Tag: TET SCAM

TET SCAM

  • Bonny Sengupta: বনিকে ফের তলব ইডির! সঙ্গে নিয়ে যেতে হবে কোন নথি?

    Bonny Sengupta: বনিকে ফের তলব ইডির! সঙ্গে নিয়ে যেতে হবে কোন নথি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গতকাল ১০ ঘণ্টার জেরাতে হয়নি, তাই ফের অভিনেতা বনি সেনগুপ্তকে (Bonny Sengupta)  তলব করল ইডি। আগামী মঙ্গলবার সিজিও কমপ্লেক্সে তলব ইডি-র। কুন্তল যে গাড়ি কিনতে টাকা দিয়েছিলেন, সেই গাড়ির নথি নিয়েই হাজির হতে বলা হয়েছে বনিকে।

    কুন্তলের টাকায় বিলাসবহুল গাড়ি বনির

    গতকাল ইডি জিজ্ঞাসাবাদের মাঝেই অভিনেতা বনি সেনগুপ্ত (Bonny Sengupta) জানিয়েছিলেন, কুন্তল ঘোষের থেকে পারিশ্রমিক বাবদ অগ্রিম ৪০ লক্ষ টাকা নিয়েছিলেন তিনি। সেই টাকা দিয়েই কিনেছিলেন একটি ল্যান্ড রোভার ডিসকভারি গাড়ি। পাঁচ বছর আগে কেনা এই বিলাসবহুল গাড়ির শোরুমেই নাকি গিয়ে টাকা মিটিয়ে এসেছিলেন কুন্তল ঘোষ। অথচ সেই টাকা পাওয়ার জন্য কোনও রশিদ নেননি অভিনেতা বনি সেনগুপ্ত। আর এখানেই প্রশ্ন উঠছে, কেন এত বড় অঙ্কের টাকার লেনদেনে কোনও কাগজে সই করলেন না অভিনেতা? এই সমস্ত তথ্য জানতেই ফের একবার বনিকে তলব করা হয়েছে বলে দাবি ওয়াকিবহাল মহলের একাংশের।

    আরও পড়ুন: নজরে নগদ ২০ কোটি! আরও জেরা বাকি, ফের কি ইডি হেফাজতে কেষ্ট?

    গাড়ির কাগজপত্র নিয়ে তলব বনিকে

    আগামী মঙ্গলবার সেই ডিসকভারি গাড়ির কাগজপত্র নিয়েই যেতে বলা হয়েছে বনিকে। উল্লেখ্য, গতকাল বনি সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছিলেন, পাঁচ বছরের মাথায় তিনি ওই ল্যান্ড রোভার ডিসকভারি গাড়িটি বিক্রি করে দিয়েছেন। ফলে সেই ব্যক্তি কত টাকায় পাঁচ বছরের পুরনো গাড়িটি কিনেছিলেন সেই বিষয়টিও ইডির নজরে রয়েছে। এছাড়াও কেন্দ্রীয় তদন্ত এজেন্সি সূত্রে খবর, কুন্তলের লেনদেন খতিয়ে দেখে আরও কয়েকজন অভিনেত্রীর হদিশ মিলেছে। যাঁদের বিভিন্ন সময়ে টাকা দিয়েছিলেন কুন্তল।

    প্রসঙ্গত, শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি কাণ্ডে একের পর এক নাম নতুন নতুন উঠে আসছে। এবারে কোনও টলি অভিনেতার (Bonny Sengupta) নাম জড়িয়ে যাওয়ায় তাঁকেও তলব করা হল। তবে এখন এটাই দেখার, আরও কত নাম উঠে আসে এই কাণ্ডে, আর কোন কোন ক্ষেত্রের লোকজনের সঙ্গে নিয়োগ দুর্নীতির কালো টাকার লেনদেন হয়েছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ। 

  • Bonny Sengupta: কুন্তলের টাকায় দামী গাড়ি কিনেছিলেন! ইডিকে কী বললেন টলি অভিনেতা বনি?

    Bonny Sengupta: কুন্তলের টাকায় দামী গাড়ি কিনেছিলেন! ইডিকে কী বললেন টলি অভিনেতা বনি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিয়োগ দুর্নীতি কাণ্ডে এবারে যুক্ত হয়েছে টলিউডের অভিনেতা বনি সেনগুপ্তর (Bonny Sengupta) নাম। তবে এখানেই শেষ নয়, এর পরই এক চাঞ্চল্যকর তথ্য এল প্রকাশ্যে। অভিযোগ, বনিকে নাকি লক্ষ লক্ষ টাকা দিয়েছিলেন কুন্তল। তাঁর ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের মাধ্যমেই হয়েছিল সেই লেনদেন। আজ ইডি দফতরে জেরার মাঝে বিরতির সময়ে সংবাদমাধ্যমের সামনে খোদ বনি স্বীকার করে বলেন, “উনি (কুন্তল) আমাকে একবারই (টাকা) দিয়েছিলেন। পাঁচ বছর আগে একটি গাড়ি কিনেছিলাম আমি। উনি আমাকে টাকা দিয়ে সাহায্য করেছিলেন।” কত টাকা দিয়েছিলেন কুন্তল? প্রশ্ন করা হলে ও তাঁকে ৩৫- ৪০ লক্ষ টাকা বলাতে তিনি বলেন, “ওই রকমই।”

    কুন্তল ও বনির মধ্যে টাকার লেনদেন!

