Tag: Tihar Jail

Tihar Jail

  • Anubrata Mondal: জামিন পেলেও এখনই ছাড়া পাচ্ছেন না কেষ্ট মণ্ডল, থাকতে হবে তিহাড়েই

    Anubrata Mondal: জামিন পেলেও এখনই ছাড়া পাচ্ছেন না কেষ্ট মণ্ডল, থাকতে হবে তিহাড়েই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গরুপাচার মামলায় জামিন পেয়েছেন অনুব্রত মণ্ডল ওরফে কেষ্ট (Anubrata Mondal)। মঙ্গলবার সুপ্রিম কোর্টে বীরভূমের এই তৃণমূল নেতার জামিন মঞ্জুর করেছেন বিচারপতি বেলা এম ত্রিবেদী এবং সতীশচন্দ্র শর্মার ডিভিশেন বেঞ্চ। এদিন সিবিআইয়ের মামলায় জামিন পেলেও ইডির মামলায় এখনও জেলেই রয়েছেন তিনি। তবে আদালত নির্দেশ দিয়েছে, তাঁর পাসপোর্ট জমা রাখতে হবে, মামলার তদন্তে সহযোগিতা করতে হবে এবং সাক্ষীদের কোনও ভাবেই প্রভাবিত করতে পারবেন না।

    ২০২২ সালে গ্রেফতার হয়েছিলেন(Anubrata Mondal)

    গরুপাচার মামলায় ২০২২ সালে অগাস্ট মাসের মাঝামাঝি সময়ে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সিবিআইয়ের (CBI) হাতে গ্রেফতার হয়েছিলেন বীরভূমের তৃণমূল জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল (Anubrata Mondal)। এরপর তাঁকে প্রথমে আসানসোল সংশোধনাগারে রাখা হয়। তারপর তাঁকে দিল্লির তিহাড় জেলে স্থানান্তর করা হয়। আবার ইডি আর্থিক দুর্নীতি মামলায় ওই বছরের নভেম্বর মাসেই গ্রেফতার করেছিল। এরপর থেকে টানা জেলে বন্দি রয়েছেন এই তৃণমূল নেতা। তবে ইডির দায়ের করা মামলা দ্রুত দিল্লির আদালতে শুনানি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। যদিও আগে বেশ কয়েকবার জামিনের আবেদন করলেও প্রভাবশালী বলে কেষ্টর আবেদন খারিজ হয়ে গিয়েছিল। 

    আরও পড়ুনঃ জমি কাণ্ডে গ্রেফতার হওয়া তৃণমূল নেতা চুটকির কীর্তি জানলে চমকে যাবেন  

    আদালতে সওয়াল-জবাব

    মঙ্গলবার কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার পক্ষ (CBI) থেকে অনুব্রতের (Anubrata Mondal) জামিনের বিরোধিতা করে আইনজীবীরা বলেন, “মামলায় অনুব্রত বেশ প্রভাবশালী নেতা। জামিন পেলে সাক্ষ্য প্রমাণ লোপাট করতে পারেন।” পাল্টা কেষ্টর আইনজীবী মুকুল রহতগি আদালতে বলেছেন, “এই মামলায় অন্যতম অভিযুক্ত এনামুল হক ইতি মধ্যে জামিন পেয়েছেন। কিন্তু কেন আমার মক্কেলকে আটকে রাখা হয়েছে? এখনও বিচার প্রক্রিয়া শুরু হয়নি। অভিযোগ থাকলে আগে বিচার প্রক্রিয়া শুরু করুক।” এই প্রশ্নের উত্তরে বিচারপতি সিবিআইকে প্রশ্ন করেন, “কবে থেকে মামলা শুরু হবে?” উত্তরে সিবিআইয়ের আইনজীবী জানান, খুব দ্রুত মামলা শুরু হবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Arvind Kejriwal: রাজঘাটে শ্রদ্ধা জানিয়ে তিহাড়েই ফিরে গেলেন ‘অসহায়’ কেজরিওয়াল

    Arvind Kejriwal: রাজঘাটে শ্রদ্ধা জানিয়ে তিহাড়েই ফিরে গেলেন ‘অসহায়’ কেজরিওয়াল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নির্বাচন-পর্ব শেষ। শেষ হয়ে গিয়েছে অন্তর্বর্তী জামিনের মেয়াদও। সুপ্রিম কোর্টে জামিনের মেয়াদের আর্জি বাড়ানোর আবেদনও খারিজ হয়ে গিয়েছিল। তাই রবিবার বিকেলে তিহাড় জেলেই ফিরে গেলেন দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী তথা আম আদমি পার্টি সুপ্রিমো অরবিন্দ কেজরিওয়াল (Arvind Kejriwal)।

    জল্পনার অবসান (Arvind Kejriwal)

    শুক্রবারই তিনি ঘোষণা করেছিলেন, জেলে ফিরে যাওয়ার আগে বিকেল তিনটেয় গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা করবেন। এর পরেই জল্পনা ছড়ায়, তাহলে কী স্ত্রী সুনীতাকে কিংবা দলের অন্য কাউকে মুখ্যমন্ত্রীর কুর্সিতে বসিয়ে জেলে ফিরে যাবেন আপ প্রধান? এদিন দিনের শেষে অবশ্য দেখা গেল কোনও কিছু ঘোষণা না করেই তিহাড়ের নির্দিষ্ট সেলে ফিরে গিয়েছেন কেজরিওয়াল (Arvind Kejriwal)। তাঁর দলের তরফে সাফ জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, জেলে বসেই আগেই মতোই সরকার চালাবেন কেজরিওয়াল।

    কীভাবে চালাবেন সরকার?

