Tag: The Enforcement Directorate (ED)

The Enforcement Directorate (ED)

  • National Herald case: ন্যাশনাল হেরাল্ড মামলায় ৭৫১ কোটি টাকার সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করল ইডি

    National Herald case: ন্যাশনাল হেরাল্ড মামলায় ৭৫১ কোটি টাকার সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করল ইডি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ন্যাশনাল হেরাল্ড সংবাদপত্র মামলায় (National Herald case) ৭৫১ কোটি টাকার সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইডি। সম্পত্তি বাজেয়াপ্তের তালিকায় রয়েছে ন্যাশনাল হেরাল্ড সংবাদপত্র, এই সংবাদপত্রের প্রকাশনা সংস্থা অ্যাসোসিয়েট জার্নালস লিমিটেড, ন্যাশনাল হেরাল্ডের পরিচালক সংস্থা ইয়ং ইন্ডিয়া। এর পাশাপাশি রয়েছে লখনউয়ের নেহরু ভবনও। জানা গিয়েছে, এই সংস্থার ৭৬ শতাংশ শেয়ারের মালিক রাহুল ও সোনিয়া গান্ধী। ইডি তদন্তে উঠে এসেছে যে অ্যাসোসিয়েট জার্নালস লিমিটেডের দখলে রয়েছে ৬৬১.৬৯ কোটি টাকার বেআইনি সম্পত্তি।

    সংবাদপত্র কংগ্রেস নেতাদের কাছে ঋণ নিয়েছিল

    প্রসঙ্গত, কংগ্রেস নেতা তথা দেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহরু ন্যাশনাল হেরাল্ড সংবাদপত্র প্রতিষ্ঠা করেছিলেন বলে জানা যায়। মনমোহন সিং সরকারের আমলে ২০১৩ সালে ন্যাশনাল হেরাল্ড (National Herald case) সংবাদপত্রের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ তুলেছিল বিজেপি। ঠিক তার পরেই ২০১৪ সালে বিজেপি নেতা সুব্রহ্মণ্যম স্বামী এই দুর্নীতির বিরুদ্ধে সরব হন। স্বামীর মতে, ‘‘অ্যাসোসিয়েট জার্নালস লিমিটেড নামের সংস্থা হল ন্যাশনাল হেরাল্ডের (National Herald case) প্রকাশনা সংস্থা। এই সংস্থার বাজারে ৯০ কোটি টাকার দেনা ছিল। এই দেনার বেশির ভাগই কংগ্রেসের কাছ থেকে নেওয়া।’’

    ২০১৫ সালেই তদন্তের নির্দেশ দেয় দিল্লির আদালত

    জওহরলাল নেহরু প্রতিষ্ঠিত সংবাদপত্রটি (National Herald case) ২০০৮ সালেই বন্ধ হয়ে যায়। সেই সময় এটি অধিগ্রহণ করে কংগ্রেসের শীর্ষ নেতৃত্ব। যার মধ্যে ছিলেন সোনিয়া গান্ধী এবং রাহুল গান্ধীও। এর ফলে ন্যাশনাল হেরাল্ডের কয়েক হাজার কোটি টাকার সম্পত্তি ইয়ং ইন্ডিয়ার দখলে চলে আসে। স্বভাবতই ন্যাশনাল হেরাল্ডের কংগ্রেস নেতাদের কাছে নেওয়া ৯০ কোটি টাকা ঋণের সেই বোঝাও চাপে ইয়ং ইন্ডিয়ার ওপর। ঠিক এই সময়ের মধ্যেই দেনার টাকা আর উদ্ধার করা সম্ভব নয়, এই যুক্তি দেখিয়ে কংগ্রেসের শীর্ষ নেতৃত্ব ঋণের টাকা মকুব করে দেয়। এখানেই আপত্তি তোলেন সুব্রহ্মণ্যম স্বামী। স্বামীর যুক্তি ছিল, ‘‘কংগ্রেস রাজনৈতিক দল। কোনও রাজনৈতিক দলকে কর দিতে হয় না। আবার কোনও বাণিজ্যিক সংস্থাকে (National Herald case) কোনও রাজনৈতিক দলের ঋণ দেওয়াটা তাদের এক্তিয়ারের বাইরে।’’ ন্যাশনাল হেরাল্ড সংবাদপত্রের মালিকানা হস্তান্তরের সময় কোনও লেনদেন হয়েছিল কিনা, সেই তদন্তের জন্য ২০১৫ সালের শুরুর দিকেই নির্দেশ দেয় দিল্লির মেট্রোপলিটন আদালত।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Tejashwi Yadav: ‘জমির বদলে চাকরি’ মামলায় লালুপুত্র তেজস্বীকে ফের তলব ইডির

