Tag: Terrorists

Terrorists

  • Jammu & Kashmir: নিশানায় ছিল অমরনাথ! সীমান্তে ফের অনুপ্রবেশ রুখল সেনা, খতম তিন জঙ্গি

    Jammu & Kashmir: নিশানায় ছিল অমরনাথ! সীমান্তে ফের অনুপ্রবেশ রুখল সেনা, খতম তিন জঙ্গি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সীমান্তে ফের অনুপ্রবেশ (Infiltration) রুখে দিল ভারতীয় সেনা। জম্মু-কাশ্মীরের (Jammu & Kashmir) কুপওয়ারা জেলার কেরন সেক্টরে নিয়ন্ত্রণ রেখার কাছে অনুপ্রবেশ করার চেষ্টা করে ভিনদেশিরা। সূত্র মারফৎ খবর পেয়ে অভিযান চালায় ভারতীয় সেনা। তাতে তিন জঙ্গি খতম হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। বাকিদের খোঁজে তল্লাশি চলছে।

    কী বলছেন ব্রিগেডিয়ার? (Jammu & Kashmir)

    সেনার এক আধিকারিক জানান, ১৩-১৪ জুলাই রাতে বিশ্বস্ত সূত্রে খবর পেয়ে অনুপ্রবেশকারীরা সচরাচর যেসব রাস্তায় এ দেশে ঢোকে, সেই সব রুটে তল্লাশি চালানো হয়। তখনই গুলি ছুড়তে শুরু করে অনুপ্রবেশকারীরা। পাল্টা গুলি চালায় সেনাও। তাতে তিন জঙ্গির মৃত্যু হয়। ২৬৮তম ইনফ্যান্ট্রি ব্রিগেড, কেরন সেক্টরের ব্রিগেডিয়ার এনআর কুলকার্নি বলেন, “গোয়েন্দাদের কাছ থেকে খবর পেয়েছিলাম এলাকায় অশান্তি পাকাতে ভারতে অনুপ্রবেশ করছে জঙ্গিরা।” তিনি বলেন, “আমাদের কাছে খবর ছিল জঙ্গিকা এলাকায় অশান্তি পাকানোর পাশাপাশি অমরনাথ যাত্রায় অংশগ্রহণকারীদের ওপর হামলা চালাতে পারে। ১২ জুলাই আমাদের গোয়েন্দা সংস্থা এ বিষয়ে নিশ্চিত খবর দেয়। জম্মু-কাশ্মীর পুলিশও এ বিষয়ে খবর পায়। তার পরেই চালানো হয় অভিযান।”

    যৌথ অভিযানেই মিলল সাফল্য

    তিনি বলেন, “বিদেশি জঙ্গিরা কেরন সেক্টর দিয়ে এ দেশে অনুপ্রবেশ করার চেষ্টা করছিল। এই অঞ্চলটি ঘন জঙ্গলে ঢাকা। অনেকগুলি নালাও রয়েছে। সেই সুযোগটাকেই কাজে লাগিয়ে (Jammu & Kashmir) অনুপ্রবেশ করার তালে ছিল জঙ্গিরা।” তিনি বলেন, “সেনা, বিএসএফ এবং জম্মু-কাশ্মীর পুলিশের যৌথ অভিযানেই মিলেছে সাফল্য। ১৩-১৪ জুলাই চালানো হয় অভিযান। কয়েকজন খতম হয়। বাকিরা সম্ভবত ফিরে গিয়েছে।” ব্রিগেডিয়ার বলেন, “ওই এলাকায় আমরা নজরদারি চালিয়ে যাচ্ছি। ঘন জঙ্গল এবং কম দৃশ্যমানতার সুযোগ নিয়ে প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখা পেরিয়ে ভারতে ঢোকার চেষ্টা করেছিল জঙ্গিরা।“

    আরও পড়ুন: নয়া প্রধানমন্ত্রী ওলি, কোন খাতে বইবে ভারত-নেপাল সম্পর্কের জল?

    পাক মদতপুষ্ট ওই জঙ্গিরা অস্ত্রশস্ত্রে সুসজ্জিত ছিল বলেও জানান কুলকার্নি। তিনি বলেন, “ওদের ভালোভাবে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছিল। সুসজ্জিত ছিল অত্যাধুনিক অস্ত্রশস্ত্রে।” তিনি বলেন, “বেশ খানিকক্ষণ গুলির লড়াই চলার পর তিন জঙ্গির মৃত্যু হয়। ওই এলাকায় কোনও জঙ্গি লুকিয়ে রয়েছে কিনা, তা (Infiltration) জানতে চলেছিল অভিযান। প্রচুর পরিমাণে অস্ত্রও উদ্ধার হয়েছে এই অভিযানে (Jammu & Kashmir)।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Terrorists killed in encounter: ফের গুলির লড়াইয়ে কেঁপে উঠল ভূস্বর্গ! এনকাউন্টারে খতম দুই জঙ্গি

    Terrorists killed in encounter: ফের গুলির লড়াইয়ে কেঁপে উঠল ভূস্বর্গ! এনকাউন্টারে খতম দুই জঙ্গি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আবারও ভূস্বর্গে জঙ্গি হামলা। সম্প্রতি জম্মু ও কাশ্মীরের (Jammu-kashmir) দোদায় নিরাপত্তা বাহিনীর এনকাউন্টারে (Terrorists killed in encounter) নিহত হয়েছে দুই জঙ্গি। বারামুলায় জঙ্গিরা হামলা চালাতে পারে বলে সম্প্রতি আশঙ্কা প্রকাশ করেছিল পুলিশ। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছিল, সম্ভাব্য জঙ্গিহানা ঠেকাতে বিভিন্ন এলাকায় সুরক্ষা ব্যবস্থা আরও কড়া করা হচ্ছে। চালানো হচ্ছে তল্লাশি অভিযানও। তেমনই এক অভিযানের সময় গত ১৯ জুন জঙ্গিদের সঙ্গে পুলিশের গুলির লড়াই বাধে। সেই সময় গুলির লড়াইয়ে নিকেশ হয় ২ জঙ্গি। এখন পর্যন্ত দুই জঙ্গির পরিচয় জানা যায়নি। 