    জেলে থেকেও তিনি যাতে সরকার পরিচালনা করতে পারেন, সে বিষয়ে অবিলম্বে সুপ্রিম কোর্টে আবেদন জানাবেন কেজরিওয়াল। আপের একটি অংশের দাবি, তিহাড় জেলের পরিবর্তে দিল্লির মুখ্যমন্ত্রীকে কোনও অতিথিশালায় বন্দি রাখা হোক। তাহলে সেখান থেকে সরকার পরিচালনা করা তাঁর পক্ষে অনায়াস হবে। যদিও জেলের আচরণবিধি অনুযায়ী, বিচারাধীন বন্দির যাবতীয় কার্যকলাপের ওপর নজর থাকে জেল কর্তৃপক্ষের। তাই অতিথিশালায় তিনি মন্ত্রিসভার কোনও বৈঠক ডাকলে (জেলে এই জাতীয় বৈঠক ডাকাই যায় না। মন্ত্রী কিংবা আধিকারিকরা কোনও ফাইলও সই করাতে আসতে পারেন না।) সেই আলোচনাও রেকর্ড করবেন তাঁরা। অথচ, আইন অনুযায়ী মন্ত্রিসভার বৈঠক সম্পূর্ণ গোপনীয়। মন্ত্রিসভার সদস্য এবং মুখ্যসচিব ছাড়া আর কেউ সেখানে থাকতে পারবেন না।

    আর পড়ুন: “মোদির ওপরই ভরসা রেখেছেন অরুণাচলবাসী”, বিপুল জয়ের পর বলছেন খাণ্ডু

    এদিকে, ১০ জুন পর্যন্ত জেরে জারি থাকবে নির্বাচন কমিশনের আদর্শ আচরণ বিধি। আইন অনুযায়ী, ততদিন নয়া কোনও পদক্ষেপ করতে পারবে না সরকার। তাই এই ক’দিন ফাইল সই কিংবা মন্ত্রিসভার বৈঠক, কোনও কিছুরই প্রয়োজন হবে না। প্রশ্ন হল, তার পরের দিন থেকে কী হবে? অন্যদিকে, এদিন বাড়ি থেকে বেরিয়ে স্ত্রী ও দলের নেতাদের নিয়ে কেজরিওয়াল প্রথমে যান রাজঘাটে, গান্ধীজির সমাধিতে শ্রদ্ধা জানাতে। সেখান থেকেই রওনা দেন তিহাড়ের উদ্দেশে।

    প্রসঙ্গত, দিল্লি আবগারি নীতি মামলায় মার্চে গ্রেফতার হয়েছিলেন কেজরিওয়াল। তার পর থেকে তিনি রয়েছেন তিহাড় জেলেই বন্দি। নির্বাচনী প্রচারে অংশ নেবেন বলে ছাড়া পান অন্তর্বর্তী জামিনে। পয়লা জুন শেষ হয়ে যায় সেই মেয়াদ (Arvind Kejriwal)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Anubrata Mondal: অনুব্রতের বাড়িতে উড়ছে ‘জয় শ্রীরাম’ লেখা পতাকা! কটাক্ষ বিরোধীদের

    Anubrata Mondal: অনুব্রতের বাড়িতে উড়ছে ‘জয় শ্রীরাম’ লেখা পতাকা! কটাক্ষ বিরোধীদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বীরভূমের (Bribhum) জেলা তৃণমূল সভাপতি তথা জেলবন্দি অনুব্রত মণ্ডলের (Anubrata Mondal)বোলপুরের বাড়িতে উড়ছে ‘জয় শ্রীরাম’-এর পতাকা। অনুব্রত জেলবন্দি থাকলেও পুলিশের নিরাপত্তাতেই রয়েছে দাপুটে এই তৃণমূল নেতার বাড়ি। কিন্তু তার মধ্যেই শনিবার সকালে দেখা গেল অন্য ছবি। পুলিশের ঘেরাটোপের মধ্যেও অনুব্রতর বাড়ির ছাদে উড়ল গেরুয়া পতাকা। যা নিয়ে ইতিমধ্যেই তৈরি হয়েছে নতুন বিতর্ক। 

    কে লাগাল পতাকা? (Anubrata Mondal)

    এক বছরের বেশির সময় বোলপুরের এই বাড়িতে নেই অনুব্রত (Anubrata Mondal) ও তাঁর কন্যা সুকন্যা। তিহাড় জেলে বন্দি তারা। তাঁর স্ত্রী গত হয়েছেন বেশ কয়েক বছর আগে। তবে কে লাগাল পতাকা? আগে একটা সময় ওই বাড়ির নীচে লাইন পড়ত মানুষের। এখন ফাঁকা পড়ে বাড়ি। নিরাপত্তারক্ষীরাই পাহারা দেন। মাঝে মাঝে আত্মীয়স্বজনরা আসেন। এছাড়া বাড়ির কাজের লোকেরাও মাঝে মধ্যে এসে ঘর পরিষ্কার করেন। তা ছাড়া আর কারও প্রবেশাধিকার নেই ওই বাড়িতে। বেশিরভাগ সময়েই তালবন্ধই হয়ে পড়ে থাকে। তালে  ‘জয় শ্রীরাম’ লেখা পতাকা ছাদের মাথায় কে লাগিয়ে গেল তা নিয়ে জল্পনা তৈরি হয়েছে। নিরপত্তারক্ষীরাও জানিয়েছেন, এ ব্যাপারে তারা কিছু জানেন না।    
    সম্প্রতি বীরভূমে (Bribhum) ভোট প্রচারে এসে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “কেষ্ট (Anubrata Mondal) ও তার মেয়েকে বন্দি করে রাখা হয়েছে, যাতে সে তৃণমূল করতে না পারে…আমি আপনাদের বলছি, দেখে নেবেন ভোটের পর ওদের ছেড়ে দেবে।”

