Tag: Teesta

Teesta

  • Bara Mangwa: কমলালেবুর বাগান, তিস্তার সর্পিল জলধারা! নৈসর্গিক সৌন্দর্যে ভরপুর বড়া মাঙ্গোয়া!

    Bara Mangwa: কমলালেবুর বাগান, তিস্তার সর্পিল জলধারা! নৈসর্গিক সৌন্দর্যে ভরপুর বড়া মাঙ্গোয়া!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গের দার্জিলিং জেলার অন্যতম সেরা পর্যটন কেন্দ্র তিনচুলে বর্তমানে প্রকৃতিপ্রেমিক পর্যটকদের কাছে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। এই তিনচুলে থেকে প্রায় ৪ কিমি দূরে এক অপরূপ নৈসর্গিক সৌন্দর্যে ভরপুর স্থান বড়া মাঙ্গোয়া (Bara Mangwa)। প্রায় ৪৫০০ ফুট উচ্চতায় অবস্থিত নির্জন, অনাবিল পাহাড়ি গ্রাম বড়া মাঙ্গোয়া। একদিকে পাহাড়ের গায়ে ঝুম চাষ, কমলা লেবুর বাগান, অপর দিকে তিস্তা নদীর সর্পিল জলধারার পাহাড়ি সুরমূর্ছনা। তার সঙ্গে যোগ্য সঙ্গত করে তুলেছে আকাশ ছুঁতে চাওয়ার দুঃসহ স্পর্ধা নিয়ে দাঁড়িয়ে থাকা পাহাড়ের সারি। মন ভালো করে দেওয়ার জন্য যা যা থাকা দরকার, তার সব কিছুই উপস্থিত এখানে। এখান থেকে বিভিন্ন ছোট ছোট ট্রেকিং রুট চলে গিয়েছে বিভিন্ন দিকে। নেচার ট্রেইলে হাঁটতে হাঁটতে গিয়ে দেখে আসা যায় প্রায় জনমানবহীন সুন্দর পাহাড়চূড়ায় অবস্থিত ভিউ পয়েন্ট এবং চোরতেন। বড়া মাঙ্গোয়া থেকে ঘুরে নেওয়া যায় কাঞ্চনজঙ্ঘার ছায়ায় ঢাকা পেশক চা বাগান।

    ইকো ট্যুরিজমের নয়া পীঠস্থান (Bara Mangwa)

    বড়া মাঙ্গোয়া থেকে আরও প্রায় ৩-৪ কিমি ট্রেকিং করে যাওয়া যায় আরও একটি সুন্দর পাহাড়ি গ্রাম ছোটা মাঙ্গোয়ায়। বর্তমানে ইকো ট্যুরিজমের নয়া পীঠস্থান হয়ে উঠেছে এই বড়া মাঙ্গোয়া এবং ছোটা মাঙ্গোয়া। কমলা বাগানে ঘেরা এই ছোটা মাঙ্গোয়া থেকে একদিকে বয়ে চলা তিস্তা, আর অপর দিকে কাঞ্চনজঙ্ঘার রুপ দেখে মুগ্ধ হতে হবেই। এই ছোটা মাঙ্গোয়া থেকে ভোরের সূর্যোদয় দর্শন করা এক অভাবনীয় অনুভূতি। এছাড়াও বড়া মাঙ্গোয়া (Bara Mangwa) এবং ছোটা মাঙ্গোয়ায় শুধু যে কমলালেবুর বাগান আছে তাই নয়, এখানে চাষ হচ্ছে বিভিন্ন অরগ্যানিক সারের ব্যবহারে তৈরি করা বিভিন্ন মূল্যবান ভেষজ উদ্ভিদ। শুধু আপেল নয়, এখানকার মুসম্বি লেবুর সুখ্যাতি আছে সর্বত্র। এখান থেকে তিস্তা ও রঙ্গিত নদীর বুকে র‍্যাফটিংও করে নেওয়া যায়। ঘুরে নেওয়া যায় কাছেই পাশের তাকলিঙ গ্রামের মনাস্ট্রিটিও।

    কীভাবে যাবেন, কোথায় থাকবেন?

