Tag: Taj Mahal

Taj Mahal

  • Taj Mahal: কী আছে তাজমহলের বন্ধ ঘরগুলিতে? ছবি প্রকাশ করল এএসআই 

    Taj Mahal: কী আছে তাজমহলের বন্ধ ঘরগুলিতে? ছবি প্রকাশ করল এএসআই 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তাজমহল নিয়ে গোটা বিশ্বের কৌতূহলের শেষ নেই। তাহমহলের খানিকটা অংশ জনসাধারণের দর্শনের জন্যে খোলা থাকলেও, বেশ খানিকটা অংশ এখনও রয়েছে সাধারণের চোখের আড়ালে। শোনা যায়, তাজমহলের (Taj Mahal) ২২টি ঘর নাকি আজও তালাবন্ধ। কী আছে দরজার (Closed Rooms) ওপারে? এনিয়ে বিতর্কের অন্ত নেই। বার বার সেই ঘরগুলি খোলার দাবি তোলা হয়েছে। কিন্তু সরকার তাতে রাজি হয়নি। সম্প্রতি ফের মাথা চাড়া দিয়ে উঠেছে তাজমহলের বন্ধ ঘরের বিতর্ক। এলাহাবাদ হাইকোর্টে ওই বন্ধ ঘর খোলার দাবিতে পিটিশনও দেন এক বিজেপি নেতা। যদিও সেই আবেদন খারিজ করে দেয় হাইকোর্ট। 

    এবার তাজমহলের মধ্যে থাকা কয়েকটি বন্ধ ঘরের ছবিই প্রকাশ করল খোদ আর্কিওলজিকাল সার্ভে অফ ইন্ডিয়া (Archaeological Survey of India)। বেসমেন্টে থাকা কয়েকটি ঘরের ছবি প্রকাশ করা হয়েছে এএসআই-এর ওয়েবসাইটে। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে যে জায়গাগুলি ক্ষয়ে গিয়েছে, সেখানে আবার নতুন করে প্লাস্টার করা হয়েছে। মেরামতির আগে এবং পরের দুই ছবিই প্রকাশ করেছে এএসআই (ASI) কর্তৃপক্ষ। 

    এএসআই-এর দাবি, এই মেরামতির কাজ শুরু করা হয়েছিল ২০২১-এর ডিসেম্বরে এবং শেষ হয়েছে ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে। ব্যয় হয়েছে প্রায় ৬ লক্ষ টাকা। এক এএসআই আধিকারিক সংবাদমাধ্যমকে এবিষয়ে বলেন, “ছবিগুলি ২০২২ সালের জানুয়ারির নিউজলেটারের অংশ হিসেবে প্রকাশ করা হয়েছে। যে কেউ ওয়েবসাইটে গিয়ে তা দেখতে পারেন।”

    [tw]


    [/tw]

    অর্থাৎ এলাহাবাদ হাইকোর্টে পিটিশন দেওয়ার বেশ খানিকটা আগেই তাজমহল নিয়ে মানুষের কৌতূহল প্রশমন করার চেষ্টা করেছে ভারত সরকারের প্রত্নতাত্ত্বিক বিভাগ। 

    এএসআই দাবি করে, ২০০৬-০৭ সালেও ঘরগুলির মেরামত করা হয়েছিল। এএসআই-এর ওয়েবসাইটে সেই ছবিও আপলোড করা হয়। এবারও যে বন্ধ ঘরগুলি মেরামতের জন্য খোলা হয়েছিল, সেই ছবিও আপলোড করা হয়েছে ওয়েবসাইটে।   

    কিছুদিন আগেই ২২টি বন্ধ ঘর খোলার দাবিতে এলাহাবাদ হাইকোর্টে (Allahabad High Court) পিটিশন দাখিল করা হয়েছিল। এলাহাবাদ হাইকোর্টে করা পিটিশনে বলা হয়েছিল, তাজমহলের যে ২২টি ঘর বছরের পর বছর ধরে বন্ধ রয়েছে, তা খোলা হোক এবং সেখানে কী রয়েছে, তা নিয়ে এএসআইকে তদন্ত করার অনুমতি দেওয়া হোক। যদিও আদালত সেই আবেদন খারিজ করে দেয়। আর তারপরেই এএসআই- এর এই ছবি প্রকাশ। এএসআই- এর তরফে বলা হয়েছে, ওই বন্ধ ঘরগুলি নিয়ে কোনও গোপনীয়তা নেই। এগুলো শুধুই কাঠামোর অংশ। 

