Tag: The Kerala Story

The Kerala Story

  • Naseeruddin Shah: “এই ধরনের ছবি সমাজের জন্য ক্ষতিকর”, ‘গদর ২’ নিয়ে বিস্ফোরক নাসিরুদ্দিন শাহ

    Naseeruddin Shah: “এই ধরনের ছবি সমাজের জন্য ক্ষতিকর”, ‘গদর ২’ নিয়ে বিস্ফোরক নাসিরুদ্দিন শাহ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নাসিরুদ্দিন শাহ (Naseeruddin Shah) বলিউডের একজন প্রবীণ ও নামজাদা অভিনেতা। শুধুমাত্র অভিনেতা হিসাবে নয়, তাঁর ব্যক্তিত্বের জন্য বহুবার তিনি চর্চায় থেকেছেন। বরাবর তাঁর স্পষ্টবাদী মনোভাব তাঁকে চর্চায় রেখেছে। চলতি বছরে মুক্তিপ্রাপ্ত চলচ্চিত্র ‘দ্য কেরালা স্টোরি’ নিয়ে যখন সাধারণের মধ্যে উত্তেজনা ছিল, তখন সম্পূর্ণ উল্টো সুর শোনা গিয়েছিল এই বর্ষীয়ান অভিনেতার গলা থেকে। এবার আবার তিনি মুখ খুললেন সম্প্রতি মুক্তিপ্রাপ্ত সিনেমা ‘গদর ২’ নিয়ে। চলতি বছরের অন্যতম জনপ্রিয় ছবির তকমা পেয়েছে এই ‘গদর ২’। গত ১১ অগাস্ট মুক্তি পেয়েছে অনিল শর্মা পরিচালিত এই ছবি। শুরুতেই ২৮৪ কোটি টাকার ব্যবসা করেছিল এই ছবি। কিন্তু এই ছবিকেই ‘ক্ষতিকর’ বলে আখ্যা দিলেন নাসিরউদ্দিন শাহ। 

    কেন এমন মন্তব্য (Naseeruddin Shah)?

    সম্প্রতি একটি সাক্ষাৎকারে নাসিরউদ্দিন শাহ ‘গদর ২’ নিয়ে নেতিবাচক মন্তব্য করেন। তিনি (Naseeruddin Shah) বলেন, “এই ধরনের ছবি সমাজের জন্য ক্ষতিকর। আপনাকে কাল্পনিক শত্রু তৈরি করতেই হবে ছবির মাধ্যমে। পরিচালকরা বুঝতে পারছেন না যে, তাঁরা যেটা করছেন, তা কতটা ক্ষতিকারক, সমাজে কতটা এর প্রভাব পড়ে। আমি কেরালা স্টোরি এবং গদর ২ এর মতো ছবি সত্যি দেখিনি। তবে জানি, এই সিনেমায় কী দেখানো হয়েছে। এই ছবির বক্তব্য যে শুধু দেশকে ভালোবাসলেই চলবে না, তা ঢাকঢোল বাজিয়ে প্রচার করতে হবে।”

    কাশ্মীর ফাইলস নিয়ে কী বলেছিলেন?

    তিনি (Naseeruddin Shah) আরও বলেন, “কাশ্মীর ফাইলস-এর মতো ছবিটিও এত জনপ্রিয় যে অপরদিকে সুধীর মিশ্র, অনুভব সিনহা এবং হংসল মেহতা দ্বারা নির্মিত ছবিগুলি আজকাল আর কারও চোখেই পড়ে না। তাঁরা তাঁদের সময়ের সত্যতা তুলে ধরেছিলেন। তবে আমি চাই তাঁরা যেন হতাশ হয়ে না পড়েন এবং ছবি তৈরি চালিয়ে যান।’

    ’দ্য কেরালা স্টোরি’ নিয়ে কটাক্ষের সুর

    সাক্ষাৎকারে ‘দ্য কেরালা স্টোরি’কেও তিনি বিতর্কিত ছবি বলেছেন। তিনি (Naseeruddin Shah) বলেন, “ভিড়’, ‘আফওয়া’, ‘ফরাজ’-এর মতো অসাধারণ ছবি প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেয়েছে। কিন্তু তা বক্স অফিসে একেবারে ব্যবসা করতে পারেনি। কোনও দর্শক সেই ছবি দেখতে যায়নি। আর এদিকে ‘দ্য কেরালা স্টোরি’ দেখার জন্য প্রেক্ষাগৃহে দর্শকের ভিড় উপচে পড়েছে। আমি ছবিটা দেখিনি আর দেখতেও চাই না। কারণ এর সম্পর্কে আমি  অনেক কিছু পড়ে ফেলেছি। আমরা সকলেই নাৎসি-অধ্যুষিত জার্মানির পথেই হাঁটতে শুরু করেছি।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Adah Sharma Accident: গাড়ি দুর্ঘটনায় আহত ‘দ্য কেরালা স্টোরি’-র পরিচালক সুদীপ্ত সেন, নায়িকা আদা

    Adah Sharma Accident: গাড়ি দুর্ঘটনায় আহত ‘দ্য কেরালা স্টোরি’-র পরিচালক সুদীপ্ত সেন, নায়িকা আদা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দুর্ঘটনার কবলে ‘দ্য কেরালা স্টোরি’-এর পরিচালক এবং নায়িকা (Adah Sharma Accident)। জানা গেছে, রবিবার সন্ধ্যায় মুম্বাইয়ের করিমনগরে একটি অনুষ্ঠানে যাচ্ছিলেন পরিচালক সুদীপ্ত সেন এবং নায়িকা আদা শর্মা। সে সময় তাঁদের গাড়ি দুর্ঘটনার (Adah Sharma Accident) কবলে পড়ে। শেষ পাওয়া খবর অবধি পরিচালক এবং নায়িকা দুজনেই জখম হয়েছেন এবং তাঁরা বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। প্রসঙ্গত, মুক্তি পাওয়ার পর থেকেই ‘দ্য কেরালা স্টোরি’ নিয়ে সারা দেশ জুড়ে জোর চর্চা চলছে, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি পর্যন্ত বলেছেন, ‘‘দ্য কেরালা স্টোরি সন্ত্রাসের মুখোশ খুলে দিয়েছে।’’ একাধিক রাজ্যে এই সিনেমাতে কর মুক্ত করা হয়েছে। পশ্চিমবঙ্গের এই সিনেমা নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যা নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে মামলা পর্যন্ত হয়েছে। এরপরেও দেশ জুড়ে রমরমিয়ে ব্যবসা করছে কেরালা স্টোরি, ইতিমধ্যে তা ১০০ কোটির ক্লাবের সদস্যও হয়ে গেছে। ‘দ্য কেরালা স্টোরি’ নিয়ে অনেক সময় হুমকির মুখেও পড়েছেন আদা শর্মা এবং পরিচালক। জানা গিয়েছে, দুর্ঘটনার (Adah Sharma Accident) কারণ জানতে তদন্ত চালাচ্ছে পুলিশ।

