Tag: tejas mk2

tejas mk2

  • LCA Tejas Mk1A: মার্চ মাসেই প্রথম ‘তেজস মার্ক-১এ’ হাতে পাচ্ছে বায়ুসেনা?

    LCA Tejas Mk1A: মার্চ মাসেই প্রথম ‘তেজস মার্ক-১এ’ হাতে পাচ্ছে বায়ুসেনা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশীয় যুদ্ধবিমান লাইট কমব্যাট এয়ারক্র্যাফট (এলসিএ) তেজস মার্ক-১এ (LCA Tejas Mk1A) সংস্করণের উৎপাদন জোরকদমে চলছে। প্রথম বিমানের নির্মানের কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে পৌঁছেছে। হতে পারে, প্রথম তেজস মার্ক-১এ যুদ্ধবিমানটি মার্চ মাসেই হস্তান্তর করা হবে। একইসঙ্গে, দ্রুতগতিতে কাজ চলছে তেজসের সর্বাধুনিক সংস্করণ মার্ক-২ যুদ্ধবিমানের (HAL Tejas Mk2) প্রথম প্রোটোটাইপের পূর্ব-প্রস্তুতি পর্ব। সূত্রের খবর, ২০২৭ সাল নাগাদ এই মিডিয়াম কমব্যাট এয়ারক্র্যাফটের উৎপাদন শুরু হতে পারে।

    প্রথম তেজস মার্ক-১এ মার্চ মাসেই?

    ভারতীয় বায়ুসেনায় কমতে থাকা যুদ্ধবিমানের সংখ্যার মোকাবিলা করতে ২০২১ সালে তেজস মার্ক-১এ (LCA Tejas Mk1A) কেনার সবুজ সঙ্কেত দিয়েছিল কেন্দ্র। বর্তমানে ব্যবহৃত মার্ক-১ যুদ্ধবিমানগুলির তুলনায় মার্ক-১এ সংস্করণের ক্ষমতা অনেকটাই বেশি। এছাড়া এতে রয়েছে নতুন প্রজন্মের অত্যাধুনিক রেডার, ইলেক্ট্রনিক ওয়ারফেয়ার সিস্টেম, মিড-এয়ার রিফুয়েলিংয়ের মতো বৈশিষ্ট্য ও সুবিধা। এমন ৮৩টি এলসিএ তেজস মার্ক-১এ যুদ্ধবিমানের বরাত দেওয়া হয়েছিল দেশীয় সংস্থা হিন্দুস্থান অ্যারোনটিক্স লিমিটেড বা হ্যাল-কে। জানা যাচ্ছে, প্রথম বিমানটি মার্চ মাসেই বায়ুসেনার হাতে তুলে দেওয়া হবে। অগাস্ট মাস নাগাদ বায়ুসেনার হাতে চলে আসতে পারে ৪টে তেজস মার্ক-১এ।

    উৎপাদন ক্ষমতা বৃদ্ধিতে জোর 

    সূত্রে খবর, প্রথমে বরাত দেওয়া ৮৩টি মার্ক-১এ (LCA Tejas Mk1A) ছাড়াও আরও অতিরিক্ত ৯৭টি যুদ্ধবিমান কেনার কথা ভাবছে বায়ুসেনা। বর্তমানে, দেশে যুদ্ধবিমান উৎপাদনের বার্ষিক ক্ষমতা ৮। অর্থাৎ, ফি-বছর ৮টি যুদ্ধবিমান উৎপাদনের ক্ষমতা ও পরিকাঠামো রয়েছে দেশে। সেটিকে বাড়িয়ে ১৬ করার চেষ্টা চলছে। সম্ভবত, চলতি বছরেই সেই পরিকাঠামো তৈরি হয়ে যেতে পারে। সেক্ষেত্রে, বায়ুসেনায় নতুন বিমানের অন্তর্ভুক্তিকরণের সময় অর্ধেক হয়ে যাবে বলে আশা করা হচ্ছে।

