Tag: tatanagar

tatanagar

  • Jharkhand: পাহাড়ের সারি, শাল, মহুয়া, পলাশের জঙ্গল! ‘শঙ্করদা পোটকা’ যেন শিল্পীর ক্যানভাসে আঁকা ছবি

    Jharkhand: পাহাড়ের সারি, শাল, মহুয়া, পলাশের জঙ্গল! ‘শঙ্করদা পোটকা’ যেন শিল্পীর ক্যানভাসে আঁকা ছবি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সুন্দরের খোঁজে যখন আমরা দেশ থেকে দেশান্তরে ছুটে বেড়াই, তখন আমরা ভুলে যাই যে আমাদের বাড়ির পাশেই রয়েছে এমন কিছু অপূর্ব সুন্দর স্থান, যার খোঁজ আমরা রাখি না। রীতিমতো উপেক্ষিতই থেকে যায় সেই সব অচেনা, অজানা সুন্দরীরা। যেমন শঙ্করদা পোটকা। নামের মধ্যেই রয়েছে এক আদিবাসী সারল্যের গন্ধ। পশ্চিমবঙ্গের একদম নিকটতম প্রতিবেশী রাজ্য ঝাড়খণ্ড (Jharkhand)। এই ঝাড়খণ্ডেরই এক অসাধারণ সুন্দর স্থান হল এই শঙ্করদা পোটকা (Shankarda Potka)। বাঙালির অত্যন্ত প্রিয় পর্যটনকেন্দ্র ঘাটশিলা আর শিল্পনগরী টাটা-র মাঝখানে অবস্থান এই শঙ্করদা-র। এখানে নেই শহরের কোলাহল, যন্ত্র দানবের দৌরাত্ম্য আর দূষণ। বর্তমান সময়ের আধুনিক সভ্যতা যেন এখানে মুখ থুবড়ে পড়েছে। এখানে আদি-অন্ত শুধুই অনাবিল প্রকৃতির স্নিগ্ধ হাতছানি। তার মন-প্রাণ ভুলিয়ে দেওয়া নৈসর্গিক সৌন্দর্যের ডালি। এখানে দাঁড়িয়ে দূরের ঢেউ খেলানো পাহাড়ের সারি দেখতে দেখতে যে কোনও প্রকৃতিপ্রেমিক পর্যটকের হৃদয় ভালো লাগার অনুভূতি এনে দিতে পারে।

    যেন সম্পূর্ণ অঞ্চলে আগুন লেগেছে (Jharkhand)

    শঙ্করদা থেকে প্রায় তিন-সাড়ে তিন কিমি দূরে আর এক অপূর্ব প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ভরপুর স্থান হল পাহাড়ভাঙা। এখান দিয়েই বয়ে চলেছে সুবর্ণরেখা নদী। নদীর বুকে জেগে থাকা পাথরের গায়ে ধাক্কা খেতে খেতে আদিবাসী কিশোরীর উচ্ছলতায় আপন খেয়ালে বয়ে চলেছে সে। আশেপাশে পাহাড়ের সারি, ইতস্তত বিক্ষিপ্ত শাল, মহুয়া, পলাশের জঙ্গল। বসন্তে যখন এই সমগ্র অঞ্চল জুড়ে ফুটে থাকে লাল পলাশ, তখন যেন মনে হয় সম্পূর্ণ অঞ্চলে আগুন লেগেছে। তখন যেন এই শঙ্করদা পোটকা শিল্পীর ক্যানভাসে আঁকা ছবি। স্থানীয় মানুষজনের কাছে এই পাহাড়ভাঙা বর্তমানে এক প্রিয় বেড়ানো এবং পিকনিক করার জায়গা হিসেবে পরিচিত হয়ে উঠেছে।

    রঙ্কিনী দেবীর মন্দির

    শঙ্করদা থেকে মাত্র ৮ কিমি দূরে ঝাড়খণ্ডের (Jharkhand) অন্যতম জনপ্রিয় এবং পবিত্র রঙ্কিনী দেবির মন্দির। যদুগোড়ার পথে অবস্থিত এই রঙ্কিনী দেবীকে স্থানীয় মানুষ অত্যন্ত জাগ্রত বলে মনে করেন। কেউ কেউ এই দেবী মা-কে আদিবাসী সম্প্রদায়ের দেবী বলে মনে করেন। আবার অনেকেই মনে করেন এই দেবী ধলভূমগড়ের রাজাদের গৃহদেবতা। পাহাড়ের গুহায় এই মন্দির। মন্দিরের উল্টো দিকেই গভীর খাদ। এই খাদে নামার জন্য সিঁড়ি করা আছে। এখানকার প্রাকৃতিক সৌন্দর্যও অসাধারণ। প্রাচীন এই মন্দিরটি প্রথমে নির্মিত হয়েছিল ঘাটশিলায়। পরে এটি স্থানান্তরিত করা হয় এই পাহাড়ের গুহায়। তবে ঘাটশিলা স্টেশনের কাছে এখনও রয়েছে সেই প্রাচীন মন্দির। শতাধিক বছরের প্রাচীন এই মন্দিরে এক সময় নরবলি প্রথা চালু ছিল। বৃটিশ শাসকদের হস্তক্ষেপে সেই জঘন্য প্রথা বন্ধ হয়। আবার ইচ্ছে হলে বা হাতে সময় থাকলে ঘুরে নেওয়া যায় শঙ্করদা টোটকা থেকে প্রায় ৩০ কিমি দূরে আর এক সুন্দর স্পট রাতমোহনাও।

    কীভাবে যাবেন, কোথায় থাকবেন? (Jharkhand)

