Tag: T-20 World Cup

T-20 World Cup

  • CSK vs KKR:  বিধ্বংসী ব্যাটিং বড় ভরসা নাইটদের, পর পর দুই ম্যাচ হেরে আজ কেকেআর-এর সামনে চেন্নাই

    CSK vs KKR: বিধ্বংসী ব্যাটিং বড় ভরসা নাইটদের, পর পর দুই ম্যাচ হেরে আজ কেকেআর-এর সামনে চেন্নাই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চলতি আইপিএলে এখনও পর্যন্ত অপরাজেয় কেকেআর। জয়ের পথ থেকে সরতে নারাজ নাইট শিবির। মঙ্গলবার চিপকে চেন্নাইয়ের বিপক্ষে নামার আগে সতর্ক গৌতম গম্ভীর। বিশ্বজয়ী অধিনায়ক যে দেল সে দলকে সবসময়ই সমীহ করা উচিত মত গোতির। তবে প্রথম তিন ম্যাচের মতোই বিধ্বংসী ব্যাটিং দিয়ে প্রতিপক্ষকে নাজেহাল করতে প্রস্তুত কলকাতা। আর পরপর দুই ম্যাচ হেরে নাইটদের বিরুদ্ধে ঘরের মাঠে চেনা পরিবেশের সুযোগ নিতে মরিয়া মাহিরা।

    কে কোন জায়গায়

    চার ম্যাচে চেন্নাইয়ের খাতায় দু’টি জয় ও দু’টি হার৷ এই মুহূর্তে ৪ পয়েন্ট নিয়ে তিন নম্বরে তারা৷ সোমবার পয়েন্ট টেবিলে দু’নম্বরে থাকা কেকেআরের বিরুদ্ধে নামছে সিএসকে৷ আইপিএল ইতিহাসে নাইটরা কখনই প্রথম তিনটি ম্যাচে পরপর জেতেনি৷ এই মরশুমে সেই কাজটাই করে দেখিয়েছেন গৌতম গম্ভীর, চন্দ্রকান্ত পণ্ডিত এবং শ্রেয়স আইয়াররা৷ শুরু থেকে প্রতিপক্ষ বোলিংয়ের বিরুদ্ধে বিধ্বংসী ব্যাট করে, নাস্তানাবুদ করে দেওয়ার কৌশল নিয়েছে কেকেআর৷ আর এখানেই ঘরের মাঠে খেলার ফায়দা নিতে চাইছে চেন্নাই৷ সুনীল নারাইন, ফিল সল্ট, শ্রেয়স আইয়ার, রিঙ্কু সিং এবং আন্দ্রে রাসেলদের বিধ্বংসী ব্যাটিংকে রুখতে স্পিন সহায়ক উইকেট বানাতে পারে সিএসকে৷ সেক্ষেত্রে ঋতুরাজরা নিজেরাও বিপাকে পড়তে পারেন। কারণ, নাইট শিবিরে সুনীল নারাইন, বরুণ চক্রবর্তী, সুয়াশ শর্মার মতো স্পিনার রয়েছে৷ তাই জয়ে ফিরতে হলুদ ব্রিগেডকে লড়াই করতেই হবে। 

    ধোনিদের ঘরে রিঙ্কু

    আইপিএলে চেন্নাইয়ের সঙ্গে ম্যাচের প্রায় ২৪ ঘণ্টা আগে চেন্নাই সুপার কিংসের (CSK) ড্রেসিংরুমে ঢুকে পড়লেন কলকাতা নাইট রাইডার্সের তারকা রিঙ্কু সিং (Rinku Singh)। তবে প্রতিপক্ষের কৌশল জানতে নয়, গিয়েছিলেন ভারতীয় ক্রিকেটের সব ফরম্যাটে সফল অধিনায়ক মহেন্দ্র সিং ধোনির সঙ্গে দেখা করতে। মাহির সঙ্গে নিজের একটি ছবি ইন্সটাগ্রামে শেয়ার করেছেন রিঙ্কু সিং। মাত্র এক ঘণ্টার মধ্যে রিঙ্কু সিংয়ের ওই ইন্সটাগ্রাম পোস্টে প্রায় ১ লক্ষ ৫৫ হাজার লাইক পড়েছে।

    মাহির মতো না হলেও ইতিমধ্যে ভারতীয় ক্রিকেটে ফিনিশার হিসেবে বেশ নাম করেছেন রিঙ্কু। তাই হয়তো আইপিএল নয়, টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের আগে বিদেশের মাঠে খেলার জন্য মাহির থেকে জরুরি টিপস নিতেই সিএসকে-র সাজঘরে ভারতীয় ক্রিকেটের নয়া তারকা রিঙ্কু সিং।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • T-20 World Cup: টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের হাই-ভোল্টেজ ম্যাচ! নিউ-ইয়র্কে মুখোমুখি ভারত-পাকিস্তান

    T-20 World Cup: টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের হাই-ভোল্টেজ ম্যাচ! নিউ-ইয়র্কে মুখোমুখি ভারত-পাকিস্তান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আগামী বছর টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে (T-20 World Cup) ভারত-পাকিস্তান (India vs Pakistan) ম্যাচ হতে চলেছে নিউ ইয়র্কে। আমেরিকার শেষ জনগণনা অনুযায়ী নিউইয়র্কেই সব থেকে বেশি ভারতীয় বসবাস করেন। সেখানে বসবাসকারী ভারতীয়ের সংখ্যা ৭ লাখ ১১ হাজারের বেশি। পাশাপাশি, প্রায় এক লাখ পাকিস্তানি বসবাস করেন। তাই নিউ ইয়র্কেই ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ আয়োজনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। 

