Tag: Suvendu Adhikari

Suvendu Adhikari

  • BJP Rally: ‘‘২১ জুলাই বিডিও অফিস ঘেরাও’’! মহা মিছিলের মঞ্চ থেকেই ঘোষণা সুকান্তর

    BJP Rally: ‘‘২১ জুলাই বিডিও অফিস ঘেরাও’’! মহা মিছিলের মঞ্চ থেকেই ঘোষণা সুকান্তর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কলেজ স্কোয়ার থেকে রানি রাসমণি অ্যাভিনিউ পর্যন্ত বিজেপির মহা মিছিল শুরু হল। বিজেপির দাবি, পঞ্চায়েত ভোটে ১১জন দলীয় কর্মী খুন হয়েছেন। আক্রান্ত হয়েছেন সাড়ে ৩ হাজার কর্মী। তাঁদের মধ্যে ৬৫০ জন হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন। পঞ্চায়েত ভোটে ১২ হাজার ৪৯২টি বুথ দখল হয়েছে এবং ২১ হাজার বুথে ভোটই না হওয়ার অভিযোগ তুলছে বিজেপি। মিছিল শুরুর আগে মঞ্চে উঠে বক্তব্য রাখেন রাজ্য বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্ব। প্রথমে বক্তব্য রাখেন দিলীপ ঘোষ, তারপর বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী, রাজ্য বিজেপি সভাপতি সুকান্ত মজুমদার-সহ প্রমুখ।

    দিলীপ ঘোষের কথায়

    বিজেপির সর্বভারতীয় সহ সভাপতি দিলীপ ঘোষ এদিন বলেন, “পঞ্চায়েত ভোটের নামে রাজ্যজুড়ে প্রহসন হয়েছে। আমাদের কর্মীদের মনোনয়ন ছিনিয়ে নেওয়া হয়েছে। বহু কর্মীর মৃত্যু হয়েছে। গোটা বিষয়টি কোর্টে জানিয়েছি। বিচার চলছে। জনগণ আমাদের পাশে রয়েছে। জনগণকে পাশে নিয়ে আমরা পথে নেমেছি। ভোটকেন্দ্রে সরকারি ক্ষমতাকে ব্যবহার করে সাধারণ মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার লুঠ করা হয়েছে। আমাদের কর্মীদের গলা ধাক্কা দিয়ে বের করে দেওয়া হয়েছে। বিডিও-র নেতৃত্বে ভোট লুঠ হয়েছে। ওসি পর্যন্ত ভোট লুঠে সাহায্য করেছে। এই সমস্ত ওসি, বিডিও-দের চাকরি খেয়ে আমরা ভিখারি করে ছাড়ব, যারা গণতন্ত্রকে হত্যা করেছে। তাই আমরা জনগণকে সঙ্গে নিয়ে পথে নেমেছি। এর জন্য যতদূর যেতে হয় যাব।” তিনি আরও বলেন, “দু-দিন পরে এখানে একটা নাটক হবে শহিদ দিবসের নামে। সারা বছর রাজ্যজুড়ে লোককে মারা হয়, আর ২১ জুলাই শহিদ দিবসের নামে নাটক করা হয়। এখানে লোক আসবে না। তাই পুলিশ আর সিভিক পুলিশ ফোন করে জানছে, কত বাস লাগবে, কত লোক আসবে। মেদিনীপুরের কাউন্সিলারকেও ফোন করে কত বাস লাগবে জানছে পুলিশ।”

    শুভেন্দু অধিকারীর মত

    রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী মঞ্চে উঠেই ‘ভারত মাতা কি জয় স্লোগান দিয়ে এবং তৃণমূল সুপ্রিমোর বিরুদ্ধে বিষোদ্গার করে বক্তব্য শুরু করেন। তিনি বলেন—“মাত্র ২৪ ঘণ্টার নোটিশে হাজার-হাজার বিজেপি কর্মী রাজ্যের বিভিন্ন জায়গা থেকে এই মেগা মিছিলে হাজির হয়েছেন। যদি বুকের পাটা থাকে তো এই মিছিল আটকে দেখাও। গত লোকসভা ভোটের আগেও ১৯ জানুয়ারি কলকাতায় এরকমই একটা সার্কাস হয়েছিল। সেই সময় নাম দিয়েছিলেন ইউনাইটেড ইন্ডিয়া। তার পরিণতি গোটা দেশের মানুষ দেখেছে। বাংলাতে তৃণমূল ৩৪ থেকে ২২-এ নেমেছে। আর বিজেপি ২ থেকে বেড়ে ১৮-এ পৌঁছেছে। এই পরিবারবাদী লোকেরা, দুর্নীতিগ্রস্ত পার্টিরা ইডি, সিবিআই থেকে বাঁচতে বেঙ্গালুরুতে ফাইভ স্টার মিটিং করেছে।” বিরোধী-জোটকে কটাক্ষ করে শুভেন্দু বলেন, “একদিকে মোদিজি আর অন্যদিকে, দুর্নীতিগ্রস্তরা। আগলিবার মোদিজি ৪০০ পার। আর ইন্ডিয়া নাম দিলেই স্বদেশপ্রেমী হওয়া যায় না। তাহলে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানিও ভারতে থাকত। তাই ইন্ডিয়া নাম দিয়ে বিভ্রান্ত করা যাবে না। মানুষ মোদিজির হাতেই দেশ আগামী কয়েক দশক রাখবে।”