    ঠিক কী ঘটেছিল? (Terrorists killed in encounter)

    জানা গিয়েছে এদিন সকাল থেকেই উত্তপ্ত জম্মু-কাশ্মীর (Jammu-kashmir)। জঙ্গিদের খোঁজে ডোডা জেলার জঙ্গলে তল্লাশি অভিযান শুরু করে ভারতীয় সেনা ও সিআরপিএফের যৌথ বাহিনী। আসলে গত ১১ ও ১২ জুন দুবার জঙ্গি হামলা চলে কাশ্মীরে। আর সেই হামলা পাকিস্তানী জঙ্গিরা করিয়েছিল বলে জানা যায়। তারপরেই পাকিস্তানী জঙ্গিদের ধরতে কাশ্মীরের বিভিন্ন প্রান্তে চলে তল্লাশি অভিযান। পুলিশসূত্রের খবর, চার আতঙ্কবাদীকে ধরিয়ে দিতে পারলে ৫ লক্ষ টাকার পুরস্কারও ঘোষণা করা হয়েছিল। তারপরেই ১৯ জুন সকাল ৯টা ৫০ নাগাদ বারামুলা জেলায় জঙ্গিদের সন্ধান মেলে। সেখানেই সেনা জঙ্গির গুলির লড়াইয়ে দুই জঙ্গির মৃত্যু হয়। তবে বাকিদের খোঁজে এখনও চলছে তল্লাশি অভিযান। 

    আরও পড়ুন: মূল্যবৃদ্ধির জেরে অগ্নিগর্ভ কেনিয়া! ভারতীয়দের সতর্ক করল দূতাবাস

    একের পর এক জঙ্গি হামলা 

    প্রসঙ্গত, গত ৯ জুন মোদি সরকারের শপথের দিন থেকে কাশ্মীরে (Jammu-kashmir) সন্ত্রাসমূলক কার্যকলাপ বৃদ্ধি পেয়েছে। সে দিন জম্মুর রিয়াসি জেলায় পুণ্যার্থীদের বাসে জঙ্গি হামলার ঘটনায় নজনের মৃত্যু হয়েছিল। এই ঘটনার পর কাঠুয়া ও ডোডা জেলার বেশ কিছু এলাকায় হামলা চালিয়েছে জঙ্গিরা। এখনও পর্যন্ত জঙ্গি হামলায় এক সিআরপিএফ জওয়ান-সহ ১২ জনের মৃত্যু হয়েছে। আহতের সংখ্যা বহু। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • China-Pakistan nexus: চিন-পাকিস্তান যোগসাজশ! কাশ্মীরে জঙ্গিদের থেকে উদ্ধার চিনা টেলিকম সরঞ্জাম

    China-Pakistan nexus: চিন-পাকিস্তান যোগসাজশ! কাশ্মীরে জঙ্গিদের থেকে উদ্ধার চিনা টেলিকম সরঞ্জাম

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সম্প্রতি জম্মু-কাশ্মীরে নিরাপত্তা বাহিনীর এনকাউন্টারে জঙ্গি মৃত্যুর পর সেখান থেকে বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে চিনা টেলিকম সরঞ্জাম-“আল্ট্রা সেট” (Chinese telecom gear)। স্বাভাবিকভাবেই এই ঘটনার পর প্রশ্ন উঠছে যে, জঙ্গিদের কাছে কীভাবে এই চিনা টেলিকম যন্ত্র গুলি এল? তবে কী সন্ত্রাসবাদে এই জঙ্গিদের সঙ্গে চিনের কোনও যোগসাজশ (China-Pakistan nexus) রয়েছে! এই সবকিছু মিলিয়ে তৈরি হচ্ছে ধোঁয়াশা। 

    জঙ্গিদের কাছ থেকে বাজেয়াপ্ত চীনা সরঞ্জাম 

    এ প্রসঙ্গে নিরাপত্তা বাহিনীর আধিকারিকরা জানিয়েছেন, জঙ্গিদের দ্বারা ব্যবহৃত এই মোবাইল হ্যান্ডসেটগুলি, প্রাথমিকভাবে পাকিস্তান এবং পাকিস্তান অধিকৃত কাশ্মীর থেকে বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। ফলে এটা পরিষ্কার ইঙ্গিত (China-Pakistan nexus) করছে যে জঙ্গি গোষ্ঠীগুলি পাকিস্তান থেকেই অস্ত্র এবং গোলাবারুদ সম্পর্কে প্রশিক্ষণ গ্রহণ করছে। রিপোর্ট অনুযায়ী, নিরাপত্তা বাহিনী জম্মু ও কাশ্মীরে দুটি পৃথক এনকাউন্টারে জঙ্গিদের কাছ থেকে এই চিনা সরঞ্জাম বাজেয়াপ্ত করেছে। এই বিশেষ হ্যান্ডসেটগুলি পাকিস্তান সেনাবাহিনীর জন্য শুধুমাত্র চিনা কোম্পানি দ্বারা কাস্টমাইজ করা হয়েছে বলেও জানা গিয়েছে।    

    আরও পড়ুন: শেষ মুহূর্তের গোলে কোনও মতে মানরক্ষা জার্মানির! আর অন্যদিকে ইউরো থেকে ছুটি হল স্কটল্যান্ডের

