Tag: swapnadeep kundu

swapnadeep kundu

  • JU Student Death: বিবস্ত্র করে হাঁটানো হয় স্বপ্নদীপকে! মিলেছে র‌্যাগিংয়ের প্রমাণ, দাবি পুলিশের

    JU Student Death: বিবস্ত্র করে হাঁটানো হয় স্বপ্নদীপকে! মিলেছে র‌্যাগিংয়ের প্রমাণ, দাবি পুলিশের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এল পুলিশের তদন্তে। দুর্ঘটনার রাতে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের মেন হস্টেলের বারান্দায় বিবস্ত্র করে হাঁটানো হয়েছিল স্বপ্নদীপকে (JU Student Death)। মঙ্গলবার লালবাজার সূত্রে এই খবর পাওয়া গিয়েছে। পুলিশের আরও দাবি, র‌্যাগিংয়ের (JU Student Death) সমস্ত প্রমাণ মিলেছে। জানা গিয়েছে, যে ১২ জনকে ইতিমধ্যে গ্রেফতার করা হয়েছে তারা প্রত্যেকেই সেদিনের র‌্যাগিং-এ জড়িত। ইতিমধ্যে র‌্যাগিং বিরোধী আইনের ৪ নম্বর ধারায় মামলা (JU Student Death) রুজু করেছে পুলিশ। তদন্তের জাল ক্রমশই গোটাচ্ছে পুলিশ।

    হস্টেলের ৭০ নম্বর ঘরে বিবস্ত্র করা হয় স্বপ্নদীপকে (JU Student Death)

    মঙ্গলবার হস্টেলের রাঁধুনিকে লালবাজারে তলব করা হয়। ঘটনার রাতে ঠিক কী ঘটেছিল সে কথাই জানা হয় তাঁর কাছ থেকে, এমনটাই সূত্রের খবর। লালবাজার সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, স্বপ্নদীপের (JU Student Death) রুম নম্বর ৬৮ হলেও তাঁকে ৭০ নম্বর ঘরে বিবস্ত্র করা হয়েছিল। ইতিমধ্যে হস্টেলের বারান্দা থেকে নীল রঙের হাফপ্যান্ট এবং গেঞ্জিও উদ্ধার করেছে পুলিশ। জানা গিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়ের এক পড়ুয়া ইতিমধ্যে শনাক্ত করেছে যে সেটি স্বপ্নদীপের (JU Student Death) পোশাক। অভিযোগ উঠেছে, স্বপ্নদীপকে সমপ্রেমী বলে খেপানো হতো। সে যে সমপ্রেমী নয়, তা প্রমাণ করতে বলে সিনিয়রা। বারবার বাড়ি ফেরার কথা নিজের মাকে বলতে থাকে স্বপ্নদীপ।

    যাদবপুরকাণ্ডে বিধানসভায় বিক্ষোভ বিজেপির

    প্রসঙ্গত, গত ৯ অগাস্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের মেন হস্টেলের বারান্দা থেকে পড়ে যান স্বপ্নদীপ কুণ্ডু (JU Student Death)। তিনি ছিলেন বাংলা অনার্সের প্রথম বর্ষের পড়ুয়া। পরের দিন ভোর বেলায় তাঁর মৃত্যু (JU Student Death) হয়। সামনে আসে র‌্যাগিংয়ের অভিযোগ। এই ঘটনায় একে একে ১২ জনকে গ্রেফতার করে পুলিশ। অন্যদিকে, সোমবারই যাদবপুরের ডিন অফ স্টুডেন্টসকে তলব করে মানবাধিকার কমিশন। কিন্তু রজত রায়কে জিজ্ঞাসাবাদে করে সন্তুষ্ট নয় মানবাধিকার কমিশন (JU Student Death), এমনটাই জানা গিয়েছে। পূর্ব ঘোষণা মতো এদিনই যাদবপুরকাণ্ডে বিধানসভায় কালো উত্তরীয় পরে হাজির হন বিজেপি বিধায়করা। বিধানসভায় বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন তাঁরা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • JU Student Death: যাদবপুরকাণ্ডে ধৃত সৌরভের পুলিশ হেফাজত, কী বলছেন স্বপ্নদীপের বাবা-মা?