    আরও পড়ুন: পার্থর বিরুদ্ধে তদন্তের অনুমোদন রাজ্যপালের! বাধাহীন বিচারপ্রক্রিয়া

    সুকান্ত মজুমদারের দাবি

    শুভেন্দুর মতো সুকান্ত মজুমদারও ‘ভারত মাতা কি জয় স্লোগান দিয়ে বক্তব্য শুরু করেন এবং ভোটে সন্ত্রাসের পরেও বিজেপি যে ভোট পেয়েছে তার জন্য দলীয় কর্মীদের ধন্যবাদ জানান। সিপিএম-কংগ্রেস সেটিং নিয়েও কটাক্ষ করে সুকান্ত বলেন, “ওখানে গিয়ে শুধু মিটিং-সেটিং-ইটিং করলেই হবে না। একবার গিয়ে খোঁজ নিন বাংলা থেকে কত মানুষ ওখানে কাজের জন্য যাচ্ছেন। যদি গণতন্ত্রকে বাঁচাতে হয় তাহলে এই সরকারের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে নামতে হবে। আমাদের লড়াই এখান থেকেই শুরু হচ্ছে। যে সরকার নিজেদের পুলিশকে সুরক্ষা দিতে পারে না, সেই সরকার রাজ্যবাসীকে কি সুরক্ষা দেবে!” মেগা মিছিলের মঞ্চ থেকে তৃণমূলের শহিদ দিবসেই অর্থাৎ ২১ জুলাই বিডিও অফিস ঘেরাওয়ের ডাক দিলেন সুকান্ত মজুমদার। সকলকে এই লড়াইয়ে নামার আহ্বান জানান সুকান্ত।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: ‘বাংলায় কুস্তি, বেঙ্গালুরুতে দোস্তি’! বিরোধী বৈঠককে কটাক্ষ শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: ‘বাংলায় কুস্তি, বেঙ্গালুরুতে দোস্তি’! বিরোধী বৈঠককে কটাক্ষ শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘বাংলায় কুস্তি, বেঙ্গালুরুতে দোস্তি’! বিরোধী বৈঠককে কটাক্ষ করে ট্যুইট করলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। বেঙ্গালুরুতে ২৬টি বিরোধী দলের বৈঠককে কটাক্ষ করে এদিন ট্যুইট করলেন শুভেন্দু। সদ্য শেষ হয়েছে বাংলায় পঞ্চায়েত নির্বাচন। তাতে সন্ত্রাস হয়েছে বলে বিস্তর অভিযোগ সব বিরোধী দলের। সেখানে কংগ্রেস–সিপিএম ওই বৈঠকে তৃণমূলের সঙ্গে একসারিতে আসায় বাম-কংগ্রেসের ওপর তলার নেতাদের  কটাক্ষ করলেন শুভেন্দু। ২০২৪ লোকসভা ভোটে বিজেপিকে পরবর্তী দফায় ঠেকাতে একজোট হচ্ছে বাম-কংগ্রেস-তৃণমূল কংগ্রেস-এনসিপি-আপ-সমাজবাদী পার্টি সহ ২৬টি দল। পাটনার প্রথম বৈঠকের পর আজ বেঙ্গালুরুতে দ্বিতীয় মেগা বৈঠক বিরোধী জোটের। তাকেই কটাক্ষ করলেন শুভেন্দু।

    আরও পড়ুুন: “দুর্নীতি ওঁদের অনুপ্রেরণা”, বেঙ্গালুরুতে বিরোধী জোটের বৈঠককে নিশানা মোদির

    বিরোধীদের খোঁচা

    শুভেন্দু এদিন বিরোধী বৈঠক প্রসঙ্গে খোঁচা দিয়ে বলেন, ‘কর্মীরা খাবে পেটো, গুলি, রড-লাঠি; আর নেতাদের বরাদ্দ মুচমুচে ফিশ ফ্রাই ? কী রাজনীতি রে ভাই ! পঞ্চায়েত নির্বাচনে বাংলার শাসকদলের তাণ্ডব আটকাতে প্রাণ দিয়েছেন দলীয় কর্মীরা। তাঁদের মৃতদেহকে উপেক্ষা করছে এই সুবিধাবাদী জোট। বহু আহত কর্মী এখনও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। তাঁদের সান্ত্বনা দিতে কী যুক্তি দেবেন নেতারা ? সিপিএম এবং কংগ্রেস কর্মীদের (CPM and Congress Worker) প্রতি আমার করুণা হচ্ছে। নেতারাই তাঁদের পিঠে ছুরি মারলেন।’

    বিরোধী জোট নিয়ে গতকাল ট্যুইটে তোপ দাগতে ছাড়েননি  বাংলায় বিজেপির সহ পর্যবেক্ষক  অমিত মালব্য (Amit Malviya)। তিনি বলেন, ‘পঞ্চায়েত ভোটে ৫০-এর বেশি প্রাণহানি, তালিকায় কংগ্রেস কর্মীরাও। রাহুল গান্ধী কি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মুখোমুখি হবেন? এত মৃত্যুর জন্য রাহুল কি অনুশোচনা করবেন, নাকি আত্মসমর্পণ করবেন? এই রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাস নিয়ে রাহুলের নীরবতা তাঁর কাপুরুষতা ও সুযোগ সন্ধানী রাজনীতির উদাহরণ’। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     
     

  • Bengal BJP: পঞ্চায়েত নির্বাচনে সন্ত্রাস! ১৯ জুলাই কলকাতায় বিজেপির মহামিছিল

    Bengal BJP: পঞ্চায়েত নির্বাচনে সন্ত্রাস! ১৯ জুলাই কলকাতায় বিজেপির মহামিছিল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পঞ্চায়েত ভোট পরবর্তী বাংলায় ফের মিছিলের ডাক রাজ্য বিজেপির (Bengal BJP)। রাজ্যে সন্ত্রাসের প্রতিবাদে আগামী ১৯ জুলাই কলকাতায় মহা মিছিলের ডাক দিয়েছে গেরুয়া শিবির।  চূড়ান্ত পরিকল্পনা না হলেও ঠিক হয়েছে কলেজ স্ট্রিট থেকে ধর্মতলা পর্যন্ত হবে মিছিল। পঞ্চায়েত নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সন্ত্রাস ও গণনায় কারচুপির অভিযোগ এই মিছিলের সামনে থাকবেন রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার ও বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।

