Tag: tarapith

tarapith

  • Tarapith: আজ শুক্লা চতুর্দশী, তারাপীঠে তারা মায়ের আবির্ভাব তিথি, জেনে নিন মাহাত্ম্য কথা

    Tarapith: আজ শুক্লা চতুর্দশী, তারাপীঠে তারা মায়ের আবির্ভাব তিথি, জেনে নিন মাহাত্ম্য কথা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আজ শুক্লা চতুর্দশী কথিত আছে, শুক্লা চতুর্দশী তিথিতেই মা তারার আবির্ভাব হয়েছিল। এই আবির্ভাব দিবসে, মা তারাকে পুজো দেওয়ার ব্যাপক ভিড় তারাপীঠে (Tarapith)। সেই সঙ্গে তারা মায়ের ভক্তদের মধ্যে এই নিয়ে তীব্র উচ্ছ্বাস। এই দিনে মায়ের মন্দিরে পুজো দিলে মনোবাঞ্ছা পূরণ হয় বলে লোকবিশ্বাস রয়েছে।

    শুক্লা চতুর্দশীর মাহাত্ম্য কথা (Tarapith)

    পুরাণে কথিত আছে, জয় দত্ত নামে এক বণিক দ্বারকা নদীর উপর দিয়ে নৌকায় চড়ে বাণিজ্য করতে যাচ্ছিলেন। সেই সময় তিনি তারাপীঠে নোঙর করেছিলেন। কিন্তু সেখানে সাপের কামড়ে তাঁর পুত্রের মৃত্যু হয়। বণিকের ভৃত্যরা রান্না করার জন্য একটি কাটা শোল মাছ পাশের পুকুরে ধুতে নিয়ে যায়। পুকুরের জলের সংস্পর্শে আসতেই, কাটা শোল মাছটি হঠাৎ জীবিত হয়ে পুকুরের গভীরে চলে যায়। ভৃত্যরা এই অলৌকিক ঘটনার কথা বণিককে জানায় এবং বণিক সর্পদংশনে মৃত তাঁর পুত্রকে সেই পুকুরের জলে স্নান করাতে শুরু করেন। তখন মৃত পুত্র আচমকা জয় তারা, জয় তারা উচ্চারণ করতে করতে বেঁচে উঠেন। বণিক বুঝতে পারেন, এই পুকুরে কোনও ঐশ্বরিক শক্তি আছে। বর্তমানে এই পুকুরটি ‘জীবিত কুণ্ড’ নামে খ্যাত। সেই রাতেই বণিক স্বপ্নে দেখা পান মা তারার। দিনটি ছিল শুক্লা চতুর্দশী। স্বপ্নে মাকে পেয়ে, এই দিনটিতেই তারাপীঠে (Tarapith) মা তারার পুজো শুরু করেন বণিক জয় দত্ত।

    বিরাম মঞ্চে অধিষ্ঠিত তারা মা

    শুক্লা চতুর্দশীর এই দিনটিকে তাই প্রাচীনকাল থেকেই মা তারার আবির্ভাব দিবস হিসেবে পালন করা হয়ে থাকে। বছরের এই একটি দিনে মা তারাকে গর্ভগৃহ (Tarapith) থেকে বের করে নিয়ে এসে, মন্দিরের সামনে থাকা বিরাম মঞ্চে অধিষ্ঠিত করা হয়। ফলে দিনভর সেখানেই মা তারাকে পুজো দিতে পারেন পুণ্যার্থীরা। সন্ধ্যায় আরতির পর, ফের মা তারাকে মূল মন্দিরে ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়। তবে আজকের দিনে মা তারাকে দুপুরে কোনও ভোগ নিবেদন করা হয় না। তাই এই দিনটিতে মা তারার সেবাইতরাও উপবাস পালন করে থাকেন। সন্ধ্যায় ভোগ নিবেদনের পর উপবাস ভঙ্গ করেন মা তারা এবং ভক্তরাও তারপরে প্রসাদ গ্রহণ করেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Tarapith: সাধক শিরোমণি বামাক্ষ্যাপার তপস্যাভূমি মহাতীর্থ তারাপীঠ ঘুরে আসতে পারেন সহজেই

    Tarapith: সাধক শিরোমণি বামাক্ষ্যাপার তপস্যাভূমি মহাতীর্থ তারাপীঠ ঘুরে আসতে পারেন সহজেই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গ তথা সমগ্র ভারতের অন্যতম জনপ্রিয় হিন্দু তীর্থক্ষেত্র বীরভূম জেলার তারাপীঠ (Tarapith)। হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের কাছে তারাপীঠ এক অন্যতম শক্তিপীঠ বলেই পরিচিত। সাধক শিরোমণি বামাক্ষ্যাপার তপস্যাভূমি এই মহাতীর্থ। মূলত ভক্তজনেরা এখানে আসেন তারা মায়ের কাছে পুজো দিয়ে মনোবাঞ্ছা পূর্ণ করার অভিপ্রায়ে। তারাপীঠের তারা মায়ের মন্দিরটি প্রায় ২০৪ বছর আগে নির্মাণ করেন জগন্নাথ রায়। মন্দিরে রয়েছেন বিবিধ অলংকারে ভূষিতা তারা মা। এছাড়াও আছে কষ্টি পাথরের মাতৃমূর্তি। মহাকাল মহাদেবকে স্তন্যদুগ্ধ পান করাচ্ছেন দেবী। তবে এই মূর্তির দর্শন সর্বদা মেলে না।

