Tag: The Kerala Story-2

  • The Kerala Story-2: ‘দ্য কেরালা স্টোরি ২’ লাভ জিহাদের অন্ধকার দিক বর্ণনা করলেন ভুক্তভোগীরা, হিন্দু মেয়েদের করলেন সতর্ক

    The Kerala Story-2: ‘দ্য কেরালা স্টোরি ২’ লাভ জিহাদের অন্ধকার দিক বর্ণনা করলেন ভুক্তভোগীরা, হিন্দু মেয়েদের করলেন সতর্ক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লাভ জিহাদ (Love Jihad), হিন্দু ধর্মের মেয়েদের প্রমের জালে ফাঁসিয়ে জোর করে ধর্মান্তর করার প্রবণতা কতটা মারাত্মক সেই কথা আরও একাবার উঠে এসেছে ‘দ্য কেরালা স্টোরি ২’ সিনেমায় (The Kerala Story-2)। তবে সিনেমাতে বাস্তবে ঘটা মেয়েদের দুর্বিষহ জীবনের কথাকে ঘিরেই কাহিনিকে তুলে ধরা হয়েছে। সম্প্রতি, দিল্লিতে একটি সাংবাদিক সম্মলেন করে নির্যাতিতাদের কথা তুলে ধরেন চিত্র পরিচালক। মুসলিম যুবকরা প্রেমের জালে জড়িয়ে প্রথমে বিবাহ এবং এরপর জোর করে ইসলাম ধর্মে ধর্মান্তকরণের মতো ঘটনা নির্যাতিতাদের অভিজ্ঞতা নিয়ে একটি বিশেষ প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে। এখানে মহিলারা তাঁদের সঙ্গে ঘটে যাওয়া ভয়াবহ অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরেছেন এবং সমাজকে বিশেষ করে হিন্দু মেয়েদের সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছেন।

    নির্যাতিতাদের জবানবন্দি (The Kerala Story-2)

    একটি বিশেষ সাক্ষাৎকরে কয়েকজন মহিলা তাঁদের নিজের জীবনে ঘটে যাওয়া কথার উল্লেখ করে বলেন, “লাভ জিহাদ-এর (Love Jihad) শিকার হয়েছি আমরা। রীতিমতো মিথ্যা পরিচয় দিয়ে বা প্রেমের ফাঁদে ফেলে আমাদের ধর্ম পরিবর্তন করতে বাধ্য করা হয়েছিল।” ভুক্তভোগীদের মতে, এটি কেবল একটি ব্যক্তিগত সম্পর্ক নয়, বরং এর (The Kerala Story-2) পেছনে একটি পরিকল্পিত ষড়যন্ত্র কাজ করে। বড় ধরনের একটি সাংগঠনিক শক্তি এই গোটা সিস্টেমকে পরিচালনা করছে।

    প্রতারণার কৌশল

    নির্যাতিতারা বলেন, “অভিযুক্তরা প্রথমে খুব দয়ালু এবং যত্নশীল হিসেবে নিজেদের উপস্থাপন করে। ধীরে ধীরে তারা মেয়েদের পরিবার থেকে বিচ্ছিন্ন করে ফেলে এবং মানসিকভাবে দুর্বল করে দেয়। এরপর বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে ধর্ম পরিবর্তন ধর্মান্তকরণ এবং অনেক ক্ষেত্রে চরমপন্থার দিকে ঠেলে দেওয়ার চেষ্টা করে। পরিবার এবং আত্মীয়দের দ্বারা শরীরিক এবং মানসিক নির্যাতন করে। প্রতি পদে পদে অত্যাচারের মাত্রা এতোটাই করে যে সাধারণ ভাবে বেঁচে থাকাকার মনোবল কেড়ে নেওয়া হয়।

    ‘দ্য কেরালা স্টোরি ২’-এর প্রেক্ষাপট

    প্রথম ছবির সাফল্যের পর, দ্বিতীয় সিরিজে (The Kerala Story-2) আরও অনেক বাস্তব ঘটনা তুলে ধরা হয়েছে। সিনেমা নির্মাতাদের দাবি, এই ছবিটি কেবল বিনোদনের জন্য নয়, বরং সমাজকে একটি বিশেষ বিপদ সম্পর্কে সচেতন করার জন্য তৈরি করা হয়েছে। ছবির মাধ্যমে দেখানো হয়েছে কীভাবে আন্তর্জাতিক স্তরে কিছু গোষ্ঠী এই ধর্মান্তকরণ প্রক্রিয়ায় মদত দিচ্ছে। আর এই কাজে অমুসলিম সম্প্রদায়ের মেয়েদের (Love Jihad) বেশি করে টার্গেট করা হয়েছে।

