Tag: Telangana

Telangana

  • Rashmi Group: ‘পদ্মময়’ বাংলায় ৩৫,০০০ কোটি টাকার নয়া লগ্নির পরিকল্পনার ঘোষণা রশ্মি গ্রুপের

    Rashmi Group: ‘পদ্মময়’ বাংলায় ৩৫,০০০ কোটি টাকার নয়া লগ্নির পরিকল্পনার ঘোষণা রশ্মি গ্রুপের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ডাবল ইঞ্জিন সরকার ক্ষমতায় আসতেই পশ্চিমবঙ্গে বিনিয়োগ করতে ঝাঁপিয়ে পড়েছেন শিল্পপতিরা। এবার ‘পদ্মময়’ বাংলায় ইস্পাত, বিদ্যুৎ এবং খনি খাতে ৩৫,০০০ কোটি টাকার নয়া বিনিয়োগ পরিকল্পনার কথা ঘোষণা করল রশ্মি গ্রুপ (Rashmi Group)। শুক্রবার এই শিল্পগোষ্ঠীর তরফে জারি করা এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, প্রতিবছর লোহা ও ইস্পাত উৎপাদন ক্ষমতা আরও ৭ মিলিয়ন টন বাড়াতে ৩০,০০০ কোটিরও বেশি টাকা বিনিয়োগ করা হবে। বীরভূম ও পশ্চিম বর্ধমান জেলায় অধিগৃহীত তিনটি কয়লাখনি চালু করার (Power Projects) জন্য আরও ৫,০০০ কোটি টাকা ব্যয় করা হবে।

    রশ্মি গ্রুপের পরিকল্পনা (Rashmi Group)

    চলতি বছরের জানুয়ারিতে, গ্রুপটি তেলঙ্গনা সরকারের সঙ্গে ১২,৫০০ কোটি টাকার প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য মউ (MoU) সই করেছিল। তবে এ রাজ্যে প্রস্তাবিত সম্প্রসারণ প্রকল্পগুলির বিস্তারিত তথ্য, নির্দিষ্ট অবস্থান, জমির প্রয়োজনীয়তা বা সংশোধিত বাস্তবায়ন পরিকল্পনার কথা প্রকাশ করেনি ওই শিল্পগোষ্ঠী। প্রসঙ্গত, ২০২৫ সালের অক্টোবরে রশ্মি গ্রুপ পুরুলিয়ায় ১০,০০০ কোটি টাকার বিনিয়োগে একটি ২.৮ মিলিয়ন টন ক্ষমতাসম্পন্ন ইস্পাত কারখানা এবং ৪০০ মেগাওয়াট ক্যাপটিভ বিদ্যুৎ প্রকল্প স্থাপনের পরিকল্পনার কথা ঘোষণা করেছিল। সেই সময় রাজ্য সরকার প্রকল্পটির জন্য প্রায় ৯৩৮ একর জমি বরাদ্দ করেছিল।

    কর্মসংস্থান হবে ৫০ হাজারের

    তবে এদিনের ঘোষণায় উল্লেখ করা হয়নি যে, পুরুলিয়ার আগের প্রকল্পটি নয়া  ৩৫,০০০ কোটি টাকার বিনিয়োগ পরিকল্পনার অন্তর্ভুক্ত কি না, অথবা প্রকল্পের বিন্যাস, জমি বরাদ্দ কিংবা সময়সূচিতে কোনও পরিবর্তন আনা হয়েছে কি না। সংস্থাটি জানিয়েছে, নয়া লগ্নি পরিকল্পনায় জুড়বে পুরুলিয়া, পশ্চিম বর্ধমান, বীরভূম, ঝাড়গ্রাম এবং পশ্চিম মেদিনীপুর জেলা। কোম্পানির দাবি, শুধুমাত্র ইস্পাত উৎপাদন ক্ষমতা বৃদ্ধির প্রকল্প থেকেই প্রায় ৩৫,০০০ প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে। কয়লাখনি প্রকল্পগুলি থেকে আরও ১৫,০০০টি চাকরির সুযোগ তৈরি হতে পারে (Rashmi Group)।

     রশ্মি গ্রুপের বক্তব্য

    ওই শিল্পগোষ্ঠী জানিয়েছে, তারা ইতিমধ্যেই পশ্চিমবঙ্গে প্রায় ২৫,০০০ কোটি টাকা বিনিয়োগ করেছে। বর্তমানে রাজ্যে তারা ১০ মিলিয়ন টন প্রতি বছর (MTPA) ইস্পাত কারখানা, ৮৫০ মেগাওয়াট ক্যাপটিভ বিদ্যুৎ কেন্দ্র এবং ১.৪৫ মিলিয়ন টন প্রতি বছর সিমেন্ট উৎপাদন ইউনিট পরিচালনা করছে। রশ্মি গ্রুপের বাণিজ্য, খনি কৌশল ও কর্পোরেট পরিকল্পনা বিভাগের জয়েন্ট প্রেসিডেন্ট লাল বাবু চৌরাসিয়া জানান, পশ্চিমবঙ্গ ক্রমেই বৃহৎ শিল্প উৎপাদন ও পরিকাঠামো (Power Projects) উন্নয়নের জন্য একটি সম্ভাবনাময় শিল্প গন্তব্য হিসেবে উঠে আসছে। তিনি বলেন, “আমাদের প্রস্তাবিত বিনিয়োগ পশ্চিমবঙ্গের ভবিষ্যতের প্রতি আমাদের গভীর আস্থা এবং মজবুত শিল্পোন্নয়ন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও দীর্ঘমেয়াদি সামাজিক-অর্থনৈতিক উন্নয়নের প্রতি আমাদের অটল অঙ্গীকারের প্রতিফলন (Rashmi Group)।”

     

  • Maoist Papa Rao: মাও-মুক্ত ছত্তিশগড়! ১৬ সঙ্গীকে নিয়ে আত্মসমর্পণ শেষ শীর্ষ মাওবাদী কমান্ডার পাপা রাওয়ের

    Maoist Papa Rao: মাও-মুক্ত ছত্তিশগড়! ১৬ সঙ্গীকে নিয়ে আত্মসমর্পণ শেষ শীর্ষ মাওবাদী কমান্ডার পাপা রাওয়ের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ১৬ জন কমরেডকে সঙ্গে নিয়ে মঙ্গলবার আত্মসমর্পণ করলেন ছত্তিশগড়ের শেষ শীর্ষ মাওবাদী কমান্ডার পাপা রাও (Maoist Papa Rao)। এমনই খবর জানালেন ছত্তিশগড়ের উপমুখ্যমন্ত্রী বিজয় শর্মা। তাঁদের আত্মসমর্পণ মাওবাদী দমনে রাজ্যের চালানো লড়াইয়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হবে বলেই ধারণা ওয়াকিবহাল মহলের।

    মাও-মুক্ত ছত্তিশগড় (Maoist Papa Rao)