    হাসপাতাল থেকেই ট্যুইট করলেন পরিচালক এবং অভিনেত্রী

    ‘দ্য কেরালা স্টোরি’ খ্যাত অভিনেত্রী আদা শর্মা ট্যুইটারে লিখেছেন, ‘‘আমি ভাল আছি বন্ধুরা। আপনারা উদ্বিগ্ন হয়ে আছেন বুঝতে পারছি। আমাদের দুর্ঘটনার (Adah Sharma Accident) খবর ইতিমধ্যে ছড়িয়ে পড়েছে। তবে এটুকু বলতে পারি আমরা দলের সবাই ঠিক আছি। বড় কোন বিপদ হয়নি। অনেক ধন্যবাদ আপনাদের।’’ 

    অন্যদিকে ট্যুইট করেছেন পরিচালক সুদীপ্ত সেন নিজেও। তিনি ট্যুইটে লিখছেন, ‘‘আজ আমাদের যাওয়ার কথা ছিল করিমনগরে। সেখানে যুবক যুবতীদের ভিড়ে আমাদের ছবিটা নিয়ে কথা হতো। কিন্তু হঠাৎ করেই স্বাস্থ্যের অবনতি হয়। যেতে পারলাম না, খুব দুঃখিত আমরা সেখানকার মানুষের কাছে ক্ষমাপ্রার্থী। দ্য কেরালা স্টোরি ছবিটা বানিয়েছিলাম আমাদের কন্যাদের রক্ষা করতে। দয়া করে আপনারা পাশে থাকুন।’’

  • The Kerala Story:  ‘দ্য কেরালা স্টোরি’ আচমকা না দেখানোয় ক্ষুব্ধ দর্শকরা, হলের সামনে বিক্ষোভে বিজেপি, ধস্তাধস্তি

    The Kerala Story: ‘দ্য কেরালা স্টোরি’ আচমকা না দেখানোয় ক্ষুব্ধ দর্শকরা, হলের সামনে বিক্ষোভে বিজেপি, ধস্তাধস্তি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হলে ‘দ্য কেরালা স্টোরি’ (The Kerala Story) দেখতে এসে পুলিশি হেনস্থার শিকার হলেন সিনেমাপ্রেমীরা। তাঁদের মধ্যে বেশ কয়েকজন বিজেপির কর্মী-সমর্থক ছিলেন। পুলিশের সঙ্গে বিজেপি কর্মীদের রীতিমতো ধস্তাধস্তি হয়। মঙ্গলবার ঘটনাটি ঘটেছে বেলঘরিয়ার রূপমন্দির সিনেমা হলে। সিনেমাপ্রেমীরা এদিন হলে এসে সিনেমা না দেখতে পেয়ে ক্ষোভে ফেটে পড়েন।

    ঠিক কী ঘটেছিল?

    সোমবারই রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে ‘দ্য কেরালা স্টোরি’ (The Kerala Story) সিনেমাকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়। কিন্তু বেশ কয়েকটি সিনেমা হলে সরকারি সেই নির্দেশিকা এসে না পৌঁছানোয় হল কর্তৃপক্ষ সিনেমা দেখানোর উদ্যোগ গ্রহণ করে। বেলঘরিয়ার এই সিনেমা হলেও এদিন সকালের দিকে বিতর্কিত সিনেমাটি দেখানোর উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়। অনেকে এই সিনেমা দেখার জন্য অনলাইনে টিকিট কেটেছিলেন। সকাল সকাল এই সিনেমা হলের সামনে পৌঁছান সিনেমাপ্রেমীরা। তখনও কোনওরকম সিনেমা বন্ধের নোটিশ আসেনি। কিছুক্ষণ পর বেলঘরিয়া থানার পুলিশ এসে সিনেমা হলের সামনে হাজির হয়। ততক্ষণে সিনেমা হলে ‘দ্য কেরালা স্টোরি’ (The Kerala Story) বন্ধের নোটিশ দেওয়া হয়ে গিয়েছে। দূরদূরান্ত থেকে আসা সিনেপ্রেমীরা এরপরে বিক্ষোভে সামিল হন। সিনেমা হলের গেট ভাঙার চেষ্টা করেন। ঘটনাস্থলে উপস্থিত পুলিশ লাঠি উঁচিয়ে ভিড়কে ছত্রভঙ্গ করে দেয়।

    কী বললেন সিনেমাপ্রেমীরা?

    এক সিনেমাপ্রেমী সংযুক্তা মিত্র বলেন, আমি কলেজ ছাত্রী। আমার বাড়ি চুঁচুড়া। সাত সকালে বন্ধুদের সঙ্গে এই সিনেমা দেখার জন্য এসেছিলাম। আমাদের সামনে নোটিশ দিয়ে জানানো হল, এই সিনেমা দেখানো হবে না। মুখ্যমন্ত্রীর কাছে আমাদের অনুরোধ, এই সিনেমা ব্যান না করে সকলের দেখার ব্যবস্থা করুন। নিউটাউনের বাসিন্দা অনুস্কা বণিক বলেন, বেলঘরিয়ার এই সিনেমা হলে দ্য কেরালা স্টোরি (The Kerala Story) সিনেমাটি চলছে। তাই এসেছিলাম। এখন সিনেমাটি বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। এত ভালো সিনেমা বন্ধ করা  উচিত হয়নি।

    কী বললেন বিজেপির যুব মোর্চার নেতা?

