Tag: Suvendu Adhikari

Suvendu Adhikari

  • Murshidabad: গাজনে শিবভক্তদের ওপর হামলা, মন্দিরে ভাঙচুর! দুষ্কৃতীদের তাণ্ডব বেলডাঙায়

    Murshidabad: গাজনে শিবভক্তদের ওপর হামলা, মন্দিরে ভাঙচুর! দুষ্কৃতীদের তাণ্ডব বেলডাঙায়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নীল ষষ্ঠীর (Nil Sasti) পরের দিনই মন্দির ভাঙচুরের অভিযোগ উঠল মুর্শিদাবাদে (Murshidabad)। শুধু মন্দির ভাঙচুরই নয়, শিবের স্তুতি করার অপরাধে গাজনে সন্ন্যাস নেওয়া কয়েকজন সন্ন্যাসীর ওপর স্থানীয় দুষ্কৃতীরা হামলা চালায়। এইসব ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক শোরগোল পড়েছে। ইতিমধ্যেই বিজেপি তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছে। 

    কীভাবে ঘটল ঘটনা (Murshidabad)?

    স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শনিবার বিকেলে মুর্শিদাবাদ (Murshidabad) জেলার বেলডাঙা থানার কামনগর পঞ্চায়েতের কামনগর গ্রামে গাজনে সন্ন্যাস নেওয়া কয়েকজন গ্রামবাসী টোটোয় চড়ে গ্রামের মন্দিরে (Temple) ফিরছিলেন। সেই সময় তাঁরা ভগবান শিবের স্তুতি করছিলেন। আর এই অপরাধে স্থানীয় দুষ্কৃতীরা তাঁদের ওপর হামলা চালায় বলে অভিযোগ ওঠে৷ হামলার ঘটনায় ১৮-২০ জন সন্ন্যাসী আহত হয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। আহতদের অভিযোগ, রীতিমতো মারধর করা হয়েছে তাঁদের। অন্যদিকে একই দিনে বেলডাঙা, শক্তিপুর, সালার থানা এলাকার কুমারপুর, মির্জাপুর তালিতপুরসহ একাধিক এলাকার মন্দিরে হামলা এবং প্রতিমা ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে। কুমারপুরের শিবমন্দিরের (shiv Temple) ভিতরে ঢুকে দুষ্কৃতীরা প্রস্রাব করে বলেও অভিযোগ উঠেছে।

    বিজেপি প্রধানের বক্তব্য

    এই ঘটনায় কামনগর (Murshidabad) পঞ্চায়েতের বিজেপি (BJP) প্রধান বাপন ঘোষ বলেছেন, “শুধু গাজনের সন্ন্যাসীদের উপর হামলাই নয়, বিজেপি পার্টি অফিসে আগুন লাগিয়ে দেওয়া থেকে শুরু করে একটা মুদিখানা দোকানে ভাঙচুরও চালায় দুষ্কৃতীরা। থানায় (Police Station) আমরা অভিযোগ দায়ের করব। হিন্দু সমাজের উপর আক্রমণ আমরা মেনে নেব না। 

    আরও পড়ুন: প্রাক্তন বিজেপি বিধায়কের ৭ আত্মীয় গাড়িতেই জীবন্ত দগ্ধ হয়ে মৃত!

    এক্স হ্যান্ডেলে শুভেন্দুর পোস্ট

    এই প্রসঙ্গে মন্দিরে ভাঙচুরের একটি ভিডিও ফুটেজ নিজের এক্স হ্যান্ডেলে পোস্ট করেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। তিনি লিখেছেন, “মুর্শিদাবাদ (Murshidabad) জেলার বেলডাঙা থানার অন্তর্গত মৌজামপুর ও মির্জাপুরে দুপুর থেকে দুষ্কৃতীরা ধর্মীয় স্থান ভাঙচুর করেছে। এমনকী গুন্ডারা নিরপরাধ মানুষের বাড়িঘর টার্গেট করে হামলা চালাচ্ছে। পরিস্থিতি হাতের বাইরে চলে যাওয়ায় বিদ্যুৎ সরবরাহ বিচ্ছিন্ন করা হয়েছে। আমি মুখ্যসচিব শ্রী বি পি গোপালিকা (আইএএস), ডিজিপি পুলিশ শ্রীসঞ্জয় মুখার্জি (আইপিএস), এডিজি শ্রী মনোজ কুমার ভার্মাকে (আইপিএস) অনুরোধ করছি, অবিলম্বে এই বিষয়ে হস্তক্ষেপ করুন এবং যত তাড়াতাড়ি সম্ভব পরিস্থিতি স্বাভাবিক করুন। নির্বাচন কমিশনের (Election Commission) উচিত সচেতন হওয়া এবং এলাকায় স্বাভাবিকতা ফিরিয়ে আনার জন্য যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণ করা।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bengaluru Cafe Blast: বেঙ্গালুরু বিস্ফোরণে যোগ!  কেন বারবার ভিন রাজ্যের জঙ্গিরা বাংলাতেই আশ্রয় নেয়? 

    Bengaluru Cafe Blast: বেঙ্গালুরু বিস্ফোরণে যোগ! কেন বারবার ভিন রাজ্যের জঙ্গিরা বাংলাতেই আশ্রয় নেয়? 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বেঙ্গালুরুর রামেশ্বরম ক্যাফে বিস্ফোরণকাণ্ডে (Bengaluru Cafe Blast) জড়িত ২ আইএস জঙ্গি ২৮ দিন ধরে আস্তানা গেড়েছিল এ রাজ্যেই। এমনটাই জানা গিয়েছে এনআইএ সূত্রে। লোকসভা ভোটের আগে রাজ্য থেকে জঙ্গিদের খোঁজ মেলায় তৃণমূল সরকারকে  তুলোধনা করেছে বিজেপি। তবে, মুখ্যমন্ত্রীর কথা মতো জঙ্গিরা নাকি দুই দিন, বাংলার অতিথি য়ে এসেছিলেন। প্রশ্ন একটাই অতিথি-ই বটে! বাংলা এখন জঙ্গিদের ঘোরার জায়গা। তাদের মুক্তাঞ্চল। এই প্রথম নয়। এর আগেও, একাধিকবার বাংলা থেকে ধরা পড়েছে বহু জঙ্গি। তৃণমূল সরকারের আমলে বাংলা যেন জঙ্গিদের সেফ-আস্তানা হয়ে উঠেছে বাংলা।