    ভারত-পাক ম্যাচের জন্য নয়া স্টেডিয়াম

    আগামী বছর টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ (T-20 World Cup) যৌথ ভাবে আয়োজন করবে ওয়েস্ট ইন্ডিজ এবং আমেরিকা। আইসিসি সূত্রে জানা গিয়েছে, নিউ ইয়র্কের শহরতলির পপ-আপ স্টেডিয়ামে হবে বসবে ধুন্ধুমার ক্রিকেট যুদ্ধের আসর। ফের বাইশ গজে মুখোমুখি হবে ভারত-পাকিস্তান (India vs Pakistan)। এর জন্য ৩৪ হাজার দর্শক আসন বিশিষ্ট অস্থায়ী স্টেডিয়ামে তৈরি করা হবে। নিউ ইয়র্কে স্টেডিয়াম নেই, তা নয়। তবে ক্রিকেটের উপযোগী স্টেডিয়াম নেই সেখানে। রয়েছে আরও একটি সমস্যা। ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ আয়োজনের জন্য প্রয়োজনীয় দর্শকাসনের স্টেডিয়ামও নেই। তাই টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ভারত-পাকিস্তান ম্যাচের জন্য নতুন স্টেডিয়াম তৈরির সিদ্ধান্ত নিয়েছে আমেরিকার ক্রিকেট সংস্থা।

    আরও পড়ুন: আর কেউ পরতে পারবেন না ধোনির জার্সি! মাহির ৭ নম্বর জার্সি সংরক্ষণ বিসিসিআই-এর

    ভারতীয় সময় দেখে হতে পারে খেলা

    বিশ্বকাপের (T-20 World Cup) জন্য মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে তিনটে ভেন্যু বাছাই করা হয়েছে— ফ্লোরিডার সেন্ট্রাল ব্রডওয়ার্ড পার্ক, টেক্সাসের গ্র্যান্ড প্রেইরি স্টেডিয়াম এবং ম্যানহাটনের ডাউনটাউন থেকে ২৫ মাইল দূরের লং আইল্যান্ডের আইজেনওয়ার পার্ক। দিল্লি এবং নিউইয়র্কের সময়ের ব্যবধান সাড়ে দশ ঘণ্টা। ভারতের টেলিভিশন দর্শকদের কথা বিবেচনা করে ভারতীয় দলের ম্যাচগুলি সেই সময় মতো হবে। উল্লেখ্য টি-২০ বিশ্বকাপ হবে ৪-৩০ জুন। আইসিসির তরফে এখনও গ্রুপবিন্যাস করা হয়নি। ২০১৩ সালের পর থেকে ভারত এবং পাকিস্তানকে প্রতিটি আইসিসি ট্রফিতেই এক গ্রুপে রাখা হচ্ছে। এবারও তার ব্যতিক্রম হবে বলে মনে হচ্ছে না। টি ২০ বিশ্বকাপের ফাইনাল কোথায় হবে, তা এখনও চূড়ান্ত না হলেও অনুমান করা হচ্ছে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বার্বাডোজে চূড়ান্ত লড়াই হতে পারে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Kapil Dev: ভারতীয় দলকে চোকার্স তকমা! জানেন কী বললেন কপিল দেব?

    Kapil Dev: ভারতীয় দলকে চোকার্স তকমা! জানেন কী বললেন কপিল দেব?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের (T-20 World Cup) সেমিফাইনাল থেকে ভারতের বিদায় কেউ যেন মেনে নিতে পারছেন না। ঘোর যেন কিছুতেই কাটছে না। অনেকেই রোহিত শর্মাদের (Rohit Sharma) ব্যর্থতার কারণ অনুসন্ধানে ব্যস্ত। তবে ৮৩ বিশ্বকাপ জয়ী ভারতীয় দলের অধিনায়ক কপিল দেব কিন্তু আগেভাগেই বলেছিলেন, বিরাট কোহলিরা এবার বিশ্বকাপ জিততে পারবেন না। তখন অবশ্য হারিয়ানা হ্যারিকেনের মন্তব্যের কড়া সমালোচনা করেছিলেন অনেকেই। যদিও বাস্তবে মিলে গেল কপিলের বাণী।

    কপিলের কথায়

    ১৯৮৩ বিশ্বকাপ জয়ী অধিনায়কের কথায়, ‘‌চোকার্স শব্দটা এখন ভারতীয় দলের সঙ্গে যায়। তীরে এসে তরী ডোবে। অর্থাৎ চোক করে যায় ভারতীয় দল।’‌ তবে ক্রিকেটারদের অতিরিক্ত সমালোচনা করাটাও কপিলের পছন্দ নয়। তিনি বলেছেন, ‘‌অতিরিক্ত সমালোচনা ঠিক নয়। মানছি ভারতীয় দল অত্যন্ত খারাপ ক্রিকেট খেলেছে। কিন্তু একটা ম্যাচ দিয়ে সব বিচার হয় না। এই ক্রিকেটাররাই দেশকে অনেক সম্মান এনে দিয়েছে।’‌ সেমিফাইনালের হার নিয়ে কপিলের মত, ‘‌পরিস্থিতিটা খুব ভাল কাজে লাগিয়েছে ইংরেজ ব্যাটাররা। ভারতকে পুরো উড়িয়ে দিয়েছে।’‌ ভারতীয় দলকে কেন চোকার্স বলা হচ্ছে তারও ব্যাখ্যা দিয়েছেন প্রাক্তন পেসার। কপিলের কথায়, ‘একবার দুবার না একটা দল বার বার খেতাবের এত কাছে পৌঁছেও খালি হাতে ফিরছে। এই দলকে চোকার্স বলবে না তো কি বলবে? বিশ্বকাপ জয়ী অধিনায়ক বলেন, দল থেকে ছাঁটাই করতে হবে অনেককে। নতুন প্লেয়ারদের জন্য দলে জায়গা দিতে হবে। 