    নিয়োগ দুর্নীতি কাণ্ডে বনি সেনগুপ্তকে (Bonny Sengupta) শুক্রবার তলব করেছিল ইডি। কিন্তু একদিন আগেই ইডি দফতরে পৌঁছে যান তিনি। এর পর দীর্ঘ ৪ ঘণ্টা জেরার পর দুপুরে মধ্যাহ্নভোজের বিরতি চলাকালীন তিনি বাইরে বেরোন। সেখানেই উপস্থিত সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি দাঁড়িয়ে কুন্তলের সঙ্গে তাঁর পাঁচ বছরের সম্পর্কের কথা স্বীকার করে বলেন, “২০১৭ সালে আমার কুন্তল ঘোষের সঙ্গে আলাপ হয়। কিছু ইভেন্ট এবং অনুষ্ঠানের জন্য অর্গানাইজার মারফত পরিচয় হয় তাঁর সঙ্গে। আমি ওনার জন্য ২২ থেকে ২৫টি ইভেন্ট করেছিলাম। সেই বাবদ পারিশ্রমিক হিসেবে ৩৫ থেকে ৪০ লাখ টাকা নিই।” তিনি বলে দেন, “যে টাকা নিয়েছি, তার সমস্ত কাগজপত্র আমার কাছে আছে। আমি দিয়ে দিয়েছি। তাছাড়া যে অর্থ নিয়েছি, তার বদলে কাজও করেছি। তাই ওই টাকাকে আমার পারিশ্রমিকই বলা যেতে পারে।” এছাড়াও তিনি জানিয়েছেন কুন্তলের থেকে সেই টাকা ব্যাঙ্কেই নিয়েছিলেন ও যেই গাড়িটি কিনেছিলেন ওই টাকায়, সেটি বিক্রিও করে দিয়েছেন বনি।

    বনি (Bonny Sengupta) আরও জানান, কুন্তল পরে টলিউডে সিনেমা প্রযোজনা করবেন বলে জানালে, তাতে অভিনয় করবেন বলে প্রতিশ্রুতিও দিয়েছিলেন বনি। যদিও তিনি জানিয়েছেন, পরে সেই ছবি প্রযোজনার পরিকল্পনা বাতিল করে দেন কুন্তল।

    আরও পড়ুন: বনি আমার সঙ্গে পাঁচ বছর কাজ করেছে! অভিনেতা সম্পর্কে বিস্ফোরক কুন্তল ঘোষ

    প্রশ্নের মুখে বনি-কৌশানির প্রোডাকশন হাউজ

    প্রসঙ্গত, কিছুদিন আগেই নতুন প্রোডাকশন হাউস বিকে এন্টারটেইনমেন্ট খুলেছেন অভিনেতা বনি সেনগুপ্ত (Bonny Sengupta) এবং তাঁর বান্ধবী কৌশানি মুখোপাধ্যায়। নিয়োগ দুর্নীতি কাণ্ডে বনির কাছে ইডি-র তলব আসার পর থেকেই সেই প্রোডাকশন সংস্থা নিয়ে টলিউডের অন্দরে উঠতে শুরু করেছে একাধিক প্রশ্ন। এদিন এবিষয়ে বনিকে জিজ্ঞাসা করা হলে, সাংবাদিকের প্রশ্নের উত্তরে বনি জানিয়েছেন, ২০১৯ সালেই শেষ বার তাঁর সঙ্গে কথা হয়েছিল কুন্তলের। তার পরে আর কোনও যোগাযোগ হয়নি। এছাড়াও প্রশ্ন উঠেই যাচ্ছে যে, নিয়ো দুর্নীতির টাকা কি টলিউডেও ব্যবহার করা হয়েছে?

    এদিন বনি (Bonny Sengupta) বিরতির সময়ে সংবাদমাধ্যমে কথা বলেন। ফলে বিরতি শেষ হলে আবার সিজিও কমপ্লেক্সেই ফিরে যান ও ইডির মুখোমুখি হন। তবে আজকের জেরা শেষে পরে তাঁকে আবার আসতে বলা হবে কি না, সে বিষয়ে স্পষ্ট কিছুই জানা যায়নি।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: “২ মাস ছিলেন বিজেপিতে, এখন আর নেই”, বনি প্রসঙ্গে বললেন শুভেন্দু

    Suvendu Adhikari: “২ মাস ছিলেন বিজেপিতে, এখন আর নেই”, বনি প্রসঙ্গে বললেন শুভেন্দু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবারে নিয়োগ দুর্নীতি কাণ্ডে নাম জড়াল টলি অভিনেতা বনি সেনগুপ্তর (Bonny Sengupta)। চলতি সপ্তাহেই তাঁকে তলব করেছিল ইডি। তবে তলবের একদিন আগেই হাজিরা দিলেন তিনি। তলব করা হয়েছিল শুক্রবার। তার একদিন আগেই ইডির দফতরে হাজির হলেন বাংলা সিনেমার অভিনেতা বনি সেনগুপ্ত। তলবে সাড়া দিয়ে বৃহস্পতিবার দুপুরেই তিনি পৌঁছলেন সল্টলেকের সিজিও কমপ্লেক্সে ইডির দফতরে। আর বনির প্রসঙ্গে বলতে গিয়েই বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) সাফ জানালেন, ভোটের সময় বিজেপিতে এসেছিলেন বনি সেনগুপ্ত। গত দুবছর পার্টির সঙ্গে কোনও সম্পর্ক নেই তাঁর। তিনি যদি টাকা নিয়ে থাকেন, তাহলে তাঁকেই এটা দেখতে হবে। এরসঙ্গে বিজেপির কোনও সম্পর্ক নেই।

    কী সম্পর্ক রয়েছে বিজেপির সঙ্গে বনির?

    ২০২১-এ রাজ্যের ‘হাই ভোল্টেজ’ বিধানসভা নির্বাচনের আগে টলিপাড়ার অনেক অভিনেতা-অভিনেত্রীকে রাজনৈতিক দলের পতাকা হাতে নিয়ে দেখা গিয়েছিল। তাঁদের মধ্যে অন্যতম বনি সেনগুপ্ত (Bonny Sengupta)। মা পিয়া সেনগুপ্ত তৃণমূলের সদস্য হওয়া সত্ত্বেও বিজেপির দলীয় কার্যালয়ে গিয়ে গেরুয়া শিবিরে নাম লিখিয়েছিলেন বনি। উল্লেখ্য, ২০২১-এ বিজেপিতে যোগ দেওয়া বনি, দলের সঙ্গে সম্পর্ক ত্যাগ করার কথা তিনি নিজেই জানিয়েছিলেন ২০২২-সালেই। তাঁর বক্তব্য ছিল, প্রতিশ্রুতি পূরণে ব্যর্থ হয়েছে বিজেপি, তাই এক বছরেই মোহভঙ্গ। এবারে বিজেপির সঙ্গে অভিনেতার আর কোনও সম্পর্ক নেই বলে জানালেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীও (Suvendu Adhikari) ।

    আরও পড়ুন: নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় বিপাকে অভিনেতা বনি সেনগুপ্ত, তলবের একদিন আগেই ইডি দফতরে হাজিরা

    বিরোধী দলনেতা কী বললেন?