    সেই বিখ্যাত শ্মশানঘাট

    দেখে নিন তারাপীঠের (Tarapith) সেই বিখ্যাত শ্মশান ঘাটটি, যেখানে বসে সাধক শ্রেষ্ঠ বামাক্ষ্যাপা সাধনা করেছিলেন। তিনি ছাড়াও বহু সিদ্ধ পুরুষ এই শ্মশানে সাধনা করেছিলেন। তাঁদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলেন বশিষ্ঠদেব, রাজা রামকৃষ্ণ প্রমুখ। এখানে রয়েছে বামাখ্যাপার মন্দির। প্রতি বছর শ্রাবণ মাসের ২ তারিখ বামাখ্যাপার তিরোধান দিবসে এখানে পুজো এবং উৎসব হয়। এছাড়াও দেখে নিন বামাখ্যাপার জন্মস্থান আটলা গ্রাম।

    ঘুরে নিতে পারেন নলহাটি, বক্রেশ্বর

    ইচ্ছে হলে আর হাতে সময় থাকলে ঘুরে নিতে পারেন রামপুরহাট থেকে প্রায়  ১২-১৩ কিমি দূরে ৫১ সতীপীঠের অন্যতম নলহাটি থেকেও। বাস যাচ্ছে সরাসরি এই পথে। রামপুরহাট থেকে নলহাটি যেতে বাসে সময় লাগে প্রায় ২৫-৩০ মিনিট। কথিত, এখানে সতীর কন্ঠ পতিত হয়েছিল। এখানে দেবী ললাটেশ্বরী নামে পূজিতা। ললাটেশ্বরী মন্দিরটি আকারে ছোট। সিঁদুর মাখানো পাথরের খন্ডের ওপর রূপোর চোখ, নাক, অধর বসিয়ে তৈরি করা হয়েছে দেবীর মুখাবয়ব। হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের কাছে এই মন্দির এক পরম পবিত্র স্থান। এছাড়াও তারাপীঠ (Tarapith) থেকে ঘুরে নেওয়া যায় বীরভূম জেলারই আর এক পবিত্র স্থান, বিখ্যাত শৈব তীর্থ “বক্রেশ্বর” থেকেও।

    কীভাবে যাবেন, কোথায় থাকবেন

    যাতায়াত–কলকাতা থেকে ট্রেনে এলে নামতে হবে রামপুরহাট ষ্টেশনে। যাচ্ছে কাঞ্চনকন্যা এক্সপ্রেস, সরাইঘাট এক্সপ্রেস, কলকাতা-জলপাইগুড়ি এক্সপ্রেস, উত্তরবঙ্গ এক্সপ্রেস, হাওড়া-মালদা টাউন এক্সপ্রেস, হাওড়া-রামপুরহাট এক্সপ্রেস, কলকাতা-হলদিবাড়ি এক্সপ্রেস, শিয়ালদা-রামপুরহাট এক্সপ্রেস প্রভৃতি ট্রেন। রামপুরহাট থেকে তারাপীঠের দূরত্ব প্রায় ৮ -৯ কিমি। যেতে হবে অটো অথবা ট্রেকারে। আর কলকাতার ধর্মতলা বাসস্ট্যান্ড থেকে সরাসরি বাস যাচ্ছে তারাপীঠ (Tarapith)। থাকা খাওয়া –তারাপীঠে থাকা খাওয়ার জন্য আছে বহু হোটেল, লজ প্রভৃতি। দাম ও মান অনুযায়ী এগুলোর মধ্যে থেকে পছন্দমত একটি বেছে নেওয়া যেতেই পারে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Tarapith: কৌশিকী অমাবস্যার মাহাত্ম্য কী? কীভাবে যাবেন তীর্থধাম তারাপীঠে?

    Tarapith: কৌশিকী অমাবস্যার মাহাত্ম্য কী? কীভাবে যাবেন তীর্থধাম তারাপীঠে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আগামীকাল বৃহস্পতিবার ভাদ্র মাসের কৌশিকী অমাবস্যা (Kaushiki amavasya 2023)। তন্ত্র এবং সাধনার জায়গা তারাপীঠ (Tarapith), বাঙালির অন্যতম শক্তি পীঠস্থান। কৌশিকী অমাবস্যায় বহু তন্ত্রসাধক এসে তারাপীঠ মহাশ্মশানে মহাযজ্ঞ করে থাকেন। শ্মশান সংলগ্ন দ্বারকা নদীর জল উত্তরবাহিনী। হিন্দু ধর্মে উত্তরবাহিনী নদী বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ। তার কারণ ভারতের প্রায় সব নদী নেমেছে উত্তর দিকের হিমালয় থেকে। একমাত্র দেখা যায় কাশীতে গঙ্গা উত্তরবাহিনী আর তারপরে বীরভূমের এই দ্বারকা। তাই হিন্দুদের কাছে বিশেষ তীর্থধাম সতীর এই পীঠ। কৌশিকী অমাবস্যায় গ্রহ-নক্ষত্রের বিশেষ যোগ কাজ করে। ১৪ ও ১৫ সেপ্টেম্বর কৌশিকী অমাবস্যা। এই দুই দিনে কয়েক লাখ ভক্তের সমাগম হয় তারাপীঠে।

    কীভাবে যাবেন তারাপীঠ?

    তারাপীঠ (Tarapith) বীরভূম জেলায় রামপুরহাটের কাছে অবস্থিত। তারাপীঠে যেতে গেলে রামপুরহাট স্টেশন এবং তারাপীঠ রোড রেল স্টেশন রয়েছে। ট্রেনে গেলে এই দুই স্টেশনেই নামতে পারবেন। হাওড়া বা দক্ষিণবঙ্গের যে কোনও জেলা থেকে গেলে এই দুই স্টেশনে নামা যাবে। আবার কলকাতার ধর্মতলা থেকে তারাপীঠ যাওয়ার বাস পাবেন। এছাড়াও দক্ষিণবঙ্গের যে কোনও জেলা থেকে আপনি বাস পেয়ে যাবেন৷

    যাত্রাপথে খরচ কত?