    এদিন বিজেপি-র যুব মোর্চার নেতা অচিন্ত্য মণ্ডল বেশ কয়েকজন কর্মী-সমর্থককে নিয়ে সিনেমা দেখতে আসেন। সিনেমা দেখা নিয়ে পুলিশ কর্মীদের সঙ্গে তাঁদের প্রথমে বচসা হয়। পরে, ধস্তাধস্তি হয়। অচিন্ত্যবাবু বলেন, আমরা এই ঘটনার তীব্র বিরোধিতা করছি। আমরা এর বিরুদ্ধে আন্দোলনে নামব।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • The Kerala Story: ফিল্ম টিজারে কেরলের সাথে ইসলামিক সন্ত্রাসবাদের সূত্র জুড়ে দেওয়ায় চলচ্চিত্র নির্মাতার বিরুদ্ধে এফআইআর কেরল পুলিশের

    The Kerala Story: ফিল্ম টিজারে কেরলের সাথে ইসলামিক সন্ত্রাসবাদের সূত্র জুড়ে দেওয়ায় চলচ্চিত্র নির্মাতার বিরুদ্ধে এফআইআর কেরল পুলিশের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সম্প্রতি সুদীপ্ত সেন পরিচালিত ‘দ্য কেরালা স্টোরি'(The Kerala Story) নামক এক বলিউড সিনেমার বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। সিনেমার টিজারে দক্ষিনের এই রাজ্যটিকে ইসলামিক সন্ত্রাসবাদ এবং জোরপূর্বক ধর্মান্তকরণের কেন্দ্র হিসেবে দেখানোর পর থেকে ভারতের এই দক্ষিণী রাজ্যে বিতর্কের ঝড় উঠেছে।

    সিনেমাটির ট্রেলারে (The Kerala Story Trailer) কি দেখানো হয়েছে?

    সিনেমাটির ট্রেলারে দেখানো হয়েছে রাজ্যের প্রায় ৩২ হাজার নারীকে জোরপূর্বক ইসলামে ধর্মান্তরিত করানোর পর বিভিন্ন জঙ্গিগোষ্ঠীতে নিয়োগ করা হয়েছে।

    ট্রেলারের এক ভিডিওতে দেখানো হয়, একজন বোরখা পরিহিত এক মহিলা (বলিউডের এক হিন্দু নায়িকা) বলেন আমি ধর্মান্তকরণের শিকার হয়েছি। সে বলে,”আমি একজন নার্স হতে চেয়েছিলাম এবং মানবতার সেবা করতে চেয়েছিলাম। সে আরও বলে, এখন আমি ফাতিমা, আফগানিস্তানের একটি জেলে বন্দিনী আইসিস সন্ত্রাসী, তবে আমি একা নই। ছবির ট্রেলারে বোরখা পরিহিত মেয়েটি আরও দাবি করে যে “আমার মতো ৩২ হাজার মেয়ে আছে যাদের ধর্মান্তরিত করা হয়েছে এবং সিরিয়া ও ইয়েমেনের মরুভূমিতে সমাহিত করা হয়েছে। কেরলের সাধারণ মেয়েদের ভয়ঙ্কর সন্ত্রাসীতে রূপান্তরিত করার জন্য একটি মারাত্মক খেলা চালানো হচ্ছে … কেউ কি তাদের বাধা দেবে না?”

    ছবিটির নির্মাতারা দাবী করেন যে, চলচ্চিত্রটি বাস্তব তথ্য এবং ঘটনার উপর ভিত্তি করে তৈরি করা হয়েছে, কিন্তু তাদের দাবির সমর্থনে তারা কোনো প্রমাণ বা অফিসিয়াল রিপোর্ট পেশ করেনি।

    সিনেমাটির ট্রেলারটির রিলিজের পর প্রতিক্রিয়া (Reaction on The Kerala Story Trailer)

    ট্রেলারটির প্রকাশের পরই ভারতের দক্ষিণের রাজ্যগুলোতে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। প্রতিবেশী রাজ্য তামিলনাড়ুর সাংবাদিক বিআর অরবিন্দদক্ষন, কেন্দ্রীয় তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রক, কেরালার মুখ্যমন্ত্রীর কার্যালয় এবং কেরল পুলিশের কাছে একটি পিটিশন দাখিল করেছেন। পিটিশনে তিনি অভিযোগ করেন যে এই ফিল্মটি মিথ্যা তথ্য পরিবেশন করছে এবং এর বিষয়বস্তু সমাজে অস্থিরতার সৃষ্টি করবে। তিনি অবিলম্বে পরিচালকের বিরুদ্ধে তদন্তের পাশাপাশি সিনেমাটি রিলিজ বন্ধ করার জন্য অনুরোধ করেছেন। 

    কেরলের মুখ্যমন্ত্রী পিনারাই বিজয়ন রাজ্যের পুলিশকে অভিযোগটি তদন্ত করার নির্দেশ দেওয়ার পরেই ট্রেলারের বিরুদ্ধে একটি ফৌজদারি মামলা দায়ের করা হয়েছে। কেরলের তিরুবনন্তপুরম জেলার পুলিশ ভুল তথ্য এবং সাম্প্রদায়িক বিদ্বেষ ছড়ানোর অভিযোগে সিনেমা নির্মাতাদের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করেছে।

    রাজ্যের বিরোধীদল নেতা ভিডি সতীসান বলেছেন যে ছবিটি তথ্যের দিক থেকে ভুলে ভরা ও সাম্প্রদায়িক বিদ্বেষপূর্ণ। তিনি এই সিনেমাটিকে অবিলম্বে নিষিদ্ধ করার জন্য অনুরোধ জানিয়েছেন।

    পুলিশ চলচ্চিত্রের ঘটনাগুলি কেরলের চারজন মহিলার দ্বারা অনুপ্রাণিত বলে মনে করছে। যারা ইসলামে ধর্মান্তরিত হয়েছিল এবং পরবর্তীতে তাদের স্বামীদের সাথে ২০১৬ এবং ২০১৮ সালের মধ্যে খোরাসান প্রদেশে আইএসএ যোগ দিতে আফগানিস্তানে গিয়েছিল। তাদের স্বামীরা নিহত হবার পর ২০১৯ সালে তারা আত্মসমর্পণ করার পরে এখনও তারা আফগান জেলে রয়েছে। ভারত সরকার তাদের ফিরিয়ে নিতে অস্বীকার করেছে।