     

  • Taj Mahal: তাজমহলের বন্ধ ঘরে আছে বহু হিন্দু দেবদেবীর মূর্তি? আদালতে তালা খোলার আবেদন

    Taj Mahal: তাজমহলের বন্ধ ঘরে আছে বহু হিন্দু দেবদেবীর মূর্তি? আদালতে তালা খোলার আবেদন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তাজমহল (Taj Mahal) নাকি হিন্দুদের মন্দির, এমনই দাবি নিয়ে তদন্তের জন্যে আদালতের দ্বারস্থ হলেন এক বিজেপি (BJP) নেতা। তাজমহলের অন্দরে থাকা ২০টি ঘর খুলে পরীক্ষার দাবি করলেন তিনি। কী ছিল আগ্রায় (Agra)? ফের মাথাচারা দিল সেই বিতর্ক। উত্তরপ্রদেশের (Uttar Pradesh) ওই বিজেপি নেতার দাবি, তাজমহলের অন্দরে হিন্দু দেবদেবীর (Hindu idols) বহু মূর্তি এবং সনাতন ধর্মের একাধিক নির্দশন (Hindu inscriptions) রয়েছে। সেই তথ্য প্রকাশ্যে আনতেই আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন তিনি।

    এলাহাবাদ হাইকোর্টের (Allahabad HC) লখনউ বেঞ্চে পিটিশন দায়ের করেছেন বিজেপির অযোধ্যা (Ayodhya) জেলার দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতা রজনীশ সিং (Rajneesh Singh)। তাঁর দাবি, তাজমহলের অন্দরে ২০টি তালাবন্ধ ঘর রয়েছে। সেখানে প্রচুর হিন্দু দেবদেবীর মূর্তি এবং সনাতন ধর্মের নিদর্শন লুকিয়ে রাখা আছে। তাই তাঁর আর্জি, প্রত্নতত্ব বিভাগকে (ASI) ওই ঘরগুলি খোলার নির্দেশ দিক আদালত। তাহলেই সত্যিটা সামনে আসবে বলেও দাবি করেছেন ওই বিজেপি নেতা।

    আবেদনকারী রজনীশ সিং জানিয়েছেন, তাজমহল নিয়ে বহুদিন ধরেই বিতর্ক রয়েছে। এই ঐতিহাসিক নিদর্শনের ভিতরে ২০টি ঘর তালাবন্ধ। কাউকে সেখানে ঢুকতেও দেওয়া হয় না। মনে করা হয়, সেই ঘরগুলিতে হিন্দু দেবদেবীদের মূর্তি রয়েছে। লুকিয়ে রয়েছে সনাতন ধর্মের বহু নির্দশন। তিনি বলেন, “আমি আদালতের কাছে আবেদন করেছি যাতে তারা আর্কিওলজিক্যাল সার্ভে অফ ইন্ডিয়াকে ঘরগুলি খোলার নির্দেশ দেয়। ওই ঘরগুলি খোলা হলে কোনও সমস্যা নেই। যদি সেখানে কিছু না থাকে, তাহলে সমস্ত বিতর্কের অবসান হবে।”

    পাশাপাশি তাঁর আরও দাবি, রাজ্য সরকারকে কমিটি গঠন করার নির্দেশ দিক আদালত, যারা ওই ঘরগুলি পরীক্ষা করে দেখবে যে সেখানে কোনও হিন্দু ধর্মের নিদর্শন রয়েছে কিনা। বিজেপি সাংসদ বিনয় কাটিহার বলেন, তাজমহল নয়, আগ্রায় যমুনার তীরে একমাত্র তেজোমহলের অস্তিত্ব থাকা উচিত। প্রসঙ্গত, বিজেপির এই সাংসদ একসময়ে দাবি করেছিলেন, আগ্রায় যেখানে আজ তাজমহল দাঁড়িয়ে আছে, সেখানে তেজোমহল বলে একটি হিন্দু মন্দির ছিল।

     

  • Suvendu Attacks Partha: এসএসসির দুর্নীতির টাকায় স্ত্রীর নামে ঝাঁ চকচকে স্কুল করেছেন পার্থ! দাবি শুভেন্দুর