    কলকাতা থেকে ট্রেনে এনজেপি অথবা ধর্মতলা থেকে বাসে শিলিগুড়ি এসে সেখান থেকে সেবক ও তিস্তাবাজার হয়ে প্রায় ৬০ কিমি পথ এই বড়া মাঙ্গোয়া (Bara Mangwa)। যেতে হবে গাড়িতে। আর বড়া মাঙ্গোয়া থেকে একটু কষ্ট করে পাহাড়ি পথে কমলালেবুর বাগানের মধ্য দিয়ে প্রায় ২ কিমি দূরে ছোটা মাঙ্গোয়া। বড়া মাঙ্গোয়া আর ছোটা মাঙ্গোয়ায় রয়েছে অসংখ্য হোমস্টে। এগুলিতে একদম ঘরের আতিথেয়তায় স্থানীয় মানুষজনের সহজ-সরল জীবনের সঙ্গেও পরিচিত হওয়া যায় (Natural beauty)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Sheikh Hasina: তিস্তা প্রকল্প রূপায়ণ করুক ভারত, চাইছেন হাসিনা, জানালেন কারণও

    Sheikh Hasina: তিস্তা প্রকল্প রূপায়ণ করুক ভারত, চাইছেন হাসিনা, জানালেন কারণও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তিস্তা প্রজেক্ট (Teesta Project) করুক ভারত। চান বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা (Sheikh Hasina)। এই প্রকল্পটি করতে চেয়েছিল চিনও। এগিয়েছিল ভারতও। এহেন আবহে দিন কয়েক আগে চিন সফরে যান বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী। তার আগেই ভারত সফর সেরে গিয়েছেন তিনি।

    কী বলছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী? (Sheikh Hasina)

    কমিউনিস্ট শাসিত শি জিনপিংয়ের দেশ থেকে ফিরে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী সাফ জানিয়ে দিলেন, তিনি চান তিস্তা প্রকল্পটি করুক ভারত। কী জন্য এই প্রকল্প রূপায়ণে তিনি ভারতকে চান, তাও ব্যাখ্যা করেছেন আওয়ামি লিগের সর্বময় কর্ত্রী। বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকায় আয়োজিত সাংবাদিক সম্মেলনে হাসিনা বলেন, “ভারতের পাশাপাশি এই প্রকল্পে আগ্রহ প্রকাশ করেছে চিন-ও। তবে সব দিক বিবেচনা করে আমি চাই তিস্তা প্রকল্পটি রূপায়ণ করুক ভারত।” তিনি বলেন, “তিস্তার জল ভারতের নিয়ন্ত্রণে। তাই তারা এই প্রজেক্ট করুক। তারা যদি এই প্রকল্পটি রূপায়ণ করতে চায়, তাহলে সর্বোতভাবে সাহায্য করা হবে।”

    তিস্তার জলবণ্টন চুক্তি

    তিস্তার জলবণ্টন চুক্তিকে ঘিরে ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে সম্পর্কে জটিলতা তৈরি হয়েছে। ভারত থেকে নদীটি গিয়ে ঢুকেছে বাংলাদেশে। তাই তিস্তার জলের ন্যায্য দাবিদার বাংলাদেশও। তবে বাংলাদেশকে দেওয়ার মতো যথেষ্ট পরিমাণ জল নেই বলে তিস্তা চুক্তিতে সায় দেননি পশ্চিমবাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিস্তা চুক্তি প্রসঙ্গে কেন্দ্রকে নিশানা করেছিলেন (Sheikh Hasina) তিনি। বলেছিলেন, “ওরা কীভাবে তিস্তার জল দিতে পারে? সিকিম ১৪টি জলবিদ্যুৎ প্রকল্প তৈরি করেছে। সিকিমের প্রজেক্ট তৈরির সময় খেয়াল রাখা উচিত ছিল কেন্দ্রের। সব জল সিকিম নিয়ে যাচ্ছে…।” মমতার দাবি, বাংলাদেশকে তিস্তার জল দিলে সমস্যায় পড়বেন পশ্চিমবঙ্গের উত্তর প্রান্তের বাসিন্দারা।

    আরও পড়ুন: নিশানায় ছিল অমরনাথ! সীমান্তে ফের অনুপ্রবেশ রুখল সেনা, খতম তিন জঙ্গি

    প্রসঙ্গত, তিস্তার অববাহিকায় বিরাট জলাধার নির্মাণ করে বৃষ্টির জল ধরে রাখার পরিকল্পনা করেছে বাংলাদেশ। এই প্রকল্পই রূপায়ণ করতে চায় শি জিনপিংয়ের দেশ। আগ্রহী নরেন্দ্র মোদির ভারতও। টানটান করা (Teesta Project) স্নায়ুর লড়াইয়ে যে শেষ হাসি হাসল ভারতই, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর (Sheikh Hasina) কথায়ই তা স্পষ্ট।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Sikkim: যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন কালিম্পঙের বহু অংশ, উত্তর সিকিমে আটকে হাজারেরও বেশি পর্যটক