    বিজেপির সাংগঠনিক বৈঠক

    পঞ্চায়েত ভোটের পর রবিবার বিজেপির (Bengal BJP) পর্যালোচনা বৈঠক ছিল। আলোচনায় বারবার ভোটের সন্ত্রাস যেমন উঠে এসেছে, উঠে এসেছে বিজেপির সামগ্রিক ফল নিয়েও কাটাছেঁড়া। এদিন বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন রাজ্য বিজেপির সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। তিনি বলেন, “সাংগঠনিক বৈঠক নিয়ে বাইরে আমি বলতে পারব না। এটুকু বলতে পারি এতদিন কী কাজ হয়েছে তার পর্যালোচনা, পঞ্চায়েত ভোটের পর্যালোচনা এবং তাকে পাথেয় করে আগামী লোকসভা ভোটের প্রস্তুতি শুরুকে সামনে রেখে এই বৈঠক হয়েছে।” সুকান্ত জানান, পঞ্চায়েত ভোটের জন্য বহু কর্মসূচি বিজেপি পালন করে উঠতে পারেনি। এবার তা শুরু হবে। নরেন্দ্র মোদির সরকারের ৯ বছর পূর্ণ হওয়ার নানা কর্মসূচি রয়েছে তালিকায়। এদিনের বৈঠকে বিজেপির সাংগঠনিক জেলা ৪২ থেকে ৪৫ করার সিদ্ধান্ত হয়েছে। একইসঙ্গে মোদি সরকারের ৯ বছরের উদযাপনে ১৬ অগাস্ট ১ হাজার সভা করার সিদ্ধান্তও হয়েছে। একইসঙ্গে পঞ্চায়েতে লড়াই দিয়েছেন এমন জয়ী বিজিত সমস্ত প্রার্থীকেই দলের তরফে সংবর্ধনা দেওয়া হবে। জেলায় জেলায় সেখানকার প্রার্থীদের নিয়ে সংবর্ধনা সভা আয়োজন করার নির্দেশও দিয়েছে বিজেপি নেতৃত্ব।

    আরও পড়ুন: বিপর্যস্ত যাত্রী পরিবহণ! উত্তর হাওড়া থেকে কলকাতা গামী বহু বাসরুট বন্ধ

    মিছিল নিয়ে নানা পরিকল্পনা

    আগামী শুক্রবার, ২১ জুলাই তৃণমূলের ‘শহিদ দিবস’ রয়েছে। তার আগেই শহরের রাজপথে মিছিলের ডাক দিল বিজেপি (Bengal BJP)। রবিবার বিজেপির  বৈঠকে ছিলেন সর্বভারতীয় সহ-সভাপতি দিলীপ ঘোষও। রবিবারের বৈঠকে ডাকা হয়েছিল দলের বিভিন্ন মোর্চার নেতাদেরও। সেখানেই আগামী বুধবারের কর্মসূচি ঠিক হয়েছে। প্রাথমিক ভাবে ঠিক হয়েছে হাওড়া ও শিয়ালদহে জড়ো হবেন কলকাতার আশপাশের জেলা থেকে আসা কর্মী, সমর্থকরা। সেখান থেকে মিছিল আসবে কলেজ স্ট্রিটে। কলকাতা উত্তর ও দক্ষিণের কর্মীরা সরাসরি কলেজ স্ট্রিটে চলে আসবেন। সেখান থেকেই মূল মিছিল শুরু হয়ে ধর্মতলার দিকে যাবে। সুকান্ত মজুমদার বলেন, “আগামী ১৯ তারিখ আমরা কলকাতায় একটা মিছিল করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। সন্ত্রাসের প্রতিবাদে গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতেই এই বিরোধিতা হবে। পরে সবটাই জানিয়ে দেওয়া হবে।” 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: ‘‘ভোট-পরবর্তী হিংসায় ফের আক্রান্ত গ্রামবাংলা, এটাই কি গণতন্ত্র?’’ নিন্দা শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: ‘‘ভোট-পরবর্তী হিংসায় ফের আক্রান্ত গ্রামবাংলা, এটাই কি গণতন্ত্র?’’ নিন্দা শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোট পরবর্তী অশান্তির আঁচ ক্রমেই বাড়ছে। চারিদিকে আক্রান্ত রাজনৈতিক কর্মীরা। বোমা, গুলি, আগুন, আক্রমণ চলছেই। হাওড়ার আমতা জয়পুরে দুই বিজেপির (BJP) প্রার্থীর বাড়িতে আগুন লাগিয়ে দেওয়ার অভিযোগকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ছড়াল এলাকায়। গভীর রাতে একের পর এক বাড়িতে আগুন লাগিয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠল। এই পরিস্থিতিতে ট্যুইটে কড়া ভাষায় রাজ্য প্রশাসনকে আক্রমণ করলেন বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। ট্যুইটে তিনি লিখলেন, ভোটে অংশ নেওয়ায় শাসকের অত্যাচার, এটাই কি গণতন্ত্র? 