    শঙ্করদা পোটকা যাওয়ার জন্য হাওড়া থেকে আসতে হবে টাটানগর। যাচ্ছে স্টিল এক্সপ্রেস, ইস্পাত এক্সপ্রেস প্রভৃতি ট্রেন। টাটা থেকে শঙ্করদা পোটকা প্রায় ১৭-১৮ কিমি পথ যেতে হবে গাড়িতে। আর রাতমোহনা থেকে শঙ্করদার দূরত্ব ৩০ কিমি। যেতে হবে গাড়িতে। থাকা-খাওয়া-শঙ্করদাতে আছে রিসর্ট উইক এন্ড। এখানে রয়েছে সুন্দর, জানা-অজানা বহু গাছ নিয়ে তৈরি এক সুন্দর বাগান, বাচ্চাদের খেলার জায়গা, একটি সুন্দর পুকুর। আছে খাওয়ায় ব্যবস্থা এবং ট্রাভেল ডেস্ক । ফোন-০৯২৩৪৬৪৩৫৪০, ০৮৭৫৭৭৮০৯১০।
    আর রাতমোহনায় আছে রিসর্ট রাতমোহনা ইন। একদম সুবর্ণরেখা নদীর তীরে অবস্থিত এই রিসর্টটিতেও আছে খাবার ব্যবস্থা এবং ট্রাভেল ডেস্ক। তবে রাতমোহনা থেকে শঙ্করদা যেতে হলে ওই একই টাটাগামী ট্রেনে এসে নামতে হবে ঘাটশিলা স্টেশনে। ঘাটশিলা থেকে অটো বা গাড়িতে যেতে হবে রাতমোহনা (Jharkhand)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Droupadi Murmu: ওড়িশা থেকে নতুন ৩টি ট্রেনের সূচনা রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর, একটি আসবে বাংলায়

    Droupadi Murmu: ওড়িশা থেকে নতুন ৩টি ট্রেনের সূচনা রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর, একটি আসবে বাংলায়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু (Droupadi Murmu) মঙ্গলবার ওড়িশার বাদামপাহাড় থেকে সবুজ পতাকা উত্তোলন করে তিনটি ট্রেনের যাত্রার সূচনা করলেন। এই ট্রেনগুলি বাদামপাহাড় থেকে তিনটি রুটে চলবে। ট্রেনগুলির গন্তব্যস্থল হবে শালিমার, রাউরকেল্লা এবং টাটানগর।

    ট্রেন চলবে সাপ্তাহিক (Droupadi Murmu)

    রেল সূত্রে জানা গিয়েছে, রাষ্ট্রপতির (Droupadi Murmu) হাতে উদ্বোধন হওয়া ট্রেনগুলির মধ্যে শালিমার থেকে বাদামপাহাড় এবং বাদামপাহাড় থেকে রাউরকেল্লা পর্যন্ত দুটি ট্রেন সাপ্তাহিক। উল্লেখ্য, কলকাতার সঙ্গে সরাসরি আদিবাসী অধ্যুষিত বাদামপাহাড় এলাকার রেল পরিষেবা এই প্রথম বলে জানা গিয়েছে। অন্যদিকে, বাদামপাহাড় থেকে টাটানগর পর্যন্ত মেমু ট্রেন চলবে। রেল সূত্রে জানা গিয়েছে, এই ট্রেন রবিবার বাদে সপ্তাহে মূলত ছয় দিন চলবে। ওড়িশা এবং ঝাড়খণ্ডের আদিবাসী এলাকার মানুষকে শহর অঞ্চলের সঙ্গে সংযুক্ত করতে এই পরিকল্পনা করা হয়েছে। রেল যোগাযোগের মধ্যে দিয়ে এলাকার অর্থনীতি, স্বাস্থ্য পরিষেবা এবং আদিবাসী পর্যটন কেন্দ্রগুলির উন্নয়ন ঘটবে এবং এভাবে জীবনযাত্রার মানকে আরও সমৃদ্ধ করাই লক্ষ্য বলে জানা গিয়েছে।

    অমৃত স্টেশন প্রকল্পে সাজবে বাদামপাহাড় স্টেশন

    রেল সূত্রে জানা গিয়েছে, ওড়িশার বাদামপাহাড় রেল স্টেশনকে অমৃত স্টেশন প্রকল্পের আওতায় বিশেষ ভাবে সাজিয়ে তোলা হবে। এদিন তিনটি নতুন ট্রেনকে সবুজ পতাকা দেখানোর পাশাপাশি এই স্টেশনকে নতুন করে ঢেলে সাজানোর জন্য শিলান্যাসও করেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু (Droupadi Murmu)।

    রেলের দক্ষিণ পূর্ব শাখার বক্তব্য

    পরিষেবার বিষয়ে রেলের দক্ষিণ-পূর্ব শাখা সূত্রে জানা গিয়েছে, এই ট্রেনগুলি শিল্পাঞ্চল এবং খনি এলাকার মধ্যে দিয়ে যাওয়ার ফলে এলাকার মানুষ যেমন কাজের সুবিধা পাবেন, ঠিক তেমনি শিল্পাঞ্চল পর্যটনের ব্যাপক সুবিধাও হবে। রেলের এক আধিকারিক জানিয়েছেন, “কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়বে। সেই সঙ্গে এলাকার ছাত্রদের উচ্চশিক্ষা, মানুষ চিকিৎসার জন্য দ্রুত কলকাতা বা টাটানগরে খুব কম সময়ের মধ্যেই পৌঁছাতে পারবেন। এই অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর (Droupadi Murmu) সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share