Tag: teesta river

teesta river

  • Teesta Water Ties: “তিস্তা চুক্তি নিয়ে ভারতের সঙ্গে বন্ধুত্ব নষ্ট করতে চায় না বাংলাদেশ”, বললেন ঢাকার জলসম্পদমন্ত্রী

    Teesta Water Ties: “তিস্তা চুক্তি নিয়ে ভারতের সঙ্গে বন্ধুত্ব নষ্ট করতে চায় না বাংলাদেশ”, বললেন ঢাকার জলসম্পদমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “তিস্তা নদীর জলবণ্টন চুক্তিকে (Teesta Water Ties) কেন্দ্র করে ভারতের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক নষ্ট করতে চায় না বাংলাদেশ।” অন্তত এমনই বললেন বাংলাদেশের জলসম্পদমন্ত্রী শহিদউদ্দিন চৌধুরী আনে।তবে একইসঙ্গে নিজেদের স্বার্থের কথাও নয়াদিল্লিকে (India Bangladesh) বিবেচনা করতে হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।ঢাকায় আয়োজিত এক সেমিনারে মন্ত্রী বলেন, “প্রতিবেশী দেশ একটি বন্ধুত্বপূর্ণ দেশ। তাদের যেমন নিজেদের স্বার্থ রয়েছে, তেমনই আমাদেরও স্বার্থ রয়েছে—এই বিষয়টি তাদের ভাবতে হবে।” তিনি আরও বলেন, “একজন বন্ধু আর এক বন্ধুর স্বার্থ রক্ষা করবে। তাদের সঙ্গে আমাদের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক কখনও নষ্ট হোক, আমরা তা চাই না।”

    তিস্তা সমস্যার সমাধানে বাংলাদেশের তৎপরতা (Teesta Water Ties)

    দীর্ঘদিন ধরে ঝুলে থাকা তিস্তা সমস্যার সমাধানে বাংলাদেশের নতুন করে তৎপরতার মধ্যেই জলসম্পদমন্ত্রীর এহেন মন্তব্য সামনে এল। এর অংশ হিসেবে চিনের সহযোগিতায় প্রস্তাবিত তিস্তা নদীর যৌথ ব্যবস্থাপনা ও পুনরুদ্ধার প্রকল্প এগিয়ে নেওয়ার চেষ্টাও করছে ঢাকা। এই প্রকল্পের লক্ষ্য, উত্তর বাংলাদেশের বারবার দেখা দেওয়া বন্যা, নদীভাঙন এবং শুকনো মরশুমে জলসংকট মোকাবিলা করা। মন্ত্রী জানান, ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের পর প্রস্তাবিত প্রকল্প নিয়ে বিশেষজ্ঞদের মতামত নিতে সরকার একাধিক সেমিনার ও পরামর্শ বৈঠকের আয়োজন করেছে। এসব আলোচনায় পাওয়া সুপারিশের ভিত্তিতে বিস্তারিত সমীক্ষা করা হবে। সেই সমীক্ষার ফলের ভিত্তিতেই পরবর্তী পদক্ষেপ নেবে সরকার।তিস্তা প্রকল্পকে বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, নদীভাঙন-সহ নানা সমস্যায় বছরের পর বছর ক্ষতিগ্রস্ত উত্তরাঞ্চলের পাঁচ-ছ’টি জেলার মানুষের এই প্রকল্প নিয়ে ব্যাপক প্রত্যাশা রয়েছে। তাঁর কথায়, “আমরা যদি এটি বাস্তবায়ন করতে ব্যর্থ হই, তাহলে ওই এলাকার পরিবারগুলির ক্ষয়ক্ষতি ও সমস্যার পরিমাণ আরও বাড়তে থাকবে। যে কোনও মূল্যে আমাদের এই চ্যালেঞ্জের মোকাবিলা করতে হবে (Teesta Water Ties)।”

