয়েছে। মূলত অবৈধ পাথর খাদানে বিস্ফোরণ ঘটানোর জন্য তা ব্যবহার করা হয়ে থাকে।” এই পোস্ট করে তিনি রাজ্যের ডিজি রাজীব কুমার এবং বাঁকুড়ার এসপিকে ট্যাগও করেছেন। অনুরোধ জানিয়েছেন, এই ধরনের ঘটনা না এড়িয়ে যেতে এবং কড়া ব্যবস্থা নিতে। যাঁদের মৃত্যু হয়েছে তাঁদের দেহ পুড়িয়ে ফেলার জন্য তাড়াহুড়ো করছে পুলিশ। তাই এনআইএ-কে তদন্তভার নেওয়ার আর্জি জানিয়েছেন তিনি এই পোস্টের মাধ্যমে। অভিযোগ উঠেছে, জয়দেব মণ্ডল শালতোড়া এলাকার অবৈধ পাথর খাদানে বিস্ফোরণ ঘটিয়ে পাথর উত্তোলনের জন্য ডিটোনেটর সাপ্লাই করতেন। তৃণমূলকে দুষেছেন তিনি। তাঁর বক্তব্য, শালতোড়া এলাকায় অবৈধ পাথর খাদানে বিস্ফোরণের ঘটনা আগের থেকে আরও বেড়েছে তৃণমূল সাংসদ অরূপ চক্রবর্তীর কারণে! আর এই কাজের সঙ্গে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পুলিশও যুক্ত। গোটা বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করছে পুলিশ। অনুগ্রহ করে বিষয়টির দিকে নজর দেওয়ার জন্য এনআইএ-র ডিজি-র কাছে তিনি আর্জি জানান।”

    <

    বিস্ফোরণে কেঁপে ওঠে চারটি গ্রাম!

    শালতোড়ার (Bankura) বিজেপি বিধায়ক চন্দনা বাউড়ি বলেন, “বিস্ফোরণের আওয়াজ এতটাই ছিল যে অন্তত চারটি গ্রাম কেঁপে উঠেছে। যে ছবি দেখেছি তাতে স্পষ্ট, জয়দেব বিস্ফোরক নিয়েই যাচ্ছিলেন। পুলিশ বিষয়টিকে ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করছে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: ‘‘আপনার ভাইরাও নানা পদে’’, জয় শাহকে কটাক্ষ করায় মমতাকে তুলোধনা শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: ‘‘আপনার ভাইরাও নানা পদে’’, জয় শাহকে কটাক্ষ করায় মমতাকে তুলোধনা শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর পুত্র জয় শাহ আইসিসির চেয়ারম্যান নির্বাচিত হওয়ায় অমিত শাহকে (Amit Shah) ‘খোঁচা’ দিয়েছিলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী। সেই প্রেক্ষিতেই এবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে (Mamata Banerjee) পাল্টা জবাব দিলেন বাংলার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। 

    মমতার পোস্ট

    সদ্যই বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় আইসিসি চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন জয় শাহ (Jay Shah)। সেই খবর প্রকাশ্যে আসার একদিন পরে অমিত শাহকে ‘খোঁচা’ দিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় শুভেচ্ছা বার্তা পোস্ট করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ২৯ অগাস্ট করা ওই পোস্টে জয় শাহের নাম না নিয়েই মমতা লিখেছিলেন, ‘‘আপনার ছেলে রাজনীতিবিদ হয়নি। কিন্তু তার থেকেও আরও গুরুত্বপূর্ণ পদে বসেছে। অভিনন্দন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। আপনার পুত্র রাজনীতিবিদ না হলেও আইসিসির চেয়ারম্যান হয়েছেন। এই পদটি অধিকাংশ রাজনৈতিক পদের থেকে অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ। আপনার পুত্র সত্যিই অত্যন্ত শক্তিশালী হয়েছেন। ওঁর এই সাফল্যের জন্য আপনাকে অভিনন্দন।’’ 

    শুভেন্দুর জবাব

    মমতার (Mamata Banerjee) পাল্টা হিসেবে সোশ্যাল সাইটে ‘শুভেচ্ছা বার্তা’ পাল্টা পোস্ট করেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। শুভেন্দু লেখেন, ‘‘বাংলার ব্যর্থ মুখ্যমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এবং স্বাস্থ্যমন্ত্রীকে অভিনন্দন। আপনার ভাইয়েরা রাজনীতিবদ হননি। পরিবর্তে তাঁরা হয়েছেন— অজিত বন্দোপাধ্যায় (ষষ্ঠী) আইএফএ (বাংলার ফুটবল নিয়ন্ত্রক সংস্থা) সভাপতি। বাবুন বন্দোপাধ্য়ায় (স্বপন) বাংলা অলিম্পিক্স অ্যাসোসিয়েশন সভাপতি, মোহনবাগান ফুটবল ক্লাবের মাঠ সচিব, পশ্চিমবঙ্গ হকি অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি, পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য টেবিল টেনিস অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি, পশ্চিমবঙ্গ কবাডি অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি, পশ্চিমবঙ্গ অ্যামেচার বক্সিং অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি। ক্রীড়া প্রশাসনের শীর্ষ স্তরের এই পোস্টগুলি পাওয়ার আকাঙ্খা অনেক রাজনীতিবিদেরই থাকে। আপনার ভাইয়েরা নিঃসন্দেহে ভীষণ শক্তিশালী হয়ে উঠেছে এবং তাঁদের এই সাফল্যে আমি আপনাকে অভিনন্দন জানাতে চাই। কুর্নিশ।’’

