Tag: Suvendu Adhikari

Suvendu Adhikari

  • Suvendu Adhikari: ‘অভয়া’র সৎকারের পর সরকারি রেজিস্টারে পরিবারের সই নেই কেন? প্রশ্ন শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: ‘অভয়া’র সৎকারের পর সরকারি রেজিস্টারে পরিবারের সই নেই কেন? প্রশ্ন শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি কর-কাণ্ডে (RG Kar Rape-Murder) নির্যাতিতার দাহ খরচ সংক্রান্ত রেজিস্টারে স্বাক্ষর পরিবারের কারোর নয়। ঠিক এমনই বিস্ফোরক দাবি করলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। সাধারণত শ্মশানে মৃতদেহ সৎকার করার পর পরিবারকেই স্বাক্ষর করে টাকা জমা দিতে হয়। কিন্তু অভয়ার ক্ষেত্রে তা ঘটেনি। এই দাহ কাজে তৃণমূলের স্থানীয় কাউন্সিলর এবং পুলিশের ভূমিকা অতি সক্রিয় বলে জানিয়েছেন শুভেন্দু। তাঁর মতে, সবটাই সন্দেহের বাইরে নয়। একই ভাবে তিনি আক্রমণ করেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীকেও।

    ঠিক কী বললেন শুভন্দু (Suvendu Adhikari)?

    হাওড়ায় দলীয় কর্মসূচীতে যোগদান করে শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) বলেছেন, “ঘটনার দিন নির্যাতিতার (RG Kar Rape-Murder) দেহকে তড়িঘড়ি করে শ্মশানে সৎকার করা হয়েছে। এই কাজে যারা উপস্থিত ছিল তারা কেউ এলাকার লোক নয়। শেষকৃত্যের খরচ মৃত চিকিৎসকের পরিবার দেয়নি। তাহলে দিল কে? দাহের কাজ শেষ করার পর যেসব সরকারি খাতায় স্বাক্ষর করা হয়েছে, সেখানেও কোনও বাড়ির লোকের স্বাক্ষর ছিল না। তাহলে সরকারি রেজিস্টারে সই কে করল?”

    আরও পড়ুনঃ ‘মর্গে পানশালা, দেহ ঘিরে দালাল চক্র’! বিস্ফোরক আরজি করের প্রাক্তন কর্মী

    প্রথম থেকেই পুলিশের ভূমিকা সন্দেহজনক!

    উল্লেখ্য, শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) মৃতদেহের সৎকার নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীকে নিশানা করে বলেন, “সেই রাতে শ্মশানে আগে থেকে উপস্থিত ছিলেন পানিহাটির তৃণমূল বিধায়ক নির্মল ঘোষ। চিকিৎসকের (RG Kar Rape-Murder) দেহ দাহ হয় বারাকপুর পুলিশ কমিশনারেট এলাকায়। কিন্তু গোটা প্রক্রিয়ায় নেতৃত্ব দিয়েছেন ডিসি নর্থ অভিষেক গুপ্ত। সঙ্গে ছিলেন কলকাতা পুলিশের আরও দুইজন আইসিও। সম্পূর্ণ ঘটনায় নজর রেখেছিলেন রাজ্য পুলিশের ডিজি।” ফলে রাজ্যের পুলিশমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অত্যন্ত সক্রিয় ভাবে দাহকাজে পুলিশকে ব্যবহার করেছেন বলে ইঙ্গিত করেছেন। ঘটনার দিন থেকেই ধর্ষণ করে হত্যাকাণ্ডের বিষয়কে ধামাচাপা দিতে চাইছে পুলিশ, এমন অভিযোগে বিজেপি সরব হয়েছে বার বার। কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশে মামলা পুলিশের কাছে থেকে সিবিআইকে দেওয়া হয়।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: নবান্ন অভিযান ব্যর্থ করতে ‘ফেক নিউজ’, মমতার পুলিশকে তুলোধনা শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: নবান্ন অভিযান ব্যর্থ করতে ‘ফেক নিউজ’, মমতার পুলিশকে তুলোধনা শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নবান্ন অভিযান বানচাল করতে ময়দানে নেমে পড়েছে রাজ্য পুলিশ। শনিবার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) অভিযোগ করেছেন, পুলিশের তরফে ‘টুলকিট’ তৈরি করা হয়েছে। সেই ‘টুলকিট’-এর মাধ্যমে ফেক নিউজ ছড়াচ্ছে পুলিশ। টুলকিট সাধারণত যে কোনও আন্দোলনকে জোরদার করতে ব্যবহার করা হয়। এক্ষেত্রে তার অপব্যবহার করা হচ্ছে। তাই পড়ুয়াদের উদ্দেশ্যে শুভেন্দুর বার্তা, “আমি ছাত্রছাত্রীদের ও নাগরিক সমাজকে অনুরোধ করছি, ডাক্তার বোনটির জন্যে বিচারের দাবিতে আপনারা কোনও ভুয়ো খবরে বিভ্রান্ত না হয়ে দৃঢ় প্রত্যয়ে এগিয়ে চলুন।”

    পুলিশের ফেক নিউজ ছড়ানোর উদ্যোগ! (Suvendu Adhikari)

    মঙ্গলবার ২৭ অগাস্ট ছাত্রছাত্রীদের পক্ষ থেকে নবান্ন অভিযানের ডাক দেওয়া হয়েছে। এনিয়ে এক্স হ্যান্ডেলে একটি পোস্ট করেন শুভেন্দু অধিকারী। সেই পোস্টের শুরুতে তিনি (Suvendu Adhikari) লিখেছেন, “শেষমেষ মমতা পুলিশ ‘টুলকিট’ তৈরি করে ‘ফেক নিউজ’ ছড়াতে উদ্যত হয়েছে। সমাজমাধ্যমে ২৭ তারিখের নবান্ন অভিযানের (Nabanna Abhijan) বার্তা ভাইরাল হতেই হাঁটু কেঁপে গিয়েছে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের। প্রথমে মহিলাদের স্বতঃস্ফূর্ত রাত দখলের কর্মসূচি অভূতপূর্ব সাড়া ফেলার পর এবং তা একপ্রকার জনরোষে পরিণত হওয়ার ফলে সরকার ও প্রশাসন এমনিতেই প্রচণ্ড চাপে রয়েছে। এবার ছাত্র সমাজের অরাজনৈতিক নবান্ন অভিযানের বার্তা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের রক্তচাপ বাড়িয়ে দিয়েছে। ওনার স্নায়ুর চাপ হ্রাস করতে পুলিশ মাঠে নেমে পড়েছে। শুধুমাত্র পুলিশি ব্যবস্থা দিয়ে ছাত্রছাত্রীদের ও নাগরিক সমাজকে রোখা যাবে না বুঝতে পেরে, মমতা পুলিশ একপ্রকার অনৈতিক পথ অবলম্বন করা আরম্ভ করেছে।”

     

    শেষমেষ মমতা পুলিশ ‘টুলকিট’ তৈরি করে ‘ফেক নিউজ’ ছড়াতে উদ্যত হয়েছে !!!