    ২০২৭ সালেই তেজস মার্ক-২

    বায়ুসেনা সূত্রে খবর, একবার উৎপাদন বৃদ্ধি পেলে, তেজস মার্ক-২ যুদ্ধবিমান (HAL Tejas Mk2) নিয়ে দ্রুত এগনো সম্ভব হবে। এখনও পর্যন্ত যা জানা যাচ্ছে, তা হল— ২০২৫ সালের মধ্যে তেজসের এই মিডিয়াম কমব্যাট ভেরিয়েন্ট বা সংস্করণের প্রথম প্রোটোটাইপ উন্মোচিত হবে। সেটিতে পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালানোর পর ২০২৭ সাল নাগাদ এই বিমানের উৎপাদন শুরু করা সম্ভব হবে বলে মনে করা হচ্ছে। বায়ুসেনা সূত্রে খবর, মার্ক-১এ (LCA Tejas Mk1A) তুলনায় মার্ক-২ আরও অনেক বেশি ভারী ও শক্তিশালী হতে চলেছে। যে কারণে, এটি এলসিএ শ্রেণিভুক্ত না হয়ে মিডিয়াম ক্যাটেগরিতে স্থান পেয়েছে। এটির ক্ষেপণাস্ত্র বহন ক্ষমতা অনেক বেশি হতে চলেছে। পাশাপাশি, ক্ষেপণাস্ত্রের বৈচিত্র্যেও এটি পূর্বসূরিদের টেক্কা দেবে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Rafale-M Fighters: চলছে দর কষাকষি! রাফাল-এম চুক্তি করতে ভারতে ফরাসি দল

    Rafale-M Fighters: চলছে দর কষাকষি! রাফাল-এম চুক্তি করতে ভারতে ফরাসি দল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জুলাই মাসে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ফ্রান্স সফরের ঠিক পরেই নৌসেনার জন্য ২৬টি রাফাল-এম (ফরাসি যুদ্ধবিমানের মেরিন বা নৌ-সংস্করণ) কেনার বিষয়ে অনুমোদন দিয়েছিল কেন্দ্র (Rafale-M Fighters)। উন্নতমানের এই যুদ্ধবিমানগুলোকে ভারতের বিমানবাহী রণতরী আইএনএস বিরাট-এ মোতায়েন করা হবে। এবার সেই চুক্তির বিষয়বস্তু (Navy Fighter Jet Deal) নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করতে ও তাকে বাস্তব রূপ দিতে সম্প্রতি ভারতে এসেছিল ফরাসি প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের এক শীর্ষ কর্তার নেতৃত্বাধীন দল। 

    চুক্তি মূল্য ৫৫০ কোটি মার্কিন ডলার!

    কেন্দ্রীয় সূত্রের খবর, ভারতে যে প্রতিনিধি দল এসেছিল, তার নেতৃত্বে ছিলেন ফরাসি প্রতিরক্ষা বিষয়ক দফতরের দায়িত্বপ্রাপ্ত (এশিয়া অঞ্চল) আধিকারিক। অন্যদিকে, ভারতের প্রতিনিধিত্ব করেন নৌসেনার উপ-প্রধান রিয়ার অ্যাডমিরাল জনক বেভলি। সূত্রের খবর, চুক্তি (Navy Fighter Jet Deal) সংক্রান্ত পরবর্তী ধাপগুলোর আলোচনা করতেই ভারত সফরে আসা ওই প্রতিনিধি দলের। জানা যাচ্ছে, মোট চুক্তি মূল্য হতে পারে ৫৫০ কোটি মার্কিন ডলার। দুপক্ষের মধ্যে দর কষাকষি চলবে এখন।

