Tag: The Kerala Story-2

  • The Kerala Story-2: কেরালা স্টোরি-২ সিনেমায় আদালতের প্রতিবন্ধকতা! বাস্তবে লাভ জিহাদের পরিসংখ্যান কত জানেন?

    The Kerala Story-2: কেরালা স্টোরি-২ সিনেমায় আদালতের প্রতিবন্ধকতা! বাস্তবে লাভ জিহাদের পরিসংখ্যান কত জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চলচ্চিত্র জগত এবং আইনি লড়াইয়ের আঙিনায় আবারও চর্চার কেন্দ্রে ‘দ্য কেরালা স্টোরি ২’ (The Kerala Story-2)। সিনেমার মুক্তির উপর প্রতিবন্ধকতা আরোপ করেছে কোর্ট। সম্প্রতি কেরল হাইকোর্ট (Kerala High Court) এই সিনেমার প্রদর্শনী বা মুক্তির ওপর স্থগিতাদেশ দিলেও, সিনেমার মূল ভিত্তি অর্থাৎ যে পরিসংখ্যানের ওপর দাঁড়িয়ে এই ছবি নির্মিত, তা নিয়ে বিতর্ক থামছে না। ছবি নির্মাতাদের দাবি, “আদালত সিনেমাটি আটকাতে পারলেও বাস্তব তথ্য এবং পরিসংখ্যানকে মুছে ফেলা সম্ভব নয়।”

    আদালতের পর্যবেক্ষণ ও স্থগিতাদেশ (The Kerala Story-2)

    এই ছবিটি ২০২৩ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত ‘দ্য কেরালা স্টোরি’-র (The Kerala Story-2) সিক্যুয়েল। প্রথম পর্বের মতো এই ছবিতেও প্রতারণামূলক ধর্মান্তকরণের বিষয়টি অন্বেষণ করা হয়েছে। তবে এবার গল্পের পরিধি কেরালার বাইরে মধ্যপ্রদেশ, রাজস্থান এবং উত্তরপ্রদেশ পর্যন্ত বিস্তৃত। ছবির ট্রেলারে দাবি করা হয়েছে যে এটি বাস্তব ঘটনা দ্বারা অনুপ্রাণিত, আর এই দাবিই বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। কিছু চলচ্চিত্র নির্মাতা এবং স্বঘোষিত ধর্মনিরপেক্ষবাদীরা একে ‘প্রোপাগান্ডা’ বলে অভিহিত করেছেন।

    বিতর্কিত বিষয়বস্তু এবং নির্দিষ্ট সম্প্রদায়ের ভাবাবেগে আঘাত লাগতে পারে — এই যুক্তিতে সিনেমাটির মুক্তি আপাতত স্থগিত রাখা হয়েছে। আদালতের মতে, সিনেমার দৃশ্যায়ন বা সংলাপ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্ট করতে পারে। তবে ছবির নির্মাতারা একে ‘অভিব্যক্তির স্বাধীনতার’ ওপর আঘাত হিসেবে দেখছেন।

    সংবেদনশীল তথ্য ও পরিসংখ্যান

    সিনেমার (The Kerala Story-2) প্রথম পর্বে কেরল থেকে নারীদের ধর্মান্তকরণ এবং আইসিসে (ISIS) যোগদানের বিষয়টি তুলে ধরা হয়েছিল। দ্বিতীয় পর্বেও একই ধরণের সংবেদনশীল তথ্য ও পরিসংখ্যান ব্যবহারের দাবি করা হয়েছে। নির্মাতাদের দাবি, যে তথ্যগুলি সংগ্রহ করেছেন তা বিভিন্ন গোয়েন্দা রিপোর্ট এবং বাস্তব জীবনের ঘটনার ওপর ভিত্তি করে তৈরি। আদালত ছবির মুক্তি আটকালেও, বাস্তব পরিস্থিতি বা সংখ্যাতত্ত্ব বদলে যাব না।