    জঙ্গিদের সেফ হেভেন

    বেঙ্গালুরুর রামেশ্বরম ক্যাফেতে বিস্ফোরণকাণ্ডের (Bengaluru Cafe Blast)  মূল ২ অভিযুক্ত আস্তানা গেড়েছিল কলকাতাতেই। ২ জনকে দিঘা থেকে গ্রেফতার করেছে এনআইএ। বেঙ্গালুরু বিস্ফোরণের মূল চক্রীদের বাংলা থেকে গ্রেফতার হওয়ার ঘটনা আরও ভয়ঙ্কর তার কারণ সন্দেহভাজন জঙ্গিরা বাংলায় ২৮ দিন ধরে ছিল! এই শহরের বুকে একের পর একে হোটেলে আত্মগোপন করে ছিল! নাম ভাঁড়িয়ে কলকাতায় একের পর এক হোটেলে আস্তানা বদলেছে তারা। পুলিশ-গোয়েন্দাদের চোখে ধুলো দিয়ে জঙ্গিরা সোজা পাড়ি দিয়েছে বাঙালিদের অন্যতম পছন্দের উইক এন্ড ডেস্টিনেশন দিঘা। ভোটের আগে এই জঙ্গিরা ধরা পড়ায় ফের প্রশ্ন উঠেছে, বাংলা কি সন্ত্রাসবাসীদের ‘সেফ হেভেন’? জঙ্গিদের ‘স্লিপার সেল’গুলির আস্তানা? কেন বারবার ভিন রাজ্যের জঙ্গিরা বাংলাতেই আশ্রয় নেয়? 

    কবে, কোথায় কারা ধরা পড়েছে 

    কখনও লস্কর-ই-তৈবা তো কখনও আইএস। বাংলায় কেন সক্রিয় জঙ্গি কার্যকলাপ? এরাজ্যকে কি নিরাপদ মনে করছে তারা? অতীতেও, বাংলা থেকে ধরা পড়েছে একাধিক জঙ্গি। ২০০৭ সালে বেঙ্গালুরু তথ্যপ্রযুক্তি সংস্থায় নাশকাত হামলার সঙ্গে যুক্ত জঙ্গি সংগঠন ‘আল বদর’-এর সদস্য ধৃত ফৈয়াজ স্বীকার করে, সে দীর্ঘদিন কলকাতায় ছিল। লালবাজারের কাছেই বেন্টিঙ্ক স্ট্রিটের একটি ঠিকানায় পাসপোর্টও বানিয়েছিল সে। পুণের জার্মান বেকারি বিস্ফোরণে অভিযুক্ত জঙ্গি সংগঠন ইন্ডিয়ান মুজাহিদিন (আইএম)-এর প্রতিষ্ঠাতা-সদস্য ইয়াসিন ভটকল শুধু লুকিয়েই থাকেনি, কলকাতা থেকে বিস্ফোরকও নিয়ে গিয়েছিল। লস্কর-ই-তৈবার বিস্ফোরক বিশেষজ্ঞ আবদুল করিম টুন্ডাকে এ রাজ্য থেকেই ২০১৩-তে গ্রেফতার করেছিল দিল্লি পুলিশ। খাগড়াগড়ে বিস্ফোরণ কাণ্ডে জঙ্গি সংগঠন ‘জামাতুল মুজাহিদিন বাংলাদেশ’ (জেএমবি)-র সদস্য কওসর ওরফে বোমা মিজান, হাবিবুর এবং জেএমবির চিফ সালাউদ্দিন সালে এ রাজ্যে দীর্ঘদিন থেকে সংগঠন তৈরির পাশাপাশি বিস্ফোরক তৈরিও করছিল। ২০২১ সালে কলকাতার হরিদেবপুর থেকে তিন জেএমবি নেতা ধরা পড়ে। আল কায়দার উপমহাদেশীয় শীর্ষ নেতা আবু তালহা বহু দিন কোচবিহারে লুকিয়ে ছিল। সেখানে ভোটার কার্ড-সহ অন্য পরিচয়পত্রও বানিয়ে নিয়েছিল সে। ২০১৭-য় বুদ্ধগয়া বিস্ফোরণের সঙ্গে যুক্ত অভিযুক্তদেরও এ রাজ্য থেকে গ্রেফতার করা হয়েছিল। দক্ষিণ দিনাজপুরের গঙ্গারামপুরে আশ্রয় নেওয়া মুফাক্কির নামে এক বাংলাদেশি জঙ্গিকে ২০২৩-এ গ্রেফতার করে এনআইএ। ২০২১ সালে নিউটাউনে রাজ্য পুলিশের এসটিএফের সঙ্গে এনকাউন্টারে মারা যায় পাঞ্জাবের দুই গ্যাংস্টার জয়পাল ভুল্লার এবং যশপ্রীত জসসি।

    শুভেন্দুর দাবি

    পশ্চিমবঙ্গ আন্তর্জাতিক জঙ্গিদের মুক্তাঞ্চলে পরিণত হয়েছে। এই নিয়ে রাজ্য সরকারকে নিশানা করেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। তিনি বলেন, “পশ্চিমবঙ্গ আন্তর্জাতিক অপরাধীর মুক্তাঞ্চল, এটা আগেও প্রমাণিত। পঞ্জাব পুলিশ চপারে করে এখানে এসে পাঞ্জাবের দুষ্কৃতীদের এনকাউন্টার করেছে। মুজিবর রহমান খুনের দু’জন দণ্ডাদেশপ্রাপ্ত খুনির একজন হাওড়ায় হোমিওপ্যাথ ডাক্তার হিসেবে ছিল। পরে পার্ক সার্কাস থেকে মাজেদকেও ধরা হয়। পার্ক সার্কাস মানে শহরের প্রাণকেন্দ্র। মমতা নিজে দেশবিরোধী কাজের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত। দিল্লিতে জাহাঙ্গীরপুরীতে হনুমান জয়ন্তীর দিন যে ঘটনা ঘটেছিল, তার মূল অভিযুক্ত ফিরোজ৷ যে আমাকে হলদিয়ায় পাথর ছোড়ায় অভিযুক্ত, তার বাড়ি তমলুকের একটি গ্রামে। লাল্টু শেখ, আবদুল মান্নান ফেক আই কার্ড তৈরি করত। তারা গত বছর সোনারপুর থেকে গ্রেফতার হয়।”

    দিলীপের অভিমত

    বর্ধমান-দুর্গাপুর লোকসভা কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী দিলীপ ঘোষ বলেন, “জঙ্গিরা এখানে গা-ঢাকা মোটেই দেয়নি, ওরা জানে এখানে কেউ গায়ে হাত দেবে না। শেখ শাহজাহান তো দু’মাস ধরে ঘুরে বেড়াচ্ছিল। পুলিশ কি জানত না? মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও জানতেন শাহজাহান কোথায় আছে। কেন ধরেননি? ওরাই এই ধরনের লোককে আশ্রয় দিয়ে সাহায্য করছে।” তিনি আরও বলেন, “বাংলা হচ্ছে জঙ্গিদের সেফ করিডর। আজ পর্যন্ত যত জঙ্গি সব এখানেই ধরা পড়েছে। কারণটা হল কোন ভয় নেই। এছাড়া এখান থেকে আধার কার্ড, রেশন কার্ড করে তারা বাংলাদেশ থেকে আসছে। এখানে এসে ট্রেনিং নিয়ে সারা ভারতবর্ষে ছড়িয়ে গিয়ে জঙ্গি কার্যকলাপ ঘটাচ্ছে।”

