Tag: Suvendu Adhikari

Suvendu Adhikari

  • Mothabari Violence: মোথাবাড়িকাণ্ডে রয়েছে বাংলাদেশি যোগ, দাবি সুকান্তর, সংঘর্ষ নিয়ে সুর চড়ালেন শুভেন্দুও

    Mothabari Violence: মোথাবাড়িকাণ্ডে রয়েছে বাংলাদেশি যোগ, দাবি সুকান্তর, সংঘর্ষ নিয়ে সুর চড়ালেন শুভেন্দুও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মোথাবাড়ি (Mothabari Violence) নিয়ে ফের একবার রাজ্য প্রশাসনকে একযোগে আক্রমণ করলেন শুভেন্দু অধিকারী ও সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। রবিবারই মোথাবাড়িতে ঢোকার মুখে পুলিশি বাধা পান বিজেপির রাজ্য সভাপতি। এই আবহে মোথাবাড়ির গোষ্ঠী সংঘর্ষ নিয়ে বিস্ফোরক অভিযোগ শোনা গেল রাজ্য বিজেপির সভাপতি সুকান্ত মজুমদার গলায়। সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি মালদার মোথাবাড়ির ঘটনায় বাংলাদেশি যোগ থাকতে পারে বলে মন্তব্য করেন। এক্ষেত্রে তাঁর যুক্তি, ওখানে যারা অশান্তি ছড়িয়েছিল, তাদের অনেকেই এলাকার লোক নয়! অন্যদিকে, রবিবার দলীয় কর্মসূচিতে নিজের বিধানসভা নন্দীগ্রামে হাজির ছিলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। সেখানেই মোথাবাড়ি ইস্যুতে সুর চড়ান তিনি। রবিবার নন্দীগ্রাম থেকে হিন্দু ঐক্যের বার্তাও দিতে শোনা যায় বিরোধী দলনেতাকে।

    বাংলাদেশি যোগ নিয়ে বিস্ফোরক অভিযোগ সুকান্ত মজুমদারের

    এদিকে রবিবারই এক বৈদ্যুতিন সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে মোথাবাড়ি (Mothabari Violence) সম্পর্কে সুকান্ত মজুমদার বলেন, ‘‘আমি মোথাবাড়িতে স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলে জানতে পারলাম, যারা অশান্তি করেছে, তাদের মধ্যে অনেক অপরিচিত ব্যক্তি রয়েছে। ওরা কেউ স্থানীয় বাসিন্দা নয়। তাহলে কি তারা বাংলাদেশ থেকে এসে এখানে আশ্রয় নিয়েছে? ওদের ট্রেনিং দেওয়া হচ্ছে এসব করার জন্য?’’ প্রসঙ্গত, সম্প্রতি রাজনৈতিক অস্থিরতা চরমে পৌঁছেছে বাংলাদেশে। সেদেশে হিংসার ঘটনাও প্রতিদিনই খবরের শিরোনামে আসছে। এই আবহে সুকান্ত মজুমদারের এমন মন্তব্য যথেষ্ঠ তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহলের একাংশ।

    পুলিশকে জেহাদি তিতুমীর বলে কটাক্ষ সুকান্তর, দাবি সংবাদমাধ্যমের একাংশের

    প্রসঙ্গত, গতকাল রবিবার ৩০ মার্চ মোথাবাড়ি ঢোকার চেষ্টা করেন সুকান্ত। কিন্তু বিজেপির রাজ্য সভাপতিকে প্রায় ৭ কিলোমিটার আগেই আটকে দেয় পুলিশ। তখনই প্রবল বিক্ষোভে ফেটে পড়েন উপস্থিত বিজেপি নেতা-কর্মীরা। এরপরেই পুলিশকে তোপ দাগেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি। তিনি ‘জেহাদি তিতুমীর’ বলে সম্বোধন করেন পুলিশকে! এমনটাই দাবি সেখানে উপস্থিত সংবাদমাধ্যমের (Mothabari Violence) একাংশের।

    জনবিন্যাস বদলের চক্রান্ত, অভিযোগ বিজেপির রাজ্য সভাপতির

    এই আবহে ফের একবার বাংলা তথা ভারতের জনবিন্যাস বদলে দেওয়ারও অভিযোগ করেন সুকান্ত মজুমদার। তিনি বলেন, ‘‘ভারতে তো বহুদিন থেকে ডেমোগ্রাফির হাত ধরে বদল করার একটা চেষ্টা চলছে। লড়কে লিয়া পাকিস্তান, হাসকে লেঙ্গে হিন্দুস্থান – সেই সময় তো স্লোগান ছিল পাকিস্তানের! জনসংখ্যা বৃদ্ধি করব, হিন্দুরা সংখ্যালঘু হয়ে যাবে, এমনিই হিন্দুস্থান দখল হয়ে যাবে। এখন যেহেতু জনসংখ্যা বৃদ্ধি করেও হচ্ছে না, তখন অনুপ্রবেশ হচ্ছে। বাংলাদেশ থেকে এখানে লোক ঢোকানো হচ্ছে।’’

    তীব্র হবে প্রতিবাদ আন্দোলন, বললেন সুকান্ত

    মোথাবাড়ি ইস্যুতে সংবাদমাধ্যমকে সুকান্ত মজুমদার আরও বলেন, ‘‘আমি একা যেতে চাইলেও যেতে দেওয়া হয়নি। অথচ, এখানকার বিধায়ক সাবিনা ইয়াসমিনের জন্য সব রাস্তা খোলা। পুলিশ তো শাসকদলের হয়ে কাজ করে। এই যে বাঁশের ব্যারিকেড দিয়ে আটকানো হল, কী বলব আর? আমরা তিতুমীরের বাঁশের কেল্লার কথা জানি। এখনকার পুলিশ জেহাদি তিতুমীর! তাই এভাবে বাঁশের ব্যারিকেড গড়েছে। তবে আমরা এসবের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ আরও জোরদার করব। আজই আমি ঘোষণা করব পরবর্তী আন্দোলনের কথা।’’

    সুর চড়িয়েছেন শুভেন্দুও

    একইভাবে মোথাবাড়ি (Mothabari Violence) ইস্যুতে সুর চড়িয়েছেন বিরোধী দলনেতাও। সমাজমাধ্যমে নিজের প্রোফাইল পিকচার বদলে নন্দীগ্রামের বিধায়ক লেখেন, ‘তোমার বাড়ি, আমার বাড়ি মোথাবাড়ি।’ রাজনৈতিক মহলের একাংশের অনুমান, মোথাবাড়ির ঘটনার প্রতিবাদে আন্দোলন আরও জোরদার করার উদ্যোগ নিচ্ছে গেরুয়া শিবির। রবিবারই নন্দীগ্রামের সভা থেকেই মোথাবাড়ি ইস্যুতে হিন্দুদের এক হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।

