Tag: test cricket

test cricket

  • Auqib Nabi: স্কুল শিক্ষকের ছেলে থেকে টিম ইন্ডিয়ায়! ইতিহাস গড়লেন কাশ্মীরের আকিব নবি

    Auqib Nabi: স্কুল শিক্ষকের ছেলে থেকে টিম ইন্ডিয়ায়! ইতিহাস গড়লেন কাশ্মীরের আকিব নবি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এক সময় ক্রিকেট খেলাকে ভবিষ্যৎহীন পেশা মনে করতেন বাবা। ছেলেকে ডাক্তার বানানোর স্বপ্ন দেখতেন। কিন্তু সেই ছেলের জেদ, পরিশ্রম আর প্রতিভাই আজ তাঁকে এনে দিয়েছে দেশের সর্বোচ্চ ক্রিকেটের দরজায়। জম্মু-কাশ্মীরের বারামুল্লার আকিব নবি গড়লেন ইতিহাস। ছোটবেলায় ক্রিকেট তারকা আকিব নবিকে (Auqib Nabi) তাঁর ভাইপো বিলাল আহমদ দার একদিন প্রশ্ন করেছিলেন, ‘‘এত ক্রিকেট তারকার সঙ্গে খেলো, তাঁদের সঙ্গে সেলফি তোলো না কেন?’’ আকিবের উত্তর ছিল, ‘‘একদিন এমন জায়গায় পৌঁছব, যখন ওরাই আমার সঙ্গে সেলফি তুলতে চাইবে।’’ বছর কয়েক পর সেই কথাই সত্যি হয়েছে।

    কাশ্মীর থেকে প্রথম টেস্টে ডাক (India Test Team)

    বছর ঊনত্রিশের অলরাউন্ডার আকিব নবি (Auqib Nabi) হলেন জম্মু-কাশ্মীরের প্রথম ক্রিকেটার, যিনি ভারতীয় টেস্ট দলে (India Test Team) ডাক পেলেন। জসপ্রীত বুমরাহর পরিবর্তে শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজের দলে জায়গা পেয়েছেন তিনি। সিরিজ শুরু ১৫ অগাস্ট। সংঘাত, দীর্ঘ শীত, তুষারপাত এবং সীমিত পরিকাঠামোর কারণে জম্মু-কাশ্মীরে ক্রিকেটের পথ বরাবরই কঠিন। ১৯৫৭ সালে BCCI-র সঙ্গে যুক্ত হলেও বর্তমানে গোটা অঞ্চলে মাত্র দু’টি বড় ক্রিকেট স্টেডিয়াম রয়েছে, দুটিরই সুযোগ-সুবিধা সীমিত।

    ডাক্তার বানাতে চেয়েছিলেন বাবা

    বারামুল্লা জেলার একটি ছোট গ্রামে বড় হয়েছেন আকিব (Auqib Nabi)। তাঁর বাবা গুলাম নবি দার পেশায় স্কুল শিক্ষক। শুরুতে তিনি ক্রিকেটকে ভবিষ্যৎহীন মনে করতেন এবং ছেলেকে পড়াশোনা করে ডাক্তার হতে বলতেন। কিন্তু ক্রিকেটের প্রতি আকিবের অদম্য আগ্রহ দেখে শেষ পর্যন্ত বাবা মত বদলান। তিনি বুঝতে পারেন, নিজের পছন্দের পথে ছেলেকে এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ দেওয়া উচিত।

    অনুশীলনের জন্য পাড়ি ৭০ কিমি

    ছোটবেলায় ভালো ক্রিকেট পরিকাঠামোর অভাবে আকিবকে (Auqib Nabi) প্রায় ৭০ কিলোমিটার দূরে শ্রীনগরে নিয়মিত অনুশীলন করতে যেতে হতো। প্রথম ক্রিকেট ট্রায়ালে যাওয়ার সময় তাঁর নিজের একজোড়া স্পাইক জুতোটুকুও ছিল না। শৈশবের বন্ধু জুনেইদ দার জানান, তাঁদের এলাকায় পেশাদার ক্রিকেটের ধারণাই প্রায় ছিল না। পরিকাঠামোও ছিল অপ্রতুল। কিন্তু আকিব ছোটবেলা থেকেই ক্রিকেট নিয়ে ভীষণ একাগ্র ছিলেন। ভাইপো বিলালের কথায়, আকিব প্রতিদিন ভোরে জিমে যেতেন এবং তারপর সারাদিন অনুশীলন করতেন। প্রায় ১০ বছর ধরে এই রুটিন বজায় রেখেছিলেন তিনি।

    রঞ্জিতে শুরু সাফল্য

    ২০২০ সালে জম্মু-কাশ্মীরের (Jammu Kashmir) হয়ে রঞ্জি ট্রফিতে অভিষেক হয় আকিবের। অভিষেকেই ঝাড়খণ্ডের বিরুদ্ধে ৫ উইকেট নিয়ে নজর কাড়েন তিনি। ২০২৪-২৫ মরশুমে ৪৪টি উইকেট নিয়ে প্রতিযোগিতার সেরা পেসার হন। তবে এত সাফল্যের পরেও জাতীয় স্তরে তাঁর পরিচিতি সেভাবে তৈরি হয়নি। বাবা গুলাম নবি বলেন, ভালো খেলেও স্বীকৃতি না পাওয়াটা কষ্টের ছিল। তবুও তিনি ছেলের সময় আসবে বলেই বিশ্বাস রেখেছিলেন।

    ৬০ উইকেটে বদলে গেল ভাগ্য

    পরের মরশুমে আকিব (Auqib Nabi) করেন তাঁর কেরিয়ারের অন্যতম সেরা পারফরম্যান্স। মাত্র ১০ ম্যাচে ৬০টি উইকেট নিয়ে রঞ্জি ট্রফির সর্বোচ্চ উইকেটশিকারি হন। তাঁর এই দুর্দান্ত পারফরম্যান্সে জম্মু-কাশ্মীর ৬৭ বছর পরে প্রথমবার রঞ্জি ট্রফি জেতে। এই পারফরম্যান্সের পর ৮.৪ কোটি টাকার আইপিএল চুক্তি পান দিল্লি ক্যাপিটালসের সঙ্গে। আইপিএলে সুযোগ খুব বেশি না পেলেও, লাল বলের ক্রিকেটে তাঁর ধারাবাহিকতা জাতীয় নির্বাচকদের নজরে আসে।

