Tag: Tata Technologies

Tata Technologies

  • Tata Technologies: আত্মনির্ভর হওয়ার পথে আরও এক ধাপ এগিয়ে ভারত, আই ফোনের অংশ তৈরি করবে টাটা

    Tata Technologies: আত্মনির্ভর হওয়ার পথে আরও এক ধাপ এগিয়ে ভারত, আই ফোনের অংশ তৈরি করবে টাটা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মোবাইলের সরঞ্জাম তৈরির ক্ষেত্রে চিন (China) নির্ভরতা কমিয়ে আত্মনির্ভর হওয়ার পথে এগিয়ে চলেছে ভারত (India)। টাটা ইলেকট্রনিক্স (Tata Electronics) সম্প্রতি জানিয়েছে তারা অ্যাপেল সংস্থার আইফোনের (iphone) খোল তৈরি করার মেশিন বানাতে চলেছে। এর জন্য তারা দেশীয় দুটি সংস্থার সঙ্গে হাত মিলিয়েছে। এই মেশিন তৈরি করে শুধু ভারতে নয় টাটা (Tata Technologies) বিদেশেও রফতানি করতে চায়।

    ৩০০ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের সরঞ্জাম বিদেশে রফতানি (Tata Technologies)

    সারা বিশ্বজুড়ে বিভিন্ন মোবাইল ফোনের পার্টনার সংস্থাকে ওই মেশিন পরবর্তীকালে বিক্রি করা হবে। জানা গিয়েছে ভারত সরকার ২০২৫ সালের শেষে ৩০০ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের সরঞ্জাম বিদেশে রফতানি করার টার্গেট নিয়েছে। টাটা ইলেকট্রনিক্সের (Tata Technologies) এই নয়া মেশিন সেই লক্ষ্যে পৌঁছতে সহযোগিতা করবে বলে জানা গিয়েছে। সংস্থার সঙ্গে যুক্ত এক বিশেষজ্ঞ জানিয়েছেন টাটা গ্রুপের এই মেশিনগুলি তৈরি হওয়ার পথে রয়েছে। তাদের হোসুর কমপ্লেক্সে এই মেশিন গুলি তৈরি করা হচ্ছে। উদ্দেশ্য ঘরোয়া ক্ষমতাকে আরো বৃদ্ধি করা। একইসঙ্গে ভারতে মোবাইলের প্রত্যেক পার্টস তৈরি করার একটা ইকো-সিস্টেম তৈরি করা।

    আরও পড়ুন:লক্ষ্য আন্তর্জাতিক ফ্লাইট! ৩০টি চওড়া এয়ারবাস এ৩৫০-৯০০ বিমান কিনছে ইন্ডিগো

    মোবাইল ফোন জগতে বড় বিপ্লব

    টাটা ইলেকট্রনিক্সের (Tata Technologies) একটা পদক্ষেপ মোবাইল ফোন জগতে অনেক বড় বিপ্লব আনতে পারে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন এহেন ছোট্ট ছোট্ট পদক্ষেপ গোটা দেশে মোবাইল ফোনের পার্টস তৈরির ক্ষেত্রে একটা নেটওয়ার্ক তৈরি করবে। চিন এভাবেই তাদের দেশে ৯০ এর দশক থেকে একটা ইকো সিস্টেম গড়ে তুলেছে। যার ফসল আজ তারা পাচ্ছে। সারা বিশ্বে মোবাইলের খোলের ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। হাতে গোনা কয়েকটি সংস্থা মোবাইলের খোল তৈরি করতে সক্ষম। বর্তমানে যে ধরনের মোবাইল তৈরি হচ্ছে তাতে ডিসপ্লে এবং খোলের মোবাইল বিক্রির পরেও চাহিদা রয়েছে। টাটা গ্রুপ এ বিষয়টি ভালোভাবেই জানে। এর জন্যই তারা এই ধরনের মেশিন বানাতে চাইছে। তাঁরা এই বিভাগে সক্ষম হলে পরবর্তীকালে অন্য মোবাইলের জন্য খোল তৈরি করতে সক্ষমতা অর্জন করতে পারবে। বর্তমানে এই খোল বেশিরভাগ ক্ষেত্রে তৈরি হয় চিনে। বেশিরভাগ মোবাইল প্রস্তুতকারক সংস্থা তাদের পার্টস ভারতে এনে অ্যাসেম্বল এসেম্বল করে। কিন্তু মোদি সরকার চাইছে আর অ্যাসেম্বল নয়। ভারতেই তৈরি হবে মোবাইলের সমস্ত পার্টস। এর জন্য গোটা দেশে ইকো-সিস্টেম তৈরি করার ভাবনা রয়েছে সরকারের। সরকারের সেই ভাবনার সঙ্গে তাল মিলিয়ে এগিয়ে যেতে চাইছে টাটা গোষ্ঠী।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Tata Technologies IPO: রাত পোহালেই বাজারে আসছে টাটা টেকনোলজিস আইপিও, উন্মাদনা তুঙ্গে   

