Tag: Suvendu Adhikari

Suvendu Adhikari

  • Suvendu Adhikari: এক রাতে ১ কোটি ২৫ লক্ষ এন্ট্রি! কমিশনের কাছে বড় অভিযোগ শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: এক রাতে ১ কোটি ২৫ লক্ষ এন্ট্রি! কমিশনের কাছে বড় অভিযোগ শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতরও সুরক্ষিত নয়, দাবি করলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। রাজ্য মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতরে (CEO Office) এসে বিক্ষোভের মুখে পড়তে হয়েছে বিজেপির প্রতিনিধি দলকে। এরমধ্যেই দফতরে ঢুকে সিইও মনোজ আগরওয়ালের (CEO Manoj Agarwal) সঙ্গে বৈঠক শুরু হয় শুভেন্দুদের। সেখানেই একাধিক দাবি তুলে ধরেন তিনি। শুভেন্দুর (Suvendu Adhikari) অভিযোগ, “সময় নিয়ে এসেও এইভাবে বাধার সম্মুখীন হতে হল, এর থেকেই বোঝা যায় সিইও অফিস সুরক্ষিত নয়।”

    ১ কোটি ২৫ লক্ষ এন্ট্রি!

    পশ্চিমবঙ্গে এসআইআরের ফর্ম জমা নেওয়ার কাজ প্রায় শেষের পথে। আগামী ১১ ডিসেম্বর পর্যন্ত ফর্ম জমা দেওয়ার সময়সীমা বাড়িয়েছে নির্বাচন কমিশন। এরই মধ্যে গুরুতর অভিযোগ নিয়ে রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতরে হাজির হলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। একগুচ্ছ দাবি জানিয়ে এসেছেন তিনি। মূলত ২৬, ২৭ ও ২৮ নভেম্বরের এন্ট্রি নিয়ে অভিযোগ তুলেছেন শুভেন্দু। তাঁর দাবি, ওই তিনদিনের প্রত্যেকটা এন্ট্রি পর্যবেক্ষকদের দিয়ে অডিট করাতে হবে। আধুনিক ব্যবস্থা ব্যবহার করে করতে হবে অডিট। রাতারাতি ১ কোটি ২৫ লক্ষ এন্ট্রি করা হয়েছে বলে অভিযোগ তাঁর। এতে এইআরও, ইআরও ও আইপ্যাক যুক্ত আছে বলেও দাবি করেছেন শুভেন্দু।

    সিইও দফতরে ডেপুটেশন

    শুভেন্দু বলেন, “এটা একটা স্ক্যাম।” বিরোধী দলনেতার দাবি, সারা দেশে এসডিও-দেরই ইআরও করা হয়। এ রাজ্যে ল্যান্ড অফিসারকেও ইআরও করা হল কেন? তা নিয়ে প্রশ্ন তুলে শুভেন্দু বলেন, “এটা করতে পারেন না। এসডিও র‍্যাঙ্কের অফিসারকেই করতে হবে।” ভোটকুশলী সংস্থা আইপ্যাক এসআইআর-এর ডেটা এন্ট্রি করেছে বলেও দাবি করেন শুভেন্দু। বিসিএস, আইএএস-দেরই শুধু ইআরও করতে হবে বলে দাবি করেছেন শুভেন্দু। তাঁর মতে, বহু বাংলাদেশি মুসলমান ও মৃতদের নাম ঢোকানো হয়েছে। শুভেন্দুর নেতৃত্বে এদিন সিইও দফতরে ডেপুটেশন দেন বিজেপি বিধায়করা।

    সিইও অফিস অন্যত্র স্থানান্তর

    বিধানসভার বিরোধী দলনেতার অভিযোগ, “৫০০০ বিএলও বেনিয়ম করেছেন, এখনও করছেন। দু’মাস পরও কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।” এদিন মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক (WB CEO) এবং এসআইআর-এর (SIR) কাজের জন্য দিল্লির নিয়োগ করা বিশেষ পর্যবেক্ষক সুব্রত গুপ্তর (Subrata Gupta) সঙ্গে দেখা করতে আসেন বিজেপির প্রতিনিধি দল। সেইসময়েই দফতরের বাইরে অবস্থান করা ‘বিএলও অধিকার রক্ষা’ কমিটির সদস্যরা তাঁদের দেখে চিৎকার করতে থাকেন। শুভেন্দু অধিকারীকে (Suvendu Adhikari) লক্ষ্য করে ‘গো ব্যাক’ স্লোগান দেওয়া হয়। শুরু হয় স্লোগান-পাল্টা স্লোগান। মনোজ আগরওয়ালের কাছে শুভেন্দু অধিকারী বলেন,“অবৈধভাবে সিইও অফিসে আসার ক্ষেত্রে রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিদের বাধা দেওয়া হচ্ছে, তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে। আমরা জেনেছি, সিইও অফিস অন্যত্র স্থানান্তরিত হচ্ছে, সেটা দ্রুত করতে হবে এবং সেখানে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করতে হবে।”

  • Suvendu Adhikari: “ওএমআর শিটের কার্বন কপিতে নেই সিরিয়াল নম্বর”! পুলিশ-নিয়োগে দুর্নীতির পর্দাফাঁস শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: “ওএমআর শিটের কার্বন কপিতে নেই সিরিয়াল নম্বর”! পুলিশ-নিয়োগে দুর্নীতির পর্দাফাঁস শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দুর্নীতির জেরে বাতিল হয়েছে ২০১৬ সালের শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মীদের চাকরি। ফের হয়েছে পরীক্ষা। আবারও হয়েছে মামলা। সেই ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই ফের প্রকাশ্যে এল পুলিশে নিয়োগ পরীক্ষায় (Police Exams) দুর্নীতির অভিযোগ। রবিবারই হয়েছে এই পরীক্ষা। তার পরেই ব্যাপক দুর্নীতি হয়েছে বলে দাবি করলেন রাজ্য বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। সোমবার সাংবাদিক বৈঠকে এমনই দাবি করেন তিনি। শুভেন্দুর দাবি, পরীক্ষার পর চাকরিপ্রার্থীদের দেওয়া হয়নি ওএমআর শিটের কার্বন কপি। ওই শিটে সিরিয়াল নম্বরও ছিল না বলে অভিযোগ। সাংবাদিক বৈঠকে পরীক্ষা কেন্দ্রের উল্লেখ করে এমন একটি ওএমআর শিটও দেখান নন্দীগ্রামের বিধায়ক শুভেন্দু।

    কার্বন কপিতে সিরিয়াল নম্বর ছিল না (Suvendu Adhikari)