    Tejashwi Yadav: ‘জমির বদলে চাকরি’ মামলায় লালুপুত্র তেজস্বীকে ফের তলব ইডির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিহারে চাকরি কেলেঙ্কারিতে ইডির কাচের তলায় লালুপুত্র (Tejashwi Yadav)। ‘জমির বদলে চাকরি’ মামলায় বিহারের উপমুখ্যমন্ত্রী তেজস্বী যাদবকে ফের তলব কেন্দ্রীয় সংস্থার। জানা গিয়েছে, আগামী ৫ জানুয়ারি ইডির দফতরে হাজির হওয়ার জন্য নোটিস পৌঁছেছে তেজস্বী যাদবের কাছে। ওই দিন তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হতে পারে। একইসঙ্গে, এই মামলায় আগামী ২৭ ডিসেম্বর লালুপ্রসাদকেও ইডি দফতরে হাজিরা দিতে বলা হয়েছে। অর্থাৎ পিতা-পুত্রকে তলব ইডির। প্রসঙ্গত, বিহারের মুখ্যমন্ত্রী থাকাকালীন পশু-খাদ্য কেলেঙ্কারিতে নাম জড়ায় লালু প্রসাদ যাদবের। সেই মামলায় দীর্ঘদিন জেলও খেটেছেন তিনি। এবার ফের দুর্নীতির অভিযোগে তাঁকে তলব করল ইডি। বিহারে নীতীশ কুমারের দল ও লালু যাদবের জোট সরকার চলছে বর্তমানে।

    আগেও তেজস্বীকে ৮ ঘণ্টা জেরা করে ইডি

    তবে এই প্রথম নয়। চাকরি কেলেঙ্কারির মামলায় এ বছরের এপ্রিলে তেজস্বীকে (Tejashwi Yadav) তলব করে ইডি। তখন প্রায় ৮ ঘণ্টা ধরে জিজ্ঞাসাবাদ চালায় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। তবে এই প্রথম লালুপ্রসাদকে এই মামলার তদন্তে ডেকে পাঠাল ইডি। গত নভেম্বরেই এই মামলায় লালুর পরিবারের এক ঘনিষ্ঠ অমিত কাত্যালকে গ্রেফতার করে ইডি। তাঁকে জেরা করার পরই নাকি লালুকে নোটিস পাঠানো হয়েছে। অন্তত এমনটাই জানা গিয়েছে ইডি সূত্রে।

    রেলমন্ত্রী থাকাকালীন জমির বিনিময়ে চাকরি দেন লালু?

    প্রসঙ্গত, প্রথম ইউপিএ সরকারে রেলমন্ত্রী ছিলেন লালুপ্রসাদ যাদব। সেসময় রেলমন্ত্রী থাকাকালীন (২০০৪-০৯) বিহারের বহু যুবককে জমির বিনিময়ে রেলের ‘গ্রুপ ডি’ পদে নিয়োগ করা হয়েছিল বলে অভিযোগ ওঠে। আঙুল ওঠে লালুর স্ত্রী তথা বিহারের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী রাবড়ি এবং তাঁদের দুই কন্যা মিসা এবং হেমার বিরুদ্ধেও। এখন দেখার তদন্তে কী উঠে আসে। বছরের শুরুতেই অবশ্য একই মামলায় আরজেডি প্রধান লালু, তাঁর স্ত্রী রাবড়ি দেবী এবং কন্যা মিসা ভারতীকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছিল সিবিআই। জমির বিনিময়ে চাকরি মামলায় লালু, রাবড়ি-সহ মোট ১৬ জনের বিরুদ্ধে গত ২৭ ফেব্রুয়ারি সমন জারি করেছিল দিল্লির রাউস অ্যাভিনিউ আদালত। পরে চার্জশিটে তেজস্বীর (Tejashwi Yadav) নামও জোড়ে সিবিআই।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share