    ফিল্মটির দাবী মতো কেরলের এমন হাজার হাজার মেয়েরা এখন যুদ্ধবন্দী, এমন কোনো প্রমাণ নেই।

    কেরলে বিজেপির সংগঠন বিস্তারের চেষ্টা (BJP is trying to expand its organization in Kerala)

    ভারতের সবচেয়ে শিক্ষিত ও প্রগতিশীল রাজ্য কেরলে বিজেপি এখনো তাদের প্রভাব বিস্তার করতে পারেনি। বিজেপি নেতারা দীর্ঘদিন ধরেই কেরল রাজ্যে ধর্মান্তকরণ বা ইসলামিক সন্ত্রাসবাদ বৃদ্ধি পাচ্ছে বলে অভিযোগ জানিয়ে আসছিল। রাজ্যে বাম সরকার ও ধর্ম নিরপেক্ষ দলের উপস্থিতি থাকায় বিজেপি সাম্প্রদায়িকতার অস্ত্রকে ব্যবহার করে কেরল দখল করতে মরিয়া বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা। 

    কাশ্মীর ফাইলস সিনেমাটির প্রভাব (Influence of the movie Kashmir Files)

    বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, দ্য কেরালা স্টোরি সিনেমাটি সম্প্রতি বিবেক অগ্নিহোত্রীর কাশ্মীর ফাইলস এর  অনুকরণে করা হয়েছে। কাশ্মীর ফাইলসেও মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ কাশ্মীরে সংখ্যালঘু কাশ্মীরি পন্ডিতেরা কিভাবে অত্যাচারিত হয়েছিল, তা দেখানো হয়। এ নিয়ে অনেক বিতর্ক তৈরি হলেও বক্স অফিসে বিপুল মুনাফা লাভ করে দ্য কাশ্মীর ফাইলস সিনেমাটি।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • The Kerala Story: বিপদে আদা শর্মা! সোশ্যাল মিডিয়ায় ফাঁস ‘দ্য কেরালা স্টোরি’-খ্যাত অভিনেত্রীর ফোন নম্বর

    The Kerala Story: বিপদে আদা শর্মা! সোশ্যাল মিডিয়ায় ফাঁস ‘দ্য কেরালা স্টোরি’-খ্যাত অভিনেত্রীর ফোন নম্বর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘দ্য কেরালা স্টোরি’-র (The Kerala Story) আকাশছোঁয়া সাফল্যের পর থেকেই সিনেজগতে অত্যন্ত জনপ্রিয় হয়ে উঠেছেন ছবির মুখ্য চরিত্রে অভিনয় করা আদা শর্মা। তাঁর নাম এখন দেশে-বিদেশে ছড়িয়ে পড়েছে। ছবির সুবাদে কেরিয়ারে একেবারে শীর্ষে পৌঁছে গিয়েছেন আদা শর্মা। এমনকি, সোশ্যাল মিডিয়াতেও সারাক্ষণ ট্রেন্ডিং থাকছেন অভিনেত্রী। কিন্তু, সাফল্যের সঙ্গে পিছু ধাওয়া করছে হুমকিও। 

    ঠিক কী ঘটেছে?

    কয়েকদিন আগে অভিনেত্রীর (The Kerala Story) কাছে মৃত্যু-হুমকি এসেছিল। এবার জানা গিয়েছে, সামাজিক মাধ্যমে ফাঁস হয়ে গিয়েছে আদা শর্মার ব্যক্তিগত ফোন নম্বর। সংবাদমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, ‘ঝামুন্ডা বোল্টে’ নামে একজন ইনস্টাগ্রাম ব্যবহারকারী আদা শর্মার কনট্যাক্ট ডিটেলস ফাঁস করে দেয়। সঙ্গে অভিনেত্রীর নতুন ফোন নম্বর ফাঁস করা হবে বলেও হুমকি দেওয়া হয়। যদিও পরে সেই ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টটি ডি-অ্যাক্টিভেট করে দেওয়া হয়। কিন্তু, অদার ফোন নম্বর ফাঁস হয়ে যাওয়ার ব্যাপারটা দাবানলের গতিতে সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়েছে। এর ফলে, প্রতিনিয়ত তাঁকে হয়রানির শিকার হতে হচ্ছে। তাঁর ভক্তরা মুম্বই সাইবার সেলকে ব্যবহারকারীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।

    সুদীপ্ত সেনের সিনেমা ‘দ্য কেরালা স্টোরি’(The Kerala Story) একাধিক কারণে সংবাদে রয়েছে গত কয়েক সপ্তাহ ধরে। এই সিনেমার গল্প কেরালার একদল মহিলাকে আবর্তিত করে, যারা ধর্মান্তরিত হয়ে মুসলিম হয় ও পরবর্তীতে আইএসআইএস-এ যোগ দিতে বাধ্য হয়। গোড়া থেকেই এই ছবিকে ঘিরে বিতর্ক তৈরি হয়। কখনও এই ছবির গায়ে ‘প্রোপাগান্ডা’ তকমা সেঁটে দেওয়া হয়। তো কখনও ছবির কলাকুশলীদের প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়। আবার বাংলাতে এই ছবিকে নিষিদ্ধও করা হয়েছিল।

    আরও পড়ুন: ‘দ্য কেরালা স্টোরি’ দেখতে গিয়ে সঙ্গীর বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ হিন্দু যুবতীর

    ২০০ কোটির ক্লাবে প্রবেশ

    কিন্তু, যাবতীয় বিতর্ককে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে বক্স অফিসে ‘দ্য কেরালা স্টোরি’-র(The Kerala Story) দৌড় অব্যাহত। সম্প্রতি, বক্স অফিসে ২০০ কোটির মাইলফলক পার করেছে ‘দ্য কেরালা স্টোরি’। ৫ মে সিলভার স্ক্রিনে মুক্তি পেয়েছে সুদীপ্ত সেনের ছবিটি। মুক্তির পর তৃতীয় সোমবারেই ২০০ কোটির গণ্ডি পার করে এই ছবি। এই নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি পোস্ট করেন আদা। লেখেন, ‘‘ভারতীয় জনগণকে অভিনন্দন! আপনাদের সবাইকে অভিনন্দন যারা হোর্ডিং ধরেছেন, ভিডিয়ো পোস্ট করেছেন। আপনাদের সাফল্যে আমাকে অন্তর্ভুক্ত করার জন্য অনেক ধন্যবাদ।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • The Kerala Story: ‘দ্য কেরালা স্টোরি’ দেখতে গিয়ে সঙ্গীর বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ হিন্দু যুবতীর