    রাও অস্ত্র সমর্পণ করায় প্রযুক্তিগতভাবে ও স্পষ্টভাবে বলা যায়, ওই স্তরের এমনকি তার চেয়েও নিচু স্তরের কোনও নকশাল কর্মী আর সক্রিয় নেই রাজ্যে। অন্তত এমনই জানালেন শর্মা। গত দু’দশকে দক্ষিণ বস্তারে নিরাপত্তা বাহিনীর ওপর একাধিক প্রাণঘাতী হামলার মূলচক্রী ছিলেন এই শীর্ষ মাওবাদী নেতা। ২০১০ সালে তৎকালীন দান্তেওয়াড়া (বর্তমানে সুকমা) জেলার তাদমেতলা হামলারও ষড়যন্ত্রী ছিলেন তিনি। ওই হামলায় শহিদ হয়েছিলেন ৭৬ জন জওয়ান। মাওবাদীদের দণ্ডকারণ্য স্পেশাল জোনাল কমিটিতে সক্রিয় রাও বস্তার অঞ্চলে তাঁর এক ডজনের বেশি সদস্য নিয়ে আত্মসমর্পণ করবেন বলে সোমবারই জানিয়েছিলেন শর্মা। উপমুখ্যমন্ত্রীর পাশাপাশি তিনি সামলাচ্ছেন স্বরাষ্ট্র দফতরের দায়িত্বও। মঙ্গলবার পাপা অস্ত্রসমর্পণ করায় ছত্তিশগড়ে আর কোনও নকশাল কর্মী সক্রিয় নেই। শুধু তাই নয়, মাও দমনে ‘শাহি’ ডেডলাইন ৩১ মার্চ ২০২৬-এর মধ্যেই রাজ্য হয়ে গেল সশস্ত্র নকশালবাদমুক্ত (Chhattisgarh)।

    মাওবাদীদের সবচেয়ে শক্তিশালী ইউনিট

    শর্মা বলেন, “রাওয়ের পুনর্বাসনের মাধ্যমে ছত্তিশগড়ে নকশালের উপস্থিতি কার্যত শেষ হয়ে গেল। ৩১ মার্চের মধ্যেই রাজ্য সশস্ত্র নকশালবাদ থেকে মুক্ত হবে।” তিনি জানান, পাপা রাও প্রায় ২৫ বছর ধরে সক্রিয় ছিলেন এবং বহু সংঘর্ষে জড়িত থাকলেও প্রতিবারই পালিয়ে যেতে সক্ষম হন। রাজ্য সরকার তাঁর মাথার দাম ঘোষণা করেছিল ২৫ লাখ টাকা। শর্মা বলেন, “রাওয়ের মানসিকতা এখন বদলেছে। আমি ব্যক্তিগতভাবে তাঁর সঙ্গে কথা বলেছিলাম (Maoist Papa Rao)। তখনই তিনি আত্মসমর্পণের ইচ্ছে প্রকাশ করেছিলেন।” তিনি জানান, পুনর্বাসন কর্মসূচির অংশ হিসেবে আগামী সপ্তাহে আরও আত্মসমর্পণের সম্ভাবনা রয়েছে। বস্তার ডিভিশন ও পার্শ্ববর্তী রাজ্যগুলির কিছু অংশে মাওবাদী কার্যকলাপ পরিচালনাকারী দণ্ডকারণ্য স্পেশাল জোনাল কমিটি (DKSZC) মাওবাদীদের সবচেয়ে শক্তিশালী ইউনিট হিসেবে বিবেচিত হত। গত দু’দশকে বহু মারাত্মক হামলার সঙ্গে জড়িত ছিলেন তিনি। শর্মা বলেন, “বর্তমানে পার্টি ও এরিয়া কমিটি স্তরের মাওবাদীরা ছত্তিশগড়ে আর সশস্ত্র কার্যকলাপে যুক্ত নন এবং তাঁরা প্রায় সবাই স্বাভাবিক জীবনে ফিরে এসেছেন।” তিনি বলেন, “তাঁরা অস্ত্র নামিয়ে রেখেছেন এবং ইউনিফর্ম ছেড়ে দিয়েছেন।” বর্তমানে ছত্তিশগড়ের সঙ্গে যুক্ত কয়েকজন মাও-সদস্য মহারাষ্ট্রের গড়চিরোলি বা তেলঙ্গনায় সক্রিয় রয়েছে। তাঁদের আত্মসমর্পণের ব্যবস্থাও করা হচ্ছে বলে জানান মন্ত্রী।

    মাওবাদ নির্মূলের সময়সীমা

    এদিকে, কেন্দ্রের নির্ধারিত মাওবাদ নির্মূলের সময়সীমা শেষ হতে আর এক সপ্তাহ বাকি। সোমবার ওড়িশার মুখ্যমন্ত্রী মোহন চরণ মাজি জানান, বর্তমানে রাজ্যে মাত্র ১৫ জন মাওবাদী সক্রিয় (Chhattisgarh) রয়েছেন এবং নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যেই এই সমস্যার সমাধান করা হবে। প্রবীণ কংগ্রেস নেতা তারা প্রসাদ বাহিনিপতির এক প্রশ্নের জবাবে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “কান্ধামাল-কালাহান্ডি-রায়গড়া জেলার সীমান্তবর্তী কিছু এলাকায় প্রায় ১৫ জন নকশাল সক্রিয় রয়েছে।” কেন্দ্রের সিকিউরিটি-রিলেটেড এক্সপেন্ডিচার প্রকল্প অনুযায়ী, বর্তমানে শুধু কান্ধামাল জেলাকেই মাওবাদী-প্রভাবিত হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। বৌধ, বালাঙ্গির, কালাহান্ডি, বারগড়, মালকানগিরি, নবরঙ্গপুর, নুয়াপাড়া এবং রায়গড়—এই আটটি জেলাকে ‘লেগেসি’ ও ‘থ্রাস্ট’ জেলা হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। তিনি জানান, কান্ধামাল-কালাহান্ডি-রায়গড় সীমান্ত অঞ্চলে একটি ছোট নকশাল গোষ্ঠী সক্রিয় থাকলেও, রাজ্যের অন্যান্য সব জেলা এখন সম্পূর্ণভাবে মাওবাদীমুক্ত। মুখ্যমন্ত্রী জানান, রাজ্য সরকারের আত্মসমর্পণ ও পুনর্বাসন নীতি অনুযায়ী, যাঁরা অস্ত্র সমর্পণ করছেন, সেই মাওবাদীদের আর্থিক সহায়তা, বাসস্থান, সর্বোচ্চ ৩৬ মাস পর্যন্ত মাসিক ভাতা, কর্মসংস্থানের সুযোগ, দক্ষতা উন্নয়ন প্রশিক্ষণ এবং স্বাস্থ্য/রেশন কার্ড দেওয়া হচ্ছে (Maoist Papa Rao)।

    আত্মসমর্পণের বহর

    ২০২৪ সাল থেকে ১৫ মার্চ ২০২৬ পর্যন্ত প্রায় ৯৬ জন মাওবাদী ওড়িশা পুলিশের কাছে আত্মসমর্পণ করেছে। রাজ্য পুলিশ সতর্ক করেছে যে, ৩১ মার্চের মধ্যে যাঁরা আত্মসমর্পণ করবেন না, তাঁরা সরকারের পুনর্বাসন নীতির সুবিধাও পাবেন না। পুলিশ সূত্রে খবর, বিশেষ জোনাল কমিটির সদস্য সুক্রু এবং রাজ্যের আরও দুই মাওবাদী এখনও আত্মসমর্পণ করেনি। প্রতিবেশী ছত্তিশগড় থেকে আসা আরও ১২ জন মাওবাদী ওড়িশায় সক্রিয় ছিলেন। তাঁরা বর্তমানে আত্মগোপন করে রয়েছেন। অ্যান্টি-নকশাল অপারেশনের এডিজি সঞ্জীব পান্ডা বলেন, “কিছু নকশাল এখনও আত্মসমর্পণ না করায় অভিযান জোরদার করা হয়েছে। আমরা (Chhattisgarh) ৩১ মার্চের মধ্যেই কেন্দ্রের নির্ধারিত লক্ষ্যে পৌঁছতে পারব (Maoist Papa Rao)।”