    এর আগেও অমিত শাহের ছেলে ভারতীয় ক্রিকেট প্রশাসনের পদাধিকারী হওয়ায় আক্রমণ শানিয়েছিলেন মমতা এবং তৃণমূল নেতারা। আর এবার আইসিসির কনিষ্ঠতম সভাপতি হয়েছেন জয় শাহ। যা নিয়ে অমিত শাহকে ‘খোঁচা’ মেরে অভিনন্দন জানান মমতা (Mamata Banerjee)। আর তারই পালটা জবাব দিয়ে মমতার ভাইদের পদ নিয়ে পোস্ট করলেন শুভেন্দু (Suvendu Adhikari)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: বিশেষ অধিবেশন ডাকার এক্তিয়ার নেই রাজ্যের, বিধানসভা অভিযানের আহ্বান শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: বিশেষ অধিবেশন ডাকার এক্তিয়ার নেই রাজ্যের, বিধানসভা অভিযানের আহ্বান শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আগামী ২ সেপ্টেম্বর বিধানসভায় বিশেষ অধিবেশন বসতে চলেছে। ৩ সেপ্টেম্বর ধর্ষণবিরোধী বিল পাশ করাতে চায় রাজ্য সরকার। এমন অধিবেশন ডাকার ক্ষেত্রে রাজ্য সরকারের এক্তিয়ার নেই বলে সরব হলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। এর পাশাপাশি ওই দিনেই শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) ছাত্রদের পাল্টা বিধানসভা অভিযানেরও আহ্বান জানিয়েছেন। 

    মমতাকে তোপ শুভেন্দুর (Suvendu Adhikari)

    শুভেন্দুর (Suvendu Adhikari) কথায়, ‘‘এই অধিবেশন করতে গেলে রাজ্যপালের কাছে ফাইল পাঠাতে হবে। রাজ্যপাল বেআইনি কাজের অনুমোদন দেবেন না। জোর করে বিধানসভা করতে পারেন না।’’ মমতার বিরুদ্ধে তোপ দেগে বলেন, ‘‘সোমবার অধিবেশন ডাকার আপনি কে! আপনি হরিদাস? ছাত্র সমাজকে বলব ওই দিন বিধানসভার অধিবেশন (Bidhansabha Abhiyan) করুন। আমরা ভিতরে বিধায়করা বুঝে নেব। আর রাস্তায় ছাত্র সমাজের লোকজন আপনারা বুঝে নেবেন।’’

    অধ্যক্ষ এই অধিবেশন ডাকতে পারেন না

    শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) আরও বলেন, ‘‘বিধানসভার অধ্যক্ষও এই অধিবেশন ডাকতে পারেন না, কারণ সদ্য শেষ হওয়া বিধানসভা অধিবেশনে (Bidhansabha Abhiyan) তাঁর বিরুদ্ধে অনাস্থা নিয়ে এসেছিল রাজ্যের প্রধান বিরোধী দল বিজেপি। এক্ষেত্রে রাজ্যপালের অনুমতি ছাড়া এই অধিবেশন ডাকাই যায় না। কাজেই এই বিষয়টা নিয়ে তারা আলোচনা করছেন।’’ বিধানসভার বিশেষ অধিবেশন ঘিরে এখন চড়ছে রাজনীতির পারদ।

    আরজি কর ইস্যুকে ছোট করে দেখানো হচ্ছে   

    বুধবার কলকাতায় বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী বলেন, ‘‘আরজি কর ইস্যুকে ছোটো করে দেখানো হচ্ছে। এক্ষেত্রে রাজ্য সরকার এবং তার পার্ষদরা যে ভূমিকা গ্রহণ করছেন তা আসলে বিষয়টিকে ধামাচাপা দেওয়ার একটি চেষ্টা। যেভাবে আরজি করের প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষকে দিয়ে প্লেস অফ অকারেন্স অর্থাৎ ওই সেমিনার রুমের উলটো দিকের দেওয়ালটি ভেঙে দেওয়া হয়েছে এবং যেভাবে নির্যাতিতা মেয়েটির দেহ অতি দ্রুততার সঙ্গে সৎকার করা হয়েছে তার মাধ্যমে আসলে জনমতকে ঘুরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: একসঙ্গে নবান্ন-লালবাজার-কালীঘাট অভিযান! বড় কর্মসূচির ডাক দিলেন শুভেন্দু

    Suvendu Adhikari: একসঙ্গে নবান্ন-লালবাজার-কালীঘাট অভিযান! বড় কর্মসূচির ডাক দিলেন শুভেন্দু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘দাবি এক- মমতার পদত্যাগ’, এই স্লোগানকে সামনে রেখেই এবার একসঙ্গে নবান্ন-লালবাজার-কালীঘাট অভিযানের ডাক দিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। আজ বুধবার, বন‍্‍ধ সফল করার আহ্বান জানিয়ে নন্দীগ্রামে বিরাট মিছিল করেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা (LoP West Bengal)। সেখানেই তিনি এই কর্মসূচির কথা জানান। তবে ঠিক কবে এমন কর্মসূচি গ্রহণ করা হবে তার দিনক্ষণ অবশ্য ঘোষণা করেননি নন্দীগ্রামের বিধায়ক। স্লোগান দিতে দিতে এদিন শুভেন্দু বলেন, ‘‘দফা এক, দাবি এক, মুখ্যমন্ত্রীর পদত্যাগ। ছাত্রদের ওপর লাঠি চলল কেন? মমতা জবাব দাও। টিয়ার গ্যাসের শেল ছুড়লে কেন, মমতা জবাব দাও।’’ শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) বলেন, ‘‘বন‍্‍ধ সর্বাত্মক। চারদিক শুনশান। এটা বিজেপির বন‍্‍ধ নয়, সাধারণ মানুষের বন‍্‍ধ। এই সরকারের সময় হয়ে এসেছে।’’

