Tag: Swami Vivekananda

Swami Vivekananda

  • Narendra Modi: নিজে হাতে মন্দির সাফ করলেন প্রধানমন্ত্রী, জাতীয় যুব দিবসে শোনালেন বিবেক বাণী

    Narendra Modi: নিজে হাতে মন্দির সাফ করলেন প্রধানমন্ত্রী, জাতীয় যুব দিবসে শোনালেন বিবেক বাণী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক:  জাতীয় যুব দিবসে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে (Narendra Modi) জঞ্জাল সাফাই করতে দেখা গেল। মহারাষ্ট্রের কলারাম মন্দির প্রাঙ্গণ এদিন নিজের হাতেই সাফ করতে থাকেন প্রধানমন্ত্রী। প্রসঙ্গত শুক্রবার সকালেই রাম মন্দির উদ্বোধনের আগে ১১ দিন নিজের ব্রত পালনের কথা বলেন মোদি। তাঁর ইউটিউব চ্যানেলে আবেগপ্রবণ হয়ে  অডিও বার্তা দেন তিনি। করেন ট্যুইটও। জাতীয় যুব দিবসে নাসিকে বক্তব্যও রাখেন প্রধানমন্ত্রী। শোনান বিবেক বাণীও।

    রাম মন্দির উদ্বোধনের আগে দেশের ধর্মস্থানগুলিকে পরিষ্কার রাখার আর্জি প্রধানমন্ত্রীর

    প্রসঙ্গত, বেশ কিছুদিন আগেই প্রধানমন্ত্রী মোদি (Narendra Modi) দেশবাসীর কাছে আর্জি রেখেছিলেন, রাম মন্দির উদ্বোধনের আগে দেশের সমস্ত মন্দির প্রাঙ্গণ এবং তীর্থস্থান পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে। এর জন্য বিশেষভাবে স্বচ্ছতা অভিযানে নামার অনুরোধও করেন তিনি দেশের মানুষকে। সেই মতো শুক্রবার নিজেই শুরু করলেন ধর্মস্থান স্বচ্ছতা অভিযান। নাসিকের কলারাম মন্দিরে এদিন প্রথমে  তিনি মারাঠি সন্ত একনাথের ভবার্থ রামায়ণ গাঁথা শোনেন। তারপর ওই মন্দিরেই ঝাঁটা, বালতি হাতে নেমে পড়েন নমো। সাফাই অভিযানের ছবি মুহূর্তের মধ্যে ভাইরাল হয়।

    জাতীয় যুব দিবসে বিবেকানন্দ স্মরণ

    শুক্রবার তিনি ভারতের দীর্ঘতম অটল সেতুরও উদ্বোধনও করবেন। তার আগে যুব দিবসে সকালে নাসিকের যুব সমাজের উদ্দেশ্যে বক্তব্যও রাখেন তিনি। প্রধানমন্ত্রী (Narendra Modi) বলেন, ‘‘মহর্ষি অরবিন্দ এবং স্বামী বিবেকানন্দ বলতেন যে তরুণদের স্বাধীন চিন্তা ভারতকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে একটি বড় ভূমিকা পালন করে। আজকের তরুণ প্রজন্ম উন্নয়ন ও উত্তরাধিকার দুটোই চায়। আজকের তরুণ প্রজন্ম দাসত্বের প্রভাব থেকে মুক্ত।’’

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Howrah: স্বামীজির স্মৃতিবিজড়িত স্থান ঘিরে এখন পার্কিং জোন, প্লেট ঢেকেছে মুহুরিদের প্লাস্টিকে

    Howrah: স্বামীজির স্মৃতিবিজড়িত স্থান ঘিরে এখন পার্কিং জোন, প্লেট ঢেকেছে মুহুরিদের প্লাস্টিকে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হাওড়ার যে রেজিস্ট্রি অফিসে বেলুড় মঠের জমি রেজিস্ট্রি করতে এসেছিলেন স্বামী বিবেকানন্দ স্বয়ং, সেই জায়গা এখন হয়ে উঠেছে পার্কিং জোন। ভবনের সামনের অংশে একটা প্লেট দেওয়া আছে ঠিকই, কিন্তু তা ঢেকে গিয়েছে মুহুরিদের টাঙানো প্লাস্টিকে। মহাপুরুষরা যেখানে যেখানে যান বা গিয়েছেন, তার প্রতিটি জায়গা হেরিটেজ বলে ঘোষণা করা সম্ভব নয়। কিন্তু যে সব জায়গায় মহাপুরুষদের স্মৃতি আছে, সেখানে একটা ফলক বসিয়ে দিলেই কি যথেষ্ট শ্রদ্ধা দেখানো হয় যায়? এমন প্রশ্ন দেখা দিয়েছে অনেকের মনেই। তাছাড়া যেভাবে দায়সারা করে একটি মূর্তি বসিয়ে তার নীচে ফলক দেওয়া হয়েছেে, তাতে এই জায়গায় ঐতিহাসিক গুরুত্ব পথচারীরা জানতে পারছেন কিনা, সেই প্রশ্নও উঠতে শুরু করেছে। তাছাড়া নাগরিক সমস্যাও রয়েছে।

    দুর্ঘটনা এখানে লেগেই থাকে

    বিবেকানন্দের মূর্তি ফুটপাতের যেখানে বসানো হয়েছে, তার দুপাশ ঘেরা। ফলে পথচারীরা এই ফুটপাত দিয়ে চলাফেরা করতে পারেন না। সামনে আবার সার সার গাড়ি দাঁড়িয়ে। বাধ্য হয়েই এখানে ফুটপাতের বদলে রাস্তা ধরে যাতায়াত করতে হয়। রেজিস্ট্রি অফিস, হাওড়া আদালত, হাওড়া পুরসভা ও জেলা পরিষদে আসা লোকজনের ভিড় থাকে প্রতিদিনই। কোর্ট ও রেজিস্ট্রি অফিসেও নিত্যদিনের ভিড় যথেষ্ট। হাটের দিন আবার দশগুণ ভিড় হয়। ফলে ছোট ও মাঝারি দুর্ঘটনা এখানে লেগেই থাকে। উল্টো দিকেই হাওড়া জেলাশাসকের অফিস, কাছেই হাওড়া থানা ও পুলিশ কমিশনারের অফিস। তাও এই জায়গার চরম অব্যবস্থা কেন কারও চোখে পড়ে না, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন আদালতে প্রায়ই যাঁরা নানা কাজে আসেন তাঁরা। হাওড়ার ডেপুটি ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে এই জায়গায় নিত্য আসতেন বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়। কিন্তু কোথায় সেই ফলক রয়েছে, তা বলে না দিলে কেউ খুঁজেও পাবে না। সময়ের সঙ্গে এই জায়গার ব্যস্ততা বেড়েছে। ভিড় বেড়েছে। ভবনের সংস্কার হয়েছে, কাছাকাছির মধ্যে নির্মাণ হয়েছে। কিন্তু ঐতিহ্যকে যে অবহেলা করে সেসব করা হয়েছে, তা সাধারণের চোখে এমনিতেই ধরা পড়ে যায়। আর নানা রকম কর্মকাণ্ড হলেও পথচারীদের নিরাপত্তাকে যে গুরুত্ব দেওয়া হয়নি, তাও স্পষ্ট।