     

  • 130 Maoists Surrender: তেলঙ্গানায় ১৩০ মাওবাদীর আত্মসমর্পণ, ১২৪টি অস্ত্র উদ্ধার, ৪.১৮ কোটি টাকার পুনর্বাসন প্যাকেজ ঘোষণা

    130 Maoists Surrender: তেলঙ্গানায় ১৩০ মাওবাদীর আত্মসমর্পণ, ১২৪টি অস্ত্র উদ্ধার, ৪.১৮ কোটি টাকার পুনর্বাসন প্যাকেজ ঘোষণা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তেলঙ্গনা (Telangana) রাজ্যে নকশাল বামপন্থী চরমপন্থার বিরুদ্ধে লড়াইয়ে মিলল বড়সড় সাফল্য। রাজ্যের বিভিন্ন জেলা থেকে মোট ১৩০ জন মাওবাদী ক্যাডার (130 Maoists Surrender) পুলিশের কাছে আত্মসমর্পণ করেছে। আত্মসমর্পণের সময় তারা ১২৪টি বিভিন্ন ধরণের আগ্নেয়াস্ত্র পুলিশের কাছে জমা দিয়েছে। রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে এই মাওবাদীদের সমাজের মূলস্রোতে ফিরিয়ে আনতে ৪.১৮ কোটি টাকার একটি পুনর্বাসন প্যাকেজ ঘোষণা করা হয়েছে।

    ঐতিহাসিক আত্মসমর্পণ (130 Maoists Surrender)

    পুলিশ প্রশাসনের (Telangana) পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এটি রাজ্যে মাওবাদী (130 Maoists Surrender) দমনে গত কয়েক দশকের মধ্যে অন্যতম বড় সাফল্য। আত্মসমর্পণকারী ১৩০ জনের মধ্যে বেশ কয়েকজন উচ্চপদস্থ মাওবাদী নেতা এবং এরিয়া কমিটির সদস্যও রয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে মাওবাদী আদর্শে বিশ্বাসী এই ব্যক্তিরা শেষ পর্যন্ত হিংসার পথ ত্যাগ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

    বিপুল অস্ত্র উদ্ধার

    আত্মসমর্পণের সময় মাওবাদীরা ১২৪টি আগ্নেয়াস্ত্র জমা দিয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে একে-৪৭ (AK-47), ইনসাস রাইফেল (INSAS), এসএলআর (SLR) এবং প্রচুর পরিমাণে দেশি বন্দুক ও গোলাবারুদ। পুলিশ আধিকারিকদের মতে, এত বিপুল পরিমাণ অস্ত্র উদ্ধার হওয়ায় মাওবাদীদের সাংগঠনিক শক্তি অনেকটাই দুর্বল হয়ে পড়ল।

    পুনর্বাসন ও আর্থিক সহায়তা

    তেলঙ্গনা (Telangana) সরকার আত্মসমর্পণকারী (130 Maoists Surrender) এই ব্যক্তিদের জন্য মোট ৪ কোটি ১৮ লক্ষ টাকার পুনর্বাসন প্যাকেজ মঞ্জুর করেছে। এই তহবিলের মাধ্যমে যা যা দেওয়া হবে, সেগুলি হল–

    • প্রতিটি আত্মসমর্পণকারী পরিবারকে ঘর তৈরির জন্য জমি বা আর্থিক সহায়তা দেওয়া হবে।
    • তাঁদের সন্তানদের শিক্ষার ব্যবস্থা করা হবে।
    • স্বনির্ভর হওয়ার জন্য বিভিন্ন বৃত্তিমূলক প্রশিক্ষণের সুযোগ দেওয়া হবে।
    • তাৎক্ষণিক প্রয়োজন মেটানোর জন্য নগদ অর্থ দেওয়া হয়েছে।

    পুলিশের বক্তব্য

    রাজ্য (Telangana) পুলিশের ডিজিপি (DGP) বলেন, “সরকারের উদার পুনর্বাসন নীতি এবং পুলিশের ক্রমাগত চাপের কারণেই এই বিশাল সংখ্যক মাওবাদী আত্মসমর্পণ করেছে। আমরা বাকি মাওবাদীদের (130 Maoists Surrender) কাছেও আহ্বান জানাচ্ছি যেন তারা হিংসার পথ ছেড়ে অস্ত্র ত্যাগ করে এবং উন্নয়নের ধারায় শামিল হয়।”

    সরকারের ‘সেফ প্যাসেজ’

    গত কয়েক বছর ধরে ছত্তিশগড় এবং তেলঙ্গনা (Telangana) সীমান্তে নিরাপত্তা বাহিনীর কড়া নজরদারি ও অভিযানের ফলে মাওবাদীরা কোণঠাসা হয়ে পড়েছিল। খাদ্যাভাব, চিকিৎসার অভাব এবং সংগঠনের ভেতরে অভ্যন্তরীণ কোন্দলের কারণে নিচুতলার কর্মীরা বীতশ্রদ্ধ হয়ে পড়েছিলেন। সরকারের পক্ষ থেকে দেওয়া এই ‘সেফ প্যাসেজ’ বা নিরাপদ প্রস্থানের সুযোগ তারা গ্রহণ করেছে। এই গণ-আত্মসমর্পণকে তেলঙ্গনা  থেকে মাওবাদী (130 Maoists Surrender) সমস্যা নির্মূল করার পথে একটি চূড়ান্ত পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে। এর ফলে ওই অঞ্চলের আদিবাসী অধ্যুষিত এলাকাগুলিতে শান্তি ও উন্নয়ন ত্বরান্বিত হবে বলে আশা ওয়াকিবহাল মহলের।

  • BJP: তেলঙ্গনার করিমনগর পুরসভার মেয়র ও ডেপুটি মেয়র পদে বিজেপি

    BJP: তেলঙ্গনার করিমনগর পুরসভার মেয়র ও ডেপুটি মেয়র পদে বিজেপি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তেলঙ্গনার (Telangana) করিমনগরে মেয়র ও ডেপুটি মেয়র পদ দখল করল বিজেপি (BJP)। ভোট হয়েছিল ১১ ফেব্রুয়ারি। ৩৪ জন কর্পোরেটরের সমর্থনে মেয়র নির্বাচিত হন বিজেপির কর্পোরেটর কোলাগানি শ্রীনিবাস। ডেপুটি মেয়র নির্বাচিত হয়েছেন ৪২ নম্বর ওয়ার্ডের সুনীল রাও। এর আগে নবনির্বাচিত পরিচালন পর্ষদের সদস্যরা করিমনগর মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশন কার্যালয়ে শপথ গ্রহণ করেন। নির্বাচন আধিকারিক আনুষ্ঠানিকভাবে ফল ঘোষণা করেন। বিশেষ আধিকারিক আরডিও মহেশ সদস্যদের শপথবাক্য পাঠ করান। এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী বন্দি সঞ্জয়, মানাকোন্ডুর বিধায়ক এবং এক্স-অফিসিও সদস্য সত্যনারায়ণ।

