Tag: teacher

teacher

  • Primary School: রাজ্যে প্রাথমিক শিক্ষার এ কী হাল! নিজের নাম লিখতে পারছে না চতুর্থ শ্রেণির পড়ুয়া, কোথায় জানেন?

    Primary School: রাজ্যে প্রাথমিক শিক্ষার এ কী হাল! নিজের নাম লিখতে পারছে না চতুর্থ শ্রেণির পড়ুয়া, কোথায় জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্কঃ আলিপুরদুয়ারের পশ্চিম জিৎপুর অ্যাডিশন্যাল প্রাথমিক বিদ্যালয় (Primary School)। স্কুলে একজন শিক্ষক। জনা কুড়ি ছাত্র-ছাত্রী। নিয়ম মেনেই ক্লাস নিচ্ছিলেন শিক্ষক। আচমকাই সেখানে হাজির হন বিধায়ক সুমন কাঞ্জিলাল। সঙ্গে ছিলেন ডিপিএসসির প্রাক্তন চেয়ারম্যান অনুপ চক্রবর্তী, আলিপুরদুয়ার-১ ব্লকের তৃণমূল কংগ্রেসের সহ সভাপতি মতিলাল কুজুর সহ দলীয় নেতৃত্ব। ক্লাসের মধ্যে একসঙ্গে  এতজনকে দেখে পড়ুয়ারা হতবাক হয়ে যায়। মূলত এলাকাবাসীর মুখে স্কুলের পঠন-পাঠনের বেহাল অবস্থা শুনে তারা স্কুলে যান। স্কুলে গিয়ে তৃণমূল নেতা মতিলাল কুজুর চতুর্থ শ্রেণির একাধিক পড়ুয়াকে নিজের নাম খাতায় লিখতে বলেন। দুজন পড়ুয়া সঙ্গে সঙ্গে জানিয়ে দেয়, তারা নাম লিখতে পারে না। তাদের অক্ষর জ্ঞান নেই। যা দেখে বিধায়ক থেকে উপস্থিত সকলের চক্ষুচড়ক গাছ। বিধায়ক সুমন কাঞ্জিলাল বলেন, শিক্ষকদের আরও যত্ন নিয়ে পড়ুয়াদের পড়ানো দরকার।

    কী বললেন স্কুলের শিক্ষকরা? Primary School

    স্কুলের (Primary School) একাধিক পড়ুয়ার এই হাল অস্বীকার করেননি স্কুলের (Primary School) সহকারি শিক্ষক দীপঙ্কর বিশ্বাস। তিনি বলেন, করোনার জন্য দুবছর লেখাপড়া হয়নি। আমরা দুজন শিক্ষক পড়াই। পড়ুয়ারা স্কুলে যেটুকু শিখে যাচ্ছে, বাড়িতে গিয়ে চর্চা না করার জন্য তাদের উন্নতি হচ্ছে না। স্কুলের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক সুদীপ্ত দাস স্কুলে আসেননি। তিনি ফোনে বিষয়টি শুনে বলেন, ২০১০ সালে কাজে যোগ দিই। তখন ৮৪ জন ছাত্র-ছাত্রী ছিল। পর্যাপ্ত শিক্ষক না থাকার কারণে সমস্যা তৈরি হয়েছে। পড়ুয়ার সংখ্যা কমেছে। ২০১৭ সালে আর একজন শিক্ষক যোগ দেন। স্কুলে আমরা পড়ুয়াদের সাধ্যমতো পড়ানোর চেষ্টা করি।

    স্কুলের পঠন-পাঠন নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দাদের কী বক্তব্য ?  Primary School

    প্রায় পাঁচ বছর ধরে স্কুলে (Primary School) লেখাপড়া হয় না। যারজন্য পড়ুয়াদের অনেকের অক্ষর জ্ঞান নেই। শিক্ষকরা পালা করে স্কুলে আসেন। একজন শিক্ষক সব ক্লাস নেন। আসলে ক্লাস না নিয়ে মোবাইল দেখতে ব্যস্ত থাকেন। ফলে, অনেক অভিভাবক আর এই স্কুলে পড়াতে চান না। আর শিক্ষকরা স্কুলে (Primary School) এসে না পড়িয়ে মাসের পর মাস বেতন পেয়ে যাচ্ছেন বলে তাঁদের কোনও হেলদোল নেই। এলাকাবাসীর আরও বক্তব্য, দোষটা কার? পড়ুয়া, শিক্ষক, মোবাইলে আসক্তি না মানসিকতার। আসলে টাকা দিয়ে শিক্ষকরা চাকরি পাচ্ছেন। যাদের শুরুটা হচ্ছে অন্যায় দিয়ে, তাদের পড়ানোর ইচ্ছে না থাকাটাই স্বাভাবিক। চতুর্থ শ্রেণিতে পড়েও নিজের নাম লিখতে পারছে না। শৈশব তলিয়ে যাচ্ছে অশিক্ষার আঁধারে। অবিলম্বে শিক্ষকদের বদলি করে নতুন শিক্ষক নিয়োগ করে স্কুলের পঠন-পাঠন ফিরিয়ে আনার দাবি জানান সকলে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Cycle:  কাটমানি নিয়ে সবুজ সাথী প্রকল্পের সাইকেল বিলি করছে স্কুল! কোথায় জানেন?

