Tag: Taiwan

Taiwan

  • India Slams China: ভারতের সার্বভৌমত্ব নিয়ে চিনের দাবি উড়িয়ে কড়া জবাব নয়াদিল্লির, কী বলল মোদির দেশ?

    India Slams China: ভারতের সার্বভৌমত্ব নিয়ে চিনের দাবি উড়িয়ে কড়া জবাব নয়াদিল্লির, কী বলল মোদির দেশ?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারত ও চিনের মধ্যে নতুন করে শুরু হয়েছে কূটনৈতিক টানাপোড়েন (India Slams China)। বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের সঙ্গে চিনের বিদেশমন্ত্রী ওয়াং ই-র বৈঠককে ঘিরে বেজিং যে (Sovereignty Row) ব্যাখ্যা দিয়েছে, তা সরাসরি খারিজ করে দিয়েছে নয়াদিল্লি। ভারতের বিদেশমন্ত্রক স্পষ্ট জানিয়েছে, সার্বভৌমত্ব নিয়ে উদ্বেগের বিষয়টি ভারতের, চিনের নয়। কারণ, ১৯৬৩ সাল থেকে জম্মু-কাশ্মীর ও লাদাখের ভারতের ভূখণ্ডের একটি অংশ বেআইনিভাবে দখল করে রেখেছে চিন। পাশাপাশি ওই অঞ্চলগুলিতে চিনের বিভিন্ন পরিকাঠামো প্রকল্প নিয়েও আপত্তি জানিয়েছে ভারত।

    জয়শঙ্কর ও ওয়াং ই-র মধ্যে বৈঠক (India Slams China)

    সম্প্রতি ফিলিপিন্সের রাজধানী ম্যানিলায় আসিয়ান ও পূর্ব এশিয়া বিদেশমন্ত্রীদের বৈঠকের ফাঁকে জয়শঙ্কর ও ওয়াং ই-র মধ্যে বৈঠক হয়। সেই বৈঠকের পর চিনের সরকারি সংবাদ সংস্থা সিনহুয়া দাবি করে, তাইওয়ান ও তিব্বত-সংক্রান্ত বিষয়ে ভারত তার আগের অবস্থানই বজায় রেখেছে এবং চিনের সার্বভৌমত্বকে সম্মান করার কথা জানিয়েছেন জয়শঙ্কর। এই দাবির বিরোধিতা করে ভারতের বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল সাপ্তাহিক সাংবাদিক বৈঠকে বলেন, চিনের জারি করা বিবৃতিতে জয়শঙ্করের বক্তব্য প্রসঙ্গ-বিচ্ছিন্নভাবে তুলে ধরা হয়েছে। তাঁর কথায়, বৈঠকে ভারতের বিদেশমন্ত্রী বরং জোর দিয়ে বলেছেন, সার্বভৌমত্বের প্রশ্নে উদ্বেগ প্রকাশ করার অধিকার ভারতেরই রয়েছে, কারণ ভারতের আঞ্চলিক অখণ্ডতাই দীর্ঘদিন ধরে লঙ্ঘিত হচ্ছে। জয়সওয়াল বলেন, “ভারত সবসময় চিনের সার্বভৌমত্বকে সম্মান করেছে এবং কখনও এমন কোনও পদক্ষেপ নেয়নি, যা চিনের সার্বভৌমত্বে হস্তক্ষেপ করে। কিন্তু চিনের ক্ষেত্রে সেই কথা বলা যায় না। ১৯৬৩ সাল থেকে তারা জম্মু-কাশ্মীর ও লাদাখের ভারতের ভূখণ্ড বেআইনিভাবে দখল করে রেখেছে।”

    বিদেশমন্ত্রকের বক্তব্য

    বিদেশমন্ত্রকের বক্তব্য, সংশ্লিষ্ট অঞ্চলগুলির ওপর ভারতের আইনগত অধিকার সম্পর্কে চিনও অবগত। সেই অবস্থায় সার্বভৌমত্ব নিয়ে বেজিংয়ের দাবি পরস্পরবিরোধী। পাশাপাশি জম্মু-কাশ্মীরের ভারতীয় ভূখণ্ডে চিনের বিভিন্ন পরিকাঠামো ও সংযোগ প্রকল্পের বিরুদ্ধেও আবারও আপত্তি জানিয়েছে নয়াদিল্লি। পর্যবেক্ষকদের মতে, পাকিস্তান অধিকৃত জম্মু-কাশ্মীর দিয়ে যাওয়া বিভিন্ন প্রকল্পের দিকেই ইঙ্গিত করেছে ভারত। ভারত আবারও স্পষ্ট করেছে, সীমান্তে স্থায়ী শান্তি ও স্থিতাবস্থা বজায় না থাকলে দুই দেশের সম্পর্ক স্বাভাবিক হতে পারে না। ২২ জুলাইয়ের বৈঠকে জয়শঙ্কর ওয়াং ই-কে বলেন, “সীমান্ত এলাকায় শান্তি ও স্থিতাবস্থা বজায় থাকাই স্বাভাবিক দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের পূর্বশর্ত (India Slams China)।” তিনি জানান, ২০২৪ সালের অক্টোবর থেকে এই লক্ষ্যেই দুই দেশ কাজ করছে। তবে সেই প্রক্রিয়া এগিয়ে নিয়ে যেতে হলে সীমান্ত ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত বর্তমান ব্যবস্থাগুলিকে আরও কার্যকর করতে হবে এবং উভয় পক্ষকেই ধারাবাহিকভাবে উদ্যোগী হতে হবে।

    ভারতের সাফ কথা

    জয়শঙ্করের এই মন্তব্য ২০২৪ সালের অক্টোবর মাসে হওয়া ভারত-চিন সেনা অপসারণ চুক্তির প্রসঙ্গেই। পূর্ব লাদাখে দীর্ঘ চার বছরের সামরিক অচলাবস্থার পর ওই চুক্তি হয় এবং ২০২৪ সালের নভেম্বর মাসে সেনা অপসারণের প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ হয়। ওই চুক্তির আওতায় দেপসাং ও দেমচকের মতো শেষ দু’টি স্পর্শকাতর এলাকায়ও সেনা অপসারণের বিষয়ে সমঝোতায় পৌঁছয় দুই দেশ। এর ফলে প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখা বরাবর একাধিক বিতর্কিত এলাকা থেকে সেনা সরানো সম্ভব হয় এবং দীর্ঘদিনের সামরিক উত্তেজনা কিছুটা প্রশমিত হয় (Sovereignty Row)। তবে ভারত জানিয়ে দিয়েছে, কেবল সেনা অপসারণ যথেষ্ট নয়। সীমান্তে দীর্ঘমেয়াদি শান্তি ও স্থিতিশীলতা নিশ্চিত না হলে কূটনৈতিক, অর্থনৈতিক কিংবা সামগ্রিক দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক পুরোপুরি স্বাভাবিক করা সম্ভব নয়। গত ছ’বছর ধরে এই অবস্থানেই অনড় রয়েছে নয়াদিল্লি (India Slams China)। এই ঘটনার মাধ্যমে ভারত ও চিনের মধ্যে কৌশলগত মতপার্থক্যও আবার সামনে এসেছে। ম্যানিলার বৈঠকে জয়শঙ্কর বলেন, ভারত ও চিন দু’টি বৃহৎ, প্রভাবশালী এবং প্রতিবেশী দেশ। ফলে জাতীয় স্বার্থের প্রশ্নে মতভেদ থাকাটা স্বাভাবিক। তবে সেই মতভেদ যেন বিরোধে পরিণত না হয়, সেটাই কূটনীতির দায়িত্ব। এই অবস্থান ভারতের দীর্ঘদিনের নীতিরই পুনরাবৃত্তি। ২০১৭ সালে ব্রিকস সম্মেলনের সময়ও দুই দেশ একমত হয়েছিল যে, মতপার্থক্যকে সংঘাতে পরিণত হতে দেওয়া যাবে না।

