Tag: Textile Sector

  • Suvendu Adhikari: শিল্পে পিছিয়ে বাংলা, বদলের বার্তা সরকারের, বস্ত্রশিল্পে বিনিয়োগ টানতে গুচ্ছের সংস্কারের ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর

    Suvendu Adhikari: শিল্পে পিছিয়ে বাংলা, বদলের বার্তা সরকারের, বস্ত্রশিল্পে বিনিয়োগ টানতে গুচ্ছের সংস্কারের ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গের শিল্পক্ষেত্রে গত পাঁচ দশকে যে পিছিয়ে পড়ার ছবি তৈরি হয়েছে, তা বদলে রাজ্যকে নতুন শিল্পায়নের পথে নিয়ে যাওয়ার বার্তা দিলেন পালাবদলের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। বুধবার কলকাতার মিলন মেলা প্রাঙ্গণে ‘টেক্সটাইল ইন্ডাস্ট্রি কনফারেন্সে’র উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি দাবি করেন, দীর্ঘ সময় ধরে রাজ্যে শিল্পের বিকাশ বাধাগ্রস্ত হয়েছে। তবে বর্তমান সরকারের লক্ষ্য সেই পরিস্থিতি বদলে পশ্চিমবঙ্গকে বিনিয়োগের অন্যতম প্রধান গন্তব্য হিসেবে গড়ে তোলা (Industrial Investment)। ‘ডাবল ইঞ্জিন সরকারে’র হাত ধরে রাজ্য উন্নয়নের নতুন পর্বে প্রবেশ করেছে বলেও দাবি করেন তিনি।

    বিনিয়োগের আহ্বান মুখ্যমন্ত্রীর (Suvendu Adhikari)

    শিল্পপতি, উদ্যোক্তা এবং ব্যবসায়ী মহলের কাছে বাংলায় বিনিয়োগের আহ্বান জানিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, গত ৩৪ বছরের বাম শাসন এবং পরবর্তী ১৫ বছরের তৃণমূল কংগ্রেস সরকারের সময় রাজ্যে শিল্পের গতি কার্যত থমকে গিয়েছিল। এর জেরে অর্থনৈতিক অগ্রগতির একাধিক সম্ভাবনা হাতছাড়া হয়েছে বলে তাঁর অভিযোগ। তবে সেই পরিস্থিতি থেকে বেরিয়ে এসে নতুন করে শিল্পবান্ধব পরিবেশ তৈরি করতে সরকার কাজ করছে বলে জানান শুভেন্দু। মুখ্যমন্ত্রীর কথায়, “বিগত ৫০ বছরে বাংলা অনেকটাই পিছিয়ে পড়েছে। এখন ‘অমৃত কাল’ ও ডাবল ইঞ্জিন সরকারের নেতৃত্বে আমরা শিল্পবান্ধব পরিবেশ তৈরি করছি। তোলাবাজি ও মাফিয়ারাজের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি নেওয়া হয়েছে। বাংলা এখন এগোতে প্রস্তুত, তাই নির্ভয়ে এখানে বিনিয়োগ করুন।”

    অর্থনীতিতে চোখে পড়ার মতো পরিবর্তন

    শিল্পায়নের সঙ্গে আইনশৃঙ্খলার সম্পর্কের বিষয়টিও এদিন গুরুত্ব দিয়ে তুলে ধরেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর দাবি, রাজ্যে গুন্ডাগিরি, তোলাবাজি এবং অপরাধমূলক কার্যকলাপ বন্ধ করা গেলে শিল্পপতিদের মধ্যে আস্থা আরও বাড়বে। সেই আস্থা থেকেই নতুন বিনিয়োগ আসবে এবং রাজ্যে শিল্পের প্রসার ঘটবে। শিল্পবান্ধব পরিবেশ গড়ে তুলতে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির আমূল উন্নতি ঘটানো সরকারের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য বলেও জানান তিনি। আগামী এক থেকে দু’বছরের মধ্যেই রাজ্যের অর্থনীতিতে চোখে পড়ার মতো পরিবর্তন আসবে বলেও আশা প্রকাশ করেন শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর দাবি, সেই সময়ের মধ্যে পশ্চিমবঙ্গ অর্থনৈতিকভাবে আরও শক্তিশালী হয়ে উঠবে এবং বিনিয়োগকারীদের কাছে রাজ্যের আকর্ষণ উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়বে। বর্তমান সরকার মানুষের সরকার এবং নির্বাচনের আগে প্রকাশিত সংকল্পপত্রে যে প্রতিশ্রুতিগুলি দেওয়া হয়েছিল, সেগুলি বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে বলেও জানান মুখ্যমন্ত্রী।