    আরও পড়ুন: রোহিতদের পারফরম্যান্সে খুশি নয় বিসিসিআই! দলে একগুচ্ছ পরিবর্তনের সম্ভাবনা

    সমালোচক গম্ভীর 

    ২০১৩ সালের পর আর আইসিসি ট্রফি জেতেনি ভারত। কখনও সেমিফাইনাল, ফাইনাল তো কখনও গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিতে হয়েছে। সমালোচনা করেছেন গৌতম গম্ভীরও। ২০০৭ সালে উদ্বোধনী টি২০ বিশ্বকাপ জিতেছিল ভারত। তারপর গত ১৫ বছরে আর ট্রফি আসেনি। সেই দলের গুরুত্বপূর্ণ সদস্য ছিলেন গম্ভীর। ফাইনালে দলের হয়ে সর্বোচ্চ রান এসেছিল তাঁর ব্যাট থেকেই। সেই গম্ভীর বলেছেন, ‘‌যাঁরা সাফল্য এনে দিতে পারবে, তাঁদের উপরই ভরসা রাখা উচিত।’

     

  • T20 World Cup: নিউজিল্যান্ডকে ৭ উইকেটে হারিয়ে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ফাইনালে পাকিস্তান

    T20 World Cup: নিউজিল্যান্ডকে ৭ উইকেটে হারিয়ে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ফাইনালে পাকিস্তান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মাত্র একটি ম্যাচের অপেক্ষা। তারপরেই মেলবোর্নে হতে পারে মহারণ। নিউজিল্যান্ডকে সাত উইকেটে হারিয়ে ফাইনালে পাকিস্তান। বৃহস্পতিবার দ্বিতীয় সেমিফাইনালে ইংল্যান্ডকে রোহিতরা হারাতে পারলেই ফের মুখোমুখি হবে ভারত-পাকিস্তান। এবার ফাইনাল। 

    ১৩ বছর পর বিশ্বকাপের হাতছানি

    এক সময় সেমিফাইনালে ওঠাই অনিশ্চিত ছিল। সুপার ১২-এ নেদারল্যান্ডস, দক্ষিণ আফ্রিকাকে হারিয়ে দেওয়ায় সেমিফাইনালের রাস্তা খুলে যায়। বাংলাদেশের বিরুদ্ধে তারপর দাপটে জয় আর শেষ চারের ম্যাচে বুধবার নিউজিল্যান্ডকে এক কথায় উড়িয়ে দিল বাবর আজমের পাকিস্তান। এদিন একমাত্র টস ভাগ্য নিউজিল্যান্ডের সহায় ছিল। প্রথমে ব্যাট করে কেন উইলিয়ামসনের দল ৪ উইকেট হারিয়ে ১৫২ রান তোলে। ড্যারিল মিচেল অর্ধশতরান করেন। জবাবে মহম্মদ রিজওয়ান এবং বাবর আজমের জোড়া অর্ধশতরানের ভর করে সাত উইকেট বাকি থাকতে জয়ের প্রয়োজনীয় রান তুলে নেয় পাকিস্তান। ৭টি বাউন্ডারির সাহায্যে ৪২ বলে ৫৩ রান করেন বাবর। ৫টি বাউন্ডারির সাহায্যে ৪৩ বলে ৫৭ রান করেন রিজওয়ান। শেষমেশ ম্যাচের সেরার পুরস্কার ওঠে রিজওয়ানের হাতে। টসে জিতে প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেন কেন উইলিয়ামসন। বল করতে নেমে প্রথম ওভারেই কিউইদের ধাক্কা দেয় পাকিস্তান। শাহিন আফ্রিদির চতুর্থ বলেই ফিরে যান দলের ওপেনার ফিন অ্যালেন। আফ্রিদির সোজাসুজি নেমে আসা বল আড়াআড়ি ভাবে খেলতে গিয়েছিলেন অ্যালেন। লাইন ফস্কান এবং সোজা এলবিডব্লিউ। প্রাথমিক ধাক্কা সামলে দলের ইনিংসকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছিলেন ডেভন কনওয়ে এবং কেন উইলিয়ামসন। সেখানেও বাধা পেতে হয়। শাদাব খানের দুর্দান্ত থ্রোয়ে ২১ রানেই ফিরে যান কনওয়ে। এরপরে একমাত্র ড্যারিল মিচেল দাঁড়াতে পেরছিলেন। জবাবে ব্যাট করতে নেমে বাবর আজম ও মহম্মদ রিজওয়ান ঝড় তোলেন। আর পিছনফিরে তাকাতে হয়নি পাকিস্তানকে।

    আরও পড়ুন: ইংল্যান্ডের মুখোমুখি হওয়ার আগে ব্রিটিশ-রাজে নৈশভোজ টিম ইন্ডিয়ার! কেন জানেন?