    ভারত ও চিনের ইতিবাচক ভূমিকায় জোর

    এদিকে, চিনের বিদেশমন্ত্রক বৈঠককে সহযোগিতা বৃদ্ধির প্রেক্ষাপটে তুলে ধরেছে। সিনহুয়ার প্রকাশিত বিবরণ অনুযায়ী, ওয়াং ই বলেছেন, দুই দেশের শীর্ষ নেতৃত্বের মধ্যে হওয়া গুরুত্বপূর্ণ সমঝোতাগুলি বাস্তবায়নে ভারতকে সঙ্গে নিয়ে কাজ করতে প্রস্তুত বেজিং। অর্থনীতি, বাণিজ্য, সংবাদমাধ্যম, জনগণের পারস্পরিক যোগাযোগ এবং সাংস্কৃতিক ক্ষেত্রে সহযোগিতা বাড়ানোর পাশাপাশি স্পর্শকাতর বিষয়গুলি যথাযথভাবে পরিচালনার ওপরও জোর দেন তিনি (India Slams China)। চিনের কমিউনিস্ট পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটির রাজনৈতিক ব্যুরোর সদস্য ওয়াং ই আরও বলেন, আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে বহুমেরুকরণ ও আরও গণতান্ত্রিক বিশ্বব্যবস্থা গড়ে তুলতে ভারত ও চিনের ইতিবাচক ভূমিকা নেওয়া উচিত। তাঁর দাবি, ভারত বরাবরই ইতিবাচক ও সহযোগিতামূলক মনোভাব নিয়ে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার নীতি অনুসরণ করেছে। তবে ভারতের সাম্প্রতিক প্রতিক্রিয়া স্পষ্ট করে দিয়েছে, সীমান্ত ও সার্বভৌমত্বের প্রশ্নে কোনও আপসের পথে হাঁটতে রাজি নয় নয়াদিল্লি। চিনের ব্যাখ্যা প্রকাশ্যে খারিজ করে দিয়ে ভারত আবারও জানিয়ে দিয়েছে, জম্মু-কাশ্মীর ও লাদাখে চিনের বেআইনি দখল (Sovereignty Row) এবং ভারতীয় ভূখণ্ডে চিনা প্রকল্পের বিরোধিতাই ভবিষ্যতে ভারত-চিন সম্পর্কের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ নির্ধারক হয়ে থাকবে (India Slams China)।

     

  • Trump: ফের মুখ ফসকে ভুল! প্রতিপক্ষকে কটাক্ষ করতে গিয়ে এবার নিজেই বিদ্রুপের নিশানায় ট্রাম্প

    Trump: ফের মুখ ফসকে ভুল! প্রতিপক্ষকে কটাক্ষ করতে গিয়ে এবার নিজেই বিদ্রুপের নিশানায় ট্রাম্প

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দীর্ঘদিন ধরেই রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের ভুলত্রুটি তুলে ধরে জনসমর্থন আদায় করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প (Trump)। প্রতিপক্ষের সামান্য ভুল বা বিতর্কিত মন্তব্যকেও তিনি রাজনৈতিক অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করেছেন বহুবার (Leon Musk)। অবশ্য সম্প্রতি উল্টে গিয়েছে পাশা! একের পর এক বক্তব্যে ট্রাম্প নিজেই একাধিক তথ্যগত বিভ্রান্তি ও মুখ ফসকে ভুল মন্তব্য করে সমালোচনার মুখে পড়েছেন। তাঁর এই ধারাবাহিক ভুলই এখন রাজনৈতিক মহলে জন্ম দিয়েছে নয়া বিতর্কের।

    ভুল নিয়ে বিরোধীদের করতেন কটাক্ষ (Trump)

    নির্বাচনী প্রচারে গিয়ে ট্রাম্প জো বাইডেনের বিভিন্ন ভুলের একটি সংকলিত ভিডিও পর্যন্ত দেখিয়েছিলেন। ২০২৪ সালের নির্বাচনী প্রচারে বাইডেন একবার ট্রাম্প ও কমলা হ্যারিসের নাম গুলিয়ে ফেললে ট্রাম্প সোশ্যাল মিডিয়ায় লিখেছিলেন, “দারুণ কাজ, জো!” আবার ওবামা একবার ভুল করে বলেছিলেন তিনি ৫৭টি অঙ্গরাজ্য সফর করেছেন। সেই সময় ট্রাম্প মন্তব্য করেছিলেন, “আমি যদি এমন কথা বলতাম, সেটাই বছরের সবচেয়ে বড় খবর হয়ে যেত।”

    একাধিক ভুলের জন্য খবরে ট্রাম্প

    এবার সেই একই ধরনের একাধিক ভুলের জন্য আলোচনায় উঠে এসেছেন ট্রাম্প নিজেই। সম্প্রতি ন্যাটো শীর্ষ সম্মেলনে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির পাশে বসে মাত্র দশ মিনিটের মধ্যেই তিনি তিনটি উল্লেখযোগ্য ভুল করেন। ইরানের প্রসঙ্গ তুলতে গিয়ে দেশটিকে “জাপানের ইসলামি প্রজাতন্ত্র” বলে উল্লেখ করেন। এরপর ইরানের পরমাণু চুক্তির সংক্ষিপ্ত রূপও ভুল উচ্চারণ করেন। সবশেষে সাংবাদিকদের উদ্দেশে প্রশ্ন করেন, “প্রেসিডেন্ট পুতিনের জন্য কোনও প্রশ্ন আছে?” অথচ তাঁর পাশেই বসে ছিলেন জেলেনস্কি। উল্লেখযোগ্যভাবে, ২০২৪ সালের ন্যাটো সম্মেলনে বাইডেনও জেলেনস্কি এবং পুতিনের নাম গুলিয়ে ফেলেছিলেন। সেই ঘটনায় তখন সব চেয়ে বেশি সমালোচনা করেছিলেন ট্রাম্পই।