    Tata Technologies IPO: রাত পোহালেই বাজারে আসছে টাটা টেকনোলজিস আইপিও, উন্মাদনা তুঙ্গে   

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাত পোহালেই ২২ নভেম্বর। এদিনই সাবস্ক্রিপশনের জন্য খুলতে চলেছে স্টক মার্কেটের বহু প্রতীক্ষিত টাটা টেকনোলজিস আইপিও (Tata Technologies IPO)। লঞ্চের আগেই খবরের শিরোনামে চলে এসেছে টাটা টেকনোলজিসের এই আইপিও। গ্রে মার্কেটেও দুরন্ত গতি। ইতিমধ্যেই টাটা টেকের শেয়ার লেনদেন হয়েছে ৭০ শতাংশ প্রিমিয়ামে। বাজারে এই অবস্থা বজায় থাকলে কয়েকদিনের মধ্যেই টাটা টেকের আইপিও থেকে ৭০ শতাংশ আয় করতে পারবেন বিনিয়োগকারীরা।

    টাটার শেয়ার মাল্টিব্যাগার 

    টাটা গোষ্ঠীর এই আইপিও নিয়ে ইতিবাচক মনোভাব রয়েছে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে। স্টক মার্কেটে টাটা গোষ্ঠীর অনেক শেয়ার মাল্টিব্যাগার হিসেবে প্রমাণিত হয়েছে। টিসিএস কিংবা টাইটান অথবা ট্রেন্ট বিপুল মুনাফা দিয়েছে বিনিয়োগকারীদের। বিগ বুল হিসেবে পরিচিত ছিলেন প্রয়াত বিনিয়োগকারী রাকেশ ঝুনঝুনওয়ালা। তাঁর সাফল্যের নেপথ্যেও সব চেয়ে বড় অবদান টাটা গোষ্ঠীর।

    উন্মাদনা তুঙ্গে 

    এর আগে টাটা গোষ্ঠীর আইপিও (Tata Technologies IPO) এসেছিল প্রায় দু’দশক আগে। ২০০২ সালে শেষ আইপিও এনেছিল টাটা। সেবার বাজারে এসেছিল টিসিএস। শেয়ার বাজারে টিসিএসই দ্বিতীয় বৃহত্তম কোম্পানি। মার্কেট ক্যাপের দিক থেকে এর আগে রয়েছে কেবল রিলায়েন্স ইন্ডাস্ট্রিজ। তাই টাটার নতুন আইপিও নিয়ে উন্মাদনা তুঙ্গে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে। অপেক্ষার প্রহর গুণছেন তাঁরা।

    টাটার এই আইপিও খোলা হবে ২২ নভেম্বর। বিড করা যাবে ২৪ নভেম্বর পর্যন্ত। ৩০ নভেম্বর টাটা টেক শেয়ার বরাদ্দ করা হবে। যে বিনিয়োগকারীরা আইপিওয় ইউনিট পাবেন না, তাঁদের জন্য ফেরত দেওয়া শুরু হবে ১ ডিসেম্বর। সফল দরদাতাদের ডিম্যাট অ্যাকাউন্ট শেয়ার জমা হবে। লিস্টিং হবে ৫ ডিসেম্বর।   

    আরও পড়ুুন: বেঙ্গল গ্লোবাল বিজনেস সামিট শুরু আজ, এবারও কি কেবল ‘নকল মউ স্বাক্ষর’?

    আইপিওর প্রাইস ব্যান্ড নির্ধারণ করা হয়েছে ৪৭৫ থেকে ৫০০ টাকা। এক-একটি আইপিও ব্লকে রয়েছে ৩০টি শেয়ার। অর্থাৎ এই আইপিওতে লগ্নি করতে একজন ব্যক্তিকে বিনিয়োগ করতে হবে ন্যূনতম ১৫ হাজার টাকা। প্রসঙ্গত, ২০২৩ অর্থবর্ষে টাটা কোম্পানির আয় বেড়ছে ২৫ শতাংশ। টাকার অঙ্কে আয় দাঁড়িয়েছে ৪ হাজার ৪১৮ কোটি টাকা। কোম্পানির মুনাফা ছিল ৭০৮ কোটি টাকা (Tata Technologies IPO)।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ। 

LinkedIn
Share