    JU Student Death: যাদবপুরকাণ্ডে ধৃত সৌরভের পুলিশ হেফাজত, কী বলছেন স্বপ্নদীপের বাবা-মা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: যাদবপুরের বাংলা অনার্সের প্রথম বর্ষের পড়ুয়া স্বপ্নদীপ কুণ্ডুর মৃত্যুতে (JU Student Death) তোলপাড় সারা রাজ্য। স্বপ্নদীপের বাবা রামপ্রসাদ কুণ্ডুর অভিযোগ যে তাঁর ছেলেকে হস্টেলে খুন করা হয়েছে। তদন্তে নেমে স্বপ্নদীপের বাবার অভিযোগের ভিত্তিতে শুক্রবার রাতেই জিজ্ঞাসাবাদের পর যাদবপুর থানার পুলিশ গ্রেফতার করে সৌরভ চৌধুরী নামে এক প্রাক্তনীকে। ধৃত সৌরভকে শনিবার আলিপুর আদালতে তোলা হয়। এদিন বিচারক তাকে ২২ অগাস্ট পর্যন্ত পুলিশি হেফাজতের নির্দেশ দেন। প্রসঙ্গত, ২৫ অগাস্ট পর্যন্ত হেফাজতে চেয়েছিল পুলিশ। বুধবার রাতে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের হস্টেলের নিচে সম্পূর্ণ রক্তাক্ত অবস্থায় উলঙ্গ স্বপ্নদীপকে পড়ে থাকতে দেখা যায়। এরপর তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে বৃহস্পতিবার ভোরে মৃত্যু (JU Student Death) হয় বলে জানা যায়।

    কী বলছেন স্বপ্নদ্বীপের বাবা?

    অন্যদিকে সৌরভ চৌধুরীর গ্রেফতারির পর স্বপ্নদীপের বাবা সংবাদ মাধ্যমে বলেন, ‘‘সৌরভকে ধরা হয়েছে শুনে আমি খুব খুশি। আমি বিভিন্ন সোর্স থেকে খবর পাচ্ছি যে ওরা বাইরের লোককে ডেকে এনে হস্টেলে নতুন ছাত্রদের উপর শারীরিকভাবে নির্যাতন এবং অত্যাচার করতো। সৌরভের মতো কয়েকজনকে ধরা হলে আমার কষ্ট কিছুটা লাঘব হবে। আমি চাই খুনিরা (JU Student Death) উপযুক্ত শাস্তি পাক। এদের ফাঁসি হোক। যাতে দ্বিতীয় কোন স্বপ্নদীপের স্বপ্ন না ভেঙে যায়। আর কোনও বাবা যেন এত আর্তনাদ না করে। ছেলে হারানোর আর্তনাদ কী, আমি জানি। আমাদের হীরের টুকরো হারিয়ে গিয়েছে।’’ 

    স্বপ্নদীপের মায়ের বিবৃতি

    শোকে আচ্ছন্ন রয়েছেন স্বপ্নদীপের মা স্বপ্না কুণ্ডু। তিনি এদিন সংবাদমাধ্যমকে বলেন, ‘‘আমার ছেলে কারও কষ্ট দেখতে পারতো না। আর ওকে ওরা খুন (JU Student Death) করলো।’’ স্বপ্নদীপের মা এদিন আরও বলেন, ‘‘আমি সেদিন রাতে যেতে চেয়েছিলাম। সৌরভ আমাকে ফোন করে বললো, না সকালে আসুন। কিন্তু আমার ছেলে বারবার বলছিলো মা খুব ভয় করছে। আমাকে নিয়ে যাও। সৌরভ ফোনে এও বলে, স্বপ্নদীপ ওপরে বন্ধুদের সঙ্গে গল্প করছে, কোনও চিন্তা করবেন না।’’

    এই ঘটনায় একাধিক প্রশ্ন ইতিমধ্যে উঠতে শুরু করেছে। বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পাস হওয়ার পরেও সৌরভ চৌধুরী কিভাবে হস্টেলে থাকতে পারলো? কেন ঘটনার দিন, রাতে পুলিশকে হস্টেলে ঢুকতে বাধা দেওয়া হল? তবে কি সত্যিই এমন কিছু ঘটেছিল, যা চাপা দেওয়ার জন্যই এই কাণ্ড করল হস্টেলের প্রাক্তনীরা।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ। 

LinkedIn
Share