Tag: TET Recruitment

TET Recruitment

  • Calcutta High Court: ২০১৪ সালের টেট নিয়োগেও দুর্নীতি! অনিয়মের ইঙ্গিত সিবিআই রিপোর্টে

    Calcutta High Court: ২০১৪ সালের টেট নিয়োগেও দুর্নীতি! অনিয়মের ইঙ্গিত সিবিআই রিপোর্টে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০১৬ সালের এসএসসির পর প্রকাশ্যে তৃণমূল জমানার আরও এক কেলেঙ্কারি! ২০১৪ সালের টেট নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় সিবিআই রিপোর্টে ব্যাপক অনিয়মের ইঙ্গিত। সিবিআইয়ের তদন্তে প্রকাশ (Calcutta High Court), নকল ওয়েবসাইট বানিয়ে বাইরের লোক নিয়োগ করে ফেল করাদের পাশ দেখিয়ে নিয়োগ-সহ একাধিক অভিযোগ তুলেছে সিবিআই। ওই টেটে কীভাবে জালিয়াতি হয়েছে সবিস্তারে তার তথ্য সিবিআইয়ের তরফে তুলে দেওয়া হয়েছে বিচারপতি মান্থার এজলাসে।

    চার দফায় নিয়োগ (Calcutta High Court)

    প্রসঙ্গত, ২০১৪ সালের (Calcutta High Court) টেট পরীক্ষার ওপর ভিত্তি করে প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ করা হয়েছে ২০১৬, ২০২০, ২০২২ এবং ২০২৪ সালে। মঙ্গলবার পর্যবেক্ষণে আদালত জানায়, এই টেট মামলার ফল যদি নেতিবাচক হয়, তাহলে এর ওপর ভিত্তি করে হওয়া সব নিয়োগ মামলা অস্তিত্ব হারাবে। আইনজীবীদের আশঙ্কা, গত চার দফায় যে প্রায় ৭০ হাজার প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ করা হয়েছে, তাঁদের ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত হয়ে পড়বে। এই মামলার পরবর্তী শুনানি আট সপ্তাহ পরে। তার আগে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে হলফনামা দিতে হবে বলে জানিয়ে দিয়েছে আদালত।

    কী বললেন বিচারপতি?

    ২০১৪ সালের টেটে কারচুপির অভিযোগে জনৈক রাহুল চক্রবর্তী-সহ কয়েকজন চাকরিপ্রার্থী হাইকোর্টে মামলা দায়ের করেন। সেই মামলার শুনানিতে বিচারপতি রাজাশেখর মান্থার নির্দেশ ছিল, সিবিআইকে ওএমআর শিটের আসল তথ্য খুঁজতে হবে, নচেৎ বাতিল করে দেওয়া হবে ২০১৪ সালের টেট। এই মামলায় সিবিআই আগেই জানিয়েছিল, ৩০৪ জনকে অবৈধভাবে নিয়োগ করা হয়েছে বলে তদন্তে জানা গিয়েছে। তখনই আদালত জানিয়েছিল, তথ্যের খোঁজে প্রয়োজনে সিবিআই ফের প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের অফিসে গিয়ে তল্লাশি চালাতে পারবে।

    আরও পড়ুুন: গোদরেজ পরিবারে ভাঙন, বাঁটোয়ারা হল সম্পত্তি, কার ভাগে কী?

    এদিন বিচারপতি মান্থার কড়া নির্দেশ, সিবিআইকে ওএমআর শিটের প্রকৃত তথ্য খুঁজে বের করতে হবে। ডিজিটাল ডেটা বের করার নির্দেশও দেওয়া হয় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী এই সংস্থাকে। ডিজিটাল ডেটা ফিরিয়ে আনার সুযোগ রয়েছে। ওএমআর শিটের প্রকৃত তথ্য খুঁজে বের করার জন্য সিবিআইকে প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের অফিসে যাওয়ার ছাড়পত্রও দেন বিচারপতি মান্থা। সিবিআই ডিজিটাল ফুটপ্রিন্ট খুঁজে আনতে পারে বলেও জানিয়ে দেয় আদালত। প্রসঙ্গত, এই মামলায়ও প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদ জানিয়েছিল, ওএমআর শিটের হার্ড কপি নষ্ট করে ফেলা হয়েছে। তবে ডিজিটাল ভার্সান সংরক্ষিত রয়েছে (Calcutta High Court)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • TET Recruitment: প্রাথমিকে এবার দ্রুত নিয়োগের নির্দেশ হাইকোর্টের! কত শূন্যপদে জানেন?