    আরও পড়ুন: ভারতীয় নৌসেনায় আসছে ২৬টি ‘রাফাল এম’ যুদ্ধবিমান! ট্যুইটে ঘোষণা দাসোর

    এফ-১৮ সুপার হর্নেটকে হারিয়ে বরাত জেতে রাফাল-এম

    নৌসেনার জন্য ২৬টি যুদ্ধবিমান (Rafale-M Fighters) কিনতে ইচ্ছাপ্রকাশ করে ভারত। সেই মোতাবেক, একাধিক সংস্থা ভারতের এই বরাত পাওয়ার দৌড়ে অবতীর্ণ হয়। চূড়ান্ত পর্যায়ে, দুই বিমানের মধ্যে তীব্র প্রতিযোগিতা হয়। একটি ছিল ফরাসি সংস্থা দাসো নির্মিত রাফাল-এম। অন্যটি, মার্কিন বোয়িং নির্মিত এফ-১৮ ই/এফ সুপার হর্নেট। শেষমেশ, ফরাসি রাফাল নির্বাচিত করে ভারত। জুলাই মাসে এই মর্মে, প্রস্তাব পাশ করে প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিংয়ের নেতৃত্বাধীন ডিফেন্স অ্যাকুইজিশন কাউন্সিল (Navy Fighter Jet Deal)। 

    ভারতের প্রয়োজনতীয়তাকে গুরুত্ব ফ্রান্সের

    কেন্দ্রীয় সূত্রের খবর, আলোচনায় ফরাসি দল জানিয়েছে, ভারতের প্রয়োজনতীয়তাকে গুরুত্ব দিয়ে তারা রাফাল (Rafale-M Fighters) উৎপাদনের সংখ্যা বর্তমানে বছরে ১৮ থেকে বৃদ্ধি করে ৩০ পর্যন্ত করতে পারে। অন্যদিকে, ভারতের তরফে জানানো হয়েছে, নতুন যুদ্ধবিমানগুলোতে দেশীয় আকাশ-থেকে-আকাশ মাঝারি পাল্লার অস্ত্র মিসাইলকে যুক্ত করার সংস্থান থাকতে হবে। এই চুক্তি রূপায়িত হলে ভারতীয় নৌসেনার শক্তি এক লাফে কয়েকগুন বেড়ে যাবে বলে মনে করা হচ্ছে। 

    ভারত-ফ্রান্সের প্রতিরক্ষা সম্পর্ক দীর্ঘ

    এখানে বলে দেওয়া যাক, এর আগে, ২০১৫ সালে মোদির ফ্রান্স সফরে ৩৬টি রাফাল কেনার বিষয়ে চুক্তি হয়েছিল। একেবারে, দুই সরকারের মধ্যে ওই চুক্তি মোতাবেক ভারত ফ্রান্সের থেকে একেবারে তৈরি অবস্থায় (ফ্লাই-অ্যাওয়ে) ৩৬টি রাফাল যুদ্ধবিমান বায়ুসেনার জন্য কেনা হয়েছিল। ইতিমধ্যেই ভারতে এসেছে সেই যুদ্ধবিমানগুলি। এর অনেক আগে, ১৯৮০ সালে মিরজ বিমানও কিনেছিল ভারত। এখনও সেই যুদ্ধবিমানের দুটি স্কোয়াড্রন ভারতীয় বায়ুসেনার অংশ। ২০০৫ সালে ৬টি স্করপিন ক্লাস ডিজেল সাবমেরিন ফ্রান্স থেকে এসেছিল ভারতে। আরও ২টোর চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে সম্প্রতি। সেই সঙ্গে আসছে ২৬টি রাফাল-এম যুদ্ধবিমান (Rafale-M Fighters)।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • HAL-GE Jet Engine Deal: প্রস্তাব পাশ মার্কিন কংগ্রেসে, যৌথ উদ্যোগে ভারতেই তৈরি হবে যুদ্ধবিমানের জেট ইঞ্জিন

    HAL-GE Jet Engine Deal: প্রস্তাব পাশ মার্কিন কংগ্রেসে, যৌথ উদ্যোগে ভারতেই তৈরি হবে যুদ্ধবিমানের জেট ইঞ্জিন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দ্বিপাক্ষিক সমঝোতা স্বাক্ষরিত হয়েছিল প্রধানমন্ত্রীর ঐতিহাসিক মার্কিন রাষ্ট্রীয় সফরকালে। ভারত-মার্কিন যুদ্ধবিমানের জেট ইঞ্জিন উৎপাদনের চুক্তিকে এবার সবুজ সঙ্কেত দিল মার্কিন কংগ্রেসও (HAL-GE Jet Engine Deal)। ফলে, দুদেশের যৌথ উদ্যোগে ভারতেই তৈরি হবে যুদ্ধবিমানের জেট ইঞ্জিন।