    জলবণ্টন নিয়ে ভারত-বাংলাদেশ বিরোধ

    তিস্তা নদীর জলবণ্টন নিয়ে ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে কয়েক দশক ধরে বিরোধ রয়েছে। হিমালয় থেকে উৎপন্ন হয়ে নদীটি সিকিম ও পশ্চিমবঙ্গের মধ্যে দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে এবং পরে বাংলাদেশের যমুনা নামে পরিচিত ব্রহ্মপুত্রের সঙ্গে মিলিত হয়েছে। উত্তর বাংলাদেশের কৃষি ও মানুষের জীবিকার জন্য তিস্তার জল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এদিকে পশ্চিমবঙ্গেও সেচ ও বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষেত্রে এই নদীর জল গুরুত্বপূর্ণ। রাজ্যের একাধিক জেলার মানুষের জীবন ও কৃষি নির্ভরশীল তিস্তার ওপর। আটের দশক থেকেই তিস্তার জল ভাগাভাগি নিয়ে ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে আলোচনা চলছে। ১৯৮৩ সালে একটি অন্তর্বর্তী ব্যবস্থা করা হয়েছিল। সেই ব্যবস্থায় তিস্তার জলের ৩৯ শতাংশ ভারতের জন্য এবং ৩৬ শতাংশ বাংলাদেশের জন্য নির্ধারণ করা হয়। বাকি ২৫ শতাংশ জল বণ্টন করা হয়নি (India Bangladesh)।

    তিস্তার জল বণ্টন চুক্তি জরুরি প্রয়োজন

    এরপর ২০১১ সালে একটি অন্তর্বর্তী চুক্তির খসড়া চূড়ান্ত করা হয়। তাতে শুষ্ক মরশুমে তিস্তার জল ভাগাভাগির একটি সূত্র প্রস্তাব করা হয়েছিল। কিন্তু পশ্চিমবঙ্গ সরকার রাজ্যে জলের প্রাপ্যতা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে ওই ব্যবস্থার বিরোধিতা করায় চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়নি (Teesta Water Ties)। জলসম্পদমন্ত্রী জানান, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নিয়মিত প্রস্তাবিত তিস্তা প্রকল্প নিয়ে আলোচনা করছেন। পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট দফতর এবং বিভিন্ন মন্ত্রকের মধ্যে বৈঠকের মাধ্যমে প্রকল্পের অগ্রগতি পর্যালোচনা করা হচ্ছে। তিস্তা নিয়ে একটি চুক্তি “জরুরি প্রয়োজন” বলে উল্লেখ করে মন্ত্রী জানান, সেটিকে তিস্তা চুক্তি বা অন্য কোনও ব্যবস্থার নামে অভিহিত করা হোক না কেন, প্রকল্পটি বাস্তবায়নের দিকে এগিয়ে যাবে বাংলাদেশ।

    বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর চিন সফর

    জুন মাসে বেজিংয়ে সরকারি সফরের সময় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান চিনের নেতাদের সঙ্গে উচ্চপর্যায়ের বৈঠক করেন। ওই বৈঠকে প্রস্তাবিত তিস্তা পুনরুদ্ধার প্রকল্পের কারিগরি সম্ভাব্যতা সমীক্ষা দ্রুত এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার বিষয়ে চিনের কাছ থেকে প্রতিশ্রুতি পাওয়া গিয়েছে বলে জানানো হয়েছে (India Bangladesh)। তিস্তা প্রকল্পে চিনকে যুক্ত করার সিদ্ধান্তের ফলে দীর্ঘদিনের এই জলবণ্টন বিরোধে নতুন কৌশলগত মাত্রা যুক্ত হয়েছে। ভারতের কাছে বিষয়টি বিশেষভাবে সংবেদনশীল, কারণ উত্তর বাংলাদেশের ওই অঞ্চলের অবস্থান ভারতের শিলিগুড়ি করিডরের (চিকেন্স নেকের) কাছাকাছি। এই সরু স্থলপথই ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্যগুলিকে দেশের বাকি অংশের সঙ্গে যুক্ত করেছে (Teesta Water Ties)। ভারত বরাবরই বলে আসছে, তিস্তা সমস্যার সমাধান সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে নিয়ে আলোচনার মাধ্যমে করা উচিত। এর মধ্যে পশ্চিমবঙ্গও রয়েছে।