    বেছে বেছে আক্রমণ করা হয়েছে, অভিযোগ শুভেন্দুর

    রবিবার নন্দীগ্রামে সমবায় সমিতির নির্বাচনে জয়ী বিজেপি প্রার্থীদের সংবর্ধনা দেন শুভেন্দু অধিকারী। সেখান থেকে তিনি বলেন, ‘‘মোথাবাড়িতে বেছে বেছে হিন্দুদের দোকানে আগুন লাগানো হয়েছে। শিবের মূর্তি লাগানো মোটরসাইকেল ভেঙেছে। হিন্দু গোয়ালাদের ছানার গাড়ি আটকেছে। নওদায় হিন্দুদের দোকানে আগুন লাগানো হয়েছে। সেখানেও হিন্দুদের প্রতিবাদ করার সুযোগ নেই, কারণ হিন্দুরা সংখ্যায় কম। এরপরও ঘুমোবেন আপনারা?’’ এই সময়ই মোথাবাড়ির ঘটনা নিয়ে হিন্দুদের জেগে ওঠার বার্তা দেন শুভেন্দু অধিকারী। একই সঙ্গে শুভেন্দু আরও বলেন, ‘‘আগে ৮৫ শতাংশ ছিলাম, এখন ৬৭ শতাংশ হয়ে গিয়েছি আমরা। এই লড়াই অস্তিত্ব রক্ষার লড়াই। এবার উঠুন, জেগে উঠুন।’’

  • Malda: মালদার মোথাবাড়িতে হিংসা, তৃণমূল সরকারকে একযোগে নিশানা শুভেন্দু-সুকান্ত-মালব্যর

    Malda: মালদার মোথাবাড়িতে হিংসা, তৃণমূল সরকারকে একযোগে নিশানা শুভেন্দু-সুকান্ত-মালব্যর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মালদার (Malda) মোথাবাড়িতে হিংসা ছড়িয়েছে বলে খবর। ইতিমধ্যে বেশ কিছু ভিডিও সমাজ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। এগুলির সত্যতা অবশ্য যাচাই করেনি মাধ্যম। এই ভিডিওগুলিতে দাবি করা হয়েছে যে উগ্র মৌলবাদী গোষ্ঠী হিন্দুদের দোকান এবং ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠানগুলিকে বেছে বেছে হামলা চালাচ্ছে। এই আবহে মোথাবাড়ি ইস্যুতে প্রতিবাদ জানিয়েছে বঙ্গ বিজেপি। এ নিয়ে সরব হয়েছেন বঙ্গ বিজেপির নেতৃত্ব (West Bengal)। মোথাবাড়ি হিংসার ঘটনায় তৃণমূল সরকারকে কাঠগড়ায় তুলেছে বিজেপি নেতৃত্ব। একযোগে মমতা সরকারের বিরুদ্ধে সংখ্যালঘু তোষণের অভিযোগ এনেছেন শুভেন্দু-সুকান্ত-মালব্য। সাংবাদিকদের সামনে দেওয়া এক বিবৃতিতে পশ্চিমবঙ্গের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী দাবি করেন, বৃহস্পতিবার বেলা ১টা নাগাদ লুট ও হিংসা শুরু করে মৌলবাদীরা।

    গ্রেটার বাংলাদেশের অভিসন্ধি ক্রমশই প্রকাশ্যে, মমতাকে তোপ সুকান্তর

    বৃহস্পতিবার সন্ধ্যাতেই একটি ভিডিও পোস্ট করেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি তথা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার। সমাজমাধ্যমে ওই ভিডিও পোস্ট করে তৃণমূল সরকারকে নিশানা করেন কেন্দ্রীয় শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী। সুকান্তর দাবি, ‘‘ব্যর্থ মুখ্যমন্ত্রী তাঁর গ্রেটার বাংলাদেশ তৈরির গোপন অভিসন্ধি ক্রমশই সফল করে তুলছেন।’’ সুকান্ত মজুমদারের ওই পোস্ট করা ভিডিওতে বেশ কিছু যুবককে ধর্মীয় পতাকা নিয়ে মিছিল করতে দেখা যাচ্ছে। তারপরেই ওই ভিডিও-তে দেখা যাচ্ছে রাস্তার পাশে দোকানের ভাঙা শেড।

    হিন্দুদের ঘরবাড়ি আক্রমণ করা হয়েছে, ভাঙচুর হয়েছে গাড়ি, দাবি সুকান্তর

    ভিডিওটি পোস্ট করে সুকান্তবাবু লিখেছেন, ‘‘তোষণসর্বস্ব ব্যর্থ পশ্চিমবঙ্গের (West Bengal) মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রাজ্যের হিন্দুদের অস্তিত্ব ক্রমশ আশঙ্কার দিকে ঠেলে দিচ্ছেন। এই ভয়াবহ ছবি আজকের দক্ষিণ মালদার মোথাবাড়ি (Malda) অঞ্চলের চৌরঙ্গী মোড়ের। এখনও পর্যন্ত কমপক্ষে হিন্দুদের ৬০-৭০ টি দোকান ভেঙে লুট করা হয়েছে, হিন্দুদের ঘরবাড়ি আক্রমণ করা হয়েছে এবং মূল রাস্তায় দখল নিয়ে যথেচ্ছাচারে গাড়ি ভাঙচুর করা হচ্ছে। এলাকার হিন্দুরা ত্রস্ত, আতঙ্কিত কিন্তু এলাকায় কোনও পুলিশের দেখা নেই! সংখ্যালঘু তোষণ করতে করতে রাজ্যের ব্যর্থ মুখ্যমন্ত্রী তাঁর গ্রেটার বাংলাদেশ তৈরির গোপন অভিসন্ধি ক্রমশই সফল করে তুলছেন। বাংলার নিপীড়িত অসহায় হিন্দুরা সম্মিলিত হয়ে এই অন্যায় তোষণ নীতির প্রতিশোধ নেবেন ২০২৬-এ।’’

    পুলিশকেও কাঠগড়ায় তুলেছেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি

    নিজের সমাজমাধ্যমের পোস্টে পশ্চিমবঙ্গ পুলিশকেও তুলোধনা করেছেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। তাঁর দাবি, মোথা বাড়িতে যখন ভয়ঙ্করভাবে হিংসা ছড়িয়েছে, তখনই পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ আশ্চর্যজনকভাবে নীরব দর্শকের ভূমিকা পালন করছে। কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রীর আরও দাবি, ‘‘এটাই হল (মালদার মোথাবাড়ি হিংসা) নির্লজ্জ তোষণের রাজনীতির মূল্য। হিন্দুদের প্রতি অত্যাচার।’’

    মোথাবাড়ির ঘটনায় পুলিশকে নিধিরাম সর্দার বলে কটাক্ষ শুভেন্দুর

    অন্যদিকে, এই ঘটনার প্রতিবাদে সরব হতে দেখা গিয়েছে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীকেও। তিনি একটি ভিডিও পোস্ট করে লিখেছেন, ‘‘তোষণবাজ মুখ্যমন্ত্রী রাজ্যের হিন্দুদের অস্তিত্ব বিপন্ন করে তুলছেন। মালদা জেলার মোথাবাড়ি (Malda) অঞ্চলে বেছে বেছে হিন্দুদের দোকানপাট ভাঙচুর ও লুট করা হয়েছে। মূল রাস্তা দখল করে জেহাদিরা যথেচ্ছাচারে কি ভাবে গাড়ি ভাঙচুর করছে দেখুন। জেহাদিদের সামনে পড়ে ‘নিধিরাম সর্দারের’ ভূমিকায় অবতীর্ণ হওয়া মমতা পুলিশ কে দেখুন, হাত জোড় করে যেনো করুণা প্রার্থনা করছে !’’