    পরিকল্পনার অভাব

    এই জায়গায় নতুন করে কিছু করা এই মুহূর্তে সম্ভব না হলেও, বঙ্কিম সেতু ও জি টি রোডের সংযোগস্থলে যেখানে ট্যাক্সি স্ট্যান্ড গজিয়ে উঠেছে, হাওড়া ময়দান মেট্রো প্রকল্পের কাজ চলাকালীন সেখানে কেন পার্কিং লট বানানো হল হল না, সেই প্রশ্নও উঠছে। এই এলাকায় ছবি গত দশ বছরে পুরো বদলে গিয়েছে। কিন্ত যা হয়েছে তার কিছুই যে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা করে করা হয়নি তা স্পষ্ট। এখনও মেট্রো রেল চালু হয়নি। এখনই সরকারি স্তরে উদ্যোগ শুরু হলে নিউ মার্কেটের মতো এখানেও মাটির নিচে পার্কিং লট তৈরি করে রাস্তা ও ফুটপাত সাধারণের চলাচলের উপযোগী করা যায়।

    পুরসভা অন্ধকারে

    অন্যদিকে হাওড়া আদালতের সামনে হাওড়া পুরসভা অনুমোদিত যে পার্কিং জোন রয়েছে, তার আয়তন কতটা, তার সঠিক তথ্য নেই পুরসভার কাছেই। ফলে পার্কিং ফি নেওয়ার দায়িত্ব যে এজেন্সির কাছে, তারা যথেচ্ছ ভাবে ডবল লাইন করে যত্রতত্র গাড়ি পার্কিংয়ের অনুমতি দেয়। আর এর ফলেই যানজট এবং মাঝেমধ্যেই পার্কিংকে কেন্দ্র করে গন্ডগোল লাগে এখানে। কয়েক বছর আগে ডবল লাইনে পার্কিংকে কেন্দ্র করে আইনজীবীদের সঙ্গে গন্ডগোলে উত্তাল হয়ে উঠেছিল হাওড়া ময়দান এলাকা। এমনকী র‍্যাফ নামিয়ে পরিস্থিতি সামাল দিতে হয়। হাওড়া পুরসভার প্রশাসক মণ্ডলীর চেয়ারম্যান সুজয় চক্রবর্তী জানিয়েছেন, হাওড়া আদালতের সামনে পার্কিং ঠিক কতটা জায়গা জুড়ে রয়েছে বিষয়টি খতিয়ে দেখতে হবে। যদি রেজিস্ট্রি অফিসের কাছে পার্কিংয়ের অনুমতি না থাকে তাহলে সেখান থেকে পার্কিং তুলে দেওয়ারও উদ্যোগ নেওয়া হবে বলে তিনি জানান।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Antpur: স্বামী বিবেকানন্দ সন্ন্যাসের শপথ নিয়েছিলেন এখানেই, চলুন ঘুরে আসি হুগলির আঁটপুর

    Antpur: স্বামী বিবেকানন্দ সন্ন্যাসের শপথ নিয়েছিলেন এখানেই, চলুন ঘুরে আসি হুগলির আঁটপুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এক সময় এই অঞ্চলের নাম ছিল “বিষখালি”। তৎকালীন বর্ধমান জেলার রেসিডেন্সির দেওয়ান আঁটর খাঁ-র নামে এই প্রাচীন জনপদের নতুন নামকরণ করা হয় “আঁটপুর” (Antpur)।বাঁকুড়া জেলার বিষ্ণুপুরের মতোই টেরাকোটার শিল্পশৈলীতে গড়া মন্দিরের জন্য বিখ্যাত এই আঁটপুর। এই মন্দিরগুলির মধ্যে সর্বাপেক্ষা উল্লেখযোগ্য হল রাধাগোবিন্দ জিউ-এর মন্দির। ১৭৮৬-১৭৮৭ সালে বর্ধমানের মহারাজের দেওয়ান কৃষ্ণরাম মিত্র এই মন্দিরটি নির্মাণ করেন। ১০০ ফুট উচ্চতার চারচালার ছাদ ও চারটি খিলানযুক্ত স্তম্ভের উপর দাঁড়িয়ে থাকা মন্দিরটির সর্বত্র টেরাকোটার অপূর্ব শিল্পকর্ম রয়েছে। গর্ভগৃহে রয়েছে কষ্টি পাথরের শ্রীকৃষ্ণ মূর্তি। মন্দিরটির চারকোণা গম্বুজ আকৃতির। দোলমঞ্চটিও অসাধারণ শিল্পসমৃদ্ধ।

    বিবেকানন্দের স্মৃতিধন্য ধুনি মন্দির (Antpur)

    এই মন্দিরের কাছেই বাণেশ্বর, জলেশ্বর, ফুলেশ্বর, রামেশ্বর মন্দির। সবকটিতেই রয়েছে অপূর্ব সুন্দর টেরাকোটার কাজ। এর কাছেই সারদা ভবন। আছে শ্রীরামকৃষ্ণ এবং মা সারদার স্মৃতি বিজড়িত এবং শ্রীরামকৃষ্ণর সাক্ষাৎ পার্ষদ স্বামী প্রেমানন্দ, অর্থাৎ বাবুরাম ঘোষেদের দুর্গাবাড়ি। স্বামী বিবেকানন্দের সঙ্গে তাঁর আট গুরুভাই এখানেই গৃহত্যাগ করে সন্ন্যাসের জন্য শপথ গ্রহণ করেন। সেই ঘটনাকে স্মরণ করে এখানে গড়ে উঠেছে ধুনি মন্দির। এক যাত্রাতেই দেখে নেওয়া যায় গৌড়ীয় বৈষ্ণব তীর্থ দ্বাদশ গোপালের অন্যতম পরমেশ্বর দাস ঠাকুরের শ্রীপাট আনরবাটি। মন্দিরে নিত্যানন্দ প্রভুর সেবিত খড়দহের আদি শ্রী শ্রী শ্যামসুন্দরের বিগ্রহ পূজিত হচ্ছেন। রাধাকৃষ্ণ ও বলরাম রূপে পূজিত হচ্ছেন শ্রী চৈতন্য এবং নিত্যানন্দ মহাপ্রভু। আছে প্রায় ৩০০ বছরেরও বেশি প্রাচীন একটি বকুল গাছ। হাতে সময় থাকলে দেখে নেওয়া যায় আঁটপুর (Antpur) থেকে ৬ কিমি দূরে রাজবলহাটে ১৭২৪  সালে নির্মিত আটচালা বিশিষ্ট রাধাকান্ত মন্দির, কবি হেমচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়ের জন্মভিটে প্রভৃতিও। এখানকার রাজবল্লভী মা তো খুবই জাগ্রত।