    ভারত-মার্কিন এফ-৪১৪ জেট ইঞ্জিন চুক্তি

    গত গত জুন মাসে তিনদিনের রাষ্ট্রীয় সফরে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে গিয়েছিলেন নরেন্দ্র মোদি (PM Narendra Modi)। সেই সময় দেশীয় যুদ্ধবিমান প্রস্তুতকারক সংস্থা হিন্দুস্তান অ্যারোনটিক্স লিমিটেড (হ্যাল)-এর (HAL) সঙ্গে সমঝোতা হয়েছিল মার্কিন সংস্থা জেনারেল ইলেকট্রিক (জিই)। চুক্তি (HAL-GE Jet Engine Deal) অনুযায়ী, যৌথ উদ্যোগে যুদ্ধবিমানের জন্য এফ-৪১৪ জেট ইঞ্জিন (F-414 Jet Engine) তৈরি হবে। ভারতেই তৈরি হবে ইঞ্জিনগুলি। ফলে, ভারতের হাতে প্রযুক্তি হস্তান্তর করতে হবে জিই-কে। যেহেতু, এই চুক্তি দুই সরকারের মধ্যে না হয়ে দুটি সংস্থার মধ্যে ছিল, তাই বাস্তবায়নের জন্য এই চুক্তির মার্কিন কংগ্রেসের অনুমোদন পাওয়ার প্রয়োজন ছিল।

    বাইডেনের ভারত সফরেই চূড়ান্ত চুক্তি?

    নিয়ম অনুযায়ী, চুক্তির বিষয়টি মার্কিন বিদেশ দফতরের তরফে মার্কিন কংগ্রেস এবং সেনেটের বিদেশ বিষয়ক কমিটিকে বিষয়টি জানানো হয়েছিল। প্রথা অনুযায়ী, কমিটিকে জানানোর নির্দেশিকা জারির ৩০ দিনের মধ্যে যদি কোনও কংগ্রেস সদস্য আপত্তি না জানান, তাহলে ধরে নেওয়া হয়, প্রস্তাব পাশ হয়েছে (HAL-GE Jet Engine Deal)। মার্কিন সংবাদসংস্থার খবর, এই চুক্তির প্রস্তাবে কেউ আপত্তি না জানানোয় তা আপনা-আপনি গৃহীত হয়। জি-২০ বৈঠকের জন্য সেপ্টেম্বরেই ভারত সফরে আসছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। সূত্রের খবর, তখনই জেট ইঞ্জিন চুক্তি চূড়ান্ত হবে।

    আরও পড়ুন: সামরিক শক্তিকে মজবুত করতে বিশেষ ফাইটার ইঞ্জিন তৈরি হবে ভারতেই

    ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’-এ জোর মোদি সরকারের

    ২০১৪ সালে ক্ষমতায় আসা ইস্তক, ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’-র ওপর জোর দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। কেন্দ্রীয় সরকারের লক্ষ্য, বিদেশ থেকে সরাসরি আমদানি কমিয়ে দেশে উৎপাদন করা। কেন্দ্রের এই নীতির স্বপক্ষে ভারতে এখন বহু পণ্য উৎপাদন হচ্ছে, যা আগে বিদেশ থেকে সরাসরি আমদানি করা হতো। সেই তালিকায় আরও একটি নাম জুড়তে চলেছে। এবার দেশে তৈরি হবে অত্যাধুনিক ফাইটার জেট ইঞ্জিন (HAL-GE Jet Engine Deal)।