    The Kerala Story: ‘দ্য কেরালা স্টোরি’ দেখতে গিয়ে সঙ্গীর বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ হিন্দু যুবতীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লিভ-ইন পার্টনারের (Live-in-Partner) সঙ্গে সিনেমা হলে গিয়েছিলেন ‘দ্য কেরালা স্টোরি’ (The Kerala Story) দেখবেন বলে। বছর তেইশের ওই যুবতী তখনও জানেন না ঠিক কী ঘটতে চলেছে এর পরে। সিনেমা শেষে হল থেকে বেরিয়ে ওই হিন্দু তরুণীর অভিযোগ, তাঁকে ধর্ষণ করেছেন তাঁর সঙ্গী। জোর করে ধর্মান্তকরণের চেষ্টাও করা হয়েছে। থানায় অভিযোগ দায়ের করতেই গ্রেফতার করা হয় ওই যুবককে। মহম্মদ ফৈজান নামের ওই যুবকের বিরুদ্ধে লভ জিহাদের মামলা রুজু করা হয়েছে। মধ্যপ্রদেশের ইন্দোরের ওই ঘটনায় ছড়িয়েছে চাঞ্চল্য।

    ‘দ্য কেরালা স্টোরি’র (The Kerala Story) গল্প

    কীভাবে বিয়ের নামে হিন্দু মহিলাদের ধর্মান্তকরণ করা হয়, কীভাবে না জেনেই এক শ্রেণির মুসলিম যুবকের পাতা ফাঁদে পা দিয়ে ধর্ম-পরিবার-পরিজনদের থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েন তরুণীরা, সে সবই তুলে ধরা হয়েছে ‘দ্য কেরালা স্টোরি’তে (The Kerala Story)। পশ্চিমবঙ্গ সহ দেশের কয়েকটি রাজ্যে সিনেমাটি প্রদর্শনে নিষেধাজ্ঞা জারি  হয়। পরে সুপ্রিম কোর্টের হস্তক্ষেপে জট খোলে। যদিও তার পরেও মুক্তি পাওয়ার পর প্রথম তিনদিন ছাড়া এখনও পর্যন্ত পশ্চিমবঙ্গের কোথাও আর দেখানো হয়নি ছবিটি। ইন্দোরে লিভ-ইন পার্টনারের সঙ্গে সেই ‘বিতর্কিত’ ছবি দেখতে গিয়েই বাঁধল বিপত্তি।

    বাস্তবেও ‘দ্য কেরালা স্টোরি’র ছবি?

    ওই যুবতীর অভিযোগ, নিজের আসল নাম লুকিয়ে ফৈজান তাঁর সঙ্গে মেলামেশা করেন। একটি কোচিং সেন্টারে পড়তে গিয়েই সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন তাঁরা। ওই সময় নামের পাশাপাশি ফৈজান তাঁর ধর্মও গোপন করেছিলেন। তাঁদের মধ্যে শারীরিক সম্পর্কও হয় একাধিকবার। বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে চারবছর ধরে ওই যুবতীর সঙ্গে শারীরিক সম্পর্কে লিপ্ত হন ফৈজান। পরে বিভিন্ন সময় ফৈজান ওই তরুণীকে ধর্ম পরিবর্তন করার জন্য চাপ দেন বলে অভিযোগ। দিন দুই আগে ‘দ্য কেরালা স্টোরি’ (The Kerala Story) দেখতে গিয়েই প্রকাশ্যে আসে ফৈজানের আসল পরিচয়। তার পরেই পুলিশে অভিযোগ দায়ের করেন ইন্দোরের ওই যুবতী।

    আরও পড়ুুন: ভূস্বর্গে জাঁকজমক করে চলছে জি২০ পর্যটন বৈঠক, তাতেই ঘাবড়ে গিয়েছে পাকিস্তান!

    মধ্যপ্রদেশের এক পুলিশ আধিকারিক জানান, সম্প্রতি ওই যুবতী ‘দ্য কেরালা স্টোরি’ (The Kerala Story) দেখতে গিয়েছিলেন। সিনেমা দেখার শেষে লিভ-ইন পার্টনারের সঙ্গে তর্কাতর্কি হয় তাঁর। ওই যুবতীকে হেনস্থা করে চম্পট দেয় ওই যুবক। পরে থানায় গিয়ে অভিযোগ দায়ের করেন তিনি। যুবতীর অভিযোগ খতিয়ে দেখতে শুরু হয়েছে তদন্ত।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • The Kerala Story: নিজের ঘরেই ব্রাত্য! হতাশ দ্য কেরালা স্টোরির পরিচালক সুদীপ্ত সেন

    The Kerala Story: নিজের ঘরেই ব্রাত্য! হতাশ দ্য কেরালা স্টোরির পরিচালক সুদীপ্ত সেন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সুপ্রিম কোর্টের রায়ের পরই শহরে এসেছেন দ্য কেরালা স্টোরির পরিচালক সুদীপ্ত সেন। এসেছেন অভিনেত্রী আদা শর্মা। আসেনি শুধু ছবিটি।  শীর্ষ আদালতের নির্দেশে পশ্চিমবঙ্গে দ্য কেরালা স্টোরি (The Kerala Story) সিনেমা (Cinema) প্রদর্শনে বাধা নেই। তবে এখনও সিনেমা দেখানো হচ্ছে না পশ্চিমবঙ্গের (Westbengal) হলে। এই ঘটনায় হতাশ বাংলার ছেলে ছবির পরিচালক সুদীপ্ত। তাঁর কথায়, “নিজের ঘরেই আমি ব্রাত্য।” 