    এদিন যখন সকাল ১০ টা ১০ মিনিটে সিজিও কমপ্লেক্সে পৌঁছেও গিয়েছেন বনি, অন্যদিকে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীকে (Suvendu Adhikari) সংবাদমাধ্যমে বনিকে নিয়ে জিজ্ঞেস করা হলে তিনি বলেন, “বনি যদি টাকা নিয়ে থাকেন তাহলে তাকেই ব্যক্তিগতভাবে তার জবাব দিতে হবে। বিজেপি এইসব ‘অ্যালাউ’ করে না। ভোটের সময় ওরকম অনেক তারকারাই দলে যোগ দেন। ২ মাস ছিলেন বিজেপিতে, এখন আর নেই।”

    প্রসঙ্গত, নিয়োগ দুর্নীতি কাণ্ডে অভিযুক্ত হুগলির তৃণমূল যুব নেতা কুন্তল ঘোষের দেওয়া নথিতে বনি সেনগুপ্তের নামও রয়েছে। সে বিষয় নিয়েই জিজ্ঞাসাবাদ করতে বনিকে ডেকে পাঠিয়েছেন ইডি আধিকারিকরা। বনির কয়েকজন এজেন্টকেও তলব করা হয়েছে বলে খবর।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • TET Scam: ‘সঠিক পদ্ধতিতে’ অ্যাপ্টিটিউড টেস্ট হয়নি, স্বীকারোক্তি ইন্টারভিউয়ারদের, প্রকাশ্যে এল বয়ানের নথি

    TET Scam: ‘সঠিক পদ্ধতিতে’ অ্যাপ্টিটিউড টেস্ট হয়নি, স্বীকারোক্তি ইন্টারভিউয়ারদের, প্রকাশ্যে এল বয়ানের নথি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: একদিন আগেই এক নজিরবিহীন পদক্ষেপ নিতে দেখা যায় বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়কে। প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতিতে পরীক্ষার মুখে পড়তে হয় খোদ পরীক্ষকদেরই। বন্ধ ঘরে ইন্টারভিউয়ারদের গোপন বয়ান নিয়েছিলেন বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়। প্রার্থীরা আগেই অভিযোগ করেছিলেন যে, নিয়োগ প্রক্রিয়ার অ্যাপ্টিটিউড পরীক্ষা নেওয়া হয়নি, পদ্ধতি মেনে করা হয়নি। আর এই অভিযোগই এবারে মেনে নিলেন ইন্টারভিউয়াররা। হাইকোর্টে রুদ্ধদ্বার শুনানির সময় তাঁরা স্বীকার করে নিলেন, প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা (টেট)-র অ্যাপ্টিটিউড টেস্ট ‘সঠিক পদ্ধতি’ মেনে হয়নি। সেই মর্মে নথিতেও সই করেছেন তাঁরা। সেই নথি প্রকাশ করলেন মামলাকারী প্রার্থীদের আইনজীবী।

    বয়ানে কী কী জানিয়েছেন ইন্টারভিউয়াররা?

    অভিযোগের ভিত্তিতেই তিন জেলার ৩০ জন ইন্টারভিউয়ারকে ডেকে গত বুধবার রুদ্ধদ্বার শুনানি করেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। সেখানেই ২৫ জন ইন্টারভিউয়ার স্বীকার করেন, ‘সঠিক পদ্ধতিতে’ অ্যাপ্টিটিউড টেস্ট হয়নি। অনেক প্রার্থীর কোনও অ্যাপ্টিটিউড টেস্টই নেওয়া হয়নি। আর এই বয়ানে নিজেরাই সই করেছেন ও সেই নথি প্রকাশ্যে এনেছেন মামলাকারীদের আইনজীবী তরুণজ্যোতি তিওয়ারি। সেই নথিতে দেখা গিয়েছে, এক পরীক্ষককে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল, কে তাঁকে ইন্টারভিউ নিতে বলেছিলেন। সেই প্রশ্নের উত্তরে ইন্টারভিউয়ার জানান, কাউন্সিল অফিসের একজন তাঁর স্কুলে এসেছিলেন ও স্কুলের প্রধান শিক্ষকের সঙ্গে কথা বলার পর তাঁকে বলা হয়েছিল ইন্টারভিউ নিতে। তিনি অ্যাপ্টিটিউড টেস্টের জন্য কোন প্রশ্ন জিজ্ঞেস করেছিলেন কিনা তা জিজ্ঞেস করা হলে তিনি বলেন, এমন কোনও নির্দেশিকা দেওয়া হয়নি ওই টেস্ট নেওয়ার জন্য।

    অন্য একজন বলেন, বোর্ডের তরফ থেকেও আলাদা করে অ্যাপ্টিটিউড টেস্ট নেওয়ার জন্য বলা হয়নি। ফলে তাঁরা এই টেস্টে কত নম্বর রয়েছে, তাও জানতেন না। তাঁদের শুধুমাত্র ইন্টারভিউ নিতে বলা হয়েছিল। এক ইন্টারভিউয়ার জানিয়েছেন, অ্যাপ্টিটিউড পরীক্ষা নেওয়ার জন্য আলাদা কোনও জায়গা তাঁদের দেওয়া হয়নি। যে জায়গায় ইন্টারভিউ হয়েছিল, সেখানে কোনও চক বা ব্ল্যাকবোর্ড ছিল না। ফলে সে দিন বিচারপতিকে ঠিক কী জানিয়েছিলেন ইন্টারভিউয়াররা, সেই বয়ানের নথিই এবারে সামনে এল।

    মামলাকারীর আইনজীবী কী জানিয়েছেন?