    Suvendu Attacks Partha: এসএসসির দুর্নীতির টাকায় স্ত্রীর নামে ঝাঁ চকচকে স্কুল করেছেন পার্থ! দাবি শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এসএসসির দুর্নীতির (SSC scam) টাকায় প্রয়াত স্ত্রীর নামে ঝাঁ চকচকে বেসরকারি স্কুল করেছেন রাজ্যের প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী তৃণমূলের (TMC) পার্থ চট্টোপাধ্যায় (Partha Chatterjee)। এমনই অভিযোগ রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর (Suvendu)। পশ্চিম মেদিনীপুরের পিংলায় ওই স্কুল রয়েছে, দাবি শুভেন্দুর। বিরোধী দলনেতার দাবি, সুরম্য এই স্কুলের চেয়ারম্যান পার্থর জামাই কল্যাণময় ভট্টাচার্য।

    আরও পড়ুন : নথি নষ্টের আশঙ্কায় “সিল” এসএসসি দফতর, নিরাপত্তায় সিআরপিএফ, মধ্যরাতে নির্দেশ হাইকোর্টের

    এসএসসিকাণ্ডে বিপাকে রাজ্য সরকার। প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে নিজাম প্যালেসে ডেকে জেরা করেছেন সিবিআই (CBI) আধিকারিকরা। তৃণমূল সরকারের শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী পরেশ অধিকারীকেও (Paresh Adhikary) বার কয়েক জেরা করেছেন তাঁরা। অবৈধভাবে স্কুল শিক্ষকের চাকরি পাওয়ায় পরেশের কন্যা অঙ্কিতাকে (Ankita Adhikary) বরখাস্তও করেছে আদালত। রাজ্যের বিরোধী দলনেতার অভিযোগ, এসএসসির দুর্নীতির টাকায় আখের গুছিয়েছেন রাজ্যের প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী।

    [tw]


    [/tw]

    শুভেন্দুর দাবি, পার্থর ওই স্কুলে আন্তর্জাতিক মানের শিক্ষা দেওয়া হয়। সবুজের মাঝে আন্তর্জাতিক মানের শিক্ষার সমস্ত পরিকাঠামো এই স্কুলে রয়েছে। স্কুল নির্মাণে ব্যয় হয়েছে ৭০ কোটিরও বেশি টাকা। ট্যুইটে শুভেন্দু লেখেন, পশ্চিম মেদিনীপুরের পিংলায় সম্প্রতি গড়ে উঠেছে বিসিএম ইন্টারন্যাশনাল স্কুল। সবুজের মাঝে অভ্যন্তরীণ সৌন্দর্যে ভরা এই স্কুল বিশ্বমানের শিক্ষা প্রদান করছে।

    আরও পড়ুন : শান্তিপ্রসাদ সিনহা সহ ৫ জনের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের সিবিআইয়ের

    অন্য একটি ট্যুইটে শুভেন্দু লেখেন, বিসিএস ইন্টারন্যাশনাল স্কুলের উদ্বোধন করেছিলেন প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়। এই ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠা করার পিছনে গভীর আগ্রহ দেখিয়েছিলেন বলে মনে করা হচ্ছে। আর একটি ট্যুইটে শুভেন্দু জানান, কাকতালীয়ভাবে বিসিএস বাবলি চ্যাটার্জি মেমোরিয়ালের সংক্ষিপ্ত রূপ। যা তাঁর স্ত্রীর নামের সঙ্গে মিলে যাচ্ছে। এই প্রকল্পে ৭০ কোটি টাকারও বেশি খরচ হয়েছে বলে শোনা যাচ্ছে। শোনা যাচ্ছে, প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী এই তাজমহল (Taj Mahal) স্বরূপ স্কুলের নির্মাণ কার্যের সময় বেশ কিছু স্থান পরিদর্শন করেছিলেন।

    [tw]<bloc


    kquote class=”twitter-tweet”>

    The swanky BCM International School has been recently developed at Pingla; Paschim Medinipur. The school is offering world class infrastructure with plush interiors, lush green landscaping and what not besides imparting education.

    Don’t get confused. This is not an advertorial.

