Tag: TET Agitators

TET Agitators

  • TET Agitation: “মাঝরাতে মহিলাদের আটক করা যায়?” প্রশ্নের মুখে পুলিশ প্রশাসন

    TET Agitation: “মাঝরাতে মহিলাদের আটক করা যায়?” প্রশ্নের মুখে পুলিশ প্রশাসন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মাঝরাতে রণক্ষেত্র হয়ে উঠেছিল করুণাময়ী (TET Agitation)। হঠাৎ পুলিশি অভিযানে ধুন্ধুমার পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছিল। মধ্যরাতে রাত ১২টা বেজে ১৬ মিনিট নাগাদ বিধাননগর কমিশনারেটের ডিসি ঘোষণা করলেন, এই জমায়েত আইনি নয়, বেআইনি। অভিযোগ, এরপরই সঙ্গে সঙ্গে আন্দোলনকারীদের তুলতে সক্রিয় হয়ে পড়ল কলকাতা পুলিশ। এদিন ছেলেদের পাশাপাশি মহিলাদেরও আটক করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। আর এর ফলে প্রশ্ন উঠতে শুরু হয়েছে যে, কীভাবে পুলিশ মাঝরাতে মহিলাদের বিনা অনুমতিতে আটক করেত পারে? কারণ আইনে আছে, সূর্যাস্তের পর মেয়েদের গ্রেফতার বা আটক করা যায় না।

    ২০১৪-এর টেট উত্তীর্ণদের প্রায় ৯০ ঘণ্টার ধর্নাকে ১৫ মিনিটের মধ্যে বলপ্রয়োগ করে পুলিশ সরিয়ে দিল। কার্যত টেনে-হিঁচড়ে আন্দোলনকারীদের তোলা হয় বলে অভিযোগ উঠে এসেছে। আন্দোলনকারীদের মধ্যে ছিল বহু মহিলাও। ফলে ছেলে-মেয়ে নির্বিশেষে চ্যাংদোলা করে, জোর করে আন্দোলন থেকে তোলা হয় ও কিছু মহিলা-পুরুষদের আটকও করা হয় ও বিধাননগর উত্তর থানায় নিয়ে যাওয়া হয়। এর ফলেই প্রশ্ন উঠতে শুরু হয়েছে যে, কী করে সূ্র্যাস্তের পর অনুমতি ছাড়া মহিলাদের গ্রেফতার বা আটক করা হয়?

    আরও পড়ুন: “পশ্চিমবঙ্গ, না কি হিটলারের জার্মানি?” টেট উত্তীর্ণদের উপর পুলিশের বলপ্রয়োগে ট্যুইট শুভেন্দু অধিকারীর

    অন্যদিকে সূত্রের খবর অনুযায়ী, শুক্রবার সকাল দশটার সময়ে কলকাতা হাইকোর্টে মামলা দায়ের করার অনুমতি দিয়েছিলেন কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি প্রকাশ শ্রীবাস্তব। কিন্তু সকাল পর্যন্ত অপেক্ষা করতে পারল না প্রশাসন। অভিযোগ তুললেন চাকরিপ্রার্থীদের আইনজীবী। আন্দোলনকারীদের কেন ই-মেলে নোটিস পাঠানো হয়েছিল, প্রশ্ন তুললেন আইনজীবী। মামলাকারীদের আইনজীবী প্রশাসনকে তোপ দেগে বলেছেন, রাজ্যে যদি সৎ পথে নিয়োগ করা হত, তবে রাস্তায় কেও বসতেন না। কিন্তু দুর্ভাগ্যশত তাঁদের হকের চাকরি চুরি করা হয়েছে। তাই চোরেরা যাতে জনসম্মুখে না আসে তার জন্যই এই পদক্ষেপ।

    তিনি আরও প্রশ্ন তুলেছেন, “এই পর্ষদ কেন স্পষ্ট করে বলছে না, চাকরিপ্রার্থীদের দাবিগুলিকে আমরা মান্যতা দিচ্ছি। এই কথাটা স্পষ্ট করে বলতে পারছে না? আলোচনা করার দায়িত্ব কার? মাথা ঝুকানোর দায়িত্ব কার? আন্দোলনকারীদের সঙ্গে আপনি মামলা করছেন? রাস্তা কারোর বাবার নয়? অনুমতি নিতে হয় না আন্দোলন করতে গেলে…।” পর্ষদের মামলা সংক্রান্ত কলকাতা হাইকোর্টের সিঙ্গল বেঞ্চের রায়কে চ্যালেঞ্জ করে ডিভিশন বেঞ্চে মামলা দায়েরের অনুমতি চান টেট উত্তীর্ণরা। শুক্রবার দশটায় ছিল শুনানি। কিন্তু তার আগেই মধ্যরাতেই পুলিশের এমন পদক্ষেপে ক্ষোভে ফেটে পড়ছেন আন্দোলনকারীরা।  

  • Suvendu Adhikari: “পশ্চিমবঙ্গ, না কি হিটলারের জার্মানি?” টেট উত্তীর্ণদের উপর পুলিশের বলপ্রয়োগে ট্যুইট শুভেন্দু অধিকারীর

