Tag: Tara Maa

Tara Maa

  • Kali Puja 2023: সোমবারও তারাপীঠে ব্যাপক ভিড়, রেকর্ড ভক্ত সমাগম নৈহাটির বড়মার মন্দিরে

    Kali Puja 2023: সোমবারও তারাপীঠে ব্যাপক ভিড়, রেকর্ড ভক্ত সমাগম নৈহাটির বড়মার মন্দিরে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কালীপুজোর (Kali Puja 2023) দিন সোমবারও শক্তিপীঠ তারাপীঠে ব্যাপক ভক্তের ভিড়ের চিত্র দেখা গেল। সতীর একান্নপীঠের মধ্যে একটি হল এই তারাপীঠ। সাধক বামাক্ষ্যাপার সাধনার কেন্দ্র ছিল এই তারা মায়ের মন্দির। মা তারা এদিন শ্যামা রূপে পূজিত হলেন।

    অপর দিকে বঙ্গে কালীপুজোর বড় আকর্ষণের কেন্দ্রে থাকে নৈহাটির বড় মায়ের কালীপুজো। এই বছর রেকর্ড ভক্তের সমাগম হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। এই বছর বড় মায়ের কালীপুজো শতবর্ষে পদার্পণ করেছে। লাখ লাখ মানুষ দর্শন করে পুজো দিলেন। পুজো উদ্যোক্তাদের দাবি, বড় মা এখন শুধু নৈহাটির মা কালী নন সারা বিশ্বের জননী।

    তারা রূপে শ্যামা মায়ের পুজো (Kali Puja 2023)

    কালীপুজোর (Kali Puja 2023) দিনে ভোর ৫টা থেকে তারাপীঠে মায়ের মন্দিরের দরজা খুলে দেওয়া হয়। এখানে মায়ের আরাধনা করা হয় তন্ত্রমতে। কথিত আছে দেবীর মাতৃরূপ দেখতে চেয়েছিলেন বশিষ্ঠ মুনি। মা তারা মাতৃ রূপে দর্শন দিয়েছিলেন তাঁকে। এখানেই তপস্যা করে সিদ্ধপুরুষ হন সাধক বামাক্ষ্যাপা। পুজোতে তারা মাকে নিবেদন করে এদিন পোড়া শোলমাছের মাথা দিয়ে অন্নভোগ দেওয়া হয়। এদিন নিয়ম মেনে দেওয়া হয় মাকে শীতল ভোগও। মঙ্গলারতি, সন্ধ্যারতির সময় মায়ের পুজো করতে ভক্তদের ব্যাপক ভিড় লক্ষ্য করা যায়।

    নৈহাটির বড় মায়ের কালীপুজো

    শ্যামাপুজোর (Kali Puja 2023) মূল আকর্ষণের কেন্দ্র হল নৈহাটির অরবিন্দ রোডের বড়মা কালী। এই পুজো জেলার কালীপুজোর পরিধি অতিক্রম করে রাজ্য, দেশ এবং বিশ্বের বড় মা হিসাবে প্রতিষ্ঠা পেয়েছে। এই কালীর মাহাত্ম্য এমনই যে মানত করলে মা ভক্তদের মনের বাসনা পূরণ করেন। মায়ের পুজো দিলে ভক্তরা খালি হাতে কেউ বাড়ি ফেরেন না। এই বারের মূর্তি হয়েছে উচ্চতায় ২২ ফুট। উপচে পড়েছে ভক্তদের ভিড়। রীতিমতো ভিড় সামলাতে হিমশিম খেতে হয়েছে পুলিশ প্রশাসনকে। নবদ্বীপের রাস মেলায় গিয়ে বড় মূর্তি দেখার পর জুটমিলের কর্মী ভবেশ চক্রবর্তী বড় মায়ের কালী পুজোর প্রচলন শুরু করেছিলেন। মায়ের পুজো দিতে লক্ষাধিক মানুষ দণ্ডি কেটে পুজো দেন বলে জানা গিয়েছে।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Anubrata Mondal: কৌশিকী অমাবস্যায় জেলেই মা তারার ছবিতে পুজো কেষ্টর, বিতরণ করলেন নকুলদানাও!