    সমাজমাধ্যমে ২৭ তারিখের নবান্ন অভিযানের বার্তা ভাইরাল হতেই হাঁটু কেঁপে গেছে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের। প্রথমে মহিলাদের স্বতঃস্ফূর্ত রাত দখলের কর্মসূচি অভূতপূর্ব সাড়া ফেলার পর এবং একপ্রকার জনরোষের মাধ্যমে পরিনত… pic.twitter.com/PtTzi3tr8T

    — Suvendu Adhikari (@SuvenduWB) August 24, 2024


     

    সিভিকদের দিয়ে ফেক ফেসবুক প্রোফাইল!

    এক্স হ্যান্ডেলে করা পোস্টে শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) আরও লিখেছেন, “সিভিকদের ডকুমেন্ট দিয়ে সিম কার্ড তোলা হয়েছে। ওসি-রা টাকা দিয়েছেন রিচার্জ করার জন্য। তার পরে সব ফেক নাম দিয়ে ফেসবুক প্রোফাইল খোলানো হচ্ছে। প্রতিটা জেলার সব জায়গাতেই ডিজি-র নির্দেশে পুরোদমে এই কাজ চলছে যুদ্ধকালীন তৎপরতায়। এই ফেক ফেসবুক প্রোফাইল গুলি সংগ্রহ করা হচ্ছে যাতে এই গুলোর মাধ্যমে ২৭ অগাস্ট এর নবান্ন ঘেরাও নিয়ে ভুলভ্রান্তিকর খবর ছড়ানো যায়। এর সঙ্গে এই ফেক ফেসবুক প্রোফাইল ব্যবহারকারীদের ইউআরএল (URL) লিংক পাঠানো হচ্ছে কিছু আগে থেকেই সৃষ্টি করা ভুল পোস্ট ছড়ানোর জন্য, যাতে নবান্ন অভিযান নিয়ে বিভ্রান্তি ছড়ানো যায় ও ছাত্রছাত্রীদের মনোবল ভেঙে দেওয়া যায়।”

    আরও পড়ুন: নেপালের বাস দুর্ঘটনায় মৃত ৪১ ভারতীয়, শোকবার্তা রাষ্ট্রপতি-প্রধানমন্ত্রীর

    মুখ্যমন্ত্রীকে হুঁশিয়ারি

    শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) ওই পোস্টের সঙ্গে নন্দীগ্রামে বিজেপির থানা ঘেরাও, পুলিশের সঙ্গে কর্মীদের ধস্তাধস্তি ইত্যাদি একাধিক ছবি দিয়েছেন। সেগুলি পূর্ব মেদিনীপুর জেলা পুলিশের তরফে খোলা ফেক প্রোফাইল বলে তিনি দাবি করেছেন। পাশাপাশি জানিয়েছেন যে এই নিয়ে সব জেলার তথ্য তাঁর কাছে আছে। পোস্টের একেবারে শেষে মুখ্যমন্ত্রীর উদ্দেশ্যে শুভেন্দু লিখেছেন, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আপনি জেনে রাখুন নিচের তলার পুলিশ প্রশাসনের একটা বড় অংশ আর আপনার পাশে নেই, আপনার জনবিরোধী কার্যকলাপে তাঁরাও অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছেন। তাদের বাড়িতেও কন্যা সন্তান রয়েছে, তাঁরাও বিচার চান।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: “দ্রুততার সঙ্গে দেহ পুড়িয়ে ফেলা হয়, তত্ত্বাবধানে ছিলেন তৃণমূল বিধায়ক”, বিস্ফোরক শুভেন্দু

    Suvendu Adhikari: “দ্রুততার সঙ্গে দেহ পুড়িয়ে ফেলা হয়, তত্ত্বাবধানে ছিলেন তৃণমূল বিধায়ক”, বিস্ফোরক শুভেন্দু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “অতি দ্রুততার সঙ্গে দেহ পুড়িয়ে ফেলা হয়। সম্পূর্ণ তত্ত্ববাধানে ছিলেন তৃণমূল বিধায়ক।” ঠিক এই অভিযোগ করে আরজি কর হত্যাকাণ্ডের ধামাচাপা দেওয়ার প্রসঙ্গে বিস্ফোরক অভিযোগ করলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। ধর্ষণ করে হত্যার ঘটনায় গোটা দেশ এখন ক্ষোভে ফুঁসছে। পুলিশের কাছ থেকে তদন্তভার গিয়েছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার কাছে। মৃতার বাবা-মাও পুলিশের বিরুদ্ধেও অভিযোগ তুলেছেন। তৃণমূলের বিরুদ্ধে বিরোধী রাজনৈতিক দল থেকে শুরু করে ছাত্রসমাজ, বিভিন্ন সামাজিক সংগঠন মাঠে ময়দানে, রাস্তায় নেমে ন্যায় বিচারের জন্য আন্দোলন করছেন।

    ঠিক কী বলেলন শুভেন্দু (Suvendu Adhikari)?