    কীভাবে ব্যবহৃত হয় এই টেলিকম যন্ত্রগুলি? (Chinese telecom gear) 

    জানা গিয়েছে বাজেয়াপ্ত হওয়া টেলিকম যন্ত্রগুলি একটি বিশেষ রেডিও সরঞ্জামের সঙ্গে সেল ফোনের ক্ষমতাকে একত্রিত করে যা গ্লোবাল সিস্টেম ফর মোবাইল (GSM) বা কোড-ডিভিশন মাল্টিপল অ্যাক্সেস (CDMA) এর মতো প্রথাগত মোবাইল প্রযুক্তির উপর নির্ভর করে না। এ প্রসঙ্গে কর্মকর্তারা বলেছেন যে, ডিভাইসটি বার্তা প্রেরণ এবং অভ্যর্থনার জন্য রেডিও তরঙ্গে কাজ করে। প্রতিটি “আল্ট্রা সেট” (Chinese telecom gear) সীমান্তের ওপারে অবস্থিত একটি স্টেশনের সাথে সংযুক্ত। তবে দুটি “আল্ট্রা সেট” একে অপরের সাথে যোগাযোগ করতে পারে না। এছাড়াও জানা গিয়েছে যে চীনা স্যাটেলাইটগুলি মূলত নিজেদের মধ্যে বার্তাগুলি বহন করার জন্যই ব্যবহার করা হয়। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Amit Shah: “জম্মু-কাশ্মীরে জঙ্গি পরিবারের সদস্যরা সরকারি চাকরি পাবেন না”, ঘোষণা শাহের

    Amit Shah: “জম্মু-কাশ্মীরে জঙ্গি পরিবারের সদস্যরা সরকারি চাকরি পাবেন না”, ঘোষণা শাহের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “যারা জঙ্গি, পাথর ছোড়ার ঘটনায় যুক্ত, জম্মু-কাশ্মীরে তাদের পরিবারের সদস্যরা সরকারি চাকরি পাবেন না।” সাফ জানিয়ে দিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)। তিনি বলেন, “তবে যদি কোনও পরিবার কিংবা পরিবারের কোনও সদস্য নিজের লোকের সন্ত্রাসী কাজকর্মের কথা পুলিশকে জানান, সেক্ষেত্রে রেহাই পাবেন তাঁরা। সরকারি চাকরিতে নিয়োগে তাঁদের কোনও বাধা থাকবে না। মানবাধিকার কর্মীরা বিষয়টি নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিল। সেখানে সরকারেরই জয় হয়েছে।”

    কী বললেন শাহ? (Amit Shah)

    তিনি বলেন, “যদি কেউ আগে সরকারি চাকরি পেয়ে থাকেন ও তার পর তাঁর পরিবারের কোনও সদস্য জঙ্গি সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত হন, সেক্ষেত্রে ওই আধিকারিককে ছাড় দেওয়া হবে।” কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর (Amit Shah) দাবি, “কাশ্মীরে সন্ত্রাসীর দেহ নিয়ে আগে শোভাযাত্রা বেরত। আমাদের সরকার এসে সেই রীতিতে ইতি টেনেছে। দেহ নিয়ে মিছিল করার সাহস আর এখন পান না কেউ।” দেশে চলছে অষ্টাদশ লোকসভা নির্বাচন। ছ’দফায় নির্বাচন হয়ে গেলেও বাকি রয়েছে শেষ দফার নির্বাচন। সেই ভোট হবে পয়লা জুন। সেই আবহেই জম্মু-কাশ্মীর নিয়ে বড় ঘোষণা করলেন শাহ।

    সন্ত্রাসের বাস্তুতন্ত্রে আঘাত

    তিনি বলেন, “২০১৮ সালে কাশ্মীরে যেখানে নাশকতার ঘটনা ঘটেছিল ২২৮টি, ২০২৩ সালে তা এসে ঠেকেছে ৫০-এ। কেন্দ্র সন্ত্রাসের বাস্তুতন্ত্রে আঘাত হানতেই এমনটা সম্ভব হয়েছে।” তিনি বলেন, “উপত্যকায় কেবল জঙ্গিদের শেষ করাই নয়, মোদি সরকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সেখানকার সন্ত্রাসের আবহ বদলে ফেলারও।” কেন্দ্র যে জঙ্গিদের সমাজের মূল স্রোতে ফেরাতে আগ্রহী, তা-ও মনে করিয়ে দেন শাহ। বলেন, “যখন কোনও জঙ্গিকে নিরাপত্তাবাহিনী ঘিরে ফেলে, তখন তাকে প্রথমে আত্মসমর্পণের সুযোগ দেওয়া হয়। তাঁর মা, স্ত্রী কিংবা পরিবারের কাছের সদস্যকে সেখানে নিয়ে আসা হয়। তাঁদের মাধ্যমে ওই জঙ্গিকে আত্মসমর্পণ করতে বলা হয়। তার পরেও সে আত্মসমর্পণে রাজি না হলে করা হয় পরবর্তী পদক্ষেপ।”

    আর পড়ুন: “এমন ব্যবস্থা নেব, আগামী প্রজন্ম দুর্নীতি করার আগে ১০০ বার ভাববে”, বাংলায় এসে তোপ মোদির

    কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “এনআইএ(জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা)-র মাধ্যমে আমরা টেরর ফান্ডিংয়ের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নিয়েছি। তাই বন্ধ হয়েছে সন্ত্রাসে অর্থায়ন। টেরর ফান্ডিংয়ের বিষয়ে আমরা কঠোর অবস্থান নিয়েছি (Amit Shah)।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Terrorists Attack: বায়ুসেনার কনভয়ে জঙ্গি হামলা, ফের রক্তাক্ত ভূস্বর্গ, শহিদ জওয়ান