    হতাশ সুদীপ্ত 

    কলকাতায় এসে শুক্রবার একরাশ হতাশা প্রকাশ করলেন সুদীপ্ত। এদিন তিনি বলেন, “সুপ্রিম কোর্টের অর্ডার মানছে না পশ্চিমবঙ্গ। এই সমস্যার সমাধান না হলে আমাদের আবার কোর্টে যেতে হবে। নিরাপত্তা দিতে বলেছে সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court)। কিন্তু দেওয়া হচ্ছে না। সিনেমার স্ক্রিনিং (Screening) করতে দেওয়া হচ্ছে না। এটা খুব হতাশার বিষয়। যদি সমস্যার সমাধান না হয় তাহলে আবার আদালতের দ্বারস্থ হব। সেন্সর বোর্ড পাশ করেছে। মুখ্যমন্ত্রীকে অনুরোধ করছি, একবার সিনেমাটা দেখুন। সুপ্রিম কোর্ট যে রায় দিয়েছে তাতে সিনেমা থেকে একটা লাইনও কাটার কথা বলা হয়নি। ডিস্ট্রিবিউটররা ফোন করে বলছে আমরা সিনেমা চালাতে চাই। কিন্তু আমাদের চালাতে দেওয়া হচ্ছে না।” 

    আরও পড়ুন: বক্স অফিসে বাজিমাত ‘দ্য কেরালা স্টোরি’-র! প্রথম দিনে আয় কত?

    বাঙালি হিসেবে আক্ষেপ

    সুদীপ্ত আরও বলেন,  ‘ভারতবর্ষে দেড় থেকে দু’ কোটি লোক দেখেছে ছবিটা। সারা পৃথিবীতে আলোড়ন পড়ে গিয়েছে ছবিটা নিয়ে। আমরা রাজনীতিবিদ নই, আমরা সিনেমা তৈরি করি। আমরা অনেক আশা নিয়ে এসেছিলাম, যে আজ বিভিন্ন হল-এ মানুষের কাছে পৌঁছে যাব। কিন্তু, এখানে এসে জানতে পারলাম আজও চালোনো হচ্ছে না। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশের পরেও কীভাবে এমনটা হয় জানা নেই।’ সাত থেকে আট বছর রিসার্চ করে তবে ছবিটা তৈরি করেছেন বলেও জানিয়েছেন পরিচালক। এমনকী মাস দু’য়েক ছবিটা সেন্সর বোর্ডেও পড়েছিল। যারা ছবিটা দেখেছে তারা কখনও কোনও অভিযোগ করেনি। বরং, ছবি যারা দেখেনি তারাই অভিযোগ করছে বললেন পরিচালক। এমনকী তিনি এমনও বলেছেন, ‘একজন বাঙালি হিসেবে এই ছবি নিয়ে গর্ববোধ করার কথা। কারণ, এই ছবির পরিচালক থেকে মিউজিক ডিরেক্টর সকলেই বাঙালি। তাই ভেবেছিলাম পশ্চিমবঙ্গে এসে সেলিব্রেট করব সবচেয়ে বেশি।’কিন্তু এখানে বাস্তব ছবিটাই ভিন্ন আক্ষেপ দ্য কেরালা স্টোরির (The Kerala Story) পরিচালক সুদীপ্ত সেনের।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • The Kerala Story: ‘দ্য কেরালা স্টোরি’ মিথ্যে নয়, ২৬ ‘শিকার’কে হাজির করে ‘প্রমাণ’ দিলেন নির্মাতারা

    The Kerala Story: ‘দ্য কেরালা স্টোরি’ মিথ্যে নয়, ২৬ ‘শিকার’কে হাজির করে ‘প্রমাণ’ দিলেন নির্মাতারা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘দ্য কেরালা স্টোরি’ (The Kerala Story) নিয়ে বিতর্ক কম হয়নি। গত ৫ মে মুক্তি পেয়েছে বাঙালি পরিচালক সুদীপ্ত সেনের এই ছবি। তারপরেই দেশজুড়ে শুরু হয়েছে হইচই। বুধবার মুম্বইয়ের বান্দ্রায় সাংবাদিক বৈঠক করেন ছবির প্রডিউসার বিপুল শাহ ও ডিরেক্টর সুদীপ্ত সেন। এদিন মুসলিম মৌলবাদের শিকার হয়েছেন এমন ২৬ জন মহিলাকে হাজির করেন তাঁরা। সাংবাদিক বৈঠকটি হয় বান্দ্রার রং শারদা হলে। সেখানেই হাজির করা হয়েছিল কোচি থেকে নিয়ে আসা ওই মহিলাদের। আর্ষ বিদ্যা সমাজমের সদস্য শ্রুতি জানান, তাঁদের সংস্থা কেরালায় ৭ হাজার মহিলাকে সনাতন ধর্মে ফিরিয়ে এনেছেন। সিনেমাটিতে দাবি করা হয়েছে, ৩২ হাজার অমুসলিম মহিলাকে মুসলিম ধর্মে দীক্ষিত করা হয়েছে। শাহ জানান, এনিয়ে অনেকেই বলছেন, অযথা মিথ্যে প্রচার করা হচ্ছে। তবে সাংবাদিকদের মাধ্যমে দর্শকরা জানুন, আসল সত্যটা কী।

    ‘দ্য কেরালা স্টোরি’র (The Kerala Story) ‘চরিত্র’রা

    ছবির (The Kerala Story) নির্মাতারা জানান, লভ জিহাদের বিরুদ্ধে সোচ্চার হওয়াটা দায়িত্বের মধ্যেই পড়ে। তাঁরা শুধুই ছবি বানিয়ে হাত গুটিয়ে বসে থাকেননি। বাস্তব জীবন থেকে তাঁরা তুলে এনেছেন ২৬ জন মহিলাকে। এঁরা সবাই যে কেরালার তা নয়, গোটা ভারতের। মৌলবাদীদের শিকার হয়েছিলেন অনঘা জয়গোপাল। তিনি বলেন, দু বছর আগে আমি সন্তানসম্ভবা ছিলাম। পর্দার শালিনীর (যে ভূমিকায় অভিনয় করেছেন অদা শর্মা) মতো আমারও একই দশা হয়েছিল। পর্দার আশিফার মতো অনেক মেয়েই হস্টেলে ছিল, তাদেরও ধর্মান্তরিত করা হয়েছিল। তারা প্রায়ই আমাদের কনফিউজ করত। ধর্মজ্ঞানের অভাবের কারণে আমি আমাদের দিকটা বুঝিয়ে বলতে পারতাম না।

    ‘আমি হিন্দু বিরোধী হয়ে গিয়েছিলাম’