     বিরোধীদের দাবি

    এ প্রসঙ্গে কংগ্রেস, সিপিএমের মতো বিরোধীদের দাবি, বিজেপির সঙ্গে তলায় তলায় বোঝাপড়া রয়েছে তৃণমূল নেতাদের। তারই প্রকাশ হল ছাদের পতাকায়। বীরভূম (Bribhum) সিপিএম এর জেলা সম্পাদক গৌতম ঘোষ বলেন, “ওদের সম্মতিতে এটা ঘটেছে। আমার কাছে যা খবর আছে তাতে মনে হয় ওদের পরিবারের লোকেরা তলে তলে বিজেপি করছে। এখন তৃণমূলের যা অবস্থান তাতে রাম নবমীর পতাকা ওরাই ঝোলাবে। আগে থেকে সবাই বুঝতে পারছেন যে, বিজেপির সঙ্গে যোগাযোগ রাখলেই বেরোনোর ছাড়পত্র পাওয়া যাচ্ছে। সেই কারণেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়েরাও যোগাযোগ রাখছেন। ফলে অনুব্রত (Anubrata Mondal) যদি বিজেপির সঙ্গে যোগাযোগ রেখে বেরিয়ে আসেন, তা হলে অবাক হওয়ার কিছু নেই।” অন্যদিকে কংগ্রেস নেতা জয়দেব মুখোপাধ্যায় সংবাদমাধ্যমকে বলেন, “আগেই বোলপুর এসে অধীর চৌধুরী বলে গিয়েছিলেন যে, অনুব্রত মণ্ডলকে (Anubrata Mondal) জেল থেকে বের হতে গেলে হাতে বিজেপির পতাকা নিয়ে বেরোতে হবে। ফলে সে রকম কোনও ঘটনা ঘটলে অবাক হওয়ার কিছু নেই।”

    আরও পড়ুন: “সকলে টাকা পায়, আমি কেন পাই না?”, ভোটপ্রচারে নেমে ফের বিক্ষোভের মুখে শতাব্দী!

    যদিও  এপ্রসঙ্গে দলের মুখপাত্র জামশেদ আলি খান বলেন, ‘‘অনুব্রত মণ্ডল (Anubrata Mondal) একজন ধর্মপরায়ণ মানুষ। ফলে তাঁর বাড়িতে যদি জয় শ্রীরামের পতাকা ওড়ে, তাতে অবাক হওয়ার কিছু নেই। আর রাম তো কারও একার নয়, বাড়িতে রামের পতাকা ঝুলবে, এতে অবাক হওয়ার কী আছে?’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Dev-Hiran: “ভোটের পর তিহাড়েই যাবেন দেব!”, নির্বাচনী প্রচারে আক্রমণ হিরণের

    Dev-Hiran: “ভোটের পর তিহাড়েই যাবেন দেব!”, নির্বাচনী প্রচারে আক্রমণ হিরণের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আর মাত্র কয়েকদিন বাকি লোকসভা ভোটের (lok sabha vote), আর এরই মধ্যে আবারও হিরণের নিশানায় তৃণমূল প্রার্থী দেব (Dev-Hiran)। ভোটের প্রচারে বেড়িয়ে এর আগে একাধিকবার দেবকে নিশানা করেছেন ঘাটাল লোকসভা কেন্দ্রের বিজেপি তারকা প্রার্থী হিরণ চট্টোপাধ্যায়। সম্প্রতি ফের প্রচারে নেমে ঘাটালের তৃণমূল তারকা প্রার্থী দেবকে নিয়ে মন্তব্য করলেন তিনি। “গরু পাচারের টাকা খেয়েছেন দেবও। ভোটের পর তিহাড়েই যাবেন দেব!” ভোটপ্রচারে (election campaign) বেরিয়ে কার্যত এমনই আক্রমণ করলেন ঘাটালের বিজেপি প্রার্থী। আর তার কিছুক্ষণের মধ্যেই পাল্টা জবাব দিলেন তৃণমূল প্রার্থী তথা বিদায়ী সাংসদ।

    কী বলেছিলেন হিরণ (Dev-Hiran)?

    বৃহস্পতিবার, লোকসভা ভোটের প্রচারে সবং ব্লকের ৭ নম্বর নারায়ণবাড় অঞ্চলে নির্বাচনী প্রচারে যান বিজেপি প্রার্থী হিরণ (Dev-Hiran)। সেখানে ভোটপ্রচারের সময় তিনি বলেন, ‘‘দেব, ভোট শেষ হলেই কলকাতায় পালিয়ে যান। এবারে ভোটের পরে কেউ পালাতে দেবে না। ভোটের পরে আপনাকে সবাই জবাব দেবে। ভোটের আগে আপনাকে সিবিআই-ইডি গ্রেফতার করছে না। কারণ আমরা চাই, নির্বাচনটা শান্তিপূর্ণ ভাবে হোক। ভোটের আগে কেউ কাউকে অ্যারেস্ট করবে না। কিন্তু ভোটের পরে আপনাকে তিহাড়ে জেলে (tihar jail) যেতে হবে। কারণ, গরু চুরির টাকা নিয়েছেন আপনিও।’’

    আরও পড়ুন: ইডির বিরুদ্ধে চিঠি দিয়ে নয়া ফন্দি! কুন্তলের পথেই কি শাহজাহান?

