Tag: temple mosque controversy

temple mosque controversy

  • Gyanvapi Update: কাশীর বিন্দুমাধব মন্দিরও হয়েছে মসজিদ! পুনর্নির্মাণের দাবি চেয়ে মামলা

    Gyanvapi Update: কাশীর বিন্দুমাধব মন্দিরও হয়েছে মসজিদ! পুনর্নির্মাণের দাবি চেয়ে মামলা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এখনও থিতু হয়নি জ্ঞানবাপী মসজিদ (gyanvapi mosque) বিতর্কের রেশ। এরই মধ্যে এবার মাথাচাড়া দিল আরও একটি মন্দির-মসজিদ বিতর্ক (temple mosque controversy)। এই বিতর্কের কেন্দ্রে রয়েছে একটি মসজিদ (mosque)। কাশীর বিন্দুমাধব মন্দির (Bindu Madhav temple) ভেঙে এই মসজিদ তৈরি করা হয়েছিল বলে অভিযোগ। এই ‘মন্দির’ পুনর্নির্মাণের দাবি জানিয়ে দায়ের হল মামলা।

    বারাণসীর কাশীর পঞ্চগঙ্গা ঘাটের কাছেই রয়েছে একটি মসজিদ। আবেদনকারীদের দাবি, বারাণসী গেজেটার নামের একটি ইতিহাস বইয়ে উল্লেখ রয়েছে পঞ্চগঙ্গার তীরে অবস্থিত বিন্দুমাধব মন্দিরের কথা। সেই মন্দিরের আরাধ্য দেবতা ছিলেন বিষ্ণু।

    পরবর্তীকালে মুঘল সম্রাট ঔরঙ্গজেব (Aurangzeb) মন্দিরটি ধ্বংস করে দেন। তৈরি হয় বেণীমাধব কা ধারাহারা মসজিদ (Beni Madhav-ka-Dharahara)। আবেদনকারীদের আইনজীবী রাজা আনন্দ জ্যোতি সিং বলেন, পিটিশনে সেই মন্দির পুনর্নির্মাণের দাবি জানানো হয়েছে। উল্লেখ্য, আগামী শনিবার জ্ঞানবাপী মসজিদ মামলার শুনানির দিনই রয়েছে এই মামলার শুনানিও।

    আরও পড়ুন : ১৯৩৭-এ লেখা প্রবন্ধে গান্ধীজি বলেছিলেন, “মন্দির ভেঙে মসজিদ তৈরি আসলে…”

    ২০০২ সালে প্রথমবার আলোচনায় উঠে আসে বেণীমাধব কা ধারাহারার নাম। সেই সময় পঞ্চগঙ্গা ঘাটের কাছে বসবাসকারী কয়েকজন মিলে তৈরি করেন বেণীমাধর কা ধারাহারা বাঁচাও সমিতি। উদ্দেশ্য, এলাকায় নির্মিত সৌধটি রক্ষা করা। হিন্দুত্ববাদীদের দাবি, এই সৌধের মধ্যেই ছিল বিন্দুমাধব মন্দির। ১৯৯৭ সালে স্বাধীনতা দিবস এবং ২০১৪ সালে প্রজাতন্ত্র দিবসে এখানে পতাকা উত্তোলন করতে চেয়েছিল দক্ষিণপন্থীরা। সেই সময় পুলিশ তাদের আটকে দেয়। সেই ‘সৌধ-বিতর্ক’ই এবার ফের মাথাচাড়া দিল।

    আরও পড়ুন : শাহি ইদগাহ মসজিদ চত্বরে স্থিতাবস্থা চেয়ে আবেদন মথুরা আদালতে

    কাশীতে বিশ্বেশ্বরের মন্দির ভেঙে মসজিদ তৈরি হয়েছিল বলে হিন্দুত্ববাদীদের দাবি। ঔরঙ্গজেবের নির্দেশেই সেখানে মন্দির ভেঙে তৈরি হয় মসজিদ। এই মসজিদই জ্ঞানবাপী মসজিদ। গত বছরের অগাস্ট মাসে পাঁচ হিন্দু নারী মসজিদের ভিতরে পশ্চিমের দেওয়ালে দেবদেবীর মূর্তির অস্তিত্ব রয়েছে বলে দাবি করে পুজোর অনুমতি চেয়েছিলেন বারাণসী আদালতে। সেই মামলার শুনানি এখনও চলছে। কেবল জ্ঞানবাপী মসজিদই নয়, হিন্দুত্ববাদী সংগঠনের দাবি ভারতের প্রায় ১৮০০টি মন্দির ভেঙে মসজিদ তৈরি করা হয়েছে। এগুলিকে তারা ‘অবৈধ’ মসজিদের তকমা দিয়েছে।

    এদিকে, জ্ঞানবাপী মসজিদ চত্বরে ভিডিও সমীক্ষার সময় তোলা ভিডিও এবং ছবি ফাঁস হয়ে যাওয়ার পরে শুরু হয়েছে নয়া বিতর্ক। মুসলিম পক্ষের দাবি, ভিডিও ফাঁস করেছেন হিন্দুরা। যদিও অভিযোগ অস্বীকার করেছে হিন্দুপক্ষ।  