    রণধীর জয়সওয়ালের বক্তব্য

    জুলাই মাসে ভারতের বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল জানিয়েছিলেন, প্রস্তাবিত তিস্তা প্রকল্প নিয়ে ভারতের মতামত বাংলাদেশকে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে বিষয়টি নিয়ে ভারতের সামগ্রিক অবস্থানের অংশ হিসেবে “সংশ্লিষ্ট সব উন্নয়ন” বিবেচনা করা হবে বলেও জানান তিনি। তিস্তা জলবণ্টন বিরোধ ১৯৯৬ সালে স্বাক্ষরিত ভারত-বাংলাদেশ গঙ্গা জলবণ্টন চুক্তি থেকে আলাদা। ওই চুক্তির মেয়াদ ৩০ বছর এবং ২০২৬ সালের ডিসেম্বর মাসে তার মেয়াদ শেষ হওয়ার কথা। ভারত ও বাংলাদেশের (India Bangladesh) মধ্যে মোট ৫৪টি আন্তঃসীমান্ত নদী রয়েছে। এসব নদী ও জলসম্পর্কিত বিষয় নিয়ে দুই দেশ প্রায়ই আলোচনা করে থাকে যৌথ নদী কমিশনের মাধ্যমে (Teesta Water Ties)।

     

  • Teesta River: দ্রুত বদলে যাচ্ছে তিস্তা নদীর গতিপথ, চিন্তার ভাঁজ সেচ দফতরে!

    Teesta River: দ্রুত বদলে যাচ্ছে তিস্তা নদীর গতিপথ, চিন্তার ভাঁজ সেচ দফতরে!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তিস্তার গতিপথে (Teesta River) বিরাট বদল হচ্ছে। পাল্টে যাচ্ছে নদীর গতিরেখা। চিন্তার ভাঁজ পড়েছে সেচ দফতরে। গত বছর অক্টোবর মাসে উত্তরবঙ্গ এবং সিকিমে তিস্তার ভয়াবহ রূপ দেখা গিয়ে ছিল। মূলত পাহাড়ের হড়পা বানে তছনছ হয়ে গিয়েছিল গোটা এলাকা। নদীর গতিপথ বদলে যাওয়ার বিষয় নিয়ে পরিবেশ বিজ্ঞানীরা ভীষণ ভাবে আশঙ্কাগ্রস্থ হয়ে পড়েছেন।

    রিভার রিসার্চ ইনস্টিটিউট সূত্রে খবর

    উত্তরবঙ্গের লাইফ লাইন হল তিস্তা নন্দী (Teesta River)। নদীর গতিপথ বদলে যাচ্ছে প্রতিবছর। বর্ষার জলে আরও প্রভাব ফেলবে তিস্তার নন্দী সংলগ্ন এলাকাগুলিতে। রিভার রিসার্চ ইনস্টিটিউটের তরফ থেকে বলা হয়েছে, নদীর গতিপথ নিয়ে সমীক্ষা করা হয়েছে। নদীপথ অনেক জায়গায় সরে গিয়েছে। কোথাও চওড়া আবার কোথাও সরু হয়ে গিয়েছে। এই রিপোর্ট চূড়ান্ত ভাবে দেবে সেচ দফতর। এরপর সেই ভাবেই ব্যবস্থা গ্রহণ করবে সেচ দফতর। বন্যা নিয়ন্ত্রণ এই ভাবেই করা হবে বলে জানা গিয়েছে।

    ২৮ কোটি টাকা ব্যায়ে শুরু কাজ

    প্রত্যেক বছর বর্ষা এলে তিস্তা (Teesta River) নিচু এলাকায় ঢুকে যাচ্ছে। প্রাথমিকভাবে সেচ দফতর ২৮ কোটি টাকা ব্যয় করে প্রাথমিক ভাবে কাজ শুরু করেছে বলে জানা গিয়েছে। একাধিক জায়গায় বন্যা রোধে স্পার তৈরি করা হয়েছে। সেবক থেকে সমতল এলাকায় বয়ে গিয়েছে এই তিস্তা। পাথুরে জমির উপর থেকে তিস্তার গতি বদলে যাচ্ছে।

    আরও পড়ুনঃ দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার ১৩ জন শিক্ষক-শিক্ষাকর্মীকে নিজাম প্যালেসে তলব করল সিবিআই

