Tag: Suvendu Adhikari

Suvendu Adhikari

  • Suvendu Adhikari: “আমাকে জেলে ঢোকানোর চেষ্টায় রাজ্য খরচ করেছে ২৯৫ কোটি টাকা”, বিস্ফোরক শুভেন্দু

    Suvendu Adhikari: “আমাকে জেলে ঢোকানোর চেষ্টায় রাজ্য খরচ করেছে ২৯৫ কোটি টাকা”, বিস্ফোরক শুভেন্দু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “চন্দ্রযান চাঁদে পাঠাতে ভারত সরকারের খরচ হয়েছে ৬১৫ কোটি টাকা। আর আমাকে জেলে ঢোকানোর প্রচেষ্টার জন্য মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন সরকার এ পর্যন্ত হাইকোর্ট ও সুপ্রিম কোর্টে আমার জন্য ২৯৫ কোটি টাকা খরচ করেছে।” সংবাদ মাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে এমনই চাঞ্চল্যকর দাবি করলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা বিজেপির শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)।

    ‘রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার’

    তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী। বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূল নেত্রী তথা মুখ্যমন্ত্রী পদপ্রার্থী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে নন্দীগ্রামে পরাজিত করেন তিনি। শুভেন্দুর অভিযোগ, এই দুই কারণে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার হচ্ছেন তিনি। রাজ্যের বিরোধী দলনেতার অভিযোগ, তাঁর বিরুদ্ধে একের পর এক মিথ্যা মামলা করে তাঁকে জেলে ঢোকানোর প্রাণপণ চেষ্টা করে চলেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। রাজ্যের বিরোধী দলনেতা (Suvendu Adhikari) জানান, ব্রিটিশ আমলেও তাঁর পরিবার জেল খেটেছেন। তাই তিনি যে সহজে মাথা নোয়াবেন না তা বারংবার স্পষ্ট করে দিয়েছেন শুভেন্দু।

    পুলিশের খাতায় এফআইআরের পরিসংখ্যান

    রাজ্যের বিরোধী দলনেতার কথা যে নিছকই ফাঁপা নয়, তার প্রমাণ মেলে পুলিশের খাতার পরিসংখ্যানেই। জানা গিয়েছে, শুভেন্দু যখন তৃণমূলে ছিলেন, তখন তাঁর বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের হয়েছে মাত্র একটি। বিজেপিতে যোগ দেওয়ার পর এই ক’ বছরে তাঁর বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের হয়েছে ২৭টি। দিন কয়েক আগে এ নিয়ে কলকাতা হাইকোর্টের প্রশ্নের মুখেও পড়তে হয়েছিল রাজ্য সরকারকে। সম্প্রতি সুপ্রিম কোর্টও জানিয়ে দিয়েছে, রাজ্যের বিরোধী দলনেতার (Suvendu Adhikari) বিরুদ্ধে এখনই আর কোনও এফআইআর দায়ের করা যাবে না। এর প্রেক্ষিতে বিজেপির মুখপাত্র শমীক ভট্টাচার্য বলেছিলেন, “রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত হয়ে শুভেন্দু অধিকারীর বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করতে উঠেপড়ে লেগেছিল বাংলার শাসক দল তথা সরকার। এতে ফের ওদের মুখ পুড়ল।”

    আরও পড়ুুন: এই বছরেই হবে টেট! প্রাথমিকে শিক্ষক নিয়োগের পরীক্ষার তারিখ এবং নিয়ম জানাল পর্ষদ

    শুভেন্দুর বিরুদ্ধে একের পর এক মামলা দায়ের করার যৌক্তিকতা কোথায়, সে প্রশ্নও তুলেছে বঙ্গ বিজেপি। তাদের প্রশ্ন, সাধারণ মানুষের কোটি কোটি টাকা আইনজীবীদের পিছনে খরচ করে কলকাতা হাইকোর্ট কিংবা সুপ্রিম কোর্টে বিরোধী দলনেতার (Suvendu Adhikari) বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলায় লড়াই করার যৌক্তিকতা কোথায়? এ নিয়ে এতদিন চুপ থাকলেও, এদিন মুখ খোলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা। জানান, মিথ্যা মামলায় ফাঁসাতে তাঁর পিছনে রাজ্য সরকার ঠিক কত টাকা ব্যয় করেছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: ‘‘টাকা সরানোর ট্রানজিট পয়েন্ট দুবাই’’!  মমতার বিদেশ সফর নিয়ে কটাক্ষ শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: ‘‘টাকা সরানোর ট্রানজিট পয়েন্ট দুবাই’’! মমতার বিদেশ সফর নিয়ে কটাক্ষ শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জনগণের করের টাকায় মুখ্যমন্ত্রী বিদেশ সফরে (Mamata Foreign Tour) যাচ্ছেন। আগেও বহুবার গিয়েছেন কিন্তু রাজ্যে শিল্পের প্রসার চোখে পড়েনি, অভিমত বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর (Suvendu Adhikari)। তাঁর কথায়, “টাকার সরানোর ট্রানজিট পয়েন্ট হল দুবাই। যা আগেই রেডি করেছেন ভাইপো ও তাঁর স্ত্রী। এবার মুখ্যমন্ত্রী সেখানে যাচ্ছেন।”  তিনি বলেন, ভোটের আগে ডাবল ডাবল চাকরি, ছয়মাসে শিল্প এনে দেখিয়ে দেবো, এইসব প্রতিশ্রুতির তিনি কিছুই করতে পারেননি। এবার সেই আবারও মিথ্যার আশ্রয়। 

    টাকা সরানোর ট্রানজিট পয়েন্ট দুবাই!