    আরও পড়ুন: ২ ঘণ্টা দাবি মুখ্যমন্ত্রীর! দার্জিলিং থেকে দিঘা, ২৮ দিন রাজ্যে ছিল ধৃত আইএস জঙ্গিরা, পাল্টা এনআইএ

    দিলীপের সংযোজন, “হুজি থেকে শুরু করে করে আল-কায়দা, আইএস জঙ্গিরা, ভিনরাজ্যের গ্যাংস্টাররা এখানে ধরা পড়েছে। মাসের পর মাস ঘুরে বেড়াচ্ছে। আর যখন উপর থেকে ডান্ডা দিয়েছে তখন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দু’ঘণ্টার মধ্যে জঙ্গিদের ধরে ফেললেন। অথচ তারা দু’মাস ধরে ঘুরছিল। তখন কী করছিলেন। এটা কি মামার বাড়ি পেয়েছে। জঙ্গিরা ঘুরে বেড়াবে আর আপনি তাদের খাওয়াবেন, পুষবেন, সুরক্ষা দেবেন।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: “চা শ্রমিকদের নিয়ে রাজনীতি করছে তৃণমূল”, তোপ শুভেন্দুর, হল যোগদানপর্ব

    Suvendu Adhikari: “চা শ্রমিকদের নিয়ে রাজনীতি করছে তৃণমূল”, তোপ শুভেন্দুর, হল যোগদানপর্ব

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “উত্তরবঙ্গ থেকেই আওয়াজ উঠেছে কেন্দ্রে আরও একবার মোদি সরকার।” বুধবার জলপাইগুড়ির মালবাজারে বিজেপি প্রার্থী জয়ন্ত রায়ের সমর্থনে নির্বাচনী প্রচারে এসে এই কথাই বললেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। এদিন সভায় মানুষের ভিড় এবং উচ্ছ্বাস দেখে বেশ আল্পুত তিনি। বক্তব্যের শুরুতেই তিনি দিন কয়েক আগে মুখ্যমন্ত্রীর সভায় লোক না হওয়ার বিষয়টি তুলে ধরেন। শুধু তাই নয় এই প্রসঙ্গে তিনি বলেন, রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী এই মালবাজারেই ফাঁকা মাঠে সভা করেন। কিন্তু, বিজেপির সভায় প্রচুর মানুষ এসেছেন। এখানেই পরিষ্কার আগামী ১৯ তারিখের ভোটে মানুষ কোথায় ভোট দেবেন।

    চা শ্রমিকদের নিয়ে রাজনীতি করছে তৃণমূল সরকার (Suvendu Adhikari)

    এদিন শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) বলেন, চা-বলয়ের প্রচুর কাজ করেছে কেন্দ্র সরকার। কিন্তু, রাজ্যে তৃণমূল সরকার চা-শ্রমিকদের নিয়ে রাজনীতি করছে। সম্প্রতি কিছু চা-শ্রমিকদের অ্যাকাউন্টে ৬০ হাজার টাকা করে দিচ্ছে রাজ্য সরকার। কিন্তু এই টাকা কেন্দ্র সরকারের লেবার ওয়েলফেয়ার ফান্ডের টাকা। কেন্দ্র সরকারের দেওয়া ২৫০ কোটি টাকা থেকে কিছু টাকা তুলে চা-শ্রমিকদের অ্যাকাউন্টে দিচ্ছে রাজ্য সরকার। কিছুদিন আগে চা-শ্রমিকদের পি এফ নিয়ে তৃণমূল যে ধরনা, মিটিং করছে সেটা শুধু মাত্র নিজেদের ফায়দার জন্য। বাগান মালিকরা ওই টাকা তৃণমূলের পার্টি ফান্ডে দিয়েছে বলে অভিযোগ করেন শুভেন্দু অধিকারী। দু’বছর আগে যখন প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের সময় ৮জন নদীতে ভেসে গিয়ে মৃত্যু হয়েছিল, তখন রাতে মুখ্যমন্ত্রী আসেন নি। কারণ, তখন ভোট ছিল  না। ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় সেই রাতেই আসা শুধুমাত্র ভোটের জন্য।

    তৃণমূলের দাপুটে নেতা সহ অনেকেই যোগ দিলেন বিজেপিতে

    ভোটের মুখে ফের তৃণমূলের ভোট ব্যাঙ্কে ভাঙন ধরাল বিজেপি। এদিন সভা শুরুতেই একটা যোগদান পর্ব অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে চা-বলয়ের দাপুটে নেতা তথা তৃণমূল কংগ্রেসের প্রাক্তন জেলাপরিষদের মেন্টর অমরনাথ ঝা, কুমারগ্রামের লুইস কুজুর সহ অন্য কিছু নেতা যোগদান করেন। এদিনের সভায় শুভেন্দু অধিকারীর (Suvendu Adhikari) সঙ্গে উপস্থিত হয়েছিলেন গোর্খা জনমুক্তি মোর্চার সভাপতি বিমল গুরুং। সভায় হাজির ছিলেন সন্দেশখালির বেশ কিছু মহিলা।

    আরও পড়ুন: দেওয়াল লিখন নিয়ে তৃণমূলের দুই গোষ্ঠীর বিবাদ, বোমাবাজি, ঝলসে গেল এক নাবালকের পা

    কেন্দ্র সরকারের বিভিন্ন জনমুখী প্রকল্প তুলে ধরেন শুভেন্দু

    এই ভোটে সাধারণ মানুষ তৃণমূলকে উচিৎ শিক্ষা দেবেন বলেও বিরোধী দলনেতা (Suvendu Adhikari) দাবি করেন। বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি গত ৭ তারিখের ধূপগুড়িতে প্রধানমন্ত্রীর সভার প্রসঙ্গ তুলে বলেন, সেই সভায় মানুষের যা ঢ্ল নেমেছে তাতে চিত্র পরিষ্কার হয়ে গেছে জলপাইগুড়িতে বিজেপি প্রার্থী জিতছেন। কেন্দ্র সরকারের বিভিন্ন জনমুখী প্রকল্পের কথা বলতে গিয়ে তিনি বলেন, কেন্দ্র সরকার এক কোটি বিয়াল্লিশ লক্ষ মানুষকে উজ্বলা গ্যাস দিয়েছে, কয়েক কোটি কিষান সম্মাননিধি দিয়েছে। সেই সঙ্গে কোভিডের সময় প্রত্যেকে মানুষকে বিনামূল্যে ভ্যাক্সিন এর ব্যবস্থা করেছে। সেই সঙ্গে আরও ৫৫ টি গরিব দেশকে বিনামূল্যে ভ্যাক্সিন দিয়েছেন। তাই ভারতবর্ষ এখন বিশ্বের দরবারে একটা উজ্জ্বল নাম।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: “রাজ্যে চালু হবে সংগ্রামী ভাতা”, ঘোষণা শুভেন্দুর, কারা পাবেন?

