Tag: Tamil Nadu

Tamil Nadu

  • PFI: কেন্দ্রের নিষিদ্ধ ঘোষণার পরেই, পিএফআইকে ‘বেআইনি সংগঠন’ আখ্যা তিন রাজ্যের

    PFI: কেন্দ্রের নিষিদ্ধ ঘোষণার পরেই, পিএফআইকে ‘বেআইনি সংগঠন’ আখ্যা তিন রাজ্যের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বুধবারই পপুলার ফ্রন্ট অফ ইন্ডিয়ার (PFI) ওপর পাঁচ বছরের জন্যে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে ভারত সরকার (Central Goverment)। কেন্দ্রের নিষেধাজ্ঞা জারি করার পরেই তামিলনাড়ু (Tamil Nadu), কেরল (Kerala) এবং মহারাষ্ট্র (Maharashtra) সরকারও পিএফআই- কে এই রাজ্যগুলিতে ‘বেআইনি সংগঠন’ (Unlawful Association) ঘোষণা করেছে। বৃহস্পতিবার তিন রাজ্যের তরফে, বিজ্ঞপ্তি জারি করে জানানো হয়েছে, রাজ্যগুলিতে পিএফআই-এর সব অফিস বন্ধ করে দেওয়া হবে। এই সংগঠনের সঙ্গে জড়িত সব ব্যাংক অ্যাকাউন্টও বন্ধ করা হবে বলে জানিয়েছে রাজ্যগুলি। এই রাজ্যগুলিতেই এই নিষিদ্ধ সংগঠনের সব থেকে বেশি বাড়বাড়ন্ত ছিল। শুধুমাত্র কেরলেই সংগঠনটির ১৪০-এর বেশি  অফিস রয়েছে। এই দলের সঙ্গে যুক্ত যে কোনও ব্যক্তিকে গ্রেফতার করতে পারবে পুলিশ। এমনটাই বলা হয়েছে সরকারি বিজ্ঞপ্তিতে।  তাদের সোশ্যাল মিডিয়ার গতিবিধিতেও নজর রাখা হবে। 

    আরও পড়ুন: নিষিদ্ধ ঘোষিত হওয়ার আগে পিএফআইকে প্রকাশ্যে সমর্থন পাকিস্তান দূতাবাসের

     

     

    ইতিমধ্যেই পিএফআই-এর ট্যুইটার অ্যাকাউন্ট বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। ফেসবুক, ইনস্টাগ্রামের থেকেও সরিয়ে দেওয়া হয়েছে পিএফআই-কে। সেই সঙ্গে এই দলের সঙ্গে যুক্ত নেতাদের অ্যাকাউন্টও বন্ধ হয়ে গিয়েছে। সংগঠনটির অফিসিয়াল ট্যুইটার অ্যাকাউন্টে ৮১ হাজার ফলোয়ার ছিল। দলের চেয়ারপার্সন ওএমএ সালামের ট্যুইটারে ফলোয়ার সংখ্যা ছিল প্রায় ৫০ হাজার। দলের সাধারণ সম্পাদক আনিস আহমেদের ফলোয়ার সংখ্যা ছিল প্রায় ৮৫ হাজার। সব কটি অ্যাকাউন্টই সরিয়ে দেওয়া হয়েছে ট্যুইটার থেকে।   

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Tamil Nadu: তামিলনাড়ুতে বিজেপি-আরএসএস কর্মীদের ওপর পেট্রল বোমা হামলার ঘটনায় গ্রেফতার ১১

    Tamil Nadu: তামিলনাড়ুতে বিজেপি-আরএসএস কর্মীদের ওপর পেট্রল বোমা হামলার ঘটনায় গ্রেফতার ১১

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তামিলনাড়ুতে (Tamil Nadu) বিজেপি-আরএসএস কর্মীদের (BJP) আক্রমণের ঘটনায় রবিবার ১১ জনকে গ্রেফতার করল পুলিশ। এর মধ্যে ৫ জন সোশ্যাল ডেমোক্র্যাটিক পার্টি অফ ইন্ডিয়ার (SDPI) কর্মী। শনিবার আরএসএস (RSS) আধিকারিকের বাড়িতে পেট্রল বোমা (Petrol Bomb) হামলার অভিযোগ ওঠে। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, গতকাল শনিবার সন্ধ্যা ৭ঃ৩৮ মিনিট নাগাদ অনুপ্পনদী হাউসিং বোর্ড এলাকায় এমএস কৃষ্ণানের বাড়িতে হামলা হয়। পুরো ঘটনা একটি সিসিটিভি ক্যমেরায় ধরা পড়েছে। ভাইরাল হওয়া ভিডিওটিতে দেখা যায়, একটি বাইকে চেপে দুই ব্যক্তি আসে। মুহুর্তের মধ্যে পরপর তিনটি পেট্রল বোমা ছুঁড়ে দিয়েই পালিয়ে যায় তারা। এছাড়াও শনিবার ভোরে চেন্নাইয়ের কাছে টাম্বারামে চিটলাপাক্কামে আরএসএস কর্মী সীথারামনের বাড়িতে পেট্রল বোমা নিক্ষেপ করে দুষ্কৃতীরা।  