    Anubrata Mondal: কৌশিকী অমাবস্যায় জেলেই মা তারার ছবিতে পুজো কেষ্টর, বিতরণ করলেন নকুলদানাও!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আজ কৌশিকী অমাবস্যা (Kaushiki Amavasya 2022)। ধুমধামের সঙ্গে এই বিশেষ দিন পালিত হচ্ছে। এর জন্য সেজে উঠেছে বীরভূমের (Birbhum) তারাপীঠ মন্দির (Tarapith Temple)। অতীতে, প্রতিবছর এই কৌশিকী অমাবস্যা ঘটা করে পালন করে এসেছেন মা কালীর (Goddess Kali) ভক্ত অনুব্রত মণ্ডল (Anubrata Mondal)। আর কালীপুজোর আয়োজনে কোনও খামতি থাকত না। জাঁকজমক করে এই উৎসব পালন হত তাঁর বাড়িতে। শোনা যায়, কালীপুজোয় প্রতিমাকে প্রায় ২৫০-৩০০ ভরি সোনার গয়নায় সাজিয়ে পুজো করতেন অনুব্রত। আবার কখনও, সোজা তারাপীঠ মন্দিরে হাজির হয়ে যেতেন বীরভূমের একসময়ের ‘বেতাজ বাদশা’।

    কিন্তু, এবছর যেন সব ওলট-পালট হয়ে গিয়েছে। গরুপাচার মামলায় এখন শ্রীঘরে রয়েছেন কেষ্ট। বর্তমানে, কেষ্টর ঠিকানা আসানসোল জেল (Asansol Jail)। সেখানেই ১৪ দিনের হাজতবাস কাটাচ্ছেন তিনি। এমতাবস্থায়, কার্যত বাধ্য হয়ে জেলের মধ্যেই পুজো সারলেন কেষ্ট। সূত্রের খবর, এদিন, জেলেই পুজো দিলেন অনুব্রত। সংশোধনাগারে মায়ের কোনও বিগ্রহ নেই। তবে মা কালীর একটা ছবি আছে। সকাল সকাল স্নান সেরে আসানসোল সংশোধনাগারের হনুমান মন্দিরে মা তারার ছবিতে লাল জবা, ধুপ ও নকুলদানা দিয়ে পুজো দিলেন অনুব্রত। তাঁর প্রসাদও অন্যান্য বন্দিদের মধ্যে বিতরণ করেন অনুব্রত।

    আরও পড়ুন: বীরভূমে ১৭টি চালকলে ঢুকেছে গরু পাচারের টাকা? কেষ্টর যোগসূত্রে তদন্তে ইডি-সিবিআই

    এদিকে, সূত্রের আরও খবর, আসানসোল সংশোধনাগারে যে হাসপাতাল রয়েছে, সেই  দু’টি ঘরের মধ্যে একটিতে রয়েছেন অনুব্রত মণ্ডল। ওই ঘর লাগোয়া পৃথক কমোডযুক্ত শৌচাগারের ব্যবস্থাও করা হয়েছে তাঁর জন্য। তবে সংশোধনাগারে কেষ্টকে কোনও  বিশেষ আতিথেয়তা দেওয়া হচ্ছে না বলে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের দাবি। সিবিআই-এর বিশেষ আদালতের নির্দেশে প্রতি ৪৮ ঘণ্টা অন্তর হচ্ছে তাঁর স্বাস্থ্য পরীক্ষা৷ গত স্বাস্থ পরীক্ষায় জানা গিয়েছে তাঁর ওজন কমেছে৷ জানা গিয়েছে, গত ১৫ দিনে অনুব্রত মণ্ডলের ৩ কেজি ওজন কমে গিয়েছে৷ ১১২ কেজি থেকে কমে এখন তাঁর ওজন দাঁড়িয়েছে ১০৯ কেজি৷ অনুব্রতর শারীরিক অসুস্থতার কথা চিন্তা করে আপাতত জেলের আইসোলেশন ওয়ার্ডে রাখা হয়েছে তাঁকে৷

    আরও পড়ুন: সিবিআই থেকে জেল হেফাজত হতেই কেষ্ট-‘কলঙ্ক’ ঝেড়ে ফেলতে চাইছে তৃণমূল?

     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।  

  • Kaushiki Amavasya: কৌশিকী অমাবস্যা তিথি পড়ছে কখন? এই দিনের মাহাত্ম্য, তাৎপর্যই বা কী?