    Cycle: কাটমানি নিয়ে সবুজ সাথী প্রকল্পের সাইকেল বিলি করছে স্কুল! কোথায় জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্কঃ সবুজসাথী প্রকল্পে স্কুল থেকে পড়ুয়াদের সাইকেল (Cycle) বিলি করা হচ্ছে। বিনিময়ে পড়ুয়াদের ৫০ টাকা করে কাটমানি দিতে হচ্ছে। এমনই চাঞ্চল্যকর অভিযোগ উঠেছে উত্তর দিনাজপুরের রায়গঞ্জ ব্লকের শীতগ্রাম বিদ্যাভবন বিদ্যালয়ে। বিষয়টি জানাজানি হতেই অভিভাবকরা ক্ষোভে ফেটে পড়েন। অভিভাবকদের বক্তব্য, সরকারি প্রকল্পের জন্য কোনও পয়সা লাগে না। কোনও স্কুল তো এই প্রকল্পের সাইকেল (Cycle) বিলির জন্য এভাবে পয়সা নেয় না। তাহলে কেন এই স্কুলে সাইকেল (Cycle)  নেওয়ার জন্য টাকা দিতে হচ্ছে? তাছাড়া এই এলাকায় বেশিরভাগ মানুষ দিনমজুরে কাজ করেন। ফলে, কোনওদিন হাতে কাজ থাকে। কোনও দিন কাজ জোটে না। তাই, অনেক পরিবারের কাছে এই টাকা দেওয়ার ক্ষমতা নেই। আর ৫০ টাকা জমা না দিলে স্কুল থেকে সাইকেল (Cycle)  দেওয়া হবে না বলে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। কার্যত এই সাইকেল দেওয়ার জন্য পড়ুয়াদের থেকে কাটমানি নেওয়া হচ্ছে। এবিষয়ে স্কুল কর্তৃপক্ষকে জানানো হলেও তারা কোন কর্ণপাত করেনি। কিন্তু, এভাবে সরকারি প্রকল্পের সুবিধা দেওয়ার বিনিময়ে টাকা নেওয়া বেআইনি।

    স্কুলের প্রধান শিক্ষিকার কী বক্তব্য? Cycle

    ৫০ টাকার বিনিময়ে ইতিমধ্যে বহু সংখ্যক ছাত্র ছাত্রী সাইকেল (Cycle) নিয়েছে। কিন্তু, আগে থেকে টাকা জমা দিতে হচ্ছে বলে এখনও অনেকে সাইকেল (Cycle) নিয়ে যায়নি। স্কুলের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষিকা পিউ দাস টাকা নেওয়ার কথা স্বীকার করে নেন। তিনি জানিয়েছেন, সেবাগ্রাম উচ্চ বিদ্যালয় ও প্রমোদা সুন্দরী উচ্চ বিদ্যালয় থেকে সাইকেলগুলি আনার জন্য পূর্বতন পরিচালন কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী পরিবহণ খরচ বাবদ এই টাকা নেওয়া হচ্ছে। কারণ, ওই সাইকেল (Cycle) নিয়ে আসার খরচ কে দেবে? আগের পরিচালন কমিটিতে টাকা নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছিল। আগেও এইভাবে টাকা নেওয়া হয়েছে। তবে, এবার এই বিষয়ে তিনি এখন উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানাবেন বলে সাফাই দেন।

    কী বললেন রায়গঞ্জ ব্লকের বিডিও? Cycle

    রায়গঞ্জ ব্লকের বিডিও শুভজিৎ মণ্ডল বলেন, কোনও সরকারি প্রকল্পে এই ভাবে টাকা নেওয়া যায় না। ওই স্কুল পড়ুয়াদের থেকে এভাবে টাকা নিতে পারে না। বিষয়টি খোঁজ নিয়ে দেখব। আর  বিষয়টি খতিয়ে দেখে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানোর পাশাপাশি তদন্তের আশ্বাস দিয়েছেন তিনি।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Scam: ১১ জনকে নিয়োগ করতে পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের কাছে সুপারিশ তৃণমূল বিধায়কের, কোন পদে চাকরি জানেন?

    Scam: ১১ জনকে নিয়োগ করতে পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের কাছে সুপারিশ তৃণমূল বিধায়কের, কোন পদে চাকরি জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্কঃ নিয়োগ দুর্নীতি (Scam) নিয়ে রাজ্যে এখন তোলপাড় চলছে। আদালতের নির্দেশে, দুর্নীতিতে (Scam)  জড়িত থাকার অভিযোগে একের পর এক শিক্ষকের চাকরি চলে গিয়েছে। নতুন করে আরও অনেকের চাকরি যাওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। এই অবস্থায় ১১ জন ছেলেমেয়েকে প্রাথমিক শিক্ষক পদে নিয়োগের ব্যবস্থা করে দেওয়ার আবেদন করে প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের কাছে চিঠি দিয়ে সুপারিশ করেছিলেন বর্ধমান উত্তর বিধানসভা কেন্দ্রের তৃণমূল কংগ্রেসের বিধায়ক নিশীথ মালিক। সেই চিঠি প্রকাশ্যে আসতেই শুরু হয়েছে রাজনৈতিক বিতর্ক। এমনিতেই নিয়োগ  দুর্নীতিতে জড়িত থাকার অভিযোগে পার্থ চট্টোপাধ্যায় এখন জেলে রয়েছেন। শিক্ষামন্ত্রী  থাকার সময় বর্ধমান উত্তর বিধানসভা কেন্দ্রের তৃণমূল কংগ্রেসের বিধায়ক নিশীথ মালিক নিজের প্যাডে লিখে তাদের চাকরির জন্য সুপারিশ করেছিলেন।

    পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে দেওয়া চিঠিতে কী রয়েছে? (Scam)