    রাজ্যের বিরোধী দলনেতা বলেন, “ওএমআর শিটের কার্বন কপিতে সিরিয়াল নম্বর ছিল না। ওই শিটের কার্বন কপি প্রার্থীদের দেওয়াও হয়নি। কার্বন কপি না দেওয়ায় বোর্ড যে কোনও ধরনের দুর্নীতি করতে পারবে। সিরিয়াল নম্বর নেই মানে যে কোনও সময় কার্বন কপি চেঞ্জ করে দেবে।” তাঁর প্রশ্ন, “কার্বন কপি বোর্ডের কাছে থাকবে কেন?” তিনি বলেন, “টাকার ভিত্তিতে যাঁদের নেওয়া হবে, তাঁদের ওএমআর চেঞ্জ করে দেবে।” রেলবোর্ডকে ধন্যবাদ জানিয়ে শুভেন্দু বলেন, “এই কারণে ওড়িশা সরকার পরীক্ষা করাচ্ছে, আর সেখানে পরীক্ষা দিতে গিয়ে চাকরি পাচ্ছে বাংলার ছেলেমেয়েরা।”

    শুভেন্দুর অভিযোগ

    শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) বলেন, “জাতীয় স্তরের সমস্ত পরীক্ষায়, পাবলিক সার্ভিস কমিশন (Police Exams) থেকে শুরু করে রেলের পরীক্ষায়, সবেতেই ওএমআরের কার্বন কপি দেওয়া হয়, সিরিয়াল মেনটেইন করা হয়। কার্বন কপির একটা কপি পরীক্ষার্থীদের হাতে থাকে।” এই নিয়োগ পরীক্ষায় কীভাবে দুর্নীতি হবে, তারও আভাস দেন শুভেন্দু। বলেন, “এসএসসির মতোই খাতা বদলাবে। তবে এবার হয়তো আর সাদা রাখবে না, ওএমআর শিটটাই বদলে দেবে। যাঁদের নিতে চায়, নির্বাচন আসছে বলে যাঁদের কাছ থেকে টাকা তোলা হয়েছে, সেই লোকগুলোকে ডেকে ডেকে ফিলআপ করিয়ে দেবে। সেখান থেকে পুলিশ রিক্রুটমেন্ট বোর্ডের চেয়ারম্যান গৌতম সান্যালের কাছে পৌঁছে যাবে।”

    মামলা করার পরামর্শ

    এদিন শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) চাকরিপ্রার্থীদের জনস্বার্থ মামলা করার পরামর্শ দেন। আশ্বস্ত করে আইনি সাহায্যের জন্যও। তিনি বলেন, “এই সরকার যুবকদের স্বপ্ন ভাঙার কাজ করছে। প্রতারণার শিকার হওয়া যুবকরা চাইলে আন্দোলনের রাস্তায় হাঁটতে পারেন। চাইলে তাঁরা আইনি লড়াইতেও নামতে পারেন। এই বিষয়ে বিজেপির যুব মোর্চা তাঁদের পাশে থাকবে।” রাজ্যের বিরোধী দলনেতা বলেন, “এই সরকার চাকরি দেওয়ার সরকার নয়। পরীক্ষায় চাকরিপ্রার্থীদের সঙ্গে প্রতারণা করা হয়েছে।” তিনি বলেন, “যেহেতু ওএমআর শিটে সিরিয়াল নম্বর দেওয়া হয়নি, কার্বন কপিও দেওয়া হয়নি, তার মান পরে চাকরি নিয়ে (Police Exams) নয়ছয় করা হবে। অন্য লোকদের চাকরি পাইয়ে দেওয়া হবে।” প্রসঙ্গত, রবিবারই শুভেন্দু বলেছিলেন, “ফর্ম বিক্রি করে টাকা তোলা হচ্ছে। পুলিশের পরীক্ষা হচ্ছে, একটাও চাকরি হবে না। সবাইকে পরীক্ষায় বসিয়ে রেখে গাজর ঝুলিয়ে দিল। ফেব্রুয়ারির প্রথম সপ্তাহে মৌখিক পরীক্ষা হবে। দ্বিতীয় সপ্তাহে ভোট ঘোষণা হয়ে যাবে। তাই আর নিয়োগ হবে না (Suvendu Adhikari)।”

  • Suvendu Adhikari: “আপনাকে বাটি নিয়ে কালীঘাটের সামনে বসাব”, মমতার ‘ভারত হেলিয়ে দেব’ মন্তব্যের পাল্টা শুভেন্দু

    Suvendu Adhikari: “আপনাকে বাটি নিয়ে কালীঘাটের সামনে বসাব”, মমতার ‘ভারত হেলিয়ে দেব’ মন্তব্যের পাল্টা শুভেন্দু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “আপনাকে বাটি নিয়ে কালীঘাটের সামনে বসাব।” রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ঠিক এই ভাবেই আক্রমণ করলেন বিরোধীদল নেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। হলদিয়ায় বিজেপির পরিবর্তন যাত্রায় অংশগ্রহণ করে মমতার “ভারত হেলিয়ে দেব” মন্তব্যের তীব্র সমালোচনা করেন শুভেন্দু। রাজ্যের নানা ক্ষেত্রে দুর্নীতি এবং অগণতান্ত্রিক কার্যকলাপের বিরুদ্ধে তৃণমূলকে নিশানা করেছেন তিনি। সেই সঙ্গে আগামী বিধানসভা নির্বাচনে মমতাকে সরিয়ে বিজেপির সরকার গড়ার ডাকও দেন।

    মৃত মানুষের চোখও তুলে বিক্রি (Suvendu Adhikari)

    বনগাঁতে এসআইআর (SIR) বিরোধিতার কথা বলতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছিলেন, “আমাকে আঘাত করলে আমি সারা ভারত হেলিয়ে দেব। এটা মাথায় রেখো।” এরপর শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) তৃণমূলকে আক্রমণ করে বলেন, “আপনি ভারত হেলাবেন বলেছেন, আপনাকে পশ্চিমবঙ্গের লোক এপ্রিল মাসে এমন হেলাবে, এমন হেলাবে যে আপনার ভাইপো যাবে জেলে। আর আপনাকে বাটি নিয়ে কালীঘাটের সামনে বসাব। আমাদের নাম মেদিনীপুর। আপনি কাল বারাসাতে কী দেখলেন? তৃণমূল মৃত মানুষের চোখও তুলে বিক্রি করে দেয়। ভাবতে পারেন, কোন রাজ্যে বসবাস করছেন আপনারা? আমরা পঞ্চায়েত ভোটে তৃণমূল নেতাকে ব্যালট খেতে দেখেছি। এই সর্বভুক তৃণমূল সব খেয়ে হজম করে দিচ্ছে। তাই, আগামী বিধানসভা নির্বাচনে এই চোরদের আমাদের হারাতে হবে। আমাদের সংকল্প, প্রতি হাতে কাজ। প্রতি পেটে ভাত, প্রতি মাথায় ছাদ। আমাদের সংকল্প, সোনার বাংলা। আমাদের সংকল্প কী ? টাটাকে ফেরাব বাংলায়। আমাদের সংকল্প কী? শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলি আবার নতুন করে সেজে উঠুক। আমাদের সংকল্প, নারীর সুরক্ষা। আমাদের সংকল্প, কন্যা সুরক্ষা।”