    পারভেজের গর্ব

    জম্মু-কাশ্মীরের প্রথম আন্তর্জাতিক ক্রিকেটার তথা আকিবের (Auqib Nabi) দীর্ঘদিনের অধিনায়ক পারভেজ রসুল বলেন, আকিবের সবচেয়ে বড় শক্তি তাঁর পরিশ্রম, শৃঙ্খলা ও ধারাবাহিকতা। রসুলের নিজেরও টেস্ট খেলার স্বপ্ন ছিল। তাই আকিবের টেস্ট ডাককে তিনি শুধু একজন ক্রিকেটারের সাফল্য হিসেবে দেখছেন না। তাঁর মতে, জম্মু-কাশ্মীরের বহু ক্রিকেটারের যে স্বপ্ন ছিল, নবির হাত ধরে তা বাস্তব হয়েছে।

    নতুন প্রজন্মের কাছে অনুপ্রেরণা

    রসুলের কথায়, অন্য জায়গার তুলনায় জম্মু-কাশ্মীর থেকে ভারতীয় দলে পৌঁছনোর চ্যালেঞ্জ অনেক বেশি। সীমিত পরিকাঠামো, কম সুযোগ, দীর্ঘ শীত ও নানা প্রতিকূলতার মধ্যেও আকিব নিজের উপর বিশ্বাস রেখেছেন। তাঁর এই সাফল্য কাশ্মীরের নতুন প্রজন্মকে বড় স্বপ্ন দেখতে অনুপ্রাণিত করবে বলেই মনে করেন রসুল। তাঁর মতে, কোথা থেকে এসেছেন বা কী বাধার মুখে পড়েছেন, তা নয়- পরিশ্রম, মানসিক শক্তি ও অধ্যবসায় থাকলে সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছনো সম্ভব।

    বাবার গর্ব

    আজ বারামুল্লায় গুলাম নবি যেখানেই যান, মানুষ তাঁকে চিনে ফেলেন। অনেকে কাছে এসে জড়িয়ে ধরে বলেন, ‘‘ইনি আকিবের বাবা।’’ যে বাবা একসময় ক্রিকেটকে ভবিষ্যৎহীন মনে করে ছেলেকে ডাক্তার বানাতে চেয়েছিলেন, আজ সেই ছেলের ইতিহাস গড়ার সাক্ষী হয়ে তাঁর একটাই অনুভূতি- অপরিসীম গর্ব।

  • India: লর্ডসে ইতিহাস গড়ে ইংল্যান্ডকে ২৭০ রানে উড়িয়ে দিল ভারত, শতরানে উজ্জ্বল যাস্তিকা

    India: লর্ডসে ইতিহাস গড়ে ইংল্যান্ডকে ২৭০ রানে উড়িয়ে দিল ভারত, শতরানে উজ্জ্বল যাস্তিকা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লর্ডসের ১৪২ বছরের ইতিহাসে এই প্রথমবার অনুষ্ঠিত হওয়া মহিলাদের টেস্ট ম্যাচকে স্মরণীয় করে রাখল ভারত (India)। ঐতিহাসিক এই ম্যাচে ইংল্যান্ডকে ২৭০ রানের বড় ব্যবধানে হারিয়ে একতরফা জয় তুলে নিল হরমনপ্রীত কৌরের দল। ব্যাটিং, বোলিং এবং ফিল্ডিং—তিন বিভাগেই (Womens Test) ইংল্যান্ডকে ছাপিয়ে গিয়ে নিজেদের শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণ করল ভারতের প্রমীলা বাহিনী।

    টেস্ট ক্রিকেটে অটুট ভারতের দাপট (India)

    এই জয়ের ফলে মহিলাদের টেস্ট ক্রিকেটে ভারতের সাম্প্রতিক দাপট আরও স্পষ্ট হয়ে উঠল। শেষ ১১টি টেস্টে ভারতের ঝুলিতে রয়েছে সাতটি জয়, তিনটি ড্র এবং মাত্র একটি হার। পাশাপাশি ইংল্যান্ডের মাটিতে খেলা ১১টি মহিলাদের টেস্টেও এখনও অপরাজিত ভারত।ইংল্যান্ডের সামনে জয়ের জন্য ৪৫৭ রানের কঠিন লক্ষ্য ছুড়ে দিয়েছিল নরেন্দ্র মোদির দেশের ‘দুর্গা’রা। সেই লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে চতুর্থ দিনের খেলায় মাত্র ১৮৬ রানেই গুটিয়ে যায় স্বাগতিকরা। ফলে অনায়াসেই ২৭০ রানের জয় নিশ্চিত করে ভারত। ভারতের এই ঐতিহাসিক জয়ের ভিত গড়ে দেন যাস্তিকা ভাটিয়া। দ্বিতীয় ইনিংসে দুরন্ত শতরান করে তিনি লর্ডসে টেস্টে শতরান করা প্রথম মহিলা ক্রিকেটার হিসেবে ইতিহাসে নাম লেখান। তাঁর অনবদ্য ইনিংসের সুবাদে ভারত দ্বিতীয় ইনিংসে সাত উইকেটে ৩৪১ রান তুলে ইনিংস ঘোষণা করে। প্রথম ইনিংসে ১১৫ রানের লিড থাকায় ভারতের মোট লিড দাঁড়ায় ৪৫৬ রান। স্মৃতি মন্ধনা ৭০ রানের গুরুত্বপূর্ণ ইনিংস খেলেন। রিচা ঘোষ অপরাজিত ৫০ রান করে ইংল্যান্ডের ওপর চাপ আরও বাড়িয়ে দেন।

    ‘অপরাজিতা’…

    এর আগে প্রথম ইনিংসে ভারত ২৮৫ রান তোলে। স্মৃতি মন্ধনা ৮৩, অধিনায়ক হরমনপ্রীত কৌর ৫৮ এবং দীপ্তি শর্মা ৫৭ রানের মূল্যবান ইনিংস খেলেন। জবাবে ইংল্যান্ড মাত্র ১৭০ রানেই অলআউট হয়ে যায়। অভিষেক ম্যাচেই পেসার ক্রান্তি গাউড পাঁচ উইকেট নিয়ে ভারতের প্রথম ইনিংসের লিড নিশ্চিত করতে বড় ভূমিকা নেন (India)। ৪৫৭ রানের বিশাল লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরু থেকেই ধাক্কা খায় ইংল্যান্ড। ট্যামি বিউমন্ট শূন্য রানে প্রথম বলেই আউট হন। অভিজ্ঞ হেদার নাইটও অল্প রান করে ফিরে যান (Womens Test)। এরপর অ্যামি জোনস ও সোফি একলস্টোন কিছুটা প্রতিরোধ গড়ে তোলার চেষ্টা করেন। একলস্টোন ভারতের দ্বিতীয় ইনিংসে পাঁচ উইকেট নেওয়ার পাশাপাশি ব্যাট হাতেও লড়াই করেন। তবে ভারতের বোলিং আক্রমণের সামনে সেই প্রতিরোধ টেকেনি। শেষ দিনে দীপ্তি শর্মা চার উইকেট নিয়ে ইংল্যান্ডের ইনিংস গুটিয়ে দেন এবং ভারতের স্মরণীয় জয় নিশ্চিত করেন। এই জয়ের মাধ্যমে মহিলাদের টেস্ট ক্রিকেটে আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক স্পর্শ করল ভারত। যাস্তিকার ঐতিহাসিক শতরান এবং ক্রান্তির অভিষেকেই পাঁচ উইকেট নেওয়ার কৃতিত্ব যেমন ভারতের সাফল্যের অন্যতম ভিত্তি (Womens Test) হয়ে রইল, তেমনই অভিজ্ঞ হেদার নাইট ও ট্যামি বিউমন্টের বিদায়ী টেস্ট ইংল্যান্ডের কাছে (India) হতাশার স্মৃতি হয়ে রইল।