    কীভাবে যাবেন? (Antpur)

    আঁটপুর যাওয়ার জন্য হাওড়া স্টেশন থেকে তারকেশ্বর লোকাল ট্রেনে এসে নামতে হবে হরিপাল স্টেশনে। হরিপাল থেকে বাসে বা গাড়িতে মিনিট ৩০-৪০ এর পথ আঁটপুর। হাওড়া থেকে বাসে জাঙ্গিপাড়া এসে সেখান থেকে রিকশাতেও আসা যায় আঁটপুর (Antpur)। আর আঁটপুর থেকে বাসে বা গাড়িতে মিনিট পনেরোর পথ রাজবলহাট। কলকাতা থেকে সকালে বেরিয়ে সারাদিন আঁটপুর ঘুরে আবার সন্ধ্যার মধ্যেই ফিরে আসা যায় কলকাতায় ।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Kali Puja 2023: রানি রাসমণি প্রতিষ্ঠিত দক্ষিণেশ্বর কালীমন্দিরের ইতিহাস জানুন

    Kali Puja 2023: রানি রাসমণি প্রতিষ্ঠিত দক্ষিণেশ্বর কালীমন্দিরের ইতিহাস জানুন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বছরের বিভিন্ন সময়ে অমাবস্যা তিথিতে কালীপুজো দেখা যায়। তবে কার্তিক মাসের দীপান্বিতা কালীপুজো (Kali Puja 2023) সবথেকে প্রসিদ্ধ। আয়োজন, জাঁকজমক, ধুমধাম সবদিক থেকেই বেশ জনপ্রিয় দ্বীপান্বিতা কালীপুজো।  জাগ্রত কালী মন্দিরগুলিতে কার্তিকী অমাবস্যায় ভক্তদের ব্যাপক ভিড় লক্ষ্য করা যায়। কালী আরধনা বা কালী সাধনা বললেই উঠে আসে দক্ষিণেশ্বরের ভবতারিণী মন্দির। কামারপুকুরের গদাধর চট্টোপাধ্যায় এখানেই রামকৃষ্ণ পরমহংসদেব হয়েছিলেন। কথিত আছে, হুগলি নদীর তীরে অবস্থিত এই দক্ষিণেশ্বরের মন্দিরকে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রতিষ্ঠা করেন রানি রাসমণি, সেটা ছিল ১৮৫৫ সালের ৩১ মে।

    দক্ষিণেশ্বর কালীমন্দিরের অধিষ্ঠাত্রীদেবী ‘ভবতারিণী’ 

    এখানে কালী মন্দিরের অধিষ্ঠাত্রী দেবী ভবতারিণী নামে প্রসিদ্ধ। জনশ্রুতি রয়েছে, রানি রাসমণি মা কালীর স্বপ্নাদেশ পেয়েই এই মন্দির প্রতিষ্ঠা করেন এবং মন্দির প্রতিষ্ঠা কালে রানিকে সব থেকে বেশি সাহায্য করেছিলেন রামকৃষ্ণ পরমহংসদেবের দাদা রামকুমার চট্টোপাধ্যায়। পরবর্তীকালে রামকুমার চট্টোপাধ্যায় দক্ষিণেশ্বরের কালীমন্দিরের (Kali Puja 2023) প্রধান পুরোহিত হন। রামকুমারের হাত ধরেই কামারপুকুরের গদাধর চট্টোপাধ্যায়ের প্রবেশ ঘটে। দক্ষিণেশ্বরের মন্দিরের দায়িত্বভার গ্রহণ করার পরে রামকৃষ্ণ পরমহংসদেবের আকর্ষণে এক মহাতীর্থে পরিণত হয় ভবতারিণী মন্দির।

    তরুণ নরেনের রামকৃষ্ণ পরমহংসদেবের সঙ্গে সাক্ষাৎ

    এখানেই আগমন ঘটে নরেন্দ্রনাথ দত্তের যিনি পরবর্তীকালে স্বামী বিবেকানন্দ হবেন। তরুণ নরেন্দ্রনাথ দত্ত সাংসারিক অনটনে ভুগছেন তখন। এমনই সময় রামকৃষ্ণ পরমহংসদেব তাঁকে পাঠালেন ভবতারিণীর সামনে। অর্থ কষ্ট মেটানোর প্রার্থনা করতে বললেন রামকৃষ্ণ পরমহংসদেব। ভবতারিণীর সামনে নরেন্দ্রনাথ দত্ত চাইলেন বিবেক, বৈরাগ্য, জ্ঞান এবং ভক্তি। দক্ষিণেশ্বরে কালীমন্দির (Kali Puja 2023) চত্বরে একাধিক দেবদেবীর মন্দিরও রয়েছে। দ্বাদশ শিবমন্দির নামে পরিচিত রয়েছে বারটি আটচালার মন্দির। মন্দিরের উত্তর দিকে রয়েছে রাধাকান্ত মন্দির, দক্ষিণে রয়েছে নাটমন্দির। উত্তর-পশ্চিম কোণে রয়েছে রামকৃষ্ণ পরমহংসদেবের বাসগৃহ। বছরের সারাবছর ধরেই ভক্তদের ভিড় লেগেই থাকে মন্দিরে। তবে কালীপুজো এবং কল্পতরু উৎসবে বিপুল জনসমাগম ঘটে এখানে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Belur Math: দুর্গাপুজোর নির্ঘণ্ট প্রকাশ বেলুড় মঠের, কুমারী পুজো কটায় শুরু?