    স্পেন যাওয়ার আগে একদিন দুবাইতে থাকবেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Foreign Tour)। এ প্রসঙ্গে শুভেন্দু অধিকারীর (Suvendu Adhikari) প্রশ্ন, পাশ্চাত্যের দেশে যেতে দুবাইকেই কেন ট্রানজিট পয়েন্ট করছেন মুখ্যমন্ত্রী ও তাঁর ভাইপো? রাজ্যের বিরোধী দলনেতা বলেন, ‘দুবাইয়ে টাকা সাইফন হচ্ছে। দুবাইতে কিছু আইন আছে যেখানে বেআইনি টাকা সাইফন হয়। এর আগে ভাইপো, ভাইপোর স্ত্রী ও ভাইপোর শ্যালিকা প্লট রেডি করেছে এবং মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এই প্লটের সাক্ষী। তিনি দুবাইকে ট্রানজিট পয়েন্ট করেছেন স্পেনে যাওয়ার জন্য নয়, পশ্চিমবঙ্গ থেকে হাওলার মাধ্যমে হুন্ডির মাধ্যমে যে টাকা তার পরিবার সরাচ্ছে সেই টাকাকে ওখানে সুরক্ষিত করার জন্য’। উল্লেখ্য, গত মাসেই বিদেশ সফর থেকে ফিরেছেন মুখ্যমন্ত্রীর ভাইপো তথা তৃণমূল নেতা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনিও দুবাই হয়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র গিয়েছিলেন। 

    রাজ্যের দায়িত্বে স্বরাষ্ট্রসচিব গোপালিকা

    নবান্ন সূত্রে খবর, মুখ্যমন্ত্রীর বিদেশ সফরের (Mamata Foreign Tour) সময় রাজ্যের দায়িত্ব দিয়ে গিয়েছেন স্বরাষ্ট্রসচিব গোপালিকাকে। এব্যাপারে তীব্র কটাক্ষ করেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) বলেন, “তৃণমূল দলের একটাই পোস্ট আর বাকি সব ল্যাম্পপোস্ট। বিধান রায়, সিদ্ধার্থশঙ্কর রায়, জ্যোতি বসু বিদেশ সফরে গেলে সিনিয়র মোস্ট সদস্যকে দায়িত্ব দিয়ে যেতেন। কিন্তু মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কাউকেই বিশ্বাস করেন না, তাই এক শীর্ষ আমলাকে দায়িত্ব দিয়ে গিয়েছেন।” শুভেন্দু আরও বলেন, “চন্দ্রযান চাঁদে পাঠাতে ভারত সরকারের ৬১৫ কোটি টাকা খরচ হয়েছে। আর আমাকে জেলে ঢোকাতে হাইকোর্ট-সুপ্রিম কোর্ট মিলিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার এখনও পর্যন্ত ২৯৫ কোটি টাকা খরচ করে ফেলেছে। যা পুরোটাই জনসাধারণের। কিন্তু আমার বাড়ির লোক ব্রিটিশের জেলে ছিল, আমি সহজে মাথা নত করব না।” 

    আরও পড়ুুন: ‘কনভয়ের গতিবিধির ওপর নজরদারি করছে রাজ্য’! বিস্ফোরক শুভেন্দু

    কেন বিদেশ সফরে মমতা

    মঙ্গলবার সকালে ১২ দিনের বিদেশ সফরে দুবাই, স্পেনের মাদ্রিদ গেলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Foreign Tour)। মূলত বিনিয়োগ টানতেই মুখ্যমন্ত্রীর এই বিদেশ সফর বলে জানা গিয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী এদিন জানিয়েছেন দুবাইয়ে একটি বাণিজ্য সম্মেলন ও প্রবাসীদের সঙ্গে বৈঠকে অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে তাঁর। স্পেনেও একটি বিজনেস সামিটে যোগ দেবেন তিনি। জানা যাচ্ছে, স্পেনে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রথম বৈঠক ফুটবল নিয়ে। ১৪ সেপ্টেম্বর, মাদ্রিদে লা লিগার প্রেসিডেন্টের সঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী ও রাজ্য সরকারের প্রতিনিধি দলের বৈঠক। বাংলা ফুটবলের উন্নতির স্বার্থে সরকারের সঙ্গে কোনও বিশেষ চুক্তি হতে পারে লা লিগার।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: ‘কনভয়ের গতিবিধির ওপর নজরদারি করছে রাজ্য’! বিস্ফোরক শুভেন্দু

    Suvendu Adhikari: ‘কনভয়ের গতিবিধির ওপর নজরদারি করছে রাজ্য’! বিস্ফোরক শুভেন্দু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্য সরকার তাঁর কনভয়ের রাখা যাতায়াতের গতিবিধির ওপর নজরদারি রাখে, এই দাবি তিনি প্রায় বেশ কয়েক মাস আগে করেছিলেন। সোমবার তা হাতেনাতে ধরলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। যা নিয়ে জোর চর্চা শুরু হয়েছে। রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে বিরোধী দলনেতা এদিন তোপ দাগেন। এমনকী জেলা পুলিশ সুপারকেও তিনি নিশানা করেছেন।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছিল?

    এদিন উত্তর ২৪ পরগনায় একটি দলীয় কর্মসূচিতে যোগদানের জন্য জাতীয় সড়ক ধরে যাচ্ছিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা (Suvendu Adhikari) । পূর্ব মেদিনীপুর জেলার কোলাঘাটের হলদিয়া মোড় পেরিয়ে বেশ খানিকটা পথ অতিক্রম করার পর বিশেষ কাজে তিনি ফিরে আসেন হলদিয়া মোড়ের কাছে। তখন তিনি দেখতে পান জাতীয় সড়কের কোলাঘাটে জাতীয় সড়কের পাশে স্পিডোমিটার সরিয়ে নিচ্ছেন পুলিশ কর্মচারীরা। গাড়ি থেকে নেমে হাতেনাতে ধরে ফেলেন শুভেন্দু এবং একগুচ্ছ অভিযোগ করেন রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে।

    বিরোধী দলনেতার (Suvendu Adhikari) কী অভিযোগ?