    আপনি হাওড়া বা শিয়ালদা থেকে যদি রামপুরহাট বা তারাপীঠ (Tarapith) যান, তাহলে ভাড়া পড়বে মাথাপিছু ৮০ থেকে ১০০ টাকা৷ অর্থাৎ যাওয়া-আসার খরচ মাত্র ২০০ টাকা৷ আবার মুর্শিদাবাদ, নদিয়া, দুই ২৪ পরগনা ইত্যাদি জেলা থেকে গেলে, আপনাকে আরও কম ভাড়া দিতে হবে। যদি আপনি বাসে যান, তাহলে ধর্মতলা থেকে বাস ধরতে পারেন। সেক্ষেত্রে ভাড়া দিতে হবে মাথাপিছু ২৩০ থেকে ২৫০ টাকা। স্টেশন থেকে মন্দিরের দূরত্ব মাত্র ৮ কিলোমিটার ৷ অটো, ট্রেকার বা অন্য গাড়িতেই পৌঁছে যেতে পারেন মন্দিরে৷

    কোথায় থাকবেন?

    তারাপীঠে হোটেল অনেক। প্রতি রুমের ভাড়া ৫০০ থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত। আপনার যেমন বাজেট, সেভাবে হোটেল পছন্দ করতে পারবেন। তবে বাজেট অল্প থাকলে বিনা পয়সায় থাকার ব্যবস্থাও রয়েছে। তারাপীঠে রয়েছে ভারত সেবাশ্রম সংঘ ৷ সেখানে মাত্র ৫০ টাকা দিলেই আপনি রাত্রিবাস করতে পারেন। আবার রামপুরহাট-তারাপীঠ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ রয়েছে। সেখানে থাকার ব্যবস্থা রয়েছে পর্যটকদের৷

    দর্শনীয় স্থান

    তারামায়ের মন্দির ছাড়াও তারাপীঠ-রামপুরহাট উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের উদ্যোগে বীরচন্দ্রপুরকে নতুনভাবে সাজানো হয়েছে। পাশেই রয়েছে বীরচন্দ্রপুরে নিত্যানন্দ মহাপ্রভুর জন্মস্থান। সেখানে রয়েছে ঐতিহ্যবাহী নিতাই বাড়ি, বাঁকারায় মন্দির, জগন্নাথ মন্দির, গৌড়ীয় ইসকনের মন্দির, পঞ্চপাণ্ডব, মদনমোহন, শিব সহ বিভিন্ন মন্দির, নিত্যানন্দ, অদ্বৈত আচার্য ও গৌরাঙ্গ মহাপ্রভুর বিগ্রহ। পাশেই রয়েছে কঙ্কালীতলা মন্দির।

    এই বছর রাশিয়া, থাইল্যান্ড এবং দিল্লি থেকে বহু সাধু-সন্ন্যাসীরা ইতিমধ্যেই এসে উপস্থিত হয়েছেন তারাপীঠে। কৌশিকী অমাবস্যার দিন মহাযজ্ঞ করবেন সকলের মঙ্গল কামনার্থে ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Tarapith: তারাপীঠ মন্দির থেকে সরানো হল তারা মায়ের বিগ্রহ, কেন জানেন?

    Tarapith: তারাপীঠ মন্দির থেকে সরানো হল তারা মায়ের বিগ্রহ, কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তারাপীঠের (Tarapith) মন্দিরে গেলে এবার দর্শন মিলবে না মা তারার। কিন্তু, কোথায় গেলেন তিনি? তারাপীঠের মা তারার মাহাত্ম্য ছড়িয়ে রয়েছে দেশে ও বিদেশে। প্রতিদিনই ভক্তদের সমাগমে গম গম করে মন্দির চত্বর। নিত্য পুজোপাঠ তো হয়েই থাকে, তাছাড়াও শনি-মঙ্গলবার এবং বিশেষ দিনগুলিতে বিশেষ পুজো অর্চনা হয়ে থাকে এখানে। কথিত আছে মা কাউকে খালি হাতে ফেরান না। তারাপীঠের মন্দিরে সারা বছরই জনসমাগম হয়। তবে এবার মন্দিরে গেলে দেখা পাওয়া যাবে না তারা মায়ের।

    কেন মন্দিরে দেখা মিলবে না তারা মায়ের? (Tarapith)

    জানা গিয়েছে, মন্দিরের গর্ভগৃহের সংস্কারের কারণেই স্থানান্তরিত করা হল তারাপীঠের (Tarapith) তারা মায়ের মূর্তি। তারাপীঠের ভৈরবের মন্দিরে স্থানান্তরিত করা হল তারা মায়ের মূর্তি। আগামী এক সপ্তাহ ধরে সেখানেই ভৈরবের মূর্তির পাশে বিরাজ করবেন মা। মন্দির কমিটির পক্ষ থেকে জানা গিয়েছে, গর্ভগৃহ ও বেদি সংস্কারের পাশাপাশি মন্দিরে রংও করা হবে। ফলে স্থানান্তরিত করা হল তারা মায়ের মূর্তি। তাই এবার গর্ভগৃহ ও বেদি সংস্কার করা হচ্ছে। শিব মন্দির যেহেতু একটু ছোট, তাই গর্ভগৃহে প্রবেশ করতে সমস্যা হবে। তাই বাইরে থেকেই দর্শনার্থীরা মা তারার পায়ে হাত দিয়ে প্রণাম করতে পারবেন, আশীর্বাদ গ্রহণ করতেও পারবেন।

    কী বললেন মন্দির কমিটির সভাপতি?