    Terrorists Attack: বায়ুসেনার কনভয়ে জঙ্গি হামলা, ফের রক্তাক্ত ভূস্বর্গ, শহিদ জওয়ান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নির্বাচনের মুখে আতঙ্ক ছড়াতে ভূস্বর্গে এলোপাথাড়ি গুলি জঙ্গিদের (Terrorists Attack)। শনিবার রাত বারোটা নাগাদ কাশ্মীরের পুঞ্চ জেলায় বায়ুসেনার কনভয় লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে সন্ত্রাসবাদীরা। ঘটনায় জখম হয়েছেন এক জওয়ান। হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আরও চার জওয়ান। এদিন সুরানকোটের ওপর দিয়ে যখন বায়ুসেনার কনভয় যাচ্ছিল, তখন আচমকাই গুলি বর্ষণ শুরু করে জঙ্গিরা।

    জখম ৫ (Terrorists Attack)

    জখম হন পাঁচ জওয়ান। উধমপুরের কমান্ড হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে মৃত্যু হয় একজনের। জঙ্গিরা হঠাৎই গুলি চালাতে শুরু করায় হকচকিয়ে যান বায়ুসেনার জওয়ানরা। ঘটনার প্রাথমিক অভিঘাত কাটিয়ে প্রতিরোধ গড়ে তোলে বায়ুসেনা। দু’পক্ষে চলছে তুমুল গুলির লড়াই (Terrorists Attack)। এরই পাশাপাশি শুরু হয়েছে জঙ্গি দমন অভিযান। সূত্রের খবর, এলাকাটি ঘিরে ফেলেছে রাষ্ট্রীয় রাইফেলসের স্থানীয় ইউনিট। জঙ্গিদের খোঁজে শুরু হয়েছে তল্লাশি অভিযান।  জঙ্গি হামলার যে ছবি প্রকাশ্যে এসেছে, তাতে দেখা গিয়েছে বায়ুসেনার কনভয়ে থাকা একটি গাড়ির উইন্ডস্ক্রিনে অন্তত এক ডজন গুলির দাগ রয়েছে। গাড়িটিতে আগুনও ধরে যায়।

    কী বলছে বায়ুসেনা?

    বায়ুসেনার তরফে এক্স হ্যান্ডেলে বলা হয়েছে, “সাহসিতার এলকায় তাদের কনভয়ে যে হামলা হয়েছে, তা নিরাপদেই ছিল। জম্মু-কাশ্মীরের পুঞ্চ জেলায় সাহসিতার এলাকায় আচমকাই ভারতীয় বায়ুসেনার একটি কনভয়ে হামলা চালায় জঙ্গিরা। এলাকাটি ঘিরে ফেলা হয়েছে। শুরু হয়েছে তল্লাশি অভিযান। কনভয় নিরাপদেই রয়েছে। বিস্তারিত জানতে চলছে তদন্ত।”

    আরও পড়ুুন: কংগ্রেস ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দিলেন অরবিন্দর, কেন জানেন?

    চলতি বছর এই অঞ্চলে এটাই প্রথম বড় ধরনের কোনও হামলা চালাল জঙ্গিরা। গত বছরও ধারাবাহিকভাবে সেনার ওপর হামলা চালিয়েছিল সন্ত্রাসবাদীরা। জঙ্গিদের কাছে একে অ্যাসল্ট রাইফেল ছিল। সেনার তরফে জানানো হয়েছে, ঘটনার পরে পরেই স্থানীয় জঙ্গলে গা ঢাকা দিয়েছে জঙ্গিরা। রবিবার বেলা ১২টা পর্যন্তও জঙ্গিদের নাগাল পাওয়া যায়নি। ঘটনায় গ্রেফতারও করা যায়নি কোনও জঙ্গিকে।

    ২০১৯ সালের ১৪ অগাস্ট জম্মু-কাশ্মীর থেকে তুলে নেওয়া হয় ৩৭০ ধারা। তার পর থেকে ক্রমেই ছন্দে ফিরছে ভূস্বর্গ। আগের চেয়ে এখন উপত্যকায় বেড়েছে পর্যটকদের আনাগোনাও। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, লোকসভার নির্বাচনের প্রস্তুতিও চলছে জোরকদমে। এহেন আবহে সেনার ওপর হামলা চালিয়ে এলাকায় সন্ত্রাসের বাতাবরণ সৃষ্টি করতে চাইছে পাক মদতপুষ্ট জঙ্গিরা (Terrorists Attack)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Bengaluru Blast: ২ ঘণ্টা দাবি মুখ্যমন্ত্রীর! দার্জিলিং থেকে দিঘা, ২৮ দিন রাজ্যে ছিল ধৃত আইএস জঙ্গিরা, পাল্টা এনআইএ

    Bengaluru Blast: ২ ঘণ্টা দাবি মুখ্যমন্ত্রীর! দার্জিলিং থেকে দিঘা, ২৮ দিন রাজ্যে ছিল ধৃত আইএস জঙ্গিরা, পাল্টা এনআইএ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বেঙ্গালুরুর ক্যাফে বিস্ফোরণে (Bengaluru Cafe Blast) অভিযুক্ত দুই জঙ্গিকে পূর্ব মেদিনীপুরের দিঘার এক হোটেল থেকে গ্রেফতার করেছে এনআইএ। ২৮ দিন ধরে তারা বাংলার বিভিন্ন প্রান্তে পরিচয় গোপন করে ঘুরে বেরিয়েছে। অথচ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দাবি, তারা নাকি বাংলায় দু’ঘণ্টার ‘অতিথি’ ছিল। এ কী বলছেন মুখ্যমন্ত্রী?