    Belur Math: দুর্গাপুজোর নির্ঘণ্ট প্রকাশ বেলুড় মঠের, কুমারী পুজো কটায় শুরু?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হাতে মাত্র কয়েকটা দিন বাকি, তারপরেই বাঙালি মেতে উঠবে দুর্গাপুজোয় (Belur Math)। সারা পৃথিবীতে  ছড়িয়ে থাকা বাঙালিদের কাছে দুর্গাপুজোর উৎসব হল শ্রেষ্ঠ। কলকাতা থেকে পশ্চিমবঙ্গের প্রত্যন্ত গ্রাম অথবা লন্ডন থেকে নিউইয়র্ক, সর্বত্রই বাঙালিরা দুর্গাপুজোর জন্য অপেক্ষা করে থাকেন। বেলুড় মঠের (Belur Math) দুর্গাপুজোর এক আলাদা গুরুত্ব রয়েছে। পুজোকে কেন্দ্র করে ভক্তদের ব্যাপক সমাগম সেখানে লক্ষ্য করা যায়। ইতিমধ্যে বেলুড় মঠ দুর্গাপুজোর নির্ঘণ্ট ঘোষণা করেছে। বেলুড় মঠে পুজোর কয়দিন সন্ধ্যায় শ্রী রামকৃষ্ণ পরমহংসদেবের আরতির পরে দেবী দুর্গার আরতি করা হয়। ভোগপ্রসাদ বিতরণ করা হয় ভক্তদের মধ্যে। দিনভর চলে নানা ধর্মীয় এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান সমেত নাম সংকীর্তন। পাশাপাশি বেলুড় মঠের কুমারী পুজো খুব জাঁকজমকপূর্ণভাবে হয়ে থাকে। 

    এক নজরে দেখে নিন বেলুড়মঠে (Belur Math) দুর্গাপুজোর নির্ঘণ্ট

    ২১ অক্টোবর ২০২৩, শনিবার সপ্তমী, পুজো শুরু ভোর সাড়ে ৫টা

    ২২ অক্টোবর ২০২৩, রবিবার মহাষ্টমী, পুজোর শুরু হবে ভোর সাড়ে ৫টা
    সকাল ৯টায় শুরু হবে কুমারী পুজো, আর সন্ধিপুজো হবে সন্ধ্যা ৭টা ৩৬ মিনিট থেকে রাত্রি ৮টা ২৪ মিনিট পর্যন্ত

    ২৩ অক্টোবর ২০২৩, সোমবার নবমী, পুজো শুরুর সময় ভোর সাড়ে ৫টা

    বেলুর মঠে (Belur Math) দুর্গাপুজোর ইতিহাস জানেন?

    জানা যায়, ১৯০১ সালে স্বামী বিবেকানন্দ বেলুড় মঠে শারদীয়া দুর্গাপুজোর সূচনা করেন। ওই বছর থেকেই বেলুড়মঠে অষ্টমী পুজোর দিন পাঁচ থেকে সাত বছর বয়সী এক কন্যা কুমারীকে প্রতিমার পাশে বসিয়ে পুজো করা হয়। প্রসঙ্গত, অধিকাংশ দুর্গা পুজোতে দেখা যায় নবমীর দিনে কুমারী পুজোর রীতি। তবে বেলুড় মঠে কুমারী পুজো হয় অষ্টমীর দিনেই। বেনারসি শাড়ি পরিয়ে কুমারীকে মা দুর্গা জ্ঞানে পুজো করা হয়। এখানে বয়স অনুযায়ী কুমারীদের নামকরণও হয়। ১৯০১ সালে স্বামী বিবেকানন্দ সারদা মায়ের উপস্থিতিতে ৯ জন বালিকাকে কুমারী রূপে পুজো করেছিলেন। জানা যায়, স্বামী বিবেকানন্দ নিজে কুমারীদের পায়ে পুষ্পাঞ্জলি অর্পণ করেন এবং পুজো শেষে তাদের প্রণামীও দেন। স্বামীজীর পুজো পদ্ধতি অনুসরণ করে আজও একইভাবে সমান রীতিতে সেখানে কুমারী পুজো চলছে (Belur Math)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Swami Vivekananda: স্বামী বিবেকানন্দকে লাভ করা মনুষ্য জীবনের উদ্দেশ্য হওয়া চাই

    Swami Vivekananda: স্বামী বিবেকানন্দকে লাভ করা মনুষ্য জীবনের উদ্দেশ্য হওয়া চাই

    স্বামী অলোকেশানন্দ

    “মনুষ্য জীবনের উদ্দেশ্য বিবেকানন্দ লাভ।” উক্তিটি আমার। ভগবান শ্রী রামকৃষ্ণ বলেছেন, উদ্দেশ্য ঈশ্বর লাভ। আমি বলি, আগে বিবেকানন্দকে লাভ করো দেখি। অবশ্য এই কথা বলতে গিয়ে স্বামী বিবেকানন্দের (Swami Vivekananda) দুটি কথা আমার মনে পড়ছে। বিবেকানন্দ বলছেন, ১) “শ্রী রামকৃষ্ণ নিজেকে স্থূল অর্থেই অবতার বলে মনে করতেন, যদিও এর ঠিক কী অর্থ, তা আমি বুঝতে পারতাম না। আমি বলতাম, বৈদান্তিক অর্থে তিনি হচ্ছেন ব্রহ্ম।” ২) “কোনও জাতিকে এগিয়ে যেতে হলে তার উচ্চ আদর্শ থাকা চাই। সেই আদর্শ হবে পরব্রহ্ম। কিন্তু তোমরা সকলেই কোনও বিমূর্ত আদর্শের (abstract ideal) দ্বারা অনুপ্রাণিত হতে পারবে না বলেই তোমাদের একটি ব্যক্তির আদর্শ অবশ্যই প্রয়োজন।”

    স্বামীজিকে (Swami Vivekananda) আমার ভীষণ প্রয়োজন

    আমি এই দুটি কথা মনেপ্রাণে মান্য করি। এই জগতে সুস্থ জীবনযাপন করতে, সৎ পথে থাকতে, দৃঢ় চরিত্র তৈরি করতে, নিঃস্বার্থ পরায়ণ হতে, অন্যের দুঃখে দুঃখী হতে, এক কথায় নিজের জীবন দিয়ে অন্য সকলের সুখসুবিধা করে দিতে এক আদর্শ মহামানব (আমার কাছে ) ভগবান হলেন স্বামী বিবেকানন্দ। তাকে লাভ করা মনুষ্য জীবনের উদ্দেশ্য হত্তয়া চাই। একথা বলে আমি শুধু আমার ‘বোধ’কে অগ্রাধিকার দিচ্ছি। একথা কেউ মানতে পারেন বা নাও পারেন, এটি আমার সম্পূর্ণ বোধ স্বামী বিবেকানন্দের সম্বন্ধে। 
    সত্যি কথা বলতে কি ব্রহ্ম, পরব্রহ্ম, ভগবান, ভগবতী, যীশু, কৃষ্ণ, চৈতন্য, বুদ্ধ, রাম, রামকৃষ্ণ এবং আরও আরও অনেক অবতারকে চোখে দেখতে পাইনি। তাদের বাণীর অর্থ বিরাট এক উচ্চ তত্ত্বের ধারণা দেয়। যে সমস্ত দর্শন বা বোধ তাদের হয়েছিল, তার একাংশও আমি বুঝতে পারি না। কিন্তু জীবনে চলার পথে, সুস্থ সমাজ গড়তে, নিজেকে প্রকাশ করতে অর্থাৎ নিজের ভিতরের শক্তিকে প্রকাশ করতে স্বামীজিকে (Swami Vivekananda) আমার ভীষণ প্রয়োজন। বিশেষ করে বর্তমান পরিস্থিতিতে। শুধু আজ নয়, ভবিষ্যতেও তার প্রয়োজন মানুষ বুঝবে বলে মনে করি। 
    কারণ খুব উচ্চ আদর্শ আমি বুঝি না, মাথা কাজ করে না। যে আদর্শ শ্রী রামকৃষ্ণ দেখিয়েছিলেন, কীভাবে মা ভবতারিণীকে লাভ করা যায়, তার সাথে কথা বলা যায়, আবদার করা যায়। মনের বোধের সঙ্গে একাত্মতা লাভ করা শ্রী রামকৃষ্ণ দেখিয়েছেন।