    অবৈধ ভোটারদের দ্রুত তালিকা থেকে বাদ যাবে

    উল্লেখ্য, এসআইআর প্রসঙ্গে রাজ্যরাজনীতি উত্তাল! তৃণমূল কংগ্রেস প্রথম থেকেই নিবিড় তালিকা সংশোধনের বিষয়ে অপপ্রচার করছে বলে বিজেপির অভিযোগ। মতুয়া ভোটকে নিজের ঘরে টানতে মমতাবালা ঠাকুর অনশনে বসেছিলেন। একটাই দাবি ছিল তাঁর এসআইআর (SIR) হলে মতুয়াদের নাম বাদ দেবে নির্বাচন কমিশন। অথচ জাতীয় নির্বাচন কমিশন বার বার বলছে একজন বৈধ ভোটারের নাম বাদ যাবেনা। একই ভাবে কমিশন এটাও জানিয়েছে অবৈধ ভোটারদের নাম ভোটার তালিকায় থাকবে না। আর তাই অবৈধ ভোটারদের দ্রুত তালিকা থেকে বাদ দিয়ে অনুপ্রবেশকারীদের যাতে ভারতের বাইরে পাঠানো হয় সেই কথা বলেই চরম হুঁশিয়ারি দিয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)।

  • SIR in Bengal: এসআইআরে বাদ পড়ল আরও নাম, মঙ্গলবার পর্যন্ত সংখ্যাটা প্রায় ১৪ লক্ষ

    SIR in Bengal: এসআইআরে বাদ পড়ল আরও নাম, মঙ্গলবার পর্যন্ত সংখ্যাটা প্রায় ১৪ লক্ষ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে চলছে এসআইআর প্রক্রিয়া (SIR in Bengal)। আগামী ৯ ডিসেম্বর নতুন খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশ করবে কমিশন। তার আগে প্রতিদিনই ভোটার তালিকা থেকে বাদ যাচ্ছে লক্ষ লক্ষ ভোটার। মঙ্গলবার বেলা ১২টা পর্যন্ত প্রায় ১৪ লক্ষ ভোটার বাদ গিয়েছে বলে কমিশন সূত্রে খবর। প্রতিদিন যে হারে তালিকা থেকে নাম বাদ পড়ছে, তাতে সংখ্যাটা কোথায় গিয়ে দাঁড়াবে তা নিয়ে উদ্বিগ্ন কমিশনও।

    বাদ আরও কয়েক লক্ষ নাম

    কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে, এসআইআরে সোমবার পর্যন্ত ভোটারের নাম বাদ যাওয়ার হিসাব ছিল ১০ লক্ষ। ২৪ ঘণ্টা পর তা আরও কিছুটা বেড়েছে। মঙ্গলবার বেলা ১২টা পর্যন্ত পাওয়া তথ্য বলছে ওই সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৩ লক্ষ ৯২ হাজার। প্রতিদিনই লক্ষ লক্ষ এনুমারেশন ফর্ম কমিশনের সাইটে আপলোড করছেন বিএলওরা। ফলে প্রতিদিনই নাম বাদ দেওয়ার হিসেব বাড়বে। সব এনুমারেশন ফর্ম জমা হওয়ার পরে চূড়ান্ত হিসেব পাওয়া যাবে। সে ক্ষেত্রে বাদ পড়ার সংখ্যা যে অনেক বেশি হবে, তা এক প্রকার নিশ্চিত। বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) এদিনও বলেন, “আমি ৯৫ সাল থেকে ভোটে লড়ছি। আমি বলছি, লিখে রাখুন ১ কোটির উপর নাম বাদ যাবে। যদিও এখানে ১০০ শতাংশ এসআইআর হবে না। তারপরও এক কোটির উপর নাম বাদ যাবে। ১০০ শতাংশ হলে আর একটু বেশি নাম বাদ যেত।”

    বেশি নাম বাদ পড়তে পারে কলকাতাতেই

    গত ৪ নভেম্বর থেকে রাজ্যে এসআইআর প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। আগামী ৪ ডিসেম্বর পর্যন্ত এনুমারেশন ফর্ম বিলি ও জমা নেওয়ার কাজ চলবে। সূত্রের খবর, রাজ্যের মধ্যে এখনও পর্যন্ত শতাংশের বিচারে সবচেয়ে বেশি নাম বাদ পড়তে পারে উত্তর এবং দক্ষিণ কলকাতায়। তার পরেই রয়েছে দক্ষিণ ২৪ পরগনা। তবে এখনও পর্যন্ত কোনও হিসেবই চূড়ান্ত নয়। যেসব তথ্যের ভিত্তিতে নাম বাদ যাওয়ার প্রাথমিক সংখ্যা মিলছে, সেগুলি হল, মৃত ভোটার, একাধিক জায়গায় নাম, স্থানান্তরিত এবং নিরুদ্দেশ ভোটার।

  • Suvendu Adhikari: পুলিশ সংগঠনকে ভোটের কাজে না-রাখার দাবি, কেন? প্রমাণ-সহ জ্ঞানেশ কুমারকে চিঠি শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: পুলিশ সংগঠনকে ভোটের কাজে না-রাখার দাবি, কেন? প্রমাণ-সহ জ্ঞানেশ কুমারকে চিঠি শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোটের কাজে এ রাজ্যের পুলিশকে রাখা যাবে না! পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ ওয়েলফেয়ার কমিটির বিরুদ্ধে দেশের মুখ‍্য নির্বাচন কমিশনারকে চিঠি দিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। নির্দিষ্ট তিন পুলিশ আধিকারিকের নাম করে এবং তাঁদের ভাষণের ভিডিয়ো পাঠিয়ে ওই অভিযোগ জানিয়েছেন তিনি। চিঠিতে বিরোধী দলনেতার দাবি, পুলিশ ওয়েলফেয়ার কমিটির সঙ্গে যুক্ত কাউকে যেন আগামী বিধানসভা নির্বাচনে ভোট সংক্রান্ত কোনও কাজে লাগানো না হয়।