    উত্তপ্ত আমতা

    বৃহস্পতিবার রাতে বিজেপির গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রার্থী সোমা রায় সহ ৬ বিজেপি কর্মীর বাড়িতে আগুন লাগিয়ে দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ। এই ঘটনায় এক বৃদ্ধা অগ্নিদগ্ধ হয়েছেন বলেও সূত্রের খবর। বিজেপির দাবি, তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতী ছাড়া আর কেউ এ কাজ করতে পারে না। আমতা বিধানসভার অন্তর্গত আমড়াগোড়ি অঞ্চলের বিজেপির গ্রামসভার প্রার্থী সোমা রায়। বৃহস্পতিবার রাত আড়াইটা নাগাদ দুষ্কৃতীরা তাঁর বাড়িতে আগুন লাগিয়ে দেয়। হাওড়া গ্রামীণের বিজেপির জেলা সাধারণ সম্পাদক দ্বিজেন অধিকারী জানিয়েছেন, অগ্নিদগ্ধ অবস্থায় বৃদ্ধাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। পুলিশের বিরুদ্ধে অসহযোগিতার অভিযোগ তুলে তিনি বলেন, ‘পুলিশ ওদের দলদাস। মনোনয়ন থেকে দেখছি, পুলিশ ওদের কথা মতো চলছে। বিজেপি বারবার আক্রান্ত হওয়া সত্ত্বেও পুলিশ কিছু করছে না।’

    আরও পড়ুন: জেতার পরও মেলেনি সার্টিফিকেট, আলিপুরদুয়ারে সরব একাধিক বিজেপি প্রার্থী

    শুভেন্দুর ট্যুইট বার্তা

    এ প্রসঙ্গেই বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী ( Suvendu Adhikari ) লেখেন, ‘ভোট-পরবর্তী হিংসায় ফের আক্রান্ত গ্রামবাংলা। হাজার হাজার বিরোধী দলের প্রার্থী, পার্টি কর্মী ও সমর্থক রাজ্য জুড়ে আশ্রয়হীন হয়ে পড়েছেন। তাঁদের বাড়িতে হামলা করা হচ্ছে। আগুন লাগিয়ে দেওয়া হচ্ছে। বা তাঁদের প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে গ্রাম থেকে তাড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে। পশ্চিম মেদিনীপুর জেলায় সাবাং ব্লকের বিজেপি জেলা পরিষদের প্রার্থী তাপসী দাস বর্মণের মাথার উপর কোনও ছাদ নেই এবং তিনি ও তাঁর পরিবার বর্ষায় আশ্রয়ের জন্য মরিয়া হয়ে ঘর খুঁজছে। শতাধিক সেফ হাউস চালু করেছে রাজ্য বিজেপি। পঞ্চায়েত নির্বাচনে অংশ নেওয়ার জন্য  বিজেপি এবং অন্যান্য বিরোধী প্রার্থীদের তৃণমূলের গুন্ডারা  নির্যাতন করছে। এটাই কি গণতন্ত্র?’  

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Howrah: আমতায় একের পর এক বিজেপি সমর্থকের বাড়িতে ভাঙচুর, আগুন

    Howrah: আমতায় একের পর এক বিজেপি সমর্থকের বাড়িতে ভাঙচুর, আগুন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোট মিটে গেলেও এখনও পর্যন্ত জেলায় জেলায় অশান্তি থামেনি। বৃহস্পতিবারই উচ্চ আদালত নির্দেশ দিয়েছে, যে কোনও ধরনের অশান্তি ঘটলে কেন্দ্রীয় বাহিনী সরাসরি ঘটনাস্থলে পৌঁছে ব্যবস্থা নিতে পারে। কিন্তু তার পরেও পরিস্থিতির কোনও পরিবর্তন হয়নি। বৃহস্পতিবার আদালতের নির্দেশ দেওয়ার কয়েক ঘণ্টা পরেই গভীর রাতে হাওড়ার (Howrah) আমতায় একের পর এক বিজেপি সমর্থকের বাড়ি ভাঙচুর করে আগুন লাগিয়ে দেওয়ার ঘটনা ঘটল। গণনার পর থেকেই আমতার ওই এলাকা উত্তপ্ত ছিল। বৃহস্পতিবার রাতে কয়েকটি বাড়িতে আগুন লাগিয়ে দেওয়ার ঘটনায় এলাকা আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠল। এমনকী শাসক দলের নেতারা হুমকি দিচ্ছে বলেও অভিযোগ বিরোধী দলের। বৃহস্পতিবার রাতে বিজেপির গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রার্থী সোমা রায় সহ ৬ বিজেপি কর্মীর বাড়িতে আগুন লাগিয়ে দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ। এই ঘটনায় এক বৃদ্ধা অগ্নিদগ্ধ হন। বিজেপির দাবি, তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতী ছাড়া আর কেউ এ কাজ করতে পারে না।

    ভয়াবহ সেই ঘটনার (Howrah) বিবরণ

    আমতা (Howrah) বিধানসভার অন্তর্গত আমড়াগোড়ি অঞ্চলের কাঁকরোল গ্রামে বিজেপির গ্রামসভার প্রার্থী সোমা রায়ের অভিযোগ, বৃহস্পতিবার রাত আড়াইটে নাগাদ দুষ্কৃতীরা তাঁর বাড়িতে আগুন লাগিয়ে দেয়। আতঙ্কে গ্রামছাড়া এলাকার একাধিক পরিবার। বিজেপির আরও অভিযোগ, ঘরগুলোতে বাইরে থেকে শিকল লাগিয়ে দেওয়া হয়। প্রতিবশীরাই তাদের দরজার শিকল খুলে ঘর থেকে বেরিয়ে আসতে সাহায্য করে। এই ঘটনায় কোনওক্রমে বাড়ির বাসিন্দারা বেরোতে পারলেও আগুনে পুড়ে মরেছে হাঁস, মুরগি সহ গবাদি পশু। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে আসে জয়পুর থানার পুলিশ, কেন্দ্রীয় বাহিনী জওয়ানরা। অভিযোগ, ভোটে বিজেপির হয়ে দাঁড়ানোর পর থেকেই হুমকি আসছিল। তৃণমূলের নেতারা বাড়িঘর জ্বালিয়ে দিয়ে এলাকা ছাড়া করার হুমকি দিয়ে আসছিল। কিন্তু তারা তৃণমূলের হুমকি উপেক্ষা করেই সেখানে বসবাস করছিলেন। কিন্তু বৃহস্পতিবার রাতে তৃণমূল সত্যিই যে ঘরদোর জ্বালিয়ে দেবে, তাঁরা তা বুঝে উঠতে পারেননি।

    কী বলছে বিজেপি প্রার্থীর পরিবা (Howrah) ?