    TET Recruitment: প্রাথমিকে এবার দ্রুত নিয়োগের নির্দেশ হাইকোর্টের! কত শূন্যপদে জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রাথমিকে (TET Recruitment) ফের নিয়োগের নির্দেশ। এদিন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় বলেন, ২০০৯ সালের দক্ষিণ ২৪ পরগনায় যে প্রাথমিক নিয়োগ (TET Recruitment) হয়েছে সেখানে ৩০০-এর বেশি শূন্যপদ ছিল। সেই পদে অবিলম্বে নিয়োগ করতে হবে।

    নিয়োগ নিয়ে দীর্ঘদিন আন্দোলন চালাচ্ছেন চাকরিপ্রার্থীরা

    প্রসঙ্গত, ২০০৯ সালে যে নিয়োগের পরীক্ষা হয়েছিল সেখানে দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলায় ১৮৩৪টি শূন্যপদ ছিল। তখন প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদ নিয়োগের জন্য ১৫০৬ চাকরিপ্রার্থীর নামের তালিকা প্রকাশ করেছিল। বাকি ৩২৮টি শূন্যপদে নিয়োগ হয়নি বলে অভিযোগ ওঠে। তা নিয়ে দীর্ঘদিন আন্দোলন চালাচ্ছেন চাকরিপ্রার্থীরা।
    বুধবার বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের এজলাসে এই শূন্যপদ নিয়োগ সংক্রান্ত মামলার শুনানি ছিল। শুনানি শেষে পর্ষদকে অবিলম্বে মেধার ভিত্তিতে শূন্যপদ পূরণের নির্দেশ দেন বিচারপতি। শুধু তাই নয়, আরও ৫ শতাংশ অতিরিক্ত নিয়োগের কথাও এদিন জানিয়েছেন বিচারপতি।

    প্রায় এক বছরেরও বেশি সময় ধরে গান্ধীমূর্তির নীচে চাকরির দাবিতে আন্দোলন চালাচ্ছেন দক্ষিণ ২৪ পরগনার চাকরিপ্রার্থীরা। এদিন বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায় বলেন, ৩২৮ জনের পাশাপাশি আরও ৯২ জনকে নিয়োগ করতে হবে। আগামী ১৭ এপ্রিলের মধ্যে তালিকা প্রকাশ করে নিয়োগ প্রক্রিয়া চালু করার নির্দেশ দিল হাইকোর্ট।

    ২০০৯ সালে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ হলেও পরীক্ষা হয় ২০১২ সালে

    প্রসঙ্গত, ২০০৯ সালে এই পরীক্ষার বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ হয়েছিল, তখন টেট পরীক্ষা নেওয়ার প্রক্রিয়া ছিল না। পরে ২০১২ সালে লিখিত পরীক্ষা নেওয়া হয়। ২০২২-এ ফল প্রকাশ হলেও সুপ্রিম কোর্টে মামলা চলায় নিয়োগ আটকে ছিল দীর্ঘদিন। দক্ষিণ চব্বিশ পরগণা প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের কর্তারা বলেন, এক্স সার্ভিসম্যান ক্যাটাগরি, শারীরিক প্রতিবন্ধকতা কোটায় পর্যাপ্ত প্রার্থী পাওয়া যায়নি বলেই ৩২৮ টি শূন্যপদ ফাঁকা রাখা হয়। এবার সেই সব পদেই দ্রুত নিয়োগ হবে বলে মনে করা হচ্ছে।

    আরও পড়ুন: উহানের ল্যাবেই জন্ম হয়েছিল করোনা ভাইরাসের, নিশ্চিত করল এফবিআই

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     

  • Manik Bhattacharya: মৃত ব্যক্তির সঙ্গে জয়েন্ট অ্যাকাউন্টে কোটি কোটি টাকা মানিকের স্ত্রীর! বিস্ফোরক ইডি