    পুলিশের নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন

    মঙ্গলবার সাংবাদিক বৈঠক করে দিঘার পুলিশ ওয়েলফেয়ার কমিটির (Digha Police Welfare Committee) অনুষ্ঠানের প্রসঙ্গ টানেন শুভেন্দু অধিকারী। অভিযোগ করেন, সেই অনুষ্ঠান থেকে সরাসরি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) প্রশংসা করা হয়েছে। সেই প্রেক্ষিতেই পুলিশের নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে তাদের ভোটের কাজ থেকে বিরত রাখার দাবি জানিয়েছেন বিরোধী দলনেতা। সম্প্রতি পুলিশকর্মীদের ওই সংগঠনের আয়োজনে পূর্ব মেদিনীপুরের দিঘায় মহিলা পুলিশকর্মীদের একটি রাজ‍্য স্তরের সম্মেলন হয়েছে। সেই সম্মেলনে কলকাতা পুলিশের ডেপুটি কমিশনার পদমর্যাদার আধিকারিক তথা মুখ‍্যমন্ত্রীর ‘আস্থাভাজন’ হিসেবে পরিচিত শান্তনু সিং বিশ্বাস যে ভাষণ দিয়েছেন, শুভেন্দু মঙ্গলবার তার ভিডিও সাংবাদিক বৈঠক ডেকে দেখিয়েছেন। বিজিতাশ্ব রাউত নামে এক ইন্সপেক্টর এবং রুহুল আমিন আলি শাহ নামে এক সাব-ইন্সপেক্টরের ভাষণের অংশবিশেষও তিনি দেখান।

    ভিডিয়ো দেশের মুখ‍্য নির্বাচন কমিশনারকে পাঠানো হয়েছে

    শুভেন্দু জানান, ওই ভিডিয়ো দেশের মুখ‍্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে পাঠানো হয়েছে। মঙ্গলবার সকালেই ইমেল করে চিঠি ও ভিডিয়ো পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে বলে তিনি জানিয়েছেন। সাংবাদিক বৈঠকে উল্লেখ না করলেও চিঠিতে রয়েছে পূর্ব মেদিনীপুরের পুলিশ সুপার সৌম্যদীপ ভট্টাচার্যের নামও। শুভেন্দু দাবি করেছেন, পুলিশ ওয়েলফেয়ার কমিটি কোনও ‘রাজনৈতিক সংগঠন’ নয়। সেই কারণেই তারা ‘রাজনৈতিক’ কথা বলতে পারে না। তাঁর কথায়, ‘‘সরকার লিখিত ভাবে এই সংগঠন তৈরি করে দিয়েছিল।’’ পশ্চিমবঙ্গ (West Bengal) ছাড়া অন্য কোনও রাজ্যের পুলিশ এমন আচরণ করে না বলেও দাবি করেছেন শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর সংযোজন, এ রাজ্যের পুলিশ নিজেদের মর্যাদা, আত্মসম্মান জলাঞ্জলি দিয়ে তৃণমূল সরকারের (TMC Govt) হয়ে এমন কাজ করছেন।

    পুলিশকে ভোটের ডিউটিতে রাখা যাবে না

    পুলিশের নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে শুভেন্দু সাফ জানান, ওঁদের সরিয়ে নির্বাচন করতে হবে। দলদাস পুলিশকে ভোটের ডিউটিতে রাখা যাবে না। বিরোধী দলনেতা বলেন, ‘‘ফেব্রুয়ারি মাসে নির্বাচনী আচরণবিধি কার্যকর হয়ে যাবে বলে ধরে নিতে পারি। তখন থেকে শুরু করে ভোট সম্পন্ন হওয়া পর্যন্ত পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ ওয়েলফেয়ার কমিটির সঙ্গে যুক্ত কেউ যাতে ভোটের কাজের সঙ্গে প্রত‍্যক্ষ বা পরোক্ষ ভাবে না থাকে, আমরা তা কমিশনকে নিশ্চিত করতে বলেছি।’’ তাঁর বক্তব্য, কমিশন যাতে এখন থেকেই বিকল্প ব‍্যবস্থার কথা ভেবে নিতে পারে এবং তার প্রস্তুতি নিতে পারে, সে কথা মাথায় রেখে আদর্শ আচরণবিধি কার্যকর হওয়ার তিন মাস আগেই তিনি কমিশনকে ওই বিষয়ে অবহিত করে রাখলেন। শুভেন্দুর কথায়, ‘’কেন্দ্রীয় বাহিনী সব কাজ পারবে না। কিছু কাজ পুলিশকেই করতে হয়। সেই কাজ অন‍্য রাজ‍্য থেকে পুলিশ এনে করাবে নাকি অন‍্য কোনও ব‍্যবস্থা করবে, তা নির্বাচন কমিশন এখন থেকে ভেবে নিক।’’

  • Suvendu on SIR: ‘‘জিহাদে মদত দিচ্ছে তৃণমূল, এরা আমাদের রেশন খাচ্ছে’’, রাজ্যে এসআইআর সফল করার ডাক শুভেন্দুর

    Suvendu on SIR: ‘‘জিহাদে মদত দিচ্ছে তৃণমূল, এরা আমাদের রেশন খাচ্ছে’’, রাজ্যে এসআইআর সফল করার ডাক শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে অবৈধ অনুপ্রবেশ এবং এসআইআর নিয়ে ফের একবার রাজ্যের শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেসকে (TMC) বিঁধলেন বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। তাঁর কথায়, তৃণমূল আদতে কোনও দলই নয়। অবৈধ ভোটাররা তৃণমূলের ভোটব্যাঙ্ক। জিহাদে মদত দিচ্ছে তৃণমূল। তাই এই দলটাকে ছেড়ে এসেছেন তিনি। মথুরাপুরে (Mathurapur) বিজেপির সভায় উপস্থিত হয়ে এমনই দাবি করেন শুভেন্দু (Suvendu on SIR)। একই সঙ্গে রাজ্যবাসীর কাছে এসআইআর সফল করার আহ্বান জানান।