    আদালত আইন শৃঙ্খলা এবং শ্লীলতা নিয়ে কাজ করবে, কিন্তু সমাজকেও অন্তর্দৃষ্টি দিয়ে দেখতে হবে যে তারা কঠিন প্রশ্নের মুখোমুখি হতে প্রস্তুত কি না। ২০১১ সালের আদমশুমারি (Census) দেখায় যে কেরলে মুসলিম জনসংখ্যা ছিল ২৬.৫৬ শতাংশ, যা ১৯৫১ সালে ছিল ১৭.৪ শতাংশ। ২০০১ থেকে ২০১১ সালের মধ্যে মুসলিম জনসংখ্যা ১২.৮ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে, যেখানে রাজ্যের সামগ্রিক জনসংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে ৪.৯ শতাংশ। একই সময়ে হিন্দুদের বৃদ্ধির হার ছিল ২.২৩ শতাংশ এবং খ্রিস্টানদের ১.৩৮ শতাংশ। স্পষ্টতই, বৃদ্ধির হারে একটি বড় অসঙ্গতি রয়েছে। শুধুমাত্র ধর্মান্তকরণই এর একমাত্র কারণ নয়; উচ্চ প্রজনন হার, সামাজিক জন বিন্যাসের ভারসাম্য এবং অন্যান্য কারণকে ভালো করে খুঁজে দেখতে হবে। ফলে ধর্মান্তকরণকে পুরোপুরি অস্বীকার করা হবে বাস্তব তথ্যের প্রতি চোখ বন্ধ করে থাকা।

    ২০১২ সালে তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী উম্মেন চান্ডি কেরল বিধানসভায় জানিয়েছিলেন যে, ২০০৬ থেকে ২০১২ সালের মধ্যে ৭,৭১৩ জন ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেছেন, যাদের মধ্যে ২,৬৬৭ জন ছিলেন তরুণী। রিপোর্ট অনুযায়ী, বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই আন্তঃধর্মীয় বিবাহ জড়িয়ে ছিল।

    দায়বদ্ধতার এক দীর্ঘ লড়াই

    সমালোচকদের একাংশ মনে করছেন, এই ধরণের সিনেমা (The Kerala Story-2) সমাজে মেরুকরণ তৈরি করে এবং একটি নির্দিষ্ট রাজ্যের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করে। অন্যদিকে, সমর্থকদের দাবি, সেন্সরশিপ বা আইনি বাধা দিয়ে কঠিন সত্যকে ধামাচাপা দেওয়া যায় না। ‘দ্য কেরালা স্টোরি ২’ নিয়ে তৈরি হওয়া এই জটিলতা আসলে শৈল্পিক স্বাধীনতা বনাম সামাজিক দায়বদ্ধতার এক দীর্ঘ লড়াইয়েরই অংশ।

    আপাতত আইনি গেরোয় (Kerala High Court) বন্দি হয়ে থাকলেও, ‘দ্য কেরালা স্টোরি ২’ নিয়ে বিতর্ক জনমানসে এবং সোশ্যাল মিডিয়ায় তুঙ্গে। ছবিটির ভবিষ্যৎ কী হবে তা উচ্চতর আদালতের রায়ের ওপর নির্ভর করলেও, এই সিনেমা যে পরিসংখ্যানের লড়াই শুরু করেছে, তা সহজে হারিয়ে যাওয়ার নয়।

  • The Kerala Story-2: ‘দ্য কেরালা স্টোরি ২’ লাভ জিহাদের অন্ধকার দিক বর্ণনা করলেন ভুক্তভোগীরা, হিন্দু মেয়েদের করলেন সতর্ক