    মমতার দাবির যৌক্তিকতা

    মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দাবি করেছেন, বেঙ্গালুরু রামেশ্বরম ক্যাফে বিস্ফোরণকাণ্ডে (Bengaluru Cafe Blast) জড়িত ধৃত ২ আইএস জঙ্গি রাজ্যে নাকি ২ ঘণ্টা লুকিয়ে ছিল। তিনি বলেন, “লোকগুলো কর্নাটকের। এখানকার নয়। আমাদের বাংলায় দু’ঘণ্টা লুকিয়ে ছিল। দু’ঘণ্টার মধ্যে আমরা ধরে দিয়েছি।” কিন্তু, এনআইএ গোয়েন্দাদের তদন্তে উঠে এসেছে, ২ জঙ্গি বাংলায় ২৮ দিন অর্থাৎ, প্রায় এক মাস আত্মগোপন করেছিল। এই সময় বিভিন্ন সময়ে তারা ডেরা পাল্টে পাল্টে লুকিয়ে ছিল। এনআইএ-র দাবি, কলকাতার ৮টি হোটেলে ১৮ দিন কাটিয়েছে ধৃত জঙ্গিরা। প্রথমে ধর্মতলা, তারপর লেনিন সরণি, সেখান থেকে খিদিরপুর, তারপর একবালপুর এবং সেখান থেকে নিউ দিঘার হোটেলে। ডেরা পাল্টে পাল্টে ২৮ দিন ধরে বাংলায় ঘুরে বেরিয়েছে জঙ্গিরা। শুধু কলকাতা-দিঘা নয়, পুরুলিয়া-দার্জিলিঙেও মিলেছে ধৃত জঙ্গিদের ডেরার খোঁজ। বাংলা জুড়ে তাদের অবাধ বিচরণে প্রশ্নের মুখে পড়েছে রাজ্য পুলিশের ভূমিকা। 

    রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে জঙ্গিদের বিচরণ 

    এনআইএ সূত্রে খবর,  বিগত ২৮ দিন ধরে পশ্চিমবঙ্গেই গা ঢাকা দিয়ে ছিল এই দুই জঙ্গি। খাস কলকাতায় একের পর এক হোটেলে তারা রাত কাটিয়েছে। হোটেলের রেজিস্টারে নাম নথিভুক্ত করানোর সময় ভুয়ো পরিচয় দিয়েছে। হোটেল কর্তৃপক্ষকে নাকি দেখিয়েছিল ‘ভুয়ো’ আধার কার্ড। এরই মধ্যে এবার একবালপুরের এক হোটেলের সিসিটিভি ফুটেজে এই দুই জঙ্গির ভিডিও ভাইরাল হয়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায়। ভিডিওর সত্যতা যাচাই করেনি মাধ্যম। ভাইরাল হওয়ৈা ভিডিও অনুযায়ী, সেই হোটেলে নাকি তারা ২৫ মার্চ থেকে ২৮ মার্চ পর্যন্ত ছিল।  শহরে মোট ১৮ দিন ছিল তারা। 

    আরও পড়ুন: অজয়ের চোখের যাদুতে গোলে বল! ফুটবল প্রেমীদের মন ভরাল ‘ময়দান’

    দার্জিলিং-পুরুলিয়ায় দিন যাপন

    এর আগে, ১৪ মার্চ থেকে ২১ মার্চ দার্জিলিং এবং পুরুলিয়ায় সময় কাটিয়েছিল এই দুই জঙ্গি। দার্জিলিঙে তারা ৩ দিন ছিল এবং পুরুলিয়ায় ছিল ২ দিন। শেষমেশ গত পরশু গভীর রাতে নিউ দিঘার (New Digha) একটি হোটেল থেকে বেঙ্গালুরুর রামেশ্বরম ক্যাফেতে বিস্ফোরণে দুই চক্রী আবদুল মতিন আহমেদ ত্বহা এবং মুসাভির হোসেন শাজিবকে গ্রেফতার করেছে এনআইএ।

    ১০ বার সিম বদল

    এই সময়ে ১০ বার সিম পাল্টেছে তারা। এখনও পর্যন্ত প্রাথমিক তদন্তে এনআইএ জানতে পেরেছে, সম্ভবত কর্নাটক (Karnataka) থেকেই একাধিক ভুয়ো আধার কার্ড বানিয়েছিল জঙ্গিরা। কমপক্ষে ১০টি ফোন নম্বর ব্যবহার করে তৈরি করা হয়েছিল ওই ভুয়ো আধার কার্ড। বেঙ্গালুরুর ক্যাফেতে বিস্ফোরণের পরপর দু’জন চেন্নাইয়ে (Chennai) চলে যায়। সেখান থেকে সড়ক-রেলপথে তারা পৌঁছোয় কলকাতায়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Terrorist Died: পাকিস্তানে ফের রহস্যমৃত্যু মোস্ট ওয়ান্টেড জঙ্গির

    Terrorist Died: পাকিস্তানে ফের রহস্যমৃত্যু মোস্ট ওয়ান্টেড জঙ্গির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পাক জঙ্গির (Terrorist Died) রহস্য মৃত্যু। শনিবার মোস্ট ওয়ান্টেড ওই জঙ্গির দেহ উদ্ধার হয় খাইবার পাখতুনওয়ার অ্যাবটাবাদে। মৃত ওই জঙ্গির নাম শেখ জামিল উর রহমান। ইউনাইটেড জিহাদ কাউন্সিলের সাধারণ সম্পাদক ছিল সে। তেহরিক উল মুজাহিদিনের আমিরও ছিল। এই সন্ত্রাসবাদীর আদত বাড়ি কাশ্মীরের পুলওয়ামায়। ২০২২ সালে রহমানকে জঙ্গি ঘোষণা করে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক।