    তৃণমূল বিধায়ক ২০২০ সালের ১৪ ডিসেম্বর তত্কালীন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে চিঠি দিয়েছিলেন। বিধায়কের প্যাডে চিঠি লেখা হয়েছিল। চিঠিতে  তত্কালীন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের কাছে সুপারিশ করা হয়, তাঁর মনোনীত ১১ জন ছেলেমেয়েকে প্রাথমিক শিক্ষক শিক্ষিকার পদে নিয়োগের ব্যবস্থা করে দেওয়ার জন্য। ওই প্যাডে ছেলেমেয়েদের নাম, রোল নম্বর সহ অন্যান্য তথ্য দেওয়া রয়েছে। চিঠির নীচে বিধায়কের সই এবং স্ট্যাম্প দেওয়া রয়েছে। দুর্নীতিকাণ্ড সামনে আসতেই তৃণমূল বিধায়কের এই চিঠি জানাজানি হতেই রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে। চিঠির বিষয়টি সামনে আসতেই বর্ধমান উত্তর বিধানসভা কেন্দ্রের তৃণমূল কংগ্রেসের বিধায়ক নিশীথ মালিক কার্যত এড়িয়ে গিয়েছেন। সংবাদ মাধ্যমের পক্ষ থেকে তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, বিষয়টি জানা নেই। বিস্তারিত জেনে এব্যাপারে বলতে পারব।

    চিঠি নিয়ে কী বললেন বিজেপি নেতা? Scam

    বিজেপির বর্ধমান জেলার সাধারণ সম্পাদক মৃত্যুঞ্জয় চন্দ্র বলেন, নিয়োগ দুর্নীতিতে (Scam) যে ভাবে একের পর এক শিক্ষক-শিক্ষিকার চাকরি যাচ্ছে তাতে সারা দেশের কাছে এই রাজ্যের শিক্ষার মান একেবারে তলানিতে নামিয়ে দিয়েছে। তৃণমূল বিধায়ক যে ১১ জনের নাম পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের কাছে সুপারিশ করেছিলেন, কত টাকার বিনিময়ে তাদের চাকরি হয়েছে তা সকলেই জানতে চায়। মেধাবীদের বাদ দিয়ে এভাবে ঘুর পথে কাটমানির বিনিময়ে চাকরির সুপারিশের আমরা তীব্র নিন্দা করছি। আর এই ঘটনায় তদন্তের দাবি করছি।

     দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Teacher: শিক্ষকের চাকরি করলে লোন দেবে না ব্যাঙ্ক! কোথায় জানেন?

    Teacher: শিক্ষকের চাকরি করলে লোন দেবে না ব্যাঙ্ক! কোথায় জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্কঃ শিক্ষকরাই (Teacher) সমাজের সম্মানীয় ব্যক্তি। তাঁদের কথা এলাকার আর পাঁচজন মান্যতা দেন। কিছুদিন আগেও শিক্ষকরা ব্যাঙ্কে গেলে কর্মীরাও অনেক খাতির করতেন। পাড়ায় কেউ শিক্ষক পদে চাকরি করেন শুনলে সকলেই সেই পরিবারকে সমীহ করে চলতেন। এমনকী বিয়ের বাজারে শিক্ষক (Teacher)  পাত্র পেলে মেয়ের বাবার তো কথাই নেই। প্রতিবেশীরা সেই পরিবারকে কিছুটা আড় চোখে দেখতেন। এতদিন এটাই ছিল চেনা চিত্র। কিন্তু, আদালতের নির্দেশে রাজ্যে শয়ে শয়ে বাতিল হয়েছে শিক্ষক (Teacher)  এবং অশিক্ষক কর্মীদের চাকরি। এখনও চলছে বাতিলের প্রক্রিয়া। প্রতিনিয়ত দুর্নীতি খুঁজে চলেছে কেন্দ্রীয় সংস্থা ইডি। রাজ্যের ভুয়ো শিক্ষকদের (Teacher) চাকরি বাতিলের ঘটনায় বৈধ শিক্ষকরাও সামাজিক প্রশ্ন চিহ্নের মুখে। সামাজিক অমর্যাদার পাশাপাশি, সামাজিক হয়রানির শিকার হতে হচ্ছে বিভিন্ন ক্ষেত্রে। সোশ্যাল মিডিয়াতে শিক্ষকদের নিয়ে ট্রোল হচ্ছে। এবার শিক্ষক-শিক্ষিকাদের ব্যাঙ্কে লোন না দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে। দক্ষিণ দিনাজপুরের সেন্ট্রাল কো অপারেটিভ ব্যাঙ্ক লোন না দেওয়ার  সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

