Tag: Tech News

Tech News

  • India: চিনা ইন্টারনেট-যুক্ত সিসিটিভি ক্যামেরা বিক্রিতে নিষেধাজ্ঞা জারির প্রস্তুতি শুরু ভারতের

    India: চিনা ইন্টারনেট-যুক্ত সিসিটিভি ক্যামেরা বিক্রিতে নিষেধাজ্ঞা জারির প্রস্তুতি শুরু ভারতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ১ এপ্রিল থেকে চিনা সিসিটিভি নির্মাণকারী সংস্থা যেমন (হিকাভিশন), ডাহুয়া (Dahua), এবং টিপি-লিঙ্কের (TP-Link) তৈরি ইন্টারনেট-যুক্ত সিসিটিভি ক্যামেরা ও সংশ্লিষ্ট হার্ডওয়্যার (Hikvision TP Link) বিক্রির ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করার প্রস্তুতি নিচ্ছে ভারত (India)।

    নয়া সার্টিফিকেশন নীতি (India)

    এই পদক্ষেপটি নেওয়ার কারণ আগামী মাস থেকে কার্যকর হবে স্ট্যাডার্ডডাইজেশন টেস্টিং অ্যান্ড কোয়ালিটি সার্টিফিকেশন (STQC) নিয়মের অধীনে নয়া সার্টিফিকেশন নীতি। এই নিয়ম অনুযায়ী, ভারতে সিসিটিভি পণ্য বিক্রি করতে হলে বাধ্যতামূলকভাবে আগেই নিতে হবে অনুমোদন। এই নিয়ম ভারতে সিসিটিভি এবং ভিডিও নজরদারি পণ্য বিক্রি করে এমন সব ব্র্যান্ডের ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য। সংবাদ মাধ্যমের প্রতিবেদনে শিল্পখাতের আধিকারিকদের উদ্ধৃত করে বলা হয়েছে, এই সিদ্ধান্তটি সরকারের বৃহত্তর উদ্যোগের অংশ, যার লক্ষ্য হল কানেকটেড ডিভাইসেসের নিরাপত্তা মান আরও কঠোর করা।

    চিনকে রামধাক্কা

    জানা গিয়েছে, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এই সংস্থাগুলির পণ্য এবং চিনের তৈরি চিপসেট ব্যবহার করা ডিভাইসগুলিকে সার্টিফিকেশন দিতে অস্বীকার করছে। ফলে এসটিকিউসি ক্লিয়ারেন্স না থাকলে এসব পণ্য কার্যত ভারতীয় বাজারে নিষিদ্ধই হয়ে যাবে। এই নিষেধাজ্ঞা চিনা ব্র্যান্ডগুলির পক্ষে রামধাক্কা হতে চলেছে। কারণ একসময় তারা ভারতের সিসিটিভি বাজারে প্রভাবশালী ছিল। গত বছর পর্যন্তও এই ব্র্যান্ডগুলি বাজারের মোট বিক্রয়ের প্রায় এক-তৃতীয়াংশ দখল করে রেখেছিল। তবে এখন পরিস্থিতি বদলেছে। দেশীয় নির্মাতারা বাজারের এই বিরাট শূন্যস্থান পূরণ করতে এগিয়ে এসেছেন। ভারতের ব্র্যান্ডগুলি হল সিপি প্লাস, কুবো, প্রমা, ম্যাট্রিক্স, পরশ। এরাই দ্রুত বাজার বিস্তার করেছে।

    আত্মনির্ভর ভারত

    এই সব কোম্পানি তাদের সাপ্লাই চেন পরিবর্তন করে চিনের পরিবর্তে তাইওয়ানিজ চিপসেটস ব্যবহার করছে, স্থানীয়ভাবে তৈরি করছে নিজেদের ফার্মওয়েভও (India)। কাউন্টারপয়েন্ট রিসার্চের মতে, ফেব্রুয়ারি মাস পর্যন্ত ভারতীয় কোম্পানিগুলি বাজারের ৮০ শতাংশেরও বেশি দখল করেছে। এদিকে, প্রিমিয়াম সেগমেন্টে এখনও বহুজাতিক কোম্পানি যেমন, বস এবং হানিওয়েল শক্ত অবস্থানে রয়েছে। প্রত্যাশিতভাবেই কেন্দ্রের এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন ভারতীয় সিসিটিভি নির্মাতারা (Hikvision TP Link)।

    সরকারকে ধন্যবাদ বিভিন্ন ভারতীয় সংস্থার

    কুবো (Qubo) সরকারকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেছে, তারা “নন-কমপ্লেন্ট, ইন্টারনেট-কানেকটেড সিসিটিভি সিস্টেমস”–এর বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ করছে। কুবোর প্রতিষ্ঠাতা নিখিল রাজপাল বলেন, “এই পদক্ষেপ জাতীয় ও ব্যক্তিগত নিরাপত্তা জোরদার করতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, এবং এটি ভারতীয় ব্র্যান্ড ও উৎপাদনের প্রতি একটি শক্তিশালী আস্থা প্রকাশ।” প্রশ্ন হল, নয়া নিয়মগুলি কী? জানা গিয়েছে, নতুন এই নিয়মগুলি এসেছে বৈদ্যুতিন ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রকের এসেনশিয়াল রিকোয়ারমেন্টস (ER) নীতিমালা থেকে। এটি চালু হয়েছিল ২০২৪ এর এপ্রিল মাস থেকে (India)।