     

  • India Vs South Africa: লাঞ্চের আগে চা বিরতি! ভারত ও দক্ষিণ আফ্রিকা দ্বিতীয় টেস্টে কেন ঘটল এমন ঘটনা?

    India Vs South Africa: লাঞ্চের আগে চা বিরতি! ভারত ও দক্ষিণ আফ্রিকা দ্বিতীয় টেস্টে কেন ঘটল এমন ঘটনা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লাঞ্চের আগে চা বিরতি! অবাক লাগছে, ভারত ও দক্ষিণ আফ্রিকা (India Vs South Africa) দ্বিতীয় টেস্টে ঘটল এমন ঘটনা। ১৮৭৭ সাল থেকে টেস্ট ক্রিকেটের যে ছন্দ চলে আসছে, এ বার তা উল্টে গেল। এটি নিছক কোনও অদ্ভুত ফুটনোট নয়। টেস্ট ক্রিকেটের ১৪৮ বছরের ইতিহাসে প্রথম বার, একটি নিয়মিত দিনের খেলায় বিরতির ক্রম পাল্টে গেল। সাধারণত ধারা থাকে— টস → লাঞ্চ → চা → স্টাম্পস। কিন্তু গুয়াহাটিতে এ বার হলো— টস → চা → লাঞ্চ → স্টাম্পস। গুয়াহাটির বরষাপাড়া স্টেডিয়ামে প্রথম দিনের খেলার শেষে দক্ষিণ আফ্রিকা ২৪৭/৬।

    কেন লাঞ্চের আগে চা

    উত্তর-পূর্ব ভারতের সূর্যোদয় ও সূর্যাস্ত দেশের অন্য অংশের তুলনায় অনেক আগে হয়। গুয়াহাটি, প্রায় ৯০° পূর্ব দ্রাঘিমায় অবস্থিত, যেখানে সূর্য ওঠে এবং অস্ত যায় মুম্বই বা দিল্লির চেয়ে অনেক আগে। তবুও এই শহর অনুসরণ করে ভারতীয় সময় (IST), যা নির্ধারিত ৮২.৫° পূর্ব দ্রাঘিমায়। ফলে বিকেল ৪:৩০-এর মধ্যেই এখানে সন্ধ্যার আবহ তৈরি হয়— ৯০ ওভার শেষ করতে তখন বড় সমস্যা হয়। খেলার সময় বাঁচাতে, বিসিসিআই ও ক্রিকেট সাউথ আফ্রিকা সম্মত হয়েছে গুয়াহাটি টেস্ট সকাল ৯টায় শুরু করার বিষয়ে, যা সাধারণ ভারতীয় টেস্ট টাইমিংয়ের আধঘণ্টা আগে। দিনের কাঠামো হল, প্রথম সেশন: সকাল ৯টা – ১১টা, চা বিরতি: ১১টা – ১১:২০, দ্বিতীয় সেশন: ১১:২০ – ১:২০, লাঞ্চ বিরতি: ১:২০ – ২:০০, তৃতীয় সেশন: ২:০০ – ৪:০০ (সর্বোচ্চ ৪:৩০ পর্যন্ত বাড়ানো যাবে)।

    ব্যাটে-বলে লড়াই

    নেতৃত্বের ব্যাটন শুভমন গিলের হাত থেকে ঋষভ পন্থের হাতে গেলেও টস ভাগ্য বদলাল না। টস জিতে অজানা পিচে প্রথমে ব্যাটিং নিতে ভুল করেননি বাভুমা। ব্যাট করতে নেমে ঝুঁকিহীন থাকার চেষ্টা করেছেন দক্ষিণ আফ্রিকার ব্যাটারেরাও। দুই ওপেনার এডেন মার্করাম এবং রায়ান রিকলটন ধীরে শুরু করেন। প্রথম উইকেটের জুটিতে তাঁরা তোলেন ৮২ রান। ৩৮ রান করে বুমরার বলে আউট হন মার্করাম। তার আগে পর্যন্ত প্রায় নিখুঁত ছিলেন দক্ষিণ আফ্রিকার দুই ওপেনার। যদিও শুরুর দিকে মার্করামের দেওয়া সহজ ক্যাচ স্লিপে ফেলে দেন লোকেশ রাহুল। এ দিন অধিনায়ক হিসাবে বাভুমা ১০০০ টেস্ট রান পূর্ণ করলেন। বাভুমাকে (৪১) আউট করেন রবীন্দ্র জাদেজা। এদিন ভারতের সবচেয়ে সফল বোলার কুলদীপ ৪৮ রানে ৩ উইকেট নেন। ৩০ রানে ১ উইকেট জাদেজার। ৩৮ রানে ১ উইকেট বুমরার। দিনের শেষবেলায় ১টি উইকেট পান মহম্মদ সিরাজ।

  • India vs West Indies: শতরান শুভমনেরও! ৫১৮ রানের পাহাড়, ভারতের বিপক্ষে দ্রুত উইকেট হারিয়ে বিপাকে ওয়েস্ট ইন্ডিজ

    India vs West Indies: শতরান শুভমনেরও! ৫১৮ রানের পাহাড়, ভারতের বিপক্ষে দ্রুত উইকেট হারিয়ে বিপাকে ওয়েস্ট ইন্ডিজ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: যশস্বী জয়সওয়ালের ১৭৫, শুভমান গিলের অপরাজিত ১২৯ রানে ভর করে প্রথম ইনিংসে রানের ৫১৮ রানের পাহাড় গড়ল ভারত (India vs West Indies)। জবাবে শুরুটা ভাল করে ওয়েস্ট ইন্ডিজের দুই ওপেনার জন ক্যাম্পবেল এবং তেগনারিন চন্দ্রপল। মহম্মদ সিরাজ কিংবা জশপ্রীত বুমরা শুরুতে সাফল্য এনে দিতে পারেননি। সপ্তম ওভারে অধিনায়ক গিল বল তুলে দেন রবীন্দ্র জাদেজাকে। তাঁর বলেই ১০ রানে আউট হন ক্যাম্পবেল। ফরওয়ার্ড শর্ট লেগে দুরন্ত ক্যাচ নেন সুদর্শন। ওয়েস্ট ইন্ডিজের রান তখন ২১। কিন্তু শেষবেলায় দ্রুত উইকেট হারিয়ে বিপাকে ক্যারিবিয়ানরা। দ্বিতীয় টেস্টে দ্বিতীয় দিনের শেষে ওয়েস্ট ইন্ডিজ ৪ উইকেটে ১৪০। চালকের আসনে ভারত।