    শুভেন্দু বলেন, ‘বেশ কয়েক মাস আগে তিনি যে অভিযোগ করেছিলেন সেই অভিযোগের সত্যতা প্রকাশ পেল। বিরোধী দলনেতার যানবাহনের গতিবিধির নিয়ন্ত্রণের জন্য রাজ্য সরকার স্পিডোমিটার যে ব্যবহার করছিল এটাই তার প্রমাণ। আমি চলে যাওয়ার পর ফিরে আসব ওরা বুঝতে পারেনি। আসলে রাজ্য সরকার বিরোধী দলনেতাকে দমিয়ে রাখার জন্য বিভিন্ন দিক থেকে চেষ্টা করে চলেছে। কিন্তু, সম্পূর্ণটাই বিফলে পরিণত হয়।’

    পুলিশ প্রশাসনকে নিয়ে তিনি কী বললেন?

    বিরোধী দলনেতা বলেন, ‘প্রশাসন তার দৃষ্টিভঙ্গি পরিবর্তন করুক।’ জাতীয় সড়কের ওপর বিভিন্ন বেআইনি বিষয়গুলিও তুলে ধরেন স্থানীয় প্রশাসনের বিরুদ্ধে। সমস্তটাই দায়ভার চাপিয়ে দেন পূর্ব মেদিনীপুর জেলার জেলা পুলিশ  সুপার অমরনাথ কে-র উপর। স্থানীয় প্রশাসন থেকে জানা যায়, ‘যাই অভিযোগ আসুক না কেন বলেন, নিরাপত্তার বিষয়টিকে সামনে রেখেই স্পিডোমিটার বসানো হয়েছিল সাধারণ মানুষের স্বার্থে।’

    কিন্তু, প্রশ্ন হল, সাধারণের নিরাপত্তার স্বার্থেই যদি স্পিডোমিটার বসানোই হয়ে থাকে, তাহলে, আচমকা কেন তা গুটিয়ে নেওয়া হচ্ছিল?

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • West Bengal Assembly: ১ বৈশাখই পশ্চিমবঙ্গ দিবস! প্রতিবাদ বিজেপির, ৬০ বিধায়ককে নিয়ে রাজভবনে শুভেন্দুরা

    West Bengal Assembly: ১ বৈশাখই পশ্চিমবঙ্গ দিবস! প্রতিবাদ বিজেপির, ৬০ বিধায়ককে নিয়ে রাজভবনে শুভেন্দুরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘পশ্চিমবঙ্গ দিবস’ পালন ইস্যুতে রাজ্যের ইতিহাসকে বিকৃত করার চেষ্টা করছে রাজ্য সরকার, এমনই অভিযোগ বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর। বাংলা দিবস নিয়ে আলোচনা চলছে পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভায়। বিজেপি চায় ২০ জুন পশ্চিমবঙ্গ দিবস হোক। শাসকদল তৃণমূল তাতে রাজি নয়। ২০ জুন নয়, ‘বাংলা দিবস’ পালিত হোক ১ বৈশাখ। এই মর্মেই বৃহস্পতিবার বিধানসভায় প্রস্তাব পেশ করেন রাজ্যের মন্ত্রী ব্রাত্য বসু, ফিরহাদ হাকিম, চন্দ্রিমা ভট্টাচার্যরা। বিধায়ক সংখ্যার বিচারে এই প্রস্তাব পাশ হলেও এর পরিণতি ভাল নয়, এমনটাই দাবি শুভেন্দুর।

    পশ্চিমবঙ্গ দিবসের ইতিহাস বিকৃত করার চেষ্টা

    বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী ও বিজেপি বিধায়করা এদিন যে পোশাক পরে এসেছেন, সেই পোশাকের সামনে লেখা ‘২০ জুন পশ্চিমবঙ্গ দিবস’, পিঠে শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের ছবি। নিজের সোশ্যাল মিডিয়ায় শুভেন্দু অধিকারী লেখেন, ‘রাজ্য সরকার প্রবলভাবে চেষ্টা করছে পশ্চিমবঙ্গ দিবসের ইতিহাস বিকৃত করতে। বিজেপি এর তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছে। পশ্চিমবঙ্গ গঠন নিয়ে শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের অবদানকেও উপেক্ষা করা হচ্ছে।’ এদিন বিধানসভায় পশ্চিমবঙ্গ দিবসের জন্য রাজ্য সরকারের বিরোধিতা করে ৬০ জন বিধায়ককে সঙ্গে নিয়ে রাজভবন পর্যন্ত প্রতিবাদ পদযাত্রা করবেন বলে ঠিক করেছেন শুভেন্দু। রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোসের সঙ্গে দেখা করে তাঁর হাতে স্মারকলিপিও তুলে দেওয়া হবে।