    জীবন-জীবীকা নির্ভর করে আছে নদীর উপর

    অপর দিকে উপগ্রহ চিত্রের মাধ্যমে দেখা গিয়েছে তিস্তার (Teesta River) গতি বদলে যাচ্ছে। উত্তরবঙ্গের একাধিক জায়গায় মানুষের জনজীবনের উপর তিস্তা বিরাট প্রভাব ফেলেছে, তাই নদীর গতিপথের উপর জীবন-জীবীকা নির্ভর করে রয়েছে অনেক মানুষের। আবার রাজ্যের সেতু দফতর নদীর গতিপথ বদলে যাওয়ার ছবি দেখে অবাক হয়ে গিয়েছে। ইতিমধ্যে রাজ্য এবং কেন্দ্রের সংশ্লিষ্ট দফতরে জানানো হয়েছে। গত বছর মেঘভাঙা বৃষ্টিতে জোয়ারে ভেসে গিয়েছিল তিস্তার জল। সিকিমের লোনাক হ্রদ জলের স্রোতে ভেসে গিয়েছিল। ঘটনায় ৪৬ জনের মৃত্যু হয়েছিল, ৭৭ জন নিখোঁজ ছিলেন। একই ভাবে ৮৮০০০ মানুষ সরাসরি প্রভাবিত হয়েছিলেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Teesta River: সেনাবাহিনীর অস্ত্র খুঁজতে জল ছাড়া হল তিস্তায়! এলাকায় আতঙ্ক

    Teesta River: সেনাবাহিনীর অস্ত্র খুঁজতে জল ছাড়া হল তিস্তায়! এলাকায় আতঙ্ক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এক ধাক্কায় তিস্তা ব্যারেজ থেকে ছাড়া হল প্রায় ৪ হাজার কিউসেক জল। এর ফলে তিস্তায় (Teesta River) জলস্তর বৃদ্ধির সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। বিস্তীর্ণ এলাকা জলমগ্নও হতে পারে। এমনই আশঙ্কা করছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। ইতিমধ্যে প্রশাসনের তরফে সতর্কতা জারি করা হয়েছে।

    সেনাবাহিনীর অস্ত্র উদ্ধারে তিস্তায় ছাড়া হল জল! (Teesta River)

    গত বছরের ৪ অক্টোবর ভয়াবহ হড়পা বানের সম্মুখীন হয় সিকিমের একাধিক এলাকা। ভেসে যায় সেনাবাহিনীর ক্যাম্প ও অস্ত্র। সেই সময় সেনাবাহিনীর অস্ত্র গ্রামবাসীদের অনেকে বাড়িতে মজুত রেখেছিলেন। এমনকী রকেট লঞ্চার ফেটে মৃত্যু হয়েছিল এক কিশোরের। সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে সেই সময় অভিযান চালিয়ে বহু অস্ত্র বাজেয়াপ্ত করা হয়েছিল। তবে, পরবর্তীতে হিসেব মিলিয়ে দেখা গিয়েছে, সেনাবাহিনীর যা অস্ত্র সিকিম বিপর্যয়ের কারণে হারিয়েছে তা উদ্ধার হয়নি। সূত্রের খবর, ওই অস্ত্র ও গোলা-বারুদের তল্লাশি চলছে এখনও। সূত্রের খবর, সোমবার তার খোঁজেই কালীঝোড়া বাঁধ থেকে প্রচুর পরিমাণে জল ছাড়া হয়েছে। পাশাপাশি যেসব গোলা-বারুদ এখনও পর্যন্ত উদ্ধার করে নিষ্ক্রিয় করা যায়নি, সেগুলি উদ্ধারের জন্য সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে তিস্তার পারে তৎপরতা শুরু করা হয়েছে। খরার মরশুমে নদীতে হারিয়ে যাওয়া অস্ত্র খুঁজতে বিপুল পরিমাণ জলের ধাক্কায় কাজে দেবে বলে মনে করছেন সেনাবাহিনীর কর্তারা। জলের তোড়ে পাহাড়ি নদীর (Teesta River) গায়ে আটকে থাকা অস্ত্রগুলি নীচে নেমে আসবে বলে তাদের ধারণা। এদিকে, সোমবার সেবকের কালীঝোড়া থেকে আচমকাই এই জল ছাড়ার ঘটনায় আতঙ্কে বেড়েছে তিস্তাপারের বাসিন্দাদের।

    মহকুমা শাসক কী বললেন?

    জলপাইগুড়ি সদরের মহকুমা শাসক তমোজিৎ চক্রবর্তী বলেন, তিস্তা ব্যারেজ থেকে জল ছাড়ার ফলে বন্যা পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় একাধিক পদক্ষেপ করা হয়েছে। অবশ্য জল ছাড়ার আগে নদী সংলগ্ন বাসিন্দাদের সচেতন করতে তিস্তা (Teesta River) সংলগ্ন একাধিক গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় চলেছে মাইকিং। এই শীতে নদী তীরবর্তী এলাকায় পিকনিকের মরশুম চলায় জল ছাড়ার আগে আলাদাভাবে সতর্কতামূলক পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Jalpaiguri: সিকিম বিপর্যয়ের জের! তিস্তায় মড়ক লেগেছে মাছের, উদ্বেগ