    মেলবোর্নে মহারণের অপেক্ষা

    ২০০৭-এর পর আবার টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের (T-20 World Cup) ফাইনালে ভারত-পাকিস্তান লড়াইয়ের মঞ্চ তৈরি হয়ে গেল। ২০০৭ সালে যেমন পাকিস্তানকে ফাইনালে হারিয়ে উদ্বোধনী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জিতেছিল ভারত, সেই ঘটনার পুনরাবৃত্তি হবে মেলবোর্নে,এখনই সেই স্বপ্ন দেখতে শুরু করেছেন ভারতীয় ক্রিকেট অনুরাগীরা। আবার ২০১৭ সালের আইসিসি চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির স্মৃতি ফিরিয়ে আনতে চাইবে পাকিস্তান। সেই ফাইনালে ভারতকে দাঁড়াতেই দেননি মহম্মদ আমিররা। তবে কী হবে তা সময় বলবে? আপাতত বৃহস্পতিবার ইংল্যান্ডকে হারাতে হবে ভারতকে! তবেই মহারণ।

     

  • T-20 World Cup: দক্ষিণ আফ্রিকার হার বদলে দিল সমীকরণ! টি-২০ বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে ভারত

    T-20 World Cup: দক্ষিণ আফ্রিকার হার বদলে দিল সমীকরণ! টি-২০ বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে ভারত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: টি-২০ বিশ্বকাপে (T-20 World Cup) ফের অপ্রত্যাশিত হার। নেদারল্যান্ডসের কাছে সুপার ১২-এর শেষ ম্যাচ হেরে ছিটকে গিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকা। তবে এর ফলে সেমি-ফাইনালে উঠে এল ভারত। ডাচদের হারালেই শেষ চার নিশ্চিত হত টেম্বা বাভুমার দলের। ফলে প্রোটিয়াদের অপ্রত্যাশিত পরাজয়ে আজ জিম্বাবোয়ে ম্যাচ খেলতে নামার আগেই ভারত চলে গেল সেমি-ফাইনালে। এরপর পাকিস্তান ও বাংলাদেশের মধ্যে কে জিতে সেমিফাইনালে পৌঁছয় , সেদিকে তাকিয়ে গোটা বিশ্ব।

    আজকের দক্ষিণ আফ্রিকার নেদারল্যান্ডসের বিরুদ্ধে এই পরাজয়ে আরও একবার চলতি টি-২০ বিশ্বকাপের (T-20 World Cup) ফাইনালে ভারত বনাম পাকিস্তান ম্যাচের সম্ভাবনা আরও উজ্জ্বল হয়ে উঠল। দক্ষিণ আফ্রিকার মত শক্তিশালী দল যে টুর্নামেন্ট থেকে ছিটকে যাবে এটি একেবারেই অপ্রত্যাশিত ছিল। ২০২২ টি-২০ বিশ্বকাপে রবিবারের আগে খুব একটা খারাপ পারফরম্যান্স কিন্তু করেনি টেম্বা বাভুমার দল। শুধুমাত্র পাকিস্তানের বিরুদ্ধে তাদের হারতে হয়েছিল। কিন্তু, নেদারল্যান্ডের বিরুদ্ধে প্রোটিয়াদের এই পরাজয় বিশ্বকাপের পুরো খেলাটাকেই ঘুরিয়ে দিল। আজ, রবিবার সকালের রুদ্ধশ্বাস ম্যাচে প্রোটিয়াদের ১৩ রানে হারিয়ে দেয় টুর্নামেন্ট থেকে আগেই ছিটকে যাওয়া ডাচরা (NED vs SA)। নিজেদের সঙ্গে দক্ষিণ আফ্রিকাকেও নিয়ে গেল তারা।

    রবিবার বিশ্বকাপের ( T-20 World Cup)  ম্যাচে টস জিতে প্রথমে বল করার সিদ্ধান্ত নেয় দক্ষিণ আফ্রিকা। প্রথমে ব্যাট করতে নেমে নেদারল্যান্ডস তোলে ৪ উইকেটে ১৫৮ রান। ডাচদের প্রথম চার ব্যাটারই ভাল পারফর্ম করেন। তবে অকারম্যানের পারফরমেন্স নজরে আসার মত ছিল। মাত্র ২৬ বলে ৪১ করেন তিনি। তবেএর উত্তর দিতে এসে ব্যাট করতে নেমে মাত্র ১৪৫ রানেই আটকে যায় দক্ষিণ আফ্রিকা। চাপের মুখে কোনও প্রোটিয়া ব্যাটারই তেমনভাবে নজর কাড়তে পারেননি। এর ফলে দক্ষিণ আফ্রিকা হারে ১৩ রানে।

    আজ যদি দক্ষিণ আফ্রিকা জিতে যেত তবে, সেমিফাইনালে নিশ্চিত চলে যেত। সেক্ষেত্রে আজ জিম্বাবোয়ের বিরুদ্ধে ভারতকে জিততে হত। আবার পাকিস্তান (Pakistan) এবং বাংলাদেশ (Bangladesh) কার্যত ছিটকে যেত বিশ্বকাপ থেকে। কিন্তু নেদারল্যান্ডের কাছে হেরে পুরোটাই বদলে দিল প্রোটিয়ারা। এই একই স্টেডিয়ামে আপাতত শুরু হয়েছে পাকিস্তান বনাম বাংলাদেশ ম্যাচ। তবে ভারত বনাম জিম্বাবোয়ে ম্যাচ মেলবোর্ন ক্রিকেট গ্রাউন্ডে। 

  • T20 World Cup: বিরাট রেকর্ড কোহলির! সচিনকে পিছনে ফেলে বিদেশের মাঠে সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক কে জানেন?