    তেজস মার্ক-২ যুদ্ধবিমানে ব্যবহৃত হবে এই ইঞ্জিন

    আমেরিকার আইনসভা এই চুক্তিকে ছাড়পত্র (India-US Jet Engine Deal) দেওয়ায় এবার জিই-র থেকে প্রয়োজনীয় ছাড়পত্র পাওয়ার পর এদেশেই এফ-৪১৪ জেট ইঞ্জিন বানাতে পারবে হ্যাল। ৮০ শতাংশ প্রযুক্তি হ্যাল-এর হাতে তুলে দেবে জেনারেল ইলেকট্রিক। যা ঐতিহাসিক বলে মনে করা হচ্ছে। কারণ, এর আগে প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে এতটা প্রযুক্তি হস্তান্তর কারও সঙ্গে করেনি কোনও মার্কিন সরকার। আশা করা হচ্ছে, তিনবছরের মধ্যেই ভারতে তৈরি হয়ে যাবে প্রথম এফ-৪১৪ ইঞ্জিন (F-414 Jet Engine)। ভারতে তৈরি তেজস মার্ক-২ যুদ্ধবিমানে ব্যবহৃত হবে এই ইঞ্জিন।

    শক্তিশালী ইঞ্জিনের খোঁজে ছিল ভারতীয় বায়ুসেনা

    বর্তমানে ভারতীয় বায়ুসেনায় অন্তর্ভুক্ত লাইট কমব্যাট এয়ারক্র্যাফট ‘তেজস মার্ক ১’ যুদ্ধবিমানের জন্য এই জিই সংস্থার ‘এফ-৪০৪’ ইঞ্জিন ব্যবহৃত হয়। সেটিও এদেশেই তৈরি হয়। কিন্তু, পূর্বসূরীর তুলনায় আরও ক্ষমতাশালী পরবর্তী প্রজন্মের বিমান হতে চলেছে ‘তেজস মার্ক ২’ (Tejas Mk2)। এটি মিডিয়াম কমব্যাট ক্যাটেগরির। এটি হতে চলেছে আধুনিক, ভারী এবং বেশি অস্ত্রবহনে সক্ষম। ফলত, ‘এফ-৪০৪’ ইঞ্জিন যথেষ্ট নয়। দীর্ঘদিন ধরেই অধিক শক্তিশালী ইঞ্জিনের খোঁজ করছিল বায়ুসেনা। এবার, তেজস মার্ক-২ পাবে অত্যাধুনিক এফ-৪১৪ ইঞ্জিন। 

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • LCA Tejas Mk-1A: আরও ১০০টি তেজস মার্ক-১এ যুদ্ধবিমান কিনছে ভারতীয় বায়ুসেনা! শীঘ্রই বরাত হ্যাল-কে

    LCA Tejas Mk-1A: আরও ১০০টি তেজস মার্ক-১এ যুদ্ধবিমান কিনছে ভারতীয় বায়ুসেনা! শীঘ্রই বরাত হ্যাল-কে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চিন-পাকিস্তান দ্বৈত সীমান্তের কথা মাথায় রেখে ভারতীয় বায়ুসেনাকে (Indian Air Force) শক্তিশালী করার প্রক্রিয়া বেশ কয়েক বছর ধরেই করে আসছে মোদি সরকার। সেই প্রক্রিয়াকে এগিয়ে নিয়ে যেতে দেশীয় লাইট কমব্যাট এয়ারক্র্যাফট (এলসিএ) তেজস যুদ্ধবিমানের আরও ১০০টি নতুন ‘মার্ক ১এ’ (LCA Tejas Mk-1A) সংস্করণ কেনার বিষয়ে উদ্যোগী হলো বায়ুসেনা। এই প্রেক্ষিতে একটি প্রস্তাব বায়ুসেনার তরফে কেন্দ্রের কাছে পেশ করা হতে পারে। সূত্রের খবর, হয়ত তা কেন্দ্রের সবুজ সঙ্কেত পেয়েও যাবে। সব ঠিকঠাক চললে, খুব শীঘ্রই এই বিমান প্রস্তুতকারী সংস্থা হিন্দুস্তান অ্যারোনটিক্স লিমিটেডকে বরাত দেওয়া হবে বলে জানা গিয়েছে। 

