Tag: Thalassemia

Thalassemia

  • Environment: লক্ষ্য পরিবেশ বাঁচানো, টানা ৫২ দিন হেঁটে দিল্লিতে রাষ্ট্রপতির দরবারে দুর্গাপুরের দম্পতি

    Environment: লক্ষ্য পরিবেশ বাঁচানো, টানা ৫২ দিন হেঁটে দিল্লিতে রাষ্ট্রপতির দরবারে দুর্গাপুরের দম্পতি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: একদল মানুষ যখন পরিবেশ (Environment) ও প্রকৃতিকে ধ্বংস করার খেলায় মত্ত, ঠিক তখনই দুর্গাপুরের এক দম্পতি নজির সৃষ্টি করলেন। দেশ ও দশের জন্য তাঁদের উদ্বেগ এবং উৎকণ্ঠা দেখে অনেকেই মুগ্ধ। পরিবেশ রক্ষার আর্জি সরাসরি দেশের রাষ্ট্রপতির কাছে পৌঁছে দিতে তাঁদের উদ্যোগও প্রশংসনীয় বলে অনেকে মনে করছেন।

    কী উদ্যোগ নিলেন দুর্গাপুরের ওই দম্পতি?  

    দুর্গাপুর জবরপল্লির বাসিন্দা শ্রী পৃথ্বীরাজ সঞ্জয় চক্রবর্তী এবং তাঁর স্ত্রী শ্রীমতি রমা চক্রবর্তী বিগত ৫২ দিন ধরে পায়ে হেঁটে প্রায় ১৫০০ কিলোমিটার রাস্তা অতিক্রম করে দুর্গাপুর থেকে দিল্লি পৌঁছেছেন। রাষ্ট্রপতি শ্রীমতি দ্রৌপদী মুর্মুর সঙ্গে একবার দেখা করে তাঁদের আর্জি সরাসরি তাঁর কাছে পৌঁছে দেবেন, একমাত্র উদ্দেশ্য এটাই। যে মহৎ উদ্দেশে এতদূর পথ পায়ে হেঁটে তাঁরা রাষ্ট্রপতি ভবনে পৌঁছেছেন, তা হল, আমাদের এই ধরিত্রীকে (Environment) রক্ষা করা এবং তার জন্য কিছু পদক্ষেপ গ্রহণ করার অনুরোধ। 
    দুর্গাপুর থেকে তাঁরা যাত্রা শুরু করেছিলেন চলতি বছরের ২৫ জানুয়ারি। রাষ্ট্রপতিকে দেওয়া চিঠিতেই তাঁরা জানিয়েছেন, টানা ৫২ দিনে অতিক্রম করেছেন ১৫০০ কিলোমিটার পথ। 

    রাষ্ট্রপতির সঙ্গে দেখা করে কী কী আর্জি তাঁরা জানালেন?

    ছোট্ট চিঠিতে খুবই সংক্ষেপে তাঁরা যেসব আর্জি জানিয়েছেন, সেগুলি হল: “সেভ রিভার গঙ্গা”, ভারতবর্ষের লাইফলাইন এবং পবিত্রতম নদী মা গঙ্গাকে বাঁচানো। পরিবেশকে (Environment) বাঁচাতে প্রতিটি বাড়িতে, স্কুলে, রাস্তার পাশে গাছ লাগানো। মাটিকে শুদ্ধ রাখার তাগিদে বজ্র্য পদার্থকে প্রকৃত ব্যবস্থাপনা করা। বৃষ্টির জল ধরে রেখে তার সঠিক ব্যাবহারের অভ্যাস বাড়ানো। সৌরবিদ্যুৎ চালিত আলো রাস্তায় এবং ঘরে ব্যাবহারের অভ্যাস বাড়ানো। মহিলা স্বশক্তিকরণের উদ্দেশে আরও বেশি করে পদক্ষেপ গ্রহণ করা। থ্যালাসেমিয়া মুক্ত সমাজ গড়ার উদ্দেশে পদক্ষেপ গ্রহণ করা এবং যে কোনও কৃষকের মৃত্যু হলে তাঁর হাসপাতালের বিল মুকুব করা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Thalassemia Examination: সরকারি হাসপাতালের সুযোগ সুবিধা পেতে চান! গর্ভবতী হলে করাতেই হবে থ্যালেসেমিয়ার পরীক্ষা