    T20 World Cup: বিরাট রেকর্ড কোহলির! সচিনকে পিছনে ফেলে বিদেশের মাঠে সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক কে জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ক্রিকেটের ঈশ্বর সচিন তেন্ডুলকরও এখন তাঁর পিছনে। বিদেশের মাটিতে ভারতের সর্বাধিক আন্তর্জাতিক রান স্কোরার বিরাট কোহলি। অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে বিরাটের নামে রয়েছে ৩৩৫০ আন্তর্জাতিক রান। গড় ৫৬.৭৭,যার মধ্যে ১১টি সেঞ্চুরি এবং ১৮টি হাফ সেঞ্চুরি রয়েছে। অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে সচিনের সংগ্রহে ৩৩০০ রান। বিদেশের মাটিতে ভারতের হয়ে সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহকের তালিকায় সচিনই ছিলেন প্রথম। অস্ট্রেলিয়া ছাড়াও শ্রীলঙ্কার মাটিতে ২৬৮৬ রান করেছিলেন মাস্টার ব্লাস্টার। ইংল্যান্ডের মাটিতে ২৬২৬ রান করেছেন বান্দ্রার বাদশা। এই তালিকায় দ্রাবিড়ও রয়েছেন। ভারতের বর্তমান হেড কোচ ইংল্যান্ডের মাটিতে ২৬৪৫ রান করেছিলেন। এখন সবাইকে পিছনে ফেলে দিলেন কিং কোহলি।

    চলতি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বিরাট ব্যাটেই দিশেহারা প্রতিপক্ষ। পুরনো মেজাজে ফিরেছেন কোহলি (Virat Kohli)। পাকিস্তানের (৫৩ বলে অপরাজিত ৮২ রান) পর নেদারল্য়ান্ডসের (৪৪ বলে অপরাজিত ৬২) বিরুদ্ধে ব্যাক-টু-ব্যাক ঝকঝকে ফিফটি প্লাস ইনিংস খেলেছেন তিনি। দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে সাময়িক ছন্দপতন। তবে বুধবার অ্যাডিলেড ওভালে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে ফের ঝলসে উঠল তাঁর ব্যাট। এই ম্যাচে চতুর্থ ওভারে ব্যাট করতে নেমে ৪৪ বলে অপরাজিত ৬৪ রানের ইনিংস খেলেছেন তিনি। বাংলাদেশের বিরুদ্ধে ১৬ রান করে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ইতিহাসে সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহকের তালিকায় প্রথম স্থান এখন বিরাটের। এর আগে এই রেকর্ডটি ছিল মাহেলা জয়াবর্ধনের নামে। 

    আরও পড়ুন: অ্যাকশনে ভরপুর সিনেমা দিয়ে প্রত্যাবর্তন বলিউড বাদশার, মুক্তি পেল ‘পাঠান’- এর টিজার

    অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে বরাবরই ভয়ঙ্কর হয়ে ওঠেন কোহলি। এদিনের ঝকঝকে ইনিংসের পর তিনি বলেন, “যখনই জানতে পেরেছিলাম যে, বিশ্বকাপ অস্ট্রেলিয়ায় হবে, তখনই বুঝে গিয়েছিলাম যে, ভালো ক্রিকেটীয় শটই এখানে গুরুত্বপূর্ণ হতে চলেছে। আমি জানতাম আমার অস্ট্রেলিয়ায় খেলার অভিজ্ঞতা দলের জন্য কাজে লাগবে। আমি এখানকার মাঠে খেলতে ভালোবাসি। নেট সেশন থেকে শুরু করে ম্যাচ। অস্ট্রেলিয়ায় ঘরের মতো অনুভূতি হয়। এমসিজি-র নক হোক বা অ্যাডিলেড। আমি এখানে ব্যাটিং উপভোগ করি।” তবে এদিনের ম্যাচ যে  ক্লোজ গেম ছিল তা জানান বিরাট। 

     

  • T-20 world cup: ‘মানকড়িং’ আউটের পক্ষে সওয়াল হার্দিকের! জানেন কাকে বলে মানকড়িং?

    T-20 world cup: ‘মানকড়িং’ আউটের পক্ষে সওয়াল হার্দিকের! জানেন কাকে বলে মানকড়িং?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘মানকড়িং’ আউট নিয়ে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করলেন ভারতীয় দলের অলরাউন্ডার হার্দিক পান্ডিয়া। তিনি বলেছেন, ‘ব্যক্তিগতভাবে মানকড়িং আউট নিয়ে আমার কোনও আপত্তি নেই। কারণ এটা ক্রিকেট আইনেই আছে। নন স্ট্রাইকার এন্ডের ব্যাটসম্যান যদি ক্রিজ ছেড়ে বেরিয়ে যায় তাহলে বোলার তাকে রান আউট করতেই পারে। এতে অন্যায় কিছু দেখছি না। আমার ক্ষেত্রে এমন ঘটনা ঘটলে সোজা মাঠ থেকে বেরিয়ে যাব। এক্ষেত্রে বোলারের কোনও দোষ নেই। বরং দোষটা আমারই। কারণ আমি ক্রিকেটের নিয়মের তোয়াক্কা করিনি। বোলার ডেলিভারি রিলিজ করার আগেই ক্রিজ ছেড়ে বেরিয়ে যাওয়াটা অন্যায়। তাই ব্যাটসম্যানকে রান আউট করাটা অন্যায় নয়।’

