Tag: Syria

Syria

  • NCB: বিপুল পরিমাণ সিন্থেটিক মাদক বাজেয়াপ্ত করল এনসিবি, বাজার মূল্য শুনলে চোখ কপালে উঠবে

    NCB: বিপুল পরিমাণ সিন্থেটিক মাদক বাজেয়াপ্ত করল এনসিবি, বাজার মূল্য শুনলে চোখ কপালে উঠবে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ড্রাগ-মুক্ত ভারত অভিযানে মিলল গুরুত্বপূর্ণ সাফল্য। এই  প্রথমবার বিপুল পরিমাণ ক্যাপ্টাগন (Captagon) নামক সিন্থেটিক মাদক বাজেয়াপ্ত করল নার্কোটিক্স কন্ট্রোল ব্যুরো, (এনসিবি) যার (NCB) আন্তর্জাতিক বাজারমূল্য ১৮২ কোটি টাকারও বেশি।

    ‘অপারেশন রেজপিল’ (NCB)

    আজ, শনিবার কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah) এই সাফল্যের খবর জানান। তিনি এও জানান, ‘অপারেশন রেজপিল’ (Operation Ragepill) সফল হয়েছে। তিনি বলেন, “মধ্যপ্রাচ্যে পাচারের লক্ষ্যে পাঠানো এই মাদকের চালান আটক করা এবং এক বিদেশি নাগরিককে গ্রেফতার করা ভারতের ‘মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স’ নীতির উজ্জ্বল উদাহরণ।” এনসিবি কর্তাদের অভিনন্দন জানিয়ে তিনি বলেন, “ভারতের ভেতরে ঢোকা বা ভারতের ভূখণ্ড ব্যবহার করে বাইরে পাঠানো প্রতিটি গ্রাম মাদক চিহ্নিত করে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

    ‘জেহাদি ড্রাগ ক্যাপ্টাগন’ কী? 

    প্রশ্ন হল, কী এই ‘জেহাদি ড্রাগ ক্যাপ্টাগন’? ‘ক্যাপ্টাগন’ হল ফেনেথাইলিন (Fenethylline) নামের একটি সিন্থেটিক অ্যাম্ফেটামিন-জাতীয় উত্তেজক মাদকের ব্র্যান্ড নাম। এটি ছয়ের দশকে অ্যাম্ফেটামিন এবং থিওফাইলিনের যৌগিক ওষুধ হিসেবে তৈরি করা হয়েছিল। প্রথমদিকে এডিএইচডি, নারকোলেপসি এবং অতিরিক্ত ক্লান্তির চিকিৎসায় এটি ব্যবহার করা হত। কিন্তু উচ্চ মাত্রার অপব্যবহারের ঝুঁকির কারণে আটের দশকে বিশ্বজুড়ে এটি নিষিদ্ধ করা হয়। বর্তমানে অবৈধভাবে তৈরি হওয়া ক্যাপ্টাগনে (বিশেষ করে সিরিয়া ও লেবাননে উৎপাদিত) সাধারণত অ্যাম্ফেটামিনের সঙ্গে ক্যাফেইন বা অন্যান্য রাসায়নিক মিশ্রিত থাকে। ফলে ব্যবহারকারীরা অতিরিক্ত সতর্কতা, উচ্ছ্বাস, খিদে কমে যাওয়া এবং টানা বহুদিন না ঘুমিয়ে থাকার মতো প্রভাবও অনুভব করে।

    ‘কেমিক্যাল সাহস’

    মধ্যপ্রাচ্যের (NCB) সংঘাতপূর্ণ এলাকাগুলিতে ক্যাপ্টাগন ‘জিহাদি ড্রাগ’ নামে পরিচিতি পায়। সিরিয়ায় আইএসআইএস-সহ বিভিন্ন ইসলামি জঙ্গি সংগঠন একে ‘কেমিক্যাল সাহস’ (chemical courage) হিসেবে ব্যবহার করেছে বলেও অভিযোগ। সংবাদমাধ্যম ও আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর মতে, এই মাদকের অবৈধ উৎপাদন ও পাচার যুদ্ধবিধ্বস্ত অঞ্চলে সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলির অর্থায়নের অন্যতম উৎস। এই মাদক জঙ্গি সংগঠনগুলি নিজেরা ব্যবহারও করে, আবার বিক্রিও করে। অভিযান চালিয়ে এনসিবি (NCB) প্রায় ২২৭.৭ কেজি এই মাদক উদ্ধার করেছে। এক সিরীয় নাগরিককে গ্রেফতার করা হয়েছে। সে ভারতে (Amit Shah) অবৈধভাবে ঢুকে পশ্চিম এশিয়ার বিভিন্ন দেশে এই মাদক পাচারের চেষ্টা করছিল।

     

  • Syria: আইএস ঘাঁটি লক্ষ্য করে সিরিয়ার ৩৫ টার্গেট কেন্দ্রে নিশানা আমেরিকার

    Syria: আইএস ঘাঁটি লক্ষ্য করে সিরিয়ার ৩৫ টার্গেট কেন্দ্রে নিশানা আমেরিকার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিম এশিয়ার সিয়ার (Syria) থেকে আইএসকে নির্মূল করতে অনেকদিন ধরেই সক্রিয় ভূমিকা পালন করছে আমেরিকা প্রশাসন। জঙ্গি হামলায় ট্রাম্পের (Donald Trump) মার্কিন সেনা আধিকারিকের মৃত্যুর প্রতিশোধ নিতে গত মাসেই এই গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে বড় হামলা চালিয়েছিল ট্রাম্প প্রশাসন। একে, শাসক বিরোধী বিক্ষোভের জেরে উত্তাল ইরান, ঠিক সেই সময়েই আইএসআইএসের বিরুদ্ধে শনিবার রাতে আকাশ পথে হামলা চালায় আমেরিকা। জানা গিয়েছে, অন্তত ৩৫টি এলাকায় নিশানা করে গোলাবর্ষণ করা হয়েছে।

    এফ-১৫ই, এ-১০ এবং এসি ১৩০ বিমান ব্যবহার (Syria)