    Suvendu Adhikari: “রাজ্যে চালু হবে সংগ্রামী ভাতা”, ঘোষণা শুভেন্দুর, কারা পাবেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “এই লোকসভা নির্বাচনে যেটা হচ্ছে সেটা ট্রেলার। বিধানসভা নির্বাচনেই হবে মূল সিনেমা।” মঙ্গলবার নন্দীগ্রামের হরিপুরে বিজেপির বুথ স্তরের কর্মীদের নিয়ে এক সভার আয়োজন করা হয়। সেই সভা থেকেই বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) একথা বলেন। পাশাপাশি আগামীদিনে বিজেপি ক্ষমতায় এলে রাজ্যে বিশেষ ভাতার কথা ঘোষণা করেন তিনি।

    “সংগ্রামী ভাতার” প্রতিশ্রুতি দিলেন শুভেন্দু (Suvendu Adhikari)

    লোকসভা ভোটের আবহের মধ্যেই ২০২৬ সালের বিধানসভা ভোটের জন্য প্রতিশ্রুতি বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর (Suvendu Adhikari) । বিজেপি বাংলায় ক্ষমতায় এলে ‘সংগ্রামী ভাতা’ দেওয়ার আশ্বাস দিলেন শুভেন্দু। সংগ্রামী ভাতার আওতায় কত টাকা করে সাম্মানিক দেওয়া হবে, সে কথাও জানিয়ে দিলেন তিনি। কারা পাবেন এই সংগ্রামী ভাতা? সে কথাও এদিনের সভা থেকে স্পষ্ট করে দেন শুভেন্দু অধিকারী। যাঁরা ‘মিথ্যা মামলায়’ জেলে গিয়েছেন, তাঁদের জন্য এই উদ্যোগ বলে বুথকর্মীদের সভায় বার্তা বিরোধী দলনেতার। দলীয় কর্মীদের উদ্দেশে শুভেন্দু বললেন, ‘যতজনকে জেল খাটিয়েছে, বিজেপি সরকার যেদিন রাজ্যে আসবে, তাঁদের সবাইকে সংগ্রামী ভাতা দেব আমরা। যত জনকে জেল খাটিয়েছে, প্রত্যেককে ৫ হাজার টাকা করে ভাতা দেব।’ একইসঙ্গে পুলিশের উদ্দেশেও কড়া বার্তা দিয়ে রাখলেন, ‘যে তদন্তকারী অফিসাররা মিথ্যা রিপোর্ট দিয়ে এদের গ্রেফতার করেছেন, তাঁদের নাম লেখা থাকল।’ শুভেন্দুর বক্তব্য, এটা কোনও হুঁশিয়ারি নয়, এটা সতর্কবার্তা।

    আরও পড়ুন: রাম মন্দির উদ্বোধনের পর প্রথম রামনবমী, কতটা প্রস্তুত অযোধ্যা?

    মামলার হুমকি দিয়ে বিজেপির নেতা-কর্মীদের তৃণমূলে টানার চেষ্টা!

    এদিন পুলিশের বিরুদ্ধে সুর চড়িয়েছেন বিরোধী দলনেতা(Suvendu Adhikari) । তিনি বলেন, এসপি, ওসিদের বলব কমিশনের আওতায় কাজ করছেন। সাবধান হয়ে যান। নিরপেক্ষ হওয়ার চেষ্টা করুন। তিনি আরও বলেন, জোর করে পুলিশকে দিয়ে বিজেপির আন্দোলন ভাঙতে চাইছে তৃণমূল। মামলার হুমকি দিয়ে বিজেপির নেতা-কর্মীদের তৃণমূলে টানার চেষ্টা চলছে। তবুও, পূর্ব মেদিনীপুর জেলায় বিজেপি তৃণমূলের কাছে আত্মসমর্পণ করেনি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Lok Sabha Election 2024: ভোটে মূল প্রতিপক্ষ পুলিশ! নিয়ন্ত্রণের আর্জি শুভেন্দুর, পুলিশ পর্যবেক্ষকের দ্বারস্থ বিজেপি

    Lok Sabha Election 2024: ভোটে মূল প্রতিপক্ষ পুলিশ! নিয়ন্ত্রণের আর্জি শুভেন্দুর, পুলিশ পর্যবেক্ষকের দ্বারস্থ বিজেপি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নির্বাচন কমিশনের কাছে সুষ্ঠু  গণতান্ত্রিক পরিবেশে ভোটের (Lok Sabha Election 2024) আর্জি জানাল বিজেপি। এই নিয়ে রাজ্যের পুলিশ পর্যবেক্ষক অনিল শর্মার দ্বারস্থ হলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। শুভেন্দুর (Suvendu Adhikari) কথায়, “আসন্ন নির্বাচনে রাজ্যে পুলিশই প্রধান প্রতিপক্ষ।” তাই সোমবার তিনি পুলিশের উচ্চপদস্থ কর্তাদের নিয়ন্ত্রণ করতে তিনি আর্জি জানালেন নির্বাচন কমিশন নিযুক্ত পুলিশ পর্যবেক্ষকের কাছে।

    শুভেন্দুর আবেদন

    লোকসভা ভোটে (Lok Sabha Election 2024) বাংলার জন্য অবসরপ্রাপ্ত আইপিএস অনিলকুমার শর্মাকে বিশেষ পুলিশ পর্যবেক্ষক হিসাবে নিয়োগ করেছে কমিশন। বিশেষ পর্যবেক্ষক হিসাবে নিয়োগ করা হয়েছে অবসরপ্রাপ্ত আইএএস অলোক সিনহাকে। সোমবার বিশেষ পুলিশ পর্যবেক্ষকের সঙ্গে দেখা করেন শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) সহ বিজেপির তিন সদস্যের প্রতিনিধি দল। সেখানেই বাংলার নির্বাচনের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে কথা বলেন তাঁরা। সোমবার দলের আরও দুই নেতা জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায় এবং শিশির বাজোরিয়াকে নিয়ে কলকাতার সীমান্ত রক্ষী বাহিনীর অফিসার্স ইন্সটিটিউটে যান শুভেন্দু। সেখানে রাজ্যের বিশেষ পুলিশ পর্যবেক্ষক অনিল শর্মাকে রাজ্যের উচ্চপদস্থ পুলিশ কর্তাদের উপরে নিয়ন্ত্রণের আর্জি জানান শুভেন্দু। 