    মামলাকারীদের আইনজীবী তরুণজ্যোতি তিওয়ারি ফেসবুকে এক পোস্টের মাধ্যমে জানিয়েছেন, প্রাথমিক নিয়োগ প্রক্রিয়ায় কোনরকম অ্যাপ্টিটিউড টেস্ট হয়নি। ২০১৪ থেকে প্রাথমিক নিয়োগ প্রক্রিয়া ২০১৬ তে ৪২ হাজার ৫০০ নিয়োগ হয়েছিল। তার মধ্যে ৩২ হাজারের বেশি নন-ট্রেনড প্রার্থীর নিয়োগ হয়েছিল তাঁদের অ্যাকাডেমিকস, টেট স্কোর, ভাইভা ও অ্যাপ্টিটিউড টেস্ট-এর ভিত্তিতে। প্রায় পঁচিশ হাজার জন চাকরি পেয়েছিলেন, যাদের অ্যাকাডেমিক স্কোর ১৪ বা তার নিচে কিন্তু তাঁদের ভাইভা ও অ্যাপ্টিটিউড টেস্টে ৭ থেকে ১০ নম্বর দেওয়া হয়েছিল। আবার ৫২১৬ জনের অ্যাকাডেমিক স্কোর ১৩-এর থেকেও কম, তাঁরা আবার অ্যাপ্টিটিউডে বিশাল নম্বর পেয়েছেন। পুরো রাজ্যে ৮২৪ জন আছেন যাঁদের সব মিলিয়ে স্কোর ১৩ থেকেও কম।

    ফলে আইনজীবী তরুণজ্যোতি তিওয়ারির প্রশ্ন, “যেই পরীক্ষাটা হয়নি সেই পরীক্ষায় কেউ তিন থেকে পাঁচ কিভাবে পায়? সবার তো একই নম্বর পাওয়ার কথা ছিল যখন পরীক্ষা হয়নি। কোন অনুপ্রেরণায় অনুপ্রাণিত হয়ে এই নম্বর দেওয়া হয়েছিল?” তাঁর আরও অভিযোগ, কোনরকম রিজার্ভেশন রোস্টার মানা হয়নি এই প্রক্রিয়াতে। নিয়োগ প্রক্রিয়ার সমস্ত কিছু প্রকাশ্যে আনতেই কিছু ইন্টারভিউয়ারের বয়ান সামনে এনেছেন। তিনি আরও বলেছেন, “সবে মাত্র একটা দিকের কথা বললাম বাকি দিকগুলো আস্তে আস্তে জানাবো।”

    [fb]https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=pfbid0m3Cm7Jduzt6tgcYZEAfq3h33Tdx9SvMsH9xRxUTUuPnF5LLxUmSVRMK7ZCcuMe1Fl&id=100052069800604&sfnsn=wiwspwa&mibextid=RUbZ1f[/fb]

  • TET Scam: সিবিআই ও ইডির কাছে মুখ খোলার জের! জেলেই কুন্তলকে হুমকি-ধমক পার্থ ও মানিকের

    TET Scam: সিবিআই ও ইডির কাছে মুখ খোলার জের! জেলেই কুন্তলকে হুমকি-ধমক পার্থ ও মানিকের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবারে জেলেই পার্থ ও মানিকের থেকে ‘ধমক’ খেতে হল কুন্তল ঘোষকে। “আমাদের নাম ইডিকে বলেছ কেন? আগে জেরার সময় নিশ্চয়ই সিবিআইকেও জানিয়েছ আমাদের নাম।” জেলে কুন্তলকে রীতিমত বকাবকি পার্থর। ধমক দিয়েছেন মানিকও। এমনটাই সিবিআই আধিকারিকদের জানিয়েছেন নিয়োগ দুর্নীতিতে গ্রেফতার কুন্তল ঘোষ। এমনকী এই বিষয়টি ইডির আধিকারিকদেরও বলেছেন কুন্তল। ফলে তিনি এখন আশঙ্কায় রয়েছেন যে, তাঁর ফের জেল হেফাজত হলে তাঁকে আবার প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রীর থেকে ধমক শুনতে হবে।

    পার্থ ও মানিকের বিষয়ে কী কী জানিয়েছিলেন কুন্তল?

    শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতিতে ইডির হাতে গ্রেফতার যুব তৃণমূল নেতা কুন্তল ঘোষ। এর পর তাঁকে সিবিআই হেফাজতে নেওয়া হয়। ইডি জেরার মুখেই কুন্তল জানিয়েছিলেন যে, কীভাবে দফায়-দফায় কুন্তল কোটি-কোটি টাকা পার্থ চট্টোপাধ‌্যায়ের কাছে পৌঁছে দিয়েছেন। এসএসসি দুর্নীতি টাকায় কুন্তল বেনামে যে শতাধিক গাড়ি কিনেছিলেন, তার মধ্যে অনেকগুলিই পার্থকে দেন তিনি। ফলে পার্থ চট্টোপাধ‌্যায়ের সঙ্গে  তাঁর যোগাযোগের বিষয়টি স্বীকার করেন কুন্তল।

    এরপর মানিকের সঙ্গেও কুন্তলের যোগাযোগ ছিল তাও স্বীকার করে নেয় কুন্তল। টেট পরীক্ষার বহু প্রার্থীর কাছ থেকে টাকা তুলেছিলেন কুন্তল ঘোষ, সেই টাকার একটি বড় অংশ মানিক ভট্টাচার্যের কাছেই যে গিয়েছে, সেই ইঙ্গিতও দিয়েছিলেন যুব তৃণমূল নেতা।

    পার্থ ও মানিকের ‘হুমকি’ ও ‘ধমক’

    কুন্তলের এই স্বীকারোক্তির বিষয়ে মানিক ও পার্থ জানতেই জেলেই কুন্তলকে হুমকি দিতে ছাড়েননি তাঁরা। সূত্রের খবর, পার্থবাবু প্রত্যেকদিনই প্রেসিডেন্সি জেলে তাঁর সেলের সামনে হাঁটাহাঁটি করেন। তাঁর সেলের কাছ দিয়ে অন‌্যান‌্য বন্দিরাও যাতায়াত করেন। কারা সূত্রে জানা গিয়েছে, সিবিআই কুন্তলকে হেফাজতে নেওয়ার আগে ইডির মামলায় জেলবন্দি কুন্তল তাঁর ওয়ার্ড থেকে পার্থবাবুর সেলের কাছ দিয়ে যাচ্ছিলেন। তখনই পার্থবাবু দেখতে পেয়ে তাঁকে ডাকেন। তখনই তাঁকে বকাবকি করতে শুরু করেন পার্থ চট্টোপাধ‌্যায়। তিনি রীতিমত হুমকি দিয়ে কুন্তলকে বলেন, কেন তিনি তাঁর নাম ইডি-র কাছে বলেছেন?  