    মার্কিন বাহিনীর সেন্ট্রাল কমান্ডার মুখপাত্র ক্যাপ্টেন টিমোথি হকিন্স এই হামলার কথা জানান। এফ-১৫ই, এ-১০ এবং এসি ১৩০ যে গানশিপ সহ ২০টি যুদ্ধ বিমান সিরিয়ায় হামলা চালিয়েছে। একই ভাবে হামলায় ব্যবহার করা হয় এমকিউ-৯ রিপার ড্রোন এবং জর্ডনের এফ-১৬ যুদ্ধ বিমান। ৩৫টি নিশানায় আনুমানিক ৯০টিরও বেশি বোমা ফেলা হয়েছে। ক্যাপ্টেন হকিন্স বলেন, “আইএসকে (Syria) নির্মূল করাই আমাদের প্রধান লক্ষ্য। তার ভিত্তিতে সিরিয়ার বিভিন্ন প্রান্তে হামলার পরিকল্পনা করা হয়েছে। ভবিষ্যতের জঙ্গি হামলা দমন এবং আমেরিকা (Donald Trump) ও তাদের সঙ্গীদের সুরক্ষা আমাদের প্রধান অগ্রাধিকার।”

    হকআই স্ট্রাইক

    পালমিরা আক্রমণের বদলা হিসেবে একে “অপারেশন হকআই স্ট্রাইক” হিসেবে বিবেচনা করে হানা দেয় ট্রাম্প প্রশাসন। টরেস-টোভার এবং হাওয়ার্ড উভয়ই আইওয়া ন্যাশনাল গার্ডের সদস্য ছিলেন। ২০২৪ সালের পর সিরিয়ার (Syria) শাসক বাশার আল আসাদের পতনের পর গত মাসে দুই মার্কিন নাগরিককে হত্যা করা হয়েছিল। তবে আমেরিকার মতে এই হত্যার দায় কেবলমাত্র আইএসের। ট্রাম্প (Donald Trump) প্রশাসন তাই কঠোর বার্তা দিয়েছিলেন। এরপর থেকেই হামলা শুরু হয়েছে। গত ২৬ তারিখে আইএসের পশ্চিম এশিয়ার প্রধান নেতা ধিয়া জাওবা মুসলি আল হারদানি এবং তাঁর দুই পুত্র নিহত হয়েছেন বলে দাবি করেছে মার্কিন বাহিনী।

  • Syria: সিরিয়ার হিংসাতে মৃত ৯৪০, বেশিরভাগই সংখ্যালঘু দ্রুজ সম্প্রদায়ের, সংবাদমাধ্যমকে কী বলছেন তাঁরা?

    Syria: সিরিয়ার হিংসাতে মৃত ৯৪০, বেশিরভাগই সংখ্যালঘু দ্রুজ সম্প্রদায়ের, সংবাদমাধ্যমকে কী বলছেন তাঁরা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সিরিয়ার (Syria) দক্ষিণাঞ্চলে অবস্থিত আল-সুয়াইদা প্রদেশে সম্প্রতি ব্যাপক হিংসাত্মক হামলার শিকার (Suwayda Province) হয়েছেন দ্রুজ সম্প্রদায়ের মানুষজন। এক সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ওই সম্প্রদায়ের একাধিক ব্যক্তি জানিয়েছেন, পরিকল্পিতভাবে তাঁদের জাতিকে নিশ্চিহ্ন করার জন্যই এই আক্রমণ চালানো হচ্ছে। তাঁদের দাবি, এই হামলাগুলো নিছক সংঘর্ষ নয়—এগুলো মূলত গণহত্যার অংশ। গত সপ্তাহেই এই এলাকায় শতাধিক মানুষের প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে। দ্রুজ সম্প্রদায়ের ২১ বছর বয়সি সদস্য মাজদ আল শায়ের বলেন, “আমাদের প্রবীণদের অপমান করা হচ্ছে, নারী ও শিশুদের নির্মমভাবে হত্যা করা হচ্ছে। পুরুষদের আলাদা করে হত্যা করা হচ্ছে—আমাদের নিশ্চিহ্ন করতেই এই অভিযান।”

    সামান্য সংঘর্ষ থেকেই শুরু ভয়াবহ হিংসা (Syria)

    প্রসঙ্গত, এই সাম্প্রদায়িক উত্তেজনার সূত্রপাত হয় যখন একজন সুন্নি সম্প্রদায়ভুক্ত ব্যক্তি এক দ্রুজ সবজি বিক্রেতাকে মারধর করেন। ওই ঘটনা থেকেই দ্রুত আগুনের মতো ছড়িয়ে পড়ে হিংসা, যা ছড়িয়ে পড়ে গোটা দক্ষিণ সিরিয়ায়। সংঘর্ষ ক্রমেই রূপ নেয় ধর্মীয় বিদ্বেষে, যার পরিণতিতে বহু মানুষের মৃত্যু ঘটে। ব্রিটেনের মানবাধিকার পর্যবেক্ষণ সংস্থা Syrian Observatory for Human Rights জানিয়েছে, শুধুমাত্র গত সপ্তাহেই আল-সুয়াইদা প্রদেশে ৯৪০ জনের বেশি মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন। এর মধ্যে ৩২৬ জন অসামরিক দ্রুজ নাগরিক, যাঁদের মধ্যে ১৬৫ জনকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছিল। একই সময়ে প্রাণ হারিয়েছেন (Syria) ৩১২ জন সরকারি নিরাপত্তারক্ষী এবং ২১ জন সুন্নি ধর্মাবলম্বী নাগরিক। জানা যাচ্ছে, যে সবজি বিক্রেতার উপর হামলা হয়েছিল, তাঁকে শৃঙ্খলাবদ্ধ করে প্রকাশ্যে মারধর করা হয়, যার ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হয়। সেই ঘটনার পর থেকেই হিংসা দমনহীনভাবে ছড়িয়ে পড়ে।