    Sikkim: যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন কালিম্পঙের বহু অংশ, উত্তর সিকিমে আটকে হাজারেরও বেশি পর্যটক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বৃষ্টি চলছেই সিকিমে (Sikkim)। ধস নেমে একের পর এক পাহাড়ি রাস্তা বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। সম্পূর্ণভাবে বিচ্ছিন্ন উত্তর সিকিম। লাচুং, চুংথাম, জঙ্গুতে এখনও আটকে রয়েছেন প্রায় ১২০০ পর্যটক। সিকিমের প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের প্রভাব পড়েছে উত্তরবঙ্গেও। কালিম্পং-এর (Kalimpong) বিভিন্ন অঞ্চল অবরুদ্ধ। ফুঁসছে তিস্তা, রঙ্গীত-সহ ছোট বড় পাহাড়ি নদীগুলি। একটানা বৃষ্টিতে তিস্তার জলস্তর ক্রমশ বাড়ছে। তিস্তাবাজার সংলগ্ন বহু এলাকা জলের তলায়।

    নতুন করে ধস

    শুক্রবার সকালে নতুন করে ধস নামে উত্তর ও দক্ষিণ সিকিমে (Sikkim)। এদিন টুং, দক্ষিণ সিকিমের লিঙ্গসে, লিঙ্গে ও পাইয়ংয়ের মূল রাস্তা এবং কাওখোলা ও সুন্তালে এলাকাতেও ধস নামে। যার ফলে সিংথামের সঙ্গে সম্পূর্ণ যোগাযোগ বন্ধ হয়ে গিয়েছে। মূল সড়ক ধসে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় আটকে রয়েছে উদ্ধারকাজ। বৃহস্পতিবার রাতে সিকিম থেকে লাচেন যাওয়ার মূল রাস্তার উপর থাকা সাঙ্গেকেলাংয়ের সেতু ভেঙে পড়েছে। ফলে লাচেন সহ অন্যান্য এলাকায় আটকে থাকা পর্যটকদের টুং চেকপোস্ট পর্যন্ত নামিয়ে আনার পর আর নিচের দিকে আনা যায়নি। 

    আকাশপথে পর্যটকদের উদ্ধারের ভাবনা

    এই পরিস্থিতিতে পর্যটকদের গ্যাংটকে (Sikkim) ফেরাতে হলে আকাশপথ ছাড়া আর কোনও উপায় নেই। প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণে এয়ারলিফটও করা সম্ভব হচ্ছে না। আটকে পড়া পর্যটকদের উদ্ধারে ভারতীয় সেনার কাছে সাহায্যের আবেদন জানাতে চলেছে সিকিম প্রশাসন। আবহাওয়া ভাল হলে যাতে পর্যটকদের বিমানে উদ্ধার করা যায়, তার জন্য ইতিমধ্যেই সিকিমের মুখ্যসচিব কেন্দ্রীয় সরকারের সঙ্গে কথা বলেছেন। সিকিম প্রশাসনের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, লাচুংয়ে আটকে রয়েছে ১২০০ ভারতীয় পর্যটক। বিদেশি পর্যটকদের মধ্যে রয়েছেন তাইল্যাণ্ড, নেপাল এবং বাংলাদেশের ১৫ জন পর্যটক। সিকিম প্রশাসন জানিয়েছে পর্যটকেরা সকলেই সুরক্ষিত আছেন, এমনকী খাবারও মজুত রয়েছে, তবে কোনও রকম ঝুঁকি নিতে নিষেধ করা হয়েছে। কালিম্পংয়ের জেলাশাসক বালাসুব্রহ্মণ্যম বলেন, “নর্থ সিকিমের মঙ্গনের জেলাশাসকের সঙ্গে কথা হয়েছে। আটকে থাকা পর্যটকেরা সুরক্ষিত আছেন। রংপোয় পশ্চিমবঙ্গ এবং সিকিম সীমানায় ট্যুরিস্ট হেল্পডেস্ক খোলা হয়েছে। পর্যটকেরা সীমানায় পৌঁছলে কালিম্পং (Kalimpong) জেলা প্রশাসন পর্যটকদের উদ্ধার করে বাড়ি ফেরাতে প্রস্তুত”।