    আইনি পথেই মোকাবিলা করা হবে, বললেন বিরোধী দলনেতা

    প্রসঙ্গত, সাম্প্রতিক অতীতে গোষ্ঠী সংঘর্ষের কারণে খবরের শিরোনামে এসেছে পশ্চিমবঙ্গের একাধিক এলাকা। নিজের সমাজমাধ্যমে করা পোস্টে ওই অঞ্চলগুলির নামও তুলে ধরেন নন্দীগ্রামের বিধায়ক। এনিয়ে শুভেন্দু অধিকারী নিজের পোস্টে লিখেছেন, ‘‘তবে আমিও প্রতিজ্ঞা করলাম, এর শেষ দেখে ছাড়ব। আইনি পথে যেমন হাওড়া, শ্রীরামপুর, ডালখোলা, খিদিরপুর, রিষড়া, মোমিনপুরের জেহাদিদের বাগে এনেছি ঠিক একই ভাবে এদের কেও শিক্ষা দেবো।’’

    মমতা সরকারকে তীব্র আক্রমণ বিজেপির আইটি সেল প্রধান অমিত মালব্যর

    বিজেপি আইটি সেলের প্রধান অমিত মালব্যও নিজের সমাজমাধ্যমের পোস্টে একটি ভিডিও শেয়ার করেছেন। এই ভিডিও মোথাবাড়ির সাম্প্রদায়িক হিংসার সাথে বলে দাবি করেছেন তিনি নিজের পোস্টে। এক্স মাধ্যমে ওই ভিডিওটি পোস্ট করে মালব্য লিখেছেন, ‘‘দক্ষিণ মালদার মোথাবাড়িতে সাম্প্রদায়িক হিংসা চলছে। উগ্র মৌলবাদীরা রাস্তায় তাণ্ডব চালাচ্ছে। বেছে বেছে হিন্দু বাড়ি, দোকান এবং গাড়িতে আক্রমণ করা হচ্ছে। কিন্তু, পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় লন্ডনে ঘুরে বেড়াচ্ছেন, নিজের রাজ্যের এমন ভয়ঙ্কর ঘটনার প্রতি তিনি উদাসীন।’’

  • Suvendu Adhikari: ওবিসি সংরক্ষণের নামে কেন মুসলিমদের বাড়তি সুবিধা? প্রশ্ন শুভেন্দুর, যাচ্ছেন হাইকোর্টে

    Suvendu Adhikari: ওবিসি সংরক্ষণের নামে কেন মুসলিমদের বাড়তি সুবিধা? প্রশ্ন শুভেন্দুর, যাচ্ছেন হাইকোর্টে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ওবিসি সংরক্ষণ নিয়ে মমতা সরকারকে ফের একবার তোষণ ইস্যুতে তোপ দাগলেন শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। বুধবার তিনি এক সাংবাদিক বৈঠকে বলেন, ‘‘পশ্চিমবঙ্গ সরকার সংবিধান মেনে কাজ করছে না এবং ওবিসি সমীক্ষার নামে একটি বিশেষ সম্প্রদায়কে অতিরিক্ত সুবিধা পাইয়ে দেওয়ার চেষ্টা চালাচ্ছে।’’ এর বিরুদ্ধে তিনি হাইকোর্টে (Calcutta High Court) মামলা করবেন বলেও জানিয়েছেন। শুভেন্দু অধিকারী বলেন, ‘‘ওবিসির রি-সার্ভে করতে হলে সবার হওয়া উচিত। কিন্তু বাস্তবে দেখা যাচ্ছে, বাংলা সহায়তা কেন্দ্র, আশা কর্মী এবং আইসিডিএস কর্মীদের দিয়ে শুধুমাত্র মুসলিমদের সার্ভে করানো হচ্ছে। এমনকি ইমামদের পরামর্শ অনুযায়ী এই সমীক্ষা পরিচালিত হচ্ছে।’’ এর আগে, রাজ্যে ওবিসি সার্টিফিকেট পদ্ধতি মেনে দেওয়া হয়নি এই অভিযোগ তুলে হাইকোর্টে মামলা দায়ের হয়েছিল। সেই মামলার প্রেক্ষিতে গত বছর বিরাট রায় দেয় হাইকোর্ট। ২০১০ সালের ২২ মে পর থেকে জারি করা রাজ্যের সমস্ত ওবিসি সার্টিফিকেট বাতিল ঘোষণা করে হাইকোর্ট। এই রায়ের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয় মমতার সরকার। সেখানে এই মামলা এখন বিচারাধীন।

    মুসলিমদের বিশেষ সুবিধা দেওয়ার নামে রাজ্যের কর্মসংস্থানের সুযোগ ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে

    বুধবারের সাংবাদিক বৈঠকে শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) আরও জানান, মামলায় জাতীয় ওবিসি কমিশনকে অন্তর্ভুক্ত করার আবেদনও আদালতে জানানো হবে। বিরোধী দলনেতার মতে, এই বিষয়টি স্বচ্ছতার সঙ্গে তদন্ত করা দরকার। শুভেন্দু অধিকারীর মতে, রাজ্যে সীমিত কর্মসংস্থানের সুযোগ রয়েছে, তবে ওবিসি সংরক্ষণের জটিলতার কারণে তা আরও বাধাগ্রস্ত হয়েছে। বিরোধী দলনেতার কথায়, ‘‘ওবিসিতে মুসলিমদের বিশেষ সুবিধা দেওয়ার নামে রাজ্যের কর্মসংস্থানের সুযোগ ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে। শুধু চাকরি নয়, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানেও ভর্তির ক্ষেত্রে সমস্যা তৈরি হচ্ছে। এর ফলে হিন্দু ওবিসিরা আরও বেশি ক্ষতির মুখে পড়ছে।’’

    মুসলিম জনগোষ্ঠীকে বিপথে চালিত করেছেন মুখ্যমন্ত্রী

    এই বিষয়ে রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে আরও আক্রমণ শানিয়ে শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) বলেন, ‘‘রামনবমীর পর রাজ্যজুড়ে হিন্দু ওবিসিদের বাঁচাও কর্মসূচি পালন করা হবে। সরকার শুধু সার্টিফিকেট দিচ্ছে, কিন্তু চাকরি দিচ্ছে না। ধর্মীয় মেরুকরণের মাধ্যমে তুষ্টিকরণের রাজনীতি করছে। এজন্যই আমরা এই সরকারকে ‘মুসলিম লিগ-২’ বলে থাকি!’’ বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) মমতা সরকারের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ এনে বলেন, ‘‘মুসলিম জনগোষ্ঠীকে বিপথে চালিত করেছেন উনি, তাঁদের ভুল বুঝিয়েছেন, তাঁরা জেনারেল ক্যাটাগরিতে তাঁদের যে শিক্ষিত যুবক-যুবতীরা আছে, মেধা নিয়ে লড়াই করতে পারত, যাদের মেধা আছে, শিক্ষা আছে, তাঁদেরকে মমতা বন্দ্য়োপাধ্যায় ভোট ব্যাঙ্কের রাজনীতির স্বার্থে ললিপপ ধরিয়েছিলেন। একটা বিশেষ সম্প্রদায়কে ভুল বুঝিয়ে, তাদের শিক্ষা, স্বাস্থ্য়, কর্মসংস্থান না দিয়ে, শুধুমাত্র ধর্মীয় মেরুকরণের ভিত্তিতে সাম্প্রদায়িক রাজনীতি করে, তুষ্টিকরণ করছেন, এটা তার সবচেয়ে বড় প্রমাণ।’’