     

  • Supreme court: জ্ঞানবাপী মামলার দুই বিচারপতি ছিলেন রামজন্মভূমি-বাবরি শুনানিতেও

    Supreme court: জ্ঞানবাপী মামলার দুই বিচারপতি ছিলেন রামজন্মভূমি-বাবরি শুনানিতেও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আশ্চর্য সমাপতন!জ্ঞানবাপী মসজিদ(Gyanvapi mosque) সমীক্ষা সংক্রান্ত মামলার শুনানি করছেন যাঁরা, তাঁরা অংশ নিয়েছিলেন রাম জন্মভূমি-বাবরি মসজিদ মামলার ফয়সালায়ও। দুই মামলার ব্যবধান কয়েক বছরের। অথচ কী অদ্ভুতভাবে দুই ঐতিহাসিক ঘটনার সাক্ষী হতে চলেছেন সুপ্রিম কোর্টের(Supreme court) দুই বিচারপতি।

    ২০১৯ সালের নভেম্বরের দ্বিতীয় সপ্তাহে সুপ্রিম কোর্টে নিষ্পত্তি হয় রাম জন্মভূমি বাবরি মসজিদ মামলার। অযোধ্যার যে জায়গায় এখন রামলালা মন্দির গড়ে উঠছে, এক সময় সেখানেই ছিল বাবরি মসজিদ। হিন্দুত্ববাদী সংগঠনের দাবি, রামলালার মন্দির ভেঙেই মুঘল আমলে গড়ে তোলা হয়েছে মসজিদ। যদিও বাবরি মসজিদ কমিটির দাবি ছিল, রামলালা নয়, মসজিদ যেখানে রয়েছে, সেখানেই ছিল দীর্ঘকাল। শেষমেশ সুপ্রিম কোর্ট রামলালার মন্দির নির্মাণের পক্ষেই রায়দান করে। বাবরি মসজিদ কমিটিকে সম পরিমাণ জমি দেওয়া হয় অন্যত্র। এভাবেই ইতি পড়ে দীর্ঘ দিন ধরে চলে আসা মামলায়। রাম জন্মভূমি বাবরি মসজিদ মামলায় যুক্ত ছিলেন সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি ধনঞ্জয় ওয়াই চন্দ্রচূড়(Dhananjaya y chandrachud)। ওই মামলায় অংশ নিয়েছিলেন পিএস নরসিমাও(P S Narasimha)। ২০১৯ সালে পাঁচ বিচারপতির বেঞ্চ রায় দেন ওই মামলার। সেই বেঞ্চে ছিলেন চন্দ্রচূড়ও। আর নরসিমা ওই বছর বিচারক ছিলেন না ঠিকই, তবে তিনি ছিলেন সিনিয়র আইনজীবি। ওই মামলার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন তিনিও। হিন্দুত্ববাদী সংগঠনের হয়ে মামলা লড়ছিলেন তিনি। এই মামলায় চন্দ্রচূড়ের যে বেঞ্চ, সেই বেঞ্চের সামনে যুক্তিজাল বিস্তার করেন তিনি। ওই মামলার রায়দানের পরে কেটে গিয়েছে দু’ বছরেরও বেশি সময়। সরযূ নদী দিয়ে গড়িয়ে গিয়েছে অনেক জল। আরও একটি মামলায় যুক্ত হয়েছেন চন্দ্রচূড় ও নরসিমা। এই মামলাও উত্তর প্রদেশের। হিন্দুত্ববাদীদের দাবি, জ্ঞানবাপী মসজিদের জায়গায় এক সময় ছিল কাশী শৃঙ্গার গৌরীর মন্দির। মন্দিরের দেওয়ালে হিন্দু দেবদেবীর মূর্তিও রয়েছে বলে দাবি তাদের। আর জ্ঞানবাপী মসজিদ(Gyanvapi mosque) কমিটির দাবি, মসজিদ রয়েছে দীর্ঘকাল। নমাজও পড়া হয় নিয়মিত।

    এই মামলাও উঠেছে সুপ্রিম কোর্টে। এই মামলায়ও জড়িয়ে গিয়েছেন চন্দ্রচূড় এবং নরসিমা। এঁরাই মসজিদ প্রাঙ্গণের ভিডিওগ্রাফির বিরুদ্ধে মসজিদ পরিচালনাকারী আঞ্জুমান ইন্তেজামিয়া মসজিদ কমিটির একটি আবেদন বিবেচনা করেন। এই কমিটিই বারাণসী সিভিল কোর্ট নির্দেশিত সমীক্ষায় স্থগিত চেয়েছে। মন্দির-মসজিদ বিতর্কের(temple mosque controversy) অবসানে ফের কাটো কোটটা গায়ে চড়াবেন এই দুই বিচারপতি! 