    নন্দীগ্রামের বিধায়ক তথা রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) সামজিক মাধ্যমে মমতার বিরুদ্ধে বিস্ফোরক মন্তব্য করেছেন। তিনি বলেন, “শ্মশানে গোটা অপারেশন হয়েছে পুলিশের নির্দেশনায়। অতি দ্রুততার সঙ্গে দেহ পুড়িয়ে ফেলা হয়েছে। মমতার নির্দেশে ঘটনাস্থলে ছিলেন পানিহাটির তৃণমূল বিধায়ক নির্মল ঘোষ। মহিলা চিকিৎসকের দেহ দাহ করা হয় ব্যরাকপুর কমিশনারেট এলাকায় অথচ আশ্চর্য জনক ভাবে দেখা যায় বিষয়টির পরিচালনা করেন ডিসি নর্থ অভিষেক গুপ্ত। তাঁর সঙ্গে ছিলেন কলকাতা পুলিশের দুই আইসি। সম্পূর্ণ ঘটনায় নজর রেখেছিলেন রাজ্য পুলিশের ডিজি। এই ঘটনার সঙ্গে যুক্ত প্রত্যেকের ভূমিকা খতিয়ে দেখা হোক। আর তাহলেই ধামাচাপা দেওয়ার বিষয় প্রকাশ্যে সামনে আসবে।” ঠিক এই ভাবেই তৃণমূল সরকার এবং পুলিশকে নিশানা করে সিবিআইকে দ্রুত তদন্তের জন্য আবেদন করেছেন তিনি।

    পুলিশ একটা চাপ তৈরি করেছিল!

    একইভাবে তড়িঘড়ি দাহ করা নিয়ে মুখ খুলেছেন নির্যাতিতা মহিলার বাবা-মা। মৃত ডাক্তারের বাবা-মা বলেন, মেয়ের সৎকারের সময় পুলিশ একটা চাপ তৈরি করেছিল। রাস্তায় জ্যাম ছিল, ধীরে ধীরে গাড়ি চলছিল। কিন্তু পুলিশ গাড়ির চালককে তাড়া দিচ্ছিলেন। প্রায় ৫০ কিমি বেগে শববাহী গাড়ি নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছিল পুলিশ। বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার বলেছেন, “কীভাবে শ্মাশানঘাটে আগে থেকে লাইন দেওয়া দুটি মৃতদেহ পেরিয়ে দাহ করে দেওয়া হল নির্যাতিতার দেহ, কেন এতো তাড়াহুড়ো?” উল্লেখ্য একইভাবে শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) ঘোলা থানা পর্যন্ত বিশাল পদযাত্রা করে প্রতিবাদ করেন। তাঁর সঙ্গে ছিলেন অর্জুন সিং, কৌস্তভ বাগচি। এই পদযাত্রা থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পদত্যাগের দাবি আরও জারালো করেন। এরপর ধর্নামঞ্চে যান তিনি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • BJP: স্বাস্থ্য ভবন অভিযানে পুলিশি বাধা, আজ রাজ্য জুড়ে থানা ঘেরাও করবে বিজেপি

    BJP: স্বাস্থ্য ভবন অভিযানে পুলিশি বাধা, আজ রাজ্য জুড়ে থানা ঘেরাও করবে বিজেপি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বৃহস্পতিবারই স্বাস্থ্য ভবন অভিযান ছিল রাজ্যের প্রধান বিরোধী দল বিজেপির। শান্তিপূর্ণ আন্দোলনে বিজেপি (BJP) কর্মী-সমর্থকদের পুলিশি বাধার মুখে পড়তে হয়। গেরুয়া শিবিরের অভিযোগ, অন্যায় ভাবে গ্রেফতার করা হয় তাদের নেতা-কর্মীদের। এরই প্রতিবাদে আজ শুক্রবার দুপুর ৩টে থেকে রাজ্য জুড়ে সমস্ত থানার সামনে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করবে বিজেপি। গতকালই বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার জানিয়েছিলেন, রাজ্য জুড়ে সমস্ত থানার সামনে আন্দোলনের কর্মসূচির কথা। এ প্রসঙ্গে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর দাবি, ‘‘পুলিশের মনে হয়েছিল পরিস্থিতি অশান্ত হবে। আমাদের কর্মীরা ভ‍্যান ভাঙবে, জ্বালাবে। সেই জন‍্য ৩০ মিনিট বসিয়ে রেখেছিল। ওদের পরিকল্পনা সফল হয়নি।’’ প্রসঙ্গত, স্বাস্থ্য ভবন অভিযান শুরু হতেই আটক করা হয় রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীকে। সন্ধ্যার আগে তাঁদের ছেড়ে দেওয়া হয়। বিরোধী দলনেতার সঙ্গে ছিলেন ৪৫ জন কর্মী। বৃহস্পতিবার থানা থেকে বেরিয়ে শুভেন্দু অধিকারী জানিয়েছিলেন, পুলিশ বর্বরোচিত আক্রমণ করেছে। তারই প্রতিবাদে শুক্রবার রাজ্যজুড়ে থানায় বিক্ষোভ দেখাবে বিজেপি (BJP)।

    নবান্ন অভিযান রুখতে আদালতে রাজ্য, মুখ্যমন্ত্রী ভয় পেয়েছেন দাবি শুভেন্দুর (BJP) 

    অন্যদিকে, আরজি কর কাণ্ডের প্রতিবাদে পশ্চিমবঙ্গ ছাত্র সমাজের তরফ থেকে ২৭ অগাস্ট নবান্ন অভিযানের ডাক দেওয়া হয়েছে। ইতিমধ্যে রাজ্য় সরকার এই অভিযান রুখতে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছে। রাজনৈতিক মহলের মতে, রাজ্য সরকারের আদালতে যাওয়ার সিদ্ধান্তই বুঝিয়ে দিচ্ছে আরজি কর ইস্যুতে (RG kar Incident) ঠিক কতটা চাপে রয়েছে তারা। এ প্রসঙ্গে মমতা সরকারকে চরম কটাক্ষ করেছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা। বৃহস্পতিবারই  শুভেন্দু অধিকারী বলেন, ‘‘মুখ্যমন্ত্রী ভয় পেয়েছেন তাই আদালতে দ্বারস্থ হয়েছেন। আমাদের ক্লিয়ার স্ট্যান্ড, পতাকা ছাড়া যারা এই ইস্যুতে (RG kar Incident) যে কোনও আন্দোলনে নামবেন তাদের পাশে বিজেপি আছে।’’

    ‘নন্দীগ্রামে হারিয়েছিলাম, আবার হারাব

    বিগত বিধানসভা নির্বাচনে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীকে হারিয়েছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। আগামী বিধানসভা নির্বাচনেও তিনি (BJP) মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে আগ্রহী বলে জানিয়েছেন। বৃহস্পতিবার শুভেন্দু অধিকারী বলেন, ‘‘আমি দলের কাছে আবেদন করব আগামী বিধানসভা নির্বাচনে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যে কেন্দ্র থেকে দাঁড়াবেন আমাকে যেন সেই কেন্দ্রেই তাঁর বিরুদ্ধে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার সুযোগ দেওয়া হয়। নন্দীগ্রামে হারিয়েছিলাম। আবার হারাব।’’
     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • BJP: বিজেপি’র স্বাস্থ্য ভবন অভিযানে তুলকালাম সল্টলেকে, ব্যারিকেড ভেঙে এগিয়ে গেলেন কর্মীরা