    চালকের আসনে ভারত

    দিল্লির অরুণ জেটলি স্টেডিয়ামে, ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে শুক্রবার থেকে শুরু হয়েছে দ্বিতীয় টেস্ট ম্যাচ (ind vs wi 2nd test match)। টসে জিতে এই ম্যাচে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেন ভারতীয় ক্রিকেট দলের অধিনায়ক শুভমান গিল। প্রথম ম্যাচ জিতে এমনিতেই সিরিজে এগিয়ে আছে ভারত। আত্মবিশ্বাসের দিক দিয়েও যথেষ্ট ভালো জায়গায় আছে গৌতম গম্ভীরের ছেলেরা। প্রথম দিনের শেষে ১৭৩ রানে অপরাজিত ছিলেন যশস্বী। এদিন মাত্র ২ রান যোগ করে অধিনায়ক গিলের সঙ্গে ভুল বোঝাবুঝিতে ১৭৫ রানে রান আউট হন যশস্বী। হাতছাড়া হয় দ্বিশতরান। কিন্তু ইংল্যান্ডের মাটিতে যে ছন্দে ছিলেন, সেই ধারাবাহিকতা ধরে রাখেন শুভমন। আরও একটি অনবদ্য শতরান। ১৯৬ বলে ১২৯ রানে অপরাজিত থাকেন। ইনিংসে ছিল ২টি ছয় এবং ১৬টি চার। দ্রুত রান তোলার চেষ্টায় টিম ইন্ডিয়ার নেতাকে যোগ্য সঙ্গত দেন নীতিশ কুমার রেড্ডি এবং ধ্রুব জুরেল। ২টি ছয় এবং ৪টি চারের সাহায্যে ৫৪ বলে ৪৩ রান করেন ভারতীয় অলরাউন্ডার। ৭৯ বলে গুরুত্বপূর্ণ ৪৪ রান করেন জুরেল।

    শুভমনের নজির

    টেস্টে গিলের এটি দশম সেঞ্চুরি। আইসিসি বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে ভারতীয়দের মধ্যে সবচেয়ে বেশি রান এখন শুভমনের। দিল্লি টেস্ট নিয়ে মোট ৩৯ ম্যাচ খেলেন গিল। ২৭৫৭ রান। গড় ৪২.৪১। সর্বোচ্চ রান ২৬৯। ইতিমধ্যেই ১০টি শতরান এবং ৯টি অর্ধশতরান করে ফেলেছেন। বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের সাইকেলে ৪৬ ম্যাচ খেলেন কোহলি। তাঁর রান ২৬১৭। গড় ৩৫.৩৬। সর্বোচ্চ রান অপরাজিত ২৫৪। সর্বোচ্চ রান সংগ্রহকারীদের তালিকায় একনম্বরে জো রুট। তাঁর রান ৬০৮০। গড় ৫২.৮৬। দ্বিতীয় এবং তৃতীয় স্থানে যথাক্রমে রয়েছেন অস্ট্রেলিয়ার স্টিভ স্মিথ এবং মার্নাস লাবুশেন। বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের সাইকেলে কোহলিকে পিছনে ফেলে ভারতীয়দের মধ্যে এখন একনম্বরে শুভমন।

  • West Indies : ক্যারিবিয়ান ক্রিকেটে লজ্জার দিন, টেস্টে দ্বিতীয় সর্বনিম্ন রানে অলআউট ওয়েস্ট ইন্ডিজ

    West Indies : ক্যারিবিয়ান ক্রিকেটে লজ্জার দিন, টেস্টে দ্বিতীয় সর্বনিম্ন রানে অলআউট ওয়েস্ট ইন্ডিজ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অস্ট্রেলিয়ার কাছে অসহায় আত্মসমর্পণ ওয়েস্ট ইন্ডিজের (Australia vs West Indies)। সাবিনা পার্কে তৃতীয় টেস্টে ২০৪ রান তাড়া করতে নেমে মাত্র ২৭ রানে অলআউট ক্যারিবিয়ানরা। যা টেস্টের ইতিহাসে দ্বিতীয় সর্বনিম্ন রান। ১ রানের জন‍্য রক্ষা পেল লজ্জার বিশ্বরেকর্ড। বিশ্ব ক্রিকেটে এক সময়ের ত্রাস যারা ছিল, তারাই লজ্জার রেকর্ড গড়ল। এর আগে ১৯৫৫ সালে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে ২৬ রানে অল আউট হয়ে গিয়েছিল নিউ জিল‍্যান্ড। তার থেকে মাত্র এক রান বেশি করে ওয়েস্টইন্ডিজ। টেস্টে এটাই তাদের সর্বনিম্ন রানের ইনিংস।

    ওয়েস্ট ইন্ডিজের লজ্জা

    অস্ট্রেলিয়ার (Australia vs West Indies) মিচেল স্টার্ক ৯ রান দিয়ে ৬ উইকেট নিয়েছেন। তিনিই প্রথম বোলার, যিনি ১৫ বলের মধ্যে পাঁচটা উইকেট তুলে নেন। ১৯৪৭ সালে আর্নি টোশাক ও ২০১৫ সালে স্টুয়ার্ট ব্রড ১৯ বলে ৫ উইকেট পেয়েছিলেন। ১০০ তম টেস্টে খেলতে নেমে ৪০০ উইকেট তুললেন স্টার্ক। অন্যদিকে হ্যাটট্রিক করেন স্কট বোলান্ড। ২ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়েছেন বোলান্ড। সাবিনা পার্কে গোলাপি বলের টেস্টে তিন দিনের মধ‍্যে অস্ট্রেলিয়া ১৭৬ রানে জিতে গিয়েছে। প্রথম ইনিংসে অস্ট্রেলিয়া করে ২২৫। জবাবে ওয়েস্ট ইন্ডিজ থেমে যায় ১৪৩ রানে। দ্বিতীয় ইনিংসে শামার জোসেফ ও আলজারি জোসেফের দাপটে অস্ট্রেলিয়াও ১২১ রানের বেশি করতে পারেনি। ওয়েস্ট ইন্ডিজকে জিততে হলে ২০৪ রান করতে হত। প্রথম দুটি টেস্টে হেরে থাকা নড়বড়ে ক্যারিবিয়ান ব্যাটিং অর্ডার যে গোলাপি বলে রানটা তুলতে পারবে না, তা কার্যত দেওয়াল লিখন ছিল। কিন্তু তারা যে ১৪.৩ ওভারে মাত্র ২৭ রানে অলআউট হয়ে যাবে, তা ভাবা যায়নি।