    বায়ুসেনায় ৩০০টির ওপর তেজস

    বায়ুসেনার (Indian Air Force) তরফে যে প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে, সেই অনুযায়ী, ‘তেজস মার্ক ১এ’ (LCA Tejas Mk-1A) যুদ্ধবিমানের আধুনিক সংস্করণের ১০০টি ইউনিট কেনা হবে। খুব দ্রুত এর জন্য বরাত দেওয়া হবে হ্যাল-কে। জানা গিয়েছে, এই ১০০টি বিমান হাতে আসতে প্রায় ১৫ বছর লাগবে। সেটা হওয়ার পর বায়ুসেনার হাতে ৪০টি এলসিএ তেজস মার্ক-১, ১৮০টি এলসিএ তেজস মার্ক-১এ এবং অন্তত ১২০টি তেজস মার্ক-২ (বর্তমানে পরীক্ষার স্তরে) যুদ্ধবিমান থাকবে। 

    গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে বায়ুসেনা প্রধান

    বুধবার, বায়ুসেনার (Indian Air Force) সদর দফতরে এলসিএ প্রকল্পের অগ্রগতি সম্পর্কে খোঁজখবর নেন বায়ুসেনা প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল ভি আর চৌধুরি। সেখানেই বায়ুসেনার উচ্চ পদস্থ আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠক হয়। ওই বৈঠকে বায়ুসেনার শীর্ষ আধিকারিকদের পাশাপাশি উপস্থিত ছিলেন প্রতিরক্ষা মন্ত্রক, হ্যাল, ডিআরডিও এবং এডিএ-র শীর্ষ পদাধিকারীরা। সেখানেই এই ১০০টি যুদ্ধবিমান (LCA Tejas Mk-1A) কেনার বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণ হয়। মৌখিকভাবে, হ্যালকে সেই সিদ্ধান্ত জানিয়েও দেওয়া হয়েছে। আপাতত, অপেক্ষা সরকারি সিলমোহরের। 

    দেশের গর্ব এলসিএ তেজস

    চতুর্থ প্রজন্মের ‘লাইট কমব্যাট এয়ারক্র্যাফ্‌ট’ গোত্রের তেজস সম্পূর্ণ দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি। এর ৬৫ শতাংশেরও বেশি যন্ত্রাংশ ও সরঞ্জামও ভারতীয় সংস্থাগুলি তৈরি। ছ’দশকের পুরনো রুশ যুদ্ধবিমান মিগ-২১ বাইসন যুদ্ধবিমানের পরিবর্ত হিসেবে তেজস ব্যবহার করতে শুরু করে ভারতীয় বায়ুসেনা। ভারতীয় বায়ুসেনায় এলসিএ তেজস মার্ক-১ যুদ্ধিবিমানের অন্তর্ভুক্তি হয়েছিল ২০১৬ সালে। প্রথম স্কোয়াড্রনটি ছিল বায়ুসেনার ৪৫ স্কোয়াড্রন, পোশাকী নাম ‘ফ্লাইং ড্যাগার্স’। তেজস ব্যবহারের আগে, এই স্কোয়াড্রন মিগ-২১ বাইসন ব্যবহার করতো। 