    দেবের পাল্টা জবাব

    হিরণের (Dev-Hiran) আক্রমণে ঘাটালের তৃণমূল প্রার্থী (TMC candidate) যে চাপে তা নিঃসন্দেহে বলা যায়। শনিবার বিকেলে তিনি সবং ব্লকের তেমাথানি বাজার, চাঁদকুড়ি বাজার, বড়সাহারা কালীমন্দির, খড়িকা বাসস্ট্যান্ড, দশগ্রাম বাসস্ট্যান্ড, দেহাটি বাসস্ট্যান্ড-সহ বেশ কিছু এলাকায় নির্বাচনী প্রচারে যান। সেখানে দেব বলেন, ‘‘হিরণ কে? তিনি বিজেপি প্রার্থী। ভগবান তো নন। আমার কাছে মানুষই ভগবান। মানুষ ভোটটা দিয়ে তাঁকেই বুঝিয়ে দেবেন, তিনি কত ভোটে হারবেন। ভগবান হচ্ছে মানুষ, হিরণ্ময় চট্টোপাধ্যায় (hiran chatterjee) নন।’’ যদিও দেবকে (Dev) হারিয়ে ঘাটাল জয় করতে আত্মবিশ্বাসী বিজেপির তারকা প্রার্থী হিরণ চট্টোপাধ্যায়। এখন পালা শুধু অপেক্ষার। সমস্ত জল্পনার অবসান হবে ৪ জুনেই।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • K Kavitha: সিবিআইয়ের হাতে গ্রেফতার কেসিআর-কন্যা কবিতা, তিহার জেলেই জিজ্ঞাসাবাদ

    K Kavitha: সিবিআইয়ের হাতে গ্রেফতার কেসিআর-কন্যা কবিতা, তিহার জেলেই জিজ্ঞাসাবাদ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দিল্লি আবগারি দুর্নীতি মামলায় ইডির হাতে আগেই গ্রেফতার হয়েছিলেন ভারত রাষ্ট্র সমিতির নেত্রী কে কবিতা (K Kavitha)। ওই একই মামলায় তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে তিহাড় জেলে গিয়েছিল সিবিআই। বৃহস্পতিবার তিহাড় জেলের ভিতর থেকেই তাঁকে গ্রেফতার করল সিবিআই। এর ফলে কেন্দ্রীয় এজেন্সির জোড়া ফলায় বিদ্ধ কবিতা।

    কী অভিযোগ

    দিল্লির আবগারি দুর্নীতি মামলায় গত ১৫ মার্চ দুপুরে কবিতার (K Kavitha) হায়দ্রাবাদের বাড়িতে হানা দেয় ইডি। চলে তল্লাশি এবং জিজ্ঞাসাবাদ। তার পর বিকেলে বাড়ি থেকেই তাঁকে গ্রেফতার করে দিল্লি নিয়ে যাওয়া হয়। ইডির গ্রেফতারি ‘বেআইনি’ বলে দাবি করেন কবিতা। গ্রেফতারিকে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থও হয়েছিলেন তিনি। তবে শীর্ষ আদালত তাঁর আবেদনে সাড়া দেয়নি। নিম্ন আদালতে জামিনের আবেদন জানানোর পরামর্শ দেওয়া হয়েছিল তাঁকে।এর পর নিম্ন আদালতে জামিনের আবেদন জানিয়েছিলেন কবিতা। তাঁর ১৬ বছরের পুত্র পরীক্ষা দেবে। এই সময়ে তার মায়ের সাহায্য প্রয়োজন। নিম্ন আদালতে এই যুক্তি দিয়েই অন্তর্বর্তিকালীন জামিন চেয়েছিলেন। কিন্তু দিল্লির রাউস অ্যাভিনিউ আদালত তাঁর অন্তর্বর্তী জামিনের আর্জি খারিজ করে দিয়েছে। গত মঙ্গলবার কবিতাকে ১৪ দিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ দেওয়া হয়। তার মাঝেই আবার তাঁকে গ্রেফতার করল সিবিআই।

    আরও পড়ুন: ‘‘অপ্রতিরোধ্য’’, মার্কিন পত্রিকা ‘নিউজউইক’-এর প্রচ্ছদে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি

    কেন গ্রেফতার

    আদালতের অনুমতিতে সিবিআই তাঁকে তিহার জেলের ভিতরেই জিজ্ঞাসাবাদ চালাচ্ছিল। সহ অভিযুক্তের ফোন থেকে তাঁর সঙ্গে হোয়াটস অ্যাপে কথোপকথনের বিষয়ে কবিতার (K Kavitha) বক্তব্য জানতে চেয়েছিল তদন্তকারী সংস্থা। বর্তমানে বাতিল দিল্লির আবগারি নীতিতে আম আদমি পার্টিকে `খুশি` করতে ঘুষ দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে কে কবিতার বিরুদ্ধে। এজন্য একটি জমি লেনদেনের নথি পাওয়া গিয়েছে এক অভিযুক্তের কাছে। গত ডিসেম্বরে আবগারি মামলায় ধৃত মণীশ সিসৌদিয়ার ঘনিষ্ঠ হিসাবে পরিচিত অমিত আরোরা নামে এক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছিল ইডি। তাঁর সূত্রেই কবিতার নাম উঠে আসে। মামলার চার্জশিটে ইডির অভিযোগ ছিল, দিল্লির তৎকালীন উপমুখ্যমন্ত্রী তথা মদ সংক্রান্ত নীতির ভারপ্রাপ্ত মন্ত্রী সিসৌদিয়া আবগারি নীতির পরিবর্তন ঘটিয়ে দক্ষিণ ভারতের যে ব্যবসায়িক সংস্থাকে সুবিধা পাইয়ে দিয়েছিলেন, কবিতা তার ৬৫ শতাংশের মালিক।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Arvind Kejriwal: কেজরিওয়ালের তিহাড় যাত্রা! ১৪ দিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ দিল কোর্ট