    স্টার্ক-বোলান্ডের নজির

    ওয়েস্ট ইন্ডিজের (Australia vs West Indies) সাত জন ব‍্যাটার শূন‍্য রানে আউট হয়েছেন। এর আগে ১৯৮০ সালে পাকিস্তানের ৬ ব্যাটার শূন্য রানে আউট হয়েছিলেন। কিন্তু সেটা ১২৮ রানে। বাংলাদেশের ৬ উইকেট পড়েছিল ৮৭ রানে। ম্যাচ এবং সিরিজের সেরা হয়েছেন স্টার্ক। এটা তাঁর শততম টেস্ট। বোল‍্যান্ড হ‍্যাটট্রিক করেছেন। প্রথম বোলার হিসেবে দিন-রাতের টেস্টে হ্যাটট্রিক করার নজির গড়লেন তিনি।

  • Virat Kohli: টেস্টকে বিদায় জানাতে চান কোহলিও! ইংল্যান্ড সিরিজের আগে বিপাকে বোর্ড

    Virat Kohli: টেস্টকে বিদায় জানাতে চান কোহলিও! ইংল্যান্ড সিরিজের আগে বিপাকে বোর্ড

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রোহিত শর্মার পর লাল বলের ক্রিকেটকে বিদায় জানাতে চলেছেন বিরাট কোহলি। বিসিসিআই (BCCI) সূত্রে খবর, ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডকে কোহলি জানিয়ে দিয়েছেন, তিনি আর টেস্ট ক্রিকেট খেলতে চান না। বুধবার টেস্ট ক্রিকেটকে (Test Cricket) আলবিদা জানিয়েছেন রোহিত (Rohit Sharma)। দু’দিন বাদে বন্ধুর পথেই হাঁটার ইচ্ছেপ্রকাশ করলেন বিরাট কোহলি (Virat Kohli)। প্রসঙ্গত, ঘরের মাঠে নিউজিল্যান্ড সিরিজে হোয়াইটওয়াশ হওয়া এবং তারপর অস্ট্রেলিয়া সফরে হতাশাজনক পরাজয়ের জেরে বিরাট ও রোহিতকে কাঠগড়ায় দাঁড়াতে হয়। লাগাতার ও দীর্ঘমেয়াদি অফ ফর্মের জেরে রোহিতকে আলাদা করে টার্গেট করা হয়। বিরাটকে নিয়েও সমালোচনার কমতি ছিল না।

    বিরাটকে সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার আর্জি

    গত বুধবার টেস্ট ক্রিকেট থেকে অবসর নিয়েছেন রোহিত শর্মা। তিনি সমাজমাধ‍্যমে নিজের সিদ্ধান্তের কথা জানিয়ে দিয়েছেন। কোহলি (Virat Kohli) এখনও সরকারি ভাবে কিছু জানাননি। তবে সূত্রের খবর, বোর্ডকে চিঠি দিয়েছেন তিনি। জানিয়েছেন টেস্ট থেকে এবার অবসর নিতে চান তিনি। তবে, বোর্ডের পক্ষ থেকে কোহলিকে অনুরোধ করা হয়েছে সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করার জন্য। বোর্ড চাইছে ইংল্যান্ড সফরে যান বিরাট। খারাপ ফর্মে থাকলেও, তিনি যে কিং কোহলি। যে কোনও সময় জ্বলে উঠবে তাঁর ব্যাট। রোহিতের পর কোহলিকেও যদি কঠিন এই সফরে না পাওয়া যায়, তা হলে ভারতীয় ব‍্যাটিং অনেকটাই অনভিজ্ঞ হয়ে পড়বে। সেই কারণেই বোর্ডের (BCCI) পক্ষ থেকে কোহলিকে অনুরোধ করা হয়েছে এখনই টেস্ট ক্রিকেট না ছাড়তে। কিন্তু ৩৬ বছর বয়সি কোহলির থেকে কোনও জবাব এখনও আসেনি।

    টেস্টে বিরাট আধিপত্য

    টেস্ট ক্রিকেটে তো বটেই, সব ফর্ম্যাটে বিশ্বের সর্বকালের অন্যতম সেরা ক্রিকেটার কোহলি (Virat Kohli)। টেস্টে ভারতের হয়ে ১২৩টি টেস্ট খেলেছেন কোহলি, ৪৬.৮৫ গড়ে ৯,২৩০ রান করেছেন। তাঁর নামে রয়েছে ৩০টি শতরান এবং ৩১টি অর্ধশতরান। ২০১১ সালের ২৯ জুন ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে কিংস্টনে তাঁর টেস্ট অভিষেক হয়। ২০১৪ সালে টেস্ট অধিনায়ক হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণকারী কোহলি ভারতের সর্বকালের সেরা টেস্ট অধিনায়ক হিসেবে স্বীকৃত। তাঁর নেতৃত্বে ভারতীয় ক্রিকেট দল অসাধারণ সাফল্য অর্জন করে। এর মধ্যে প্রথমবারের মতো অস্ট্রেলিয়ায় টেস্ট সিরিজ জয় অন্যতম। তাঁর নেতৃত্বে ভারত ৬৮টি টেস্ট ম্যাচ খেলে, এর মধ্যে ৪০টি জয়, ১৭টি হার এবং ১১টি ড্র করে। এই ৪০ জয়ের মধ্যে ২৫টি ঘরের মাঠে এবং ১৫টি বিদেশে।

  • Border-Gavaskar Trophy: যশস্বী-রাহুলের ধ্রুপদী ব্যাটিং, বুমরার ৫ উইকেট! পারথ টেস্টে ভালো জায়গায় ভারত