    Manik Bhattacharya: মৃত ব্যক্তির সঙ্গে জয়েন্ট অ্যাকাউন্টে কোটি কোটি টাকা মানিকের স্ত্রীর! বিস্ফোরক ইডি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গতকাল, নিয়োগ দুর্নীতি মামলায়  ফের মানিক ভট্টাচার্যের (Manik Bhattacharya) বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ আনল ইডি। মৃত এক ব্যক্তির সঙ্গে জয়েন্ট অ্যাকাউন্ট রয়েছে মানিক ভট্টাচার্যের স্ত্রীর। সেই অ্যাকাউন্টে রয়েছে ৩ কোটি টাকাও। এমনটাই দাবি করল ইডির আইনজীবী। এর আগে মানিকের ছেলে শৌভিকের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে কোটি কোটি টাকা হদিশের পর এবারে মানিকের স্ত্রীর অ্যাকাউন্টেরও খোঁজ পেল ইডি। এই অ্যাকাউন্টেও রয়েছে কোটি কোটি টাকা। মঙ্গলবার ইডির আইনজীবী ব্যাঙ্কশাল কোর্টে এই বিষয়ে তথ্য দিয়েছেন।

    ঠিক কী তথ্য পেশ করেছে ইডি? এদিন ইডির আইনজীবী আদালতকে তথ্য দিয়ে বলেন, ২০১৬ সালে মৃত্যুঞ্জয় চক্রবর্তীর সঙ্গে মানিক ভট্টাচার্যের (Manik Bhattacharya) স্ত্রীর জয়েন্ট অ্যাকাউন্ট রয়েছে। তবে কে এই মৃত্যুঞ্জয় চক্রবর্তী? কেন তাঁর সঙ্গে মানিকের স্ত্রী-এর জয়েন্ট অ্যাকাউন্ট?  প্রশ্ন উঠতে শুরু হয়েছে। ইডি আদালতকে আরও জানিয়েছে, ৬ বছর আগে মৃত্যুঞ্জয় চক্রবর্তীর মৃত্যু হয়েছে। তিনি ২০১৬ সালেই মারা গিয়েছেন। অথচ এখনও অ্যাকাউন্ট থেকে তাঁর নাম সরানো হয়নি। বরং ওই অ্যাকা‍উন্টে রয়েছে ৩ কোটি টাকাও।

    আরও পড়ুন: দুর্নীতির দোসর! টেট নিয়োগ দুর্নীতি নিয়ে মানিক ঘনিষ্ঠ তাপস মণ্ডলকে দীর্ঘ জেরা ইডির, কী বললেন তিনি?

    ‌গতকাল, মঙ্গলবার টেট দুর্নীতিতে অভিযুক্ত মানিক ভট্টাচার্যকে (Manik Bhattacharya) আদালতে পেশ করা হয়েছিল। সেখানে মানিকের স্ত্রীর অ্যাকাউন্ট সম্পর্কে ইডির দেওয়া তথ্য শোনার পর আপাতত রায় স্থগিত রেখেছে ব্যাঙ্কশাল কোর্ট। এর আগেই মানিকের জামিনের আবেদন খারিজ করে দিয়েছিল সর্বোচ্চ আদালত ও মঙ্গলবার পর্যন্ত ইডি হেফাজতেই ছিল। এরপর ফের ২৮ অক্টোবর পর্যন্ত তাঁকে জেল হেফাজতে পাঠাল ব্যাঙ্কশাল কোর্ট। 

    উল্লেখ্য, প্রাথমিক নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় অভিযুক্ত মানিককে (Manik Bhattacharya) আর্থিক তছরুপের অভিযোগে গ্রেফতার করেছিল ইডি। সেই গ্রেফতারির সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ জানিয়েই সুপ্রিম কোর্টে যান মানিক। কিন্তু সুপ্রিম কোর্ট গত বৃহস্পতিবার মানিকের আবেদন খারিজ করে দিয়েছিল। সেই রায়ের পর থেকে মঙ্গলবার পর্যন্ত ইডির হেফাজতেই ছিলেন মানিক। এবারে ফের মানিকের আবেদন খারিজ করে তাঁকে জেল হেফাজতে রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়। তাঁকে বিভিন্ন বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করার জন্য ও তদন্তের স্বার্থেই ইডি মানিককে আবারও জেল হেফাজতে রাখতে চেয়েছে।

  • Primary TET: টেট নিয়োগ ঘিরে ফের মামলা কলকাতা হাইকোর্টে, আইনি জটিলতায় থেমে যাবে না তো প্রক্রিয়া?