    তারপীঠ (Tarapith) মন্দির কমিটির সভাপতি তারাময় মুখোপাধ্যায় বলেন, প্রায় পাঁচ বছর ধরে মা তারার মন্দিরের কোনওকম সংস্কার হয়নি। করোনার সময় সংস্কারের কাজও করা যায়নি। হাজারে হাজারে ভক্ত প্রতিদিন মন্দিরে আসেন। সেই জন্য মা তারার গর্ভগৃহ বন্ধ করে মন্দির সংস্কার করা কোনওভাবেই সম্ভব হয়ে উঠছিল না। কিন্তু সম্প্রতি রেলের তরফে একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়। সেখানে বেশ কিছু ট্রেন বন্ধ রাখার কথা জানানো হয়েছে। যেহেতু অধিকাংশ ভক্ত ট্রেনে যাতায়াত করেন, তাই এই সময় তাঁরা আসতে পারবেন না। সেই কারণে জরুরি ভিত্তিতে এই সংস্কারের কাজ শুরু করা হয়েছে। আগামী কয়েকদিন এই সংস্কারের কাজ চলবে। গর্ভগৃহে মার্বেল বসানোর পাশাপাশি মন্দির রং করা ও সংস্কারের কাজ করা হবে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Sukanta Majumdar: অনুব্রত মণ্ডলকে পরমাণু বিজ্ঞানী কেন বললেন সুকান্ত?

    Sukanta Majumdar: অনুব্রত মণ্ডলকে পরমাণু বিজ্ঞানী কেন বললেন সুকান্ত?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বীরভূম জেলায় মাঝে মধ্যে বিভিন্ন বিধানসভা এলাকায় বোমা পাওয়া যাচ্ছে। শনিবারও লাভপুরে বোমা পাওয়া গিয়েছে। বগটুইয়ে বোমা উদ্ধার হয়েছে। সদাইপুরে কয়লা বাজেয়াপ্ত হয়েছে। বার বার বোমা উদ্ধারের ঘটনা নিয়ে শনিবার বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) বলেন, বোমার কেন্দ্র ভূমি এটা। এখানে বড়  বড় বিজ্ঞানী ছিলেন। এখন তিনি তিহার জেলে রয়েছেন। তাঁর নাম অনুব্রত মণ্ডল। তিনি পরমাণু বিজ্ঞানী। তাঁর জায়গায় বোমা পাওয়া যাবে না কি ফুল পাওয়া যাবে? প্রশাসন একেবারে ভেঙে পড়েছে।

    মুখ্যমন্ত্রী ঠিক করবে কোর্ট, বললেন  সুকান্ত (Sukanta Majumdar)

    বিজেপির রাজ্য সভাপতি বলেন, “রাজ্যটা কোর্ট চালাচ্ছে। এবার মুখ্যমন্ত্রীও থাকবে কি থাকবে না এটা কোর্টই ঠিক করবে বলে আমার মনে হয়”। প্রসঙ্গত, শনিবার থেকে দলের একটি প্রশিক্ষণ শিবির শুরু হয়েছে তারাপীঠে। সেই শিবিরে যোগ দিতে শুক্রবার রাতেই তারাপীঠে পৌঁছে যান বিজেপির রাজ্য সভাপতি। তার আগে শুক্রবার সন্ধ্যায় ময়ূরেশ্বর থানার কল্লেশ্বর শিব মন্দিরে পুজো দেন তিনি। শনিবার সকালে তারাপীঠ মন্দিরে পুজো দেন তিনি।

    অভিষেকের কনভয় হানা নিয়ে কী বললেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি (Sukanta Majumdar)?

     অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কনভয়ে হামলা প্রসঙ্গে সুকান্ত বলেন, “আমরা কোনও রকম হিংসাকে সমর্থন করি না। সেটা যার উপরে হোক না কেন। এর একটা সমাধানের রাস্তা খোঁজা উচিত। রাজ্য সরকারের উচিত সহৃদয় হয়ে কুড়মিদের সঙ্গে আলোচনায় বসা। আর পিসি ভাইপো এখন ভয় পেলেই জয় শ্রীরাম ধ্বনি শুনতে পাচ্ছেন। ওদের এখন বিজেপি ফোবিয়া হয়ে গিয়েছে। আর হামলাটা কে করেছে সেটা দেখা দরকার।” অভিষেকের কনভয়ের আক্রমণ বিজেপির কাজ নিয়ে যে অভিযোগ উঠেছে সে প্রসঙ্গে বালুরঘাটের সাংসদ বলেন, “ওকে বিজেপি মারতে যাবে কেন? ও তো মরাই। আজ নয় কাল সিবিআই টেনে নিয়ে যাবে”।

    বেসুরো অর্জুন সিংকে নিয়ে কী বললেন সুকান্ত (Sukanta Majumdar)?

    বারাকপুরে শ্যুট আউট কাণ্ডে সাংসদ অর্জুন সিংহের বেসুরো মন্তব্য নিয়ে সুকান্তবাবু (Sukanta Majumdar) বলেন, “সময় আছে। অপেক্ষা করুন। আরও সুর বেসুরো হয়ে যাবে। যারা এখন সুরে গাইছেন, যত দিন যাবে বেসুরো হবে। কারণ পুরো জিনিসটাই তো ডামাডোল চলছে এখন। শেষ মুহূর্তে তৃণমূল মুষল পর্ব শুরু হয়ে গিয়েছে। এখন শুধু বেসুরো হচ্ছে। এরপর মুষল দিয়ে হবে। যে দলের সাংসদরাই নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন, সেটা সরকারের ব্যর্থতা”। তিনি আরও বলেন,”তৃণমূলকে বিজেপির সঙ্গে লড়াই করতে হবে না। ওরা আগে মদন, অর্জুন, ফিরহাদদের সঙ্গে লড়াই করুক। তারপর বিজেপির সঙ্গে করবে”।

    পঞ্চায়েত ভোট নিয়ে কী সংশয় প্রকাশ করলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি (Sukanta Majumdar)?