    Suvendu Adhikari: “পশ্চিমবঙ্গ, না কি হিটলারের জার্মানি?” টেট উত্তীর্ণদের উপর পুলিশের বলপ্রয়োগে ট্যুইট শুভেন্দু অধিকারীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: করুণাময়ীতে ২০১৪-র টেট উত্তীর্ণ আন্দোলনকারীদের পুলিশ অভিযান চালিয়ে তুলে দেওয়ার ঘটনার কড়া নিন্দা করলেন শুভেন্দু অধিকারী। ট্যুইটারে তিনি লিখলেন, “পশ্চিমবঙ্গের বর্তমান পরিস্থিতি ভয়াবহ। সল্টলেকে প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের দফতরের সামনে ২০১৪ টেট উত্তীর্ণরা যে বৈধভাবে অবস্থান-বিক্ষোভ চালাচ্ছিল, তাঁদের ওপর নির্মমভাবে অত্যাচার চালিয়ে জোর করে তুলে দিয়েছে মমতার পুলিশ। এটা পশ্চিমবঙ্গ, না কি, হিটলারের জার্মানি?”

    এর আগে, ক্রমবর্ধমান দুর্নীতি ও চাকরি চুরির অভিযোগের প্রেক্ষিতে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা মুখ্যমন্ত্রীর তীব্র সমালোচনা করেন। পশ্চিম বর্ধমানের আসানসোলে এক কর্মসূচি থেকে শুভেন্দু অধিকারী বলেন, “এসবের সমাধান একটাই। নবান্নর ১৪ তলা থেকে ওনাকে সরাতে হবে। তাহলেই পশ্চিমবঙ্গে কাজের সুযোগ বাড়বে, শিল্প আসবে, বানিজ্যের পরিবেশ তৈরি হবে, সিন্ডিকেটরাজ-সাদা খাতায় চাকরি বন্ধ হবে।”

    আরও পড়ুন: মধ্যরাতে কুরুক্ষেত্র করুণাময়ী, জোর করে টেট উত্তীর্ণদের তুলল পুলিশ

    প্রসঙ্গত, বৃহস্পতিবার মধ্যরাতে ২০১৪ ও ২০১৭ সালের টেট প্রার্থীদের ওপর হঠাৎ করেই অভিযান চালায় পুলিশ। কুরুক্ষেত্র পরিস্থিতি তৈরি হয় করুণাময়ীতে। রীতিমতো বলপ্রয়োগ করে সরিয়ে দেওয়া হয় চাকরিপ্রার্থীদের। মহিলা-পুরুষ নির্বিশেষ টেনে-হিঁচড়ে, চ্যাংদোলা করে তাঁদের সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়। আন্দোলনকারীদের মধ্যে বহু মহিলাও ছিলেন৷ তাই তাঁদের সরানোর জন্য মহিলা পুলিশও নিয়ে আসা হয়েছিল৷ কান্নায় ভেঙে পড়েন আন্দোলনকারীরা।  

    অনেককে নিয়ে যাওয়া হয় টানতে টানতে৷ তিন দিন ধরে অনশনে থাকা চাকরিপ্রার্থীরা এই ধস্তাধস্তির মধ্যে আরও অসুস্থ হয়ে পড়েন৷ কেউ কেউ সংজ্ঞা হারান৷ বেশ কয়েক জন চোট পান বলেও অভিযোগ। আন্দোলনকারীদের তিনটি প্রিজন ভ্য়ানে তোলা হয়। অসুস্থ এক আন্দোলনকারীকে তোলা হয় অ্যাম্বুল্যান্সে। ২০১৪-র টেট উত্তীর্ণদের অভিযোগ, তাঁদের ৩ জনকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। ভোররাতে আটক চাকরিপ্রার্থীদের পুলিশ বাসে করে এনে শিয়ালদা ও হাওড়া স্টেশন চত্বরে ছেড়ে দেয়।

    আরও পড়ুন: বিরোধী শিবির এগোতেই রিটার্নিং অফিসার ‘বিরতি’ নিলেন, রাজ্য মেডিক্যাল কাউন্সিল নির্বাচনে ব্যাপক দুর্নীতির অভিযোগ তৃণমূলের বিরুদ্ধে 

     

  • TET Agitation: মধ্যরাতে কুরুক্ষেত্র করুণাময়ী, জোর করে টেট উত্তীর্ণদের তুলল পুলিশ