    Kaushiki Amavasya: কৌশিকী অমাবস্যা তিথি পড়ছে কখন? এই দিনের মাহাত্ম্য, তাৎপর্যই বা কী?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হিন্দু ধর্মে (Hinduism) বিভিন্ন তিথিতে মা কালীর (Goddess Kali) বিভিন্ন রূপের পুজো করা হয়। দেবীর আরাধনা সর্বজনবিদিত। ভাদ্র মাসের শুরুতেই যে অমাবস্যা, সেটাই কৌশিকী অমাবস্যা (Kaushiki Amavasya) নামে পরিচিত। 

    এবছর কৌশিকী অমাবস্যা পড়েছে ২৬ অগাস্ট। শেষ হবে ২৭ অগাস্ট। গুপ্ত প্রেস পঞ্জিকা মতে, কৌশিকি অমাবস্যা শুরু হচ্ছে ২৬ অগাস্ট শুক্রবার দুপুর ১২ টা ১ মিনিট ৩২ সেকেন্ড থেকে। পরের দিন শনিবার দুপুর ১টা ২৩ মিনিট ৪৭ সেকেন্ড নাগাদ ছেড়ে যাচ্ছে অমাবস্যা। 

    এই পুজোর সঙ্গে জড়িত আছে নানা পৌরাণিক কাহিনি। মার্কণ্ডেয় পুরাণ সূত্র থেকে জানা যায়, মহাপরাক্রমী দৈত্য ভ্রাতৃদ্বয় শুম্ভ ও নিশুম্ভ ব্রহ্মাদেবের পরম ভক্ত ছিলেন। সাধনায় তুষ্ট ভগবান ব্রহ্মা (Lord Brahma) ওদের বর দিয়ে বলেন, তোমরা ত্রিভুবনে অবধ্য হবে। তবে কখনও যদি কোনও অযোনিসম্ভবা নারীর সঙ্গে তোমাদের সংঘাত ঘটে তবে ওই নারীর দ্বারাই তোমরা নিহত হবে। 

    আরও পড়ুন: কেন গ্রাম বাংলায় পালিত হয় মনসা পুজো, এর তাৎপর্য জানেন কি?

    এই কথাগুলি স্মরণে রেখো। ব্রহ্মার বরে বলীয়ান শুম্ভ নিশুম্ভ ভাবল ত্রিভুবনে এমন কোনও নারীই জন্মাতে পারে না যে মাতৃগর্ভজাত নয়। অতএব তারা অমর, এই বিষয়ে কোনও সন্দেহের অবকাশ নেই। এরপর দানব ভ্রাতৃদ্বয় প্রথমেই স্বর্গরাজ্য আক্রমণ করল। ভীত দেবকুল তখন শুম্ভ নিশুম্ভর হাত থেকে পরিত্রাণ পাওয়ার জন্য দেবাদিদেব মহাদেবের শরণাপন্ন হয়।

    মহাদেব (Lord Shiva) ঠাট্টার ছলে ঘোর কৃষ্ণবর্ণা পার্বতীকে (Goddess Parvati) ডেকে বলেন, ‘হে কালিকে, তুমি এই বিপদ থেকে দেবতাদের রক্ষা করো।’ জনসমক্ষে পতিমুখে কালিকে সম্বোধন শুনে দেবী পার্বতী অত্যন্ত মর্মাহত হন। তৎক্ষণাৎ মানস সরোবরে গিয়ে নিজেকে অভিষিক্ত করে নিজ গাত্রের সকল কৃষ্ণবর্ণ কোষগুলিকে পরিত্যাগ করে এক অসামান্যা সুবর্ণ রূপ ধারণ করে পুনঃপ্রকটিতা হন। 

    অন্যদিকে, পার্বতীর ফেলা শরীরকোষ থেকে আর এক দেবী আবির্ভুত হন। সেই দেবী কৌশিকী নামে পরিচিত। দেবী কৌশিকীর আবির্ভাবের পর দেবী ভগবতী কৃষ্ণবর্ণ ধারণ করেন এবং দেবী কালিকা বা কালী নামে পরিচয় লাভ করেন। দেবী কৌশিকী অযোনিসম্ভবা ছিলেন, সেই কারণে কৌশিকী দেবীই শুম্ভ ও নিশুম্ভকে বধ করেন। যুদ্ধকালীন সময়ে দেবী কৌশিকীর শরীর থেকে হাজারও যোদ্ধা সৃষ্ট হয় এবং তারাই সমগ্র অসুরকুলকে বিনাশ করে দেয়। এই ঘটনাটি ভাদ্র অমাবস্যায় ঘটায়, পরবর্তীকালে এটি কৌশিকী অমাবস্যা নামে ধরাধামে খ্যাত হয়। 