    পঞ্চায়েত নির্বাচন নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেন সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। তিনি বলেন, “বিস্ফোরণের উপর বসে আছে রাজ্য। পঞ্চায়েত নির্বাচন হলে বহু বাড়ি ভেঙে পড়বে। বহু মানুষের মৃত্যু হবে। আর এই পুলিশ দিয়ে কোনওভাবেই শান্তিতে পঞ্চায়েত নির্বাচন হতে পারে না। কারণ পুলিশের মেরুদন্ড ভেঙে দিয়েছে এই সরকার। শাসক দলের ছোট বড় মাঝারি সব নেতা পুলিশকে বাড়ির চাকরবাকর মনে করেন। ফলে এই পুলিশ দিয়ে নির্বাচন সম্ভব নয়”।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Tarapith: অমিত শাহের সভায় যাওয়ার ‘অপরাধে’ অটো বন্ধের ফতোয়া! ধুন্ধুমার তারাপীঠে, বিক্ষোভ বিজেপির

    Tarapith: অমিত শাহের সভায় যাওয়ার ‘অপরাধে’ অটো বন্ধের ফতোয়া! ধুন্ধুমার তারাপীঠে, বিক্ষোভ বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অমিত শাহের সভায় যাওয়ার ‘অপরাধে’ বেশ কয়েকজন অটোচালককে অটো চালাতে দিচ্ছে না তৃণমূল। এই অভিযোগ ঘিরে সোমবার উত্তপ্ত হয়ে উঠল তারাপীঠ (Tarapith)। বিজেপির পক্ষ থেকে এদিন আটলা মোড়ে রাস্তার ওপর বসে পড়ে বিক্ষোভ দেখানো হয়। বিজেপি-তৃণমূল বচসায় পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। দুপক্ষের হাতাহাতিও হয়। পুলিস গিয়ে কোনওরকমে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। সাধারণ যাত্রীরা পড়েন দুর্ভোগে।

    বিজেপির মূল অভিযোগ কী?

    বিজেপি নেতা তারক বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, তৃণমূল ইউনিয়নের নেতা বলেছে, তারাপীঠে (Tarapith) রামনবমীর পতাকা সব খুলে ফেলতে হবে। আমরা সব দেখে নেবো। অমিত শাহর সভায় যাওয়ার জন্য নাকি দুজন অটোচালককে অটো লাগাতে দেবে না। গরিব, খেটেখাওয়া মানুষের পেটে লাথি মারার জন্য তৃণমূল কংগ্রেস? পশ্চিমবঙ্গবাসী দেখুন, কোন জায়গায় তৃণমূল কংগ্রেস রাজ্যটাকে নিয়ে যাচ্ছে। তাঁর পাল্টা অভিযোগ, ওরা আমাদের ওপর হামলাও চালিয়েছে। এ নিয়ে আগামীদিনে বৃহত্তর আন্দোলনে নামার হুঁশিয়ারি তিনি দিয়েছেন।

    অভিযোগের উত্তরে কী বললেন তৃণমূল ইউনিয়নের নেতা?

    তৃণমূল পরিচালিত অটো ইউনিয়নের সেক্রেটারি নাশির শেখের বক্তব্য, এটা ভুল ধারণা। পাটির কোনও ব্যাপারে গাড়ি বন্ধ করা হয়নি। তারাপীঠে (Tarapith) ইউনিয়নের একটা সিস্টেম আছে। সেই অনুযায়ীই গাড়ি বন্ধ করা হয়েছিল সাতদিন। ইউনিয়নের নিয়মভঙ্গ করার জন্য ওদের সাসপেন্ড করা হয়েছিল। অনেকেই আছে, বেলাইনে ভাড়া খাটে। ওদের ক্ষেত্রেও তাই হয়েছিল। সেটা নিয়ে বিজেপি এরকম করবে, আমরা ভাবতে পারিনি। এই সমস্যার সমাধান আমরা কালই করে দিয়েছিলাম এবং ওদের লাইনে গাড়ি লাগাতে বলেছিলাম। তা না করে ওরা আজ অত্যাচার শুরু করে দিল। ওরা আমাকেও মারধর  করেছে। দোষীকে গ্রেফতার করা না হলে তাঁরাও অটো চলাচল বন্ধ করে দেবেন বলে হুমকি দেন।

    কী বললেন রাজ্যের মন্ত্রী তথা তৃণমূল নেতা অশিস বন্দ্যোপাধ্যায়

    অবরোধ, ধর্মঘট এসব মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নীতির বিরুদ্ধে। তাই যারা ধর্মঘট করবে বলেছিল, আমি তাদের তা না করার জন্য অনুরোধ করেছি। ওরা সেই আবেদনে সাড়া দিয়েছে। একইসঙ্গে আমি পুলিশকেও অনুরোধ করেছি, যারা দোষী, তাদের বিরুদ্ধে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য। বিজেপির অমিত শাহের সভায় যাওয়ার জন্যই তারাপীঠে (Tarapith) অটো চালাতে দেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ। এর জবাবে তিনি বলেন, পুলিশ তদন্ত করে দেখুক না, কোনটা সত্যি, কোনটা মিথ্যা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Tarapith: তারাপীঠে মা তারার মন্দিরে বিয়ে করতে চান? নিয়ম না মানলে কিন্তু ঠাঁই হতে পারে শ্রীঘরে