    ট্রাম্পের ভুল

    এর আগেও একাধিক অনুষ্ঠানে একই ধরনের ভুল করতে দেখা গিয়েছে ট্রাম্পকে। জুনে সংস্কার হওয়া রাষ্ট্রপতির বিশেষ বিমান পরিদর্শনের সময় শিল্পপতি ইলন মাস্ককে ভুল করে “লিয়ন” বলে ফেলেছিলেন ট্রাম্প। যদিও কিছুক্ষণ পরেই ভুল শুধরে নেন। ন্যাটো সম্মেলনের কয়েক দিন আগে হোয়াইট হাউসের এক অনুষ্ঠানে তিনি ক্ষুদ্র ব্যবসা প্রশাসনের প্রধান কেলি লফলারকে পরিচয় করাতে গিয়ে দু’বার জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী নিকি মিনাজের নাম উচ্চারণ করেন। একবার ভুলবশত এবং পরে আবার যেন ইচ্ছাকৃতভাবেই সেই নাম ব্যবহার করেন। মে মাসে ইন্ডিয়ানা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফুটবল দলের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে ট্রাম্প জানতে চান দলের প্রধান প্রশিক্ষক কার্ট সিগনেটি কোথায়। অথচ সিগনেটি তখন তাঁর একেবারে পাশেই দাঁড়িয়ে ছিলেন (Trump)। ওই মাসে আফগানিস্তান থেকে ২০২১ সালে মার্কিন সেনা প্রত্যাহার এবং কাবুল বিমানবন্দরে ১৩ জন মার্কিন সেনার মৃত্যুর জন্য তিনি প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামাকে দায়ী করেন। যদিও ওবামা সরে গিয়েছিলেন ২০১৭ সালেই, সেনা প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত কার্যকর হয়েছিল বাইডেনের আমলে (Leon Musk)।

    ভুল, আরও ভুল

    মে মাসেই তাইওয়ানকে ঘিরে চিনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের মন্তব্য সম্পর্কে এক প্রশ্নের উত্তরে ট্রাম্প সেটিকে ইরান সংক্রান্ত প্রশ্ন ভেবে উত্তর দেন এবং “তাদের (হরমুজ) প্রণালী” নিয়ে মন্তব্য করেন। এপ্রিলে এক সাক্ষাৎকারে মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেছিলেন, “ইউক্রেন সামরিকভাবে পরাজিত।” কিন্তু পরে বক্তব্যের প্রেক্ষাপট থেকে স্পষ্ট হয়, তিনি আসলে ইরানের নৌবাহিনী ও যুদ্ধজাহাজের সংখ্যা নিয়ে কিছু বলতে চেয়েছিলেন (Trump)। ওই মাসেই নারী ইতিহাস মাস উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে হোয়াইট হাউসের মুখপাত্র ক্যারোলাইন লেভিটকে পরিচয় করাতে গিয়ে তাঁর পরিবর্তে কেলিয়ান কনওয়ের নাম বলেছিলেন ট্রাম্প। জানুয়ারিতে বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামের দাভোস বৈঠকে ট্রাম্প বারবার গ্রিনল্যান্ডের পরিবর্তে আইসল্যান্ডের নাম উচ্চারণ করেন। অথচ গ্রিনল্যান্ড নিয়েই তিনি দীর্ঘদিন ধরে নিজের ভূ-রাজনৈতিক পরিকল্পনার কথা বলে আসছেন। গত নভেম্বরে মায়ামিতে এক ভাষণে ট্রাম্প শহরটিকে “দক্ষিণ আফ্রিকা” থেকে পালিয়ে আসা মানুষের আশ্রয়স্থল বলে উল্লেখ করেছিলেন। পরে অবশ্য নিজেকে শুধরে নিয়ে “দক্ষিণ আমেরিকা” বললেও, আবারও ফিরে যান “দক্ষিণ আফ্রিকা” প্রসঙ্গে।

    প্রতিপক্ষকেই অস্ত্র তুলে দিচ্ছেন ট্রাম্প!

    গত বছরই দু’বার ট্রাম্প দাবি করেছিলেন, আজারবাইজান ও আলবেনিয়ার মধ্যে সংঘাত মেটানোর কৃতিত্ব তাঁর। যদিও ওই দুই দেশের মধ্যে এমন কোনও যুদ্ধই হয়নি। বাস্তবে তিনি যে সংঘাতের কথা বলতে চেয়েছিলেন, সেটি হয়েছিল আজারবাইজান ও আর্মেনিয়ার মধ্যে (Trump)। এদিকে, এই অগাস্টেই রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে বৈঠকের আগে ট্রাম্প দু’বার প্রকাশ্যে বলেন, তিনি রাশিয়ায় যাচ্ছেন। যদিও বৈঠকটি হওয়ার কথা আলাস্কায়, যা উনিশ শতকের ছয়ের দশক থেকে আর রাশিয়ার অংশ নয় (Leon Musk)। ট্রাম্প অতীতে প্রতিপক্ষদের একই ধরনের ভুল নিয়ে তীব্র কটাক্ষ করলেও, সাম্প্রতিক ধারাবাহিক এই বিভ্রান্তিকর মন্তব্য ও নাম গুলিয়ে ফেলার ঘটনাগুলি এখন নতুন নতুন অস্ত্র তুলে দিচ্ছে তাঁর রাজনৈতিক সমালোচকদের হাতেই (Trump)।

     

  • Cyberattacks: সপ্তাহে ৩ হাজার! সর্বাধিক সাইবার হানার শিকার দেশের তালিকায় দ্বিতীয় ভারত

    Cyberattacks: সপ্তাহে ৩ হাজার! সর্বাধিক সাইবার হানার শিকার দেশের তালিকায় দ্বিতীয় ভারত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ক্রমেই বাড়ছে সাইবার হানা (Cyberattacks)। নিয়মিত এই হানার সম্মুখীন হচ্ছে ভারতের বিভিন্ন সংস্থা (India Business)। জানা গিয়েছে, ফি সপ্তাহে প্রতিটি সংস্থা যারা এপিএসি রিজিয়নের কিউ২ ২০২৪ এ রয়েছে, তাদের ওপর বাড়ছে সাইবার হানা। গোটা বিশ্বে যেখানে সাইবার হানার হার ৩০ শতাংশ, সেখানে ভারত-ভিত্তিক সংস্থাগুলির ওপর এই হামলার হার ৪৬ শতাংশ।

    সবার ওপরে তাইওয়ান (Cyberattacks)

    সাইবার হানায় সবার ওপরে রয়েছে তাইওয়ান। তার পরেই সাইবার-শিকারিদের লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়েছে ভারত। ‘চেক পয়েন্ট রিসার্চে’র রিপোর্ট অনুযায়ী, ভারতের বিভিন্ন সংস্থা প্রতি সপ্তাহে ৩ হাজার ২০১বার সাইবার হানার শিকার হয়। এর আগে রয়েছে একমাত্র তাইওয়ান। বর্তমানে গোটা বিশ্বেই বাড়ছে অনলাইনে কাজের বহর। অনলাইনের ওপর নির্ভরতা যত বাড়ছে, ততই বাড়ছে সাইবার হানা। চলছে প্রতারণাও। বছর দুয়েক আগেই একটি মার্কিন সংস্থা জানিয়ে দিয়েছিল, ভারতে সাইবার হানার হার ক্রমেই ঊর্ধ্বগামী। বর্তমানে এই ছবিটাই যে ভয়ঙ্কর আকার ধারণ করেছে, তার প্রমাণ চেক পয়েন্ট রিসার্চের রিপোর্ট।