    Jalpaiguri: সিকিম বিপর্যয়ের জের! তিস্তায় মড়ক লেগেছে মাছের, উদ্বেগ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সিকিম বিপর্যয়ের পর জলপাইগুড়ি (Jalpaiguri) জেলায় তিস্তার পাড়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিল পুলিশ-প্রশাসন। কারণ, সেনাবাহিনীর বহু মর্টার মজুত ছিল সেখানে। সেই মর্টার বিস্ফোরণে প্রাণহানির মতো ঘটনা ঘটেছিল। পরে, সেনাবাহিনী ও পুলিশ-প্রশাসনের উদ্যোগে তিস্তার পাড় বিপদমুক্ত করা হয়। এরই মধ্যে তিস্তায় নতুন করে মাছের মড়ক শুরু হওয়ায় ব্যাপক আতঙ্ক দেখা দিয়েছে।

    প্রতিনিধি দল পাঠাচ্ছে মৎস্য দফতর (Jalpaiguri)

    গত ৪ অক্টোবর সিকিমে প্রাকৃতিক বিপর্যয়ে বন্যা পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল তিস্তায়। পাহাড় থেকে নদীর জলে ভেসে আসে সেনাবাহিনীর অস্ত্রশস্ত্র। জলপাইগুড়িতে (Jalpaiguri) মর্টার ফেটে একজনের মৃত্যু হয়। আহত হন একাধিকজন। এবার মাছের মড়ক শুরু হওয়ায় নতুন করে উদ্বেগ ছড়িয়েছে তিস্তার পাড়ে। গত ৪ অক্টোবর বন্যার সময় যুদ্ধসামগ্রীর পাশাপাশি বিভিন্ন ধরনের রাসায়নিক পদার্থ নদীতে ভেসে আসে স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছিল। তা থেকে জলদূষণের সম্ভাবনা উড়িয়ে দিচ্ছেন না বাসিন্দারা। মৃত মাছ না খাওয়ার পরামর্শ দেওয়ার পাশাপাশি মৎস্য দফতরের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন তিস্তাপাড়ের বাসিন্দারা। মরে ভেসে উঠছে শয়ে শয়ে নদীয়ালি মাছ। বোরোলি, দারাঙ্গি-সহ তিস্তার একাধিক প্রজাতির মাছের মড়ক লেগেছে। জলদূষণের কারণেই এই ঘটনা বলে অনুমান। ঘটনার কারণ খুঁজতে প্রতিনিধিদল পাঠাচ্ছে মৎস্য দফতর। জেলা প্রশাসন সূত্রে তা জানা গিয়েছে।

    স্থানীয় বাসিন্দাদের কী বক্তব্য?

    এমনিতে বোরোলি-সহ নদীয়ালি মাছগুলি জলপাইগুড়ি (Jalpaiguri) সহ উত্তরবঙ্গের অত্যন্ত জনপ্রিয়, সুস্বাদু। পর্যটক ছাড়াও স্থানীয় বাসিন্দাদের কাছেও এর খুব চাহিদা। তাই মাছের মড়কের খবরে চিন্তিত স্থানীয় বাসিন্দারা। স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, নদীর পাড়ে বোরোলি সহ বিভিন্ন মাছ উঠে ছটফট করতে করতে মরে যাচ্ছে। তিস্তার পাড়ে গেলে দেখা যাবে, লাইন দিয়ে মাছ মরে পড়ে রয়েছে। এখন এই মাছ খাওয়া ঠিক নয়। সকলকে এই মাছ না খাওয়ার জন্য বলা হয়েছে। কবে আবার প্রাণভরে এসব মাছের স্বাদ উপভোগ করতে পারবেন তাঁরা, তা নিয়েও অনিশ্চয়তায় রয়েছে সকলে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Teesta River: উত্তরবঙ্গের ‘লাইফ লাইন’ তিস্তার গতিপথ এভাবে বদলে গেল কেন?