    নয়া নিয়ম

    এই নিয়ম অনুযায়ী— নির্মাতাদের গুরুত্বপূর্ণ উপাদানের উৎস দেশ জানাতে হবে, দিতে হবে সিস্টেম অন চিপের তথ্য, ডিভাইসগুলিকে এমনভাবে পরীক্ষা করতে হবে যাতে কোনওরকম নিরাপত্তাজনিত খামতি (security vulnerability) না থাকে। এতে করে কেউ আর অবৈধভাবে রিমোট অ্যাক্সেস নিতে পারে। কোম্পানিগুলিকে এই নিয়ম মানার জন্য ২ বছরের সময় দেওয়া হয়েছিল। উল্লেখ্য (Hikvision TP Link), এ পর্যন্ত ৫০০–এরও বেশি সিসিটিভি মডেল নতুন নিয়ম অনুযায়ী সার্টিফাই হয়েছে (India)।

  • India Made iPhones: আইফোন উৎপাদনে দ্রুত উত্থান হচ্ছে ভারতের, পিছিয়ে পড়ছে চিনের আইফোন সিটি!

    India Made iPhones: আইফোন উৎপাদনে দ্রুত উত্থান হচ্ছে ভারতের, পিছিয়ে পড়ছে চিনের আইফোন সিটি!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবার ‘ড্রাগন’কে গিলতে শুরু করেছে ‘হাতি’! সম্প্রতি এক রিপোর্ট থেকে জানা যাচ্ছে, অ্যাপলের আইফোন (India Made iPhones) উৎপাদনে ভারতের দ্রুত উত্থান চিনের বহুদিনের আইফোন সিটির আধিপত্যকে পুনর্গঠন করছে, কিছু ক্ষেত্রে তো আবার খর্বও করে দিচ্ছে। ‘লে মন্ডি’তে প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ফক্সকনের বিশাল ঝেংঝৌ কারখানায় (Chinas iPhone city) শ্রমিকের সংখ্যা কমে যাওয়া, কঠোরতর বিধিনিষেধ এবং মরশুমি শ্রমিকের ঘাটতির কারণে সংগ্রামের মুখে পড়ছে। উল্টোদিকে, ভারত দ্রুতগতিতে উৎপাদন বাড়িয়ে চলেছে। তামিলনাড়ু এবং কর্নাটকে নয়া কারখানা চালু হওয়ার ফলে ভারত ধীরে ধীরে সেই সব কাজই করছে, যা একসময় পুরোপুরি ঝেংঝৌর দখলে ছিল।

    আইফোনের চাহিদা (India Made iPhones)

    এক দশকেরও বেশি সময় ধরে ঝেংঝৌয়ের ওই কারখানায় শ্রমিক ছিল প্রায় ৩ লাখ। বস্তুত, তার জেরেই বিশ্বব্যাপী আইফোন জোগানের কেন্দ্রে পরিণত হয়েছিল এই কারখানা। প্রতি বছর সেপ্টেম্বরের আইফোন উন্মোচনের আগে আগস্ট থেকে নভেম্বর পর্যন্ত উৎপাদন নাটকীয়ভাবে বেড়ে যায়। এই চাহিদা মেটাতে ফক্সকন ঐতিহ্যগতভাবে বিপুল সংখ্যক অস্থায়ী শ্রমিকের ওপর নির্ভর করতে শুরু করে। একসঙ্গে কয়েক হাজার শ্রমিক নিয়োগ করে। উদাহরণস্বরূপ, ২০২৪ সালের অগাস্টে কোম্পানি আইফোন ১৬ সিরিজের জন্য প্রায় ৫০ হাজার অস্থায়ী কর্মী নিয়োগ করেছে।

    চিনা আইন

    চিনের আইন অনুযায়ী, অস্থায়ী কর্মীর সংখ্যা কোনও কোম্পানির মোট শ্রমিকের ১০ শতাংশের বেশি হতে পারে না। ‘চায়না লেবার ওয়াচ’ জানিয়েছে, আইফোন সিটিতে ফক্সকনের মোট শ্রমিকের অর্ধেকেরও বেশি অস্থায়ী কর্মী, যা আইনের পরিপন্থী। কোম্পানির বিরুদ্ধে এই একই অভিযোগ উঠেছিল ২০১৯ সালেও। অস্থিতিশীল কর্মসংস্থান, খারাপ কর্মপরিবেশ, এবং প্রতি বছর বেতন ও বোনাস নিয়ে শ্রমিক অসন্তোষ-সহ নানা সমস্যার কারণে দীর্ঘদিন ধরে সমালোচনার সম্মুখীন হচ্ছে এই কোম্পানি (India Made iPhones)। ওই রিপোর্ট থেকেই জানা গিয়েছে, প্ল্যান্টের মৌলিক মাসিক বেতন প্রায় ২৯৫ ডলার। এটি ঝেংঝৌয়ের গড় বেতনের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে কম। ফলে ফক্সকনকে কর্মীদের আকর্ষণ করতে মোটা অঙ্কের বোনাসের ওপর নির্ভর করতে হচ্ছে। বাজার যখন তুঙ্গে থাকে তখন এই বোনাস মাসে ১,৩০০ ডলারেরও বেশি হতে পারে। এজন্য কর্মীরা কয়েক মাসের জন্য যোগ দেন, উৎপাদন কমলেই ফের চাকরি ছেড়ে চলে যান (Chinas iPhone city)। জানা গিয়েছে, বর্তমানে বিশ্বের মোট আইফোনের প্রায় ২০ শতাংশ ভারতে তৈরি হয়, যা ২০২৪ এবং ২০২৫ সালে দ্রুত বৃদ্ধি পেয়েছে। কারণ অ্যাপল সরবরাহ শৃঙ্খলার বৈচিত্র্য বৃদ্ধি ও চিনা শুল্ক–ঝুঁকি কমাতে চায় (India Made iPhones)।

LinkedIn
Share