    বাড়ছে সাইবার হামলার ঘটনা

    কেবল ভারত নয়, তামাম বিশ্বেই বাড়ছে সাইবার হামলার ঘটনা। প্রতি সপ্তাহে গড়ে প্রতিটি সংস্থায় সাইবার হানা (Cyberattacks) হয় ১ হাজার ৬৩৬টি। কিছুদিন আগেই সাধারণ নির্বাচন হয়েছে ইংল্যান্ডে। সেখানেও সরকারের তরফে অভিযোগ জানানো হয়েছিল, সে দেশের যেসব সাংসদ সাইবার হানার শিকার হয়েছিলেন, তার নেপথ্যে ছিল চিনের হাত। নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইটও হ্যাক করার অভিযোগ উঠেছিল তাদের বিরুদ্ধে।

    আরও পড়ুন: জঙ্গিদের অস্ত্র প্রশিক্ষণ দিচ্ছে পাকিস্তানের প্রাক্তন এসএসজি কমান্ডোরা!

    জানা গিয়েছে, ভারতের যেসব সংস্থা সাইবার হানার শিকার হয়েছে, তাদের একটা বড় অংশই এডুকেশনাল সেক্টর। বস্তুতঃ, সাইবার অপরাধীদের প্রধান লক্ষ্যবস্তুই হল এডুকেশন অ্যান্ড রিসার্চ ইন্ডাস্ট্রি। কারণ এই ক্ষেত্রগুলিতে আবেদনকারীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দেওয়া থাকে। অনলাইন ব্যবহারকারীদের নেটওয়ার্কের ভেতরে ও বাইরে থাকা একাধিক গ্রুপের কারণেও হামলা বেড়েছে ভেক্টর সারফেসের ওপর।

    গোটা বিশ্বেই এডুকেশন এবং রিসার্চ সেক্টরের ওপর বেড়েছে সাইবার হানার (India Business) হার। ২০২৩ কিউ২-এর চেয়ে ২০২৪ কিউ২-এ এই হার বেড়েছে ৫৩ শতাংশ (Cyberattacks)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Taiwan: চিনের মুখে ঝামা ঘষে তাইওয়ানের প্রেসিডেন্ট পদে জয়ী লাই

    Taiwan: চিনের মুখে ঝামা ঘষে তাইওয়ানের প্রেসিডেন্ট পদে জয়ী লাই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চিনের মুখে ঝামা ঘষে দিয়ে প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে জয়ী হলেন তাইওয়ানের (Taiwan) লাই চিং-তে। তিনি ডেমোক্রেটিক প্রোগ্রেসিভ পার্টির প্রার্থী। শনিবার নির্বাচন শেষে ভোট গণনা শুরু হয় তাইওয়ানে। গণনা শুরু হতেই স্পষ্ট হয়ে যায় প্রেসিডেন্ট পদে জিততে চলেছেন চিং-তে।

    চিন বিরোধী লাই

    গণনা শেষে দেখা গেল, তিনিই জয়ী হয়েছেন। নির্বাচন না করতে হুঁশিয়ারি দিয়েছিল চিন। ড্রাগনের দেশের সেই হুমকি উড়িয়েই হয় নির্বাচন। জয়ী হন চিং-তে। বর্তমানে তিনি দ্বীপরাষ্ট্রটির উপরাষ্ট্রপতি। তিনি বরাবরই তাইওয়ানের (Taiwan) পৃথক পরিচিতির পক্ষে সওয়াল করে আসছেন। চিন যে তাইওয়ানকে তাদের দেশের অন্তর্ভুক্ত বলে মনে করে, তাকেও ফুৎকারে উড়িয়ে দিয়েছেন তিনি। প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে চিং-তে-র দুই প্রতিদ্বন্দ্বীই গোহারা হেরেছেন। এঁরা হলেন, তাইওয়ানের বৃহত্তম বিরোধী পার্টি কেএমটির হৌ ইউ-ই এবং তাইপেইয়ের ভূতপূর্ব মেয়র তাইওয়ান পিপলস পার্টির কো ওয়েন-জে।

    ‘বিপজ্জনক বিচ্ছিন্নতাবাদী’

    চিং-তে-কে বিপজ্জনক বিচ্ছিন্নতাবাদী বলে তোপ দেগেছে চিন। বেজিং এও বলেছিল, তাইওয়ানের ফর্মাল স্বাধীনতার দিকে এগনো মানে যুদ্ধের জন্ম দেওয়া। চিং-তের সঙ্গে কোনও প্রকার আলোচনা করতেও অস্বীকার করেছিল তারা। এহেন আবহেও তাইওয়ানের প্রত্যেক নাগরিককে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছিলেন চিং-তে। নির্বাচনের আগে তিনি বলেছিলেন, “প্রতিটি ভোট মূল্যবান। কেননা এই গণতন্ত্র অনেক কষ্টে অর্জন করেছে তাইওয়ান।” উপরাষ্ট্রপতি এও বলেছিলেন, “দেশে শান্তি বজায় রাখতে আমি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। তাইওয়ান প্রণালী বরাবর স্থিতাবস্থাও বজায় রাখব। রক্ষা করব দ্বীপরাষ্ট্রের নিরাপত্তা।”

    আরও পড়ুুন: “রাম বোধ হয় বিপিএল ছিলেন”! তৃণমূল সাংসদের মন্তব্যে তীব্র বিতর্ক

    প্রসঙ্গত, তাইওয়ানে প্রথমবার প্রেসিডেন্ট নির্বাচন হয়েছিল ১৯৯৬ সালে। তাইওয়ানের এই নির্বাচন ঘিরে আমেরিকা ও চিনের হুমকি-পাল্টা হুমকি শুরু হয়ে গিয়েছিল অনেক আগেই। বেজিং জানিয়ে দিয়েছিল, তাইওয়ানের নির্বাচনে ওয়াশিংটন প্রভাব খাটানোর চেষ্টা করলে তার পরিণাম খারাপ হবে। চিনের রাষ্ট্রায়ত্ত সংবাদ মাধ্যম জানিয়ে দিয়েছিল, এক চিন নীতি থেকে কোনও অবস্থায়ই সরে আসবে না বেজিং। আমেরিকাও জানিয়ে দিয়েছিল, কোনও অবস্থায়ই চিনের হুমকির কাছে মাথা নোয়াবে না তারা। পেন্টাগনের এক আধিকারিক বলেছিলেন, “ভোটে যে পক্ষই জয়ী হোক না কেন, আমেরিকার তাইওয়ান (Taiwan) নীতিতে কোনও পরিবর্তন হবে না।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     

  • Job Opportunity:ইজরায়েলের পর এবার তাইওয়ান, ফের কাজের সুযোগ লক্ষ ভারতীয়ের!