    আরও পড়ুন: হটস্টারের ভিউয়ার্সে রেকর্ড! ভারত-পাকিস্তান ম্যাচে আবেগ -উন্মাদনায় ভাসল ক্রীড়াপ্রেমীরা

    টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ভারত পাকিস্তান ম্যাচে মানকড়িং এর সুযোগ পেয়েছিলেন মহম্মদ শামি। তিনি ডেলিভারি রিলিজ করার আগেই ক্রিজ থেকে অনেকটা বেরিয়ে গিয়েছিলেন এক পাক ব্যাটসম্যান। শামি চাইলেই তাঁকে রান আউট করতেই পারতেন। এই দৃশ্য সামনে আসার পরই হার্দিককে এই প্রশ্ন ছেড়ে দেওয়া হয়েছিল। ভারতীয় অলরাউন্ডারটির কথাতে এটা স্পষ্ট যে, ক্রিকেটের স্পিরিট নিয়ে যতই কথা বলা হোক ব্যাটসম্যানের অন্যায় কখনওই সমর্থনযোগ্য নয়। যাঁরা এই ধরনের আউট নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন তাঁদের সমালোচনাই করেছেন হার্দিক। বুঝিয়ে দিয়েছেন, সুযোগ পেলে তিনিও এই উপায় অবলম্বন করবেন ব্যাটসম্যানদের বিরুদ্ধে। তাঁর কথায়, ‘ক্রিকেটে স্পিরিট নিয়ে যাঁরা এত কথা বলছেন তাঁরা নিয়মটা ফলো করছেন না কেন? তাহলে তো কোনও সমস্যাই হয় না। আর এই ধরনের আউট যদি এতই অক্রিকেটীয় সুলভ হয়ে থাকে, তাহলে তো নিয়মটাই বদলে ফেলা উচিত।’

    আরও পড়ুন: কোহলির বদলে কোনও পাক ক্রিকেটার হলে ম্যাচটা হেরে যেত! বিরাট স্বীকারোক্তি কামরান আকমলের

    উল্লেখ্য, এই আউটের জনক প্রাক্তন ভারতীয় ক্রিকেটার বিনু মানকড়। ১৯৪৭ সালে প্রথম তিনি এই ধরনের আউট করেছিলেন। তারপর থেকে নন স্ট্রাইকার এন্ডের ব্যাটসম্যান ক্রিজ ছেড়ে বেরিয়ে যাওয়ার পর বোলার যদি রান আউট করেন, তাহলে সেটাকে ‘মানকড়িং’ আউট বলা হয়ে থাকে। সম্প্রতি বিনু মানকড়ের পরিবার এর প্রতিবাদ জানান। যার পরিপ্রেক্ষিতে আইসিসি এটাকে শুধুই রান আউট তকমা দেয়। আইপিএলে অশ্বিন আউট করেছিলেন বাটলারকে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • T-20 world cup: কোহলির বদলে কোনও পাক ক্রিকেটার হলে ম্যাচটা হেরে যেত! বিরাট স্বীকারোক্তি কামরান আকমলের

    T-20 world cup: কোহলির বদলে কোনও পাক ক্রিকেটার হলে ম্যাচটা হেরে যেত! বিরাট স্বীকারোক্তি কামরান আকমলের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতকে যে পরিস্থিতিতে থেকে বিরাট কোহলি ম্যাচ জিতিয়েছে, সেখানে পাকিস্তানের ক্ষেত্রে অন্য ক্রিকেটার হলে  ৩০-৪০ রানে হারত। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ভারত-পাকিস্তান ম্যাচে কোহলির ইনিংসের ভূয়সী প্রশংসা করলেন কামরান আকমল। সঙ্গে বাবর আজমদের খোঁচা দিতেও ছাড়লেন প্রাক্তন পাক ক্রিকেটারটি।

    ঘোর এখনো কাটেনি ক্রিকেট বিশ্বের। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের (T-twenty World Cup) আসরে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে বিরাট কোহলির (Virat Kohli) ম্যাচ জেতানো ইনিংস নিয়ে চর্চা অব্যাহত। গত রবিবার মেলবোর্নে এক রুদ্ধশ্বাস ম্যাচে পাকিস্তানকে চার উইকেটে হারায় ভারত। জয়ের জন্য টিম ইন্ডিয়ার (Team India) প্রয়োজন ছিল ১৬০ রান। কিন্তু শুরুতেই রোহিত শর্মা, লোকেশ রাহুল, সূর্য কুমার যাদবরা ডাগ আউটে ফিরে যান।

    আরও পড়ুন: হটস্টারের ভিউয়ার্সে রেকর্ড! ভারত-পাকিস্তান ম্যাচে আবেগ -উন্মাদনায় ভাসল ক্রীড়াপ্রেমীরা