  • BJP: তৃণমূল নেতার অভিযোগে হিন্দুদের নাম বাদ ভোটার তালিকা থেকে! একযোগে আক্রমণ মালব্য-শুভেন্দু-সুকান্তর

    BJP: তৃণমূল নেতার অভিযোগে হিন্দুদের নাম বাদ ভোটার তালিকা থেকে! একযোগে আক্রমণ মালব্য-শুভেন্দু-সুকান্তর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বছর ঘুরলেই রাজ্যে রয়েছে বিধানসভা ভোট। তার আগে ভুয়ো ভোটার ইস্যুতে সরগরম বাংলার রাজনীতি। এনিয়ে তৃণমূলের বিরুদ্ধে একযোগে বিস্ফোরক অভিযোগ এনেছেন গেরুয়া শিবিরের তিন নেতা মালব্য-শুভেন্দু-সুকান্ত। বিজেপি (BJP) নেতৃত্বের অভিযোগ, বাংলার ভোটার তালিকা থেকে হিন্দু নাম বাদ দিয়ে বাংলাদেশি ও রোহিঙ্গাদের নাম যুক্ত করছে তৃণমূল। এনিয়ে কৃষ্ণনগরের ঘটনা তুলে ধরেছেন বিজেপি নেতৃত্ব। তাঁদের দাবি,  ওই এলাকায় স্থানীয় তৃণমূল নেতা আব্দুল রহমান শেখের নির্দেশে হিন্দুদের নাম ভোটার তালিকা থেকে বেছে বেছে বাদ দিচ্ছে তৃণমূল।

    তৃণমূল সরকারের (TMC) বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ অমিতের মালব্যর

    মঙ্গলবার সকালে নিজের এক্স হ্যান্ডেলে (পূর্বে টুইটার) একটি পোস্ট করেন বিজেপি (BJP) নেতা অমিত মালব্য। তিনি লেখেন, ‘‘তৃণমূল সরকার পশ্চিমবঙ্গের ভোটার তালিকা থেকে হিন্দু নাম বাদ দিয়ে বাংলাদেশি ও রোহিঙ্গাদের নাম যুক্ত করছে।’’ এক্ষেত্রে অমিত মালব্য সীমান্ত অঞ্চলের কথা তুলে ধরেন। তাঁর দাবি, বিজেপি যে স্থানগুলিতে শক্তিশালী সেখানেই এমনটা করছে প্রশাসন। অমিত মালব্য লেখেন, ‘‘নদিয়া, যেখানে বিজেপির সংগঠন শক্ত, সেখানে আব্দুল রহমান শেখের থেকে একটি অনুরোধ পেয়ে ব্লক ডেভেলপমেন্ট অফিসার (বিডিও) সেদিনই ভোটার তালিকা থেকে ৯৮ জন হিন্দুর নাম বাদ দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু করে দেন।’’ তাঁর নিজের দাবির স্বপক্ষে অর্ডারের ছবিও পোস্ট করেন বিজেপির আইটি সেলের প্রধান। অমিত মালব্যর আরও দাবি, ‘‘মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশে এই কার্যকলাপ চলছে। ভোটার তালিকা তৈরির ক্ষেত্রে বিডিও-রা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। এদিকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানেন মুসলিমরা তাঁকে ব্যাপকভাবে রাজ্যে ভোট দেয়। হিন্দুদের ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত করার এটি একটি ইচ্ছাকৃত প্রচেষ্টা।’’

    সরব হয়েছেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীও

    এই ইস্যুতে সরব হয়েছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীও। সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে শুভেন্দু অধিকারী বলেন, ‘‘আবদুর রহিম শেখ তিনি নাকি তৃণমূলের ব্লক প্রেসিডেন্ট, না কী নেতা আছেন! তিনি টুসি ঠাকুর, অমিত কুমার ঘোষ, কৃষ্ণা ঘোষ, কমলা মণ্ডল, সবিতারানি সরকার এই ভাবে একা ৯৭টা নাম নিয়ে অভিযোগ করেছেন। প্রথমত, এভাবে অভিযোগ করা যায় না। আমরা নির্বাচন কমিশনকে বলব, অবিলম্বে কৃষ্ণনগরের বিডিওকে বহিষ্কার করতে। আমরা পরিষ্কার বলতে চাই, সাদা কাগজে দরখাস্ত দিলে যদি বিডিও তার তদন্ত করেন এবং এই হিন্দু ভোটারদের ডিস্টার্ব করেন, তাহলে আমরা এই বিডিওকে সাসপেন্ড করার জন্য বলব। কারণ, এই কাজটা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রশাসনের কাজ নয়। এটা ইসিআইয়ের কাজ। বিডিও তাঁর লিমিটেশন ক্রস করছেন। এটা হচ্ছে মুখ্যসচিব মনোজ পন্থের নির্দেশে। আমরা কৃষ্ণনগর-২ ব্লকের এই ৯৮ জনকে নিয়ে ধর্নাও দেব, কোর্টেও যাব। এই বিডিওর বিরুদ্ধে যা ব্যবস্থা নেওয়ার আমরা নেব। এই ৯৮ জনকে আবেদন করব, রেসপন্স করবেন না। এটা যথার্থ ফর্ম নয়।’’

    পরিকল্পনা করে নাম বাদ দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ সুকান্তর

    বিজেপির (BJP) রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদারের দাবি, রীতিমতো পরিকল্পনা করে হিন্দুদের নাম ভোটার তালিকা থেকে দেওয়া হচ্ছে। একইসঙ্গে রোহিঙ্গা ও বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীদের নাম ঢোকানো হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি। এক্ষেত্রে সুকান্ত মজুমদার ছবি সহ প্রমাণও তুলে ধরেন। তৃণমূল কংগ্রেস ও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে বড়সড় চক্রান্তের অভিযোগ আনেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি। তাঁর কথায় উঠে আসে, কৃষ্ণনগরের ঘটনা। পরিকল্পনা করে সীমান্তবর্তী জেলা থেকে হিন্দুদের নাম বাদ দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করেন সুকান্ত। এনিয়ে শাহি দরবারে অভিযোগও জানিয়েছেন সুকান্ত মজুমদার। সুকান্ত মজুমদারের দাবি, বেশ কিছু হিন্দু ভোটারদের কাছে নট ইন্ডিয়ান বলে নোটিশ পাঠানো হয়েছে। তাঁদের বলা হয়েছে যে দেশের নাগরিক হিসেবে প্রমাণ দিতে হবে তাঁদের। কিন্তু এবার একসঙ্গে একটা বড় অভিযোগ আনলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। তাঁর দাবি, পশ্চিমবঙ্গকে ‘গ্রেটার বাংলাদেশ’ করে তুলতে কোনও খামতি রাখছে না মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন তৃণমূল কংগ্রেস সরকার। একদিকে যেমন হিন্দুদের নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হচ্ছে, তেমনি বাংলাদেশের মুসলিম অনুপ্রবেশকারীদের নাম ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

