Tag: Terror funding case

Terror funding case

  • Kashmir: জঙ্গি নিশানায় কাশ্মীরের জি-২০ সম্মেলন! উপত্যকায় অভিযান এনআইএ-র

    Kashmir: জঙ্গি নিশানায় কাশ্মীরের জি-২০ সম্মেলন! উপত্যকায় অভিযান এনআইএ-র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জঙ্গিদের নিশানায় কাশ্মীরে জি-২০ সম্মেলন! তার জন্যই চলছে জঙ্গিদের অর্থ সংগ্রহ ও অস্ত্র মজুতের কাজ। জঙ্গিদের নাশকতার ছক বানচাল করতে তৎপর নিরাপত্তা বাহিনী থেকে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা। সোমবার দক্ষিণ কাশ্মীরে বিভিন্ন জায়গায় অভিযান চালায় কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা এনআইএ। সন্ত্রাসবাদী কার্যকলাপে অর্থায়নের মামলায় পুলওয়ামা ও সোপিয়ানের একাধিক জায়গায় তল্লাশি অভিযান চালায় কেন্দ্রীয় গোয়েন্দারা। 

    জি-২০র পর্যটন সংক্রান্ত বৈঠক

    প্রসঙ্গত, মে মাসের ২২ থেকে ২৪ তারিখ পর্যন্ত শ্রীনগরের মাটিতে জি-২০র পর্যটন সংক্রান্ত বৈঠক হবে। দেশের নানা প্রান্তেই জি-২০ সম্মেলনের একাধিক বৈঠক হয়েছে। কিন্তু শ্রীনগরের মতো স্পর্শকাতর কেন্দ্রে এই প্রথম আন্তর্জাতিক সম্মেলনের আয়োজন হবে। শ্রীনগর ছাড়া লেহ ও লাদাখেও এই সম্মেলন আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে। পাকিস্তান সব সময় এর বিরোধিতা করছে। কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সূত্রে খবর, বেশ কিছুদিন ধরেই দক্ষিণ কাশ্মীরের বিভিন্ন এলাকায় পাকিস্তানের মদতে কয়েকটি গোষ্ঠী ছদ্মনাম নিয়ে সন্ত্রাসবাদী কার্যকলাপে উসকানি দিচ্ছে। কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা সম্প্রতি একটি বিবৃতি জারি করে জানিয়েছে, “পাকিস্তানভিত্তিক জঙ্গিরা ড্রোন ব্যবহার করে অস্ত্র, বোমা, মাদক ইত্যাদি সরবরাহ করার চেষ্টা চালাচ্ছে। কাশ্মীর উপত্যকায় তাদের কর্মী এবং ক্যাডারদের কাছে সাহায্য পৌঁছে দিতে চেষ্টা চালাচ্ছে তারা। কিন্তু তা কখনওই সফল হবে না।”

    আরও পড়ুন: কাশ্মীর ঘুরতে যাচ্ছেন? জানুন উপত্যকার ৭ মোহময়ী স্থান সম্পর্কে

    জোরদার নিরাপত্তা 

    জি-২০ সম্মেলনকে নজরে রেখে উপত্যকায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। গত ১১ মে সন্ত্রাসবাদী কার্যকলাপে জড়িত থাকার অভিযোগে কানসিপোরাতে আব্দুল খালিক রেগুর বাসবভবনে তল্লাশি চালানো হয়। এর পাশাপাশি বারামুল্লা জেলার সাংরি কলোনিতে সোয়েব আহমেদ চুরের বাড়িতে এবং সৈয়দ করিমে জাভেদ আহমেদ ধোবির বাড়িতে অভিযান চালায় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। এর আগে আদালতের নির্দেশে বেআইনি কার্যকলাপ প্রতিরোধ আইনের আওতায় কাশ্মীরের বিভিন্ন জায়গায় তিন অভিযুক্তের সম্পত্তি বাজেয়াপ্তও করেছিল এনআইএ। এবার নতুন করে অভিযান শুরু করল কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Terror funding case: জঙ্গি দমনে কঠোর এনআইএ, উপত্যকার বিভিন্ন জায়গায় তল্লাশি 