    তিনি বলেন, এই (মুসলিম) মহিলারা প্রায়ই বলত ঈশ্বর একজনই, তিনি আল্লা। তারা আমাকে কোরানের হিন্দি অনুবাদ দিয়েছিল। এটা পড়ার পর আমি হিন্দু বিরোধী হয়ে গিয়েছিলাম। পরিবার ছেড়ে মুসলিম ধর্মে দীক্ষিত হয়েছিলাম। আমার পরিবার বাড়িতে ঈশ্বরের আরাধনা করতেন। আর আমি নমাজ আদায় করতাম। আমাকে নমাজ আদায় করতে না দেওয়ায় আমি আমার এক আত্মীয়ের মেয়ের ওপর খুব রেগে গিয়েছিলাম। তিনি (The Kerala Story) বলেন, এই ছবিটা আমার জীবনের গল্পের মতো। সিনেমাটা দেখার পর আমি হাউ হাউ করে কাঁদতে চেয়েছিলাম।

    মৌলবাদীদের শিকার হয়েছিলেন চিত্রাও। তিনি বলেন, কেবল মেয়েরাই নয়, ছেলেরাও ধর্মান্তরিত হয়েছে। যারা ধর্মান্তরিত হয়েছে, তারা পরিবারের সঙ্গে সম্পর্ক চুকিয়ে ফেলেছে। ছবির নায়িকা অদা শর্মা বলেন, আমি ভিডিওয় দেখেছি মহিলাদের ট্যাঙ্কারে ফেলে দেওয়া হচ্ছে। সেখানে তারা মারা যাচ্ছে। মেয়েদের কেবল সন্তান জন্ম দেওয়ার যন্ত্র হিসেবেই ব্যবহার করা হত। যে শিশুরা পরবর্তীকালে সন্ত্রাসবাদী এবং সুইসাইড বম্বার হত, কেবল তাদের বাঁচিয়ে রাখা হত।

    আরও পড়ুুন: ‘পিসি দেয় ৫, তো ভাইপোর ২৫’! শুভেন্দু কেন বললেন জানেন?

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • The Kerala Story: আবার দেখানো যাবে রাজ্যে! ‘দ্য কেরালা স্টোরি’র উপর নিষেধাজ্ঞায় স্থগিতাদেশ সুপ্রিম কোর্টের

    The Kerala Story: আবার দেখানো যাবে রাজ্যে! ‘দ্য কেরালা স্টোরি’র উপর নিষেধাজ্ঞায় স্থগিতাদেশ সুপ্রিম কোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সুপ্রিম কোর্টে (Supreme Court) জোর ধাক্কা খেল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) নেতৃত্বাধীন রাজ্য সরকার। দিন কয়েক আগে বাংলায় ‘দ্য কেরালা স্টোরি’ (The Kerala Story) প্রদর্শনের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিল মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার। বৃহস্পতিবার সেই নিষেধাজ্ঞায় স্থগিতাদেশ দিল দেশের শীর্ষ আদালত। সুপ্রিম কোর্টের পর্যবেক্ষণ, দেশের সব রাজ্যেই প্রদর্শিত হচ্ছে ‘দ্য কেরালা স্টোরি’। কোথাও কোনও অশান্তির খবর মেলেনি। বাংলায়ও যে তিন দিন ছবিটি চলেছে, তাতেও তেমন কোনও অশান্তির নজির নেই। তাই রাজ্য সরকারের নিষেধাজ্ঞায় আপাতত স্থগিতাদেশ জারি করা হয়েছে।

    ‘দ্য কেরালা স্টোরি’ (The Kerala Story) নিয়ে আদালতের পর্যবেক্ষণ

    এদিন শুনানির সময় পশ্চিমবঙ্গ সরকারকে অসহিষ্ণু আখ্যা দেন সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড়। তিনি বলেন, “অসহিষ্ণুতা সহ্য করা যায় না। প্রকাশ্যে আবেগ প্রদর্শনের ভিত্তিতে বাক-স্বাধীনতার মৌলিক অধিকার নির্ধারণ করা যায় না। আবেগের প্রকাশ্য প্রদর্শন রাষ্ট্র দ্বারা নিয়ন্ত্রিত করতে হবে”।

    ছবি (The Kerala Story) নির্মাতাদের তরফে আইনজীবী বলেন, “এই ছবি সিবিএফসির ছাড়পত্র পেয়েছে। এই ছবির বৈধ ছাড়পত্র রয়েছে। ছবির প্রদর্শন বন্ধ করলে এই ছাড়পত্রকে চ্যালেঞ্জ জানানো হয়”। পশ্চিমবঙ্গ সরকারের আইনজীবী অভিষেক মনু সিংভি বলেন, “ওটিটিতে দেখানো নিয়ে আমাদের কোনও বিরোধিতা নেই। কিন্তু জনসমক্ষে এই ছবির প্রদর্শন নিয়ে আপত্তি রয়েছে। মোবাইলে এটা দেখা যেতে পারে”।

    অশান্তির খবর মেলেনি

    প্রধান বিচারপতি বলেন, “জনসমাজের ভাবাবেগের ওপর মত প্রকাশের মৌলিক অধিকার নির্ভর করতে পারে না। জনগণের ভাবাবেগের বিষয়টি নিয়ন্ত্রণ করা উচিত। আপনার যদি ভাল না লাগে, আপনি দেখবেন না”। তিনি জানান, নির্দিষ্ট করে বাংলার কোথাও এই ছবিকে (The Kerala Story) ঘিরে অশান্তি হলে, সেখানে ছবিটি নিষিদ্ধ করা যেত। কিন্তু কোনও অশান্তি ছাড়াই গোটা রাজ্যে ছবি নিষিদ্ধ করার কোনও যৌক্তিকতা খুঁজে পায়নি আদালত। দেশের শীর্ষ আদালতের পর্যবেক্ষণ, সিনেমাটি নিষিদ্ধ করে নাগরিকদের মৌলিক অধিকার খর্ব করা হয়েছে। শুধুমাত্র ভাবনার ভিত্তিতে এভাবে মৌলিক অধিকার খর্ব করা যায় না।

    আরও পড়ুুন: অভিষেক-কুন্তলকে কেন ৫০ লক্ষ টাকার জরিমানা করল হাইকোর্ট? এই হল আসল কারণ