    Arvind Kejriwal: কেজরিওয়ালের তিহাড় যাত্রা! ১৪ দিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ দিল কোর্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সোমবারই দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী তথা আম আদমি পার্টির (আপ) প্রধান অরবিন্দ কেজরিওয়ালের (Arvind Kejriwal) ইডি হফাজতের মেয়াদ শেষ হয়। এদিন তাঁকে আদালতে হাজির করানো হয়। সোমবার নতুন করে ইডি কেজরিওয়ালকে নিজেদের হেফাজতে চায়নি। জেল হেফাজতের আর্জিই জানিয়েছিল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। আদালত সেই আবেদন মঞ্জুর করেছে এদিন। আগামী ১৫ এপ্রিল পর্যন্ত জেল হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছে আদালত।

    জেলে বই নিয়ে যেতে আর্জি 

    অন্যদিকে, কেজরিওয়াল (Arvind Kejriwal) জেলে বই নিয়ে যেতে চেয়ে আদালতের কাছে অনুমতি চান তাঁর আইনজীবী মারফত। তিনটি বই তিনি চেয়েছেন। ভগবত গীতা, রামায়ণ এবং সাংবাদিক নীরজা চৌধুরির লেখা প্রধানমন্ত্রীদের সম্পর্কে একটি বই। প্রসঙ্গত, দু’দফায় দিল্লির মুখ্যমন্ত্রীকে ইডি হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছিল দিল্লির রাউস অ্যাভিনিউ আদালত। আইনজীবী এসভি রাজু এদিন আদালতে ইডির হয়ে সওয়াল করেন। সোমবার আদালতে কেজরিওয়ালের (Arvind Kejriwal) হাজিরার সময় উপস্থিত ছিলেন তাঁর স্ত্রী সুনীতা। এছাড়া দিল্লির দুই মন্ত্রী অতিশী মারলেনা এবং সৌরভ ভরদ্বাজও এদিন হাজির ছিলেন আদালতে।

    তদন্তে সহযোগিতা করছেন না কেজরিওয়াল

    আদালতে ইডির তরফে সোমবার অভিযোগ জানানো হয়, তদন্তে কোনওভাবে সহযোগিতা করছেন না কেজরিওয়াল (Arvind Kejriwal)। অনেক প্রশ্নের উত্তর ইচ্ছাকৃতভাবে এড়িয়ে যাচ্ছেন তিনি। এমনকি, তদন্তের স্বার্থে নিজের মোবাইলের পাসওয়ার্ড দিতেও অস্বীকার করছেন তিনি। সেই সঙ্গে ইডি আরও জানিয়েছে কেজরিওয়ালের স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা হয়েছে। প্রয়োজনীয় ওষুধও তাঁকে দেওয়া হচ্ছে। দিল্লির বিজেপি সভাপতি বীরেন্দ্র সচদেব এদিন সাংবাদিকদের বলেন, ‘‘দিল্লিকে কে লুট করেছে, আশা করি মানুষ এবার দেখতে পাবে।’’ প্রসঙ্গত, আবগারি দুর্নীতি মামলায় গত ২১ মার্চ কেজরিওয়ালকে গ্রেফতার করে ইডি। টানা ৮ বার সমন এড়িয়ে যান তিনি। নবম বার সমন পাঠায় ইডি। কিন্তু সেসময় রক্ষাকবচ চেয়ে আদালতে যান কেজরিওয়াল। আদালতে তাঁর আর্জি খারিজ হয়। ২১ মার্চ রাতেই নিজের বাড়িতে ইডির হাতে গ্রেফতার হন তিনি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Satyendar Jain: কনম্যান সুকেশের অভিযোগ! জেলবন্দি আপ নেতা সত্যেন্দ্রর বিরুদ্ধে তদন্তে সিবিআই-ও

    Satyendar Jain: কনম্যান সুকেশের অভিযোগ! জেলবন্দি আপ নেতা সত্যেন্দ্রর বিরুদ্ধে তদন্তে সিবিআই-ও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জেলবন্দি আম আদমি পার্টির নেতা তথা দিল্লি সরকারের প্রাক্তন কারামন্ত্রী সত্যেন্দ্র জৈনের (Satyendar Jain) বিরুদ্ধে সিবিআই তদন্তের অনুমোদন দিল কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক। জানা গিয়েছে, ‘প্রিভেনশন অফ করাপশন অ্যাক্ট’-এর অধীনেই এই তদন্তের অনুমতি দিয়েছে অমিত শাহের মন্ত্রক। শুক্রবারই এই খবর সামনে এসেছে। দিল্লির প্রাক্তন মন্ত্রীর বিরুদ্ধে অভিযোগ, কনম্যান সুকেশ চন্দ্রশেখরকে জেলে নিরাপত্তা দেওয়ার নাম করে জোর পূর্বক তাঁর কাছ থেকে ১০ কোটি টাকা আদায় করেছিলেন সত্যেন্দ্র জৈন। প্রসঙ্গত, সত্যেন্দ্র জৈন ছাড়াও বর্তমানে আবগারি দুর্নীতিতে ইডির হাতে গ্রেফতার হয়েছেন দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল। একই অভিযোগে জেলে রয়েছেন দিল্লির প্রাক্তন উপমুখ্যমন্ত্রী মণীশ সিসোদিয়াও।