    BJP: বিজেপি’র স্বাস্থ্য ভবন অভিযানে তুলকালাম সল্টলেকে, ব্যারিকেড ভেঙে এগিয়ে গেলেন কর্মীরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি কর কাণ্ডে স্বাস্থ্য ভবন অভিযান কর্মসূচিতে বিজেপির মিছিলকে কেন্দ্র করে ধুন্ধুমার পরিস্থিতি তৈরি হল সল্টলেকে (Salt Lake)। বৃহস্পতিবার দুপুরে হিডকো থেকে বিজেপির (BJP) মিছিল শুরু হয়। গন্তব্য ছিল স্বাস্থ্য ভবন। মিছিলে পা মেলান সুকান্ত মজুমদার, শুভেন্দু অধিকারী, দিলীপ ঘোষ, অর্জুন সিং, অগ্নিমিত্রা পল, লকেট চট্টোপাধ্যায়, দেবশ্রী চৌধুরী, রূপা গঙ্গোপাধ্যায়, রুদ্রনীল ঘোষ, হিরণ চট্টোপাধ্যায়রা। মিছিল কিছুটা এগোতেই স্বাস্থ্য ভবনের ৪ কিলোমিটার আগেই বিজেপি কর্মীদের পুলিশ বাধা দেয়। ফলে, পুলিশের সঙ্গে তাঁদের ধস্তাধস্তি হয়। ব্যারিকেড ভেঙে বিজেপি কর্মীরা স্বাস্থ্য ভবনের দিকে এগিয়ে যেতে থাকেন। এরই মাঝে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী, বিজেপির রাজ্য সাধারণ সম্পাদক জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায়কে একটি প্রিজন ভ্যানে পুলিশ তুলে নেয়। এই ঘটনায় নতুন করে উত্তেজনা দেখা দেয়। ওই ভ্যানও আটকে দেন ক্ষুব্ধ বিজেপি কর্মীরা। অন্যদিকে, মিছিল নিয়ে এগতে থাকলে অর্জুন সিং সহ বিজেপি কর্মীদের সঙ্গে পুলিশ কর্মীদের দফায় দফায় ধস্তাধস্তি হয়। এদিন বিজেপি কর্মীদের প্রবল বিক্ষোভের সামনে পুলিশকে অনেক সময়ই অসহায় মনে হয়েছে। তারা লাঠি উঁচিয়ে বার বার তেড়ে গেলেও একরোখা বিজেপি কর্মীদের মনোবলে এতটুকু চিড় ধরাতে পারেনি।

    শুভেন্দুকে আটক করতেই প্রিজন ভ্যান ঘিরে বিক্ষোভ (BJP)

    পূর্ব ঘোষণা মতো বৃহস্পতিবার দুপুর সওয়া ২টো নাগাদ রাজ্য বিজেপি নেতারা মিছিল নিয়ে রওনা দেন স্বাস্থ্য ভবনের উদ্দেশে। কিন্তু,অনেক আগেই রাস্তার ওপরে ব্যারিকেড তৈরি করে রেখেছিল পুলিশ। উত্তেজনা ছড়ানোর আশঙ্কায় আগে থেকেই বিশাল পুলিশবাহিনীও মোতায়েন ছিল স্বাস্থ্য ভবন যাওয়ার পথে। স্বাস্থ্য ভবন থেকে চার কিলোমিটার দূরেই বিজেপির মিছিল আটকে দিতে চেয়েছিল পুলিশ। ব্যারিকেড ভেঙে বিজেপি কর্মীরা মিছিল নিয়ে এগিয়ে যেতেই পুলিশ আটকে দেয় করুণাময়ীর আগে ইন্দিরা ভবনের সামনে। কিন্তু একটার পর একটা ব্যারিকেড ভেঙে এগিয়ে যায় মিছিল। পুলিশের ব্যারিকেড টপকে অনেক বিজেপি কর্মী স্বাস্থ্য ভবনের দিকে যেতে শুরু করেন। পুলিশ লাঠি উঁচিয়ে বাধা দেওয়ার চেষ্টা করে। কিন্তু, বিজেপি কর্মীদের বাধার কাছে পুলিশ পিছু হঠতে বাধ্য হয়।  মিছিল এগিয়ে যেতে থাকে। রাস্তার ওপরে আরও ব্যারিকেড ছিল। সেই সময়েই শুভেন্দু রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে থাকা প্রিজন ভ্যানের দিকে এগিয়ে যান। পুলিশ তাঁকে টেনে গাড়িতে তুলে দেয় বলে অভিযোগ। তাঁকে গাড়িতে তোলার পরেও মিছিল এগোতে থাকে। এর পরে বিজেপি সাংসদ শমীক ভট্টাচার্যকে পুলিশ আটক করে। তবে সুকান্ত পতাকা নিয়ে এগিয়ে যান। সঙ্গে ছিলেন প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। শমীককে তোলার সময়ে সুকান্তকেও গ্রেফতার করতে চায় পুলিশ। তবে, সেই সময় কর্মীরা ছিনিয়ে নেন সুকান্তকে। ঘটনার পর পরই সুকান্ত বলেন, “বাংলায় যে পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে তার একমাত্র সমাধান মুখ্যমন্ত্রীর ইস্তফা। আর পুলিশ কমিশনারকে বরখাস্ত করতে হবে। সেই দাবিতেই এই অভিযান। বিচার না-পাওয়া পর্যন্ত পথেই থাকবে বিজেপি।”

    আরও পড়ুন: ব্র্যান্ড ভ্যালু হারানোর ভয়! মিছিলে নেই, মেয়ের সঙ্গে মোমবাতি জ্বালিয়ে প্রতিবাদ সৌরভের