    — Suvendu Adhikari • শুভেন্দু অধিকারী (@SuvenduWB) May 22, 2022

    [/tw]

    এর পরেই শুভেন্দুর কটাক্ষ-ট্যুইট, স্কুল সার্ভিস কমিশনের (School Service Commission) শিক্ষক নিয়োগ কেলেঙ্কারির (Teachers recruitment scam) তহবিল কোথায় হারিয়ে গিয়েছে? তাঁরা জানেন কোথা থেকে শুরু করতে হবে? কল্যাণময় ভট্টাচার্য এই স্কুলের চেয়ারম্যান, প্রতিষ্ঠাতা ও ট্রাস্টি। তিনি প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের জামাতা। তাঁর কাকা কৃষ্ণপ্রসাদ অধিকারী স্কুলের দৈনন্দিন কাজকর্ম পরিচালনা করেন।

     

  • Taj Mahal Controversy: তাজমহল আসলে তেজো মহালয়া শিবমন্দির! জানেন কি এই বিতর্কের আসল কারণ? 

    Taj Mahal Controversy: তাজমহল আসলে তেজো মহালয়া শিবমন্দির! জানেন কি এই বিতর্কের আসল কারণ? 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পৃথিবীর সপ্তম আশ্চর্য তাজমহলকে (Taj Mahal) সম্প্রতি ‘তেজো মহালয়া’ (Tejo Mahalaya) নামের এক মন্দির দাবি করে এলাহাবাদ হাইকোর্টে (Allahabad High Court) তদন্তের আর্জি জানিয়েছেন এক বিজেপি (BJP) নেতা। এনিয়ে এখন দেশের রাজনীতিতে শোরগোল। হিন্দু (Hindu) সংগঠনগুলিও তাই বিশ্বাস করে। জেনে নেওয়া যাক এই দাবির নেপথ্যে ঠিক কী কারণ রয়েছে? আদৌ কি কোনও ভিত্তি রয়েছে দাবিটির? 

    ২০১৫ সালে একদল আইনজীবী মোট সাতটি পিটিশন দাখিল করেছিলেন আগরা (Agra) দায়রা আদালতে। সবকটি পিটিশনে দাবি কার হয়েছিল যে তাজমহলে যাতে হিন্দুদের গিয়ে পূজা-পাঠের অনুমতি দেওয়া হয়। দাবি করা হয়, মুঘল (Mughals) জমানার এই বিশ্ববিখ্যাত সৌধ আদতে ‘তেজো মহালায়া’ নামক এক প্রাচীন শিবমন্দির (Lord Shiva Temple)। সেই থেকে বিতর্কের সূত্রপাত। 

    মামলাকারী আদালতের কাছে আর্জি জানিয়েছেন, যাতে রাজ্য সরকারকে এই নিয়ে একটি কমিটি গঠনের নির্দেশ দেওয়া হয়। এই কমিটি তাজমহলের কক্ষগুলি পরীক্ষা করবে এবং সেখানে হিন্দু মূর্তি বা ধর্মগ্রন্থের সাথে সম্পর্কিত কোনও প্রমাণ আছে কি না তা খতিয়ে দেখবে। 

    আরও পড়ুনঃ তাজমহলের বন্ধ ঘরে আছে বহু হিন্দু দেবদেবীর মূর্তি? আদালতে তালা খোলার আবেদন
     
    ভারতের শিব মন্দিরগুলির স্থাপত্যশৈলী এবং বৈশিষ্ট্যের সঙ্গে তাজমহলের তুলনা করে মিল খুঁজে পান মামলাকারী শঙ্কর জৈন। যদিও আদালতে মামলাকারীর যুক্তি খাটেনি। আবেদনটি মানা হয়নি এবং এখনও আগরার নিম্ন আদালতে এই মামলা বিচারাধীন।  তবে আগরার আদালতে সেই আবেদন বিফলে গেলেও প্রায় একই ধরনের আবেদন গত সপ্তাহে দায়ের হয়েছে এলাহাবাদ হাইকোর্টে। অযোধ্যা জেলায় ভারতীয় জনতা পার্টির মিডিয়া ইনচার্জ ডঃ রজনীশ সিং আবেদন করে তাজমহলের ভিতর ২০টি ঘর খোলার দাবি তোলেন।  

    বিজেপি নেতা রজনীশ সিং দাবি করেন, ‘তাজমহল নিয়ে পুরনো বিতর্ক রয়েছে। তাজমহলের প্রায় ২০টি কক্ষ তালাবদ্ধ এবং কাউকে প্রবেশ করতে দেওয়া হয় না। আমার ধারণা, এসব ঘরে হিন্দু দেব-দেবী ও ধর্ম সম্পর্কিত মূর্তি রয়েছে। এর প্রেক্ষিতে আমি হাইকোর্টে একটি পিটিশন দাখিল করেছি যাতে আর্কেওলজিকাল সার্ভে অফ ইন্ডিয়াকে এই কক্ষগুলি খোলার জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়। এই কক্ষগুলি খোলা হলে এই সংক্রান্ত যাবতীয় বিতর্ক থেমে যাবে আর তা করতে তো কোনও ক্ষতি নেই।’