    TET Agitation: মধ্যরাতে কুরুক্ষেত্র করুণাময়ী, জোর করে টেট উত্তীর্ণদের তুলল পুলিশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মধ্যরাতে ধুন্ধুমার পরিস্থিতি করুণাময়ীতে (Tet Agitation)। রাত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে পুলিশের সক্রিয়তাও বেড়েছিল। টেট উত্তীর্ণদের বলপ্রয়োগ করে জোর করে তুলে নেওয়া হল। সোমবার থেকে চলছিল অবস্থান বিক্ষোভ৷ আমরণ অনশনও শুরু করেছিলেন বেশ কয়েকজন চাকরিপ্রার্থী৷ তার মধ্যেই বৃহস্পতিবার গভীর রাতে শুরু হল পুলিশি অভিযান৷ কাউকে চ্যাংদোলা, কাউকে রাস্তার উপর দিয়ে টেনে, হিঁচড়ে প্রিজন ভ্যান এবং বাসে তুলল পুলিশ৷ বৃহস্পতিবার গভীর রাতে এই ভয়াবহ দৃশ্যেরই সাক্ষী থাকল সল্টলেকের করুণাময়ী সহ পুরো রাজ্য। ফলে মধ্যরাতে পুলিশি অভিযানের প্রতিবাদে শুক্রবার রাজ্য জুড়ে আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দিয়েছে রাজ্যের বিরোধী দল বিজেপি (TET Protest by BJP)। বিজেপির তরফে বেলা ১টার সময় হেডকোয়ার্টারে জমায়েতের ডাক দেওয়া হয়েছে।

    গতকাল হাইকোর্টের নির্দেশে পর্ষদ চত্বের ১৪৪ ধারা জারি করা হয়। আর এরপরেই বাড়তে থাকে পুলিশের সক্রিয়তা। সন্ধ্যার পর থেকে পুলিশের সংখ্যা বাড়তে থাকে অনশন স্থলে। আন্দোলনকারীদের সরাতে প্রচুর পুলিশ জমায়েত হতে থাকে। এরপর আন্দোলনকারীদের জমায়েতকে বেআইনি বলে ঘোষণা করা হয় প্রথমে। তারপর তাঁদের সরে যাওয়ার জন্য সময় দেওয়া হয় দুই মিনিট। কিন্তু আন্দোলনকারীরা তাঁদের দাবি ও আন্দোলনে অনড় থাকে। ফলে আন্দোলনকারীরা না সরলে কার্যত তাঁদের জোর করে টেনে-হিঁচড়ে জায়গা থেকে সরানো হয়। আন্দোলনকারীদের মধ্যে আবার ২০ জনকে আটক করে নিয়ে যাওয়া হয় নিউটাউন থানায়। আন্দোলনকারীদের মধ্যে বহু মহিলাও ছিলেন৷ তাই তাঁদের সরানোর জন্য মহিলা পুলিশও নিয়ে আসা হয়েছিল৷ কান্নায় ভেঙে পড়েন আন্দোলনকারীরা। তিন দিন ধরে অনশনে থাকা চাকরিপ্রার্থীরা এই ধস্তাধস্তির মধ্যে আরও অসুস্থ হয়ে পড়েন৷ কেউ কেউ সংজ্ঞা হারান৷

    আরও পড়ুন: ২০১৪ বনাম ২০১৭! দুই আন্দোলনের বিক্ষোভে উত্তাল করুণাময়ী, পর্ষদ চত্বরে জারি ১৪৪ ধারা

    জানা গিয়েছে, ২০১৪-এর টেট উত্তীর্ণরা প্রায় ৯০ঘণ্টা ধরে আমরণ অনশন ও আন্দোলন চালাচ্ছিলেন। ফলে তাঁরা স্বাভাবিকভাবেই ক্লান্ত-অবসন্ন ছিলনে। সেসময় হঠাৎ করে পুলিশ এসে ১৪৪ ধারার কথা জানালে তাঁরা আন্দোলনে অনড় থাকে। কিন্তু তাঁদের আন্দোলন থেকে সরাতে মরিয়া হয়ে ওঠে পুলিশ। এর ফলে প্রায় কিছু সময়ের মধ্যেই তাঁদের ওপর জোর খাটিয়ে কাউকে চ্যাংদোলা করে, কাউকে টানতে টানতেই প্রিজন ভ্যানে তুললেন। এরপরে মধ্যরাতে ২০১৭-র চাকরিপ্রার্থীদের বিক্ষোভও তুলে দেয় পুলিশ। প্রথমে আন্দোলনকারীদের সঙ্গে পুলিশের আলোচনা চলে কয়েক মিনিট। তার পরে সেখানেও গায়ের জোর প্রয়োগ করেই তোলা হয় সবাইকে। ফলে মাঝরাতে পুলিশের এমন পদক্ষেপ নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু হয়েছে।

    অন্যদিকে রাতে এমন রণক্ষেত্রের সৃষ্টি হলে পৌঁছে যান বিরোধী দলের নেতা-নেত্রীরা। ছিলেন বিজেপি-র প্রিয়ঙ্কা টিবরেওয়াল, অগ্নিমিত্রা পালরা। শুক্রবার থেকে রাজ্য জুড়ে আন্দোলনের ডাক দিয়েছে বিজেপি। কংগ্রেস এবং বামেরাও আন্দোলনে নামার ঘোষণা করেছে রাতেই। তাই শুক্রবার থেকে এই ঘটনা কোন নতুন দিকে মোড় নেবে সেটাই এখন দেখার।

LinkedIn
Share