    পুলিশকে ধাওয়া

    এদিন মিছিলে রাজ্য নেতৃত্বের পাশাপাশি হাঁটেন প্রাক্তন সাংসদ রূপা গঙ্গোপাধ্যায়, অর্জুন সিংহেরা। মিছিলে আরজি কর-কাণ্ডে বিচারের দাবিতে বিজেপি কর্মীরা প্রতীকী হাতকড়া, ফাঁসির দড়ি নিয়ে হাঁটেন। পুলিশের গাড়িতে বিরোধী দলনেতা-সহ কয়েক জন উঠে যাওয়ার পরেও নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়। অনেক বিজেপি কর্মী পুলিশের ভ্যানের সামনে রাস্তায় বসে পড়েন। তবে খুব কম সময়ের মধ্যে পুলিশ বিক্ষোভকারীদের সরিয়ে দেয়। এর পরে অর্জুনকে প্রিজন ভ্যানে তুলতে গেলেও পুলিশকে ধাওয়া করে একদল বিজেপি কর্মী।  একের পর এক ব্যারিকেড ভেঙে এগিয়ে যেতে থাকে বিজেপির মিছিল।

    শুক্রবার রাজ্যজুড়ে থানায় বিক্ষোভ

    মিছিলের সামনে থাকেন সুকান্ত, দিলীপের সঙ্গে লকেট চট্টোপাধ্যায়ও। ব্যারিকেড ভেঙে স্বাস্থ্য ভবনের দিকে যেতে চাওয়া অনেক কর্মীকেই গ্রেফতার করে পুলিশ। অন্য দিকে, মিছিল এগোতে থাকে। পুলিশের গাড়িতে উঠেও বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন গ্রেফতার হওয়া কর্মীরা। অনেক বিজেপি কর্মী পুলিশের গাড়ির উপরে উঠেও বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন। তবে স্বাস্থ্য ভবনের গেটের সামনে বিশাল পুলিশবাহিনী থাকায় বিজেপি কর্মীরা ভিতরে ঢুকতে পারেননি। এর পরে সুকান্ত, দিলীপরাও স্বাস্থ্য ভবন থেকে ২০০ মিটার দূরে রাস্তার ওপরে বসে পড়েন। পরে সেখানেই ছোট একটি সভা হয় বিজেপির। বক্তব্য রাখেন দিলীপ ও সুকান্ত। সুকান্ত বলেন, “পুলিশ অনেক বাধা দিলেও স্বাস্থ্য ভবনের প্রবেশ দ্বারে পৌঁছে গিয়ে সফল হয়েছে দলের অভিযান। রাজ্য সরকার এখনও আগুন নিয়ে খেলছে। কিন্তু এটা করে গেলে পরিস্থিতি আরও খারাপ হবে। আন্দোলন আরও তীব্র আকার নেবে। শুক্রবার রাজ্যের সর্বত্র সব থানায় বিক্ষোভ দেখাবে বিজেপি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • RG Kar: দলীয় পতাকা ছাড়াই ২৭ অগাস্ট নবান্ন অভিযানের ডাক, ‘ব্যক্তিগত’ভাবে অংশ নেবেন শুভেন্দু

    RG Kar: দলীয় পতাকা ছাড়াই ২৭ অগাস্ট নবান্ন অভিযানের ডাক, ‘ব্যক্তিগত’ভাবে অংশ নেবেন শুভেন্দু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি কর হত্যাকাণ্ডে (RG Kar) ন্যায় বিচারের দাবিতে উত্তাল হয়ে উঠেছে রাজ্য। আন্দোলনের ঢেউ ছড়িয়ে পড়েছে সারা দেশে। মমতা সরকারের বিরুদ্ধে রাগে ফুঁসছেন রাজ্যবাসী। কোনও রকম দলীয় পতাকা বা প্রতীক ছাড়া ‘পশ্চিমবঙ্গের ছাত্র সমাজ’-এর নামে ২৭ অগাস্ট নবান্ন অভিযানের ডাক দেওয়া হয়েছে। তবে এই অভিযানে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) ‘ব্যক্তিগত’ ভাবে অংশগ্রহণ করবেন বলে জানিয়েছেন। ইতিমধ্যে মঙ্গলবার শ্যামবাজার মোড়ে বিজেপি পাঁচদিনের জন্য ধর্না-বিক্ষোভ কর্মসূচি শুরু করেছে। একই ভাবে জুনিয়র ডাক্তাররা স্বাস্থ্য ভবন অভিযানে নেমেছিলেন। কলকাতা এবং জেলার বিভিন্ন জায়গায় একাধিক সামাজিক সংগঠনও তৃণমূল সরকারের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ দেখিয়ে রাস্তায় নেমেছে।

    ঠিক কী বললেন শুভেন্দু(RG Kar)?

    নন্দীগ্রামের বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari), একজন মহিলা চিকিৎসককে (RG Kar) ধর্ষণ করে খুনের প্রতিবাদে বলেন, “সব পরিবারের পক্ষ থেকে একজন করে এই আন্দোলনে যোগদান করুন। আমি ব্যক্তিগত ভাবে সেখানে যাব। তবে এটা কোনও দলের আহ্বান নয়। সকলেই বুঝে গিয়েছেন, সব সমস্যার মাথা মুখ্যমন্ত্রী। তাঁকে বলব, ২৬ তারিখের মধ্যে পদত্যাগ করুন, যাতে ২৭ তারিখে কোনও গুলি চালাতে না হয়।”

    আরও পড়ুনঃ টিএমসিপি-র জঙ্গি আন্দোলনে পদত্যাগ করলেন কাজী নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য!