    কে কত আসন পেয়েছে (BJP)

    মোট আসন সংখ্যা ৬৬। এর মধ্যে বিজেপি জিতেছে ৩০টি আসন, আর কংগ্রেস (আইএনসি) ১৪টি। বিআরএস ৯টি, নির্দল প্রার্থী ৮টি, এআইএমআইএম ৩টি এবং অল ইন্ডিয়া ফরওয়ার্ড ব্লক ২টি আসন পেয়েছে। জানা গিয়েছে, কংগ্রেস, বিআরএস, এমআইএম, এআইএফবি সদস্য ও নির্দল প্রার্থীরা যে কোনও প্রকারে কর্পোরেশনের রাশ নিজেদের হাতে নেওয়ার চেষ্টা করেছিলেন এবং শেষ পর্যন্ত মেয়র পদ দখলের চেষ্টাও চালিয়ে যান। ৬৬ আসনের করিমনগর কর্পোরেশনে বিজেপি সর্বাধিক ৩০টি আসন পেলেও তারা সংখ্যাগরিষ্ঠতা প্রমাণ করে চেয়ার দখল করতে পারবে কি না, তা নিয়ে সংশয় ছিল (Telangana)।

    মেয়র পদ নিয়ে লড়াই

    এই প্রেক্ষিতে হায়দরাবাদের উপকণ্ঠের একটি রিসর্টে পৃথক শিবির করার কথাও জানা গিয়েছে। মেয়র পদ নিয়ে কংগ্রেস ও বিজেপির মধ্যে সংখ্যার লড়াই চলতে থাকে। শেষ পর্যন্ত বিজেপি মেয়রের চেয়ার দখল করে (BJP)। করিমনগরে মেয়র পদ নিশ্চিত করতে কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী বন্দি সঞ্জয় কৌশলগত ভূমিকা নেন। কংগ্রেসের মেয়র প্রার্থী পান ২১টি ভোট। বিআরএস নিরপেক্ষ থাকে। এক্স হ্যান্ডেলে বন্দি সঞ্জয় লিখেছেন, “এটি শুধু একটি রাজনৈতিক বিজয় নয়, এটি আবেগের মুহূর্ত। বহু বছর ধরে নীরবে লালিত এক স্বপ্ন যেন আজ বাস্তবায়িত হয়েছে। যে ওয়ার্ডে মজলিস পার্টির কার্যালয় রয়েছে, সেই ওয়ার্ডেই আমাদের কর্মীরা গেরুয়া পতাকা উত্তোলন করেছেন। সেই দৃশ্য আমার স্মৃতিতে চিরকাল থাকবে। এটি সাহসের কথা বলে, পরিবর্তনের কথা বলে (Telangana)।”

    বিজেপি জয়ী

    তিনি বলেন, “করিমনগরের মাটিতে গণতন্ত্র দৃঢ়ভাবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে এবং এটি সম্ভব হয়েছে জনগণের সহযোগিতায়।” তিনি এও বলেন, “প্রতিবেশী দলগুলির সঙ্গে কাবাডি কাপের খেলায় বিজেপি জয়ী হয়েছে (BJP)।” কংগ্রেস নেতাদের বিরুদ্ধে তিনি একাধিক ষড়যন্ত্রের অভিযোগ তোলেন। বলেন, “সব কিছু প্রকাশ করা সম্ভব নয়।” করিমনগর পুরসভায় গেরুয়া পতাকা উত্তোলনের স্বপ্ন পূরণ হয়েছে বলেও জানান তিনি। তিনি বলেন, “নির্বাচন পর্যন্তই রাজনীতি। এরপর রাজনীতি পাশে সরিয়ে রাখা উচিত। আমরা করিমনগরের উন্নয়নের উদ্দেশ্যে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নেমেছিলাম। উন্নয়নের স্বার্থে কেন্দ্রীয় ও রাজ্য মন্ত্রীদের সঙ্গে দেখা করব। বিজেপি মেয়র থাকার কারণে রাজ্য সরকার যদি অর্থ না দেয়, তবুও আমরা পিছিয়ে আসব না (Telangana)।”

    বিজেপিকে বঞ্চিত করতে ষড়যন্ত্র?

    তাঁর প্রশ্ন, বিআরএস, এমআইএম ও কংগ্রেস জোট বেঁধে কী লাভ করেছে? তাঁর অভিযোগ, বিজেপি নির্বাচনে জয়ী হওয়ার পরেও এই তিন দল মিলে মেয়র নির্বাচনে তাদের হারানোর ষড়যন্ত্র করেছিল (BJP)। তিনি বলেন, “মুখ্যমন্ত্রী রেবন্ত রেড্ডি গারু… মন্ত্রী, বিআরএস এবং এমআইএমকে সঙ্গে নিয়ে বিজেপিকে মেয়র ও ডেপুটি মেয়র পদ থেকে বঞ্চিত করতে কোনও ষড়যন্ত্রই আপনি বাদ দেননি। কিন্তু বন্দি সঞ্জয়ের রাজনৈতিক কৌশল ও বিজেপি কর্মীদের লড়াকু মনোভাবের সামনে সব ষড়যন্ত্র ভেস্তে গিয়েছে। যেমন ক্রিকেটে পাকিস্তানের বড় জয়, তেমনি করিমনগর পুরসভা নির্বাচনের কাবাডি খেলায় সবাইকে হারিয়ে কাপ জিতেছে বিজেপি।” দলের এই ফলকে করিমনগরে বিজেপির সাংগঠনিক ও নির্বাচনী ভিত্তি সম্প্রসারণের ইঙ্গিত হিসেবে দেখা হচ্ছে। তেলঙ্গনার রাজনৈতিক পরিসরে গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হিসেবে বিবেচিত এই শহর ও জেলায় (Telangana) বিজেপির তৃণমূল স্তরে শক্তি সংহতকরণের প্রতিফলন ঘটেছে (BJP)।

     

  • Trump’s Group: ভারতের ওপর খড়্গহস্ত ট্রাম্প, অথচ তাঁরই সংস্থা ভারতে ১ লাখ কোটি টাকা লগ্নি করবে!

    Trump’s Group: ভারতের ওপর খড়্গহস্ত ট্রাম্প, অথচ তাঁরই সংস্থা ভারতে ১ লাখ কোটি টাকা লগ্নি করবে!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পাক্কা ব্যবসায়ীর মতোই আচরণ ৪৭তম মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের (Trumps Group)! ভারতে অন্যদের বিনিয়োগ করতে নিষেধ করছেন তিনি। মুখে দিচ্ছেন চড়া শুল্ক চাপানোর হুমকি। অথচ সেই ট্রাম্পেরই ব্যবসায়িক গ্রুপ ‘ট্রুথ সোশ্যাল’ ভারতে ১ লাখ কোটি টাকা পর্যন্ত বিনিয়োগ করবে। সোমবার, এই ঘোষণা করেন ট্রাম্প মিডিয়া অ্যান্ড টেকনোলজি গ্রুপ কর্পোরেশনের পরিচালক এরিক সুইডার। তিনি জানান, তেলঙ্গানার ফিউচার সিটি (Telanganas Future City) প্রকল্প-সহ আরও বেশ কয়েকটি প্রকল্পে আগামী ১০ বছরে এই বিনিয়োগ হবে।

    এরিক সুইডারের বক্তব্য (Trumps Group)