    জঙ্গির রহস্য মৃত্যু

    রহমানের মৃত্যু ঠিক কীভাবে হয়েছে, তা এখনও স্পষ্ট নয়। জম্মু-কাশ্মীরে একাধিক জঙ্গি কার্যকলাপের সঙ্গে জড়িত ছিল সে। পাক গুপ্তচর সংস্থা আইএসএআইয়ের সঙ্গেও যোগাযোগ ছিল (Terrorist Died) তার। জম্মু-কাশ্মীরের যুবকদের জঙ্গি দলে যোগ দেওয়ানোর কাজ, তাদের প্রশিক্ষণ দেওয়া এবং পাকিস্তান থেকে ভারতে জঙ্গি অনুপ্রবেশ করানোর কাজই মূলত করত রহমান। ভারত থেকে পালিয়ে গিয়ে আশ্রয় নিয়েছিল পাকিস্তানে। সেখান থেকেই সে জম্মু-কাশ্মীরে জঙ্গি নেটওয়ার্ক চালাত। নয়ের দশকে জম্মু-কাশ্মীরে মাথাচাড়া দিয়েছিল তেহরিক উল মুজাহিদিন। ১৯৯১ সালে মৃত্যু হয় এই সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা ইউনিস খান। তার পর আর সেভাবে মাথাচাড়া দিতে পারেনি এই জঙ্গি সংগঠন।

    একাধিক ওয়ান্টেড জঙ্গির মৃত্যু

    গত কয়েক মাসে পাকিস্তানে রহস্য মৃত্যু হয়েছে বেশ কয়েকজন ওয়ান্টেড জঙ্গির। গত নভেম্বরে আততায়ীর গুলিতে খুন হয় লস্কর কমান্ডার আক্রম গাজি। খাইবার পাখতুনখোয়ায় খুন হয় সে। এর মাসখানেক পরে ফের খুন হয় লস্কর কমান্ডার আনদান আহমেদ। করাচিতে গুলি করে খুন করা হয় তাকেও। মুম্বই হামলার মূল চক্রী জঙ্গি নেতা আজম চিমার মৃত্যু হয় হার্ট অ্যাটাকে। চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে রহস্য মৃত্যু হয় এই লস্কর নেতার।

    আরও পড়ুুন: লোকসভা ভোটের আগে ফের ধাক্কা খেল বিরোধীরা, নীতীশের পরে জোট ছাড়লেন জয়ন্ত

    পাকিস্তানের বিভিন্ন জঙ্গি সংগঠন, যারা জম্মু-কাশ্মীরে সন্ত্রাসবাদী কাজকর্ম করে চলেছে, তাদের এক ছাতার তলায় আনতে গড়ে উঠেছিল ইউনাইটেড জিহাদ কাউন্সিল। এই কাউন্সিলে রয়েছে লস্কর-ই-তৈবা, জইশ-ই-মহম্মদ, আল বদর, হিজবুল মুজাহিদিন এবং আরও অনেক। এই কাউন্সিলেরই প্রধান ছিল মোস্ট ওয়ান্টেড জঙ্গি রহমান (Terrorist Died)। রহমানের তেহরিক উল মুজাহিদিনের সিংহভাগ সদস্যই পাকিস্তানের। পদাতিক কিছু যোদ্ধাও রয়েছে যারা জম্মু-কাশ্মীর থেকে পাকিস্তানে গিয়েছে। তেহরিক উল মুজাহিদিনকে অর্থ জোগায় পাকিস্তান, বাংলাদেশ, সৌদি আরব, ব্রিটেন, আমেরিকা এবং গলফ দেশগুলি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     

     
  • Manipur Violence: পুলিশের কনভয়ে জঙ্গি হামলা! মণিপুরে রুদ্ধশ্বাস অভিযান অসম রাইফেলসের

    Manipur Violence: পুলিশের কনভয়ে জঙ্গি হামলা! মণিপুরে রুদ্ধশ্বাস অভিযান অসম রাইফেলসের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মণিপুর পুলিশের কমান্ডোদের একটি দলকে রক্ষা করতে এগিয়ে এল অসম রাইফেলসের জওয়ানরা। ঘটনার একাধিক ভিডিয়ো সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল। দাবি করা হচ্ছে,ঘটনাটি ঘটেছে গত ৩১ অক্টোবর। মণিপুর পুলিশের এক শীর্ষ আধিকারিককে জঙ্গিরা গুলি করে হত্যা করার পর থেকে তাদের খোঁজে তল্লাশি চালাচ্ছিল রাজ্য পুলিশের কমান্ডো বাহিনী। ওই দলটি ইম্ফল থেকে ১১৫ কিলোমিটার দূরে ভারত-মায়ানমার সীমান্তে টহল দিচ্ছিল। সেই সময় হাইওয়ের উপর কমান্ডো বাহিনীর কনভয়কে লক্ষ্য করে পাহাড়ের উপর থেকে আচমকাই হামলা চালায় জঙ্গিরা। 