    বিক্ষোভ-প্রতিবাদে উত্তাল রাজ্য

    আরজি করের (RG Kar) ঘটনায় দোষীদের শাস্তির দাবিতে সোমবার স্বাস্থ্য ভবন অভিযান করেছিল আরএসএস-এর ছাত্র সংগঠন অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদ। কিন্তু স্বাস্থ্য ভবন যাওয়ার আগেই পুলিশ ব্যারিকেড দিয়ে আটকে দিয়েছিল। এরপর এবিভিপি এবং পুলিশের মধ্যে ধুন্ধুমার বাধে, উভয় পক্ষের মধ্যে চলে সংঘর্ষ। ছাত্রদের দাবি, পুলিশ নির্বিচারে লাঠিচার্জ করেছে। এরপর ২০ জন ছাত্রকে গ্রেফতার করা হয়েছিল। একই ভাবে মহিলা ডাক্তার খুনের ঘটনায় পুলিশমন্ত্রীর পদত্যাগের দাবিতে, বিজেপি নেত্রী লকেট চট্টোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে কলেজ স্ট্রিটে আন্দোলন হয়েছিল। অপর দিকে গড়িয়াহাটে বিজেপি নেত্রী অগ্নিমিত্রা পল এবং যুবমোর্চার রাজ্য সভাপতি ইন্দ্রনীল খাঁ-র নেতৃত্বে বিজেপির কর্মী-সমর্থকেরা পথ অবরোধ করে প্রতিবাদ সভা করেছিলেন। ঠিক একই সময়ে আবার হাওড়া ব্রিজে বিজেপির পক্ষ থেকে পথ অবরোধ করে ব্যাপক বিক্ষোভ দেখানো হয়। তাতে পুরুলিয়ার সাংসদ জ্যোতির্ময় সিং মাহাতোকে গ্রেফতার করেছিল পুলিশ। এইভাবে দিকে দিকে ক্রমেই জোরদার হচ্ছে রাজ্যের বিরুদ্ধে আন্দোলন।   

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: ‘আরজি করে সব তথ্য সাফ করে দিয়েছেন মমতা’, বিস্ফোরক শুভেন্দু

    Suvendu Adhikari: ‘আরজি করে সব তথ্য সাফ করে দিয়েছেন মমতা’, বিস্ফোরক শুভেন্দু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি কর হাসপাতালের ট্রেনি মহিলা চিকিৎসককে ধর্ষণ ও খুনের ঘটনার প্রতিবাদে শ্যামবাজারে ধর্নায় বসেছে বিজেপি। ধর্নামঞ্চ থেকে বুধবার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে তীব্র আক্রমণ করেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। প্রকাশ্যে আনলেন বিস্ফোরক তথ্য। যা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে জোর চর্চা। আরজি করকাণ্ডের প্রতিবাদে পাঁচ দিন ধরে বিজেপি-র ধর্না চলবে বলেও জানান তিনি। আগামিকাল স্বাস্থ্যভবন অভিযান রয়েছে গেরুয়া শিবিরের। দোষীদের মৃত্যুদণ্ড চেয়ে সরব হওয়ার দাবিও জানান নন্দীগ্রামের বিধায়ক।

    ওষুধ পাচার চক্র জেনে যাওয়াতেই খুন! (Suvendu Adhikari)

    ধর্নামঞ্চ (RG Kar Protests) থেকে শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) বলেন, ‘‘আরজি করের ঘটনায় শুধুমাত্র উপাচার্য বদল করা হয়নি, ভিসেরা, রক্তের নমুনাও পাল্টে দেওয়া হয়েছে। আরজি করের ঘটনা একজনের কাজ নয়, একাধিক ব্যক্তি জড়িত। ওষুধ পাচার চক্রের কথা জেনে যাওয়াতেই নির্যাতিতাকে খুনের পরিকল্পনা করা হয়। ঘটনার পর মুছে দেওয়া হয়েছে সিসিটিভির ফুটেজ। ঘটনার রাতের রোস্টারও খাতা থেকে ছিঁড়ে ফেলে হয়েছে। চার-পাঁচ দিনে মমতা এবং তাঁর গুন্ডারা সব তথ্য সাফ করে দিয়েছে। মমতা অপকর্ম লুকোতে চাইছেন।’’

    আরও পড়ুন: মুখ্যমন্ত্রীর পদত্যাগ দাবি, আরজি কর কাণ্ডে শ্যামবাজারে আজ থেকে ধর্না বিজেপির

    কলকাতা পুলিশ কমিশনারের কল রেকর্ড পরীক্ষার দাবি

    সাধারণ মানুষের উদ্দেশে শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) বলেন, ‘‘যাঁকে সততার প্রতীক বলতেন, হাওয়াই চটির উল্লেখ হত, মা-মাটি-মানুষের পূজারিণী বলা হত, চরিত্রের উদাহরণ দেওয়া হত, কত শত বিশেষণ জুড়ত, আসলে প্রদীপের নীচের অন্ধকারটা প্রকাশিত হতে চলেছে। তদন্তকারী সংস্থা, সর্বোচ্চ আদালতের কাছে দাবি, অবিলম্বে কলকাতা পুলিশের কমিশনার বিনীত গোয়েল, শ্যামাপদ দাস এবং সন্দীপ ঘোষকে হেফাজতে নেওয়া হোক। চেক করা হোক ওঁদের কল রেকর্ড।’’ তিনি আরও বলেন, ‘‘ঘটনার পর নির্যাতিতার পরিবারকে ১০ লক্ষ টাকা দিতে গিয়েছিলেন মমতা। কিন্তু, নির্যাতিতার মা-বাবা টাকা নেননি। জানিয়ে দিয়েছেন, কলকাতা পুলিশের আচরণ ঠিক নয়। এক নয়, অনেকে যুক্ত। দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।’’

    বামেদের আক্রমণ

    এদিন বামেদেরও আক্রমণ শানিয়েছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা। শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) বলেন, ‘‘বামপন্থীরা সাইনবোর্ড হয়ে গিয়েছে। ঘোলা জলে মাছ ধরতে চায়। সারা বছর ‘বিচার চাই’, ‘চোর ধরো’, ‘জেল ভরো’ বলবে, আর ভোটের সময় বলবে, ‘নো ভোট টু মোদি’, ‘নো ভোট টু বিজেপি’। এদের কাজ হচ্ছে, হিন্দু ভোট কাটো। চোর মমতা, ধর্ষকদের নেত্রী মমতা, খুনিদের নেত্রী মমতা, রাজ্যকে রসাতলে পাঠিয়ে দেওয়া মমতাকে ক্ষমতায় রাখার কাজটাই করে বামেরা। এই মাকু-সেকুদের থেকেও সাবধান থাকতে হবে। লোকসভা ভোটেও ১২টি আসন তৃণমূলকে উপহার দিয়েছে ওরা।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: নবান্ন অভিযানের ডাক, ফের ঝান্ডাহীন আন্দোলনের পক্ষে সওয়াল শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: নবান্ন অভিযানের ডাক, ফের ঝান্ডাহীন আন্দোলনের পক্ষে সওয়াল শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি করকাণ্ডে (RG Kar Case) ফের একবার ঝান্ডাহীন আন্দোলনের পক্ষে সওয়াল করলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা তথা নন্দীগ্রামের বিধায়ক বিজেপির শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। আরজি করকাণ্ড প্রকাশ্যে আসার পরেও একাধিকবার তিনি এই ঝান্ডাহীন আন্দোলনের কথা বলেছেন। আবারও বললেন। এবং এই ডাক দিতে অনুরোধ করলেন নির্যাতিতার বাবাকে।