     

  • Taj Mahal: তাজমহলের রুদ্ধ ২২ দ্বার খোলা হবে না, জানাল এলাহাবাদ হাইকোর্ট

    Taj Mahal: তাজমহলের রুদ্ধ ২২ দ্বার খোলা হবে না, জানাল এলাহাবাদ হাইকোর্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তাজমহলের (Taj Mahal) বন্ধ ২২টি দরজা খোলার আবেদন প্রত্যাখান করল এলাহাবাদ হাইকোর্ট (Allahabad High court)। বৃহস্পতিবার হাইকোর্টের লক্ষ্ণৌ বেঞ্চ এই আবেদন খারিজ করে।

    যুগ যুগ ধরে ভালবাসার নিদর্শন হিসেবে বিশ্বজোড়া খ্যাতি তাজমহলের। মুঘল শাসনে তৈরি এই স্মৃতিসৌধ জায়গা করে নিয়েছে বিশ্বের সপ্তাশ্চর্যের তালিকাতে। এহেন নিদর্শন নিয়েই গোল বেঁধেছে সম্প্রতি। হিন্দুদের একাংশের দাবি, এক সময় প্রেমের এই সমাধি তীরেই ছিল তেজো মহালয়া নামের এক শিব মন্দির। নিত্য পুজোও নাকি হত সেখানে। তাজমহলের অনেকগুলি কক্ষের মধ্যে দ্বার বন্ধ রয়েছে ২২টির। ওই সংগঠনের দাবি, বন্ধ দরজার ভিতরেই রয়েছে হিন্দু দেবদেবীর মূর্তি।

    আরও পড়ুন : তাজমহল আসলে তেজো মহালয়া শিবমন্দির! জানেন কি এই বিতর্কের আসল কারণ?

    এদিকে, তালাবন্ধ থাকা দরজা খোলার আবেদন জানিয়ে আদালতের দ্বারস্থ হন রজনীশ সিং নামে এক ব্যক্তি। তিনি বিজেপির যুব নেতা। ইয়ুথ মিডিয়া ইনচার্জ। তাঁর দাবি, বন্ধ দরজার ভিতরেই রয়েছে ভগবান শিব সহ অন্যান্য দেবদেবী। অবিলম্বে তাজমহলের বন্ধ দ্বার খোলার আবেদনও আদালতে জানান তিনি। বিতর্কের অবসান ঘটাতে তৈরি হয় লক্ষ্ণৌ বেঞ্চ। এই বেঞ্চের নির্দেশে তদন্ত শুরু করে ভারতীয় পুরাতত্ত্ব বিভাগ। গঠিত হয় ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং কমিটিও। তারা সাফ জানিয়ে দেয়, যমুনার তটে রয়েছে নির্ভেজাল ভালবাসার নিদর্শন। এর পরেই এদিন আদালত জানিয়ে দেয়, তাজমহলের রুদ্ধদ্বার খোলা হবে না।

    এদিকে, রাজসমন্দের বিজেপি সাংসদ দিয়া কুমারী দাবি করেছেন যে আগ্রায় যে জমিতে তাজমহল তৈরি করা হয়েছে তা জয়পুর রাজপরিবারের এবং সেখানে একটি প্রাসাদ ছিল যা মুঘল সম্রাট শাহজাহান দখল করেছিলেন। তিনি বলেন, “আমাদের কাছে থাকা নথি অনুসারে, সেই জমিতে তাজমহল রয়েছে, সেখানে একটি প্রাসাদ ছিল। শাহজাহান তার শাসনকালে এটি দখল করেন। জমিটি জয়পুর রাজপরিবারের (পূর্ববর্তী সময়ে) ছিল।

    ওই সাংসদ আরও বলেন, “নথিপত্র অনুযায়ী, শাহজাহান যেহেতু এটি পছন্দ করেছিলেন তাই তিনি এটি অর্জন করেছিলেন। এর পরিবর্তে তিনি কিছু ক্ষতিপূরণ দিয়েছেন বলে শুনেছি। আদালত নির্দেশ দিলে আমরা নথি সরবরাহ করব।” রাজসামন্দের লোকসভা সাংসদ যোগ করেছেন।

     