    কী বললেন শুভেন্দু

    সোমবার বিশেষ পুলিশ পর্যবেক্ষকের সঙ্গে সাক্ষাতের পরে শুভেন্দু বলেন, ‘‘২০২১ সালের ভোট পরবর্তী হিংসায় সিবিআই ৬১টি এফআইআর করেছে। ১৫টি রাজ্যে ভোট হয়েছে, বাংলার মতো কোথাও হিংসা হয়নি। পঞ্চায়েত ভোটে আদালতের নির্দেশে ৮২০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী এসেছিল। কিন্তু বাহিনীকে বসিয়ে রাখা হয়েছে। ৫৫ জন খুন হয়েছেন পঞ্চায়েত নির্বাচনে। বহু পঞ্চায়েতে ভোটই দিতে পারেননি ভোটাররা।’’ কেন্দ্রীয় সংস্থার কর্তাদের উপরে হামলা নিয়েও সরব হয়েছেন শুভেন্দু। তিনি বলেন, ‘‘এর আগে সন্দেশখালিতে ইডি আক্রান্ত হয়েছে, আদালত হস্তক্ষেপ করেছে। এনআইএ-র উপর হামলা হয়েছে, নির্বাচন কমিশন পদক্ষেপ করুক।’’

    আরও পড়ুন: ভোটে ব্যবহৃত গাড়িতে জিপিএস ট্র্যাকিং, আরও চার আয়-ব্যয় পর্যবেক্ষক নিয়োগ কমিশনের

    ভোট পরবর্তী সময়ে কেন্দ্রীয় বাহিনীর আর্জি

    লোকসভা ভোটের (Lok Sabha Election 2024) পরবর্তী সময়ে হিংসার ঘটনা রুখতে তৎপর বিজেপি ৷ নির্বাচনের পরেও যাতে রাজ্যে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন থাকে, এই আর্জি নিয়ে রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোসকে চিঠি দিতে চলেছেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী ৷ শুধু রাজ্যপাল নন, ভোটের পরেও রাজ্যে যাতে এক মাস কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়ন রাখা হয়, এই মর্মে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রসচিব এবং রাজ্যের মুখ্যসচিবকেও চিঠি দিচ্ছেন তিনি । শুভেন্দু বলেন, “বাংলা একমাত্র রাজ্য যেখানে একুশের বিধানসভা নির্বাচনের পর ১০ হাজার হিংসার ঘটনা ঘটেছে। দেশের যে পনেরোটি রাজ্যে বিজেপি শাসক সেখানে ভোটের আগে বা পরে কোনো সন্ত্রাসের ছবি নেই। এই রাজ্যে  প্রার্থী খুন হয়েছে, ভোট দিতে পারেনি বহু গ্রামের মানুষ। তাই এখানে ভোট পরবর্তী হিংসা রুখতে কেন্দ্রীয় বাহিনী প্রয়োজন।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Balurghat: রক্তক্ষরণ অব্যাহত বামেদের, এসএফআইয়ের প্রাক্তন জেলা সভাপতি বিজেপিতে   

    Balurghat: রক্তক্ষরণ অব্যাহত বামেদের, এসএফআইয়ের প্রাক্তন জেলা সভাপতি বিজেপিতে   

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ঘুরে দাঁড়ানো দূরের কথা, উঠে দাঁড়ানোই কষ্টকর হয়ে যাচ্ছে বামেদের পক্ষে। তাদের রক্তক্ষরণ অব্যাহত। ভোট ব্যাঙ্ক ধরে রাখা অসম্ভব হয়ে দাঁড়াচ্ছে লাল পতাকাধারীদের। একদিকে জোট নিয়ে জটিলতা, অন্যদিকে কর্মীরা দল ছেড়ে অন্য দলে যোগ দিচ্ছেন। এবার এসএফআইয়ের (SFI) প্রাক্তন জেলা সভাপতি তথা সিপিআইএমের (CPIM) জেলা কমিটির সদস্য সুরজিৎ সরকার দলবল সহ যোগ দিলেন বিজেপিতে। বালুরঘাটের (Balurghat) বিজেপি (BJP) জেলা কার্যালয়ে এই যোগদান পর্ব আয়োজিত হয়।

    সুকান্তের উন্নয়নেই আকৃষ্ট হয়ে দলত্যাগ (Balurghat)

    দল ছাড়ার পর সিপিএমের তরফে দাবি করা হয়, সুরজিৎ সরকারকে বহিষ্কার করা হয়েছে। কেউ দল ছেড়ে অন্য দলে গেলে শৃঙ্খলাভঙ্গের অভিযোগে বহিষ্কারের রেওয়াজ রয়েছে সিপিএমে। দলের তরফে যোগদানকারীদের হাতে দলীয় পতাকা তুলে দেন বিজেপির জেলা সভাপতি স্বরূপ চৌধুরী। ছিলেন জেলার সাধারণ সম্পাদক বাপি সরকার সহ অন্যান্য বিজেপি নেতারাও। প্রসঙ্গত এই লোকসভা আসনে বালুরঘাট থেকে বিজেপির প্রার্থী হয়েছেন দলের রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। তিনিই এলাকার বর্তমান সাংসদ। যোগদানকারীদের দাবি, সুকান্ত মজুমদার যেভাবে বালুরঘাট জুড়ে উন্নয়ন করেছেন, তা দেখেই আকৃষ্ট হয়েছেন সুরজিৎ সরকার।

    বিজেপির সংগঠন মজবুত হল (Balurghat)

    সুরজিৎ যোগদানপর্ব শেষে বলেন, “সুকান্তবাবু বিরোধী দলে থেকেও নিজের এলাকার উন্নয়ন করতে সক্ষম হয়েছেন। উন্নয়নের ক্ষেত্রে রাজনীতির রং দেখেননি। রাজ্যের শাসকের শত বাধা সত্ত্বেও একের পর এক উন্নয়নমূলক কাজ করে তিনি অন্যদের কাছে উদাহরণ তুলে ধরেছেন। সবেচেয়ে বড় ব্যাপার তিনি সেরা সাংসদের পুরস্কার পেয়েছেন।” প্রসঙ্গত এদিনের যোগদানের ফলে এলাকায় বিজেপির সংগঠন মজবুত হল। অন্যদিকে আঞ্চলিক স্তরে তৃণমূল ও সিপিএমের সংগঠন অনেকটাই ধাক্কা খেল। সব মিলিয়ে ভোটের মুখে এই জেলার চিত্রটা যে অনেকটাই বিজেপির অনুকূলে চলে এল, তা বলাই যায়। যদিও বামেদের দাবি, এতে তাদের কোনও ক্ষতি হবে না। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • NIA Attacked: এনআইএ-র উপর হামলা! মুখ্যসচিবের কাছে রিপোর্ট চাইল নির্বাচন কমিশন