    বাড়ছে তিস্তার জলস্তর

    সিকিমে (Sikkim) প্রবল বৃষ্টির সঙ্গে উত্তরবঙ্গেও বাড়ছে বৃষ্টির প্রভাব। শুক্রবার কালিম্পংয়ের (Kalimpong) তিস্তাবাজার, মাল্লির প্রতিটি বাড়িতে ঢুকে গিয়েছে তিস্তা নদীর জল । কোথাও কোথাও বাড়ির ভিতরে জমে গিয়েছে পলি। এদিনও কালিম্পং, দার্জিলিং যাওয়ার রাস্তা বন্ধ রয়েছে। বড় কোনও গাড়ি চলছে না। ঘুরপথে বিরিকধারা-মংপু-সিটং-তাকদা হয়ে চলছে ছোট গাড়ি। বৃষ্টি আরও বাড়লে উত্তরের সমতলও প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। প্রতিনিয়ত বাড়ছে তিস্তার জলস্তর। এদিন সকালে তিস্তার বাঁধ থেকে ১৭৬৩.৪২ কিউসেক জল ছাড়া হয়েছে, ফলে জলস্তর বেড়েছে তিস্তা নদীর। বিপদের আশঙ্কায় জলপাইগুড়ি তিস্তা সেতু সংলগ্ন এলাকায় নজরদারি বসিয়েছে পুলিশ। নদীতে নেমে কাঠ সংগ্রহ করতে বারণ করা হয়েছে। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Flood Situation: উত্তর সিকিমে বন্যা পরিস্থিতি, ধসে মৃত তিন, হড়পা বানে ভাসল ৫

    Flood Situation: উত্তর সিকিমে বন্যা পরিস্থিতি, ধসে মৃত তিন, হড়পা বানে ভাসল ৫

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারী বৃষ্টির জেরে বন্যা পরিস্থিতি (Flood Situation) উত্তর সিকিমে। গত কয়েকদিনের বৃষ্টিতে জলের তোড়ে কোথাও ভেসে গিয়েছে রাস্তা, আবার কোথাও রাস্তার ধারে দাঁড় করিয়ে রাখা গাড়ির ওপর দিয়ে বইছে জল। আতঙ্কে ঘর ছেড়ে নিরাপদ আশ্রয়ের সন্ধানে চলে যাচ্ছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

    অবিরাম বর্ষণ উত্তর সিকিমে (Flood Situation)

    গত কয়েকদিন ধরে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টি হচ্ছে উত্তর সিকিমে। আজ, বৃহস্পতিবারও অতি ভারী বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। ইতিমধ্যেই উত্তর-পূর্বের এই রাজ্যে শুরু হয়েছে আকাশভাঙা বৃষ্টি। বৃষ্টির জলে ক্ষতিগ্রস্ত মঙ্গন, লাচুং, লাচেন, চুংখাং-সহ উত্তর সিকিমের বিস্তীর্ণ এলাকা। রিম্ভিকখোলার কাছেও একই পরিস্থিতি। বিপন্নদের উদ্ধার করতে পথে নেমেছেন সেনা জওয়ান ও বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীর লোকজন। বিলি করা হচ্ছে ত্রাণ সামগ্রী। সব (Flood Situation) চেয়ে বেশি বিপদে পড়ছেন মঙ্গন জেলার বাসিন্দারা। 

    হড়পা বানে ভাসলেন পাঁচ

    মঙ্গনের পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বাংলা সীমানার কালিম্পং জেলার তিস্তা বাজার এলাকাও। তিস্তার উৎপত্তিস্থল সিকিম। তবে তিস্তা বাজার এলাকা দিয়েই নদীটি প্রবেশ করেছে বাংলায়। তাই সিকিমে তিস্তায় জল বাড়লে ভয়ে বুক কাঁপে তিস্তা বাজার এলাকার বাসিন্দাদের। গত অক্টবরে ব্যাপক ক্ষতি হয়েছিল তিস্তায় হড়পা বানের জেরে। এবারও তেমন পরিস্থিতির সৃষ্টি হতে পারে ভেবে ভয়ে কাঁটা উত্তর সিকিমের বিভিন্ন জেলার বাসিন্দারা। সূত্রের খবর, এদিন মঙ্গন এলাকায় হড়পা বানে ভেসে গিয়েছেন পাঁচজন।

    আর পড়ুন: জিডিপি বাড়েনি, বেড়েছে গাধা, পাক অর্থনৈতিক সমীক্ষা রিপোর্ট দেখে হাসির রোল