    ভূদেব রায় ও স্বপন রায় দুই ভাই। ভূদেবের স্ত্রী কল্পনা রায় ও স্বপনের স্ত্রী ঝুমা রায়। দুই জা বিজেপির হয়ে এবারে পঞ্চায়েত নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন। অমরাগড়ি এলাকার ৪৩ ও ৩৭ নম্বর দুটি বুথ থেকে দুজনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন। স্বপন রায় বলেন, স্থানীয় তৃণমূলের নেতারা আমাদের ভোটে দাঁড়াতে বারণ করেছিল। আমরা তাদের বারণ উপেক্ষা করে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করি। তারপর থেকেই আমাদের হুমকি দিয়ে আসছিল। কিন্তু সত্যিই যে তারা আমাদের ঘরে (Howrah) পেট্রোল ঢেলে আগুন জ্বালিয়ে দেবে, তা আমরা বুঝতে পারিনি।

    তীব্র নিন্দা শুভেন্দু অধিকারীর

    হাওড়া গ্রামীণের বিজেপির জেলা সাধারণ সম্পাদক দ্বিজেন অধিকারী বলেন, পুলিশ ওদের দলদাস। মনোনয়ন থেকে দেখছি, পুলিশ ওদের কথা মতো চলছে। বিজেপি বারবার আক্রান্ত হওয়া সত্ত্বেও পুলিশ কিছু করছে না। এই ঘটনার তীব্র নিন্দা করেছেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। সোমা রায়ের বাড়ি (Howrah) কীভাবে পুড়েছে, সেই ছবি তিনি ট্যুইটারে পোস্ট করেছেন। তাঁর দাবি, গ্রামাঞ্চলে ভোট পরবর্তী হিংসার শিকার কয়েক হাজার বিরোধী দলের কর্মী। তাঁদের বাড়িতে আগুন লাগিয়ে গ্রামছাড়া করা হচ্ছে বলেও দাবি করেছেন শুভেন্দু।

    কী বলছে তৃণমূল?

    যদিও তৃণমূল তাদের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ অস্বীকার করেছে। আমতা কেন্দ্র তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি সেলিমুল আলম জানান, যে জায়গায় ঘরগুলি আগুনে পুড়ে গেছে সেই জায়গা নিয়ে আইনি জটিলতা চলছিল। আইনি জটিলতা কাটাতে ইচ্ছে করে ঘরে আগুন লাগিয়ে দিয়ে তৃণমূলের নামে মিথ্যা অভিযোগ করা হচ্ছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • BJP: ভোটের ফল বের হতেই কনিষ্ক পণ্ডাকে গ্রেফতার, শুভেন্দু ঘনিষ্ঠ হওয়ায় কি অপরাধ!

    BJP: ভোটের ফল বের হতেই কনিষ্ক পণ্ডাকে গ্রেফতার, শুভেন্দু ঘনিষ্ঠ হওয়ায় কি অপরাধ!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তিনি বিজেপির (BJP) কোনও পদে নেই। সক্রিয় কর্মী হিসেবে তাঁকে দলের নেতারা মানতে পারছেন না। রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী ঘনিষ্ঠ বলেই কী কনিষ্ক পণ্ডাকে গ্রেফতার করা হল। পূর্ব মেদিনীপুর জেলা জুড়ে এখন এই বিষয় নিয়ে চর্চা চলছে।

    কনিষ্ককে গ্রেফতার করতে কতজন পুলিশ কর্মী এসেছিলেন, জানেন?

    আজ দুপুরে আচমকাই জনা ৩০ পুলিশ বাহিনী গিয়ে তার বাড়ি ঘিরে ফেলে। হকচকিয়ে যান শুভেন্দু ঘনিষ্ঠ কনিষ্ক পণ্ডা। তার নামে ওয়ারেন্ট আছে বলে তাকে বেরোতে বলে পুলিশ। কি কারণে ওয়ারেন্ট জানতে চান কনিষ্ক পণ্ডা। পাশাপাশি পুলিশের কথায় না বেরোতে চাইলে দরজা ধাক্কা মেরে ভাঙার উপক্রম করে পুলিশ। তারপর তিনি বেরিয়ে আসেন। তাঁকে গ্রেফতার করে এখন মারিশদা থানায় রাখা হয়েছে।

    কে এই কনিষ্ক?

