Tag: Terrorist

Terrorist

  • Amreen Bhat: ২৪-ঘণ্টার মধ্যেই কাশ্মীরে সেনা অভিযানে খতম টিভি অভিনেত্রীর হত্যাকারী দুই লস্কর জঙ্গি

    Amreen Bhat: ২৪-ঘণ্টার মধ্যেই কাশ্মীরে সেনা অভিযানে খতম টিভি অভিনেত্রীর হত্যাকারী দুই লস্কর জঙ্গি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কাশ্মীরে (Kashmir) নিরাপত্তা বাহিনীর হাতে নিকেশ টিভি অভিনেত্রী আমরীন ভাটের (Amreen Bhat) হত্যায় জড়িত দুই দুই লস্কর-ই-তৈবা (Lashkar-e-Taiba) জঙ্গি। কাশ্মীরের অবন্তিপোরায় (Awantipora) এনকাউন্টারে এই দুই জঙ্গি খতম হয়েছে বলে জানিয়েছে জম্মু ও কাশ্মীর পুলিশ। 

    ইসলামিক ফতোয়া না মানায় বুধবার রাতে আমরীন ভাটকে বুধবার বদগামের হাশরু গ্রামে তাঁর বাড়ির সামনে গুলি করে হত্যা করে জঙ্গিরা। সেই সময় অভিনেত্রীর সঙ্গে ছিল তাঁর ১০ বছরে ভাইপো, সেও আহত হয়। আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাঁকে স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হলে চিকিৎসকরা মৃত বলে ঘোষণা করেন। অভিনেত্রীর মৃত্যুর ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই মৃত্যু হল তাঁর হত্যাকারীদের। 

    কাশ্মীরের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী ওমর আবদুল্লা (Omar Abdulla) ট্যুইটে প্রতিক্রিয়া জানান, “আমরীন ভাটের খুনের ঘটনায় দুঃখিত এবং হতবাক। আমরীনকে তাঁর প্রাণ দিতে হল এবং তাঁর ভাইপো আহত। ঈশ্বর তাঁকে স্বর্গে ঠাঁই দিক।”

    আরও পড়ুন: কুপওয়ারায় গুলির লড়াইয়ে খতম তিন লস্কর জঙ্গি, উদ্ধার প্রচুর অস্ত্র
     
    কাশ্মীরে লাগাতার অভিযান চালিয়ে সম্প্রতি বড় সাফল্য পেয়েছে নিরাপত্তা বাহিনী। কাশ্মীর পুলিশের আইজি বিজয় কুমার সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, ৩ দিনে নিকেশ করা হয়েছে ১০ জঙ্গিকে। এদের মধ্যে ৩ জন জইশ-ই-মহম্মদের সদস্য। বাকি ৭ জন লস্করের সদস্য। 

    [tw]


    [/tw]

    মৃত জঙ্গিদের মধ্যে কাশ্মীরের টিভি অভিনেত্রী আমরীন ভাট হত্যাকাণ্ডে জড়িত জঙ্গিরাও ছিল বলে জানিয়েছে কাশ্মীর পুলিশ। তাদের নাম শাকির আহমেদ ওয়াজা এবং আফরিন আফতাব। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে একটি একে-৪৭ রাইফেল, অস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধার করেছে।  

    [tw]


    [/tw]

    টেলিভিশন অভিনেত্রী আমরীন ভাট কাশ্মীরে বেশ জনপ্রিয় মুখ। টিকটক-সহ অন্যান্য সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মে বেশ সক্রিয় ছিলেন। পুলিশের ধারণা, ইসলামিক ফতোয়া না মানায় তাঁকে টার্গেট করে জঙ্গি গোষ্ঠী।

    আরও পড়ুন: যাবজ্জীবন ইয়াসিন মালিকের, অশান্তি এড়াতে জম্মু-কাশ্মীরে বাড়ানো হল নিরাপত্তা

     

  • Kashmiri Pandits: “হয় কাশ্মীর ছাড়ো, নয় মরো”, পণ্ডিতদের হুমকি-চিঠি জঙ্গিদের

    Kashmiri Pandits: “হয় কাশ্মীর ছাড়ো, নয় মরো”, পণ্ডিতদের হুমকি-চিঠি জঙ্গিদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হয় কাশ্মীর (Kashmir) ছাড়ো, নয় মরো! কাশ্মীরি পণ্ডিতদের (Kashmiri Pandits) এই হুমকি চিঠি দিয়েছে জঙ্গি সংগঠন লস্কর-এ-ইসলাম (Lashkar-e-Islam)। যার জেরে ভূস্বর্গে ফের জাঁকিয়ে বসেছে ভয়। এদিকে পরিস্থিতির মোকাবিলায় “পিপলস অ্যালায়েন্স ফর গুপকার” (PAGD) সংগঠনের সদস্যদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন জম্মু-কাশ্মীরের লেফটেন্যান্ট গভর্নর মনোজ সিনহা।