    NIA Attacked: এনআইএ-র উপর হামলা! মুখ্যসচিবের কাছে রিপোর্ট চাইল নির্বাচন কমিশন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভূপতিনগরে এনআইয়ের (NIA Attacked) উপর হামলার ঘটনায় মুখ্যসচিবের কাছে রিপোর্ট চেয়ে পাঠাল নির্বাচন কমিশন। পূর্ব মেদিনীপুরের জেলা নির্বাচন দফতর থেকে রিপোর্ট চাওয়ার পাশাপাশি জেলার পুলিশ সুপারের রিপোর্টও চাওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে রাজ্যের মুখ্য নির্বাচন আধিকারিক ও  নবান্নর থেকেও রিপোর্ট তলব করা হয়েছে। ভূপতিনগরের ঘটনায় রাজ্য পুলিশের ডিজি, পুলিশ সুপার (পূর্ব মেদিনীপুর), এসডিপিও ও ভূপতিনগরের ওসি-র বিরুদ্ধে পদক্ষেপ করার জন্য কমিশনের কাছে আর্জি জানিয়েছেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। 

    কী ঘটেছিল

    ২০২২ সালের ডিসেম্বর মাসে ভয়াবহ বিস্ফোরণ কেঁপে উঠেছিল পূর্ব মেদিনীপুরের ভূপতিনগর। ওই বিস্ফোরণে তিনজনের মৃত্যু হয়। আদালতের নির্দেশে বিস্ফোরণের তদন্ত করছে এনআইএ (NIA Attacked)। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার দাবি, ভূপতিনগর বিস্ফোরণ কাণ্ডের তদন্তে শনিবার ভোরে ঘটনাস্থলে গিয়েছিলেন আধিকারিকরা। সেখান থেকে দু’জন অভিযুক্তকে আটক করে গাড়িতে তোলার পরই গ্রামবাসীদের একাংশ হামলা চালায়। গাড়ি লক্ষ্য করে পাথর ছোড়া হয়। ঘটনায় দুজন আধিকারিক জখম হয়েছেন। ভূপতিনগর বিস্ফোরণ কাণ্ডে সম্প্রতি আটজনকে এনআইএ-র কলকাতার দফতরে হাজির দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। অভিযুক্তরা হাজিরা না দেওয়ায় শনিবার ভোরে গ্রামে পৌঁছন তদন্তকারীরা।

    আরও পড়ুন: “মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশেই এনআইএ-র উপর হামলা হয়েছে”, ভূপতিনগরের ঘটনায় সরব সুকান্ত-শুভেন্দু

    কমিশনের রিপোর্ট তলব

    ভোটের মুখে রাজ্যে এনআইএর (NIA Attacked) উপর হামলার ঘটনায় উদ্বিগ্ন নির্বাচন কমিশন। শনিবারেই পূর্ব মেদিনীপুরের জেলা নির্বাচন দফতর ও জেলার পুলিশ সুপারের রিপোর্ট তলব করে নির্বাচন কমিশন। একইসঙ্গে ঘটনার রিপোর্ট চাওয়া হয়েছে রাজ্যের মুখ্য নির্বাচন আধিকারিক ও  নবান্নর থেকেও। শান্তিপূর্ণ লোকসভা ভোটের জন্য ইতিমধ্যেই রাজ্যে এসেছে কেন্দ্রীয় বাহিনী। রাজ্যেপ্রথম দফায় ভোট ১৯ এপ্রিল। তার আগে রাজ্যে কেন্দ্রীয় আধিকারিকদের উপর হামলা মেনে নিতে পারছে না নির্বাচন কমিশন। তাই ঘটনার পূর্ণাঙ্গ রিপোর্ট তলব করা হয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

     

  • Bhupatinagar Blast: বিস্ফোরণে উড়ে যায় তৃণমূল নেতার বাড়ি, উদ্ধার হয়  তিনজনের দেহ, সেদিন ঠিক কী ঘটেছিল?

    Bhupatinagar Blast: বিস্ফোরণে উড়ে যায় তৃণমূল নেতার বাড়ি, উদ্ধার হয় তিনজনের দেহ, সেদিন ঠিক কী ঘটেছিল?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পূর্ব মেদিনীপুরের কাঁথিতে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সভা ছিল। ঠিক তার আগের রাতে ২ ডিসেম্বর সভাস্থল থেকে ৪০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত তৃণমূলের বুথ সভাপতি রাজকুমার মান্নার বাড়ি বিস্ফোরণে উড়ে যায়। রাত সাড়ে ১০টা নাগাদ কাঁথির ভগবানপুর-২ ব্লকের ভূপতিনগর (Bhupatinagar Blast) থানার অর্জুননগর গ্রাম পঞ্চায়েতের নাড়ুয়াবিলা গ্রামে বিস্ফোরণ ঘটে। তাতে মৃত্যু হয় রাজকুমার-সহ তিন জনের। যদিও বাড়ি থেকে ওই তিনজনের দেহ উদ্ধার করা হয়নি।

    তিন জায়গা থেকে তিনজনের ঝলসানো মৃতদেহ উদ্ধার হয় (Bhupatinagar Blast)

    পরিবার ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, বিস্ফোরণে (Bhupatinagar Blast) মৃত্যু হয় তৃণমূলের বুথ সভাপতি রাজকুমার মান্না ও তাঁর দুই ভাই বিশ্বজিৎ গায়েন ও বুদ্ধদেব মান্না ওরফে লালু। চাঞ্চল্যকর দাবি করেছিলেন নিহত তৃণমূল নেতার স্ত্রী লতা মান্না। তিনি বলেছিলেন, ঘটনার পরই কয়েকজন পরিচিত ব্যক্তি তাঁদের বাড়িতে এসেছিলেন। তাঁরাই দেহ বাড়ি থেকে বার করে নিয়ে গিয়েছেন। কিন্তু, কোথায় নিয়ে গিয়েছেন, তা জানেন না। পরদিন বাড়ি থেকে দেড় কিলোমিটারের বেশি দূরত্বে পৃথক তিন জায়গা থেকে তিনজনের ঝলসানো মৃতদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। বোমা তৈরির সময় বিস্ফোরণ ঘটে তাঁদের মৃত্যু হয়েছে বলে গোড়া থেকে অভিযোগ করছে বিজেপি নেতৃত্ব। তা নিয়েই সন্দেহ দানা বাঁধে। প্রশ্ন ওঠে, তবে কি মৃতদেহ লোপাটের চেষ্টা করা হচ্ছিল? আর কেউ আহত কিংবা মারা গেছেন কি না, তা নিয়েও তৈরি হয় ধোঁয়াশা।

    আরও পড়ুন: “মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশেই এনআইএ-র উপর হামলা হয়েছে”, ভূপতিনগরের ঘটনায় সরব সুকান্ত-শুভেন্দু