    ট্রুথ সোশ্যালের সিইও ছিলেন সুইডার। তিনি বলেন, “ভারত এখন উত্থানের পথে এবং প্রযুক্তিখাতে বিশ্বকে নেতৃত্ব দেবে। আপনি যদি ২০ বছর আগের কথা ভাবেন একজন বাইরের পর্যবেক্ষকের দৃষ্টিতে বিশ্বের অপর প্রান্তে যুক্তরাষ্ট্রে বসে। তখন প্রযুক্তির দৃষ্টিকোণ থেকে যদি ভারতের কথা বলা হত, মানুষ বলত, ওহ, ওটাই সেই দেশ যেখানে কল সেন্টারগুলি আছে।” তিনি বলেন, “আর সময়ের সঙ্গে যখন সামনে এগিয়ে যাবেন এবং দেখবেন কারা এই প্রযুক্তি তৈরি করছে, কারা বিশ্বের বড় বড় প্রযুক্তি কোম্পানিতে কাজ করছে, তখন আর আপনার চোখ এড়িয়ে যাবে না যে এই প্রতিভার বড় অংশই ভারত থেকে আসছে।” তেলঙ্গানা রাইজিং গ্লোবাল সামিট ২০২৫-এ বক্তব্য রাখতে গিয়ে নাগাড়ে কথাগুলি বললেন সুইডার। তিনি বলেন, “আজকের দিনে এসে আপনি অন্ধ না হলে দেখবেন যে বিশ্বের প্রযুক্তিখাতের বহু প্রধান পুঁজিপতি ভারত থেকেই উঠে আসছেন। ভারত উত্থানশীল, এবং আমার মনে হয় না ভারতের এই অগ্রগতি থামবে। ভারত আরও এগিয়ে যাবে এবং প্রযুক্তিতে তামাম বিশ্বকে নেতৃত্ব দেবে। আমাদের এক সঙ্গে বিনিয়োগ করার, এক সঙ্গে কাজ করার পথ খুঁজে বের করা জরুরি।”

    বিনিয়োগ করতে খুবই উৎসাহিত

    গত দু’দিন ধরে ভারত সফর করছেন ট্রাম্প মিডিয়া অ্যান্ড টেকনোলজি গ্রুপ কর্পোরেশনের পরিচালক সুইডার। তিনি এখানে বিভিন্ন প্রযুক্তি দেখেছেন এবং বিনিয়োগ করতে খুবই উৎসাহিত। তিনি বলেন, “আমি মুখ্যমন্ত্রীকে জানাতে চাই যে আগামী ১০ বছরে আমাদের সংস্থাগুলির মাধ্যমে আমি ভবিষ্যৎ শহর প্রকল্প এবং এখানকার উন্নয়নমূলক ক্ষেত্রগুলিতে প্রায় ১ লাখ কোটি টাকা বিনিয়োগ করতে চাই।” ট্রাম্পের (Trumps Group) কোম্পানির এই শীর্ষ কর্তা জানান, তিনি (Telangana’s Future City) তেলঙ্গানায় বিনিয়োগ করছেন কারণ মুখ্যমন্ত্রী রেবন্ত রেড্ডি তাঁকে আশ্বস্ত করেছেন যে তাঁর মূলধন রাজ্যে সাদরে গ্রহণ করা হবে। তিনি বলেন, “গত দু’দিনে আমি যা দেখেছি, যদিও আমার এক ঘনিষ্ঠ বন্ধু বহু মাস ধরে আমায় এখানে আসার অনুরোধ করছিলেন কিন্তু আমি বারবার পিছিয়ে গিয়েছিলাম, আর এখন আমি অত্যন্ত কৃতজ্ঞ যে অবশেষে এখানে এসেছি, তা হল সম্মানীয় মুখ্যমন্ত্রী একেবারেই পরিষ্কার করে দিয়েছেন যে আমাদের মূলধন এখানে স্বাগত এবং তিনি ব্যবসার জন্য পুরোপুরি উন্মুক্ত ক্ষেত্র প্রস্তুত করে দিয়েছেন। এটি এমন একটি জায়গা, যা দ্রুত অগ্রগতির পথে রয়েছে।”

    তেলঙ্গানা সরকারের অনন্য উদ্যোগ

    প্রসঙ্গত, হায়দরাবাদকে একটি আন্তর্জাতিক শহরে উন্নীত করার লক্ষ্যে তেলঙ্গানা সরকার একটি অনন্য উদ্যোগ শুরু করেছে। মুখ্যমন্ত্রী এ রেবন্ত রেড্ডি ঘোষণা করেছেন, শহরের কিছু প্রধান ও বিশিষ্ট রাস্তার নতুন নামকরণ করা হবে। আন্তর্জাতিক ব্যক্তিত্ব ও কোম্পানির নামে (Telangana’s Future City) এই রাস্তাগুলির নাম দেওয়া হবে। এই উদ্যোগের লক্ষ্য হল, বিশ্ব মঞ্চে হায়দরাবাদের পরিচয় প্রতিষ্ঠা করা ও আন্তর্জাতিক বিনিয়োগকারীদের দৃষ্টি আকর্ষণ করা। বিশিষ্ট শিল্পপতি প্রয়াত রতন টাটাকে সম্মান জানাতে সরকার নেহরু আউটার রিং রোডের কাছে রাভিরালা থেকে শুরু করে প্রস্তাবিত (Trumps Group) ফিউচার সিটির সঙ্গে সংযোগকারী ১০০ মিটার প্রশস্ত গ্রিনফিল্ড রেডিয়াল রাস্তার নামকরণ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। উল্লেখ্য, রাভিরালা ইন্টারচেঞ্জের নামকরণ ইতিমধ্যেই টাটা ইন্টারচেঞ্জ করা হয়েছে।

    ডোনাল্ড ট্রাম্প অ্যাভিনিউ

    তবে সব চেয়ে বেশি আলোচিত প্রস্তাবগুলির মধ্যে একটি হল মার্কিন কনস্যুলেট জেনারেলের সামনের প্রধান রাস্তার নামকরণ হবে ডোনাল্ড ট্রাম্প অ্যাভিনিউ। এটিই হবে প্রথম ভারতীয় কোনও একটি শহরে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নামে রাস্তা। জানা গিয়েছে, এজন্য সরকার শীঘ্রই বিদেশমন্ত্রক এবং মার্কিন দূতাবাসকে এই প্রস্তাবে অগ্রগতির জন্য একটি চিঠি পাঠাবে। মুখ্যমন্ত্রী রেবন্ত রেড্ডির মতে, এটি হায়দরাবাদের আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ড ভ্যালুকে (Trumps Group) আরও উন্নত করবে (Telangana’s Future City) এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বিনিয়োগ ও বাণিজ্যিক সম্পর্ক জোরদার করবে। এহেন আবহে ট্রাম্পের কোম্পানির ভারতে বিনিয়োগ করার ঘোষণা তাৎপর্যপূর্ণ বই কি!