    কাঁথি তথা পূর্ব মেদিনীপুর জেলার রাজনীতিতে কনিষ্ক পণ্ডা পরিচিত নাম হলেও রাজ্য রাজনীতিতে কনিষ্ক পণ্ডা পরিচিত হয়ে ওঠেন শুভেন্দু ঘনিষ্ঠ নেতা হিসাবে। তৃণমূল কংগ্রেস ছেড়ে বিজেপিতে যোগদানের সময় শুভেন্দু অধিকারীর ভবিষ্যৎ পথ চলা নিয়ে সবাই যখন সন্ধিহান সেই সময় প্রচারের আলোয় চলে আসেন কাঁথির এই নেতা। সেটা ২০২০ সালের শেষ সময়। দীর্ঘদিন জাতীয় কংগ্রেসের হয়ে রাজনীতি করেছেন। তারপর বিজেপিও করেছেন কিছুদিন। তারপর যোগ দিয়েছিলেন তৃণমূল কংগ্রেসে। শেষে  শুভেন্দু ঘনিষ্ঠ হিসাবে তৃণমূলের সঙ্গ ত্যাগ করেন তিনি। শুভেন্দু অধিকারী বিজেপিতে (BJP) যোগদান করার পর নন্দীগ্রাম থেকে ভোটে লড়াই করে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে হারিয়ে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা হয়েছেন। কিন্তু, এই দু বছরে সেভাবে দেখা যায়নি কনিষ্ককে। মাঝেমধ্যে কখনো কখনো শুভেন্দু অধিকারীর বিভিন্ন দলীয় অনুষ্ঠানে তাঁকে দেখা গেলেও বিজেপির কোনও পদে ছিলেন না তিনি। এহেন কনিষ্ককে পঞ্চায়েত ভোটের ফলাফলের পরের দিন পুলিশ কেন গ্রেফতার করল তা নিয়ে ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছে। সূত্রের খবর, পুরানো বহু রাজনৈতিক মামলাতে অভিযুক্ত রয়েছেন কনিষ্ক পন্ডা। কোনও অভিযোগ করেছে সিপিএম, কোনটা তৃণমূল কংগ্রেস। ঠিক কোনও অভিযোগের ভিত্তিতেই গ্রেফতার করেছে পুলিশ, তা জানা যায়নি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: ‘‘এটা যে জনমত নয় তা সকলেই জানেন’’, পঞ্চায়েত ফলাফলকে কটাক্ষ শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: ‘‘এটা যে জনমত নয় তা সকলেই জানেন’’, পঞ্চায়েত ফলাফলকে কটাক্ষ শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২৪-ঘণ্টা কেটে গেলেও এখনও চলছে পঞ্চায়েত ভোটগণনার (Panchayat Elections 2023) কাজ। ফলে, চূড়ান্ত ফল আসতে এখনও কিছুটা দেরি। তবে, তৃণমূল কংগ্রেস যে অনেকটাই এগিয়ে রয়েছে, তা একপ্রকার নিশ্চিত। শাসক শিবির যে জিতছে, তা ধরে নিয়েই আগাম শুভেচ্ছা জানিয়েছেন তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। যদিও, পঞ্চায়েত ভোটে তৃণমূলের এই জয়কে আমল দিতে নারাজ নন্দীগ্রামের বিজেপি বিধায়ক তথা রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। তাঁর কটাক্ষ, এটা যে জনমত নয়, তা সকলেই জানেন।

    ঠিক কী বলেছেন শুভেন্দু?

    মঙ্গলবার সাংবাদিক সম্মেলনে শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) বলেন, ‘‘প্রশাসনের সঙ্গে মানুষ কীভাবে লড়বে। এটা জনমতের প্রকৃত প্রতিফলন নয়। এবারের নির্বাচনে ২০ হাজারের বেশি আসন তৃণমূলের পাওযার কথা নয়। কোচবিহার, আলিপুরদুয়ার, জলপাইগুড়ি, পুরুলিয়ায় বিজেপির জয় হতো। রাজ্যের পুলিশ কার্যত খোলাখুলি সমর্থন করল। আদালতে আমাদের লড়াই চলবে। বহু কাউন্টিং এজেন্ট বাড়ি ফিরতে পারছেন না ভয়ে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আজ দু-তিনবার ফোন করেছেন। কেন্দ্রীয় নেতারা এটা নিয়ে ভাবিত নন, কারণ এটা যে জনমত নয় তা সকলেই জানেন।’’

    গণনা নিয়ে কী অভিযোগ বিরোধী দলনেতার?

    ভোট গণনা (Panchayat Elections 2023) নিয়েও বিস্ফোরক অভিযোগ তোলেন শুভেন্দু অধিকারী। ব্যালট পেপার গোনা ও বাছাইয়ের ক্ষেত্রে তৃণমূলকে বাড়তি সুবিধা পাইয়ে দেওয়ার অভিযোগে সরব হন বিরোধী দলনেতা। শুভেন্দুর (Suvendu Adhikari) অভিযোগ, প্রিসাইডিং অফিসারের সই না থাকলেও তৃণমূলের পক্ষে যাওয়া ব্যালট পেপারগুলি গৃহিত হয়েছে। আর তেমনই ব্যালটে যদি বিরোধীদের পক্ষে ভোট গিয়ে থাকে, তাহলে সেগুলি বাতিল করে দেওয়া হয়েছে।

    আরও পড়ুন: নন্দীগ্রামে শুভেন্দুর গড়ে গেরুয়া ঝড়, আবির মেখে উচ্ছ্বাস বিজেপি কর্মীদের

    এদিকে, তৃণমূলের জয় নিয়ে শাসকদলের নেতা হয়েও দলের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক ইসলামপুরের বিধায়ক আব্দুল করিম চৌধুরী (Abdul Karim Chowdhury)। তিনি বলেন “এরকম রক্তাক্ত করে জিতে কী হবে। জেতার জন্য খুন, লুট, পুলিশকে ব্যবহার করা যায় না।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Panchayat Election 2023: “পঞ্চায়েত নির্বাচন প্রহসন”, কটাক্ষ শুভেন্দুর, দিলেন ‘প্রমাণ’ও

    Panchayat Election 2023: “পঞ্চায়েত নির্বাচন প্রহসন”, কটাক্ষ শুভেন্দুর, দিলেন ‘প্রমাণ’ও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “পঞ্চায়েত নির্বাচনকে (Panchayat Election 2023) নির্বাচন নয়, প্রহসন” বলে কটাক্ষ করলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা বিজেপির (BJP) শুভেন্দু অধিকারী। বিস্ফোরক একটি ভিডিও-ও পোস্ট করেছেন তিনি। যাতে দেখা যাচ্ছে, কীভাবে বুথ জ্যাম করে ভোট লুঠ হচ্ছে। শুভেন্দু বলেন, “তৃণমূল মানেই চোর! এই চোর তকমা আঞ্চলিক দল তোলামুলের অস্তিস্তের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। এরা সব পারে।“