    এনআইএ তদন্তের দাবি তোলে বিজেপি

    এনআইএ তদন্তের দাবি তোলে বিজেপি। চিঠি লেখা হয় কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকে। ভূপতিনগর বিস্ফোরণ (Bhupatinagar Blast) কাণ্ডে এনআইএ তদন্ত চেয়ে রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বসুর সঙ্গে দেখা করেন ভগবানপুরের বিজেপি বিধায়ক রবীন্দ্রনাথ মাইতি। কেন্দ্রীয় তদন্তের দাবি জানিয়ে জনস্বার্থ মামলা হয় কলকাতা হাইকোর্টে। প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন আইনজীবী অনিন্দ্যসুন্দর দাস। মামলাকারীদের অভিযোগ, ঘটনার পর থেকে কয়েকদিন কেটে গেলেও সেখানে ফরেনসিক দল পৌঁছয়নি। তার ফলে প্রমাণ নষ্ট হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এই পরিস্থিতিতে ঘটনার তদন্তভার দেওয়া হোক এনআইএ–কে। বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী বিস্ফোরণের ঘটনার এনআইএ তদন্তের দাবি জানিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে চিঠি লিখেছিলেন।

     এনআইএ-এর ওপর হামলা

    ২০২৩ সালের জুন মাসে ওই ঘটনার তদন্তভার এনআইএ-কে দেয় হাইকোর্ট। বিস্ফোরণের ঘটনার তদন্তে চলতি বছরের মার্চ মাসে ৮ তৃণমূল নেতাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্যে ডেকে পাঠায় এনআইএ। কলকাতার এনআইএ দফতরে জিজ্ঞাসাবাদের জন্যে তাঁদের ডেকে পাঠানো হয়। পূর্ব মেদিনীপুর জেলা পরিষদের পূর্ত কর্মাধ্যক্ষ মানবকুমার পয়রা, স্থানীয় তৃণমূল নেতা সুবীর মাইতি-সহ মোট ৮ জনকে তলব করা হয়। যদিও তাঁরা কেউ হাজিরা দেননি। এর আগে ৩ জনকে তলব করা হয়েছিল। যদিও তাঁরাও হাজিরা দেননি। সেই ঘটনার তদন্তে এবার পূর্ব মেদিনীপুরের ভূপতিনগরে (Bhupatinagar Blast) গিয়ে আক্রান্ত হল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী এজেন্সি এনআইএ। ভূপতিনগর বিস্ফোরণ মামলায় তদন্তে গিয়েছিলেন এনআইএর-র তদন্তকারীদের একটি দল। সেই দলের ওপরেই হামলা হয়েছে। তদন্তকারীদের গাড়ি ভাঙচুর করা হয় বলে অভিযোগ। জানা গিয়েছে দুই ব্যক্তিকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করে নিয়ে যাওয়ার সময়েই হামলা হয়। ওই ব্যক্তিকে ছেড়ে দেওয়ার দাবি জানাচ্ছিলেন এলাকার বাসিন্দারা। হামলার ঘটনায় দুই এনআইএ আধিকারিক আহত হয়েছেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • NIA Attacked: “মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশেই এনআইএ-র উপর হামলা হয়েছে”, ভূপতিনগরের ঘটনায় সরব সুকান্ত-শুভেন্দু

    NIA Attacked: “মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশেই এনআইএ-র উপর হামলা হয়েছে”, ভূপতিনগরের ঘটনায় সরব সুকান্ত-শুভেন্দু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভূপতিনগরে এনআইএ-এর ওপর হামলার ঘটনায় সরব হলেন রাজ্য বিজেপি সভাপতি সুকান্ত মজুমদার ও বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। সন্দেশখালির পর ভূপতিনগর। ইডি-র পর এনআইএ। তিনমাসের মাথায় ফের রাজ্যে হামলার মুখে পড়ল কেন্দ্রীয় এজেন্সি। এই নিয়েই রাজ্য সরকার ও মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রশাসনকে এক হাত নিল রাজ্য বিজেপি নেতৃত্ব।

    কী বললেন সুকান্ত

    বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার এই ঘটনায় কেন্দ্র এবং বিচার বিভাগের হস্তক্ষেপ চেয়েছেন। সুকান্তের দাবি, মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশেই এই ঘটনা ঘটেছে। সুকান্ত বলেন, ‘‘পুরো বিষয়টি ঘটেছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশে। স্থানীয় মানুষ নন, এঁরা চিহ্নিত তৃণমূল নেতা এবং কর্মী। যে ভাবে একের পর এক কেন্দ্রীয় এজেন্সির উপর আক্রমণ হচ্ছে, পশ্চিমবঙ্গকে দেখে মাঝেমাঝে আমাদের মনে হচ্ছে আফগানিস্তানে পরিণত হয়ে গিয়েছে। আমার মনে হয়, কেন্দ্রীয় সরকার, কেন্দ্রীয় এজেন্সিগুলি এবং বিচারব্যবস্থার খুব তাড়াতাড়ি হস্তক্ষেপ করা উচিত। নচেৎ, পশ্চিমবঙ্গ আগামিদিনে ভারতের অঙ্গরাজ্য থাকবে, না কি থাকবে না, তা নিয়ে কিন্তু প্রশ্ন উঠে যাচ্ছে। বার বার দেশবিরোধী শক্তির সঙ্গে তৃণমূলের নাম জড়িয়ে যাচ্ছে। এটা অত্যন্ত চিন্তার বিষয়। কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশনেরও এই দল সম্পর্কে ভাবা উচিত।’’

    কী বললেন শুভেন্দু

    ভূপতিনগরে এনআইএ-এর ওপর হামলার ঘটনায় পূর্ব মেদিনীপুরের পুলিশ আধিকারিকদের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপের দাবি জানালেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। শনিবার সোশ্যাল মিডিয়ায় এক পোস্টে জাতীয় নির্বাচন কমিশনের কাছে এই দাবি জানিয়েছেন তিনি। সঙ্গে শুভেন্দুর দাবি, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্ররোচনাতেই হামলা হয়েছে এনআইএ-র ওপর। শুভেন্দু লিখেছেন, ভূপতিনগর বিস্ফোরণ কাণ্ডের তদন্তে গিয়ে আক্রান্ত হয়েছে এনআইএ। পশ্চিমবঙ্গের আইন-শৃঙ্খলা ব্যবস্থা সম্পূর্ণ ভেঙে পড়েছে। যেহেতু এখন আইন – শৃঙ্খলা জাতীয় নির্বাচন কমিশনের নিয়ন্ত্রণাধীন, তাই তাদের কাছে অনুরোধ করব ভূপতিনগর থানার ওসি, কাঁথির মহকুমা পুলিশ আধিকারিক ও পূর্ব মেদিনীপুরের পুলিশ সুপারের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ করুন। শুভেন্দুর দাবি, সন্দেশখালিতে ইডি আধিকারিকরা আক্রান্ত হওয়ার পরও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় লাগাতার প্ররোচনা দিয়ে গিয়েছেন। সম্প্রতি তিনি কোচবিহারের মাথাভাঙায় একটি রাজনৈতিক সভায় এনআইএ-কে নিয়ে কটূ মন্তব্য করেন।

