Tag: Terror activities

Terror activities

  • Pakistan Support Terror: ‘‘সন্ত্রাসবাদের কারণে বিশ্বাসের সম্পর্ক নষ্ট হয়েছে’’, পাকিস্তানকে নিশানা ভারতের

    Pakistan Support Terror: ‘‘সন্ত্রাসবাদের কারণে বিশ্বাসের সম্পর্ক নষ্ট হয়েছে’’, পাকিস্তানকে নিশানা ভারতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ক্ষমতায় আসার পর থেকে সন্ত্রাস-মোকাবিলায় একাধিক পদক্ষের করেছে মোদি সরকার। কিন্তু পাকিস্তান সন্ত্রাসবাদকে (Pakistan Support Terror) মদত দেওয়া বন্ধ করেনি। যার ফল ভুগতে হয় ভারতকে। রাষ্ট্রসঙ্ঘে (United Nations) ঠিক এই ভাষায় পাকিস্তানকে আক্রমণ করলেন ভারতীয় দূত পর্বতানেনী হরিশ৷ তাঁর দাবি, সন্ত্রাসবাদকে পাকিস্তান দীর্ঘদিন ধরে মদত দিয়ে আসছে। পাকিস্তানের সঙ্গে সুসম্পর্ক গড়ে তোলার ক্ষেত্রে ভারতের প্রধান সমস্যাও সন্ত্রাসবাদ। তবে পাকিস্তানের এই ভূমিকা আর সহ্য করা হবে না বলে জানিয়েছেন হরিশ। 

    কথা বলেও লাভ হয়নি 

    সম্প্রতি কলম্বিয়া ইউনিভার্সিটির একটি অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন ভারতীয় দূত পর্বতানেনী হরিশ। সেখানে পাকিস্তানের সঙ্গে (Pakistan Support Terror) সম্পর্ক প্রসঙ্গে তাঁকে জিজ্ঞাসা করা হলে সন্ত্রাসবাদের প্রশ্নে পড়শি দেশকে কড়া ভাষায় আক্রমণ করেন তিনি ৷ হরিশ বলেন, ‘‘দীর্ঘদিন আগে দু’দেশের মধ্যে বিশ্বাসের সম্পর্ক নষ্ট হয়ে গিয়েছে৷ তার একমাত্র কারণ সন্ত্রাসবাদ৷ এই সমস্যার সমাধান না-হলে দুই দেশের সম্পর্কে কোনওদিন উন্নতি হবে না৷’’ তাঁর মতে, সমস্যার সমাধানের জন্য প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বেশ কয়েকবার চেষ্টা করেছেন। পাকিস্তান সরকারের সঙ্গে আলোচনাও করেছেন৷ তবে তাতেও কোনও লাভ হয়নি ৷ তাঁর কথায়, ‘‘একমাত্র আন্তর্জাতিক সহযোগিতার মাধ্যমেই সন্ত্রাসবাদ সংক্রান্ত সমস্যার সমাধান হওয়া সম্ভব। ভারত সেই লক্ষ্যেই এগোচ্ছে।’’

    সন্ত্রাসবাদ বিশ্বের অভিশাপ

    শুধুমাত্র ভারতের জন্য নয়, সন্ত্রাসবাদ (Pakistan Support Terror) গোটা বিশ্বের জন্যই অভিশাপ । এমনই মনে করেন হরিশ ৷ তাঁর কথায়, ‘‘একটি সন্ত্রাসবাদী হামলা আদতে একাধিক হামলার সমান৷ একটি প্রাণ গেলে তার সঙ্গে হাজারটা প্রাণ যায়৷ সুতরাং, আন্তর্জাতিক প্রেক্ষাপটে দাঁড়িয়ে আমরা এই সমস্যার সমাধানের জন্য কী কী পদক্ষেপ করছি, সেটাই আলোচনার বিষয়৷’’ সন্ত্রাসবাদকে ভারত কোনওমতেই মেনে নেবে না বলে জানান হরিশ। প্রসঙ্গত, ক্ষমতায় আসার পর সন্ত্রাসবাদ রুখতে একাধিক পদক্ষেপ করেছে মোদি সরকার৷ সময়ের সঙ্গে সঙ্গে দেশের নিরাপত্তা আরও মজবুত করতে প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার উপর বাড়তি গুরুত্ব আরোপ করেছেন প্রধানমন্ত্রী৷ দেশের তিন সশস্ত্র বাহিনীকে আরও শক্তিশালী করে তুলতে অত্যাধুনিক যুদ্ধাস্ত্রে সাজিয়ে তোলা হয়েছে৷ সেই সঙ্গে, পাকিস্তানের সঙ্গেও কথা বলা হয়েছে ভারতের তরফে৷ যদিও তারপরও কোনও পরিবর্তন হয়নি বলে দাবি দিল্লির৷ 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Pak MBBS seats: “পাকিস্তানে যাচ্ছে এমবিবিএস পড়তে, ভারতে ফিরছে জঙ্গি হয়ে!” চাঞ্চল্যকর দাবি গোয়েন্দাদের