    Border-Gavaskar Trophy: যশস্বী-রাহুলের ধ্রুপদী ব্যাটিং, বুমরার ৫ উইকেট! পারথ টেস্টে ভালো জায়গায় ভারত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লাল বলকে প্রাপ্য সম্মান দিয়ে বর্ডার-গাভাসকর ট্রফিতে (Border-Gavaskar Trophy) রানে ফিরল ভারতের ওপেনিং জুটি। যশস্বী ও রাহুল দু’জনেই অর্ধশতরান পেলেন। দিনের শেষে অপরাজিতও থাকলেন। রবিবার যশস্বীর শতরানের অপেক্ষায় থাকল ভারত। দ্বিতীয় দিনের শেষে ভারতের দ্বিতীয় ইনিংসের রান ১৭২। এগিয়ে ২১৮ রানে। হাতে ১০ উইকেট। যশস্বী অপরাজিত ৯০ রানে। রাহুল খেলছেন ৬২ রানে। ম্যাচের এখনও তিন দিন বাকি। যশপ্রীত বুমরার দাপটে পারথ টেস্টের দ্বিতীয় দিনে মাত্র ১০৪ রানেই শেষ হয়ে যায় অস্ট্রেলিয়ার ইনিংস। বলা যায় আপাতত ম্যাচে এগিয়ে ভারত।

    বুমরার বিষাক্ত স্পেল

    ঘরের মাঠে ভারতের (India vs Australia) বিরুদ্ধে টেস্টে দ্বিতীয় সর্বনিম্ন রান অজিদের। ৪৩ বছরের ইতিহাসে প্রথম। এর আগে ১৯৮১ সালে এমসিজিতে ৮৩ রানে অলআউট হয়ে গিয়েছিল অস্ট্রেলিয়া। সেটাই নিজেদের মাঠে ভারতের বিরুদ্ধে সর্বনিম্ন রান। এবার পারথে বুমরার সামনে দাঁড়াতেই পারেনি অজি ব্যাটাররা‌। ৩০ রানে ৫ উইকেট তুলে নেন ভারত অধিনায়ক। টেস্টে এই নিয়ে ১১ বার পাঁচ উইকেট নিলেন ভারতীয় পেসার। তাঁর দাপটে প্রথম ইনিংসের শেষে ৪৬ রানের লিড নেয় ভারত। প্রথম দিনের শেষে ৭ উইকেট হারিয়ে অস্ট্রেলিয়ার রান ছিল ৬৭। ৫২তম ওভারে শেষ হয়ে যায় অজিদের ইনিংস। শনিবার নিজের প্রথম বলেই অ্যালেক্স ক্যারিকে ফিরিয়ে দেন বুমরা। বাকি উইকেট পড়তে বেশি সময় লাগেনি। অভিষেকেই নজর কাড়েন হর্ষিত রানা। ৪৮ রানে ৩ উইকেট তুলে নেন। তারমধ্যে রয়েছে নাথান লিয়ন এবং মিচেল স্টার্কের গুরুত্বপূর্ণ উইকেট। মহম্মদ সিরাজ নিয়েছেন ২ উইকেট। 

    সমানে সমানে লড়াই

    পারথ টেস্টের প্রথম দিন, শুক্রবার পড়েছিল ১৭টি উইকেট। এই পরিস্থিতিতে ভারত এবং অস্ট্রেলিয়া, উভয় দলই দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাটিংয়ের হাত শুধরোনোর চেষ্টা চালাবে। এই ম্যাচে টস জিতে শুক্রবার বুমরা প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। কিন্তু, যশস্বী জয়সওয়াল, দেবদত্ত পড়িক্কল, বিরাট কোহলিরা কার্যত অস্ট্রেলিয়ার পেস বোলিংয়ের সামনে আত্মসমর্পণ করেন। প্রথম ইনিংসে ভারতকে মাত্র ১৫০ রানে আটকে দেওয়ার পর অস্ট্রেলিয়া ভেবেছিল যে তারা বেশ সুবিধাজনক অবস্থায় আছে। কিন্তু, ভারত অধিনায়ক বুমরার জ্বলন্ত স্পেলে স্টিভ স্মিথ, উসমান খোয়াজা, নাথান ম্যাকসুইনি, প্যাট কামিন্সরা হারিয়ে যান। 

    দ্বিতীয় ইনিংসে নিখুঁত ব্যাটিং ভারতের

    দ্বিতীয় ইনিংসে এখনও পর্যন্ত নিখুঁত ব্যাটিং ভারতের ওপেনিং জুটির। প্রথম ইনিংসে এমন প্রত্যাশাই ছিল। তবে পিচ যেমন কঠিন তেমনই ধৈর্যের পরীক্ষায় ব্যর্থ হয়েছিলেন যশস্বী জয়সওয়াল। প্রথম বার অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে খেলছেন। স্নায়ুর চাপও ছিল। দ্বিতীয় ইনিংসে ধ্রুপদী টেস্ট ব্যাটিং। সঙ্গ দিলেন অভিজ্ঞ লোকেশ রাহুল। আধুনিক টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটের প্রবণতায় ঢাকা পড়ে যায় টেস্ট ব্যাটিংয়ের কৌশল। পারথের পিচ ভারতকে সেই কৌশল ফের শেখাল। ২০০৪ সালে সিডনি টেস্টে ওপেনিং জুটিতে ১২৩ রান করেছিলেন বীরেন্দ্র সেওয়াগ এবং আকাশ চোপড়া। অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে টেস্ট ক্রিকেটে ভারতের আরও একটা শতরানকারী ওপেনিং জুটি পেতে ২০ বছর চলে গেল। টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটের জন্মের পর প্রথম বার।

    ভারতীয় ব্যাটিং লাইন আপে বড় ধস না নামলে অজিদের সামনে বড় রানের টার্গেট দিতে চলেছে ভারত। অজিদের লড়তে হবে ম্যাচ বাঁচাতে। অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে ভারত-অস্ট্রেলিয়া টেস্ট সিরিজের সিংহভাগ জিতেছে অজিরা। সিরিজের প্রথম টেস্টও। ২০১৮ সালে সিরিজের প্রথম টেস্টে অজিদের পরাস্ত করেছিল ভারত। পারথে তাই অ্যাডিলেডের পুনরাবৃত্তি ঘটিয়ে বিরাট কোহলির নজির স্পর্শের হাতছানি অধিনায়ক বুমরার সামনে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • India vs New Zealand: সরফরাজ-পন্থের দুরন্ত জুটি ভাঙতেই ভারত শেষ ৪৬২ রানে,  জয়ের স্বপ্ন দেখছে নিউজিল্যান্ড

    India vs New Zealand: সরফরাজ-পন্থের দুরন্ত জুটি ভাঙতেই ভারত শেষ ৪৬২ রানে, জয়ের স্বপ্ন দেখছে নিউজিল্যান্ড