    তৃণমূলের ভোটব্যাঙ্ক

    সীমান্তে গত কয়েকদিন ধরে ভিড় দেখা যাচ্ছে অবৈধ অনুপ্রবেশকারীদের। এসআইআর শুরু হওয়ার পর একে একে অনেকেই বাংলাদেশ ফিরে যাচ্ছেন। সেই আবহে এদিন মন্দিরবাজারের সভা থেকে এসআইআর সফল করার ডাক দেন বিরোধী দলনেতা। শুভেন্দু (Suvendu on SIR) বলেন, “অবৈধ রেশন কার্ড, অবৈধ ভোটার তালিকায় নাম উঠেছে। কয়েকদিন আগে আমি বলেছিলাম, গর্তে কার্বোলিক অ্যাসিড ঢেলে দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। পিলপিল করে সাপেরা বেরিয়ে আসছে। এই সন্দেশখালিতে দেখুন, শাহজাহান জেলের ভিতরে থেকে…কারণ মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায়ের নিয়ন্ত্রণে থাকা জেল…মোবাইল ফোন ব্যবহার করে মাছ-মাংস খেয়ে…ওখান থেকে ফোনে ফোনে অবৈধ অনুপ্রবেশকারীদের নির্দেশ দিচ্ছেন, বিএলওকে কী ভাষা! আজ, এসআইআর সফল করুন আপনারা। কী হিন্দু, কী ভারতীয় মুসলিম একযোগে এসআইআর সফল করুন। নইলে এরা আমাদের রেশন খাচ্ছে। খাদ্য জিহাদ।” বিজেপি আগে থেকেই দাবি করে আসছে যে, এসআইআর হলে মৃত এবং ভুয়ো ভোটারের নাম বাদ যাবে যা আদতে তৃণমূল ভোটব্যাঙ্ক হিসেবে কাজে লাগিয়েছে।

    খাদ্য-জিহাদ, ল্যান্ড জিহাদ

    মথুরাপুরে (Mathurapur) বিজেপির সভায় উপস্থিত হয়েছিলেন শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu on SIR)। সেই সভামঞ্চ থেকেই তিনি বলেন, এক সময় তৃণমূল দলকে ছুড়ে ফেলে এসেছেন তিনি। এটা কোনও দলই নয়! শুভেন্দুর কথায়, ”আমি যদি সেদিন নন্দীগ্রামের মানুষকে নিয়ে লড়াই না করতাম তাহলে দিদি থেকে দিদিমা হয়ে যেতেন। মুখ্যমন্ত্রী হতে হত না।” স্পষ্টত এই মন্তব্যে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে (Mamata Banerjee) নিশানা করেছেন তিনি। শুভেন্দুর কথায়, বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারী এবং রোহিঙ্গারা ঢুকে ন্যায্যদের রেশন ছিনিয়ে নিচ্ছে। এটাই খাদ্য জিহাদ (Food Jihad)। তারা পরপর জমি দখল করে নিচ্ছে, ল্যান্ড জিহাদ। বিধায়কের বক্তব্য, এইভাবে চলতে থাকলে গোটা রাজ্যটাই (West Bengal) এদের দখলে চলে যাবে। তাই সকলের উচিত, একজোট হয়ে এসআইআর-কে সমর্থন করা এবং তৃণমূল সরকারের অবসান ঘটাতে সাহায্য করা।

  • Suvendu Adhikari: বর-বউয়ের বাবা একই! এসআইআর চালু হতেই প্রকাশ্যে জালিয়াতি

    Suvendu Adhikari: বর-বউয়ের বাবা একই! এসআইআর চালু হতেই প্রকাশ্যে জালিয়াতি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তিনি সম্পর্কে জামাই। অথচ ভোটার কার্ডে তাঁকে দেখানো হয়েছে ছেলে হিসেবে। আর মেয়ের জৈবিক বাবাও তিনি। যার অর্থ দাঁড়ায়, এই (Suvendu Adhikari) পরিবারে বিয়ে হয়েছে ভাই-বোনের মধ্যেই (SIR)। আজ্ঞে না, বাবার নামের জায়গায় শ্বশুরের নাম দিয়ে দিব্যি বানানো হয়েছে ভোটার কার্ড। এসআরএরের গুঁতোয় এমন ঘটনাই প্রকাশ্যে এল।

    শ্বশুরকে বাবা বানিয়ে ভোটার কার্ড (Suvendu Adhikari)

    ঘটনাটি খুলে বলা যাক। রাজ্যে এসআইআর চালু হতেই ভারতে অনুপ্রবেশকারী বাংলাদেশিরা হাকিমপুরের মতো সীমান্ত দিয়ে পিলপিল করে পালাতে শুরু করেছে। এই সময়ই ঝুলি থেকে বের হচ্ছে একের পর এক বেড়াল। তবে শ্বশুরকে বাবা বানিয়ে ভোটার কার্ড বানানোর জালিয়াতির পর্দা ফাঁস করে দিয়েছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা তথা নন্দীগ্রামের বিধায়ক বিজেপির শুভেন্দু অধিকারী। তৃণমূল পরিচালিত রাজ্য সরকারকে নিশানা করে দীর্ঘ একটি পোস্টও করেছেন শুভেন্দু। ক্যাপশনে তিনি লিখেছেন, ‘এসআইআরের ধাক্কায় শ্বশুর যখন বাবা’। এর স্বপক্ষে প্রমাণ দিতে ভোটার তালিকার ছবিও দিয়েছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা।

    স্বামীর বাবা আর স্ত্রীয়ের বাবা একজনই

    এক্স হ্যান্ডেলে তিনি লিখেছেন, “ভোটার তালিকায় স্বামীর বাবা আর স্ত্রীয়ের বাবা যে একজনই, এসআইআরের দৌলতে তা-ও দেখতে হচ্ছে। যদিও বঙ্গেশ্বরীর রাজত্বে কোনও কিছুই অসম্ভব নয়। এসআইআর চালু হওয়ার পরে এ রাজ্যে নিত্য নতুন রঙ্গ তামাশা দেখছে জনগণ। উত্তর ২৪ পরগনার বনগাঁ দক্ষিণ বিধানসভার রামনগর (Suvendu Adhikari) গ্রাম পঞ্চায়েতের ২৬৫ নম্বর বুথের ভোটার মণিরুজ্জামান মণ্ডল ও আর্জিনা মণ্ডল স্বামী-স্ত্রী। মণিরুজ্জামান ওই বুথেরই তৃণমূল নেতা, আর আর্জিনা আইসিডিএস কর্মী এবং তৃণমূল কর্মী। তাঁদের দু’জনের পিতার নামই মিজানুর মণ্ডল। জানা গিয়েছে, আর্জিনার জন্মদাতা হলেন মিজানুর। ওই বুথটি আবার রামনগর গ্রাম পঞ্চায়েতের উপপ্রধান ও তৃণমূলের অঞ্চল সভাপতি বাসুদেব ঘোষের বুথ। এই বাসুদেবের ছেলেই আবার ওই বুথের বিএলও। মনিরুজ্জামান আবার বাসুদেবের ডানহাত বলে এলাকায় পরিচিত। অভিযোগ উঠেছে, এই বিএলও-ই কারসাজি করে মণিরুজ্জামান ও মিজানুরকে ম্যাপিংয়ে বাবা ও ছেলে হিসেবে দেখিয়েছেন।” তিনি লেখেন, “দিকে দিকে ভাড়া করা বাবা-মায়ের ছড়াছড়ি (SIR)। সঠিকভাবে এসআইআরের কাজ সম্পন্ন হলে এই ধরনের ভুয়ো ভোটার ধরা পড়বে (Suvendu Adhikari), পশ্চিমবঙ্গের জনসংখ্যাও কমে যাবে।”