    চলছে আধুনিকীকরণ

    পরবর্তীকালে, ২০২১ সালের গোড়ায় দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি ৮৩টি হালকা যুদ্ধবিমান তেজসের উন্নত সংস্করণ মার্ক-১এ (LCA Tejas Mk-1A) কেনার বিষয়ে ছাড়পত্র দিয়েছিল কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার নিরাপত্তা বিষয়ক কমিটি। এখন সেগুলির উৎপাদন চলছে সংস্থার বেঙ্গালুরুর কারখানায়। হ্যাল-এর তরফে জানানো হয়েছে, ২০২৪ ফেব্রুয়ারি থেকেই ওই শুরু হবে এই বিমানগুলোর ডেলিভারি প্রক্রিয়া। তার আগেই, বায়ুসেনার (Indian Air Force) তরফে আরও ১০০টি আধুনিক সংস্করণের যুদ্ধবিমানের বরাত পেতে চলেছে হ্যাল। উৎপাদনের পাশাপাশি, প্রতিনিয়ত এই যুদ্ধবিমানকে আরও শক্তিশালী ও আধুনিক করার প্রক্রিয়া একইসঙ্গে চলছে। তেজসকে সম্প্রতি ‘অ্যাক্টিভ ইলেকট্রনিক্যালি স্ক্যান্‌ড অ্যারো রেডার’ (এএসইএ), মিড এয়ার ফুয়েলিংয়ে সজ্জিত করার কাজও সম্পূর্ণ করে ফেলেছে হ্যাল। ইতিমধ্যেই ভারতীয় নৌবাহিনীর বিমানবাহী রণতরী আইএনএস বিক্রমাদিত্য (INS Vikramaditya) থেকে সফল উড়ান এবং অবতরণ পরীক্ষা হয়েছে তেজসের। 

    শক্তিশালী ‘অস্ত্র’-এ সজ্জিত তেজস

    শুধু তাই নয়, তেজস-এর (LCA Tejas Mk-1A) মারণ ক্ষমতা বৃদ্ধি করার পরীক্ষাও চলছে ক্রমাগত। বুধবারই ২০ হাজার ফুট উচ্চতায় তেজস যুদ্ধবিমান থেকে পরীক্ষামূলকভাবে নিক্ষেপ করা হয় স্বদেশীয় ‘অস্ত্র’ ক্ষেপণাস্ত্রের। গোয়ায় ডিআরডিও-র তত্ত্বাবধানে এই পরীক্ষা চলে। ‘অস্ত্র’  হলো ১০০ কিলোমিটার পাল্লার মাক ৪.৫ (শব্দের চেয়ে সাড়ে চার গুণ বেশি গতি) বিয়ন্ড ভিজ্যুয়াল রেঞ্জ বা দৃষ্টিসীমার বাইরে থাকা লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে সক্ষম আকাশ-থেকে-আকাশ ক্ষেপণাস্ত্র। এক কথায়, বিমান থেকে এই ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়া যায়। এই ক্ষেপণাস্ত্র মূলত আকাশপথে হামলাকারী শত্রু বিমান, হেলিকপ্টার, ক্ষেপণাস্ত্র, ড্রোন ধ্বংস করতে সক্ষম। সুখোই-৩০ যুদ্ধবিমানে ইতিমধ্যেই যুক্ত করা হয়েছে এই মিসাইল। বুধবারের পরীক্ষা সফল হওয়ায়, শীঘ্রই তেজসেও এই বিশেষ ক্ষেপণাস্ত্র যুক্ত করা হবে। বর্তমানে এই ক্ষেপণাস্ত্রের আরও উন্নত ও অধিক ১৬০ কিমি পাল্লার সংস্করণ নিয়ে পরীক্ষা চলছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Tejas Mk2 Engine: মোদির সফরেই মউ স্বাক্ষর! ভারতেই তৈরি হবে ‘তেজস’-এর উন্নত ইঞ্জিন

    Tejas Mk2 Engine: মোদির সফরেই মউ স্বাক্ষর! ভারতেই তৈরি হবে ‘তেজস’-এর উন্নত ইঞ্জিন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তিনদিনের রাষ্ট্রীয় সফরে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে রয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। বৃহস্পতিবার হোয়াইট হাউসে তাঁর সম্মানে রাষ্ট্রীয় নৈশভোজের আয়োজন করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন ও তাঁর স্ত্রী ফার্স্ট লেডি জিল। তার আগেই, গুরুত্বপূর্ণ চুক্তি (HAL-GE Jet Engine Deal) সারলেন দুই দেশের কর্তারা। 