    মমতাকে তীব্র আক্রমণ শুভেন্দুর (Suvendu Adhikari)

    গতকাল মঙ্গলবার পশ্চিমবঙ্গ ছাত্র সমাজের নবান্ন অভিযান কর্মসূচি নিয়ে শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) বলেন, ‘‘ছাত্রদের পাশাপাশি অভিভাবকরাও পথে নেমেছিলেন।’’ প্রসঙ্গত, আজ বুধবার তৃণমূল ছাত্র পরিষদের প্রতিষ্ঠা দিবস। এনিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে বিঁধে শুভেন্দু অধিকারী বলেন, ‘‘৭০ বছরের প্রবীণা আজকের সমাবেশে কী করতে যাবেন? উনি কি ছাত্রী?’’ শুভেন্দুর (LoP West Bengal) কথায়, ‘‘মুখ্যমন্ত্রীর জর্জিয়া ইউনিভার্সিটির ডক্টরেট ডিগ্রি ভুয়ো। ওঁর ভাইপো তথা ‘বাছুর’-এর এমবিএ ডিগ্রি ভুয়ো। তাঁরা আবার ছাত্র সমাবেশে কী বার্তা দেবেন?’’ শুভেন্দুর দাবি, ‘‘মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সিঙ্গুরে তাঁকে টেনে বের করা সুপ্রতিম সরকারকে এখন কলকাতার নগরপাল করতে চাইছেন। সে কারণে বিনীত গোয়েল যে কোনওভাবে মমতাকে তুষ্ট রাখতে চাইছেন।’’

    ভাটপাড়াতে গুলি চলল কেন, মমতা জবাব দাও

    অপর দিকে, বাংলা বন‍্ধের মধ্যেই ভাটপাড়ায় গুলি চলে। কানে গুলি লাগে এক ব্যক্তির। এই ঘটনাতেও মুখ্যমন্ত্রীর কাছে জবাব চাইলেন বিরোধী দলনেতা। শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) বলেন, ‘‘ভাটপাড়াতে গুলি চলল কেন, মমতা জবাব দাও।’’ এরপরেই ফের স্লোগান তুললেন, ‘‘জনতা রাজপথে, তৃণমূল হুঁশিয়ার।’’ পশ্চিমবঙ্গ ছাত্র সমাজের হয়ে যাঁরা নবান্ন চলো কর্মসূচি নিয়েছিলেন তাঁদের মধ্যে অন্যতম সায়ন লাহিড়িকে মঙ্গলবার একটি নিউজ চ্যানেলের অফিসের বাইরে থেকে পুলিশ গ্রেফতার করে। এনিয়ে শুভেন্দু বলেন, ‘‘সায়নের পাশে আমরা আছি। সায়নের পরিবার আদালতে গিয়েছে। চার ছাত্রকে গতকাল মুক্তি দিয়েছে। তবে অ্যারেস্ট মেমো বা ওয়ারেন্ট দেখাতে হবে, কেন গ্রেফতার করা হয়েছিল।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: পশ্চিমবঙ্গে রাষ্ট্রপতি শাসন জারি করে নির্বাচনের দাবি শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: পশ্চিমবঙ্গে রাষ্ট্রপতি শাসন জারি করে নির্বাচনের দাবি শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “পশ্চিমবঙ্গে রাষ্ট্রপতি শাসন জারি করে নির্বাচনের মাধ্যমে সরকার পরিবর্তন হোক।” মঙ্গলবার এমনই দাবি তুললেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা বিজেপির শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। আরজি করকাণ্ডের (RG Kar Incident) প্রতিবাদে এদিন নবান্ন অভিযানের ডাক দিয়েছিল পশ্চিমবঙ্গ ছাত্র সমাজ। সেই অভিযান উপলক্ষে ব্যাপক জমায়েত হয় রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায়। আন্দোলনকারীদের রুখতে কোথাও রাস্তায় রাখা হয়েছে কন্টেনার, কোথাও আবার রাখা হয়েছে গাছের গুঁড়ি। আবার কোথাও ব্যারিকেডের গায়ে লাগানো হয়েছে গ্রিজের পুরু আস্তরণ। এতেও ক্ষান্ত হয়নি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পুলিশ। নির্বিচারে চালিয়েছে লাঠি, ব্যবহার করেছে জলকামান, কাঁদানে গ্যাস। পুলিশের লাঠির ঘায়ে জখম হয়েছেন বহু আন্দোলনকারী।

    রাষ্ট্রপতি শাসন জারির দাবি (Suvendu Adhikari)