    দ্রুজদের লক্ষ্য করে সংগঠিত আক্রমণ

    দ্রুজ সম্প্রদায় একটি সংখ্যালঘু ধর্মীয় গোষ্ঠী, যাঁদের বিশ্বাসে ইসলামিক, গ্রিক ও অন্যান্য প্রাচীন দর্শনের প্রভাব রয়েছে। মূলত সিরিয়ার জাবাল আল-আরব ও সুয়াইদা অঞ্চলে তাঁদের বসবাস। ঐতিহাসিকভাবে সিরিয়ার শাসকদের সঙ্গে তাঁদের সম্পর্ক জটিল এবং প্রায়শই উত্তেজনাপূর্ণ। ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে বাশার আল-আসাদের পতনের পর অন্তর্বর্তীকালীন রাষ্ট্রপতি হিসেবে ক্ষমতায় আসেন আহমেদ আল-জারা, যার সঙ্গে যুক্ত ছিল কুখ্যাত সন্ত্রাসবাদী নেতা আবু মোহাম্মদ আল-ঝুলানির নাম। তাঁর উত্থানের সঙ্গে সঙ্গেই দ্রুজ সম্প্রদায়ের মধ্যে তীব্র নিরাপত্তাহীনতা দেখা দেয়। সেই ভয় যে অমূলক ছিল না, তা আজকের হামলাগুলি প্রমাণ করে দিয়েছে। আজও তাঁরা সিরিয়ার বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে (Suwayda Province) একজন সন্ত্রাসবাদীর নেতৃত্বাধীন আক্রমণাত্মক প্রশাসন হিসেবে দেখেন। একাধিক দ্রুজ নাগরিক সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন (Syria), সরকার সরাসরি এই হামলাগুলিকে সমর্থন করছে এবং পরিকল্পনা করে আক্রমণ চালানো হচ্ছে। অনেক ক্ষেত্রে পুরুষদের গোঁফ জোর করে কামিয়ে ভিডিও করা হচ্ছে অপমানের উদ্দেশ্যে। এই কর্মকাণ্ড তাঁদের অস্তিত্ব নিশ্চিহ্ন করার প্রচেষ্টা বলেই মনে করছেন স্থানীয়রা।

    গণহত্যার প্রতিবাদে সামরিক সংগঠনের ডাক

    ক্রমবর্ধমান হিংসা ও নির্যাতনের বিরুদ্ধে নিজেদের রক্ষার্থে সম্প্রতি দ্রুজ সম্প্রদায় ঘোষণা করেছে “সুয়াইদা পরিষদ” গঠনের, যার মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে তাদের সম্পত্তি, সংস্কৃতি এবং ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্র হিসেবে সিরিয়ার ভবিষ্যত সুরক্ষা করা। ২০২৪ সালের মার্চ মাসেই তারা এই সিদ্ধান্তে পৌঁছায়, যখন তারা মনে করতে শুরু করে—সিরিয়াতে আর তাঁরা নিরাপদ নয়। তাঁরা দাবি করেন, বাশার আল-আসাদের শাসনকালে অর্থনৈতিক সংকট থাকলেও এই মাত্রার আক্রমণ কখনো ঘটেনি। তবে নতুন সরকারের অধীনে সংগঠিতভাবে দ্রুজদের উপর আক্রমণ শুরু হয়েছে। যদিও এই সামরিক পরিষদ সার্বজনীন সমর্থন পায়নি; ধর্মীয় নেতা শেখ হিকমত আল হাজরি এই গোষ্ঠীকে বিচ্ছিন্নতাবাদী বলে অভিহিত করেছেন।

    আন্তর্জাতিক প্রতিক্রিয়া ও ইজরায়েলের হস্তক্ষেপ

    আন্তর্জাতিক মহলেও এই সংঘর্ষ নিয়ে প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। বিশেষ করে ইজরায়েল এই বিষয়ে সক্রিয় হয়েছে। গণহত্যা ও সাম্প্রদায়িক সহিংসতা বেড়ে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ইজরায়েলি বিমানবাহিনী সিরিয়ার বিভিন্ন সরকারি পরিকাঠামোর উপর হামলা চালিয়েছে। প্রধানমন্ত্রী বেনজামিন নেতানিয়াহু স্পষ্ট করে বলেছেন, দ্রুজ অসামরিক নাগরিকদের ওপর হামলা ইজরায়েল সহ্য করবে না।

  • South Syria violence: দক্ষিণ সিরিয়াতে ভয়ঙ্কর হিংসা, প্রায় ৬০০ জন নিহত, বলছে রিপোর্ট

    South Syria violence: দক্ষিণ সিরিয়াতে ভয়ঙ্কর হিংসা, প্রায় ৬০০ জন নিহত, বলছে রিপোর্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সিরিয়ায় ভয়ঙ্কর হিংসা। বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, দক্ষিণ সিরিয়ায় সাম্প্রতিক হিংসায় ৫৯৪ জন নিহত হয়েছেন—এমন খবর সামনে আসতেই চাঞ্চল্য শুরু হয়েছে বিশ্বজুড়ে (South Syria violence)। ব্রিটেনের সংস্থা সিরিয়ান অবজারভেটরি ফর হিউম্যান রাইটস এ নিয়ে গবেষণা চালিয়েছে, এবং বিগত রবিবার থেকে সিরিয়ার সুয়েইদা প্রদেশে যে হত্যাকাণ্ড ঘটেছে, তাতে ভয়ঙ্কর বর্বরতার ছবি সামনে এসেছে।

    ধর্মীয়ভাবে সংখ্যালঘু দ্রুজ সম্প্রদায়ের ৩০০ জন নিহত হয়েছেন

    বৃহস্পতিবার সন্ধ্যাতেই (South Syria violence) এই সংস্থা জানিয়েছে, সিরিয়ার ধর্মীয়ভাবে সংখ্যালঘু দ্রুজ সম্প্রদায়ের ৩০০ জন নিহত হয়েছেন, যার মধ্যে ১৪৬ জন ছিল যোদ্ধা এবং ১৫৪ জন অসামরিক নাগরিক। এদের মধ্যে ৮৩ জনকে সে দেশের সরকার মৃত্যুদণ্ড প্রদান করেছে। বেদুইন এবং দ্রুজ সম্প্রদায়ের মধ্যে বিরোধের কারণে এই লড়াই শুরু হয়েছিল বলে জানিয়েছে ওই সংস্থা।