    Teesta River: উত্তরবঙ্গের ‘লাইফ লাইন’ তিস্তার গতিপথ এভাবে বদলে গেল কেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গত অক্টোবরে সিকিমের ভয়াবহ হড়পা বানের জেরে বিপর্যয়ের রেশ কাটতে না কাটতেই আরও এক নতুন এবং অভাবনীয় বিপত্তি হাজির। আর তা হল, দুটি রাজ্য এবং দুটি দেশের মধ্যে দিয়ে আঁকাবাঁকা পথে এগিয়ে চলা তিস্তা নদীর (Teesta River) গতিপথই বদলে গিয়েছে। এ হল উপগ্রহ চিত্রে ধরা পড়া ছবি। এই দৃশ্য সামনে আসতেই সেচ দফতরের কর্তাদের কপালে চিন্তার ভাঁজ পড়েছে। কারণ, এ শুধু নিছকই পথ পরিবর্তন, এমনটা নয়। এর সঙ্গে তিস্তার দীর্ঘ পথের দুপাশের মানুষের জীবন-জীবিকা, অর্থনৈতিক উন্নয়ন সহ বিভিন্ন বিষয় জড়িত। সেই কারণেই উত্তরবঙ্গের অন্যতম প্রধান এই নদীকে বলা হয়ে থাকে উত্তরের ‘জীবন রেখা’। রাজ্য এবং কেন্দ্রীয় সরকারের সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দফতরের কাছে এই গতিপথ বদলের খবর পৌঁছে গিয়েছে। ঠিক কী হয়েছে, আপাতত তা পরীক্ষা করার কাজ চলছে। ঘটনাস্থলে আসছেন রিভার রিসার্চ ইনস্টিটিউটের প্রতিনিধিরাও। মনে রাখতে হবে তিস্তা আদপে একটি আন্তর্জাতিক নদী। ফলে বিষয়টি নিয়ে আন্তর্জাতিক স্তরেও যে আলাপ-আলোচনা এবং সমীক্ষা শুরু হবে, সে বিষয়ে কোনও সন্দেহ নেই।

    পরিস্থিতি আরও বিপজ্জনক? (Teesta River)

    সেচ দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, উপগ্রহ চিত্রে পাওয়া চিত্রের সঙ্গে বাস্তবের পরিস্থিতি আরও বেশি বিপজ্জনক হতে পারে। কারণ দূর থেকে ছবি তোলার কারণে খুবই ছোট ছোট পরিবর্তন হয়তো নজরে পড়ছে না। কেবলমাত্র বড় বড় বাঁকাচোরা বা সরে যাওয়ার বিষয়গুলিই উপগ্রহ চিত্রে ধরা পড়েছে। যেমন ওই চিত্র অনুযায়ী টোটোগাঁও ছেড়ে নদী ডান দিকে লালটং বস্তির দিকে চলে গেছে। গজলডোবা ব্যারাজের পরে নদী (Teesta River) আবার ডান দিক থেকে সরে গিয়েছে বাঁদিকে। ধর্মপুর এবং বাকালিতে ঘটেছে উল্টো ঘটনা। সিকিম বিপর্যয়ের পরেই যে এই ধরনের পরিবর্তন লক্ষ্য করা যাচ্ছে, সে কথা স্বীকার করেছেন সেচ দফতরের উত্তর-পূর্ব বিভাগের মুখ্য বাস্তুকার কৃষ্ণেন্দু ভৌমিক। এই পরিবর্তনের বিষয়টি দফতরের শীর্ষ কর্তাদের নজরে আনা হয়েছে বলেও তিনি জানিয়েছেন।

    কেন এমন হল? (Teesta River)

    বিভিন্ন জায়গায় নদীর গতিপথ কেন এভাবে বদলে গেল, তার যে ব্যাখ্যা মিলেছে, তা অবশ্য খুবই সহজ। হড়পা বান চলাকালীন নদীর বিরাট স্রোতের সঙ্গে পাহাড়ের উপর থেকে সমতলের বিভিন্ন জায়গায় আছড়ে পড়েছে বালি, পাথর ইত্যাদি। প্রকৃতি শান্ত হওয়ার পর এবং বিভিন্ন জায়গা থেকে জল নেমে যাওয়ার পর এই সমস্ত বালি এবং পাথর ডাঁই হয়ে বিভিন্ন জায়গায় জমে গেছে। এইসব জায়গাতেই নদী এসে বাধা পাচ্ছে এবং তার স্বাভাবিক প্রবাহ (Teesta River) বজায় রাখতে অন্যদিকে ঘুরে যাচ্ছে। বহু চাষযোগ্য জমির কাছাকাছি নদী চলে আসার ফলে সেখানকার মানুষ নতুন করে বন্যার আশঙ্কায় ভুগতে শুরু করেছেন। 

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share