    আরও পড়ুন: পিএফআই সদস্যদের মুখে ‘পাকিস্তান জিন্দাবাদ’ স্লোগান! কড়া পদক্ষেপ সরকারের

    সীথারামন বলেন, “ভোর চারটে নাগাদ আমরা বিকট শব্দ শুনতে পাই এবং বাইরে আগুন দেখতে পাই। আমরা শর্ট সার্কিট ভেবেছিলাম কিন্তু তা হয়নি। আমরা আ গুন নেভাই এবং পুলিশকে ফোন করি। তারা অভিযুক্তদের ফুটেজ পেয়েছে।”  

    আরও পড়ুন: বিজেপির নবান্ন অভিযানে ‘অশান্তি’, সিবিআই তদন্তের দাবি অনুসন্ধান কমিটির রিপোর্টে

    অপর আক্রান্ত কৃষ্ণান বলেন, “আমি বিগত ৪৫ বছর ধরে আরএসএস-র সঙ্গে যুক্ত আছি। শনিবার সন্ধ্যায় বাড়িতে পুজো ছিল। প্রায় ৬৫ জন লোক সেখানে উপস্থিত ছিলেন। হঠাৎই বিকট বিস্ফোরণের শব্দ শুনতে পাই। আমার জীবনের উপর ঝুঁকি ছিল। ২০১৪ সালে আমাকে পুলিশি  সুরক্ষা দেওয়া হয়। ২০২১ সালে আবার এই সুরক্ষা প্রত্যাহারও করে নেওয়া হয়। আমার মতো আরও ২০ জন আরএসএস কর্মীর উপর এমন হামলা হয়েছে।” 

     



     
    এই ঘটনায় এসডিপিআই- এর জেলা সভাপতি এন সায়েদ আলী, ওয়ার্ড সভাপতি কে খাদির হুসেন- সহ মোট পাঁচ জন এসডিপিআই কর্মীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এদের মধ্যে চারজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে ২২ সেপ্টেম্বর বিজেপি কর্মীর দোকানে হামলা চালানোর অভিযোগে। সিসিটিভি ফুটেজের ভিত্তিতেই অভিযুক্তদের চিহ্নিত করেছে পুলিশ। পুলিশ জানিয়েছে দোকানেও পেট্রল বোমা নিক্ষেপ করে হামলাকারীরা। 

    এর আগে বুধবার গভীর রাত একটা থেকে দেড়টা নাগাদ বিজেপি দফতরে পেট্রল বোমা নিক্ষেপ করে এক দুষ্কৃতী। বিজেপি নেতা কারাতে থ্যাগারাজন জানিয়েছেন, “রাত ১.৩০ মিনিট নাগাদ আমাদের কার্যালয়ে পেট্রল বোমা হামলা চালানো হয়। ১৫ বছর আগে একই ধরনের ঘটনা ঘটেছিল। আমরা এই ঘটনার জন্য তামিলনাড়ু সরকারের নিন্দা করছি। আমরা পুলিশকেও জানিয়েছি। বিজেপি ক্যাডাররা এই ধরনের জিনিসে ভয় পায় না।” 

    দলীয় কার্যালয়ে পেট্রোল বোমা হামলার ঘটনায় জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা (এনআইএ) তদন্তের দাবি জানিয়েছেন তামিলনাড়ু বিজেপির রাজ্য সভাপতি কে আন্নামালাই। তিনি বলেছেন, “আমরা এই ঘটনায় ন্যাশনাল ইনভেস্টিগেশন এজেন্সির (এনআইএ) তদন্ত দাবি করছি। দোষীদের উপযুক্ত শাস্তি দিতে হবে। আমাদের রাজ্যে আইনশৃঙ্খলার অবনতি হচ্ছে। এনআইএ এই ঘটনার একমাত্র সমাধান যেখানে সত্য এবং ষড়যন্ত্র বেরিয়ে আসবে।”