    শিবজ্ঞানে সেবা (Swami Vivekananda) 

    আর আমি একটু ধ্যানে বসলেই যত রাজ্যের কথা ওই সময় মাথায় আসে, যাকে নিয়ে ভাবার কথা, তাকে না ভেবে বা চিন্তা না করে আর সব চিন্তা হয়। আসলে আমার মত সাধারণের চিন্তা লিঙ্গ, গুহ্য ও নাভিতেই পড়ে থাকে। অথবা মনে মনে দেহ, ইন্দ্রিয় সুখের কথা ভাবি। কিন্তু স্বামীজিকে ভাবলে, তার জীবন দর্শন দেখলে বা জানলে বুঝতে পারি, তার নিঃস্বার্থপরতা, তার জাতিধর্ম নির্বিশেষে সকল মানুষের প্রতি, বিশেষ করে দরিদ্র মানুষের প্রতি ভালবাসা, তার ত্যাগ, বিবেক, বৈরাগ্য, সহনশীলতা, মর্যাদা বোধ ইত্যাদি ইত্যাদি আদর্শের বৈশিষ্ট্যগুলি আমাকে খুব অনুপ্রাণিত করে। তার জীবন ও বাণী পড়লে মনে হয়, মানুষের জন্য ভালবাসা ও দরিদ্রদের জন্য ভালবাসা বোধহয় তার থেকে অন্য আর কেউ ভাবেনি। শ্রী রামকৃষ্ণদেব বলছেন, “চোখ বন্ধ করলে তিনি আছেন আর চোখ খুললে তিনি নেই?” এই ভাবকে স্বামীজি (Swami Vivekananda) সবার সামনে এনে দিলেন যে মানুষের প্রতি ভালবাসা। দরিদ্র মানুষ, যারা দু’ বেলা ঠিকমত খেতে পায় না, তাদের শিবজ্ঞানে সেবা। এই যুগে তিনি সর্বসমক্ষে বলেছিলেন, দরিদ্রদের সেবা করার অর্থ সরাসরি ভগবানের সেবা করা। তিনি তাই এই সেবার ভাব জগতে চালিয়ে দিয়ে গেলেন। এর থেকে সহজ উপায় আমি আর দেখি না, নিজের মুক্তির জন্য অন্যের সেবা করা। তাই স্বামীজি এই ভাব সারা বিশ্বে ছড়িয়ে দিয়ে গেলেন।

    পড়ুন, জানুন (Swami Vivekananda) 

    তার এইসব কথা বাণী, রচনাতে আমরা পাবো। তার (Swami Vivekananda) জীবনী পড়ে পাঠকদের বলবো জানতে। সব আমি গুছিয়ে বলতে পারি না। নিজেরা পড়ুন, জানুন, সেই বিষয়ে নিদিধ্যাসন করুন, তারপর বোধ হবে আমার থেকেও ভাল। তার বাণী, রচনাতে সব বিষয়ে লেখা আছে। আমার ভাল লাগে তার কথা বা বাণীগুলি যুবক-যুবতীদের বেশি আকর্ষণ করে। পড়লে মনে হয় যেন শুধু যুবকদের জন্যই স্বামীজি।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Swami Vivekananda: শুধু বাক সংযম নয়, দেহের বিভিন্ন ইন্দ্রিয় সংযমের কথা বলেছেন স্বামীজি

    Swami Vivekananda: শুধু বাক সংযম নয়, দেহের বিভিন্ন ইন্দ্রিয় সংযমের কথা বলেছেন স্বামীজি

    স্বামী অলোকেশানন্দ

    জগতে সর্বশ্রেষ্ঠ কাজের জন্য সর্ব শক্তি প্রয়োজন। এই শক্তি শুধু দেহের শক্তি বা ক্ষমতার কথা বলছি না। এই শক্তির কথা বলতে গেলেই প্রথমে মনে পড়ে কুরুক্ষেত্রে দাঁড়িয়ে অর্জুনের সারথী শ্রীকৃষ্ণের কথা। যুদ্ধক্ষেত্রে দাঁড়িয়ে অর্জুনের শোক, সংকটময় মনের অবস্থা। বুদ্ধি বিভ্রম অবস্থায় তিনি (অর্জুন) যা বলেছেন, তার উত্তর শ্রীকৃষ্ণ খুব শান্তভাবে, নিষ্কামভাবে, ধীরস্থিরভাবে দিয়েছেন বা বলেছেন, যা আমরা গীতার মধ্যে দেখতে পাইা কী অসম্ভব শান্ত অবস্থায় সাংখ্য যোগ, কর্ম যোগ, জ্ঞান যোগ, ভক্তি যোগ ইত্যাদি বিষয়ে বলেছেন, যা নিয়ে আজ এবং ভবিষ্যতে দীর্ঘ কাল চর্চা চলবে। যে যুক্তি বা বাণী বা কথাগুলি শ্রীকৃষ্ণ বললেন, তা সর্বকালের জন্য উপযুক্ত। শ্রীকৃষ্ণ যে সময় পৃথিবীতে এসেছিলেন, সেই যুগের উপযোগী করে সাধারণের কাছে পৌঁছে দিয়েছিলেন তাঁর বাণী। ভগবান বলেছিলেন, আর শুনেছিলেন সাধারণ মানুষের হয়ে অর্জুন। কী অসম্ভব কর্ম করে গেলেন শান্ত মস্তিষ্কে। ভাবতেই শিহরণ হয় শরীরে।