    বৃহস্পতিবার ভরদুপুরে কাশ্মীরের বদগাম জেলার চাদুরা শহরে পণ্ডিত সম্প্রয়াদের এক সরকারি কর্মীকে অফিসে ঢুকে গুলি করে খুন করে জঙ্গিরা। রাহুল ভাট (Rahul Bhatt) নামের ওই সরকারি কর্মীর হত্যার দায় স্বীকার করে কাশ্মীর টাইগার্স নামে এক জঙ্গি সংগঠন। ঘটনার প্রতিবাদে এবং অবলিম্বে জঙ্গিদের গ্রেফতারির দাবিতে বিক্ষোভ দেখান কাশ্মীরি পণ্ডিতরা। সেই ঘটনার রেশ মিলিয়ে যাওয়ার আগেই ফের জঙ্গি সংগঠনের হুমকি চিঠি। কাশ্মীরের পুলওয়ামার হালওয়ায় একটি শরণার্থী কলোনিতে থাকেন কাশ্মীরি পণ্ডিতরা। রবিবার হুমকি চিঠি আসে সেখানেই। হালওয়ার শরণার্থী কলোনির সভাপতিকে লেখা ছোট্ট একটি চিঠিতে দেওয়া হয়েছে খুনের হুমকি।

    লস্কর-ই-ইসলামের লেটারহেড সম্বলিত ওই চিঠিতে লেখা হয়েছে, “সমস্ত শরণার্থী এবং রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘের (RSS) প্রতিনিধিদের বলছি, হয় কাশ্মীর ছেড়ে চলে যাও নয়তো মৃত্যুর মুখোমুখি হও! যে সমস্ত কাশ্মীরি পণ্ডিতরা কাশ্মীরকে ইজরায়েল বানাতে চায়, এখানকার মুসলিমদের খুন করতে চায়, তাদের কাশ্মীরে জায়গা নেই। ওই চিঠিতে জঙ্গিরা জানিয়েছে, চাইলে এই পণ্ডিতরা নিজেদের নিরাপত্তা দ্বিগুণ এমনকি তিনগুণও করে নিতে পারেন, কিন্তু তাতে লাভ হবে না।” চিঠির শেষ লাইনে লেখা, তোমরা মরবেই।

    আরও পড়ুন : অফিসে ঢুকে গুলি করে খুন কাশ্মীরি পণ্ডিতকে, ফের অশান্ত ভূস্বর্গ

    ঘটনার পর জম্মু-কাশ্মীরের (Jammu and Kashmir) লেফটেন্যান্ট গভর্নর মনোজ সিনহা পিপলস অ্যালায়েন্স ফর গুপকার সংগঠনের (people’s Alliance for Gupkar declaration) সদস্যদের সঙ্গে বৈঠকে বসেন। উপস্থিত ছিলেন ন্যাশনাল কনফারেন্স (National Conference) প্রধান ফারুক আবদুল্লাহ (Farooq Abdulla), পিপলস ডেমোক্রেটিক পার্টি প্রধান মেহবুবা মুফতি (Mehbooba Mufti), সিপিআই(এম) নেতা এম ওয়াই তারিগামি (Tarigami), এনসি এমপি হাসনাইন মাসুদি ও আওয়ামী ন্যাশনেল কনফারেন্সের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট মুজাফফর শাহ। ওই বৈঠকে মনোজ  জানান, উপত্যকায় নিরপরাধদের হত্যার প্রতিশোধ নিতে নিরাপত্তা বাহিনীকে পূর্ণ স্বাধীনতা দেওয়া হয়েছে। উপত্যকার কাশ্মীরি পণ্ডিত সম্প্রদায়ের সরকারি কর্মচারীদের আবাসিক এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করা হবে বলেও জানান তিনি।

    নয়ের দশকে নির্বিচারে হিন্দু পণ্ডিতদের খুন করেছিল জঙ্গিরা। ভয়ে উপত্যকা ছাড়েন পণ্ডিতরা। ২০১৪ সালে কেন্দ্রের তখতে বসেই কাশ্মীর সমস্যার সমাধানে উদ্যোগী হয় নরেন্দ্র মোদির (Modi) সরকার। উনিশে ফের ক্ষমতায় এসে কাশ্মীর থেকে রদ করে ৩৭০ ধারা (Article 370)। তার পর আক্ষরিক অর্থেই ভূস্বর্গ হয়ে উঠেছিল কাশ্মীর। পাকিস্তানে (Pakistan) পট পরিবর্তনের পর ফের শুরু হয়েছে বিক্ষিপ্ত হিংসা।