    The Kerala Story-2: ‘দ্য কেরালা স্টোরি ২’ লাভ জিহাদের অন্ধকার দিক বর্ণনা করলেন ভুক্তভোগীরা, হিন্দু মেয়েদের করলেন সতর্ক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লাভ জিহাদ (Love Jihad), হিন্দু ধর্মের মেয়েদের প্রমের জালে ফাঁসিয়ে জোর করে ধর্মান্তর করার প্রবণতা কতটা মারাত্মক সেই কথা আরও একাবার উঠে এসেছে ‘দ্য কেরালা স্টোরি ২’ সিনেমায় (The Kerala Story-2)। তবে সিনেমাতে বাস্তবে ঘটা মেয়েদের দুর্বিষহ জীবনের কথাকে ঘিরেই কাহিনিকে তুলে ধরা হয়েছে। সম্প্রতি, দিল্লিতে একটি সাংবাদিক সম্মলেন করে নির্যাতিতাদের কথা তুলে ধরেন চিত্র পরিচালক। মুসলিম যুবকরা প্রেমের জালে জড়িয়ে প্রথমে বিবাহ এবং এরপর জোর করে ইসলাম ধর্মে ধর্মান্তকরণের মতো ঘটনা নির্যাতিতাদের অভিজ্ঞতা নিয়ে একটি বিশেষ প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে। এখানে মহিলারা তাঁদের সঙ্গে ঘটে যাওয়া ভয়াবহ অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরেছেন এবং সমাজকে বিশেষ করে হিন্দু মেয়েদের সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছেন।

    নির্যাতিতাদের জবানবন্দি (The Kerala Story-2)

    একটি বিশেষ সাক্ষাৎকরে কয়েকজন মহিলা তাঁদের নিজের জীবনে ঘটে যাওয়া কথার উল্লেখ করে বলেন, “লাভ জিহাদ-এর (Love Jihad) শিকার হয়েছি আমরা। রীতিমতো মিথ্যা পরিচয় দিয়ে বা প্রেমের ফাঁদে ফেলে আমাদের ধর্ম পরিবর্তন করতে বাধ্য করা হয়েছিল।” ভুক্তভোগীদের মতে, এটি কেবল একটি ব্যক্তিগত সম্পর্ক নয়, বরং এর (The Kerala Story-2) পেছনে একটি পরিকল্পিত ষড়যন্ত্র কাজ করে। বড় ধরনের একটি সাংগঠনিক শক্তি এই গোটা সিস্টেমকে পরিচালনা করছে।

    প্রতারণার কৌশল

    নির্যাতিতারা বলেন, “অভিযুক্তরা প্রথমে খুব দয়ালু এবং যত্নশীল হিসেবে নিজেদের উপস্থাপন করে। ধীরে ধীরে তারা মেয়েদের পরিবার থেকে বিচ্ছিন্ন করে ফেলে এবং মানসিকভাবে দুর্বল করে দেয়। এরপর বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে ধর্ম পরিবর্তন ধর্মান্তকরণ এবং অনেক ক্ষেত্রে চরমপন্থার দিকে ঠেলে দেওয়ার চেষ্টা করে। পরিবার এবং আত্মীয়দের দ্বারা শরীরিক এবং মানসিক নির্যাতন করে। প্রতি পদে পদে অত্যাচারের মাত্রা এতোটাই করে যে সাধারণ ভাবে বেঁচে থাকাকার মনোবল কেড়ে নেওয়া হয়।

    ‘দ্য কেরালা স্টোরি ২’-এর প্রেক্ষাপট

    প্রথম ছবির সাফল্যের পর, দ্বিতীয় সিরিজে (The Kerala Story-2) আরও অনেক বাস্তব ঘটনা তুলে ধরা হয়েছে। সিনেমা নির্মাতাদের দাবি, এই ছবিটি কেবল বিনোদনের জন্য নয়, বরং সমাজকে একটি বিশেষ বিপদ সম্পর্কে সচেতন করার জন্য তৈরি করা হয়েছে। ছবির মাধ্যমে দেখানো হয়েছে কীভাবে আন্তর্জাতিক স্তরে কিছু গোষ্ঠী এই ধর্মান্তকরণ প্রক্রিয়ায় মদত দিচ্ছে। আর এই কাজে অমুসলিম সম্প্রদায়ের মেয়েদের (Love Jihad) বেশি করে টার্গেট করা হয়েছে।