    আমরা সবাই অর্জুন, স্বামীজি (Swami Vivekananda) হলেন কৃষ্ণ

    সেই রকম একালেও স্বামীজির (Swami Vivekananda) বাণী বা বক্তৃতাগুলি পড়লে আমার মনে হয়, আমরা সাধারণ মানুষ সবাই অর্জুন, আর স্বামীজি হলেন কৃষ্ণ। গীতাতে অর্জুনের কথাগুলি ছিল আমার মতো সাধারণ মানুষের। এই যুগে সাধারণ মানুষের কী প্রয়োজন? কী করতে হবে তাঁদের? ভবিষ্যতে তাঁরা কী করবেন? সব বলে গেছেন স্বামীজি। কৃষ্ণের সময় বিশেষ সঙ্কট ছিল ধর্ম ও অধর্মের সংঘাত। স্বামীজির সময় ছিল বহু ধর্মের সংঘাত। সাম্রাজ্যবাদের সংঘাত। দরিদ্রদের শোষণ করার সংঘাত, ভাষার সংঘাত, সাদা-কালোদের মধ্যে সংঘাত,  শিক্ষা, অর্থনীতি আরও আরও অনেক রকম সংঘাত। তিনি সেগুলি পৃথিবীর সকল মানুষের জন্য উপযুক্ত করে নির্দেশ দিয়ে গেলেন, ভুল ধরলেন, আবার উপায় বার করে দিয়ে গেলেন। সমস্যার সমাধান করলেন এই যুগের জন্য, যা চিরকাল চলবে।

    কী বলেছেন স্বামী বিবেকানন্দ (Swami Vivekananda)? 

    এই অসম্ভব কর্ম শ্রীকৃষ্ণের মতো করে গেলেন স্বামী বিবেকানন্দ, যা যত জানি, শরীরে ততই শিহরণ হয়। এইরূপ কর্মযোগীদের মতো বড় বড় কাজ করতে গেলে চাই সাধারণ মানুষের পঞ্চ ইন্দ্রিয় নিয়ন্ত্রণ। চাই একাগ্রতা, চাই মনের সংযম, চাই লক্ষ্য স্থির করা, চাই আত্মবিচার, ত্যাগ ইত্যাদি ইত্যাদি এবং শান্ত ও ধীরস্থির মস্তিষ্ক। স্বামীজি বলতেন, আমার ভক্তরা আমার থেকেও বড় হবে। আমি বলি, কাজ করবে। স্বামীজির বাণী অধ্যয়ন করে, অনুধাবন করে আমার যা মনে হয়, কর্মযোগীর মতো কাজ করতে গেলে তিনি বাক সংযম শুধু নয়, দেহের বিভিন্ন ইন্দ্রিয় সংযমের কথা বলেছেন। 
    স্বামী বিবেকানন্দ (Swami Vivekananda) বলছেন, “আমরা যতই শান্ত হই, ততই আমাদের নিজেদের মঙ্গল, ততই আমরা আরও বেশি করে কাজ করতে পারি। যখন আমরা ভাবাবেগ সংযত করতে পারি না, তখনই আমাদের শক্তির বিশেষ অপব্যয় হয়, আমাদের স্নায়ু-মণ্ডলী বিকৃত হয়, মন চঞ্চল হয়ে ওঠে, কিন্তু কাজ খুব কম হয়। যে শক্তি কাজে পরিণত হওয়া উচিত ছিল, তা শুধুমাত্র হৃদয়াবেগেই পর্যবসিত হয়। মন যখন খুব শান্ত ও স্থির থাকে, কেবল তখনই আমাদের সমুদয় শক্তি সৎ কাজে নিয়োজিত হয়। যদি তোমরা জগতে বড় বড় কর্মকুশল ব্যক্তির জীবনী পাঠ কর, দেখবে তাঁরা অদ্ভুত শান্ত প্রকৃতির মানুষ ছিলেন, কোনও কিছুই তাঁদের চিত্তের সমতা নষ্ট করতে পারে না। এজন্য যে ব্যক্তি সহজেই রেগে যায়, সে বড় একটা কাজ করতে পারে না। আর যে কিছুতেই রাগে না, সে সর্বাপেক্ষা বেশি কাজ করতে পারে। যে ব্যক্তি ক্রোধ, ঘৃণা বা কোনও রিপুর বশীভূত হয়ে পড়ে, সে এ জগতে বড় কিছু একটা করতে পারে না, সে নিজেকে যেন খণ্ড খণ্ড করে ফেলে এবং সে বড় একটা কাজের লোক হয় না। কেবল শান্ত, ক্ষমাশীল, স্থির চিত্ত ব্যক্তিই সর্বাপেক্ষা বেশি কাজ করে থাকেন।” 

    আমার কাছে এই বড় বড় কাজের ব্যক্তিরা হলেন স্বামী বিবেকানন্দ (Swami Vivekananda), শ্রীকৃষ্ণ, শ্রীচৈতন্য, বুদ্ধ, যীশু, শ্রীরামকৃষ্ণ প্রমুখ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।
  • Iskcon: রামকৃষ্ণ-বিবেকানন্দ সম্পর্কে বিতর্কিত মন্তব্য! প্রকাশ্যে ক্ষমা চাইলেন অমোঘ লীলা প্রভু

    Iskcon: রামকৃষ্ণ-বিবেকানন্দ সম্পর্কে বিতর্কিত মন্তব্য! প্রকাশ্যে ক্ষমা চাইলেন অমোঘ লীলা প্রভু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শ্রীরামকৃষ্ণ পরমহংসদেব এবং স্বামী বিবেকানন্দকে নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য করেছিলেন ইস্কনের (Iskcon) সন্ন্যাসী অমোঘ লীলা প্রভু। এই ঘটনার জেরে এক মাসের জন্য তাঁকে নির্বাসিত করে ইস্কন। এবার প্রকাশ্যে ক্ষমা চাইতে দেখা গেল ইস্কনের সন্ন্যাসী অমোঘ লীলা প্রভুকে। একটি ভিডিও বার্তা প্রকাশ করে তাঁর মন্তব্যের জন্য প্রকাশ্যে ক্ষমা চাইলেন। প্রসঙ্গত, স্বামী বিবেকানন্দের ধূমপানের অভ্যাস কিংবা মাছ খাওয়া নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য করেন অমোঘ লীলা প্রভু। রামকৃষ্ণ পরমহংসদেবের যতমত তত পথ নিয়েও কটাক্ষ করেন অমোঘ লীলা প্রভু। এই ভিডিও সামনে আসতেই দেশজুড়ে নিন্দার ঝড় ওঠে। 

    কী বললেন অমোঘ লীলা প্রভু?