    প্রসঙ্গত, গত ৫ মে মুক্তি পেয়েছে বাঙালি পরিচালক সুদীপ্ত সেনের ‘দ্য কেরালা স্টোরি’। ছবির বিষয়বস্তু সাম্প্রদায়িকতায় উসকানি দিচ্ছে বলে অভিযোগ তুলে রাজ্যে প্রদর্শনে নিষেধাজ্ঞা জারি করে তৃণমূল পরিচালিত রাজ্য সরকার। সেই নিষেধাজ্ঞায় এবার স্থগিতাদেশ দিল দেশের শীর্ষ আদালত। তাই এবার সিনেমা হলে গিয়েই দেখা যাবে ‘দ্য কেরালা স্টোরি’ (The Kerala Story)।

    মমতাকে ট্যুইট-বাণ শুভেন্দুর

    এই নিয়ে ট্যুইটারে মমতাকে কটাক্ষ করতে ছাড়েননি শুভেন্দু অধিকারী। সুপ্রিম কোর্টের রায়কে স্বাগত জানিয়ে মাইক্রো-ব্লগিং সাইটে বিরোধী দলনেতা লেখেন, ‘‘আপনার দায়িত্ব হল পুলিশকে পরিচালনা করা, নীতি পুলিশের কাজ করা নয়। আপনাকে যে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে সেটা আগে পালন করুন। কিন্তু তাতে তো রোজ ব্যর্থ হচ্ছেন। মানুষ কাকে গ্রহণ করবেন সেটা বাংলার মানুষের উপরেই ছেড়ে দিন। কোন বিষয়কে মানুষ প্রত্যাখান করবেন সেটাও মানুষের উপর ছেড়ে দিন। বাংলার মহান মানুষরা যথেষ্ট সহনশীল। তাঁদেরকে অন্যভাবে দাগিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করবেন না।’’

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     
  • The Kerala Story: ‘দ্য কেরালা স্টোরি’ নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের নোটিশের জবাব দিল রাজ্য, কী বলল?

    The Kerala Story: ‘দ্য কেরালা স্টোরি’ নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের নোটিশের জবাব দিল রাজ্য, কী বলল?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘দ্য কেরালা স্টোরি’ (The Kerala Story) নিষিদ্ধ করার কারণ জানতে চেয়ে পশ্চিমবঙ্গ সরকারকে নোটিশ দেয় সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court)। শেষমেশ সেই নোটিশের জবাব দিল রাজ্য সরকার। রাজ্য সরকারকে এই মর্মে নোটিশ দিয়েছিল সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড়ের নেতৃত্বাধীন ডিভিশন বেঞ্চ। বুধবার এই মামলার শুনানি হওয়ার কথা।

    ‘দ্য কেরালা স্টোরি’ (The Kerala Story) নিষিদ্ধ করার কারণ…

    ‘দ্য কেরালা স্টোরি’র নির্মাতা বাঙালি পরিচালক সুদীপ্ত সেন। ৫ মে মুক্তি পায় ছবিটি। তার পরেই শুরু হয় বিতর্ক। যার জেরে মুক্তির চার দিনের মাথায় ছবিটিকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করে তৃণমূল পরিচালিত রাজ্য সরকার। অভিযোগ, দ্য কেরালা স্টোরি সাম্প্রদায়িকতাকে উসকানি দিচ্ছে। অশান্তি এড়াতে ছবিটিকে (The Kerala Story) এ রাজ্যে নিষিদ্ধ ঘোষণা করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি জানান, রাজ্যের শান্তিশৃঙ্খলা বজায় রাখতেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

    মুখ্যমন্ত্রীর এই নির্দেশের পরেই সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হন ছবির নির্মাতারা। সেন্সর বোর্ডের ছাড়পত্র থাকা সত্ত্বেও বাংলায় কেন দেখানো হবে না এই ছবি? কারণ জানতে চান তাঁরা। মামলার শুনানি হয় সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড়ের নেতৃত্বাধীন ডিভিশন বেঞ্চে। পশ্চিমবঙ্গে ছবিটির নিষেধাজ্ঞা আরোপের সিদ্ধান্তের সমালোচনাও করে সুপ্রিম কোর্ট। প্রধান বিচারপতির প্রশ্ন, ‘ভারতের অন্যান্য অংশেও এই ছবি মুক্তি পেতে পারলে পশ্চিমবঙ্গ নয় কেন?’

    আরও পড়ুুন: কাশ্মীরে জি২০-র বৈঠক কেন? প্রশ্ন তোলায় ভারতের নিশানায় রাষ্ট্রসংঘের বিশেষ প্রতিবেদক

    তার পরেই রাজ্য সরকারকে নোটিশ দেয় দেশের শীর্ষ আদালত। এর আগেও রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছিল, ছবিটি (The Kerala Story) পক্ষপাতদুষ্ট। এখানে তথ্য বিকৃত করা হয়েছে যা একটি বিশেষ সম্প্রদায়ের ভাবাবেগে আঘাত হানতে পারে। রাজ্যের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও আইনশৃঙ্খলার পরিবেশ নষ্টের আশঙ্কাও রয়েছে বলে জানিয়েছে পশ্চিমবঙ্গ সরকার। সরকারের দাবি, মামলাকারী কলকাতা হাইকোর্ট আবেদন করতে পারতেন, কারণ হাইকোর্টে এই সিনেমা সংক্রান্ত আরও চারটি মামলা হয়েছে। রাজ্যের তরফে সুপ্রিম কোর্টে হলফনামা জমা করেন আইনজীবী আস্থা শর্মা। সেই হলফনামায় বলা হয়েছে, ওই ছবিতে এমন একাধিক দৃশ্য রয়েছে, যা ভাবাবেগে আঘাত করতে পারে। এদিন হলফনামায় ফের একবার গোয়েন্দা রিপোর্টের কথা উল্লেখ করেছে রাজ্য সরকার। রাজ্যের দাবি, ৫ মে ৯০টি সিনেমা হলে ছবিটি মুক্তি পাওয়ার পরেই রাজ্যের কাছে খবর আসে, অশান্তির সম্ভাবনা রয়েছে। তার পরেই নিষিদ্ধ করা হয় ছবিটি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

LinkedIn
Share