    Tarapith: তারাপীঠে মা তারার মন্দিরে বিয়ে করতে চান? নিয়ম না মানলে কিন্তু ঠাঁই হতে পারে শ্রীঘরে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তারাপীঠ (Tarapith) হল সতীর ৫১টি পীঠের একটি। এই পীঠস্থানে অনেক পাত্র-পাত্রীর বিবাহ সম্পন্ন হয়ে থাকে। এবার থেকে এই তারামায়ের মন্দিরে বিবাহ অনুষ্ঠানের নিয়ম-রীতি আরও কড়া করা হল। শুধু শাঁখা-পলা, সিঁদুর কৌটো নিয়ে হাজির হলে হবে না। নতুন নিয়মাবলীকে মান্যতা দিতে হবে। মা তারার মন্দিরে বিয়ে করার কী কী নিয়ম ঠিক করা হয়েছে, আসুন জেনে নিই।

    নতুন কী কী নিয়ম করা হল (Tarapith)?

    তারাপীঠে (Tarapith) এই নিয়ম নির্ধারণের পিছনে রয়েছে বেশ কিছু কারণ। সেগুলি স্পষ্ট করে জানিয়েছে তারাপীঠ মন্দির কমিটি। বিবাহের ক্ষেত্রে করোনাকাল থেকেই অনেক নিয়মাবলী প্রকাশ করেছে মন্দির কর্তৃপক্ষ। বিবাহবন্ধন যেন অটুট থাকে, তা নিশ্চিত করতেই এই পদক্ষেপ। যাঁরা দম্পতি হচ্ছেন, তাঁরা সারা জীবন যাতে সুখে সংসার করতে পারেন, সেই বিষয়ে নজর রাখাই মূল লক্ষ্য। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, প্রথমে দেখা হবে পাত্র-পাত্রীর পরিচয়পত্র। তার পর খবর দেওয়া হয় দু’পক্ষের পরিবারকে। নাবালক বা নাবালিকা যদি হয়, সেক্ষেত্রে বিয়ে দেওয়া যাবে না মন্দিরে। আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ এমন কোনও বিষয় থাকলে বিবাহ দেওয়া যাবে না। এছাড়া অসাধু ব্যক্তিবর্গ অনেক সময় পাত্রীকে নেশাসক্ত করিয়ে বিবাহ করাতে চলে আসে। সেক্ষেত্র কোনও অসঙ্গতি লক্ষ্য করলে মন্দির কমিটি তৎক্ষণাৎ পুলিশ-প্রশাসনকে জানাতে বাধ্য থাকবে। সেই সঙ্গে তারাপীঠের হোটেলে প্রাপ্তবয়স্ক প্রেমিক-প্রেমিকাদের রুম দেওয়ার ওপরও নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। কারণ, অনেকে মন্দিরে ভুয়ো বিয়ে করার ছবি তুলে রুম ভাড়া নিয়ে থাকে। এই বিষয়ে আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ হতে পারে বলে সতর্ক করা হয়েছে। এছাড়া মন্দিরের মূল গর্ভগৃহে বিবাহের কাজ করা যাবে না। মায়ের মন্দিরের বাইরে অবস্থিত ছোট মন্দিরগুলিতে বিয়ে হতে পারে, যেমন ষষ্ঠী মন্দির, শিব মন্দির ইত্যাদি।

    মন্দির কমিটির বক্তব্য

    তারাপীঠ (Tarapith) মন্দির কমিটির সভাপতি তারাময় মুখোপাধ্যায় বলেন, ‘‘কে কখন বিয়ে করল, সব সময় তো নজর রাখা সম্ভব হয় না। তবে যাঁরা পুরোহিত ডেকে বিয়ে করার কথা ভাবেন, তাঁদের ক্ষেত্রে আমরা একটা নিয়ম মেনে চলি। যদিও মন্দিরের বারান্দায় বন্ধুবান্ধব নিয়ে হইহুল্লোড় করে অনেকে বিয়ে সেরে নেন। এমনও ঘটনা নজরে আসে। তবে সব মিলিয়ে তারাপীঠ মন্দিরে বিয়ে করতে গেলে পাত্র-পাত্রীকে মানতে হবে নিয়ম। সঙ্গে থাকতে হবে সঠিক পরিচয়পত্র। পাত্রীকে থাকতে হবে শারীরিক ভাবে সুস্থ ও স্বাভাবিক। সন্দেহ হলে আটকে যাবে বিয়ে। এমনকী যেতে হতে পারে শ্রীঘরেও।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Tarapith: মা তারাও রথে চড়ে নগর ভ্রমণ করেন! জানেন এর প্রচলন কবে হয়েছিল?

    Tarapith: মা তারাও রথে চড়ে নগর ভ্রমণ করেন! জানেন এর প্রচলন কবে হয়েছিল?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তারাপীঠের (Tarapith) মা তারা দশ মহাবিদ্যার দ্বিতীয় মহাবিদ্যা। সাধক বামাখ্যাপার সাধনভূমি সারা বছরই গমগম করে ভক্তদের ভিড়ে। ভক্তদের বিশ্বাস, মা তারা তাঁদের মনস্কামনা পূর্ণ করেন। সারা বছরে বিশেষ কিছু পবিত্র তিথিতে তারাপীঠে ধুমধাম করে অনুষ্ঠান হয়। যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল রথযাত্রা। কথিত আছে, বামাখ্যাপার সময় থেকেই রথযাত্রার দিন মা তারা রথে চড়ে পথে পা বাড়ান। আবার অনেকে মনে করেন, তারাপীঠের দ্বিতীয় সাধক আনন্দনাথের সময় থেকে মায়ের এই নগর ভ্রমণ শুরু। সেই সময়ে মায়ের রথ তৈরি হয়েছিল পিতলে। এখনও সেই রথেই ওঠেন মা তারা। ভক্তরা টানেন মায়ের রথের দড়ি।

    রথের দিন কী কী হয় তারাপীঠে (Tarapith)?