  • Kishenjis Wife: মাথার দাম ছিল ১ কোটি টাকা, এবার আত্মসমর্পণ কিষেনজির বউয়ের

    Kishenjis Wife: মাথার দাম ছিল ১ কোটি টাকা, এবার আত্মসমর্পণ কিষেনজির বউয়ের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০১১ সালে এনকাউন্টারে খতম হয়েছিলেন মাওবাদী (Maoist) কমান্ডার কিষেনজি। তার পর তাঁর ঘাড়েই বর্তেছিল সংগঠনের দায়। তিনি কিষেনজির স্ত্রী (Kishenjis Wife) তথা সংগঠনের শীর্ষ নেত্রী পোথুলা পদ্মাবতী। তাঁর মাথার দাম ছিল ১ কোটি টাকা। সেই তিনিই এবার আত্মসমর্পণ করলেন তেলঙ্গনা পুলিশের কাছে। বছর বাষট্টির পদ্মাবতী কল্পনা ওরফে সুজাতা নামেও পরিচিত। ১৯৮২ সাল থেকে পুলিশ খুঁজছিল তাঁকে। গোপন আস্তানা থেকেই চালাচ্ছিলেন সংগঠনের যাবতীয় কাজকর্ম। সংগঠনের বহু গুরুত্বপূর্ণ পদে ছিলেন তিনি। সামলেছেন দক্ষিণ উপ-জোনাল ব্যুরো সেক্রেটারির দায়িত্ব। দণ্ডকারণ্য বিশেষ জোনাল কমিটিতে জনতান্ত্রিক সরকারের প্রধানও ছিলেন তিনি। নিষিদ্ধ সংগঠন মাওবাদীর কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্যও ছিলেন পদ্মাবতী। শনিবার হায়দরাবাদে তেলঙ্গনা পুলিশের কাছে আত্মসমর্পণ করেন তিনি।

    কৃষক পরিবারে জন্ম সুজাতার (Kishenjis Wife)

    তেলঙ্গনার জোগুলাম্বা গাদওয়াল জেলার এক কৃষক পরিবারে জন্মেছিলেন পদ্মাবতী। ১৯৮৪ সালে তিনি মাওবাদী শীর্ষ নেতা কিষেনজিকে বিয়ে করেন। কিষেনজি ছিলেন মাওবাদী কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য এবং পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য কমিটির সেক্রেটারি। ২০১১ সালের ২৪ নভেম্বর পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার পশ্চিমবঙ্গ-ঝাড়খণ্ড সীমানা লাগোয়া এলাকার বুড়িশোলের জঙ্গলে নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে এনকাউন্টারে খতম হন কিষেনজি। জানা গিয়েছে, তুতো ভাই প্যাটেল সুধাকর রেড্ডির হাতেই বিপ্লবে হাতেখড়ি কল্পনা ওরফে সুজাতার। ২০০৯ সালে মারা যান সুধাকর। সুজাতাকেই ধরা হয় মাওবাদীদের প্রথম প্রজন্মের অন্যতম প্রতিনিধি। তিনি ছত্তিশগড়, মহারাষ্ট্র, তেলঙ্গনা এবং ওড়িশা দাপিয়ে বেড়াতেন। তাঁর খোঁজ দিতে পারলে ১ কোটি টাকা পুরস্কার দেওয়ার কথাও ঘোষণা করা হয় (Maoist)। সেই সুজাতাই তাঁর তিন মহিলা সঙ্গীকে নিয়ে এদিন করেন আত্মসমর্পণ। বিভিন্ন রাজ্যে সুজাতার বিরুদ্ধে মোট ১০৬টি মামলা দায়ের করা হয়েছে। তিনি সব সময় ঘুরতেন একে-৪৭ নিয়ে (Kishenjis Wife)।

    কেন আত্মসমর্পণ

    হঠাৎ কেন আত্মসমর্পণ করলেন কিষেনজির পত্নী? পুলিশ সূত্রে খবর, স্বাস্থ্য সংক্রান্ত কারণে আত্মসমর্পণ করেছেন তিনি। ডিজিপি জানিয়েছেন, পদ্মাবতী ২০২৫ সালে মে মাসে স্বাস্থ্য সংক্রান্ত সমস্যার কারণে সংগঠন ছেড়ে দিতে চেয়েছিলেন। সে কথা দলের বাকিদের তিনি জানিয়েওছিলেন। এদিন নিজেই ধরা দিলেন পুলিশের হাতে। প্রসঙ্গত, চলতি বছরে এ পর্যন্ত সব মিলিয়ে ৪০৪ জন মাওবাদী আত্মসমর্পণ করেছেন। বাকি মাওবাদীদের প্রতি আবেদন জানিয়ে তেলঙ্গনা পুলিশের ডিজি জিতেন্দ্র বলেন, “অস্ত্র জমা দিন, আপনারা গ্রামে ফিরে যান এবং তেলঙ্গনার উন্নয়নে যোগ দিন।”

    উল্লেখ্য যে, চলতি বছরের জানুয়ারি মাসেই মহারাষ্ট্রে আত্মসমর্পণ করেন কিষেনজির ভাইবউ। তাঁর স্বামী (Maoist) মাল্লোজুলা বেণুগোপাল রাও ওরফে ভূপতি ওরফে বিবেক ওরফে সোনু মাওবাদীর কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য (Kishenjis Wife)।

  • Telangana News: হায়দরাবাদে রাতের অন্ধকারে পুলিশ ভাঙল মন্দির, সরানো হল মূর্তি, বাধা উৎসবে, বিক্ষোভ হিন্দুদের

    Telangana News: হায়দরাবাদে রাতের অন্ধকারে পুলিশ ভাঙল মন্দির, সরানো হল মূর্তি, বাধা উৎসবে, বিক্ষোভ হিন্দুদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গত ২৪ জুলাই ভোরে রাতের অন্ধকারে হায়দরাবাদে ভেঙে ফেলা হল এক মন্দির। কোনওরকম সরকারি নোটিশ ছাড়াই ভাঙা হয় পবিত্র পেদ্দাম্মা থাল্লি মন্দির (Telangana News)। তেলেঙ্গনা রাজ্যের একাধিক সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুসারে, এই ভাঙচুর অত্যন্ত গোপনে করা হয়েছিল এবং মন্দিরের অভ্যন্তরে থাকা ভগবানের মূর্তিটি পিছনের গেট দিয়ে পাচার করা হয়েছিল। ওই মন্দিরের ভক্তরা এই অভিযান সম্পর্কে কিছুই জানতেন না এবং পরবর্তীকালে সকালে তাঁরা যখন এ বিষয়ে জানতে পারেন, তখন মন্দিরের সামনে ব্যাপক বিক্ষোভ (Peddamma Thalli Temple) দেখাতে থাকেন।

    বাধা উৎসবে (Telangana News)

    প্রসঙ্গত, এ বছর ২৯ জুলাই এই মন্দিরে বনালু উৎসব উদযাপন হওয়ার কথা ছিল। এটি তেলেঙ্গনার একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হিন্দু অনুষ্ঠান। কিন্তু এই উৎসবের ওপরেও সম্পূর্ণ নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয় এবং বেশ কয়েকজন হিন্দু ভক্তকে গৃহবন্দি করেও রাখা হয়। ওই মন্দিরটিকে ভাঙচুর করার পরেই পুলিশ প্রশাসনের তরফে অভিযোগ অস্বীকার করা হয়। তারা বলে যে সেখানে কোনও মন্দিরই ছিল না — এমন অদ্ভুত দাবি করতে থাকে পুলিশ। অর্থাৎ, হিন্দু রীতিনীতি ও ধর্মের এভাবেই (Telangana News) বিরোধিতা করল তেলেঙ্গনা প্রশাসন।