    বিপুল কর্মসংস্থানের সুযোগ

    কেন্দ্র-রাজ্য সমন্বয়ের প্রসঙ্গও উঠে আসে তাঁর বক্তব্যে। কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামনের সঙ্গে পশ্চিমবঙ্গে বস্ত্র ও চা শিল্পের প্রসার এবং নতুন বিনিয়োগের সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা হয়েছে বলে জানান মুখ্যমন্ত্রী। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নির্দেশে রাজ্যের সর্বাঙ্গীন উন্নয়নের লক্ষ্যে সরকার কাজ করছে বলেও দাবি করেন তিনি। আগামী ২৪ থেকে ২৮ অগাস্ট কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রীর রাজ্য সফরের সময় বস্ত্রশিল্পের প্রতিনিধিদের সঙ্গে একটি বৈঠকের আয়োজন করা হবে বলেও জানান মুখ্যমন্ত্রী। ওই বৈঠকে শিল্পের সমস্যা, সম্ভাবনা এবং বিনিয়োগের সুযোগ নিয়ে সরাসরি আলোচনা হতে পারে বলেও জানান তিনি। বস্ত্রশিল্পকে কেন্দ্র করে রাজ্যে নতুন শিল্পায়নের পরিকল্পনার কথাও এদিন স্পষ্ট করেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর বক্তব্য, এই শিল্পে বিপুল কর্মসংস্থানের সুযোগ রয়েছে। পশ্চিমবঙ্গের ঐতিহ্যবাহী তাঁত, পোশাক এবং বস্ত্রশিল্পকে আধুনিক বাজারের সঙ্গে যুক্ত করে বৃহত্তর শিল্পক্ষেত্র তৈরি করাই সরকারের লক্ষ্য। সেই লক্ষ্যে প্রশাসনিক জটিলতা কমানো, দ্রুত অনুমোদন এবং বিনিয়োগকারীদের জন্য সহজতর ব্যবস্থা চালু করার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে (Industrial Investment)।

    ‘সিঙ্গেল উইন্ডো সিস্টেম’

    বিশেষ করে ১০০ কোটি টাকার বেশি বিনিয়োগের প্রকল্পগুলির ক্ষেত্রে দ্রুত অনুমোদনের ব্যবস্থা করার কথা জানান মুখ্যমন্ত্রী। বড় শিল্প প্রকল্পের জন্য বিনিয়োগকারীদের যাতে একাধিক দফতর, পুরসভা বা পঞ্চায়েতের বিভিন্ন স্তরে অনুমোদনের জন্য ঘুরতে না হয়, সেই ব্যবস্থাও করা হচ্ছে। রাজ্য সরকারের ‘সিঙ্গেল উইন্ডো সিস্টেমে’র মাধ্যমে প্রয়োজনীয় ছাড়পত্র দেওয়ার পরিকল্পনার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, শিল্পপতিদের জন্য প্রক্রিয়াটি আরও সহজ এবং সময়সাশ্রয়ী করা হবে (Suvendu Adhikari)। জমি সংক্রান্ত নীতিতেও পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। জমি ক্রয় নীতি ইতিমধ্যেই কার্যকর হয়েছে বলেও জানান রাজ্যে বিজেপি সরকারের প্রথম মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু। খুব শীঘ্রই নতুন ভূমি উন্নয়ন নীতি আনার পরিকল্পনার কথাও জানান শুভেন্দু। শিল্প স্থাপনের প্রক্রিয়া আরও সরল করতে প্রয়োজনে বিধানসভায় আইন সংশোধনের উদ্যোগ নেওয়া হবে বলেও আশ্বাস দেন তিনি। অর্থাৎ বিনিয়োগকারীদের জন্য জমি, অনুমোদন এবং প্রশাসনিক প্রক্রিয়ার জটিলতা কমিয়ে দ্রুত প্রকল্প বাস্তবায়নের পরিবেশ তৈরি করাই সরকারের অন্যতম লক্ষ্য।