    Job Opportunity:ইজরায়েলের পর এবার তাইওয়ান, ফের কাজের সুযোগ লক্ষ ভারতীয়ের!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এক লাখ ভারতীয়ের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হতে চলেছে ইজরায়েলে। এবার চাকরি (Job Opportunity) পেতে চলেছেন আরও এক লক্ষ ভারতীয়। চাকরি মিলবে তাইওয়ানে। জানা গিয়েছে, তাইওয়ানের কারখানা, ফার্ম, হাসপাতাল সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে সুযোগ মিলবে কাজের। ব্লুমবার্গের রিপোর্ট থেকেই জানা গিয়েছে এ তথ্য। রিপোর্ট বলছে, ভারতীয়দের এই কাজের সুযোগ মিলবে মাসখানেকের মধ্যেই। ডিসেম্বরের মধ্যে এ নিয়ে চুক্তি হতে পারে দুই দেশের।

    কাজের সুযোগ ইজরায়েলে

    প্যালেস্তাইনকে ভাতে মারতে ইজরায়েলে যেসব প্যালেস্তাইনের নাগরিক বিভিন্ন অসংগঠিত ক্ষেত্রে কাজ করেন, তাঁদের ছাঁটাই করে ভারতীয়দের নিয়োগের সিদ্ধান্ত নিয়েছে তেল আভিভ। তবে তাইওয়ানের ক্ষেত্রে বিষয়টি আলাদা। সেদেশে তরুণদের সংখ্যা ক্রমশ কমছে। বাড়ছে বয়স্ক নাগরিকের সংখ্যা। সেই কারণেই প্রয়োজন তরুণদের। ভারত থেকেই এঁদের নিয়ে যেতে চাইছে তাইওয়ান সরকার। তাইওয়ানের শ্রম মন্ত্রক জানিয়েছে, যে সব দেশ তাদের (Job Opportunity) শ্রমিকের জোগান দিতে পারবে, তাদের স্বাগত।

    স্বাক্ষরিত চুক্তি

    প্রসঙ্গত, কিছুদিন আগেই বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র অরিন্দম বাগচি জানিয়েছিলেন, ভারত এবং তাইওয়ানের মধ্যে কাজ সংক্রান্ত চুক্তি চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে। ব্লুমবার্গের রিপোর্ট উল্লেখ করে এক সরকারি আধিকারিক জানান, কর্মসংস্থানের বিষয়ে ১৩টি দেশের সঙ্গে ভারতের চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। এই ১৩টি দেশের মধ্যে রয়েছে জাপান, ফ্রান্স এবং ব্রিটেনও। নেদারল্যান্ড, গ্রিস, ডেনমার্ক এবং সুইৎজারল্যান্ডের সঙ্গেও বিষয়টি নিয়ে চুক্তি চূড়ান্ত হয়েছে।

    আরও পড়ুুন: প্রতিশ্রুতি রাখছে বিজেপি সরকার, উত্তরাখণ্ডে চালু হচ্ছে অভিন্ন দেওয়ানি বিধি!

    জানা গিয়েছে, তাইওয়ানে বেকারত্বের হার সর্বনিম্নে নেমে এসেছে ২০০০ সাল থেকে। সেখানকার অর্থনীতি প্রায় ৭০৯ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের। সেই অর্থনীতির চাকা যাতে সচল থাকে, তাই ভারতীয় তরুণদের নিয়োগ করতে চলেছে তাইওয়ান সরকার। ভারত-তাইওয়ান চুক্তি স্বাক্ষরিত হলে, ভারতীয় কর্মীরা সে দেশে গিয়ে স্থানীয়দের সমান হারে বেতন এবং বিমার মতো রক্ষাকবচও পাবেন। ভারত-তাইওয়ান চুক্তি নিয়ে তাইওয়ানকে হুঁশিয়ারি দিয়েছে চিন। যদিও ড্রাগনের দেশের সেই হুঁশিয়ারিতে কান দেয়নি তাইওয়ান। প্রসঙ্গত, তাইওয়ানকে চিনের অংশ বলে মনে করে বেজিং। আর তাইওয়ান বিশ্বাস করে তারা (Job Opportunity) স্বাধীন একটি দেশ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের , Twitter এবং Google News পেজ।

  • Xi Jinping: পার্টি কংগ্রেসে হংকং, তাইওয়ান তাস খেললেন শি জিনপিং, কেন জানেন?

    Xi Jinping: পার্টি কংগ্রেসে হংকং, তাইওয়ান তাস খেললেন শি জিনপিং, কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তাঁকে একনায়ক বিশ্বাসঘাতক বলে দেগে দিয়েছেন চিনের (China) বাসিন্দারা। পরিস্থিতি যে বিশেষ সুবিধার নয়, তা বোধহয় আঁচ করতে পেরেছেন চিনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং (Xi Jinping)। তাই পার্টি কংগ্রেসের উদ্বোধনী ভাষণে চিনা প্রেসিডেন্ট বলেন, হংকংয়ের পরিস্থিতির ওপর সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ রয়েছে। তাইওয়ানে বিচ্ছিন্নতাবাদী কার্যকলাপ এবং তৃতীয় শক্তির হস্তক্ষেপ মেনে নেওয়া হবে না।

    প্রতি পাঁচ বছরে একবার বসে চিনা কমিউনিস্ট পার্টি (CCP) কংগ্রেস। এবারের পার্টি কংগ্রেসে উপস্থিত রয়েছেন প্রায় ২৩০০ দলীয় প্রতিনিধি। বেজিংয়ের গ্রেট হলে জড়ো হয়েছেন তাঁরা। এর মধ্যেই যখন ঢুকলেন শি জিনপিং (Xi Jinping), তখন কার্যত হাততালির বন্যা। রবিবার থেকে শুরু হয়েছে চিনের ২০তম পার্টি কংগ্রেস। পর পর দুটো টার্মে চিনের কমিউনিস্ট পার্টি ও প্রেসিডেন্ট পদে রয়েছেন শি জিনপিং। আগামী পাঁচ বছরের জন্যও ফের ওই পদে ফিরতে চলেছেন তিনি।

    এদিন বক্তৃতা দিতে উঠে হংক ও তাইওয়ান তাস খেলে দেন শি জিনপিং (Xi Jinping)। বলেন, হট্টগোলের রাজনীতি থেকে সুশাসনের পথে ফিরেছে হংকং। স্বশাসিত তাইওয়ানে বিচ্ছিন্নতাবাদ ও বিদেশি শক্তির হস্তক্ষেপের বিরুদ্ধে লড়াই চলছে। দেশজুড়ে চলা দুর্নীতির বিরুদ্ধেও এদিন সুর চড়িয়েছেন তিনি। বলেন, দেশজুড়ে দুর্নীতির বিরুদ্ধে লড়াই চলছে। যা মানুষ ও দেশের সেনাবাহিনীকে বিপন্মুক্ত করেছে। তাইওয়ানের দাবি যে চিন ছাড়ছে না, এদিন তা আরও একবার স্পষ্ট করে দিয়েছিন শি জিনপিং। তিনি বলেন, তাইওয়ান সমস্যার সমাধান করা চিনা জনগণের ওপর নির্ভর করে। চিন কখনওই শক্তি প্রয়োগের দাবি পরিত্যাগ করবে না।