    সিকিমের বাকি অংশের সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে গিয়েছে মঙ্গনের। সোমবার প্রবল বৃষ্টির জেরে ধস নেমে মারা গিয়েছিলেন দক্ষিণ সিকিমের ইয়ানগাংয়ের মাজুয়া বস্তির তিন বাসিন্দা। বিপন্নদের সব রকমের সাহায্যের আশ্বাস দিয়েছেন রাজ্যের নয়া মুখ্যমন্ত্রী। এই মুহূর্তে সিকিমে রয়েছেন বহু পর্যটক। তাঁদের নিরাপদে সমতলে ফেরাতে প্রাণপাত করছে সিকিম সরকার। প্রবল বৃষ্টির জেরে বৃহস্পতিবার ধস নামে লাচুং এলাকায়ও। পার্কসাঙ্গ এলাকা থেকে উদ্ধার হয়েছে তিনজনের দেহ। ধসের নীচে আর কেউ চাপা পড়ে রয়েছেন কিনা, তাও খতিয়ে দেখছে প্রশাসন। এদিকে, তিস্তার জলের তোড়ে মাল্লিতে ধসে গিয়েছে জাতীয় সড়কের একাংশ। তবে এখনও বন্ধ হয়নি যান চলাচল। অন্যদিকে, কালিম্পং যাওয়ার রাস্তা সম্পূর্ণ বন্ধ (Flood Situation)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Sikkim Flash Flood: ২৪ ঘণ্টায় তিস্তা থেকে উদ্ধার আরও ১১টি দেহ, সিকিমের হড়পা বান যেন দুঃস্বপ্ন!

    Sikkim Flash Flood: ২৪ ঘণ্টায় তিস্তা থেকে উদ্ধার আরও ১১টি দেহ, সিকিমের হড়পা বান যেন দুঃস্বপ্ন!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গত মঙ্গলবার হড়পা বানে সিকিমে ভয়ঙ্কর বিপর্যয় (Sikkim Flash Flood) নেমে আসে। সেই সঙ্গে উত্তর সিকিমে হ্রদ ভেঙে পড়ে। জলপাইগুড়ির তিস্তায় নেমে আসে মেঘভাঙা বৃষ্টির জলের তোড়। পাহাড়ের প্রভাব সমতলেও ভয়ঙ্করভাবে পড়ে। আগ্রাসী তিস্তা পাহাড় থেকে সব কিছু ভাসিয়ে নিয়ে আসে নিচে। প্রাকৃতিক বিপর্যয়ে উদ্ধার হচ্ছে দেহ। গত ২৪ ঘণ্টায় উদ্ধার হয়েছে আরও ১১ টি দেহ। এইসব মিলিয়ে মোট মৃতদেহের সংখ্যা দাঁড়াল ৪১। জলপাইগুড়ির জেলাশাসক শামা পারভিন জানিয়েছেন, ১১ টি দেহের মধ্যে ১০ টি শনাক্তকরণ করা সম্ভব হয়েছে। এদিকে বন্যার জলে রোজই ভেসে আসছে দেহ। এলাকার মানুষ এখনও আতঙ্কে রয়েছেন।

    জলপাইগুড়ি প্রশাসনের বক্তব্য

    জলপাইগুড়ি প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, এখন পর্যন্ত ৮ অক্টোবর দুপুর ১২ টা পর্যন্ত শেষ পাওয়া খবরের ভিত্তিতে তিস্তা থেকে বানের জল থেকে মোট ৪১ টি মৃতদেহ (Sikkim Flash Flood) পাওয়া গেছে। গত কয়েকদিন যেন তিস্তা একটি লাশের নগরীতে পরিণত হয়েছে। যেদিকে নজর যায়, সেই দিকেই কেবল ধ্বংস এবং বিপর্যয়ের চিত্র চোখে পড়েছে। গতকাল শনিবারেও ৩ টি দেহ উদ্ধার করা হয়। শবদেহগুলি জলপাইগুড়ি মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল মর্গে রাখা হয়েছে। যারা যারা নিখোঁজ হয়েছেন, তাদের খোঁজ চলছে। সেনাকর্মী, প্রতিরক্ষা বাহিনী, বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী একযোগে উদ্ধারকাজ করছে বলে জানা গেছে।

    ভয়ঙ্করী তিস্তা (Sikkim Flash Flood)