    শিক্ষকদের কেন লোন দিতে আপত্তি ? Teacher

    এমনিতেই চাকরিজীবীদের ব্যাংক থেকে লোন নিতে খুব একটা সমস্যা হয় না। কিন্তু, শিক্ষকদের (Teacher) ক্ষেত্রে ব্যাংক গুলি সাধারণত বুঝে নিতে চাইছে, সেই শিক্ষকের চাকরি আইনত বৈধ আছে কিনা। শিক্ষকের  নিয়োগ কতদিন আগে হয়েছে, সে বিষয়ে খুঁটিনাটি তথ্য জানতে চাইছে ব্যাংক। ঠিক এইভাবেই বিভিন্ন প্রশ্নের সম্মুখীন হতে হচ্ছে বৈধ নিয়োগের শিক্ষকদের‌ও। যা শিক্ষকদের (Teacher) কাছে অমর্যাদার প্রশ্ন হয়ে দাঁড়িয়েছে। দক্ষিণ দিনাজপুর সেন্ট্রাল কো-অপারেটিভ ব্যাংকের সিইও তনুজ কুমার সরকার বলেন, ব্যাংক ব্যবসা করতে এসেছে। ফলে, লোন দেওয়ার ক্ষেত্রে সমস্ত কিছু দেখে নিতে হয়। যাতে তা পরিশোধ হতে পারে। আমাদের শাখা ব্যাঙ্ক থেকে এর আগে অনেক শিক্ষকদের লোন দিয়েছে। তাদের অনেকের চাকরি চলে গিয়েছে। লোনের টাকা এখন আদায় করতে সমস্যা হচ্ছে। তাই, বর্তমানে শিক্ষকদের নিয়োগ দুর্নীতির ক্ষেত্রে যে ঘটনা ঘটেছে, তাতে কিছুটা সতর্ক থাকতে হচ্ছে। মূলত, যে সাল থেকে শিক্ষকদের নিয়ে এই সমস্যা তৈরি হয়েছে, সেই সময়ের শিক্ষকদের নিয়ে আমাদের মাথাব্যাথা।

    দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার বাম শিক্ষক সংগঠনের নেতা শঙ্কর ঘোষ বলেন, শিক্ষকদের (Teacher) হয়রানি না করে যাতে ব্যাঙ্ক লোন পায় তার ব্যবস্থা করতে হবে। অপরদিকে, শিক্ষা দফতরের দুর্নীতিতে যারা চাকরি পেয়েছেন, তার দায়‌ও সরকারের। ফলে, সরকারকেই এই দায় নিতে হবে। এর আগে কয়েকটি ব্যাঙ্ক করেছিল। সংগঠনের পক্ষ থেকে বলে সমস্যা মিটে গিয়েছে। তৃণমূল শিক্ষা সেলের সদস্য বিপুল কান্তি ঘোষ বলেন, ব্যাংক কর্তৃপক্ষ সাধারনত ঋণ দেওয়ার দেওয়ার ক্ষেত্রে সিকিউরিটি বা কাগজপত্র দেখে নেয়। ঋণের বিষয়টি ব্যাংকের ব্যাপার। ব্যাংক সবকিছু খতিয়ে দেখতেই পারে। অখিল ভারতীয় রাষ্ট্রীয় শিক্ষক মহা সঙ্ঘের সদস্য শুভেন্দু বক্সী বলেন, নিয়োগ দুর্নীতিতে যাদের নাম জড়িত, তাদের তো চাকরি যাচ্ছেই, কিন্তু যারা বৈধভাবে চাকরি পেয়েছেন, এই ঘটনায় তাদেরও প্রশ্ন চিহ্নের সামনে পড়তে হয়েছে। বৈধ শিক্ষকদের (Teacher)  বিভিন্নভাবে সামাজিক হয়রানি হতে হচ্ছে। এটা যাতে না হয় সেই বিষয়টি দেখা দরকার।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • School:  স্কুলে ২৭ জন ছাত্র-ছাত্রীকে পড়াতে ১০ জন শিক্ষক-শিক্ষিকা! কোথায় দেখে নিন

    School: স্কুলে ২৭ জন ছাত্র-ছাত্রীকে পড়াতে ১০ জন শিক্ষক-শিক্ষিকা! কোথায় দেখে নিন

     মাধ্যম নিউজ ডেস্কঃ বাংলা মাধ্যমে পড়ার অনীহা, নাকি অভিভাবকদের ইংরেজি মাধ্যমে ভর্তি করার প্রবণতা? যে কোন কারণেই হোক বাংলা মাধ্যম স্কুল গুলিতে কিভাবে ছাত্রছাত্রীর সংখ্যা কমছে তা কোন্নগর জোড়াপুকুরে নগেন্দ্রনাথ কুন্ডু বিদ্যালয়ে (School) গেলেই বোঝা যায়। প্রায় ৫০ বছরের পুরানো স্কুল। এক সময় স্কুলে ছাত্রছাত্রীদের ভিড়ে গম গম করত। এলাকার অধিকাংশ ছেলেমেয়েরা এই স্কুলেই (School)  পড়শুনা করেছেন। কিন্তু, এখন স্কুলে পর্যাপ্ত শিক্ষক-শিক্ষিকা থাকলেও নতুন করে কেউ আর ভর্তি হতে চায় না। এই স্কুলের (School) পরিকাঠামোতে কোন গলদ নেই। কম্পিউটার প্রশিক্ষণ থেকে শুরু করে মিড ডে মিল সবই চালু। স্কুলে এখন শিক্ষক-শিক্ষিকা রয়েছেন ১০ জন। ২ জন শিক্ষা কর্মী রয়েছেন। আর ছাত্রছাত্রীর সংখ্যা ২৭ জন। পড়়ুয়ার অভাবে রাজ্যে ৮ হাজারের বেশি স্কুল বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। স্থানীয়দের আশঙ্কা, আগামীদিনে এই স্কুল সেই পথেই হাঁটছে।