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক:  জয়ের জন্য নিউজিল্যান্ডের (India vs New Zealand) চাই ১০৭ রান। ভারতের চাই ১০ উইকেট। বেঙ্গালুরু টেস্টে পঞ্চম দিনে সহজ অঙ্ক দুই দলের কাছে। বৃষ্টি যদি বাধ না সাধে তাহলে এই টেস্টে ফয়সালা হচ্ছেই। সেক্ষেত্রে পাল্লা বেশ কিছুটা হেলে নিউজিল্যান্ডের দিকে। বুমরাহ-সিরাজ-যাদেজা-অশ্বিনদের ভেলকিই একমাত্র ম্যাচে ফেরাতে পারে ভারতকে। শনিবার ৪৬২ রানে শেষ হয়ে যায় ভারতের দ্বিতীয় ইনিংস। প্রথম ইনিংসে ৪৬ রানে শেষ হয়ে গিয়েছিল ভারত। তার পরেও পাল্টা লড়াই করলেন সরফরাজ খান, ঋষভ পন্থেরা। শুক্রবার রোহিত শর্মা এবং বিরাট কোহলিও রান পান।

    সরফরাজ-পন্থের লড়াকু ইনিংস

    ব্যাট হাতে প্রথম ইনিংসে ভরাডুবির পর, দ্বিতীয় ইনিংসে ভারতীয় দল দুর্দান্তভাবে ঘুরে দাঁড়ায়। দ্বিতীয় ইনিংসে ভারত অধিনায়ক রোহিত শর্মা দ্রুত আউট হওয়ার পর, চতুর্থ নম্বরে ক্রিজে আসেন সরফরাজ খান। তিনি বিরাট কোহলির সঙ্গে ১৬৩ বলের জুটি বেঁধে ১৩৬ রান যোগ করেন। কোহলি আউট হওয়ার পরেও সরফরাজ নিজের ইনিংসকে এগিয়ে নিয়ে যান এবং ঋষভ পন্থের সঙ্গে দায়িত্বশীল ব্যাটিং করেন। সরফরাজ খান ১১০ বল খেলে তার প্রথম টেস্ট শতক পূর্ণ করেন। ৫৬.৩ ওভারে টিম সাউদির বলে এক দুর্দান্ত বাউন্ডারি হাঁকিয়ে তিনি তার শতক পূর্ণ করেন। প্রথম ইনিংসে শূন্য রানে আউট হওয়ার পর, দ্বিতীয় ইনিংসে তার অসাধারণ পারফরম্যান্স ভারতকে ম্যাচে ফিরিয়ে আপাতভাবে ম্যাচে ফিরিয়ে আনে।

    [tw]


    [/tw]

    তৃতীয় দিন শেষে ভারতের (India vs New Zealand) রান ছিল ৩ উইকেটের বিনিময়ে ২৩১ রান। গতকাল দিনের শেষ বলে ব্যক্তিগত ৭০ রান করে আউট হন বিরাট কোহলি। ৭০ রানে অপরাজিত থাকেন সরফরাজ খান। চতুর্থ দিনে সরফরাজের সঙ্গে ব্যাট করতে নামেন ঋষভ পন্থ। এই দুই ব্যাটার লম্বা ইনিংস খেলার লক্ষ্যে ব্যাট করতে থাকেন। দ্বিতীয় ইনিংসে কিউই বোলারদের ব্যাট হাতে নাকানিচোবানি খাওয়ান সরফরাজ ও পন্থ। ১৫০ রান করে টিম সাউদির বলে কভারে ক্যাচ দিয়ে সাজঘরে ফেরেন সরফরাজ। মাত্র ১ রানের জন্য শতরান হাতছাড়া হয় ঋষভ পন্থের। ৯৯ রান করে বোল্ড আউট হয়ে সাজঘরে ফেরেন তিনি। তাঁদের ব্যাটিং তাণ্ডব ভারতকে লিড এনে দেন। পন্থ ফিরে যেতেই তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়ে ভারতের ব্যাটিং লাইন আপ। নিউজিল্যান্ড ব্যাট করতে নামলে রান করতে পারেনি। শেষ বেলায় চার বল খেলা হয়। তার পরেই আলো কম থাকার জন্য আম্পায়ার খেলা বন্ধ করেন। ঝমঝমিয়ে বৃষ্টি শুরু হয় বেঙ্গালুরুতে। মাঠ ঢেকে দেওয়া হয়। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • India vs Bangladesh: বুমরার বিধ্বংসী বলে বেকায়দায় বাংলাদেশ, ম্যাচের রাশ পুরোপুরি ভারতের হাতে

    India vs Bangladesh: বুমরার বিধ্বংসী বলে বেকায়দায় বাংলাদেশ, ম্যাচের রাশ পুরোপুরি ভারতের হাতে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দিনের শুরুতে ক্রিজে ছিলেন ভারতীয় ব্যাটাররা (India vs Bangladesh)। দিনের শেষেও ক্রিজে ব্যাট করছে ভারত। মাঝে বুমরার বিধ্বংসী স্পেলে দিশাহারা বাংলাদেশ। ভারতের প্রথম ইনিংসে ৩৭৬ রানের টার্গেট সামনে রেখে খেলতে নেমে শাকিবরা ১৪৯ রানেই প্রথম ইনিংস শেষ করে। সুযোগ পেয়েও বাংলাদেশকে ফলো-অন করায়নি ভারত। বাংলাদেশের বিরুদ্ধে প্রথম টেস্টের দ্বিতীয় দিনের খেলা শেষে ভারত আপাতত ৩০৮ রানে এগিয়ে রয়েছে। আপাতত ম্যাচের রাশ যে সম্পূর্ণভাবে ভারতের হাতে, তা বলাই বাহুল্য।

    হাসান মামুদের রেকর্ড

    ভারতীয় দল (India vs Bangladesh) দিনটা শুরু করেছিল ৩৩৯ রানে ছয় উইকেট নিয়ে। দিনের শুরুতেই রবীন্দ্র জাদেজা ৮৬ রানে ফেরেন। অশ্বিনও বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি। দ্বিতীয় দিন সকালে তাসকিন আমেদের ঝাঁঝালো বোলিংয়ে ভারতীয় দল ৩৭৬ রানে অল আউট হয়ে যায়। যশপ্রীত বুমরাকে আউট করে নিজের পাঁচ উইকেট পূরণ করেন হাসান মামুদ। প্রথম বাংলাদেশি বোলার হিসেবে ভারতের মাটিতে পাঁচ উইকেট নিলেন তিনি। 