    ফি বছর পিতলের রথকে পালিশ করে সাজানো হয়। রথের দিন দুপুরে অন্নভোগ দেওয়ার পরে মায়ের রথ বের হয় বিকাল ৩ টে নাগাদ। রথের সঙ্গে চলতে থাকে নামগান। ভক্তরা আনন্দে মেতে ওঠেন। ফলমূল সহযোগে নৈবেদ্য সাজান গৃহস্থরা। শঙ্খ ও উলুধ্বনিতে মুখর হয়ে ওঠে চারদিক। রীতি অনুযায়ী, উত্তরমুখে যাত্রা শুরু করে দ্বারকা সেতু পেরিয়ে রামপুরহাট-সাঁইথিয়া রোড ধরে তিনমাথা মোড়ে পৌঁছয় মায়ের রথ। ওখান থেকে একই পথ ধরে মন্দিরে ফেরেন মা। রথ থেকে সেবায়েতরা মায়ের প্রসাদ বাতাসা ও পেঁড়া লুট দিতে থাকেন। এ এক অসামান্য দৃশ্য। ভক্তের ঢল নামে পথেঘাটে। রথের রশি স্পর্শ করলেই কেটে যাবে সব বিপদ, এমনই বিশ্বাস ভক্তদের। ‘জয় মা তারা’ ধ্বনি তুলে ভক্তরা প্রার্থনা করেন।

    কীভাবে প্রচলন তারা মায়ের রথযাত্রার?

    তারা মায়ের রথের কবে থেকে প্রচলন, তা নিয়ে অবশ্য ভিন্ন মত রয়েছে। একটি মহল বলে, বামাখ্যাপার আমল থেকেই রথযাত্রার শুরু। তাঁদের মতে, সাধক বামাখ্যাপার আমলেই তারা মাকে রথে বসিয়ে, জগন্নাথ রূপে বিশেষ পুজো-অর্চনার আয়োজন করা হয়। আবার অন্য একটি মহলের মতে, প্রখ্যাত সাধক দ্বিতীয় আনন্দনাথ এই রথযাত্রার প্রচলন করেছিলেন। এক্ষেত্রে তাঁরা তারাপীঠ মন্দিরের সেবায়েত প্রবোধ বন্দ্যোপাধ্যায়ের উল্লেখ করেন। সেখানেই রথযাত্রার সঙ্গে দ্বিতীয় আনন্দনাথের নাম জড়িয়ে রয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Tarapith: তারাপীঠে ডান্সবার, বন্ধ করার আশ্বাস জেলা শাসকের

    Tarapith: তারাপীঠে ডান্সবার, বন্ধ করার আশ্বাস জেলা শাসকের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সিদ্ধপীঠ তারাপীঠ (Tarapith) এখন রাজ্য ছড়িয়ে সমগ্র দেশের হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষের মনে জায়গা করে নিয়েছে। কিন্তু এই তীর্থক্ষেত্রে আগত যাত্রীদের নেশায় বুঁদ করে অর্থ উপার্জন করতে মন্দিরের ঢিল ছোড়া দূরত্বে গজিয়ে উঠেছে অসংখ্য ডান্সবার। এলাকার মানুষের অভিযোগ, বারে চলে উদ্দাম নেশা এবং লুটপাটের মতন কাজকর্ম। তীর্থক্ষেত্রে এই সমাজ বিরোধীদের কার্যকলাপের বিরুদ্ধে জেলা শাসকের কাছে জানানো হয়েছে বিশেষ অভিযোগ।

    তারাপীঠে (Tarapith) কী ভাবে চলছে বার?

    তীর্থক্ষেত্রে (Tarapith) বাউন্সার দিয়ে রীতিমত রমরমিয়ে চলছে বার। অনুমতি ছাড়াই ছোট ছোট পোশাকে চটুল গানের সঙ্গে চলছে অশ্লীল নাচ। রাত বাড়লে বেলেল্লাপনা বেড়ে যায় কয়েকগুণ। ওড়ানো হয় লক্ষ লক্ষ টাকা। মদ্যপানের সঙ্গে মহিলাদের নৃত্যে বুঁদ হলেই মদ্যপায়ীদের হতে হয় সর্বস্বান্ত। কেড়ে নেওয়া হয় মোবাইল, সোনার গয়না। প্রায় দিনেই এনিয়ে অশান্তির সৃষ্টি হয় এলাকায়। অভিযোগ করলে মদ্যপায়ীদের বাউন্সার দিয়ে মারধর করে বাইরে বের করে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। এমনকি টাকা, মোবাইল, সোনার গয়নাও কেড়ে নেওয়া হয় বলে অভিযোগ উঠেছে।

    বারের বিরুদ্ধে বিশেষ অভিযোগ

    তারাপীঠে (Tarapith) সম্প্রতি জয়ন্ত রায় নামে এক মদ্যপায়ীর সঙ্গে বারে ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। তিনি প্রশাসনের সর্বত্র লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন বলে জানিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘বারের ভিতর রাত বাড়লে মদের সঙ্গে ড্রাগ মেশানো হয়। হুক্কা বারে গাঁজা, চরস মিশিয়ে গ্রাহককে বুঁদ করে চলে লুঠপাট। আমার সঙ্গেও একই ব্যবহার করা হয়েছে। সাড়ে তিন লক্ষ টাকা মূল্যের সোনার চেন কেড়ে নিয়েছে বারের ম্যানেজার সপ্তম সিংহ এবং বাউন্সার সিলন শেখ। আমি প্রশাসনের কাছে লিখিত অভিযোগ জানিয়েছি।’