    কর্মসূচি শেষে সাংবাদিক বৈঠক করেন শুভেন্দু। সেখানেই দাবি তোলেন পশ্চিমবঙ্গে রাষ্ট্রপতি শাসন জারি করে নির্বাচনের মাধ্যমে সরকার পরিবর্তনের। পুলিশের উদ্দেশে শুভেন্দু বলেন, “পুলিশকে আমি আবারও বলব, আপনারা ধরপাকড় বন্ধ করুন। আপনারা সামলাতে পারবেন না। সাঁতরাগাছির জনতাকে ভিডিও কল করে অনুরোধ করেছি, সাধারণ পুলিশ কর্মী ও ছাত্র সমাজ-সহ নিরীহ জনগণ আক্রান্ত হচ্ছেন। পুলিশের জল কামানের জল শেষ, গ্যাস শেষ। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পুলিশকেও অসহায় অবস্থায় ফেলে দিয়েছেন।”

    আরও পড়ুন: নবান্ন অভিযানে ‘পুলিশি সন্ত্রাস’, বুধবার ১২ ঘণ্টার বাংলা বন‍্‍ধ ডাকল বিজেপি

    “মমতার পদত্যাগ চাই”

    শুভেন্দু বলেন, “ওঁরা (পুলিশ) বাধ্য হতেন গুলি চালাতে। নীচের তলার পুলিশের সঙ্গে আমাদের কোনও বিরোধ নেই। তাঁদেরও স্ত্রী-মা-বোন আছে। আমরা চাই না মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও রাজীব কুমারদের ভুল পলিসির জন্য তাঁরা ক্ষতিগ্রস্ত হোন।” তিনি (Suvendu Adhikari) বলেন, “এটা সাধারণ মানুষের একটা সফল কার্যক্রম। তবে পুলিশের উসকানি ছিল। তারা প্রচুর মানুষকে মারধর করেছে।” রাজ্যের বিরোধী দলনেতা বলেন, “আমি অনুরোধ করব, আপনারা ধরপাকড়, মারধর বন্ধ করুন। জাগ্রত জনতার সঙ্গে পারবেন না। ফেল করবেন।” রাজ্যের বিরোধী দলনেতা (Suvendu Adhikari) বলেন, “আমরা মমতার পদত্যাগ চাই। এই আন্দোলন একদিনের (RG Kar Incident) নয়। কর্মসূচি আরও হবেই। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে পদত্যাগে বাধ্য করব। পশ্চিমবাংলায় রাষ্ট্রপতি শাসনে নির্বাচনের মাধ্যমে সরকার পরিবর্তন হোক আমরা চাইব।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bangla Bandh: নবান্ন অভিযানে ‘পুলিশি সন্ত্রাস’, বুধবার ১২ ঘণ্টার বাংলা বন‍্‍ধ ডাকল বিজেপি

    Bangla Bandh: নবান্ন অভিযানে ‘পুলিশি সন্ত্রাস’, বুধবার ১২ ঘণ্টার বাংলা বন‍্‍ধ ডাকল বিজেপি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ছাত্রসমাজের পাশে দাঁড়িয়ে আগামিকাল, বুধবার ১২ ঘণ্টার বাংলা বন‍্ধের  (Bangla Bandh) ডাক দিল বিজেপি (BJP)৷ মঙ্গলবার ছাত্রদের নবান্ন অভিযানে লাঠি চালায় পুলিশ। ছোড়া হয় কাঁদানে গ্যাস, জলকামান। এরপরই বন‍্ধের ঘোষণা করেছেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার৷ বুধবার সকাল ৬টা থেকে সন্ধে ৬টা পর্যন্ত এই বন‍্ধের ডাক দেওয়া হয়েছে৷ ছাত্র-জনতার শান্তিপূর্ণ মিছিলে পুলিশের দমনপীড়নের প্রতিবাদেই এই কর্মসূচি বলে জানান সুকান্ত।

    বন‍্‍ধ সফল করার আহ্বান

    মঙ্গলবার দুপুরের সাংবাদিক বৈঠকে সুকান্ত বলেন, ‘‘আগামী পরশু থেকে আমরা ধর্না শুরু করব। এছাড়াও ছাত্র সমাজকে সব রকম আইনি ও মেডিক্যাল সাহায্য দেওয়ার জন্য আজ থেকে পুনরায় হেল্পলাইন নম্বর চালু করছি আমরা। এখানে ফোন করে আপনারা যে কোনও রকম আইনি সহায়তা কিংবা পরামর্শ চালাতে পারেন। আসুন, আগামী ৩০ অগাস্ট আমাদের মহিলা মোর্চার ডাকে সকল মহিলা, সকল মানুষ পথে নামুন। এই আন্দোলন বিজেপির নয়, এটা সমাজের আন্দোলন।’’

    বিজেপি রাজ্য সভাপতি বলেন, ‘‘এই বন‍্‍ধকে (Bangla Bandh) সর্বাত্মক করুন৷ স্বেচ্ছাচারী সরকারের হাত থেকে বাংলাকে মুক্ত করুন৷ মানুষ স্বাধীনভাবে মতপ্রকাশ করতে পারছেন না৷ এর প্রতিবাদ করতে, বাংলায় গণতন্ত্রকে প্রতিষ্ঠা করতে, আগামিকালের বন‍্‍ধকে সবাই সফল করুন৷ শুধু বিজেপি কর্মীরা নন, সাধারণ মানুষের কাছে আমার আবেদন। ভেবে দেখুন, আজ আপনার পাশের বাড়ির ছেলের ওপর লাঠিচার্জ হয়েছে, কাল আপনার ছেলের ওপর হতে পারে। আজ পাশের বাড়ির ছেলের চাকরি বিক্রি করে দিয়েছে তৃণমূল নেতারা, কাল আপনার ছেলে চাকরি বিক্রি হবে। আজ আরজি করের বোনটি যেমন অত্যাচারিত হয়েছে কাল আপনার বাড়ির মেয়ের সঙ্গে একই ঘটনা ঘটতে পারে। তাই এই বন‍্‍ধকে সর্বাত্মক করুন। এটা স্বৈরাচারী স্বেচ্ছাচারী সরকারের হাত থেকে পশ্চিমবঙ্গকে রক্ষা করার বন‍্‍ধ।’’ 