    অভিযুক্ত তিহার জেলের প্রাক্তন ডিরেক্টর জেনারেল সন্দীপ গোয়েলও  

    প্রসঙ্গত কারামন্ত্রী ছাড়াও সত্যেন্দ্র জৈন (Satyendar Jain) দিল্লির প্রদেশ সরকারের স্বাস্থ্য মন্ত্রকের দায়িত্বও সামলেছেন। ২০২২ সালের মে মাসে অন্য একটি আর্থিক দুর্নীতি মামলায় তাঁকে গ্রেফতার করে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইডি। সত্যেন্দ্র জৈনের পাশাপাশি তিহার জেলের প্রাক্তন ডিরেক্টর জেনারেল সন্দীপ গোয়েল এবং অন্যান্য বেশ কিছু আধিকারিকও একই অভিযোগে অভিযুক্ত হয়েছেন। জোরপূর্বক তাঁরা জেলে থাকার জন্য টাকা দাবি করেছেন কনম্যান সুকেশের কাছে। নিজের বিবৃতিতে এমনটাই জানিয়েছেন সুকেশ।

    সুকেশ চন্দ্রশেখরের দাবি 

    প্রসঙ্গত, সুকেশ চন্দ্রশেখর বর্তমানে তিহার জেলে বন্দি রয়েছেন। বেআইনি আর্থিক লেনদেনের মামলাতে। তিনিই দাবি করেছেন, ২০১৮ থেকে ২০২১ সালের মধ্যে তৎকালীন দিল্লির সরকারের গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রী সত্যেন্দ্র জৈন (Satyendar Jain) তাঁর কাছ থেকে ১০ কোটি টাকা জোরপূর্বক আদায় করেছেন বিনিময়ে নিরাপত্তা ও শান্তিতে জেলে থাকার প্রতিশ্রুতি দেন সত্যেন্দ্র। এছাড়া আরও অভিযোগ তোলা হয়েছে, অন্যান্য জেলা আধিকারিকরা ১২ কোটি ৫০ লাখ টাকা তাঁর কাছ থেকে নিয়েছেন। ২০১৯ থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত। এই  টাকাও নেওয়া হয়েছে জেলে সুকেশের নিরাপত্তা দেওয়ার নামে।

     

    আরও পড়ুন: দক্ষিণ কলকাতায় নামী ছাতু ব্যবসায়ীর অফিসে আয়কর হানা, উদ্ধার বিপুল টাকা

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Anubrata Mondal: ভাগ্যের কী নির্মম পরিহাস! অনুব্রত মেয়ের মুখোমুখি হলেন সেই তিহাড় জেলে

    Anubrata Mondal: ভাগ্যের কী নির্মম পরিহাস! অনুব্রত মেয়ের মুখোমুখি হলেন সেই তিহাড় জেলে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গরুপাচার মামলায় অনুব্রত মণ্ডল (Anubrata Mondal) গ্রেফতার হয়েছিলেন গত বছরের অগাস্ট মাসে। চলতি বছরের এপ্রিলে গ্রেফতার হন কন্যা সুকন্যা। সূত্রের খবর, ২৬ এপ্রিল কন্যার গ্রেফতারির খবর শুনেই ভেঙে পড়েন অনুব্রত। জানা গেছে, ইডি অফিসারদের কেষ্ট বলেন, শেষ অবধি মেয়েকেও গ্রেফতার করলেন? তখনই মেয়ের সঙ্গে দেখা করার আর্জি জানান কেষ্ট। শনিবার বাবা-মেয়ের দেখা হল, তবে তিহাড় জেলে।

    আরও পড়ুন: দুমাসও বিয়ে হয়নি! রাজৌরিতে জঙ্গি হামলায় প্রাণ গেল বাংলার সিদ্ধান্তর

    বাবা মেয়ের দেখা তিহাড়ে

    জানা গেছে, এদিন দেখা হওয়ার সময় বাবা-মেয়ে দুজনেই আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন। কথা বলার সময়সীমাও বেঁধে দেয় জেল কর্তৃপক্ষ। মোট ১৫ মিনিট কথা হয় দুজনের। প্রসঙ্গত, জেলে ৬ নম্বর মহিলা সেলে রয়েছেন সুকন্যা, আর কেষ্ট রয়েছেন তার পরের ৭ নম্বর সেলে। একই জেলে থাকলেও গ্রেফতারির পর থেকে এতদিন পর্যন্ত বাবা বা-মেয়ের দেখা বা কথা কিছুই হয়নি। বৃহস্পতিবারই আদালতে যখন কেষ্ট মন্ডলকে (Anubrata Mondal) নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল, তখনই জানা যায়, শনিবার তাঁর সঙ্গে দেখা হবে সুকন্যার। বৃহস্পতিবার তিনি সাংবাদিকদের বলেন, শনিবার দেখা করব। ও তো আমার মেয়ে। একশোবার দেখা করব।

    আরও পড়ুন: চলতি মাসেই কাশ্মীরে জি২০-র বৈঠক, বানচাল করতেই কি লাগাতার জঙ্গি হামলা?