    ‘গ্রেটার বাংলাদেশ’ বানানোর চক্রান্ত

    সুকান্তর দাবি, পশ্চিমবঙ্গকে ‘গ্রেটার বাংলাদেশ’ তৈরির চেষ্টা করছে তৃণমূল। নিজের পোস্টে তিনি লিখেছেন, ‘‘বাংলাকে গ্রেটার বাংলাদেশ বানানোর স্বপ্ন দেখা রাজ্যের শাসক দল তৃণমূলের আরও মারাত্মক একটি চক্রান্ত। বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারী মুসলিমদের পশ্চিমবঙ্গের ভোটার তালিকায় সংযুক্ত করা হয়েছে।’’ তাঁর দাবি, ‘‘বাংলাদেশের যশোর জেলার চৌগাছা অঞ্চলের বাসিন্দা শহিদুল বিশ্বাস, তার নাম রয়েছে বাগদা বিধানসভা কেন্দ্রের ভোটার তালিকায়।’’ সুকান্তর মতে, ‘‘শুধু একজন শহিদুল নয়, গোটা পশ্চিমবঙ্গে এমন লক্ষ লক্ষ অনুপ্রবেশকারীদের সম্মানের সঙ্গে ভোটার তালিকায় সংযোজিত করেছে তৃণমূল।’’

  • Sukanta Majumdar: ‘‘ভোটার তালিকায় বেছে বেছে হিন্দু নাম বাদ দিচ্ছে তৃণমূল’’, শাহকে অভিযোগ সুকান্তর

    Sukanta Majumdar: ‘‘ভোটার তালিকায় বেছে বেছে হিন্দু নাম বাদ দিচ্ছে তৃণমূল’’, শাহকে অভিযোগ সুকান্তর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোটার তালিকায় বেছে বেছে হিন্দু নাম বাদ দিচ্ছে তৃণমূল। পশ্চিমবঙ্গের পরিস্থিতি নিয়ে গতকাল সোমবারই বঙ্গ বিজেপির সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) ফের সাক্ষাৎ করলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের (Amit Shah) সঙ্গে। বৈঠকে হিন্দু ভোটারদের নাম বাদ দেওয়ার কথা তুলে ধরেন সুকান্ত। এদিনই একই অভিযোগ তুলে কলকাতায় দলের দুই সাধারণ সম্পাদক জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায় ও দীপক বর্মন পাশে বসিয়ে সাংবাদিক বৈঠক করেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।

    বিজেপির দাবি

    বিজেপির দাবি, উত্তর চব্বিশ পরগনার বাগদা এবং নদিয়ার কৃষ্ণনগর-২ ব্লকে বেছে বেছে হিন্দু ভোটারদের নাম ভোটার তালিকা থেকে তৃণমূল বাদ দিতে চাইছে। এই ইস্যুতে সোমবার সকাল থেকেই অভিযোগ তোলে গেরুয়া শিবির। ধর্মীয় কারণে অত্যাচারের শিকার হয়ে বাংলাদেশ থেকে আগত উদ্বাস্তুদের ভোটার তালিকা থেকে বাদ দেওয়ার চেষ্টা হচ্ছে বলে দাবি করেছে বিজেপি। সূত্র মারফত জানা গিয়েছে, অমিত শাহের সঙ্গে দেখা করে সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) এই বিষয়টিই জানিয়ে এসেছেন।

    সাংবাদিকদের কী বললেন শুভেন্দু?

    সোমবার বিকালে দলীয় অফিসে সাংবাদিক সম্মেলনে শুভেন্দু বলেন, ‘‘তৃণমূল যে অভিযোগ বিডিওদের কাছে জানিয়েছে, তার জন্য ফর্ম ৭ পূরণ করতে হয়। তা না করে সাদা কাগজে তৃণমূলের ব্লক সভাপতি অভিযোগ জমা দিয়েছেন। সেই অভিযোগ গ্রাহ্যই হওয়া উচিত নয়। তাও বিডিও ওই অভিযোগ গ্রহণ করেছেন।’’ শুভেন্দুর আরও দাবি, ‘‘আইন অনুযায়ী, কোনও ভোটারের বিরুদ্ধে এই রকম অভিযোগ যিনি তুলছেন, অভিযোগের পক্ষে প্রমাণ দেওয়ার দায়িত্বও তাঁরই। কিন্তু বিডিও সে আইন মানছেন না। যাঁদের নামে অভিযোগ করা হয়েছে, তাঁদেরকেই চিঠি পাঠিয়ে বিডিও বলছেন, আপনারা প্রমাণ দিন যে, আপনারা বাংলাদেশি নন।’’

    কী বলছেন সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)?

    সুকান্ত মজুমদারের (Sukanta Majumdar) মন্তব্য, ‘‘তৃণমূল কংগ্রেস মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশে নতুন এক ষড়যন্ত্র শুরু করেছে। নদিয়া সহ বিভিন্ন জেলায় এই ধরনের নোটিস হিন্দুদের পাঠানো হচ্ছে। সেখানে বলা হচ্ছে তাঁরা ভারতের নাগরিক নয়। এও বলা হচ্ছে, ওই সকল হিন্দুদের প্রমাণ করতে হবে তাঁরা ভারতের নাগরিক। এই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এক বলেছিলেন বাংলায় যাঁরা বাস করেন তাঁরা সকলেই ভারতের নাগরিক। সিএএ-তে আবেদন করতে দেননি। বলেছিলেন, সিএএ-তে আবেদন করলে নাগরিকত্ব চলে যাবে। এখন তিনি এই ফাঁদে ফেলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রশাসনের বিডিও নোটিস পাচ্ছে হিন্দুদের যে তাঁরা ভারতের নাগরিক নন। ভোটার লিস্ট থেকে নাম কেটে বাদ দেওয়া হল।’’

  • Suvendu Adhikari: বিজেপি ক্ষমতায় এলে মহিলারা মাসে পাবেন ৩ হাজার, বড় ঘোষণা শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: বিজেপি ক্ষমতায় এলে মহিলারা মাসে পাবেন ৩ হাজার, বড় ঘোষণা শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি (Bengal BJP) ক্ষমতায় এলে মহিলাদের মাসে ৩ হাজার টাকা করে দেওয়া হবে। রবিবার হলদিয়াতে এমনই আশ্বাস দিলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। এছাড়াও ২০০ ইউনিট ফ্রি বিদ্যুত্‍ দেওয়া হবে বলেও জানিয়েছেন নন্দীগ্রামের বিধায়ক। প্রসঙ্গত, বিজেপি শাসিত একাধিক রাজ্যে মহিলাদের মাসে ভাতা দেওয়ার প্রকল্প চালু রয়েছে। সেটাকেই কাজে লাগাতে চায় বিজেপি। এদিন লক্ষ্মীর ভাণ্ডার নিয়েও মন্তব্য করতে শোনা যায় শুভেন্দু অধিকারীকে। তিনি বলেন, ‘‘২০২৬ সালে বাংলায় ক্ষমতায় এলে মায়েদের – দিদিদের – বোনেদের ১ হাজার টাকা নয়, ৩ হাজার টাকা দেবে বিজেপি।’’

    প্রতিবছরই হবে নিয়োগ ঘোষণা করলেন শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)