    শুভেন্দুর বাণ

    ফেসবুকে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা লিখেছেন, “২০২৩ পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য পঞ্চায়েত ‘প্রহসন’ থুড়ি ‘নির্বাচন’: প্রথম ধাপ– মক্কা থেকে মনোনয়ন: সর্বশক্তি দিয়ে বিরোধীদের মনোনয়ন জমা দিতে বাধা, কিন্তু গিনিস বুকে নাম উঠিয়ে ৮ ঘণ্টায় ৭০ হাজার তোলামুলি মনোনয়ন দাখিল করা।

    দ্বিতীয় ধাপ- সাদা থান (Panchayat Election 2023) করো দান: খুন, অপহরণ, ভাঙচুর, ধমকি দিয়ে বিরোধীদের মনোনয়ন প্রত্যাহার করানো। তৃতীয় ধাপ- ভোটের নামে পুকুর চুরি: এতদিন বাংলার মানুষ ভোটের নামে পুকুর চুরি দেখতে অভ্যস্ত ছিলেন। এবার দেখলেন ছাপ্পা মেরে পুকুর চুরি করার ফল, ব্যালট বাক্স সোজা পুকুরে।

    ভোট নয়, প্রহসন!

    চতুর্থ ধাপ- বাক্স বদল: গতকাল পশ্চিমবঙ্গে পঞ্চায়েত নির্বাচনের নামে মানুষ খুন, লুঠ, চুরি, ছাপ্পা দেদার চলেছে রাজ্য নির্বাচন কমিশনের অবহেলায় এবং অদক্ষতায়। প্রায় বেশিরভাগ বুথেই লুঠ হয়েছে। বাকি (Panchayat Election 2023) যে কটা বুথে গ্রামবাসীদের প্রতিরোধে ভোট লুঠ ঠেকানো গেছে সেগুলোও জিততে হবে তোলামুলকে।

    শুভেন্দু লিখেছেন, বহরমপুরের বিডিও অভিনন্দন ঘোষ, সঙ্গে জয়েন্ট বিডিও এবং অবজারভারের ওপর গুরুতর অভিযোগ আনছেন স্থানীয় লোকজন। আজ ভোর ৩টা থেকে নাকি বহরমপুর, মুর্শিদাবাদের স্ট্রংরুম থেকে ব্যালট বাক্স চুরি হয়েছে অনেক লোক লাগিয়ে। সারারাত একটা টিম যথারীতি কাজ শেষ করে দিয়েছে। রাজ্যের বিরোধী দলনেতার অভিযোগ, এই বাক্সগুলি নিয়ে গিয়ে রাজ্যের শাসক দলের রেডি করা ব্যালট বাক্স (Panchayat Election 2023) গণনার আগে স্ট্ররুমে রেখে দেওয়া হয়েছে। এক কথায়, বাক্স বদল। দলদাস প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের মদতে।

    আরও পড়ুুন: ভোট পরবর্তী সন্ত্রাস! আসানসোলে ঘরছাড়া বিজেপি কর্মীরা

    এরপর অন্তিম ধাপ- জাল শংসাপত্র ছাপিয়ে হেরে যাওয়া আসনে জয়ী হয়ে যাওয়া। এই সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়া যায় না। এই পোস্টেই ভিডিও আপলোড করে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা লিখেছেন, তোলামুল কর্তৃক অভিনীত বাক্স বদল। চিত্রনাট্য পিসি-ভাইপো। পরিচালনা রাজীব সিনহা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Panchayat Elections 2023: নির্বাচন কমিশনারের দফতরে বিজেপির সাধারণ সম্পাদক, কী দাবি জানালেন?

    Panchayat Elections 2023: নির্বাচন কমিশনারের দফতরে বিজেপির সাধারণ সম্পাদক, কী দাবি জানালেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পঞ্চায়েত নির্বাচনে (Panchayat Elections 2023) ব্যাপক হিংসার প্রতিবাদে শনিবারই রাজ্য নির্বাচন কমিশনে তালা ঝুলিয়ে দিয়েছিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা বিজেপির শুভেন্দু অধিকারি। প্রতীকী ওই প্রতিবাদের পর রবিবার রাজ্য নির্বাচন কমিশনার রাজীব সিনহার সঙ্গে সাক্ষাৎ করলেন বিজেপির সাধারণ সম্পাদক জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায়।

    বিজেপির দাবি

    কমিশনারের ঘর থেকে বেরিয়ে সাংবাদিক বৈঠক করেন জগন্নাথ। বলেন, যেখানে যেখানে ছাপ্পা হয়েছে, সাধারণ মানুষ ভোট দিতে পারেননি, সেখানে সেখানে আমরা পুনর্নির্বাচন চাইছি। ১০-১২ হাজার বুথে পুনর্নির্বাচনের দাবি জানানো হয়েছে। পুনর্নির্বাচন না হলে রাজ্য নির্বাচন কমিশন ও রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে কলকাতা হাইকোর্টে আদালত অবমাননার মামলা করব। ১১ তারিখ ভোট গণনা হবে। সেখানেও জোরদার নিরাপত্তার দাবি জানাচ্ছি।

    ভোট উৎসবে রক্তের হোলি

    শনিবার পঞ্চায়েত নির্বাচনের (Panchayat Elections 2023) দিন সকাল থেকেই অশান্তির খবর মিলেছে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে। কোথাও বিরোধী দলের নেতা-কর্মীদের খুন করা হয়েছে। কোথাও আবার তৃণমূলেরই দুই গোষ্ঠীর লড়াইয়ের বলি হয়েছেন কেউ। সব মিলিয়ে দিনের শেষে দেখা গেল এই একদিনেই রাজনৈতিক হিংসার বলি হয়েছেন ১৯ জন। এর মধ্যে রয়েছেন এক ভোটারও। (অবশ্য নির্বাচন কমিশনারের দাবি মৃত্যু হয়েছে ১০ জনের।) এছাড়াও বোমাবাজি, গুলি চালানো, আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে শাসক দলের কর্মীদের দাপাদাপি, দেদার ছাপ্পা দেওয়ার অভিযোগও উঠেছে। তার পরেই প্রতীকী প্রতিবাদ হিসেবে ভোটের দিনই সন্ধেয় নির্বাচন কমিশনারের দফতরে তালা ঝুলিয়ে দেন শুভেন্দু। তার ঠিক পরের দিনই নির্বাচন কমিশনারের সঙ্গে দেখা করে গুচ্ছ দাবি জানালেন বিজেপির সাধারণ সম্পাদক।