    দলের হাল ধরেন বিরাট কোহলি। হার্দিক পান্ডিয়াকে নিয়ে যোগ করেন ১১৩ রান। এই পার্টনারশিপি পাকিস্তানকে লড়াই থেকে ছিটকে দেয়। শেষ তিন ওভারে দুর্ধর্ষ ব্যাটিং করেন কোহলি। ঠান্ডা মাথায় কিভাবে শত্রুর ডেরায় সফল হামলা চালানো সম্ভব তা দেখিয়ে দিয়েছেন ভিকে। তার সেই অসাধারণ ইনিংসের প্রশংসা শোনা গিয়েছে, পাকিস্তানের প্রাক্তন ক্রিকেটারদের মুখে। কোহলিকে ভিনগ্রহের ক্রিকেটার রূপে তুলে ধরেছিলেন ওয়াসিম আক্রাম। এবার বাবর আজমদের খোঁচা দিয়ে পাকিস্তানের প্রাক্তন ক্রিকেটার কামরান আকমল বলেছেন, ‘ভারতকে যে পরিস্থিতিতে থেকে বিরাট কোহলি ম্যাচ জিতিয়েছে, সেখানে পাকিস্তানের ক্ষেত্রে অন্য ক্রিকেটার হলে  ৩০-৪০ রানে হারত। আমরা ওই চাপটা নিতেই পারতাম না। কোহলির এই ইনিংস বুঝিয়ে দিয়েছে বিশ্ব ক্রিকেটে ওই আসল রাজা। আমাদের বড় ক্রিকেটারদের বলবো সবাই যেন কোহলির এই ব্যাটিং বারবার দেখে। অনেক কিছু শেখার রয়েছে। চাপের মুখে মাথা ঠান্ডা রেখে কিভাবে কঠিন ম্যাচ বের করতে হয় সেটা দেখিয়ে দিল বিরাট কোহলি। ১৯ তম ওভারে রউফের বলে ব্যাক ফুটে ও যে ছক্কাটা মেরেছে তা সবার পক্ষে সম্ভব হবে না। ওটা বিরাট বলেই পেরেছে। ও কত বড় ব্যাটসম্যান সেটা আমরা আবার দেখতে পেলাম।’

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • T-20 World Cup: প্র্যাকটিস সেরে মিলল না গরম খাবার! তারপর কী করলেন ভারতীয় ক্রিকেটাররা?

    T-20 World Cup: প্র্যাকটিস সেরে মিলল না গরম খাবার! তারপর কী করলেন ভারতীয় ক্রিকেটাররা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্র্যাকটিস শেষে ঠিকমতো খাবার না পেয়ে ফিরে আসতে হল হোটেলে। বিরক্ত ভারতীয় ক্রিকেটাররা। টি ২০ বিশ্বকাপে সিডনি ক্রিকেট গ্রাউন্ডে মঙ্গলবার অনুশীলন করে ভারতীয় দল। মঙ্গলবার প্র্যাকটিসে হার্দিক পান্ডিয়া, সূর্যকুমার যাদব, অক্ষর প্যাটেল-সহ সব ফাস্ট বোলারদের বিশ্রাম দেয়া হয়েছিল। বাকি ভারতীয় প্লেয়াররা কয়েকঘণ্টা ধরে কঠোর অনুশীলন করেন। এরপর তাঁরা খাবার টেবিলে গিয়ে দেখেন সেখানে স্যান্ডউইচ ও ফল রাখা রয়েছে। স্যান্ডউইচ ঠান্ডা। ঐচ্ছিক অনুশীলনের শেষে মধ্যাহ্নভোজ সারতে গিয়ে এই ধরনের খাবার দেখে অসন্তুষ্ট হন ক্রিকেটাররা। অনেকেই ঠিক করেন, হোটেলে ফিরে কিছু খাবেন।

    এ প্রসঙ্গে বিসিসিআইয়ের (BCCI) এক কর্তা জানান, ক্রিকেটাররা খাবার বয়কট করেননি, কয়েকজন ফল খান। কিন্তু সকলেরই বক্তব্য ছিল, মধ্যাহ্নভোজের সময় হয়ে গিয়েছে। তাই তারা হোটেলে ফিরেই খাবেন। তিনি বলেন, “আসলে আইসিসি গরম খাবারের ব্যবস্থা করছে না। দ্বিপাক্ষিক সিরিজের সময় অন্য দেশের বোর্ড ক্রিকেটারদের জন্য গরম ভারতীয় খাবার রাখে। কিন্তু আইসিসি সব দেশের প্লেয়ারদের জন্য একই খাবার রাখে। কিন্তু দুই ঘণ্টা ধরে মাঠে কঠোর অনুশীলনের পর শসা, টমেটো এবং অ্যাভাকেডো দিয়ে ঠাণ্ডা স্যান্ডউইচ নিঃসন্দেহে যথেষ্ট খাবার নয়।”

    আরও পড়ুন: হটস্টারের ভিউয়ার্সে রেকর্ড! ভারত-পাকিস্তান ম্যাচে আবেগ -উন্মাদনায় ভাসল ক্রীড়াপ্রেমীরা

    বোর্ড সূত্রে খবর, নেদারল্যান্ডসের বিরুদ্ধে ম্যাচের আগে আজ, বুধবার ভারতীয় দল অনুশীলন করবে না। সেটাও বাধ্য হয়ে।  আইসিসি ভারতের প্র্যাকটিসের বন্দোবস্ত করেছিল ব্ল্যাকটাউনে। যেটা টিম হোটেল থেকে ৪২ কিলোমিটার দূরে। বৃহস্পতিবার সিডনিতে দুটি ম্যাচ রয়েছে। ভারত বনাম নেদারল্যান্ডস ম্যাচের পাশাপাশি রয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকা বনাম বাংলাদেশ ম্যাচ। দক্ষিণ আফ্রিকা, বাংলাদেশ ও নেদারল্যান্ডসের প্র্যাকটিস সেশন কাল সিডনি ক্রিকেটে গ্রাউন্ডে রাখা হলেও ভারতকে কেন এত দূরে প্র্যাকটিসে যেতে বলা হলো তা নিয়েও অনেকে প্রশ্ন তুলছেন। এর আগে হোটেল নিয়ে অভিযোগ জানিয়েছিলেন ভারতীয় প্লেয়াররা। প্র্যাকটিস ম্যাচ চলার সময় অস্ট্রেলিয়া ও পাকিস্তানকে পাঁচ তারা হোটেলে রাখা হয়। ভারতীয় টিমকে রাখা হয়েছিল চার তারা হোটেলে। তা নিয়েও ক্ষোভ ছিল ভারতীয় দলের।