     

  • Suvendu Adhikari: “রাজ্যের মুসলিমদের তেজপাতা করে রেখেছেন মমতা”, কাঁথিতে তোপ শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: “রাজ্যের মুসলিমদের তেজপাতা করে রেখেছেন মমতা”, কাঁথিতে তোপ শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বছর ঘুরলেই রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচন। এদিকে এসআইআরে বিরাট সংখ্যায় জাল ভোটারদের নাম বাদ যাওয়ার ব্যাপক সম্ভাবনা রয়েছে। যা নিয়ে রাজ্য রাজনীতির পারদ চরমে। এমনই আবহে কাঁথির পরিবর্তন যাত্রায় একাধিক ইস্যুতে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে (Mamata Banerjee) তুলোধনা করলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। নন্দীগ্রামের বিধায়ক জানান, তোষণের রাজনীতি রাজ্যে মারাত্মক আকার ধারণ করেছে। দেশের অন্যান্য রাজ্যের তুলনায় পশ্চিমবঙ্গ তৃণমূলের শাসনে ক্রমেই পিছিয়ে পড়ছে। রাজ্য থেকে শিল্পকে তাড়িয়েছেন খোদ মমতা। সীমান্তে অবৈধ বাংলাদেশির ভিড় বাড়ছে। আর তৃণমূল কংগ্রেস নিজের ভোট ব্যাঙ্ক নিয়ে চরম উদ্বেগের মধ্যে রয়েছে। তাঁর মতে, আরজি করের বিচার পেতে বিজেপিকে আনতে হবে। মুসলিমদের তেজপাতার মতো ব্যবহার করছেন মুখ্যমন্ত্রী। 

    আর মাত্র ২ মাস! দেখে নেব (Suvendu Adhikari)

    পরিবর্তন সংকল্প যাত্রায় শুভেন্দু, মমতাকে (Mamata Banerjee) আক্রমণ করে বলেন, “বাংলায় কর্মসংস্থান নেই, শিল্প কলকারখানা নেই। বাংলার পুরনো ঐতিহ্যকে ফিরিয়ে আনতে হবে। তাই সকলকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। বদল আনতে হবে। রাজ্যে নারী নির্যাতন বন্ধন করতে বিজেপির শাসন চাই। বিজেপি শাসিত রাজ্যগুলিকে দেখুন। সরকার কতটা দায়িত্বশীল তা দেখে শিখতে হবে। ছত্তিশগড়ে ৩১০০ টাকায় ধান কেনা হচ্ছে। রাজস্থানে ২৫ লক্ষ টাকা চিকিৎসা ফ্রি। বিজেপি শাসিত মহারাষ্ট্রে মহিলাদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে ২০০০ টাকা করে দেওয়া হচ্ছে। হরিয়ানায় ২ লক্ষ ৫৫ হাজার সরকারি শূন্যপদ পূরণ করা হয়েছে। হাতে কাজ, পেতে ভাত এবং মাথায় ছাদ দিতে পারে একমাত্র বিজেপি সরকার। যোগ্যতা এবং মেধা অনুযায়ী চাকরি একমাত্র দিতে পারবে বিজেপি সরকার। ২০১১ সালে টাটাকে রাজ্য থেকে তাড়িয়েছে। টাকার বিনিময়ে চাকরি বিক্রি করেছে তৃণমূল সরকার। আর মাত্র ২ মাস, ফেব্রুয়ারির ১৫ তারিখের পর এই সরকার আর কোথায় থাকবে তা দেখে নেব আমরাও।”

    সব ভারতীয়র নাম ভোটার তালিকায় থাকবে

    এদিন আবার ভগবানপুর থেকে মুসলিম সামজের মানুষকে বার্তা দিয়ে শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) বলেন, “আপনাদের আমাদের মতো জয় শ্রী রাম বলতে হবে না। ভারতমাতা কি জয় বলুন। বন্দে মাতারম বলুন। জয় হিন্দ বলুন। কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে নরেন্দ্র মোদির রাষ্ট্রবাদ, দেশপ্রেম, উন্নয়ন এবং যোগীর সুরক্ষানীতি-সুশাসনকে বাংলায় প্রতিষ্ঠা করতে হবে। তৃণমূল আপনাদের তেজপাতা করে রেখে দিয়েছে। এই মুহূর্তে মুসলমানদের সবচেয়ে বেশি ভোট পায় তৃণমূল। আপনারা আমাদের ভোট দেন না জানি। আমরা আপানাদের বিরোধী নই। সব ভারতীয়র নাম ভোটার তালিকায় থাকবে। এটাই আমাদের ঘোষিত অবস্থান। আমি আহ্বান করেছি রাষ্ট্রবাদী মুসলিমদের, আপনারা আসুন। আপনাদের তেজপাতা করে রেখেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তরকারিতে লাগে কিন্তু খাওয়া যায় না।”

    বাংলার ভোট নিয়ে ভবানীপুরে মমতাকে হারানোর কথা আগেই ঘোষণা করেছেন শুভেন্দু অধিকারী। তিনি বলেন, “নন্দীগ্রামে হারিয়েছি এবার ভবানীপুরেও হারাবো। কেউ ভয় পাবেন না, আমি শুভেন্দু অধিকারী রাজ্যের বিরোধীদল নেতা। মমতাকে আমি হারিয়েছি, আবার ২০২৬ সালে ভবানীপুরে হারাবো। তৃণমূল কংগ্রেস এখন একটি রাজনৈতিক দল নয়, এটি একটি কোম্পানিতে পরিণত হয়েছে। মমতা নিজেই রাজ্যে সাম্প্রদায়িক বীজ বপন করেছে। বাংলার মানুষ এখন মুক্তি চায়।”

  • Suvendu Adhikari: মুখ্যসচিবের ফোন থেকে রাজ্যের নির্বাচনী আধিকারিকের সঙ্গে রোজ কথা মমতার! বিস্ফোরক শুভেন্দু