    Terror funding case: জঙ্গি দমনে কঠোর এনআইএ, উপত্যকার বিভিন্ন জায়গায় তল্লাশি 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জঙ্গি দমনে উপত্যকার বিভিন্ন জায়গায় তল্লাশি অভিযান চালাল জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা এনআইএ (NIA)। উত্তর কাশ্মীরে ক্রমবর্ধমান সন্ত্রাস ঠেকাতেই এদিন জম্মু-কাশ্মীর পুলিশ এবং এনআইএ শ্রীনগরের বেশ কিছু অঞ্চলে যৌথ অভিযান চালায়।  সন্ত্রাসে অর্থ যোগানো মামলার জেরেই এই তল্লাশি চলছে বলে আধিকারিক সূত্রে খবর।

    এদিন এনআইএ  শ্রীনগরের ৩টি জায়গায় তল্লাশি চালিয়েছে। বুধবারও তল্লাশি অভিযান চলেছিল বারামুলা ও হান্দওয়াড়ায়। তল্লাশি অভিযানে প্রচুর তথ্য গোয়েন্দাদের হাতে এসেছে বলে সূত্রের খবর। বেশ কিছু মোবাইল ফোন, ল্যাপটপও আটক করা হয়েছে। তল্লাশি অভিযানে এনআইএ-এর সঙ্গে ছিল সিআরপিএফ (CRPF) এবং রাজ্য পুলিশ। পাক-অধিকৃত কাশ্মীরের (Pakistan Occupied Kashmir) সঙ্গে ব্যবসায়ী যোগ রয়েছে, এমন অনেক জায়গায়  তল্লাশি চালানো হয়।

    আরও পড়ুন: জেএমবি জঙ্গি-যোগের খোঁজে ৩ রাজ্যে হানা এনআইএ-র

    অভিযোগ, সীমান্ত পেরিয়ে অস্ত্র তো ঢুকছেই, উপত্যকার জঙ্গিদের কাছে আর্থিক সাহায্যও পৌঁছে যাচ্ছে সঠিক সময়। সন্ত্রাসে আর্থিক মদত দিচ্ছে কারা বা কোন সংগঠন, খোঁজ করতেই এদিন সকালে জম্মু-কাশ্মীরের একাধিক জায়গায় তল্লাশি অভিযান চালিয়েছে জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা। গোয়েন্দাদের অনুমান, উপত্যকায় অশান্তি জিইয়ে রাখতে টাকা পাঠাচ্ছে পাক জঙ্গিরা। বিশেষত, লস্কর-ই-তৈইবা। ২০০৮ সাল থেকেই এই অভিযোগের তদন্তে নেমেছে এনআইএ।  জম্মু-কাশ্মীরের পাশাপাশি দিল্লি,হরিয়ানা-সহ বিভিন্ন রাজ্যেও  তল্লাশি চালিয়েছে এনআইএ। 

    সূত্রের খবর, উপত্যকা জুড়ে জঙ্গি নিকেশ অভিযানে আগ্রাসী মনোভাব নিয়ে চলছে কেন্দ্র সরকার। জানুয়ারি থেকে জুন। ২০২২-এর প্রথম ছ’মাসেই জম্মু ও কাশ্মীরে শতাধিক জঙ্গিকে খতম করেছে ভারতীয় সেনা। তার মধ্যে অন্তত ৩০ জন পাকিস্তানি জঙ্গি। ভারতীয় সেনা সূত্রে খবর, এখনও কাশ্মীর উপত্যকায় অন্তত ১৫৮ জন জঙ্গি লুকিয়ে আছে। তাদের সন্ধানে চলছে চিরুনি তল্লাশি। সূত্রের খবর, এই মুহূর্তে আত্মগোপন করে থাকা জঙ্গিদের মধ্যে অধিকাংশই লস্কর-ই-তৈবার। তাদের মতে ৮৩ জন লস্কর জঙ্গি উপত্যকায় লুকিয়ে। আসন্ন অমরনাথ যাত্রায় বিঘ্ন ঘটানোই জঙ্গিদের লক্ষ্য বলেও গোয়েন্দা সূত্রে জানা যাচ্ছে।

LinkedIn
Share