    সুকন্যার জামিনের আবেদন

    অন্যদিকে গরুপাচার মামলায় জামিনের আবেদন করলেন কেষ্ট কন্যা। জানা গিয়েছে, তাঁর আইনজীবী অমিত কুমার এদিন দিল্লির রাউজ অ্যাভিনিউ আদালতে সুকন্যার জামিনের আবেদন করেন। ৩১ বছরের কেষ্টকন্যার জামিনের আবেদনে তাঁর আইনজীবী শারীরিক সমস্যার কথাও উল্লেখ করেছেন। জামিনের আবেদনের শুনানি রয়েছে ১২ মে। শোনা যাচ্ছে, সুকন্যার জামিনের বিরেধিতা করতে পারেন ইডি আধিকারিকরা। কারণ তদন্তকারী অফিসারদের যুক্তি হল, অনুব্রতর (Anubrata Mondal) গরু পাচার সংক্রান্ত যাবতীয় লেনদেন নিজেই দেখাশোনা করতেন সুকন্যা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Anubrata Mondal: খেলেন না রুটি, সমস্যা হল ঘুমে! তিহাড় জেলে প্রথম রাত কেমন কাটল অনুব্রতর?

    Anubrata Mondal: খেলেন না রুটি, সমস্যা হল ঘুমে! তিহাড় জেলে প্রথম রাত কেমন কাটল অনুব্রতর?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অবশেষে তিহাড় জেলেই রাত কাটাতে হল একদা ‘বীরভূমের বাঘ’ তৃণমূল নেতা অনুব্রত মণ্ডলকে। তিহাড় যাওয়া ঠেকাতে গত চার-পাঁচ মাস ধরে অনুব্রতর পক্ষ থেকে  আপ্রাণ চেষ্টা করা হচ্ছিল। দিল্লি-যাত্রা ঠেকানো যায়নি। রোখা যায়নি তিহাড়ে হাজতবাসও। মঙ্গলবার রাতই ছিল তিহাড়ে তাঁর প্রথম রাত্রিযাপন।

    আলাদা ঘরে প্রথম রাত

    জেল সূত্রে খবর, প্রথম রাতে আলাদা ঘরে রাখা হয় অনুব্রতকে। আজ, বুধবার তাঁকে কোনও সেলে দেওয়া হতে পারে। রাউজ অ্যাভিনিউ আদালত থেকে জেলে নিয়ে যাওয়ার পর জেলের ক্লিনিকে তাঁর স্বাস্থ্য পরীক্ষা হয়। সেইসময় তাঁর কাছে ছিল মাত্র ২টি কাগজ। একট হল তাঁর প্রেসক্রিপশন এবং অন্যটি হলে কোর্টের কাগজ। অনুব্রত মণ্ডলকে জেলে দড়ি দেওয়া পাজামা পরতে দেওয়া হয়নি। এর নেপথ্যে একটা অনিবার্য কারণ রয়েছে। তাঁকে বলা হয়েছে, ইলাস্টিক দেওয়া পাজামা পরতে। অনুব্রতর দেশি টয়লেটে বসতে অসুবিধা হয়।  তাঁকে ওয়েস্টার্ন টয়লেট তথা কমোড ব্যবহার করার অনুমতি দেওয়া হয়েছে। 

    ওষুধ নিয়ে সমস্যা

    অনুব্রত মণ্ডলকে কোনও ওষুধ নিয়ে জেলে ঢুকতে দেওয়া হয়নি। অনুব্রত শুধু প্রেসক্রিপশন নিয়ে জেলে ঢুকেছেন। তাঁকে জেল অথরিটি জানিয়েছে, জেলের মধ্যে ডিসপেনসারিতে গিয়ে তাঁর প্রেসক্রিপশন দেখাতে। ডাক্তারবাবু পরামর্শ দিলে জেলের ফার্মেসি থেকে ওষুধ পাবেন। কিন্তু প্রেসক্রিপশন দেওয়া হলেও তাঁর পরিচিত ব্র্যান্ডের ওষুধ তিনি পাননি। এনিয়ে তাঁকে সমস্যায় পড়তে হয়। কারণ একই কম্পোজিশনের ওষুধ দেওয়া হলেও অনুব্রত সেই পাতা চিনতে পারছিলেন না।

    রুটি খেলেন না কেষ্ট

    অনুব্রত মণ্ডল বাংলা ছাড়া কোনও ভাষা বলতে বা বুঝতে পারেন না। এই অবস্থায় জেল কর্তৃপক্ষকে বলা হয়েছে, অনুব্রত মণ্ডলের জন্য দোভাষীর ব্যবস্থা করতে। অনুব্রত মণ্ডলের যদি খুব শরীর খারাপ লাগে বা কোনও বিশেষ দরকার হয়, তা হলে দোভাষীর সাহায্য নিতে পারেন। তা ছাড়া খুব দরকার হলে তাঁর আইনজীবীকে ফোন করার অনুমতিও দেওয়া হয়েছে।  রাতে তিহাড় জেলের অধিকাংশ বন্দি রুটি ও সবজি খান। অনুব্রতকে সেই রুটি সবজি দেওয়া হয়। কিন্তু অনুব্রত রুটি খেতে পারেন না। তাই তিনি ভাত, ডাল ও সবজি খান। রাতে তাঁর ঘুমের সমস্যা হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। আদালত থেকে বলা হয়েছে রাতে শ্বাসকষ্ট বাড়লে তাঁকে যেন অক্সিজেন দেওয়া হয়। এদিন রাতে তাঁর অক্সিজেনের প্রয়োজন পড়েনি। তবে ইনহেলার ও অন্যান্য ওষুধ তাঁর সঙ্গে দিয়ে দেওয়া হয়। 

    আরও পড়ুন: ৯ বছরেও প্রকাশিত হয়নি মেধাতালিকা! চাকরিপ্রার্থীদের অভিযান ঘিরে ধুন্ধুমার সল্টলেকে