    শনিবারই অমোঘ লীলা প্রভুর ভিডিও বার্তা (Iskcon) সামনে আসে। যেখানে তাঁকে বলতে শোনা যায়, ‘‘শ্রীরামকৃষ্ণ পরমহংসদেব এবং স্বামী বিবেকানন্দকে নিয়ে আমি যা মন্তব্য করেছিলাম, তার জন্য সকলের কাছে নিঃশর্ত ক্ষমা চাইছি। তাঁদের মাংস ভক্ষণ কিংবা ধূমপানের অভ্যাস নিয়ে যাই বলে থাকি না কেন, তা মন থেকে কাউকে আঘাত করার জন্য বলিনি। আমার বাণীর মাধ্যমে কারও বিশ্বাস কিংবা ভাবাবেগে আঘাত করার মানসিকতা ছিল না।’’ তাঁর আরও সংযোজন, ‘‘কেউ হয়তো দর্শকাসন থেকে আমায় এই প্রশ্ন করেছিলেন, তাই আমি ওই কথাগুলি বলেছিলাম। কাউকে আঘাত করতে চাইনি। এর জন্য অন্তর থেকে ক্ষমাপ্রার্থী।’’

    একমাস নিষিদ্ধ অমোঘ লীলা প্রভু

    রামকৃষ্ণ-বিবেকানন্দ সম্পর্কে তাঁর মন্তব্যের কারণে ইস্কন (Iskcon) নিষিদ্ধ করে অমোঘ লীলা প্রভুকে। ইস্কনের (Iskcon) তরফ থেকে তাঁকে গোবর্ধন পাহাড়ে একমাস থেকে কৃষ্ণনাম জপ করতে বলা হয়েছে। এই সময় তিনি কারও সঙ্গে দেখা করতে পারবেন না, শুধু ফলমূল খেয়েই কাটাতে হবে। কিন্তু নিষিদ্ধ ঘোষণা হওয়ার পরও কী ভাবে দ্বারকা ইস্কনের প্রধানের ভিডিও প্রকাশ্যে এল? উত্তর দেন ইস্কন কলকাতার ভাইস প্রেসিডেন্ট রাধারমণ দাস। তিনি বলেন, ‘‘উনি নির্বাসিতই রয়েছেন। আগামী এক মাস তিনি প্রকাশ্যে আসতে পারবেন না। ইস্কন থেকে তাঁকে ব্যান করা হয়েছে। তবে বহু মানুষ ব্যক্তিগত ভাবে তাঁকে প্রকাশ্যে এসে ক্ষমা চাইতে বলেছেন। আমাদের কাছেও এই দাবি এসেছে। তাই আমি ওঁকে অনুরোধ করি। সেইমতো উনি আমায় ব্যক্তিগতভাবে এই ভিডিয়ো রেকর্ড করে পাঠিয়েছেন। উনি নিজে কোনও সোশ্যাল মিডিয়ায় এটি পোস্ট করেননি বা প্রকাশ্যে আসেননি। আমায় পাঠানোর পর আমি বিষয়টি সকলকে পাঠাই।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Swami Vivekananda: চারদিকে দুশ্চিন্তা, অবসাদ! স্বামীজির বাণী আজ বড়ই প্রাসঙ্গিক

    Swami Vivekananda: চারদিকে দুশ্চিন্তা, অবসাদ! স্বামীজির বাণী আজ বড়ই প্রাসঙ্গিক

    স্বামী অলোকেশানন্দ

    আজ মানুষ বড়ই অসহায়। খুব বেশিদিন হয়নি, করোনা ভাইরাস পৃথিবীর সমস্ত মানুষকে চরম সঙ্কটে ফেলে দিয়েছিল। নিরাময় সম্পূর্ণ হতে না হতেই অনুরূপ ভাইরাস নতুন নতুন ভাবে এসে উপস্থিত হচ্ছে। কিন্তু এর মধ্যেই অনেক প্রাণ অসময়ে শেষ হয়ে গেছে। ঘরে ঘরে মানুষের দুঃখ-কষ্ট লেগেই আছে। অসহায় বেকার যুবক-যুবতীরা হয় দুশ্চিন্তাগ্রস্ত, না হয় অবসাদগ্রস্ত। মানুষ মানুষের প্রতি বিশ্বাস রাখতে পারছে না। অধিকাংশ মানুষ নিজের স্বার্থসিদ্ধির জন্য আপ্রাণ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। অন্যের জন্য চিন্তাভাবনা করার তাদের সময় নেই। নিজেকে নিয়ে খুবই ব্যস্ত তারা। 

    শিক্ষিত মানুষের মধ্যে অসহায়তা ও অবসাদ চোখে পড়ার মতো

    অন্যদিকে, একদল মানুষ মিথ্যার আশ্রয় নিয়ে নিজেদের স্বার্থ প্রতিফলিত করার চেষ্টা করছে। আরেক দল সৎ পথে থেকে পরিশ্রম করে, মাথার ঘাম পায়ে ফেলে সংসারের ক্ষুধা মেটাতেই ব্যস্ত। এছাড়া প্রকৃতি সময় মতো বৃষ্টি না দেওয়াতে চাষের ক্ষতি হচ্ছে। কলকারখানায় লোক অবসর নিলে নতুন নিয়োগ না থাকার ফলে বেকারত্বর বিকাশ ঘটছে। কেউ কেউ নিজের স্বার্থসিদ্ধির জন্য খুব গরিবদের সামান্য অর্থ বা সামান্য খাদ্যদ্রব্য দিয়ে তাদের অলস করে দিচ্ছে। শিক্ষিত মানুষদের মধ্যে অসহায়তা ও অবসাদ চোখে পড়ার মতো। এক কথায় সাধারণ মানুষ কাঁদছেন। এর থেকে পরিত্রাণের উপায় কী? কেউ কী বলেছেন? 

    পরিত্রাণের কথা বলে গেছেন (Swami Vivekananda), শুনছে কে?

    হ্যাঁ বলেছেন, পরিত্রাণের কথাও বলেছেন। কিন্তু শুনছে কে? বহুদিন আগেই বলে গেছেন স্বামী বিবেকানন্দ (Swami Vivekananda)। কিন্তু শুনবে কে? প্রায় অধিকাংশ মানুষই নিজের ও পরিবারের জন্য রাত-দিন পরিশ্রম করছেন। কীভাবে আয় বাড়ানো যায়, তার চিন্তা। সমাজে প্রায় সকলেই জগতের ভোগ্য বস্তু, দেহসুখ নিয়েই ব্যস্ত। কিন্তু একবারও ভাবে না, যাদের জন্য আমি পরিশ্রম করছি, যা ভবিষ্যতের জন্য মজুত করছি, এই সব জিনিস কিছুই আমি ভোগ করে যেতে পারব না। আমার দেহ শেষ হবার সাথে সাথে ওই বস্তুগুলির আমার আর প্রয়োজন থাকবে না। যা সত্যিকারের প্রয়োজন তা হল, অপূর্ণতাকে পূর্ণ করা। পার্থিব সুখ-স্বাচ্ছন্দ্য থেকে পরমকে পাওয়া। যা স্বামীজি (Swami Vivekananda) তাঁর বাণী ও বক্তৃতায় বার বার মানুষকে স্মরণ করিয়ে দিয়েছেন।

    কী বলেছেন স্বামীজি?