    হিন্দু ধর্মীয় ঐতিহ্যকে মুছে ফেলার ষড়যন্ত্র, বলছেন ভক্তরা

    ভক্তরা এই ধরনের ঘটনাকে হিন্দু ধর্মীয় ঐতিহ্যকে মুছে ফেলার এক ষড়যন্ত্র হিসেবে ব্যাখ্যা করছেন। স্থানীয়রা জানাচ্ছেন, পেদ্দাম্মা থাল্লি মন্দির প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে এক গুরুত্বপূর্ণ হিন্দু ধর্মকেন্দ্র হিসেবে সেখানে প্রতিষ্ঠিত ছিল। ধর্মীয়, সাংস্কৃতিক এবং সামাজিক এক মিলনস্থল হয়ে উঠেছিল ওই মন্দির — বিশেষ করে বনালু উৎসবের সময় এখানে খুবই জমজমাট মেলাও দেখা যেত (Peddamma Thalli Temple) এবং হাজার হাজার ভক্ত ভিড় করতেন।

    গোপনে মূর্তি অপসারণ (Telangana News)

    অনেকেই বলছেন যে সরকার মন্দির ভাঙতে রাতের অন্ধকারকে বেছে নিল — এতেই প্রমাণ হচ্ছে যে তারা ঠিক কতটা চক্রান্ত করেছে। ভোর সাড়ে তিনটের সময় এই মন্দির ভাঙা হয় বলে খবর, যখন গোটা হায়দরাবাদ শহর ঘুমিয়ে ছিল। এর পরেই ভগবানের মূর্তি গোপনে (Telangana News) পাচারও করে দেওয়া হয়। এক্ষেত্রে অনেকেই বলছেন, যেভাবে আমাদের মন্দিরের অস্তিত্ব মুছে ফেলা হচ্ছে, আমাদের দেবতাদের অসম্মান করা হচ্ছে, আমাদের কণ্ঠস্বরকে স্তব্ধ করা হচ্ছে — সেখানে মনে হচ্ছে যে হিন্দু হওয়াটাই অপরাধ। ভক্তরা আরও বলেন, হিন্দু হিসেবে পবিত্র কর্তব্য হল নিজেদের জমি, মন্দির এবং ভগবানকে রক্ষা করা।

  • Telangana: কর্পোরেট চাকরি ছেড়ে রেশম চাষ, এমবিএ যুবক করছেন লক্ষ লক্ষ টাকা আয়

    Telangana: কর্পোরেট চাকরি ছেড়ে রেশম চাষ, এমবিএ যুবক করছেন লক্ষ লক্ষ টাকা আয়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তেলেঙ্গনার (Telangana) সিদ্দিপেট জেলার চান্দলাপুরের বাসিন্দা রামাস্বামী। এমবিএ ডিগ্রিধারী রামাস্বামীর কাছে কর্পোরেট প্রতিষ্ঠানে কাজ কখনও পছন্দের ছিল না। এরপর ২০২১ সালে তিনি চাকরি ছেড়ে রেশম চাষ শুরু করেন। সঙ্গে ছিল তাঁর বাবা-মায়ের অনুপ্রেরণা। তাঁর পরিবার এক দশকেরও বেশি সময় ধরে তুঁত চাষের সঙ্গে জড়িত বলে জানা গিয়েছে। রামাস্বামী জানিয়েছেন, বিগত চার বছরে রেশম পোকা পালনের মাধ্যমে লক্ষ লক্ষ টাকা আয় করেছেন তিনি।

    ছোট থেকেই চাষের কাজে হাত লাগিয়েছেন রামাস্বামী (Telangana)

    জানা যায়, ছাত্রাবস্থাতেই রামাস্বামী তাঁর বাবা নরসিমলু এবং মা ভুলক্ষ্মীকে তুঁত চাষে সাহায্য করতেন। এই চাষ খুব কাছ থেকে লক্ষ্য করেন তিনি, এরপরেই ধীরে ধীরে রামস্বামীর (Telangana) আগ্রহ তৈরি হয় এই চাষের প্রতি। এরপরেই তিনি মাত্র দুই একর জমিতে রেশম পোকা পালন শুরু করেন। তাঁর সংকল্প এবং স্বচ্ছ দৃষ্টিভঙ্গির কারণে এখন সাত একরে এই চাষ চলছে বলে জানা যাচ্ছে। রেশম চাষ করার আগে রামাস্বামী বেঙ্গালুরুতে তিন মাসের প্রশিক্ষণ কর্মসূচিও গ্রহণ করেছিলেন বলে জানা গিয়েছে। ফিরে আসার পর, তিনি সাকি সেন্টার ব্র্যান্ড নামে একটি রেশম পোকার ডিম উৎপাদন ইউনিট চালু করেন। এখানেই তিনি কর্মী হিসেবে পাঁচজনকে নিয়োগ করেন।

    রেশম চাষ

    প্রসঙ্গত, রেশমের দিক থেকে ভারত পৃথিবীর মধ্যে দ্বিতীয় বৃহত্তম উৎপাদনকারী দেশ (Telangana)। রেশম পোকারা গুটিকা তৈরি করে, যা পরে রেশমের সুতোয় পরিণত হয় এবং কাপড় বোনা হয়। ৯০ দিনের মধ্যে গুটিকা সংগ্রহ করা যেতে পারে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, একই গাছ ৩০ বছর পর্যন্ত উৎপাদনশীল (Telangana) থাকে। রেশম চাষ করতে হলে তুঁত গাছের চাষ করতে হয়। কারণ রেশম পোকা তুঁত গাছের পাতা খেয়ে জীবন ধারণ করে। সাদা তুঁত, কালো তুঁত এবং লাল তুঁত-এ তিন প্রজাতির গাছে রেশম পোকা চাষ করা যায়। তবে সাদা তুঁত গাছই রেশম পোকার সবচেয়ে পছন্দের। তুঁত গাছ একবার লাগালে ২০-২৫ বছর ধরে পাতা দেয়।

  • Operation Sankalp: সীমান্তপারে জঙ্গি-নিধনে ‘অপারেশন সিঁদুর’, দেশে ‘অপারেশন সঙ্কল্পে’ খতম অন্তত ২৬ মাওবাদী

    Operation Sankalp: সীমান্তপারে জঙ্গি-নিধনে ‘অপারেশন সিঁদুর’, দেশে ‘অপারেশন সঙ্কল্পে’ খতম অন্তত ২৬ মাওবাদী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পাকিস্তান ও পাক-অধিকৃত কাশ্মীরের জঙ্গি-ঘাঁটি গুঁড়িয়ে দিতে  ‘অপারেশন সিঁদুর’ চালিয়েছে ভারতীয় ফৌজ। সীমান্তপার সন্ত্রাস যেমন এক হাতে দমন করা হচ্ছে, ঠিক একইভাবে, দেশের ভেতর মাওবাদীদের দমন করতে চলছে  ‘অপারেশন সঙ্কল্প’ (Operation Sankalp)। আর এই অভিযানে খতম অন্তত ২৬ মাওবাদী গেরিলা (Maoists Killed)। ছত্তিশগড়ের বস্তার ডিভিশনের বিজাপুর জেলা এবং পড়শি রাজ্য তেলঙ্গানার সীমানায় পাহাড়-জঙ্গলঘেরা এলাকায় যৌথবাহিনীর সঙ্গে গুলির লড়াইয়ে নিকেশ হয়েছে ওই মাওবাদীরা। গত ১৮ দিন ধরে ওই এলাকায় ধারাবাহিক সংঘর্ষ চলছে। নিহত মাওবাদীদের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ অস্ত্র এবং বিস্ফোরকও উদ্ধার করেছে যৌথবাহিনী। সংবাদ মাধ্যমে সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে সিআরপিএফের এক আধিকারিক বলেন, “চার মহিলা-সহ মোট ২৬ জন মাওবাদী এই অভিযানে নিহত হয়েছে। প্রচুর পরিমাণে বিস্ফোরক, অস্ত্র তৈরির ফ্যাক্টরি ও সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়েছে।” জানা গিয়েছে, এই অপারেশন চালানোর জন্য ১৯ এপ্রিল থেকে সিআরপিএফের ডিরেক্টর জেনারেল জিপি সিং রায়পুর ও জগদলপুরে ঘাঁটি গেড়েছিলেন।