    ইজরায়েলের বিমান হামলায় সিরিয়ার ১৫ জন নিহত হয়েছেন (South Syria)

    এর পাশাপাশি ইজরায়েলের বিমান হামলায় সিরিয়ার ১৫ জন নিহত হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। অন্যদিকে ইজরায়েল বলেছে যে দ্রুজদের রক্ষা করা তাদের কর্তব্য এবং এই কারণেই তাদের এই অভিযান। ব্রিটেনের ওই সংস্থা সিরিয়ান অবজারভেটরি ফর হিউম্যান রাইটস আরও জানিয়েছে যে, তারা যে পরিসংখ্যান তুলে দিচ্ছে, তা তাৎক্ষণিকভাবে যাচাই করা সম্ভব নয়। তবে পাশাপাশি সূত্র মারফত যে খবরগুলি মিলছে, সেখানে দেখা যাচ্ছে মৃতের সংখ্যা ৩০০। সিরিয়ান নেটওয়ার্ক ফর হিউম্যান রাইটস জানিয়েছে, তাদের কাছে খবর রয়েছে ১৫৯ জন অসামরিক নাগরিকের মৃত্যু হয়েছে। বৃহস্পতিবারই সুয়েইদা প্রদেশ থেকে সিরিয়ার বাহিনীর প্রত্যাহারের সঙ্গে সঙ্গে দেখা যাচ্ছে সেখানকার হিংসার সামগ্রিক চিত্র (South Syria)

    কী বলছেন দ্রুজ জনগোষ্ঠীর নেতা (South Syria violence)

    প্রসঙ্গত, এই প্রদেশ সিরিয়ায় দ্রুজ জনগোষ্ঠীর সংখ্যাগরিষ্ঠ (South Syria violence)। সেখানে ভয়ঙ্কর রকমের ক্ষয়ক্ষতি এবং লুটপাটের দৃশ্য দেখা গিয়েছে। এর পাশাপাশি রাস্তায় প্রচুর মৃতদেহ পাওয়া গেছে বলে জানা যাচ্ছে। দ্রুজ এবং বেদুইনদের মধ্যে এই সংঘর্ষের পরে সেখানে শান্তি ফিরিয়ে আনার জন্য সিরিয়ার ইসলামিক সরকার দখল নিচ্ছে বলে জানিয়েছে তারা। প্রসঙ্গতই, দ্রুজ জনগোষ্ঠী মনে করে যে তাদের ধর্ম হল শিয়া ইসলামের একটি শাখা, এবং নিজস্বভাবে স্বতন্ত্র পরিচয় ও বিশ্বাস বজায় রেখেই তারা চলে। একজন বিশিষ্ট দ্রুজ নেতা শেখ হিকমাত আল-হাজারি বলেন, “আমাদের প্রদেশকে দুষ্কৃতিমুক্ত না করা পর্যন্ত এ লড়াই চলবে।”

    ইজরায়েল এয়ার স্ট্রাইক করে সিরিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের সদর দফতরে

    অন্যদিকে, বুধবার ইজরায়েল এয়ার স্ট্রাইক করে সিরিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের সদর দফতর দামেস্কে। এই হামলার পরেই ইসরায়েলের বিরুদ্ধে তোপ দেগেছেন সিরিয়ার অন্তর্বর্তী সরকারের রাষ্ট্রপতি। সিরিয়ার অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের রাষ্ট্রপতি আহমেদ আল-সারাহ ইসরায়েলের বিরুদ্ধে তীব্র সমালোচনা করে জানিয়েছেন যে, দেশকে অস্থির করার প্রচেষ্টা করছে ইসরায়েল।

  • Israel: আর্থিকভাবে কোনঠাসা করাই লক্ষ্য! ইজরায়েলের হামলায় নিহত হিজবুল্লার প্রধান ‘ফান্ড ম্যানেজার’

    Israel: আর্থিকভাবে কোনঠাসা করাই লক্ষ্য! ইজরায়েলের হামলায় নিহত হিজবুল্লার প্রধান ‘ফান্ড ম্যানেজার’

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আর্থিক দিক থেকে হিজবুল্লাকে (Hezbollah) কোনঠাসা করার লক্ষ্য নিয়েছে ইজরায়েল। লেবাননে (Lebanon) হিজবুল্লাকে অর্থ সাহায্য করা প্রতিষ্ঠানে এবার হামলা চালাল ইজরায়েল (Israel)। সোমবার, ইজরায়েলি সেনার তরফে জানানো হয়েছে, হিজবুল্লার আর্থিক দিক দেখাশোনা করার দায়িত্বে যিনি ছিলেন সিরিয়ায়, সেই প্রধান ‘ফান্ড ম্যানেজার’-কেও হত্যা করা হয়েছে। ইজরায়েল সেনাবাহিনীর মুখপাত্র রিয়ার অ্যাডমিরাল ড্যানিয়েল হাগারি জানান ওই ব্যক্তির নাম এখনই প্রকাশ করা হচ্ছে না। তবে হিজবুল্লার আর্থিক বিষয়গুলি দেখতেন তিনি। সংগঠনের ভিত্তি মজবুত করতে অর্থের ব্যবস্থা করার দায়িত্ব ছিল তাঁর উপর। 