    Primary TET: টেট নিয়োগ ঘিরে ফের মামলা কলকাতা হাইকোর্টে, আইনি জটিলতায় থেমে যাবে না তো প্রক্রিয়া?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক:প্রাথমিক নিয়োগের (Primary TET) বিজ্ঞপ্তিকে চ্যালেঞ্জ করে ফের মামলা কলকাতা হাইকোর্টে। প্রাথমিকে শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। ইতিমধ্যে বিজ্ঞপ্তিও জারি করা হয়েছে। গত মাসের ২৯ তারিখ এই বিজ্ঞপ্তি দেওয়া হয়। আর সেই বিজ্ঞপ্তিকে চ্যালেঞ্জ করে ফের মামলা দায়ের করা হল কলকাতা হাইকোর্টে। একাধিক চাকরিপ্রার্থী এই মামলা করেছে বলে জানা যাচ্ছে। মামলাকারীদের দাবি, বিজ্ঞপ্তির যে অংশে উল্লেখ রয়েছে যে,  প্রশিক্ষণরতরা টেট দিতে পারবে, তা খারিজ করতে হবে।

    এর আগেই বৃহস্পতিবার বিএড ডিগ্রিধারীদের টেট-এ (Primary TET) বসতে দেওয়ার সিদ্ধান্তের বিরোধিতায় হাইকোর্টে মামলা হয়েছে। ফলে পর্ষদের নানা সিদ্ধান্ত বা বিজ্ঞপ্তিকে ঘিরে একের পর এক মামলা দায়ের করায় ফের প্রশ্ন উঠতে শুরু হয়েছে যে, টেটের নিয়োগ প্রক্রিয়া ঠিকভাবে হবে তো? বিজ্ঞপ্তি জারি করার পরে গতকাল যে মামলা দায়ের করা হয়েছে, তাতে বলা হয়েছে, প্রাথমিক স্কুলে প্রথম থেকে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত শিক্ষকের নিয়োগের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছিল, ডিএলএড-এর পাশাপাশি বিএড যোগ্যতাসম্পন্ন প্রার্থীরাও আবেদন করতে পারবেন। আর এই নিয়েই আপত্তি তুলে হাইকোর্টে মামলা করেন কয়েক জন টেট পরীক্ষার্থীরা।

    আরও পড়ুন: ফের আইনি গেরোয় প্রাথমিকে নিয়োগ, বিজ্ঞপ্তিকে চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে মামলা

    আর আজ যেকারণে নতুন করে মামলা দায়ের করা হয়েছে, তা হল প্রশিক্ষণরতরা কেন টেটে বসার সুযোগ পাবেন, এই দাবি নিয়েই নতুন মামলা। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, নিয়োগ প্রক্রিয়ায় (Primary TET) অংশগ্রহণ করতে পারবেন ২০২০-২০২২ শিক্ষাবর্ষের ডিএলএড বা ডিএড এবং বিএড-এর পার্ট- ১ পরীক্ষা যারা দিয়েছেন। বিজ্ঞপ্তির এই অংশকেই চ্যালেঞ্জ করেই নতুন মামলা হয়েছে কলকাতা হাইকোর্টে। মামলাকারীদের দাবি, যেখানে পর্যাপ্ত প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত প্রার্থী রয়েছে, সেখানে কেন প্রশিক্ষণরত প্রার্থীদের সুযোগ দেওয়া হবে?

    আগামী সোমবার এই সংক্রান্ত মামলার শুনানি হবে। ফলে মামলা (Primary TET) কোন দিকে গড়ায় সেদিকেই নজর সবার। তবে নিয়োগ প্রক্রিয়াকে চ্যালেঞ্জ করে একের পর এক মামলাতে জটিলতা আরও বেশি বাড়ছে বলেই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল। এমনকি ফের আটকে যাবে না তো নিয়োগ? তা নিয়েও আশঙ্কা ঘনিয়ে আসছে।  

LinkedIn
Share