    Pak MBBS seats: “পাকিস্তানে যাচ্ছে এমবিবিএস পড়তে, ভারতে ফিরছে জঙ্গি হয়ে!” চাঞ্চল্যকর দাবি গোয়েন্দাদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক:  দেশে সন্ত্রাস চালানোর জন্য শিক্ষিত ভারতীয় তরুণদেরই (Indian Youths) ব্যবহার করা হচ্ছে! এমনই চাঞ্চল্যকর দাবি করলেন গোয়েন্দারা। তাঁদের মতে,  যে সব কাশ্মীরি (Kashmiri) তরুণরা ডাক্তারি (MBBS) পড়তে বা অন্য কোনও বিষয়ে উচ্চশিক্ষা লাভের জন্য পাকিস্তানে (Pakistan) যাচ্ছেন, তাঁদেরই একাংশের মগজধোলাই করে জঙ্গি শিবিরে টেনে নেওয়া হচ্ছে। সাম্প্রতিক বেশ কিছু ঘটনায় এর প্রমাণ পেয়েছেন ভারতীয় গোয়েন্দারা।

    ইতিমধ্যেই জম্মু-কাশ্মীর পুলিশের গোয়েন্দা শাখা জাফর ভাট নামে এক হুরিয়ত নেতা-সহ ৮ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেছে। তাতে দাবি করা হয়েছে, ওই ব্যক্তি কাশ্মীরি যুবকদের সুলভে উচ্চশিক্ষার টোপ দিয়ে পাকিস্তানের বিভিন্ন মেডিক্যাল কলেজের সিট (Pak MBBS seats) বিক্রি করেছেন! পাকিস্তানে পৌঁছনোর পর এই যুবকদের মধ্যে থেকেই একাধিক জনকে বাছাই করে সন্ত্রাসবাদী সংগঠনের মাধ্যমে জঙ্গি প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। তারপর এই যুবকদের আবার ভারতে ফেরত পাঠানো হচ্ছে। প্রতিবছর এরকম অন্তত ১০০ জন কাশ্মিরী যুবক পাকিস্তানে যায় উচ্চশিক্ষার জন্য।

    বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (UGC) এবং সর্বভারতীয় কারিগরি শিক্ষা পর্ষদ (AICTE) এই প্রসঙ্গে একটি যৌথ বিবৃতিতে জানিয়েছে, “যদি কোনও ভারতীয় নাগরিক বা ভারতীয় বংশোদ্ভূত বিদেশি নাগরিক পাকিস্তান থেকে উচ্চশিক্ষার পাঠ নিয়ে আসেন, তাহলে তাঁরা সেই শংসাপত্রের ভিত্তিতে ভারতে উচ্চশিক্ষা বা চাকরির জন্য আবেদন করতে পারেন না।” বিশেষজ্ঞদের অনুমান, এই কারণেই ওই শিক্ষিত ও মেধাবী তরুণদের নিশানা করে তাঁদের মগজধোলাই করছে পাক গুপ্তচর সংস্থা (ISI)। তাঁদের বোঝানো হচ্ছে, যোগ্যতা থাকা সত্ত্বেও তাঁরা ভারতে বঞ্চিত এবং অবহেলিত। 

    ভারতীয় গোয়েন্দাদের হাতে আসা তথ্য বলছে, কাশ্মীর উপত্যকায় সাম্প্রতিক জঙ্গিদমন অভিযানে নেমে এমন অন্তত ১৭ জন তরুণের খোঁজ পাওয়া গিয়েছে, যাঁরা পাকিস্তানে গিয়েছিল পড়াশোনা করতে। কিন্তু, দেশে ফেরত আসে সন্ত্রাসবাদী হয়ে। এই ১৭ জনকে চিহ্নিত করা সম্ভব হয়েছে, কারণ, এদের সকলেই নিরাপত্তাবাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে নিহত হয়েছে। 

    নিহত এই জঙ্গিদের সম্পর্কে খোঁজ নিয়ে জানা গিয়েছে, এঁরা সকলে বৈধ ভিসা নিয়ে পাকিস্তানে পড়তে গিয়েছিলেন। এবং সকলেই অত্যন্ত মেধাবী ছাত্র ছিলেন। ২০১৫ সাল থেকেই কাশ্মীরি তরুণদের পাকিস্তানের যাওয়ার প্রবণতা নজরে আসার মতো বেড়ে গিয়েছে। এঁদের অধিকাংশই পড়াশোনা করতে গেলেও কেউ কেউ আবার আত্মীয়দের সঙ্গে দেখা করতে কিংবা বিয়ের মতো পারিবারিক কোনও অনুষ্ঠানে যোগ দিতেও বৈধভাবে সীমান্তে পেরিয়ে ওদেশে গিয়েছেন। সেখান থেকেই নতুন করে তদন্ত শুরু করেন গোয়েন্দারা।

    সূত্রের দাবি, এই বাছাই করা মেধাবী যুবকদের জঙ্গি বানানোর পিছনে রীতিমতো একটি লবি কাজ করছে। এমনকী, এই যুবকদের কাশ্মীর (Kashmir) থেকে পাকিস্তানে (Pakistan) যেতে যাতে কোনও আইনি সমস্যা না হয়, তার জন্য ভারতের পাক দূতাবাসও (Pak High Commission in India) পূর্ণ সহযোগিতা করছে বলে খবর রয়েছে গোয়েন্দাদের কাছে।

LinkedIn
Share