    শুধু একবার ডাক দিন (Suvendu Adhikari)

    রাজ্যের বিরোধী দলনেতা বলেন, “নির্যাতিতার বাবাকে মিছিলে হাঁটতে হবে না। তিনি শুধু একবার ডাক দিন, যে নবান্ন অভিযান হবে। তারপর বাকিটা আমরা করে নেব।” সম্প্রতি সংবাদ মাধ্যমে সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে নির্যাতিতার বাবা বলেছেন, “ওঁর (মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের) ওপর এক সময় পুরোপুরি বিশ্বাস ছিল। এখন আর বিশ্বাসটাই নেই।” নির্যাতিতার মা আবার পুলিশ দ্রুত তদন্ত বন্ধ করতে চাইছে বলে অভিযোগ করেছেন। নির্যাতিতার পরিবারের আক্রমণের ঝাঁঝ কমে যাওয়ার আগেই ফের তৃণমূলের ভূমিকার কড়া সমালোচনা করলেন শুভেন্দু।

    কী বললেন শুভেন্দু

    সোমবার রাজ্যের বিরোধী দলনেতা বলেন, “রাজ্য সরকার বলছে, রাত মহিলাদের জন্য নিরাপদ নয়। এ লজ্জা রাখার কোনও জায়গা আছে? যেখানে সংসদে, বিধানসভায় মহিলাদের আসন সংরক্ষণ বিল পাশ হচ্ছে, নারী সশক্তিকরণের কথা বলা হচ্ছে। রাজ্যগুলিতে কেন্দ্র নানা জনকল্যাণমূলক কর্মসূচি নিচ্ছে, প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনায় মহিলাদের বাড়ির মালিকানা দেওয়া হচ্ছে। সেখানে এই রাজ্য সরকার বলছে মহিলাদের রাতে ডিউটি করার প্রয়োজন নেই! রাতে যে মহিলাদের নিরাপত্তা নেই, সেটা সরকার নিজেই বলছে নবান্ন থেকে? এর পরে হয়তো বলবে দিনের বেলাতেও মহিলারা বাড়ি থেকে বেরোবেন না!”

    আরও পড়ুন: “মমতার ওপর থেকে বিশ্বাসটাই হারিয়ে গিয়েছে”, বলছেন নির্যাতিতার বাবা

    পশ্চিমবঙ্গে নারী স্বাধীনতা, নারী সুরক্ষা, নারীর অধিকার, নারীর নিরাপত্তা – সবই বিপন্ন বলেও তোপ দাগেন নন্দীগ্রামের বিধায়ক (Suvendu Adhikari)। এবং এই পরিস্থিতির জন্য মুখ্যমন্ত্রীকেই কাঠগড়ায় তোলেন শুভেন্দু। তিনি বলেন, “বিজেপি, সিপিএম ইত্যাদি প্রতিটি রাজনৈতিক দলেরই কিছু রাজনৈতিক বাধ্যবাধকতা রয়েছে। তাই আমরা পদক্ষেপ করতে পারছি না। নির্যাতিতার বাবা একবার নবান্ন অভিযানের ডাক দিন, সবাই বেরোবে। তাঁকে বেরোতে হবে না। জাতীয় পতাকা নিয়ে শুধু একবার (RG Kar Case) ডাকটা দিন। বাকিটা আমরা করে দেব জাতীয় পতাকা নিয়ে (Suvendu Adhikari)।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: আরজি কর ইস্যুতে নোটিশ পুলিশের, নেটাগরিকদের বিনামূল্যে আইনি সাহায্য শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: আরজি কর ইস্যুতে নোটিশ পুলিশের, নেটাগরিকদের বিনামূল্যে আইনি সাহায্য শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি কর কাণ্ডে (RG Kar Issue) সোশ্যাল মিডিয়ায় সরব নেটিজেনরা। বিচার চেয়ে একাধিক প্রশ্ন তুলছেন তাঁরা। পুলিশ ও আরজি কর কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধেও ক্ষোভ উগরে দিচ্ছেন নেটাগরিকদের একাংশ। এনিয়েই আপত্তি তুলছে পুলিশ। কোথাও সমাজমাধ্যমর মাধ্যমেই লালবাজার থেকে দেওয়া হচ্ছে ‘হুমকি’। তো কোথাও ব্যবহারকারীদের বাড়িতেই পাঠানো হচ্ছে নোটিশ। এই আবহে নেটিজেনদের পাশে দাঁড়িয়েছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। প্রয়োজনীয় আইনি সহায়তার আশ্বাসও দিয়েছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা। তিনি জানান, সোশ্যাল পোস্টের জন্য পুলিশের নোটিস পেলে, আইনি সহায়তা দেবেন তিনি। এনিয়ে নিজের ই-মেল আইডিও পোস্ট করেছেন তিনি। adhikarisuvenduwb1@gmail.com-এ তিনি যোগাযোগ করতে বলেছেন।

    কী লিখলেন শুভেন্দু (Suvendu Adhikari)?

    শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) লিখছেন, ‘‘বিভিন্ন সূত্র থেকে আমি খবর পাচ্ছি যে, আরজি কর হাসপাতালের ডাক্তার বোনটির ওপর পাশবিক অত্যাচার এবং তাঁকে নৃশংস ভাবে খুনের প্রতিবাদে রাজ্য সরকার এবং পুলিশ প্রশাসনের সমালোচনা মূলক পোস্ট করার জন্য পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ এবং কলকাতা পুলিশের সাইবার ক্রাইম বিভাগের পক্ষ থেকে রাজ্যে এবং রাজ্যের বাইরের বেশ কিছু সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারী বন্ধুদের ভারতীয় নাগরিক সুরক্ষা সংহিতা ২০২৪-এর ১৬৮ নম্বর ধারায় নোটিস দেওয়া হচ্ছে, পোস্ট মুছে দিতে জোর করার পাশাপাশি তাঁদের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার হুমকিও দেওয়া হচ্ছে।’’