    বিধানসভায় প্রস্তাব পাশ

    বৃহস্পতিবার বিধানসভা অধিবেশন কক্ষে এ প্রসঙ্গে আলোচনা শুরু হতেই বিতর্ক বাধে। ভোটাভুটি চায় বিজেপি। জয় বাংলা বনাম ভারত মাতা স্লোগান ওঠে অধিবেশন কক্ষে। পাশ হয় প্রস্তাব। প্রস্তাবের পক্ষে ভোট পড়ে ১৬৭। বিপক্ষে ৬২, বিরত ১। এরপরই মুখ্যমন্ত্রীর গলায় শোনা যায়, বাংলার মাটি, বাংলার জল গানটি। বক্তব্য শেষ করার আগে মমতা বললেন, “কে সাপোর্ট করল না করল যায় আসে না। আমাদের নির্দেশ থাকবে, বাংলা দিবস পালন করব পয়লা বৈশাখ। শুভ নববর্ষের দিন। গান থাকবে বাংলার মাটি বাংলার জল।”

    আরও পড়ুন: “শেষ পর্যন্ত লড়ব…”! মুখ্যমন্ত্রীর উদ্দেশে বাংলা ভাষাতেই বিস্ফোরক বিবৃতি রাজ্যপালের

    কী প্রতিক্রিয়া শুভেন্দুর?

    এ প্রসঙ্গে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী বলেন, ‘এই প্রস্তাব কার্যকর হবে না। ইতিহাসকে মুছে ফেলার চেষ্টা করা হচ্ছে। এই পশ্চিমবঙ্গ তৈরির নেপথ্যে শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের অবদানকে মান্যতা না দেওয়ার জন্যই ১ বৈশাখ বাংলা দিবস পালন করতে চাইছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এই প্রস্তাব বিধায়নসভায় পাস হলেও রাজ্যপাল সই করবেন না। দিল্লিও ছাড়পত্র দেবে না। ফলে এর পরিণতি হবে রাজ্যের বাংলা নাম, বিধান পরিষদ গঠন, মুখ্যমন্ত্রীর আচার্য হওয়ার মতো।’ পরে বিধানসভা কক্ষে শুভেন্দু বলেন, ‘ইতিহাস বদলানো যাবে না। ২০ জুনকেই বাংলা দিবস করার পক্ষে বিজেপি। আমরা একটু পরেই রাজভবনে যাচ্ছি, অনুরোধ করব যাতে উনি এই বিলে সই না করেন। প্রধানমন্ত্রীকেও আর্জি জানাবো যেন ২০ জুনকেই বাংলা দিবস বলে পালন করা হয় এই দিনের ঐতিহ্যের কথা ভেবে।’

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: ‘‘দেশ কি ছাব্বিশ টুকরো হবে’’! কেন একথা বললেন শুভেন্দু?

    Suvendu Adhikari: ‘‘দেশ কি ছাব্বিশ টুকরো হবে’’! কেন একথা বললেন শুভেন্দু?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দু’জন প্রধানমন্ত্রী হতে চেয়েছিলেন বলে দেশ দু’ভাগ হয়েছিল। এখন ছাব্বিশ জন প্রধানমন্ত্রী হতে চাইছেন। তবে কি এবার দেশ ছাব্বিশ টুকরো হবে? ছাব্বিশটি বিরোধী দল কেন্দ্র থেকে বিজেপিকে হটাতে যে ‘ইন্ডিয়া’ জোট গঠন করেছে, তাকে এভাবেই তীব্র কটাক্ষ করলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। পাশাপাশি পূর্ব মেদিনীপুরের কাঁথিতে দলীয় সভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি তৃণমূলকে তুলোধনা করেন।

    দেশকে ছাব্বিশ টুকরো করার কথা কেন বললেন বিরোধী দলনেতা? (Suvendu Adhikari)

    শুভেন্দুর (Suvendu Adhikari) বক্তব্যে উঠে আসে অতীতের ঘটনা। গান্ধী পরিবার থেকে জম্মু-কাশ্মীরের ওমর আবদুল্লার পরিবার বা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়, নাম ধরে ধরে পরিবারতন্ত্রের প্রসঙ্গ তুলে সবাইকে তোপ দেগেছেন তিনি। তবে, শুভেন্দুর আক্রমণের মূল নিশানায় ছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। শুভেন্দু বলেন, দু’জন (জওহরলাল নেহরু ও মহম্মদ আলি জিন্না) প্রধানমন্ত্রী হতে চেয়েছিলেন, তাই দেশ দু’ভাগ হয়ে যায়। এখন ছাব্বিশ জন প্রধানমন্ত্রী হতে চাইছেন। আমরা কি বুদ্ধু? এবার কি দেশকে ছাব্বিশ টুকরো করে দেব? সেই সূত্রে পরিবারতন্ত্রের প্রসঙ্গ তুলে শুভেন্দুর তোপ, ফোর-জি হলেন রাহুল গান্ধী, ইন্দিরা গান্ধী, জওহরলাল নেহরু, রাজীব গান্ধী। থ্রি-জি হলেন শেখ আবদুল্লা, ফারুক আবদুল্লা, ওমর আবদুল্লা। আর টু-জি হলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও তাঁর ভাইপো। দেশ ভাগের যন্ত্রণার কথা বারবার উঠে আসতে দেখা যায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির মুখে।

    দুর্গাপুজোয় অনুদান প্রসঙ্গে কী বললেন শুভেন্দু? (Suvendu Adhikari)