    গত মঙ্গলবার মেঘভাঙা বৃষ্টিতে তছনছ হয়ে গেছে সুন্দর সাজানো সিকিম (Sikkim Flash Flood)। তার প্রভাব পড়েছে উত্তরবঙ্গ জুড়ে। জলের আঘাতে ভেঙে গেছে জাতীয় সড়ক। পাহাড়ের জল তিস্তায় পড়ে জলের উচ্চতা বৃদ্ধি হয়ে ভেসে গেছে বাড়িঘর, গাছপালা সবকিছু। ভয়ঙ্কর রূপ নিয়েছে প্রকৃতি। আটকে পড়েছেন প্রচুর পর্যটক। কার্যত হোটেলে বসেই প্রহর গুনতে হচ্ছিল কলকাতা- হাওড়ার পর্যটকদের। প্রকৃতিক বিপর্যয়ে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে সিকিম।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: তিস্তায় রমরমিয়ে চলছে বালি পাচার, ভিডিও শেয়ার করে মুখ্যমন্ত্রীকে কটাক্ষ শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: তিস্তায় রমরমিয়ে চলছে বালি পাচার, ভিডিও শেয়ার করে মুখ্যমন্ত্রীকে কটাক্ষ শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সরকারি টাকায় এক তৃণমূল বিধায়কের রিসর্ট সংস্কারের কাজ হচ্ছে। এমনই অভিযোগ তুলে মুখ্যমন্ত্রীকে বিঁধেছিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। মুখ্যমন্ত্রী ওই রিসর্টে যেতে পারেন বলেও জানিয়েছিলেন তিনি। এর পর আটচল্লিশ ঘণ্টাও কাটেনি, ফের মুখ্যমন্ত্রী মমতা (Mamata) বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিশানা করলেন শুভেন্দু অধিকারী। তিস্তা নদী থেকে অবৈধভাবে বালি পাচারের (Sand Smuggling) একটি ভিডিও শেয়ার করে রাজ্যের বিরোধী দলনেতার কটাক্ষ, মুখ্যমন্ত্রী যখন পাহাড় সফরে তখন তাঁর উপস্থিতির মধ্যেই ওই জেলায় রমরমিয়ে চলছে বালি পাচার।

    সোমবার উত্তরবঙ্গ (North Bengal) সফরে গিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বিজয়া দশমীর দিন মালবাজারে মাল নদীতে প্রতিমা বিসর্জন দিতে গিয়েছিলেন স্থানীয় বাসিন্দারা। আচমকাই জলপাইগুড়ির ওই নদীতে চলে আসে হড়পা বান। বানের জলে ভেসে যান বেশ কয়েকজন। পরে উদ্ধার হয় তাঁদের মধ্যে কয়েকজনের দেহ। এদিন উত্তরবঙ্গ সফরে গিয়ে দশমীর দিনের ওই মর্মান্তিক ঘটনায় নিহত ও আহতদের পরিবারের সঙ্গে দেখা করেন মুখ্যমন্ত্রী। মুখ্যমন্ত্রী যখন ওই পরিবারগুলির সঙ্গে দেখা করে কুম্ভীরাশ্রু বিসর্জন করছেন, ঠিক তখনই উত্তরবঙ্গের গুরুত্বপূর্ণ নদী তিস্তা থেকে অবৈধভাবে বালি তোলার ভিডিও শেয়ার করলেন শুভেন্দু (Suvendu Adhikari)।

    ২ মিনিট ১৪ সেকেন্ডের ভিডিওটি শেয়ার করেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। তাঁর অভিযোগ, তিস্তা থেকে অবৈধভাবে বালি তোলা চলছে। মুখ্যমন্ত্রী যখন পাহাড় সফর করছেন, তখন তাঁর উপস্থিতির মধ্যেই জেলায় রমরমিয়ে চলছে অবৈধভাবে বালি পাচার। নন্দীগ্রামের বিধায়েকর অভিযোগ, তৃণমূল নেতাদের মদতেই চলছে বালি পাচার। পাচারের কাজ চলছে রাজগঞ্জ বিধানসভার পাহাড়পুর এলাকায়।

    আরও পড়ুন: ওরা হিন্দুদের তাড়াতে চায়! মোমিনপুর-কাণ্ডে রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক শুভেন্দু