    রাজ্যে ৩৫৫ ধারা জারির দাবি 

    পূর্ব মেদিনীপুরের ভূপতিনগরে বিস্ফোরণ-মামলার তদন্তে দুই তৃণমূল কর্মীকে আটক করে নিয়ে আসার সময় এনআইএ-র গাড়িতে হামলা চালানো হয়। ইট,পাথর বৃষ্টি, ভাঙা হয় পুলিশের স্টিকার লাগানো গাড়ির কাচ। মাথা ফাটে এনআইএ আধিকারিকের। এনআইএ-র দাবি, ভূপতিনগর বিস্ফোরণ-মামলার তদন্তে দুই সন্দেহভাজন বলাইচরণ মাইতি ও মনোব্রত জানাকে আটক করে নিয়ে আসার সময়, তাদের গাড়িতে হামলা হয়। কেন্দ্রীয় বাহিনীর সামনেই চলে ইট, পাথরবৃষ্টি।  বিজেপির তরফে রাজ্যসভার সাংসদ তথা মুখপাত্র শমীক ভট্টাচার্য এই পরিস্থিতিতে রাজ্যে ৩৫৫ ধারা জারির দাবি তুলেছেন। তিনি বলেন “বাংলায় যে আইনের শাসন নেই, তা এঘটনা থেকেই স্পষ্ট। আদালতের নির্দেশে তদন্তে গিয়ে আক্রান্ত হতে হচ্ছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাকে। মুখ্যমন্ত্রী নিজে বিএসএফের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করেছেন। এর পরেও কী শান্তির ভোট সম্ভব?”

    আরও পড়ুন: সন্দেশখালির ছায়া ভূপতিনগরে, তদন্তে গিয়ে আক্রান্ত এনআইএ-র আধিকারিকরা, ভাঙচুর করা হল গাড়ি

    ভগবানপুরের বিজেপি বিধায়ক রবীন্দ্রনাথ মাইতি বলেছেন, রাজ্যে যাতে আইনের শাসন কায়েম করা না যায়, তার জন্য সন্দেশখালির ধাঁচে হামলা করা হয়েছে। এ প্রসঙ্গে আবার শিশির অধিকারী বলেছেন, “এই সব ঘটনা ভিতরে চলছিল। বাইরে প্রকাশ হল। সরকারের উস্কানি রয়েছে। এনআইএ তদন্ত করছে। সব প্রমাণ খতিয়ে দেখেছে। ওদের ডেকে পাঠানো হয়েছিল। যায়নি। তারপর যা পদক্ষেপ করার এনআইএ করেছে। আর সেটাকে বলপ্রয়োগ করে মানুষকে দেখাতে চাইছে কত শক্তিশালী।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: ভাঙন ধরল ঘাস ফুল শিবিরে, ভোটের মুখে বিজেপিতে যোগদান ২৫০ তৃণমূল কর্মীর

    Suvendu Adhikari: ভাঙন ধরল ঘাস ফুল শিবিরে, ভোটের মুখে বিজেপিতে যোগদান ২৫০ তৃণমূল কর্মীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভা ভোটের (lok sabha vote 2024) মুখে ভাঙন ধরল ঘাসফুল শিবিরে। শুভেন্দু অধিকারীর হাত ধরে বিজেপিতে (BJP) যোগদান করলেন প্রায় ২৫০-এর অধিক তৃণমূল কর্মী। শুক্রবার সন্ধ্যায় নৈহাটির সিং ভবনে এক দলীয় কর্মসূচি থেকে তাঁদের হাতে বিজেপির পতাকা তুলে দেন শুভেন্দু অধিকারী (suvendu adhikari)। এদিন শুভেন্দুর হাত ধরে পদ্ম শিবিরে আসা নেতাদের মধ্যে প্রধান ছিলেন তৃণমূলের(TMC) বারাকপুর ১ ব্লক সভাপতি রানা দাশগুপ্তও।

    তৃণমূল নেতৃত্বের যোগদান বিজেপিতে

    এই সভায় এদিন উপস্থিত ছিলেন বারাকপুর লোকসভা কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী অর্জুন সিংও (arjun singh)। শুভেন্দু অধিকারী ও অর্জুন সিংয়ের উপস্থিতিতে এদিন ঋষি বঙ্কিম ব্লক-১ তৃণমূল সভাপতি রানা দাশগুপ্ত এবং জগদ্দল বিধানসভা কেন্দ্রের তৃণমূলের সহ-সভাপতি শ্যামল তলাপত্র সদলবলে বিজেপিতে যোগ দিলেন।  এছাড়াও বীজপুর ও আমডাঙ্গা থেকে অনেকেই বিভিন্ন বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন। যোগদান পর্বে উপস্থিত ছিলেন জেলার সভাপতি মনোজ ব্যানার্জি, মহিলা মোর্চার রাজ্য সভানেত্রী ফাল্গুনী পাত্র, বারাকপুর (barrackpore) লোকসভা কেন্দ্রের পর্যবেক্ষক বিজয় ওঝা প্রমুখ।

    কী বললেন শুভেন্দু

    ‘‘ভোট পরবর্তী হিংসায় জাতীয় মানবাধিকার কমিশন ১৯ জন গুন্ডাকে অভিযুক্ত করেছিল। তাদের মধ্যে কেষ্ট মন্ডল, শেখ শাহজাহান, জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক এখন জেলে। কিন্তু পার্থ ভৌমিক-সহ ১৬ জন গুন্ডা এখনও জেলের বাইরে। নির্বাচন কমিশনের কাছে দাবি রাখবো, বাকি ১৬ জন গুন্ডার বিরুদ্ধে যাতে ব্যবস্থা নেওয়া হয়।’’ শুক্রবার রাতে নৈহাটির(Naihati) সিং ভবনে দলীয় কার্যালয়ে যোগদান পর্বে হাজির হয়ে এমনটাই বললেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।

    আরও চাপে তৃণমূল

    একই সঙ্গে শুভেন্দু অধিকারী এও জানান, শেখ শাহজাহান জেলে রয়েছে। এখন নারায়ণ গোস্বামী, পার্থ ভৌমিকদের মতো একাধিক নেতা জেলের বাইরে আছেন। তাদের বিরুদ্ধে লড়াই জারি থাকবে। আগামী ২০ মে ভোট রয়েছে বারাকপুরে। ফলে লোকসভা ভোটের (lok sabha vote 2024) মুখে এই যোগদানে বিজেপির শক্তি আরও বাড়াল বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল। অন্যদিকে নির্বাচনের মুখে বারাকপুর (barrackpore) শিল্পাঞ্চলে খেলা ঘুরিয়ে শাসক দল কে আরও চাপে ফেললেন বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের WhatsappTelegramFacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share