    আবার এই ঘটনার দু’একদিনের মধ্যেই প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের প্রাক্তন সভাপতি মানিক ভট্টাচার্যের সামনে পড়ে যান কুন্তল। ফলে কুন্তলকে ধমক ও হুমকি দেন মানিকও। বিষয়টি এমন জায়গায় পৌঁছয় যে, জেলের মধ্যে রীতিমত আতঙ্কে ভুগতে শুরু করেন কুন্তল ঘোষ। ফলে কুন্তলের আশঙ্কা যে, তাঁর ফের জেল হেফাজত হলে তাঁকে আবার পার্থ ও মানিকের হুমকির মুখোমুখি পড়তে হবে। ফলে ফের যাতে তাঁকে হুমকির মুখে পড়তে না হয় সেই ব‌্যাপারে নজরদারি রাখা হবে বলে জানিয়েছে কারা কর্তৃপক্ষ।

  • SSC Scam: ‘‘নিজেকে শুদ্ধ করার জন্য যেভাবে কাজ করা দরকার সেটা করুন’’! কমিশনকে বিচারপতি

    SSC Scam: ‘‘নিজেকে শুদ্ধ করার জন্য যেভাবে কাজ করা দরকার সেটা করুন’’! কমিশনকে বিচারপতি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: একবার যে দস্যু রত্নাকর থেকে বাল্মীকি হবে সে আর রত্নাকরের রূপে ফেরত যাবে না, অভিমত হাইকোর্টের বিচারপতি বিশ্বজিৎ বসুর। ‘দস্যু রত্নাকর, বাল্মীকি হয়েছেন, কিন্তু বাল্মীকি যদি রত্নাকর হয় তাহলে? আদালতে মন্তব্য নবম-দশমের ৯৫২ জন শিক্ষকের একাংশের। এই মন্তব্যের প্রেক্ষিতেই এই অভিমত জানান বিচারপতি বসু।

    নবম-দশমের নিয়োগ মামলায় ৯৫২ জন শিক্ষকের বিরুদ্ধে ওএমআর শিট বা উত্তরপত্রে কারচুপি করে বেআইনি ভাবে চাকরি নেওয়ার অভিযোগ উঠেছিল। সেই মামলারই শুনানি চলছিল বিচারপতি বসুর একক বেঞ্চে। বিচারপতি এর আগে এসএসসিকে নিজেদের ক্ষমতা প্রয়োগ করে এঁদের মধ্যে ৮০৫ জনকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করতে বলেছিলেন। এসএসসি সেই নির্দেশ পালন করার প্রক্রিয়া শুরুও করেছিল। কিন্তু তার আগেই অভিযুক্ত চাকরিপ্রার্থীরা বিচারপতি বসুর নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে কলকাতা হাই কোর্টের ডিভিশন বেঞ্চে যান। তবে ডিভিশন বেঞ্চ মামলায় স্থগিতাদেশ দেয়নি। নবম-দশমের নিয়োগ মামলায় বিচারপতি সুব্রত তালুকদার এবং বিচারপতি সুপ্রতিম ভট্টাচার্যের ডিভিশন বেঞ্চে শুনানি শেষ হলেও এখনও রায় ঘোষণা হয়নি। 

    বিচারপতি যা বললেন

    বুধবার এসএসসির আইনজীবীর উদ্দেশে বিচারপতি বসু বলেন, ‘‘মনে রাখবেন, এসএসসি যে পরিজনদের ত্যাগ করেছেন, তাঁরা এখন জেলে। তারা এখন সিবিআই – ইডির হেফাজতে রয়েছে। ’’ এসএসসির পাশাপাশি, অভিযুক্ত শিক্ষকদের নিয়েও মন্তব্য করেন বিচারপতি। ৯৫২ জন শিক্ষকদের একাংশের উদ্দেশে বিচারপতি বলেন, ‘‘এই দুর্নীতিতে আপনাদের কী ভূমিকা সেটা দেখুন। অন্যায় যে করে আর অন্যায় যে সহে, তারা দুজনেই সমান অপরাধী।’’  কমিশনকে উদ্দেশ করে বিচারপতি বসু আরও বলেন,  ‘আপনি এখন বাল্মীকি, নিজেকে শুদ্ধ করার জন্য যেভাবে কাজ করার দরকার সেটা করুন।’  বুধবার এই মামলার শুনানি আগামী ১ মার্চ পর্যন্ত পিছিয়ে দেন বিচারপতি বসু।

    আরও পড়ুন: অ্যাপ্টিটিউড টেস্ট কীভাবে নিতে হয় জানতেন না টেট পরীক্ষকরাই! মন্তব্যে ‘বিস্মিত’ বিচারপতি

    অন্যদিকে বিকৃত ৯৫২ ওএমআর শিটে নাম বেরোয় সোনারপুর পৌরসভার একজন কাউন্সিলরের। তিনি নিজের সম্মানহানি হয়েছে এই অভিযোগ নিয়ে কলকাতা হাইকোর্টে মামলা করেন। শুনানির জন্য উঠেছে তার মামলাটিও।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • TET Scam: অ্যাপ্টিটিউড টেস্ট কীভাবে নিতে হয় জানতেন না টেট পরীক্ষকরাই! মন্তব্যে ‘বিস্মিত’ বিচারপতি

    TET Scam: অ্যাপ্টিটিউড টেস্ট কীভাবে নিতে হয় জানতেন না টেট পরীক্ষকরাই! মন্তব্যে ‘বিস্মিত’ বিচারপতি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নজিরবিহীন পদক্ষেপ বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের। প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতিতে এবার পরীক্ষার মুখে খোদ পরীক্ষকরাই। বন্ধ ঘরে ইন্টারভিউয়ারদের গোপন বয়ান নিলেন বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়। আর এই পরীক্ষকদের জিজ্ঞাসা করতেই বেরিয়ে এল আরও এক আশ্চর্যকর তথ্য। টেট পরীক্ষার অ্যাপ্টিটিউড টেস্ট নেওয়া সেই পরীক্ষকদের একাংশ জানালেন, তাঁদের অনেকে জানতেনই না অ্যাপ্টিটিউড টেস্ট কী ভাবে নিতে হয়। আর এমনকী পরীক্ষকদের মধ্যে একজন বিচারপতিকে বলেছেন, বাংলায় কথা বলতে, ইংরেজি বুঝতে পারবেন না। ফলে খোদ পরীক্ষকদের এমন পরিস্থিতি দেখে প্রাথমিকে নিয়োগ নিয়ে প্রশ্ন উঠে গেল।

    কী ঘটেছিল?