    বাংলার গণতন্ত্র বিপন্ন

    এদিন সুকান্ত বলেন, ‘‘শান্তিপূর্ণ মিছিলের ওপরে কেন পুলিশ লাঠি চালাল? কেন কাঁদানে গ্যাস ছুড়ল? এমনকী, মহিলা, বয়স্করাও ছাড় পায়নি। কোথাও পুলিশ লাঠি চালানোর আগে কেউ পাথর ছোড়েনি। কেমিক্যাল মেশানো জল স্প্রে করা হয়েছে এরকম অভিযোগও আমরা ছাত্রদের কাছ থেকে পাচ্ছি। এটা কী ধরণের আচরণ? বেকার যুবক – যুবতীরা কি বাংলায় জন্ম নিয়ে কোনও ভুল করেছেন? যে মুখ্যমন্ত্রীকে ক্ষমতায় থাকতে এত দমন পীড়ন করতে হয় তার আর ক্ষমতায় থাকার অধিকার নেই। বাংলার মানুষকে জবাব দেওয়ার সময় এসেছে।’’ বাংলার গণতন্ত্র, স্বাধীনতা, সুরক্ষা সমস্ত কিছু বিপন্ন। তা রক্ষা করতে বাংলার মানুষকে একজোট হওয়ার কথা বলে বিজেপি নেতৃত্ব।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: ‘‘আদালতে দেখা হবে…’’, ধৃত ৪ ছাত্রকে আইনি সহায়তার আশ্বাস, পুলিশকে চ্যালেঞ্জ শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: ‘‘আদালতে দেখা হবে…’’, ধৃত ৪ ছাত্রকে আইনি সহায়তার আশ্বাস, পুলিশকে চ্যালেঞ্জ শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নবান্ন অভিযানে (Nabanna Abhijan) গ্রেফতার হওয়া আন্দোলনকারী ছাত্রদের সবরকম সাহায্য করবেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। যাঁদের গ্রেফতার করা হয়েছে, তাঁদের ছাড়ানোর ব্যবস্থা করবেন তিনি। তার জন্য যা আইনি পদক্ষেপ প্রয়োজন এবং যত অর্থ খরচ হয়, তা বহন করবেন তিনিই, জনালেন শুভেন্দু নিজেই। একই সঙ্গে শুভেন্দু এও হুঁশিয়ারি দিয়েছেন, যদি কোনও আন্দোলনকারীকে পুলিশ মারে তাহলে তিনি পথে নামবেন, দরকার পড়লে অবরোধে বসবেন।

    চার ছাত্রকে ছাড়াতে সাহায্য 

    আরজি করের ঘটনার প্রতিবাদে মঙ্গলবার নবান্ন অভিযান করছে পশ্চিমবঙ্গ ছাত্র সমাজ। এই আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত চার ছাত্রের নিখোঁজ হয়ে যাওয়ার খবর এদিন সকালেই সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করেন শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। পরে, বিরোধী নেতার কথাই সত্যি হয়। দেখা যায়, ওই চারজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী জানিয়েছেন, ওই চার ছাত্রের দায়িত্ব তিনি নেবেন। তাঁদের ছাড়ানো এবং আইনি সাহায্য তিনি করবেন। বিরোধী দলনেতা চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়ে বলেছেন, ‘ছাত্রদের পরিবার মহামান্য কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন। ওখানেই দেখা হবে।’ শুভেন্দু আরও বলেন, ‘আজই কলকাতা হাইকোর্টে তাঁর আইনজীবীরা ওই মামলাটি পেশ করেছে। মামলা হবে মমতা পুলিশের বিরুদ্ধে। বিশেষ করে বিনীত গোয়েল (কলকাতা পুলিশ কমিশনার) আর রাজীব কুমার (রাজ্যপুলিশের ডিজি) এবং প্রবীণ ত্রিপাঠী (হাওড়ার পুলিশ কমিশনার)-এর বিরুদ্ধে।’ 

    আন্দোলনকারীদের পাশে শুভেন্দু

    একই সঙ্গে শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) এও হুঁশিয়ারি দিয়েছেন, যদি কোনও আন্দোলনকারীকে পুলিশ মারে তাহলে তিনি পথে নামবেন, দরকার পড়লে অবরোধে বসবেন। শুভেন্দু জানান, তিনি হাওড়ায় রেলের গেস্ট হাউসে থাকবেন। নবান্ন চলোর (Nabanna Abhijan) ডাক দেওয়া ছাত্র সমাজের পাশেই তিনি রয়েছেন। আন্দোলন দমনের চেষ্টা হলে, কাউকে মারধর করা হলে রাস্তায় নেমে অবরোধের হুঁশিয়ারিও দিয়েছেন বিরোধী দলনেতা। তাঁর কথায়, ইতিমধ্যেই ১০০ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। চারজন ছাত্র নিখোঁজ ছিলেন। তাঁদের পরিবারকেও আগে খবর দেয়নি পুলিশ। সকলকে মুক্ত করানোর বিষয়ে আইনি সহায়তা প্রদান করা হবে। রাজ্যের বিরোধী দলনেতা হিসেবে তিনি যা করণীয় সব কিছুই করবেন। শুভেন্দু হুঁশিয়ারি দিয়েছেন, যদি কোনও আন্দোলনকারীকে পুলিশ মারে তাহলে তিনি পথে নামবেন, দরকার পড়লে অবরোধে বসবেন।

    আরও পড়ুন: শুভেন্দুর আশঙ্কাই হল সত্যি, নবান্ন অভিযানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকায় চার ছাত্র গ্রেফতার

    রাজনৈতিক দল নামলে কী করবে?