    আরও পড়ুন: মুখ থুবড়ে পড়েছে চিনের ‘জিরো কোভিড নীতি’, ফের লকডাউনে জিনপিং- এর দেশ

    চিনা প্রেসিডেন্ট বলেন, আমরা আন্তরিকতার সঙ্গে একটি শান্তিপূর্ণ পুনর্মিলনের চেষ্টা চালিয়ে যাব। তবে প্রয়োজনে শক্তির ব্যবহার করব না, এমন প্রতিশ্রুতি দেব না। চিনা নাগরিকদের সুরক্ষার জন্যই যে কড়া কোভিড নীতি লাগু করা হয়েছে, তাও মনে করিয়ে দিয়েছেন চিনের সর্বাধিনায়ক। সরকারের কোভিড নীতিতে আমজনতার হাঁসফাঁস দশা হলেও, শি জিনপিং (Xi Jinping) বলেন, নাগরিকদের সুরক্ষা দিতে এবং তাঁদের সুস্বাস্থ্য যাতে বজায় থাকে তাই এই নীতি নেওয়া হয়েছে। এতে ফলও মিলেছে উল্লেখযোগ্যভাবে। মহামারি আপাতত নিয়ন্ত্রণেও বলে জানান তিনি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Joe Biden on Taiwan: তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধের ভ্রুকুটি! চিন হামলা করলে তাইওয়ানের হয়ে লড়বে মার্কিন ফৌজ, হুঁশিয়ারি বাইডেনের

    Joe Biden on Taiwan: তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধের ভ্রুকুটি! চিন হামলা করলে তাইওয়ানের হয়ে লড়বে মার্কিন ফৌজ, হুঁশিয়ারি বাইডেনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দিন দিন সম্পর্কের অবনতি হচ্ছে বিশ্বের দুই শক্তিধর দেশ চিন (China) এবং আমেরিকার (USA)। আর এর মাঝেই চিনের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক মন্তব্য করলেন মার্কিন রাষ্ট্রপতি জো বাইডেন (US President Joe Biden)। বাইডেন বলেন, “চিন তাইওয়ান আক্রমণ করলে যুক্তরাষ্ট্র তাইওয়ানকে (Taiwan) রক্ষা করবে।” চিন বহুদিন ধরেই তাইওয়ানের ওপর নিজের অধিকার দাবি করে আসছে। এই বিষয়ে রবিবার এক সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বাইডেন বলেন, “যদি তাইওয়ানের ওপর অপ্রত্যাশিত কোনো হামলা আসে, তাহলে যুক্তরাষ্ট্র তাদের পাশে থাকবে।” সত্যিই কী বিশ্বের দুই শক্তিধর দেশ এবার সম্মুখ সমরে? এটাই কী তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধের পূর্বাভাস? এখন এই চিন্তাই ভাবাচ্ছে রাজনৈতিক মহলকে। যদিও এই সাক্ষাৎকার সম্প্রচারিত হওয়ার পরই হোয়াইট হাউজ জানায়, তাইওয়ান নিয়ে মার্কিন নীতিতে কোনও পরিবর্তন হয়নি।

    আরও পড়ুন: এবার আস্তিন গুটিয়ে চিনের পাল্টা মহড়ায় নামল তাইওয়ানও

    চিনের পূর্ব উপকূলে অবস্থিত স্বশাসিত দ্বীপ তাইওয়ান। বহুদিন ধরেই দ্বীপরাষ্ট্রটিকে নিজের অংশ বলে দাবি করে আসছে জিংপিং- এর দেশ। ওয়াশিংটন এই ইস্যুতে বরাবরই কূটনৈতিক অবস্থান নিয়েছে। এ বিষয়ে এর আগে সরাসরি ঢুকতে চায়নি যুক্তরাষ্ট্র। দ্বীপদেশটির সঙ্গে ওয়াশিংটনের কোনো কূটনৈতিক সম্পর্ক নেই। তবে তাইওয়ানের সঙ্গে ওয়াশিংটনের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে। তাইওয়ান রিলেশনস অ্যাক্ট অনুসারে ওয়াশিংটন তাইওয়ানে অস্ত্র বিক্রি করে। এ মাসের শুরুতে যুক্তরাষ্ট্র তাইওয়ানের প্রতিরক্ষা খাতে ১১০ কোটি ডলারের অস্ত্র বিক্রি করতে সম্মত হয়েছে। আমেরিকা চায় তাইওয়ানের সমস্যাটির শান্তিপূর্ণভাবে সমাধান হোক।  

    সম্প্রতি, মার্কিন প্রতিনিধি পরিষদের স্পিকার ন্যান্সি পেলোসি সহ বেশ কয়েকজন আধিকারিক তাইওয়ান সফর করেন। এর পরেই মার্কিন-চিন সম্পর্কে আরও অবনতি হয়েছে। মার্কিন প্রতিনিধিদের তাইওয়ান থেকে ফিরে যাওয়ার পরেই সামরিক অনুশীলন শুরু করে চিন।

    আরও পড়ুন: তাইওয়ানের ক্ষেপণাস্ত্র নির্মাণকারী সংস্থার শীর্ষ আধিকারিকের মৃত্যু, রহস্য  

    সম্প্রতি তাইওয়ানের প্রতিরক্ষা সহযোগিতা বৃদ্ধি সংক্রান্ত একটি বিল মার্কিন সেনেটে পাশ হয়েছে। এই বিল অনুমোদন পাওয়ার পরেই চিন অসন্তোষ প্রকাশ করেছে। চিনের বিদেশ মন্ত্রক আমেরিকার বিরুদ্ধে বিবৃতি জারি করে বলে, ‘এক চিন নীতি’- র অবমাননা করেছে আমেরিকা। চিনের আভ্যন্তরীণ বিষয়ে আমেরিকার হস্তক্ষেপ মেনে নেওয়া হবে না। 

    এই মুহূর্তে চিনের শি জিনপিংয়ের সরকার সমুদ্রে ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করে এবং আশেপাশের এলাকায় ফাইটার প্লেন উড়িয়ে তাইওয়ানকে ভয় দেখানোর চেষ্টা করছে। আর এর মাঝেই তাইওয়ানের পাশে থাকার আশ্বাস দিলেন বাইডেন। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Taiwan China Conflict:  এবার আস্তিন গুটিয়ে চিনের পাল্টা মহড়ায় নামল তাইওয়ানও