    রবিবারই শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) অভিযোগ করেছিলেন, সরকারি ব্যয়ে উত্তরবঙ্গে একটি বেসরকারি রিসর্ট সংস্কার করা হচ্ছে। রিসর্টটি মহেশতলার বিধায়ক তৃণমূলের দুলাল দাসের। কেবল ওই রিসর্টটি নয়, তার আশপাশের এলাকা এবং রিসর্টে যাওয়ার রাস্তাও সংস্কার করা হচ্ছে সরকারি অর্থ ব্যয়ে। মুখ্যমন্ত্রী ওই রিসর্টে যেতে পারেন বলেও জানিয়েছিলেন শুভেন্দু। মুখ্যমন্ত্রী যখন বিরোধী নেত্রী ছিলেন, তখন একবার ওই রিসর্টে গিয়েছিলেন। সরকারি অর্থ ব্যয়ে কেন চলছে ব্যক্তিগত রিসর্ট সংস্কারের কাজ, সে প্রশ্নও তুলেছিলেন শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Teesta Water Treaty: তিস্তা জলবণ্টন চুক্তি চাইছেন হাসিনা, জাতীয় স্বার্থের কথা মাথায় রাখতে হচ্ছে মোদিকে

    Teesta Water Treaty: তিস্তা জলবণ্টন চুক্তি চাইছেন হাসিনা, জাতীয় স্বার্থের কথা মাথায় রাখতে হচ্ছে মোদিকে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কুশিয়ারা নদীর জল বণ্টন চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। তবে বাংলাদেশের (Bangladesh) প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা (PM Hasina) চাইছেন তিস্তা জলবণ্টন চুক্তি (Teesta Water Treaty) স্বাক্ষরিত হোক দ্রুত। হাসিনা চাইলেও, জাতীয় স্বার্থের কথা মাথায় রেখে পা ফেলতে হচ্ছে ভারতের (India) প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে (PM Modi)। তাই এ ব্যাপারে তাড়াহুড়ো করতে চাইছে না ভারত।

    ভারত ও তার প্রতিবেশী বাংলাদেশের ওপর দিয়ে বয়ে গিয়েছে ৫৪টি নদী। এর মধ্যে রয়েছে তিস্তাও। এই তিস্তা ভারত এবং বাংলাদেশ দুই দেশের কাছেই গুরুত্বপূর্ণ একটি নদী। তিস্তার উৎপত্তি সিকিমে। সেখানে থেকে এই নদী পশ্চিমবাংলার উত্তরাংশের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়ে চলে গিয়েছে বাংলাদেশে। ভারত তিস্তার ৫৫ শতাংশ জল দাবি করে। আর বাংলাদেশ যা জল পায়, দাবি করছে তার চেয়েও বেশি। এখানেই মূল সমস্যা।

    তিস্তা নিয়ে ভারত বাংলাদেশের দড়ি টানাটানি চলছে সেই ১৯৮৩ সাল থেকে। ২০১১ সালে ১৫ বছরের জন্য দুই দেশের মধ্যে হওয়ার কথা ছিল অন্তর্বর্তীকালীন চুক্তি। সেই চুক্তি অনুযায়ী, তিস্তার জলের ৪২.৫ শতাংশে অধিকার ভারতের। আর ৩৭.৫ শতাংশের অধিকার বাংলাদেশের। তবে এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়নি। কারণ, চুক্তির বিরোধিতা করেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ২০১১ সালে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিংহ উদ্যোগী হলেও, এই চুক্তির বিরোধিতা করেন মমতা। প্রত্যাশিতভাবেই দিনের আলো দেখেনি বহু আকাঙ্খিত তিস্তা চুক্তি।

    আরও পড়ুন : জলবণ্টন চুক্তি নিয়ে মন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠকে ভারত-বাংলাদেশ

    শুখা মরশুমে তিস্তার জলের ৫০ শতাংশ দাবি করে বাংলাদেশ। কারণ এই সময় সে দেশে জলের জোগান খুবই কমে যায়। মার খায় সে দেশের বিস্তীর্ণ অংশের চাষবাস। তাই বাংলাদেশ চায় দ্রুত রূপায়িত হোক তিস্তা চুক্তি। তবে তিস্তা জলবণ্টন চুক্তি রূপায়িত করার ক্ষেত্রে ভারতের কিছু বাধ্যবাধকতা রয়েছে। পশ্চিমবাংলার অভিযোগ, তিস্তা থেকে প্রয়োজনীয় জল পাচ্ছে না রাজ্য। এমতাবস্থায় বাংলাদেশকে বেশি জল দেওয়া হলে শুখা মরশুমে বিপাকে পড়বেন এ রাজ্যের কৃষকদের একটা বড় অংশ। বিজেপিও চাষিদের স্বার্থের কথা মাথায় রেখে ওই চুক্তি ফেরাতে রাজি নন। সেই কারণেই এখনই যে তিস্তা জলবণ্টন চুক্তি সম্পাদিত হচ্ছে না, তা বলাই যায়।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