    Thalassemia Examination: সরকারি হাসপাতালের সুযোগ সুবিধা পেতে চান! গর্ভবতী হলে করাতেই হবে থ্যালেসেমিয়ার পরীক্ষা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভবিষ্যৎ প্রজন্ম যাতে থ্যালাসেমিয়া ও সিক্‌ল সেল অ্যানিমিয়া— এই দুই রক্তের রোগে আক্রান্ত না হয়, সে বিষয়ে জোর দিল স্বাস্থ্য দফতর। নির্দেশিকা জারি করে সমস্ত স্তরের সরকারি হাসপাতালে প্রসূতিদের ওই রোগ নির্ণয়ের জন্য রক্ত পরীক্ষা বাধ্যতামূলক করা হল। গর্ভবতী হওয়ার পরে সরকারি হাসপাতালের সুযোগ সুবিধা পেতে হলে এবার থেকে থ্যালাসেমিয়া ও সিকল সেল রোগের পরীক্ষা করাতেই হবে।

    নির্দেশিকায় যা বলা হয়েছে

    স্বাস্থ্য দফতরের তরফে বলা হয়, সরকারি হাসপাতালে গর্ভাবস্থায় পরীক্ষানিরীক্ষার সময় এই দুটি পরীক্ষা করাতে হবে সবাইকেই। পরীক্ষা পদ্ধতি বাধ্যতামূলক করার জন্য প্রতিটি সরকারি হাসপাতালকে ইতিমধ্যেই থ্যালাসেমিয়া কন্ট্রোল ইউনিটের সঙ্গে যুক্ত করা হয়েছে। শহরের মোট পাঁচটি সরকারি হাসপাতাল আইটিজিএমইআর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল, এনআরএস মেডিক্যাল কলেজ, ক্যালকাটা মেডিক্যাল কলেজ, আরজি কর মেডিক্যাল কলেজ, ক্যালকাটা স্কুল অফ ট্রপিক্যাল মেডিসিনে এই পরীক্ষাগুলি করা হবে। এক স্বাস্থ্য আধিকারিকের কথায়, এতদিন গর্ভবস্থায় থ্যালাসেমিয়া পরীক্ষা থ্যালাসেমিয়া কন্ট্রোল ইউনিটেই করা হত। তবে এবার থেকে সমস্ত সরকারি হাসপাতালের জন্যই এই পরীক্ষার নমুনা সংগ্ৰহ করা বাধ্যতামূলক করা হল। রাজ্যে বিপুল সংখ্যক থ্যালাসেমিয়া আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা কমাতেই এই বিশেষ উদ্যোগ নিল স্বাস্থ্য দফতর।

    আরও পড়ুন: চিন্তা বাড়াচ্ছে অ্যাডিনো ভাইরাস! আরটি-পিসিআর পরীক্ষা বাধ্যতামূলক, নয়া নির্দেশিকা স্বাস্থ্য দফতরের

    থ্যালাসেমিয়া একটি জিনঘটিত সমস্যা। সাধারণত বাবা মায়ের জিনে রোগটি প্রচ্ছন্ন থাকলেও শিশুর মধ্যে তা প্রকট হতে পারে।স্বাস্থ্য দফতরের নির্দেশিকায় জানানো হয়েছে, রক্তের সংগৃহীত নমুনা ঠিক তাপমাত্রায় রেখে তা তিন দিনের মধ্যে পাঠাতে হবে থ্যালাসেমিয়া কন্ট্রোল ইউনিটে (টিসিইউ)। স্ত্রীরোগ ও প্রসূতি বিভাগ থেকে পাঠানো ওই নমুনার রিপোর্ট তিন দিনের মধ্যে দিতে হবে। প্রসূতির পরীক্ষায় যদি থ্যালেসেমিয়া পজিটিভ আসে, তখন স্বামীরও পরীক্ষা করা হবে। তাঁরও রিপোর্ট পজিটিভ এলে, গর্ভস্থ ভ্রূণের জিন পরীক্ষা করে দেখা হবে। যদি দেখা যায়, ওই ভ্রূণও একই ভাবে আক্রান্ত, তা হলে ২০ সপ্তাহের মধ্যে গর্ভপাত করানোর বিষয়ে বোঝানো হবে দম্পতিকে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

LinkedIn
Share