    কী ঘটেছিল

    জানা গিয়েছে, মণিপুরের রাজধানী ইম্ফল থেকে ভারত-মায়ানমার সীমান্তবর্তী শহর মোরেহের দিকে যাচ্ছিল পুলিশের একটি কনভয়। টেংনোপাল থেকে প্রায় ১০ কিলোমিটার দূরের সাইবোলের কাছে হঠাৎ পুলিশের কনভয়ের উপর অতর্কিত হামলা চালায় জঙ্গিরা। গুলিবর্ষণ করতে থাকে তারা। পুলিশের কনভয়ের উপর জঙ্গিদের হামলার খবর পান অসম রাইফেলসের জওয়ানরা। সঙ্গে সঙ্গে জওয়ানদের একটি দল ছুটে যায় ঘটনাস্থলে। জঙ্গিদের পালটা জবাব দেয় তারা। পুলিশের দলটিকে অতর্কিত হামলার হালার হাত থেকে রক্ষা করলেও, বেশ কয়েকজন পুলিশ কর্মী গুরুতর জখম হন। তাদের স্থানীয় একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে চিকিৎসার জন্য।

    কী বলছে পুলিশ

    পুলিশ সূত্রে খবর, কয়েকদিন আগে নতুন করে মণিপুরের হিংসায় এক পুলিশ অফিসারের মৃ্ত্যু হয়েছিল। এরপর নিরাপত্তা জোরদার করার জন্য মনিপুর সরকার উচ্চপর্যায়ের বৈঠক করেছিল। সাইবোলের কাছে হেলিপ্যাডের নিরাপত্তা বাড়ানোর জন্যই পাঠানো হচ্ছিল মণিপুর পুলিশের একটি বিশেষ দলকে। জঙ্গিরা পাহাড়ের উপরে থাকায় বেশি সুবিধা পাচ্ছিল। কমান্ডোদের সব গতিবিধি নজর রেখে তাঁদের উপর হামলা চালাচ্ছিল। সেই সময় ওই হাইওয়েতেই টহল দিচ্ছিল অসম রাইফেলসের মাইন প্রতিরোধী গাড়ি। কমান্ডোদের সঙ্গে জঙ্গিদের গুলির লড়াইয়ে বিষয়টি চোখে পড়তেই অসম রাইফেলসের জওয়ানরা তাঁদের ‘কভার’ করতে এগিয়ে যান। মাইন প্রতিরোধী গাড়ি থেকে জঙ্গিদের লক্ষ্য করে পাল্টা গুলি চালাতে থাকেন তাঁরা। আর সেই সুযোগেই একের পর এক কমান্ডোদের উদ্ধার করেন তাঁরা।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Kashmir Terrorism: ফের রক্তাক্ত ভূস্বর্গ! কাশ্মীরি পণ্ডিতের পর সোপিয়ানে জঙ্গি হামলায় নিহত ২ পরিযায়ী শ্রমিক

    Kashmir Terrorism: ফের রক্তাক্ত ভূস্বর্গ! কাশ্মীরি পণ্ডিতের পর সোপিয়ানে জঙ্গি হামলায় নিহত ২ পরিযায়ী শ্রমিক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কাশ্মীরি পণ্ডিতের মৃত্যুর দুদিন পরেই ফের রক্তাক্ত উপত্যকা। দু’দিন আগেই জঙ্গিদের গুলিতে প্রাণ গিয়েছিল এক কাশ্মীরি পণ্ডিতের। এবার ফের রক্ত ঝড়ল ভূস্বর্গে। এবার জম্মু ও কাশ্মীরের (Jammu and Kashmir) সোপিয়ান (Shopian) জেলার হারমেন এলাকায় ফের গ্রেনেড হামলা (grenade attack) চালায় জঙ্গিরা। আর এতে প্রাণ হারালেন উত্তরপ্রদেশের দুই শ্রমিক। তাঁদের নাম মনীশ কুমার ও রাম সাগর। তাঁদের দুজনেরই বাড়ি উত্তরপ্রদেশের (Uttar Pradesh) কনৌজ (Kanooj) জেলায়।

    স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সোমবার রাতে সোপিয়ান জেলার হারমেন (Harmen) এলাকায় একটি টিনের শেডের তলায় শুয়েছিলেন উত্তরপ্রদেশের দুই শ্রমিক। আচমকা সেসময় তাঁদের উপর গ্রেনেড ছোঁড়ে অভিযুক্ত জঙ্গি। এর জেরে গুরুতর জখম হন মনীশ কুমার (Manish Kumar) ও রাম সাগর (Ram Sagar)। পরে তাঁদের হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানেই চিকিৎসা চলাকালীন মৃত্যু হয় ২ জনের।

    আরও পড়ুন: ফের কাশ্মীরি পন্ডিতের রক্তে ভিজল উপত্যকা

    কাশ্মীরের জোন পুলিশ মঙ্গলবার ট্যুইটে জানিয়েছে, ‘সন্ত্রাসবাদীরা সোপিয়ানের হারমেন এলাকায় গ্রেনেড নিক্ষেপ করেছে। সেই হামলায় উত্তর প্রদেশের দুই শ্রমিক মণীশ কুমার ও রাম সাগর জখম হয়েছে। উভয়েই উত্তর প্রদেশের কনৌজের বাসিন্দা। তাঁদের হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানেই তাঁদের মৃত্যু হয়। এলাকা ঘিরে রাখা হয়েছে।’ তাঁরা ট্যুইটে আরও জানিয়েছেন, অভিযুক্ত সন্ত্রাসবাদীদের গ্রেফতার করা হয়েছে। ট্যুইটে লিখেছেন, সন্ত্রাসবাদী সংগঠন এলইটি-র হাইব্রিড জঙ্গি হারমেনের ইমরান বশির গনি যে গ্রেনেড হামলার জন্য দায়ী তাকে গ্রেফতার করেছে সোপিয়ান পুলিশ। তদন্ত ও অভিযান জারি রয়েছে। ফলে পুলিশরা অনুমান করেছে যে, এই হামলার পিছনে নিষিদ্ধ সন্ত্রাসবাদী সংগঠন লস্কর-ই-তৈবা-র হাত রয়েছে।