    কোথায় কোথায় হামলা

    ইজরায়েল (Israel) সেনা সূত্রে খবর, হিজবুল্লাকে (Hezbollah) অর্থ সাহায্য করার অভিযোগে লেবাননের আর্থিক প্রতিষ্ঠান আল কার্দ আল হাসানের একাধিক শাখায় হামলা চালানো হয়েছে। যাতে আর্থিক দিক থেকেও হিজবুল্লাহকে গুটিয়ে দেওয়া যায়। বেইরুটের দক্ষিণ শহরতলিতে ১১ বার হামলা চালানো হয়েছে। সেগুলির বেশ কয়েকটির লক্ষ্যবস্তু ছিল আল কার্দ আল হাসান। বেইরুট বিমানবন্দরের কাছেও হামলা হয়েছে। এই বিষয়ে ইজরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইয়োভ গ্যালান্ট জানিয়েছেন, ইজরায়েলে হামলা চালাতে হিজবুল্লা যেসব স্থান ব্যবহারের পরিকল্পনা করেছে সেসব স্থান ধ্বংস করা হচ্ছে।

    আরও পড়ুন: “কাশ্মীর কখনওই পাকিস্তান হবে না”, সাফ জানিয়ে দিলেন ফারুক আবদুল্লা

    কেন হামলা

    পাশাপাশি, সিরিয়ার দামাস্কাসেও নির্দিষ্ট লক্ষ্যে হামলা চালানো হয়। সেখানেই ওই জঙ্গিকে নিকেশ করা হয়। তিনি ইরান-সমর্থিত হিজবুল্লার ইউনিট ৪৪০০-এর প্রধান ছিলেন। সোমবার একটি টিভি চ্যানেলে ইজরায়েলি সেনার মুখপাত্র ড্যানিয়েল হ্যাগারি জানান, হিজবুল্লার ইউনিট ৪৪০০ এর প্রধান কাজ ছিল ইরান থেকে তেল নিয়ে সিরিয়ায় পাঠানো। পরে, তা লেবাননে বিক্রি করা হত। যা করে লক্ষ লক্ষ ডলার আয় করত হিজবুল্লা। যার দায়িত্বে ছিলেন ওই ‘ফান্ড ম্যানেজার’। গত সপ্তাহে গাজায় নিহত হামাসের প্রধান ইয়াহিয়া সিনওয়ারের জন্য আয়োজিত মেমোরিয়ালে গিয়েছিলেন ওই অর্থ-প্রধান। সেই সময় তাঁর গাড়ি লক্ষ্য করে রকেট হামলা চালানো হলে, সেখানেই মারা যান ওই জঙ্গি-নেতা।

    উল্লেখ্য, রবিবার রাতেও ৩০টি হিজবুল্লা ঘাঁটিতে আক্রমণ শানায় ইজরায়েল। তার মধ্যে রয়েছে আল কার্দ আল হাসানের অধীনস্থ বেশ কয়েকটি ভবন। উল্লেখ্য, আল কার্দ আল হাসানকে ইজরায়েল (Israel) এবং আমেরিকা দুই দেশই হিজবুল্লার (Hezbollah) অর্থভাণ্ডার হিসাবে চিহ্নিত করেছিল। হাগারি বলেন, “আমাদের গোয়েন্দা বিভাগের পরামর্শ মতো হিজবুল্লার কয়েকটি নির্দিষ্ট ঘাঁটিতে হামলা করি।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Lebanon Blast: পেজারের পরে ওয়াকিটকি! ফাটছে মোবাইল, ল্যান্ডফোনও, লেবাননে নিহত অন্তত ৩২

    Lebanon Blast: পেজারের পরে ওয়াকিটকি! ফাটছে মোবাইল, ল্যান্ডফোনও, লেবাননে নিহত অন্তত ৩২

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বৈদ্যুতিন যন্ত্রে বিস্ফোরণ! পেজার, ওয়াকি-টকির পর এবার মোবাইল, ল্যান্ডফোন লেবাননে ধারাবাহিকভাবে বিস্ফোরণ (Lebanon Blast) চলছে দু’দিন ধরে। ঘটনায় এখনও পর্যন্ত ৩২ জনের মৃত্যুর খবর মিলেছে। আহত তিন হাজারেরও বেশি মানুষ। লেবাননের বিভিন্ন জায়গায় হিজবুল্লাকে নিশানা করে এই হামলা চালানো হয়েছে। পেজার বিপর্যয়ের পরে একসঙ্গে শতাধিক ওয়াকি-টকি বিস্ফোরণ ঘটেছে বলে খবর। একসঙ্গেই বহু মানুষের মোবাইলেও বিস্ফোরণ হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। হামলার দায় স্বীকার করেছে ইজরায়েল।

    শতাধিক ওয়াকি-টকি বিস্ফোরণ

    মঙ্গলবারই লেবাননের (Lebanon Blast) রাজধানী বেইরুট সহ একাধিক অঞ্চল কেঁপে উঠেছিল ধারাবাহিক বিস্ফোরণে। সাধারণ মানুষের ব্যবহার করা পেজারে বিস্ফোরণ হতে থাকে। রাস্তাঘাট-শপিং মলেই ছড়িয়ে ছিটিয়ে পড়ে থাকে ছিন্নভিন্ন দেহ। বুধবার যখন বিস্ফোরণে নিহত হিজবুল্লা সদস্যদের শেষকৃত্য চলছে, সেই সময় ওয়াকি-টকি ও মোবাইল ফোনেও বিস্ফোরণ হয়। একাধিক বহুতলে আগুন জ্বলতে দেখা গিয়েছে বিস্ফোরণের কারণে। বেইরুট সহ দক্ষিণ লেবানন জুড়ে বিস্ফোরণ হয়েছে, বলে খবর। যেভাবে একসঙ্গে পেজার বিস্ফোরণ হয়েছিল, ঠিক সেই ভাবেই ওয়াক-টকি ও মোবাইলেও বিস্ফোরণ হতে থাকে। সঠিক সংখ্য়া জানা না গেলেও, প্রায় শতাধিক ওয়াকি-টকি বিস্ফোরণ হয়েছে বলেই জানা গিয়েছে। 