    Suvendu Adhikari: মুখ্যসচিবের ফোন থেকে রাজ্যের নির্বাচনী আধিকারিকের সঙ্গে রোজ কথা মমতার! বিস্ফোরক শুভেন্দু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যের মুখ্যসচিবের ফোন ব্যবহার করে রাজ্যের অতিরিক্ত মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের সঙ্গে কথা বলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ঠিক এই অভিযোগে নির্বাচন কমিশনের কাছে সরব হয়েছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। রাজ্যে ইতিমধ্যে এসআইআর-এর (SIR) কাজ চলছে আর তৃণমূলনেত্রী প্রথম থেকেই এসআইআর-এর বিরোধিতা করতে সব রকম প্রচার এবং চেষ্টা চালাচ্ছেন। কেন মনোজ পন্থের ফোন থেকে প্রতিদিন রাজ্যের অতিরিক্ত মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক অরুণ প্রসাদকে ফোন করেন মমতা? উদ্দেশ্য কী? রীতিমতো তথ্যপ্রমাণ দিয়ে নির্বাচনী কমিশনে নালিশ শুভেন্দুর।

    ২০ মিনিট কথা অরুণ- মমতার (Suvendu Adhikari)!

    শুক্রবার শুভেন্দুর (Suvendu Adhikari) নেতৃত্বে বিজেপির এক প্রতিনিধিদল নির্বাচন কমিশনের কাছে অভিযোগ জানিয়েছেন। তিনি কমিশনের প্রতিনিধি দলের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে উপযুক্ত প্রমাণ এবং তথ্য দিয়েছেন। শুভেন্দু বলেন, “রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মুখ্যসচিব মনোজ পন্থের ফোন ব্যবহার করে অতিরিক্ত মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক অরুণ প্রসাদের সঙ্গে প্রায় প্রায়ই কথা বলেন। শেষ যে দিন বিজেপির প্রতিনিধিদল রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের সঙ্গে দেখা করতে গিয়েছিল, সেই দিনও অরুণ ২০ মিনিট মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলছেন। মমতা কোন নির্দেশ দিচ্ছেন? এর আগে এসআইআরে কর্মরত ৬৭ জন বুথ লেভেল অফিসার (বিএলও)-এর বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলে ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছিল। কিন্তু মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কোনও পদক্ষেপ গ্রহণ করেনি। কেন কমিশন কড়া পদেক্ষপ নিচ্ছে না।” শুক্রবার কমিশনের কাছে এই মর্মে প্রশ্নও তোলেন শুভেন্দু অধিকারী।

    হিন্দু শরণার্থীদের ভোটার তালিকায় তুলতে হবে

    এদিন শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) মুখ্যনির্বাচনী আধিকারিকের দফতরে তৃণমূলের বিরুদ্ধে অভিযোগ করে আরও বলেন, “রাজ্যের জনবিন্যাস বদলে যাচ্ছে। প্রশাসনের একাংশ শাসকদলের নির্দেশে অনুপ্রবেশকারীদের সবরকম সুবিধা পাইয়ে দেওয়া হচ্ছে। শুধু তাই নয় অনুপ্রবেশকারীরা যাতে ভোটার তালিকায় নিজেদের সুরক্ষিত রেখে ভোট দিতে পারেন সেই ব্যবস্থার জন্য কাজ করে যাচ্ছে তৃণমূল। হিন্দু শরণার্থীদের নাম তোলার (SIR) বিষয়ে কমিশনকে ভাবতে হবে। সমস্ত অনুপ্রবেশকারীদের নাম বাদ দিতে হবে।”

    তবে শুভেন্দুর অভিযোগের প্রেক্ষিতে রাজ্য নির্বাচন দফতরের তরফে এখনও কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। তবে সূত্রের খবর রাজ্য নির্বাচন দফতর অফিসিয়ালি কিছু জানাবে না। এই সংক্রান্ত অভিযোগের প্রেক্ষিতে যা বলার নির্বাচন কমিশনই বলবে।

  • Suvendu Adhikari: ‘এসআইআর থামানোর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কে?’ কমিশনে মুখ্যমন্ত্রীর পাল্টা চিঠি শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: ‘এসআইআর থামানোর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কে?’ কমিশনে মুখ্যমন্ত্রীর পাল্টা চিঠি শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভুয়ো, অবৈধ ভোটার দিয়ে তালিকা ভরিয়ে রাখার স্বার্থেই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) এসআইআর (SIR) প্রক্রিয়াকে বিকৃত করে নির্বাচন কমিশনে চিঠি লিখেছেন। এমনই দাবি করলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। ভোটার তালিকায় বিশেষ নিবিড় সংশোধনের (এসআইআর) প্রক্রিয়া এবং পরিকল্পনা নিয়ে প্রশ্ন তুলে বৃহস্পতিবার দুপুরে দেশের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে চিঠি লিখেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা। বিকেলে জ্ঞানেশকে মমতার পাল্টা চিঠি লিখলেন শুভেন্দু। চিঠিতে এসআইআর প্রক্রিয়া স্থগিতের অনুরোধ জানিয়েছিলেন মমতা। দীর্ঘ চিঠিতে একাধিক উদাহরণ দিয়ে শুভেন্দু লিখলেন, স্বচ্ছ নির্বাচনের জন্য এসআইআর সঠিক ভাবে সম্পন্ন হওয়া প্রয়োজন। ভারতের গণতন্ত্র রক্ষার জন্যও এটা গুরুত্বপূর্ণ।

    মমতাকে নিশানা শুভেন্দুর

    মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যে চিঠি লিখেছেন, তা আদতে কোনও গঠনমূলক কারণে নয়, অবৈধ ভোটব্যাঙ্ককে সুরক্ষা দেওয়ার জন্য। এমন বার্তাই কমিশনে পৌঁছে দিয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। মুখ্যমন্ত্রীর সব অভিযোগ ভিত্তিহীন বলেও দাবি করেছেন তিনি। কর্তব্যরত আধিকারিক ও সাধারণ মানুষের উপর চাপ সৃষ্টি করা হচ্ছে বলে চিঠি লিখেছেন মমতা। পাল্টা চিঠিতে শুভেন্দু অধিকারী দাবি করেছেন, আদতে রাজ্যের শাসক দল ভোটের স্বার্থে অবৈধ অনুপ্রবেশকারীদের এতদিন ধরে সুরক্ষা দিয়েছেন। শুধু তাই নয়, শুভেন্দু উল্লেখ করেছেন, জায়গায় জায়গায় বাংলাদেশিদের ঘর ছাড়ার হিড়িক বেড়েছে। হাকিমপুরে বাংলাদেশ সীমান্তে ভিড় বাড়ছে, এমন ছবিও সামনে এসেছে। শুভেন্দুর চিঠিতে সেই ঘটনারও উল্লেখ আছে। মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে চিঠি লিখে বিরোধী দলনেতার বক্তব্য, মমতার চিঠি আদতে নির্বাচন কমিশনের উপর মানুষের যে আস্থা, তাতে আঘাত হানছে। সঙ্গে শুভেন্দু এও উল্লেখ করেছেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কীভাবে বিএলও দের হুমকি দিয়েছেন।