    এ বিষয়ে তৃণমূলকে আক্রমণ করে শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) বলেন, দল বদলের খেলাটা কী? প্রাক্তন বিজেপি সভাপতিকে সামনে এনে ভাইপো বাজার গরম করতে চেয়েছিলেন। বিজেপিতে যিনি এসেছেন (মিতালি রায়), তিনি সদ্য প্রাক্তন বিধায়ক। ২০১৬ সালে বিধানসভায় জিতেছিলেন। ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে দাঁড়িয়েছিলেন। রাজবংশীদের পায়ের সঙ্গে তুলনা করেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তার প্রতিবাদ করেই বেরিয়ে এসেছেন তিনি। মানুষ ঠিকঠাক ভোট দিতে পারলে কোনও নির্বাচনেই তৃণমূল জিততে পারবে না। রাজ্যের প্রত্যেকটি দুর্গাপুজো কমিটিকে ৭০ হাজার টাকা রাজ্য সরকারের প্রদান করা নিয়েও তীব্র কটাক্ষ করেন শুভেন্দু। তিনি বলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় খালি ভোট খোঁজেন। যেভাবে হোক ৪৫ শতাংশ ভোট দরকার। ভোটব্যাঙ্কের রাজনীতি করেন তিনি।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Indian Railway: ৭টি দূরপাল্লার ট্রেনের স্টপেজ বাড়ল রাজ্যে! রেলকে ধন্যবাদ জানালেন শুভেন্দু

    Indian Railway: ৭টি দূরপাল্লার ট্রেনের স্টপেজ বাড়ল রাজ্যে! রেলকে ধন্যবাদ জানালেন শুভেন্দু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলায় দূরপাল্লার একাধিক ট্রেনের স্টপেজ দিল রেলমন্ত্রক। ট্রেনের নতুন স্টপেজ দেওয়ার জন্য রেলমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানালেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। হাওড়া এবং শিয়ালদা থেকে একাধিক দূরপাল্লার ট্রেনের নতুন স্টপেজ দেওয়া হয়েছে একাধিক জেলায়। দীর্ঘদিন ধরে স্টপেজ দেওয়ার দাবি ছিল স্থানীয় বাসিন্দাদের। রেলের এই উদ্যোগ নিঃসন্দেহে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ পদক্ষেপ। এই স্টেশনগুলিতে দূরপাল্লার ট্রেন থামলে অত্যন্ত উপকার হবে সাধারণ মানুষের। কারণ এই স্টেশনগুলির সংলগ্ন এলাকা থেকে যাঁদের ট্রেন ধরতে হয় তাঁদের অনেকটা পথ যেতে হয়। সেক্ষেত্রে তাঁদের এবার অনেকটাই সুবিধা হবে। 

    কোন কোন স্টেশনে স্টপেজ

    হাওড়া পুরুলিয়া সুপারফাস্ট এক্সপ্রেসের স্টপেজ দেওয়া হচ্ছে ঝন্টিপাহাড়ি স্টেশনে। শিয়ালদা বামনহাট উত্তরবঙ্গ এক্সপ্রেসের স্টপেজ দেওয়া হচ্ছে মালদা জেলার কুমেদপুর স্টেশনে। হাওড়া থেকে বারবিল জন শতাব্দী এক্সপ্রেসে ঝাড়গ্রাম স্টপেজ দেওয়া হচ্ছে। উত্তর দিনাজপুর জেলায় ডালখোলায় তিস্তা তোর্সা এক্সপ্রেসের স্টপেজ দেওয়া হচ্ছে। হাওড়া থেকে হাতিয়া ক্রিয় যোগ এক্সপ্রেস ট্রেনের স্টপেজ দেওয়া হবে পুরুলিয়া জেলার সুসিয়া স্টেশনে। কলকাতা থেকে গোরক্ষপুর পূর্বাঞ্চল এক্সপ্রেসের স্টপেজ দেওয়া হচ্ছে পশ্চিম বর্ধমান জেলার পানাগড় স্টেশনে। এছাড়া দুমকা রাঁচি এক্সপ্রেসের স্টপেজ দেওয়া হবে পুরুলিয়া জেলার পুন্ডাগ স্টেশনে।

     ট্রেনের তালিকা তুলে ধরে কোন স্টেশনে সেগুলি দাঁড়াবে সেকথা উল্লেখ করেছেন শুভেন্দু অধিকারী। সব মিলিয়ে ৭টি ট্রেনের স্টপেজ বাড়লো বাংলায়। শুভেন্দু ট্যুইটারে (অধুনা এক্স) লিখেছেন, “আমি কেন্দ্রীয় রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণবকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি। বিজেপির সাংসদ, বিধায়করা বিভিন্ন সময়ে দূরপাল্লার ট্রেনের স্টপেজ দেওয়ার জন্য যে অনুরোধ করেছিলেন, সেটাকে তিনি মান্যতা দিয়েছেন। এর জেরে সাধারণ যাত্রীদের যথেষ্ট সুবিধা হবে।”

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: কমিশনকে চিঠি! ধূপগুড়ির ভোটে কন্ট্রাকচুয়াল এমপ্লয়িদের ব্যবহারের অভিযোগ শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: কমিশনকে চিঠি! ধূপগুড়ির ভোটে কন্ট্রাকচুয়াল এমপ্লয়িদের ব্যবহারের অভিযোগ শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ধূপগুড়ি বিধানসভার উপ নির্বাচনের জন্য ৩০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী (30 company central force) মোতায়েন করার কথা বুধবারই জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন। কেন্দ্রীয় বাহিনীর ঘেরাটোপে ভোট হলেও ভোটের কাজে রাজ্যের কনট্রাকচুয়াল এমপ্লয়িদের ব্যবহার করা হচ্ছে বলে অভিযোগ তুললেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) এবিষয়ে কমিশনের কাছে অভিযোগ জানাচ্ছেন তিনি। অন্যদিকে লোকসভা ভোট এগিয়ে আনা প্রসঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মন্তব্যের কড়া সমালোচনা করলেন বিধানসভার বিরোধী দলনেতা। 