    সাত নম্বর সেলেই  থাকতে পারেন

    গরু পাচার মামলায় ধৃত অনুব্রতকে ১৩ দিনের জন্য তিহাড়ে জেল হেফাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেয় আদালত। তাঁকে ফের ৩ এপ্রিল আদালতে পেশ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।  গরু পাচার মামলায় ইতিমধ্যেই  অভিযুক্ত এনামুল হক, অনুব্রতের প্রাক্তন দেহরক্ষী সায়গল হোসেন, বিএসএফের অফিসার সতীশ কুমার তিহাড় জেলে রয়েছেন। সোমবারই অনুব্রতের হিসাবরক্ষক মণীশ কোঠারিকেও তিহাড়ে পাঠানো হয়েছে। জেল সূত্রের খবর, বাকিদের সঙ্গেই অনুব্রত সাত নম্বর সেলেই  থাকবেন। তবে গতকাল রাত পর্যন্ত কোনও পরিচিত সঙ্গীর  সঙ্গে দেখা হয়নি অনুব্রতর। জেলের নিয়ম অনুযায়ী, আপাতত একজন জেল আধিকারিকের নজরদারিতেই আছেন কেষ্ট। 

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Anubrata Mondal: অনুব্রতর হিসাবরক্ষক মণীশ কোঠারিকে ১৪ দিনের জেল হেফাজত! ঠিকানা তিহাড় জেল

    Anubrata Mondal: অনুব্রতর হিসাবরক্ষক মণীশ কোঠারিকে ১৪ দিনের জেল হেফাজত! ঠিকানা তিহাড় জেল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অনুব্রত মণ্ডলের (Anubrata Mondal) হিসাবরক্ষক মণীশ কোঠারিকে ১৪ দিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ দিল দিল্লির রাউস অ্যাভিনিউ আদালত। আপাতত তিহাড় জেলই ঠিকানা তাঁর। গ্রেফতার হওয়ার পর ৫ দিন পর ইডি হেফাজত শেষে সোমবার আদালতে তোলা হয়েছিল মণীশ কোঠারিকে। এদিন মণীশকে হেফাজতে নেওয়ার আবেদন জানায়নি ইডি। তাদের দাবি, মণীশ কোঠারির থেকে যাবতীয় তথ্য সংগ্রহ করা হয়ে গিয়েছে। তবে ইডির যুক্তি ছিল,জামিন পেলে তদন্ত প্রভাবিত করতে পারেন মণীশ কোঠারি।

    মণীশের নামে বিপুল সম্পত্তি

    ইডি সূত্রে খবর, গরু পাচারের কালো টাকা সাদা করার পিছনে অনুব্রতের (Anubrata Mondal) হিসাবরক্ষক মণীশের সক্রিয় ভূমিকা ও পরিকল্পনা ছিল। মণীশকে জেরা করে ইডি জানতে পেরেছে, কালো টাকা সাদা করার জন্য অনুব্রতর কালো টাকা ঢালা হয়েছিল আইপিএলেও। মণীশ কোঠারির ‘পরামর্শেই’ নাকি এই কাজ করেছিলেন অনুব্রত মণ্ডল (Anubrata Mondal)। বোলপুরের আশপাশেও মণীশের নামে বিপুল অঙ্কের সম্পত্তির হদিস মিলেছে। তাঁর নামে সমস্ত জমির বাজারমূল্য ১৭-১৮ কোটি টাকা। কেন্দ্রীয় তদন্তকারীদের দাবি, মণীশকে জেরা করেই সুকন্যার নামে বোলপুর ও সল্টলেকে রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কের শাখায় প্রায় ১০ কোটি টাকা মেয়াদি আমানতের সন্ধান মিলেছে। এদিন শুরু থেকেই জামিনের আবেদন জানান মণীশের আইনজীবী। কিন্তু ইডির যুক্তি মেনে মণীশ কোঠারিকে ১৪ দিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ দেয় আদালত। মণীশের স্ত্রী এদিন দাবি করেন তাঁর স্বামী নির্দোষ।

    আরও পড়ুুন: ‘তৃণমূল নেতাদের রাঁধুনি হলেও মিলবে ৬০ লক্ষ টাকা’! কটাক্ষ সুকান্তর

    ইডির তরফে জানানো হয়, জেরায় মণীশ জানিয়েছেন এনএম অ্যাগ্রোকেম সংস্থাটি আসলে তাঁর ছিল। তবে ২০১৮ সালে সেই সংস্থা তাঁর মেয়ে সুকন্যা মণ্ডলকে লিখে দিতে বাধ্য করেছিলেন অনুব্রত মণ্ডল। বিক্রি করার সময় সংস্থার বাজারদর ছিল ১৫ কোটি। তার বদলে মাত্র ৩ কোটি ৬০ লক্ষ টাকা মণীশকে দিয়েছিলেন অনুব্রত (Anubrata Mondal) । প্রসঙ্গত, গরুপাচারকাণ্ডের চার্জশিটে অনুব্রতর মেয়েকে একটি সংস্থা হস্তান্তরের কথা উল্লেখ করেছিল ইডি। মণীশ কোঠারির দাবি যাচাই করে দেখছেন গোয়েন্দারা। এই সংক্রান্ত নথি খতিয়ে দেখছেন তাঁরা। আপাতত তিহাড় জেলেই থাকতে হবে মণীশকে। যেখানে রয়েছেন অনুব্রতর প্রাক্তন দেহরক্ষী সায়গল হোসেন। মঙ্গলবার রাউস অ্যাভিনিউ আদালতে তোলা হবে অনুব্রতকেও (Anubrata Mondal) । তাঁর কী পরিণতি হয়? এখন সেদিকেই নজর সকলের।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share