    সতর্কবার্তা ও আবেদন

    অনুষ্ঠানে উপস্থিত ভুক্তভোগীরা বর্তমান প্রজন্মের হিন্দু কন্যাদের প্রতি বিশেষ আবেদন জানিয়েছেন। তাদের বক্তব্য অনুযায়ী যা যা করা উচিত তা হল-

    • ● অচেনা বা স্বল্প পরিচিত ব্যক্তিদের ওপর অন্ধবিশ্বাস না করা।
    • ● কারো সাথে সম্পর্কে জড়ানোর আগে তার পারিবারিক ও সামাজিক পরিচয় ভালোভাবে যাচাই করা।
    • ● ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক মূল্যবোধ সম্পর্কে সচেতন থাকা।
    • ● কোনও প্রকার অস্বাভাবিক চাপ বা ধর্মান্তকরণের ইঙ্গিত পেলে তৎক্ষণাৎ পরিবার বা প্রশাসনকে জানানো।

    সব চাপা পড়ে থাকা যন্ত্রণার কথা

    নিজেদের সাক্ষাৎকার দেওয়ার সময় পরিস্থিতির শিকার মেয়েরা (Love Jihad) বলেন, এই ধরনের ঘটনাগুলো কেবল কেরলে সীমাবদ্ধ নেই, বরং ভারতের বিভিন্ন প্রান্তে ছড়িয়ে পড়ছে। তাই সামাজিক সচেতনতা এবং আইনি কঠোরতা বজায় রাখা অত্যন্ত প্রয়োজন। সমাজে সকলের মধ্যে নিরাপত্তা এবং সুরক্ষানীতি অবলম্বন করা উচিত। এটি একটি সম্মিলিত সংগঠিত অপরাধ। সরকার এবং সামাজিক স্তরে কাজ করা দরকার। আমাদের জীবনের এই যন্ত্রণাদায়ক অভিজ্ঞতাগুলো শেয়ার করার একমাত্র উদ্দেশ্য হল যাতে আর কোনও মেয়েকে এই ধরনের পরিস্থিতির শিকার হতে না হয়। ‘দ্য কেরালা স্টোরি ২’ (The Kerala Story-2) সেই সব চাপা পড়ে থাকা যন্ত্রণার কথাগুলোই বড় পর্দায় তুলে ধরার চেষ্টা করেছে।

    প্রেমের ফাঁদে ফেলে বিয়ে

    গত ২৩ ফেব্রুয়ারি দিল্লিতে সাংবাদিক বৈঠক করেন বিপুল ও ছবির পরিচালক কামাখ্যা নারায়ণ সিং। সেখানে ৩৩ জন মহিলা উপস্থিত ছিলেন, যাঁদের ইসলাম গ্রহণে বাধ্য করা হয়েছে বলে অভিযোগ। নিজের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে রাঁচির জাতীয় স্তরের শুটার তারা সহদেও বলেন, “রঞ্জিত কোহিল পরিচয়ে প্রেমের ফাঁদে ফেলে তাঁকে বিয়ে করেন রাকিবুল হাসান। পরে কোনও মতে তাঁর বাড়ি থেকে পালিয়ে কোর্টের দ্বারস্থ হন। রাকিবুল ও তাঁর মায়ের জেল হয়।” আবার বিপুলের দাবি, মাঝেমধ্যে শুনি, ভারতে লাভ জিহাদ (Love Jihad) বা জোর করে ধর্মান্তরকরণ হচ্ছে না। তাই আমরা ভুক্তভোগীদের হাজির করেছি।”

    মুখ্যমন্ত্রী পিনারাই বিজয়ন এই সিনেমায় (The Kerala Story-2) কেরলের নাম জুড়ে দেওয়ার বিরোধিতা করেছেন। পরিচালক–অভিনেতা অনুরাগ কাশ্যপ ছবিটিকে ‘প্রোপাগান্ডা’ চিহ্নিত করেছেন। অপর দিকে বামপন্থী সংগঠন সিনেমার বিরোধীতা করে প্রকাশ্যে গো মাংস ভক্ষণ উৎসব করেছে।

LinkedIn
Share