    কমিশনকে চিঠি শুভেন্দুর

    আগামী ৫ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত হবে ধূপগুড়ি বিধানসভার উপ নির্বাচন (Dhupguri byelection)।  সেখানে বিজেপির হয়ে প্রচারে গিয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। বুধবার সন্ধেয় ধূপগুড়ির দুরামারিতে এক দলীয় সভায় বক্তব্য রাখছিলেন শুভেন্দু। সেখানেই তিনি বলেন, “আমরা জানতে পেরেছি, ভোটের কাজে বেশ কিছু কন্ট্রাকচুয়াল এমপ্লয়িদের ব্যবহার করতে চাইছে রাজ্য। এটা করা যাবে না। জেনারেল অবজারভারকে আমরা দলগতভাবে চিঠি পাঠাচ্ছি।” পর্যাপ্ত ফোর্স আসায় বিজেপি চিন্তামুক্ত হল বলেও এদিন খোলামেলা জানিয়েছেন বিরোধী দলনেতা। তাঁর কথায়, “আমরা চিন্তায় ছিলাম। ১৫ কোম্পানিতে ২৬০টি বুথ কভার হচ্ছিল না। তবে পঞ্চায়েতের মতো ভোট হবে না। ৩০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী আসার ফলে ১০০ শতাংশ বুথে কেন্দ্রীয় বাহিনী থাকবে। ভোট হবে অবাধ ও শান্তিপূর্ণ।” ধূপগুড়ির বিধায়ক ছিলেন বিজেপির বিষ্ণুপদ রায়। তাঁর অকাল মৃত্যুর কারণেই উপ নির্বাচন অনিবার্য হয়ে উঠেছে।

    আরও পড়ুন: বিস্তর অসঙ্গতি! এসএসসির নতুন মেধা তালিকা নিয়ে হাইকোর্টে মামলা

    মমতাকে কটাক্ষ শুভেন্দুর

    উল্লেখ্য, গত সোমবার মেয়ো রোডের সমাবেশ থেকে মুখ্যমন্ত্রী সন্দেহ প্রকাশ করেছিলেন, ডিসেম্বরে কিংবা জানুয়ারিতে লোকসভা ভোট করাতে পারে বিজেপি। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের একাংশের ব্যাখ্যা, দলীয় কর্মী ও সমর্থকরা যাতে নির্বাচনের প্রস্তুতিতে এখন থেকেই ঝাপিয়ে পড়ে, তার জন্যই ভোকাল টনিক দিতে ওই কথা বলেছিলেন মমতা। এদিন এ প্রসঙ্গে শুভেন্দুকে (Suvendu Adhikari) প্রশ্ন করা হলে এক বাক্যে সে জল্পনা উড়িয়ে দেন তিনি। আসন্ন লোকসভা উপলক্ষে কেন্দ্র বিরোধী জোটের বৈঠকে যোগ দিতে মুম্বই গিয়েছেন মমতা। মুখ্যমন্ত্রীর মুম্বইযাত্রাকে খোঁচা দিয়ে এদিন শুভেন্দু বলেন, ‘মুম্বইয়ে ঘুরতে গিয়েছেন মমতা। লোকসভা ভোট এগিয়ে আনার কোনও প্রশ্নই ওঠে না। ’

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • All Party Meeting: আজ নবান্নে মমতার ডাকা সর্বদল বৈঠকে যাবে না বিজেপি! নেই বাম-কংগ্রেসও

    All Party Meeting: আজ নবান্নে মমতার ডাকা সর্বদল বৈঠকে যাবে না বিজেপি! নেই বাম-কংগ্রেসও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আজ, পশ্চিমবঙ্গ দিবস নিয়ে নবান্নে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ডাকা সর্বদলীয় বৈঠকে (All Party Meeting) থাকবে না বিজেপি। দলের অন্যতম মুখপাত্র শমীক ভট্টাচার্য সোমবার বলেন, ‘‘একটি অনৈতিহাসিক ও অবৈজ্ঞানিক তত্ত্বকে সামনে এনে ইতিহাস বিকৃত করার ঘৃণ্য ষড়যন্ত্র ও চক্রান্ত হচ্ছে। তার শরিক বিজেপি হবে না।’’ প্রধান বিরোধী বিজেপির পাশাপাশি বৈঠকে যাচ্ছে না সিপিআইএম, সিপিআইয়ের মতো দলগুলি। কংগ্রেসও যাবে না বলেই খবর।

    বিজেপির মত

    রাজ্যের বিরোধী দলনেতা তথা নন্দীগ্রামের বিজেপি বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারী স্পষ্ট ভাষায় জানিয়ে দেন, মুখ্যমন্ত্রীর ডাকা সর্বদল বৈঠকে (All Party Meeting)  যাচ্ছে না তাঁর দলের কোনও প্রতিনিধি। সেই সঙ্গে, তাঁর স্পষ্ট বক্তব্য, আগামী দিনেও মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে কোনও ক্ষেত্রে মঞ্চ ভাগাভাগি করবে না বিজেপি বিধায়করা। ‘পশ্চিমবঙ্গ দিবস’ কবে পালিত হবে, তা ঠিক করতে মঙ্গলবার বিকেল চারটে থেকে নবান্নে রয়েছে এই বৈঠক।  সেখানে বহু বিশিষ্টজনকেও আমন্ত্রণ জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। প্রসঙ্গত, রাজ্য বিধানসভায় ইতিমধ্যেই এ নিয়ে একটি কমিটি গঠিত হয়েছে। কিন্তু সেই কমিটির সদস্যরা নিজেদের ব্যাখ্যা দিয়ে বিভিন্ন দিনে ‘পশ্চিমবঙ্গ দিবস’ পালিত করার প্রস্তাব দিয়েছেন। সেখানে দিনটি নিয়ে ঐক্যমত হয়নি। তার পরেই সর্বদল বৈঠক ডেকেছেন মুখ্যমন্ত্রী। 