    সম্প্রতি, তৃণমূলে যোগ দিয়েছেন হলদিয়ার বিজেপি বিধায়ক তাপসী মণ্ডল। রবিবার হলদিয়াতেই জনসভা করেন নন্দীগ্রামের বিধায়ক। সেখান থেকেই শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) বললেন, ক্ষমতায় এলে তাঁরা কী কী করতে চান। একইসঙ্গে বিজেপি ক্ষমতায় এলে হাতে-পায়ে ধরে টাটাকে রাজ্যে ফেরানো হবে বলেও ঘোষণা করেন শুভেন্দু। এর পাশাপাশি, নন্দীগ্রামের বিধায়ক বলেন, ‘‘২০০ ইউনিট বিদ্যুত ফ্রি দেওয়া হবে। এক লক্ষ নয়, তিন লক্ষ বাড়ি দেবে বিজেপি সরকার। প্রতি বছরই এসএসসি নিয়োগ হবে। সব জেলাতেই প্রাইমারি পরীক্ষা হবে।’’

    হিন্দুরা শুধু বাড়ি থেকে বের হন

    এর পাশাপাশি, এদিন বিরোধী দলনেতা (Bengal BJP) আবারও জোর দেন হিন্দু ভোটের দিকে। শুভেন্দু অধিকারীর (Suvendu Adhikari) সাফ কথা, হিন্দুরা একটু দয়া করলেই রাজ্যে সরকার বদলে যাবে। আবার সব হিন্দু ভোট দিতে যান না বলেও আক্ষেপ শোনা যায়  বিরোধী দলনেতার গলায়। এদিন তিনি বলেন, ‘‘সিপিএম লড়ছে। কিন্তু পারছে না। ৩০ শতাংশ হিন্দু ভোট দিতে যায় না। ৬৫ থেকে ৬৮ শতাংশ হিন্দু ভোট দিতে যায়। আপনারা শুধু বাড়ি থেকে বেরোবেন। তারপর কী করতে হয়, আপনারা জানেন। একটু দয়া করবেন, উল্টে দেব আমরা।’’

  • Suvendu Adhikari: ‘‘কোনও সনাতনী মমতাকে ভোট দিতে পারে না’’, হলদিয়ায় তোপ শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: ‘‘কোনও সনাতনী মমতাকে ভোট দিতে পারে না’’, হলদিয়ায় তোপ শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দলবদল করেছেন বিধায়ক তাপসী মণ্ডল। এই আবহে হলদিয়াতে গিয়ে হুঙ্কার দিলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। এর পাশাপাশি একহাত নিলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কেও। বিরোধী দলনেতা বলেন, ‘‘কোনও সনাতনী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ভোট দিতে পারে না, পারে না, পারে না….সরস্বতী পুজো, মহকুম্ভকে মৃত্যু কুম্ভ বলার পর কেউ ভোট দেবে না। মানুষ প্রস্তুত এই রাজ্য মোদীজির হাতে তুলে দেওয়ার জন্য।’’ শুভেন্দ অধিকারী বলেন, ‘‘ক্ষমতায় এলে বিজেপি মায়েদের ৩০০০ টাকা দেবে। যার মধ্যে ২০০ ইউনিট বিদ্যুত ফ্রি। এক লক্ষ টাকার নয় বরং তিন লক্ষের বাড়ি দেবে। প্রতিবছর এসএসসি হবে, সব জেলাতেই প্রাইমারি পরীক্ষা হবে। হাতে পায়ে ধরে টাটাকে ফিরিয়ে আনা হবে।’’

    এই বাংলাও বাংলাদেশ হবে

    শুভেন্দুর (Suvendu Adhikari) কণ্ঠে এদিন উঠে আসে বাংলাদেশ ইস্যু। তিনি বলেন, ‘‘বাংলাদেশে হিন্দুদের উপর অত্যাচার হচ্ছে। এখনও যদি ঐক্যবদ্ধ না হন তাহলে এই বাংলাও বাংলাদেশ হবে। ২৬-এ যদি তৃণমূল যদি লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের লোভ দেখিয়ে, মুসলিমদের জুটিয়ে আমাদের কিছু হিন্দুকে এদিক-ওদিক করে জিতে যায়। তাহলে একই অবস্থা এই অবস্থা হবে। জাত-পাত-রাজনীতি দূরে সরিয়ে রাখো।’’

    ঝাঁটা গেছে একেও ঝেঁটিয়ে বিদায় করতে হবে

    মমতাকে তো দেগে শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) বলেন, ‘‘অরবিন্দ কেজরিবাল যেমন দিল্লিতে একটার সঙ্গে একটা মদ ফ্রি করেন। তেমন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বারের লাইসেন্স দিয়ে মদময় করেছেন মমতা। মদের প্রভাব যদি কারও উপর পড়ে তাহলে নারীদের উপর। ঝাঁটা গেছে একেও ঝেঁটিয়ে বিদায় করতে হবে। আমরা পুরো সাংগঠনিক জেলা ডাকিনি (Haldia)। আজ প্রচুর মানুষ এসেছেন। সবাই একাট্টা হয়েছেন।’’

    শুধু বাড়ি থেকে বের হবেন

    শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) বলেন,‘‘২০১৯-এ ভোট পড়েছে ৬১ শতাংশ। এবার পড়েছে ৬৬ শতাংশ। দিল্লিতে ১০ শতাংশ লোক বাড়তি বাড়ি থেকে বেরিয়েছে। তাতেই ঝাঁটা সাফ। শুধু বাড়ি থেকে বেরবেন। তারপর কী করতে হয় আপনারা জানেন। আমার বলার দরকার নেই। শুধু ডায়মন্ড হারবারেই ১০ লক্ষ ছাপ্পা আছে। কেশপুরেও ছাপ্পা আছে। এখানেও আছে ১৫ নম্বর ওয়ার্ডে ছাপ্পা আছে। এখানে অভিজিৎবাবুকে ঢুকতে দেয়নি। একটা বিশেষ সম্প্রদায়ের লোক।’’

  • Suvendu Adhikari: রামনবমী নিয়ে চড়ছে পারদ! ‘‘ক্ষমতা থাকলে আটকান’’, মমতাকে চ্যালেঞ্জ শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: রামনবমী নিয়ে চড়ছে পারদ! ‘‘ক্ষমতা থাকলে আটকান’’, মমতাকে চ্যালেঞ্জ শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রামনবমী পালন নিয়ে চড়ছে বঙ্গ রাজনীতির পারদ। এবার হুঁশিয়ারির সুরে মুখ্যমন্ত্রীকে চ্যালেঞ্জ করলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। রামনবমী (Ram Navami) পালনের প্রসঙ্গ তুলে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিশানা করেন তিনি বলেন, ‘‘মুখ্যমন্ত্রীর কাছে জয় শ্রীরাম গালি!’’ একইসঙ্গে প্রশাসনের উদ্দেশ্যে হুঁশিয়ারির সুরে তিনি বলেন, ‘‘আমরা রাস্তায় থাকব। পিছনে থাকবে লাখ হিন্দু ভক্ত জনতা। পারলে আটকে নিন। ক্ষমতা থাকে তো আটকে নিন। হিন্দুস্তান মে হিন্দুই রাজ করেগা। যো হিন্দু হিত মে কাজ করেগা ওই হি আগলে দিন বাঙ্গাল মে রাজ করেগা।’’

    মমতাকে নিশানা শুভেন্দু অধিকারীর (Suvendu Adhikari)