    নবান্ন অভিযানের (Nabanna Abhijan) আগে পুলিশ বেশ কিছু জায়গায় ধরপাকড় করেছে। সে প্রসঙ্গে তাঁর কাছে জানতে চাওয়া হলে শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) বলেছেন, ‘‘অনেক জায়গায় গিয়েছে। শঙ্কর গুছাইত হাইকোর্টের রক্ষাকবচ পেয়েছিলেন। তাঁকেও টেনেহিঁচড়ে আটক করে নিয়ে গিয়েছে। মানুষ সব দেখছে। রাজ্য সরকার আজ ৪-৫ কোটি টাকা খরচ করেছে। ভালো ভালো রাস্তা খুঁড়েছে। এমনকী, গার্ডেনরিচ থেকে কন্টেনার এনে দ্বিতীয় হুগলি সেতুতে রেখেছে। এ রকম দেখেছেন কখনও? সবাই বলেছে অরাজনৈতিক মিছিল। তার পরেও এই সব। এর পরে রাজনীতির লোকেরা পথে নামলে কী করবে?’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Nabanna Abhijan: শুভেন্দুর আশঙ্কাই হল সত্যি, নবান্ন অভিযানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকায় চার ছাত্র গ্রেফতার

    Nabanna Abhijan: শুভেন্দুর আশঙ্কাই হল সত্যি, নবান্ন অভিযানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকায় চার ছাত্র গ্রেফতার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শুভেন্দুর আশঙ্কাই সত্যি প্রমাণিত হল (Nabanna Abhijan)। মধ্যরাতের পর হাওড়া স্টেশন থেকে ‘নিখোঁজ’ হয়েছিলেন চার ছাত্র। পুলিশ এই চার ছাত্রকে আটক করেছে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করে এক্স হ্যান্ডেলে পোস্ট করেছিলেন রাজ্য বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। সমাজমাধ্যমে শুভেন্দুর পোস্টের পর কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন ওই চার ছাত্রের পরিবার। তাঁরা আদালতে যাওয়ার পরই পুলিশের তরফে জানানো হয় গ্রেফতারির কথা। পুলিশের দাবি, খুন ও খুনের চেষ্টার চক্রান্ত করছিলেন ওই চারজন! কিন্তু প্রশ্ন হল ছাত্ররা যাই করুক তাঁদের গ্রেফতারির কথা কেন জানানো হল না পরিবারকে? বিরোধী নেতা যদি না সমাজমাধ্যমে ওই চারজনের পরিচয় জানিয়ে পোস্ট করতেন, তাহলে কেউ জানতেই পারতেন না।

    শুভেন্দুর অভিযোগ

    বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) জানিয়েছেন, চার আন্দোলনকারীর নাম শুভজিৎ ঘোষ, পুলকেশ পণ্ডিত, গৌতম সেনাপতি ও প্রীতম সরকার। হাওড়ায় স্বেচ্ছাসেবকদের ফুড প্যাকেট বিতরণের দায়িত্বে ছিলেন চার জন (Nabanna Abhijan)। হঠাৎ করে মধ্যরাত থেকে তাঁদের খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না বলে খবর। এমনকী, ফোনেও তাঁদের সঙ্গে কোনওভাবে যোগাযোগ করা যাচ্ছিল না। এক্স হ্যান্ডেলে শুভেন্দু লেখেন, ‘‘আমাদের আশঙ্কা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পুলিশ তাদের গ্রেফতার বা আটক করেছে। তাঁদের কিছু হলে সেই দায়িত্ব মমতার পুলিশকে নিতে হবে।’’

    আদালতের দ্বারস্থ পরিবার

    সমাজমাধ্যমে বিরোধী দলনেতার পোস্টের পর কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন ওই চার ছাত্রের পরিবার। বিচারপতি রাজর্ষি ভরদ্বাজের একক বেঞ্চের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন পরিবারের আইনজীবী কৌস্তভ বাগচী। পরিবারকে এই নিয়ে মামলা দায়ের করার অনুমতি দিয়েছেন বিচারপতি। বুধবার উচ্চ আদালতে এই মামলার শুনানির সম্ভাবনা রয়েছে। এরপরই পুলিশের তরফে জানিয়ে দেওয়া হয়, চার জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। সমাজমাধ্যমে রাজ্য পুলিশের হ্যান্ডলে জানানো হয়েছে, মঙ্গলবারের নবান্ন অভিযানে (Nabanna Abhijan) ওই চার জন অশান্তি পাকানোর পরিকল্পনা করেছিলেন বলে পুলিশের কাছে তথ্য রয়েছে। সেই কারণেই তাঁদের গ্রেফতার করা হয়েছে। 

    আরও পড়ুন: নবান্ন অভিযান নিয়ে শঙ্কিত পুলিশ! ছাত্র আন্দোলন নিয়ে কীসের ভয় মমতার?