    আরও পড়ুন: ভয় ধরাচ্ছে অগাস্ট! শেষ এক মাসে ডেঙ্গি সংক্রমণ ১০ হাজার

    বিরোধী-জোটে মতভেদ

    বামেরা যে মুখ্যমন্ত্রীর ডাকা সর্বদল বৈঠকে (All Party Meeting)  যাবে না, তা লিখিত ভাবেও মুখ্যমন্ত্রীকে জানিয়ে দেওয়া হচ্ছে। বামফ্রন্ট চেয়ারম্যান তথা বর্ষীয়ান সিপিএম নেতা বিমান বসু জানিয়েছেন, দেশভাগের যন্ত্রণা এখনও লক্ষ লক্ষ মানুষের মনে জাগরূক। সেই প্রেক্ষাপটে এই ধরনের কোনও প্রতিষ্ঠা দিবস পালনে আমরা বিশ্বাসী নই। বৈঠকে যোগদান করবে না কংগ্রেসও । প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর চৌধুরীর নির্দেশে কংগ্রেসের কোনও প্রতিনিধি ওই বৈঠকে যাবেন না। যুক্তি হিসাবে কংগ্রেস জানিয়েছে, পশ্চিমবঙ্গ দিবসের নামে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে বিজেপির লড়াই চলছে। এ নিয়ে কংগ্রেসের কোনও আগ্রহ নেই। যদি সর্বদল বৈঠক ডাকতেই হয়, তাহলে রাজ্যের আইন শৃঙ্খলা নিয়ে সর্বদলীয় বৈঠক ডাকুন। সূত্রের খবর, একদিকে ইন্ডিয়া জোটের বৈঠক হচ্ছে, অন্যদিকে এ রাজ্যে বাম-কংগ্রেসের মনোভাবে শাসক দলের অনেকেই বিরক্ত। এ প্রসঙ্গে কটাক্ষ করেছে বিজেপির নানা সূত্র। কেন্দ্র-বিরোধী জোটে ঐক্য ও মতাদর্শের কতটা ফারাক তা এর থেকে বোঝা যায় বলে অভিমত, রাজনৈতিক মহলের।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ

  • Duttapukur Blast: “রাজ্যপাল দত্তপুকুরে যেতে পারেন আর মুখ্যমন্ত্রী পারেন না?” প্রশ্ন শুভেন্দুর   

    Duttapukur Blast: “রাজ্যপাল দত্তপুকুরে যেতে পারেন আর মুখ্যমন্ত্রী পারেন না?” প্রশ্ন শুভেন্দুর   

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “উত্তরবঙ্গ থেকে এসে রাজ্যপাল দত্তপুকুরে যেতে পারেন আর মুখ্যমন্ত্রী পারেন না?”  সোমবার এ প্রশ্ন করেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। এর পরেই এ বিষয়ে (Duttapukur Blast) মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের জবাব চেয়ে শুভেন্দুর নেতৃত্বে বিধানসভা ত্যাগ করেন বিজেপি বিধায়করা। দত্তপুকুরে বিস্ফোরণ হয় রবিবার সকালে। সোমবার বসে বিধানসভার অধিবেশন। এই অধিবেশনেই বিজেপি প্রশ্ন তোলে, “কলকাতা থেকে মাত্র ৫০ কিলোমিটার দূরে বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। অথচ এখনও অকুস্থল পরিদর্শনে যাননি মুখ্যমন্ত্রী?” এর পরেই রাজ্যপালের প্রসঙ্গ টানেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা।

    বিধানসভায় মুলতুবি প্রস্তাব

    শুভেন্দু বলেন, “মানুষের জীবন রক্ষা করার যে প্রতিশ্রুতি, সে বিষয়ে আমরা সরকারের কাছ থেকে অবিলম্বে বিবৃতি দাবি করি। সেই কারণে আমরা বিধানসভার (Duttapukur Blast) ভেতরে মুলতুবি প্রস্তাব রেখে বাইরে শাউটিং স্লোগান করেছি। পশ্চিমবাংলার জনগণের নিরাপত্তার প্রশ্নে ভারতীয় জনতা পার্টি অঙ্গীকারবদ্ধ। তাই লড়াইটা আমরা হাউসের ভেতরে দিচ্ছি। কেন্দ্রীয় সরকার সরাসরি এনআইএ দিতে পারে না। এফআইআরে সেই ধারা থাকলে তবে তারা তদন্ত করতে পারে। এরা সেটা করবে না। তাই আমি বিরোধী দলনেতা হিসেবে হাইকোর্টে জনস্বার্থ মামলা দায়ের করেছি। আশা রাখি, হাইকোর্ট ব্যবস্থা নেবে এবং এই মামলার তদন্ত এনআইএর হাতে যাবে।” তিনি বলেন, “এই সরকার স্বচ্ছতা নিয়ে চলে না। মুখ্যমন্ত্রী অ্যাকশন টেকেন রিপোর্ট ১০ মিনিটে বিধানসভায় জানিয়ে তারপর বক্তৃতা করতে পারতেন না? তাঁর কাছে বক্তৃতা করাটা, কখন তিনি প্রধানমন্ত্রী হবেন, সেটা তাঁর কাছে প্রথম প্রায়োরিটি।” 