    একাধিক বড় শিল্পগোষ্ঠীর বিনিয়োগ

    রাজ্যে ইতিমধ্যেই একাধিক বড় শিল্পগোষ্ঠী বিনিয়োগের সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলেও দাবি করেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর বক্তব্য, লাক্স কোজি, আমূল, শ্যাম স্টিল এবং অমিত মেটালিক্স-সহ একাধিক সংস্থা পশ্চিমবঙ্গে বিনিয়োগে আগ্রহ দেখিয়েছে বা সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ক্যাবিনেট বৈঠকের পর আগামী এক মাসের মধ্যে অন্তত ২৫ জন শিল্পপতির হাতে নতুন শিল্প প্রকল্পের জন্য জমি তুলে দেওয়ার পরিকল্পনার কথাও ঘোষণা করেন তিনি (Suvendu Adhikari)। শিল্পায়নের পাশাপাশি কর্মসংস্থান তৈরির বিষয়টিকেও সরকারের অগ্রাধিকারের তালিকায় রেখেছেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর মতে, নতুন শিল্প হলে একদিকে যেমন বিনিয়োগ বাড়বে, তেমনই সরাসরি ও পরোক্ষভাবে কর্মসংস্থানের সুযোগও তৈরি হবে। এর ফলে রাজ্যের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড আরও গতি পাবে এবং পশ্চিমবঙ্গ আর্থিকভাবে স্বনির্ভর হওয়ার পথে এগিয়ে যাবে (Industrial Investment)।

    বৃহত্তর শিল্পক্ষেত্র তৈরির আশ্বাস

    তাঁত ও বস্ত্রশিল্পের ক্ষেত্রে বাংলার ঐতিহ্যকে কাজে লাগিয়ে আধুনিক শিল্প কাঠামো গড়ে তোলার পরিকল্পনার কথাও জানান তিনি। রাজ্যের দীর্ঘদিনের তাঁতশিল্প ও পোশাক উৎপাদনকে আধুনিক প্রযুক্তি, বাজার এবং বিনিয়োগের সঙ্গে যুক্ত করে বৃহত্তর শিল্পক্ষেত্র তৈরি করা হবে বলে জানান তিনি। প্রশাসনিক সংস্কার, দ্রুত অনুমোদন, জমি নীতির পরিবর্তন এবং শিল্পবান্ধব পরিবেশ—এই চারটি বিষয়কে সামনে রেখে বস্ত্রশিল্পে নতুন বিনিয়োগের দরজা খুলতে চাইছে রাজ্য সরকার। মিলন মেলা প্রাঙ্গণে টেক্সটাইল ইন্ডাস্ট্রি কনফারেন্সের মঞ্চ থেকে তাই একই সঙ্গে তিনটি বার্তা দেওয়ার চেষ্টা করেন মুখ্যমন্ত্রী—শিল্পে বিনিয়োগ বাড়ানো, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি এবং প্রশাসনিক জটিলতা কমানো। তাঁর দাবি, এই তিন ক্ষেত্রেই পরিবর্তন আনতে পারলে পশ্চিমবঙ্গ আগামী দিনে দেশের অন্যতম আকর্ষণীয় শিল্প ও বিনিয়োগকেন্দ্র হয়ে উঠতে পারে। আগামী এক থেকে দু’বছরের মধ্যে সেই (Industrial Investment) পরিবর্তনের প্রতিফলন রাজ্যের অর্থনীতিতে দেখা যাবে বলেও আশা প্রকাশ করেন মুখ্যমন্ত্রী (Suvendu Adhikari)।