    কেন কমছে স্কুলের ছাত্রছাত্রীর সংখ্যা? School

    এই স্কুলে দশম শ্রেণী পর্যন্ত পড়ানা হয়। সাধারণত যে স্কুলে উচ্চ মাধ্যমিক পর্যন্ত রয়েছে, সেখানেই অভিভাবকরা ছেলেমেয়েদের ভর্তির বিষয়ে আগ্রহ দেখাচ্ছেন। এই বিষয় নিয়ে স্কুলের (School) এক শিক্ষিকা দীপান্বিতা চক্রবর্তী বলেন, ২০২১ সালে অন্য স্কুল (School) থেকে বদলি হয়ে এই স্কুলে এসেছি। তখন থেকে স্কুলে পড়ুয়ার সংখ্যা কম। আমার মনে হয়েছে, বর্তমান অভিভাবকদের ইংরেজি স্কুলে পড়ানোর প্রবণতা বাড়ছে। সেই কারণে শুধু এই স্কুলে (School)  নয় সারা রাজ্যের বাংলা মিডিয়াম স্কুলগুলি ধুঁকছে। অভিভাবকরা সাধারণত চেষ্টা করেন পঞ্চম শ্রেণীতে ভর্তি করিয়ে একেবারে উচ্চমাধ্যমিক অবধি একই স্কুলে (School) রেখে দিতে। কিন্তু এই স্কুলে (School)  সেই ব্যবস্থা নেই। স্কুলের মাঠের অবস্থাও ভাল না। আমরা যথাসাধ্য চেষ্টা করে যাচ্ছি। পঠনপাঠনকে সর্বাগ্রে গুরুত্ব দেওয়া হয়। আশা রাখব, ভবিষ্যতে এই অবস্থা থাকবে না।

    স্কুলটি কোন্নগর পুরসভার ২০ নম্বর ওয়ার্ডে পড়ে। স্থানীয় কাউন্সিলর বাবলু পাল বলেন, এই স্কুল বহু পুরোনো। বর্তমানে এর গরিমা হারালেও একসময় এই স্কুল রমরম করে চলতো। আসলে বিগত সরকারের ভ্রান্ত শিক্ষানীতি, প্রাথমিক স্তরে ইংরেজি উঠিয়ে দেওয়া এবং বর্তমানে শিক্ষায় ইংরেজির গুরুত্ব ,সব কিছু ধরে দেখা যাবে এখনকার অভিভাকরা চাইছেন ছেলেমেয়েরা ইংরেজি ভালো করে শিখুক। তাই তারা বিভিন্ন ইংরেজি মাধ্যম স্কুলে (School) ভর্তি করাতে চান। সেই জন্যই এই ধরণের বাংলা মিডিয়াম স্কুলগুলি ডুবছে। দুঃখের বিষয় যাঁরা শিক্ষক হওয়ার জন্য ধর্ণা দিচ্ছেন তাঁরাই আবার তাঁদের উত্তরসূরি দের ইংলিশ মিডিয়াম স্কুলে দিচ্ছেন। কি আর হবে?

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Scam: এবার স্বাস্থ্য দপ্তরে দুর্নীতি! ভুয়ো নিয়োগপত্র নিয়ে কাজে যোগ দিতে এসে শ্রীঘরে যুবক, কোথায় দেখে নিন

    Scam: এবার স্বাস্থ্য দপ্তরে দুর্নীতি! ভুয়ো নিয়োগপত্র নিয়ে কাজে যোগ দিতে এসে শ্রীঘরে যুবক, কোথায় দেখে নিন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্কঃ শিক্ষক দুর্নীতি (Scam) নিয়ে রাজ্য জুড়ে তোলপাড় চলছে। আদালতের নির্দেশ রাজ্যে শয়ে শয়ে শিক্ষক-শিক্ষিকার নিয়োগ বাতিল হয়েছে। শুক্রবারই গ্রুপ সি পদে আদালতের নির্দেশে নতুন করে বহু নিয়োগ বাতিল হয়েছে। চাকরি বাতিলের তালিকায় মুখ্যমন্ত্রীর ভাইঝিও রয়েছে। এরইমধ্যে ভুয়ো নথি নিয়ে গ্রুপ ডি পদে চাকরিতে যোগ দিতে গিয়ে ধরা পড়ল এক যুবক। ঘটনাটি ঘটেছে শিলিগুড়ির উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে। স্বাস্থ্য দপ্তরে এই ধরনের দুর্নীতির (Scam) ঘটনা ঘটনা ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে। হাসপাতালের আধিকারিকরা তার কাছে থাকা নিয়োগপত্র দেখে হতবাক হয়ে গিয়েছেন। মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের সুপার সঞ্জয় মল্লিক বলেন, নিয়োগপত্র নিয়ে তিনি আমার সঙ্গে দেখা করেন। তারপর নিয়োগপত্রটি জমা দিয়ে কাজে যোগ দেওয়ার ব্যবস্থা করার জন্য তিনি বলেন। নিয়োগপত্র দেখেই আমার সন্দেহ হয়। কারণ, স্বাস্থ্য দপ্তর থেকে এভাবে একজনের নিয়োগপত্র দেওয়া হয় না। আমি চারিদিকে খোঁজ নিয়ে জানতে পারি, এই ধরনের কাউকে স্বাস্থ্যদপ্তর থেকে পাঠানো হয়নি। ভুয়ো নিয়োগপত্র নিয়ে ওই যুবক হাসপাতালে এসেছিল। আমরা সঙ্গে সঙ্গে তাকে পুলিশের হাতে তুলে দিয়েছি।