    এই ঘটনায় প্রমাণের ভিত্তিতে পাঁচটি মামলা দায়ের করেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা এনআইএ। মনে করা হচ্ছে এই ঘটনায় পপুলার ফ্রন্ট অফ ইন্ডিয়ার (PFI) যোগ থাকতে পারে।  ইতিমধ্যেই সন্ত্রাসবাদে যুক্ত থাকার অভিযোগে পিএফআই – এর শতাধিক নেতাকে গ্রেফতার করেছে সিআইডি (CID)।  

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     
     
  • Pattina Pravesam: পিছু হঠল ডিএমকে সরকার, তামিলনাড়ুতে ছাড়পত্র মিলল ‘পত্তিনম প্রবেশম’-এ

    Pattina Pravesam: পিছু হঠল ডিএমকে সরকার, তামিলনাড়ুতে ছাড়পত্র মিলল ‘পত্তিনম প্রবেশম’-এ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: : বিরোধীদের দাবির জেরে পিছু হঠল সরকার! তামিলনাড়ুতে (tamilnadu) অনুমতি দেওয়া হল পত্তিনা প্রবেশম (Pattina Pravesam) প্রথা পালনে। সরকার নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ায় খুশি তামিলনাড়ুবাসী।  

    বছরের একটি নির্দিষ্ট সময় মঠাধীশকে রূপোর সিংহাসনে বসিয়ে এলাকা পরিভ্রমণ করেন ভক্তরা। বিভিন্ন মঠ কর্তৃপক্ষ আলাদা আলাদা দিনে এই প্রথা (Palanquin Ritual) পালন করে। কয়েক যুগ ধরে চলে আসা এই প্রথায় এবার নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিল ডিএমকে-র নেতৃত্বাধীন তামিলনাডু় সরকার।

    ঘটনার সূত্রপাত দিন কয়েক আগে। মাইলাদুথুরাই জেলায় এই উৎসবের আয়োজন করতে উদ্যোগী হয় ধর্মপূরণ অধিনাম (Dharmapuram Adheenam) নামের একটি মঠের ভক্তরা। ২২ মে অনুষ্ঠান হওয়ার কথা। অনুষ্ঠানের জন্য স্থানীয় প্রশাসনের অনুমতি নিতে গেলেই বিপত্তি বাঁধে। যুগ যুগ ধরে চলে আসায় এই প্রথায় নিষেধাজ্ঞা জারি করে প্রশাসন। তারা সাফ জানিয়ে দেয়, মানবিক মূল্যবোধের সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ নয় এই প্রথা। তাই চলতে দেওয়া যায় না। শৈবদের অন্যতম প্রধান উৎসবের আয়োজনে প্রশাসন জল ঢেলে দেওয়ায় খেপে যান ভক্তরা। এম কে স্ট্যালিন (M K stalin) সরকারের বিরুদ্ধে সরব হয় বিজেপি সহ বিরোধীরা। যার জেরে রাজ্যের মন্ত্রী পি কে সেকর বাবু বলেন, মঠাধ্যক্ষের সঙ্গে কথা বলবেন মুখ্যমন্ত্রী। তাতেও অবশ্য শান্ত করা যায়নি বিরোধীদের।

    মঠাধ্যক্ষদের তীব্র আপত্তি ও বিরোধীদের প্রবল চাপ এই জোড়াফলায় জেরবার স্ট্যালিন সরকার। শেষমেশ রবিবার রাতে সরকার ঘোষণা করে প্রথা পালনে যে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিল স্থানীয় সরকার, তা তুলে নেওয়া হল। সরকারি এই নির্দেশে খুশির হাওয়া বিরোধী মহলে।

    আরও পড়ুন : পালকি-প্রথায় ইতি, ক্ষোভের আঁচ তামিলনাড়ুতে

    সরকারের তরফে জানানো হয়েছে, যুগ যুগ ধরে চলে আসা এই প্রথা এবারও পালন করা যাবে। যেহেতু ভক্তরা স্বেচ্ছায় পালকি বহন করেন, তাই এখানে মানবাধিকার লঙ্ঘনের কোনও বিষয় নেই। তাই প্রথা পালনে কোনও অসুবিধাও নেই।

    প্রসঙ্গত, বিরোধী দল বিজেপিও এই যুক্তিই দেখিয়েছিল। তার পরেও সরকার ওই অনুষ্ঠানে নিষাধাজ্ঞা তোলেনি। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, শেষমেশ বিরোধীদের সম্মিলিত চাপের কাছেই নতিস্বীকার করল সরকার। সরকারি সিদ্ধান্তে দৃশ্যতই খুশি তামিলনাড়ুর তাবৎ ভক্তকুল।

     

LinkedIn
Share