     

  • Mamata Banerjee: “মমতাই একমাত্র মুখ্যমন্ত্রী যিনি নিজের কর্মচারীদের বিরুদ্ধেই মামলা করেন”, তোপ ভূপেন্দ্রর  

    Mamata Banerjee: “মমতাই একমাত্র মুখ্যমন্ত্রী যিনি নিজের কর্মচারীদের বিরুদ্ধেই মামলা করেন”, তোপ ভূপেন্দ্রর  

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ই (Mamata Banerjee) একমাত্র মুখ্যমন্ত্রী যিনি নিজের কর্মচারীদের বিরুদ্ধেই মামলা করেন এবং লড়াই করেন।” বুধবার কথাগুলি বললেন কেন্দ্রীয়মন্ত্রী ভূপেন্দ্র যাদব। পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে কটাক্ষ করে তিনি বলেন, “ডিএ সংক্রান্ত বিষয়ে তিনি নিজের সরকারি কর্মচারীদের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে গিয়েছেন।”

    ভূপেন্দ্রর নিশানায় মমতা (Mamata Banerjee)

    কেন্দ্রীয় বাজেট প্রসঙ্গে সাংবাদিক সম্মেলনে বক্তব্য রাখতে গিয়ে মন্ত্রী বলেন, “মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ই একমাত্র মুখ্যমন্ত্রী যিনি নিজের কর্মচারীদের বিরুদ্ধেই মামলা করেন এবং লড়াই করেন। ২০ লাখ মানুষ ষষ্ঠ বেতন কমিশনের জন্য লড়াই করছেন, অথচ ইতিমধ্যেই কেন্দ্রীয় সরকারের কর্মচারীরা সপ্তম বেতন কমিশনের সুবিধা পাচ্ছেন।” তিনি বলেন, “এসআইআর বাস্তবায়নের বিরুদ্ধে তিনি লড়াই করতে গিয়েছেন, কিন্তু ডিএর ক্ষেত্রে নিজের কর্মচারীদের বিরুদ্ধেই অবস্থান নিয়েছেন। তিনি হেরে গিয়েছেন। তাই তাঁর ক্ষমা চাওয়া উচিত। তিনি নিজের কর্মচারীদের যথাযোগ্য সম্মান দিতে ব্যর্থ হয়েছেন।” কেন্দ্রীয় এই মন্ত্রী বলেন, “বাংলাদেশ থেকে ব্যাপক অনুপ্রবেশের কারণে জাতীয় নিরাপত্তা একটি বড় ইস্যু হয়ে উঠেছে এবং বন্দ্যোপাধ্যায় জাতীয় নিরাপত্তার সঙ্গে আপস করছেন।” তোষণমূলক রাজনীতির জন্যও মন্ত্রী রাজ্য সরকারকে নিশানা করেন।

    মন্ত্রী দাবি

    মন্ত্রীর দাবি (Mamata Banerjee), পশ্চিমবঙ্গে মাথাপিছু আয় কমে যাওয়ার পেছনে একাধিক কারণ রয়েছে। তাই মানুষ অন্য রাজ্যে চলে যাচ্ছেন। তিনি বলেন, “পশ্চিমবঙ্গে স্বাস্থ্য ব্যবস্থা ও শিক্ষা ব্যবস্থা ভেঙে পড়েছে। নির্বাচনের সময় রাজনৈতিক খুন ও হিংসার ঘটনা এখানে সর্বাধিক। এখানে রাজনৈতিক তোষণও সর্বাধিক।” তাঁর অভিযোগ, কেন্দ্র থেকে বরাদ্দ অর্থ রাজ্য সরকার সঠিকভাবে ব্যবহার করছে না এবং কেন্দ্রীয় প্রকল্পগুলিতে দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বলেন, “কেন্দ্রের ‘চা সুন্দরী’ প্রকল্প অসম, পশ্চিমবঙ্গ ও মেঘালয়ে চালু করা হয়েছিল। প্রতিটি রাজ্যে একটি কমিটি গঠনের কথা ছিল। কিন্তু গত চার বছরে বাংলায় তা করা হয়নি। চা বাগানের শ্রমিকদের জন্য বহু বিধান ছিল। অসম সরকার কমিটি গঠন করে ৩৭০ কোটি টাকা ব্যবহার করেছে।”