    প্রসঙ্গত, ২০১৯ সালের লোকসভা ভোটের পরবর্তীকালে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে উদ্দেশে জয় শ্রী রাম স্লোগান দেন কিছু যুবক। তারপরেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় গাড়ি থেকে নেমে বলেন, তাঁকে গালি দেওয়া হচ্ছে। মঙ্গলবার নিজের বক্তব্যে সেই ঘটনার কথাও তুলে ধরেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। তিনি বলেন, ‘‘২০২৩ সালে রামনবমীর মিছিলে হামলা হয়। এই ঘটনায় আমার দায়ের করা মামলায় এনআইএ তদন্ত শুরু হয়। এই সময় উস্কানি আসে রাজ্যের শাসক দল পুলিশ ও মুখ্যমন্ত্রীর দিক থেকে। মুখ্যমন্ত্রীর কাছে জয় শ্রীরাম হল গালি। যোগেশচন্দ্র, হরিণঘাটায় সরস্বতী পুজোয় বাধা দেওয়া হয়েছে। দোলপূর্ণিমায় সাঁইথিয়ায় ইন্টারনেট সার্ভিস বন্ধ করা হয়েছে।’’

    প্রশাসন হয়রানি করছে বলেও অভিযোগ তোলেন শুভেন্দু (Suvendu Adhikari)

    রামনবমীর (Ram Navami) পালন নিয়ে প্রশাসন হয়রানি করছে বলেও অভিযোগ তোলেন নন্দীগ্রামের বিধায়ক। এদিন শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) রামনবমীর উদ্যোক্তাদের উদ্দেশে বলেন, ‘‘সবাইকে আবেদন করব, আপনারা প্রোটোকল মেনে, গত বছরের অনুমতির কাগজ সহ, পুলিশকে দেবেন। নতুন করে কোনও মমতা পুলিশের পাঠানো প্রোফর্মা ফিলাপ করবেন না। আমি রাজ্যের বিরোধী দলনেতা, ২ কোটি ৩৩ লক্ষ ২৭ হাজার লোককে প্রতিনিধিত্ব করি। আমি এবং আমাদের বিজেপি এমএলএ-রা আপনাদের সম্পূর্ণভাবে আইনি সুরক্ষা দেব। আপনারা কেউ নতুন প্রোফর্মা ফিলাপ করবেন না। গত বছরে যা হয়েছিল, একইভাবে এবারে উৎসব পালন করা হবে।’’ শুভেন্দু অধিকারীর সাফ কথা, ‘‘ প্রোফর্মাতে কমিটির নাম, পুজোর স্থান, সেক্রেটারি ও প্রেসিডেন্টের নাম ও মোবাইল নম্বর, শোভাযাত্রা হবে কিনা, হলে যাত্রাপথ জানতে চাইছে। একইসঙ্গে বলছে ওই রুটে অন্য ধর্মের কোনও প্রতিষ্ঠান আছে কিনা, মুসলিম মহল্লার নাম, পুলিশ চাইছে।’’

    পুজো আয়োজকদের মধ্যে ঝামেলা কারা করতে পারে? জানতে চাইছে পুলিশ

    এখানেই না থেমে আশঙ্কার কথা জানিয়ে শুভেন্দু আরও বলেন, ‘‘জমায়েতের বিষয়ে জানতে চাইছে। একইসঙ্গে ওই পুজোতে কারা গন্ডোগোল-ঝামেলা করতে পারে তাঁদের নাম ও ফোন নম্বর চাইছে। মানে পুজোর আয়োজকদের মধ্যে যাঁরা ঝামেলা করতে পারে তাঁদের নাম-ফোন নম্বর চাইছে। একইসঙ্গে পুজোতে প্রধান কন্ট্রোলার ব্যক্তি ও পুলিশ ফ্রেন্ডদের নাম ও মোবাইল নম্বর চাইছে।’’ এরপরই পুলিশের উদ্দেশ্যে তাঁর বার্তা, ‘‘পুলিশকে হুঁশিয়ারি দিয়ে বলছি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বুদ্ধিতে যদি পড়েন তাহলে খেসারত আপনাকে দিতে হবে।’’

    রামনবমী আটকাতে পারবেন না মমতা

    একইসঙ্গে মমতা সরকারকে হুঁশিয়ারি দিয়ে শুভেন্দু অধিকারী বলেন, ‘‘মিছিলের সংখ্যা এতটাই হবে, গোটা রাজ্যের পুলিশ-সিভিক ভলান্টিয়ারকে কাজে লাগিয়েও আটকাতে পারবেন না’’ তিনি আরও বলেন, ‘‘মহাকুম্ভে ৬৬ কোটি মানুষ স্নান করেছেন। সবাইকে নিয়ে শান্তিপূর্ণভাবে রামনবমী পালন করুন। এবার মিছিলের সংখ্যা এতটাই হবে, গোটা রাজ্যের পুলিশ-সিভিক ভলান্টিয়ারকে কাজে লাগিয়েও আটকাতে পারবেন না। প্রত্যেকে রাস্তায় থাকব, রামনবমীর মিছিলে সামিল হব। হাওড়ায় শ্যামপুরে ৭ এপ্রিল মিছিল করব, ক্ষমতা থাকে আটকান। যাঁরা হিন্দুদের পাশে দাঁড়াবে, তাঁরাই চেয়ারে থাকবে।’’

    রামনবমী ঘিরে চড়ছে বঙ্গ রাজনীতির পারদ

    বছর ঘুরলেই বঙ্গে ভোট। এই আবহে তোষণের রাজনীতির ইস্যুতে মমতা সরকারকে নিশানা শুরু করেছে বিজেপি। এপ্রিল মাসে রয়েছে রামনবমী। এমন সময় রাজ্যজুড়ে বিজেপির দেওয়াল লিখনও দেখা যাচ্ছে হিন্দুত্ব ইস্যুতে। বিজেপির ‘হিন্দু হিন্দু ভাই ভাই’ পোস্টারে ছেয়ে গিয়েছে চারিদিক। পাল্টা পোস্টারেই কটাক্ষবাণ শানিয়েছে রাজ্যের শাসকদলও। এই আবহে রামনবমী ঘিরে ক্রমশই চড়ছে উত্তেজনার পারদ। মঙ্গলবারের সাংবাদিক বৈঠকে দফায় দফায় রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কেও কাঠগড়ায় তোলেন শুভেন্দু অধিকারী। আক্রমণের ধার বাড়িয়ে তিনি বলেন, ‘‘রামনবমী (Ram Navami) নতুন করে পালনের ব্যাপার নেই। অনেকদিন থেকেই পালন হচ্ছে। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী এর আগে অনেকবারই রাম নবমীর উৎসবে পুলিশ দিয়ে বাধা দিয়েছেন। কোর্টে যেতে হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী দু’বার জয় শ্রীরাম ধ্বনিকে অপশব্দ বা খারাপ শব্দ হিসাবে চিহ্নিত করেছেন।’’

  • BJP: শুভেন্দুর গড়ে তৃণমূলের ভরাডুবি, মহিষাদলের সমবায়ে প্রথম ক্ষমতায় ফিরল বিজেপি