    মন্দির কমিটি ও প্রশাসনের বক্তব্য

    তারাপীঠে (Tarapith) দিনের পর দিন এমনই অভিযোগ জমা পড়ছিল প্রশাসনের কাছে। মন্দির সংলগ্ন এই বারে নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছে মন্দির কমিটিও। মন্দির কমিটিও এই বার বন্ধের বিশেষ দাবি জানায়। মন্দিরের সভাপতি তারাময় মুখোপাধ্যায় বলেন, ‘কোনও তীর্থক্ষেত্রে বার কাম্য নয়। ডান্স বার তো নয়ই। প্রশাসন ব্যবস্থা গ্রহণ করুক।’ অপর দিকে বীরভূম জেলা শাসক বিধান রায় আশ্বাস দিয়ে বলেন, ‘অভিযোগ পেয়েছি, কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।’ এরপরই ওইসব ডান্স বারগুলোর বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপের পথে পুলিশ প্রশাসন। তীর্থক্ষেত্র এখন কবে ডান্সবার মুক্ত হয় তাই এখন দেখার।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Tarapith: তন্ত্রসাধনায় নিজের ভাইঝিকে নরবলি দেওয়ার চেষ্টা! তারাপীঠে গ্রেফতার মহিলা সন্ন্যাসী

    Tarapith: তন্ত্রসাধনায় নিজের ভাইঝিকে নরবলি দেওয়ার চেষ্টা! তারাপীঠে গ্রেফতার মহিলা সন্ন্যাসী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রোমহর্ষক ঘটনা। এ যেন সিনেমার চিত্রনাট্যকেও হার মানাবে। তন্ত্রসাধনার জন্য কাউকে ধরে নিয়ে এসে বলিকাঠে চড়ানো হচ্ছে, এমন হাড়হিম করা দৃশ্য বহু সিনেমাতেই দেখা যায়। কিন্তু তা বলে নিজের স্বার্থসিদ্ধির জন্য নিজেরই ভাইঝিকে কেউ ধরে নিয়ে যেতে পারে, এ যেন কল্পনার অতীত। কিন্তু বাস্তবে তেমনটাই ঘটেছে। যদিও শেষ রক্ষা হয়নি। তন্ত্রসাধনায় নরবলি দেওয়ার আগেই তারাপীঠ (Tarapith) থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে সন্ন্যাসী মহিলাকে। আর তারপরই পুলিশের প্রাথমিক তদন্তে বেরিয়ে এসেছে ওই চাঞ্চল্যকর তথ্য। বোলপুর থানা এবং বীরভূম জেলা পুলিশের স্পেশাল অপারেশন গ্রুপের জালে সন্ন্যাসী মহিলা রেখা সরকার। ঘটনার গভীরে ঢুকতে বীরভূম জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে শুরু হয়েছে উচ্চ পর্যায়ের তদন্ত। 

    কীভাবে পুলিশ পৌঁছে গেল মহিলা সন্ন্যাসীর ডেরায়?

    দিন চারেক আগে বীরভূমের বোলপুর থানার অন্তর্গত তাতারপুর কলোনি থেকে এক নাবালিকা নিখোঁজ হয়। তার পরিবারের তরফ থেকে বোলপুর থানায় নিখোঁজ ডায়েরি করা হয়। ঘটনার গুরুত্ব বুঝে বীরভূম জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে একটি বিশেষ টিম গঠন করা হয়। বিশেষ টিমে ছিলেন বীরভূম জেলা পুলিশের স্পেশাল অপারেশন গ্রুপের আধিকারিক সহ বোলপুর থানার পুলিশ অফিসাররা। নিখোঁজ নাবালিকার বাবাকে জিজ্ঞাসাবাদ করে জেনে নেওয়া হয়, তাদের কোথায় কোথায় আত্মীয়স্বজন রয়েছে। জিজ্ঞাসাবাদ চালিয়ে তারই দিদি রেখা সরকার তারাপীঠে থাকে বলে খোঁজ মেলে। শনিবার বীরভূম জেলা পুলিশের এই স্পেশাল টিম হানা দেয় তারাপীঠে (Tarapith)। প্রথমে রেখা সরকার নামে ওই মহিলা জানিয়ে দেয়, তার ভাইঝি তার কাছে আসেনি। সমগ্র ঘটনা এড়িয়ে যায়। পরে পুলিশ চাপ দিলে ওই নাবালিকাকে বের করে দেয়। 

    বলি দেওয়ার চেষ্টা হয়েছিল, বলছেন পুলিসের আধিকারিকই

    এই পুরো ঘটনায় বোলপুরের অতিরিক্ত জেলা পুলিশ সুপার সুরজিৎকুমার দে সাংবাদিক বৈঠক করে জানান, রেখা সরকার দীর্ঘদিন ধরে তন্ত্র সাধনার সঙ্গে যুক্ত। প্রথমে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে সম্পূর্ণ বিষয় অস্বীকার করে। পরবর্তী সময়ে তাকে চাপ দেওয়া হলে ওই নাবালিকাকে বের করে দেয়। তারপরই তাকে গ্রেফতার করা হয়। পুলিশি তদন্ত প্রক্রিয়ায় প্রাথমিকভাবে উঠে এসেছে, তন্ত্রসাধনার কাজে তারাপীঠে (Tarapith) ওই নাবালিকাকে বলি দেওয়ার প্রয়াস চালিয়েছিল ধৃত রেখা। এই ঘটনার আরও গভীরে ঢুকতে সাতদিনের পুলিশি হেফাজতে নিয়েছে বোলপুর থানার পুলিশ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share