    ২০১৪-এর টেটের প্রেক্ষিতে ২০১৬ সালে নিয়োগপ্রক্রিয়া সংগঠিত হয়েছিল। অভিযোগ, প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগের সময় প্রার্থীদের প্রয়োজনীয় অ্যাপ্টিটিউড টেস্ট নেওয়া হয়নি। নিয়োগের পরীক্ষায় অ্যাপ্টিটিউড টেস্টে নিয়ম না মানার অভিযোগ করেছিলেন চাকরিপ্রার্থীরা। সেই প্রেক্ষিতে এবার হুগলি, হাওড়া, উত্তর দিনাজপুর, কোচবিহার এবং মুর্শিদাবাদের ইন্টারভিউয়ারদের তলব করেন বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়। কলকাতা হাইকোর্টের পর্যবেক্ষণ ছিল, পর্ষদের হলফনামা থেকে এটা স্পষ্ট যে প্রাথমিকের ২০১৬-র নিয়োগপ্রক্রিয়ায় কোনও অ্যাপ্টিটিউড টেস্ট হয়নি। ৪০ জনের সঙ্গে গতকাল জিজ্ঞাসাবাদ হওয়ার কথা থাকলেও এই জিজ্ঞাসাবাদ পর্বে উপস্থিত ছিলেন না হাওড়ার ইন্টারভিউয়াররা। ফলে মোট ৩০ জনকে জিজ্ঞাসা করেছিলেন বিচারপতি।

    পরীক্ষকদের কথা শুনে ‘স্তম্ভিত’ বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়

    গতকাল এজলাসে নয়, হাইকোর্টের সার্ধশতবর্ষ ভবনের একটি ঘরে পরীক্ষকদের সঙ্গে কথা বলেন বিচারপতি। ১১টা ৪৫ থেকে শুরু হয় সেই প্রক্রিয়া। পরীক্ষকদের আশ্বস্ত করে বিচারপতি জানান, সামান্য কিছু প্রশ্ন করা হবে। এরপর নাম ডেকে একে একে ওই পরীক্ষকদের ঘরে ডাকা হয়। তাঁদের সঙ্গে একান্তে কথা বলেন বিচারপতি।

    আইনজীবী সূত্রে খবর, বন্ধ ঘরে উপস্থিত ইন্টারভিউয়ারদের প্রথমেই বিচারপতি অভয় দিয়ে বলেন, “আপনাদের কোনও ভয় নেই। ভয় পাওয়ার কোনও কারণ নেই। যা সত্যি তা আমায় জানাবেন। তবে বিচারকক্ষের বাইরে এ নিয়ে কোনও কথা বলবেন না।” এর পর সেখানেই কেউ কেউ বিচারপতিকে জানান, অ্যাপ্টিটিউড পরীক্ষা নেওয়ার পদ্ধতি সম্পর্কে অবহিত ছিলেন না তাঁরা। এই পরীক্ষা কী, কীভাবে নিতে হয়, তা কিছুই জানতেন না তাঁরা। আবার তাঁদের কারও কারও ‘জ্ঞানের দৌড়’ দেখেও বিস্মিত বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়। খবর মিলছে, এই ‘পরীক্ষক’-দের একজন নাকি জেরার শুরুতেই আর্জি জানান “বাংলায় বলুন সার! ইংরেজি বুঝতে পারব না।” যা শুনে স্তম্ভিত বিচারপতি।

    ফলে যাঁরা পরবর্তীতে শিক্ষক হতে চলেছেন, তাঁদেরই পরীক্ষা নিতে পারেননি এই ইন্টারভিউয়ার বা পরীক্ষকরা। ফলে তাঁদের যোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন করেছে বিচারপতি। এমনকী প্রাথমিকে ৪২ হাজার ৫০০ শিক্ষক নিয়োগ নিয়েই ফের প্রশ্ন উঠে যাচ্ছে। আদালত সূত্রে খবর, এই মামলার পরবর্তী শুনানি ২৪ ফেব্রুয়ারি। তবে সে দিন আর রুদ্ধদ্বার শুনানি নয়। নিজের এজলাসেই মামলাটি শুনবেন বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়।

  • Recruitment Scam: আদালতে তোলা হল তৃণমূল যুব নেতা শাহিদ ইমামকে, গোপন জবানবন্দি দেবেন ‘মহারাজ’?

    Recruitment Scam: আদালতে তোলা হল তৃণমূল যুব নেতা শাহিদ ইমামকে, গোপন জবানবন্দি দেবেন ‘মহারাজ’?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতিতে গত শুক্রবার গ্রেফতার হয়েছেন আরামবাগের যুব তৃণমূল নেতা শাহিদ ইমাম ও তাঁর ভাই শেখ আলি। আজ, সোমবার হেফাজতের মেয়াদ শেষে সেই শাহিদ ইমামকে আদালতে পেশ করল সিবিআই। সিবিআই সূত্রে খবর, নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় এই প্রথমবার কেউ গোপন জবানবন্দি দিতে পারেন। ফলে এখন প্রশ্ন উঠছে, সিবিআইয়ের কাছে কি তিনি ফাঁস করে দেবেন প্রভাবশালীদের নাম? এবারে কি তবে দুর্নীতিচক্রের মূল পাণ্ডাদের হদিশ পাবেন কেন্দ্রীয় তদন্তকারীরা?

    গোপন জবানবন্দি দেবেন শাহিদ ইমাম!