    BJP: শুভেন্দুর গড়ে তৃণমূলের ভরাডুবি, মহিষাদলের সমবায়ে প্রথম ক্ষমতায় ফিরল বিজেপি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিধানসভা উপনির্বাচনের ফল নিয়ে যখন চুলচেরা বিশ্লেষণ চলছে, ভালো ফল করায় তৃণমূল কর্মীরা উল্লসিত, সেই সময় ফের শুভেন্দুর গড়ে ধাক্কা খেল তৃণমূল। বিধানসভা উপনির্বাচনে রাজ্যে ছয়ে ছক্কা হাঁকালেও, পূর্ব মেদিনীপুরে সমবায় নির্বাচনে বিজেপির (BJP) কাছে ধরাশায়ী হল তৃণমূল। সমবায় হাতছাড়া হল রাজ্যের শাসকদলের। এই জয়ে স্বাভাবিকভাবে উচ্ছ্বসিত বিজেপির নেতা-কর্মীরা। তাদের বক্তব্য, উপনির্বাচনে রাজ্যে তৃণমূল কীভাবে ভোট করেছে তা সকলেই জানেন। তাই, এই ফল নিয়ে কেউ বেশি আগ্রহী নয়। কিন্তু, এতদিন পর এই সমবায়ে বিজেপি আসায় বোঝা যাচ্ছে মানুষ প্রকৃত অর্থে বিজেপির সঙ্গে রয়েছে।

    বিজেপি কত আসন পেয়েছে?(BJP)

    রবিবার পূর্ব মেদিনীপুরের মহিষাদলের ঝাউপাথরা সমবায় সমিতির নির্বাচন হয়। মোট ৫২টি আসনে লড়াই করেন বিজেপি (BJP) ও তৃণমূল সমর্থিত প্রার্থীরা। তার মধ্যে ৩৬টি আসনে জয়ী হয়েছেন বিজেপি সমর্থিত প্রার্থীরা। তৃণমূল সমর্থিত প্রার্থীরা জয়ী হয়েছেন ১৬টি আসনে। ১টি আসনে টাই হয়। পরে সেটিতেও জয়লাভ করে বিজেপি। ফলে ৩৭টি আসনে জয়ী হয়ে সমবায়ের দখল নিয়েছেন বিজেপি সমর্থিত প্রার্থীরা। এই প্রথম সমবায়ের ক্ষমতা দখল করল বিজেপি। জয়ের আনন্দে মেতেছেন বিজেপির কর্মী -সমর্থকরা।

    আরও পড়ুন: যোগীরাজ্যে ৬৫ শতাংশ মুসলিম অধ্যুষিত আসনে লক্ষাধিক ভোটে জয়ী বিজেপির হিন্দু প্রার্থী

    শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা

    বিজেপির (BJP) পূর্ব মেদিনীপুর জেলা সহ সভাপতি বিশ্বনাথ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “উপনির্বাচনে কী ভাবে ভোট হয়েছে, তা সবাই জানে। তাই তার ফলকে মাপকাঠি করে অন্য নির্বাচনের পূর্বাভাস করা ঠিক হবে না। এই নির্বাচনকেও তৃণমূল প্রভাবিত করার চেষ্টা করেছে। ঝাউপাথরা সমবায়কে দীর্ঘদিন ধরে তৃণমূল বিকলাঙ্গ করে রেখেছিল। এখন ভারতীয় জনতা পার্টি সমবায় দখল করেছে। আমরা সমবায়কে সক্রিয় করে প্রান্তিক কৃষকের স্বার্থে কাজ করব”। তৃণমূল বিধায়ক তিলক চক্রবর্তী বলেন, “এই সমবায়ে দীর্ঘদিন নির্বাচন হয়নি। তাছাড়া সমবায় নির্বাচনে সদস্যরা ভোট দেন। সদস্যরা যে রাজনৈতিক দলের সদস্য তার পক্ষেই ভোট দেন। সমবায় নির্বাচনের ফল নিয়ে আমরা চিন্তিত নই।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: ‘‘ছাপ্পা ভোট দিয়ে জেতানো বিধায়কদের শপথে থাকবে না বিজেপি ’’, সাফ জানিয়ে দিলেন শুভেন্দু

    Suvendu Adhikari: ‘‘ছাপ্পা ভোট দিয়ে জেতানো বিধায়কদের শপথে থাকবে না বিজেপি ’’, সাফ জানিয়ে দিলেন শুভেন্দু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ছাপ্পা ভোট দিয়ে জেতানো বিধায়কদের শপথে থাকবে না বিজেপি’, উপনির্বাচনে ফল নিয়ে প্রশ্নের উত্তরে সাফ জানিয়ে দিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। সোমবার তিনি (Suvendu Adhikari) বলেন, “ছাপ্পা মারা আর পুলিশ দিয়ে জেতানো বিধায়কদের শপথে বিজেপি থাকে না। উপনির্বাচনে কী হয়, পশ্চিমবাংলায় মানুষ জানে।”

    ওয়াকফ বিল নিয়ে কী বললেন বিরোধী দলনেতা? (Suvendu Adhikari)

    এবারের শীতকালীন অধিবেশনেই ওয়াকফ বিল লোকসভায় আনতে চলেছে কেন্দ্রীয় সরকার। তাই নিয়ে তৃণমূলের তরফে প্রতিবাদ জানানো হয়েছে। কলকাতায় তৃণমূলের সংখ্যালঘু সেল সভাও করবে বলে জানা গিয়েছে। এই সব বিষয়ে সরব হলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। তৃণমূলকে তুলোধনা করলেন তিনি। শুভেন্দু বলেন, জয়েন্ট পার্লামেন্টরি কমিটি রিপোর্ট দেওয়া না পর্যন্ত কারোরই কিছু বলা উচিত নয়। এদিন বিধানসভার বাইরে সাংবাদিকের প্রশ্নের উত্তর দেন শুভেন্দু। তিনি (Suvendu Adhikari) বলেন, “ওয়াকফ জয়েন্ট পার্লামেন্টরি কমিটির বিবেচনাধীন রয়েছে বিষয়টি। তারা রিপোর্ট জমা না দিলে আগেভাগে কারোরই কিছু বলা উচিত নয়।”

    আরও পড়ুন: যোগীরাজ্যে ৬৫ শতাংশ মুসলিম অধ্যুষিত আসনে লক্ষাধিক ভোটে জয়ী বিজেপির হিন্দু প্রার্থী

    সরব তৃণমূলের সভা নিয়ে

    জানা গিয়েছে, ৩০ তারিখ কলকাতায় তৃণমূলের সংখ্যালঘু সেলের তরফে জমায়েতের ডাক দেওয়া হয়েছে। রানি রাসমণি রোডে এই সভা হবে। এই নির্দেশ দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ৩০ নভেম্বর ওয়াকফ বিল নিয়ে দলের অবস্থান স্পষ্ট করবেন লোকসভায় তৃণমূলের মুখ্যসচেতক কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। তাই নিয়ে রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে তীব্র চর্চা শুরু হয়ে গিয়েছে। এই বিষয়ে বিরোধী দলনেতা (Suvendu Adhikari) বলেন, “এখানে পোলারাইজেশন, তোষণের রাজনীতি ও ভোটব্যাঙ্ক মজবুত করার জন্য প্রতিযোগিতা চলছে। ২৮ তারিখ সিদ্দিকুল্লা সাহেবরা ডেকেছেন। আর ৩০ তারিখ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ডেকেছেন।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share