    কে দিল ওই ভুয়ো নিয়োগপত্র? Scam

    উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে স্বাস্থ্য দফতরের গ্রুপ ডি পদে চাকরিতে যোগ দিতে এসেছিল ওই যুবক। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ধৃতের নাম মোক্তার আলি। তার বাড়ি মালদহের ইংলিশবাজার এলাকায়। মোক্তারকে হাসপাতালে বসিয়ে রেখে পুলিশের খবর দেওয়া হয়। পুলিশের কাছে সে স্বীকার করে স্পিড পোস্টে তার কাছে নিয়োগপত্রটি এসেছিল। তবে, এই নিয়োগপত্রের বিনিময়ে সে কত টাকা দিয়েছে তা পুলিশের কাছে স্বীকার করেনি।  মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের এক আধিকারিক বলেন, পরীক্ষা না দিয়ে সরকারি চাকরি পাওয়া যায় না। এই বিষয়টি সকলের জানা দরকার। একটি চক্র রয়েছে, যারা টাকার বিনিময়ে এভাবে ভুয়ো নিয়োগপত্র দেয়। অনেকে তাদের খপ্পরে পড়ে প্রতারিত হয়। তবে, এই হাসপাতালে এই ধরনের কোনও চক্র রয়েছে কি না তা জানা নেই। পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। ধৃত যুবককে শিলিগুড়ি মহকুমা আদালতে তোলা হলে বিচারক ১০ দিনের পুলিশ হেপাজতের নির্দেশ দেন। পুলিশ ধৃতকে হেপাজতে নিয়ে এই চক্রের সঙ্গে কারা রয়েছে তা জানার চেষ্টা করবে।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Plastic Egg: ডিমের ভিতর এরকম কুসুম আগে দেখেছেন কী?

    Plastic Egg: ডিমের ভিতর এরকম কুসুম আগে দেখেছেন কী?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্কঃ হাঁসের ডিম বা মুরগির ডিমের (Egg) কুসুম কেমন হয়? সকলেই এক কথায় জবাব দেবেন, লালচে কিংবা হলুদ। প্লাস্টিকের ডিমের (Plastic egg) নামও কারও অজানা নয়। কারণ, কিছুদিন আগেই রাজ্য জুড়ে এই ডিম নিয়ে জোর চর্চা ছিল। কিন্তু, সাদা ডিমের মধ্যেই কালো কুসুম কখনও শুনেছেন কিংবা দেখেছেন? অবিশ্বাস হলেও এটা সত্যি। মালদহের মানিকচকের এনায়েতপুরের এক শিক্ষক সুনন্দ মজুমদার সেদ্ধ ডিম খেতে গিয়ে তাঁর নজরে আসে বিষয়টি।

    ঠিক কী হয়েছিল? সন্দেহ Plastic Egg

    শুক্রবার সকালে বাড়িতে টিফিন করবেন বলে শিক্ষক সুনন্দবাবু বাজারে গিয়ে একটি মুদির দোকান থেকে বেশ কয়েকটি ডিম নিয়ে আসেন। শিক্ষকের অনুরোধে বাড়িতে ডিম সেদ্ধ করা হয়। ডিম খেতে গিয়ে চোখ কপালে ওঠে শিক্ষকের। কারণ, ডিমের মধ্যে যে কুসুম থাকে তা দেখতে একেবারে পিচের মতো কালো। তিনি বলেন, আমার মনে হয় এটি নকল ডিম (Plastic egg)। ভালো করে না দেখে, সেদ্ধ ডিমটি আমি যদি ভুলবশত খেয়ে নিতাম, তাহলে কি হতো? ডিমের ভিতরে কালো ওই অংশ দেখেই আর ভয়ে ডিম আমি স্পর্শ করিনি। প্রশাসনের এই বিষয়ে পদক্ষেপ নেওয়া দরকার। স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, মিড ডে মিলে ডিম দেওয়া হয়। তাদের এই ডিম দেওয়া হলে কী হত? কারণ, স্কুলের ছোট ছোট ছেলেমেয়েরা এই ডিম না দেখে খেয়ে ফেলত। বিষয়টি তদন্তের দাবি জানান তাঁরা। পাশাপাশি শিক্ষিকা সুপর্ণা মানিক বলেন, ডিম পুষ্টিকর খাবার। আর তাতেই যদি এমন ঘটনা ঘটে, তাহলে তা সমস্যার। ডিম ভেঙে দেখা যাচ্ছে তার ভিতরে কালো রঙের কিছু আছে। এমন ডিম বাজারে আর বিক্রি না হয় তা দেখার জন্য আমরা প্রশাসনের কাছে অনুরোধ জানাচ্ছি।পাশাপাশি যে মুদি দোকান থেকে ডিম কেনা হয়েছিল, তাঁর সাফাই, আমি তো মিল্কি থেকে ডিম কিনে নিয়ে আসি। কোনো দিন এরকম হয়নি। কি ভাবে এরকম হল হল তা বুঝতে পারছি না। যদিও এই বিষয়ে প্রশাসনের এক আধিকারিক বলেন, বিষয়টি না জেনে মন্তব্য করা ঠিক হবে না। তবে, পরীক্ষা করে রিপোর্ট আসার পরই এই বিষয়ে মন্তব্য করা ঠিক হবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ

     

     

     

  • Nadia: সাত মাস ধরে স্কুলে না গিয়েও নিয়মিত বেতন নিচ্ছেন শিক্ষক, জানুন আসল কারণ  

    Nadia: সাত মাস ধরে স্কুলে না গিয়েও নিয়মিত বেতন নিচ্ছেন শিক্ষক, জানুন আসল কারণ  

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তাঁর বয়স ৫৫। বিয়ের প্রস্তাব দিয়েছেন চতুর্থ শ্রেণির এক ছাত্রীকে (Student)! এছাড়া মহিলা কর্মীদের সঙ্গে অশালীন আচরণ করার অভিযোগও রয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে। এসব কারণেই ২০২২ সালের জুলাই মাসে তুলে নেওয়া হয় রানাঘাট (Nadia) ১ নম্বর ব্লকের গাংনাপুর থানার চিনাপুকুরিয়া প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক পরিমল বাইনকে। তারপর থেকে এক দিনও স্কুলে না গিয়ে নিয়মিত বেতন নিচ্ছেন পরিমল। তাঁর বিরুদ্ধে তোলা যাবতীয় অভিযোগ স্বীকার করে নিয়েছেন ওই শিক্ষক। জানিয়েছেন, বসে বসে বেতন নিতে ভাল লাগে না তাঁর। পরিমল বলেন, আমি তো স্কুলে যেতে চাই। কিন্তু আমায় বের করে দিয়েছে। এ ভাবে বসে বসে বেতন নিতে আমারও ভাল লাগে না।