    হ্যাল-জিই মউ স্বাক্ষর

    সংবাদসংস্থা সূত্রের খবর, ভারতে তৈরি প্রথম যুদ্ধবিমান ‘তেজস’-এর মার্ক ২ (Tejas Mk2 Engine) ভেরিয়েন্টের জন্য উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন ‘এফ-৪১৪’ ইঞ্জিন তৈরি করবে মার্কিন সংস্থা জিই। তেজস যুদ্ধবিমানের প্রস্তুতকারী সংস্থা হিন্দুস্থান অ্যারোনটিক্স লিমিটেডের (সংক্ষেপে হ্যাল) সঙ্গে যৌথ উদ্যোগে ভারতেই তৈরি হবে ওই জেট ইঞ্জিন। এদিন এই মর্মে মউ স্বাক্ষর (HAL-GE Jet Engine Deal) করেন দুই সংস্থার কর্তারা। প্রধানমন্ত্রীর সফরেই এই চুক্তি হওয়ায় তার তাৎপর্য অনেকটাই বেড়ে গেল।

    মেক ইন ইন্ডিয়া-এ জোর

    ২০১৪ সালে ক্ষমতায় আসা ইস্তক, ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’-র ওপর জোর দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। কেন্দ্রীয় সরকারের লক্ষ্য বিদেশ থেকে সরাসরি আমদানি কমিয়ে দেশে উৎপাদন কর। কেন্দ্রের এই নীতির স্বপক্ষে ভারতে এখন বহু পণ্য উৎপাদন হচ্ছে, যা আগে বিদেশ থেকে সরাসরি আমদানি করা হতো। সেই তালিকায় আরও একটি নাম জুড়ল। এবার দেশে তৈরি হবে অত্যাধুনিক ফাইটার জেট ইঞ্জিন (HAL-GE Jet Engine Deal)।

    শক্তিশালী ইঞ্জিনের খোঁজ

    বস্তুত, বর্তমানে ভারতীয় বায়ুসেনায় অন্তর্ভুক্ত লাইট কমব্যাট এয়ারক্র্যাফট ‘তেজস মার্ক ১’ যুদ্ধবিমানের জন্য এই জিই সংস্থার ‘এফ-৪০৪’ ইঞ্জিন ব্যবহৃত হয়। সেটিও এদেশেই তৈরি হয়। কিন্তু, পূর্বসূরীর তুলনায় ভারী তথা আরও ক্ষমতাশালী পরবর্তী প্রজন্মের বিমান হতে চলেছে ‘তেজস মার্ক ২’ (Tejas Mk2 Engine)। এটি সম্ভবত হতে চলেছে মিডিয়াম কমব্যাট ক্যাটেগরির। এটি আরও আধুনিক ও বেশি অস্ত্রবহনে সক্ষম। ফলত, ‘এফ-৪০৪’ ইঞ্জিন যথেষ্ট নয়। দীর্ঘদিন ধরেই শক্তিশালী ইঞ্জিনের খোঁজ করছিল ভারত। অনেক পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর মার্ক ২ সংস্করণের জন্য ‘এফ-৪১৪’ ইঞ্জিন বাছাই করা হয়। 

    সুবিধা হবে অ্যামকা নির্মাণেও

    শুধু তেজস মার্ক ২ (Tejas Mk2 Engine) নয়, এই চুক্তির ফলে, ভারত যে পঞ্চম প্রজন্মের ফাইটার যুদ্ধবিমান তৈরি করছে, সেই অ্যাডভান্সড মিডিয়াম কমব্যাট এয়ারক্র্যাফট বা ‘অ্যামকা’-র প্রথম সংস্করণে এই ‘এফ-৪১৪’ ইঞ্জিন ব্যবহার করা হবে। ফলে, সেই দিক থেকে এবার ভারতের থমকে থাকা অ্যামকা প্রকল্পটিও জেট-ইঞ্জিনের গতি পাবে বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল। 

    আরও পড়ুন: মোদির হাত ধরে বাংলার শিল্প এবার হোয়াইট হাউজে

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     
     
LinkedIn
Share