    মুখ্যমন্ত্রীর পদত্যাগ দাবি

    রাজ্যের বিরোধী দলনেতা বলেন, “গত কয়েক মাসে রাজ্যে (Duttapukur Blast) একশোরও বেশি মানুষ মারা গিয়েছেন। মুখ্যমন্ত্রী বলেছিলেন, রাজ্যে বেআইনি বাজি কারখানা বন্ধ করা হবে। তারপরেও একাধিক জায়গায় বিস্ফোরণ ঘটেছে। ওখানে আরডিএক্স ব্যবহার করা হয়েছে। রাজ্যে আইনশৃঙ্খলা বলে কিছু নেই।” দত্তপুকুরকাণ্ডে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পদত্যাগও দাবি করেছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা। বিস্ফোরণকাণ্ডে ইতিমধ্যেই কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন শুভেন্দু। এদিনও তিনি ফের দাবি করেন, প্রমাণ লোপাটের আগেই দত্তপুকুরকাণ্ডে এনআইএ তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হোক।

    আরও পড়ুুন: সিবিআই, এনআইএ দাবিতে দত্তপুকুর বিস্ফোরণকাণ্ডে জোড়া মামলা দায়ের বিজেপির

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     
     

     

  • Suvendu Adhikari: “ধর্ষকদের এনকাউন্টার করা হোক”! শিলিগুড়ির ঘটনা প্রসঙ্গে বললেন শুভেন্দু

    Suvendu Adhikari: “ধর্ষকদের এনকাউন্টার করা হোক”! শিলিগুড়ির ঘটনা প্রসঙ্গে বললেন শুভেন্দু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সাম্প্রতিক সময়ে রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় ধর্ষণের ঘটনা এবং পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলল বিজেপি। রাজ্যে ধর্ষকদের এনকাউন্টার করার পক্ষে সওয়াল করলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। তিনি এই ব্যাপারে উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথকে অনুসরণ করা উচিত বলেও দাবি করেন। রাজ্যের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী তথা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সমালোচনা করে শুভেন্দু বলেন, ‘‘মাত্র দু’দিনের মধ্যেই তিনটি নারী ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। এখানে আইনের শাসন নেই। তাই অপরাধীদের মন থেকে ভয় চলে গিয়েছে। যেখানে অল্প সময়ে এই ধরনের অপরাধের বিরুদ্ধে চার্জশিট দেওয়ার কথা, সেখানে অপরাধীরা ঘুরে বেড়াচ্ছে।’’ একই সঙ্গে তিনি বলেন, ‘‘এ রাজ্যে যোগী আদিত্যনাথের মতো এক জন কড়া প্রশাসক দরকার। এই ধরনের অপরাধ যারা করছে, তাদের বেঁচে থাকার অধিকার নেই। প্রয়োজনে এদের এনকাউন্টার করে দেওয়া উচিত।’’

    শুভেন্দুর অভিমত

    বিরোধী দলনেতা বলেন, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের শাসনে নাবালিকারাও সুরক্ষিত নয়। তিনি তৃতীয়বার ক্ষমতায় আসার পর রাজ্যে একের পর এক নাবালিকা নির্যাতনের ঘটনা ঘটেছে। আর মানুষের চোখে ধুলো দিতে পুলিশ অভিযুক্তদের শুধু গ্রেফতার করে। তার পর তাদের বিরুদ্ধে চার্জশিটও দেয় না আর শাস্তির ব্যবস্থাও করে না।” মাটিগাড়ায় নাবালিকাকে নৃশংসভাবে খুনের ঘটনায় গ্রেফতার অভিযুক্ত আব্বাসের শাস্তির দাবিতে বৃহস্পতিবার বিক্ষোভ দেখায় বিজেপি। পুলিশমন্ত্রীর পদত্যাগের দাবি তোলেন বিজেপি বিধায়করা। বিক্ষোভ দেখিয়ে বিধানসভা থেকে ওয়াক আউট করেন তাঁরা। উল্লেখ্য, সোমবার শিলিগুড়ি লাগোয়া মাটিগাড়ায় পরিত্যক্ত ঘর থেকে একাদশ শ্রেণির এক ছাত্রীর স্কুলের পোশাক পরা দেহ উদ্ধার হয়। তাঁকে মাথা থেঁতলে খুন করা হয় বলে অভিযোগ। এই ঘটনায় সোমবার রাতেই মাটিগাড়ার লেনিন পল্লি থেকে আব্বাস নামে ২২ বছর বয়সী এক যুবককে গ্রেফতার করে পুলিশ।

    আরও পড়ুন: ‘‘এনআইএ তদন্ত হলে যাদবপুর থেকে গাঁজার চাষ উপড়ে ফেলবো’’, বললেন শুভেন্দু

    হাঁসখালি, কালিয়াগঞ্জ ও মাটিগাড়ার ঘটনার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, “হাঁসখালি থেকে শুরু করে রাজ্যে কোথাও নাবালিকা নির্যাতনে অভিযুক্তদের শাস্তি হয়নি। আমরা ফাঁসি চাই। এই ধরণের নরকের কীটদের বেঁচে থাকার কোনও অধিকার নেই। কালিয়াগঞ্জে অভিযুক্ত জাভেদের শাস্তির ব্যবস্থা করলে মাটিগাড়ার ঘটনা ঘটত না। উলটে আপনার পুলিশ অফিসার মোয়াজ্জেম হোসেনকে দিয়ে মৃত্যুঞ্জয় বর্মনের বুকে গুলি করালেন।” মহিলাদের সুরক্ষার প্রশ্নে মমতা প্রশাসনের নিন্দা করে শুভেন্দু অধিকারী বলেন, “পশ্চিমবঙ্গ খুনিদের মুক্তাঞ্চল হয়ে গিয়েছে। প্রয়োজন হলে এনকাউন্টার করা উচিত। এদের থাকা উচিত না সমাজে। এই সব ঘৃণিত জীব, পাষণ্ড। এদের কোনও হুঁশ নেই।’

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share