    শিক্ষকের বিরুদ্ধে অভিযোগ…

    ২০১৩ সালে চিনাপুকুরিয়া প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক হিসেবে যোগ দেন পরিমল। তার পর থেকে তাঁর বিরুদ্ধে মহিলা কর্মীদের অভিযোগের অন্ত নেই। তার জেরে ২০১৯ সালে পরিমলকে অন্য একটি স্কুলে বদলি করা হয়। বছর দুয়েক পরে ফের চিনাপুকুরিয়া প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ফিরে আসেন পরিমল। এ বার তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ, চতুর্থ শ্রেণির এক ছাত্রীকে বিয়ের প্রস্তাব দিয়েছেন তিনি। বিয়ে করতে চেয়ে ওই ছাত্রীর অভিভাবককে ফোনও করেন পরিমল। অভিযোগ স্বীকারও করে নিয়েছেন ওই শিক্ষক (Nadia)। তিনি বলেন, হ্যাঁ, আমি ফোন করে বলেছিলাম ওই ছাত্রীর মাকে, আপনার মেয়েকে পছন্দ হয়, দেখুন দেওয়া যায় কি না। স্কুলের প্রধান শিক্ষক জয়ন্ত বাগচি বলেন, স্কুলে ফিরে এসে ফের ছাত্রীদের নোংরা আচরণ করা শুরু করেন উনি। চতুর্থ শ্রেণির এক ছাত্রীকে বিয়ের প্রস্তাবও দিয়েছেন।

    আরও পড়ুুন: রাষ্ট্রপতির পর প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে অশালীন মন্তব্য অখিল গিরির! তুমুল বিতর্কে মন্ত্রী

    সরকারী স্কুল পরিদর্শক সুকন্যা রায়চৌধুরী বলেন, স্কুল পরিদর্শক অসুস্থ থাকায় গত বেশ কয়েকদিন ধরে আমি দায়িত্ব সামলাচ্ছি। তবে পরিমলের ব্যাপারে বিশেষ কিছু বলতে চাননি তিনি। রানাঘাটের এসডিও হরিশ রশিদ বলেন, ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে কোনও লিখিত অভিযোগ আমি পাইনি। পেলে আইনানুগ পদক্ষেপ করা হবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Recruitment Scam: চাকরি দেওয়ার নামে টাকা নিয়ে গ্রেফতার সংস্কৃতের শিক্ষক

    Recruitment Scam: চাকরি দেওয়ার নামে টাকা নিয়ে গ্রেফতার সংস্কৃতের শিক্ষক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তিনি পেশায় স্কুল শিক্ষক (Teacher)। অন্য এক চাকরিপ্রার্থীকে স্কুলে (School) চাকরি দেওয়ার নাম করে ১৭ লক্ষ টাকা নিয়েছেন বলে অভিযোগ (Recruitment Scam)। শুক্রবার শিলিগুড়ি থেকে ওই শিক্ষককে গ্রেফতার করে পুলিশ (Police)। ধৃতের নাম পঙ্কজ কুমার বর্মণ। তিনি শিলিগুড়ির পঙ্কজ রথখোলা বরদাকান্ত বিদ্যাপীঠ উচ্চ বিদ্যালয়ের সংস্কৃতের শিক্ষক।

    ‘প্রতারণা’…

    কোচবিহারে বাড়ি চাকরি প্রার্থী বাপ্পা মালাকারের। তাঁর অভিযোগ, আপার প্রাইমারিতে চাকরি করে দেওয়ার নাম করে বছর তিনেক আগে প্রায় ১৭ লক্ষ টাকা নিয়েছিলেন সন্তোষ বর্মণ। তিনি আমবাড়ি চিন্তামোহন উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক। তার পর এতদিন কেটে গেলেও, চাকরি হয়নি সন্তোষের। ফেরত পাননি সন্তোষকে দেওয়া টাকাও। ৯ জানুয়ারি আমবাড়ি পুলিশ ফাঁড়িতে সন্তোষের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেন তিনি। গ্রেফতার করা হয় সন্তোষকে। সন্তোষকে জেরা করে উঠে আসে পঙ্কজ কুমারের নাম। তার পরেই গ্রেফতার করা হয় পঙ্কজকে। পুলিশ জানতে পারে, পঙ্কজও ওই চক্রের (Recruitment Scam) সঙ্গে জড়িত। শিলিগুড়ির হাকিমপাড়া এলাকার বাসিন্দা তিনি।

    বরদাকান্ত বিদ্যাপীঠ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বিপ্লব সরকার বলেন, আমি আনুষ্ঠানিকভাবে কোনও চিঠি পাইনি। স্কুলে এ নিয়ে কোনও আলোচনাও শুনিনি কখনও। তবে বিষয়টি খুবই দুঃখজনক। তিনি বলেন, ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে যেমন নির্দেশ আসবে, সেই মোতাবেক আমরা কাজ করব। পুলিশ তদন্ত করছে বলে জানিয়েছেন শিলিগুড়ির পুলিশ কমিশনার অখিলেশ চতুর্বেদী।

    আরও পড়ুুন: অভিষেক থেকে ব্রাত্য অনেকের সঙ্গেই ছবি! বিএড কলেজ, ইংরেজি মাধ্যম স্কুল, কে এই কুন্তল?