    Taiwan China Conflict:  এবার আস্তিন গুটিয়ে চিনের পাল্টা মহড়ায় নামল তাইওয়ানও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চিন (China) ও তাইওয়ানকে (Taiwan) নিয়ে ক্রমেই বাড়ছে উত্তেজনার পারদ! এতদিন তাইওয়ানকে ছ দিক থেকে ঘিরে সেনা মহড়া চালিয়েছে চিন। সোমবার ফের একপ্রস্ত মহড়া শুরু করেছে শি জিন পিংয়ের দেশ। এবার আস্তিন গুটিয়ে পাল্টা পথে নামল তাইওয়ানও। সম্ভাব্য চিনা আক্রমণ রুখতে সেনা মহড়া শুরু করে দিল এই দ্বীপরাষ্ট্র। পিংটুঙে মঙ্গলবার থেকেই শুরু হয়েছে তাইওয়ান সেনার মহড়া (Military Drill )। মহড়া যে শুরু হয়েছে তা নিশ্চিত করেছেন তাইওয়ান সেনার অষ্টম কোরের মুখপাত্র লাউ ওয়েই জিয়ে।

    গত মঙ্গলবার রাতে মার্কিন কংগ্রেসের নিম্নকক্ষ হাউস অফ রিপ্রেজেনটেটিভসের স্পিকার ন্যান্সি পেলোসির নেতৃত্বে এক প্রতিনিধি দল আসে এশিয়া সফরে। সেই সূত্রেই তাঁরা আসেন তাইওয়ানেও। যদিও ন্যান্সির সফরসূচিতে তাইওয়ানের নাম ছিল না। শেষমেশ তিনি পা রাখেন দ্বীপরাষ্ট্রে। তা নিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের সঙ্গে ফোনে কথা হয় চিনা প্রেসিডেন্টের। তখনই শি জিন পিং তাঁকে এই বলে সতর্ক করে দেন যে, যাঁরা আগুন নিয়ে খেলবেন, তাঁরা ধ্বংস হয়ে যাবেন। চুপ করে থাকেননি বাইডেনও। তিনিও জানিয়ে দেন, তাইওয়ান নিয়ে আমেরিকার নীতিতে কোনও বদল হয়নি। এর পরেই তাইওয়ানের গা ঘেঁষে সামরিক মহড়া চালায় চিন।

    আরও পড়ুন : তাইওয়ানের চারপাশে ১১টি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়ল চিন, কেন জানেন?

    এদিকে, রবিবার চিনা মহড়া শেষ হয়ে যাওয়ার কথা থাকলেও, চিনের ইস্টার্ন থিয়েটার কমান্ড ঘোষণা করেছে, রণতরী ও ডুবোজাহাজ নিয়ে তাদের মহড়া চলবে আরও কয়েকদিন। তাদের দাবি, সাবমেরিন হানা প্রতিরোধ করতে এবং সমুদ্র সীমান্ত বরাবর নিরাপত্তা ব্যবস্থা খতিয়ে দেখতেই চলছে মহড়া। প্রসঙ্গত, স্বশাসিত তাইওয়ানকে নিজেদের অবিচ্ছেদ্য অংশ বলেই মনে করে চিন। বিশ্বের মাত্র ১৩টি দেশ তাইওয়ানকে পৃথক রাষ্ট্রের মর্যাদা দেয়। আমেরিকা তাইওয়ানকে স্বীকৃতি না দিলেও, এই অঞ্চলের স্বাতন্ত্র্য ও সার্বভৌমত্বকে স্বীকার করে থাকে। তার জেরেই চিনের সঙ্গে আমেরিকার বিবাদ। জানা গিয়েছে, সামরিক অভিযানে তাইওয়ানের ওপর দিয়ে পরীক্ষামূলক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করছে চিনা ফৌজ। তাইওয়ান প্রণালীর ওপর দিয়ে চক্কর কাটছে চিনের বোমারু বিমান। সমুদ্রে চলছে চিনের সাবমেরিন মহড়া। দেশের নিরাপত্তার স্বার্থে চিন যে কোনও কঠোর ভূমিকা নিতে প্রস্তুত বলে জানিয়ে দিয়েছে চিন সরকারের মুখপাত্র।

    তাইওয়ান সেনা সূত্রে খবর, তাইপেই মহড়া শুরু করেছে। চলবে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত। এজন্য মোতায়েন করা হয়েছে কয়েকশো জওয়ান ও ৪০টি হাউইৎজার কামান। তাইওয়ানের বিদেশ মন্ত্রী জোসেফ উ বলেন, তাইওয়ান আক্রমণ করতেই মহড়া শুরু করেছে চিন। তিনি বলেন, তাইওয়ান প্রণালী সহ গোটা দ্বীপরাষ্ট্রে স্থিতবস্থা বদলে দেওয়াই চিনের প্রকৃত উদ্দেশ্য।

    আরও পড়ুন :ন্যান্সির তাইওয়ান সফরের জের, আমেরিকার সঙ্গে কথা বন্ধ চিনের

     

  • Taiwan China Conflict: তাইওয়ানের ক্ষেপণাস্ত্র নির্মাণকারী সংস্থার শীর্ষ আধিকারিকের মৃত্যু, রহস্য

    Taiwan China Conflict: তাইওয়ানের ক্ষেপণাস্ত্র নির্মাণকারী সংস্থার শীর্ষ আধিকারিকের মৃত্যু, রহস্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তাইওয়ান চিনের উত্তেজনার পারদ ক্রমেই চড়ছে। এমতাবস্থায় রহস্য মৃত্যু তাইওয়ানের (Taiwan) ক্ষেপণাস্ত্র নির্মাণকারী সংস্থার এক শীর্ষ আধিকারিকের। সংবাদ মাধ্যম সূত্রেই এ খবর মিলেছে। তাইওয়ান সীমান্তের খুব কাছে মহড়া দিচ্ছে চিনা (China) ফৌজ। এমন আবহে ক্ষেপণাস্ত্র (Missile) নির্মাণকারী সংস্থার বর্ষীয়ান আধিকারিকের মৃত্যুতে ঘনীভূত হয়েছে রহস্য। মৃত্যুর কারণ জানতে শুরু হয়েছে তদন্ত।

    চুং শান ইনস্টিটিউট অফ সায়েন্স অ্যান্ড টেকনলজির সহ প্রধান ছিলেন আউ ইয়াং লি-সিং (Ou Yang Li-hsing)। এই চুং শান ইনস্টিটিউট অফ সায়েন্স অ্যান্ড টেকনলজি রয়েছে তাইওয়ান সেনার অধীনে। শনিবার সকালে দক্ষিণ তাইওয়ানের একটি হোটেলের ঘরে মৃত অবস্থায় উদ্ধার হয় আউ ইয়াং লি-সিংয়ের দেহ।

    জানা গিয়েছে, পেশাগত কাজে দক্ষিণ তাইওয়ানের পিংটুং প্রদেশে গিয়েছিলেন আউ ইয়াং লি-সিং। এদিনই  ক্ষেপণাস্ত্র উৎপাদন কেন্দ্র পরিদর্শন করার কথা ছিল তাঁর। চিনের সঙ্গে তাইওয়ানের কূটনৈতিক উত্তেজনা বেড়ে যাওয়ার পর থেকেই ক্ষেপণাস্ত্র উৎপাদন বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে তাইওয়ান। এহেন আবহেই রহস্য মৃত্যু তাইওয়ানের ক্ষেপণাস্ত্র নির্মাণকারী সংস্থার বর্ষীয়ান আধিকারিকের।