  • Bangladesh Hilsa: ইলিশের উৎপাদন বৃদ্ধি, দেশীয় প্রজাতি সংরক্ষণে জোর বাংলাদেশের

    Bangladesh Hilsa: ইলিশের উৎপাদন বৃদ্ধি, দেশীয় প্রজাতি সংরক্ষণে জোর বাংলাদেশের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইলিশের (Hilsa) উৎপাদন আরও বাড়ানোর চেষ্টা করছে বাংলাদেশ (Bangladesh)। সম্প্রতি জিআই ট্যাগ (G I Tag) পেয়েছে বাংলাদেশি ইলিশ। তারপরেই শুরু হয়েছে ইলিশ উৎপাদনে জোর তৎপরতা। বাংলাদেশের মৎস্যমন্ত্রী এসএম রেজাউল করিম (Rezaul Karim) জানান, বাগদা চিংড়িও পেয়েছে জিআই ট্যাগ।

    স্বাদে গন্ধে অতুলনীয় বাংলাদেশের ইলিশ। গোটা বিশ্বেই কদর রয়েছে বাংলাদেশের এই রুপোলি ফসলের। বিশ্বে সব চেয়ে ইলিশ উৎপাদন হয় বাংলাদেশেই। ইলিশের উৎপাদন বাড়াতে নানা ব্যবস্থাও নিয়েছে সে দেশের সরকার। প্রজনন মরশুমে মাছ ধরায় জারি হয়েছে নিষেধাজ্ঞা। ধরা নিষেধ খোকা ইলিশও। এসব কারণেই ফি বছর লাফিয়ে লাফিয়ে বাংলাদেশে বাড়ছে ইলিশের উৎপাদন।

    বাংলাদেশের মৎস্যমন্ত্রী বলেন, ২০০৯ সালে দেশে ইলিশের উৎপাদনের পরিমাণ ছিল তিন লক্ষ মেট্রিক টন। ২০২০-২১ অর্থবর্ষে এর পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৫.৬৫ লক্ষ মেট্রিক টন। বিদেশে বাংলাদেশি ইলিশের বিপুল চাহিদা। মন্ত্রী জানান, বিশ্বের ৫২টিরও বেশি দেশে বাংলাদেশ প্রত্যক্ষ কিংবা পরোক্ষভাবে ইলিশ রফতানি করে। এদিন ঢাকায় মৎস্য সপ্তাহের উদ্বোধন করেন রেজাউল। সেখানেই তিনি জানান, ইলিশের কোয়ালিটি যাচাই করতে বাংলাদেশে তিন ধরনের আর্ট ল্যাবরেটরি স্থাপন করা হয়েছে।

    আরও পড়ুন : চরম বিদ্যুৎ সংকটে বাংলাদেশ! নিয়মিত লোডশেডিংয়ের সিদ্ধান্ত

    কেবল বাংলাদেশ নয়, গোটা বিশ্ব থেকেই হারিয়ে যাচ্ছেন নানা প্রজাতির দেশীয় মাছ। এদিন সে প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশি বিজ্ঞানীরা লুপ্তপ্রায় ৩৬টি প্রজাতির মাছকে ফিরিয়ে এনেছেন। ময়মনসিংয়ে এজন্য একটি জিন ব্যাংকও স্থাপন করা হয়েছে। তিনি বলেন, এই জিন ব্যাংকে একশোরও বেশি প্রজাতির মাছের জিন সংরক্ষণ করা যাবে। এদিন মৎস্য সপ্তাহ উপলক্ষে মন্ত্রী একটি রঙিন নৌকো সমাবেশের সূচনাও করেন।

    আরও পড়ুন : দু’বছর পর ফের চালু হল ভারত-বাংলাদেশ রেল পরিষেবা

    জানা গিয়েছে, গত ষোলো বছরে বাংলাদেশে মাছের উৎপাদন দ্বিগুণ হয়েছে। সে দেশের মোট জিডিপির ৩.৫৭ শতাংশ আসে ফিসারিজগুলি থেকে। আর কৃষি থেকে আসে ২৬.৫০ শতাংশ। অন্তর্দেশীয় মৎস্য উৎপাদনে গোটা বিশ্বে বাংলাদেশের স্থান তৃতীয়। তেলাপিয়া উৎপাদনে চতুর্থ স্থান দখল করে বাংলাদেশ। আর ইলিশ উৎপাদনে দেশটির স্থান সবার ওপরে।

     

LinkedIn
Share