    এই প্রথম নয়, তৃণমূলের শাসনকালে শিক্ষক নিয়োগে দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে বারংবার। সেই সুযোগে চাকরি দেওয়ার নামে বহু চাকরি প্রার্থীর কাছ থেকে টাকা নেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ। যাঁরা টাকা নিয়েছেন, তাঁদের সিংহভাগই হয় শিক্ষক নেতাদের ঘনিষ্ঠ, নয় কোনও শিক্ষক। যার জেরে টাকা দিয়ে চাকরি ‘কিনতে’ গিয়ে (Recruitment Scam) ঠকেছেন বহু চাকরি প্রার্থী। তাঁদের মধ্যে অনেকেই টাকা আদায় করতে না পেরে দ্বারস্থ হচ্ছেন পুলিশের। অনেকে আবার লোকলজ্জার ভয়ে টাকা আদায়ের চেষ্টা করছেন ‘বাবা-বাছা’ করে। প্রতারণার এই জাল কতদূর ছড়ানো, তা জানতে সময় লাগবে বলেই ধারণা ওয়াকিবহাল মহলের।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     

  • Professor: করোনাকালে ক্লাস হয়নি, বিবেকের তাড়নায় মাইনে ফেরালেন অধ্যাপক

    Professor: করোনাকালে ক্লাস হয়নি, বিবেকের তাড়নায় মাইনে ফেরালেন অধ্যাপক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তেত্রিশ মাস না পড়ানোর যন্ত্রণা! বেতনের (Salary) ২৪ লাখ ফেরালেন অধ্যাপক (Professor)। বললেন, যে পরিশ্রম করিনি, তার পারিশ্রমিক নেব কেন?

    করোনা (Corona) অতিমারিতে দীর্ঘদিন বন্ধ ছিল স্কুল-কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়। যার জেরে বন্ধ ছিল শিক্ষাদান পর্ব। কোথাও কোথাও হাতে গোণা কিছু দিনের জন্য অনলাইনে ক্লাস হয়েছে ঠিকই, তবে তা নাম-কা-ওয়াস্তে। কোথাও স্মার্ট ফোনের অভাবে ক্লাস করতে পারেনি পড়ুয়া, কোথাও আবার অনলাইনে ক্লাস করাতে অনীহা খোদ শিক্ষকেরই! ক্লাস না হওয়ায় পড়ুয়াদের ক্ষতি হয়েছে ব্যাপক। অথচ নিয়মিত মাইনে পেয়েছেন শিক্ষকরা। হ্যাঁ, অবসর যাপন করেই!

    আরও পড়ুন : পিতা-কন্যার যুগলবন্দী! ভারতীয় বায়ুসেনায় একসঙ্গে যুদ্ধবিমান চালিয়ে গড়ে তুললেন ইতিহাস

     ডক্টর লালন কুমার। বিহারের মুজফফরপুরের নীতিশ্বর কলেজের অ্যাসিস্ট্যান্ট প্রফেসর। বিবেকের তাড়নায় কলেজের রেজিস্ট্রারের হাতে তুলে দিয়েছেন নিজের ২ বছর ৯ মাসের বেতন বাবদ পাওয়া প্রায় ২৪ লাখ টাকা। ওই অধ্যাপক বলেন, দু বছর ন মাস ধরে আমি ক্লাস করিনি। পড়ুয়াদের ক্লাস নিইনি। তাই বেতন নিতে পারব না। সেইজন্যই কলেজকে ফিরিয়ে দিয়েছি বেতন বাবদ পাওয়া ২৩ লক্ষ ৮২ হাজার টাকা। সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়া ওই শিক্ষকের গল্প এখন ফিরছে লোকের মুখে মুখে।

    আরও পড়ুন : ইনি ৬ লাখের গাড়ি কিনলেন ১০ টাকার কয়েনে! কারণ জানলে চমকে উঠবেন

    কাজ না করেই যেখানে মাইনে তোলা অভ্যাসে পরিণত হয়েছে একশ্রেণির শিক্ষকের, সেখানে এই শিক্ষকের বিবেকের তাড়না দেখে অভিভূত নেটিজেনরা। তাঁরা বলছেন, বর্তমান সমাজে এমন ঘটনা বিরলতম। জানা গিয়েছে, ওই শিক্ষক যখন কলেজের রেজিস্ট্রারকে টাকা ফেরত দিতে গিয়েছেন, তখন তিনি প্রথমে রাজি হননি চেক নিতে। শেষমেশ অধ্যাপকের জোরাজুরিতে চেক নেন তিনি। 

    কলেজের বিরুদ্ধেও একরাশ ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন ওই অধ্যাপক। বলেন, কলেজে নিয়োগের পর থেকে এখানে পড়াশোনার পরিবেশ আমি দেখিনি। হিন্দি বিভাগে পড়ুয়ার সংখ্যা ১১০০। অথচ তাদের উপস্থিতি শূন্য। করোনা অতিমারির সময় অনলাইন ক্লাস চালু হলেও, পড়ুয়ারা তাতে অংশ নেয়নি। বিষয়টি তিনি বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও কলেজ প্রশাসনকেও জানিয়েছিলেন।

    শাস্ত্রে বলে, বিদ্যা বিনয়ং দদাতি। সেই বিনয়ের বেনজির দৃষ্টান্ত গড়লেন বিহারের লালন কুমার! মাস্টারমশাই হয়ে বেতের আঘাত করলেন সমাজের বিবেকে! 

LinkedIn
Share