     

  • Hizbul Terrorists: কাশ্মীরে সেনা অভিযানে খতম হিজবুলের সবচেয়ে পুরনো সদস্যসহ মোট তিন জঙ্গি

    Hizbul Terrorists: কাশ্মীরে সেনা অভিযানে খতম হিজবুলের সবচেয়ে পুরনো সদস্যসহ মোট তিন জঙ্গি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জম্মু-কাশ্মীরের অনন্তনাগ (Anantnag) জেলার পহেলগাঁওয়ে (Pahalgam) ভারতীয় সেনাবাহিনীর গুলিতে খতম তিন হিজবুল মুজাহিদিন (hizbul mujahideen) জঙ্গি (Terrorist)। অমরনাথ যাত্রীদের উপর আক্রমণ করার ছক কষেই ওই জঙ্গিরা সেখানে ঘাঁটি গেড়েছিল বলে জানিয়েছে ভারতীয় সেনা (Indian Army)।   

    শুক্রবার যে তিন জঙ্গির মৃত্যু হয়েছে তাদের মধ্যে এক জন এই জঙ্গিগোষ্ঠীর সবচেয়ে পুরনো সদস্য বলে পুলিশের তরফে জানা গেছে। মৃত ওই জঙ্গির নাম আশরাফ মোলভি (Ashraf Molvi)। কাশ্মীর পুলিশের আইজি ট্যুইট করে জানিয়েছেন, “আশরাফ মোলভি সহ অন্য দুই জঙ্গি সেনা অভিযানে নিহত হয়েছে। অমরনাথ যাত্রার রাস্তায় এই জঙ্গিদের নিকেশ করতে পারা পুলিশের জন্য বড় সাফল্য।”    

    সেনা সূত্রের খবর, পহেলগাঁওয়ের কাছাকাছি জঙ্গলে জঙ্গিদের উপস্থিতি সম্পর্কে তথ্য পাওয়ার পরই  নিরাপত্তা বাহিনী ওই এলাকায় অভিযান শুরু করে। জঙ্গিরা গুলি চালালে পাল্টা গুলি চালায় সেনা। এর পরেই সেনাবাহিনীর গুলিতে মারা যায় ওই তিন জঙ্গি।   
     
    ২০১৩ সাল থেকে এই জঙ্গির বিরুদ্ধে ‘মোস্ট ওয়ান্টেড’ তকমা ছিল। আশরাফ মোলভি ছাড়াও নিহত হয়েছে মহম্মদ রফিক দ্রাঙ্গে এবং জামির তান্ত্রে ওরফে আকিব। এরা প্রত্যেকেই হিজবুল সদস্য হিসেবে পরিচিত। গোটা ঘটনায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে অমরনাথের যাত্রীদের মধ্যে।

    পুলিশ ফাঁড়িতে হামলা, আইইডি (IED) বিস্ফোরক প্ল্যান্ট করা, সাধারণ নাগরিকদের উপর হামলাসহ একাধিক নাশকতার চক্রান্তের অভিযোগ রয়েছে হিজবুল মুজাহিদিনের কুখ্যাত  জঙ্গি মোলভির বিরুদ্ধে। পাক অধিকৃত কাশ্মীর থেকে ১৯৯৯ সালে  বেআইনি অস্ত্র পাচার দিয়ে প্রথম অপরাধ জগতে প্রবেশ করে মোলভি। এই জঙ্গির নির্দেশেই ২০২১ সালে পঞ্চায়েত প্রধান গুলাম রসুল এবং তাঁর স্ত্রী জওহরা বেগমকে অনন্তনাগের লালচকে হত্যা করা হয়। অনন্তনাগ এলাকায় এবারও কোনও বড় বিস্ফোরণ ঘটানোর ছক ছিল হিজবুলের। এনকাউন্টারে তিন জঙ্গিকে নিকেশ করা ছাড়াও আরও এক হিজবুল জঙ্গিকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। জম্মু-কাশ্মীর পুলিশের মুখপাত্র জানান, ”মহম্মদ ইশৎাক শেরগোজরি নামে এক হিজমুল মুজাহিদিন সদস্যকে গ্রেফতার করা হয়েছে। নয়গাঁ এলাকার বাসিন্দা ওই জঙ্গিকেও অনন্তনাগ থেকেই পাকড়াও করেছে পুলিশ।”   

     

LinkedIn
Share