    হামলা পাল্টা হামলা, আতঙ্কের বাতাবরণ

    লেবাননের (Lebanon Blast) সংবাদমাধ্যম সূত্রের খবর, জাপানের সংস্থা আইকমের তৈরি আইসি-ভি৮২ মডেলের ওয়াকিটকিগুলিতে এই বিস্ফোরণ ঘটেছে। অথচ আইকম জানিয়েছে, ওই মডেলের ওয়াকি-টকি তৈরি তারা অনেক আগেই বন্ধ করে দিয়েছে। একথা সংস্থার ওয়েবসাইটেও লেখা আছে। লেবাননে সেগুলি তারা বিক্রিও করেনি সরকারি মাধ্যমে। ফলে সেগুলি দেশে চোরাপথে সরবরাহ করা হয়েছে এই বিস্ফোরণের পরিকল্পনা করেই। দেশের নিরাপত্তা সংস্থাও সেগুলি পরীক্ষা করে দেখেনি। ইজরায়েলের এই হামলার পাল্টা জবাব দেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছে লেবাননের হিজবুল্লা গোষ্ঠী। ইতিমধ্যেই তারা ইজরায়েলের সামরিক ঘাঁটিতে রকেট হামলা চালিয়েছে বলে খবর। তবে, লেবানন-সিরিয়ার আর কোথায় কোথায় কোন কোন বৈদ্যুতিন যন্ত্রে এমন বিস্ফোরক লুকিয়ে রাখা আছে, তা নিয়ে ছড়িয়েছে আতঙ্ক।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • US Airstrike: জঙ্গি হামলায় ৩ মার্কিন সেনার মৃত্যু, ইরাক-সিরিয়ার ৮৫ ঘাঁটিতে প্রত্যাঘাত আমেরিকার

    US Airstrike: জঙ্গি হামলায় ৩ মার্কিন সেনার মৃত্যু, ইরাক-সিরিয়ার ৮৫ ঘাঁটিতে প্রত্যাঘাত আমেরিকার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইরাক এবং সিরিয়ার ৮৫টি স্থানে এয়ারস্ট্রাইক (US Airstrike) চালাল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। প্রসঙ্গত, গত সপ্তাহেই জর্ডনে জঙ্গি হামলায় তিন মার্কিন সেনার মৃত্যু হয়। তার প্রত্যাঘাত ছিল এদিনের এয়ারস্ট্রাইক।

    গতকালই মার্কিন প্রেসিডেন্ট হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছিলেন, ‘‘যদি তোমরা আমেরিকার ক্ষতি করো, তাহলে তার ফল ভুগতে হবে।’’ এরপরেই প্রত্যাঘাতের খবর প্রকাশ্যে আসে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের এই এয়ারস্ট্রাইকের নিন্দা জানিয়েছে ইরাক। তাদের মতে, ‘‘এটি হল সার্বভৌমত্বের উপর হামলা।’’ জানা গিয়েছে, ইরাক সীমান্তে গজিয়ে ওঠা ইরান সমর্থিত সন্ত্রাসবাদীদের ঘাঁটিগুলিকে গুঁড়িয়ে দিতে এই এয়ারস্ট্রাইকে (US Airstrike) মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ব্যবহার করে বি-ওয়ান বোমারু বিমান।

    মার্কিন সেনা কী জানাল?

    মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সেনার তরফ থেকে বিবৃতি সামনে এসেছে। সেখানে তারা জানিয়েছে, ইরাক ও সিরিয়ায় অবস্থিত ইরানের ইসলামিক রিভোলিউশনারি গার্ড কোর কুর্দ বাহিনী ও তার সহযোগীদের ঘাঁটি লক্ষ্য করে এয়ারস্ট্রাইক (US Airstrike) চালানো হয়েছে। জঙ্গি কার্যকলাপ নিয়ন্ত্রিত হত এবং মিসাইল, রকেট সমেত অস্ত্রসামগ্রী মজুদ রাখা হত এমন ৮৫টি ঘাঁটিতে এই হামলা হয়েছে। যার মধ্যে সিরিয়ার চারটি স্থানে বেছে নেওয়া হয়েছিল এবং ইরাকের তিনটি স্থান অর্থাৎ মোট সাতটি অঞ্চলে এই এয়ারস্ট্রাইক চলেছে বলে জানা গিয়েছে।

    আরও চলবে এমন এয়ার স্ট্রাইক

    মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের লেফটেন্যান্ট জেনারেল ডগলাস সিম জানিয়েছেন যে, এই এয়ারস্ট্রাইক সফল হয়েছে। যদিও এখনও পর্যন্ত জানা সম্ভব হয়নি এই এয়ার স্ট্রাইকের ফলে ঠিক কতজন জঙ্গি মারা গিয়েছে। অন্যদিকে, সিরিয়ার সংবাদ মাধ্যমগুলির মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে তোপ দাগতে শুরু করেছে এবং তারা জানিয়েছে যে, মরুভূমি অঞ্চলে (US Airstrike) ইরাক-সিরিয়ার বর্ডারে অসংখ্য মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন মার্কিন হামলায়। পেন্টাগনের তরফ থেকে যে বিবৃতি দেওয়া হয়েছে তাতে জানানো হয়েছে যে, ইরাকের সঙ্গে আমেরিকা যুদ্ধ চায় না, তবে আগামী দিনে জঙ্গিঘাঁটি লক্ষ্য করে এই ধরনের এয়ারস্ট্রাইক আরও চলবে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Turkey Earthquake: ভূমিকম্প বিধ্বস্ত তুরস্কে চলছে দেদার লুটপাট, গ্রেফতার ৪৮

    Turkey Earthquake: ভূমিকম্প বিধ্বস্ত তুরস্কে চলছে দেদার লুটপাট, গ্রেফতার ৪৮

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সোমবার ভোরে ভয়ঙ্কর ভূমিকম্পে (Turkey Earthquake) কেঁপে ওঠে তুরস্ক। প্রভাব পড়ে সিরিয়াতেও। রিখটার স্কেলে কম্পনের মাত্রা ছিল ৭.৮। দুই দেশ মিলিয়ে এখনও পর্যন্ত প্রায় ৩৪ হাজার মানুষের মৃত্যুর খবর পাওয়া গিয়েছে। চারিদিকে শুধুই হাহাকার। আর এর মাঝেই এক অমানবিক ঘটনার সাক্ষী হল তুরস্ক। আর এরই মধ্যে চলছে দেদার লুটতরাজ। বিপর্যন্ত মানুষদের বোকা বানিয়ে জালিয়াতি এবং চুরির অভিযোগে গত ৬ দিনে মোট ৪৮ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।      

    পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, দক্ষিণ হাতায় লুটতরাজের (Turkey Earthquake) অভিযোগে ৪২ জনকে গ্রেফতার করেছে তুরস্ক পুলিশ। অন্যদিকে গাজিয়ানটেপ এলাকায় এক ব্যক্তিকে ফোনের মাধ্যমে প্রতারণা করার চেষ্টার অভিযোগে আটক করা হয়েছে আরও ৬ জনকে।   

    সোমবারের ভূমিকম্পের পর দক্ষিণ-পূর্ব তুরস্কের দশটি এলাকায় আগামী তিন মাসের জন্য জরুরি অবস্থা জারি করেছেন প্রেসিডেন্ট তায়ইপ এর্দোগান। এই অবস্থায় লুঠতরাজের অভিযোগে ৭ দিনের জন্যে আটক করা হয়েছে অভিযুক্তদের।

    শনিবার ডিয়ারবাকির প্রদেশে ভূমিকম্প পরবর্তী অবস্থা পরিদর্শনে গিয়েছিলেন প্রেসিডেন্ট (Turkey Earthquake)। সেদিনই তিনি সাফ বলেন, লুঠতরাজের ঘটনা কড়া হাতে দমন করা হবে। তিনি আরও জানান, ইতিমধ্যেই জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে যার অর্থ হল, লুঠপাট এবং অপহরণের সঙ্গে জড়িতদের জানা উচিত, রাষ্ট্র এই ধরনের অপরাধ কোনওভাবেই বরদাস্ত করবে না।

    আরও পড়ুন: ‘পার্থ’-কে টাকা দিয়েও মেলেনি চাকরি! আত্মহত্যা যুবকের, সিবিআই-নির্দেশ হাইকোর্টের

    আফটারশক 

    এখনও বার বার আফটার শকে কেঁপে উঠছে তুরস্ক। গত রবিবারও এমনই ভূমিকম্পে কেঁপে উঠেছিল তুরস্ক (Turkey Earthquake)। রিখটার স্কেলে এই ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল ৪.৭। ভূমিকম্পে সবথেকে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে তুরস্কের শহর কাহরামানমারাস৷ এর পাশাপাশি আদিয়ামান, মালাটিয়া, দিয়ারবাকির শহরগুলিতেও ক্ষয়ক্ষতির ছবি সামনে এসেছে৷

    পৃথিবীর ভূমিকম্প প্রবণ অঞ্চলগুলির মধ্যে অন্যতম তুরস্ক৷ গত একশো বছরে এই অঞ্চলে এটিই অন্যতম ভয়াবহ ভূমিকম্প (Turkey Earthquake) বলে দাবি করা হচ্ছে৷ ১৯৯৯ সালে এই তুরস্কেই ভয়াবহ ভূমিকম্পে প্রায় ১৭ হাজার মানুষ প্রাণ হারান৷ তার মধ্যে ইস্তানবুলেই ১০০০ মানুষের মৃত্যু হয়৷ ২০২০ সালেও তুরস্কে দু’টি বড় ভূমিকম্পে শতাধিক মানুষের মৃত্যু হয়৷

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Turkey Earthquake: বিপদের দিনে বন্ধুর পাশে, তুরস্ক-সিরিয়ায় আরও ত্রাণ পাঠাল ভারত

    Turkey Earthquake: বিপদের দিনে বন্ধুর পাশে, তুরস্ক-সিরিয়ায় আরও ত্রাণ পাঠাল ভারত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শনিবার তুরস্ক- সিরিয়ায় (Turkey Earthquake) আরও ত্রাণ পাঠাল ভারত। প্রাণদায়ী ওষুধ এবং ত্রাণ নিয়ে সে দেশে উড়ে গিয়েছে সি-১৭ মিলিটারি ট্রান্সপোর্ট এয়ারক্রাফট। এ নিয়ে ভারত থেকে সাত নম্বর বিমান ত্রান নিয়ে গেল সে দেশে। তুরস্কে ভূমিকম্পে এখনও পর্যন্ত প্রাণ হারিয়েছে ২৮ হাজার। ক্ষতিগ্রস্তদের সাহায্যের জন্য ভারতীয় সেনাবাহিনী একটি ফিল্ড হাসপাতাল তৈরি করেছে। হাতায়ে একটি স্কুল ভবনে ভারতীয় সেনাবাহিনীর হাসপাতাল তৈরি করেছে। এই ৬০ পারা ফিল্ড হাসপাতালের কাজ শুরু করেছে। সেকেন্ড-ইন-কমান্ড লেফটেন্যান্ট কর্নেল আদর্শ জানান, “শনিবার পর্যন্ত ৩৫০ জন রোগী পেয়েছি এবং রবিবার সকাল থেকে ২০০ রোগী পেয়েছি।”

    এদিকে উদ্ধারকাজের (Turkey Earthquake) জন্য ভারত সরকার চালু করেছে ‘অপারেশন দোস্ত’। তার অধীনেই ভারতের বায়ুসেনা উদ্ধারকারী দল, ওষুধ, চিকিৎসা সরঞ্জাম পাঠায়। উদ্ধারকাজ চালানোর জন্য প্রয়োজনীয় আধুনিক সরঞ্জামও রয়েছে তালিকায়।

    ভূমিকম্পে বিধ্বস্ত তুরস্ক 

    গত ৬ ফেব্রুয়ারি শতাব্দীর সবচেয়ে ভয়ঙ্কর ভূমিকম্পের জেরে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে তুরস্ক (Turkey Earthquake) এবং সিরিয়া। তুরস্কের দক্ষিণ ও মধ্যাঞ্চলে প্রায় ছয় হাজার বাড়ি ভেঙে পড়েছে। বড় ভূমিকম্পের পর শতাধিক ছোট ছোট কম্পন অনুভূত হয় সে দেশে। ভূমিকম্পে এখন পর্যন্ত তুরস্ক ও সিরিয়ায় মৃত্যু হয়েছে ২৮ হাজারের বেশি মানুষের।