    স্বামীজি (Swami Vivekananda) বলেছেন, “সমগ্র মানব জাতির আধ্যাত্মিক রূপান্তর-ইহাই ভারতীয় সাধনার মূল মন্ত্র, ভারতের চিরন্তন সঙ্গীতের মূল সুর, ভারতীয় সত্তার মেরুদণ্ড-স্বরূপ, ভারতীয়তার ভিত্তি, ভারতবর্ষের সর্বপ্রধান প্রেরণা ও বাণী। তাতার, তুর্কী, মোগল, ইংরেজ-কাহারও শাসন কালেই ভারতের জীবন সাধনা এই আদর্শ হইতে কখনও বিচ্যুত হয় নাই। বারংবার এই ভারতভূমি মূর্ছাপন্না হইয়াছিলেন। এবং বারংবার ভারতের ভগবান আত্মাভিব্যক্তির দ্বারা ইহাকে পুনরুজ্জীবিত করিয়াছেন” তিনি (Swami Vivekananda) বলছেন, “হে ভাতৃবৃন্দ, সত্যই মহিমময় ভবিষ্যৎ। প্রাচীন উপনিষদের যুগ হইতে আমরা পৃথিবীর সমক্ষে স্পর্ধাপূর্বক এই আদর্শ প্রচার করিয়াছি: ‘ন প্রজায়া ন ধনেন ত্যাগেনৈকে অমৃতত্বমানশুঃ’-সন্তান বা ধনের দ্বারা নয়, ত্যাগের দ্বারাই অমৃতত্ব লাভ হইতে পারে। জাতির পর জাতি এই প্রতিদ্বন্দ্বিতার সম্মুখীন হইয়াছে।”

    কিন্তু আমি বা আমরা এই বিষয়ে কি যত্নবান হয়েছি। নিজের মনে প্রশ্ন করলে উত্তর আসবে, না। তাই আজ মানুষ কাঁদছে। জগত সংসারে অনেক কিছুই পাওয়ার নয়, ভবিষ্যতের জন্য থাকার নয়। পরকালে নিয়ে যাবার মতো এই জগতে কিছু নেই। যা আছে ত হল পরম তত্ত্ব। যাকে পেলে আমি বা আমরা পূর্ণতা লাভ করব। তাকে লাভ করাই জীবনের উদ্দ্যেশ্য।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Swami Vivekananda: স্বামী বিবেকানন্দের জন্মজয়ন্তীতে ট্যুইটে শুভেচ্ছাবার্তা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, শুভেন্দুর

    Swami Vivekananda: স্বামী বিবেকানন্দের জন্মজয়ন্তীতে ট্যুইটে শুভেচ্ছাবার্তা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আজ স্বামী বিবেকানন্দের (Swami Vivekananda) ১৬০তম জন্মবার্ষিকী দেশ জুড়ে পালিত হচ্ছে জাতীয় যুব দিবস হিসেবে। বিভিন্ন সামাজিক সংগঠন এবং রাজনৈতিক সংগঠন আজকের দিনটি নানা রকম সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, শোভাযাত্রার মধ্য দিয়ে পালন করছে।

    স্বামীজির (Swami Vivekananda) বাড়ি

    স্বামীজীর (Swami Vivekananda) বসত বাড়ি সিমলাতেও  নানারকম সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। স্বামীজির (Swami Vivekananda) প্রতিকৃতিতে এদিন মাল্যদান করতে দেখা যায় বিভিন্ন ব্যক্তি এবং সংস্থাকে। অনেক স্কুল কলেজের ছাত্র-ছাত্রীরাও আসে স্বামীজিকে শ্রদ্ধা জানাতে। বেশ কিছু শোভাযাত্রা স্বামীজির বাড়িতে এসে শেষ হয়।
     
    বেলুড় মঠ

    জাতীয় যুব দিবস উপলক্ষে বেলুড় মঠে প্রতি বছরের মতো এবারেও নানা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। সকাল থেকেই স্থানীয় বিভিন্ন স্কুল, ক্লাব এবং মঠের সদস্যরা স্বামীজীর (Swami Vivekananda) প্রতিকৃতি নিয়ে শোভাযাত্রা সহকারে গান করতে করতে বেলুড় মঠে আসেন। সকাল সাড়ে ন’টা থেকে এদিন বেলুড় মঠে শুরু হয় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। বৈদিক মন্ত্রোচ্চারণের মধ্য দিয়ে এই অনুষ্ঠানের শুভারম্ভ হয়। গান, আধ্যাত্মিক আলোচনা, স্বামীজির জীবনী ও বাণী বিষয়ে বক্তব্যের মধ্যে দিয়ে পালিত হতে থাকে বীর সন্ন্যাসীর (Swami Vivekananda) জন্মদিন।

    প্রধানমন্ত্রীর ট্যুইট

    স্বামীজীর (Swami Vivekananda) জন্মদিন উপলক্ষে এদিন বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতা-নেত্রীদের শ্রদ্ধা জানাতে দেখা যায়। ট্যুইট করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিও। জাতীয় যুব দিবস উপলক্ষে ট্যুইটে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি লিখেছেন, “আজকে আমি কর্নাটকের হুবালিতে থাকবো, সেখানে ২৬তম জাতীয় যুব উৎসব পালিত হবে, স্বামী বিবেকানন্দের আদর্শ দেশ গঠনে আমাদের যুবসমাজকে পরিচালিত করুক”।

    শুভেন্দু অধিকারীর ট্যুইট

    অন্যদিকে পশ্চিমবঙ্গের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীও এদিন স্বামীজির প্রতি শ্রদ্ধাজ্ঞাপন করে ট্যুইট করেন। জাতীয় যুব দিবসে তিনি ট্যুইটে লেখেন স্বামীজীর শিক্ষা, জাতীয়তাবাদ এবং আধ্যাত্মিকতা ভারতবর্ষের তরুণ সমাজকে সর্বদাই উদ্দীপ্ত করবে।

LinkedIn
Share