    সতর্কবার্তা ও আবেদন

    অনুষ্ঠানে উপস্থিত ভুক্তভোগীরা বর্তমান প্রজন্মের হিন্দু কন্যাদের প্রতি বিশেষ আবেদন জানিয়েছেন। তাদের বক্তব্য অনুযায়ী যা যা করা উচিত তা হল-

    • ● অচেনা বা স্বল্প পরিচিত ব্যক্তিদের ওপর অন্ধবিশ্বাস না করা।
    • ● কারো সাথে সম্পর্কে জড়ানোর আগে তার পারিবারিক ও সামাজিক পরিচয় ভালোভাবে যাচাই করা।
    • ● ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক মূল্যবোধ সম্পর্কে সচেতন থাকা।
    • ● কোনও প্রকার অস্বাভাবিক চাপ বা ধর্মান্তকরণের ইঙ্গিত পেলে তৎক্ষণাৎ পরিবার বা প্রশাসনকে জানানো।

    সব চাপা পড়ে থাকা যন্ত্রণার কথা

    নিজেদের সাক্ষাৎকার দেওয়ার সময় পরিস্থিতির শিকার মেয়েরা (Love Jihad) বলেন, এই ধরনের ঘটনাগুলো কেবল কেরলে সীমাবদ্ধ নেই, বরং ভারতের বিভিন্ন প্রান্তে ছড়িয়ে পড়ছে। তাই সামাজিক সচেতনতা এবং আইনি কঠোরতা বজায় রাখা অত্যন্ত প্রয়োজন। সমাজে সকলের মধ্যে নিরাপত্তা এবং সুরক্ষানীতি অবলম্বন করা উচিত। এটি একটি সম্মিলিত সংগঠিত অপরাধ। সরকার এবং সামাজিক স্তরে কাজ করা দরকার। আমাদের জীবনের এই যন্ত্রণাদায়ক অভিজ্ঞতাগুলো শেয়ার করার একমাত্র উদ্দেশ্য হল যাতে আর কোনও মেয়েকে এই ধরনের পরিস্থিতির শিকার হতে না হয়। ‘দ্য কেরালা স্টোরি ২’ (The Kerala Story-2) সেই সব চাপা পড়ে থাকা যন্ত্রণার কথাগুলোই বড় পর্দায় তুলে ধরার চেষ্টা করেছে।

    প্রেমের ফাঁদে ফেলে বিয়ে

    গত ২৩ ফেব্রুয়ারি দিল্লিতে সাংবাদিক বৈঠক করেন বিপুল ও ছবির পরিচালক কামাখ্যা নারায়ণ সিং। সেখানে ৩৩ জন মহিলা উপস্থিত ছিলেন, যাঁদের ইসলাম গ্রহণে বাধ্য করা হয়েছে বলে অভিযোগ। নিজের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে রাঁচির জাতীয় স্তরের শুটার তারা সহদেও বলেন, “রঞ্জিত কোহিল পরিচয়ে প্রেমের ফাঁদে ফেলে তাঁকে বিয়ে করেন রাকিবুল হাসান। পরে কোনও মতে তাঁর বাড়ি থেকে পালিয়ে কোর্টের দ্বারস্থ হন। রাকিবুল ও তাঁর মায়ের জেল হয়।” আবার বিপুলের দাবি, মাঝেমধ্যে শুনি, ভারতে লাভ জিহাদ (Love Jihad) বা জোর করে ধর্মান্তরকরণ হচ্ছে না। তাই আমরা ভুক্তভোগীদের হাজির করেছি।”

    মুখ্যমন্ত্রী পিনারাই বিজয়ন এই সিনেমায় (The Kerala Story-2) কেরলের নাম জুড়ে দেওয়ার বিরোধিতা করেছেন। পরিচালক–অভিনেতা অনুরাগ কাশ্যপ ছবিটিকে ‘প্রোপাগান্ডা’ চিহ্নিত করেছেন। অপর দিকে বামপন্থী সংগঠন সিনেমার বিরোধীতা করে প্রকাশ্যে গো মাংস ভক্ষণ উৎসব করেছে।

LinkedIn
Share