    আরও পড়ুন: ১২৮ ঘণ্টার লড়াইয়ে ধ্বংসস্তূপ থেকে উদ্ধার তুরস্কের ২ মাসের ‘বিস্ময় শিশু’  

    প্রথমবার রিখটার স্কেলে ৭.৮ কম্পন অনুভূত হয়। তারপর ৭.৬ ও তৃতীয়বার ৬.০। বড় ভূমিকম্পে পর পর তিনবার কেঁপে ওঠে দুই দেশ, তুরস্ক- সিরিয়া। তুরস্ক যে ভূমিকম্পের প্রাণঘাতী আক্রমণের জেরে কার্যত পরিণত হয়েছে মৃত্যুনগরীতে।

    ভূমিকম্পের (Turkey Earthquake) কেন্দ্রবিন্দু ছিল তুরস্কের গাজিয়ানটেপ এলাকা। এই এলাকায় সিরিয়া সীমান্তের কাছাকাছি হওয়ায় প্রভাব পড়েছে সেখানেও। শুধু তুরস্ক বা সিরিয়াই নয়, প্রবল ভূমিকম্পের কেঁপে উঠেছে পার্শ্ববর্তী লেবানন, ইজরায়েলের মতো দেশও।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     
  • Earthquake: ভূমিকম্পে মৃতের সংখ্যা ছাড়াল ২১ হাজার, প্রবল ঠান্ডায় নেই আশ্রয়, খাবার

    Earthquake: ভূমিকম্পে মৃতের সংখ্যা ছাড়াল ২১ হাজার, প্রবল ঠান্ডায় নেই আশ্রয়, খাবার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তুরস্ক (Turkey) ও সিরিয়ায় (Syria) ভূমিকম্পে (Earthquake) মৃতের সংখ্যা ছাড়াল ২১ হাজার। দুই দেশের হাসপাতালগুলিতে ভর্তি রয়েছেন হাজার চল্লিশেক মানুষ। প্রচুর মানুষ নিখোঁজ। তাই মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। প্রবল ঠান্ডায় উদ্ধারকাজে বিঘ্ন ঘটছে। বিপর্যয়ের পাঁচ দিন পরে এখনও চলছে উদ্ধারকাজ। সন্ধান মিলছে একের এক লাশের। এদিকে, সিরিয়ার বিদ্রোহীদের দখলে থাকা এলাকাগুলিতে রাষ্ট্রসংঘের প্রথম চিকিৎসক দল পৌঁছেছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রধান টেড্রোস আধানম ঘেব্রেইসাস বৃহস্পতিবার জানান তিনি সিরিয়া যাচ্ছেন। প্রসঙ্গত, ভূমিকম্প কবলিত এলাকায় প্রয়োজনীয় চিকিৎসা প্রদানের কাজে নিয়োজিত রয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা।  

    ভূমিকম্প…

    সোমবার কাকভোরে ভূমিকম্পের (Earthquake) জেরে কেঁপে ওঠে তুরস্ক ও সিরিয়ার বিস্তীর্ণ এলাকা। রিখটার স্কেলে কম্পনের মাত্রা ছিল ৭.৮। কম্পনের উৎসস্থল ছিল দক্ষিণ তুরস্কের গাজিয়ান্তেপ প্রদেশের পূর্ব দিকে নুরদাগি শহর থেকে ২৬ কিলোমিটার পূর্বে, ভূগর্ভের প্রায় ১৮ কিলোমিটার গভীরে। প্রথমবার ওই কম্পনের পর অন্তত শতাধিকবার কেঁপে উঠেছে তুরস্ক ও সিরিয়া।

    তুরস্ক ও সিরিয়ায় এখন শীতকাল। প্রবল ঠান্ডায় কাঁপছে দুই দেশ। কোথাও কোথাও তাপমাত্রা মাইনাসেরও নীচে। যাঁরা আশ্রয়হীন হয়েছেন, তাঁদের অনেকেই পথের পাশে দাঁড়িয়ে থাকা গাড়ি কিংবা অস্থায়ী তাঁবুতে আশ্রয় নিয়েছেন। গৃহহীন অনেকেরই আবার সে সুযোগ হয়নি। প্রবল ঠান্ডায় খোলা আকাশের নীচেই দিন কাটাতে বাধ্য হচ্ছেন হাজার হাজার মানুষ। খাবার ও পানীয় জলের অভাবে তাঁদের অনেকেরই প্রাণ বিপন্ন। ফলে ক্রমেই দানা বাঁধছে সরকারের বিরুদ্ধে ক্ষোভ।

    আরও পড়ুুন: ‘ইডি একেবারে মমতার পরিবারের কাছে পৌঁছে গিয়েছে’, সুকান্ত কেন বললেন জানেন?

    ভূমিকম্প (Earthquake) বিধ্বস্ত তুরস্ক ও সিরিয়ার পাশে দাঁড়িয়েছে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ। বিশ্বব্যাঙ্ক জানিয়েছে, তারা ত্রাণ ও উদ্ধার অভিযানে সহায়তার জন্য তুরস্ককে ১.৭৮ বিলিয়ন সাহায্য দেবে। দুটি প্রকল্প থেকে অবিলম্বে দেওয়া হবে ৭৮০ মিলিয়ন। ত্রাণ এবং পুনর্গঠনের জন্য আলাদাভাবে দেওয়া হবে ১ বিলিয়ন। ইতিমধ্যেই বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে ত্রাণ, আর্থিক সাহায্য, ওষুধ ও উদ্ধারকারী দল পাঠানো হয়েছে। ছ’ টি বিমানে করে ত্রাণ সামগ্রী এবং বিপর্যয় মোকাবিলা দফতরের সদস্যদের তুরস্কে পাঠিয়েছে ভারত। পাঠানো হয়েছে ভ্রাম্যমাণ হাসপাতালও।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

LinkedIn
Share