    কেন ইনফর্ম করল না পুলিশ?

    মঙ্গলবার, পশ্চিমবঙ্গ ছাত্র সমাজের পক্ষ থেকে নবান্ন অভিযানের ডাক দেওয়া হয়েছে। সেই আন্দোলনের সামনের সারিতে দেখা গিয়েছে প্রবীর দাস, শুভঙ্কর হালদার ও সায়ন লাহিড়িকে। কিন্তু শুভেন্দু অধিকারী যে চার জনের কথা উল্লেখ করেছেন, তাঁরাও এই আন্দোলনের ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন বলে দাবি। এদিনের অভিযানে (Nabanna Abhijan) বিপুল জমায়েতের আশঙ্কা করে অতি তৎপর পুলিশ প্রশাসন। তাই যে কোনও পন্থা অবলম্বন করছে মমতার পুলিশ। কিন্তু প্রশ্ন হল, ছাত্রদের গ্রেফতারের কথা আগে পুলিশ কেন জানাল না? বাড়িতে কেন ইনফর্ম করা হল না? নিয়ম অনুযায়ী, গ্রেফতার হলে, বাড়ির লোককে জানাতে হবে সঙ্গে সঙ্গেই। সোমবার রাতে গ্রেফতার করা হলেও, মঙ্গলবার বেলা গড়িয়ে গেল পুলিশের এই তথ্য খোলসা করতে। সেটাও, বিরোধী নেতা (Suvendu Adhikari) যদি না সমাজমাধ্যমে ওই চারজনের পরিচয় জানিয়ে পোস্ট করতেন, কেউ জানতেই পারতেন না। এমনকী, পরিবারও জানতে পারত না! ছাত্র সমাজ জানতে পারত না নিখোঁজ হয়ে গেল তাঁদের বন্ধুরা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Nabanna Abhijan: নবান্ন অভিযান নিয়ে শঙ্কিত পুলিশ! ছাত্র আন্দোলন নিয়ে কীসের ভয় মমতার?

    Nabanna Abhijan: নবান্ন অভিযান নিয়ে শঙ্কিত পুলিশ! ছাত্র আন্দোলন নিয়ে কীসের ভয় মমতার?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি করকাণ্ডে এর আগে মেয়েদের রাত দখলের কর্মসূচির তিক্ত স্মৃতি বয়ে বেড়াচ্ছে কলকাতা পুলিশ। গত ১৪ অগাস্ট আরজি করে (RG Kar Incident) ছলে-বলে-কৌশলে প্রমাণ লোপাটের চেষ্টা হয়েছিল। সে নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে কলকাতা পুলিশকে প্রশ্নের মুখেও পড়তে হয়। তাই মঙ্গলবারের নবান্ন অভিযানকে (Paschimbanga Chhatra Samaj) ভয় পাচ্ছে মমতা প্রশাসন। নানারকম অপপ্রচারও চলছে। প্রশ্ন উঠছে, মঙ্গলবারের অভিযান (Nabanna Abhijan) নিয়ে পুলিশের কাছে প্রচুর তথ্য অথচ, আরজি করে হামলার আগে পুলিশের কাছে এরকম তথ্য কেন ছিল না? নবান্ন অভিযানে দমন নীতি প্রয়োগের পরিকল্পনাও নিয়েছে মমতা সরকার। কিন্তু স্বাধীনতার আগের রাতে আরজি কর হামলার সময়ে এই বীর পুলিশ ভয়ে পালিয়ে গিয়েছিল কেন?

    নবান্ন অভিযান ঘিরে অপ্রচার

    যে কোনও প্রতিবাদকে এখন ভয় পাচ্ছে মমতা প্রশাসন। তাই ছক কষে, আগাম অপপ্রচার চালিয়ে, বদনাম রটিয়ে বিরোধী কণ্ঠস্বরকে রোধ করাই মমতার প্রশাসনের একমাত্র লক্ষ্য। আর সেই অপপ্রচারের অঙ্গ হিসেবে দুটি ভাইরাল অডিও-ভিডিও ক্লিপকে হাতিয়ার করে নবান্ন অভিযানকে (Nabanna Abhijan) আটকাতে তৎপর মমতার পুলিশ। সোমবার সাংবাদিক সম্মেলন করে পুলিশ দাবি করে, নবান্ন অভিযানে দুষ্কৃতী ঢুকিয়ে গন্ডগোল পাকানো হবে। দাবির স্বপক্ষে গত ২ দিন ধরে অডিও-ভিডিও ভাইরাল ক্লিপ প্রকাশ করা হয় পুলিশ-প্রশাসন, এমনকী তৃণমূলের তরফে। কোথাও আবার আন্দোলেনর মুখ হয়ে ওঠা ছাত্র প্রতিনিধিদের চরিত্র-হননেও নেমে পড়েছে শাসক দল ও উর্দিধারীরা। বিরোধীদের দাবি, এর উদ্দেশ্য একটাই— গণ-আন্দোলনকে খাটো করে মানুষকে বিভ্রান্ত করা। কারণ, ছাত্রদের পুলিশ ভয় পেয়েছে। ছাত্রদের প্রশাসন ভয় পেয়েছে। তাঁদের দাবি, ভয় পেয়েছে বলেই ৬০০০ পুলিশ নামানো হচ্ছে, ১৯টি পয়েন্টে ব্যারিকেড করা হচ্ছে, নামানো হচ্ছে ২৬ জন ডিসিকে। জলকামান, বডি প্রোটেকটিভ গিয়ার, টিয়ার গ্যাসেরও প্রস্তুতি থাকছে। বিদ্যাসাগর সেতুর দু’পাশে অর্থাৎ কলকাতা ও হাওড়া দুই দিকেই ব্যারিকেড থাকছে। 