    শুক্রবার শাহিদ-সহ অন্য অভিযুক্তদের সিবিআই হেফাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন বিচারক। কিন্তু, শনিবারই ফের শাহিদ ইমামকে আদালতে তোলে সিবিআই। সিবিআই  জানায়, তাঁকে আর হেফাজতে রাখার প্রয়োজন নেই। তখন থেকেই প্রশ্ন উঠছে যে, তবে কি সাক্ষী হিসেবে শাহিদের গোপন জবানবন্দি নিতে চাইছে সিবিআই? কারণ, নিয়ম অনুযায়ী, কোনও সাক্ষীর গোপন জবানবন্দি নিতে গেলে তাঁকে অন্য অভিযুক্তদের থেকে আলাদা রাখতে হয়। তাই কি শাহিদকে আর হেফাজতে রাখতে চায়নি সিবিআই? এর পর আজ ইমামকে আদালতে তোলা হয়েছে।

    অন্যদিকে আদালতে সিবিআই জানিয়েছে, চাকরি বিক্রির নামে ৬ কোটি ৭০ লক্ষ টাকা তুলেছেন এই তৃণমূল নেতা। সেই টাকা গেল কোথায় তা জানতে তদন্ত শুরু করেছেন গোয়েন্দারা। এরপরেই সিবিআই আদালতে জানিয়েছে শাহিদ ইমাম গোপন জবানবন্দি দিতে চান।

    ইমামের প্রাসাদ ঘিরে শুরু তুমুল চর্চা

    আরামবাগ মহকুমা সহ হুগলির বিস্তীর্ণ এলাকায় তিনি পরিচিত ‘মহারাজ’ নামেই। নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় মহারাজ যখন সিবিআই হেফাজতে, তখন তাঁর নির্মীয়মাণ প্রাসাদ ঘিরে শুরু হয়েছে চর্চা। আরামবাগ পুরসভার ১৭ নম্বর ওয়ার্ডে তৈরি হয়েছে একটি প্রাসাদের মত বাড়ি। সেটির মালিক শাহিদ ইমামই। এই  ‘মহারাজ’-এর অট্টালিকার ছাদে বিশেষ কিছু তৈরি করার পরিকল্পনা হচ্ছিল। তাই ছাদের উপরে ছিল বিশেষ নকশা। জানা গিয়েছে, শাহিদ ইমামের নির্মীয়মাণ বাড়ির ছাদে হেলিকপ্টার তৈরির পরিকল্পনা ছিল। এমনকী বাড়ির ভিতরে রয়েছে ঘোরানো সিঁড়িও। ফলে তাঁর এই বিশাল অট্টালিকা দেখে শোরগোল পড়ে গিয়েছে।

    প্রসঙ্গত, মহারাজ আরামবাগ মহকুমায় দীর্ঘদিনের তৃণমূল নেতা। টিএমসিপি থেকে যুব তৃণমূলের নেতা হয়ে ক্রমশ তাঁর প্রতিপত্তি বেড়েছে বলে দাবি স্থানীয়দের। অভিনয়, দানধ্যান, সিনেমায় টাকা ঢালা থেকে নানান দিকে নিজের বিস্তার ঘটিয়েছেন কয়েক বছরে। এরপরেই তিনি যে নিয়োগ দুর্নীতিতে জড়িত রয়েছেন, এই চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে আসায় সিবিআই হেফাজতে তিনি।

    উদ্বেগে শাহিদ-ঘনিষ্ঠ নেতাদের একাংশ

    নিয়োগ দুর্নীতিতে সিবিআইয়ের হাতে ধরা পড়ার পর থেকেই চিন্তায় রয়েছেন অন্যান্য তৃণমূল নেতারাও। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ব্লক স্তরের এক তৃণমূল নেতা বলেন, “বিভিন্ন অনুষ্ঠানের জন্য শাহিদের কাছ থেকে কয়েকবার টাকা নিয়েছিলাম। সেই টাকার উৎস নিয়ে কখনও প্রশ্ন করিনি। সিবিআইয়ের তদন্তের গতিপ্রকৃতি নিয়ে কোনও ধারণা নেই। সত্যি বলতে, বেশ ভয়েই আছি।” একই রকম উদ্বেগের কথা জানিয়েছেন আরও কয়েকজন নেতা। বিভিন্ন সময়ে যাঁরা শাহিদের থেকে আর্থিক সাহায্য নিয়েছেন। আজ আদালতে পেশ করার পর কী তথ্য সামনে প্রকাশ্যে আসে তারই অপেক্ষায় রাজ্যবাসী। এছাড়াও ইমামের জবানবন্দিতে কোনও প্রভাবশালীদের নাম উঠে আসে নাকি সেটাও এখন দেখার।

  • TET Scam: পর্ষদের ওয়েবসাইটে নাম দেখিয়ে চাকরি প্রার্থীদের কাছ থেকে টাকা নিতেন কুন্তল!

    TET Scam: পর্ষদের ওয়েবসাইটে নাম দেখিয়ে চাকরি প্রার্থীদের কাছ থেকে টাকা নিতেন কুন্তল!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিয়োগ দুর্নীতির (TET Scam) অভিযোগে ইডির হাতে ধৃত কুন্তল ঘোষের (Kuntal Ghosh) বিরুদ্ধে এবার বিস্ফোরক অভিযোগ আর এক কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সিবিআইয়ের। কেন্দ্রীয় এই তদন্তকারী সংস্থা সূত্রের দাবি, প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের ওয়েবসাইটে নাম দেখিয়ে চাকরি প্রার্থীদের কাছ থেকে টাকা নিতেন কুন্তল। সিবিআইয়ের দাবি, যাঁর কাছ থেকে টাকা নেওয়া হত, তাঁকে প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের ওয়েবসাইটে নাম দেখানো হত। টাকা নিয়ে পর্ষদের ওয়েবসাইটে উত্তীর্ণ দেখানোর পরে উধাও হয়ে যেত সেই চাকরি প্রার্থীর নাম।

    সিবিআই…

    সিবিআই সূত্রে দাবি, ২০১৪ সালের টেটের (TET Scam) রেজাল্ট দেখিয়ে টাকা তুলেছেন কুন্তল। এই টেটে যাঁরা ফেল করেছিলেন, ওয়েবসাইটে দেওয়া রেজাল্টে তাঁদের পাশ বলে দেখানো হয়েছিল। সেই রেজাল্টের প্রিন্ট আউটও দেওয়া হয়েছিল। দু এক দিন পর সেই চাকরি প্রার্থী যখন পর্ষদের ওয়েবসাইটে গিয়ে নিজের রোল নম্বর দিয়ে রেজাল্ট দেখতেন, সেখানে দেখতেন, তিনি ফেল করেছেন। যদিও তার আগে ভুয়ো রেজাল্ট দেখিয়ে টাকা তুলে নিয়েছিলেন কুন্তল।