    এমএসএমই গ্রোথ ফান্ড প্রস্তাব

    যাদব বলেন, “সুরাট–ডানকুনি ফ্রেট করিডর পরিবহন ব্যয় ৩০ শতাংশ কমাবে বলে আশা করা হচ্ছে। শিলিগুড়ি–বারাণসী করিডর এবং দুর্গাপুরে উন্নয়ন সামগ্রিক লজিস্টিক দক্ষতা বাড়াবে।” তিনি জানান, ১০,০০০ কোটি টাকার এমএসএমই গ্রোথ ফান্ড প্রস্তাব করা হয়েছে। কিন্তু বর্তমান সরকারের দুর্বল প্রশাসনের কারণে বাংলা সবসময় বঞ্চিত হচ্ছে। তিনি বলেন, “মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আমলে তালিকাভুক্ত ৬,৮০০টি কোম্পানি বন্ধ হয়ে গিয়েছে বলে জানা গিয়েছে এবং এমএসএমই ক্ষেত্র ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।” মন্ত্রী উল্লেখ করেন, গ্রামীণ উন্নয়নমন্ত্রক একাই পশ্চিমবঙ্গকে (Mamata Banerjee) ১.১০ লাখ কোটি টাকা দিয়েছে, তবুও তিনি অভিযোগ করেন যে তৃণমূল সরকার দুর্বল প্রশাসনের প্রতীক।

    মনরেগা বাস্তবায়নে ত্রুটি

    তিনি বলেন, “মনরেগা বাস্তবায়নে ত্রুটি রয়েছে এবং তহবিল অপব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে। প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনার অর্থের ব্যবহার সংক্রান্ত শংসাপত্র সঠিকভাবে জমা দেওয়া হয়নি, প্রধানমন্ত্রী পোষণ যোজনায় দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে, এবং কেন্দ্র নির্ধারিত ‘দিশা’ বৈঠকগুলি রাজ্যে অনুষ্ঠিত হয়নি।” মন্ত্রী বলেন, “আয়ুষ্মান ভারত এবং পিএম-কিষানের মতো প্রকল্প পূর্ণমাত্রায় চালু হতে দেওয়া হয়নি। রাজ্য কম মূলধনী ব্যয়ে চলছে এবং আয় না বাড়িয়ে ধারাবাহিকভাবে ঋণ নিচ্ছে, ফলে পশ্চিমবঙ্গের ভবিষ্যৎ বিপন্ন হচ্ছে। এটি শুধু তৃণমূলের শেষ বাজেট নয়, বিদায়ী দলিল।” তিনি মন্তব্য করেন, “বাংলা সত্যেন্দ্রনাথ বসু ও জগদীশচন্দ্র বসুর মতো মহান বিজ্ঞানীদের ভূমি, তবুও বিজ্ঞান শিক্ষায় বরাদ্দ করা হয়নি, কিন্তু মাদ্রাসায় ৫,৭১৩.৬১ কোটি টাকা (Mamata Banerjee) বরাদ্দ করা হয়েছে।” উত্তরবঙ্গে ৩ কোটি জনসংখ্যার জন্য মাত্র ৯১০ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে (Mamata Banerjee)। মন্ত্রী বলেন, “বস্ত্রশিল্পে পশ্চিমবঙ্গের বিপুল সম্ভাবনা থাকা সত্ত্বেও রাজ্য সরকারের এই খাতে উন্নয়নের কোনও সুস্পষ্ট রোডম্যাপ নেই (Mamata Banerjee)।”

     

LinkedIn
Share