    আরও পড়ুন: ‘‘শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ দমন নয়’’, মমতাকে সুপ্রিম-নির্দেশ মনে করালেন রাজ্যপাল

    বিজেপির দাবি, শুভেন্দুর শুভেচ্ছা

    নবান্ন অভিযানের ঠিক আগে আচমকা ভিডিও ক্লিপ ভাইরাল হওয়ার বিষয়টাকে সন্দেহজনক বলছে গেরুয়া শিবির। বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) বলেছেন, ‘‘এখন তো দেখছি ভিডিও অন ডিমান্ড! যখনই দরকার হচ্ছে, একটা করে ভিডিও চলে আসছে। এই ভিডিওর সত্যতা নিয়ে আমাদের মনে প্রশ্ন রয়েছে। এটা ভুয়ো কি না, জানতে হবে। বিষয়টি নিয়ে আমরা আইনি লড়াই চালাব। বিজেপির পরিকল্পনা অথচ শীর্ষ নেতৃত্ব জানেন না, আর মণ্ডল সভাপতি জেনে গেলেন?’’ ঘাটালের বিজেপি বিধায়ক শীতল কপাটও দাবি করেছেন, “তৃণমূল মিথ্যা ভিডিও সমাজমাধ্যমে ছড়াচ্ছে। আসলে স্বতঃফূর্ত আন্দোলনের ঝাঁঝ দেখে ভয় পাচ্ছে ওরা।”

    উল্লেখ্য, সোমবার শাসকদলের তরফে একটি ভিডিও প্রকাশ করা হয়, তাদের দাবি সেটা গেরুয়া শিবিরের যেখানে নবান্ন অভিযান (Nabanna Abhijan) ঘিরে অশান্তি ছড়ানোর ছক কষা হয়েছে। কিন্তু বিজেপির তরফে সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করে ছাত্রদের পাশে থাকার বার্তা দেওয়া হয়েছে। এক্স হ্যান্ডেলে ছাত্রদের (Paschimbanga Chhatra Samaj) শুভেচ্ছা জানিয়ে একটি ভিডিও পোস্ট করে দিয়েছেন বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)।

    ছাত্রদের আটকাতে যুদ্ধের প্রস্তুতি পুলিশের!

    অরাজনৈতিক নবান্ন অভিযান (Nabanna Abhiyan) ঘিরে পুলিশ কতটা তটস্থ, তার প্রমাণ মিলেছে প্রশাসনের নিরাপত্তার বহর দেখেই। ছাত্র সমাজের নবান্ন অভিযানকে আটকাতে যেন যুদ্ধে নামছে মমতার পুলিশ। চারজন আইজি র‍্যাঙ্কের পুলিশ অফিসার ছাড়াও থাকছেন ডিআইজি এবং এসপি পদমর্যাদার পুলিশ আধিকারিকরা। পুলিশ সুপার, ডিসিপি বা কমান্ডান্ট পদমর্যাদার ১৩ জন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার, এডিসিপি পদের ১৫ জন, ডেপুটি পুলিশ সুপার বা এসিপি পদের ২২ এবং ২৬ জন ইনস্পেক্টর নবান্ন অভিযান ঠেকাতে মোতায়েন থাকবেন। পাশাপাশি র‌্যাফ, ইএফআর, স্ট্রাকো বাহিনীর জওয়ান-সহ প্রায় ৬,০০০ পুলিশকর্মী নিযুক্ত থাকবেন। তাঁদের লাঠি থেকে শুরু করে হেলমেট, বডি প্রটেক্টিভ গিয়ার রাখতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

    মিছিল আটকাতে বিভিন্ন জায়গায় ব্যারিকেড করে দেওয়া হয়েছে। থাকছে জল কামান এবং ড্রোনের ব্যবস্থা। নবান্নর সামনে ৭ ফুট উঁচু উঁচু গার্ডরেল জুড়ে দেওয়া হয়েছে নাট-বল্টু দিয়ে। তার সামনে রাখা হয়েছে বালির বস্তা। এছাড়াও লোহা দিয়ে মাটির সঙ্গে দৃঢ় ভাবে বসিয়ে দেওয়া হয়েছে।  কলকাতা থেকে সেকেন্ড হুগলি ব্রিজে ওঠার আগেই রাস্তায় বসিয়ে দেওয়া হয়েছে একের পর এক লোহার ও বাঁশের ব্যারিকেড। প্রতিটি ব্যারিকেডের সামনে লাগানো হয়েছে উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন ক্যামেরা। 

    বিরোধীদের কটাক্ষ, মনে হচ্ছে যেন ছাত্রদের মিছিল ঠেকাতে নয়, কোনও যুদ্ধের প্রস্তুতি নিচ্ছে রাজ্যের পুলিশ! অবশ্য, যে পুলিশ আরজি করের হামলার সময় ভয়ে পালিয়ে যায়, তাদের কাছে এটা তো যুদ্ধ হবেই! তারা বলছেন, মমতা কতটা ভয় পেয়েছেন, তা এর থেকেই প্রমাণিত।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share