    বুমরার মাইলফলক

    ব্যাট করতে নেমে বাংলাদেশও (India vs Bangladesh) দাঁড়াতে পারল না চিপকের পিচে। প্রথম ওভারেই শাদমানকে ফেরান বুমরা। আকাশদীপ পর পর বলে মোমিনুলকে শূন্য ও জাকির হাসানকে তিন রানে ফেরালে লাঞ্চের আগেই তিন উইকেট হারিয়ে ফেলে বাংলাদেশ। শাকিব হাসান, লিটন দাস এবং মেহদি হাসান মিরাজ ছাড়া বাংলাদেশের কারও মধ্যে উইকেট আঁকড়ে থেকে লড়াই করার চেষ্টা দেখা যায়নি। শুক্রবার বুমরা আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ছুঁয়ে ফেলেন নতুন মাইলফলক। ভারতের দশম বোলার হিসেবে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ৪০০ উইকেট পূর্ণ করলেন বুমরা (Jasprit Bumrah)। চেন্নাই টেস্টের আগে বুমরার সংগ্রহে ছিল ৩৯৭টি আন্তর্জাতিক উইকেট। টেস্টে ১৫৯টি, এক দিনের ক্রিকেটে ১৪৯টি এবং টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে ৮৯টি। ৪০০ উইকেটের মাইলফলক স্পর্শ করতে তাঁর দরকার ছিল ৩টি উইকেট। এদিন ৫০ রান দিয়ে বাংলাদেশের ৪ উইকেট নেন বুমরা।

    ভালো জায়গায় ভারত

    দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ফের রান পেলেন না রোহিত (৫) ও যশস্বী (১০)। সাবধানে খেলার চেষ্টা করেও লাভ হল না কোহলির। ১৭ রান করে মেহদির বলে ফিরলেন সাজঘরে। মেহদির বল কোহলির ব্যাট ছুঁয়ে প্যাডে লাগে। বাংলাদেশের (India vs Bangladesh) আউটের আবেদনে সাড়া দেন আম্পায়ার। কিন্তু কোহলি বুঝতেই পারেননি বল তাঁর ব্যাটে সামান্য লেগেছে। তিনি শুভমনের সঙ্গে আলোচনা করলেও রিভিউ নেননি। পরে রিপ্লেতে বোঝা যায়, কোহলি আউট ছিলেন না। দ্বিতীয় দিনের খেলা শেষ হওয়ার সময় অপরাজিত শুভমন (৩৩) এবং ঋষভ পন্থ (১২)। শনিবার ভারত আরও ১৫০ রান করতে পারলেই চাপে পড়ে যাবে বাংলাদেশ। চিপকের পিচে চতুর্থ ইনিংসে ৪০০-এর উপর রান তোলা বেশ কঠিন, তা ভালোই জানে ক্রিকেট মহল। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Rajkot Test: মুখ থুবড়ে পড়ল ইংল্যান্ড, রাজকোট টেস্টে জয়ী রোহিতের ভারত

    Rajkot Test: মুখ থুবড়ে পড়ল ইংল্যান্ড, রাজকোট টেস্টে জয়ী রোহিতের ভারত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজকোট টেস্টে (Rajkot Test) জয়ী ভারত। ৪৩৪ রানে ইংল্যান্ডকে দুরমুশ করে দিল রোহিত শর্মার ভারত। রবিবার ম্যাচ জেতার পর অধিনায়ক রোহিত শর্মা বলেন, “টসে জেতার পরেই কিছুটা এগিয়ে গিয়েছিলাম আমরা। জানতাম ভালো রান তুলতে পারলে সেটা আমাদের পক্ষে যাবে। এর পাশাপাশি যে লিড পেয়েছিলাম সেটাও গুরুত্বপূর্ণ ছিল। ইংল্যান্ডের ব্যাটারদের দাপটের পর যেভাবে ম্যাচে ফিরে এলাম, সেটাও মনে রাখার মতো। শান্ত থাকা প্রয়োজন ছিল।”

    কী বললেন অধিনায়ক?

    তিনি বলেন, “মনে রাখবেন দলের সব চেয়ে অভিজ্ঞ বোলারকে আমরা পাইনি। কিন্তু বাকিদের নিয়ে আমি গর্বিত। দারুণ মানসিকতা দেখিয়েছে ওরা। দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করার আগেই বুঝে গিয়েছিলাম অর্ধেক কাজ হয়ে গিয়েছে। দুজন তরুণ ব্যাটারের ইনিংস অনেকটাই এগিয়ে দিয়েছে আমাদের।” পিঠে চোট নিয়ে খেলতে (Rajkot Test) নেমেও এক গুচ্ছ রেকর্ড করেন তরুণ ব্যাটার যশস্বী জয়সওয়াল। তাঁরও ভূয়সী প্রশংসা করেন ভারতীয় দলের অধিনায়ক। তিনি বলেন, “অনেক কথা বলছি ওকে নিয়ে। সাজঘরের বাইরেও ওকে নিয়ে অনেকে কথা বলে। ওকে নিয়ে প্রচুর কথা বলতে চাই না। সবে কেরিয়ার শুরু করেছে। এখনও অনেক দূর যাওয়া বাকি।”

    ২-১ এ এগিয়ে গেল ভারত

    রবিবার নিরঞ্জন শাহ স্টেডিয়ামে ম্যাচের চতুর্থ দিনে ইংল্যান্ডের সামনে ৫৫৭ রানের টার্গেট রেখেছিল ভারত। অনেকেই ভেবেছিল, বাজবলে ভারতের এই টার্গেটকে জবাব দেবে ইংল্যান্ড। কিন্তু রবীন্দ্র জাডেজার স্পিনের কাছে কুপোকাত তারা। ঘরের মাঠে বেশ কয়েকটি নজির গড়ে ফেলেছেন জাডেজা। এই টেস্টেই শতরান করেছেন তিনি। নিয়েছেন ২০০ উইকেট। ৪১ রান দিয়ে পাঁচ উইকেট নিয়ে ভারতকে উপহার দিলেন সব চেয়ে বড় জয়। পাঁচ ম্যাচের সিরিজে ২-১ এ এগিয়ে গেল ভারত।

    আরও পড়ুুন: শিবুর দাদাগিরি! ঋষি অরবিন্দ ময়দানের নাম বদলে করা হয় শেখ শাহজাহান ফ্যান ক্লাব

    জয়ের জন্য ৫৫৭ রান তাড়া করতে গিয়ে মুখ থুবড়ে পড়ে ইংল্যান্ডের ব্যাটাররা। ২৯ রানের মধ্যেই পড়ে যায় চার উইকেট। প্রথম ইনিংসে শতরান করা ডাকেট রান আউট হন। তার পর একে একে পড়তে থাকে ক্রলি, পোপ এবং বেয়ারস্টোরের উইকেট। পঞ্চাশ রানের মাথায় আউট হয়ে যান রুট ও স্টোকস। ৮২ রানের মাথায় পড়ে যায় ইংল্যান্ডের অষ্টম উইকেট। ৯১ রানের মাথায় পড়ে যায় নবম উইকেট। ১২২ রানে হয়ে যায় অল আউট (Rajkot Test)।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     
     
LinkedIn
Share