    নিখরচায় আইনি সাহায্য দেওয়ার আশ্বাস

    শুভেন্দু অধিকারীর (Suvendu Adhikari) কথায়, ‘‘গণতন্ত্রের মেরুদণ্ডই হল স্বাধীন মতামত পেশ করা। যা গণতন্ত্রের পক্ষে স্বাস্থ্যকর। আমি বিশ্বাস করি গণতন্ত্রে যে কোনও অন্যায়ের প্রতিবাদ করার অধিকার সকলেরই আছে, আমাদের দেশের সংবিধান আমাদের সেই অধিকার দিয়েছে। কিন্তু প্রতিবাদের ভাষা যদি অশ্লীল না হয় শুধু মাত্র প্রতিবাদ ও সমালোচনা করার উদ্দেশ্যে আপনাদের মতামত সমাজমাধ্যমে পোস্ট করার জন্য আপনাদের যদি পুলিশের হয়রানির শিকার হতে হয় তাহলে নিখরচায় আমার আইনজীবীদের মারফত আইনি সাহায্য  (RG Kar Issue) দেওয়ার ক্ষেত্রে আমি আপনাদের পাশে আছি। আপনাদের আইনি সহায়তার জন্য আমার আইনজীবী আপনাদের সঙ্গে শীঘ্রই যোগাযোগ করে নেবেন।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • RG Kar Hospital: ২২ অগাস্ট স্বাস্থ্য ভবন ঘেরাও, আরজি কর কাণ্ডে লাগাতার ধর্না বিজেপির

    RG Kar Hospital: ২২ অগাস্ট স্বাস্থ্য ভবন ঘেরাও, আরজি কর কাণ্ডে লাগাতার ধর্না বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি কর (RG Kar Hospital) কাণ্ডের প্রতিবাদে লাগাতার আন্দোলনে নামতে চলেছে রাজ্যের প্রধান বিরোধী দল বিজেপি। রবিবারই এক সাংবাদিক বৈঠক করে বিজেপির রাজ্য সভাপতি তথা কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার দলীয় কর্মসূচির কথা বলেন। এর মধ্যে সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য হল, চলতি সপ্তাহের বৃহস্পতিবার ‘তিলোত্তমা’ বা ‘অভয়া’-র খুন-ধর্ষণের বিচার চেয়ে স্বাস্থ্যভবন ঘেরাওয়ের ডাক দিয়েছে বিজেপি (BJP)। একই দাবিতে এ সপ্তাহে শ্যামবাজার পাঁচ মাথার মোড়ে ধর্না কর্মসূচিরও আয়োজন করতে চলেছে গেরুয়া শিবির। সুকান্ত বলেন, ‘‘স্বাস্থ্য ভবন ঘুঘুর বাসা। আমরাও বিচার চাই। অবিলম্বে আসল অপরাধীদের গ্রেফতার করা হোক। সিবিআইকে বলব, পুলিশ এবং আরজিকর প্রশাসনের কর্তাদের মধ্যে টেলিফোনিক কথাবার্তায় নজর দিতে।’’

    সিএম-এর পদত্যাগ চাই

    রবিবার বাংলা বিজেপির সভাপতি বলেন, ‘‘সিএম-এর পদত্যাগ চাই। সোমবার আদালতে যাব। ২০ অগাস্ট থেকে ২৩ অগাস্ট লাগাতার ধর্নায় বসবে দলের বিভিন্ন সেল। স্বাস্থ্য ভবনেও অভিযান চালানো হবে।’’ সুকান্ত মজুমদার আরও বলেন, ‘‘লকেট-সহ আমাদের যাঁদের নোটিশ পাঠানো হচ্ছে, তাঁরা লালবাজারে যাবেন না। অন্য কেউ যদি আমাদের তরফে আইনি সহায়তা চান আমরা দিতে প্রস্তুত। আরজিকর (RG Kar Hospital) ইস্যুতে লড়াই চালিয়ে যান।’’

    মঙ্গলবার থেকে শুক্রবার পর্যন্ত লাগাতার ধর্না চলবে

    সুকান্ত মজুমদার এ ব্যাপারে সাংবাদিক সম্মেলনে জানিয়েছেন, আগামী মঙ্গলবার থেকে শুক্রবার পর্যন্ত লাগাতার ধর্না চলবে। মঙ্গলবার ধর্না কর্মসূচির (RG Kar Hospital) প্রথম দিন উপস্থিত থাকবেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। বুধবার রাজ্য বিজেপির নেতাদের সঙ্গে ধর্নায় যোগ দেবেন দলের সাংসদেরা। বৃহস্পতিবার ধর্নামঞ্চে থাকবেন দলের সমস্ত শাখা সংগঠনের প্রতিনিধি এবং সদস্যেরা। শুক্রবার দলের মহিলা মোর্চার নেতৃত্বে ধর্না কর্মসূচি চলবে। সুকান্ত জানিয়েছেন, ধর্না কর্মসূচির বিষয়ে পুলিশের তরফে অনুমতি না মিললে তাঁরা আদালতের দ্বারস্থ হবেন।

    সোমবার রাখি বন্ধন কর্মসূচি (RG Kar Hospital)

    সোমবার রাখি পূর্ণিমার দিনও রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় একাধিক কর্মসূচি রয়েছে গেরুয়া শিবিরের। কলকাতার ১৫টি জায়গায় এবং প্রতিটি জেলার বিভিন্ন এলাকায় ‘রাখিবন্ধন উৎসব’ পালন করবেন মহিলা মোর্চার সদস্যারা। প্রসঙ্গত, মহিলাদের সুরক্ষার কথা ভেবেই কর্মসূচি বলে জানিয়েছে গেরুয়া শিবির (BJP)।

    কী বললেন শুভেন্দু

    রবিবারই পূর্ব মেদিনীপুরের নন্দীগ্রামে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে শুভেন্দু অধিকারী দাবি করেন, ‘‘যাঁরা ভোট দিয়ে এই সরকারকে এনেছিলেন, তাঁরা এবার বুঝুন। সময় এসেছে শিকড় থেকে উপড়ে ফেলার। যে কেউ নবান্ন চলোর ডাক দিন, আমি আছি। এই রাজ্যের সরকার আইনশৃঙ্খলা রক্ষা করতে পারছে না। অন্যদিকে একটা খেলা যেখানে রাজনীতির সম্পর্ক নেই সেটাও আয়োজনে ব্যর্থ।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share