    প্রসঙ্গত, জঙ্গি নিশানায় রয়েছে কাশ্মীরি (Kashmir Terrorism) পণ্ডিত ও পরিযায়ী শ্রমিক। তার প্রমাণ অনেক দিন থেকেই লক্ষ্য করা হয়েছে। কারণ গত কয়েক মাসে জঙ্গি হামলায় প্রাণ হারিয়েছেন একাধিক শ্রমিক ও কাশ্মীরি পণ্ডিত। গত ১৬ অক্টোবরেই জঙ্গি হামলায় প্রাণ হারিয়েছেন কাশ্মীরি পণ্ডিত পূরণ কৃষ্ণন ভাট। তিনি দক্ষিণ কাশ্মীর জেলার চৌধুরী গুন্ড এলাকার বাসিন্দা। এই ঘটনার পরেই উপত্যকায় প্রতিবাদে নেমেছেন কাশ্মীরা পণ্ডিতরা। পুনর্বাসনের দাবিতে ফের গর্জে উঠেছেন তাঁরা। গোটা এলাকায় মোতায়েন কড়া নিরাপত্তা। অভিযুক্ত জঙ্গিদের সন্ধানে চলছে তল্লাশি। আর তারই মধ্যে এমন ঘটনা।

  • Encounter in Rajouri: “আগামী সপ্তাহেই বাড়ি ফিরব মা”! আর ফেরা হল না, জঙ্গিদের গুলিতে হত ক্যাপ্টেন শুভম

    Encounter in Rajouri: “আগামী সপ্তাহেই বাড়ি ফিরব মা”! আর ফেরা হল না, জঙ্গিদের গুলিতে হত ক্যাপ্টেন শুভম

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দীপাবলির সময় মায়ের সঙ্গে শেষ কথা হয়েছিল। মাকে কথা দিয়েছিলেন শীঘ্রই বাড়ি ফিরবেন। কিন্তু  জীবিত অবস্থায় আর বাড়ি ফেরা হল না ক্যাপ্টেন শুভম গুপ্তর। জম্মু-কাশ্মীরের রাজৌরিতে জঙ্গিদের সঙ্গে গুলির লড়াইয়ে নিহত হন শুভম। বুধবার থেকে হওয়া ওই গুলির লড়াইয়ে ইতিমধ্যেই পাঁচ সেনার মৃত্যু হয়েছে। এই লড়াইয়ে বুধবারই সেনার দুই ক্যাপ্টেন-সহ চার জনের মৃত্যু হয়েছিল। আহত হয়েছিলেন আরও তিন জন। সেই লড়াইয়ে আহত এক জওয়ানের মৃত্যু হয়েছে বৃহস্পতিবার।

    স্কুলের ‘টপার’ থেকে সেনায়

    মাস ছয়েক আগে উত্তরপ্রদেশের আগরায় বাড়িতে ২৬তম জন্মদিন পালন করেছিলেন ক্যাপ্টেন শুভম গুপ্ত। আগরার তাজ নগরীর বাসিন্দা শুভম। তাঁর বাবা বসন্ত কুমার গুপ্ত আগরার ডিস্ট্রিক্ট গভর্নমেন্ট কাউন্সেল (অপরাধ)। ২০১৫ সালে সেনায় যোগ দেন শুভম। ২০১৮ সালে সেনার বিশেষ বাহিনী ৯ প্যারা এসএফ-এ সুযোগ পান। ক্যাপ্টেনের পরিবারের ঘনিষ্ঠ সূত্রে খবর, শুভম বাড়ি ফেরার অপেক্ষায় ছিল তাঁর পরিবার। বিয়ের তোড়জোড়ও চলছিল। শুভমের ভাই ঋষভ জানান, ফোনে তাঁদের জানানো হয় যে, একটি অভিযানে গিয়ে জঙ্গিদের গুলিতে নিহত হয়েছেন শুভম। দীপাবলির সময় পরিবারের সঙ্গে শেষ বার কথা হয়েছিল তাঁর। সেই সময় মাকে ক্যাপ্টেন বলেছিলেন, “আগামী সপ্তাহেই বাড়ি ফিরব মা।” কিন্তু তা হল না আক্ষেপ শুভমের ভাই-এর। স্কুলের ‘টপার’ ছিলেন শুভম। সেনায় যোগদানের জন্য প্রথমে তিনি সেন্ট্রাল ডিফেন্স অ্যাকাডেমি এবং পরে দেরাদুন মিলিটারি অ্যাকাডেমিতে পড়াশোনা করেন। 

    আরও পড়ুন: নূপুর শর্মার পাশে দাঁড়িয়েছিলেন, সেই গির্ট ওয়াইল্ডার্স হতে চলেছেন নেদারল্যান্ডসের প্রধানমন্ত্রী!

    খতম দুই জঙ্গি

    সেনা সূত্রে খবর, ২৪ ঘণ্টা ধরে লড়াইয়ের পর জম্মু-কাশ্মীরের দুই জঙ্গিকে খতম করেছে সেনা। নিহতদের মধ্যে এক জন লস্কর-ই-তইবার শীর্ষ কমান্ডার কারি। পাকিস্তানের নাগরিক লস্করের এই কমান্ডার গত এক বছর ধরে রাজৌরি-পুঞ্চে সক্রিয় ছিল। কারি, ডাংরি এবং কান্দিতে হামলার মূলচক্রী বলেও মনে করা হচ্ছে। সেনা সূত্রে খবর, কারি ছাড়াও আরও এক জঙ্গির মৃত্যু হয়েছে এই লড়াইয়ের। তার পরিচয় জানার চেষ্টা চলছে। 

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share