     
     
  • India Bangladesh: জলবণ্টন চুক্তি নিয়ে মন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠকে ভারত-বাংলাদেশ

    India Bangladesh: জলবণ্টন চুক্তি নিয়ে মন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠকে ভারত-বাংলাদেশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তিস্তা (Teesta), গঙ্গা (Ganga) সহ অন্যান্য নদীর জলবণ্টন (Water Sharing) চুক্তি নিয়ে মন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠকে বসল ভারত (India) ও বাংলাদেশ (Bangladesh)। ভারতের কেন্দ্রীয় জল শক্তি মন্ত্রী গজেন্দ্র সিং শেখাওয়াত (Gajengra Singh Shekhawat) এ কথা জানান। বৃহস্পতিবার ওই বৈঠক হয়েছে।

    ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে দিয়ে বয়ে গিয়েছে প্রচুর নদী। সেই কারণে গঠিত হয়েছে জয়েন্ট রিভার্স কমিশন। এই কমিশন আয়োজিত মন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠক হয়ে গেল এদিন। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশের জলসম্পদ প্রতিমন্ত্রী জাহিদ ফারুক। বৈঠকে তাঁর নেতৃত্বে যোগ দেন ১৭ জন প্রতিনিধি। তাঁরাই বৈঠক করেন শেখাওয়াতের সঙ্গে। জানা গিয়েছে, জয়েন্ট নদী কমিশনের এটি ৩৮তম বৈঠক। বৈঠক শেষে ট্যুইট করেন শেখাওয়াত। ট্যুইট বার্তায় তিনি লেখেন, বিভিন্ন নদীর জল বণ্টন চুক্তি নিয়ে আলোচনা হয়েছে। এর মধ্যে ছিল গঙ্গা এবং তিস্তাও। জলশক্তি মন্ত্রী বলেন, জল বণ্টন সংক্রান্ত দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা নিয়ে দু দেশের মধ্যে আলোচনা হয়েছে। গঙ্গা এবং তিস্তা ছাড়াও আরও ছটি নদী নিয়েও আলোচনা হয়েছে এদিন।

    আরও পড়ুন : প্রতিরক্ষা সংক্রান্ত বোঝাপড়া শক্তপোক্ত করতে ফের বৈঠকে ভারত বাংলাদেশ

    প্রসঙ্গত, ২০১০ সালে জয়েন্ট রিভার্স কমিটির প্রথম বৈঠক হয়। তার পর সব মিলিয়ে হয়েছে ৩৮ তম বৈঠক। সেপ্টেম্বরের পাঁচ তারিখে ভারত সফরে আসবেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিন দিনের ভারত সফরে আসছেন তিনি। প্রতিরক্ষা সহযোগিতা এবং আঞ্চলিক সুস্থিতি নিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে আলোচনা হওয়ার কথা তাঁর। হাসিনার সফরের আগে আগেই জল সম্পদ নিয়ে দুই দেশের মন্ত্রী পর্যায়ের এই বৈঠক যথেষ্ঠ তাৎপর্যপূর্ণ। মঙ্গলবারই হয়েছে জয়েন্ট রিভার্স কমিশনের দুই দেশের সচিব পর্যায়ের বৈঠক। দুই দেশের আলোচনায় উঠে এসেছে তিস্তা জল বণ্টন ইস্যুও। এই তিস্তার জল বণ্টন নিয়ে বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গেও  আলোচনা হয়েছিল হাসিনার। তার পরেও তিস্তার জল বণ্টন নিয়ে জট কাটেনি দু দেশের।

    প্রসঙ্গত, যখন তিস্তা চুক্তি স্বাক্ষরিত হওয়ার কথা হচ্ছিল, তখন প্রধানমন্ত্রী ছিলেন মনমোহন সিংহ। ২০১১ সালে বাংলাদেশ সফরে গিয়েছিলেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিংহ। সেই সময়ই চুক্তি স্বাক্ষরিত হওয়ার কথা ছিল। তবে বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আপত্তিতে স্বাক্ষরিত হয়নি ওই চুক্তি। অবশ্য তিস্তা চুক্তি না হলেও, ১৯৯৬ সালে হয় গঙ্গা জল বণ্টন চুক্তি। ২০১৬ সালে ওই চুক্তি রিনিউয়াল হওয়ার কথা।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।  

LinkedIn
Share