    ভাদ্র মাসের এই কৌশিকী অমাবস্যা তিথি যে সকল মানুষ ধর্ম, তন্ত্র, মন্ত্র, সাধনা এবং ঈশ্বর বিশ্বাসী তাদের কাছে বিশেষ করে গুরুত্বপূর্ণ। কৌশিকী অমাবস্যার সাথে তারাপীঠের অঙ্গাঅঙ্গি সম্পর্ক। বিশ্বাস, তন্ত্রমতে ও শাস্ত্র মতে ভাদ্রমাসের এই বিশেষ তিথিতে নির্দিষ্ট পদ্ধতিতে দেবীর পুজো করলে মেলে সুফল। তন্ত্রশাস্ত্র মতে গুপ্ত সাধনা ও কঠিন সাধনার বলে অনেকেই এই বিশেষ দিনে কাঙ্খিত ফল পান। কৌশিকী অমাবস্যার পবিত্র লগ্নে তারাপীঠ মন্দিরে, বিশেষ উপাচারে পুজো করা হয় তারা মায়ের৷ তন্ত্র মতে, এই রাতকে ‘তারা রাত্রি’ও বলা হয়। বিশ্বাস, এক বিশেষ মুহূর্তে স্বর্গ ও নরক দুইয়ের দরজা মুহূর্তের জন্য খোলে ও সাধক নিজের ইচ্ছা মতো ধনাত্মক অথবা ঋণাত্মক শক্তি সাধনার মধ্যে আত্মস্থ করেন ও সিদ্ধিলাভ করেন।

    আরও পড়ুন: পুজোয় মঙ্গল ঘট কেন স্থাপন করা হয়, জানেন?

    আবার কৌশিকী অমাবস্যার এই তিথিতে তন্ত্র সাধনার এক বিশেষ রাতে। কথিত আছে, ওই অমাবস্যা তিথিতেই সাধক বামাক্ষ্যাপাকে দেবী কৌশিকী ‘তারা’ নামে তারাপীঠ (Tarapith) মহাশ্মশানে দর্শন দিয়েছিলেন। অমাবস্যার এই বিশেষ তিথিতে সাধক বামাক্ষ্যাপা (Sadhak Byamakhyapa) তারাপীঠের মহাশ্মশানের শিমূল গাছের তলায় মা তারার (Tara Maa) আরাধনা করে সিদ্ধিলাভ করেছিলেন। লোকমুখে প্রচলিত কাহিনি সূত্রে শোনা যায়, দেবী কৌশিকী ‘তারা’ নামে ওই বিশেষ অমাবস্যায় তারাপীঠ মহাশ্মশানে বিরাজিতা থাকেন। সেই কারণে তারাপীঠ মহাশ্মশানে ওই দিন লক্ষ লক্ষ ভক্তের সমাবেশ ঘটে। ভক্তগণের বিশ্বাস, ওই দিন মাকে পূজা করলে মা ভক্তগণের মনোবাঞ্ছা পূর্ণ করে দেন।

    দেবী কৌশিকী এবং তারা মা অভিন্ন বলে বিশ্বাস ভক্তদের। অনেকেই বিশ্বাস করেন, এই দিন মা তারার পুজো দিলে এবং দ্বারকা নদীতে স্নান করলে পুণ্যলাভ হয় এবং কুম্ভস্নান করা হয়। বিশেষ এই তিথিতে তারাপীঠে তারা মায়ের পুজো করলে সকল মনের ইচ্ছে পূরণ হয়। এই বিশ্বাসে আজও ভারতবর্ষের বিভিন্ন প্রান্তের মানুষ ওই দিনটিতে তারাপীঠে ছুটে আসেন।

    কৌশিকী অমাবস্যার দিন বাড়ি রাখুন পরিচ্ছন্ন। পুরনো ছেঁড়া কোনও জামাকাপড় থাকলে তা ফেলে দিন। সন্ধ্যের পর বাড়ির তুলসী মঞ্চে তিলের প্রদীপ জ্বালালে তা সংসারে কোনও নেতিবাচক শক্তি প্রবেশ করতে দেয় না। এই তিথি কেবলমাত্র হিন্দুশাস্ত্রে নয়, বৌদ্ধ শাস্ত্রেও বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ।

     

     

LinkedIn
Share