    আরও পড়ুন : ষোড়শ শতকের জ্ঞানবাপী মসজিদ ঘিরে চলা ৩১ বছরের বিতর্ক

  • Bahmani fort:  বাহমানি দুর্গের ভিতরে সোমলিঙ্গেশ্বরের মন্দির! সংস্কারের দাবিতে সরব হিন্দুত্ববাদী সংগঠন

    Bahmani fort: বাহমানি দুর্গের ভিতরে সোমলিঙ্গেশ্বরের মন্দির! সংস্কারের দাবিতে সরব হিন্দুত্ববাদী সংগঠন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বারাণসীর জ্ঞানবাপীর (Gyanvapi mosque) পর এবার খবরের শিরোনামে কর্নাটকের (Karnataka) বিখ্যাত বাহমানি দুর্গ (Bahmani fort)। হিন্দুত্ববাদীদের দাবি, এই দুর্গের ভিতরে মিলেছে সোমলিঙ্গেশ্বরের মন্দিরের (Lord Somalingeshwara) হদিশ। ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এলাকায়। হিন্দুত্ববাদী সংগঠনের নেতাদের দাবি, দুর্গের উত্তর-পূর্ব দিকে রয়েছে ভগবান সোমলিঙ্গেশ্বরের মন্দির। মন্দিরটি পুনরুদ্ধারের দাবিও জানান তাঁরা।

    কর্নাটকের কালবুর্গি জেলায় রয়েছে বাহমানি দুর্গ। বাহমানি সালতানাতের শাসক হাসান গাঙ্গু শাহ ওই দুর্গ নির্মাণ করেছিলেন। হিন্দুত্ববাদী সংগঠনের দাবি, বাহমানি শাসকরা সোমলিঙ্গশ্বরের মন্দিরের ওপর দুর্গ নির্মাণ করেছিলেন। ৭০ একরেরও বেশি জমি জুড়ে রয়েছে দুর্গের বিস্তার। এই দুর্গের ভিতরেই নির্মিত হয়েছিল জামিয়া মসজিদ।

    আরও পড়ুন : জ্ঞানবাপী মসজিদ আগে মন্দিরই ছিল! বলছে ১৯৩৬ সালের নথি

    হিন্দুত্ববাদী ওই সংগঠনের কর্মীরা বিশ্বাস করেন, সোমলিঙ্গেশ্বরের মন্দিরটি দ্বাদশ শতকে কল্যাণী চালুক্য রাজবংশের সময় নির্মিত হয়েছিল। পরে আক্রমণ করে বাহমানি সুলতান। তারাই ধ্বংস করেছিল সব। হিন্দুত্ববাদী সংগঠনটির অভিযোগ, শতাব্দীর পুরনো ইতিহাস সম্বলিত সোমেশ্বর মন্দিরটি প্রত্নতাত্ত্বিক বিভাগ দ্বারা অবহেলিত হয়েছে। সরকারের উচিত অবিলম্বে মন্দিরটি সংস্কার করা। তাদের হুঁশিয়ারি, সরকার যদি আমাদের কথায় কর্ণপাত না করে, তাহলে আমরা আন্দোলনে নামব।

    আরও পড়ুন : ম্যাঙ্গালুরুর মসজিদের অন্দরে হিন্দু মন্দিরের ধ্বংসাবশেষ! পুজোর উদ্যোগ ভিএইচপি-র

    কাশীর বিশ্বনাথ মন্দির চত্বরেই রয়েছে জ্ঞানবাপী মসজিদ। হিন্দুত্ববাদী সংগঠনের দাবি, বিশ্বেশ্বরের মন্দির ভেঙে মসজিদ নির্মাণ করেছিলেন মুঘল সম্রাট ঔরঙ্গজেব। পরে রানি অহল্যবাই সেখানে ফের মন্দির গড়ে তোলেন। এখন যেখানে মসজিদ রয়েছে, সেখানেই এক সময় শৃঙ্গার গৌরীর মন্দির (Shingar Gauri temple) ছিল বলেও দাবি। মসজিদের ওজুখানার জলাধারে শিবলিঙ্গ রয়েছে বলেও দাবি করেছেন সোহন লাল আর্য নামে এক ব্যক্তি। সেই মামলা এখনও বিচারাধীন আদালতে।

    ম্যাঙ্গালুরুর মসজিদের অন্দরে হিন্দু মন্দিরের ধ্বংসাবশেষ! পুজোর উদ্যোগ ভিএইচপি-র

    এই আবহেই বাহমানি দুর্গের ভিতরে সোমলিঙ্গেশ্বরের মন্দিরের হদিশ মেলার খবরে সরগরম কর্নাটক। প্রসঙ্গত, রবিবারই এই রাজ্যেরই ম্যাঙ্গালুরুর এক মসজিদের অন্দরে হিন্দু মন্দিরের ধ্বংসাবশেষ মিলেছে বলে দাবি হিন্দুত্ববাদী সংগঠনের। ২৫ মে ওই মসজিদ চত্বরে বিশেষ ধর্মীয় আচার পালনের পরিকল্পনা করছেন স্থানীয় হিন্দুরা। ইতিমধ্যেই এনিয়ে একটি বৈঠকও হয়ে গিয়েছে। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন বিজেপির স্থানীয় বিধায়ক এবং বিশ্ব হিন্দু পরিষদের নেতারা।

     

     

LinkedIn
Share