  • IND vs PAK T20 World Cup: টি-২০ বিশ্বকাপের ভারত-পাকিস্তান ম্যাচে বৃষ্টির আশঙ্কা! ভেস্তে গেলে কী করা হবে?

    IND vs PAK T20 World Cup: টি-২০ বিশ্বকাপের ভারত-পাকিস্তান ম্যাচে বৃষ্টির আশঙ্কা! ভেস্তে গেলে কী করা হবে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আর মাত্র দু’দিন। তারপরেই টি-২০ বিশ্বকাপে ফের মুখোমুখি হবে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ইন্ডিয়া ও পাকিস্তান (IND vs PAK T20 World Cup)। ২৩ অক্টোবর মেলবোর্নের বাইশ গজে ফের জমে উঠবে খেলা। মেলবোর্নে দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী দেশের লড়াইয়ের সাক্ষী থাকতে চলেছেন প্রায় এক লক্ষ সমর্থক। তবে এই ম্যাচের জন্য এখনও দু’দিন থাকলেও উত্তেজনার পারদ এখন থেকেই চড়তে শুরু করেছে।

    এরই মাঝে মেলবোর্নে পৌঁছে গেল ভারতীয় ক্রিকেট দল (Indian Cricket Team)। তবে এই টানটান উত্তেজনার মাঝে বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারে বৃষ্টি। তাই ম্যাচের (IND vs PAK T20 World Cup) দিন বৃষ্টি হলে ক্রিকেটপ্রেমীদের জন্য এটি দুঃখের খবরই বটে। তাই অনেকেরই প্রশ্ন রয়েছে যে, ২৩ অক্টোবর বৃষ্টি হলে, পরে এই ম্যাচের জন্য কোনও রিজার্ভ ডে আছে কি?

    সূত্রের খবর অনুযায়ী, রবিবার, ২৩ অক্টোবর মেলবোর্নে রয়েছে বৃষ্টির ভ্রুকুটি। আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস বলছে, মেলবোর্নে রবিবার বৃষ্টির সম্ভাবনা ৮০ শতাংশ। টি-২০ বিশ্বকাপে (IND vs PAK T20 World Cup) গ্রুপ পর্বের খেলায় কোনও রিজার্ভ ডে নেই। তাই বৃষ্টিতে খেলা শুরু করা না গেলে ম্যাচ পরিত্যক্ত বলেই ঘোষণা করা হবে।

    আরও পড়ুন: দেখা যাবে না ক্যারিবিয়ান ক্যালিপসো! টি-২০ বিশ্বকাপের সুপার-১২ এ পৌঁছতেই পারল না ওয়েস্ট ইন্ডিজ

    জানা গিয়েছে, টি-২০ বিশ্বকাপে বাছাইপর্ব এবং সুপার-১২ রাউন্ডের জন্য কোনো রিজার্ভ ডে নেই। শুধুমাত্র সেমিফাইনাল ও ফাইনালের জন্যই রিজার্ভ ডে রাখা হয়েছে। ফলে বৃষ্টি বা অন্য কোনও কারণে ম্যাচটি না হলে উভয় দলের মধ্যে ১-১ পয়েন্ট ভাগ হয়ে যাবে। তবে বৃষ্টি যদি কিছুক্ষণের জন্য বিঘ্নিত হয়, তাহলে ম্যাচের ওভার কিছুটা কমানো যেতে পারে। ম্যাচটি (IND vs PAK T20 World Cup) অনুষ্ঠিত হওয়ার জন্য অন্তত ৫ ওভার ম্যাচ করতে হবে।

    প্রসঙ্গত, এর আগেও বৃষ্টির জন্য ভারত-নিউজিল্যান্ড প্রস্তুতি ম্যাচ ভেস্তে গিয়েছে। পণ্ড হয়েছে পাকিস্তান-আফগানিস্তান ওয়ার্ম আপ ম্যাচও। ফলে এখন ক্রিকেটপ্রেমী সহ পুরো বিশ্ববাসীর একটাই প্রার্থনা যে, ২৩ অক্টোবর এই দুই দেশের ম্যাচের মাঝে বৃষ্টি যেন বাধা হয়ে না দাঁড়ায়। কারণ ভারত, পাকিস্তান দু-দলই মুখিয়ে রয়েছে এই ম্যাচের জন্য। সমর্থকরা আরও বেশি। অন্যদিকে ইন্ডিয়া ও পাকিস্তান টিমের প্রস্তুতিও তুঙ্গে। ফলে আবহাওয়ার এই পরিস্থিতিতে আদেও এই ম্যাচটি (IND vs PAK T20 World Cup) হবে কিনা তা নিয়ে উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে।

LinkedIn
Share