    মুকুল রায়ের মামলার কথা

    মমতার চিঠি ছিল তিন পাতার। শুভেন্দু পাল্টা চিঠিটি লিখেছেন চার পাতার। সেই চিঠিতে শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) সম্প্রতি হাইকোর্টের নির্দেশে মুকুল রায়ের বিধায়ক পদ খারিজের প্রসঙ্গও উল্লেখ করেছেন। বিরোধী দলনেতার বক্তব্য, শুধু ভোট চুরি করা নয়। মমতার রাজনৈতিক ধরন হল নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিকেও চুরি করা। সে কারণেই হাইকোর্ট মুকুল রায়ের বিধানসভার সদস্যপদ বাতিল করে দিয়েছে। এসআইআরের চাপ সইতে না-পেরে দুই বিএলও-র মৃত্যু, মানুষের হেনস্থা, আলু তোলার মরসুমে এই প্রক্রিয়া চাপিয়ে দেওয়ার একাধিক অভিযোগ করেছেন মমতা। শুভেন্দু তাঁর চিঠিতে পাল্টা যুক্তির জাল বুনতে চেয়েছেন। তিনি জানিয়েছেন, বিএলওদের অর্থবৃদ্ধির ফাইল এখনও রাজ্যের অর্থ দফতর এখনও ফেলে রেখেছে।

    ‘‘বাংলায় কায়েম জঙ্গলরাজ’’

    শুভেন্দুর বক্তব্য, গত তিন মাস ধরে মুখ্যমন্ত্রী বারংবার বিএলওদের উদ্দেশে বার্তা দিয়েছেন, ভোটের পরে রাজ্য সরকারের চাকরিই তাঁদের করতে হবে। যা কমিশনের নির্দেশ পালনের বদলে রাজনৈতিক দাসত্ব পালনে প্ররোচনা দিয়েছে বলে অভিযোগ বিরোধী দলনেতার। রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী মনোজ আগারওয়ালের বিরুদ্ধেও মমতা দুর্নীতির অভিযোগ তুলেছিলেন। তা-ও চিঠিতে উল্লেখ করেছেন শুভেন্দু (Suvendu Adhikari)। রাজ্যের প্রশাসনিক প্রধান হিসাবে মমতা যে ভাবে চিঠি লিখেছেন, তা নিয়ে কমিশনের কঠোর মনোভাব নেওয়া উচিত বলে জ্ঞানেশকে লেখা চিঠিতে উল্লেখ করেছেন শুভেন্দু। তাঁর আরও বক্তব্য, এই চিঠিই প্রমাণ করে দিচ্ছে পশ্চিমবঙ্গে জঙ্গলরাজ কায়েম হয়েছে। এ প্রসঙ্গেই তিনি ২০২৪ সালের লোকসভা ভোটের কথা উল্লেখ করছেন শুভেন্দু। চিঠিতে তিনি লিখেছেন, কমিশনই এ তাদের রিপোর্টে উল্লেখ করেছিল, ২০২৪ সালের লোকসভা ভোটে সারা বাংলা জুড়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা সিসিটিভি ক্যামেরা কোনও কাজই করেনি। তাহলে স্বচ্ছ নির্বাচন হল কীভাবে প্রশ্ন শুভেন্দুর।

    সাংবিধানিক সংস্থার উপর সরাসরি আক্রমণ

    এসআইআর বন্ধের দাবি জানিয়ে কমিশনকে চিঠি দিয়ে মুখ্যমন্ত্রী সাংবিধানিক সংস্থার উপর সরাসরি আক্রমণ করেছেন, বলে দাবি শুভেন্দুর (Suvendu Adhikari)। তাঁর কথায়,  এসআইআর কোনো নতুন প্রক্রিয়া নয়, দেশে এটা নবমবারের মতো হচ্ছে। প্রথম দিন থেকেই উনি মানুষকে ভয় দেখাচ্ছেন, মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের বিরুদ্ধে ব্যক্তিগত আক্রমণ করছেন, সিইসি-কে গালিগালাজ করছেন।

    ‘‘এসআইআর থামানোর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কে?’’

    বিরোধী দলনেতার প্রশ্ন, ‘এসআইআর থামানোর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কে?’ ভারতের নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, ১২টি রাজ্য এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল জুড়ে ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধনীর (এসআইআর) অধীনে ৫০.৪০ কোটিরও বেশি ভোটার, যা প্রায় ৯৯ শতাংশ, গণনার ফর্ম পেয়েছেন। নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, ২৭ অক্টোবর পর্যন্ত এই ১২টি রাজ্য এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল জুড়ে ৫০.৯৭ কোটি ভোটার রয়েছেন। এসআইআর-এর দ্বিতীয় পর্যায়ে অন্তর্ভুক্ত রাজ্য এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলি হল ছত্তিশগড়, গোয়া, গুজরাট, কেরালা, মধ্যপ্রদেশ, রাজস্থান, তামিলনাড়ু, উত্তরপ্রদেশ, পশ্চিমবঙ্গ, আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জ, লাক্ষাদ্বীপ এবং পুদুচেরি।

    ‘‘এসআইআর না হলে নির্বাচনও হবে না’’

    বিজেপি নেতা আরও যোগ করেন,‘‘এসআইআর না হলে নির্বাচনও হবে না। ৭ ফেব্রুয়ারির মধ্যে চূড়ান্ত ভোটার তালিকা না এলে এপ্রিলে নির্বাচন হবে না। মৃত, ভুয়ো এবং অবৈধ ভোটারদের নাম বাদ দেওয়া হচ্ছে বলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ক্ষমতা হারানোর ভয়ে হট্টগোল করছেন… যখন ১ কোটিরও বেশি ভোটার বাদ যাবে, যারা হয় মৃত, ভুয়ো অথবা অবৈধ বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারী, তখন উনি কীভাবে জিতবেন… বিজেপির সঙ্গে তৃণমূলের ভোটের পার্থক্য মাত্র ২২ লক্ষ…’’

LinkedIn
Share