    আরও পড়ুুন: বীরভূমে জাল স্লিপ দিয়ে তোলা হচ্ছে কোটি কোটি টাকা, সিবিআই তদন্তের দাবি

    কীভাবে প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের ওয়েবসাইটে ফেল করা চাকরি প্রার্থীদের নাম আপলোড করা হত? তবে কি ভুয়ো ওয়েবসাইট খুলে চাকরিপ্রার্থীদের নাম আপলোড করে প্রতারণা করতেন কুন্তল? নাকি এটা পর্ষদের একাংশের গভীর ষড়যন্ত্রের অংশ? এসব প্রশ্নেরই উত্তর খুঁজছেন তদন্তকারীরা। নিয়োগ দুর্নীতি (TET Scam) নিয়ে কুন্তলের বিরুদ্ধে আগেও একাধিক অভিযোগ উঠেছে। এমন অভিযোগও উঠেছে, চাকরি দেওয়ার নামে কুন্তল যে টাকা তুলেছে, সেটাই প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের ঘনিষ্ঠ অর্পিতা মুখোপাধ্যায়ের বাড়িতে রাখা হত। সেই টাকাই পাওয়া গিয়েছে বলে দাবি করেছিল ইডি। 

    নিয়োগ দুর্নীতিতে মানিক ও কুন্তলের ভূমিকা বোঝাতে গিয়ে শেক্সপিয়রের ম্যাকবেথ নাটকের প্রসঙ্গ টেনেছিলেন ইডির আইনজীবী। তিনি বলেন, নিয়োগ দুর্নীতিতে মানিক ভট্টাচার্য ম্যাকবেথ আর কুন্তলের ভূমিকা ব্যাঙ্কোর মতো। যেভাবে মিলেমিশে তাঁরা এসব করেছেন, তাতে এটাই স্পষ্ট। নিয়োগ দুর্নীতির (TET Scam) শিকড় যে অনেক গভীরে, তা একাধিকবার দাবি করেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাগুলি। কুন্তলের ‘পর্ষদ’ যোগের প্রাথমিক ‘প্রমাণ’ পাওয়ায় কেন্দ্রীয় সংস্থাগুলির সেই দাবিই মান্যতা পেল বলে ধারণা ওয়াকিবহাল মহলের।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • TET Scam: অ্যাপটিটিউড টেস্ট ছাড়া নিয়োগ কীভাবে? প্রশ্ন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের

    TET Scam: অ্যাপটিটিউড টেস্ট ছাড়া নিয়োগ কীভাবে? প্রশ্ন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অ্যাপটিটিউড টেস্ট (Aptitude Test) হয়নি বলে অভিযোগ। তার পরেও দিব্যি হয়েছে নিয়োগ (TET Scam)। এ সংক্রান্ত একটি মামলায়্ সোমবার কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta High Court) বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রশ্ন, অ্যাপটিটিউড টেস্ট ছাড়া নিয়োগ কীভাবে?  ২০১৬ সালে প্রাথমিকে শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়া অ্যাপটিটিউড টেস্ট ছাড়াই হয়েছে বলে অভিযোগ ওঠে। এনিয়ে জানুয়ারি মাসে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন কয়েকজন পরীক্ষার্থী। এদিন ছিল ওই মামলার শুনানি। এর আগে বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায় পর্ষদের কাছে হলফনামা তলব করেন।

    হলফনামা…

    এদিন সেই হলফনামা জমা দেয় পর্ষদ। তার পরেই বিচারপতির প্রশ্ন, অ্যাপটিটিউড টেস্ট ছাড়া কীভাবে নিয়োগ?  দেড়-দু মিনিট সময়ের মধ্যে কীভাবে এক সঙ্গে ইন্টারভিউ ও অ্যাপটিটিউড টেস্ট হয়?  বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের পর্যবেক্ষণ, পর্ষদের হলফনামায়ও অ্যাপটিটিউড টেস্টের সংজ্ঞা অনুযায়ী, ২০১৬ সালের নিয়োগ প্রক্রিয়ায় কোনও ইন্টারভিউ (TET Scam) নেওয়াই হয়নি। এদিন পর্ষদের তরফে ওই বছর প্রাথমিক নিয়োগ প্রক্রিয়ায় ইন্টারভিউ নেওয়া শিক্ষকদের নামের তালিকা পেশ করা হয়েছে।

    আরও পড়ুুন: কেলেঙ্কারির পর্দা ফাঁস! নবম-দশমে শিক্ষক নিয়োগের জন্য নেওয়া হয়েছে ২০ লক্ষ টাকা!

    জানা গিয়েছে, ৫ হাজার ২১৬ প্রশিক্ষণহীনের চাকরি বেআইনিভাবে হয়েছে বলে অভিযোগ মামলাকারীদের। অ্যাকাডেমিক স্কোর কম, অথচ ইন্টারভিউ ও অ্যাপটিটিউড টেস্টে উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি নম্বর দিয়ে চাকরি দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ। এদিকে, এদিন পর্ষদের তরফে ইন্টারভিউ (TET Scam) নেওয়া যে শিক্ষকদের নামের তালিকা হাইকোর্টে পেশ করা হয়েছে, সেই তালিকা থেকে প্রথম পর্যায়ে হাওড়া, হুগলি, উত্তর দিনাজপুর, কোচবিহার ও মুর্শিদাবাদের শিক্ষকদের তলব করলেন বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়। ২১ ফেব্রুয়ারি দুপুর ২টোয় তাঁদের আদালতের হাজিরা দিতে হবে।

    সূত্রের খবর, ইন্টারভিউ ও অ্যাপটিটিউড টেস্ট নেওয়া শিক্ষকদের কাছ থেকে নানা তথ্য জানতে চায় আদালত। শুধু তাই নয়, গোটা প্রশ্নোত্তর পর্বই হবে রুদ্ধদ্বার শুনানিতে। ধাপে ধাপে তলব করা হবে মামলাকারী চাকরিপ্রার্থীদেরও। দূরের জেলার ওই শিক্ষকদের রাহা খরচ বাবদ পর্ষদকে দিতে হবে দু হাজার করে টাকা। আর কাছের জেলার শিক্ষকদের দিতে হবে ৫০০ টাকা করে। এদিন পর্ষদকে এই নির্দেশও দিয়েছে হাইকোর্ট।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

LinkedIn
Share