    আরও পড়ুুন: ভোট পরবর্তী সন্ত্রাস! আক্রান্ত দলীয় কর্মীদের বাড়ি বাড়ি গেলেন সুকান্ত

    এদিকে, শনিবার নির্বাচনের (Panchayat Elections 2023) দিন রাজ্যের বিভিন্ন ভোট কেন্দ্র পরিদর্শনের পর রবিবার দিল্লির বিমান ধরেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস। ভোট শেষে শনিবার হিংসা নিয়ে সাংবাদিক সম্মেলনে তিনি বলেছিলেন, একজন রাজ্যপালের যা করণীয়, তা-ই করব। তার পর রবিবার দিল্লি যাওয়ার খবর ছড়িয়ে পড়তেই দানা বেঁধেছে নানা জল্পনা। রাজ্যপাল দিল্লিতে যাওয়ার পরেই তাঁর সঙ্গে সাক্ষাৎ হতে পারে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর। তবে রাজ্যপাল নিজে উদ্যোগী হয়ে দিল্লিতে যাচ্ছেন, নাকি তাঁকে তলব করা হয়েছে, তা জানা যায়নি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Panchayat election 2023: পঞ্চায়েত নির্বাচনে অবাধ ছাপ্পা, হিংসা, প্রতিবাদে ‘ঠুঁটো’ নির্বাচন কমিশনের দফতরে তালা শুভেন্দুর

    Panchayat election 2023: পঞ্চায়েত নির্বাচনে অবাধ ছাপ্পা, হিংসা, প্রতিবাদে ‘ঠুঁটো’ নির্বাচন কমিশনের দফতরে তালা শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পূর্ব মেদিনীপুরের নন্দীগ্রামের একটি বুথে শনিবার ভোটাধিকার (Panchayat election 2023) প্রয়োগ করেছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা তথা নন্দীগ্রামের বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারি। রাজ্যের বিভিন্ন জায়গা থেকে খুন, জখম, ভোট লুঠ, শাসকের অবাধ ছাপ্পার ছবি বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে সম্প্রচারিত হওয়া সত্ত্বে ঠুঁটো হয়ে বসেছিলেন রাজ্য নির্বাচন কমিশনার। তার প্রেক্ষিতেই শুভেন্দু নন্দীগ্রামে দাঁড়িয়েই বলেছিলেন, রাজ্য নির্বাচন কমিশনের অফিসে তালা ঝোলাবেন তিনি।

    হুঁশিয়ারি শুভেন্দুর

    তাঁর ওই হুঁশিয়ারির ঘণ্টা চারেক পরেই পঞ্চায়েত নির্বাচনে হিংসার প্রতিবাদে কমিশনের অফিসে তালা ঝুলিয়ে দিলেন তিনি। শনিবার সন্ধ্যায় দলীয় নেতা-কর্মীদের নিয়ে রাজ্য নির্বাচন কমিশনের অফিসে যান শুভেন্দু। তারপরেই দেন তালা ঝুলিয়ে। তিনি বলেন, “গোটা পশ্চিমবঙ্গের অধিকাংশ মানুষ আজ ভোট (Panchayat election 2023) দিতে পারেননি। এই ভোটগুলো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশে, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ব্যবস্থাপনায় রাজীব সিনহার উদ্যোগে লুঠ হয়ে গিয়েছে। আমার এই নিয়ে চারবার আসা হল। আমাদের ইলেকশন কো-অর্ডিনেটর শিশির বাজোরিয়ার ১০ বার আসা হল। বারে বারে প্রতিবাদ করেছেন সবাই। এই নির্বাচনের যে সব ত্রুটি-বিচ্যুতি আছে, তা দেখিয়ে দেওয়ার দায়িত্ব এ রাজ্যের প্রধান বিরোধী দল ভারতীয় জনতা পার্টির। তাই আমরা সারাদিন মাঠে-ময়দানে লড়াই করেছি।”

    শুভেন্দুর দাবি

    তিনি বলেন, “সাংবিধানিক বডির কাছে আমাদের আসতে হয়েছে। মহামান্য উচ্চ আদালতের নির্দেশ ছিল, সিসিটিভি মনিটরিং করতে হবে। রাজ্যে ভোটের নামে প্রহসন হয়েছে। আমরা নির্দিষ্ট কয়েকটি প্রস্তাব দিচ্ছি। সিসি ক্যামেরায় যদি ছাপ্পা (Panchayat election 2023) হয়েছে দেখা যায়, তবে ফের ভোট করতে হবে। যেখানে সিসি ক্যামেরা দেখা গিয়েছে গতকাল (শুক্রবার) ব্যালটে ছাপ মারা হয়েছে, সেই প্রিসাইডিং অফিসারের বিরুদ্ধে এফআইআর করতে হবে। যখন ব্যালট বাক্স সিল করা হচ্ছে, তখন বিজেপি প্রার্থীকে রাখা হয়নি, এমন ঘটনা যেখানে ঘটেছে সেখানে আবার ভোট করাতে হবে।” এদিন শুভেন্দুর তালা ঝোলানোর পরপরই অবশ্য তালা খুলে ফেলে পুলিশ।

    আরও পড়ুুন: হানাহানির ভোটে শীর্ষে মুর্শিদাবাদ, দ্বিতীয় কোচবিহার! ভোটের দিন খুন ১৫

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share