    অপারেশন সঙ্কল্প (Operation Sankalp)

    দিন কুড়ি আগে ওই জঙ্গলে ৫০০-রও বেশি মাওবাদী জড়ো হয়েছে বলে খবর পায় যৌথবাহিনী। তার পরেই শুরু হয় ‘অপারেশন সঙ্কল্প’। জঙ্গলটি ঘিরে রেখেছে প্রায় ২৪ হাজার আধাসেনা ও পুলিশ। সিআরপিএফের জঙ্গলযুদ্ধ প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত কমান্ডো বাহিনী কোবরা-র পাশাপাশি ছত্তিশগড়ের সশস্ত্র পুলিশ, বস্তার ফাইটার্স ও ডিস্ট্রিক্ট রিজার্ভ গার্ড বাহিনী, মহারাষ্ট্র পুলিশের সি-৬০, তেলঙ্গানা পুলিশের মাওবাদী দমন বাহিনীও রয়েছে এই অভিযানে। প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছে, নিষিদ্ধ সংগঠন সিপিআই (মাওবাদী)-র সশস্ত্র শাখা পিএলজিএ-র এক নম্বর ব্যাটেলিয়নের ঘাঁটি রেগুট্টা এবং দুর্গামগুট্টার ঘন জঙ্গলে ঘেরা পাহাড় ঘিরে গত ২১ এপ্রিল থেকে শুরু হওয়া ‘অপারেশন সঙ্কল্প’ নামের ওই অভিযান সংহত করা হচ্ছে (Operation Sankalp)।

    বাহিনীর জাঁতাকলে আটকে ৫০০

    ছত্তিশগড়ের রাজধানী রায়পুর থেকে প্রায় সাড়ে চারশো কিলোমিটার দূরে বস্তার ডিভিশনের ওই দুর্গম এলাকায় মাওবাদীদের কেন্দ্রীয় কমিটির কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ নেতাও বাহিনীর জাঁতাকলে আটকে পড়েছেন বলে গোয়েন্দা সূত্রে খবর। এই দলেই রয়েছে তেলঙ্গানা রাজ্য কমিটি ও দণ্ডকারণ্য বিশেষ জোনাল কমিটির অধিকাংশ গেরিলা কমান্ডার। এই পরিস্থিতিতে নজরদারির কাজে হেলিকপ্টার ও ড্রোন ব্যবহার করা হচ্ছে। প্রসঙ্গত, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ ২০২৬ সালের ৩১ মার্চের মধ্যে মাওবাদীদের (Maoists Killed) নিশ্চিহ্ন করার কথা ঘোষণা করেছেন। সেই লক্ষ্যেই ‘অপারেশন সঙ্কল্প’ ছত্রিশগড় সরকারের (Operation Sankalp)।

  • Serial Killer: ১০ মহিলাকে হত্যার অভিযোগ, পুলিশের জালে সিরিয়াল কিলার

    Serial Killer: ১০ মহিলাকে হত্যার অভিযোগ, পুলিশের জালে সিরিয়াল কিলার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দশ মহিলাকে হত্যার অভিযোগে অভিযুক্ত সিরিয়াল কিলার অবশেষে ধরা পড়ল পুলিশের জালে (Serial Killer)। ঘটনাটি ঘটেছে তেলেঙ্গনায়। জানা গিয়েছে সে রাজ্যে পাঁচটি জেলায় কমপক্ষে ১০ জন মহিলাকে হত্যার অভিযোগ রয়েছে এই সিরিয়াল কিলারের বিরুদ্ধে। জানা যাচ্ছে, অভিযুক্তের বাড়ি তেলেঙ্গনার মাহবুবনগর জেলার আয়াগরিপল্লিতে থান্ডারে। তার নাম গোপাল ওরফে দাপ্পু গোপাল (৫৪)। গত শুক্রবার সে রাজ্যের নরসাপুর থেকে গ্রেফতার করা হয় তাকে। জানা গিয়েছে গোপাল একজন দাগী অপরাধী।

    দুর্বল মহিলাদের টার্গেট করত দাগী অপরাধী গোপাল (Serial Killer)

    পুলিশ জানিয়েছে, যে প্রথমেই দুর্বল মহিলাদের টার্গেট করত এই গোপাল (Serial Killer)। এর পরে তাদেরকে মদের দোকানে নিয়ে যেত। তাদের সঙ্গে গল্প গুজব করে তাদের আস্থা-বিশ্বাস অর্জন করত। তাদের নেশা করাত। এরপর অপরাধ সংগঠিত করার জন্য তাদেরকে নির্জন স্থানে নিয়ে যেত সে। সেখানে মহিলাদের ধর্ষণ-খুন করে লুট করত বলে জানা যাচ্ছে। জিজ্ঞাসাবাদের সময়, গোপাল ২০০৫ থেকে ২০২৩ সালের মধ্যে মাহাবুবনগর, সাঙ্গারেড্ডি, ভিকারাবাদ, কামারেড্ডি এবং মেডাক জেলায় একাধিক খুনের (Murder) কথা স্বীকার করে। এর আগে ২০০৮ সালে ভিকারাবাদ জেলার বোম্মারাসপেটে একটি খুনের জন্য সে ১০ বছরের কারাদণ্ডও ভোগ করেছিল গোপাল। তার বিরুদ্ধে নবাবপেট (২০১৮), নরসাপুর মণ্ডল (২০২৩), পাশাপাশি গুম্মাদিদালা, সদাশিবনগর, কামারেড্ডি এবং তাদোয়াইতে মামলা দায়ের করা হয়েছিল। অবশেষে ধরা পড়ল পুলিশের জালে।

    কীভাবে ধরা পড়ল গোপাল, কী জানালেন এসপি (Serial Killer)

    মেডকের এসপি উদয় কুমার রেড্ডি, মামলার বিস্তারিত বিবরণ দিয়েছেন সংবাদমাধ্যমের সামনে। গত ২৫ মার্চ নরসাপুরে নামের এক জায়গায় জয়রাম থান্ডার একজন দিনমজুর শ্রমিক ভুজালি (৫২) নিখোঁজ হন। এরপরেই ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসে। সিসিটিভি ফুটেজে দেখা গিয়েছে, তাকে শেষবার একটি দেশি মদের দোকানের কাছে দেখা গিয়েছে। একজন অজ্ঞাত ব্যক্তির সঙ্গে একটি অটোতে যেতেও দেখা গিয়েছিল। ঘটনার তদন্তে নেমে পুলিশ গ্রেফতার করে গোপালকে।

LinkedIn
Share