    আরও পড়ুন : ন্যান্সির তাইওয়ান সফরের জের, আমেরিকার সঙ্গে কথা বন্ধ চিনের

    মঙ্গলবার রাতে মার্কিন কংগ্রেসের নিম্নকক্ষ হাউস অফ রিপ্রেজেনটেটিভসের স্পিকার ন্যান্সি পেলোসির নেতৃত্বে এক প্রতিনিধি দলের সদস্যরা আসেন এশিয়া সফরে। সেই সূত্রেই তাঁরা আসেন তাইওয়ানে। ন্যান্সির সফরসূচিতে তাইওয়ানের নাম ছিল না। তবে তিনি যে তাইওয়ান যেতে পারেন, তা একপ্রকার ঠিকই ছিল। তা নিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের সঙ্গে ফোনে কথা হয় চিনা প্রেসিডেন্টের। তখনই জিন পিং তাঁকে এই বলে সতর্ক করে দেন যে, যাঁরা আগুন নিয়ে খেলবেন, তাঁরা ধ্বংস হয়ে যাবেন। চুপ করে থাকেননি বাইডেনও। তিনিও জানিয়ে দেন, তাইওয়ান নিয়ে আমেরিকার নীতিতে কোনও পরিবর্তন হয়নি।

    আরও পড়ুন : চিনা হুমকি, তাইওয়ানে মহড়া শুরু যুদ্ধের

    তাইওয়ান সফর সেরে ন্যান্সি যান জাপানে। তার আগেই সামরিক মহড়া শুরু করে দেয় চিন। তাইওয়ান প্রণালী বন্ধ করে সামরিক মহড়া চালাতে শুরু করেছে শি জিন পিংয়ের সরকার। চিনের সাবমেরিন তাইওয়ানের জলসীমায় প্রবেশ করেছে বলে জানানো হয়েছে তাইওয়ানের তরফে। চিনের শতাধিক যুদ্ধ বিমান তাইওয়ানের আকাশসীমায় সামরিক মহড়া চালায়। জাপানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে, সামরিক মহড়ায় চিন মোট নটি ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ করেছে। এর মধ্যে চারটি গিয়েছে তাইওয়ানের ওপর দিয়ে। চিন চারদিনের সামরিক মহড়ার কথা ঘোষণা করেছে। এই মহড়াগুলি চলবে তাইওয়ানের নির্দিষ্ট ছটি জোনে। এই  আবহে ক্ষেপণাস্ত্র নির্মাণকারী সংস্থার সহ প্রধানের মৃত্যুতে ক্রমেই দানা বাঁধছে রহস্য।

     

  • Taiwan China Threat: চিনা হুমকি, তাইওয়ানে মহড়া শুরু যুদ্ধের 

    Taiwan China Threat: চিনা হুমকি, তাইওয়ানে মহড়া শুরু যুদ্ধের 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ঘন ঘন বাজছে সাইরেন। পথঘাট ফাঁকা। তার মধ্যেই নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে ছুটছেন কেউ কেউ। এ ছবি দ্বীপরাষ্ট্র তাইওয়ানের (Taiwan)। চিন (China) হামলা চালাতে পারে। এই আশঙ্কা থেকেই যুদ্ধের মহড়া (Military Drills) শুরু হয়ে গিয়েছে এই দ্বীপরাষ্ট্রে। সেনাকর্মীদের ছুটি বাতিল করা হয়েছে। সাধারণ নাগরিকদের দেওয়া হচ্ছে সামরিক প্রশিক্ষণ।

    তাইওয়ানকে নিজেদের অংশ হিসেবেই দাবি করে এসেছে চিন। দেশের রশি শি জিনপিংয়ের হাতে আসার পর থেকে তাইওয়ানের দখল পেতে মরিয়া ড্রাগনের দেশ। এমতাবস্থায় নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়েছে মার্কিন স্পিকার ন্যান্সি পোলেসির (Nancy Pelosi)তাইওয়ান সফর ঘিরে। সোমবার থেকে মার্কিন কংগ্রেসের একটি দল মালয়েশিয়া, দক্ষিণ কোরিয়া, জাপান সহ ভারত ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চল সফর করবে। পেলোসির দফতরের জারি করা বিবৃতিতে তাইওয়ানের নাম নেই। তবে সংবাদমাধ্যম সূত্রে খবর, মঙ্গলবারই তাইপেই পৌঁছবেন পেলোসি। তিনি তাইওয়ান পৌঁছলে চিন হাত গুটিয়ে বসে থাকবে না বলে হুমকি দিয়েছিল বেজিং। এদিকে, এদিনই পেলোসি মালয়েশিয়া পৌঁছেছেন বলে খবর।

    আরও পড়ুন : চিন-পাকিস্তান অর্থনৈতিক করিডোরে তৃতীয় দেশের অন্তর্ভুক্তি! কড়া সমালোচনা ভারতের

    এহেন উত্তেজনার আবহেই মার্কিন সংবাদ মাধ্যমের দাবি, চিন সাগরে ইতিমধ্যেই যুদ্ধের মহড়া শুরু করেছে তাইওয়ান নৌবাহিনী। সম্ভাব্য চিনা আগ্রাসন রুখতে উপকূল বরাবর অবস্থান নিচ্ছে তাইওয়ানের সেনা। চিনা ফৌজকে আকাশপথে ঠেকানোর প্রস্তুতিও শুরু হয়েছে জোরকদমে। তাইওয়ানের সক্ষম নাগরিকদের একাংশকে সামরিক প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে বলেও খবর। তাইওয়ানের সঙ্গে কূটনৈতিক কোনও সম্পর্ক নেই আমেরিকার। তবে দুই দেশই বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখে। আত্মরক্ষার জন্য তাইপেইকে অস্ত্রও সরবরাহ করে থাকে আমেরিকা।

    জানা গিয়েছে, বৃহস্পতিবারই মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের সঙ্গে ফোনে কথা বলেছেন চিনা প্রেসিডেন্ট। তখনই জিন পিং তাঁকে এই বলে সতর্ক করে দেন যে, যাঁরা আগুন নিয়ে খেলবেন, তাঁরা ধ্বংস হয়ে যাবেন। চুপ করে থাকেননি বাইডেনও। তিনিও জানিয়ে দিয়েছেন, তাইওয়ান নিয়ে আমেরিকার নীতিতে কোনও পরিবর্তন হয়নি। তাইওয়ান প্রণালীতে শান্তি বা স্থিতাবস্থা বিঘ্নিত করে এমন কোনও প্রচেষ্টা মেনে নেবে না আমেরিকা।

    আরও পড়ুন : শিলিগুড়ি করিডরের কাছে চিন! ডোকলাম সীমান্তে গ্রাম বানাচ্ছে বেজিং

     

LinkedIn
Share